নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভুয়া মফিজ

ভুয়া মফিজের সাথে ভুয়ামি না করাই ভালো...

ভুয়া মফিজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

স্বপ্নযাত্রা: ইটালী - ২

১২ ই অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:৩৮



ইটালীর প্রত্যেকটা শহরেই ছোট বড় একাধিক পিয়াজ্জা বা স্কোয়ার রয়েছে। এর অনেকগুলিই আবার বিশ্ববিখ্যাত! হেলানো টাওয়ারটাও একটা স্কোয়ারে, নাম ’পিয়াজ্জা দেই মিরাকোলী’। এই পিয়াজ্জাটা ইটালীর অন্যান্য পিয়াজ্জা থেকে একটু ভিন্নধর্মী। পিয়াজ্জার সাধারন বৈশিষ্ট্য হলো, শহরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় একটা পাকা খোলা চত্বর। শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে রাস্তা এসে এখানে মিশে, অনেকটা আমাদের ঢাকার ফার্মগেটের মতো একটা জংশন! এক বা একাধিক মনুমেন্ট থাকে। আর পিয়াজ্জা দেই মিরাকোলী দেয়াল দিয়ে ঘেরা। ভিতরের চত্বরটা বেশিরভাগই ঘাসের। আর মনুমেন্টের বদলে বেশকয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ বিল্ডিং রয়েছে। যার মধ্যে টাওয়ার একটা।

এটা আসলে একটা বেল টাওয়ার বা ঘন্টাঘর। প্রতিটা ক্যাথেড্রালেই ঘন্টাঘর থাকে, কোনোটা ক্যাথেড্রালের ভিতরে, কোনোটা বাইরে। ১১৭৩ সালে এর কাজ শুরু হয়, আর তিন ধাপে ১৯৯ বছরে এটি সম্পন্ন হয়। মজার ব্যাপার হলো তৈরীর ৫ বছর পরই এটা হেলতে শুরু করে। পরবর্তীতে নীচের মাটির সমস্যার সমাধান করে এর পতন ঠেকানো হয়। ১৯৮৭ সালে এটিকে ইউনেস্কো বিশ্ব-ইতিহ্যের অংশ হিসাবে স্বীকৃতি দেয়। আরেকটা মজার ব্যাপার হলো, টাওয়ারটা ক্যাথেড্রালের পিছনে অবস্থিত। কিন্তু পর্যটকরা আসে টাওয়ার দেখতে। তারা বেশিরভাগ স্কোয়ারে ঢোকে পিছনদিক দিয়ে, তাই শুরুতেই তারা টাওয়ারটা দেখে! আমিও তাই করেছি। এটা আসলে ক্যাথেড্রাল বা পুরা স্কোয়ারের পেছন দিক! তাই পর্যটকদের তোলা বেশিরভাগ ছবিতেই দেখা যায় টাওয়ার ক্যাথেড্রালের সামনে, কিন্তু হওয়ার কথা উল্টা, তাইনা?


ছবি যেমনটা হওয়া উচিত; ক্যাথেড্রালের পিছনে টাওয়ার


ক্যাথেড্রাল, সামনে থেকে


ক্যাথেড্রালের ভিতরে

স্কোয়ারের আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিল্ডিং হলো ব্যাপ্টিস্টারী। সহজ কথায় ব্যাপ্টিজম হলো কাউকে খৃষ্টধর্মে দীক্ষিত করা, আর যেখানে এই কাজটি করা হয় সেটাই ব্যাপ্টিস্টারী। ১১৫২ সালে এর তৈরী শুরু হয়, আর ১৩৬৩ সালে এর নির্মান শেষ হয়। বিশ্ববিখ্যাত ইটালীয়ান জ্যোতির্বিদ গ্যালিলিও (উনি একজন পদার্থবিদও ছিলেন) এই পিসা শহরেই জন্মগ্রহন করেন আর এই ব্যাপ্টিস্টারীতেই তাকে ব্যাপ্টাইজ করা হয়।


ব্যাপ্টিস্টারী

পিয়াজ্জা দেই মিরাকোলীতে আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হচ্ছে ’ক্যাম্পোসান্তো’। এটাকে প্রতিকীভাবে ’’মৃতদের জন্য কবর আর জীবিতদের জন্য জীবন-যাপনের নির্দেশিকা’’ ভবন হিসাবে দেখা হয়। এখানে এই থীমের উপর ফ্রেসকোর একটা চমৎকার সিরিজ আছে। আর একটা মিউজিয়াম ভবন আছে যার বেশি ডিটেইলস আমি দেখি নাই। এতকিছু দেখার পর একটু বোরিং মনে হয়েছে!


ক্যাম্পোসান্তো এর ভিতরে, দেয়ালে ফ্রেসকো। রক্ষনাবেক্ষন চলতে থাকায় ছবি তুলতে দেয়নি।


মিউজিয়ামে পুরো কমপ্লেক্সের একটা প্রোটোটাইপ


সেই আমলের তেষ্টা মেটানোর ব্যাবস্থা, এখনও পান করা যায়


ফেরার পথে এটা দেখলাম, ওদের ভাষায় একটা সাইনবোর্ড টানানো, কিছুই বুঝলাম না। একজনকে জিজ্ঞেস করাতে বললো, এটা একটা প্রাচীন রোমান বাথের ধ্বংসাবশেষ।

পিসা ভ্রমন শেষ করলাম। পরবর্তী গন্তব্য পম্পেই নগরী। পিসা সেন্ট্রাল ট্রেন স্টেশান থেকে বিকাল ৪:৩২ এ ট্রেন ধরে যাবো ফ্লোরেন্স। সেখানে ট্রেন বদল করে যাবো নেপলস। তারপর আবার ট্রেন বদলে যাবো পম্পেই। পম্পেই পৌছার কথা রাত সাড়ে দশটায়। লম্বা জার্নী, এদিকে সারাদিন হাটাহাটি করে ক্ষুধাও লেগেছে। ঢুকলাম এক পিজ্জারিয়াতে (রেস্টুরেন্ট, যেখানে পিৎজা বিক্রি হয়)। দেখি সারি সারি বিরাট আকারের চারকোনা পিৎজা সাজানো! এত্তোবড় পিৎজা! জিজ্ঞেস করে জানলাম, ইটালীতে পিৎজা বিক্রি হয় সাধারনতঃ কেজি দরে!!! কতোটুকু দরকার দেখিয়ে দিলে কেটে ওজন করে দিবে, সে অনুযায়ী দাম! তো হাফকেজি পিৎজা খেয়ে ফেললাম!


ফ্লোরেন্স থেকে নেপলস, এই ট্রেনে করে



তথ্য কিছু গুগলের, কিছু ওখানকার পরিচিতিমূলক পুস্তিকা এবং বোর্ডের, ছবি আমার ক্যামেরা এবং ফোনের।

চলবে.........

মন্তব্য ২৪ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (২৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:৪৮

যাযাবর চখা বলেছেন: ইতালী ঘুরতে ভালো লাগছে, থামার দরকার নাই...স্বপ্নযাত্রা চলতে থাকুক।

১২ ই অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৪:৩৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: চলবে ভাই, ততোক্ষন সাথে থাকুন আর ভালো থাকুন।

২| ১২ ই অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৫:১৯

MirroredDoll বলেছেন: I've been there. In one word it was "awesome" experience.
tnx for sharing. Beautiful!

১২ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:১০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: খুবই সত্যি কথা বলেছেন! আবার যেতে ইচ্ছা করে, মনে হয় কতকিছু দেখা বাকী রয়ে গেলো! আপনার অভিজ্ঞতাটা লিখে ফেলুন না!!!

৩| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১২:১৯

অপর্ণা মম্ময় বলেছেন: এখানে বেড়াতে গিয়েছিলাম। চমৎকার!!
আপনার ছবি আর পোস্ট দুইই ভালো লেগেছে। সময় করে আপনার ব্লগ বাড়ি ঘুরে দেখবো।

৪| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১২:২৫

অপর্ণা মম্ময় বলেছেন: এখানে বেড়াতে গিয়েছিলাম। চমৎকার!!
আপনার ছবি আর পোস্ট দুইই ভালো লেগেছে। সময় করে আপনার ব্লগ বাড়ি ঘুরে দেখবো।

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:৩২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আসলেই চমৎকার! আমার ব্লগবাড়িতে সময় করে এসে চা খেয়ে যাবেন, আন্তরিক আমন্ত্রন রইলো। ভালো থাকবেন।

৫| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১২:৫৫

কালীদাস বলেছেন: পিসার সবকিছু অল্প পরিসরের মধ্যে, অল্প কিছুক্ষণেই সব দেখা যায়। আপনি সম্ভবত ট্রেনে যাননি পিসায়, কারণ স্টেশন থেকে আসলে সামনে দিয়েই ঢোকা হয়, টাওয়ার সেক্ষেত্রে ব্যাসেলিকার পেছনে পড়ে। আমি একটা বিশাল জিনিষ মিস করেছি, যেদিন যাই সেদিন সন্ধ্যার আগে টাওয়ারে ওঠার কোন স্লট ফাঁকা না থাকায় টাওয়ারে ওঠা হয়নি :((

ইটালিতে পিৎজা কেজিদরে বিক্রি হয়না, নর্মালি পিস হিসাবে বিক্রি করে বেশিরভাগ দোকানে, পিজ্জারিয়াগুলো সাধারণত মেন্যু রাখে এবং আস্ত পিৎজাই বেঁচে। আপনার এক্সপেরিয়েন্সটা অবাক লাগল শুনে।

ট্রেনটা সম্ভবত প্রাইভেট সেক্টরের। ইটালো, তাই না? খুবই ফাস্ট!!

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:২৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: প্লেনে গিয়েছি। বুঝেছি, প্রথম পর্বটা পড়েননি....পড়ার আমন্ত্রন রইলো, সেইসাথে আমার ব্লগবাড়ি ঘুরে দেখারও!
আমি অন্ততঃ যতগুলো পিজ্জারিয়াতে গিয়েছি তেমনটাই দেখেছি। ওদেরকে বলেছি ইংল্যান্ডে পিৎজা হয় গোল আর বিক্রি হয় সাইজ (ইন্চি) হিসাবে, আর তোমাদেরটা চারকোনা আর কেজি হিসাবে, কারনটা কি? বলেছে, এখানেও গোল হয়, পিস হিসাবেও বিক্রি হয় তবে খুব কম! সুতরাং আপনিও ঠিক, তবে আমার চোখে পড়েনি।
টাওয়ারে না উঠে খুব বেশি মিস করেন নাই, উপর থেকে পুরো শহরটা দেখা ছাড়া তেমন কিছু নাই।
ট্রেনটা প্রাইভেট সেক্টরের কিনা জানিনা তবে, ইটালো। আপনি তো সাংঘাতিক মানুষ, ট্রেনের ছবি দেখে নাম বলে দিলেন.... :)!

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৩:৪৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ভাই, পিৎজা বিক্রির এই আর্টিকেলটা দেখুন Click This Link

৬| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১০:২০

কালীদাস বলেছেন: হা হা, লিংকটা দেখার পর এবার বুঝেছি কনফিউশনের কারণ। আপনি ঠিকই বলেছেন, তবে নেহায়াত খাঁচড়া ব্যবসায়ী না হলে মেপে সাধারণত বেঁচে না, আগে থেকেই ওজন করা থাকে এবং স্লাইস এভারেজে সেই মাপেই কাটে। ইটালিতে রেক্টেঙ্গুলার শেপে পিৎজা বিক্রি করাটা খুবই কমন মেইনলি ট্যুরিস্টিক স্পটগুলোর আশেপাশে, এগুলোতে দামও বেশি রাখে কোয়ালিটির তুলনায়। এই জিনিষটা জি-৩ এর বাকি দুইটা দেশেও কমন (জার্মানি এবং ফ্রান্সে)। তবে আস্ত পিৎজা কেনাটাই সাশ্রয়ী :)

ফাস্ট ট্রেনগুলো সম্পর্কে ইন্টারেস্ট ছিল, ইটালো সম্ভবত ইউরোপের প্রথম প্রাইভেট হাই স্পিড রেল কোম্পানি যে কারণে বিশেষভাবে মনে আছে। আরেকটা কারণ হল, কখনও চড়িনি :( এবং ট্রেনগুলোর শেপ ইটালির অন্য হাইস্পিড ট্রেনগুলোর চেয়ে খানিকটা আলাদা।

১৪ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১২:৪০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: জার্মানিতে এখনও যাইনি, আর ফ্রান্সে কয়েকবার গেলেও ওদের পিৎজা খাওয়া হয়নি। আসলে এই খাবারটা আমার ওতোটা প্রিয় না! ইটালী গেলাম, পিৎজা খেলাম না.......ওরা আবার কি মনে করে, তাই খাওয়া আরকি....... ;)
হ্যা, ট্রেনগুলো হাইস্পিড, যাওয়ার পথে একপর্যায়ে ডিসপ্লেতে দেখলাম 'বর্তমান স্পীড ঘন্টায় ১০০ মাইল'!

৭| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১২:৪৭

কালীদাস বলেছেন: হ্যা, ট্রেনগুলো হাইস্পিড, যাওয়ার পথে একপর্যায়ে ডিসপ্লেতে দেখলাম 'বর্তমান স্পীড ঘন্টায় ১০০ মাইল'!

=p~ এটা মাঝে মাঝে আমারও হাসি পায়। তবে জিনিষটা কমন জার্মানিতেও। হাইস্পিড যাই তোলা যাক, পুরাটা কখনই তুলে না সম্পূর্ণ রুটে; বেশিরভাগ সময়েই পারেনা কারণ সেইম লাইনে আরও অনেক রুটের ট্রেন চলে। কিছু পার্টে তোলে, তখন দেখা যায় যে মাঝে মাঝে ২৮০~৩০০ কিমি তে চলে যায়।

১৪ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ২:১৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমি অবশ্য ট্রেনে উঠলে স্পীড নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামাই না। শুধুমাত্র ড্রাইভ করার সময় মাথা ঘামাই.........জরিমানার ভয়ে... :)

৮| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১:১৮

ফেরদৌসা রুহী বলেছেন: ঘুরে এলাম আপনার সাথে।

পরের পর্বের অপেক্ষায়।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:৩৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। পরের পর্ব লেখার উৎসাহ জোড়দার হলো!

৯| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১০:৪৪

জুন বলেছেন: আপনার প্রাঞ্জল বর্ননায় আমার ঘুরে আসা স্থান সম্পর্কে পড়ে আর দেখে নষ্টালজিক হয়ে পড়লাম ভুয়া মফিজ।
এমন ইওরোস্টারে করে আমিও গিয়েছিলাম স্বপ্নের ভেনিস ভ্রমনে, পথে পড়েছিল ফ্লোরেন্স যেখানে কাটিয়েছিলাম দুদিন। দেখেছিলাম উফিজি মিউজিয়াম । আর নেপলস গিয়েছিলাম কন্ডাক্টেড ট্যুর বাসে। তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ইতালী ভ্রমণ নিয়ে যথারিতী বেশ কটি পোষ্টও দিয়েছিলাম ব্লগে। ঢাকা থেকে রোম ভেনিসের উপরেও তিন পর্বের পোষ্ট আছে ২০১০ এ ।
পরের পর্বের অপেক্ষায় ।
+

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:৪৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার লেখার লিংক দেয়ার জন্য ধন্যবাদ আপা, তবে এখন না, পরে পড়বো। মাথার মধ্যে লেখাটা গুছানো, এখন আপনার দারুন লেখা পড়লে আমার ভূয়া লেখার উপর প্রভাব পড়তে পারে! বোঝেনই তো, তখন মনে হবে এ্ইটা আমি কি লিখলাম.... :( !!!

১০| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:৪৭

জুন বলেছেন: চিন্তাইয়েন না ভুয়া মফিজ । ঐগুলি আমার ব্লগ জীবনের প্রথম দিকের লেখা । ঐগুলি দেখলে আমিও মনে মনে কৈ এইটা আমি কি লিখছিলাম /:)
আস্তে ধীরে পড়েন আর না পড়লেও সমস্যা নাই । লিংক দিছি যাতে আপনি লিখতে গেলে কিছু মনে না পরলে তখন হেল্প হৈবে :`> ঠাট্টা করলাম মাইন্ড করবেন না আশাকরি । আপনার পরবর্তি পর্বের অপেক্ষায় :)

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ২:০৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: যতো খুশি ঠাট্টান, আমি মাইন্ড করি না.... :) । ৩নং পর্ব দিলাম, আপনার গঠনমূলক সমালোচনা চাই কিন্তু এবার!

১১| ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১১:৩০

ফয়সাল রকি বলেছেন: ভাল।
+++

২৩ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:৩৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১২| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:০৭

বাকি বিল্লাহ বলেছেন: ভ্রমণ পোস্ট ভাই খুব আগ্রহ নিয়ে পড়ছি কিন্তু একটা পর্বের সাথে আরেকটা লিংক করে দিলে ভাল হত। যেমন আগের পোস্ট পরের পোস্ট।

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:২৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমার ব্লগবাড়ীতে আসলে তো সবগুলো পাচ্ছেন, তাই না! আমার বাড়ীতে এসে চা খেতে খেতে পড়বেন, সেটাই তো ভালো। যাইহোক, শেষ পর্বে দেখি সবগুলো লিংক দিয়ে দিবো।
কষ্ট করে পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.