নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

The best and most beautiful things in the world cannot be seen or even touched - they must be felt with the heart---Helen Keller

জুন

ইবনে বতুতার ব্লগ

জুন › বিস্তারিত পোস্টঃ

শত বছর অরন্যে লুকিয়ে থাকা বিশ্বের সেরা বিস্ময় এংকরভাট আমার চোখে।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:০০


এংকরভাট ....ছবিটি.আকাশ থেকে নেয়া

বেশ কয়েক বছর আগের কথা কর্তা মশাই অফিসের কাজে দু’দুবার কম্বোডিয়া সফরে আসে। সেসময় সেখানে বহু শত বছর লোক চক্ষুর অন্তরালে থাকা পৃথিবী বিখ্যাত কিছু নান্দনিক স্থাপত্যকর্ম দেখে গিয়েছিল । ফিরে এসে আমার কাছে নানা রকম বর্ননায় ও ছবি দেখিয়েও যখন তার সৌন্দর্য্য, তার মহিমা তুলে ধরতে ব্যর্থ হচ্ছিল, তখন সে আমাকে কোন একদিন সশরীরে সেখানে নিয়ে যাবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল । সেই স্থাপনাটি ছিল কম্বোডিয়ার সিয়াম রেপের এংকরভাট। এরপর থেকেই মনের মাঝে এংকরভাট দেখার এক সুপ্ত স্বপ্ন লালন করতাম। সেটাই পুরন হলো ২০১৫ এর নভেম্বর ২০ তারিখ এ কম্বোডিয়ায় পা দিয়ে।


এংকরভাট এক নতুন বিস্ময়

মনে পড়লো আরও একজন এমনি করে আমার মতোই এংকরভাটকে দেখার জন্যে এসেছিলেন । তিনি হলেন আমেরিকার বিখ্যাত এবং জনপ্রিয় ডেমোক্রেট প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডী যিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছিলেন তার কথা নিশ্চয় আপনাদের মনে আছে ? সেই কেনেডির অকাল বিধবা পত্নী জ্যকুলিন কেনেডি । ১৯৬৭ সালের নভেম্বর মাসে আমেরিকা বনাম ভিয়েতনাম সেই ভয়ংকর উত্তাল যুদ্ধের মাঝেও চুপি চুপি কম্বোডিয়া এসেছিলেন শুধুমাত্র নিজ চোখে তাঁর আজীবনের লালিত স্বপ্ন এংকরভাটকে এক নজর দেখার জন্য। এমনই অদম্য এই এংকরভাট এর আকর্ষন।

সেই এংকরভাট দেখার জন্যে ঢাকা থেকে উড়ে এসেছি আমিও ২০১৫ এর ২০শে নভেম্বর। ক্যম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেন থেকে ৩২০ কিমি উত্তরে এক শহর নাম তার সিয়াম-রেপ। আর এই সিয়াম-রেপই তার বুকে ধারন করে আছে এংকরভাট সহ হাজারো মন্দির এবং বিভিন্ন স্থাপত্যের সব ধ্বংসাবশেষ


পথের পাশে প্রিয় তাল গাছের সারি আর এমন পিচ ঢালা মসৃন পথে সিয়াম রেপের উদ্দেশ্যে চলেছি ।

রাজধানী নমপেন থেকে সকাল আটটায় শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ভ্যানে করে জাতীয় ৬ নম্বর সড়ক ধরে রওনা দিলাম সিয়াম রেপ এর উদ্দেশ্যে। ভাড়া মাথাপিছু আট ডলার । উল্লেখ্য এখানে স্থানীয় মুদ্রা রিল আর ডলার পাশাপাশি চলে ।বিষুবরেখার উপর কম্বোডিয়া দেশটিতে ঋতু বলতে দুটি গ্রীস্ম আর বর্ষা । এখন গ্রীস্মকাল ,বাইরে তীব্র গরম , বাতাসে আদ্রতার ছোয়া নেই । ৬ ঘন্টা লাগলো গন্তব্যে পৌছাতে অবশ্য এর মাঝে পেট্রোল নেয়া + চা বিরতি আর দুপুরে খাবার বিরতি ছিল ১৫ মিনিট ।


এমন টুক টুক নামক যানবাহনই বেছে নিলাম সিয়াম রেপ ঘোরার জন্য

আগে থেকে নির্ধারিত হোটেলে উঠে ট্রিপ এডভাইজারের পরামর্শ মত আমরাও টুক টুক ভাড়া করেই ঘুরবো বলে সিদ্ধান্ত নিলাম । প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আপনি এংকরভাট ও তার আশে পাশে ইচ্ছেমত ঘুরে বেড়াতে পারবেন, ভাড়া ১৫ ডলার ।

প্রতিদিন রাতে বসে বিখ্যাত এই বাজার

হোটেলের পাশেই সিয়াম রেপের বিখ্যাত নৈশ বাজার । উন্মুক্ত ছাদের নীচে চলছে খাওয়া দাওয়া, তারই সাথে পাল্লা দিয়ে কোন কোন পানশালায় উচ্চস্বরে বেজে চলেছে ইংরাজী আর স্থানীয় ব্যান্ডের গান। বিশাল তবে অস্থায়ী এক ছাদের নীচে ছোট ছোট স্যুভেনীরের দোকান। তাতে স্থানীয় জিনিসপত্র সাজিয়ে বিকিকিনিতে ব্যস্ত মেয়েরা।
সেই নৈশ বাজারে এক ছবি বিক্রেতার সাজানো পসরা

প্রচুর পর্যটক বিশেষ করে ইউরোপীয়, চৈনিক, জাপানি ও কোরিয়ানরা সে বাজারে গিজ গিজ করছে । শুধু রাত্রির জন্য ঝাপি খুলে বসা এই জমজমাট মেলায় ভীড় করা হাজারো পর্যটকের মাঝে এই উপমহাদেশের মনে হয় আমরা দুজনাই ছিলাম।
সারাদিনের পথ চলায় ক্লান্ত ও ক্ষুধার্ত আমরা এক ভারতীয় রেস্তোরায় মাসালা দোসা খেয়ে হোটেলে যখন ফিরে আসি তখন রাত প্রায় দশটা। রুমে ফিরে নমপেন এয়ারপোর্ট থেকে এংকরভাটের উপর কেনা দুটো বই নিয়ে বসলাম দুজন। কারন কাল যে যেতে হবে তার আগেই তার পরিচয়টা জেনে যাওয়া ভালো।

এংকরভাটের প্রতিষ্ঠাতা রাজা দ্বিতীয় সুর্য্যবর্মন। তাঁর আগে খেমারদের আর কোন রাজার চিত্র নেই বলেই ধারনা করা হয়। এই পাথরের দেয়াল ক্ষুদে নির্মিত ভাস্কর্য্যটি দেখতে পাবেন এংকরভাট মন্দিরের দক্ষিন গ্যালারীতে

পড়তে গিয়ে দেখি ভীষন জটিল এই এংকরভাটের ইতিহাস । এই জটিলতার কারন হলো যথেষ্ট তথ্যের অভাবে । একটি ইতিহাস রচনায় যেসব উপাদানের দরকার তার খুব কমই পাওয়া গেছে এখানে। তারপর ঐতিহাসিকদের ঐকান্তিক চেষ্টায় যতটুকু জানা গেছে এই বিস্ময় সম্পর্কে তা থেকে টুকরোটাকরা জোড়া দিয়ে দিয়ে একখানি সংক্ষিপ্ত লেখা লিখছি আপনাদের জন্যেই ......


শুধু বিশ্ব ঐতিহ্যই নয়, এংকরভাট এখন বিশ্বের বিস্ময়ের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত

বিশ্বের আশ্চর্য্যতম স্থাপনার তালিকায় থাকা এক উল্লেখযোগ্য নাম এংকরভাট। নামটি আমাদের অনেকের কাছেই পরিচিত হলেও আবার কারো কাছে হয়তো একেবারেই নতুন।
একদা হিন্দু মন্দির হিসেবে নির্মিত থেকে ধীরে ধীরে বৈদ্ধিক এক মন্দিরে রূপান্তরিত হয়ে যে প্রাচীন স্থাপনাটি একটি দেশের প্রতীক হয়ে ঠাই করে নিয়েছে তার পতাকায় তার নামই এংকরভাট।


ক্যম্বোডিয়ার পতাকার বুকে এংকরভাট ।

সংস্কৃত শব্দ “এংকর” অর্থ “নগর” আর স্থানীয় খেমার ভাষায় “ভাট “ শব্দের অর্থ “মন্দির ভুমি”। এই দুটো মিলিয়ে এংকরভাটের পুর্ন অর্থ হলো – মন্দিরের নগরী ইংরেজীতে যাকে বলে সিটি অব টেম্পলস। বারো’শ শতকের প্রথমদিক ক্যম্বোডিয়ার ইতিহাসের বিখ্যাত খেমার রাজা ছিলেন ২য় সুর্য্যবর্মন যিনি তার রেখে যাওয়া অমর কীর্তির জন্য উপাধি পেয়েছিলেন পরমবিষ্ণুলোকা । তিনি রাজধানী যশোধরা পুর বর্তমান যা সিয়েমরেপ নামে পরিচিত সেখানে বিশাল এলাকা জুড়ে অসাধারন এক নির্মানশৈলীতে ্তৈরী করেছিলেন এই অসাধারন স্থাপত্যকর্মটি। যা বর্তমান বিশ্বের এক অন্যতম বিস্ময়।


শুকিয়ে যাওয়া পুকুরে এংকরের ছায়া

নবম থেকে পঞ্চদশ শতক পর্যন্ত মেকং নদীর তীরে বর্তমান ক্যম্বোডিয়া থাইল্যন্ড আর ভিয়েতনামের বিশাল এলাকা জুড়ে উন্মেষ এবং বিকশিত হয়েছিল এক অনন্য সভ্যতার নাম তার খেমার সভ্যতা ।এই সভ্যতারই একটি পরিপুর্ন রূপ হলো সিয়াম রেপের মন্দিরগুলো বিশেষ করে এংকরভাট

এংকরভাটে প্রবেশের প্রধান পথ যার দুপাশের রেলিং হলো হিন্দু পুরানের নাগ রাজ বাসুকী যার সাহায্যে দেবতা আর অসুর অমর হওয়ার জন্য সমুদ্র মন্থন করে অমৃতের ভান্ড তুলে এনেছিল ।

বহুদিন ধরে গাছ আর জঙ্গলে ঢাকা পরে থাকা এংকর ভাট মুলত ছিল পৃথিবীর সর্ব বৃহৎ হিন্দু ধর্মীয় উপাসনালয় যা দেবতা বিষ্ণুকে উৎসর্গ করে নির্মিত হয়েছিল।

দীর্ঘ পথের পাশে শুধু কালই নয় মানুষের আঘাতেও জীর্ন হয়ে পড়া রেলিং অর্থাৎ বাসুকীর গা ছুয়ে এগিয়ে চলেছি , যদিও তা ধরা ছিল নিষেধ ।

শত শত বছর ধরে পরিত্যক্ত এই প্রকান্ড সেই সাথে বিস্ময়কর নির্মান শৈলীতে তৈরী এংকরভাট মন্দিরটি প্রথম নজরে আসে এক চৈনিক পর্যটকের। যা তাকে প্রচন্ড বিস্মিত করেছিল। এই চৈনিক পর্যটক ছাড়াও অনেকের দৃঢ বিশ্বাস এই বিশাল দক্ষ যজ্ঞ কোন মানুষের সৃষ্টি হতে পারে না। এটা অবশ্যই ইশ্বরের তৈরী এবং সেই ঐশ্বরিক স্থপতি একদিনেই এই নগরীটি তৈরী করেছেন ।

এংকরভাট
আবার কারো মতে দেবরাজ ইন্দ্রের নির্দেশে তার পুত্র প্রেতা কেচ এর জন্য মন্দিরটি নির্মিত হয়েছিল । কোন কোন ইউরোপীয় পর্যটক ধরে নিয়েছিলেন এটা রোমানদের কীর্তি , আবার কারো মতে এর নির্মাতা মহামতি সম্রাট আলেকজান্ডার।


এখনো পথ ফুরোয় নি

কল্পনার ডানা যতই ঝাপটাক, ইতিহাস এংকরভাটকে নিয়ে কি বলে তাই শুনি– যথেষ্ট তথ্য সুত্র না থাকলেও যেটুকু পাওয়া গেছে তাতে জানা যায় ১২ শ শতকের প্রথমার্ধে ঐ অঞ্চলের অধিপতি ছিলেন খেমার রাজা দ্বিতীয় সুর্যবর্মন যা আমি আগেও উল্লেখ করেছি। তিনি তাঁর রাজত্বকালে রাজধানী, রাস্ট্রীয় মন্দির এমনকি কারো কারো মতে তাঁর সমাধি সৌধ হিসেবে এংকরভাটের প্রাথমিক নকশা ও নির্মান শুরু করেন ।

পথের বা দিকে এমন স্থাপনা , শুনেছি এ নাকি পাঠাগার

হিন্দু ধর্মের অন্যতম প্রধান দেবতা শিব এর ঐতিহ্য থেকে বেরিয়ে এসে রাজা ২য় সুর্যবর্মন এই মন্দির উৎসর্গ করেছিলেন দেবরাজ বিষ্ণুর নামে । কোন ঐতিহাসিক দলিল দস্তাবেজ বা নথিপত্রতে এর আসল নাম জানা না গেলেও সম্ভবত “বড় বিষ্ণু-লোক” নামেই একে ডাকা হতো ।তবে এংকর ভাট নামটি পশ্চিমাদের দেয়া বলে জানা যায়।


প্রচন্ড সেই খর তাপে সব কিছু পুড়ে যাচ্ছে তারপর ও কিছুটা এগিয়ে এসেছি মনে হচ্ছে ।

১৭ শতকে পাওয়া চৌদ্দটি শিলালিপি থেকে জানা যায় , খেমারদের পাশাপাশি জাপানী বৌদ্ধরাও এখানে বসতি গেড়েছিল ।সে সময় জাপানী পর্যটকরা ভাবতেন এটি বুদ্ধের বাগান “জেতাইয়ানা”। আসলে যেটা ছিল ভারতের মগধ রাজ্যে অবস্থিত । এই বৌদ্ধদের প্রভাবেই ১২ শ শতকের শেষ প্রান্তে হিন্দু উপাসনালয় থেকে এংকরভাট ধীরে ধীরে এক বৌদ্ধ উপাসনালয়ে পরিনত হয়।


বা দিকে গ্যালারীর কিছু অংশ

১১৪৫/৫০ সনের কোন এক সময় রাজা দ্বিতীয় সুর্যবর্মনের মৃত্যুর পর পরই এর নির্মান কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল তা বোঝা যায় দেয়ালের গায়ে খোদাই করা অসম্পুর্ন চিত্রকলা দেখে। এর ২৭ বছর পর খেমারদের চিরশত্রু বর্তমান ভিয়েতনামের “চাম” জাতির হাতে এই অসাধারন স্থাপত্যশৈলিতে নির্মিত এংকর ভাট নামের মন্দির নগরীটি তছনছ হয়ে যায়। পরবর্তী রাজা সপ্তম জয়বর্মন ১১৮১ সনে ক্ষমতায় এসে এর কিছুটা সংস্কার করলেও তাঁর রাজধানী ও প্রধান মন্দির গড়ে তোলেন এখান থেকে সামান্য দূরে ।


এরপর এক ধাপ ওঠা
এংকরভাটকে ঘিরে গড়ে ওঠা কম্বোডিয়ার উত্তর প্রদেশ সিয়ামরেপ এর পুরো এলাকাটি এখন দক্ষিন এশিয়ার এক প্রত্নতাত্বিক বিস্ময়। বিস্ময় এর নির্মান কৌশলেও । লক্ষ লক্ষ টন স্যান্ড স্টোনে তৈরী এই মন্দির নির্মানে কোন সিমেন্ট সুরকি ব্যবহৃত হয়নি , জোড়া লাগানোর কাজটি সম্পন্ন হয়েছে এক ধরনের গাছের মন্ড দিয়ে যা বাইরে থেকে আপনি বুঝতে পারবেন না। ভারতীয় স্থাপত্যকলা থেকে উদ্ভুত হলেও দিনে দিনে খেমার স্থাপত্য নিজস্ব একটি স্বকীয়তায় পৌছে গেছে । পৌছে গেছে এক উচ্চতায় যা আপনার দৃষ্টিতে এক অনন্য শিল্পের দিগন্ত খুলে দেবে ।


এগিয়ে চলা এংকরভাটের ভেতরের পানে

অনেকে মনে করেন এংকরভাটের যে ৫টি মুল স্তম্ভ রয়েছে তা নির্মান করা হয়েছিল হিন্দু পুরানের দেবতাদের আবাসস্থল ৫টি মেরু শৃঙ্গকে কল্পনা করে । মহাবিশ্বের ধারনার সাথে কল্পনা করে তৈরী এই মেরু পর্বত অর্থাৎ মুল পাঁচটি মন্দিরের চারিদিক ঘিরে থাকা ২.২ মাইল লম্বা দেয়ালগুলোকে কল্পনা করা হয়েছে পর্বতরাশির সাথে। আর দেয়ালের বাইরে চারিদিকে নীল জলরাশিতে পরিপুর্ন যে সুগভীর পরিখা তাকে কল্পনা করা হয়েছে বিশ্বের শেষ সীমানা সমুদ্র রূপে।

মুল উপাসনালয়ে প্রবেশ

সেই পাঁচটি সুউচ্চ মেরু স্তম্ভকে ঘিরে তিন তিনটি আয়তকার গ্যালারী গড়ে তোলা হয়েছে। যাতে রয়েছে ভারতীয় পৌরানিক গ্রন্থ মহাভারত, রামায়ন, গীতা ও বেদের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য কাহিনী । এর মাঝে রাম রাবনের মাঝে যুদ্ধ । মহাভারতের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য ঘটনা সাথে পান্ডব আর কৌরবদের যুদ্ধ । আর পৌরানিক কাহিনী সমুদ্র মন্থন নিয়ে সৃষ্ট ভাস্কর্য্য যা আপনি এংকরভাটের গ্যালারীর দেয়ালের বাস রিলিফেই শুধু নয়, মন্দিরের প্রবেশ দ্বার থেকে এংকর নগরীর সর্বত্র এমনকি ক্যম্বোডিয়ার পুরনো নতুন প্রায় স্থাপনাতেও লক্ষ্য করবেন ।

গ্যালারীর দেয়ালে সারি সারি আঁকা এমন চিত্রাবলী

আর রয়েছে এংকরভাটের দেয়ালে দেয়ালে স্বর্গের শ্রেষ্ঠ নর্তকী অপ্সরার দুই হাজারেরও বেশি ভাস্কর্য্য । সেই মোহনীয় হাসিতে শুধু তখনকার দেবতারাই মোহাবিষ্ট হন নি , এখনো যে কোন পুরুষের হৃদয়ে ঝড় তুলতে সেই পাথরের নর্তকীর হাসি যথেষ্ট।


স্বর্গের বিখ্যাত নর্তকী অপ্সরার ভুবন ভোলানো হাসি

প্রায় ৫০০ একর অর্থাৎ ২০০ হেক্টর জায়গা জুড়ে মন্দির ,বেসিন , জলাধা্র, নহর সহ যোগাযোগের পথ নিয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে তা । বহু শতাব্দী জুড়ে এটাই ছিল খেমার রাজত্বের প্রান কেন্দ্র । সম্ভ্রম জাগানীয়া স্মৃতিস্তম্ভ , অসংখ্য প্রাচীন শহুরে স্থাপনা আর বিশালাকৃতির জলাশয় নিয়ে পড়ে থাকা এই স্থানটি ব্যতিক্রমী এক সভ্যতার চিহ্ণ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে যেন ।


এমনই জলবেষ্টিত এংকরভাটের এই ছবিটি নেট থেকে নেয়া ।

উনিশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে এক ফরাসী প্রকৃতিবিদ ও পর্যটক হেনরী মহুত তার লেখার মাধম্যে এই অনন্যসাধারন স্থাপত্যটি বিশ্বের দরবারে তুলে ধরেন। তার আগে যদিও অনেকের চোখে পড়েছিল কিন্ত প্রচার পায়নি। এরপর থেকে লাখো পর্যটকের পদশব্দে শত শত বছর ধরে ঘুমিয়ে থাকা এংকরভাট জেগে উঠে প্রতিদিন। এখান থেকে সুর্যোদয় আর সুর্যাস্ত দেখার জন্য মায়ানমারের বাগানের মতই সকাল সন্ধ্যা পর্যটকরা ভিড় করে আসে।

প্রবেশ পথ
পরদিন সকাল নটায় হোটেল থেকে আমাদের জন্য নির্ধারিত টুক টুক এসে হাজির । চালক মিঃ টোম আমাদের সাথী এবং গাইড হয়ে চললো শহরের প্রান কেন্দ্র থেকে ৬ কিমি উত্তরে সেই বিখ্যাত এংকরভাটের উদ্দেশ্যে । এংকর নগরীটিকে বর্তমানে ইনার সার্কেল আর আউটার সার্কেল দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে । এই ইনার সার্কেলেই রয়েছে পৃথিবীর অন্যতম এই আশ্চর্য্য এংকরভাট মন্দির ।


এংকরের সবগুলো স্থাপত্যেই আপনি লক্ষ্য করবেন এমন নান্দনিক শৈলীতে নির্মিত পিলার

কিছু দুর যেতেই শহরের মাঝেই বিশাল আঙ্গিনা সহ টিকিট কাউন্টার, যেখানে সাতটি কাউন্টার থেকে অত্যন্ত সুশৃংখল এবং নিয়মানুযায়ী দু ধরনের টিকিট বিক্রি হচ্ছে । এক থেকে ছয় নম্বর কাউন্টারে বিক্রী হচ্ছে তিনদিনের টিকিট যার দাম মাথাপিছু চল্লিশ ডলার। এই টিকিটে আপনি মোট তিনদিন এংকরভাট সহ এর আশে পাশে যতগুলো পর্যটন কেন্দ্র আছে সবখানে যেতে পারবেন। সাত নম্বর কাউন্টার থেকে সাতদিনের টিকিট ৮০ ডলার মনে হলো।


এখান থেকেই আপনাকে কেটে নিতে হবে এংকরের প্রবেশ পত্র

তবে ২০ /২৫ কিমি দূরে যেসব মন্দির বা স্থাপত্য রয়েছে তার জন্য সেখানে আলাদা টিকিট কাটতে হবে । ওহ আর মুহুর্তেই কাউন্টারের ক্যমেরায় তোলা ছবি টিকিটের মাঝেই ছাপা হয়ে যাবে। যেতে যেতে পথের মাঝেই গাড়ী থামিয়ে টিকিট চেক করে পাঞ্চ করে দিচ্ছে দিন তারিখ সহ । লিখে লিখে বিশাল এংকরভাটের এর বর্ননা দেয়া সত্যি অনেক কঠিন। তাই ছবিতে তাকে তুলে ধরার ব্যর্থ প্রয়াস করছি ।


তিন দিনের জন্য নির্ধারিত টিকিট।
নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রনের সুবিধার জন্য এক সময়ের চারটি প্রবেশ দ্বারের তিনটিই এখন বন্ধ । সেই সকাল বেলাতেই সুর্য্যি মামা যেন চটে উঠেছে , চারিদিকে ছড়িয়ে দিচ্ছে তার আগুনে নিশ্বাস। এরই মাঝে মাঝে হাজার হাজার পর্যটক ভর্তি বাস , আর টুকটুকে রাস্তা আর পার্কিং এলাকা সরগরম। আমরা গুটি গুটি পায়ে দুজন যাত্রা শুরু করলাম নব সংযোযিত এক বিস্ময় এংকরভাট এর মুল প্রবেশ পথের দিকে , মোহমুগ্ধ আমরা একটু একটু করে এগিয়ে যাচ্ছি আর চারিদিকে তাকিয়ে ভাবছি এত শত বছর আগেও মানুষ কেমন করে এমন নান্দনিক বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছিল ! আর তা দেখতে আমার সাথে থাকুন...................


ভারতীয় কিলক নকশায় তৈরী খিলানাকৃতি দরজা দিয়ে অবশেষে ভেতরে


এমন গলি গলি পথের বাহু চারিদিক দিয়ে যেন মূল মন্দিরকে ঘিরে রেখেছে


পুরনো উচু উচু পাথরের সিড়ির উপর কাঠের সিড়ি বানিয়ে দেয়া হয়েছে দর্শকদের সুবিধার জন্য । আপনাকে কিছু দেখার জন্য এমন সিড়ি বেয়ে ওঠা নামা করতেই হবে ।


বেশ কিছু চড়াই উৎরাই পেরিয়ে সেই বিস্ময়ের দ্বীতিয় ধাপের প্রধান কেন্দ্রে আসলাম ।


নীচের স্তরে মন্দিরের ঠিক মাঝখানে ছোট একটি কৃত্রিম জলাশয়


এমন কারুকাজ করা একটি তোরণ পেরিয়ে ভেতরের প্রাঙ্গনে আসলাম


বাদিকে ছোট কারুকাজ করা ঘর রয়েছে ।


এরপর রয়েছে সেই কল্পনার মেরু পর্বত শৃংগ


অনেকগুলো ধাপ পেরিয়ে একদম উপরে উঠতে হবে, তার প্রস্ততি


মাটি থেকে ২১৩ ফুট এই সর্বোচ্চ মন্দিরের চুড়া


এমন খাড়া সিড়ি বেয়ে বেয়ে একসময় উঠতো পুজারী আর ভক্তরা


উপরে ওঠার জন্য অপেক্ষায় সারিবদ্ধ আমরা ।


নিরাপত্তার জন্য এখন কাঠ আর রেলিং দিয়ে বানানো সিড়ি
এখানে বোঝা যাচ্ছে না তবে সেই ছোট ছোট আর অনেক ধাপের খাড়া সিড়ি দেখে অনেক সাহসীরও মুখ শুকিয়ে এসেছিল , তার মাঝে আমি অন্যতম ।

সর্বোচ্চ চুড়ায় পাথরের অপ্সরা


উপরের আঙ্গিনার দৃশ্য


সর্বোচ্চ চুড়ার মুল মন্দিরের বুদ্ধের মুর্তি


সব থেকে উপরে দাঁড়িয়ে নীচে সবুজ বনানীর মাঝে প্রাচীন এংকরের ভগ্নাবশেষ


এটাও উপর থেকে তোলা


উপর থেকে নীচের আঙ্গিনা


উপরের প্রাঙ্গনে নীচের মতই ছোট্ট এক কৃত্রিম জলাশয় যা এখন পানিশুন্য

আস্তে আস্তে আবার নেমে আসা । বেশ ভয় লাগছিল ওঠার সময় । অনেকে কিছুটা উঠেই চিৎকার করে নেমে গিয়েছিল । তবে নামাটা আরো কঠিন । আমি ভয়ে পেছন ফিরে নেমে আসলাম সেই ২য় আঙ্গিনায়।

দ্বিতীয় ধাপে নেমে এসে স্বস্তির নিঃশ্বাস


দ্বিতীয় ধাপের উপর থেকে চারিদিক ঘেরা গ্যালারীর দৃশ্য ।


নীচ থেকে গ্যালারী

লম্বা সেই গ্যালারী আর তাতে রয়েছে খোদাই করা ভাস্কর্য্য


প্রতিটি গ্যালারীর পাথরের দেয়ালে খোদাই করা হিন্দু পৌরানিক সব উপাখ্যান


সাত মাথা ওয়ালা নাগ রাজ বাসুকী যেন হাত নেড়ে আমাদের বিদায় জানালো শত শত বছরের পুরনো অসাধারন এক কীর্তি প্রত্যক্ষ করার পর
বৃহত্তম এই উপাসনালয়টি আবারো দৃষ্টিনন্দন করার জন্য ক্যম্বোডিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক প্রত্নতাত্বিক বিভাগ দিবারাত্র পরিশ্রম করে চলেছে । পলপটের সময় তৎকালীন সংস্কার কর্মীদের গুলি করে মেরেছিল খেমার রুজ বাহিনী, তবুও থেমে থাকেনি তাদের কাজ । তাইতো আজও মানুষ এংকরভাট দেখার জন্য ছুটে আসছে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে । যেমন আমরাও গিয়েছিলাম অনেক দিনের মন বাসনা পুরণের লক্ষ্যে ।

পরের গন্তব্যে সাথে থাকবেন সেই প্রত্যাশায় ।

১নং ছবি ও জলবেষ্টিত এংকরভাটের ছবিটি নেট থেকে নেয়া । বাকী সব আমাদের ক্যমেরায় তোলা ।

মন্তব্য ১৫০ টি রেটিং +৫১/-০

মন্তব্য (১৫০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:১৩

খেয়া ঘাট বলেছেন: বাংলার বতুতা, চলতে থাকুক আপনার পৃথিবী দেখার মুগ্ধতা।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:৩৯

জুন বলেছেন: অনেকদিন পর খেয়াঘাটকে দেখে দারুন খুশী হোলাম । শুভকামনা রইলো অনুকক্ষন আর পোষ্ট পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ।

২| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:১৬

প্রামানিক বলেছেন: মুগ্ধ হয়ে ছবি দেখলাম আর বর্ননা পড়লাম। আপনার ভ্রমণের তুলনা হয় না। সামনের পর্বের আশায় রইলাম। ধন্যবাদ জুন আপা।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:৫৩

জুন বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ প্রামানিক ভাই সব সময় সাথে থাকার জন্য :)

৩| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:২৩

টোকাই রাজা বলেছেন: অসাধারন বর্ননা ও চমৎকারসব ছবি, এক কথায় দারুন।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:২১

জুন বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ পোষ্টটি পড়ার জন্য টোকাই রাজা ।
সাথে থাকবেন আগামীতেও :)

৪| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:২৬

রিকি বলেছেন: অনবদ্য, অসাধারণ পোস্ট। পড়তে পড়তে যেন ঘুরে আসলাম। :)

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১:৩৭

জুন বলেছেন: একা দেখে কি ভালো লাগে রিকি ? তাই সব সময় চেষ্টা করি আপনাদেরও আমার সাথে ঘুরিয়ে আনতে ।
অনেক অনেক ভালোলাগা মন্তব্যে । সামনের পর্বেও সাথে থাকবেন আশা করছি :)

৫| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:২৮

লেখোয়াড়. বলেছেন:
মুগ্ধ। অসাধারণ!!

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৯:৩৬

জুন বলেছেন: আপনাকে মুগ্ধ করতে পেরেছি জেনে অনেক ভালোলাগা লেখোয়াড়।
শুভেচ্ছা সকালের।

৬| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:৪৯

রুদ্র জাহেদ বলেছেন: ঘুরে এলাম এংকরভাট।ছবি আর বর্ণনায় মুগ্ধ।অসাধারন বললেও কম হয়ে যাবে।
++++++

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:০৯

জুন বলেছেন: আপনাকেও আন্তরিক ধন্যবাদ পোষ্টটি পড়ার জন্য রুদ্র জাহেদ ।

৭| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:৫৮

সুলতানা রহমান বলেছেন: ছবিগুলো দেখে খুব ভাল লেগেছে। পাঁচমাথা ওয়ালা নাগরাজের ছবিটা অন্যরকম লাগছে।+

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:১৮

জুন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ সুলতানা রহমান , না পাঁচ মাথা নয় আপা , পরে গনে দেখলুম সাত মাথা :(
তাই ঠিক করে দিয়েছি আবার :)

৮| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:৫৯

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: মায়ানমারের 'বাগান' শহরের পর এবার কম্বোডিয়ার 'এংকরভাট'! এককথায় অসাধারণ! শুরুতে আলাদা করে ইতিহাস তুলে ধরে পরে ছবিব্লগের এই পোস্ট প্রযোজনা চমৎকার হয়েছে। এই জায়গাগুলোতে যাওয়া হয়ত হবে না, তবে আপনার ছবি আর লেখায় কিছুটা হলেও তো ঘুরে এলাম।

ইংরেজি নতুন বছরের শুভেচ্ছা রইল, ভালো কাটুক সারাটি বছর, ভ্রমণ আর আনন্দে।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:২৫

জুন বলেছেন: এবছরটিও ভালো কাটুক আপনার বোকা মনের মানুষ । আর যেন কিছু না হারিয়ে না যায় সেই কামনাই করি ।
পোষ্টটি ভালোলাগার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ , আগামীতেও সাথে থাকবেন সেই প্রত্যাশায় ।

৯| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:১০

আমি স্বর্নলতা বলেছেন: এংকরভাট সম্পর্কে জানতে পেরে ভাল লাগল। ছবি আর বর্ননায় মুগ্ধ।


০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:৫২

জুন বলেছেন: আমারো ভালোলেগেছে সেই সুদীর্ঘ এবং জটিল ইতিহাসের খানিকটা হলেও আপনাদের জানাতে পেরে আমি স্বর্নলতা ।
অনেক অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ।

১০| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:২১

রাতুল_শাহ বলেছেন: ইউরোপীয়, চৈনিক, জাপানি ও কোরিয়ানদের কিছু ছবি দিতেন।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:২৪

জুন বলেছেন: পোষ্টটি পড়া আর মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ রাতুল । বেশ কিছু দিন পর দেখে ভালোলাগলো :)
পরের পর্বে পর্যটকদের ছবি দেবো । সাথে থাকবে সেই প্রত্যাশায় :)

১১| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:২৫

মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন: পরীক্ষায় ফেল করলে আপনার খপর আছে জুন আপা। আমার যখন কোন রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় পড়ে ঠিক তখনই আপনি ১ টা কইরা মরার দাঙ্গা পোষ্ট দেন। কেমন কইরা যেন আমার চোখেও পড়ে। একবার পোষ্টে ঢুকলে আর রক্ষে নেই। শেষ না করে উঠার কোন উপায় নাই।

অবাক বিস্ময়ে ছবি গুলো দেখতেছিলাম আর ভাবিতেছিলাম আজ থেকে প্রায় ৮০০ বছর পূর্বে যখন পুরো কৌশল বা স্থাপত্য বিদ্যা নামক প্রথাগত প্রকৌশল বিদ্যা চর্চা শুরু হয় নাই তখন কি করে এই স্কেলের স্থাপত্য বানানো সম্ভব হয়েছিল। কাগজও নিশ্চয় তখন আবিষ্কার হয় নাই। ডিজাইন করা ও সেটা অনুসরণ করে নির্মাণ সম্পন্ন করা সম্ভব হলও?


০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:৫৭

জুন বলেছেন: মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন: পরীক্ষায় ফেল করলে আপনার খপর আছে জুন আপা। :-& আমার যখন কোন রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় পড়ে ঠিক তখনই আপনি ১ টা কইরা মরার দাঙ্গা পোষ্ট দেন। :-B
আরি বাব্বা এত মনযোগী পাঠক এখনো ব্লগে আছে !!
অসংখ্য ধন্যবাদ পোষ্টটি পড়ার জন্য মোস্তফা কামাল পলাশ আর ফেল করার আশংকায় আগাম দুঃখ প্রকাশ :`>

১২| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:৫৩

কাবিল বলেছেন: অসাধারণ!
ইতিহাস সহ ছবি গুলো চমৎকার।
ভাল থাকুন সব সময়।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:৫৮

জুন বলেছেন: আপনিও ভালো থাকুন কাবিল আর সাথে থাকুন সেই প্রত্যাশা থাকলো ।
নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানবেন :)

১৩| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১:১১

আহমেদ জী এস বলেছেন: জুন ,





এংকরভাটের জটিল ইতিহাস খুঁড়ে খুঁড়ে একজন প্রত্নত্বাত্তিকের মতো উন্মোচিত করে দিলেন নাজানা এক ইতিহাসের মৃৎপাত্র । সে পাত্রের গায়ে খচিত চিত্রাবলীর মতোই চিত্রিত করে গেছেন এ লেখাটিও বিরল ছবিতে ছবিতে । ইতিহাসের অমৃত সুধাও বাসুকীর মতো সমুদ্র মন্থন করে তুলে এনেছেন লেখার ষ্টাইলে ।

বহুদিন ধরে গাছ আর জঙ্গলে ঢেকে থাকা কম্বোডিয়া, যা ছিলো আমাদের চোখেরই আড়ালে তাকে আবার ঝকঝকে করে তুলে ধরলেন আমাদেরই পোড়া চোখের সামনে । পোড়া চোখ কেন বললুম ?
আপনার সকল ভ্রমন পোষ্টেই দেখি , মানুষ তার ইতিহাস ঐতিহ্যকে কি করে ধারন করে আছে ,তার বয়ান । অথচ এই পোড়ার দেশের হাযারো বছরের এতো এতো ইতিহাস যেন উপেক্ষিতই থেকে গেছে অনাদরে , অবহেলায় । দেশ ছেড়ে দূরে কোথাও গুটি কয়েক যে স্থানে গেছি সেখানেও দেখেছি ঐতিহ্যকে ধরে রাখার কি আপ্রান চেষ্টা । দর্শকদের মনের কোঠায় সে সবের স্মৃতি অম্লান করে রাখতে কি প্রচেষ্টাই না তাদের । কি সৌন্দর্য্যমন্ডিত সেসব । এখানে তা চোখে পড়েনা বলেই বলেছি – পোড়া চোখ !
“সিয়াম রেপ” নামটি শুনে মনে মনে বলি – ভিয়েতনামের চাম জাতির হাতে রেপ হ্ওয়া “সিয়াম রেপ” কে কম্বোডিয়াবাসী কি নান্দনিকতায় পূর্নবাসিত করেছে আর আমরা তো আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্যময় ইতিহাসকে প্রতি নিয়তই “রেপ” করে চলেছি ( দুঃখিত , এমন সুন্দর লেখায় এই শব্দটি ব্যবহারের জন্যে । ) শুদ্ধতায় তুলে আনতে পারিনি ।
প্রার্থনা থাক --- দেবতাদের আবাসস্থলের কল্পিত নির্মান এংকরভাটের মতোই একদিন অবহেলায় পড়ে থাকা আমাদের ঐতিহাসিক স্থানগুলোও দর্শকনন্দিত হোক ।

অনবদ্য এই পোষ্টটি অপ্সরার হাসির মতোই কালজয়ী হয়ে থাকুক ব্লগমন্দিরে ………..

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:৪৯

জুন বলেছেন: এংকরভাটের জটিল ইতিহাস খুঁড়ে খুঁড়ে একজন প্রত্নত্বাত্তিকের মতো উন্মোচিত করে দিলেন নাজানা এক ইতিহাসের মৃৎপাত্র । আপনার এমন কথার পর আর কথা থাকে না আহমেদ জী এস । আমি গর্বিত আপনার মত একজন বিদগ্ধ ব্লগারের মুল্যায়নে । তবে আমি তার উপযুক্ত কিনা তাই নিয়ে রয়েছে সন্দেহ ।
একদা ফ্রান্সের উপনিবেশ এই ক্যম্বোডিয়া তথা এংকর থেকে সবচেয়ে মুল্যবান প্রত্নতাত্বিক নিদর্শনগুলো নিয়ে আজ প্যারিসের মিউজিয়ামের শোভাবর্ধন করেছে । একটি জাতিকে তার ঐতিহ্যের স্মারক চিন্হ থেকে বঞ্চিত করেছে । ইউরোপীয়রা সারা জীবন লুটেরাই রয়ে গেল । এমনটি ঘটেছে বার্মা মিশর ছাড়াও এমন বহু বহু দেশের ক্ষেত্রেও আর সেই চৌর্য্যবৃত্তি পরিচালিত হয়েছিল তাদের দন্ডমুন্ডের কর্তা ইউরোপিয়দের হাতে ।
“সিয়াম রেপ” নামটি শুনে মনে মনে বলি – ভিয়েতনামের চাম জাতির হাতে রেপ হ্ওয়া “সিয়াম রেপ” কে কম্বোডিয়াবাসী কি নান্দনিকতায় পূর্নবাসিত করেছে আর আমরা তো আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্যময় ইতিহাসকে প্রতি নিয়তই “রেপ” করে চলেছি ( দুঃখিত , এমন সুন্দর লেখায় এই শব্দটি ব্যবহারের জন্যে । শুদ্ধতায় তুলে আনতে পারিনি ।
আপনার এই বক্তব্যের সাথে সম্পুর্ন সহমত পোষন করছি । প্রত্নতত্বের দিক দিয়ে অতটা না হলেও আমাদেরও যথেষ্ট ইতিহাস ঐতিহ্য রয়েছে । তবে এই মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তাদের দক্ষতা আর সততা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্নের অবকাশ রয়েছে ।
পুরনো কোন কিছু সংরক্ষন করা তাদের কল্পনার বাইরে । এ প্রসঙ্গে একটি কথা উল্লেখ না করলেই নয় । তা হলো আমার ছোট
বেলায় কুৎসিততম স্থাপনা ঢাকা যাদুঘর তৈরী্র সময় গেটের কাছে বহু পুরনো বৃটিশ বা তারো আগের একটি স্থাপত্য ছিল । সেই গোডাউন ডিজাইনের যাদুঘর বানাতে গিয়ে প্রথমেই সেটাকে ধুলিস্মাৎ করা হলো । এই হলো আমাদের মাথামোটা কর্মকর্তাদের কাজ । বালিয়াটির জমিদার বাড়ীর একটি বিল্ডিংকে চুনকাম করে অফিস বানিয়েছে। এমন বললে আরেকটি ইতিহাস লেখা হবে ।
সবশেষে বরাবরের মত এক অনাবদ্য মন্তব্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সাথে শুভেচ্ছা ।

১৪| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১:১২

আলোরিকা বলেছেন: |-) এইমাত্র ভ্রমণ শেষ করলাম - মাথা ঘুরছে আমার আবার সামান্য অ্যাক্রোফোবিয়া আছে :)

অসাধারণ ও অনবদ্য আপু ! +++++

জুনাপুর ভ্রমণ কাহিনী পুস্তকারে দেখতে চাই :)

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১:২২

জুন বলেছেন: জুনাপুর ভ্রমণ কাহিনী পুস্তকারে দেখতে চাই বলেন কি আলোরিকা :-*
পাঠক কৈ ?
আমারও মাথা ঘুরিয়েছিল ক্রমাগত ১ মাস ধরে ঘুরতে ঘুরতে :`>
মন্তব্য আর সাথে থেকে অনুপ্রেরনা দেয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ।

১৫| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১:১৫

নতুন বলেছেন: কতকিছু আছে দেখবার এখনো... Lara Croft: Tomb Raider এ প্রথম দেখেছিলাম...

যাইতে হবে একবার...

অসাধারন ছবি আর বন`নায় চমৎকার লাগলো।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৮:৫২

জুন বলেছেন: আমার পোষ্টটি আপনার নজর কাড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ নতুন। আপনার উল্লিখিত ম্যুভির মন্দিরটি আমি খুটিয়ে খুটিয়ে দেখে এসেছি যা আগামী পর্বে লিখবো যদি বেচে বর্তে থাকি। সাথে থাকবেন সেই প্রত্যাশায়। শুভেচ্ছান্তে।

১৬| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১:৫৮

সুমন কর বলেছেন: আপনার পোস্টগুলো সামুর বিশাল সম্পদ !! ইতিহাস তুলে ধরাটা আপনার পোস্টের প্রধান বিষয়। যা পরবর্তীতে সবার কাজে আসবে।

বিশ্বের আশ্চর্য্যতম স্থাপনার তালিকায় থাকা এংকরভাট সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে দেবার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

বর্ণনা আর ছবি মিলিয়ে দারুণ পোস্টে ভালো লাগা।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৮:৫৩

জুন বলেছেন: আপনার মন্তব্যে অনেক ভালোলাগা সুমন কর। বহুদিন সাথে আছেন, উতসাহ দিচ্ছেন তার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে।

১৭| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ২:২২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: গ্রেট!

অসাধারন!

বাসুকির বৃহত আকৃতি দেখে মনে মনে হাসলাম। এই বৃহত্তম রুপটা কি আসলেই বিরাজে?
যদি বলি তাই! ;)

আমাদের ভাবনার ক্ষেত্রগুলোও যেন সীমাবদ্ধ হযে যাচ্ছে। নয়তো কি সুবিশাল বিস্ময় অদৃশ্য তা যদি মানুষ জানতো- দৃশ্যমান ক্ষুদ্রতাকে অনেক আগেই বিসর্জন দিত :)

দারুন এক ভ্রমন করানোয় অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা। :)

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:৩৭

জুন বলেছেন: আপনিও যে সময় করে আমার লেখাটি পড়ে গেছেন তার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ বিদ্রোহী ভৃগু আপনাকে।
এই বাসুকী অর্থাৎ সমুদ্র মন্থনের মোটিফটি দিয়ে বানানো রেলিং ক্যম্বোডিয়ার সর্বত্রই দেখা যা।।
শুভকামনা রইলো আর আগামী পর্বেও সাথে থাকার প্রত্যাশায়।

১৮| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ২:২৭

রেজওয়ানা আলী তনিমা বলেছেন: অসাধারণ আপু। +++++++

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:৫৩

জুন বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ রেজোওয়ানা আলী তনিমা :)

১৯| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৩:০০

বঙ্গভূমির রঙ্গমেলায় বলেছেন:
অসাধারণ সব ছবির সাথে অসাধারণ বর্ণনায় অনেক কিছু জানা হল।

অনেক ধন্যবাদ আপু।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১০:১৭

জুন বলেছেন: আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ বংগভুমির রংগমেলায় আমার পোষ্টটি পড়ার জন্য।

২০| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:৫৬

কিরমানী লিটন বলেছেন: মন্ত্রমুগ্ধের বিস্ময় নিয়ে মনোযোগ দিয়ে পড়লাম। ছবিগুলো এংকরভাটের মহিমান্বিত ইতিহাসকে আরও জীবন্ত রূপ দিয়েছে। চমৎকার পোষ্টের জন্য প্রিয় জুন আপুকে আবারও অভিবাদন। নতুন বছরে আপনার পোস্ট আমাদের মুগ্ধতাকে ছাপিয়ে যাক, এই কামনা সতত। শুভ নববর্ষ ...

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১১:০১

জুন বলেছেন: অনেক অনেক ভালোলাগা রইলো মন্তব্যে কিরমানী লিটন। নিয়ত উতসাহিত করে যাবার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ জানবেন। শুভ কামনা ও শুভ নববর্ষ আপনার জন্যও।

২১| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:৫৭

দিশেহারা রাজপুত্র বলেছেন: অসাধারণ একটা পোস্ট আপু। অনেক অনেক ভালো লাগা। যেন নিজেই ঘুরে এলাম এংকরভাট।

তোমার বর্ণনাভঙ্গি অসাধারণ।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৯:১৫

জুন বলেছেন: অনেক অনেক ভালোলাগার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ দিশেহারা। সকালের।শুভেচ্ছা রইলো :)
মন্তব্যের উত্তর দিতে দেরীর জন্য অত্যন্ত দু:খি।।

২২| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৫:৩৯

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: বিশ্বের আশ্চর্য্যতম স্থাপনার তালিকায় থাকা এংকরভাট সম্পর্কে বিস্তারিত জানলাম আপনার লেখায়!!!
একটা ছবি থেকে যেন আরেকটা ছবি বিস্ময়ক!!!!
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু!!!!!

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৯:১৮

জুন বলেছেন: কামরুন্নাহার বিথী প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি উত্তর দিতে দেরী হয়ে যাবার জন্য। আপনি যে অত্যন্ত মনযোগের সাথে আমার লেখাটি পড়ে আন্তরিক এক মন্তব্য করেছেন তার জন্য অশেষ ধন্যবাদ। সামনেও সাথে থাকবেন সেই প্রত্যাশী। সকালের একরাশ ফুলের শুভেচ্ছা আপনার জন্য :)

২৩| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:১২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন:

হিন্দু পুরানের নাগ রাজ বাসুকী যার সাহায্যে দেবতা আর অসুর অমর হওয়ার জন্য সমুদ্র মন্থন করে অমৃতের ভান্ড তুলে এনেছিল ।
কিশোর কুমারের এক গানে কথা কয়টি ছিল ।
''সমুদ্র মন্থনে উঠে অমৃতেরও ভাণ্ড
তাই নিয়ে দেবাসুরে তুলকালাম কাণ্ড!''

অনেক্ষন ধরে পড়ছি আর দেখছি ।
ছবিগুলি ছিল অসাধারণ ! আর আপনার বর্ণনাশৈলী অতুলনীয় ।

ক্যাম্বোডিয়া ভ্রমণ নিয়ে আপনি একটা বই লিখুন , যা হবে বাংলা ভ্রমন সাহিত্যের এক সম্পদ ।

শুভ কামনা জানবেন , নতুন বছরের শুভেচ্ছাতো রইলই ।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৯:৩৪

জুন বলেছেন: গিয়াসলিটন প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি অনাকাংখিত দেরীর জন্য। আমাকে নিয়ে আপনার প্রত্যাশা অর্থাৎ বই লেখার কথা শুনে খুবই খুশী হোলাম। সাথে থাকবেন পরের পর্বগুলোতেও আশাকরি

আর অমৃত মন্থন নিয়ে আমার একটি পোষ্টই আছে অমৃতের স্বাদ নামে যাতে আছে এর পুরো কাহিনী।
শুভকামনা ও নববর্ষের শুভেচ্ছা রইলো আপনি ও আপনার পরিবারের সবার জন্য।

২৪| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:১৫

ডট কম ০০৯ বলেছেন: আমার ও ইচ্ছে করে এমনভাবে ঘুরতে।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৯:৩৬

জুন বলেছেন: আল্লাহ আপনার মনের ইচ্ছে পুর্ন করুক সেই কামনা করি ডট কম ০০৯।
মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২৫| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:০৪

সাহসী সন্তান বলেছেন: ছবি বর্ননা আর আমার জুনাপু তিনটা তিনদিক থেকেই অসাধারন! জুনাপুর নিপুণ হাতের কিবোর্ডের ছোঁয়ায় সেটা যেন আরো বেশি প্রাণোবন্ত হয়ে উঠেছে! চমৎকার একটা ইতিহাস সমৃদ্ধ পোস্ট আপু! অনেক ভাল লাগলো! এক একটা ছবি যেন এক একটা ইতিহাস!


প্রথমে পাঠ, পরে প্লাস, তারপর মন্তব্য না করে আর পোস্ট থেকে বের হতেই পারলাম না! শুভ কামনা আপু!

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:৩২

জুন বলেছেন: সাহসী এত সুন্দর আর অনুপ্রেরণা দিয়ে করা মন্তব্যটির উত্তর দিতে দেরী হওয়ার জন্য অনেক দু:খিত আমি :(
পোষ্টটি পড়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানালাম। অনেক অনেক ভালো থেকো আর সাথে থেকো বরাবরের মতই :) শুভেচ্ছা সকালের

২৬| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:২০

মিলন হোসেন১৫৮ বলেছেন: ভালো লাগলো

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:৩৪

জুন বলেছেন: এত্তটুকু ভালোলাগার জন্য অনেক অনেক ভালোলাগা মিলন হোসেন ১৫৮ :)
সাথে থাকবেন সেই প্রত্যাশায়

২৭| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৪৯

রক্তিম দিগন্ত বলেছেন: সম্পূর্ণ ইতিহাস পড়লাম অ্যাংকরভাটের। পোষ্ট পড়ার পর আমার অনুভূতি এইটাই।

আসলেই অনন্য - অসাধারণ। পোষ্টটা বেশি ভাল লেগেছে - কারণ হল, লিখতে গেলে আমার ঐতিহাসিক স্থানগুলো নিয়ে কাহিনী আগানোর ইচ্ছা হয়। নেটে ঘেটে ঘেটে পাওয়া গেলেও - একই জায়গায় সব থাকে না। অনেক ঘাটতে হয়। এত সময়ও নাই।

জুন আপুর পোষ্ট গুলো আমাকে এইদিক দিয়ে বাঁচিয়ে দিচ্ছে। বিস্তারিত তো এখানেই। আর আমার কষ্ট করার দরকার কী!! B-)

প্রিয়তে রেখে দিলাম পোষ্টটা আপু। :)

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:৪৬

জুন বলেছেন: ভালোলাগা সাথে প্রিয়তে রাখার জন্য আনন্দিত হোলাম রক্তিম দিগন্ত।। যদিও আরো অনেক অনেক বিশাল বৈচিত্রময় এর ইতিহাস আর তা লিখে আমি পাঠকের ধৈর্যচ্যুতি ঘটাতে চাইনি।
সাথে আর পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা সতত।

২৮| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৮:০৬

ইমরাজ কবির মুন বলেছেন:
আমার নেট কানেকশান খারাপ, সেজন্য ১ম দিকের কিছু ছবি লোড হয়নাই।
শেষের ৩৫টার মতো ছবি দেখতে পারলাম, খুব সুন্দর! :)

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:২১

জুন বলেছেন: বহুদিন ধরে পাশে থেকে উতসাহিত করে যাচ্ছেন ইমরাজ কবির মুন, তার জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা।
এখন কি দেখতে পেয়েছেন প্রথম দিকের ছবিগুলো?
মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা রইলো।

২৯| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৮:৩৭

কিবরিয়াবেলাল বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর !

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:২৬

জুন বলেছেন: স্বাগতম আমার ব্লগে কিবরিয়াবেলাল। আর পোষ্ট পড়া ও মন্তব্যের জন্য ও অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। সামনেও সাথে থাকুন।

৩০| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৮:৪০

ধমনী বলেছেন: পড়লুম। মুগ্ধ হলুম। দালানের ঢালাই গুলো ঢেউটিনের ছাচের মতো কেন??

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:৫৫

জুন বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ধমনী। পানি পড়ার সুবিধার জন্য হয়তো এমন ঢেউটিনের ডিজাইন। তবে স্থাপত্যে এই নকশাটি ওই অঞ্চলে বহুল প্রচলিত।
আগামীতেও সাথে থাকবেন সেই প্রত্যাশায়।

৩১| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৮:৪৪

প্রোফেসর শঙ্কু বলেছেন: ওয়াও, চোখ ভরে দেখলাম। কি সুন্দর!

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:৫৩

জুন বলেছেন: তাই নাকি প্রফেসর চোখ ভরে দেখলেন তাও আবার লেখা আর ছবি! অনেক ভালোলাগা রইলো মন্তব্যে। সাথে থাকুন :)

৩২| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৮:৫০

আজমান আন্দালিব বলেছেন: আপনার চোখেই ঘুরে এলাম এংকরভাট। দারুণ ভালোলাগা।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:৫৫

জুন বলেছেন: বাব্বাহ দারুন ভালোলাগার কথা শুনে আমারও দারুন ভালোলাগলো আজমান আন্দালিব। বেশ কিছুদিন পরে মনে হয় ব্লগে আসলেন। যাই হোক সেই মহিমান্বিত সৌধের খুব একটা কিছু তুলে ধরতে পেরেছি কিনা বুঝতে পারছি না। শুভেচ্ছা জানবেন নতুন বছরের।

৩৩| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৮:৫১

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট এংকর ভাটকে নিয়ে অনবদ্য পোস্টির জন্য অভিনন্দন.... জুনাপা!

ছবি দিয়েও এত বিস্তারিত বলেছেন যে, তাতে নতুন পুরাতন সকলের কৌতূহল মিটবে।

পাঠককে বিদেশ ভ্রমণের স্বাদ দেবার জন্য আপনি অনেক শ্রম দিয়েছেন..... :)

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:৩৪

জুন বলেছেন: মাইনুদ্দিন মইনুল প্রথমেই দু:খ প্রকাশ করছি দেরী করে মন্তব্যের উত্তর দেয়ার জন্য।
আসলে এংকরভাট এখন শুধু ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের আওতাভুক্ত ই নয়, বিশ্মের অন্যতম বিস্ময় হিসেবেও অন্তর্ভুক্ত।
সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ভালোলাগা। আগামি পর্বেও সাথে থাকবেন বলে প্রত্যাশায়।
শুভেচ্ছা সকালের।

৩৪| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:২২

সকাল রয় বলেছেন: অসাধারণ!
দারুন মুগ্ধ চোখে দেখে নিলাম

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:৪৫

জুন বলেছেন: পোষ্টটি দেখার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ সকাল।
অনেক শুভকামনা রইলো।

৩৫| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:৩৮

কালীদাস বলেছেন: এশিয়ান মিডলএজের আগের স্ট্রাকচারগুলায় কিছুটা হইলেও মিল দেখা যায়।
পোস্ট মাশাল্লাহ সেরকম হইছে :)
আপনার পোস্টগুলা দেইখা সাহস কইরা হয়ত আমিও একদিন ভ্রমণপোস্ট দিয়া ফেলতে পারি B-))

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:৪৯

জুন বলেছেন: জী কালীদাস আপনি সঠিকই ধরেছেন। সে সময় চীনা নকশায় প্রভাবিত ওই এলাকাটিতে এই স্থাপত্যকলাগুলো কিন্ত ভারতীয় নকশার আদলে তৈরী হয়েছিল তবে তা পুরোপুরি নয়। এতে খেমার স্থাপত্যকলারও মিশেল রয়েছে।
তাড়াতাড়ি দিয়ে দিন, আমরা একটু পড়ি :)
আমার পোষ্ট পড়ে অনুপ্রেরণা দেয়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। সাথে থাকুন আর শুভেচ্ছা রইলো।

৩৬| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:৪০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু আপনার সাথে আমিও ঘুরে এলাম :)

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:৩৪

জুন বলেছেন: আমার সাথে ঘুরে আসার জন্য অনেকগুলো ভালোবাসা রইলো মনিরা :) শুভ কামনা রইলো আর সাথে থাকবে আগামী পোষ্টগুলোতেও তার প্রত্যাশায় :)

৩৭| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:৫৫

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: এই ইতিহাস জানা ছিলো না । অাপনার কাছ থেকেই প্রথম জানলাম । বর্ণনা এক কথায় অসাধারণ! ছবিগুলোও বেশ!

(অাপনার কাছ থেকে অারো নিয়মিত ইতিহাস বিষয়ক পোস্ট অাশা করি । অাপনি ইতিহাসের ছাত্রী ছিলেন, অাপনার বোঝার এবং বোঝানোর ক্ষমতা সন্দেহাতীতভাবে অসাধারণ ।)

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:৪২

জুন বলেছেন: অাপনার বোঝার এবং বোঝানোর ক্ষমতা সন্দেহাতীতভাবে অসাধারণ
এমন প্রশংসার জন্য কি বলে যে ধন্যবাদ দেবো ভেবে পাচ্ছি না রূপক বিধৌত সাধু । আসলে অসাধারন বলে কিছু নয়, আমি সাধারনত সহজ সরল এবং সবার বোধগম্য হয় সে ভাবে লিখতে চেষ্টা করি । ইচ্ছে করেই কোন ভারী শব্দ বা বাক্য ব্যবহার করি না কারন সেই ভারে আমার লেখাটাও মুখ থুবড়ে পরতে পারে ।
যাই হোক লিখছি যা চোখে দেখে এসেছি , সাথে থাকবেন পরের পর্বগুলোতেও সেই প্রত্যাশা রইলো । শুভেচ্ছান্তে ....

৩৮| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১০:৩৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর +।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:৪৭

জুন বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ এক কবির ভালোলাগায় :)

৩৯| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৮:৪৬

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: এমন সব দেখলে মনটা মানেনা, ইচ্ছে করে ছুটে যাই এমন সৌন্দর্য্য পানে।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:৫১

জুন বলেছেন: এমন সব দেখলে মনটা মানেনা, ইচ্ছে করে ছুটে যাই এমন সৌন্দর্য্য পানে।
ঠিকই বলেছেন সাদা মনের মানুষ । তবে আধুনিক আর চাকচিক্যময় কোন শহর দেখার চেয়ে ঐতিহ্য আর প্রকৃতি আমাকে বেশী টানে ।
অনেক অনেক ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য । সামনের দিনগুলোতেও থাকবেন সেই প্রত্যাশায় ।

৪০| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৯:৪৫

শোভন শামস বলেছেন: এক কথায় অসাধার।আপনার চোখেই ঘুরে এলাম এংকরভাট। দারুণ ভালোলাগা +++

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:০৫

জুন বলেছেন: অনেকদিন পর আপনাকে দেখে ভালোলাগলো শোভন শামস । আশা করি ভালোই ছিলেন ।
আমার লেখাটি আপনার কাছে ভালোলেগেছে জেনে আন্তরিক ধন্যবাদ । সামনের পর্বগুলোতেও সাথে থাকবেন আশা করি ।

৪১| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:৪৩

মহান অতন্দ্র বলেছেন: খুব সুন্দর উপস্থাপন আমি বলব যেন আমি ঘুরেই এলাম। ভালা লাগা রইল।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:২৪

জুন বলেছেন: মহান অতন্দ্র বলেছেন: খুব সুন্দর উপস্থাপন আমি বলব যেন আমি ঘুরেই এলাম।
আমার চোখে খানিকটা হলেও দেখেছেন জেনে অনেক ভালোলাগলো মহান অতন্দ্র ।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে পোষ্টটি পড়া ও মন্তব্যের জন্য ।

৪২| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:১৭

কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:



জোশ !!! পোষ্ট। +++++++++++++++++++++
জীবনে কী কোনদিন এইখানে যাওয়া হবে আদৌ :( :( :(

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:২৬

জুন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ কান্ডারি সাথে থেকে উৎসাহিত করার জন্য । নাইবা হলো যাওয়া , আমার চোখে আর লেখায় কিছুটা হলেও তো জানা হলো :)
আগামী পর্বেও সাথে থাকার প্রত্যাশায় ।

৪৩| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:৪৬

রাতুল_শাহ বলেছেন: চৈনিক, জাপানি ও কোরিয়ানদের কিভাবে চিনবো, সেটাও কিন্তু বুঝাইয়া লিখবেন।
তাদের সহজে পার্থক্য করা যায় না।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১:০২

জুন বলেছেন: আমিও চিনিনা রাতুল , তবে গাইড বল্লো এরা চাইনীজ এরা জাপানি এমন :)
আচ্ছা চেষ্টা করবো সর্বাত্মক ।
মন্তব্য আর সাথে থেকে উৎসাহিত করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ।

৪৪| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১:১৪

নাজমুল হাসান মজুমদার বলেছেন: আপু পোস্টে +++++++++++++++++্


অনেক সুন্দর

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১:১২

জুন বলেছেন: বাব্বাহ এত্তগুলি প্লাস কই রাখি নাজমুল হাসান মজুমদার :)
অসংখ্য ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ।

৪৫| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১:১৬

অগ্নি সারথি বলেছেন: অসাধারণ পোস্ট।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১:১৩

জুন বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ অগ্নি সারথি । সাথে থাকবেন আগামী পর্বগুলোতেও ।
শুভকামনা .।।।

৪৬| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ২:৩৭

রাবার বলেছেন: অজানা এক ইতিহাস জানা গেল আপনার লেখায় আপু। অনেক ভালোলাগা দিলাম।
++++++++++

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৩:৩০

জুন বলেছেন: ভালোলেগেছে জেনে আমারও অনেক অনেক ভালোলাগলো রাবার। সাথে থাকুন আগামী পর্বেও :)

৪৭| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:২৪

মামুন রশিদ বলেছেন: অসাধারণ!

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৩:৩২

জুন বলেছেন: ব্লগে অনেক মিস করি মামুন রশিদ নামে এক দারুন একটিভ ব্লগারকে। আশাকরি অনেক অনেক ভালো আছেন। আর মন্তব্য আর ভুলে না যাওয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ

৪৮| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:১০

গেম চেঞ্জার বলেছেন: অবশেষে আবিষ্কৃত হইলো।
এখন পর্যন্ত দেখা সেরা ব্লগ পোস্ট(২০১৬)। একই সাথে অন্যতম সেরা ছবিব্লগ সামুর ইতিহাসে(আমার বিচারে)।

এই এংকরভাট দেখার স্বাদ জাগছে। এই বছরই দেখার জন্য প্লান রেডি করতে হবে। আপনার দেয়া ছবিগুলো দেখে আগ্রহটা যেন চুই চুই করছে। :)

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:০৮

জুন বলেছেন: কি আবিস্কৃত হলো গেম চেঞ্জার ! এংকরভাট ? হু বহুদিন ঘুমিয়ে ছিল লোক চক্ষুর অন্তরালে ।
ঘুরে আসুন সময় করে । অবশ্যই মোহাবিষ্ট হবেন আমার মতই ।
অনেক অনেক ধন্যবাদ এমন একটি অনুপ্রেরনায় ।
ভালো থাকবেন আর সাথে থাকবেন আগামীতে ।
শুভেচ্ছান্তে ।

৪৯| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১০:০৯

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: প্রিয় জুনাপা, অনবদ্য একটি পোস্ট! অনেকেই ঘুরতে যায়, তবে আপনার সাথে অনেকের পার্থক্য হচ্ছে, সবাই ঘুরে আসার গল্প সার্থক ভাবে অন্যদের শোনাতে পারে না, আপনি তা পারেন। আপনার বর্ণনায় যে কত স্থানে ঘুরেছি, তা হিসেব করতে পারব না। প্রার্থনা করি আপনি যেন এমন আরো ঘোরাঘুরির সুযোগ পান আর যারা পায় নি, তারা যেন অন্তত আপনার লেখা পড়ে ঘুরে আসতে পারে।

শুভেচ্ছা জানবেন। এই পোস্টটি ফেসবুকে শেয়ার করা হয়েছে।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:২১

জুন বলেছেন: কাল্পনিক অসংখ্য ধন্যবাদ পোষ্টটি শেয়ার করার জন্য । আর এত সুন্দর একটি মন্তব্যে সত্যি দারুন অনুপ্রানিত হোলাম । মাঝে মাঝে না লেখার যে একটা বাসনা তৈরী হয় তা এমন কথায় কোথায় জানি মিলিয়ে যায় ।
অনেক অনেক শুভকামনা রইলো আর সাথে থাকার প্রত্যাশায় ।

৫০| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১১:২১

মুরশীদ বলেছেন: মনে রাখার জন্য প্রিয়তে রাখলাম । ছবির সাথে ছবির মতই ভেসে উঠলো সেই বিশাল মনমুগ্ধকর বিস্ময়কর স্থাপত্যের নিদর্শন ++

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:৪৩

জুন বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ । সাথে থাকুন

৫১| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১১:২২

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: ছবির সাথে বর্ননায় অজানা একটি দিক উন্মোচিত হলো আমার জন্য।। আপনার বেড়ানো আর অন্যের বেড়ানোর তফাৎ এখানেই।।
বাইরের পৃথিবী তাদের ঐতিহ্য যেখানে ধরে রাখে সেখানে আমরা ধ্বংশই করতে পারি।। যেন মাত্রই আমাদের জন্ম!!
অথচ কি না আছে আমাদের??

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:৪৭

জুন বলেছেন: বাইরের পৃথিবী তাদের ঐতিহ্য যেখানে ধরে রাখে সেখানে আমরা ধ্বংশই করতে পারি।। যেন মাত্রই আমাদের জন্ম!!
দারুন সত্য কথা বলেছেন সচেতনহ্যাপী । প্রতিটি জিনিস আমরা নিজের হাতে ধ্বংস করি তার অনেক উদাহরন আমি দিতে পারতাম , তবে আর ভালোলাগে না বার বার বলতে । শুধু সুন্দরবনকেই দেখেন কয়েকটি বছরের মধ্যে আমরা কি করে ফেলেছি সেই অপরুপ বনভুমিকে ।
সাথে থাকা আর মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই । শুভকামনা রইলো সামনেও সাথে থাকবেন সেই প্রত্যাশাও রইলো ।

৫২| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ২:২১

ব্লগার মাসুদ বলেছেন: ভালো লাগল ছবিগুলো এবং সাথে এর বর্ণনা । ।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:৪৮

জুন বলেছেন: আপনার ভালোলেগেছে জেনে আমারও অনেক ভালোলাগলো ব্লগার মাসুদ । আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন ।

৫৩| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১১:৩৩

আবু শাকিল বলেছেন: বিশ্বের আশ্চর্য্যতম স্থাপনার তালিকায় থাকা এংকরভাট আপনার পোষ্টের মাধ্যমে দেখা এবং জানা হল । আপনার যতগুলা আমি ভ্রমণপোষ্ট পড়েছি ।পড়ে শুধু মগ্ধ হয়েছি ।এত নিখুঁত চমৎকার ,বর্ণনায় সাধারন কিছু শিল্পের মর্যাদায় নিয়ে যান ।আজকেরটা ত ইতিহাসই ।পড়ে এবং দেখে আবারো মুগ্ধ হয়েছি ।
আপনার ভ্রমণ যখনি পড়ি ইচ্ছে হয় -সেখানেই ছুটে গিয়ে আপনার মত নিখুঁত ,বর্ণনায় সব কিছু তুলে আনি ।সেটা অবশ্য এখন সম্ভব না। তবে একদিন ঠিকই আপনার মত করে তুলে আনব। ভ্রমণ পোষ্ট যদি লেখি অনুপ্রেরণায় আপনি ই থাকবেন ।

সামনের গুলিতে সুস্থ এবং সুন্দর জীবন কামনা করছি ।ভাল থাকবেন ।ধন্যবাদ জুনপু ।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৯:২০

জুন বলেছেন: এত সুন্দর একট মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ আবু শাকিল। আমার প্রতি আপনার এত খানি আস্থায় আমি কৃতজ্ঞ।
আপনিও ভালো থাকুন অনেক অনেক আর গত বছরের সকল ব্যর্থতা পিছে ফেলে এগিয়ে যাবেন সেই শুভকামনাই রইলো এই ২০১৬ তে।

৫৪| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:০৭

অশ্রুত প্রহর বলেছেন: ছবি এবং তার সাথে বর্ণনা্‌,,, অসাধারণ আপু। :) তবে বিষয়টি এই যে সবাই এতটা ঘুরাঘুরির সুযোগ পায়না। সুযোগ না পাওয়া সত্ত্বেও আপনার পোস্টগুলো দেখে কল্পনার মাঝে ঘুরে আসা যায়। :P

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৯:২৫

জুন বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য অশ্রুত প্রহর।
অনেক ভালো থাকবেন সাথে থাকবেন সেই প্রত্যাশায় :)

৫৫| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:০৩

তানজির খান বলেছেন: জুন আপু, অসাধারণ পোস্ট। অনেক না জানা, জানা হল। ক্যামেরার ফ্রেমের সাথে কলমের খুব ভাল বোঝাপড়া হয়েছে। অনেক ক্ষণ ধরে ছবির দিকে তাকিয়ে আছি। খুব ভাল লাগা রেখে গেলাম। শুভ কামনা রইল ।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৯:২৮

জুন বলেছেন: তানজির খান অসাধারনকি না জানি না, তবে নীচ চোখে যা দেখেছি, আমাদের গাইড সহ বিভিন্ন সুত্র থেকে যা তথ্য পেয়েছি তাই আপনাদের সামনে জোড়াতালি দিয়ে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি মাত্র। আপনাদের কাছে গ্রহনযোগ্য হলে তবেই আমার চেষ্টা স্বার্থক বলে ভাববো।
অনেক অনেক শুভকামনা রইলো আপনার জন্য, সাথে থাকবেন সেই প্রত্যাশায়।

৫৬| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:২৭

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন: আপনার এতসব কারুকার্য্যময় কাজকর্ম দেখে বিস্মিত হতে হয় । বর্ণনা এবং দৃষ্টিনন্দন ছবির মূর্ছনায় ইতিহাস পাঠ একটা বিনোদনে পরিনত করেছেন আপনি, যেখানে ইতিহাস ছিল ইরিটেটিং সাবজেক্ট !!!

অসাধারণ মুদ্ধতায় অনেক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা ।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:২৩

জুন বলেছেন: আপনার কবিতার মতই কাব্যিক আপনার মন্তব্য কথা কথিকেথি কথন। অনেক অনেক ভালোলাগা আপনার মন্তব্য পেয়ে। শুভকামনা রইলো সাথে আগামী পর্বগুলো দেখার আমন্ত্রন।

৫৭| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৫৪

দ্বিতীয় আমি - আমার ভিতরের লুকায়িত মানুষ বলেছেন: অনেএএএএএএএএএএক লম্বা পোষ্ট। পুরোটা পড়িনি, তবে ছবিগুলো দেখেছি। ভালো লাগলো।
অসাধারন পোষ্ট +++++ :)

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:২৬

জুন বলেছেন: সাদর আমন্ত্রন রইলো আমার ব্লগে ভাই। জী অনেক লম্বা পোষ্ট পড়তে কষ্ট হওয়ার জন্য আন্তরিক দু:খিত। কিন্ত লেখা তো কমই, কারন ঐতিহাসিক তথ্য উপাত্তের অভাব তাই ছবিই বেশি :)
অনেক অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য আর সাথে থাকবেন আশা করি।

৫৮| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১০:২২

সিদ্ধার্থ. বলেছেন: "প্রায় ৪০০ বর্গ কিলোমিটার অর্থাৎ ২০০ হেক্টর জায়গা জুড়ে অসংখ্য মন্দির ,বেসিন , জলাধা্র, নহর সহ যোগাযোগের পথ নিয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে তা ।"

এটা ৪০০০০ হেক্টর হবে ।


"ডু বিফোর ডাই " লিস্টে আংকর ভাট কে রেখে দিলাম ।

এরকম একটা পোস্ট দেবার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:৫১

জুন বলেছেন: সিদ্ধার্থ আমি এই পোষ্টটি দিয়ে মনে মনে আপনাকে দারুন ভাবে খুজছিলাম। কারন আপনি আমার এর আগের পোষ্টে এ ব্যপারে জানতে চেয়েছিলেন।
ভাই আপনি বলার পর আমি অনেক বার নেটে সার্চ দিয়ে দেখেছি এংকর ভাট এর আয়তন ২০০ হেক্টর। আপনি কি পুরো সিয়ামরেপের আয়তনের কথা বলছেন কি কাইন্ডলি একটু তাড়াতারি জানাবেন। আমি কনফিউশনে আছি।
আর মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভকামনা

৫৯| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:০৭

ঢাকাবাসী বলেছেন: খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ছবিগুলো দেখতেই তো দিন কাবার! কি সুন্দর সব ছবি আর কি বর্ণনা! মাথা খারাপের যোগার! যেতে পারব কিনা জানিনা, কারণ ঠিক আমার মত বাঙালী পর্যটকের রাস্তায় কাম্বোডিয়া পড়ে কিনা বলতে পারছিনা। আর্ধেক ভোজনতো (ভ্রমন) আপনার পোস্ট পড়েই হয়ে গেল, দেখি কি করা যায়। অনেক ধন্যবাদ।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৮:০৭

জুন বলেছেন: এত মনযোগ দিয়ে দেখেছেন জেনে অনেক খুশি হলুম ঢাকাবাসী।
আপনাদের জন্যই লেখা, আপনারা পড়ছেন অনেক ভালোলাগলো। অসংখ্য ধন্যবাদ। ক্যম্বোডিয়া
সফরের আরো দু এএকটি পর্বে সাথে থাকবেন বলেই প্রত্যাশী।
শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।

৬০| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ২:২৭

সিদ্ধার্থ. বলেছেন: না , আমি এই ব্যাপারে বেশি কিছু জানি না ।আপনার পোস্ট থেকেই যা জানার জেনেছি ।

আসলে ১ বর্গ কিলোমিটার মানে ১০০ হেক্টর ,ওই হিসাব থেকে আমি ওটা লিখেছি ।

তাই ৪০০ বর্গ কিলোমিটার মানে তো ৪০,০০০ হেক্টর হওয়া উচিত ।


অ .ট -নেপালে এভারেস্ট এর কাছে কোনো হেলিকাপ্টার রাইড আছে ?যা বিশেষ বিশেষ শৃঙ্ঘগুলির উপর দিয়ে যায় ? যদি আপনার জানা থাকে তবে দয়া করে ভাড়াটাও জানাবেন । অগ্রিম ধন্যবাদ ।

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:১৮

জুন বলেছেন: ওহ আচ্ছা ঠিক আছে সিদ্ধার্ত্থ আমি ৫০০ একর অর্থাৎ ২০০ হেকটর করে দিলাম ।
আশ্চর্য্যজনক ব্যপার হলো আমি মোটামুটি পুরো ইন্ডিয়া ভুটান বার্মা থাইল্যন্ড সহ অনেক দেশে গিয়েছি কিন্ত নেপাল যাওয়া হয়নি । কারন আমার হাজবেন্ড কেন জানি পাহাড় পছন্দ করে না :(
তাই বলতে পারছিনা বলে অত্যন্ত দুঃখিত ।

৬১| ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৩:০০

এহসান সাবির বলেছেন: শত শত বছরের পুরনো অসাধারন কিছু কীর্তি আপনার পোস্টের মাধ্যমে প্রত্যক্ষ করবার সুযোগ ঘটল।

চমৎকার।


শুভেচ্ছা আপু।

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৫০

জুন বলেছেন: আমারও অনেক ভালোলাগছে আপনাদের সাথে এ সব তথ্য ভাগাভাগি করে নিতে এহসান সাবির ।
সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আগামীতেও সাথে থাকার প্রত্যাশায় ।
শুভকামনা রইলো ।

৬২| ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১১:৫০

বন্ধু তুহিন প্রাঙ্গনেমোর বলেছেন: আপনার চোখে অসাধারন এক কীর্তি প্রত্যক্ষ করলাম। ধন্যবাদ আপু।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:২৬

জুন বলেছেন: এত সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ তুহিন।
নব বর্ষের শুভেচ্ছা :)

৬৩| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:৫৬

সায়েদা সোহেলী বলেছেন: জুন আপু তোমার ব্লগে এলেই আমার হিংসা আর দুঃখ দুইটা একসাথে এট্যাক করে :(

আর চোখে মুগ্ধতা + ++ + ++ ++

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:১১

জুন বলেছেন: পোষ্টে আসার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ সোহেলী। আগামী দিনগুলোতেও পাশে থেকে উতসাহ দেবে সেই প্রত্যাশায় :)

৬৪| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:৩৩

সোহানী বলেছেন: ওফ দারুনতো.... আপনি আর বোকা ভাই বহুত জ্বালাচ্ছেন.... এই সব ছবি দেখিয়ে লোভ ধরিয়ে দিচ্ছেন। সব কাজকর্ম ছেড়ে বেরিয়ে পড়তে হবে একদিন... ওওওও টাকা জোগাড় করতে হবেতো!!!!!!!!! +++++++++++

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:১২

জুন বলেছেন: সোহানী আন্তরিক ধন্যবাদ অনুপ্রানিত মন্তব্যের জন্য।
অবশ্যই বেরিয়ে পরুন আর উপভোগ করুন পৃথিবীর রূপ রস গন্ধ।
একবার বেরিয়ে পরলে টাকা জোগাবে ভুতে :)

৬৫| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৩:৪১

খায়রুল আহসান বলেছেন: আগে ৪৫ নম্বর প্লাসটা দিয়ে রাখি, তার পরে হবে বাকী কথা।
এখনো যে কোন পুরুষের হৃদয়ে ঝড় তুলতে সেই পাথরের নর্তকীর হাসি যথেষ্ট। -- ভালো বলেছেন! :)
লেখা দিয়ে, ছবি দিয়ে, ইতিহাস তুলে ধরেছেন খুব সুন্দর করে। অতিশয় মুগ্ধ হ'লাম।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:২৪

জুন বলেছেন: খায়রুল আহসান
লেখা দিয়ে, ছবি দিয়ে, ইতিহাস তুলে ধরেছেন খুব সুন্দর করে। অতিশয় মুগ্ধ হ'লাম।
আপনার কথার পরিপ্রেক্ষিতে বলতে হয় আমি চেষ্টা করেছি প্রানপন। আপনাদের ভালোলেগেছে জেনে আমিও কিছুটা স্বার্থক মনে করছি। নিজে যা দেখেছি তাই আপনাদের সামনে ফুটিয়ে তুলতে।
অসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইলো

৬৬| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:১১

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনবদ্য এই পোষ্টটি অপ্সরার হাসির মতোই কালজয়ী হয়ে থাকুক ব্লগমন্দিরে ……….. -- আহমেদ জী এস এর পুরো মন্তব্যটি চমৎকার! পড়ে মুগ্ধ হ'লাম। লাইক।
আশাকরি আপনি আপনার এ অসাধারণ লেখাগুলো পুস্তকাকারে বের করবেন।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৩২

জুন বলেছেন: আমার মত অভাজন বই বের করলে আপনাদের মত দু একজন হয়তো ক্রেতার সাক্ষাত মিলবে। বাকিগুলো পড়ে থেকে উই পোকার খাবার হবে। তার চেয়ে এখানেই ভালো কি বলেন?
জী আপনি ঠিকই ধরেছেন আহমেদ জী এস সাহেবের মন্তব্যগুলো আমাদের সবার পোষ্টেই একটি অলংকারের মত। তবে আপনিও কম নন খায়রুল আহসান।
অনেক অনেক ধন্যবাদ দ্বিতীয় বার আসার জন্য।

৬৭| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৫:২৪

আরমিন বলেছেন: জুন আপুর পোস্ট মানেই এক ভিন্নমাত্রা! যেমনি সুন্দর ইতিহাসের বর্ণনা, তেমনি সুন্দর ছবি!
অসাধারণ মনমুগ্ধকর!

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৩৫

জুন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আরমিন ২৯ এমন প্রশংসাবাক্য উচ্চারনের জন্য। যা চোখে দেখি শুনি তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করি।
অনেক ভালো থাকুন আর সাথে থাকুন আগামীতেও :)

৬৮| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৮:০৭

অন্ধবিন্দু বলেছেন:
আপনার ব্লগ বাড়িতে আসলে ইতিহাস-ঐতিহ্য-স্থাপনা-স্থাপত্যকলা সম্পর্কে কতকিছু জানা যায়, দেখা যায়। জনাব গেম চেঞ্জার বলেছেন- এখন পর্যন্ত দেখা সেরা ব্লগ পোস্ট(২০১৬)। আমি বলি ব্লগার ‘জুন’ বাংলা ব্লগের একজন লাইভ-লিজেন্ড। তাঁর সব পোস্টই সেরা পোস্ট। আমজনতা আমরা তাঁর লেখা ও ছবিতে চড়ে ভ্রমন করতে পারছি; যেখানে আমাদের যাবার সামর্থ নেই, হয়তো কখনো হবেও না। সরলা ভাষা ও অভিব্যক্তিতে লিখেন। যার ফলে আমার মত মূর্খ-সুরখোরাও বুঝতে পারি- খ্যাত কিভাবে বিখ্যাত হলো।

এ্যাংগখর‘য়াট (আমার জানা উচ্চারণে) আমাদের একটা বার্তা দেয়- পৃথিবী এক; সীমারেখায় বিশ্ব বিভক্ত নয়। টম্ব রাইডার সিনেমায় এ’কে অনেক দর্শকই হয়তো দেখেছেন। আপনাকে ধন্যবাদ লেখক।

১১ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:৩৭

জুন বলেছেন:
গরীবের দুয়ারে হাতির পাড়া
ওরে বুবু সরে দাড়া

বহুদিন পর আমার পোষ্টে আপনাকে দেখে এমন কবিতাটাই মনে পড়লো অন্ধবিন্দু ।
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনার অসাধারন একটি মন্তব্যের জন্য । তবে আমি মনে হয় আপনার এত প্রশংসা পাবার মত যোগ্য নই , অন্তত আমার লেখালেখিতে :)
হু আমিও জানি তারা ওয়াট বলে কিন্ত প্রচলিত উচ্চারনের সময় ভাটই শোনা যায় ।
শুভকামনা রইলো ও আগামী পর্বগুলোতেও সাথে থাকবেন সেই প্রত্যাশায় ।

৬৯| ১১ ই জানুয়ারি, ২০১৬ ভোর ৫:৫০

গুলশান কিবরীয়া বলেছেন: অসাধারণ সুন্দর অভিজ্ঞতা । আমার ঐতিহাসিক জায়গা গুলো ভীষণ ভালো লাগে কিন্তু আমার সঙ্গীটি ইতিহাস পছন্দ করে না :(
তাই এরকম সুন্দর জায়গা গুলো থেকে বঞ্চিত হই , আর সাথে বাচ্চা কাঁচ্চার প্যানপ্যানানি তো আছেই । তারপরও অনেক জায়গা ঘুরেছি কিন্তু আপনার মত সুন্দর করে বর্ণনা করতে পারবো না । দারুণ লিখেছেন আপু ।
অনেক উপভোগ করলাম ।

১১ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:৫৩

জুন বলেছেন: সঙ্গীর পছন্দ না হলে সেখানে যাওয়া কষ্টকরই বটে গুলশান কিবরিয়া । লিখতে থাকুন দেখবেন আমার চেয়ে অনেক অনেক ভালো লিখে ফেলেছেন । আমি বা কি এমন লিখি ।
এমন আন্তরিক মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে । এর পরের পর্বটুকু দিলাম । সময় থাকলে আশাকরি দেখবেন ।
শুভকামনা রইলো আপনার জন্য :)

৭০| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৩:৪০

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ইউরোপে আসলে জানান দিয়েন।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৮:৩৯

জুন বলেছেন: অবশ্যই জানাবো যদি ইউরোপ যাই তানিম :)

৭১| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:৪৭

যুগল শব্দ বলেছেন:
দেখে খুব ভালো লাগলো,
যেতে পারলে আরও ভালো হতো!

আপু আপনার কি "মাচ্চু পিচ্চু" নিয়ে পোস্ট আছে ?

ভালো থাকবেন। ++++++++

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৫:৫৮

জুন বলেছেন: ভালোলাগলো জেনে আমারও অনেক ভালোলাগলো যুগল শব্দ। অবশ্যই একদিন ঘুরে আসুন।
না মাচু পিচু নিয়ে আমার কোন পোষ্ট নেই। না দেখা রহস্যময় ইষ্টার আইল্যন্ড নিয়ে পোষ্ট আছে।
আপনিও অনেক ভালো থাকুন।

৭২| ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৪৮

মুনসী১৬১২ বলেছেন: আগের মতোই প্রাণবন্ত উপস্থাপনা

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৮:৫০

জুন বলেছেন: তাই নাকি মুনসী ১৬১২!
কই যে হারিয়ে যান প্রায়শই আবার ভুস করে ভেসে ওঠেন মাছের মত, তারপর আবার ডুব :)
অনেক অনেক ধন্যবাদ আমাকে মনে করার জন্য।
শুভকামনা রইলো।

৭৩| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১০:১৭

আমি তুমি আমরা বলেছেন: অসাধারন পোস্ট। একান্নতম ভাল লাগা :)

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৯:২৯

জুন বলেছেন: আমার নিজেরও অনেক পছন্দের পোষ্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমি তুমি আমরা :)

৭৪| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:০৫

রায়হান চৌঃ বলেছেন: আপু আপনার এই লিখা গুলো আমি অনেক আগেই পড়ছি :)
আমি জানতে চাচ্ছি কম্বোডিয়ার মানুষের সামাজিক, পারিবারিক জীবন চিত্র, এরা কি ধরনের মানুষ ?

১৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:১৩

জুন বলেছেন: রায়হান চৌ,
শুভেচ্ছা সকালের। আসলে আমি ভ্রমণের উদ্দেশ্যেই ক্যাম্বোডিয়া গিয়েছিলাম। পর্যটন সংক্রান্ত লোকজনের সাথেই যা একটু যোগাযোগ। সাধারণ মানুষের সাথে তেমন মেশা হয়নি এই অল্প কদিনে। তবে অঢেল সম্পদ থাকার পরেও শাসকশ্রেণির শোষনের শিকার সেদেশের জনগন যার কারনে দারিদ্র্যতা প্রকট আকারে লক্ষ্যনীয়। এমন মানুষ নেই যিনি কুখ্যাত পলপটের শাসনকালে তাদের আত্ন-পরিজনকে না হারিয়েছেন। এটা তাদের ভেতর একটি স্থায়ী বিষাদের ছাপ ফেলেছে।
মাতৃতান্ত্রিক পরিবারের ক্যম্বোডিয় জনগন সৎ অসত মিলিয়েই আছে।
জানিনা আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম হয়েছি কি না?
ভালো থাকবেন সব সময়।

৭৫| ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৫১

রায়হান চৌঃ বলেছেন: ধন্যবাদ আপু......
ভালো থাকবেন....... আপু আপনি কি থাইল্যন্ড এ স্থায়ী আবাস গড়েছেন না কি ?

১৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৪৩

জুন বলেছেন: আপনিও ভালো থাকবেন ভাই রায়হান চৌ। স্থায়ী ঠিক না সেকেন্ড হোম বলতে পারেন। আসা যাওয়ার মাঝেই আছি আরকি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.