নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

www.facebook.com/abdur.sharif

আবদুর রব শরীফ

বাধা বিঘ্ন না পেরিয়ে বড় হয়েছে কে কবে?

আবদুর রব শরীফ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইহুদি

০৮ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৮

ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ একজন ইহুদি আসেন ফেসবুক বর্জন করি,
.
গুগুলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেইজ একজন ইহুদি আসেন গুগুল বয়কট করি,
.
গুগুলের সহ প্রতিষ্ঠাতা সের্গেই ব্রিনও একজন রাশিয়ান ইহুদি আসেন এক্ষুণি গুগুল ত্যাগ করি,
.
বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন একজন ইহুদি সুতরাং আসেন তার আবিষ্কারগুলো বর্জন করি,
.
বিশ্ববিখ্যাত মিডিয়া মোগল রুপার্ট মারডকের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রায় দুইশ জনপ্রিয় পত্র পত্রিকা এবং অসংখ্য টিভি চ্যানেলের পৃষ্ঠপোষক ইহুদি আসেন বর্জন করি,
.
পৃথিবীর প্রায় সব কম্পিউটারে ব্যবহার করা ইনটেল প্রসেসরের ইজরাইলের দশ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আসেন কম্পিউটার বর্জন করি,
.
ইহুদিরা বিশ্বাস করে তাদের প্রতি নবীর নির্দেশ ছিল, 'রাষ্ট্র নিপীড়ক যন্ত্র। তোমরা ব্যবসাকে গুরুত্ব দিবে।'
.
আর সে কারণে আজ পৃথিবীর বড় বড় কোম্পানীগুলোর শেয়ার তাদের দখলে আর আমরা সেসব প্রতিষ্ঠানে তাদের কর্মচারী হতে পারলে গর্ববোধ করি!
.
জ্ঞান বিজ্ঞান গবেষণা অর্থিকভাবে যখন ইহুদিরা এগিয়ে যাচ্ছে তখন আমি মুসলিমরা কি করছি?
.
বিশ্বের লোকসংখ্যার মাত্র ০.২% ইহুদির ঝুলিতে ২০% নোবেল পুরস্কার!
.
গত ১০০ বছরেরও বেশী সময় ধরে নোবেল শান্তি পুরস্কার বাদে গবেষণার উন্নয়নে কিংবা আবিষ্কারে ইহুদীরা প্রায় দুইশটি নোবেল পুরষ্কার জিতেছে অন্যদিকে মুসলিমরা শুধুমাত্র দুই চার জন!
.
হলিউড নিজেই একটি ইহুদি দ্বারা সৃষ্ট প্রতিষ্ঠান
.
শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যে পরিমাণ বিশ্ববিদ্যালয় আছে তাদের দশ ভাগের এক ভাগও একত্রে সব মুসলিম দেশের নেই!
.
বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আজ ইহুদিদের নিয়ন্ত্রণে থাকে তখন আমরা কি করছি?
.
মুসলিম বিশ্বের গবেষণা এবং উন্নয়নে জিডিপির ০.২ শতাংশ ব্যয় করছে ওরা করছে ৫ থেকে ১০ শতাংশ!
.
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে ছিলাম গবেষণা কি এবং কাহাকে বলে চক্ষে দেখি নাই!
.
স্যার লেকচার দিতো, পরীক্ষার সময় দুই একটা বন্ধু নোট করতো নতুবা বড় ভাইদের কিছু নোট করা থাকতো সেগুলো ফটোকপি করে মাশাল্লাহ শুধু পাস না কেউ কেউ ফোর আউট অব ফোর পেয়ে যেতাম!
.
অথচ প্রশ্ন ঘুরিয়ে দিলে এ+ পাওয়া ছাত্রটিও বেকুব বনে যেতো!
.
ছাত্র রাজনীতি করা প্রভাবশালী ছেলেটির কথা কি আর বলবো সে স্যারকে বলে, আপনার উপরও শান্তি বর্ষিত হোক (ওয়ালাইকুম সালাম)!
.
আন্দোলন করে ভিসির প্যান্ট খুলে ফেলেছে এমন ঘটনাও দুই চারটা দেখেছি
.
এতো প্রভাবশালী ছাত্রগুলো দিনশেষে শাটলে গান ধরে, বন্ধু বান্ধবের সাথে একটা দুইটা টান তারপর থেকে হয়ে গেলো গাঞ্জা আমার জান......!
.
ইহুদিদের বর্জন করে বর্তমান পৃথিবীতে আমি আপনি কিছু করতে পারবো না যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা নিজেরা কিছু অর্জন করতে পারবো!

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৮

শাহিন-৯৯ বলেছেন: আপনার শেষ লাইন দুটি সবকিছুই বলে দেয়।

মুসলিমর যখন বিশ্ব শাসন করেছে তখন মুসলিমরা জ্ঞানে এগিয়ে ছিল। এখন ইহুদিরা শাসন করছে কারণ তারা জ্ঞানে এগিয়ে।

আল্লাহ বলেছেন- পড়, তুমি তোমার সৃষ্টিকর্তার নামে। আমরা ধরে নিয়েছি আল্লাহ শুধু আমাদের কোরআন-হাদিস পড়তে বলেছেন, ব্যাস! ল্যাটা চুকে গেল। আমরা আছি মাযহাব নিয়ে মারামারিতে আর ইহুরি-খ্রিষ্টানরা ফাঁকা মাঠে গোল দিচ্ছে।

গুগল বিষয় আমরা একটু দ্বিমত আছে, এই মহৎ কাজটি নাকি প্রথমে আমাদের একজন পন্ডিত মশাই কোডিং করে ছিলেন, কিন্তু সময়ের অভাবে তা----- যাক বেশি বললে আবার হিতে বিপরীত হতে পারে।

২| ০৮ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৭

সিগন্যাস বলেছেন: ইহুদিদের বর্জন করে বর্তমান পৃথিবীতে আমি আপনি কিছু করতে পারবো না যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা নিজেরা কিছু অর্জন করতে পারবো!
যথার্থ কথা।ইসরাইলের আয়তন মাত্র বাইশ হাজার বর্গকিলোমিটার।অথচ তারা পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে চালাচ্ছে।ইসরাইলের জনসংখ্যা মাত্র ৮৭ লক্ষ।এই ক্ষুদ্র জনসংখ্যা নিয়েও তারা অসাধ্য সাধন করছে।আপনি আজকে যে এন্টিবায়োটিক নেন সেটাও ইহুদিদের আবিষ্কার।ইহুদিদের ছাড়া আধুনিক বিশ্ব অচল।

৩| ০৮ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৩

স্োরনাভ বলেছেন: শাহিন ৯৯ হা হা হা

৪| ০৮ ই জুন, ২০১৮ রাত ৮:১৬

বিজন রয় বলেছেন: আপনি কাকে বোঝাতে চাইছেন?
যে জেগে জেগে ঘুমায় তাকে?

৫| ০৯ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১০:৩২

রাজীব নুর বলেছেন: বেশিরভাগ ধার্মিক পরকালের কথা ভেবে ধর্ম পালন করেন। বেহেস্তের আশা করে হুর-পরীর সঙ্গ পাওয়ার জন্য ধর্মে লিপ্ত হওয়ার যত আয়োজন করেন। ইহকালের সুখ কিছু না, পরকালের সুখ হলো চিরন্তন এবং শাশ্বত; এমন বিশ্বাসে বিশ্বাসী তারা। বিশেষভাবে যখন ধর্মীয় বয়ান চলে তখন এসব লোভনীয় কথাই বেশি বলা হয়। বলা হয় ওয়াজ, নসিয়তেও। কাউকে কনভিন্স করার জন্য হলেও পরকালের সুখসর্বস্ব বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে বোঝানো হয়। কী কাজ করলে বেহেস্তে যাবে বা ধর্ম কীভাবে পালন করলে বেহেস্তে যাওয়া সহজ হবে; এসবই চারদিকে শুনতে হয়। এমনকি মানুষের মধ্যে বিরক্তির উদ্রেক করেও বেহেস্তের পথ তৈরি করেন তারা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.