নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মনের কানাগলিতে স্বাগতম...

মনের কানাগলিতে স্বাগতম...

ডক্টর লেকটার

অসাধারণ নই, নই বিশেষ কেউ... তবুও আমি আর দশজনের একজন নই... কিংবা আর দশজনও কেউ কারো মতো নয়... পৃথিবীতে আমি কিংবা আমরা- সবাই ইউনিক...

ডক্টর লেকটার › বিস্তারিত পোস্টঃ

ক্যামনে আগারগাও অফিস থেইকা নতুন পাসপোর্ট এর জন্যে আবেদন করবেন (একটা হাউ টু মার্কা পোস্ট) [পার্ট - ১]

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ৮:৪৮

একই বিষয় নিয়া ব্লগে/ফেইসবুকে বেশ কিছু পোস্ট পাওয়া যায়। তয় সবগুলাই মনে হয় আউটডেটেড। নিজের ফ্রেশ অভিজ্ঞতা থেইকা জনকল্যাণে কিছু জ্ঞানদান দরকার মনে করতেছি।


1। প্রথমেই passport.gov.bd থেকে অনলাইনে পাসপোর্টের ফরম পূরণ কইরা নেন। আপনার নিজের ছবির স্ক্যান কপির কোনো প্রয়োজন নেই। ফরম পূরণ করা হয়ে গেলে PDF আকারে ডাউনলোডের অপশন পাবেন। অনলাইনে ফরম পূরণ করলে পরে পাসপোর্ট অফিসে আপনার অনেকটা সময় বেচে যাবে। (ছাত্ররা অবশ্যই ফরমের অভিভাবকের ডিটেইলসের ঘরটা পূরণ করবেন)

2। সাধারণ+নতুন পাসপোর্টের বেলায় PDF এর দুইটা প্রিন্ট নেবেন। দুটোতেই আপনার নরমাল পাসপোর্ট সাইজের দুটো ছবি আঠা দিয়ে লাগিয়ে নেবেন (বিশ্বাস রাখেন -এই ছবির দিকে কেউ ফিরাও তাকাবে না)। সত্যায়িত নিজের এলাকার কাউকে দিয়ে করিয়ে নেবেন,পাসপোর্ট অফিসের কাউকে দিয়ে সত্যায়িত করানোর চিন্তাও মাথায় আনবেন না। ছবির ওপরও সত্যায়িত করতে হবে। (ছাত্রদের ক্ষেত্রে অন্যান্য সব ডকুমেণ্টের সাথে নিজের স্টুডেন্ট আইডি এর সত্যায়িত কপিও সাথে রাখবেন এবং ফরমের সাথে জমা দেবেন)

3। যদি সম্ভব হয় তবে আগেই সোনালী ব্যাংকে 3000 টাকা পাসপোর্টের ফি হিসেবে জমা দিয়ে স্লিপটা নিজের কাছে রাখবেন। 5 টাকা ব্যাংক ফি হিসেবে রাখবে। ব্যাংক থেকে স্লিপের একটা অংশে সিরিয়াল নম্বর লিখে আপনাকে ফেরত দেবে। এই সিরিয়াল নম্বরটা প্রিন্ট করা ফরমের 25 নম্বর ঘরে লিখতে হবে।

4। এবার স্লিপটি ফরমের দু'কপির যে কোনো একটিতে ওপরের দিকে আঠা দিয়ে লাগিয়ে নিন। খেয়াল রাখবেন - স্লিপটি ফরমের বারকোডের ওপরে লাগাবেন না।

5। সপ্তাহের প্রথম দিকে (শেষ দিকে ভিড় বেশি হয়) সকাল ৯টার ভেতর পাসপোর্ট অফিসে চলে যাবেন। বিল্ডিং এর নিচে দেখবেন ২-৩ জন আর্মি পারসন টেবিল নিয়ে বসে আছেন। তাদের থেকে সিল নিয়ে সোজা তিনতলায় ৩০৪ নম্বর রুমে চলে যান। যত দেরি করবেন - ৩০৪ এর সিরিয়ালে তত পিছনে পড়বেন। ৩০৪ এ একজন এসিসটেন্ট ডিরেক্টর আপনার কাগজ চেক করবেন - তিনি কিছু প্রশ্নও করতে পারেন মিলিয়ে দেখতে। তারপর আপনার যে ফর্ম এ ব্যাংক স্লিপ লাগিয়েছেন - সেটাতে তিনি তেরছা ভাবে 'আবেদিত' লেখা একটা সিল মেরে দেবেন। দুই কপি ফরমের এই কপিটাতেই পাসপোর্ট অফিসের সবাই লেখাজোকা করবে, অন্য কপিটা পরে লাগবে। সেটা একটু পর বলছি।

6। এটা নিয়ে চলে যান নিচ তলায় সিড়ির পাশে টেবিল পেতে বসে থাকা আর্মিম্যানের কাছে (এটাই রুম নম্বর ১০২)। তিনি ব্যাংক স্লিপ লাগানো ফরমের নিচের দিকে একটা সিল মেরে সিরিয়াল নম্বর লিখে ছবি তুলতে ৪ তলায় যেতে বলবে।

7। এতক্ষণে দেখবেন সিড়িতে ছবি তোলার বিশাল লাইন। পাবলিক যা ইচ্ছা বলুক - লাইনে দাড়াবেন না, সব ইগোনোর করেন। সোজা 4 তলায় উঠে সিড়ির বা পাশে 402 নম্বর রুমে ঢুকে যান। দরজা লক করা থাকে - ভয় পাবেন না - সোজা দরজা খুলে ঢুকে যান। ভেতরে দেখবেন ম্যাক্সিমাম 3-4 জনের ছবি তোলার লাইন। এই রুমে 4 টা ছবি তোলার বুথ আছে এবং এটা শুধুমাত্র অনলাইন আবেদনকারীদের জন্যে। এখানে কোন একটা বুথে আপনাকে ডেকে নেবে - ছবি তুলবে, সিগনেচার নেবে, এবং চার আঙ্গুলের ছাপ নেবে। এরা আপনার কাছ থেকে ফরমের দুটো কপিই রেখে দেবে। সবশেষে আপনাকে আপনার সব তথ্য সংবলিত এক পাতার একটা কাগজ ধরিয়ে বিদায় দেবে। আপনার আগারগাও পাসপোর্ট অফিস ভ্রমণের এখানেই সমাপ্তি।

২০ দিনের ভেতর পাসপোর্ট পেয়ে যাবেন।

কোনও অবস্থাতেই দালাল ধরবেন না। ব্যাংকের কাজটাও নিজে করবেন - অযথা রিস্ক নেয়া বোকামি।


উপরের পুরোটাই আমার পাসপোর্ট অফিসে ৫ ঘন্টার এক্সপেডিশনের রেজাল্ট। আমার মত ভুল+বোকামি+তথ্যের জন্যে হাহাকার যেন অন্য কাউকে না করতে হয় - তাই এখানে পোস্ট দিচ্ছি।

ধন্যবাদ


ফুলিশ ভেরিফিকেশন (পাসপোর্ট করা বিষয়ক জ্ঞানদান মূলক পোস্ট) পার্ট - 2

মন্তব্য ১৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ৯:৪৬

অশ্রুহীন মন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই আমার পরে কাজে লাগবে

২| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১২:২৭

দি সুফি বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম।
কিন্তুক কথা হইলো, ফুলিশ ভেরিফিকেশন........ #:-S #:-S

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ১২:১০

ডক্টর লেকটার বলেছেন: ডরইয়েন না, খামের মুখ বন্ধ কইরা ১০টা ৫০টাকার নোট ধরইয়া দিবেন।
কেস খতম (গুরুজনের রেসিপি অনুসারে)

৩| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১২:৪২

শাহমিম বলেছেন: ভাই, হাঁচা কইরা একখান কতা কই। আগামী এক সপ্তাহের মইদ্দে আমি পাসপুট বানাইতে আগারগাও যামু। এরমধ্যি ট্যাকাও জমা দিয়া রাকসি। সো আপনের পুস্ট কি একখান উপকার যে আমার করলো সেইটা আমি এই পুস্ট দেওনের এক সপ্তা পর আপনে পাসপুট বানাইতে গেলে বলতে পারতেন, ভাই।

মেলা একটা ধইন্যবাদ।

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৪ সকাল ৯:৩৬

ডক্টর লেকটার বলেছেন: ভাইরে, এক সপ্তাহ আগে পাসপোর্ট কইরা একটা পোস্ট দিলে কি ক্ষতি হইতো??

আমার ৫ ঘণ্টা হুদাই দাড়াইয়া থাকা লাগতো না, আর আমার দোয়ায় আপনারও কিছু সওয়াব কামাই হইতো

:-(

৪| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৪ সকাল ৯:২৮

হেডস্যার বলেছেন:
থাঙ্কু .... কাজে লাগবে :)

৫| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১০:৫১

মোঃ আমিন বলেছেন: সরাসরি প্রিয়তে............

৬| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৪ সকাল ৭:১৭

ইসটুপিড বলেছেন: ভাইজান, একটা কুশ্চেন আছিল! আমি অনলাইনে পাসফুটের ফরম ফিলাপ করনের পর আমারে পাসফুট অফিস দেখায় যাত্রাবাড়ি। এখন কি আমার যাত্রাবাড়ি যাইতে হইব পাসফুটের লিগা? নাকি আগের মতই আগারগাওয়ে গেলেও হইব? পিডিএফ নামায়া প্রিন্টায়া ফালাইছি।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৩:৪৬

ডক্টর লেকটার বলেছেন: সোজা যাত্রাবাড়ী রিজিওনাল অফিসে চলে যান। অবশ্যই চেষ্টা করবেন রবি-সোমবারের ভেতর যেতে।

৭| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩৪

দি সুফি বলেছেন: একখান কতা কয়েনঃ ফর্মের প্রত্যয়ন অংশটা কে পূরণ করবে? এটা আমি আমার পরিচিত কাউকে দিয়ে করাবো?

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৪ সকাল ৯:৩৫

ডক্টর লেকটার বলেছেন: জ্বি জনাব।
আপনার পরিচিত - অপরিচিত বিসিএস ক্যাডার/স্কুল কলেজের প্রিন্সিপাল/ভার্সিটি প্রফেসর/এলাকার কমিশনার - একজন হলেই হলো।

যাকে দিয়েই সত্যায়িত করান না কেন - আগেই তাকে জানিয়ে নিয়েন যে ফরমে তার ভোটার আইডি কার্ড নম্বর দিতে হবে।

৮| ১৯ শে মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:১৮

ফেরারী৭৬৫ বলেছেন: একটা প্রশ্ন ছিল ..................... আমার ফর্মের সাথে অন্য জনের ফর্ম ও কি আমি একা দিতে পারব ??

১১ ই এপ্রিল, ২০১৪ দুপুর ১২:২৪

ডক্টর লেকটার বলেছেন: নাহ বোধহয়, ফর্মে সিল দেয়ার সময় কিছু ভেরিফিকেশন টাইপ প্রশ্ন করে

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.