নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চাকুরী সংসার স্কুল বাচ্চা সব মিলিয়ে সময় আমাকে চিবিয়ে খায়। অনেকের পোস্টে তাই মন্তব্য করতে পারি না সরি। নিজের পোস্টের উত্তর দিতে দেরী হয় সেজন্যও সরি।

কাজী ফাতেমা ছবি

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। লেখকের অনুমতি ব্যতীত যে কোন কবিতা, গল্প, ছড়া, রম্য ইত্যাদি সাহিত্যকর্ম যে কোন গনমাধ্যমে যেমনঃ-ম্যাগাজিন, ফেসবুক, ব্যক্তিগত ব্লগ, সামাজিক মাধ্যম, পত্রিকা ও ওয়েবসাইটে প্রকাশ নিষিদ্ধ। বাংলাদেশ কপিরাইট আইন, ২০০০ লংঘন একটি শাস্তিযোগ্য ও দণ্ডনীয় অপরাধ। কপি পেস্ট-ভ্রমরের ডানা”

কাজী ফাতেমা ছবি › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাচ্চাদের প্রতি নজর দিন/তাদের খেয়াল রাখুন....

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:১২



©কাজী ফাতেমা ছবি
#বাচ্চাদের_প্রতি_নজর_দিন
দীর্ঘ দুই মাস আমার ছোট ছেলে তা-মীমের ক্লাসের সামনে দাঁড়াতে হতো-কারণ সে তখনো স্কুলে অভ্যস্ত হয়নি-খুব কান্নাকাটি করতো, তাই বাধ্য হয়েই আমাকে তার সামনে থাকতে হতো। এখন আল্লাহর রহমতে স্কুলে যা্ওয়ার জন্য পাগল।তাই স্কুল সম্পর্কে আর ছাত্র/ছাত্রী/শিক্ষকদের সম্পর্কে একটা স্পষ্ট ধারণা হয়ে গেছে। তাছাড়া,বাচ্চাদের স্কুলে নিয়ে আসা যাওয়ার ফলে স্কুলের পরিবেশ সম্পর্কেও ভাল ধারণা হয়ে গেছে। বাচ্চারা কেমন, তাদের মা বাবা বা গার্ডিয়ান কেমন, শিক্ষক/শিক্ষিরা'রা কেমন এক নিমেষেই বুঝা হয়ে যায়। আর বাচ্চারা স্কুল থেকে ফিরলে তাদের সাথে স্কুলের গল্প শুনে শুনে কত মারাত্মক ঘটনা দুর্ঘটনা চোখের সামনে দেখতে পাই। একটা স্কুলের পরিবেশ শিক্ষকরা ঠিক করতে পারেন কিন্তু আদৌ কি তাদের আয়ত্তে থাকে বাচ্চাদের কন্ট্রোল করার ক্ষমতা?

আমরাও পড়াশুনা করেছি-একেকজন শিক্ষককে আমরা বাঘের মত ভয় পেয়েছি। স্যারদের হাতে সব সময় বেত থাকতো-না মারলেও থাকতো। স্যারদের ম্যাডামদের সামনে দিয়ে গেলে আমরা মাথা নিচু করে হেঁটে যেতাম। ক্লাসে পড়াশুনা পারলে স্যার মেডামদের চেয়ে আদর হয়তো কেউ করে না। একটা ছাত্র ছাত্রীর প্রতি স্যারদের মায়া তখনই পড়ে যায় যখন বাচ্চাটা স্যারের ক্লাসে মনোযোগী হয়। ঠিকমতো হোমওয়ার্ক করে এবং ক্লাসের পড়াগুলো ঠিকঠাক টুকে আনে এবং ক্লাসের পড়াগুলো স্যারের কাছে দেয়। এই-যে বললাম এমন ছাত্র/ছাত্রীদের প্রতি স্যার-মেডামদের আলাদা টান থাকে।

যুগ পাল্টেছে-সভ্যতা পাল্টেছে, মানুষের ধ্যান ধারণা পাল্টেছে-মানুষ শিক্ষিত হয়েছে জ্ঞানে গরিমায়, বিত্ত বৈভবে আমাদের দেশের মানুষ দৌড়েঁর উপরই যেনো বড় হচ্ছে। আমরা যখন স্কুলে পড়তাম -এক নিয়ম শৃঙ্খলার মাঝেই আমরা ক্লাসেও দুষ্টামি করতাম অথবা টিফিনের টাইমে সবাই মিলে মাঠে খেলতাম। কোনদিন স্যারদের সাথে বেয়াদবি করার চিন্তাই আসতো না। আমাদের মা-বাবা আমাদেরকে ঘরেই শিখিয়ে দিয়েছিলেন-শিক্ষকদের মনে কষ্ট দিলে তোমার কখনো পড়াশুনা হবে না-তুমি সাফল্য লাভ করবে না। খবরদার কখনো শিক্ষকদের সাথে উচ্চবাচ্য বা বেয়াদবী করবে না। সেই চিন্তাটা এখনো মাথায় সেঁটে আছে। এখনো স্কুলের শিক্ষক হয়তো আমার বড় হয়তো আমার ছোটও আছে-সামনে দিয়ে গেলে মনে হয় যেনো আমারই শিক্ষক যাচ্ছেন।

আসল কথায় আসি-আমার বাচ্চারা আগে অন্য একটা স্কুলে পড়তো। বাসা পাল্টানোর কারণে এখন আরেকটা স্কুলে ভর্তি করিয়েছি। আমার ছেলেরা আসলেই একটু ভিতু টাইপের-এতটা চালাক বাচ্চা না তবে ছোটটা একটু চালাক আছে-চতুর নয়। বড় ছেলে এসে তার স্কুলের ঘটনা এসে খুলে বলতো-সে তখন ক্লাস ফাইভে পড়তো, বলতো মা-বন্ধুরা টিফিনের সময় ছাদে গিয়ে সিগারেট খায়। কোনোদিন বলতো মা-বাচ্চারা বোতলে প্রস্রাব করে জানালা দিয়ে বাইরে ছুড়েঁ মারতো। কোনোদিন বলতো মা-স্যারের সাথে বেয়াদবি করে ছাত্ররা। স্যার কথা বললে উল্টো স্যারকে দু চার কথা শুনিয়ে দেয়। অতিরিক্ত দুষ্টামির ফলে স্যার যদি কোনোদিন মারতো-তবে গার্ডিয়ানের সাথে বিরাট ঝামেলা হতো। এ নিয়ে বিচার আচার কত কিছু হয়ে যেতো।

আমার এক কলিগ আপা উনি অই স্কুলের কমিটির অভিভাবক সদস্য ছিলেন। তার কাছ থেকে শুনা নানা ঘটনা শুনে আতকে উঠতে হয় রীতিমত। এক বাচ্চাকে স্যার মেরেছিল দুষ্টামির কারণে, সে বাচ্চা বাসায় গিয়ে বিচার দিলে সেই অভিভাবক'রা এলাকার মাস্তান ঠিক করে স্যার-কে মারার জন্য। এই কথা এক কান দুই কান হওয়ার পর হেড স্যারের কানে আসে। তখন কমিটি এবং হেড স্যারের মধ্যস্থতায় স্যারকে অভিভাবকদের কাছে ক্ষমা চাইতে হয়েছে। আমি তাজ্জব বনে যাই এমন অভিভাবক দেখে, যারা কি-না সন্তানকে ছোট বয়সেই এসব শিখাচ্ছে। ছেলেটি কি শিখলো? সে বড় হয়ে ঠিক এমনি মাস্তানদের কাছ থেকে সাহায্য নেয়ার চেষ্টা করবে। তার কি এমন কল্যাণ তারা ডেকে আনলো।

আরেকটা ঘটনা এমন-একজন অংক টিচার তার ছাত্র/ছাত্রীদের খুব প্রিয়। কারণ তিনি নিজের চেষ্টায় যারা ভাল ছাত্র নয় তাদেরকে নিজের মত করে গড়ে নেন এবঙ সে ছাত্র/ছাত্রীরা পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করে। ফলে অনেক অভিভাবক চান যে এই শিক্ষকই যেনো তার বাচ্চাকে পড়ান। এ নিয়ে আবার অন্য শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অন্য শিক্ষকরা মিলে একজন ছাত্রীকে ট্রেনিং দিলো, যে যেনো স্যারের নামে শ্লীলতাহানির বদনাম তুলে। ঐ ছাত্রীর অভিভাবকরা মিলে এ কাজ করে। অবশেষে সেই ছাত্রী স্যারের নামে কুৎসা রটনা করে আর সাথে সাথেই ঐ স্যার সাময়িক বরখাস্ত হন। বেশ কয়েকদিন বিচার সালিশের পর দেখা যায় সে ছাত্রী মিথ্যে বলেছে। সে ছাত্রী এবং অভিভাবক স্যারের কাছে বিচারেই ক্ষমা চান এবং আসল ঘটনা খুলে বলেন। স্যার আবার বহাল হন-মাঝে থেকে স্যারের কিছুটা সম্মান হানি হলো। তো ঐ ছাত্রী কি শিখলো? যখন তখন স্বার্থ উদ্ধার না হলেই তার চরিত্র নিয়ে কুৎসা রটনা করবে সেই-তো শিখলো সে।

আরো অনেক ঘটনা আমার চোখের সামনে ঘটে যায়। এত বললে বলা শেষ হবে না। নতুন স্কুলেও একই সমস্যা। ছাত্র/ছাত্রীরা অতিরিক্ত বেয়াদব। স্যারদের কথা তো শুনেই না। উল্টো স্যারদের কে নিয়ে নানান বাজে কথা বলে । এক স্যার নাকি ক্লাসের সামনে দিয়ে গেলে ছাত্র'রা সমস্বরে ব লে উঠে বাদাম বুট বাদাম বুট-কোনো এক ছাত্র স্যারকে ডেকে বলে ফেলে স্যার বাদাম বুট বেচবেন? উফ কি ভয়ানক বেয়াদব। অথবা স্যার ক্লাস নিচ্ছেন-তো এক ছাত্র পিছন থেকে বলে উঠলো ভ্যা......স্যার ধমক দিলেন মারতে গেলেন-দেখা গেলো অন্য দিকে আরেকটা ছাত্র ভ্যা ভ্যা করে উঠছে। স্যারের পক্ষে আর ক্লাস সামলানো সম্ভব হয়ে উঠে না। আমার বাচ্চা এসে বলে-মা মাঝে মাঝে স্যারেদের মাথা এত গরম হয়। পিঠনি দিতে দিতে স্যার’রা বেঞ্চে উঠে যান। সহ্য ধৈর্য্যেরও একটা ক্ষমতা আছে। প্রতিটা ক্লাসেই দেখলাম এমন ছাত্র অহরহ। এত বেয়াদব যে স্যারদের কোনো কথাই তারা শুনতে চায় না। স্যারকে ক্লাসে রেখেই ছাত্র’রা ক্লাস থেকে বেরিয়ে আসে।

আগের স্কুলের কলগুলো ছিলো স্টিলের -সেই স্টিল বা লোহার কলগুলো ছাত্র'রা খুলে নিয়ে যায় এবং বেচে দেয়। এমন করে স্কুলে গেলে দেখা যায় একটা কলেরও মাথা নেই। শেষ পর্যন্ত প্লাস্টিকের গুলো লাগানো হয়। এই যে ছাত্ররা এইসব জিনিস নিয়ে বিক্রি করলো-টাকা দিয়ে কি করলো-সিগারেট খেলো নাকি মদ গাঁজা? এ খবর কি তার পরিবার/অভিভাবক জানে?

আমার ছেলে ক্লাসটিচার থেসে সীট আনবে-ওকে একশত টাকার নোট দিলাম। স্যার ক্লাসে আসার পর সে তার ব্যাগে হাত দিয়ে দেখে যে টাকা নেই। এমন প্রায়ই বাচ্চাদের টাকা চুরি যায়-রাবার পেন্সিল কলমের কথা বাদই দিলাম।

আচ্ছা এ বাচ্চাগুলো কি এসব শিক্ষকদের কাছ থেকে শিখবে? নাকি আপনাদের কাছ থেকে? পরিবার/অভিভাবকদের কাছ থেকে? বাচ্চাদের আপনার কি শিখাচ্ছেন? আসল শিক্ষার শুরু তবে কোথায়-নিজের ঘরে নাকি বিদ্যালয়ে? এমনও হয়েছে স্যার'রা বাচ্চাদেরকে মারলে আপনারা রাকডাক করে বিচার নিয়ে আসেন। এটা নৈমিত্তিক ঘটনা। তো ওদের আপনারা শাসন করুন। ওদের আসল শিক্ষা দিন। ওদের বুঝান শিক্ষকদের সাথে বেয়াদবি করার ফলাফল কি! আপনার বাচ্চার ভবিষ্যত সাফল্য কিন্তু আপনারাই খাচ্ছেন। ওদের যে মেধা তাতে একটু সভ্য হওয়ার মন্ত্র ছেড়ে দিলেই কিন্তু নিখাদ সোনা হাতের মুঠোয়।

আজ যখন তা-মীম'কে নিয়ে স্কুলে যাচ্ছিলাম তখন এক স্যার সামনে এসে দাঁড়ালেন। তা-মীমের মাথায় হাত দিয়ে অনেক দোয়া করলেন-বললেন অনেক মেধাবী ছেলে, কোনো ফাঁকি দেয় না ক্লাসে আর তার আদব কায়দা খুব ভাল। দোয়া করি বাবা অনেক বড় হও অনেক পড়াশুনা কর। আমার চোখে পানি এসে গেছে সুখে। স্যার গেলে দুষ্টুটাকে বললাম-বাবা দেখ্ না স্যার কত সুনাম করলেন কত ভাল লেগেছে বাবা তুই জানিস। এখন তো আমাদের কিছু লাগে না বাবা কেবল তোদের ভাল দেখতে চাই তোদের সাফল্য দেখতে চাই-মানুষ যেনো তোদের ভাল বলে-এটাই তো আসল সুখরে বাবা। বেটা দেখি মিচকি মিচকি হাসে। বললাম খবরদার ক্লাসে কিন্তু দুষ্টামি করবি না।

বড় ছেলে তা-সীনকে নিয়েও স্যার'রা প্রশংসা করেন-বলেন ছেলেটা অনেক ভাল ক্লাসে দুষ্টামি বা বেয়াদবী করে না। আপনারা আরো একটু নজর দিবেন ওর প্রতি। এসব শুনে কোন অভিভাবক আছে যে তার ভাল লাগবে না শুনি? তো এতেই বুঝা যায় ছাত্র/ছাত্রীদের প্রতি স্যার'রা ইদানিং অনেক অসন্তুষ্ট। আপনারা প্লিজ বাচ্চাদের বুঝান শিখান একটু নজর দিন-তাদের সাথে স্কুলের গল্প করুন। ভাল মন্দ শুদ্ধ অশুদ্ধ-কোন পথে গেলে ভাল হবে কোন পথে গেলে বিপদ হবে এসব শিখান। ওরা কার সাথে মিশছে কার সাথে খেলছে এসবের খবর রাখেন দয়া করে। আর আপনাদের এই ছোট ছোট বাচ্চাগুলি কিন্তু স্কুলে গিয়েই সিগারেট খায়। এসব বিষয়ে এখন থেকেই নজর দিন। আমার বড় ছেলে বলল -এইটের এক ছেলে ইলেকট্রনিক সিগারেট খায়-শুনলেই মাথা দিয়ে আগুনের হল্কা উঠে। আল্লাহ আমাদের বাচ্চাদের তুমি হেফাজত করো মাবুদ। তোমার দয়ার ছায়া ওদের উপর রেখো-আমিন।


মন্তব্য ৪২ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (৪২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৩৩

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: বর্তমান প্রেক্ষাপটের জন্য খুবই শিক্ষনীয় পোষ্ট।

অনেক অজানা ঘটনা জানা হলো।

সময়ের সাথে সাথে সবই পরিবর্তণ হয়ে যায়। এখনই যা অবস্থা অদূর ভবিষ্যতে স্যার-ছাত্রের সম্পর্ক কি হবে কে জানে ?

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৩৫

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: এখনকার স্যার’রা্ও তো কমার্শিয়াল হয়ে গেছেন- কোচিং প্রাইভেট এসব বিষয় আসলে ভবিষ্যত প্রজন্মদের জন্য খুবই খারাপ অবস্থার জন্য দায়ী

অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া ভাল থাকুন

২| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৩৬

রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট।
শিশুদের প্রচুর সময় দিতে হবে।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৪০

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: হুম তা-তো দিতেই হবে। কিন্তু অই যে আপনার পোস্টে বললেন... অফিস অফিস বস কাজ

সময় কিন্তু একদম অল্পই দেই আমরা তাদের
ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য

৩| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৪৯

রানার ব্লগ বলেছেন: আসলে আমাদের বাবা মা দাদা দাদী নানা নানী এরা সবাই আমাদের প্রয়োজনীয় সময় দিতেন বলেই আমরা তাদের নিয়ে আলাদা এক খানা জগত তৈরি করতে পেরেছিলাম আর সেই জগতে ছিলনা কোন কলুষতা। এখন কার শিশু গুল উল্ল্যেখিত কারো সহচার্য পায় না , আর পায় না বলেই তারা হয়ে উঠছে অসহিষ্ণু।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:০২

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: জি ভাইয়া এটা্ও এক মূল্যবান পয়েন্ট। আমিও তো সময় দিতে পারি না। আমার বাচ্চা তো অসুখ হলে বলে আল্লাহ আরো অসুখ দা্ও তাহলে মা কাছে থাকবে :(

ধন্যবাদ আপনাকে ভাল থাকুন

৪| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৫৩

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: আপনার বাচ্চাদের জন্য দোয়া রইলো।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:০৪

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আমিন
জাজাকিল্লাহ আপি
ভাল থাকুন সবাইকে নিয়ে
ভালবাসা রইল

৫| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৫৫

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: সঠিক পর্যবেক্ষণ! শুভকামনা।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:০৫

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া ভাল থাকুন

৬| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:১০

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: শিশুদের মূল শিক্ষাটা তো পরিবার থেকেই দিতে হবে।
অভিভাবকরা সচেতন না হলে সমস্যা অনেক গভীরে চলে যায়।

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:৫৩

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: সময়ের কারণে উত্তর দিতে দেরী হয় ভাইয়া
এ নিয়ে মন খারাপ করবেন না প্লিজ।

আপনার কথা সহমত পোষন করছি। ধন্যবাদ

৭| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৫৭

ধ্রুবক আলো বলেছেন: পোষ্টটা খুব সুন্দর। বাচ্চাদের অনেক সময় দিতে হয়। না হলে তাদের মানসিক বিকাশ বাধা গ্রস্থ হতে পারে।

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:০১

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আমরা তো সময়ই দিতে পারি না একসময় ওরাও আমাদের সময় দিবে না হাহাহা

ধন্যবাদ ভাইয়া

৮| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩৮

আমার আব্বা বলেছেন: আপনার পোষ্ট পড়ে মনে হল যখন বিয়ে করব সন্তান হবে ততদিন আপনার পোষ্ট মনে থাকবে আমার ধন্যবাদ

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:০২

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ইনশাআল্লাহ মনে থাকবে। মনে থাকলেই ভাল-সময় দিতে হবে তাদের । অথচ আমরা সময়ই দিতে পারি না :( আফসোস। একদিন তারা্ও আমাদের সময় দিবে না

ধন্যবাদ

৯| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫১

খালিদ১৭ বলেছেন: সুন্দর চিন্তা

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:০৪

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ধন্যবাদ খালিদ ভাইয়া :)

১০| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৩

সুমন কর বলেছেন: নোংরা বাস্তবতা তুলে ধরেছেন এবং ভালো লিখেছেন। আজকালের বাচ্চা'রা খুব তাড়াতাড়ি খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এটা বড়ই চিন্তার বিষয়। বাচ্চাদের সঠিক নির্দেশনা এবং প্রচুর সময় দিতে হবে। পারিবারিক শিক্ষা যথার্থ না হলে, কোন বাচ্চাই প্রকৃত মানুষ হয়ে উঠতে পারবে না।
+।

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:০৫

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: দাদা চোখের সামনে দেখি এইট নাইনের পোলাপান রাস্তা সিগারেট টানে। বাচ্চাদের জন্য চকলেট কিনতে গেছি সেদিন তখন বাচ্চার সিগারেট খেতে আসছে। ওদের বললাম বাবারা নিজের ক্ষতি কেনো করচো খেয়ো না এসব-্ওরা কিনে হেসে চলে গেলো

ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্যের জন্য

১১| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:২৪

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন:

প্রতিটি বাবা-মায়ের তার বাচ্চাদের ব্যপারে সচেতন হওয়া জরুরী। তার সন্তান কোথায় যায়, কার সাথে মেশে। পরিবার আসলে একটা মনুষের প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। খুব সুন্দর পোষ্ট দিয়েছেন, আপা। ধন্যবাদ।

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:০৬

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: কিন্তু অনেকেই খোজ খবর রেখেও বাচ্চাদের আসকারা দেয়, ভুল করলেও ধমক দেয় না । চোখের সামনে এসব ঘটতেছে

খোজ খবর রাখাটাও জরুরী

ধন্যবাদ ভাইয়া

১২| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:৪০

করুণাধারা বলেছেন: পোস্ট ভাল লাগল। শিশুদের অনৈতিকতার যে বিবরণ দিয়েছেন তা বাস্তব। কিন্তু কেন এমন ঘটছে? যদি বলেন মায়েরা বাচ্চাদের সময় দিতে পারে না বলে, আমি তাতে দ্বিমত পোষণ করি। আমাদের সময় মায়েরা ঘরকন্না, প্রতিবেশী মহিলাদের সাথে গল্প, উলের নতুন ডিজাইন তোলা ইত্যাদিতে এত ব্যস্ত।থাকতেন যে আমাদের দিকে খেয়াল করার সময়ই পেতেন না। জানি না কেন তবু আমরা বখে যাইনি!

আপনার ছেলেদের জন্য শুভকামনা।

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:০৮

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: সময় তো আমিও দিতে পারি না। আল্লাহর রহমত ওরা এখনো বকে যায়-নি। আল্লাহ আমার আপনার সবার বাচ্চাদের হেফাজত করুন আর ওদের সদবুদ্ধি দান করুন।

আগের দিন আর এখনকার দিনের মধ্যে অনেক তফাত। নেটও দায়ী এর জন্য

১৩| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:৪৮

নীল-দর্পণ বলেছেন: আমরা ভাবতাম শিক্ষক সামান্য কষ্ট পেলে জীবনেও আর উন্নতি করতে পারবো না। কিভাবে এটা মনে গেঁথেছিল জানিনা তবে খুব-ই সতর্ক থাকতাম এই বিষয়ে। আর আজকাল ছেলে মেয়েদের বেয়াদবী দেখলে, শুনলে ভেবে পাই না কিভাবে শেখে এসব! অবশ্যই এদের অভিবাবক বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দ্বায়ী।
আমি কিছু দিন এক স্কুলে ছিলাম। সেখানে এক শিক্ষক পরীক্ষার গার্ডে কথা বলার জন্যে পরীক্ষার প্রায় শেষ পর্যায়ে এক ছাত্রীর খাতা নিয়ে হল থেকে বের করে দিলে পরের দিন তার অভিভাবক এসে বিচার বসায়! নিজের বা্চ্চার দোষ যেখানে যেখানে উল্টা শিক্ষকের নামে বিচার !!

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৫৫

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আমরা এখনো তো শিক্ষকদের দেখলে মাটিতে চোখ রেখে হাটি। আর এখনকার বাচ্চারা স্যারদেরসামনেই সিগারেট খেতে প্রস্তুত । আমার মতেও অভিভাব বেশী দায়ী। বাচ্চাদের দোষ এখনকার অভিভাবকরা দেখেন না আফসোস।

ধন্যবাদ আপনাকে অনেক ধন্যবাদ

১৪| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:১৪

উম্মে সায়মা বলেছেন: খুব বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন আপু। আসলেই সবার আগে পরিবার থেকে আদবকায়দা শিক্ষা দেয়া উচিৎ।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৫৭

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: কি আপি সেটাই
সুন্দর মতামতের জন্য অনেক ধন্যবাদ

১৫| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ২:২৮

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আসলে আমরা ভাবি সময় হলে ঠিক হয়ে যাবে। আসলে তা নয়। একটা শিশুর প্রাইমারী থেকেই তার পেছনে সময় দিতে হবে অভিভাবকদের...

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:৩৩

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: যেমন সময় দিতে তেমনি ্ওদের ভাল মন্দ বুঝাতে হবে। খুব খারাপ অবস্থায় যাচ্ছে দিনকাল। অনেক অভিভাবক কে দেখেছি তাদের সামনে অন্যদের বাসায় দুষ্টামি করে -কিছু ভেংগে যা্ওয়ার উপক্রম হলেও ধমক দেয় না। বুঝায় না আজব লাগে এদের
এত আসকারা দেয়া ঠিক না বাচ্চাদের

ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মতামতের জন্য

১৬| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৩

বিলিয়ার রহমান বলেছেন: ভালা পুস্ট আপি!!!:)

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৫

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া । এখন থেকে হাবিজাবি পোস্ট দিবো আর কপি পেস্ট পোস্ট দিবো

অন্য কিছু দিলেই চুরি হয় হাহাহাহ

১৭| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৭:৩০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আমার এক কলিগ আপা উনি অই স্কুলের কমিটির অভিভাবক সদস্য ছিলেন। তার কাছ থেকে শুনা নানা ঘটনা শুনে আতকে উঠতে হয় রীতিমত। এক বাচ্চাকে স্যার মেরেছিল দুষ্টামির কারণে, সে বাচ্চা বাসায় গিয়ে বিচার দিলে সেই অভিভাবক'রা এলাকার মাস্তান ঠিক করে স্যার-কে মারার জন্য। এটাতো এখন জাতীয় জীবনেরই চালচিত্র | সময় কেমন বদলে গেলো কত তাড়াতাড়ি! কেমন করে আর বাচ্চারা ভালো কিছু শিখবে ? আপনার এতো সুন্দর আর দরকারি লেখাটা পরেও কিন্তু খুবই মন খারাপ হলো ! কি যে সময় এলো !

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:৩১

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: প্রতিদিনই মন খারাপ হয় যখন ছেলে এসে স্কুলের বেয়াদপ ছাত্রদের কথা গল্প করে। আমি তখন বলি বাবা তোমরা কখনো বেয়াদব হবা না । স্যারদের বদ দোয়া লাগলে জীবনে সফলতা আসে না পড়াশুনা হয় না। আল্লাহ ওদের সঠিক দিক নির্দেশনা দিন।

ধন্যবাদ আপনাকে

১৮| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:২৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: কাজী ফাতেমা ছবি ,




সচেতনতার পোস্ট সন্দেহ নেই ! কিন্তু আমরা সবাই সময়টাকে ভুলে যাই । সময় যতো গড়ায় পারিবারিক , সামাজিক মূল্যবোধগুলোও ততোই পাল্টাতে থাকে । চল্লিশ পঞ্চাশ ( বাপ-দাদাদের আমল ) বছর আগে মানুষের যে মূল্যবোধ ছিলো , বিশ বছর পরে ( আমাদের আমল ) সে মূল্যবোধ ক্ষয়ে ক্ষয়ে অর্ধেকে নেমে এসেছে । এর পেছনে শত কারন থাকলেও প্রধান কারনটি মনে হয় আইডেন্টিটি ক্রাইসিস । প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকার জন্যেই সকল মূল্যবোধকে বিসর্জন দিতেই হয় । নিজের আইডেন্টিটি ভুলে যেতে হয় । এই সব কারনে বর্তমান সময়ে মূল্যবোধ একটা ফালতু জিনিষ । মূল্যবোধ .....মূল্যবোধ বলে আমরা চেল্লাই বটে কিন্তু নিজেদের জীবনেই আমরা ( ব্যতিক্রম বাদে ) তাদের বিসর্জন দিয়ে বসে আছি অনেক আগেই । সেটাই সংক্রমিত হয়েছে পরের প্রজন্মে । সে কারনেই আপনার দেয়া উদাহরণগুলোর দেখা মিলছে । এভাবেই চলবে সময় যতো গড়িয়ে যাবে ।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:৩৫

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: খুব সুন্দর মন্তব্য এবং শিক্ষনীয়ও বটে। মূল্যবোধ মানবতা বলতে গেলে উঠেই গেছে। রাস্তায় কেউ মরে পড়ে থাকল্ওে কেউ ধরে না । আমি দেখেছি আমি নিজেও হেটে চলে গেছি কিন্তু উপায় ছিল না :( হ্যা কথা সত্য নীতিবোধ নিয়ে চিল্লাই অথচ আমাদের বাচ্চারাই লাগামছাড়া বড় হচ্ছে। তাই পারিবারিকভাবেই তাদের শিক্ষা দিতে হবে ভাল মন্দের

ধন্যবাদ জী ভাইয়া। ভাল থাকুন

১৯| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৩৭

সামিয়া বলেছেন: পোষ্টে ভালোলাগা +++++++

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:৩৫

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপি ভাল থাকো

২০| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৪

জাহিদ অনিক বলেছেন:


জরুরী ও জনগুরুত্বসম্পন্ন পোষ্ট বিধায় কিবোর্ড চাপড়ে আপনাকে সমর্থন দিচ্ছি।

আপু আপনার বড় টুকুসের পরীক্ষা কেমন যাচ্ছে ?

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৭

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
আলহামদুলিল্লাহ ভাল যাচ্ছে

তবে বাংলা প্রথম পত্রে একটু খারাপ হয়েছে ফুল আন্সার করতে পারেনি -দোয়া করো ভাই
সে সমস্যা থেকে যেনো উতরে যায় ছেলেটা

২১| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:৫০

জাহিদ অনিক বলেছেন:

চিন্তা নেই, বাংলা অনেকেই ফুল আন্সার করতে পারে নাই, প্রশ্ন একটু বড় বড় ছিল।
নেক্সট তো ম্যাথ ! ভাল করবে আশা করি।
শুভেচ্ছা রইলো।

২২| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৪০

এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: আজ ১০ ই নভেম্বর, শুক্রবার
সাহিত্য আড্ডার আড্ডা বার!
চলে আসুন 'বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র'র ক্যাফেটেরিয়ায়।
লিফটের সর্বোচ্চ ৮ চেপে জাস্ট উপরে খোলা আকাশের নিচে সবুজ সমারোহে চা পর্বে দেখা হয়ে যাক আড্ডাবাজদের।
বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে চারটায় দেখা হচ্ছে তবে!
যোগাযোগঃ
মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামঃ ০১৮১৯-৫১৮৯৩৪
এটিএম মোস্তফা কামালঃ ০১৫৫৮৩০৮৮৪৮
আশরাফুল ইসলাম দুর্জয়ঃ ০১৭২৪-৬১৪২৫৬

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.