নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সত্য অন্বেষক

আরব বেদুঈন

আমি তো শুধু প্রাচারক মাত্র

আরব বেদুঈন › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রকৃত পর্দা বিধান -পার্ট ১

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:০৯

হে নবী! তোমার স্ত্রীদের, কন্যাদের ও মু’মিনদের নারীদেরকে বলে দাও তারা যেন তাদের চাদরের প্রান্ত তাদের ওপর টেনে নেয়।১১০ এটি অধিকতর উপযোগী পদ্ধতি, যাতে তাদেরকে চিনে নেয়া যায় এবং কষ্ট না দেয়া হয়।১১১ আল্লাহ ক্ষমাশীল ও করুণাময়। ( সূরা আহযাব আয়াত ৫৯)

টীকার ব্যাখ্যাঃ ১১০) মূল শব্দগুলো হচ্ছে, يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلَابِيبِهِنَّ আরবী ভাষায় ‌‘জিলবাব’‍‍‍‍ বলা হয় বড় চাদরকে। আর ‘ইদন’ (ادناء) শব্দের আসল মানে হচ্ছে নিকটবর্তী করা ও ঢেকে নেয়া। কিন্তু যখন তার সাথে ‘আলা’ অব্যয় (Preposition) বসে তখন তার মধ্যে ইরখা (ارخاء) অর্থাৎ ওপর থেকে ঝুলিয়ে দেয়ার অর্থ সৃষ্টি হয়। বর্তমান যুগের কোন কোন অনুবাদক ও তাফসীরকার পাশ্চাত্য ভাবধারায় প্রভাবিত হয়ে এ শব্দের অনুবাদ করেন শুধুমাত্র “জড়িয়ে নেয়া” যাতে চেহারা কোনভাবে ঢেকে রাখার হুকুমের বাইরে থেকে যায়। কিন্তু যা বর্ণনা করছেন আল্লাহর উদ্দেশ্য যদি তাই হতো, তাহলে তিনি يدنين اليهن বলতেন। যে ব্যক্তিই আরবী ভাষা জানেন তিনি কখনো একথা মেনে নিতে পারেন না যে, يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ মানে কেবলমাত্র জড়িয়ে নেয়া হতে পারে। তাছাড়া مِنْ جَلَابِيبِهِنَّ শব্দ দু’টি এ অর্থ গ্রহণ করার পথে আরো বেশী বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। একথা সুস্পষ্ট যে, এখানে মিন (من) শব্দটি ‘কিছু’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ চাদরের এক অংশ। আর এটাও সুস্পষ্ট যে, জড়িয়ে নিতে হলে পুরো চাদর জড়াতে হবে, নিছক তার একটা অংশ নয়। তাই আয়াতের পরিষ্কার অর্থ হচ্ছে, নারীরা যেন নিজেদের চাদর ভালোভাবে জড়িয়ে ঢেকে নিয়ে তার একটি অংশ বা একটি পাল্লা নিজেদের ওপর লটকিয়ে দেয়, সাধারণভাবে যাকে বলা হয় ঘোমটা।
নবুওয়াত যুগের নিকটবর্তী কালের প্রধান মুফাসসিরগণ এর এ অর্থই বর্ণনা করেন। ইবনে জারীর ও ইবনুল মুনযিরের বর্ণনা মতে মুহাম্মাদ ইবনে সিরীন (রা.) হযরত উবাইদাতুস সালমানীর কাছে এ আয়াতটির অর্থ জিজ্ঞেস করেন। (এই হযরত উবাইদাহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে মুসলমান হন কিন্তু তাঁর খিদমতে হাযির হতে পারেননি। হযরত উমরের (রা.) আমলে তিনি মদীনা আসেন এবং সেখানেই থেকে যান। তাঁকে ফিকহ ও বিচার সংক্রান্ত বিষয়ে কাযী শুরাইহ-এর সমকক্ষ মনে করা হতো।) তিনি জবাবে কিছু বলার পরিবর্তে নিজের চাদর তুলে নেন এবং তা দিয়ে এমনভাবে মাথা ও শরীর ঢেকে নেন যে তার ফলে পুরো মাথা ও কপাল এবং পুরো চেহারা ঢাকা পড়ে যায়, কেবলমাত্র একটি চোখ খোলা থাকে। ইবনে আব্বাসও প্রায় এই একই ব্যাখ্যা করেন। তাঁর যেসব উক্তি ইবনে জারীর, ইবনে আবি হাতেম ও ইবনে মারদুইয়া উদ্ধৃত করেছেন তা থেকে তাঁর যে বক্তব্য পাওয়া যায় তা হচ্ছে এই যে, “আল্লাহ মহিলাদেরকে হুকুম দিয়েছেন যে, যখন তারা কোন কাজে ঘরের বাইরে বের হবে তখন নিজেদের চাদরের পাল্লা ওপর দিয়ে লটকে দিয়ে যেন নিজেদের মুখ ঢেকে নেয় এবং শুধুমাত্র চোখ খোলা রাখে।” কাতাদাহ ও সুদ্দীও এ আয়াতের এ ব্যাখ্যাই করেছেন।

সাহাবা ও তাবে’ঈদের যুগের পর ইসলামের ইতিহাসে যত বড় বড় মুফাসসির অতিক্রান্ত হয়েছেন তাঁরা সবাই একযোগে এ আয়াতের এ অর্থই বর্ণনা করেছেন। ইমাম ইবনে জারীর তাবারী বলেনঃ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلَابِيبِهِنَّ অর্থাৎ ভদ্র ঘরের মেয়েরা যেন নিজেদের পোশাক আশাকে বাঁদীদের মতো সেজে ঘর থেকে বের না হয়। তাদের চেহারা ও কেশদাম যেন খোলা না থাকে। বরং তাদের নিজেদের ওপর চাদরের একটি অংশ লটকে দেয়া উচিত। ফলে কোন ফাসেক তাদেরকে উত্যক্ত করার দুঃসাহস করবে না। (জামেউল বায়ান ২২ খন্ড, ৩৩ পৃষ্ঠা)।

আল্লামা আবু বকর জাসসাস বলেন, “এ আয়াতটি প্রমাণ করে, যবুতী মেয়েদের চেহারা অপরিচিত পুরুষদের থেকে লুকিয়ে রাখার হুকুম দেয়া হয়েছে। এই সাথে ঘর থেকে বের হবার সময় তাদের সতর ও পবিত্রতা সম্পন্না হবার কথা প্রকাশ করা উচিত। এর ফলে সন্দেহযুক্ত চরিত্র ও কর্মের অধিকারী লোকেরা তাদেরকে দেখে কোন প্রকার লোভ ও লালসার শিকার হবে না।” (আহকামুল কুরআন, ৩ খন্ড, ৪৫৮ পৃষ্ঠা)

আল্লামা যামাখশারী বলেন, يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلَابِيبِهِنَّ অর্থাৎ তারা যেন নিজেদের চাদরের একটি অংশ লটকে নেয় এবং তার সাহায্যে নিজেদের চেহারা ও প্রান্তভাগগুলো ভালোভাবে ঢেকে নেয়।” (আল কাশশাফ, ২ খন্ড, ২২ পৃষ্ঠা)

আল্লামা নিযামুদ্দীন নিশাপুরী বলেন, يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلَابِيبِهِنَّ অর্থাৎ নিজেদের ওপর চাদরের একটি অংশ লটকে দেয়। এভাবে মেয়েদেরকে মাথা ও চেহারা ঢাকার হুকুম দেয়া হয়েছে। (গারায়েবুল কুরআন ২২, খন্ড ৩২ পৃষ্ঠা)

ইমাম রাযী বলেনঃ “এর উদ্দেশ্য হচ্ছে, লোকেরা যেন জানতে পারে এরা দুশ্চরিত্রা মেয়ে নয়। কারণ যে মেয়েটি নিজের চেহারা ঢাকবে, অথচ চেহারা সতরের অন্তর্ভুক্ত নয়, তার কাছে কেউ আশা করতে পারে না যে, সে নিজের ‘সতর’ অন্যের সামনে খুলতে রাজী হবে। এভাবে প্রত্যেক ব্যক্তি জানবে, এ মেয়েটি পর্দানশীল, একে যিনার কাজে লিপ্ত করার আশা করা যেতে পারে না।” (তাফসীরে কবীর, ২ খন্ড, ৫৯১ পৃষ্ঠা)

এ আয়াত থেকে পরোক্ষভাবে আর একটি বিষয়ের সন্ধান পাওয়া যায়। অর্থাৎ এখান থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কয়েকটি কন্যা থাকার কথা প্রমাণিত হয়। কারণ, আল্লাহ‌ বলছেন, “হে নবী! তোমার স্ত্রীদের ও কন্যাদেরকে বলো।” এ শব্দাবলী এমনসব লোকদের উক্তি চূড়ান্তভাবে খন্ডন করে যারা আল্লাহর ভয়শূন্য হয়ে নিসংকোচে এ দাবী করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কেবলমাত্র একটি কন্যা ছিল এবং তিনি ছিলেন, হযরত ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহা। বাদবাকি অন্য কন্যারা তাঁর ঔরসজাত ছিলেন না, তাঁরা ছিলেন তাঁর স্ত্রীর পূর্ব স্বামীর ঔরসজাত এবং তাঁর কাছে প্রতিপালিত। এ লোকেরা বিদ্বেষে অন্ধ হয়ে একথাও চিন্তা করেন না যে, নবী সন্তানদেরকে তাঁর ঔরসজাত হবার ব্যাপারটি অস্বীকার করে তারা কতবড় অপরাধ করছেন এবং আখেরাতে এজন্য তাদেরকে কেমন কঠিন জবাবদিহির সম্মুখীন হতে হবে। সমস্ত নির্ভরযোগ্য হাদীস এ ব্যাপারে ঐকমত্য ব্যক্ত করেছে যে, হযরত খাদীজার (রা.) গর্ভে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কেবলমাত্র একটি সন্তান হযরত ফাতেমা (রা.) জন্ম গ্রহণ করেননি বরং আরো তিন কন্যাও জন্মলাভ করে। নবী করীমের ﷺ সবচেয়ে প্রাচীন সীরাত লেখক মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক হযরত খাদীজার সাথে নবী করীমের ﷺ বিয়ের ঘটনা উল্লেখ করার পর বলেনঃ “ইবরাহীম ছাড়া নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সমস্ত ছেলে মেয়ে তাঁরই গর্ভে জন্ম নেয়। তাদের নাম হচ্ছেঃ কামেস, তাহের ও তাইয়েব এবং যয়নব, রুকাইয়া, উম্মে কুলসুম ও ফাতেমা। (সীরাতে ইবনে হিশাম, ১ খন্ড, ২০২ পৃষ্ঠা) প্রখ্যাত বংশতালিকা বিশেষজ্ঞ হিশাম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুস সায়েব কালবির বর্ণনা হচ্ছেঃ “নবুওয়াত লাভের পূর্বে মক্কায় জন্ম গ্রহণকারী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রথম সন্তান হলো কাসেম। তারপর জন্ম লাভ করে যয়নব, তারপর রুকাইয়া, তারপর উম্মে কুলসুম।” (তাবকাতে ইবনে সা’দ, ১খন্ড, ১৩৩ পৃষ্ঠা) ইবনে হাযম জাওয়ামেউস সিয়ারে লিখেছেন, হযরত খাদীজার (রা.) গর্ভে নবী করীমের ﷺ চারটি কন্যা জন্ম গ্রহণ করেন। এদের মধ্যে সবার বড় ছিলেন হযরত যয়নব (রা.), তাঁর ছোট ছিলেন হযরত রুকাইয়া (রা.), তাঁর ছোট ছিলেন হযরত ফাতেমা (রা.) এবং তাঁর ছোট ছিলেন উম্মে কুলসুম (রা.) (পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯) তাবারী, ইবনে সা’দ আল মুহাব্বার গ্রন্থ প্রণেতা আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবনে হাবীব এবং আল ইসতি’আব গ্রন্থ প্রণেতা ইবনে আবদুল বার নির্ভরযোগ্য বরাতের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পূর্বে হযরত খাদীজার (রা.) আরো দু’জন স্বামী অতিক্রান্ত হয়েছিল। একজন ছিলেন আবু হালাহ তামিমী, তাঁর ঔরসে জন্ম নেয় হিন্দ ইবনে আবু হালাহ। দ্বিতীয় জন ছিলেন আতীক ইবনে আয়েদ মাখযূমী। তাঁর ঔরসে হিন্দ নামে এক মেয়ের জন্ম হয়। তারপর তাঁর বিয়ে হয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে। সকল বংশ তালিকা বিশেষজ্ঞ এ ব্যাপারে একমত যে তাঁর ঔরসে হযরত খাদীজার (রা.) গর্ভে ওপরে উল্লেখিত চার কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। (দেখুন তাবারী, ২ খন্ড, ৪১১ পৃষ্ঠা তাবকাত ইবনে সা’দ, ৮ খন্ড, ১৪-১৬ পৃষ্ঠা, কিতাবুল মুহাব্বার, ৭৮, ৭৯ ও ৪৫২ পৃষ্ঠা এবং আল ইসতি’আব, ২খন্ড, ৭১৮ পৃষ্ঠা।) এ সমস্ত বর্ণনা নবী করীমের ﷺ একটি নয় বরং কয়েকটি মেয়ে ছিল, কুরআন মজীদের এ বর্ণনাকে অকাট্য প্রমাণ করে।

টীকার ব্যাখ্যাঃ ১১১) “চিনে নেয়া যায়” এর অর্থ হচ্ছে, তাদেরকে এ ধরনের অনাড়ম্বর লজ্জা নিবারণকারী পোশাকে সজ্জিত দেখে প্রত্যেক প্রত্যক্ষকারী জানবে তারা অভিজাত ও সম্ভ্রান্ত পরিবারের পূত-পবিত্র মেয়ে, এমন ভবঘুরে অসতী ও পেশাদার মেয়ে নয়, কোন অসদাচারী মানুষ যার কাছে নিজের কামনা পূর্ণ করার আশা করতে পারে। “না কষ্ট দেয়া হয়” এর অর্থ হচ্ছে এই যে, তাদেরকে যেন উত্যক্ত ও জ্বালাতন না করা হয়।
এখানে কিছুক্ষণ থেমে একবার একথাটি অনুবাধন করার চেষ্টা করুন যে, কুরআনের এ হুকুম এবং এ হুকুমের যে উদ্দেশ্য আল্লাহ‌ নিজেই বর্ণনা করেছেন তা ইসলামী সমাজ বিধানের কোন্ ধরনের প্রাণ শত্তির প্রকাশ ঘটাচ্ছে। ইতিপূর্বে সূরা নূরের ৩১ আয়াতে এ নির্দেশ আলোচিত হয়েছে যে, মহিলারা তাদের সাজসজ্জা অমুক অমুক ধরনের পুরুষ ও নারীদের ছাড়া আর কারো সামনে প্রকাশ করবে না। “আর মাটির ওপর পা দাপিয়ে চলবে না, যাতে যে সৌন্দর্য তারা লুকিয়ে রেখেছে লোকেরা যেন তা জেনে না ফেলে।” এ হুকুমের সাথে যদি সূরা আহযাবের এ আয়াতটি মিলিয়ে পড়া হয় তাহলে পরিষ্কার জানা যায় যে, এখানে চাদর দিয়ে ঢাকার যে হুকুম এসেছে অপরিচিতদের থেকে সৌন্দর্য লুকানোই হচ্ছে তার উদ্দেশ্য। আর একথা সুস্পষ্ট যে, এ উদ্দেশ্য তখনই পূর্ণ হতে পারে যখন চাদরটি হবে সাদামাটা। নয়তো একটি উন্নত নকশাদার ও দৃষ্টিনন্দন কাপড় জড়িয়ে নিলে তো উল্টো এ উদ্দেশ্য আরো খতম হয়ে যাবে। তাছাড়া আল্লাহ‌ কেবল চাদর জড়িয়ে সৌন্দর্য ঢেকে রাখার হুকুম দিচ্ছেন না বরং একথাও বলছেন যে, মহিলারা যেন চাদরের একটি অংশ নিজেদের ওপর লটকে দেয়। কোন বিচক্ষণ বিবেকবান ব্যক্তি এ উক্তিটির এছাড়া দ্বিতীয় কোন অর্থ করতে পারেন না যে, এর উদ্দেশ্য হচ্ছে ঘোমটা দেয়া যাতে শরীর ও পোশাকের সৌন্দর্য ঢাকার সাথে সাথে চেহারাও ঢাকা পড়বে। তারপর আল্লাহ‌ নিজেই এ হুকুমটির ‘ইল্লাত’ (কার্যকারণ) এ বর্ণনা করেছেন যে, এটি এমন একটি সর্বাধিক উপযোগী পদ্ধতি যা থেকে মুসলমান মহিলাদেরকে চিনে নেয়া যাবে এবং তারা উত্যক্ত হবার হাত থেকেও বেঁচে যাবে। এ থেকে আপনা-আপনিই একথা প্রকাশ হয়ে যায় যে, এ নিদের্শ এমন সব মহিলাকে দেয়া হচ্ছে যারা পুরুষদের হাতে উত্যক্ত হবার এবং তাদের দৃষ্টিতে পড়ার ও তাদের কামনা-লালসার বস্তুতে পরিণত হবার ফলে আনন্দ অনুভব করার পরিবর্তে একে নিজেদের জন্য কষ্টদায়ক লাঞ্ছনাকর মনে করে, যারা সমাজে নিজেদেরকে বে-আবরু মক্ষিরাণী ধরনের মহিলাদের মধ্যে গণ্য করাতে চায় না। বরং সতী-সাধ্বী গৃহ প্রদীপ হিসেবে পরিচিত হতে চায়। এ ধরনের শরীফ ও পূত চরিত্রের অধিকারিনী সৎকর্মশীলা মহিলাদের সম্পর্কে আল্লাহ‌ বলেন, যদি সত্যিই তোমরা এভাবে নিজেদেরকে পরিচিত করাতে চাও এবং পুরুষদের যৌন লালসার দৃষ্টি সত্যিই তোমাদের জন্য আনন্দাদায়ক না হয়ে কষ্টকর হয়ে থাকে, তাহলে এজন্য তোমরা খুব ভালোভাবে সাজসজ্জা করে বাসর রাতের কনে সেজে ঘর থেকে বের হয়ো না এবং দর্শকদের লালসার দৃষ্টির সামনে নিজেদের সৌন্দর্যকে উজ্জল করে তুলে ধরো না। কেননা এটা এর উপযোগী পদ্ধতি নয়। বরং এজন্য সর্বাধিক উপযোগী পদ্ধতি এই হতে পারে যে, তোমরা একটি সাদামাটা চাদরে নিজেদের সমস্ত সৌন্দর্য ও সাজসজ্জা ঢেকে বের হবে, চেহারা ঘোমটার আড়ালে রাখবে এবং এমনভাবে চলবে যাতে অলংকারের রিনিঝিনি আওয়াজ লোকদেরকে তোমাদের প্রতি আকৃষ্ট করবে না। বাইরে বের হবার আগে যেসব মেয়ে সাজগোজ করে নিজেদেরকে তৈরী করে এবং ততক্ষণ ঘরের বাইরে পা রাখে না যতক্ষন অপরূপ সাজে নিজেদেরকে সজ্জিতা না করে নেয়, তাদের এর উদ্দেশ্য এছাড়া আর কি হতে পারে যে, তারা সারা দুনিয়ার পুরুষদের জন্য নিজেদেরকে দৃষ্টিনন্দন করতে চায় এবং তাদেরকে নিজেদের দিকে আকৃষ্ট করতে চায়। এরপর যদি তারা বলে, দর্শকদের ভ্রূভংগী তাদেরকে কষ্ট দেয়, এরপর যদি তাদের দাবী হয় তারা “সমাজের মক্ষিরানী” এবং “সর্বজনপ্রিয় মহিলা” হিসেবে নিজেদেরকে চিত্রিত করতে চায় না বরং পূত-পবিত্রা গৃহিনী হয়েই থাকতে চায়, তাহলে এটা একটা প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই নয়। মানুষের কথা তার নিয়ত নির্ধারণ করে না বরং কাজেই তার আসল নিয়ত প্রকাশ করে। কাজেই যে নারী আকর্ষণীয়া হয়ে পর পুরুষের সামনে যায়, তার এ কাজটির পেছনে কোন্ ধরনের উদ্দেশ্য কাজ করছে সেটা ঐ কাজ দ্বারাই প্রকাশ পায়। কাজেই এসব মহিলাদের থেকে যা আশা করা যেতে পারে ফিতনাবাজ লোকেরা তাদের থেকে তাই আশা করে থাকে। কুরআন মহিলাদেরকে বলে, তোমরা একই সঙ্গে “গৃহপ্রদীপ” ও “সমাজের মক্ষিরাণী” হতে পারো না। গৃহপ্রদীপ হতে চাইলে সমাজের মক্ষিরাণী হবার জন্য যেসব পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয় তা পরিহার করো এবং এমন জীবনধারা অবলম্বন করো যা গৃহপ্রদীপ হতে সাহায্য করতে পারে। কোন ব্যক্তির ব্যক্তিগত মত কুরআনের অনুকূল হোক বা তার প্রতিকূল এবং তিনি কুরআনের পথনিদের্শককে নিজের কর্মনীতি হিসেবে গ্রহণ করতে চান বা না চান, মোটকথা তিনি যদি ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে জাল-জুয়াচুরির পথ অবলম্বন করতে না চান, তাহলে কুরআনের অর্থ বুঝতে তিনি ভুল করতে পারেন না। তিনি যদি মুনাফিক না হয়ে থাকেন, তাহলে পরিষ্কারভাবে একথা মেনে নেবেন যে, ওপরে যা বর্ণনা করা হয়েছে তাই হচ্ছে কুরআনের উদ্দেশ্য। এরপর তিনি যে বিরুদ্ধাচরণই করবেন একথা মেনে নিয়েই করবেন যে, তিনি কুরআন বিরোধী কাজ করছেন অথবা কুরআনের নিদের্শনাকে ভুল মনে করছেন।

মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১:৪০

কলাবাগান১ বলেছেন: "কাজেই যে নারী আকর্ষণীয়া হয়ে পর পুরুষের সামনে যায়, তার এ কাজটির পেছনে কোন্ ধরনের উদ্দেশ্য কাজ করছে সেটা ঐ কাজ দ্বারাই প্রকাশ পায়। "

আর যে পুরুষ ক্লিন সেভ করে আফটার সেভ লোশন লাগিয়ে ব্লু জিনস আর বুক খোলা টি সার্ট পরে বাইরে যায়, তার পেছনে কোন্ ধরনের উদ্দেশ্য কাজ করছে সেটা ঐ কাজ দ্বারাই প্রকাশ পায় না??????

আপনারা ঘুমালেও বোধ হয় চিন্তায় থাকেন নারী কোন পোশাক পড়ল??? নারী কি করল??? নারী কি আজ আবার ঘরের বাইরে গেল????

নিজের চরকায় তেল দেন, কাজে দিবে

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:০১

আরব বেদুঈন বলেছেন: অবশ্যই আমি নিজের চরকাই তেলদেই সাথে বাকিদের চরক্রও খোজ নেই ভাই আপনি যে কথা গুলো লিখেছেন তা আনেকেরই ক্ষেত্রে সত্য কিন্তু আমার ক্ষেত্র না। আমি মানুষ কে সচেতন করতে চাই।কুরানের সঠিক প্রচার করতে চাই আর এই কাজ থকে ইনশাল্লাহ আমাকে কেউ পিছু হাটাতে পারবে না।

২| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫১

এ আর ১৫ বলেছেন: চিনে নেয়া যায়” এর অর্থ হচ্ছে, তাদেরকে এ ধরনের অনাড়ম্বর লজ্জা নিবারণকারী পোশাকে সজ্জিত দেখে প্রত্যেক প্রত্যক্ষকারী জানবে তারা অভিজাত ও সম্ভ্রান্ত পরিবারের পূত-পবিত্র মেয়ে, এমন ভবঘুরে অসতী ও পেশাদার মেয়ে নয়, কোন অসদাচারী মানুষ যার কাছে নিজের কামনা পূর্ণ করার আশা করতে পার- ----- চিনে নেওয়া যায় মানে তার আইডেনটিটিকে চেনা বোঝায় সুতরাং মুখ আড়াল করার কোন সুযোগ নাই । মার্জিত পোষাক মে্যেদের পরতে হবে কিন্তু নিজের আইডেনটিটির জন্য মুখ খোলা রাখতে হবে । মার্জিত পোষাক পরলেই সে মহিলা পুত পবিত্র হয়ে যাবে তা কখনো বলা যাবে না কারন আজকাল বোরকা নিকাব পরে বিভিন্ন জায়গায় অনেক দেহ ব্যবসাহী মহিলা ধরা পড়ছে এবং অনেক ছিনতাইয়ের ঘটান না ঐ পোষাক পরে নিজেকে আড়াল করে করছে । সম্প্রতি আফ্রিকার মুসলিম দেশ চাদে বোরকা নিষিদ্ধ করেছে কারন অনেক জংগী সন্ত্রাসি ঘটনা বোরকা নিকাব পরে করা হয়েছে .।
ইসলামী দেশে বোরকা হারাম !
বোরকা পরা মহিলারা ও হামলার শিকার

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:১৮

আরব বেদুঈন বলেছেন: ভাই আমি যে কথা গুলো লিখেছি ওখানে একটাও আমার কথা এগুলো কুরানের তাফসির।আর এই তাফসির যদি পড়েন তাহলে তো আমার মনে হই না এই ধরনের কনফিউজড হওয়া উচিত।ওখানে বিস্তারিত আছে এখানে আমি বা আপনি নিজের মত দেখাতে পারি নি।এটা সূরা আহযাবের একটি আয়াত এর কিছু আয়াত আগে আল্লাহ মেয়েদের কে পর্দার পেছন থেকে কথা বলার আদেশ দিয়েছেন তাহলে প্রকাশ্যে মুখ বের করার জায়েজ হই কিভাবে?

আর ওরা বলবে আল্লাহই তো বলেছে মুখ খুলে চলাযাবে।"যাতে তাদের কে চেনা যাই" এই কথা নিয়া।যখন মেয়েরা জামাতে নামাজ পড়বে তখন ইমাম যদি ভুল করবে তখন ছেলেরা বলবে সুবহান আল্লাহ আর মেয়েরা তালি দেবে।এখন আমার প্রশ্ন মেয়েরা তালি দেবে কেন? তারাও সুবহানাল্লাহ বলবে? এর কারণ হল যাতে মেয়েদের সুবহানাল্লাহ আপনাকে ইম্প্রেস করতে না পারে।
আপনি আরো জানেন ছলেরা মসজিদে আজান দিতে পারে কিন্তু মেয়েদের জন্য মসজিদে আজান দেওয়া নিষেধ?নিষেধ কেন?ওয়ই একটাই কারণ যাতে আপনি ওদের আজান শুনে মুগ্ধ না হন আপনি তাঁর কন্ঠস্বর শুনে প্রেমে না পড়েন।যেখানে মেয়েদের এত এত ভাল কাজে নিষেধ করা হয়েছে সেখানে মুখ খুলে পর পুরুষের সামনে চলাফেরা কোন যুক্তিতে বৈধ হই আমার মাথাই আসে না।
আপনার মন পবিত্র থাকে।সূরা আহযাবের ঐ সমস্ত মেয়েরা শুধু একটা ঊদ্ধৃতি দেবে।কিন্ত সূরা আহযাব যদি আপনি পড়েন তাহলে বুঝবেন সেখানে মেয়েদের মুখ ঢেকে চলাফেরা করতে বলা হয়েছে ।যেমন সূরা আহযাবে আরো বলা হয়ে "মেয়েরা যেন পর্দান পেছন থকে কথা বলে" কেন পেছন থেকে কথা বলবে কেন ওদের না মুখ খুলে চলাফেরা করতে বলা হয়েছে? যে সূরাই মুখ খুলে চলতে বলেছে সে সূরাইই পর্দার পেছন থেকে কথা বলতে বলেছে।এর অর্থ একটাই যে ছেলেরা যাতে ওদের দেখে ইম্প্রেস না হই।আমি যদি বিয়ে করতে যাই আমি তো মেয়ের মুখ দেখেই ঠিক করব যে তাকে আমার পছন্দ হচ্ছে না কি।আর সেই মুখ যদি বের করেই চলতে বলেন আল্লাহ তাহলে পর্দা করতে বলার মানে কি।আর সব থেকে বড় কথা মেয়েদের তো আল্লাহ একাকি বাইরে চলাফেরা করতেই নিষেধ করেছে সেখাণে তাদের কে মুখ দেখে চিনে নেবার কি আছে? আর দূর বর্তি স্থানে তাঁর সুন্দর চেহারা বের করে চলাচল করে মেয়ারা কি আরো বিপধ বাধাবে।এটাই কি আল্লাহর উদ্দেশ্য?

আল্লাহ মহিলাদের দূরবর্তি স্থানে একাকি যাতায়েত করতে নিষেধ করেছেন যদি করতেই হই আপন ভাই ,পিতা অথবা স্বামির সাথে অথবা যাদের সাথে বিয়ে হারাম তাদের কে সাথে নিতে বলেছেন।তাহলে এখানে মেয়েদের মুখ খুলে চলাচলের সুযোগ কোথাঈ?

৩| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫৩

এ আর ১৫ বলেছেন: বোরকা পরা মহিলারা ও হামলার শিকার

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:০৭

আরব বেদুঈন বলেছেন: ওই যে ভাই একটা কথা থেকেই যাই আল্লাহ মহিলাদের দূরবর্তি স্থানে একাকি যাতায়েত করতে নিষেধ করেছেন যদি করতেই হই আপন ভাই ,পিতা অথবা স্বামির সাথে অথবা যাদের সাথে বিয়ে হারাম তাদের কে সাথে নিতে বলেছেন।তাহলে এমন একজন কে দেখান তো যার সাথে এইসব পুরুষ থাকা সত্ত্বেও ধর্ষন হয়েছে?

তবুও ধর্ষন হবে না হলে তো আর ইসলামে ধর্ষনের শাস্তির বিধান আসত না তবে তা খুব কম।হইত হাজারে এক।
ভাল থাকবেন।

৪| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:০৪

এ আর ১৫ বলেছেন: আপনি আরো জানেন ছলেরা মসজিদে আজান দিতে পারে কিন্তু মেয়েদের জন্য মসজিদে আজান দেওয়া নিষেধ?নিষেধ কেন?ওয়ই একটাই কারণ যাতে আপনি ওদের আজান শুনে মুগ্ধ না হন আপনি তাঁর কন্ঠস্বর শুনে প্রেমে না পড়েন --- এমন উদ্ভট কথা কোথা থেকে পান । মেয়েদের কন্ঠ শুনলে প্রেমে পরবে পুরুষ । পুরুষের প্রেম এত সস্তা যে এই সব কথা বলা হচ্ছে !!! হাজার হাজার মেয়ে গান গায় বক্তিতা দেয় কমান্ড করে তাতে পুরুষ মানুষ প্রেমে পরে যায় তাই না ? আর যদি কোন পুরুষ কোন মেয়ের প্রেমে পরে তাহোলে ক্ষতি কি ?
আরেক অদ্ভুত কথা -- এর কারণ হল যাতে মেয়েদের সুবহানাল্লাহ আপনাকে ইম্প্রেস করতে না পারে। ---- মেয়েরা সুবাহানাল্লাহ বল্লে আমি ইম্প্রেস হবো কেন । আপনার মতে পুরুষ মানুষের কোন ইচ্ছা শক্তি নাই তাই মেয়েদের কথা বা চেহারা দেখলেই ফিনিশ !!! আপনার মতে পুরুষরা হোল লুইচ্চার জাত ধর্ষকের জাত কোন ইচ্ছা শক্তি নাই তাদের নিজের তাড়নাকে নিয়ন্ত্রণ করার !!! সুরা নুরের ৩০ নং আয়াতে আল্লাহ তালা পুরুষ মানুষকে নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ দিয়েছে -- মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন। ---- তাহোলে আপনার মত পুরুষ দৃষ্টি নত রাখেনা মানে নিজের নিয়ন্ত্রণ করেন না শুধু মেয়েদের গলার আওয়াজে ইম্প্রেস হন এবং চেহারা দেখলে সব নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন -- তাহোলে আপনার মত লোকেরা আল্লাহর হুকুম অমান্য করে নিজের দৃষ্টি নত করে না এবং আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করে মেয়েদের আইডেনটিটি গোপন করতে ফতুয়া দেবেন এইটা কি ভালো কাজ হচ্ছে ।
আপনি কাদের তফসির এখানে দিয়েছেন যেটা অপব্যাখা ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না --
আমি এই মাত্র সুরা আযাব পরলাম কিন্তু কোথাও এমন কোন আয়াত পেলাম না যেখানে মে্যেদএর পর্দার আড়াল থেকে কথা বোলতে বলা হয়েছে । যদি অন্য কোন সুরায় তা থাকে তাহোলে এর পটভুমি বিশ্লেষন করার প্রয়োজন অবশ্যই আছে ।
মেয়েদের গলার আওয়াজ শুনলে যদি প্রেমে পরেন তাহোলে পর্দার আড়াল থেকে মেয়েরা কথা তখন কি প্রেমে পরেন ??

৫| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:২০

এ আর ১৫ বলেছেন: মেয়েদের তো আল্লাহ একাকি বাইরে চলাফেরা করতেই নিষেধ করেছে সেখাণে তাদের কে মুখ দেখে চিনে নেবার কি আছে? --- কোন আয়াতে এমন কথা আছে একটু রেফারেন্স দিবেন তো । আবশ্যই চেনার দরকার আছে এবং সুরা আযাবের ৫৯ তম আয়াতে বলা আছে এতে তাদের চেনা সহজ হবে । এখন মেয়েদের জীবিকার প্রয়োজনে সংসারের প্রয়োজনে জীবনের প্রয়োজনে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়, সব সময়ে তার সাথে কেউ থাকবে সেটা সম্ভব নহে।
উপরে সে রেফারেন্স দেওয়া হয়েছে সেখানে বোরকা পড়ে মসজিদে ঢুকে একজন পুরুষ মেয়েদের যৌন হয়রানি করে । মে্যেদের মসজিদে বুঝি মেয়েদের পুরুষ সংগী নিয়ে ঢুকতে হবে ??
বাংলাদেশে বর্ষবরণের ঘটনায় নারীদের যৌন সহিংসতার শিকার হবার পর যখন পোশাককে অজুহাত হিসেবে হাজির করার চেষ্টা করছেন বিকৃত পুরুষতান্ত্রিক মনোভঙ্গীর মানুষেরা; ঠিক তখন সৌদি আরবের মক্কায় নারীদের মসজিদে ঢুকে যৌন সন্ত্রাস চালিয়েছে এক ব্যক্তি। যেখানে সব নারী ছিলো বোরকা পরিহিত অবস্থায়। মক্কায় বোরকার ছদ্মবেশে নারীদের মসজিদে ঢুকে যৌন হয়রানি চালানোর দায়ে ওই পুরুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সৌদি আরবের গালফ নিউজের বরাতে এক্সপ্রেস ট্রিবিউন খবরটি নিশ্চিত করেছে। এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানায়, অন্য নারীদের পাশাপাশি বোরকা পরে জারানা মসজিদে ঢুকে পড়ে ওই পুরুষ। মসজিদের বাথরুমে ওজু করার সময় বিভিন্নভাবে নারীদের শারীরিক-হয়রানি করে সে। তার অস্বাভাবিক আচরণ দেখে সন্দেহ হয় বেশ ক’জন নারীর। পরে তারা সৌদি আরবের ধর্মীয় পুলিশ নামে পরিচিত ‘কমিশন ফর দ্য প্রমোশন অব ভারচ্যু এন্ড দ্য প্রিভেনশন অব ভাইস’-এর কাছে এ ব্যাপারে অভিযোগ জানালে নারীরূপী ওই লোকটিকে গ্রেফতার করা হয়। সৌদি কর্তৃপক্ষের বরাতে এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানায়, ওইদিন অভিযোগ পাওয়ার পর পরই মসজিদের সামনে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। হঠাৎ তারা লক্ষ্য করেন সন্দেহজনকভাবে এক বোরকাধারী মসজিদের ভবন ত্যাগ করছেন। সেখান থেকে বের হয়ে একটি গাড়ির দিকে এগিয়ে যেতে যেতে বোরকা খুলে ফেলে। আর তখনই কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারেন, বোরকাধারী আদতে একজন পুরুষ। সঙ্গে সঙ্গে ছদ্মবেশসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতের বয়স ৩০ বছর। তবে এখনও তার পরিচয় জানাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:১৬

আরব বেদুঈন বলেছেন: একটা মেয়ে যখন আজা্ন দেবে তখন তাঁর ভয়েজ শুনে পুরুষের মনে তাঁর কোন একটা প্রতিচ্ছবি উদয় হবেই সে যখন সুন্দর কন্ঠে সুবহানাল্লাহ বলবে আপনার অজান্তে তাঁর কোন একটা প্রতিচ্ছবি আপনার মনে উদয় হবেই।এটা সাইক্লোজিক্যাল ব্যাপার।আপনি যদি গায়ের জোরে না মানেন আমার কিছুই করার নেই সত্য সত্যই।কোন মেয়ের কন্ঠস্বর শুনে যদি কোন ছেলের মনে তাঁর কোন একটা ছবি উদয় না হই তাহলে বলব সে পুরুষ অশ্বাভাবিক। আপনি না মানলে আমার কি।আর আমি যে কথা গুলো বললাম সে গুলো বুখারিতে আছে ( মেয়েদের ব্যপারে আজান আর সুবহানাল্লাহ)।এটা করেছেন আমাদের প্রভু যাতে আমরা পবিত্র থাকতে পারি।

আর হ্যা মসজিদ যদি দূরে হই তাহলে সে ঘরে নামাজ পড়বে কারণ রাসুল কে এক মেয়ে প্রশ্ন করলে বলেছেন তোমাদের জন্য ঘর উত্তম।এখন বুঝতে পারছেন রাসুল কেন ঘরে থাকতে বলেছেন ওই মেয়েরা যদি ঘরে অবস্থান করত তাহলে আজ এই অঘটন ঘটত না।

আর কোথাই থেকে কয়েকটা মাত্র কয়েটা বোরখা ধারি মেয়ের রেইপ এর ঘটনা নিয়ে এসে পুরো বোরখা কে অশ্বিকার করছেন!

আজ বিশ্বে কয়েক হাজার নারি ধর্ষন হচ্ছে তাদের মধ্যে যদি বোরখা ধারি মেয়ে থাকে তাহলে সর্বোচ্চ ১০/২০ টা পাবেন।আর বাকি সব গুলো বেপর্দা মেয়ে।আপনাকে আমার চ্যালেঞ্জ থাকলে যদি দেখাতে পারেন পরিপূর্ণ হিজাব দারি মেয়ের চেয়ে বেপর্দা মেয়ে ধর্ষন কম হচ্ছে প্রতিদিন তাহলে আমি আমার ধর্ম ত্যাগ করব এখনই।আর যদি না পারেন তাহলে .।.।.।য়ার এই সংখ্যাটা যদি এমনও দেখাতে পারেন ১০০ তে ৩০ জন অথবা ২০ জন তাহলেও আমার ওই কথা বহাল থাকবে।তবে শর্ত একটাই তথ্য সঠিক হতে হবে।পর্দা ফরজ করেছেন আল্লাহ মেয়েরা যাতে তাঁর স্বামির আমানত হেফেযত করতে পারে।তারপরেও ধর্ষন হবে কিন্তু কম হবে আগের থকে আনেক আনেক কম। আল্লাহ এই জইন্যই ধর্ষকের শাস্তি নির্ধারণ করেছেন ।যদি ধর্ষন নাই হত পর্দা করে তাহলে তো আর এই আইন দিতেন না।

আমি অবাক হচ্ছি মাত্র কয়েক নিউজ নিয়ে এসেছেন তর্ক বাধাতে !!আমি যদি বেপর্দা মেয়েদের ধর্ষন হবার লিস্ট দেখাই তাহলে কি করবেন? আপনার কথা অনুযায়ি তো তাদের হিজাব পরা উচিত কজ হিজাব না করার জন্য এত ধর্ষণ।

৬| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:১৮

নতুন বলেছেন: হে নবী! তোমার স্ত্রীদের, কন্যাদের ও মু’মিনদের নারীদেরকে বলে দাও তারা যেন তাদের চাদরের প্রান্ত তাদের ওপর টেনে নেয়।১১০ এটি অধিকতর উপযোগী পদ্ধতি, যাতে তাদেরকে চিনে নেয়া যায় এবং কষ্ট না দেয়া হয়।১১১ আল্লাহ ক্ষমাশীল ও করুণাময়। ( সূরা আহযাব আয়াত ৫৯)

আপনি তো এই আয়াতের ভুল ব্যাক্ষা করছেন এবং যেখানে আল্লাহ বলছে যে নারীকে যেন চেনা যায় সেই রকমের চেহারা খোলা রাখা যাবে...
নিচের ছবি থেকে আপনি কিভাবে নারীকে চিনতে পারবেন?? যেটা আল্লাহ বলেছেন যে তাদের যেন চেনা যায় আর আপনি বলছেন নিচের মতন পদা` করতে???


নিচের পোষাকে সমস্যা কি? এখানে কি কোথাও উপরের আয়াতের খেলাফ হয়েছে??


আপনি যখন পুরাপুরি মুখ ঢেকে রাখবেন তখন সেই সুযোগে সন্ত্রাসী/অবৈধ কাজে এই পোষাখ ব্যবহার হবে... কিন্তু যখন চেহারা খোলা থাকবে তখন অবশ্যই সন্ত্রাসী/অবৈধ কজে ব্যবহার করা যাবেনা।

আল্লাহ যখন বলেন যে চেনা যাবে তখন তিনি অবশ্যই সব সমস্যা যাতে না হয় সেই জন্যই বলেন...

আপনাদের মতন চিন্তা করে বলেন নাই।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:০৬

আরব বেদুঈন বলেছেন: তাই এটাকি আপনার নিজের মত?তাই তো মনে হই সে যাই হো্ক।আর ভাই মনে কিছু নিয়েন আপনার ওয়ি পিক টাতে মেয়েদের দেহের আকৃতি অল্প হলেও বোঝা যাচ্ছে মাফ করবেন আমাকে আর প্রথমে যে পিক টা দিয়েছেন সেটাই পার্ফেক্ট।আমি যা লিখেছি তা আমার ব্যাখায় না ভাই এটা কুরানের তাফসির আমি শুধু কপই পেস্ট করছি লিংক দিচ্ছি দেখে নিন এখানে পুরো কুরানের তাফসির আছে।
http://banglatafheem.com/index.php?option=com_quran&id=33&view=quran&limitstart=55

৭| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:১৫

নতুন বলেছেন: ৫৯.) হে নবী! তোমার স্ত্রীদের, কন্যাদের ও মু’মিনদের নারীদেরকে বলে দাও তারা যেন তাদের চাদরের প্রান্ত তাদের ওপর টেনে নেয়।১১০ এটি অধিকতর উপযোগী পদ্ধতি, যাতে তাদেরকে চিনে নেয়া যায় এবং কষ্ট না দেয়া হয়।১১১ আল্লাহ ক্ষমাশীল ও করুণাময়।১১২

আমিতো সেইটা বললাম..<< এখানে আল্লাহ বলেছেন নারীদের এমন ভাবে চাদরের প্রান্ত টেনে নিতে যাতে তাদের চেনা যায়...

এমন ভাবে না যাতে তাদের অচেনা লাগে...

উপরের ছবিতে তাদের আপনি কিভাবে চিনতে পারবেন??????

ঐ বোরকার ভেতরে কে?? পুরুষ/খুনি আসামী/ধষ`ক? যে কেউই অপরাধ ঢাকতে বা নিজেকে লুকাতে এই বোরকা ব্যবহার করবে.... তাই ঐটা উপরের আয়াতের পুরাপুরি পরিপন্হি...

৮| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৪১

এ আর ১৫ বলেছেন: আজ বিশ্বে কয়েক হাজার নারি ধর্ষন হচ্ছে তাদের মধ্যে যদি বোরখা ধারি মেয়ে থাকে তাহলে সর্বোচ্চ ১০/২০ টা পাবেন।আর বাকি সব গুলো বেপর্দা মেয়ে।আপনাকে আমার চ্যালেঞ্জ থাকলে যদি দেখাতে পারেন পরিপূর্ণ হিজাব দারি মেয়ের চেয়ে বেপর্দা মেয়ে ধর্ষন কম হচ্ছে প্রতিদিন তাহলে আমি আমার ধর্ম ত্যাগ করব এখনই।আর যদি না পারেন তাহলে .।.। ----- তাহোলে সৌদী আরবে এত ধর্ষন হয় কি করে বোরকা নিকাব ধারি মহিলাদের । ঘরের ভিতর কাজের মেয়েদের উপর যৌন নির্যাতনের খবর সব সময়ে আসে কিন্তু কোন মেয়ে ভয়ে কোন অভিযোগ করে না কারন শরিয়া আইন অনুযায়ী ৪ জন পুরুষের চক্ষুস স্বাক্ষী ছাড়া ধর্ষন প্রমাণ করা যায় না এবং প্রমাণ করতে না পারলে মেয়েদের ১০০ টা চাবুকের বারি খেতে হয় । কিন্তু উন্নত দেশে ধর্ষনের অভিযোগ করা হয় তাই সেই সব দেশের ধর্ষনের কেস পাওয়া যায়।
সৌদী আরবে যারা ধর্ষন করে তারা ৪ জন পুরুষের সামনে করে না তাই ধর্ষনের কোন প্রমাণ দেওয়া ধর্ষিতার পক্ষে সম্ভব হয় না এবং ঐ সমস্ত মহিলারা ফুললি কাভারড।
Sharia আইন অ্যাপ্লাই করুন, ফলাফল নগদে দেখুন। তাহোলে ধর্ষকের কোন দিন শাস্তি হবে না কারন ৪ জন প্রাপ্ত বয়স্ক মুসলিম পুরুষের চক্ষুস স্বাক্ষী ছাড়া প্রমান করা যাবে না -- এইটাই সেই শরিয়া আইন বলে। সুতরাং কোন ধর্ষনের কেস আদালত পর্যন্ত যাবে না । ধর্ষিতা মহিলাকে ও চাবুকের বাড়ী ক্ষেতে হবে। চার জন পুরুষের চক্ষুস স্বাক্ষী চাই ধর্ষন প্রমানের জন্য !!!!!
When a rape-case is caught or reported, “illegal sex” is proved either by testimony of the victim or physical evidences of bodily scars/bruises, torn cloths or pregnancy. Then the Sharia laws shown bellow come into force.
1. From Pakistan Hudud Law - Ordinance 1979. (Ordinance VII of 1979 amended by
Ordinance XX of 1980). Quote- "Proof of Zina (adultery) or Zina Bil-Jabr (rape)
liable to Hadd shall be one of the following:-
(a) The accused makes confession, or
(b) At least four Muslim adult male witnesses”. - Unquote.
2. From Codified Islami Law (“BidhiBoddho Islami Ain” - Islamic foundation
Bangladesh) Volume 1:-
(A) "Proof of adultery or rape liable to Hadd shall be one of the following:-
(a) The accused makes confession, or
(b) At least four Muslim adult male witnesses – Law#133.
1
(B) If force is proved, the rapist will be punished – Law#134.
(C) “Punishment will take place when zena or rape will be proved by witness” –
Law#135.
Sharia needs only one thing to punish the rapist, - eyewitness of four adult Muslim men.
Unbelievable it may seem, women’s witness is rejected, as in the references bellow:-
1. Hanafi Law-Page 353.
2. Shafi’i Law- page 638 Law#o.24.9
3. Criminal Law in Islam and the Muslim World –page 251
4. Tafsir of Translation of the Qura’an by Muhiuddin Khan pages 239 and 928.
5. Penal Law of Islam – Kazi Publications Lahore- page 44 – 45 – Quote - “The
evidence required in a case of adultery is that of four men (adult Muslims) and the testimony of a woman is such a case is not permitted………the evidence of women is originally inadmissible on account of their weakness of understanding, want of memory and incapacity of governing” – Unquote. Effort of addressing this embarrassment is in Codified Islamic Law (Bidhiboddho Islami Ain - Islamic foundation Bangladesh) Volume 1 page 311 with reference to Ata Ibn Yasar (RA), Hammad (RA) and Imam Hazm, a Spanish Palace-c of 15th century, - by allowing women-witness as half of man

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:১০

আরব বেদুঈন বলেছেন: আমার কোন নাস্তিক বা অন্য ধর্মের মানুষের পেছনে সময় নষ্ট করা মত সময় আমার নেই।কারণ আমার মুসলিম ভাই বোন রাই ঠিক নেই।আগে ঘর তবে তো পর ।সত্য কথা বললেই তেলে বেগুনে জ্বলে উঠেন আপনার।
আপনি কি আমার কথার উত্তর দিতে পেরেছেন? হিজাব ধারী মেয়ে ধর্ষনের তালিকা কই।খালি ফ্যাচ ফ্যাচ করে।সিরিয়া তে যুদ্ধ লেগে আছে তাও তো দেখাতে পারছেন না ধর্ষনের ফলাফল "নগদে পেয়ে যাব" উরি বাবা ।তো কই আমার উত্তর???দেখান আপনার মিডিয়া তো অনেক উন্নত এসব খবর দিতে পারে না।ফালতু

৯| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:০৭

এ আর ১৫ বলেছেন: আর প্রথমে যে পিক টা দিয়েছেন সেটাই পার্ফেক্ট -------- বলুতো প্রথম পিকচার ভিতর যারা আছে তারা পুরুষ না নারী ??
আর ভাই মনে কিছু নিয়েন আপনার ওয়ি পিক টাতে মেয়েদের দেহের আকৃতি অল্প হলেও বোঝা যাচ্ছে মাফ করবেন ---- তারা কি বিকিনি পরে আছে যে গোপন অংগ বোঝা যাচ্ছে । আপনার মধ্যতে সংযম বলে যদি কিছু না থাকে তাহোলে সেটা আপনার সমস্যা। পশ্চিমা বিশ্বে যারা থাকে তাদের সমনে দিয়ে বিকিনি পরা মে্য়ে হেটে গেলেও কোন পুরুষ তাদের দিকে তাকায় না কারনা তাদের যৌনুভুতি নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা ইচ্ছা শক্তির ভি্তরে। আল্লশ সুরা নুরের ৩০ তম আয়াতে পুরুষদের চোক্ষ নত করার কথা বলেছে যার অর্থ হোল নিজের প্রবৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করা তাহোলে আপনি নিজের প্রবৃতি ২ নং ছবিটি দেখে সামলাতে পারছেন না অথচ উন্নত বিশ্বে পুরুষ মানুষ নেংটো নারীর দিকে ঘুরেও তাকায় না । ইসলামের বিধান অনুযায়ি মেয়েরা মার্জিত পোষাক পরবে খোলা মেলে নয় বা বিকিনি জাতিয় নয় । ২ নং ছবিতে মহিলারা বিকিনি জাতিয় পোষাক পরেনি যে উত্তেজিত হতে হবে ।
বাহ বাহ আপনারা শুধু মহিলাদের আপাদ মষ্তক ঢাকতে মিথ্যা ফতুয়া দিবেন কিন্তু সুরা নুরের ৩০ নং আয়াত অনুযায়ী নিজে চোখ প্রবৃতি দমন করার কোন চেষ্টা করবেন না এটা তো আল্লাহর নির্দেশের বরখেলাপ । দোষ হোল পুরুষের তারা যৌন তাড়নাকে নিয়ন্ত্রণে অক্ষম তাই বলে নিজের নিয়ন্ত্রণ উন্নত না করে মেয়েদের ঢেকে রাখলে নিজের আত্মনিয়ন্ত্রণ বারবে না । আপনার ২ নং মার্জিত পোষাকের মেয়ে দেখলে সমস্যা হয় কিন্তু যাদের বিকিনি পরা মেয়ে দেখলে তাকায় না বা সমস্যা হয় না তাদের কে লুইচ্চা ভেবে মেয়েরা কেন ১ নং ছবির মত থাকবে । সব পুরুষকে লুইচ্চার জাত ধর্ষকের জাত ভাবা কি ঠিক ??

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:২০

আরব বেদুঈন বলেছেন: তাই নাকি এইত বোঝা যাচ্ছে আপনার দৃষ্টি আপনি কতটা সংযত করতে পেরেছেন।

১০| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:২৭

এ আর ১৫ বলেছেন: মুখ সামলায় কথা বোলবেন !!! কোরানে মুখ ঢাকার কোন নির্দেশ নাই এইটা বল্লে নাস্তিক হয়ে যায় তাই না । তাহোলে আপনি নাস্তিক নন কেন যখন কোরানের বরখেলাপ করে মুখ ঢাকার ফতুয়া দেন !!! কোরনের নির্দেশ অমান্য করে নিজের চোখ সামলাননা তাহোলে আপনি কেন কোরান অবমাননা কারি নন । আই এস এস কত জনকে ধর্ষন করছে সেটা যত গুলো মহিলা বন্দি আছে তত জন এবং মহিলারা যারা পালাতে পেরেছে তারাই স্বাক্ষী কোন ৪ পুরুষ স্বাক্ষী নাই । আপনি কি অস্বীকার কোরতে পারেন শরিয়া আইনে ৪ জন পুরুষের চক্ষুস স্বাখীর স্বর্ত নাই । সৌদী আরবে মহিলারা ২ নং ছবির মত থাকে তাদের ধর্ষন করা হলে্ ৪ জন পুরুষের চক্ষুস স্বাখী তারা জোগার করতে পারে না ধর্ষন প্রমাণ হয় না এবং ১০০ টা চাবুকের বারি খেতে হয় -- যদি ক্ষমতা থাকে প্রমাণ করুন এই তথ্য মিথ্যা । শরিয়া আইনের রেফারেন্স সহ দিয়েছি ।
সব শেষে আপনার এই মন্তব্যের হিসাব দিতে হবে কেন এবং কোরান বিরুধী কথা বলে নিজে কেন নাস্তিক নন তা প্রমান করতে হবে --- আমার কোন নাস্তিক বা অন্য ধর্মের মানুষের পেছনে সময় নষ্ট করা মত সময় আমার নেই।কারণ আমার মুসলিম ভাই বোন রাই ঠিক নেই।আগে ঘর তবে তো পর ।সত্য কথা বললেই তেলে বেগুনে জ্বলে উঠেন আপনার।------ সত্য কথা তো আমি বলেছি রেফারেন্স সহ এবং আপনি মিথ্যা বলেছেন তা প্রমাণ করেছি শরিয়া আইনের ্উদাহরনে দিয়ে কেন সৌদীতে ধর্ষনের কোন রিপোর্ট হয় না ।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:৪৭

আরব বেদুঈন বলেছেন: কুরান বিরোধি কথা আমি বলি নি।বরং কুরান কে সঠিক ভাবে বোঝার জন্য তাফসির সহ আয়াত দিলাম মানা না মানা আপনার ব্যাপার খুব ভাল হল আপনাত্র কথার দলিল সহ দেখাতে পারলে?আপনার কথা কি কোন দলিল আছে? আপনার যুক্তি আমি মানব না।আমি একটা দলিল পেশ করেছি এবার মুখ খোলা যাবে এই কথা দলিল আপনি দেখান তো ভাই?এবার আবার এই কথা বলে পালায়েন না যেন ওখানে তো দেওয়াই আছে দলিল কি দিব?হাদিস দেখান একটা?সহিহ বুখারি মুসলিম ইবনে কাসির ।সেগুলো নির্ভর যগ্য হতে হবে।

১১| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:২৯

এ আর ১৫ বলেছেন: সৌদী আরবে মহিলারা ২ নং ছবির মত -- এটা হবে -- সৌদী আরবে মহিলারা ১ নং ছবির মত

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:৫৯

আরব বেদুঈন বলেছেন: ৩২.) হে নবীর স্ত্রীগণ! তোমরা সাধারণ নারীদের মতো নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় করে থাকো, তাহলে মিহি স্বরে কথা বলো না, যাতে মনের গলদে আক্রান্ত কোন ব্যক্তি প্রলুব্ধ হয়ে পড়ে, বরং পরিষ্কার সোজা ও স্বাভাবিকভাবে কথা বল"

কয়েকটা কমেন্ট আগে আপনি বলেছিলেন পুরুষের মন কি এতই সস্তা যে মেয়েদের ভয়েজ শুনে প্রেমে পরে যাবে???/???? তাহলে উপরের এই আয়াতে কি জবাব দেবেন যেখানে আল্লাহ নিজেই বলছেন পুরুষরা মনের গলদে আক্রান্ত হতে পারে???আর জান যখন দেবে তখন তো সেটা মিহি স্বরেই হবে সুহনাল্লাহ যখন বলব তখন তা মিহি স্বরেই হবে।আর আপনি যদি সত্য বলে থাকেন তাহলে রেফারেন্স সহ কোন সহিহ দলিল পেশ করুন যেখানে মুখ খুলো চলচলের কথা বলা হয়েছে?

৫৩।নবীর স্ত্রীদের কাছে যদি তোমাদের কিছু চাইতে হয় তাহলে পর্দার পেছন থেকে চাও। এটা তোমাদের এবং তাদের মনের পবিত্রতার জন্য বেশী উপযোগী।

এখানে সেই একই ইংগীত যে মুখ দেখে যাতে প্রলুব্ধ না হই।আর কত রেফারেস্ন দেব ভাই???কারন মুখ দেখলে প্রেমে পড়তেই পারে আপপ্নি অশ্বিকার করতে পারবেন যে আপনার কোন বন্ধু কোন মেয়ের আগে দেহ দেখে প্রেমে পরেছে অথবা সাজ সজ্জা?কখনই না আগে সে তাঁর চেহারা দেখেছে।

এর পরও যদি তর্ক করতে চান তবে চালিয়ে যান ভাই
আর হ্যা আপনার সাথে একমত যে৪ জন সাক্ষি দরকার ধর্ষন প্রামানের জন্য আর এই কারনে আনেকেই অভিযোগ করে না।কিন্তু এই বলে আপনি এটা বলতে পারবেন না যে বেপর্দা কারিদের থেকে পর্দা কারিরা ধর্ষন বেশি হচ্ছে?

১২| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:৫৭

ভারসাম্য বলেছেন: মেয়েদের কন্ঠস্বরেরও পর্দা প্রয়োজন এটা ঠিক আছে এবং সে জন্য কোন প্রয়োজনে পর-পুরুষের সাথে কথা বলতে গেলে মেয়েদেরকে কন্ঠস্বর যথাসম্ভব অনাকর্ষণীয় করে কথা বলার নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। কিন্তু 'চেনা সহজ হয়' কথাটার ব্যাখ্যা খুবই সম্ভবতঃ মুখমন্ডল খোলা রাখার ব্যাপারটিই নির্দেশ করে যা অন্য আয়াত দ্বারাও সমর্থিত, যেখানে শরীরের যে অংশগুলো সহজাত ভাবেই প্রকাশ হয়ে পড়ে সেগুলো বাদে সর্বাঙ্গ ঢেকে রাখার কথা বলা হয়েছে। মাথায় মোড়ানোর চাদরটিই বুকের ওপর ছড়িয়ে দেয়ার কথা বলা হয়েছে, যা আগে শুধু একচোখ কোন মতে খোলা রেখে, পুরো মাথাতেই এমনভাবে পেঁচিয়ে রাখা হত যেন মনে হত পাখির বাসা এবং সেটা না করে মাথার চাদরের বর্ধিত অংশ বুকের উপর ছড়িয়ে দেয়ার কথা বলা হয়েছে। সাথে সাথে এটাও বলা হয়েছে যে, এমনভাবে যেন ছড়িয়ে দেয়া হয়, যেন তাদেরকে চেনা সহজ হয়।

কুরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা বা তাফসীর বিভিন্ন রকম হতে পারে, কোনটার উপরই কড়াকড়ি বা বাড়াবাড়ি ঠিক না। কুরআনে যেমন মুখমন্ডল ঢেকে রাখতেই হবে এমন কোন নির্দেশনা নাই, আবার খোলা রাখতেই হবে এমনও সুস্পষ্ট নির্দেশনা নাই, তাই যার কাছে যে ব্যাখ্যা ভাল মনে হয়ে সেটাই পালন করা উচিৎ, পাশাপাশি ভিন্ন ব্যাখ্যায় সন্তুষ্টদের প্রতিও সমীহ রাখা উচিৎ। কিন্তু এটা না করে আমরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নিজস্ব বুঝের উপর বেশি বাড়াবাড়ি করে ফেলি যা কঠিন গোনাহ্‌র কাজ।

আল্লাহ সবাইকে সঠিক জ্ঞান প্রদান করুন ও পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখায় তৌফিক দিন। শুভকামনা। :)

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:০২

আরব বেদুঈন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই আপনি ঠিকিই বলেছেন।আসলে বাড়াবাড়ী ঠীক না।তবে আমার যেটা সঠিক মনে হয়েছে যেই তাফসির টাই দিয়েছি।বিভিন্ন জনার বিভিন্ন মত হতেই পারে

১৩| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:২০

এ আর ১৫ বলেছেন: সুরা আযাবের ৩২ এবং ৫৩ নং আয়াত শুধু নবীজির স্ত্রীদের জন্য প্রযোজ্য । ৩২ নং আয়াতে বলা হয়েছে -- হে নবীর স্ত্রীগণ! তোমরা সাধারণ নারীদের মতো নও --- তাহলে মিহি স্বরে ক থা বলো না, যাতে মনের গলদে আক্রান্ত কোন ব্যক্তি প্রলুব্ধ হয়ে পড়ে, বরং পরিষ্কার সোজা ও স্বাভাবিকভাবে কথা বল ---- নবীজির স্ত্রীদের প্রতি কোন কারনে কোন ব্যক্তি আক্রান্ত না হন কারন তারা খুবই পবিত্র তাই । এখানে স্পষ্ঠ কারে বোলেছে তোমরা সাধারন নারীদের মত নও সুতরাং এই আয়াত সাধারন নারীকে জড়ানোর চেষ্ঠা কি কারনে ???
আপনার মন্তব্য -- ধন্যবাদ ভাই আপনি ঠিকিই বলেছেন।আসলে বাড়াবাড়ী ঠীক না।তবে আমার যেটা সঠিক মনে হয়েছে যেই তাফসির টাই দিয়েছি।বিভিন্ন জনার বিভিন্ন মত হতেই পারে ----- কিন্তু আপনি একটা আগে আপনার মতের সাথে মিল না হওয়াতে নাস্তিক বোল্লেন এখন আবার কেন বোলছেন -- বিভিন্ন জনার বিভিন্ন মত হতে পারে !!!!!! আপনার কাছেতো আপনার মতামত ছাড়া অন্য মতামত নাস্তিকের মতামত । এটা কি ধরনের স্ববিরোধিতা ??
মুখ ঢেকে রাখা এবং আস্তে কথা বলা শুধু নবীজির স্ত্রীদের জন্য প্রজোয্য । যে খানে আল্লাহ নিজেই বোলছেন তোমরা সধারন নারীর মত নও ।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৩৪

আরব বেদুঈন বলেছেন: ভাই আমি আপনাকে নাস্তিক বা অধার্মিক ভাবার জন্য সত্যিই দুঃখিত।আমাকে ক্ষমা করবেন।ভাই আপনার সাথেউ আর তর্ক নই।মত ভিন্ন হতেই পারে।আমি যেটা দিলাম সেটা তাফহিমুল কুরানের তাফসির।সেখানে মুখ ঢেকে চলার নির্দেশ দিয়েছে কিন্তু অন্যান্য তাফসির গ্রন্থে এর পক্ষেও আছে বিপক্ষেও আছে।আপনার আমার মত ভিন্ন হতেই পারে।সবচেয়ে ভাল হই আপনি দুই ধরনের তাফসির দেখুন সূরা আহযাব পড়ুন এবং তাফসিরও দেখুন।তারপর আপনি সিদ্ধান্ত নিন আসলে কোনটা আমাদের জন্য উপযোগী।এই দুই ধরনের তাফসির পড়লে আপনার বিবেকই বলবে আসলে কোনটা আল্লাহ বোঝাতে চেয়েছেন।নিসন্দেহ আল্লাহ সবচেয়ে ভাল এবং উপযোগী নিয়মেরই কথা বোঝাবেন।তখন আপনি সিদ্ধান্ত নেন কোনটি ঠীক।আর এই জন্য আপনার বইবেকই যেথেষ্ট।আমার কোন কথাই যদি কষ্ট পান তার জন্য আমি অবশ্যই ক্ষমাপ্রার্থী। আর যদি আপনার কাছে প্রামান্য তাফসির গ্রন্থ থাকে তাহলে বলে দিন আমিও পড়ি তখন দুইটার যেটার সঠিক সেটাই মানব।শুধু তর্ক করে লাভ কি কুরান পড়ুন।

১৪| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৩:৫৫

নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: ভাই আমি আপনাকে নাস্তিক বা অধার্মিক ভাবার জন্য সত্যিই দুঃখিত।আমাকে ক্ষমা করবেন।ভাই আপনার সাথেউ আর তর্ক নই।মত ভিন্ন হতেই পারে।আমি যেটা দিলাম সেটা তাফহিমুল কুরানের তাফসির।সেখানে মুখ ঢেকে চলার নির্দেশ দিয়েছে কিন্তু অন্যান্য তাফসির গ্রন্থে এর পক্ষেও আছে বিপক্ষেও আছে।আপনার আমার মত ভিন্ন হতেই পারে।সবচেয়ে ভাল হই আপনি দুই ধরনের তাফসির দেখুন সূরা আহযাব পড়ুন এবং তাফসিরও দেখুন।তারপর আপনি সিদ্ধান্ত নিন আসলে কোনটা আমাদের জন্য উপযোগী।এই দুই ধরনের তাফসির পড়লে আপনার বিবেকই বলবে আসলে কোনটা আল্লাহ বোঝাতে চেয়েছেন।নিসন্দেহ আল্লাহ সবচেয়ে ভাল এবং উপযোগী নিয়মেরই কথা বোঝাবেন।তখন আপনি সিদ্ধান্ত নেন কোনটি ঠীক।আর এই জন্য আপনার বইবেকই যেথেষ্ট।আমার কোন কথাই যদি কষ্ট পান তার জন্য আমি অবশ্যই ক্ষমাপ্রার্থী। আর যদি আপনার কাছে প্রামান্য তাফসির গ্রন্থ থাকে তাহলে বলে দিন আমিও পড়ি তখন দুইটার যেটার সঠিক সেটাই মানব।শুধু তর্ক করে লাভ কি কুরান পড়ুন।

ধন্যবাদ আপনার এই মন্তব্যের জন্য। আমার মন্তব্যে কস্ট নিয়েন না। আমি আপনার কাছে এমনটিই শুনতে চেয়েছিলাম... যে এই বিষয়ে ভিন্ন মত থাকতেই পারে এবং মানুষেরই উচিত সে কোনটা অবলম্বন করবে ঠিক করা। সেটা নারীর উপরে চাপিয়ে দেওয়া ঠিক না।. আপনিই বলেছেন যে তাফসিরেও এই নিয়ে মতপাথ`ক্য আছে অথাত আমার মতন তারাও মুখ ঢাকার পক্ষে না।

একটা জিনিস অনেকে চাপিয়ে দেয় যে কোরানে আছে যে পুরাপুরি ঢেকে রাখতে হবে... সেটা ঠিক না। শ্বালিন ভাবে যে কোন পোষাকই জায়েজ... চেহারাও খোলা রাখা যাবে...

কিন্তু আ্পনার মতন অনেকেই চেহারা ঢেকে রাখাকে ফরজ মনে করে..সেটা ঠিক না।

তাই এটাকে চাপিয়ে না দিয়ে... নারীদের উপরেই ছেড়ে দিন... নিসন্দেহ আল্লাহ সবচেয়ে ভাল এবং উপযোগী নিয়মেরই কথা বোঝাবেন।তখন আপনি সিদ্ধান্ত নেন কোনটি ঠীক।আর এই জন্য আপনার বইবেকই যেথেষ্ট।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৪০

আরব বেদুঈন বলেছেন: দুই তাদসির পড়ে সিদ্ধান্ত নেওয়াই উত্তম হবে বলে আমি মনে করি।ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ভাল থাকবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.