নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভুয়া মফিজ

ভুয়া মফিজের সাথে ভুয়ামি না করাই ভালো...

ভুয়া মফিজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

পাচটি সন্দেহজনক ভৌতিক মিনি গল্প

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:৫৫




১. মাসুদা একটা হাসপাতালে আয়ার কাজ করে। রাতে ঘরে ফিরছিলো এক নির্জন রাস্তা দিয়ে। ওর হাতে ঝুলানো একটা পলিথিনের ব্যাগে টিফিন বক্স আর কয়েকটা ছোটখাটো জিনিস। হঠাৎ ঠিক পিছনে একটা খসর খসর শব্দে চমকে উঠলো ও। মনে হচ্ছে ঠিক ওর পিছনে কেউ হাটছে, ওকে অনুসরণ করছে! দাড়িয়ে পরলো মাসুদা। শব্দটা আর হচ্ছে না, মানে অনুসরনকারীও দাড়িয়ে পড়েছে!
মনে পড়লো ওর গ্রামে থাকা মা একবার বলেছিল, শুনশান রাস্তায় হাটলে যদি মনে হয় তোর পিছনে কেউ হাটতাছে তাইলে ভূলেও পিছন ফিরা তাকাবি না কইলাম মাসুদা। কিছু ভূত আছে, এরা মাইয়াগো পিছনে পিছনে হাটে আর পিছন ফিরা তাকাইলেই ঘাড় মটকায়!
সেটা মনে করেই পিছনে একবারও না তাকিয়ে এবার দ্রুত হাটা দিল ও। এবার পিছনের শব্দটাও দ্রুততর হলো। আর আগুপিছু চিন্তা না করে হেচকির মতো শব্দ তুলে ব্যাগ-ট্যাগ ফেলে ঝেড়ে দৌড় দিল মাসুদা। বেশকিছুটা দৌড়ানোর পর একটা রিক্সা দেখে দাড়ালো, মানুষের সাড়া পেয়ে এবার পিছনে তাকালো। কেউ নেই!! প্রচন্ড ভয় পেয়েছে আজ, সেই সঙ্গে বড় বাচাও বেচেছে!!
বুকে একগাদা থুতু ছিটিয়ে বাড়ীর পথ ধরলো। শব্দটাও এখন নেই আর!!!


২. দোকানটা বন্ধ করতে আজ দেরীই হয়ে গেলো হরিপদর। আজ অমাবষ্যার রাত, গ্রামের রাস্তায় হাটাই মুশকিল। তাই ভেবেছিলো আজ তাড়াতাড়ি দোকান বন্ধ করে বাড়ী ফিরবে। হিসাব শেষ করতে করতে সেই দেরীই হয়ে গেলো। তালা দিয়ে ঘুটঘুটে অন্ধকারেই বেড়িয়ে পড়লো। এই যাহ, টর্চটা তাড়াহুড়োয় দোকানে ফেলে এসেছে! যাকগে, ভাবলো মিনিট পনেরোর পথ, চোখ বন্ধ করেই যেতে পারে ও।
পথেই একটা কালী মন্দির পরে, তার কাছে এসেই পা দ্রুততর হলো হরিপদর। অন্ধকারও হয়েছে বটে আজ, আর এদিক টা তো একেবারে নিকষ কালো, ভাবলো ও। হঠাৎ কালীমন্দিরের দিক থেকে মেয়েলী গলার আওয়াজ ভেসে এলো,
- হরিপদ, ওই হরিপদ, এতো তাড়া ক্যান? সেইসঙ্গে হি হি হি হি হাসি!
- কে? কে হাসে?? আতকে উঠে ফোপানীর মতো আওয়াজ বেরুলো হরিপদর গলা দিয়ে।
- আমি কালী!
- জয় মা কালী! রক্ষে করো মা কালী!! দুই হাত জোড় করে কপালে ঠেকালো ও।
- মা কালী না গো, আমি তোমার পাশের বাড়ীর কালী!! আবার হি হি হি হি হাসি!
- ধুুর শালীর শালী, খামাখা ডর দেখাস, আগে কইবি না?


৩. প্রানের বন্ধু সজীবের গ্রামের বাড়ীতে বেড়াতে এসেছে রিয়াদ। পুরাই শহরের ছেলে রিয়াদের পুরানো জমিদার বাড়ী টাইপের বাড়ীতে থাকার শখ অনেকদিনের। সজীবের দাদার দাদা সেই আমলে লাখপতি হয়ে নিজ গ্রামে বাড়ী বানিয়েছিলেন। সজীব অনেকবারই ওকে বলেছে, আমাদের গ্রামের বাড়ীতে গেলে তোর এই শখ পুরাই মিটবে দোস্ত!!
আজ যাই, কাল যাই করতে করতে শেষ পর্যন্ত যাওয়ার সুযোগ হলো গ্রীষ্মের ছুটিতে। এসে খুবই খুশী রিয়াদ। আসলেই আলীশান বাড়ী, সামনে পিছনে বড় বড় গাছওয়ালা বিরাট বাগান, বিশাল পুকুর। সারাদিন খুব মজা করলো, ইচ্ছেমতো ঘুরলো। রাতে ভূড়িভোজ করে রুমে চলে এলো ঘুমাতে, খুব টায়ার্ড লাগছে ওর। প্রাচীণ আমলের পালংকওয়ালা বিশাল এক রুমে ওকে থাকতে দিয়েছে সজীব। বলেছে ওর দাদার দাদা এই রুমেই থাকতেন। গ্রীষ্মকাল, কিন্তু মোটেই গরম লাগছে না ওর। বিশাল খোলা জানালা দিয়ে বাতাস আসছে হু হু করে।
গভীর ঘুম ভাংলো একটা শীতল হাতের স্পর্শে। কে যেন ওর পায়ে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে!!
- কে? কে?? প্রচন্ড আতংকে জমে গিয়ে চেচিয়ে উঠলো রিয়াদ।
- আমি, বড় হুজুরের খাস চাকরানী। আইজ দেড়শো বছর ধইরা এই কামরায়ই থাকি। আপনে মেহমান, ঘুমান। আমি পায়ে হাত বুলায়া দেই!!!
রিয়াদ চোখ বুজলো। ঘুমিয়ে গেল আবার? নাকি অজ্ঞান হয়ে গেল???


৪. কাল পহেলা বৈশাখ, অনেক প্রোগ্রাম বন্ধুদের সাথে। তাই রাতে হাল্কা একটু খেয়ে মশারী টানিয়ে, ফ্যান ছেড়ে একটু আগেভাগেই ঘুমিয়ে পড়লো পুলক। গভীর রাতে কোনো এক কারনে হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে গেল ওর। দেখলো মশারীর ঠিক বাইরে কোনার দিকে একটা সাদা অবয়ব। বিভিন্ন দিকে নড়ে-চড়ে ওর দিকেই এগিয়ে আসার চেষ্টা করছে!!
প্রচন্ড ভয়ে চিৎকার দিয়ে উঠলো পুলক, কিন্তু মুখ দিয়ে শুধু একটা অপার্থিব অ অ অ শব্দই বের হলো, তারপরই অজ্ঞান হয়ে গেল ও। সকালে পাখীর ডাকে ঘুম ভাংলো নাকি জ্ঞান ফিরলো জানে না ও। রাতের কথা মনে হতেই ভয়ে ভয়ে তাকালো কাল রাতের কোনাটার দিকে। তারপরই অট্টহাসিতে ফেটে পড়লো।
পহেলা বৈশাখে পরবে বলে ওর কারুকাজ করা সাদা রংএর পান্জাবীটা ধুয়ে হ্যাংগারে করে মশারীর দড়িতে ঝুলিয়ে দিয়েছিল, যাতে করে সারা রাতে ফ্যানের বাতাসে শুকিয়ে যায়! ওটা এখনও এদিক-সেদিক দুলছে, কিন্তু দেখতে ভয়ংকর লাগছে না মোটেও!!!


৫. গ্রীষ্মের ছুটিতে গ্রামের বাড়ীতে এসেছে রনি। খেয়েদেয়ে ভর-দুপুরে শুয়ে বই পড়ছে ও। একটা ভাত ঘুম দেয়ার ইচ্ছা। চোখটা লেগে এসেছে এমন সময় শুনলো একটা মেয়ে ওকে ডাকছে। তাকিয়ে দেখলো জানালার বাইরে বারো তেরো বছরের একটা মেয়ে। জিজ্ঞেস করলো, ভাইজান, আমার ছোট ভাইটারে দেখছেন? এইখানেই খেলতে আছিল। না, দেখি নাই, এইখানে খেলবো কেমনে ও? যা ভাগ!! বলে পাশ ফিরে শুলো রনি। আবার বইয়ে মনোযোগ দেয়ার চেষ্টা করলো!
হঠাৎ কেমন যেন অস্বস্তি লাগলো ওর, কিছু একটা ঠিক নাই! আবার তাকালো জানালার দিকে, মেয়েটা নাই। তারপরই ওর গা শির শির করে উঠলো। ঘাড়ের চুল সব দাড়িয়ে গেল ভয়ে!
ও তো দোতলার একটা ঘরে শুয়ে!!!!


সবাইকে নববর্ষের প্রানঢালা শুভেচ্ছা।

ছবিটা ’নেটের সৌজন্যে

মন্তব্য ৫৩ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (৫৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:০৫

সনেট কবি বলেছেন: সুন্দর গল্প

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:০৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, কেমন আছেন?

২| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:১৫

বিএম বরকতউল্লাহ বলেছেন: ভুয়া মফিজের গল্প কিন্তু ভুয়া না।
পড়ে মজা পেলাম। ছোট ছোট গল্প বড়ো বড়ো আনন্দ দিতে পারে।
আমার শুভেচ্ছা নিন। শুভেচ্ছাতে কিন্তু ভুয়া-ভাং নাই।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: জেনুইন শুভেচ্ছা দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। আপনাকেও শুভেচ্ছা, জেনুইনই। গল্পগুলো ভালো লেগেছে জেনে আনন্দিত।

৩| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:২৭

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: সবগুলোই ভাল লেগেছে। প্রথমটা পড়ে আরেকটা লেখার কথা মনে পড়ল। সম্ভবত রহস্যপত্রিকার কোন এক সংখ্যায় পড়েছিলাম। একটা ১০/১২ বছরের ছেলে সন্ধ্যার পর বাড়ি ফিরছিল। একটা খসখস শব্দ ওর পিছু নিয়েছিল। ভীষণ ভয় পায় ছেলেটা। তারপরও শব্দটা কোথা থেকে আসছে দেখার জন্য সাহস করে হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়ে। পেছনে তাকিয়ে কাউকে দেখতে পায় না। কিন্তু যখনই আবার হাঁটতে শুরু করে তখনই সেই খসখস শব্দটা ওর পিছু নেয়। এভাবে চলতে চলতে একটি খোলা মাঠে এসে পড়ে। তারপর আবার সাহস করে পেছনে তাকায়। অনেকক্ষণ এদিকসেদিক খুঁজেও কাউকে দেখতে না পেয়ে আবার হাঁটতে শুরু করে মনোযোগ দিয়ে খসখস শব্দটা শুনতে থাকে। তারপর ওর মুখে হাসি ফুটে ওঠে।

বলুন তো কে ছিল এই খসখস শব্দের পেছনে? :)

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: জ্বীন ছিল, সেই জ্বীনের নাম ছিল হামাদ। কফিল জ্বীনের ছোটভাই! =p~ =p~
আপনিই বলে দেন, এতো কষ্ট করতে পারবো না। বেশী চিন্তা করলে আমার আবার মাথা ধরে!! :)

৪| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:১৩

শাহারিয়ার ইমন বলেছেন: খসখস শব্দ পায়ের জুতার

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: নিজের জুতার শব্দতো চেনার কথা...

৫| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:৫০

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ভূত না থাকলেও ভূতের ভয় আছে ঠিকেই।

এগুলো যাকিছু ঘটে সব জ্বীনের কারসাজি ও মানুষের মনের ভয়।

++++

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: মানুষের মনের ভয়টাই বড়। জ্বীনদের নিজস্ব প্রোগ্রাম থাকে না! মানুষকে ভয় দেখানোর টাইম কই?

৬| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:২১

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: শাহারিয়ার ইমন বলেছেন: খসখস শব্দ পায়ের জুতার

না, ধরুন জুতো ছিলই না পায়ে। :)

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: নীচে উত্তর আছে, কেউ কষ্ট কইরেন না :)

৭| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:৩৮

কালীদাস বলেছেন: ৩,৫ ভাল লেগেছে!

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:০০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: নিজের সক্ষমতা-অক্ষমতা জানা দরকার, বাকী তিনটায় কি সমস্যা বলেন তো!!

৮| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:৫৭

কামরুননাহার কলি বলেছেন: হাহাহাহা আগে একটু হেসে নিলাম। ৪ নং টায় খুব মজা পেলাম।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:০২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ধন্যবাদ, ভালো থাকুন।

৯| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০২

দি রিফর্মার বলেছেন: ভাল লাগল। ধন্যবাদ।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:০৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: পড়ার জন্য এবং ভালো লাগার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।

১০| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪২

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: ততটা ভৌতিক না হলেও ভালোই লেগেছে!

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সেজন্যেই তো সন্দেহজনক ভৌতিক! ধন্যবাদ।

১১| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫১

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: লেখক বলেছেন: জ্বীন ছিল, সেই জ্বীনের নাম ছিল হামাদ। কফিল জ্বীনের ছোটভাই! =p~ =p~
আপনিই বলে দেন, এতো কষ্ট করতে পারবো না। বেশী চিন্তা করলে আমার আবার মাথা ধরে!! :)


ছেলেটা হাফপ্যান্ট পরেছিল। যখনই হাঁটা শুরু করত তখনই হাফপ্যান্টের নিচের উরুর দিকের দুই মাথা ঘষা খেয়ে খসখস শব্দ করত। আবার যখনই থামত তখনই শব্দও থেমে যেত। :P

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ব্যাটা তো দেখি বেকুব, নিজের উরুর ঘষার শব্দ চিনে না!!! :(

১২| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৩৭

কাছের-মানুষ বলেছেন: সবগুলোই ভাল ছিল তার মাঝে শেষেরটা ভিন্ন রকম মনে হয়েছে।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৫০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সবগুলোই ভাল লেগেছে জেনে ভালো লাগলো, শেষেরটাকে বিশেষকরে ভিন্ন রকম মনে হলো কেন?

১৩| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৪০

সুমন কর বলেছেন: ভালো, ২ বেশি। +।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৫২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

১৪| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৫৬

নূর-ই-হাফসা বলেছেন: সবগুলোই মজার । চার নম্বর টা ছোট বেলায় বেশি হতো ।
পাঁচ নাম্বার টা দু একবার এমন টাইপ হয়েছে ।
গ্রামে বেড়াতে গেলে একটু সন্ধ্যা হলেই মনে হতো কেউ পিছনে আছে বুঝি । যা অতি সাধারণ মনের ভয় ।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:১২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সবগুলোই মজার তিন আর পাচ নম্বরটা কিন্তু জেনুইন ভূতের গল্প!
ভয়হীন মানুষ পৃথিবীতে নাই। কতো ছোট-খাটো ব্যাপারেই না আমরা ভয় পাই!

১৫| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:১৫

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন:
বনের বাঘে খায় না, মনের বাঘে খায়।

বি. দ্রঃ রাতে আমি ভয় পাই:(

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:১৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমিও :(

১৬| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:২০

রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট।
খুব উপভোগ করলাম।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: উপভোগ করার জন্যই দিয়েছি, আপনিও উপভোগ করেছেন! প্রীত হলুম।

১৭| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১২:০৬

নীল মনি বলেছেন: ভালো লাগল সব গুলো পড়ে :)

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

১৮| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:০৭

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: ভুতের গল্প পড়তে ভালই লাগে।+++

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমারও ভুতের গল্প খুবই প্রিয়। :)

১৯| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:৪৯

*** হিমুরাইজ *** বলেছেন: দারুন সব মিনি ভুতের গল্প!

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

২০| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৬

সোহানী বলেছেন: প্রতিটি গল্পই খুব চেনা তারপর ও অসাধারন...............

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: প্রশংসায় অনুপ্রাণিত। অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২১| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১২:২৫

নায়লা রহমান বলেছেন: মোটামুটি ভয়ের গল্প

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:০৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনে দেখি বিরাট ভূয়া!!
ভয়ের গল্পের লিংকে জাফর ইকবাল এর উপর হামলার নিউজ!!!
অবশ্য এক অর্থে এইটা ভয়েরই গল্প।

২২| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১:৫৪

ভূত গোয়েন্দা বলেছেন: এমন আরো ভৌতিক, হরর, রহস্য, ভালোবাসার গল্প আর কবিতা পড়তে পারেন আমার বাংলা হরর গল্প লেখার ব্লগ ভূত গোয়েন্দা http://bhootgoyenda.blogspot.com

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:০৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ওকে, পড়বানে!!

২৩| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:১৭

আখেনাটেন বলেছেন: অাপনার ভূতের গল্পের কাহানি পড়ে তো নিজের কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে ইচ্ছে করছে। :P
এগুলো কিন্তু সত্যিকারেই ভূত। ;)

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:৫৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: করেন করেন, পড়তে চাই।
১,৪ নাম্বার আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা।
৩,৫ আমার উর্বর মস্তিস্ক-প্রসূত
২ নাম্বারটা ভার্সিটির এক বান্ধবীর কাছ থেকে শোনা
অবশ্য সবগুলোই অনেকটা পরিবর্তন করে নিজের মতো করে লেখা।
সোর্স বললাম যাতে করে আপনি লিখতে উৎসাহ বোধ করেন।

২৪| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:৪০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আমি ভূতের গল্প ডরাই :-&
তারপর ও পড়ে ফেললাম ,ভালো লাগসে :)

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:০০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ভূতের গল্প আমি খুবই ভালা পাই। ভূতের গল্প ডরাই না, কিন্তু ভূত ডরাই.. :(

আপনার ভালো লেগেছে, জেনে আমারও ভালো লাগছে! আপনারা উৎসাহ দিলে একটা বড় হরর গল্পই লিখে ফেলবো ভাবছি!! কি বলেন???

২৫| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:১০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: লিখেন লিখেন আমি ও কাঁথা গায়ে পড়ে ফেলবো। তাহলে আর ভয় পাবো না :P

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:১৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ওকে, আপনার কাথা গায়ে দেওয়ানোর ব্যবস্থা করছি, দাড়ান.......যত শীঘ্র সম্ভব!! :)

২৬| ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:৪৫

সামিয়া বলেছেন: লাইক দিলাম, পড়ে মন্তব্য জানাবো ভাইয়া।

২৭| ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:১৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: দুই নম্বরটা আমরা ছাত্র বয়সে কৌতুক হিসেবে বলিতাম !

---ঘরের পেছনে কে রে ?
--- আমি কালী !
---রক্ষে করো মা কালী !
--- আমি সেই কালী নই, আমি ভবানীর বোন কালী !
--- ওরে বিটি শালী !!!!!!

২৮| ১৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৮

সামিয়া বলেছেন: আপনি তো খুবই সুন্দর গল্প লিখেন, দারুন।।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.