নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভুলে যাও বিশ্বের সব জাতি, ধর্ম, বর্ণের সকল ভেদা ভেদ! কেবল নিজের লক্ষ্য ও গন্তব্য ঠিক করে নাও!

দুঃখী জাহিদ

কবি পরিচিতি দুঃখী জাহিদ ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রকৃত নাম মো:জাহিদুল ইসলাম (জুয়েল)।২০১০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন শিবপুর ইউনিয়ন ঊচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবং ২০১২ খ্রিস্টাব্দে তিনি উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন বি এ এফ শাহীন কলেজ ঢাকা থেকে। বর্তমানে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যারয়ে ইংরেজী বিষয়ে অধ্যয়নরত আছেন।

দুঃখী জাহিদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

গাহি তাহাদের গান ধরণীর হাতে দিল যারা ফসলের ফরমান….

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:১২

গাহি তাহাদের গান
ধরণীর হাতে দিল যারা ফসলের ফরমান….


যাঁদের জ্ঞান আর প্রজ্ঞার আলোয় পৃথিবীর অন্ধকার,শূণ্য আধার একদিন ভরে উঠেছিলো,সময় হারিয়ে গেলেও দূর নক্ষত্রের মতো রয়ে গেছে তাঁদের দ্যুর্তিময় কর্ম ! এই বছরে ইসলামী স্বর্ণসুগের সেই মহামনীষীর কথাই বলছি-যাঁদের সৃষ্টির ফসল ও মানবতাবোধ পৃথিবী সমৃদ্ধ হয়েছিলো শত শত বছর আগে । ছয়শ বাইশ খ্রিষ্টাব্দে মদীনায় প্রথম ইসলামী রাস্ট্র প্রতিষ্টা ও ইসলামী শক্তির প্রারম্ভিক শুরু হয় এই স্বর্ণযুগের,১২৫৮ সালে মঙ্গোলদের দ্বারা বাগদাদ আক্রমণের সময়কে যার শেষ ধরা হয় । ১৪৪২ সালে ইবেরিয়ান উপদ্বীপের আন্দালুস খ্রিষ্টান সাম্রাজ্য বিস্তারের ফলে গ্রানাডার পতনকেও এর সমাপ্তিকাল হিসেবে গণ্য করা হয় । আব্বাসীব খলীফা হারুনুর রশিদের (৭৮৬-১১৭১) সময় বাগদাদ বায়তুল হিকমাহর প্রতিষ্ঠার ফলে জ্ঞআনচর্চার প্রভূত সুযোগ সৃষ্টি হয় । ফাতেমীয় যুগে (৯০৯-১১৭১) সাম্রাজ্যের কেন্দ্রে পরিণত হয় মিশর,যার অন্তর্গত ছিল তৎকালীন উত্তর আফ্রিকা,সিসিলি,ফিলিস্থিন,জর্ডান,লেবানন,সিরিয়া,আফ্রিকা লোহিত সাগর উপকূল,তিহামা,হেজাজ ও ইয়েমেন ।

এই যুগে বিশ্বের রাজধানী শহর বাগদাদ,কায়রো ও কর্ডোবা বিজ্ঞান,দর্শন,চিকিৎসাবিজ্ঞান,বাণিজ্য ও শিক্ষার বুদ্ধিবৃত্তিক কেন্দ্রে পরিণত হয়। আরবরা তাদের অধিকৃত অঞ্চলের বৈজ্ঞানীক জ্ঞআনের আগ্রহী ছিল । হারিয়ে যেতে থাকা অনেক ধ্রুপদি রচনা আরবী ও ফারসীতে অনূদিত হয়। আরো পরে এগুলো তুর্কি ,হিব্রু ও ল্যাটিনে অনূদিত হয়েছিল ।

মুসলিম ইতিহাসের স্বর্ণযুগ সম্পর্কে মুসলমানরাই জানেনা । জানেনা তাঁদের পূর্ব পুরুষদের আবিষ্কারের ফল দিয়ে আজকের আধুনিক বিজ্ঞান দন্ডায়মান । নিম্নে কয়েকজন আমার অন্তরের প্রিয় মনিষীদের নিয়ে লেখার চেষ্টা করছি । ভুল হলে ক্ষমার চোখে দেখবেন ।




১.জাবির ইবনে হাইয়্যান : ( ৭২১-৮১৫ খ্রিস্টাব্দ) :

"রসায়নের জনক" হিসেবে খ্যাত আবু মুসা জাবির ইবনে হাইয়্যান রসায়ন বিদ্যায় পরীক্ষামূলক পদ্ধতির গোড়াপত্তন করেন, যিনি পাশ্চাত্য বিশ্বে জেবার নামে পরিচিত।
তিনি ছিলেন একাধারে রসায়নবিদ (বা কিমিয়া তথা আলকেমীবিদ), জ্যোতিবিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, দার্শনিক, পদার্থবিজ্ঞানী এবং ঔষধ বিশারদ ও চিকিৎসক। তিনি আরব কিংবা মতান্তরে পারস্যের নাগরিক ছিলেন।

উল্লেখযোগ্য বই :
১.আসরারুল কিমিয়া,
২.কিতাবুল রাহমাহ্,
৩.ইলমুল হাই-আহ্
৪.বুক অফ দ্যা কিংডম
৫. বুক অফ দ্যা ব্যালেন্স




২. আল-ফারাবী : (৮৭৪-৯৫১ খ্রিস্টাব্দ ):

আবু নসর মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-ফারাবী "আলফারাবিউস" হিসেবে পশ্চিমা বিশ্বে পরিচিত একজন প্রখ্যাত মুসলিম দার্শনিক ও বিজ্ঞানী। এছাড়াও তিনি একজন মহাবিশ্ব-তত্ত্ববিদ, যুক্তিবিদ এবং সুরকার ছিলেন।
উল্লেখযোগ্য বই :
১.কিতাব আল মুউসিক্বিল কাবীরা
২.কিতাব আরাউ আহলিল মদীনাতুল ফাযীলাহ্
৩.কিতাব আল জাওহার
৪.কিতাব আত্ তানবীহু সাবীলিস সাআাদাহ।



৩. আল-ইদ্রিসী (১০৯৯-১১৬৫):
আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল- ইদ্রিসী ছিলেন মানবব ইতিহাসের একজন শ্রেষ্ঠ আরব মুসলিম ভূগোলবিদ, মানচিত্রাঙ্কণবিদ, এবং গণিত বিশারদ।

গণিতে তিনি আর্কিমিডিসের আগে জ্যামিতির আবিষ্কার করেন। তিনি ছিলেন মিশর বিশেষজ্ঞ, যিনি রাজা ২য় রজারের শাসনামলে সিসিলির পার্লামেন্টে বসবাস করতেন।
উল্লেখযোগ্য বই :
১.নূযহাতুল মুশতাক ফী ইখতিরাক্বিল আফাক্ব
২.কিতাবুল মামালিক ওয়াল মাসালিক।

হে মুসলিম যুবক যুবতি এখনো অনেক সময় বাকী । চিন্তা কর । ইসলাম থেকে মুখ ফিরিয়ে নিও না । ইসলাম তোমার আমার সবার কল্যাণের জন্য । সকল অনাচার থেকে ফিরে এসো ইসলামের সুনিল ছায়াতলে । বিজ্ঞানের দুহাই দিয়ে নাস্তিকতা ভিতরে পোষণ করছো ,চেয়ে দেখো যাদের কল্যাণে আজকের বিজ্ঞান তারা সবাই মুসলিম ছিলো । চোখ দিয়ে তাকিয়ে দেখো । সত্যের খুঁজে বের হও । আলোর পথে এসো ।

চলবে.........


মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:৪০

রাজীব নুর বলেছেন: জানলাম।
চলুক---

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:২৫

দুঃখী জাহিদ বলেছেন: ইনশাআল্লাহ

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.