নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহসী সত্য

অনল চৌধুরী

লেখক,সাংবাদিক,গবেষক,অনুবাদক,দার্শনিক,তাত্ত্বিক,সমাজ সংস্কারক,শিক্ষক ও সবরকম অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী যোদ্ধা

অনল চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

পরশ্রীকাতরতা ও দলাদলি থেকে ‍মুক্ত হতে না পারলে বাংলাদেশের উন্নয়ন অসম্ভব

১২ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১:৩৬

৩ জন বাঙ্গালী মানে ২ টা দল আর ১০০ টা বাঙ্গালী মানে ১০০০ টা দল । তাদের হাড় - মাংসে মিশে আছে উত্তরাধিকার সূত্রে লাভ করা পরশ্রীকাতরতা আর সেই সঙ্গে নোংরা দলাদলি।

বাংলাদেশের অর্থহীন রাজনৈতিক সহিংসতা থেকে শুরু করে সব সমস্যার মূল কারণ পরশ্রীকাতরতা আর নোংরা দলাদলি।
এই দুই থেকে মুক্ত হতে না পারার কারণেই তারা হাজার বছর পরাধীন ছিল।দেশের স্বাধীনতার জন্য তারা কখনো ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করতে পারেনি।এই সুযোগে এদেশ শাসন করেছে সেন,তুর্কী,মোগল,পাঠান,ইংরেজ অার পাকিস্তানীরা।

এখন স্বাধীন হলেও এসবের কারণে অর্থনৈতিক মুক্তি আসছে না এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে না।

বাংলাদেশের ইতিহাসে পরশ্রীকাতরতা ভয়ংকর সব ঘটনা ঘটিয়েছে এবং এখনো ঘটাচ্ছে।

১৫ই অাগষ্টের হত্যাকারীদের জিয়ার মদদ দেয়ার একমাত্র কারণ হলো তার পরিবর্তে শফিউল্লাহ কে সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দেয়া।খুনীরা হত্যাকান্ড ঘটানোর পরিকল্পনা নিয়ে ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফসহ অারো কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার কাছে গেলেও এক জিয়া ছাড়া অার কেউ তাদের উৎসাহ দেয়নি।সেনাপ্রধান হতে না পারার ব্যার্থতা থেকে শফিউল্লাহর প্রতি চরম পরশ্রীকাতরতার বশবর্তী হয়ে জিয়া এভাবে এই ঘৃণ্য পরিকল্পনার প্রধান সহায়তাকারী হয়।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে কোন দল ক্ষমতায় গেলে অন্যান্য দলগুলি ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে সবসময় জোট বাধে।কোন সরকারকেই শান্তিতে কাজ করতে দেয়া হয়না। এই ঘটনাও পরশ্রীকাতরতা ও দলাদলির নিকৃষ্ট দৃষ্টান্ত।

রাজনীতি,ব্যবসা-বাণিজ্য,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ প্রতিটা জায়গায় লোকজন বিপুল উৎসাহের সাথে এইসব নিকৃষ্ট অাচরণের চর্চা করছে।
এক্ষেত্রে গ্রাম্য-শহুরে,শিক্ষিত-অশিক্ষিত বা ধনী-গরীবের কোন ভেদাভেদ নাই।এই দুই ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রায় সব মানুষের মধ্যেই চরম মিল।

শিক্ষক,অাইনজীবি,সাংবাদিক এবং চিকিৎসকদের মতো দায়িত্বশীল পেশায় নিয়োজিতরাও স্বার্থের দ্বন্দে নিয়মিতই দলাদলি করছে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান,অাদালত ও হাসপাতালের মতো পবিত্র জায়গাগুলিতে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ছে।
এইসব প্রবীণদের দেখেই তরুণরাও একই ধরণের আচরণে উৎসাহিত হচ্ছে।

এসব নিকৃষ্ট বৈশিষ্ট এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মের মধ্যে সংক্রামিত হচ্ছে।দেশে বা বিদেশের ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করে,বই পড়ে বা তথ্য-প্রযুক্তির সুবিধা লাভ করেও এদেশের মানুষ এইসব খারাপ জাতি ধ্বংসমূলক স্বভাব থেকে নিজেদের মুক্ত করতে পারছে না।

অার পরশ্রীকাতরতা ও দলাদলি থেকে ‍মুক্ত হতে না পারলে বাংলাদেশের উন্নয়ন অসম্ভব একটা ব্যাপার।
[img|http://s3.amazonaws.com

মন্তব্য ১৭ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ২:০৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: অনল ভাই, উকিল পেটাচ্ছে উকিল, ছাত্র পেটাচ্ছে ছাত্র !!! আমার মতে এদের রিক্সাওয়ালা দিয়ে ধরে পেটানো উচিত । বিভিষণের আর মীরজাফরের বংশধর সব ।

১২ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ২:১২

অনল চৌধুরী বলেছেন: রিকশাওয়ালারা এদের সবার মধ্যে সবচেয়ে সন্মানিত।কারণ তার কঠোর পরিশ্রম করে সৎপথে আয় করে।চুরি,ঘুষ,দুর্নীতি,চাদাবাজি,মাদক ব্যবসা বা বিদেশে টাকা পাচার করে না।
দেশে-বিদেশে ট্যাক্সি-চালক অার খাবার পরিবেশকদের অনেকেই টাকা দেয় কিন্ত তাদের ২/১ টাকার জন্য মারে,যা খুবই লজ্জা ও দুঃখের।

২| ১২ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ২:২৩

কাজী ফররুখ আহমেদ বলেছেন: দালালী থাকবে,দালালী থাকতে হবে কারণ এই দেশের যেকোনো কাজে দালাল একমাত্র ভরসা !

১২ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ২:৩৮

অনল চৌধুরী বলেছেন: দালালি পেলেন কোথায়?
আমি তো বলেছি দলাদলি!!
তবে দালালিই আছে সব জায়গায়।
যেমন মূর্খ জনগণ অার রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে দালালি করে কিছু শিক্ষিত-অশিক্ষিত পা-চাটা ।

৩| ১২ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ২:৩৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: রিক্সাওয়ালাদের কঠোর পরিশ্রমের শক্ত হাতে থাবড়ানো উচিত এইসব শিক্ষিত নামক দেশের কলংককে। রিক্সাওয়ালাদের যারা ২ টাকা ৫ টাকার জন্য গায়ে হাত দেয় - মারে, তারা বেজন্মা। দলাদলি আর দালাল নামক আগাছা নিধন হওয়া উচিত ।

১২ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ২:৪১

অনল চৌধুরী বলেছেন: কিন্ত কে করবে?
অামি তো সাধ্যের বেশী করছি।
দেশের মানুষ রাশিয়া,কিউবা,চীন,জাপান,কোরিয়া,মালয়শিয়া বা সিঙ্গাপুর এমনকি এ্যামেরকিার মতো হলেও অনেক আগেই সবকিছু ঠিক হয়ে যেত।
কিন্ত তারা যে বাঙ্গালী!!!

৪| ১২ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ২:৫৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



মানুষ ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য সঠিক কারণ থাকতে হবে।

১২ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৩:২১

অনল চৌধুরী বলেছেন: এ্যামেরিকানরা বিভিন্ন দেশ থেকে এসেও প্রথমে লুটপাট অার পরে উন্নত রাষ্ট্র গঠনের ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ হতে পেরেছে।
কিন্ত বাঙ্গালীরা কোনদিনও পারবে না।

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ২:১০

অনল চৌধুরী বলেছেন: কারণের অভাব নাই।কিন্ত পরশ্রীকাতরতা ও দলাদলির কারণে তারা কোনদিনও পারবে না।
মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানীরা নির্বিচার গণহত্যা শুরু না করলে তারা কোনদিনও ঐক্যবদ্ধ হতো না।তখনও দলাদলি কম হয়নি।
সিরাজ শিকদাররের দল পাকিস্তানী সৈন্য অার মুক্তিযোদ্ধা-দুই পক্ষের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ করেছিলো।
এরকম দলাদলিতেই এদেশের মানুষ বিশেষ পারদর্শী,ভালো কিছুতে না।

৫| ১২ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৫:৫৯

জুম্মান মির বলেছেন: যতোদিন এদেশে অবৈধ সরকার থাকবে। মানুষের রক্ত চুষবে আর দেশে অবৈধভাবে ভোট চুরি করে বছরের পর বছর ক্ষমতায় থাকবে ততোদিন দেশ উন্নতি হবে।

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১:৩০

অনল চৌধুরী বলেছেন: জুম্মান মির,স্পষ্টভাবে বলছেন না কেন যে, অাপনার প্রিয় চুন্নি খালেদা অার দুর্নীতিবাজ,খুনী ,লম্পট,বিদেশে হাজার কোটি টাকা পাচার করে বিলাসবহুল জীবন-যাপনকারী তারেক ক্ষমতায় অাসলে দেশটা বেহেশত হবে,২০০১-২০০৬ এর মতো!!!!!!

৬| ১২ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:১৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: বেশ বলেছেন। আমাদের মত পরশ্রীকাতর জাত আর যেমন দ্বিতীয়টি নেই, তেমনি আমাদের মত হুজুগে মাতা জাতও খুব বেশী নেই।
আমাদেরকে বিকৃত তথ্য গুলিয়ে খাওয়ানোটা খুবই সহজ, কারণ আমরা যাচাই করে দেখার পরিশ্রমটুকু করতে চাইনা।

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ২:০৪

অনল চৌধুরী বলেছেন: ১৯৯১ সালে যুগোশ্লাভিয়া ভেঙ্গে যাওয়ার পর রক্তাক্ত যুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৯২ থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে স্বাধীনতা পেয়েছে বল্কান অঞ্চলের স্লোভেনিয়া,ক্রোয়েশিয়া,বসনিয়া অার কসোভো।কিন্ত মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে যুদ্ধের ক্ষয়-ক্ষতি কাটিয়ে তারা অর্থনৈতিক দিক দিয়ে পশ্চিম ইউরোপের উন্নত দেশগুলির প্রায় কাছাকাছি চলে গেছে।কিন্ত স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরও বাংলাদেশ কোথায় পড়ে আছে?
এ অবস্থার অবসান কি কোনদিন হবে?
এদেশের জনগণ নিজেরাই নিজেদের বড় এবং একমাত্র শত্রু।

৭| ১২ ই অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ২:৩২

রাজীব নুর বলেছেন: এই দেশ নষ্টদের দখলে অলরেডি চলে গেছে।

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১:২৭

অনল চৌধুরী বলেছেন: স্বাধীনতার পর দেশটা কবে ভালো লোকদের শাসনে ছিলো দুই-তিন মাস ছাড়া?
এই জাতি গোলাম থাকলেই ভালো থাকে অার স্বাধীন হলেই বজ্জাতি করে।
স্বাধীনতার মূল্য এরা বোঝে না।

৮| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ২:৫৩

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: শিরোনামে সহমত...

১৪ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ২:১৭

অনল চৌধুরী বলেছেন: অার কতো লিখবো?
এর শেষ কবে?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.