নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভুয়া মফিজ

ভুয়া মফিজের সাথে ভুয়ামি না করাই ভালো...

ভুয়া মফিজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

আইল অফ ওয়াইট ভ্রমন – ২

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১১:০৫



আইল অফ ওয়াইট ভ্রমন - ১


প্রথমেই বলি, আইল অফ ওয়াইটে আমরা ছিলাম তিন রাত, দুই দিন। প্রথম পর্বটা ওখানে পৌছার পর বেড়ানো, তারপর রাত কাটানো পর্যন্ত। এই পর্বে বাকী দুই রাত এবং দুইদিন একসাথে দিয়ে দিলাম। শেষের দিনে আমরা সকালেই হোটেল থেকে চেক আউট করে সারাদিন এখানে-ওখানে কাটিয়ে বিকালের দিকে বাসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেই। সুতরাং একইসঙ্গে এটা শেষপর্বও বটে। যেহেতু দুইদিনের বেড়ানো একসাথে দিচ্ছি, তাই দিন হিসাবে না দিয়ে বেড়ানোর ক্রমানুসার অনুযায়ী দিলাম।

স্যানডাউন শহর-সংলগ্ন সমুদ্র সৈকতঃ এই সৈকতটা ডায়নোসরদের হাড়-গোড় পাওয়ার জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত। এখানে একটা ইন্টারএকটিভ ডায়নোসর মিউজিয়াম আছে। পোলাপাইনের জন্য খুবই আনন্দদায়ক এবং শিক্ষনীয় জায়গা। বিভিন্ন স্কুল থেকে প্রচুর গাইডেড ট্যুর হয় এখানে।



প্রাচীন (গোশত ছাড়া) এবং আধুনিক (গোশত ওয়ালা) ডায়নোসর



মিউজিয়ামের বাইরের মাঝারী আকৃতির লেকটার রাজহাসগুলি আমার কাছে বরং বেশী আকর্ষনীয় মনে হয়েছে। অত্যাধিক সৌন্দর্য!!


এখানের সী-বীচে প্রচুর সময় কাটানো (নষ্ট) হয়েছে এবং আমি বাদে গ্রুপের বাকী সবাই খুবই আনন্দ-ফুর্তি করেছে। কেন জানি, সমুদ্র দেখলেই আমার ঘুম আসে, কাজেই আমি একচোখ বন্ধ রেখে ঘুমিয়েছি। বাকী একচোখে সজাগ দৃষ্টি রেখেছি গুড়াদের দিকে! সী-বীচের ছবি বারে বারে দেয়ার কোন মানে নাই, তাই দিলাম না। সামনে দেখাবো, কথা দিলাম।

শাঙ্কলীন চাইনঃ শাঙ্কলীন শহরে অবস্থিত একটা শৈলশিরা (Chine এর বাংলা এটাই খুজে পেয়েছি তবে জিনিসটা সম্পর্কে আমার ধারনা অস্পস্ট)। একসময় চোরাকারবারীদের ব্যবহার করা এই চাইনটা ১৮১৭ সাল নাগাদ একটা আকর্ষনীয় পর্যটন কেন্দ্র হয়ে ওঠে। ইংরেজ রোম্যান্টিক কবি কীটস ১৮১৯ সালে এখানে অবকাশযাপনকালীন সময়ে বেশকিছু কবিতা রচনা করেন। পরবর্তীতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটা রয়্যাল নেভীর কমান্ডোদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহৃত হয়।






কালভার ডাউনঃ সবার তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও শুধু আমার জেদের কারনে এখানে যাওয়া হয়েছিল। এটা স্যানডাউনের উত্তরে অবস্থিত বেশ খাড়া চক ক্লিফ। এখানে প্রথম এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতি-বিজড়িত চমৎকার একটা দূর্গ (বেমব্রিজ ক্যাসেল) আছে যেটা দেখতে পারি নাই। এই জায়গাটা আত্মহত্যার জন্যও বিখ্যাত। লোকজন গাড়ী চালিয়ে খাড়া ক্লিফ থেকে সমুদ্রে পরে গিয়ে আত্মহত্যা করে। আমার কথা হলো, আত্মহত্যা কর, ভালো কথা। গাড়ী নষ্ট করার দরকার কি? ২০১২ এর ১১ই অক্টোবর এখানে শেষ আত্মহত্যা অনুষ্ঠিত হয়!! এরপর এখানে ব্যারিকেড দেয়া হয়, যেন কেউ গাড়ী নিয়ে ঝাপ দিতে না পারে। প্রথম ছবিটা ইয়ারবোরোর দ্বিতীয় আর্লের স্মরণে নির্মিত একটা মনুমেন্ট।







দ্য নীডলস এন্ড এ্যালাম বেঃ দি নীডলস হলো দ্বীপের সর্বপশ্চিমে কতগুলো বিশালাকৃতির চক পাথর এবং এদের শেষ মাথায় একটা বাতিঘর। এই পাথরগুলো হচ্ছে, পৃথিবীর সবচেয়ে বেশীবার ছবি তোলা পাথরসমষ্টির অন্যতম। আর এই পুরো জায়গাটা হলো এ্যালাম বে। এই বে’র ক্লিফের মাথায় একটা ছোটখাটো পার্ক আছে। সেখান থেকে চেয়ারলিফটের মাধ্যমে নীচের সৈকতে যাওয়া যায়। সৈকতে স্থাপিত ছোট্ট একটা ডক থেকে বোটে করে চক ক্লিফ, নীডলস আর বাতিঘরের একদম কাছ থেকে বেড়িয়ে আসা যায়।

দুর থেকে দেখা দ্য নীডলস এবং এ্যালাম বে


পার্ক থেকে সৈকতে যাত্রা


চেয়ার লিফট থেকে দেখা ক্লিফ


সৈকত থেকে চেয়ার লিফট টার্মিনাল


এ্যালাম বে’র পাথুরে সৈকত এবং ক্লিফ


বোট থেকে চক ক্লিফ এবং বাতিঘর




এখানে বেশ কিছুটা সময় কাটিয়ে আমরা ফিরতিপথে যাত্রা শুরু করলাম। পুরানো গাড়ী দেখতে আমার খুবই ভালো লাগে। ফেরার পথে দেখলাম একজায়গায় পুরানো গাড়ীর প্রদর্শনী হচ্ছে। থামতে চাইলাম, সবাই না না করে সমস্বরে তেব্র পরতিবাদ জানালো। গাড়ী চালাচ্ছিলাম আমি, আর মেজাজ এমনিতেই খচে ছিল। ঘ্যাচ করে ব্রেক খিচে নেমে গিয়ে বললাম, আমি দেখবো…..তোমরা যাও গিয়া! কি আর করা, সবাই বিরস বদনে নেমে চা, কফি খাওয়ার ধান্ধা শুরু করলো; আর এই ফাকে আমি পটাপট কয়েকটার ফটো খিচে ফেললাম!





ফেরীতে উঠার পর ক্যাপ্টেন ঘোষণা দিল, আমাদের যাত্রাপথের বিভিন্ন সময়ে তিনটা বৃহদাকার লাক্সারী ক্রুজ শীপ আমাদেরকে পাশ কাটিয়ে যাবে। সবার সাথে সাথে আমিও ক্যামেরা নিয়ে রেডি হলাম। এক এক করে পার হলো কুইন মেরী ২ (২০০৪ সালে যখন ভাসানো হয়, এটা ছিল বিশ্বের সর্ববৃহৎ ক্রুজ লাইনার। বর্তমানে সপ্তম), ওরিয়ানা আর ক্রাউন প্রিন্সেস। ছবিতে এদের বিশালত্ব ঠিকমতো বোঝা যায় না। এরা প্রত্যেকেই একেকটা ছোটখাট শহরের মতো! পাশ ঘেষে যাওয়ার সময় দেখে মুগ্ধ না হয়ে উপায় নাই।

কুইন মেরী ২


ওরিয়ানা


ক্রাউন প্রিন্সেস


প্রথম পর্বের শুরুতেই বলেছিলাম না, এতোদিন পর্যন্ত আইল অফ ওয়াইটে না যাওয়ার দুই নাম্বার কারন ছিল সপরিবারে যেতে না চাওয়া! অন্য কথায় একা একা যেতে চাওয়া! তাহলে শোনেন। এই তিনদিনের ট্যুরেও আমার পছন্দের ছয় ছয়টা জায়গায় যেতে পারি নাই, যেটা আমি একা একা গেলে খুব ভালোভাবে দেখে আসতে পারতাম।

১। হাই ডাউন রকেট টেস্ট সাইট
২। স্টীম রেলওয়ে রাইড
৩। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত ইয়ারমাউথ ক্যাসেল
৪। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত দ্য নীডল ব্যাটারীজ
৫। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত বেমব্রিজ ক্যাসেল
৬। দ্য বিটলসের স্মৃতি বিজড়িত ’রাইড’ শহরটা

আবার আইল অফ ওয়াইটে যাওয়ার সম্ভাবনা নাই বললেই চলে। এগুলো না দেখেই চলে আসার দুঃখ বুকে নিয়েই আমার বাকী জীবনটা ধুকে ধুকে পার করতে হবে। সবার দিকে চেয়ে ট্যুরের প্রায় অর্ধেকটা সময় সমুদ্রের পাড়ে বসে ঢেউ গুনে গুনে কাটিয়ে এসেছি। কতগুলো ঢেউ গুনেছি তা পর্যন্ত মনে নাই! :((

কোন মানে হয়???


ছবি আমার; তথ্য নেট, লিফলেট ও পুস্তিকার।

মন্তব্য ৫২ টি রেটিং +১২/-০

মন্তব্য (৫২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১১:৩২

করুণাধারা বলেছেন: আপনার সব পোস্টের মত এই পোস্টটিও নিশ্চয়ই ভালো হয়েছে। না পড়েই লাইক দিলাম। হয়তো পরে কখনো পড়তে পারবো।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৪৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সর্বনাশ করেছেন!! আপনি এই ক'দিন কোথায় ছিলেন.....কতোকিছু ঘটে গেল, ঘটনা কি কিছু জানেন? :P

ভরসা করার জন্য ধন্যবাদ। বিস্তারিত মন্তব্যের অপেক্ষায় থাকলাম। :)

২| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:২৩

জুন বলেছেন: আমি পুরোটা পড়েই লাইক দিলাম ভুয়া মফিজ আর লক্ষ্য করলাম এই সব লেখালেখিতে আপনাকে আরো কিছুদিন আমার সাগরেদী কর্তে হপে #:-S কোন ছবির আলাদা ক্যাপশন নাই । ফাকিবাজী করে এক এক যায়গায় চার পাচ লাইন লিখছেন । এ জন্য ছবি দেখতে গিয়ে বার বার পড়ে আসা লেখায় চোখ বুলাতে হয়েছে /:)
পুরনো গাড়ীর প্রতি আমার ছেলের তীব্র আকর্ষন, তার জন্য কত যায়গায় সে গেছে বলার নাই । কত ছোট ছোট রেপ্লিকা কিনে এনে ঘর ভরেছে ।
আর সেই ক্রুজ এর ছবি দিলেন্না যে :-* আমরা লাক্সারী ক্রুজে নাইল ভ্রমন করেছিলাম । লুক্সর টু আসোয়ান । সত্যি আনন্দদায়ক ভ্রমন ছিল সেটি ।
গুপন কথাটা যাইনা বুঝলাম বেশি লোক নিয়ে ভ্রমন করলে অনেক কিছু ছার দিতে হয় । কোহ সামুই তে ম্যাজিক পার্ক দেখতে আমার ছেলের আপত্তি না শুনে আমরা দুই বুড়োবুড়ি দেখে এসেছি ।
লেখায় ২ নং প্লাস

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: প্রতিটা ছবিতে আলাদা করে ক্যাপশান দিলে তো পোষ্ট বিশাল হয়ে যাবে। তবে যেখানে দরকার, সেখানে দিয়েছি। আর এমনিতেই আমি আপনার সাগরেদ। নতুন করে হওয়ার কিছু নাই। :P

আমি তো কোন ক্রুজে যাই নাই, কোনটার কথা বলেন?

পুরাতন গাড়ী তো বটেই, যে কোন গাড়ীই আমার প্রিয়। আমিও একসময় ম্যাচবক্স জমাতাম। সেগুলো এখনও আছে....প্রচুর।

এই ছাড় দেয়াটাই সমস্যা। এসব পছন্দের জায়গায় তো বারে বারে যাওয়া যায় না। একবার গিয়ে সব দেখে না আসতে পারলে সারাজীবন আফসোস থেকে যায়।

আপনার লাইক, মন্তব্য আমাকে সবসময়ই উৎসাহ দেয়। ওস্তাদ বলে কথা!! =p~

৩| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৬

অন্তরা রহমান বলেছেন: সবচেয়ে আফসোস হলো পুরাতন গাড়ির প্রদর্শনীর কথা পড়ে। :((

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কেন? আফসোস কেন? আপনারও পছন্দ নাকি?

৪| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:০৭

জুন বলেছেন: যেই লাইনারগুলো আপনার নাকের ডগা দিয়ে পার হলো ভুয়া । কুইন মেরী ২ আর দুটি যেই লাইনারগুলো আপনার নাকের ডগা দিয়ে পার হলো ভুয়া । কুইন মেরী ২ আর দুটি
দেখেন কোহ সামুই এ আমাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছে কত্তবড় লাইনার ।


এইটা ফুকেটে আমাদের পাশ দিয়ে গেলো /:) (গর্বের ইমু খুজে পাচ্ছি না )

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:২১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ছবিগুলো দিয়েছিলাম.....আসে নাই কেন বুঝলাম না। আবার দিলাম, আশাকরি এবার দেখা যাচ্ছে। :)

গর্বের ইমু খুজে পাচ্ছি না হে হে হে.....এটার জন্য এপ্লাই করেন!

আপনার ফটোগুলো সুন্দর হয়েছে.....আমারগুলো কেমন?

৫| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:২৮

মা.হাসান বলেছেন: এক চোখ খুলে -এক চোখ বন্ধ করে ঘুমানোর উপর একটা পোস্ট দেন।
লোকে না পড়ে লাইক দেয়, আমি কিন্তু ঐ পোস্টে আগাম লাইক দিয়ে রাখলাম :P
(আপসোস, আমার ম্যাওপ্যাও এখনো বন্ধ হইলো না।)
বড় আশা ছিল ডাইনোসরের সাথে তোলা একখানা ছেলপি দিবেন, দিলেন না।
পারিবারিক ট্যুর হওয়া উচিৎ রিলাক্স মুডের ট্যুর, কটেজ, তৈরি খাবার, শান্ত পানি ইত্যাদি ইত্যাদি। শান্তি আর শান্তি। ঘুরিবার জন্য পারিবারিক ট্যুর উত্তম নহে।
আমার দোস্ত জ্যাক কে কি বিদায় বেলা -- 'হে বন্ধু আবার দেখা হবে' বলেন নাই?
আপনি ঘ্যাচ করিয়া ব্রেক করায় এই গাড়ি গুলি দেখা হইলো। কুইন মেরি বা ক্রাউন প্রিন্সেসের ছবি কোথায়? রাইট বিক্রি করিয়া দিয়াছেন?
সাউদাম্পটনে একটা ভালো আন্ডার ওয়াটার অ্যাকুয়ারিয়াম আছে, গুড়ারা এনজয় করার মতো ছিল।
রকেট টেস্ট সাইট সম্পর্কে ধারণা নাই। ঐ জায়গা হইতে কি বিলাতি কম্পানি গুলি আকাশে স্যাটেলাইট ছুড়িয়া মারে? ও আমাদেরও এখন আছে, না দেখিলে সমস্যা নাই।
নিডল ব্যাটারি কি? সুই এর আগায় লাগায়? আমি প্রশ্ন ফাঁস না, অটো পাসের জামানার লোক, বুঝি কম। ব্যামব্রিজ ক্যাসল আমারো দেখিবার সাধ জাগে। হাতিরঝিলে প্যারিস হইয়াছে, হাতিয়া-সন্দ্বিপে বিলাতি দ্বীপ গড়িয়া উঠিলে উহাও দেখা হইবে।
@ করুণাধারা আপা-- ছুটি চাহিয়া প্রধান শিক্ষকের নিকট দরখাস্ত লিখা আশা করি ভুলিয়া জান নাই, মকশো করিতে থাকুন। না পড়িয়া লাইক দেয়ার দম্ড পাইলে কাজে লাগিবে। আশা করি আপনার রাগ পড়িয়া গিয়াছে। সেক্ষেত্রে আমার শেষের কয়েকটি পোস্ট এবং পদাতিক চৌধুরীর মরীচিকা ২৬ পড়িয়া দেখার অনুরোধ থাকিলো।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:৪৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এক চোখ খুলে -এক চোখ বন্ধ করে ঘুমানোর উপর একটা পোস্ট দেন। এইটা আমার গোপন টেকনিক, জনসম্মুখে প্রচার করা যাইবো না। আর ছেলপি কেমন দিমু, আমার ছেলপি তুললেই স্ক্রীণ কালো হয়া যায়। কারন কি বলেন তো! :((

আপনার কথা ঠিক আছে.....এই জন্য পারিবারিক ট্যুর আমার পছন্দ না। রিল্যাক্স করার জন্য আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা বাসা। অবশ্য অনেকেই দ্বি-মত পোষণ করিবেন; তাহাতে আমার কিছুই যায় আসে না।

আপনের সমস্যা হইলো....আপনে প্রশ্ন করেন বেশী, আমি এতো উত্তর দিতে পারিব না। সব উত্তর গুগল মামার জানা আছে। উনাকে জিজ্ঞাসা করেন। আর ঢাকা আগেই প্যারিস ছিল........এতোদিনে নিশ্চয়ই উহাকে ছাড়াইয়া গিয়াছে!!! :P

আপনার থাই ভ্রমন না শুরু হওয়ার কথা! ভয়ের চোটে যান নাই =p~

৬| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:৪৩

ইসিয়াক বলেছেন: ছবি ও কথায় এক কথায় দারুন ।পড়ছি ......।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:৪৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনি তো 'পড়ছি' বলে হাওয়া হয়ে যান। কেমন লাগলো সবিস্তারে বর্ণনা করবেন না! :)

৭| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:২০

রাজীব নুর বলেছেন: খুব সুন্দর।
আপনি কি আমস্টারডাম গিয়েছেন??

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:২৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: না, যাইনি। ওখানে দেখার তেমন কিছু নাই। :)
আপনি গিয়েছেন?

৮| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:০৯

তারেক ফাহিম বলেছেন: খুব ধীরে পড়ছি। ছবিতে ক্যাপশন না থাকায় উপরের দিক থেকে পড়ে ছবি মেলাতে হচ্ছিল।

পোষ্টে ৫ নাম্বার লাইক ও +++

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:১৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: প্রথমে বর্ণনা.....তারপর তার সাথে সম্পর্কিত ছবি, তাই গ্রুপ ছবিতে ক্যাপশান দেইনি। যেগুলো আলাদা করে বলার দরকার সেগুলোর ক্যাপশান তো আছে। সমস্যা কি বেশী হচ্ছে?? :)

আরো ধীরে পড়েন.......দ্রুত পড়লে দ্রুতই শেষ হয়ে যাবে। =p~

৯| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:২৪

মা.হাসান বলেছেন: শ্যামদেশ ভ্রমন শুরু হবে ৬ তারিখ ভোর থেকে।
দোচালা টিনের ঘরে দু দিকে টিনের মাঝে সরু জায়গার মতো দু দিকে ঢালু পাহাড়ের মাঝের সরু রাস্তাকে শৈল শিরা বলে মন হয়। উদাহরণ সহ ব্যাখ্যা করিতে কহিবেন না সব কাজ সবারে দিয়ে হয় না।

আত্মহত্যা করার জন্য বিকল্প কোন জায়গা আবিষ্কৃত হইয়াছে কি? ঐখানে পুরাতন গাড়ি কেনার একখানা দোকান করা কি রূপ হইবে? গাড়ির দাম স্বরূপ বিদায় মুহূর্তের ছবি তুলিয়া ওনাদের ফেচবুকে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া যায়।

জ্ঞানীদের নিকট প্রশ্ন করিলে ওনারা জবাব দিতে চাহেন না কেন? ওনারা জবাব দিতে না চাইলে আমরা শিখিব কেমনে?

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: নেটে শৈলশিরার (Chine) ছবি দেখে কিছুটা বুঝেছি। তারপরও শিরা-উপশিরা হলো মানবদেহের অংশ, শৈলশিরা তাই একটু অস্পষ্ট লাগে। B-)
আপনি যেটা বলেছেন, ওটা গিরিখাত (ravine)। ছবি দেখেন,


আত্মহত্যা করার জন্য বিকল্প কোন জায়গা এখনও ঠিক হয় নাই, তবে চেষ্টা চলিতেছে। আমাদের এখানে ভাঙ্গাচোরা গাড়ির কোন দাম নাই। :)

জ্ঞানীদের নিকট প্রশ্ন করিলে ওনারা জবাব দিতে চাহেন না কেন? এটা একধরনের ভাব। ধীরে ধীরে শিখিয়া যাইবেন। =p~

১০| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:০৩

মা.হাসান বলেছেন: আধা ঘন্টা আগে হইলে বলিতাম নিজের মূর্খতার কারণে ধপাস করিয়া গিরিখাতে পড়িয়া গেলাম, এখন দেখিতেছি আসলে শৈল শিরায় পড়িয়া গিয়াছি।
গাড়ি বিক্রি করিয়া হাটিয়া উঠিয়া লাফ দিয়া আত্মহত্যা করিবে। যদি গাড়ির নিতান্ত প্রয়োজন হয় তবে আত্মহত্যার ইচ্ছুক ব্যক্তিদের ভালো গাড়ির বদলে প্রায় অচল ,MOT উত্তির্ন হইতে অক্ষম, এমন গাড়ি দেয়া যায়। সব খুলিয়া না বলিলে দেখি আপনি বোঝেন না। B:-)

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: যে আত্মহত্যা করিতে চায়, সে এমনিতেই করিবে। তবে কর্তৃপক্ষ চায় না, লোকজন গাড়ীসহ আত্মহত্যা করুক।
MOT শব্দটা দেশে প্রচলিত নহে, সেইজন্যই আমার মনে ক্ষনে ক্ষনে ভাবনার উদ্রেক হয় যে, আপনি হয় বৃটেনবাসী, নতুবা কোন এককালে ছিলেন। সন্দেহ হওয়ার আরো কারন অবশ্য আছে, সেগুলি বিস্তারিত বলিলাম না। ;)

সব খুলিয়া না বলিলে দেখি আপনি বোঝেন না। আমার বুদ্ধি-শুদ্ধি এমনিতেই নিম্নমানের, কি করিব?? :(

১১| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:৪১

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ভালো লাগলো এবারের পর্বও

ডাইনোসোরের হাড্ডিগুলো কী সত্যিকারের?

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বেশীরভাগ হাড্ডিই সত্যিকারের। স্ট্রাকচার ঠিক রাখার জন্য মিসিং লিঙ্কগুলো নকল দিয়ে পূরণ করা হয়।

কষ্ট করে ভালো লাগানোর জন্য ধন্যবাদ। :)

১২| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:০৮

চাঁদগাজী বলেছেন:



মানুষকে বড়শী ফেলে মাছ ধরতে দেখলেন?

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: দু'এক জায়গায় দেখেছি। আমার এ'ব্যাপারে আগ্রহ নাই, তাই ততটা খেয়াল করি না।

তবে, ইস্তান্বুলের বসফোরাস ব্রীজের উপরে দেখেছিলাম শ'য়ে শ'য়ে মানুষকে বড়শী দিয়ে মাছ ধরতে। তবে তাদের বড়শীতে শুধু সার্ডিন-ই ওঠে। কারন জানিনা।

১৩| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


এই পোষ্টে "লাইক" নিয়ে আবার কথা হচ্ছে, এই ব্যাপারে শান্ত হওয়ার জন্য এডমিন অনুরোধ করেছেন।

১২/১৩ জন ব্লগার পরস্পরের লেখায় "লাইক" নিয়ে এগুলোকে আলোচনার পাতায় পাঠাচ্ছিলো; আবার, কিছু ব্লগার মালটি নিক ব্যবহার করে নিজের লেখায় "লাইক" দিচ্ছিল; এর ফলে, অনেক ভালো লেখা বেশী মন্তব্য পেয়েও আলোচনার পাতায় স্হান পায়নি; এটি সঠিক ছিলো না; এটার প্রতিবাদ করা হয়েছে; ব্লগিং সৎ বাংগালীদের জন্য! এটি নিয়ে আর অকারণ কথা বাড়ানোর দরকার নেই।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: একটা প্রসঙ্গ উঠলে সেটা নিয়ে কথা হতে হতে একসময় এমনিতেই থেমে যাবে। এটা অনেকটা ধ্বনি-প্রতিধ্বনির মতো। এটা নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কোন কারন নাই।

মাল্টি ব্যবহার করে লাইক দিয়ে, পোস্ট রিফ্রেশ করে আলোচিত পাতায় যাওয়া অসৎ মানুষের কাজ, কোন সন্দেহ নাই। ১০০% সৎ বাঙ্গালী শুধুমাত্র স্বপ্নেই পাওয়া যাবে। কিছু পচা আপেল সব ঝুড়িতেই থাকে। এই বাস্তবতা মেনে নিয়েই আমাদেরকে ব্লগিং করতে হবে। উপায় নাই। তবে, মেজাজ সত্যি সত্যিই খারাপ হয় যখন দেখি ব্লগে ভিজিটর+ব্লগার মিলে ২০০ জনও নাই, আর কিছু মানহীন ফালতু লেখা মিনিটে মিনিটে হাজার হাজার ভিউ দিয়ে আলোচিত পাতায় চলে যায়। এসব একমাত্র কর্তৃপক্ষই বন্ধ করতে পারে।

কর্তৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ না নিলে এসব সমস্যা কিছুদিন পর পরই ব্লগকে গরম করবে।

১৪| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আপনার এক চোখ বন্ধ রেখে ঘুমানোর দৃশ্যটি আমার বেশ ভাল লেগেছে। রাজহাঁসের ছবিটি দেখে মনে হ এক টুকরো বঙ্গদেশের প্রতিনিধি।

সার্বিকভাবে সুন্দর ক্যাপশনের গুনে পোস্টটি অসাধারণ লাগলো।
পুরনো গাড়ির ছবিগুলি ভীষণ চিত্তাকর্ষক মনে হয়েছে। তবে গাড়িগুলোর নাম দিলে হয়তো আমাদের জিজ্ঞাসার ভান্ডার ষোল কলা পূর্ণ হত।লাক্সারি ক্রুজ গুলো সত্যিই যেন ছোটখাটো এক একটা শহরের মতো।

সবশেষে আপনার জন্য সমবেদনা জ্ঞাপন করছি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ছয় ছয়টা জায়গা দেখতে না পাওয়ার যন্ত্রণার কারণে। বঞ্চিত হলাম আমরাও। আশা রাখি ভবিষ্যতে সে মনোবাঞ্ছা পূর্ণ হবে এবং আমাদেরও দুর থেকে তা দর্শনের সুযোগ মিলবে।


পোস্টে অষ্টম লাইক।

শুভকামনা জানবেন।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:১২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: পুরানো গাড়ীর ব্যাপারে আপনারও বেশ আগ্রহ আছে দেখছি। যেমনটা পোস্টে লিখেছি, সবার আপত্তির মুখে খুব অল্প সময়ের জন্য নেমেছিলাম। ঝটপট কয়েকটা ছবি তুলে, একটু দেখে চলে এসেছি। বিস্তারিত দেখতে পারিনি। তবে গাড়ীর ছবি, লোগো ইত্যাদি দেখেই কিন্তু নাম বলে দেয়া যায়।

১। লাল গাড়ীটা রোলস রয়েস
২। সবুজ জীপটা অস্টিনের ডানডোনাল্ড
৩। সাদা গাড়িটা রাইলী

আশাকরি, ষোল কলা না হলেও অন্ততঃ তের কলা পূর্ণ করতে পেরেছি! =p~

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ছয় ছয়টা না, তিনটা।
আশা রাখি ভবিষ্যতে সে মনোবাঞ্ছা পূর্ণ হবে চান্স নাই বললেই চলে।

আপনার জন্যও শুভকামনা।

১৫| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০০

মিথী_মারজান বলেছেন: বাহ্!
পুরাতন ঐতিহ্যের ব্যাপারে আপনার বেশ ঝোঁক আছে দেখছি।
পুরাতন গাড়ির প্রতি আকর্ষণ,বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত স্হানগুলোতে যেতে না পারার আক্ষেপ।
ব্যাপরটা দারুণ।
আর আপনার ভ্রমণ সুবাদে আমরাও কতকিছু দেখতে পেলাম।
সাবলীল বর্ণনা ভাল লেগেছে।
ছবিগুলো বেশ সুন্দর।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:১৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: শুধু পুরাতন না, হাজার হাজার বছরের প্রাচীণ ঐতিহ্যের ব্যাপারে আমার আগ্রহ আরো বেশী। আপনার আগ্রহ থাকলে আমার ইটালী আর তুরস্কের ইস্তান্বুলের ওপর পোস্টগুলো দেখতে পারেন। আমি এসব দেখার জন্যই বিভিন্ন দেশে যাই। :)

আর গাড়ীর ব্যাপারে আমি খুবই প্যাশোনেট।

আপনাদেরকে দেখাতে পেরে আমারও ভালো লাগছে। ভালো থাকবেন।

১৬| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৭

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ছবিগুলো কিন্তু বিন্দাস। সমুদ্রে জাহাজ দেখলে আমার টাইটানিক মুভির জ্যাক আর রোজের কথা মনে পড়ে। হাঃ হাঃ হাঃ।

উপভোগ্য পোস্ট। ধন্যবাদ ভাই ভুয়া মফিজ।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:২২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সমুদ্রে জাহাজ দেখলে আমার টাইটানিক মুভির জ্যাক আর রোজের কথা মনে পড়ে। আপনার দেখি প্রেমিক মন। পোস্ট উপভোগ্য করার চেষ্টার কমতি ছিল না, হেনাভাই।

আপনাকেও ধন্যবাদ সময় করে এই ভুয়া মানুষের পোষ্ট দেখার জন্যে। :)

১৭| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:০১

আহমেদ জী এস বলেছেন: ভুয়া মফিজ,




আইল অফ ওয়াইটের আইলে আইলে ( আলপথে ) কেন যে ঘুরতে যাওয়ার খায়েশ হলো তা থেকে শুরু করে গুড়াগাড়ারা যাতে পান্তে না পড়ে সেজন্যে চোখ পিটপিট করে খবরদারী করা মানুষটা যে সমুদ্রের অতল জলের আহ্বানকেও আমলে নেয় না, এসব পড়ে মনে হলো তেমন মানুষটা আসলেই ভুয়া। :) কেবল ইতিহাস মিশ্রিত লেখা আর ছবি আসলি। তা লাক্সারী লাইনারের মতো বড়ই সৌন্দর্য! নিটোল সুন্দর তো বটেই সাথে অল্পকথায় ইতিহাসের গাঁথুনী দিয়ে সবটুকু লোভনীয় করে রেখেছেন।

আপনার মতো আমারও একা একা ঘোরা পছন্দ যদিও ঘোরাঘুরির সুযোগ তেমন একটা আসেনা। :((

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:২৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার মতো আমারও একা একা ঘোরা পছন্দ যদিও ঘোরাঘুরির সুযোগ তেমন একটা আসেনা। :(( জী এস ভাই, কাদবেন না প্লীজ। আপনার দুঃখে আমার চোখেও পানি চলে আসছে! :((

স্বঘোষিত ভুয়া মফিজ তো ভুয়াই হবে.....জেনুইন হওয়ার কি আর সুযোগ আছে? ;)
চমৎকার মন্তব্যের জন্য আমার শুভেচ্ছা নিন।

১৮| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:২১

ঢাবিয়ান বলেছেন: ডায়নোসারটা কি রিয়েল ডায়নোসারের ফসিল ? ছবিগুলো খুব সুন্দর ।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:২৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এটা ডায়নোসারের ফসিল না, কংকাল। সত্যিকারের হাড্ডি-গুড্ডি দিয়েই বানানো। ধন্যবাদ। :)

১৯| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:১১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: আমাদের সোনার বাংলাদেশের মন্ত্রী পরিবার এই দুইটি রাজহাস দেখলে ভক্ষনের বাসনা করতো নির্ঘাত!!!

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৩০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার কথা শুনে ক্ষুধাবোধ হচ্ছে। :D

২০| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:০০

মুক্তা নীল বলেছেন:
মফিজ ভাই ,
আজ একেবারে লাস্টু । সম্পুর্ন পোস্ট সবার মন্তব্য পড়লাম।
জাহাজের ছবি তিনটা ও হাঁসের ছবি গুলো কয়েকবার দেখলাম।
তাছাড়া সব মিলিয়ে সাবলীল ও চমৎকার লিখেছেন। আরেকটি কথা প্রত্যেকটি ছবিই কিন্তু সুন্দর ।
শুভকামনা।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৩৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বারে বারে ফার্স্ট হওয়া ঠিক না। অন্যদেরকেও সুযোগ দেয়া উচিত, তাই না! :)

আপনার প্রশংসা যতোই পাই, ততোই আরো বেড়াতে আর বেশী বেশী পোস্ট দিতে ইচ্ছা করে। keep it going!! :P

২১| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:২৬

আনমোনা বলেছেন: দেখলেনতো, স্টীয়ারিং নিজের তাতে রাখতে হয়। তবে কালভার ডাউনে গেলে স্টীয়ারিং ওয়ালার মানসিক হালের খোঁজখবর রাখা ভালো।
পুরানো গাড়ি দেখতে ভালো, চড়তে কেমন কে জানে?

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৪৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: নিজের ব্যাপারে আমার কনফিডেন্স লেভেল অত্যন্ত উচ্চ পর্যায়ের। কালভার আপই বলেন আর ডাউনই বলেন, আমার জন্য কোন ব্যাপার না। B-)

পুরানো গাড়ি দেখতে ভালো, চড়তে কেমন কে জানে? বেশ কয়েক বছর আগে কোন এক প্রদর্শনীতে এমনি একটা রোলস রয়েসে চড়ার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার। ওঠার পরে নিজেকে কেমন যেন জমিদার জমিদার মনে হয়। আর এক পায়ের উপর আরেক পা অটোম্যাটিক্যালি উঠে যায়! =p~

২২| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৭:৪০

বলেছেন: আপনি তো একটা আস্ত জিনিয়াস।।।।

ভিজিট করেও এতটুকু জানতাম নাম।।।

০৬ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:৫৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ল বলেছেন: আপনি তো একটা আস্ত জিনিয়াস।।।। ভিজিট করেও এতটুকু জানতাম নাম।।।
আপনার মন্তব্য বুঝি নাই। জানেনই তো, আমি একটু বোকা কিসিমের মানুষ। বুঝায় বললে ভালো হয়।

২৩| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৯:২৬

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: না, যাইনি। ওখানে দেখার তেমন কিছু নাই। :)
আপনি গিয়েছেন?

দেখার কিছু নাই কথাটা পুরোপুরি ভুল।
না, আমি যাই নি। তবে অবশ্যই যাবো।

০৬ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:৫৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: দেখার কিছু নাই কথাটা পুরোপুরি ভুল। আপনার জন্য হয়তো আছে, আমার জন্য নাই।

ঘুরে এসে একটা সিরিজ পোষ্ট দিয়েন, আমস্টারডামের পথে পথে। :)

২৪| ০৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:১৯

মাহের ইসলাম বলেছেন: খুব সম্ভবত টোপের কারনে ইস্তাম্বুলে শুধু সারডিন ধরতে দেখেছেন্।
অন্তত বস্ফরাসের ইস্তাবুলে যারা ধরে।
মোটামুটি একই ধরনের বড়শিও ব্যবহার করে।

এত পানির ছবি দেখে আমারও মাছ ধরার কথা জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে হচ্ছিল।
যাকগে, আমার কিন্তু প্রথম পরবটাই বেশি ভালো লেগেছে। এমনকি ছবিগুলো পর্যন্ত।
জানি না, কেন এমন হলো।

ভালো থাকবেন।

০৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৩৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: মাছ ধরা সম্পর্কে আমার জ্ঞান খুবই সীমিত। সার্ডিন সম্পর্কে আপনার কথা যুক্তিযুক্ত।
আপনার প্রথম পর্ব বেশী ভালো লেগেছে, সেজন্যে ধন্যবাদ। সব পর্বই যে ভালো লাগবে এমন কোন কথা নাই।

চেষ্টা করবো, পরের বার যেন সব পর্বই আপনার ভালো লাগে। :)

আবারো ধন্যবাদ।

২৫| ০৮ ই আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৫:২১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোষ্টটি পাবলিসের সাথে সাথেই কিছুটা পাঠ করেছিলাম । পরে এসে বাকিটা পড়ব বলে সেই যে খানিক বিরতি ঘটল তা কাটাতে কেমন করে জানি দিন কয়েক কেটে গেল । অসমাপ্ত লেখাটি পাঠের জন্য পুনরাগম বেশ বিলম্বিতই হলো । আবার এসেও
আপনার সুখপাঠ্য পোষ্টটির মধ্যে থাকা ইংলিশ গৃহযুদ্ধ প্রসঙ্গ গাথা অবলোকন কালে প্রায় দেরযুগ আগে পাঠ করা ডেভিড প্লান্ট বিরচিত (জুন ২০০২) British Civil Wars, Commonwealth and Protectorate 1638–60 লেখাটিতে থাকা কিছু কথামালা নিয়ে স্মৃতিচারণ করতেও অনেকটা সময় কেটে যায় । যাহোক, ইংলিশ গৃহ যুদ্ধ যার মধ্যে স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস জড়িয়ে পড়ে , একপক্ষে রাজার বাহিনী অন্যদিকে পার্লামেন্ট , পরিনতিতে একদিকে রাজা চার্লস-২ এর বিষাদঘন শিরচ্ছেদ আর দিকে আর্মি জেনারেল সমর্থিত পার্লামেন্ট সমর্থকদের বিজয়ে আধুনিক ব্রিটিশ সংবিধানের ( যদিও এটি একটি অলিখিত সংবিধান ) ভিত্তি রচনার পাশাপাশি আজকের ইউনাইটেড কিংডম এবং আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের রাজনৈতিক উত্তেজনার ঘটনা পরম্পরার রেশ যে এখনো কাটেনি , সে কথাই বার বার মনে উদয় হচ্ছিল । আয়ারল্যান্ড প্রশ্নে ব্রেক্সিট ইস্যুতে কি রাজনৈতিক তুলালাম কান্ডই না ইদানিং ঘটে গেল ইউকেতে, এর পরিনতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে কে জানে । যাহোক, বইটিতে থাকা গৃহযুদ্ধের টাইমলাইন, ইন্টারেক্টিভ জীবনী, একটি সামরিক ইতিহাস (কিছু যুদ্ধ এবং কিছু অবরোধ কাহিনী) প্রভৃতি বিষয়ের অনেক অনুরেরন আপনার লেখাটিতে দেখতে পাই । পোষ্টে থাকা অপরাপর বিষয়গুলিও ভাল লেগেছে । এসব বিষয়ে সহব্লগারদের দারুন দারুন মন্তব্য গুলিও বেশ উপভোগ্য হয়েছে ।

০৮ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সংক্ষেপে চমৎকারভাবে ইতিহাস তুলে ধরেছেন আলীভাই। আমিও এভাবেই বলতে চাই, তবে আপনার মতো করে বলা সহজ ব্যাপার না।

বেড়ানোর পোস্ট মানেই শুধু কতোকগুলো ছবি দিয়ে দেয়া না। কিছু প্রেক্ষাপটও দেয়ার দরকার হয়। আবার আজকাল ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার জন্য যে কেউ যে কোনও কিছু জেনে নিতে পারে। তাই একগাদা তথ্য জুড়ে দেয়ারও কিছু নাই। কিছু প্রাসঙ্গিক তথ্য দিয়ে শুধু আগ্রহটাকে চাগিয়ে তোলা, এটাই যথেষ্ট। বাকীটা আগ্রহীরা চাইলে দেখে নিতে পারবে।

এই ব্যালেন্স করাটাই খুব জরুরী, যেটা আপনার বর্ণনায় ফুটে উঠে।

অনেক ধন্যবাদ। :)

২৬| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১০:৫১

জুন বলেছেন: আর কয়েকদিন বাদে আইল অভ ওয়াইট ঘুরতে গেলেই তো আপনে ডিউক আর ডাচেস অব ক্যাম্ব্রিজ এর সাথে নৌকা চালাইতে পারতেন ভুয়া। ডাচেসের নৌকায় আপ্নে মাঝি থাকলে সে লাড্ডু হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাইতো আমি শিওর B-)

১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১০:৫৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আবহাওয়ার উপরে তো কারো হাত নাই আপা।

আর আমি কৌশলগত কারনেই যাই নাই, যদিও ওরা দু'জনেই ডেকেছিল। কারন, আমি যেটাতে থাকতাম, সেটাই জিততো। এখন আমি কাকে জেতাই? অন্যজন তো আবার রাগ করবে, তাই না! =p~

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.