নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

গিয়াসলিটন

গিয়াস উদ্দিন লিটন

গিয়াস উদ্দিন লিটন › বিস্তারিত পোস্টঃ

মহারানী ভিক্টোরিয়া আর মুন্সী আব্দুল করিম এর প্রেম; ইতিহাসের এক অজানা অধ্যায়।

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১৬




১৯৫১ সালে ব্রিটিশ রাজকীয় আর্কাইভে রহস্যজনক কিছু দলিল দাস্তাবেজ পাওয়া যায় ,এই দলিল দস্তাবেজ আর 'মুন্সি আবদুল করিম এর হারানো ডায়েরী (যা পরে পাওয়া যায়) এর উপর ভিত্তি করে রানীর সেক্রেটারি ফ্রেডেরিক পনসোনবি একটি গ্রন্থ রচনা করেন। এই গ্রন্থের মাধ্যমে সর্ব প্রথম জনসমক্ষে আসে ইতিহাসের অনুদ্ঘাটিত এক রহস্যের- 'মুন্সি আবদুল করিম ও মহারাণী ভিক্টোরিয়ার প্রেম'।



ব্রিটেনের রাণী মহারাণী ভিক্টোরিয়া সম্পর্কে সকলেই অবহিত আছেন। আমরা দেখি কে ছিলেন এই 'মুন্সি আবদুল করিম।
তার পুরো নাম মুন্সী হাফিজ মোহাম্মদ আবদুল করিম। জন্ম ১৮৬৩ সালে ঝাঁশির কাছে লালতপুরে। তার পিতা হাজী মোহাম্মদ ওয়াজির উদ্দিন। তিনি ছিলেন হাসপাতাল সহকারী।

আবদুল করিম ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে কান্দাহার অভিযানে আফগানিস্তানে গিয়েছিলেন। ফারসি ও উর্দু শিখেছিলেন ব্যক্তিগতভাবে। প্রথমে তিনি আগর রাজ্যের জাওয়ারার নবাবের উকিল হিসেবে কাজ করেছিলেন। পরে সেটা ছেড়ে তিনি নিযুক্ত ছিলেন আগ্রা জেলের কেরানি হিসেবে। জেলের পরিদর্শক জন টাইলারের সাথে আব্দুল করিমের বেশ ভালো সম্পর্ক ছিলো।

রানী ভিক্টোরিয়া ভারতীয়দের ব্যাপারে অনেক বেশি কৌতূহলী ছিলেন। তাই রানীর সিংহাসনে বসার ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে ভারত থেকে দুজন রাজ কর্মচারী আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। সেই দুজনকে বাছাই করার দায়িত্ব দেওয়া হয় জেল পরিদর্শক জন টাইলারকে। জন টাইলার বাছাই করেন আব্দুল করিম আর মোহাম্মদ বকশকে। সেই মোতাবেক ‘মোহাম্মদ বকস’ আর ‘মোহাম্মদ আবদুল করিম’ নামের এই দুজন ভারতীয়কে ব্রিটেনে নিয়ে আসা হয়। তারা দুজন নিয়োগ পান রাজপরিবারের ‘খিদমতগার’ বা ‘রাজকীয় খাদ্য পরিবেশক’ হিসাবে।রানীর সেবক হওয়ার জন্যে প্রেরণ করার পূর্বে তাদের অল্পবিস্তর ইংরেজি ভাষা আর রাজপরিবারের চালচলন সম্পর্কে শিক্ষা দেয়া হয়।

রানী ভিক্টোরিয়ার নোটবুক থেকে জানা যায়, তার সাথে ভারতবর্ষ থেকে আসা দুই কর্মচারীর সাথে প্রথম দেখা হয় ১৮৮৭ সালের ৩ জুন উইন্ডসর দুর্গে। এই দুই রাজ কর্মচারীর সাথে প্রথম দেখার কথা রানী তার দিনলিপিতে এভাবে লিখে রেখেছেন–

(“The one Mohammed Buksh, very dark with a very smiling expression… and the other, much younger, called Abdul Karim, is much lighter, tall and with a fine, serious countenance. They both kissed my feet.”)
‘একজনের নাম মোহাম্মদ বুখশ, খুবই কালো, তবে অত্যন্ত হাসিখুশি চেহারার... আরেকজন বেশ অল্প বয়স্ক, নাম আবদুল করিম, অনেক উজ্জ্বল, লম্বা ও সুদর্শন। তার পিতা আগ্রার একজন স্থানীয় চিকিৎসক। তারা উভয়ে আমার পায়ে চুমু খেলো।’

অপর দিকে আবদুল করিম তার ডায়েরিতে রানীর সঙ্গে তার প্রথম সাক্ষাতের কথাটি লিখেছেন এভাবে : ‘ডা. টেইলর ও আমাকে ডাইনিং রুমের কাছে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেয়া হলো এবং আমরা সে অনুযায়ী হার ম্যাজেস্ট্রির আগমনের প্রতীক্ষা করতে লাগলাম। আমি মহামান্বিতা সম্রাজ্ঞীর কাছাকাছি হয়ে কিছুটা নার্ভাস হয়ে পড়েছিলাম, তিনি এইচআরএইচ দ্য ডিউক অব কনট ও প্রিন্সেস বিত্রেসকে নিয়ে প্রবেশ করলেন। ডা. টেইলর সঙ্গে সঙ্গে হাঁটু গেড়ে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন এবং আমি প্রাচ্যদেশীয় কায়দায় করলাম। আমি তাকে নজর দিলাম, তার দুই হাতে একটি সোনার মোহর দিলাম, হার ম্যাজেস্ট্রি তা স্পর্শ করে ভারতীয় প্রথা অনুযায়ী সরিয়ে রাখলেন। তারপর রানী খুশি হয়ে ডা. টেইলরের সঙ্গে দুই-একটি কথা বললেন, আর এভাবেই ভারতবর্ষের সম্রাজ্ঞীর সঙ্গে আমার প্রথম সাক্ষাৎকার শেষ হলো।’



একদিন খাবার টেবিলে পরিবেশনকৃত একটি খাবার বেশ ভালো লাগে ভিক্টোরিয়ার। তিনি জানতে চান কে রান্না করেছে এই খাবার। ভারতীয় খিদমতগার মোহাম্মদ আবদুল করিম রেঁধেছিলেন সেটি। ২৪ বছর বয়সী সুঠাম ভারতীয় তরুণ করিমকে পুনরায় দেখে বেশ উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেন রানী ভিক্টোরিয়া।
করিমকে নির্দেশ দেন ভালোভাবে ইংরেজি ভাষা শিখে নেয়ার জন্য। তরুণ করিম ইংরেজি ভাষা দ্রুত শিখে নেয়ার ফলে রানীর সাথে বিভিন্ন বিষয়ে প্রায়ই তার কথা হতো। মাত্র এক বছরের মাথায় রানীর এতোটাই কাছের লোক হিসেবে জায়গা করে নিয়েছিলেন যে, খিদমতগারের কাজ তার ভালো লাগছে না শুনে রানী তাকে নিজের উর্দু ভাষার শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দেন। ১৮৮৮ সালের আগস্ট মাসে আব্দুল করিমকে ‘মুন্সী’ উপাধি দিয়ে রানী তাকে নিজের শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত করেন।

রানীর সফরগুলোতেও সঙ্গী হিসেবে থাকতেন আব্দুল করিম। রানীর নির্দেশেই বালমোরাল ক্যাসেলের পাশে তার জন্য নির্মাণ করা হয় ‘করিম কটেজ’। সুসজ্জিত কটেজেই আব্দুল করিম সপরিবারে বসবাস করতেন। পাশাপাশি রানীর বিশেষ আদেশে তাকে ভারত বিষয়ক সচিব নিয়োগ দেওয়া হয়। তাই ভারত সংক্রান্ত রাজসিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে রানী ভিক্টোরিয়া তার পরামর্শ চাইতেন।



আব্দুল করিমকে সচিব নিয়োগ দেয়াকে কেন্দ্র করে রাজপরিবারের সদস্যদের মধ্যে চাপা অসন্তোষও ছিলো। সাধারণ এক ভারতীয় খিদমতগার থেকে রানীর পরামর্শক হয়ে উঠায় রাজপরিবারে অনেকের চক্ষুশুলে পরিণত হয়েছিলেন আব্দুল করিম। রাজপরিবারের অনেকের মতামত উপেক্ষা করে ১৮৯৯ সালে রানী ভিক্টোরিয়ার ৮০তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মুন্সি আব্দুল করিমকে রাণী ‘কমান্ডার অব দা অর্ডার (CVO)‘ উপাধিতে ভূষিত করেন।


কমান্ডার অব দা অর্ডার এ ভূষিত হবার পর আব্দুল করিম

কমান্ডারদের সম্মানের অবস্থান মূলত নাইট উপাধিধারীদের পরেই। ‘কমান্ডার অফ দ্য অর্ডার’ হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার ফলে আব্দুল করিম রানীর দেয়া তলোয়ার বহন করার অনুমতি পেয়েছিলেন। সেই সাথে রাজদরবার এবং প্রাসাদে রানীর স্বাক্ষরিত অনুমতিপত্র ছাড়াও দেখা করার অনুমতি লাভ করেন।আগ্রার এক কেরানী থেকে তিনি ওই সময়ের সবচেয়ে ক্ষমতাধর শাসক রানী ভিক্টোরিয়ার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ও সবচেয়ে প্রভাবশালী বন্ধুতে পরিণত হয়েছিলেন।


রানীও আব্দুল করিমের উপর রাজপরিবারের সদস্যদের চাপা ক্ষোভের স্বরূপ অনুমান করতে পেরেছিলেন। রানী বুঝতে পেরেছিলেন তার মৃত্যুর পরেই হয়তো আব্দুল করিমকে তার কটেজ থেকে বিতাড়িত করে ভারতে ফেরত পাঠানো হতে পারে।


মুন্সি আব্দুল করিমের জন্য নির্মিত ‘করিম কটেজ’

তাই তার জীবদ্দশাতেই ভারতে আব্দুল করিমের জন্যে জায়গা বরাদ্দ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। পাশাপাশি রাণীর আদেশ ছিলো আব্দুল করিম যদি ব্রিটেন থেকে ভারতে ফিরে যান, তাহলে তার মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত ভারতের লর্ড ভাইসরয় তাকে প্রতিবছর ৬০০ রুপি হারে ভাতা দিতে বাধ্য থাকবে।

মুন্সীর চেয়ে রানী বয়সে ছিলেন ৪২ বছরের বড়। অসম প্রেম হতেই পারে। তবে এ ক্ষেত্রে সম্পর্কটা ছিল সম্ভবত ‘মানসিক’। বিশাল সাম্রাজ্যের অধিকারিণী হয়েও রানীর অন্তরঙ্গ বলতে কেউ ছিলেন না। বিশেষ করে ১৮৬১ সালে স্বামী আলবার্ট মারা গেলে ব্যক্তিগত জীবনে অনেকটাই নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েন রানী। এ সময় তাকে সঙ্গ দিতেন জন ব্রাউন নামে এক চাকর। তারা এত ঘনিষ্ঠ ছিলেন যে তারা পরস্পরের প্রেমে এবং এমনকি গোপনে বিয়ে করেছেন কি না তা নিয়ে গুঞ্জন চলতে থাকে। জন ব্রাউনএর মৃত্যুর পরে (১৮৮৩) এলেন আবদুল করিম। তার সঙ্গেও রানীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রানী আব্দুল করিমের কটেজে নিশীবাস করতে লাগলেন। ফলে আরেক দফা কানা-ঘুষা শুরু হয়।
উল্যেখ্য যে, রানী ও মুন্সীর সাক্ষাতের সময়ে করিমের বয়স ছিল ২৬ বছর, আর ভিক্টোরিয়ার ৬৮। ব্যবধান ৪০ বছর। প্রায় ১৫ বছর তারা একত্রে ছিলেন।

১৮৮৮ সালে রানী স্যার থিওডোর মার্টিনকে লিখেন যে, “মুন্সি খুবই চমৎকার লোক, চতুর, সত্যিকারের ধার্মিক এবং অত্যন্ত মার্জিত ভদ্রলোক, যিনি বলেন, ‘খোদা এই হুকুম দিয়েছেন’, খোদার নির্দেশ তারা পুরোপুরি পালন করে। তাদের এমন ঈমান এবং জ্ঞান আমাদের জন্য বড় উদাহরণ।” স্যার স্ট্যানলি লেন পুলের কাছে লেখা রানীর সচিব স্যার পনসোনবির একটি মূল চিঠিতে (ড. ফারহান আসারের সংগ্রহ) জানিয়েছেন, কথাবার্তায় মুন্সী নবী মোহাম্মদ (সা:) সম্পর্কে রানীকে যেসব জানিয়েছেন, তাতে দেখা যায়, তিনি (রানী) ইসলামের প্রতি আগ্রহী ছিলেন।

আবদুল করিমের গলায় একবার একটা ফোঁড়া হলে রানী ব্যক্তিগতভাবে তার পরিচর্যা করেন। তিনি তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. রিডকে চিকিৎসার ভার দিয়ে বলেন, আবদুল করিম বিদেশ-বিভুঁয়ে পড়ে আছে। তাকে দেখার কেউ নেই, এখন যেন তার কোনো অবহেলা না হয়। ডা. রিড লিখেছিলেন, ‘রানী দিনে দুবার আবদুল করিমের কক্ষে গিয়ে তার কাছ থেকে হিন্দুস্তানি শিক্ষা নেন, তার গলা পরীক্ষা করেন, তার বালিশগুলো ঠিকঠাক করে দেন।’ ওই চিকিৎসক এটাকে ‘মুন্সী-ম্যানিয়া’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন।



মুন্সীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে রানী তাকে কটেজ, দামি দামি উপহার, খেতাব, তার ব্যবহারের জন্য সহিসসহ ঘোড়ার গাড়ি ইত্যাদি উপহার দিয়েছিলেন। আবদুল করিমকে একটি চিঠিতে রানী লিখেছিলেন, ‘আমার দীর্ঘ চিঠিটি আমি (আলাদাভাবে) পাঠিয়েছি, যা প্রায় এক মাস আগে লিখেছিলাম, তাতে আমার একান্ত চিন্তাভাবনা আছে এবং সেটা কোনো মানুষই কখনো জানবে না বা তোমার এর জবাব দিতে হবে না। তুমি যদি এটা পড়তে না পারো (রানীর হাতের লেখার ইঙ্গিতপূর্ণ) তবে আমি তোমাকে পড়তে সাহায্য করব এবং তারপর সঙ্গে সঙ্গে এটা পুড়িয়ে ফেলব।’রানী কী লিখেছিলেন, সেটা কোনোকালেই জানা যাবে না। কারণ তিনি পড়ার পরই চিঠিটি পুড়িয়ে ফেলার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছিলেন। আবদুল করিমকেও ওই গোপন চিঠির জবাব পর্যন্ত দিতে বারণ করেছিলেন। তবে চিঠিটিতে রানী অনেক গুরুত্বপূর্ণ একান্ত কথা বলেছিলেন তাতে সন্দেহ নেই। তিনি ডুশেস অব কনটকেও এ প্রসঙ্গে জানিয়েছিলেন, ‘আমি তাকে অনেক ভালোবাসি, সে খুবই ভালো, ভদ্র এবং তার সঙ্গে মনের মিল রয়েছে।’

কাছাকাছি অবস্থান করার পরেও রানী ভিক্টোরিয়া ১৩ বছর ধরে ‘মুন্সী’ আবদুল করিমকে প্রায় প্রতিদিন চিঠি লিখতেন এবং কোনো কোনো দিন একাধিক। কোনো কোনো চিঠিতে তাকে তিনি সম্বোধন করতেন ‘প্রিয়তম মুন্সী’ ও ‘তোমার ঘনিষ্ঠতম বন্ধু’ বলে। কোনো কোনো সময়ে রানী ভিক্টোরিয়া এমনকি চুমু খেয়ে চিঠি শেষ করতেন। তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা কানাঘুষা চলত।রাজপরিবারের সদস্যরা এমনকি রানীর পুত্র ও উত্তরসূরি পর্যন্ত এই সম্পর্কে ক্ষুব্ধ ছিলেন। কিন্তু রানী এসবের থোড়াই কেয়ার করতেন। তিনি উইল করে গিয়েছিলেন যে তার মৃত্যুর পরে আবদুল করিমই যেন অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার ব্যবস্থা করে। এবং কফিনে শেষ বারের মত তাঁর মুখ দেখবে মুন্সী’ আবদুল করিম, মুন্সী দেখার পর পরই যেন কফিনের মুখ স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়।

বোনহ্যামের ২০০৮ ক্যাটালগে উল্লেখ করা হয়েছে যে রানী ‘বুঝতে পেরেছিলেন যে তার মৃত্যুর পর বিদ্যমান বর্ণবাদী মনোভাব আবদুল করিমকে বিপদে ফেলবে, তাই তিনি তার উইলে তার জন্য কিছু ব্যবস্থা করে যান’। তিনি ভাইসরয়কে আগ্রায় আবদুল করিমকে কিছু জায়গা বন্দোবস্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ভাইসরয় অনিচ্ছুকভাবে সেটার ব্যবস্থা করেছিলেন। তিনি রানীকে ফিরতি চিঠিতে জানিয়েছিলেন যে, ১৮৫৭ সালের যুদ্ধে যে ব্যক্তিজীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিল্লি গেট উড়িয়ে দিয়েছিল তাকে সারা জীবনের জন্য যে জমিটি দেয়া হয়েছে তা থেকে আয় হয় ২৫০ রুপি, আর আবদুল করিম পান তার দ্বিগুণ। রানী এ নির্দেশও দিয়েছিলেন যে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় আবদুল করিমকে প্রধান শোকপ্রকাশকারীর সম্মান দিতে হবে।

রানী ভিক্টোরিয়া মারা গিয়েছিলেন ১৯০১ সালের ২২ জানুয়ারি। তার কফিন বন্ধ করার আগে আবদুল করিম শেষ ব্যক্তি হিসেবে তাকে দেখেছিলেন। রানী মারা যাওয়ার পরে রাজপরিবারের সদস্যরা এবার আবদুল করিমের ওপর প্রতিশোধ গ্রহণের মওকা পেল। সিংহাসনে বসেই প্রথম আদেশে রাজা সপ্তম এডওয়ার্ড দৃশ্যমান কোনো অপরাধ ছাড়াই বরখাস্ত করলেন তার মায়ের খুব কাছের এই মানুষটিকে? প্রহরীদের নিয়ে নতুন রাজা অ্যাডওয়ার্ডের স্ত্রী আলেক্সান্দ্রা, মৃত রানীর কনিষ্ঠা কন্যা প্রিন্সেস বিয়েত্রা দরজা ভেঙে আবদুল করিমের কটেজে প্রবেশ করলেন এবং রানী ও তার মধ্যে যেসব চিঠি আদান-প্রদান হয়েছে, সেগুলো পুড়িয়ে ফেললেন। মুন্সী অসহায়ভাবে চেয়ে চেয়ে দেখলেন যে রানীর লিখিত কথাগুলো আগুনের পেটে চলে যাচ্ছে। রাজা অ্যাডওয়ার্ড তখনই মুন্সীকে ভারতে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিলেন।

এমনকি মুন্সী ভারতে ফেরার পরও ব্রিটিশ রাজকীয় কোপানল থেকে রেহাই পাননি। রানীর অবশিষ্ট চিঠিগুলো হস্তগত করতে রাজা অ্যাডওয়ার্ড আগ্রায় মুন্সীর বাড়িতে অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। এমনকি মুন্সী মারা যাওয়ার পরও একবার অভিযান চালানো হয়েছিল। পরে ভাইসরয় মিন্টো ও তার স্টাফ ওই অভিযান অনুমোদন করেননি এবং তারা জব্দ করা কাগজপত্র আবদুল করিমের বিধবা স্ত্রীর কাছে ফেরত দিতে সুপারিশ করেন।

ভারতে ফিরে এসে আগ্রায় রানীর দেয়া জমিতেই ‘করিম লজ’ নামের বাড়ি তৈরি করে এখানেই নিরিবিলিতে বাস করতেন আব্দুল করিম। ব্রিটেন থেকে ফেরার ৮ বছর পরে ১৯০৯ সালের এপ্রিলে মাত্র ৪৬ বছর বয়সে পরপারে পাড়ি জমান রানী অন্যতম কাছের সহকারী। তবে রাজচক্ষু ফাঁকি দিয়ে আব্দুল করিম তার যে দিনলিপিটি ভারতে নিয়ে এসেছিলেন সেটির তথ্য বিশ্লেষণ করে শ্রাবণী বসু নামে এক সাংবাদিক লিখেছেন ‘Victoria & Abdul: The True Story of the Queen’s Closest Confidant’ নামের একটি বই।

‘Victoria and Abdul’ চলচ্চিত্রের একটি দৃশ্য;

এই বইয়ের উপর ভিত্তি করেই হলিউডে নির্মিত হয়েছে ‘Victoria and Abdul’ নামের একটি চলচ্চিত্র, যেটি ২০১৭ সালের ২২ সেপ্টেম্বর মুক্তি লাভের অপেক্ষায় আছে ।

‘Victoria and Abdul’ চলচ্চিত্রের একটি পোস্টার ।
তার কোনো সন্তানাদি ছিল না। বড় ভাই ও ছোট পাঁচ বোন ছিল। আবদুল করিম তার ডায়েরিতে লিখেছিলেন, ‘আমি সর্বশক্তিমানের কাছে মুনাজাত করছি যাতে তিনি আমাদের দয়ালু সম্রাজ্ঞীর প্রতি রহমত বর্ষণ করেন।’

রানীর সঙ্গে সম্পর্কের ধরন নিয়ে আবদুল করিম কখনো কাউকে কিছু বলেননি, কারণ এতে রানীর মর্যাদাহানি হতে পারত বলে মনে করতেন। তিনি হয়তো চাইতেন তার ও ভারতবর্ষের রানীর মধ্যকার সম্পর্কটি শুধু তাদের মধ্যেই থাকুক। আবার রানীও তার বিশেষ কিছু চিঠি সংরক্ষণ করেননি।

করিমের আঁকা মহারানীর প্রতিকৃতি

২০০২ সালের ডিসেম্বরে লন্ডনের ন্যাশনাল গ্যালারিতে একটি চিত্র প্রদর্শনী হয়। সেখানে করিমের আঁকা মহারানী ভিক্টোরিয়া’র একটি বিখ্যাত প্রতিকৃতি স্থান পায় এই প্রদর্শনীতে, যা ছিল আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে।

সুত্র- এক
সুত্র- দুই
সুত্র-তিন
" style="border:0;" />সুত্র-চার

মন্তব্য ১০৬ টি রেটিং +২০/-০

মন্তব্য (১০৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩৩

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: প্রথম হৈছি.............সমালোচনা পরে
চা না,নিশাপানির কিছু থাকলে দেন,শায়মাপুর লিগাও দিয়েন।

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: নিন ভাই বরফ ভেজা রঙ চা। শায়মাপুরেও দিয়েন :P

২| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪১

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া মন দিয়ে এত সুবিশাল পোস্টটা পড়লাম!

তারপর চক্ষু চড়কগাছ হয়ে গেলো!

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পোস্টের ২৫ মিনিট পরে তুমি কমেন্ট করেছো বিধায় বুঝা যাচ্ছে তুমি পড়ে কমেন্ট করেছো। আরেক জন না পইড়াই কমেন্ট কইরা কয় চা দেন =p~
হের চা ফেরত!!! তুমিই ফার্স্ট , বল কি খাইবা।

৩| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৩

এস,এম,মনিরুজ্জামান মিন্টু বলেছেন: মহারানী ভিক্টোরিয়ার নাম ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি। এই তথ্যগুলো জানা ছিলোনা। পড়ে ভালো লাগলো। শেয়ার করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:০৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আমিও ছোটবেলায় রামসুন্দর বসাকের বাল্যশিক্ষা বইয়ের শেষ পৃষ্ঠায় মহারানী ভিক্টোরিয়াকে নিয়ে লিখা পড়েছিলাম।

৪| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৫

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: চমকপ্রদ তথ্যের অনবদ্য উপস্থাপনায় লেখক প্রমান করিলেন তিনি একজন রাজ ব্লগার...................

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:১১

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: এহেন মন্তব্যে লজ্জা বোধ করছি । |-)

৫| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


অনেক বড় ঘটনা! আবদুল তো জগত বিখ্যাত শিল্পিও ছিলেন, মনে হয়!

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:১৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: মহারানী ভিক্টোরিয়ার আঁকা চিত্র কর্মটি দেখে এমত ধারণাই যুক্তিসঙ্গত গাজী ভাই।

৬| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৭

শায়মা বলেছেন: ১. ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩৩ ০
কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: প্রথম হৈছি.............সমালোচনা পরে
চা না,নিশাপানির কিছু থাকলে দেন,শায়মাপুর লিগাও দিয়েন।



তুমি কি করে জানলে আমি এটা পড়ছি!!!!!!!!!!!! B:-)


তবে যাই বলো তাই বলো মহারাণী করিমের প্রেম কাহিনী পড়ে আমি অন্য জগতে চলে গেছি। !!!!!!!!

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:২০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: কি করি ভাই প্রচার করেন তিনি এস্ট্রোলোজিতে গোল্ড মেডেলিস্ট। এই বলে মাইয়াগো হাত গণনার নামে হাত নিয়ে কচলাকচলি করেন।
তোমার বিষয়টা ' ঠাডা পড়ে বগা মরে, ফকিরায় কয় আমার কেরামতি' এরকম। কিন্তু এইটারে নিয়াও তিনি মেয়ে মহলে বুজুরকি জাহির করার চেস্টা চালাবেন। =p~ =p~ :-P

৭| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৯

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: প্রথমেতো ভেবেছিনু
আলবাৎ রম্য;
পড়ে খেনু পুরো শক
লাজে বোধগম্য।

ফের প্রমানিলে তুমি
কারে কয় লেখনি;
ধিক্কারি কই নিজে
ছিহ,,,কিছুই শেখনি।

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:২৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: এ নিছক আপনার বিনয় ।আপনার কারিশমাটিক ছড়ার কারনে সামুর সলকেই আপনাকে 'সামুর সত্যেন্দ্র নাথ দত্ত' বলে জানে।
আমার কথা কি আর কমু, আমার একটা ব্রান্ডিং। সিরিয়াস লিখলেও অনেক পাঠক না পড়ে কমেন্ট করে 'রম্য ভালা হইছে'। =p~ =p~

৮| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৯

শায়মা বলেছেন: ৪. ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৫ ০
কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: চমকপ্রদ তথ্যের অনবদ্য উপস্থাপনায় লেখক প্রমান করিলেন তিনি একজন রাজ ব্লগার...................


আর তাই রাজটিকা দেওয়া হলো!

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:২৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আমি আনন্দিত ও লজ্জিত শায়মা।

৯| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৩

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: @শায়মাপুঃ তোমার যদি মাছির চোখ হয় আমার তবে সারমেয় নাসিকা...............শুঁকে শুঁকে বলে দিয়েছি
হাঁউ মাঁউ খাঁউ

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৩৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: যাই বলেন ,বিষয়টায় শায়মার মত আমিও তাজ্জব হয়েছি।
আপ্নারে বান্দর না টিয়া জৌতিশ কোনটা কইতাম? :P

১০| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:০৩

তপোবণ বলেছেন: চমৎকার! অজানা কিছু জানলাম। ভালো লাগল।

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৩৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: তপোবণ আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

১১| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:০৪

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: অনেক সময় গেলেও পড়ে অনেক পুরনো ইতিহাসের না জানা বিষয় জেনে ভালো লাগলো।
কৃতজ্ঞতা রেখে গেলাম পোষ্টে।

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৩৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পাঠোত্তর মন্তব্যের জন্য আপনার প্রতিও কৃতজ্ঞতা নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন ভাই।

১২| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:০৮

শায়মা বলেছেন: ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৪ ০
লেখক বলেছেন: পোস্টের ২৫ মিনিট পরে তুমি কমেন্ট করেছো বিধায় বুঝা যাচ্ছে তুমি পড়ে কমেন্ট করেছো। আরেক জন না পইড়াই কমেন্ট কইরা কয় চা দেন =p~
হের চা ফেরত!!! তুমিই ফার্স্ট , বল কি খাইবা।


পড়েছি মানে!!!!!!! মন দিয়ে এবং মুগ্ধ হয়ে!!!!

আর মহারাণীর ছবি দেখে আমি মুগ্ধ!

তবে ৬৮ বছরের বুড়ির মনেও এত প্রেম আর এই বুড়ির প্রেমে যে পড়ে সেই সেই লোকের প্রেম নিয়ে আমার সন্দেহ আছে !!!!!!!!!!


তবে সব কিছুর পরেও যেন আমি তাহাদিগকে দেখিতে পাইতেছি এখ শুভ্র সুন্দর সূচীতম প্রেম বেশে!

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:০৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: তবে ৬৮ বছরের বুড়ির মনেও এত প্রেম আর এই বুড়ির প্রেমে যে পড়ে সেই সেই লোকের প্রেম নিয়ে আমার সন্দেহ আছে !!!!!!!!!!
১৮৬১ সালে স্বামী মারা যাওয়ার পর রানী প্রচন্ড একাকিত্বে ভুগছিলেন। এই একাকিত্বের অবসানে রানীর জিবনে আব্দুল করিম এক পশলা বৃষ্টি হয়ে এসেছিলেন। এখানে বয়স কোন বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।

১৩| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:০৯

এডওয়ার্ড মায়া বলেছেন: দূর্দান্ত একটি পোষ্ট লিখেছেন।
পড়ে খুব আরাম পাইলাম লিটন দা।
সিনেমাটি দেখার বিশাল আগ্রহ তৈরি করে দিলেন =p~
পড়ার শুরুতে আমি ভাবছি করিম একজন সিলোটী =p~ =p~ :-P

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:১৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনার সুন্দর মন্তব্যটি পড়েও বেশ আরাম পেলাম এডওয়ার্ড দা। অনেক ধন্যবাদ জানবেন।

১৪| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:২৩

অপর্ণা সেন বলেছেন: ভালো লেগেছে।

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:১৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ নতুন অতিথি অপর্ণা সেন।

১৫| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:২৮

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: অসামান্য একটি লেখা। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত দু'বার পড়লাম আপনার চমৎকার লেখনীর গুনে। এবার বিষয়বস্তুতে আসি। মুন্সি আব্দুল করিম ও রানী ভিক্টোরিয়ার এই ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিষয়ে ১৯৬৯ সালে পশ্চিম বঙ্গের একটি সিনে পত্রিকা পড়ে ( এই মুহূর্তে নাম মনে পড়ছে না ) আমি প্রথম জানতে পারি। তখন আমি মাত্র দশম শ্রেনীর ছাত্র ছিলাম। কৈশোরের স্বাভাবিক কৌতূহল থেকে পরে এ বিষয়ে আরও পড়ার জন্য আমি উদ্গ্রীব ছিলাম। সম্ভবত আশির দশকে পনসোনবির লেখা বইটির একটি রিভিউ গার্ডিয়ান পত্রিকায় পড়ার পর অনেক কিছু জানতে পারি। কিন্তু অনেক তথ্যের নির্ভরযোগ্য দলিল দস্তাবেজ না থাকায় আমার কৌতূহল মেটেনি। ১৯৯৮ সালে কোলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল দেখতে গেলে সেখানে এ বিষয়ে কোন কিছুই দেখতে পাইনি। মনে হয় রানীর মৃত্যুর পর ব্রিটিশরা ব্যাপারটি চিরতরে মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে, যেমনটি আপনার লেখা থেকেও বুঝতে পারছি।
যাই হোক, চমৎকার শ্রমসাধ্য লেখাটির জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাই গিয়াস উদ্দিন লিটন।

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:২৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আমার ধারনা আপনি দেখে থাকতে পারেন, ছোট বেলায় রাম সুন্দর বসাকের 'বাল্যশিক্ষা' বইএর শেষ পৃষ্ঠায় মহারানী ভিক্টোরিয়ার
ছবি ও জীবনী ছিল। আমরা চোখ বড় বড় করে রানীর ছবির দিকে তাকিয়ে থাকতাম।
-- আপনার সুন্দর মন্তব্যটি বেশ ভাল লাগলো । আপনিও ধন্যবাদ জানবেন আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম ভাই।

১৬| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:২৮

কাল্লে জাকোলা বলেছেন: এটি সত্যি একটি আজব প্রেমের কথা মনে হয়ছে।

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:২৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: কাল্লে জাকোলা , এজন্যই বলা হয় 'প্রেম অন্ধ'

১৭| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৩৩

শায়মা বলেছেন: ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:২০ ০
লেখক বলেছেন: কি করি ভাই প্রচার করেন তিনি এস্ট্রোলোজিতে গোল্ড মেডেলিস্ট। এই বলে মাইয়াগো হাত গণনার নামে হাত নিয়ে কচলাকচলি করেন।
তোমার বিষয়টা ' ঠাডা পড়ে বগা মরে, ফকিরায় কয় আমার কেরামতি' এরকম। কিন্তু এইটারে নিয়াও তিনি মেয়ে মহলে বুজুরকি জাহির করার চেস্টা চালাবেন। =p~ =p~ :-P


হায় হায় ভাইয়াকে তুমিও চিনে ফেলেছো!!!!!!!

করে কত রাখঢাক রেখেছিনু লুকিয়ে
ছোক ছোক স্বভাবটা বাক্সেতে ঢুকিয়ে
তবু একি দেখি দেখি ওঝাবাবা তুমি যে
ঠিক ঠিক স্বভাবটা বুঝে গেলে ঠিকই যে!

:P

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৩০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আমি কি তাঁরে আজকে চিনি?
দেখোনা গোমর ফাস হয়ে জাচ্ছে দেখে গা ঢাকা দিয়ে ফেলেছেন =p~

১৮| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৪৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: গিয়াস উদ্দিন লিটন ,




বেশ ভালো একটি লেখা । জানা হয়তো হতোনা কখনও , আপনি না জানালে ।
শুকরিয়া......

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৩২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ক্লেশ স্বীকার করে এত বড় পোস্ট পড়ায় আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা, অনেক ধন্যবাদ জানবেন আহমেদ জী এস ভাই

১৯| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৫৪

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: এ ব্যাপারে তেমন কিছুই কখনো জানতাম না। ধন্যবাদ লিটন ভাই অজানা বিষয় আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম।

অসম প্রেম !! এমনি হয়

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৩৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনাকে বিষয়টি প্রথম জানাতে পেরে আমার বেশ ভাল লাগছে। ধন্যবাদ জানবেন রাবেয়া রাহীম আপু।

২০| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৫৮

নয়ন বিন বাহার বলেছেন: মহারানীর অনেক প্রেমিক ছিল এটা জানতাম। কিন্তু আবদুল করিম নামে একজন বঙ্গসন্তান ইতিহাস রচনা করেছে তা জানতাম না বাহে।
অশেষ ধন্যবাদ।

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৪২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: মহারানীর আরেকজন প্রেমিক ছিল ববে ইতিহাসে জানা যায়, সেই প্রেমিক প্রবরের মৃত্যুর পরেই রানীর আবদুল করিম এর পরিচয় হয়। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ নয়ন বিন বাহার ।

২১| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:০৬

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: আজব কাজ-কারবার!

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৪৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পৃথিবীতে আজব কত কিছুই না ঘটে! তার কতটুকুই বা আমরা জানি ।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ রূপক বিধৌত সাধু ।

২২| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:০৮

উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: অসাধারন।

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৪৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: নেক ধন্যবাদ উম্মু আবদুল্লাহ ।

২৩| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:২৭

রানার ব্লগ বলেছেন: ভাইরে প্রেম তো প্রেমই এর কোন বাছ বিচার নাই, বাংলায় একটা কথা আছে, পিরিতে মজিলে মন কি বা হরি কিবা ডোম !!!

আব্দুল ও রানি ভিক্টোরিয়া দুই জনই পরপারে শান্তিতে থাকুন, এবং তাদের আত্মিক মিলন ঘটুক এই কামনায় !!!

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৪৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পিরিতে মজিলে মন কি বা হরি কিবা ডোম !!! এই অসম প্রেমের সাথে আপনার কথাটি জথার্থ মিলে যায় ।
অনেক ধন্যবাদ রানার ব্লগ।

২৪| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৪০

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: খাইছে পরকীয়া পরকীয়া এন্ড পরকীয়া এভ্রিহোয়্যার। তবে এইটা সত্য বাঙ্গালী পোলারা বিদেশী কন্যা পটাইতে ওস্তাদ এবং বিশ্ব অদ্বিতীয়।

অষ্টম পিলাস লিটন ভাই

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৪৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অনেক দিন পর *কুনোব্যাঙ* ভাইকে দেখে ভাল লাগছে। ধন্যবাদ ব্যাঙ ভাই।

২৫| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৪১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: একি বিস্ময় একি বিস্ময়!!!!

মুগ্ধ হয়ে পড়লাম এক দারুন প্রেম কাহিনী!

অজানা কত্তকিছু জানালেন :) অনেক অনেক ধন্যবাদ

+++++++++++

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৫০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পাঠোত্তর মন্তব্যে আনন্দিত ও অনুপ্রাণিত । অনেক অনেক ধন্যবাদ ভৃগু ভাই।

২৬| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৫৩

কে. এম সাইফুল বলেছেন: ভালো বিশ্লেষণ করেছেন!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:২১

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ধন্যবাদ কে. এম সাইফুল ।

২৭| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৫৫

কে. এম সাইফুল বলেছেন: thanks

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:২২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আবারও ধন্যবাদ কে. এম সাইফুল ।

২৮| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:০১

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: পোস্টটি পড়ে জানলাম এক অজানা সুক্ষ্ম প্রেম কাহিনী। সত্যি অনেক সুন্দর পোস্টটি।

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:২৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ জনাব মাহমুদুর রহমান সুজন ।

২৯| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:২৯

কেএসরথি বলেছেন: কার কপাল কোথায়! খুবই ইন্টারেস্টিং!

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:৩৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সুন্দর বলেছেন কেএসরথি।
আপনাকে প্রায় ২ বছর ব্লগে দেখিনা। আশা করি ভাল আছেন। শুভ কামনা জানবেন।

৩০| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:৫২

শায়মা বলেছেন: হাহাহাহাহাহাহাহহাহাহাহাহহাহাহাহাহাহাহাহা কি যে করি ভাইয়ার ছড়িতা পড়ে আমি তাকে নোবেল দিলাম !!!!!!!!!!!!!!!!!


হাহাহাহাহাাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহহাহাহাহাহহা

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:১৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ছড়াটি পড়ে আমিও আপ্লুত। ডবল নোবেল!!!

৩১| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:০৪

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: মহারানী ভিক্টোরিয়া আর মুন্সী আব্দুল করিম ওনাদের সমন্ধে অনেক অজানা তথ্য জানা হল ! ধন্যবাদ ভাই ।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:১৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য আপ্নাকেও ধন্যবাদ শাহরিয়ার কবীর।

৩২| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:৪৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অসাধারণ তথ্য সমৃদ্ধ পোষ্ট । পোষ্টের ছবি গুলি খুবই দুষ্প্রাপ্য ।
পোষ্টটি একসাথে লাইক ও প্রিয়তে গেল ।

আনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পাঠ, মন্তব্য, লাইক, প্রিয়তের জন্য কৃতজ্ঞ । অনেক ধন্যবাদ ডঃ এম এ আলী ভাই।

৩৩| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১২:০২

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আগেও প্রথম আলোতে পড়েছিলাম এখন আরো নতুন কিছু জানলাম। তবে আবদুল করিম ধার্মিক ছিল। আসলেই কী রাণীর সাথে তার শারিরীক সম্পর্ক ছিল নাকি এমনিতেই 'কোয়ালিটি টাইম পাস' সম্পর্ক ছিল তা গবেষণার বিষয়। আবার মা-ছেলের ভালোবাসাও তো হতে পারে! তবে মুন্সী বর্তমান যুগের কিছু প্রবাসীর মত নিজের ধর্ম, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি বিসর্জন দেননি - এটা মাথায় রেখে মুন্সীকে নিয়ে রাণীর সাথে অসামাজিক সম্পর্ক ছিল না বলেই মনে হয়...

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: বিষয়টা আবিস্কৃত হওয়ার পর এই নিয়ে বিস্তর লিখালিখি হচ্ছে, আশা করছি বিশেষজ্ঞরা তাদের মাঝে সঠিক কি সম্পর্ক ছিল তা নিরুপনে সচেষ্ট হবেন। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ বিচার মানি তালগাছ আমার ।

৩৪| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ২:৪৮

সালাউদ্দীন আল-আজাদ বলেছেন: এত বড় লিখাটি সুরা পানের মতো এক ঢোকেই গিললাম। ভাল লাগলো

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনার মন্তব্যে অনুপ্রাণিত , অনেক ধন্যবাদ সালাউদ্দীন আল-আজাদ।

৩৫| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১০:২৩

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন: আলোড়ন সৃষ্টিকারী একটি ইতিহাস। সুন্দর লেখায় ভালভাবে ফুটে উঠেছে। অনেক ধন্যবাদ শেয়ারে।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কথাকথিকেথিকথন ।

৩৬| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১০:৪০

বিজন রয় বলেছেন: কি বলবো!!!

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পড়েছেন এতেই আমি আনন্দিত!!!

৩৭| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১০:৫৩

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আগে জানা ছিলোনা। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ শাহাদাৎ হোসাইন।

৩৮| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:৪৬

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সরাসরি প্রিয়তে। ভাললাগা ভালবাসার কোন গন্ডি নেই । :)

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:১৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ভাললাগা ভালবাসার কোন গন্ডি নেই । সুন্দর বলেছেন সেলিম ভাই।

৩৯| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:৫০

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: অনেক দিন পর তথ্য সমৃদ্ধ একটি লেখা পড়লাম। অসাধারণ লেখা যা আগে কারো কাছেই শুনতে পাইনি।






ভালো থাকুন নিরন্তর। ধন্যবাদ।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২১

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ দেশ প্রেমিক বাঙালী ।

৪০| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৫

মনিরা সুলতানা বলেছেন: কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: চমকপ্রদ তথ্যের অনবদ্য উপস্থাপনায় লেখক প্রমান করিলেন তিনি একজন রাজ ব্লগার.

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৫২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আশা করি আপনার ভোটটি প্রস্তাবের বিপক্ষে যাবে। B-)

৪১| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০১

নাগরিক কবি বলেছেন: এ দেখি কঠিন অবস্থা :||

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ধন্যবাদ নাগরিক কবি ।

৪২| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৩

ফয়েজ উল্লাহ রবি (পারিজাত) বলেছেন: :|
না জানা এক অধ্যায় জানলাম।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:০০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ফয়েজ উল্লাহ রবি ।

৪৩| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৬

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: পোষ্টের লেজের এক
দিনু হেথা লিন্ক;
যদি হয় টাইম তবে
'আই' করো 'ব্লিন্ক'।
আমি যদি মহারাণী ভিক্টোরিয়ার লোকাল বিএফ মুন্সি আব্দুল করিম হতেম(একটি গিয়াস লিটনীয় আত্মকথা)

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৩৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: করলে বুঝি সন্মানিত
নাকি দিলে বাঁশ !
কোনটাতে যে বিশ্বাস করি
কোনটায় অবিশ্বাস ?

৪৪| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫১

সোহানী বলেছেন: ওয়াও......... আপনি যে কোথায় এতো প্রেম ইতিহাস পান ;) । যাহোক, কাহিনীতো দেখি কল্পনার সিনেমাকেও হার মানিয়েছে।

বেচারা করিম..... আরেক বেচারা ও বেচারী প্রিন্সস ডায়না, আরেক রাজপরিবারের সদস্য। সে ও এক মুসলিম পাকিস্তানীর প্রেমে পড়ে যারপরনাই ধরা খেয়েছিল। রাজপরিবারের সদস্যদের মনে হয় ভারতপ্রীতি বেশী........

অনেক অনেক ভালোলাগলো....

চা-কফি কি করি আর শায়মা খাবে.... এইটা কিমুন কথা.....................

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৪৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: কি করির সাথে চলা
বড় এক রিস্কি
চায়ের বদলে সে
খায় রোজ হুইস্কি।

তাই তাকে দিয়েছি
দুই তিন ডোক,
শায়মারটা ছিল জেনো
শ্রেফ লাল কোক।

বল তুমি কি খাবে
চা অর কফি?
চাইলেই পেতে পার
চকলেট টফি।

৪৫| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:০০

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: @সোহানীঃ
না না আপু ঐসব
ছিলো দেশি দারু;
কিপ্টেতো,দেয় বেটা
দেশি জিন,কেরু।

কান্ড কি দেখ ছি ছি
ওসব কি আমি খাই;
ঢকঢক করে খেলো
শায়মা পুরো একাই। #:-S

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৫৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: শায়মাটা শুনলে
ভাংবে তোমার দাঁত
ঘুষি কিলে জানাবে
এর তীব্র প্রতিবাদ।

৪৬| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:২০

অভি চৌধুরী বলেছেন: গতকাল পড়েছি। ধন্যবাদ ভাইয়া

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:০৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ অভি চৌধুরী

৪৭| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:১২

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহা.............. আমি নাই...... ওওওওও আচ্ছা তাহলে এই কাহানি...........

তাইতো বলি লিটনভাই এসবের সাপ্লাইয়ের হলো কবে থেকে। শায়মার দোষ দিয়ে নিজেরা পার পাবার চেস্টা...... এসব চলবে না। দেশি বা বিদেশী যাই চলুক এসবে নেই আমি। তবে আমার শুধু কফি চাই, কড়া রোস্টেড কফি।

নেক্সট্ আমার দেশী বাইদের বিদেশী লাল পানির অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখতে হবে দেখছি......... ঝুলিতে এতো মজার অভিজ্ঞতা জমা আছে কিন্তু সময় পাই না লিখার জন্য।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১০:০৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: রোস্টে আনরোস্টেড, লুয়াক যে কফি ইচ্ছা খেতে পারেন।
আপনি কি জানেন দামি কফি কিভাবে তৈরি হয়? লিঙ্কে একটা খোঁচা দিতে পারেন -

৪৮| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:৪৭

নীলপরি বলেছেন: এই বিষয়টা জানতাম কিন্তু বিষদে জানতাম না । খুব ভালো লাগলো জেনে ।
+++++

১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনার মন্তব্য পেয়েও অনেক ভাল লাগলো পরি।

৪৯| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ২:৪৮

জাহিদ অনিক বলেছেন: ওরে বাবা । এত কাহিনী । এত কথা । একবার আগা গোড়া পড়া হল। আবার পড়তে হবে । আজকাল যে তাহলে পত্রিকায় নিউজ দেখি প্রেমের টানে ব্রাজিলের কন্যা বাংলাদেশের সেসবের সূত্রপাত তাহলে এখান থেকেই তাই না ! ;)

প্লাস এবং প্রিয়তে।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:১৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: উৎসাহিত হইয়া আপনি আবার কিছু ঘটাই ফেইলেন না অনিক দা। :P

৫০| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:১৬

জাহিদ অনিক বলেছেন: উৎসাহিত হইয়া আপনি আবার কিছু ঘটাই ফেইলেন না অনিক দা। :P - আমাকে দা কুমড়া বলিয়া লজ্জা দিবেন না ।

ভাবতেছি আমিও ইংল্যান্ড যাইবো ! রানীর বংশধরেরা এখনো আছে তো ।

১৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:৪০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আছে মানে? আপনার অপেক্ষায়ই আছে, দৌড় লাগান----- :P 'কি করির' আগে গিয়া পৌঁছাইতে হবে-----

৫১| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:৪৯

জাহিদ অনিক বলেছেন: 'কি করির' আগে গিয়া পৌঁছাইতে হবে----- - উনিও যাবেন নাকি ? কম্পিটিটর বেড়ে গেল !

১৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:৫৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: উনি অলরেডি রওয়ানা হয়ে গেছেন! মেয়রের কাছ থেকে একটা প্রত্যায়ন পত্রও নিয়েছেন, যে তিনি নাকি মুন্সির নাতি। B-)
আপনি আরেকটা প্রত্যায়ন পত্র সাথে নেন, যেটাতে লিখা থাকবে 'কি করি ' ভুয়া, আপনি আসল।

৫২| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১২:৩৭

জাহিদ অনিক বলেছেন: মেয়র আনিসুলের বাসায় গিয়েছিলাম । উনি বাসায় নেই । কার্যালয়ে গিয়েছিলাম । সেখানেও নেই । আজকে নাকি তিনি শোকসভা নিয়ে ব্যস্ত । আমি ভাবছি নীলক্ষেত চলে যাব। একটা জাল সার্টিফিকেট বানিয়ে নিব । তাতে কাজ হবে না ?

১৫ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:৪০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: 'কি করি' এতক্ষণে ব্রিটেন গিয়া মিশন শুরু করে দিছে, আর আপনি এখনো পড়ে আছেন নীল ক্ষেতে! সেখানে 'জুইসি হাইডের' পুরাতন বই খুজেন নাকি ? :P

৫৩| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ২:২৭

মেঘনা পাড়ের ছেলে বলেছেন: চরম পোস্ট। এই বিষয়টি জানাই ছিলো না। অনেক ধন্যদান লিটন ভাই। আপনার লেখার গুণে বিষয়টি আরো আকর্ষনিয় হইছে।

তবে সিনেমার নাইকা ভিক্টেরিয়ার মত সুন্দ্রী না, এই জন্যি পরিচালকরে মাইনাস............

তবে অরিজিনাল বিষয়টাতে কামজ বিষয়টা ছাড়িয়ে স্নেহজ বিষয়টাই মনে হয় বেশি ছিলো।

অার আমি চিন্তা করছি, ভিক্টোরিয়া আবুল অথবা করিম শব্দের উচ্চারন কিভাবে করতো, এ্যাবুল অথবা ক্যারিম ? :)

১৫ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আব্দুল যখন রানীর সংস্পর্শে আসেন তখন রানী এমন বয়সিই ছিলেন।
অরিজিনাল বিষয়টাতে কামজ বিষয়টা ছাড়িয়ে স্নেহজ বিষয়টাই মনে হয় বেশি ছিলো। হতে পারে।

৫৪| ১৯ শে আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩৯

জুন বলেছেন: গিয়াস লিটন রানী ভিক্টোরিয়া অর্থাৎ ইংল্যান্ডের বিস্তারিত ইতিহাস আমাদের পাঠ্যসুচীতে ছিল । দীর্ঘদিন ধরে সিংহাসনে আসীন রানী ভিক্টোরিয়া ছিলেন এক ব্যাতিক্রমী চরিত্রের অধিকারী । ইতিহাস থেকে জানা যায় রাজা রানী বা যে কোন শাসকের চারিধারে অনেক মানুষ থাকলেও সাধারনত খুব একাকী জীবন যাপন করেন। কাউকে বিশ্বাস করতে পারে না । মন খুলে কথা বলতে পারে না রাস্ট্রীয় গোপনীয়তা ভংগের ভয়ে। তখন খুব বিশ্বস্ত কোন মানুষকে পেলে তার উপর নির্ভরশীল হয়ে পরে তারা। এটা কোন রাজার ক্ষেত্রেও হতে পারে । আপনি যদি প্রমথ নাথ বিশির কেরী সাহেবের মুন্সী বইটি পড়ে থাকেন তো দেখবেন ধর্ম প্রচার করতে এসে ডঃ কেরী কি ভাবে তার মুন্সী রাম রাম বসুর উপর নির্ভরশীল হয়ে পরেছিল ।
অনেক কিছু লিখে ফেললাম অযাচিতভাবে । আশা করি কিছু মনে করবেন না । আমার মনে হয়না এটা প্রেম ছিল । এটা ছিল তাদের মাঝে এক আনুগত্য আর বিশ্বাসের সম্পর্ক । জানা বিষয়টি আবার আপনার নিখুত বর্ননায় জানা হলো লিটন । অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ।
অটঃ
কথাবার্তায় মুন্সী নবী মোহাম্মদ (সা:) সম্পর্কে রানীকে যেসব জানিয়েছেন, তাতে দেখা যায়, তিনি (রানী) ইসলামের প্রতি আগ্রহী ছিলেন।
আপনি পোস্টে দেখেন ( সাঃ ) লিখতে ইমো চলে এসেছে । একটু এডিট করে দিয়েন কষ্ট করে ।
অনেক অনেক ভালোলাগা রইলো ।
+

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.