নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

The best and most beautiful things in the world cannot be seen or even touched - they must be felt with the heart---Helen Keller

জুন

ইবনে বতুতার ব্লগ

জুন › বিস্তারিত পোস্টঃ

ঈদ-কড়চাঃ খিচুড়ি ইদ ও আমার সবুজ অরন্যে হারিয়ে যাওয়া ।

০৫ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ১০:২৮


"তাদের সাথে যারা আমাদের ভালোবাসে। তাদের সাথে যাদের আমরা ভালোবাসি"। পার্কে কাঠের সাইনবোর্ডে প্রকৃতির উদ্দেশ্য লেখাটি খুব গভীরভাবে আমার মনকে ছুঁয়ে গেলো।

সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে থাইল্যন্ডেও ঈদ হলো ২৫শে জুন রবিবার যা এখানে সাধারন ছুটির দিন। শুনেই সুকুমার রায়ের “ছুটির হিসাব” ছড়ার কথা মনে পরলো, যেখানে স্কুল পড়ুয়া খোকা পঞ্জিকা দেখছে বছরে কদিন ছুটি থাকবে ! দেখলো “ঈদ পরেছে জষ্ঠি মাসে গ্রীস্মে যখন থাকেই ছুটি, বড়দিন আর দোলতো দেখি রোববারেতেই পড়লো দুটি”। ফলাফল কেঁদে কেটে রাগে দুঃখে পঞ্জিকা ছুড়ে মারা। তবে এখানে এমনটি ঘটেনি এটা নিশ্চিত কারন এদেশে ঈদের ছুটিই নেই।

ফার্ন আর পামের জন্য নির্ধারিত ঘরের অংশ টুকু
যেই কন্ডোতে থাকি সেখানে তিন ম্যানেজারের একজন বাঙ্গালী যুবক, থাই বৌ। আমাদের সাথে লবিতে দেখা হলেই এগিয়ে এসে কথা বলে। দু এক কথার পরেই জানতে চায় আজ কি রাঁধলাম? কি খেলাম? একদিন প্রশ্ন করলো ‘খিচুড়ি রান্না করতে পারেন ম্যাডাম, খিচুড়ি? কি যে মিস করি দেশের সিঙ্গাড়া সমুচা আর খিচুড়ি’। শুনে বলি আচ্ছা একদিন রান্না করলে আপনার দাওয়াত থাকবে। আগ্রহ ভরে জানতে চায় ‘কবে ম্যাডাম, কবে? আমি কলিজা কিনে আনি? খিচুড়ির সাথে কলিজা ভুনা আমি কতদিন খাইনা’। রান্নার সরঞ্জাম নেই, নিজেদের খাবারের ঠিক নেই তাই কোন রকমে তাকে নিরস্ত করি। ঈদের দিন তাকে দাওয়াত দিলাম যদি খিচুড়ি রাধি তো খেতে পারবে।

মটরশুটি দিয়ে রান্না আমার ভুনা খিচুড়ি দেখতে আর খেতে অনেক মজা হয়েছিল । কিন্ত ছবি তুলে না রাখায় নেট থেকে অনেক খুজে এই ছবিটা দিলাম প্রাসংগিক হবে বলে

ছেলেকে ফোনে ঈদের দিন দুপুরে আসতে বললাম সাথে প্রশ্ন করলাম কি খাবে? এক কথায় জানিয়ে দিল ‘বেশি ঝামেলা কৈরোনা শুধু খিচুড়ি আর মুরগী ভুনা করবা, ফোন ধরো আর ওদের দুজনকেও দাওয়াত দাও’। ফোন ধরতেই শুনি মেয়েটির পরিচিত গলা। আগেও একবার এসে থাই ক্লাশমেট ছেলে মেয়েদুটি খিচুড়ি খেয়ে গিয়েছিল আমার বাসায়। দাওয়াত দিয়ে জানতে চাইলাম কি খেতে চাও আমাদের এই প্রধান ধর্মীয় উৎসবে? ওদের আবার আমাদের মত অত পেটে খিদে মুখে লাজ নেই। মেয়েটি হেসে জানালো, ‘থ্যাংকিউ মামা ফল ইনভাইতেশন কা, আই লাইক ইয়োল চিকেন কালি এন্ড খিচুলী কা’!


মাটির মালসায় লাগানো মিনি সাইজের লাল পদ্ম

আমার স্বামী দু একবার মিন মিন করে পোলাও পোলাও করছিল কিন্ত খিচুড়ির ঝরো বাতাসে তার করুন আবেদন একেবারে ছাও ফ্রায়া নদীতে ভেসে গেলো। ঈদের দিন ভোটে জেতা সেই ভুনা খিচুড়ি সাথে মুরগী ভুনা, কলিজা ভুনা আর ডিম ভাজি, সালাদ তাই খেয়েই সবাই মহা খুশী। সেমাই পায়েসের কাজ সারা হলো দোকান থেকে কিনে আনা ডোনাট আর ফল দিয়ে।

বিখ্যাত ডানকিন ডোনাট ম্যানেজার সাহেবের কিনে আনা
কাঁচা বাজার থেকে শুরু করে তেল মশল্লা, কড়াই খুন্তি, রাইস কুকার কিনে এনে রান্না বাড়া করার কতখানি ঝক্কি ঝামেলা পোহালাম তা আমার ছেলে না বুঝলেও ম্যানেজার ছেলেটা বুঝলো। কারন সে অনেক বছর এখানে স্ট্রাগল করছে,মাঝে মাঝে নিজে রান্না করে খাচ্ছে হাত পুড়িয়ে।

সবুজ শ্যমল সুন্দর প্রকৃতি
পরদিন সকাল সাড়ে নটায় সে আমাদের ঈন্টারকম করে জিজ্ঞেস করলো আমরা কি তার সাথে কাছেই এক সুন্দর জায়গায় বেড়াতে যাবো কিনা? হাসিখুশী যুবকটি ম্যানেজারের দায়িত্ব ছাড়া অবসরে এখানে বিভিন্ন জায়গায় অল্প টাকায় কনডাক্টেড ট্যুর পরিচালনা করে। এছাড়াও এখানকার হাসপাতালে বাংলাদেশী রোগীদের ভর্তির ব্যবস্থা করা ছাড়াও অনেক কিছুই, মোদ্দা কথা জীবিকার জন্য প্রচুর পরিশ্রম করে থাকে।

পেছনে সবুজ আর সামনে পানি, ওপাশে চারিদিক খোলা কাঠের প্যাভিলিয়ন, আর বিশ্রামের জন্য রয়েছে চারিদিক ঘেরা কাঠের বেঞ্চ
পরদিন তার ঈদের ছুটি ছিল সাথে আমাদের দাওয়াতের একটি রিটার্ন দেয়াই ছিল তার উদ্দেশ্য বুঝতে পারছি। সাথে সাথে রেডি হয়ে নীচে নামতেই প্রশ্ন করলো বাসে চড়তে পারবো কি না? “কেনো পারবো না! আজবতো! আমি কি কোনো নবাব নন্দীনি”! আমার উত্তর।
ফুটওভার ব্রিজ পার হয়ে রাস্তার ওপারে আসতেই উনি বলে উঠলেন ‘এই যে এই বাসটা ওখানেই যাবে,জলদি আসেন স্যার’। আর দশটি বাসের মত লাল রঙের ভেতর বাইর একই রকম দেখতে বাসটিতে ভাড়া নেয়ার জন্য কাউকে দেখলাম না। ম্যানেজারকে প্রশ্ন করলে উনি জানালেন ‘এটা সরকার পরিচালিত ফ্রি বাস।ঐ যে দেখেন সামনের কাঁচের উপর নীল রংগে থাই ভাষায় লেখা ফ্রি বাস’।

ব্যংককের প্রধান রেল স্টেশন হুয়ালামফং যাচ্ছে ফ্রি বাসটি

“ফ্রি বাস কেনো আমার অবাক প্রশ্নের উত্তরে উনি জানালেন, ‘এখানে গরীব মানুষরাও যাতে বিনে ভাড়ায় ভদ্রস্থভাবে আর সবার মতই বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করতে পারে তার জন্য এই ব্যবস্থা। পয়সা আলারা সাধারনত এই বাসে চড়ে না। তাই বলে ভাববেন না প্রান্তিক জনগোষ্ঠির পাশে বসতে অস্বাচ্ছন্দ্য বোধ করাই এর কারন! তারা চড়ে না কারন যাদের জন্য এই বাস তারা পাছে জায়গা না পায় এই মহান উদ্দেশ্যে। তবে কেউ চড়লে নামিয়েও দেয়া হয় না,যেমন আমাদেরও কিছু বলেনি’। ম্যানেজারের কথা শুনে শ্রদ্ধায় আমার মাথা নুয়ে আসলো। আর আমাদের দেশের সাধারন মানুষ পয়সা দিয়েও সেবা পায়না।


পার্কের এক কোনায় নীল পদ্ম পুকুরের মাঝে ঐতিহ্যবাহী এক থাই স্থাপত্য

ফ্রি বাসে চড়ে খোলা জানালা দিয়ে বাতাস খেতে খেতে রওনা দিলাম। কয়েকদিন ধরেই আকাশ এই হাসি এই কান্না, অর্থাৎ পাল্লা দিয়ে মেঘ রোদ্দুরের খেলা চলছেই। ১০ মিনিটেই চলে আসলাম আসল গন্তব্যের বাস স্টপেজ সিকন স্কয়ার এ। বাদিকের পথ ধরে এগিয়ে চলেছি দুপাশে সবুজ গাছ পালায় ঘেরা বিশাল এলাকা নিয়ে সুন্দর নকশায় তৈরী দোতলা বাড়ীগুলোর মাঝের পথ ধরে।

কি এক অচেনা বৃক্ষ ও তার বুনো ফল

ঝির ঝির বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে প্রায় এক কিলোমিটার পথ হেটে এসে এক খোলা গেটের কাছে হাজির হোলাম। সামনে থাই রাজা ভুমিবলের প্রমান সাইজের এক ছবি। এটি একটি পার্ক, নাম সুয়ান লুয়াং রামা নাইন পার্ক। ব্যংকক শহরের মাঝেই কিছুটা উত্তর পুর্ব দিকে কয়েকশো একর জায়গা জুড়ে ১৯৮৭ সালে নির্মিত পার্কটি তাদের কিম্বদন্তীতুল্য রাজা ভুমিবলের ৬০ তম জন্মদিনের স্মরনে নিবেদিত। এখানে প্রবেশ ফি ১০ বাথ।

সুয়ান লুয়াং রামা নাইন পার্ক গেট
পার্কের ভেতরে ঢুকতেই ঝির ঝির বৃষ্টি একেবারে বিশাল ফোটায় ঝম ঝম করে পরা শুরু হলো। দৌড়ে গিয়ে এক স্ন্যাকসের দোকানের ছোট চালাটার নীচে মাথা গুজে দাড়ালাম সাথে ভদ্রতার খাতিরে কফি আর চিপস খেলাম। ৫ মিনিট পরেই বৃষ্টি একেবারেই ঝপ করে থেমে গেলো। আমরা চালার নীচ থেকে বেরিয়ে চোখ মেলতেই দেখি কি অসাধারন সেই প্রকৃতি আর কি নির্মল বাতাস। লম্বা করে বুক ভরে শ্বাস নিলাম।

ডান দিকে চোখ মেলতেই দেখি বিশাল এক মাটির পাত্র থেকে জলধারার আদলে বের হয়ে আসছে লাল হলুদ মোরগ ফুলের দল

সামান্য পেছিয়ে আসলাম দেখি সেই একই স্রোত

এবার আরেকটু পেছনে, নাহ শেষ হয়নি ফুলের স্রোতধারা, অবিরল কুলু কুলু ধ্বনি তুলে বেরিয়ে আসছে সেই যাদুকরী মাটির পাত্র থেকে

এবার বেশ খানিকটা জায়গা জুড়ে ছড়িয়ে গেছে ফুল ঠিক যেমন সমান জায়গায় পানি ছড়িয়ে পরে চারিদিকে।

ফুলের আঁচলের শেষ প্রান্তটি,কি অভিনব চিন্তা সেই শিল্পীর দেখে মুগ্ধ হই
মানুষের হাতে মনের মাধুরী মিশিয়ে বিশাল বাগানটি বানানো হলেও তাতে কৃত্রিমতা ছিলনা বললেই চলে। নিরিবিলি নিঃশব্দ সুনসান সেই পার্কে দূরে দূরে আমাদের মতই দু একজন দর্শক ঘুরে বেড়াচ্ছে। খুব ক্লান্ত বোধ করলে কিম্বা শুধুই বসে থাকার জন্য রয়েছে এমনি বিচিত্র কাঠের কেদারা যার দুদিকে পাখির বাসা।

এখানে এই ব্যতিক্রমী কাঠের চেয়ারে বসে খানিক্ষন উপভোগ করুন এই নিঃশব্দ নির্জনতাকে
সেই বিশাল সবুজ চত্বর ঘিরে রয়েছে এক অদ্ভুত নীরবতা যাতে নেই কোন সাড়া শব্দ, চিৎকার চেচামেচি, নেই ঝালমুড়ি আলার কৌটার ঝঞ্ঝনানি, অথবা বাদাম ওয়ালার সুরেলা ডাক।

সবুজ ঘাসের চাদর পেরিয়ে অদুরে মাথা তুলে আছে পাম গাছ ।
চারিদিকে শুধু গাছের পাতায় বাতাসের শর শর শব্দ, বিশাল গাছের সবুজ পাতার ভেতর থেকে ভেসে আসছে পাখীদের কলকাকলি। বিশেষ করে ঘুঘুদের গম্ভীর গলায় ঘু ঘু ডাক সেই গভীর নিস্তব্দতাকে ভেংগে চুড়মাড় করে ফেলছে ক্ষনিকের জন্য।

ধানক্ষেতের মাঝে এক কাকতাড়ুয়া পার্থক্য শুধু পোশাকে
চোখে পরে দু একটা বাদামী রংগের বিশাল লেজওয়ালা দুষ্টু মিষ্টি কাঠবেড়ালী চকিতে রাস্তা পার হয়ে যাচ্ছে। ক্যামেরা তাক করতেই মুহুর্তের মাঝেই ফুরুৎ। একেবারে গাছ বেয়ে উঠে হারিয়ে যাচ্ছে পাতার আড়ালে তখন তাদের দেখা মেলা ভার হয়।

গাছের গুড়ি বেয়ে নেমে আসছে কাঠবেড়ালী পথ পেরুবে বলে, আমাদের চলে যাওয়ার অপেক্ষায়
আমরা তিনজন হেটে চলেছি মাঝে মাঝে দু একটা নীচু স্বরে কথা বলা। ভয় হয় পাছে এই নিস্তব্দতাকে ভেঙ্গে না ফেলি। ঘোর বরিষায় যেন আরো সবুজ সতেজ হয়ে উঠেছে চারিদিক । হাল্কা মিস্টি রোদ আর হাওয়ায় প্রান জুড়িয়ে যাচ্ছে । ডান দিকে চাইতেই দেখি ছোট্ট একটি পুকুর থেকে উঠে এসেছে বেশ বড় সাইজের এক গুই সাপ। বেচারার রোঁদ পোহানো হলো না আমার ছবি তোলার আগ্রহে, নেমে গেল সেই সবুজ শ্যাওলা জমা পানিতে।

ভীত-সন্ত্রস্ত সেই বিশাল গুই সাপটি পানিতে নেমে যাবার আগ মুহুর্তে
বাধানো ইটের পথ ধরে এগিয়ে চলেছি। দূর থেকে এই স্বর্ন চুড়া দেখা যাচ্ছে মেঘলা আকাশের পটভুমিতে। আস্তে আস্তে চোখের সামনে ফুটে উঠলো পরিপুর্ন অবয়ব। নাম তার রাচামংকলা প্যাভিলিয়ন।

পার্কের কেন্দ্রে প্রয়াত রাজা ভুমিবলের ষাটতম জন্মদিনের উদ্দেশ্যে মহাকাশ-যানের আদলে নির্মিত রাচামংকলা প্যভিলিয়ান
থাই ভাষার রাচা বাংলায় রাজা , আর রাচাতমংকলা অর্থ রাজার মঙ্গলে জন্য নির্মিত এই প্যাভিলিয়ান। পার্কের ঠিক বুকের মাঝেই সোনালী কারুকার্য্যময় এক প্যাভিলিয়ন মুলত একটি গ্যালারি। এখানে রয়েছে নয়টি আয়না বসানো রুম যেখানে প্রয়াত রাজা ভুমিবল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের দেশ ও জনগলের মঙ্গল এবং উন্নতির জন্য বিভিন্ন সফল কার্যক্রমের ছবি।

ধাতব ঝুড়ি ভরা পাতার উপরে এক ধাতব পাতে লেখা । ভাষা না জানায় পড়তে পারি নি
এর সামনেই রয়েছে টলটলে পানির বিশাল এক জলাধার যেখানে মাঝে মাঝেই ঘাই দিয়ে যাচ্ছে মাছের দল। রোদ পড়ে তাদের রুপোলী পিঠ ঝলক দিয়ে উঠছে, তাতে বোঝা যায় এই লেকে আছে প্রচুর মাছ। এ ছাড়াও আছে কচ্ছপ কাকড়াসহ বিভিন্ন জলজ প্রানী, শুনলাম টিকিট কেটে মাছ ধরা নয় এ সব প্রানী গবেষনার কাজে ব্যবহারের জন্য রয়েছে রাজার নির্দেশ।

কড়ই গাছ থেকে নেমে আসা কবুতরের ঝাক আমার দেয়া খাবার খাচ্ছে ।
১৫ বাথে এক প্যাকেট খাবার কিনে খাওয়াতে পারেন জলাশয়ের মাছ কিম্বা পাশের বিশাল কড়ই গাছে বসে থাকা কবুতরের ঝাককে। যারা আপনাকে খাবার হাতে দেখলেই পাক খেয়ে খেয়ে নেমে আসবে সবুজ চত্বরে।
সেই বিশাল জলাশয়ে ঘুরে বেড়ানোর জন্য শ্বেত শুভ্র হাসের নকশাঁর প্যাডেল বোট আছে। এক ঘন্টা চল্লিশ বাথ, তবে আমরা চড়িনি ।

হংস বলাকার পাখায় চেপে ভেসে বেড়ানো হয়নি ।

মাছ আর পাখিদের মাঝে খাবার ভাগ করে দিয়ে শুরু হলো বাধানো পথ ধরে আমাদের চলা
ব্যংককের সবচেয়ে বিশাল এই পার্কটির বিভিন্ন জলাশয়ে কত জাতের যে শাপলা আর পদ্ম রয়েছে তা গুনে শেষ করতে পারি নি । থাইল্যান্ডের ৭৭ টি প্রদেশ থেকে আনা বিভিন্ন রকম ফুল, ফল, ফার্ন, ঔষধি, ফনীমনষা লতা পাতা সহ বিভিন্ন গাছ গাছালীর এক বিশাল সংগ্রহ রয়েছে এই সবুজ বনানীতে। তবে ঘোর বরষায় যাবার জন্য ফুলের সমাহার আমাদের নজরে কমই পরেছে । শীতে আরেকবার যাবো ভাবছি শুধু ফুল দেখার জন্য ।

রাজকন্যা শ্রীনির্ধন মহাচাক্রীকে উৎসর্গ করা ঔষধি গাছের বাগা্নের মানচিত্র

এখানে রয়েছে নানা রকম ঔষধি গাছের সমাহার

এর মাঝে রয়েছে আমাদের চিরচেনা তুলসী
বৈচিত্রময় এই পার্কের ভেতরে চাইনীজ, ফরাসী, আমেরিকান,ইতালীয়ান নকঁশার বাগান রয়েছে। সেসব দেশের ঐতিহ্যবাহী নকাশায় তৈরী স্থাপনাগুলো তেমনি মন কাড়া আর প্রকৃতির সাথে যেন মিশে আছে। কোনটাকেই মনে হয়নি এখানে বেমানান।

এটা চৈনিক বাগান এর আংগিনায় ফুটে আছে শ্বেত পদ্মের দল

ফরাসী নকশায় তৈরী বাগানের সামনের কিছুটা অংশ

রানী সিরিকিতের জন্য নির্ধারিত এলাকায় রয়েছে ঝরনা, অর্কিড আর বাহারী গাছের ঝাক

রানীর বাগান

রানী সিরিকিতের উদ্দেশ্যে নিবেদিত বাগান
এছাড়াও আলাদা আলাদা প্যাভিলিয়ানে রয়েছে কত ডিজাইনের অর্কিড, কত বৈচিত্রময় ফার্ন , কত ক্যাকটাস।

আমেরিকান মরুভুমির আদলে তৈরী গ্রীন হাউসের ভেতর রয়েছে অগনিত ক্যাকটাস

লতানো গাছের প্যভিলিয়নে ঢোকার সবুজ পথ
এখানে বাচ্চাদের খেলাধুলার জন্য রয়েছে ছোট একটি শিশু পার্ক এছাড়াও সবার জন্য আছে শরীর চর্চা, খেলাধুলা ও সাইক্লিং এর ব্যবস্থা।ব্যংককের হৈ চৈ থেকে মুক্তি পেতে ছুটির দিনগুলোতে স্বাস্থ্য সচেতন জাতি হিসেবে পরিচিত থাইরা সপরিবারে এখানে কিছুক্ষনের জন্য হারিয়ে যেতে আসে।

সাজানো বাগানের এক টুকরো
সেই সবুজের মাঝে আমরাও হারিয়ে যেতে যেতে কখন তিনটা বেজেছে খেয়াল নেই, খেয়াল হলো যখন পেটের খিদে জানান দিল।

খানিক পর পর এমনি প্রাচীন নকশায় তৈরী লোহা আর কাঠের তৈরী বেঞ্চ
সামান্য ক্ষনের জন্য বিশ্রাম নিয়ে ধীরে ধীরে ফিরে আসি গেটের দিকে। ফিরতে থাকি আবারো সেই গন অরন্যে । আন্তরিক ধন্যবাদ জানালাম সেই প্রানবন্ত ম্যনেজারকে যে কিনা সামান্য খিচুড়ির কৃতজ্ঞতা প্রকাশে এত সুন্দর একটি জায়গায় ঘুরিয়ে আনলো আমাদের দুজনকে।

খিচুড়ী, আর ফ্রি বাস নেট থেকে বাকি ছবি আমার ক্যামেরা আর মোবাইলে তোলা ।
কেউ যদি যেতে চান সেই নিস্বর্গে তবে ঠিকানা রইলো :-
Suan Luang Rama 9, Sukumvit 103 Road Tel: +66 (0)2 32813856 - Entrance 10 Baht

মন্তব্য ১৫৪ টি রেটিং +৩৭/-০

মন্তব্য (১৫৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ১০:৫১

আহমেদ জী এস বলেছেন: জুন ,





‘থ্যাংকিউ মামা ফল ইনভাইতেশন কা, আই লাইক ইয়োল চিকেন কালি এন্ড খিচুলী কা’!
সব আমিও পলি নাই কা ! এতা দেকেই লাইক কা ! আই লাইক ইওর পোস্ত কা ! :P B-))

আসছি পরে আবার ..............




০৫ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ১০:৫৩

জুন বলেছেন: হু বুঝলাম কিন্ত লাইক তো অদৃশ্য /:)

২| ০৫ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ১১:০৩

উম্মে সায়মা বলেছেন: আপনার ছবিসহ বর্ণনা পড়তে এত ভালো লাগে! ++
খুব ভালো লাগল জুন আপু.....

০৫ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ১১:১২

জুন বলেছেন: ধন্যবাদ উম্মে সায়মা পোষ্টটি দেখার জন্য :)

৩| ০৫ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ১১:২০

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: আপা,আগে ঈদের শুভেচ্ছো নিবেন.....



(লম্বা পোষ্ট পরে পড়বো ) :)

০৫ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ১১:২৯

জুন বলেছেন: আপোনাকেও ঈদের অকৃত্রিম শুভেচ্ছা শাহরিয়ার কবির । লম্বা বেশি নয়। ছবি থাকার জন্য হয়তো অনেক লম্বা লাগছে :(
পড়তে খারাপ লাগবে না বলেই আমার বিশ্বাস :)
পড়ে পড়বেন অসুবিধা নেই । শুভকামনা নিরন্তর ।

৪| ০৫ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ১১:৫৪

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:








নয়নাভিরাম প্রকৃতির সবুজ, গাছের ফুল ফল, বাগান। কবুতর গুলো আমাদের দেশের মতই। ক্যাক্টাস ভাল লাগল। চৈনিক স্থাপনার সামনে পদ্মফুলের সরোবর, বেশ স্নিগ্ধ আমেজ। কি নৈসর্গিক ছিল সে সময়! রাচামংকলা প্যাভিলিয়ন আর মটরের খিচুড়িভুনাও বেশ ভাল লাগল। তবে টবের পদ্ম আর বাগানের খালি আসন টি একটু বেশি ভাল লাগল!



০৫ ই জুলাই, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩৩

জুন বলেছেন: মনযোগী পাঠের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ভ্রমরের ডানা । সাথে থেকে লেখাগুলো পড়ে মন্তব্য করেন তার জন্য কতটুকু খুশী হই তা বলে বোঝাতে পারবো না । বুনো কবুতরগুলো সব দেশেই এমন দেখতে হয়।
হা হা হা এটা কিন্ত আমার রান্না ভুনা খিচুড়ি না :) ছবি তোলার কথা মনে ছিল না ভাই । কাল হঠাৎ মনে হলো এই পোষ্ট লেখার কথা । তারপর থেকে নেট আতিপাতি করেও ভালো একটা ছবি পাই নি । আগের ছবিটি বদলে দিয়েছি অনেকে পছন্দ করে নি বলে। ওদের সব কিছুর মধ্যেই আপনি নান্দনিকতার ছোয়া খুজে পাবেন । এমন কি সামান্য পাচ টাকার জিনিসও আপনাকে সুন্দর প্যাকেট করে দেবে । আর এতো তাদের দেবতুল্য রাজার জন্মদিনের উপহার।
সাথে থাকবেন নিয়মিত এই প্রত্যাশাই করি । শুভেচ্ছা রাত্রির ।

৫| ০৫ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ১১:৫৮

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: জুনাপু আপনার এই লেখাটি যখন পড়তে বসেছি তখন আমাদের এখানে ঝুম বৃষ্টি শুরু হয়েছে।
আর এমন দিনে আপনার খিচুরির কথা শুনে আমারও খুব মন চাইছে ঝাল ঝাল খেচুড়ির সাথে ইলিশ ভাজা খেতে।
কিন্তু সময় অনুকুলে নেই তাই আর এখন খিচুড়ি খাওয়া হচ্ছে না।
পুরো লেখাটি এত সহজ ভাবে বলে গেলেন সব কিছু। আমি এত মনযোগ দিয়ে পড়েছি যে মনে হচ্ছিল আমিও আপনাদের সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছি।
ছবি গুলি খুব সুন্দর । এমন স্থানে যে কেউ যেতে চাইবে চোখ বন্ধ করে।
কি এক অচেনা ফলটাকে আমার কাছে মনে হল ওটা চালতা ফল। চালতার আচার নিশ্চয় খেয়েছেন?
পোষ্টি প্রিয়তে থাকুক।অনেক দিন পরে আবার যখন এটি পড়ব তখন নতুন লেখায় মনে হবে। লেখা তো আর পুরানো হয় না।
ভাল থাকুন আপু। শুভ কামনা রইল আপনার জন্য।

০৫ ই জুলাই, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৯

জুন বলেছেন: মোস্তফা সোহেল ঝাল খিচুড়ির সাথে ইলিশ ভাজার তুলনাই হয় না । আমার ফ্রীজেও ইলিশ মাছ ছিল কিন্ত খাবার পরে সেটার কথা মনে হয়েছে :) খিচুড়ির সাথে বেগুন ভাজাও কিন্ত চমৎকার লাগে তাই না ?
আশাকরি আপনার অনুকুল সময় শীঘ্রই আসুক কারন বর্ষা কালতো সবে শুরু ।
আমার সাথে ঘুরে বেড়ান যখন শুনি তখন খুব ভালোলাগে । মনে হয় আপনারা আমার লেখার সাথে ওতপ্রোত জড়িয়ে যান।
না চালতা ফল নয় ভাই । চালতা ফল বা গাছ আমি অনেক দেখেছি। আর স্কুল জীবনে চালতার আচার খায়নি এমন মানুষ কমই আছে এদেশে :) এটা মনে হয় স্থানীয় কোন ফল হবে । চালতা ফল আর পাতা এমন দেখতে দেখুন । নেট থেকে দিলাম।

পোস্ট পড়া মন্তব্য ভালোলাগা আর প্রিয়তে থাকার জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা ।
শুভেচ্ছা রাত্রির ।

৬| ০৫ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১২:০১

পথহারা মানব বলেছেন: আহরে সময় তুই এত কম কেন!! এত সুন্দর পোষ্টেরঅ পুরোটা পড়তে পারলাম না (কান্নাকাটির ইমু হপে)
এককথায় অসাধারণ !!!!!!!
অনেকগুলো হাসির বিষয় ছিল যেগুলো নিয়ে খানিকটা রসিকতা করা যেত কিন্ত আফসুস আপাতত করতে পারলাম না।

০৫ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৮:০৩

জুন বলেছেন: আহারে আহারে এখন সময় নেই তাতে কি সময় তো পরেই আছে পথহারা মানব #:-S
তখন না হয় আরেকবার এসে পুরোটা পড়বেন সাথে মন্তব্য ফ্রি ;)
আপনার আসার আশায় থাকলাম কারন অনেক বিষয় নিয়ে রসিকতার কথাটি বললেন যখন :)
শুভেচ্ছা রাত্রির ।
আন্তরিক ধন্যবাদ হাজিরা দেয়ার জন্য ।

৭| ০৫ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১২:২৪

পলক শাহরিয়ার বলেছেন: আহারে কত চেনা সব! সেই মাটির মালসার পদ্ম, সিটি বাস,পার্ক,ডানাকিন ডোনাট। মনে পড়ে গেল অনেক কিছু।
ছবিগুলো দারুন হয়েছে আর সাথে বর্ণনাও।

০৫ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৮:১৫

জুন বলেছেন: পলক শাহরিয়ার আমি আপনার অনুভুতিটা বুঝতে পারছি মনে হয় । আমি যখন এখানে থাকি তখন দেশের জন্য অস্থির হই । কিন্ত দেশে গেলে আবার এই সব চেনা জিনিসগুলো টানতে থাকে প্রতিনিয়ত ।
ছবি আর বর্ননা ভালোলাগার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ । সাথে থাকবেন সকল লেখায় এই প্রত্যাশা রইলো :)
শুভকামনা ।

৮| ০৫ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১২:২৯

আলভী রহমান শোভন বলেছেন: অসাধারন পোস্ট আপুমনি। :)

পদ্মফুলটা বেশী নজর কেড়েছে। ভালো লেগেছে থাই স্থাপত্য। আর ডোনাটের ছবি দেখে খুব লোভ হচ্ছে।

এই মন্তব্য লেখার সময় বাইরে খুব বৃষ্টি হচ্ছে। এক মগ কফির সাথে ডোনাট খুব জমতো। :((

যাই হোক, ভালো থাকবেন। অনেক অনেক শুভকামনা। :`>

০৫ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৯:০৮

জুন বলেছেন: আলভী রহমান শোভন
মন্তব্য দেখেই বুঝলাম কি অপরিসীম মনযোগের সাথে পরেছেন আমার সামান্য লেখাটি ।
ডোনাট আপনাদের মত যুবকদের হয়তো ভালোলাগবে কিন্ত এত মিষ্টি আর ক্রীম যা আমার জন্য ভয়ংকর ।
আপনিও ভালো থাকবেন । শুভেচ্ছা রাত্রির ।

৯| ০৫ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১:২৮

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: আপা, আমার খিচুড়ি সব থেকে প্রিয় খাবার কিন্তু এই মটরশুটি দিয়ে রান্না করা ভুনা খিচুড়ি কখনো খাওয়া হয়নি। :( এবারও ভ্রমন অভিজ্ঞতা কথা পড়তে মন্দ লাগেনি । খুব ভালো লাগলো । খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনা দিয়েছেন ; সেই সাথে ছবিগুলোও ।


আবার ধন্যবাদ আপা,
ভালো থাকুন সবসময়.....

০৫ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৯:১৮

জুন বলেছেন: শাহরিয়ার কবির খিচুড়ি অনেকেরই প্রিয় খাবার তা আমার পোষ্ট পড়েই আশাকরি বুঝতে পেরেছেন ।
মটর পোলাও যেমন করে রান্না করে তেমনি খিচুড়ি যখন হয়ে আসবে তখন অল্প করে মটরশুটি দিয়ে দিবেন । দারুন মজা । গরম গরম ডিমের ওমলেট দিয়ে খাবেন ।
আমি তো ভাই ভ্রমণ বিষয়ে লিখতেই স্বচ্ছন্দ বোধ করি । আপনারা পড়েন এটাই আমার জন্য বিশাল পাওয়া ।
আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভকামনা থাকলো ।

১০| ০৫ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১:২৮

কাবিল বলেছেন: খিচুড়ি বাসি বাসি লাগছে :P টাটকা খিচুড়ি চাই :)




তবে ছবি গুলান দেইখা মনটা ভরে গেল। আর কিছু কমু না।

০৬ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৯:৫৬

জুন বলেছেন: খিচুড়ি বাসি বাসি লাগছে :P টাটকা খিচুড়ি চাই :)
কাবিল আমিতো লিখেই দিয়েছি নিজের অসাধারন স্বাদ গন্ধ আর বর্নের খিচুড়ির ছবি তোলার কথা মনে ছিল না B-) যেটা দিয়েছি তা নেট থেকে নেয়া । তারপর আপনার মন্তব্যে ছবিটা পালটে দিলাম । দেখেনতো এখন টাটকা লাগছে কি না :-*
যাই হোক আমার তোলা ছবি দেখে মন ভইরা গেছে শুইনা খুবই খুশি হৈলাম :)
আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভকামনা জানবেন ।

১১| ০৫ ই জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৩:২০

ওমেরা বলেছেন: ঈদ-কড়চাঃ ছবি , বর্ণনা সব কিছু মিলিয়ে অনেক ভাল লাগল ।

ধন্যবাদ আপু ।

০৬ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৯:৫৮

জুন বলেছেন: আপনাকেও জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ আমার পোষ্টটি পড়ার জন্য ওমেরা :)

১২| ০৫ ই জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৩:৩৭

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: ঈদের শুভেচ্ছা।

সাজানো-গুছানো দেশটির এহেন নিপুণ হাতে বর্ণনা পথব্রাজকদের পিপাসা অনেকাংশে মিটিয়েছে।

ভালো থাকুন নিরন্তর।

০৬ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৯:২৫

জুন বলেছেন: আপনাকেও চলে যাওয়া আর আগাম ঈদের শুভেচ্ছা সত্যপথিক শাইয়্যান । অনিবার্য কারনে উত্তর দিতে দেরী হলো। মনে কিছু করবেন না আশা করি। আর আমি বিশাল বিজ্ঞ কোন লেখক নই ভাই, আমার সামান্য লেখাটি আপনাদের সাথে ভাগ করে নিচ্ছি এটাই আমার জন্য বিশাল পাওয়া ।
আপনিও ভালো থাকুন নিরন্তর ।

১৩| ০৫ ই জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৩:৪৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: খুব সুন্দর সুন্দর ছবি সাথে চমৎকার বিবরণ ।
ঈদের মেনুতে ভুনা খিচুরী দারুন নতুন সংযোজন ।
আই লাইক এভরিথিং তবে ঈদের দিন
একটু পোলাওএর ঘ্রান না পেলে দিনের
ভোজটা কেমন যেন অপুর্ণ মনে হয় ।
মাটির পাত্র হতে থোকা থোকা
মোরগ ফুল বেরিয়া আসার দৃশ্যটা
চমৎকার , এর উদ্ভাবনকারীর প্রতি
রইল অভিনন্দন ।
আপনার অসাধারণ ঈদ উদযাপনের
বিষয়াবলী দেখে অভিভুত হলাম ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

০৬ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৯:২৯

জুন বলেছেন: ডঃ এম এ আলী আমি কৃতজ্ঞ এটা ভেবে যে খুব খুব সাধারন একটি রোজনামচাকেও এতখানি প্রশংসায় ভাসিয়ে দিয়েছেন আপনার স্বভাবসুলভ আন্তরিকতায় যার যোগ্য আমি নই । নাহ পোলাও রাঁধা আর হলো কই ? সবাই খিচুড়ি খেতে চাইলো যে।
মোরগ ফুলের কথাটি আপনি ঠিকই বলেছেন । জিনিসটির অভিনবত্ব আমাকেও আভিভুত করেছে । সাথে থেকে উৎসাহিত করেন আশা করি ভবিষ্যতেও করবেন সে প্রত্যাশা রইলো । শুভেচ্ছা রাত্রির ।

১৪| ০৫ ই জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৩:৪৯

ইমরাজ কবির মুন বলেছেন:
ঈদ মুবারাক জুনান্টি! :D

০৬ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ১০:০৫

জুন বলেছেন: ঈদ মুবারক ঈমরাজ কবির মুন । আশাকরি ভালো আছেন ।
অনেক অনেকদিন পর পুরনো এক মুখের দেখা পেলাম মনে হলো :)

১৫| ০৫ ই জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৪:২৯

শায়মা বলেছেন: এগুতেই দেখি মাটির পাত্র থেকে যেন অবিরাম বের হয়ে আসছে মোরগ ফুলের দল ........

আমিও এটা দেখে !

মুগ্ধ মুগ্ধ এবং মুগ্ধ! ( ভয়ে আছি কখন না আবার অগ্নির ময়না চলে আসে! ) :P

০৬ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ১০:২১

জুন বলেছেন: মোরগ ফুলের ব্যাপারটি আমারও খুব পছন্দ হয়েছে শায়মা। খুবই অভিনব এবং মননশীল ।
তোমার মত একজন লেখক আমার সামান্য লেখাতে মুগ্ধ হয়েছো জেনে কৃতজ্ঞতায় মাথা নত হয়ে আসলো ।
তোমার জন্য আমার শুভকামনা সবসময় ।
ধন্যবাদ ।

১৬| ০৫ ই জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৫:২৪

ইমরান আশফাক বলেছেন: থ্যাংকিউ মামা ফল ইনভাইতেশন কা, আই লাইক ইয়োল চিকেন কালি এন্ড খিচুলী কা :#) :D =p~

মজা পেলাম খুব। কিন্তু খিচুরীর যে ছবিটা পোস্ট করেছেন সেটি পছন্দ হয়নি।

০৭ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৮:১০

জুন বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ইমরান আশফাক । এখানে তাদের র উচ্চারনটি একটু কষ্টকর ।
আমার রান্না খিচুরির ছবি তুলিনি ভাই । নেট ঘেটে ওটাই একটু ভালোলেগেছিল । আপনাদের কথায় বদলে দিয়েছি ।
শুভকামনা থাকলো ।

১৭| ০৫ ই জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৫:৫০

অপু তানভীর বলেছেন: ফটু ভালা পাইলাম !

০৭ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৮:২৪

জুন বলেছেন: ভালোলাগার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ অপু তানভীর ।

১৮| ০৫ ই জুলাই, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৫৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


থাইল্যান্ডে মুসলিম মেয়েরা হিজাব ইত্যাদি পরেন?

০৭ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৯:২৭

জুন বলেছেন: জী পরেন চাঁদগাজ। এখানে বিভিন্ন নামকরা ফুডশপে হিজাব পরা মেয়েরা কাজ করে।
শুধুমাত্র আপনার জন্যই কাল ছবিটা তুলেছি।

সাথে থেকে উৎসাহিত করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে ।

১৯| ০৫ ই জুলাই, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২৮

শোভন শামস বলেছেন: অনেক যত্ন করে সুন্দরভাবে কাব্যিক উপস্থাপনা আপনার।
চমৎকার ব্লগ, ধন্যবাদ

০৭ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১:৪১

জুন বলেছেন: আপনার চমৎকার এক মন্তব্যে আমিও অনেক খুশী হয়েছি শোভন শামস । আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকেও ।

২০| ০৫ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ১০:০০

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: খিচুড়ি ইদ ও ফিরতি-দাওয়াতের সচিত্র বর্ণনা মনোমুগ্ধকর হয়েছে প্রিয় দেশি আপু। 'ফ্রি বাস সার্ভিস'টা পড়ে আমিও বেশ আবেগাপ্লুত হলাম। আমাদের ফাটা কপাল। ধরুন, সরকার বড়ো শহরগুলোতে 'গরীবদের জন্য ফ্রি বাস সার্ভিস'-এর ব্যবস্থা করলো; সেই বাসে ধনীরা না উঠলেও কোনো গরীব উঠতে পারবে না এটা শিউর করে বলা যায়; সেখানে উঠবে কিছু সন্ত্রাসী, যারা ওটাকে ভাড়া-তোলা বাসের মতোই ব্যবহার করে নির্বিঘ্নে ভাড়া তুলতে থাকবে। তবু চাই, সরকার অন্তত এ ধরনের কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করুক।

শুভেচ্ছা আপু।

০৭ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১:৫৬

জুন বলেছেন: ছাই ভাই প্রথমেই এত কষ্ট করে এসে আমার পোষ্ট দেখে মন্তব্য করেছেন ! আপনার আন্তরিক মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই দেশি ভাই ।
ফ্রি বাস কিন্ত লাল সরকারী বাসের মত একই ডিজাইনে তৈরী । কোন ভেদাভেদ নেই শুধু সামনের গ্লাসের উপর নীল রঙের ফ্রি বাস লেখাটি ছাড়া । এখানে রাজা থেকে শুরু করে তার পরিবারের সমস্ত সদস্যদের বিভিন্ন দাতব্য কার্যক্রম আছে । এছাড়াও সরকারতো বটেই সাধারন অনেক মানুষ খুবই দয়াশীল । আমাদের সেসব দেখা বা জোটার সৌভাগ্য নেই । ঠিকই বলেছেন সব কিছু আজ চাঁদাবাজদের দখলে ।
ভালো থাকুন আর সাথে থাকুন ।
একদিন বলবেন "ঐ কে আছোস ? ছাতি লাঠি নৈয়া আয়, নু যাই চল মেঘুলার হাটে" ।


২১| ০৫ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ১০:৩৩

নীলপরি বলেছেন: প্রতিটা ছবিই অসাধরণ লাগছে ।

০৭ ই জুলাই, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৫১

জুন বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ নীলপরি :)

২২| ০৫ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ১১:১২

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সবুজ ঘাসের চাদর পেরিয়ে অদুরে মাথা তুলে আছে পাম গাছ ছবিটি সবচেয়ে সুন্দর ।

০৭ ই জুলাই, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১১

জুন বলেছেন: এই ছবিটি আমারও খুব প্রিয় সেলিম আনোয়ার । মন্তব্যে অনুপ্রেরনার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভকামনা জানবেন ।

২৩| ০৫ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ১১:৩১

সোহানী বলেছেন: নেক্সট আসছি ফ্রি বাস আর খিচুড়ি খেতে কারন আমার রান্না খেলে আমার ত্রিসীমানায় আসবেন না.... সত্যিই দাওয়াত দেয়ার ভয়ে বলছি না। যাহোক বিনি পয়সায় ঘুরে আসলাম......... এবার ঈদ + কানাডা্র ১৫০ বছর জন্মদিন ছিল। ভালোই বন্ধ পেয়েছি এবং নায়াগ্রা সহ অনেক জায়গায় ঘুরতে গেছি... দেখি সময় পেলে পোস্ট দিবো।...++++++++++++++++

০৭ ই জুলাই, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩৩

জুন বলেছেন: জলদি আসুন সোহানী ভুনা খিচুড়ি খাইয়ে ফ্রি বাসে করে ব্যংকক ঘুরিয়ে আনবো সত্যি বলছি :) আমার রান্নাও তেমন কিছু না তবে আমার আপনজনরা খুব পছন্দ করে এটাই খুশী লাগে ।
হ্যা আমাদের প্রচুর আত্মীয় স্বজন কানাডায় থাকে । ফেসবুকে তাদের ছবিতে লাল মেপলের পাতায় আমার হোম পেইজ লাল হয়ে গিয়েছিল ।
অচিরেই নায়াগ্রা ভ্রমন নিয়ে আসবেন আশা করছি ।
আর প্রানবন্ত মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ সোহানী। সাথে থাকবেন আশাকরি সামনের দিনগুলোতেও ।







২৪| ০৬ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ১২:৫৯

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: আমার মত প্রবাসীদের কাছে ঈদের চেয়ে ছুটিটাই আনন্দের!!
অন্ততঃ রাতটাকে একান্ত করে পাওয়া।। জাগো, সারারাত, ভাবতেও পারো নিজের মত করে।। তাই সেই স্কুলজীবনের মতই আমি আজো,অফিস শেষের, ছুটির দিনের হিসেব কষি!!
আমি ব্যাক্তিগত ভাবে ইলিশ পোলাও বা হাস+খিচুড়ি পছন্দ করি।। খাওয়া-দাওয়ায়ও খেতাম।। এবার করেছিও তাই। তবে আগামীতে আর করবো না।। কারন এবার এমনটাই শুনেছি যে, যতদিন পারিস খেয়ে যা।। অর্থাৎ সিনিয়র হিসাবে এটুকুও জুনয়রদের কাছে বাহুল্য!!
তবে আপনার পোষ্টে লাইক দিতে ভুল করি নাই,(জুনিয়রদের মত)।।

০৭ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৮:৫৮

জুন বলেছেন: সচেতনহ্যাপী প্রথমেই আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন এক আন্তরিক মন্তব্যের জন্য । প্রবাসী বলেই নয় বয়সও একটা ফ্যাক্টর ঈদের আনন্দ উপভোগ করার জন্য। এখন সন্তানদের আনন্দেই আমাদের আনন্দ । তবে সারা সপ্তাহ পরিশ্রমের পর একটুখানি ছুটির জন্য শরীর আর মন উন্মুখ হয়ে থাকে এটা সত্য ।
ইলিশ পোলাও ঈদে করি না। কাটা বলে বাচ্চারা খেতে চায় না জানেনই তো আজকাল ছেলেপুলেদের কাছে মুরগী আর মাংস ছাড়া আর কিছু আছে কি ? প্রতিদিন প্রতিবেলা খেলেও তাদের রুচি ফিরে না । তবে ইলিশ মাছের মৌসুম যেমন এই সময়ে বৃষ্টির রিমঝিম শব্দের সাথে ইলিশ পোলাও অনাবদ্য।
খাওয়া-দাওয়ায়ও খেতাম।। এবার করেছিও তাই। তবে আগামীতে আর করবো না।। কারন এবার এমনটাই শুনেছি যে, যতদিন পারিস খেয়ে যা।। অর্থাৎ সিনিয়র হিসাবে এটুকুও জুনয়রদের কাছে বাহুল্য!! আমি অত্যন্ত দুঃখিত আপনার এ কথাগুলোর অর্থ বুঝতে পারি নি সচেতনহ্যাপী ।
পোষ্ট পড়া মন্তব্য সাথে লাইক অনেক অনেক খুশী হয়েছি । শুভেচ্ছা রাত্রির ঃ)

২৫| ০৬ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৯:৫২

সারাফাত রাজ বলেছেন: আপু, পড়তে পড়তে মনে হয়েছে ওই জায়গাতে চলে গেছি।

আপু, কন্ডো মানে কি?

ফ্রী বাস!!
আহারে! আমাদের দেশের টাকাওয়ালা বাস থেকেও ঘাড় ধরে নামায়।

পার্কটা কি সুন্দর শান্ত, সিগ্ধ, নিরিবিলি।

ভালো থাকবেন আপু। অনেক ধন্যবাদ।

আপু, চীনে জালনোট নিয়ে লেখাটা এখনো খুজে পাইনি। সরি। পেলে আপনাকে লিঙ্ক দেবার চেষ্টা করবো।

০৭ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৯:৪২

জুন বলেছেন: সারাফাত রাজ আসেন আমরা থাকতে থাকতে । আপনাকেও না হয় ঘুরিয়ে আনবো একদিন :)
কন্ডো হলো কন্ডোমিনিয়ামের সংক্ষিপ্ত যাকে আমরা বলি এপার্টমেন্ট ।
ফ্রী বাস নেই আমাদের দেশে তা এক দিক দিয়ে ভালোই বলা যায় । না হলে ঐ যে উপরে ছাই ভাই বলেছে চলে যেতো চাঁদাবাজ মাস্তানদের হাতে । গরীবদের চড়ার সৌভাগ্য হতো না কখনো ।
পার্কটা সত্যি সুন্দর । প্রতারনা চাইনীজ স্টাইল লেখার লিংক যখন পাবেন তখনই দিয়েন । অত অস্থির হওয়ার দরকার নেই । আর এমন ঘটনাতো হামেশাই হচ্ছে ।
আপনিও ভালো থাকুন, শুভেচ্ছা রাত্রির।

২৬| ০৬ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ১০:০৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আমাদের দেশে কবে সেই নেতা হবে
কথা না বড় হয়ে কাজে বড় হবে!

আমাদের দেশ ঘুরে গিয়ে পর্যটক
লিখবে এমন পোষ্ট আহা কি যে সখ :)

বরাবরের মতোই অসাধারন পোষ্টে ++++ (অদৃশ্য নয় কিন্তু ;) ১৭তম) হা হা হা

০৮ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ১০:৪৮

জুন বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু আমাদের দেশে সেই নেতা কখনই আসবে না
যারা কাজে না বড় হয়ে কথায় বড় হবে না । টিভি আর পেপার খুল্লেই দেখি নেতাদের উন্নয়নের ফিরিস্তি । কিন্ত বাস্তব আমি আপনি সবাই জানি ।
আমাদের দেশে বিদেশী পর্যটক ঘুরে গিয়ে কি বলবে ! আমরাই তো কিছু বলতে পারি না । বিছানাকান্দি রাতারগুলের কি অবস্থা স্বচক্ষে এসেছি । উচ্চস্বরে মাইক বাজিয়ে স্থানীয় পর্যটকদের নৌকায় আগমনের সাথে চিপসের প্যাকেট, বাদামের খোসা আর পানির বোতলে ছয়লাব রাতারগুলের ওয়াচ টাওয়ারের সিড়ির কোনাগুলো । সাথে পানের পিক আর সিগারেটের অবশিষ্টাংস। এখানে সিগারেট খেলে ২০০০ বাথ জরিমানা । মামা বলে পকেটে পাচ টাকা ঢুকিয়ে দিয়ে পার পাবার কোন সুযোগ নেই । চিন্তা করি আমেরিকা কানাডাও না ইউরোপের কোন উন্নত দেশ ও না । আমাদের বাড়ীর পাশেই প্রতিবেশী একটি দেশ আর আমাদের দেশ । ইভেন এত বছর সামরিক শাসনে থাকা বার্মাও আমাদের চেয়ে অনেক অনেক পরিচ্ছন্ন আর পর্যটক বান্ধব দেশ। আপনার দুই লাইনের মন্তব্য আমার ভেতরের ক্ষোভ আর দুঃখগুলোকে উস্কে দিল।

দৃশ্যমান প্লাসের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ভৃগু । সাথে থাকবেন সেই প্রত্যাশায় :)

২৭| ০৬ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ১০:৩৩

আজীব ০০৭ বলেছেন: আসাধারন অনেক যত্ন করে সুন্দরভাবে কাব্যিক উপস্থাপনা আপনার।
শুভকামনা রইল

০৮ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ১১:৫৬

জুন বলেছেন: আজীব ০০৭ আপনি এর আগে আমার ব্লগে এসেছিলেন কিনা মনে করতে পারছি না । প্রথম এসে থাকলে স্বাগত জানাই ।
সুন্দর এবং আন্তরিক মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে ।
শুভেচ্ছান্তে

২৮| ০৬ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১২:০২

সামিয়া বলেছেন: পড়তে যেমন ভালোলেগেছে তেমনি ছবি গুলো ও ভালোলেগেছে। এরকম আনন্দময় সুস্থ সুন্দর সারাবছর কাটুক সেই দোয়া করি।।

০৮ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১২:০০

জুন বলেছেন: ভালোলাগার জন্য অনেক অনেক ভালোলাগা রইলো ইতি সামিয়া । এই বয়সে আর কিছুর চেয়ে সুস্থ থাকার দোয়াই কাম্য :)
শুভেচ্ছান্তে ----

২৯| ০৬ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১:৪২

নায়না নাসরিন বলেছেন: সুন্দর ছবি আপু ++++

০৮ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১২:১৯

জুন বলেছেন: আন্তরিক ধন্যবাদ নায়না নাসরিন সাথে থেকে নিয়মিত মন্তব্যের জন্য :)
শুভকামনা রইলো ।

৩০| ০৬ ই জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৫:৫০

নিশাত১২৩ বলেছেন: জুন,
বিদ্রহী ভৃগুর পোস্টে মন্তব্যের ঘরে আপনার পোস্ট দেখে আসলাম। প্রবাসের ঈদের ঘটনাগুলো বর্ননা বেশ ঝরঝরে প্রানবন্ত লিখেছেন। মোরগ ফুলের নকশাটি মন ছুয়ে গেল। প্লাস ।

০৮ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১২:২০

জুন বলেছেন: এত কষ্ট করে খুজে পেতে এসে আমার লেখাটি দেখার জন্য আমার অশেষ ধন্যবাদ জানবেন নিশাত১২৩ ।
জী মোরগ ফুলের আইডিয়াটি সত্যি চমৎকার । প্লাসের জন্য আবারো ধন্যবাদ ।

৩১| ০৬ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৯:০৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: রান্নার সরঞ্জাম নেই, নিজেদের খাবারের ঠিক নেই তাই কোন রকমে তাকে নিরস্ত করি - এই নিরস্ত করার কাজটা যে কী ঝামেলার বাবা! বুঝতে পারছি- তার উচ্ছ্বাস উৎসাহ আর আপনার নিরস্ত করার প্রয়াস, দুটোরই কারণ।
কিন্ত খিচুড়ির ঝরো বাতাসে তার করুন আবেদন একেবারে ছাও ফ্রায়া নদীতে ভেসে গেলো - :( আহা, বেচারা!
“কেনো পারবো না! আজবতো! আমি কি কোনো নবাব নন্দীনি”! - বাহ, চমৎকার বলেছেন তো!
"এখানে এই অভিনব কাঠের চেয়ারে খানিকটা বসে উপভোগ করুন এই নির্জনতাকে" -- কাঠের চেয়ারগুলো সত্যিই অভিনব।
খুব ভাল লাগলো। + +

০৮ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১২:২৪

জুন বলেছেন: প্রথমেই ধন্যবাদ সেই ভুটান থেকেও আমার সামান্য লেখাটি আপনার নজর এড়ায়নি বলে খায়রুল আহসান ।
কাঠের চেয়ারগুলোর নকশা সত্যি ব্যাতিক্রমী । দুদিকে আবার টিন চারটি পাখির বাসা তৈরী করে রেখেছে যেন ।
আপনার মন্তব্য আর দু দুটো প্লাসের জন্য আবারো ধন্যবাদ :)

৩২| ০৬ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৯:২০

খায়রুল আহসান বলেছেন: তারপর থেকে নেট আতিপাতি করেও ভালো একটা ছবি পাই নি (৪ নং প্রতিমন্তব্য) -- ব্লগার শায়মা'র রান্নাবান্নার ব্লগ খুঁজলে হয়তো পেতে পারতেন! :)
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই এর মন্তব্যটা ভাল লেগেছে (২০ নং)।

০৮ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১২:২৯

জুন বলেছেন: আরেকবার এসে খিচুড়ির ছবির ব্যাপারে সাহায্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন খায়রুল আহসান । আমি মটরশুটি দিয়ে খিচুড়ি রেধেছিলাম যা আমাদের অনেক প্রিয়। আর শায়মা কখনো এটা রান্না করে নি তাই আমাদের ব্লগের রত্ন রন্ধন-পটিয়সী প্রিয় ব্লগার শায়মার পোষ্ট খুজলে মনে হয় পেতাম না :(
জী ছাই ভাই সব সময় খুব আন্তরিক মন্তব্য করে থাকেন সবাইকে ।
আবারো ধন্যবাদ জানবেন ।

৩৩| ০৬ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ১০:৩০

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: এককথায় অসাধারণ

০৮ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৮:২৯

জুন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আমার লেখাটি পড়া ও মন্তব্যের জন্য ফরিদ আহমেদ চৌধুরী ।
শুভকামনা রইলো ।

৩৪| ০৭ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ১২:৩৬

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: ঈদের আনন্দ ভালো লাগা সময় গুলো মনে করে আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য কৃতজ্ঞতা আপু। বুনা খিচুড়ি সাথে মুরগির বুনা, নিঃসন্দেহে ভালো লাগার মতো খাবার। ভালো লাগলো আপনার উপস্থাপন কথামালা।

সুন্দর সুন্দর প্রাণবন্ত প্রকৃতিজ ছবিগুলো দেখার সুযোগ দেয়ার জন্য কৃতজ্ঞ আপু। খুব সুন্দর মানসম্পন্ন একজন ফটোগ্রাফার সেটা বলতেই হয়। ভালো লাগা রইল পুরো পোষ্ট জুড়ে।
নাম না জানা ফল গাছের পাতা অনেকটা আম পাতার মতো মনে হল আপু।
সবমিলিয়ে মুগ্ধতা রইল আপু। প্রিয়তে থাকুক প্রিয় আপুর ঈদ আনন্দ।

শুভেচ্ছা জানবেন আপু, শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা সবসময়।

০৮ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৮:৩৫

জুন বলেছেন: আপনার মন্তব্যটি পড়ে মনে হলো অনেক মনযোগ দিয়ে পড়েছেন সাথে খুটিয়ে খুটিয়ে ছবিগুলো ও দেখেছেন । অসংখ্য ধন্যবাদ নাইম জাহাংগীর নয়ন । দেশে থাকলে সাধারনত পোলাও মাংস কোর্মা সেমাই ফিরনী এসব হয় । কিন্ত স্বল্প সময়ের জন্য প্রবাসে অনেক কিছু পাওয়া সম্ভব হয় না । তাই খিচুড়িই ভরষা ।

না ভাই ফলটা আম না । পরে জানলে আপনাকে জানিয়ে আসবো । পোষ্ট পড়া মন্তব্য সাথে প্রিয়তে নেবার জন্য অনেক অনেক ভালোলাগলো । আগামীতেও সাথে থাকবেন বলে আশা করছি ।
শুভেচ্ছা রাত্রির ।

৩৫| ০৭ ই জুলাই, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫২

চাঁদগাজী বলেছেন:


ধন্যবাদ, ছবি দেখলাম; ছবির মেয়েগুলো কি ঐ এলাকার?

০৮ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৮:৩৭

জুন বলেছেন: জী চাঁদগাজী এরা এখানে এই এলাকারই । অন্য কোন দেশের নয় । ধন্যবাদ আরেকবার এসে মতামত জানিয়ে যাবার জন্য ।

৩৬| ০৭ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৮:৩৪

মেহবুবা বলেছেন: বাকরুদ্ধ ।
অনেকে কত কত বেড়াতে যায় অথচ তারা তোমার মতো করে দেখে না আর আমাদের দেখায় না। তোমার চোখের আড়ালে মনের ভেতর যে চোখ আছে তা যতনে থাক ।

০৮ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৮:৪১

জুন বলেছেন: বহুদিন পর পরিচিত মুখগুলো দেখে কি যে ভালোলাগে তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না।
আরেক প্রিয় মুখ সুরঞ্জনাও যে কোথায় হারিয়ে গেল আর আসে না ।
অল্প কথায় এত সুন্দর একটি মন্তব্যে আমার বুকটা ভরে গেল। অনেক ভালো থেকো আর মাঝে মাঝে যেন তব দেখা পাই সেই প্রত্যাশা থাকলো :)
শুভেচ্ছা জেনো ।

৩৭| ০৭ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ১০:৪৬

সুমন কর বলেছেন: ...আশা করি, কাল ঘুরতে আসবো ;)

০৯ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৮:১৫

জুন বলেছেন: সুমন কর আপনার আগের মন্তব্যটির উত্তর আজ দিচ্ছি যখন আপনি কাল আসার কথা বলে এসেও গিয়েছেন ।
আমি লজ্জিত আমার ঢিলেমীর জন্য । :``>>
শুভেচ্ছা সকালের ।

৩৮| ০৭ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ১১:৩০

আহমেদ জী এস বলেছেন: জুন ,




শুরুতেই বলেছিলুম - " আসছি পরে আবার .............."

দেরী হয়ে গেলো বলে গাল ফোলাবেন না । গাল ফোলানোর কথা আমার , হিংসায় । এতো মজা করে " খিচুলি" আর "চিকেন কালি" বানিয়ে খেলেন ঈদের দিনে আবার পরেরদিন ঘুরতেও গেলেন এক সবুজের মেলায় । হিংসে তো হবেই কারন এই ঈদে আমি ছিলুম একা । "খিচুলি" বানানোর কেউ ছিলোনা । আর" ইনভাইতেশন" করার ও কেউ ছিলোনা । রাতে বানিয়ে রাখা ফিরনী ( কিছু না হলেও ওটা বানাতে হয় কারন ফিরনী ছাড়া ঈদের কথা জন্মেও শুনিনি B-) ) খেয়ে গাড়ী নিয়ে ১০ মিনিটে উত্তরা ঘোরা শেষ । আপনি সবুজ অরন্যে হারিয়ে গেলেন আর আমি ইট পাথরের রাস্তায় রাস্তায় বেহুদা ঘুরলুম । আর ফিরে এসে দুপুরে নাক টেনে , চক্ষু বুজে ঘুম । ঈদের দিন শেষ ।

যাক এই দুঃখ উধাও হলো বিশাল এক মাটির পাত্র থেকে জলধারার আদলে বের হয়ে আসা লাল হলুদ মোরগ ফুলের দল দেখে । কি চমৎকার আইডিয়া , তাইনা ?

ঈদ আর পরে আপনার হারিয়ে যাওয়ার মতো মধুর কাহিনী না হলেও আমার এ ঈদযাপন কাহিনী মনে হয় মন্দ নয় !!!!!!! /:)

শুভ রাত্রি ।

০৯ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৮:২১

জুন বলেছেন: কথা দিয়ে কথা রেখেছেন সত্যি বলতে কি আপনি একজন ট্রু জেন্টেলম্যান ।
পার্ক ভ্রমণ বিশেষ করে ঐ মোরগ ফুলের ঝরনা ধারাটি আপনারও নজর কেড়েছে জেনে খুব ভালো লাগ্লো । যে কোনো শিল্পীদের কাছেই এক অপরূপ সৃষ্টি।
না আপনার ঈদও খারাপ কাটে নি । ফিরতি মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন ।

৩৯| ০৮ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৯:৩০

সুমন কর বলেছেন: ঘুরতে এসে বেশ লাগল। সবুজের সমাহার, খিচুড়ি, ম্যানেজারের আন্তরিকতা, ফ্রি বাস ভ্রমণ, সুয়ান লুয়াং রামা নাইন পার্ক পরিদর্শন, বৈচিত্রময় অর্কিড ও ক্যাকটাস, কবুতর, নিরবতা.......উপভোগ করলাম।

লেখার মাঝে মাঝে কিন্তু দেশের কথাও তুলে ধরেছেন।

ঈদ-কড়চা ভালো লাগল।

০৯ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৮:২৭

জুন বলেছেন: সুমন কর,
আপনার প্রথম মন্তব্যের জবাব দেবার আগেই দ্বিতীয় মন্তব্য এসে পড়ায় আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি ,
জী অনেক সুন্দর আর রক্ষনাবেক্ষনের কারনেই এত সুন্দর রয়েছে এদেশের বেশিরভাগ পার্কগুলোই । যা আমাদের দেশে ধ্বংস হচ্ছে প্রতিনিয়ত হাতে গোনা দু একটি পার্ক । বড় উদাহরন রমনা পার্ক বোটানিক্যাল গার্ডেন যা আগের দেখার সাথে এক বিশাল পার্থক্য রয়েছে । এখানে পার্কে বসে সিগারেট খেলে ২০০০ বাথ জরিমানা এবং তা কখনোই ৫ টাকার বিনিময়ে ছাড়া পাওয়ার যোগ্য নয় । সেখানে আমাদের পার্কে সিগারেটতো দুরের কথা বসে গাজা মদের আড্ডা বলেই শুনেছি ।
যাই হোক অনেক কিছু লিখে ফেললাম সুযোগ পেয়ে ।
আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন সাথে শুভকামনাও

৪০| ০৮ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ১১:২২

খায়রুল আহসান বলেছেন: প্রথমেই ধন্যবাদ সেই ভুটান থেকেও আমার সামান্য লেখাটি আপনার নজর এড়ায়নি বলে -- আমি এখন দেশেই আছি, ভুটানে নয়। পোস্টটা লিখেছিলাম কিছুটা ঢাকা বিমান বন্দরে, বেশীর ভাগটা প্লেনে বসে আর বাকীটুকু পারো বিমান বন্দরে এবং হোটেলে এসে। লেখার তারিখ, ১৫ মে ২০১৭ (তারিখটা পোস্টের নীচে উল্লেখ আছে)।
তবে লেখাটা সামুতে প্রকাশ করেছি ০৫ জুলাই ২০১৭ তারিখে, ভুটান ঘুরে আসার প্রায় দেড় মাস পর।

০৯ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৮:৩১

জুন বলেছেন: খায়রুল আহসান আমি প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আমার ভুলের জন্য । বুড়ি হয়েছিতো তাই হয়তো চোখে পড়েনি আপনার পোষ্টের নীচের ক্ষুদে ক্ষুদে লেখাগুলো :`>
আপনার ভুটান ভ্রমণ নিয়ে পরবর্তী পোষ্টের অপেক্ষায় । মিলিয়ে দেখি আমার দেখা ভুটানের সাথে ঠিক অমনটি আছে কি !
আবার এসে ভুল টুকু ধরিয়ে দেবার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ জানবেন ।
শুভেচ্ছান্তে --

৪১| ০৯ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ১:১২

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: খাওয়া-দাওয়ায়ও খেতাম।। এবার করেছিও তাই। তবে আগামীতে আর করবো না।। কারন এবার এমনটাই শুনেছি যে, যতদিন পারিস খেয়ে যা।। অর্থাৎ সিনিয়র হিসাবে এটুকুও জুনয়রদের কাছে বাহুল্য!! এটা আমাদের সময়ের ভুনা খিচুরীর জন্য প্রসিদ্ধ সাথে হাঁস।। গুলিস্তান মোড়ে।। মেয়ে পছন্দ করতো না বলে বাদ!! খাওয়া কি কন্যার পছন্দের চেয়ে বড়!!

০৯ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৮:৩৬

জুন বলেছেন: হা হা হা খাওয়া দাওয়া যে রেস্তোরার নাম সেটাই বুঝতে পারি নি সচেতনহ্যাপী :)
আদিযুগের মানুষ বলে গুলিস্তানের বিখ্যাত দোকান পুর্নিমার নামই শুনেছি । আর আমাদের আত্মীয়দের মুখে শুনেছি সেখানে নাকি এক বিখ্যাত রেস্তোরা ছিল রেক্স নামে । রেক্সের কাবাবের মত কাবাব নাকি আর কেউ বানাতে পারতো না ।
হাসের মাংস আমারও খুব প্রিয় । সে নিয়ে আছে এক মহা কাহিনী । সময় সুযোগ বুঝে একদিন ব্লগে লিখবো সাথে থাকবেন আশা করি।
ফিরে এসে ভুল শুধরে দেয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন । শুভকামনা সব সময়ের জন্য ।

৪২| ০৯ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৮:৩৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: হাঁসের মাংস নিয়ে আপনার মহাকাহিনীটা জানার খুব কৌতুহল হচ্ছে, জুন

১০ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৮:৫৮

জুন বলেছেন: লিখবো সময় করে খায়রুল আহসান, খুব ঝামেলায় আছি । তবে তেমন কোন মহাকাহিনী কি আর আমার দ্বারা লেখা সম্ভব বলুন ?
তারপর ও -------

৪৩| ০৯ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৯:৪৯

শামছুল ইসলাম বলেছেন: ফুলের অনিঃশেষ স্রোতধারায় মুগ্ধ, মুগ্ধ আপনার ঈদ ও ভ্রমণের অনিঃশেষ বর্ণনায় ।

প্রিয়তে নিলাম ।

১০ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৯:০৩

জুন বলেছেন: আপনার মুগ্ধতার কথা জেনে আমিও অনেক খুশী হয়েছি শামসুল ইসলাম , কারন সেই ফুলের স্রোতধারাটি আমাকেও যারপরনাই বিস্মিত করেছিল তার চমকপ্রদ অভিনবত্বে ।
অনেক অনেক ধন্যবাদ মনযোগী পাঠ, মন্তব্য আর প্রিয়তে নেয়ার জন্য ।সবসময় সাথে থেকে উৎসাহিত করার জন্য আরেকদফা ধন্যবাদ জানবেন।

৪৪| ১০ ই জুলাই, ২০১৭ ভোর ৪:৫৪

জসীম অসীম বলেছেন: অসাধারণ এই পোস্ট আপনার। এতোই ঋদ্ধ যে, আমি ভাষাহীন। বিবরণ লিখতে পারলাম না। আশ্চর্য হয়েছি নান্দনিক এবং নৈসর্গিক সব ছবি দেখেও। লেখায়, ভাষায়, ছবিতে, রঙে এতো পুষ্ট পোস্ট সচরাচর দেখা যায় না। বিরল পোস্ট। পুষ্ট। তপ্ত মন। তুষ্ট প্রাণ। ধন্যবাদ।
================================
আর এই মতামতটি পোস্ট নিয়ে নয়: আমার ব্যক্তিগত:
ভাই, এই ব্লগে (সামু) আমি নতুন ব্লগ লিখতে গেলে একটি লেখা আসে। লেখাটি হলো: [একটি ভুল পাওয়া গেছে
you are not allowed to post anything in this blog]. কিন্তু কেন? এই সমস্যা শুরু হয়েছে ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর বিকাল ৩টায় একটি নর্মাল পোস্ট দেওয়ার পর থেকে। তারপর আর আমি এই ব্লগে নতুন কোনো ব্লগ লিখতে পারি না। এ বিষয়ে কোনো সহযোগিতা করতে পারলে কৃতজ্ঞ থাকবো। এই ব্লগের মডারেশন স্টেটাসে কখনো আমাকে এক-দুইবার ব্লক করা হলেও বর্তমানে আমি কর্তৃপক্ষের কোনো প্রকার ওয়াচে নেই। আমার অবস্থান [সেফ]। তবে কারো লেখায় আমি আবার নিজ মতামত লিখতে পারছি। তাতে কোনো সমস্যাই হচ্ছে না। সুতরাং এ বিষয়ে আমার জন্য কিছু করনীয় থাকলে জানাবেন। আমার ই-মেইল: jashim_apurbo@yahoo.com ভালো থাকবেন।

১০ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৯:০৬

জুন বলেছেন: আমার পোষ্ট নিয়ে আপনার প্রশংসায় খুব খুশী হয়েছি জসীম অসীম । ধন্যবাদ আপনাকে ।
আর আপনার দ্বিতীয় অংশটির জন্য এডমিনে জানাতে পারেন । আমি অনেক বছর এই ব্লগে থাকলেও এসব ব্যাপারে আমার জ্ঞ্যান খুব সীমিত। যার জন্য তেমন কোন দিক নির্দেশনা দেয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয় । ধন্যবাদ ও শুভকামনা।

৪৫| ১০ ই জুলাই, ২০১৭ ভোর ৪:৫৮

জসীম অসীম বলেছেন: এ লেখা পড়ে তৃপ্ত মন। তুষ্ট প্রাণ। ধন্যবাদ।

১০ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৯:০৭

জুন বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।

৪৬| ১০ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ১১:৩৬

গেম চেঞ্জার বলেছেন: ‘থ্যাংকিউ মামা ফল ইনভাইতেশন কা, আই লাইক ইয়োল চিকেন কালি এন্ড খিচুলী কা’!

হাঃ হাঃ হাঃ :-B

কবিগুরু কেন বলেছেন সেটা জানি না, তবে আমার মনে পড়ে গেল----
মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভুবনে,
মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।
এই সূর্যকরে এই পুষ্পিত কাননে
জীবন্ত হূদয় মাঝে যদি স্থান পাই!


ঈদ কড়চার ফাঁকে ফাঁকে জেনে নিলাম আমাদের দুলাভাইটাকেও ;) ইন কন্ট্রোলে যে রাখেন। B-))

থ্যাংকিউ ফো দ্য পোস্ট! :)

১০ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ১১:৫৪

জুন বলেছেন: এতদিন পরে আমাকে মনে করে আসার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ গেম চেঞ্জার । কিন্ত মন্তব্যের সাথে বা লেখার সাথে আপনার দেয়া রবীন্দ্র নাথের কবিতাটির প্রয়োগ কি কারনে তা বুঝে উঠতে পারি নি । মগজে ঘিলু কম :(
না দুলাভাই নিয়ে আপনার বড্ড ভুল ধারনা । আসলে উপকরনের অভাবেই তার চাহিদাটি পুরন হয়নি ।
শুভকামনা রইলো ।

৪৭| ১০ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১২:১৭

সারাফাত রাজ বলেছেন: আপু, আপনার নিমন্ত্রনে আমি সত্যিকারভাবে অভিভূত। :) :)
মনেহচ্ছে এক্ষুনি চলে আসি।

আপু, তাহলে আমাকে নিয়ে একটা লেখা লিখতে হবে কিন্তু। :-B

অনেক অনেক ভালোবাসা জানবেন আপু। আল্লাহ আপনার ভালো করুন।

১২ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৮:৩১

জুন বলেছেন: নিমন্ত্রন দিলে এমন করেইতো দেয়া উচিত তাই নয় কি সারাফাত রাজ :)
আমাদের সাথে ঘুরবেন তা নিয়ে সামুতে কিছু না লিখলে সবাই কি বলবে :-*
আরেকবার এসে মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন । মহান আল্লাহ রাব্বুল আলআমীন আপনাকেও ভালো রাখুন সেই দোয়া করি। মানুষের জীবন কত নশ্বর তা যদি আমরা একটু ভাবতাম তাহলে হয়তো দুনিয়ায় এত অশান্তি হতো না।
শুভেচ্ছা --

৪৮| ১০ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৯:২৩

গেম চেঞ্জার বলেছেন: মিনিং আসবে কেন!! এটা মনে পড়ে গেল, সৌন্দর্য দেখে!... এই......

১২ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৯:০৯

জুন বলেছেন: না গেম চেঞ্জার আপনি খুব দ্রুত খিচুড়ি থেকে পার্কে চেঞ্জ করে গিয়েছেন তো তাই ধরতে পারিনি :``>>
ভাবলাম খিচুড়ির ভেতর কবিতা এসে পরলো কি করে B-)
আরেকবার এসে বিষয়টি ক্লিয়ার করে যাবার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ :)

৪৯| ১১ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ১০:৩৩

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: শুভ্র হাঁসের নকশার প্যাডেল বোটগুলো দেখে খুব ভালো লাগলো। আর অসচ্ছল মানুষের জন্য ফ্রি বাসের ব্যবস্থাটা সত্যিই মানবিকতার দৃষ্টান্ত। আমরা তো কল্পনাও করতে পারি না।

চমৎকার ছবিগুলোর সাথে সাবলিল বর্ণনা পড়ে মুগ্ধ হলাম। ধন্যবাদ বোন জুন।

১২ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৯:১৩

জুন বলেছেন: হেনা ভাই আমাদের দেশেরও কয়েক জায়গায় এমন প্যাডেল বোট আছে, তবে তাদের যেমন উদ্ভট রঙ চং সাথে রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে জীর্ন দশা। আমরা কোন জিনিসের সৌন্দর্য্য বুঝি না ।
ফ্রি বাসের কথা জেনে আমারও অনেক ভালোলেগেছিল । এখানে রাজকীয় পরিবার থেকে শুরু করে সাধারন জনগন ও প্রচুর দাতব্য কাজের সাথে জড়িত ।
আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভকামনা থাকলো, ভালো থাকুন সব সময় ।

৫০| ১২ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৮:০৭

মোঃ মঈনুদ্দিন বলেছেন: ব্লগে অনন্য সাধারণ পোস্টের সাথে জিহ্বায় জল আনা রেসিপি! আর অসাধারণ বর্ণনা। প্রিয়তে নিয়েছি মাঝে মাঝে চেখে নিব। ধন্যবাদ।

১৩ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ১০:২৮

জুন বলেছেন: স্বাগতম আমার ব্লগে মোঃ মঈনুদ্দিন ।
পোষ্ট পড়া মন্তব্য আর প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই ।আমার লেখার সাথে থাকবেন ভবিষ্যতেও এই প্রত্যাশাই থাকলো ।
অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে ।

৫১| ১৬ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ১১:২১

দীপান্বিতা বলেছেন: বরাবরের মত ভাল লাগল ----ঈদের অনেক ভালবাসা নেবেন :)

২১ শে জুলাই, ২০১৭ সকাল ৭:৪২

জুন বলেছেন: ভালোলাগার কথা শুনে আমার মনটাও ভালোলাগায় ভরে উঠলো দীপান্বিতা :)
ঈদের বিলম্ব শুভেচ্ছা আপনাকেও ।

৫২| ১৭ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ১:৫৯

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: আসলে আমি ধোকা দিয়েছি।। এখানে সিনিয়র হিসাবে জুনিয়রদের উইকএ্যান্ড বাধা থাকতো আমার বাসায়।। এলাকাসহ, আশেপাশের পরিচিতরা আসতো।।
ওদের জন্যে করতে হতো আয়োজন।। বিশেষ করে খিচুরী+হাঁস অথবা মুরগীর তেহারী।।
আমার এতো কষ্টের পরও শুনতে হয়েছে, যত পারিস খেয়ে যা (দু/চার জনের ভাষ্যে!!) তাই আমি আমার আপ্যায়নের নাম দিয়েছিলাম শুধুই "খাওয়া-দাাওয়া"।। তবে গুলিস্তানের মোড়ে কিন্তু এমনতর নামের একটি হোটেল সত্যিই ছিল, ভুনা খিচুরী+হাঁসের জন্য খ্যাত।।

২১ শে জুলাই, ২০১৭ সকাল ৭:৪৭

জুন বলেছেন: ওহ আসলেও সচেতহ্যাপী আমিও কিছুটা ধোকায় পরে গিয়েছিলাম এমন কথা শুনে :)
আবার কষ্ট করে এসে বিস্তারিত বলে গেলেন তার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
গুলিস্তানের এমন হোটেলের কথা আমি জানি না । অবশ্য সেখানেতো হাজার হাজার হোটেল রয়েছে তাই না ?
শুভকামনা রইলো সকালের । ভালো থাকুন অনেক অনেক আর খাওয়া দাওয়া চলতে থাকুক ভুনা খিচুড়ি + হাঁস #:-S

৫৩| ২১ শে জুলাই, ২০১৭ সকাল ৯:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:



থাইল্যান্ডের এক জেনারেল বিদেশে মেয়ে বিক্রয়ের জন্য ধরা পড়েছে মনে হয়।

২১ শে জুলাই, ২০১৭ সকাল ১০:১৫

জুন বলেছেন: চাঁদ্গাজী আশাকরি নিচের নিউজটি আপনি অবশ্যই ভালোভাবে পড়বেন । মেয়ে বিক্রির জন্য থাই জেনারেলকে দোষী সাব্যস্ত নয়। আরো ভালো করে জানতে হলে আপনি বিভিন্ন পত্রিকা দেখতে পারেন ।
Arrest order for top Thai army officer accused of trafficking Rohingyas

‘এক মুঠ ভাত আর এক কাপ পানি দিত। আরও পানি চাইলে রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করত। কেউ প্রতিবাদ করলে তাঁর মাথায় গুলি করে সমুদ্রে ফেলে দিত।’

দুই বছর আগে থাইল্যান্ডের উপকূলীয় গহিন অরণ্যে আটক অবস্থার এই ভয়াবহ বিবরণ দিচ্ছিলেন সেখান থেকে ফিরে আসা সুনামগঞ্জের জালাল। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে তিনি বলেন, যখন তাঁকে উদ্ধার করে ফিরিয়ে আনা হয়, তখন হাড়জিরজিরে শরীর দেখে তাঁকে চেনার উপায় ছিল না।

মালয়েশিয়ায় ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সংঘবদ্ধ মানব পাচারকারী চক্র দেশের বিভিন্ন জেলার শত শত মানুষকে পাচার করেছে। তাঁদের জাহাজে তুলে থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার সীমান্তবর্তী দুর্গম অঞ্চলে নিয়ে চালানো হয়েছে ভয়াবহ নির্যাতন। এভাবে নির্যাতন করে মুক্তিপণ আদায় করা হতো।

দুই বছর আগে এই চক্রের কর্মকাণ্ড ফাঁস হলে তোলপাড় শুরু হয়। পাচারে জড়িত চক্রের বিরুদ্ধে থাইল্যান্ডের একটি আদালত গত বুধবার দেশটির সেনাবাহিনীর এক জেনারেলসহ অর্ধশতাধিক আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন। অথচ বাংলাদেশের যাঁরা মানব পাচারে জড়িত ছিলেন, এ দেশে তাঁদের কেউ এখনো বিচারের মুখোমুখি হননি। ঢাকার আদালতে দায়ের করা এ-সংক্রান্ত তিনটি মামলার ব্যাপারে খোঁজ করে দেখা গেছে, দুটির তদন্ত শেষ হয়নি। পুলিশের পক্ষ থেকে বারবার আদালতের কাছে আবেদন করে তদন্তের সময়সীমা বাড়ি
view this link
সুত্রঃ প্রথম আলো ।

৫৪| ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ৯:১১

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: আপনি কতদিন যাবদ থাইল্যান্ড এ আছেন? অনেক লম্বা সময় যাবত ভ্রমন কাহিনী চলছে?

আমার খুব ঘুরার সখ। কিন্তু একা কোথায় ও যেতে পাড়ি নাহ। আর আমার বাসার, গার্লফেন্ড এর কথা মনে পড়লে বেহেস্তে যেত ও ইচ্ছে কড়ে নাহ।

২৫ শে জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১২:৪৩

জুন বলেছেন: মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন কলিমুদ্দি দফাদার ।
আমি থাইল্যান্ডে আসা যাওয়ার মাঝেই আছি বহু বছর ধরে।
এখানে বাসা বাড়ির মতই করে আছি । তবে ঢাকার বাসার কথা মনে হলেই দৌড়ে চলে যাই।
এই হলো দেশের কাছে থাকার সুবিধা :)

৫৫| ২৫ শে জুলাই, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩৬

ধ্রুবক আলো বলেছেন: পরের ঈদ কি দেশে করবেন না ব্যাংককেই?!

পোস্ট বরাবরের মতোই সুন্দর এবং বেশ পরিশ্রমী ।

১৮ নং কমেন্টের প্রতিউত্তর ভালো লাগলো +++
ভালো থাকুন।

২৫ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ৮:৪৫

জুন বলেছেন: ঠিক নেই ধ্রুবক আলো । তবে আসার ইচ্ছে আছে প্রচুর ।
পোষ্ট ভালোলাগা ও মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ।
আপনিও ভালো থাকুন সেই দোয়া করি ।

৫৬| ২৬ শে জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১২:৪৮

ঢাকাবাসী বলেছেন: প্রচুর শ্রম আর অন্তর দিয়ে খাটাখাটনি করে অপুর্ব সুন্দর লেখা, দারুণ সব ছবি। ম্যানেজারের কথা শুনে শ্রদ্ধায় আমার মাথা নুয়ে আসলো। আর আমাদের দেশের সাধারন মানুষ পয়সা দিয়েও সেবা পায়না। বড় ভাল লাগল কথাগুলো। আমাদের দেশের ঐ শ্রেনীর মানুষগুলোর কথা ভাবার কেউ আছে বলে মনে হয়, শুধু ভাষনের সময় ছাড়া। ধন্যবাদ।

২৬ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ৮:৪০

জুন বলেছেন: আমার দেশের জন্য আমার অনেক মায়া লাগে। দেশতো কোন অন্যায় করে না, করে মানুষ। আমি বছরের পর বছর বাংলাদেশের আনাচে কানাচে ঘুরেছি । এমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য এত বৈচিত্র খুব কম দেশেই আছে। সিলেটের হাওর চা বাগান, পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়, কক্সবাজারের সমুদ্রের গর্জন , সুন্দরবনের অপার সৌন্দর্য্য কোনটার কথা রেখে কোনটার কথা বলি। এত সুন্দর একটি দেশ শুধু কিছু দুর্নীতিপরায়ন রাজনৈতিক ব্যাক্তির জন্য এই হাল। ভীষন কষ্ট হয় ভাবলে।
আপনি ঠিকই বলেছেন আমাদের দেশের ঐ শ্রেনীর মানুষগুলোর কথা ভাবার কেউ আছে বলে মনে হয়, শুধু ভাষনের সময় ছাড়া। । ঐ শ্রেনী না স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ ছাড়া কারো কথা ভাবারই তাদের সময় নেই ।
বরাবরের মত আন্তরিক মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ ঢাকাবাসী

৫৭| ২৬ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ৯:৫৯

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন: লেখায় অসাধারণ শিল্পগুণ । ঈদের উপলক্ষে পারফেক্ট দিন যাপন ।

যদিও লেট তারপরও ঘুরে এসে বেশ ভাল লাগলো । থাই বেশ শৃংখল দেশ মনে হলো।

২৮ শে জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৫:২৯

জুন বলেছেন: আমার লেখায় আপনার মন্তব্য পেয়ে খুব খুশী হোলাম কথাকথিকেথিকথন ।
হ্যা জাতি হিসেবে বেশ ভদ্র।
শুভকামনা জানবেন সন্ধ্যার।

৫৮| ৩০ শে জুলাই, ২০১৭ সকাল ১১:৩৮

দীপান্বিতা বলেছেন: :)

৩০ শে জুলাই, ২০১৭ সকাল ১১:৪৪

জুন বলেছেন: :) :)

৫৯| ৩০ শে জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১২:৫০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: জুন আপু খুব বেশি দেরী হয়নী ,জুলাই তেই মন্তব্য করলাম কিন্তু :P
চমৎকার প্রকৃতি আর মানুষের গল্প !!

৩০ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ৮:০৩

জুন বলেছেন: সেটাই দেখলাম মনিরা একটুর জন্য ট্রেন মিস করেন নি ;)
পোষ্ট পাঠ, মন্তব্য আর প্লাসের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ :)

৬০| ৩১ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ৮:০৫

নীল-দর্পণ বলেছেন: এত চমৎকার, সাজানো গোছানো থাকে আপনার সব লেখা ! খুব ভল লাগল।
কেমন আচেন? ভাল নিশ্চই? :)

৩১ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ৮:৪৪

জুন বলেছেন: নীল-দর্পন, পুরোনো মানুষদের দেখলে অনেক ভালোলাগে আর মন্তব্য পেলেতো কথাই নেই ।
আমি আছি চলে যাচ্ছি কোনরকম । আপনি ভালোতো ?? আগের মত আর দেখি না আপনাকে ।
ভালো থাকবেন আর নিয়মিত হবেন আশাকরবো :)
শুভেচ্ছা রাত্রির ।

৬১| ০২ রা আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১২:০০

ফেল কড়ি মাখ তেল বলেছেন: আপা বিনয়ের সাথে জিজ্ঞেস করছি, থাইল্যান্ড যে আপনার ২ন্ড হোম দুদক কি জানে? P এমনিতে তো দেশের সব টাকা বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্চে? এখম আপনি যদি সচেতন নাগরিক হয়ে দেশের টাকা দিয়ে থাইল্যান্ড যেয়ে ট্যংরা মাছের ঝোল খান থাহলে কিভেবে দেশের উন্নয়ন হবে? :P

০২ রা আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১২:১৩

জুন বলেছেন: আমি তো ভাই ট্যাংরা মাছ খাইতেছি , রাঘব(রুই) বোয়ালের কথা কখনো বলি নাই কিন্ত :)
দুদকের ডর দেখায়েন্না ভাই ফেল কড়ি :-&
নিশ্চিন্ত থাকেন আমাদের এমন কোন সম্পদ নেই যা পাচার করার মত :P তদন্ত করে কিছু না পেয়ে শেষে হয়রানির জন্য আমাদের বিরুদ্ধে চাই কি মামলা করতে পারে #:-S
অবশ্যই আমরা আইনগত ভাবেই এখানে থাকি ফেল কড়ি /:)
আপনি আমার ব্লগে এসেছেন তার জন্য স্বাগত জানাই সাথে অশেষ ধন্যবাদ ফ্রি :)

অটঃ ডর দেখায় গেলেন কিন্ত প্লাস দিলেন না দেখলাম :||

৬২| ০২ রা আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১২:৪৬

প্রামানিক বলেছেন: অসাধারণ ছবি। খুব ভালো লাগল। ওখানে মুসলিম মেয়েরা কিভাবে চলাফেরা করে?

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৮:২৭

জুন বলেছেন: মন্তব্য ও ভালোলাগা দেয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ প্রামানিক ভাই। এখানে মুসলিমরা খুব স্বাভাবিক ভাবেই চলাফেরা করে । উপরে ১৮ নং মন্তব্যে সহ ব্লগার চাঁদগাজীর মন্তব্যের উত্তরটি দেখতে পারেন । বিখ্যাত একটি শপিং মলে হিজাব পড়া মেয়েদুটো স্বাভাবিকভাবেই শপিং করতে এসেছে।

৬৩| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:১৭

কাল্লে জাকোলা বলেছেন: আপনি ফিনল্যান্ডে বেড়াতে আসতে পারেন। আপনার ভাল লাগবে ফিনল্যান্ডের গ্রীষ্মকাল।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৫

জুন বলেছেন: আমার ব্লগে স্বাগত জানাই আপনাকে কাল্লে জাকেল্লা ।
জী চেষ্টা করবো গ্রীষ্মকালে ফিনল্যান্ড বেড়াতে যেতে :)

৬৪| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৭

মোঃমোজাম হক বলেছেন: বহুদিন পর এসে ভেবেছিলাম আমার মতো অনেকেই সামু ছেড়েছে; তাই উনাদের পোষ্ট নেই।কিন্তু প্রিয় অনুসারিতের মধ্যে প্রথমেই আপনার পোষ্টে এলাম।
সেই ইবনে বতুতার স্টাইল, সঙ্গে শত শত অনুসারিত পাঠক নিয়ে আগের মতোই মনমাতানো আড্ডা। ভাল লাগলো আপা।ভাল থাকবেন। ধন্যবাদ

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৮

জুন বলেছেন: বহু বহুদিন পর আপনাকে দেখে কি যে ভালোলাগলো মোজাম ভাই তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না ।প্রথমেই সামুতে এসে আমার পোষ্ট পড়েছেন শুনে খুব খুব ভালোলাগলো । সামুতে আছি সময় কেটে যায় আর কি । মাঝে মাঝে পুরনো সহ ব্লগারদের দেখলে কত স্মৃতি মনে পড়ে যায় যেমন আজ আপনাকে দেখে মনে পড়লো আপনার প্রবাস জীবন নিয়ে মজার মজার লেখাগুলোর কথা।
আপনি এখনো কি প্রবাসী নাকি দেশে চলে এসেছেন ? আপনার ছেলেমেয়েরা এত দিনে নিশ্চয় বড় হয়ে গেছে ।
মাঝে মাঝে প্রবাস জীবনের কিছু ঘটনা শেয়ার করলেও তো পারেন আমাদের সাথে :)
অনেক অনেক শুভকামনা রইলো , সুস্থ থাকুন আর ভালো থাকুন এই দোয়া করি ।

৬৫| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: জুন ,



অনেকদিন লেখা দিচ্ছেন না কিন্তু !



শুভেচ্ছান্তে ..............

০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:১৬

জুন বলেছেন: দেরী হয়ে গেল আপনার শুভেচ্ছার জবাব দিতে আহমেদ জি এস, আশাকরি কিছু মনে করবেন না ।
বন্ধুত্বের বাড়িয়ে দেয়া হাত চির অমলিন থাকুক :)
আপনাকেও আন্তরিক শুভেচ্ছা ।

চোখের কিছুটা সমস্যায় ভুগছি। ক্যাটারাক্টও নয় বলেছে ডাক্তার, গ্লুকোমা কি না বুঝতে পারছি না । আরেকবার ডাক্তার দেখানো ফরজ হয়ে গেছে । এসব কারনেই লেখালেখি বা ব্লগিং যাই বলুন কমে এসেছে । দোয়া করবেন যেন খারাপ কিছু না হয় ।

৬৬| ০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:২৩

জেন রসি বলেছেন: নেক্সট ভ্রমন কোথায় হবে? এমন কোন জায়াগা আছে যেখানে ভ্রমন করার ইচ্ছা আপনার এখনো পূরণ হয়নি? বা ভ্রমন করতে চান।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:২২

জুন বলেছেন: জেন রসি প্রায় বহুদিন পর আপনাকে আমার ব্লগবাড়ীতে এমনকি সামুতেও দেখলাম । খুব ভালোলাগে যখন পরিচিত মুখগুলো দেখি । কোরিয়া যাবার কথা ছিল। আমি আবার পুরনো ঐতিহাসিক শহর দেখতে পছন্দ করি । লাল নীল বাতিওয়ালা হাইরাইজ বিল্ডিং দেখতে আমার মন টানে না । তাই ভাবছি কই যাই :)
তবে গতকাল বিকেলেই ব্যংকক থেকে ১৫০ কিমি দুরের লপবুড়িতে থেকে ঘুরে আসলাম :)
মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ।

৬৭| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ২:০৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
আর কতদিন চলবে খিচুরী খাওয়া !!!
নেক্সস্ট ভ্রমন কখন হবে শুরু ।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:৩৫

জুন বলেছেন: খিচুড়ি নাকি গুরুপাক খাবার বলে শুনেছি, তাই পাঠকদের হজমের জন্য অপেক্ষা করছি ডাঃ এম আলী ;)
আপনার পরামর্শে লপবুড়ি ঘুরে আসলাম গতকাল । আপনার পোস্টে বিস্তৃত বর্ননা আপনি দিয়েছেন সবই।
সুতরাং আমি হয়তো আমার তোলা ছবি নিয়ে একটি ছবি ব্লগ দেবো । তবে চোখের সমস্যার কারনে বেশিক্ষন পিসির সামনে বসতে পারি না । দোয়া করবেন যেন গ্লুকোমা না হয়:)

৬৮| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:১২

অনন্য দায়িত্বশীল আমি বলেছেন: চমৎকার।

১০ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৮:৩১

জুন বলেছেন: স্বাগতম আমার ব্লগে অনন্য দায়িত্বশীল আমি । চমৎকার একটি মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ।

৬৯| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:০৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: দোয়া করি সুস্থ সুন্দর চোখের জন্যএতে যেন কোন গ্লোকোমা যেন না হয় ।
লুপবুড়িতে তো ফেসটিভাল হয় নভেম্বরে, সে সময় কি আবার যাবেন সেখানে ।
যাহোক আপনার তোলা সুন্দর সুন্দর ছবি দেখার অপেক্ষায় থাকলাম ।
শুভেচ্ছা রইল ।

১০ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৮:৩৭

জুন বলেছেন: আশাকরি আপনাদের দোয়ায় আমার এই সমস্যাটি থেকে অচিরেই মুক্তি পাবো ।
জি নভেম্বরে ফেস্টিভ্যাল হয় তবে আর যাবো না। ট্রান্সপোর্টের খুব সমস্যা । আর এখন মাইলের পর মেইল হাটতে কষ্ট হয় দুজনারই ।
খুব শীঘ্রই ছবি ব্লগ দেয়ার চেষ্টা করবো ভাই । আপনার জন্য আন্তরিক শুভকামনা । আর হ্যা আপনিও কিন্ত অনেকদিন লেখা দেন না খেয়াল করলাম । লিখুন লিখুন জলদি :)

৭০| ১০ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৮:৫৯

বিলিয়ার রহমান বলেছেন: সবুজ অরণ্যে হারিয়ে যেতে যেতে আপুনি দেখছি কবি হয়ে উঠেছেন!!!!:) আই মিন বর্ণনা গুলোতে বেশ কাব্যিক রংয়ে রাঙানো হয়েছে!:)

সুন্দর পোস্ট!:)

প্লাস!:)

১০ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:১৫

জুন বলেছেন: অনেক অনেকদিন পর আপনাকে দেখে খুব ভালোলাগলো বিলিয়ার রহমান :)
হারিয়ে গিয়েছিলেন কি বুড়ো বয়সে :-*
আশাকরি আবার নিয়মিত হবেন আর পোস্ট দিবেন আগের মতই চিত্তাকর্ষক কবিতায় ।
পোস্টে মন্তব্য আর ভালোলাগার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ।
তবে পোষ্ট এর মন্তব্যতে কি এই নিয়ম অনুসরন করেন্নাইতো B:-/
:):):)রেডিমেড ব্লগিং; যেভাবে না পড়ে কমেন্ট করবেন!!!:):):) :P

৭১| ১০ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:২৩

বিলিয়ার রহমান বলেছেন: সত্যি বলতে কি ভীষণ ব্যস্ত ছিলাম আপি। দুঃখের সাথে আরো জানাচ্ছি যে আবারো ব্যস্ত হয়ে যাবো!!!:)এই বছর হয়তো তেমন একটা নিয়মিত হতে পারবো না!! তবে ফ্রি হতে পারলে অবশ্যই ফিরে আসবো!:)

উপরের মন্তব্যে যে কোন ছলাকলা নেই তা প্রমান করতে নিচে কোট করা আপনার এই বক্তব্য টুকুনই যথেষ্ট হবে আশা রাখছি,
চারিদিকে শুধু গাছের পাতায় বাতাসের শর শর শব্দ, বিশাল গাছের সবুজ পাতার ভেতর থেকে ভেসে আসছে পাখীদের কলকাকলি। বিশেষ করে ঘুঘুদের গম্ভীর গলায় ঘু ঘু ডাক সেই গভীর নিস্তব্দতাকে ভেংগে চুড়মাড় করে ফেলছে ক্ষনিকের জন্য।

১০ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৪

জুন বলেছেন: হা হা হা আমি তো আপনার সাথে খানিকটা মজা করেছি বিলিয়ার রহমান :)
আপনার আগের মন্তব্য দেখেই বুঝেছি আপনি পড়েই মন্তব্য করেছেন #:-S
মেঘে মেঘে ব্লগে তো আর কম বেলা গেলো না B-)

আরেকবার আসা ও মন্তব্যটির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভকামনা জানবেন ।

৭২| ১০ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১২:৩৭

বিজন রয় বলেছেন: জুন আপা, অনেক কিছু জানলাম।
চোখ জুড়িয়ে গেল।

আপনি কি যাযাবর?

১১ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৩২

জুন বলেছেন: হা হা হা বিজন রয় এতদিনেও দেখেননি আমার ব্লগের মাথার উপরই লিখে রেখেছি ইবনে বতুতার ব্লগ :`>
ভুপেন হাজারিকার মত বলরে পারেন আমি এক যাযাবর, পৃথিবী আমায় আপন করেছে ভুলেছি নিজের ঘর - তবে পৃথিবীর খুব ক্ষুদ্র একটি অংশেই পায়ের চিনহ আঁকতে পেরেছি ।
পোষ্টটি ভালোলাগার জন্য আন্তরক ধন্যবাদ ও শুভকামনা জানবেন :)

৭৩| ১০ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:২৭

মাহবুবুল আজাদ বলেছেন: কোন একদিন যাব, তবে যাব। অনেক অনেক ভাল লাগা।

১১ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৩৯

জুন বলেছেন: অবশ্যই যাবেন মাহবুবুল আজাদ । আশাকরি আমার মতই ভালোলাগবে আপনারও :)
পোষ্টটি দেখা ও কিছু কথা লিখে রেখে যাবার জন্য অশেষ ধন্যবাদ জানবেন ।

৭৪| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:১০

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন:


শুভ কামনা আপনার জন্য রাত্রির ।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৭:৪৮

জুন বলেছেন: শুভসকাল আপনার জন্যও :)

৭৫| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৮:৪৫

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

ব্লগের ইবনে বতুতা কর্তৃক আরেকটি অনবদ্য ভ্রমণ পোস্ট। থাইল্যান্ডের সবজায়গায় খালি ভূমিবল আর তার সন্তান সন্ততিদের ছবি। রাজাকে শ্রদ্ধা জানাবার জন্য বিভিন্ন শপিংমলে আলাদা ব্যবস্থা। এবার দু'মাসের ব্যবধানে যেতে হলো দু'বার। দ্বিতীয়বার বেড়িয়েছি। পোস্ট দেবার দরকার মনে করি নি, কারণ আমাদের জুন আপার পোস্টে সবই আছে।

নেট থেকে আমাদেরকে খিচুড়ি খাওয়াচ্ছেন... আর হংস বলাকায় না চড়েই আমাদেরকে ছবি দেখাচ্ছেন। খুবই ভালো। ;)


ঝুনাপ্পি! কেমন আছেন? অনেক দিন কথা হয় না।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১০:০১

জুন বলেছেন: বহু বহুদিন পর আপনাকে ব্লগে দেখে কিযে ভালোলাগলো বলার নয় । থাইল্যান্ড ঘুরে গেলেন একটা আওয়াজ দিতেন । হয়তো জবাব দিতেও পারতাম সুযোগ পেলে :) লিখেন কই কই গেলেন কি করলেন ।
থাইল্যান্ডের সবজায়গায় খালি ভূমিবল আর তার সন্তান সন্ততিদের ছবি। রাজাকে শ্রদ্ধা জানাবার জন্য বিভিন্ন শপিংমলে আলাদা ব্যবস্থা। থাকবে না কেন মাইনুদ্দিন মইনুল ! এই সুযোগে আমি একটু যোগ করে নেই। ফেসবুকে একজন লিখেছে তার এক বিদেশী বন্ধু জিজ্ঞেস করেছিল " তোমরা রাজাকে কেন এত ভালোবাসো" ? উত্তর দিয়েছিল "তোমার প্রশ্নটি এক সেকেন্ডের কিন্ত এর উত্তর এত বড় যে সারাদিন লাগবে তোমার শুনতে , তোমার কি এত সময় আছে !
এক মুহুর্তের জন্য পরাধীন হয়নি এই একটিমাত্র দেশ শুধু তাদের রাজা বিশেষ করে গ্রেট কিং চুলালংকর্নের ( রামা ৫) এর অসাধারন রাজনৈতিক জ্ঞান ও কৌশলে। নিয়মতান্ত্রিক রাজতন্ত্র হওয়া সত্বেও তাদের পরিবারের প্রতিটি সদস্য জনগনের সেবায় দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে কি পরিমান কাজ করে তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস হয় না। তারা যদি তাদের ছবি না টাঙ্গিয়ে রাখে তবে আর কিছু বলতে চাই না ছবি টাঙ্গানো নিয়ে । শুধু শপিং মল কেন ! প্রতিটি বাসাবাড়ি দোকানপাট খুজে পাবেননা তাদের ছবি নেই , বিশেষ করে রামা নাইন ভুমিবলের ।
রাজার মৃত্যুর কিছুদিন পর আমি তখন ব্যংককে । হঠাৎ গুজব উঠলো অসুস্থ রানীর অবস্থাও আশংকাজনক । আমি একজনকে প্রশ্ন করলাম যদি কোন বিপর্যয় ঘটে তবে কি তাদের দুজনার একই সাথে শেষকৃত্ব অনুষ্ঠিত হবে ? দৃঢ়স্বরে বল্লো "না আমাদের রাজা আমাদের দেশে র‍্যাংকিং এ সবচেয়ে উচ্চাসনে, তারপরই রানী । সুতরাং যেনতেন ভাবে দুজনার অনুষ্ঠান একদিনে সেরে ফেলবে এমন প্রশ্নই উঠে না'।
রাজা ভুমিবলের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে সবাই তার প্রিয় ফুল নিবেদন করবে তার জন্য স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে বিভিন্ন শপিং মলে কাগজের ফুল বানিয়েছে বহুদিন ধরে । আমিও অনেকগুলো বানিয়েছি, দেখুন ।

মহিলারা বসে ফুল বানাচ্ছে তাদের প্রিয় রাজার জন্য ।

আমিও অবসরে অনেক বানিয়েছি তার থেকে চারটা ফুলের ছবি দিলাম :)

আর খিচুড়ির কথা বইলেন্না এরপর ও দুবার খিচুড়ি রান্না করলাম কিন্ত সবাই এমন ঝাপিয়ে পড়ে খাবার জন্য যে ছবি তোলার কথা মনেই থাকে না । ভাব্বেন্না মজা হয় বলে ;)
আর বুড়ো বয়সে এই সব বলাকা টলাকা চড়া কি ঠিক B:-/

৭৬| ২০ শে আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:৪৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: ব্লগার শামছুল ইসলাম এর লেখা কবিতাঃ মাটির টান পোস্টে আপনার মন্তব্য (৯নং) পড়ে অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম যে আমার আজকের পোস্ট ভয় পাইও আপনার মন্তব্যের সাথে মিলে গেছে।

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:২৭

জুন বলেছেন: আপনার মন্তব্যটি চোখ এড়িয়ে গেছে তার জন্য দুঃখিত খায়রুল আহসান ।
হ্যা এমনটি মাঝে মাঝে অনেকে সময়ই হয় । জানিয়ে যাবার জন্য অশেষ ধন্যবাদ ।

৭৭| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৫৩

মুনাতাকিম সাইফ বলেছেন: আপনার খিচুড়ির কথা পড়ে খুব ভাল লাগল। আমিও একজন থাইল্যান্ড প্রবাসি। রান্নার ঝামেলা এড়ানোর জন্য প্রাই খিচুড়ি রান্না করি। আপনাকে ধন্যবাদ।

০৩ রা নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৫৮

জুন বলেছেন: তাই নাকি আপনিও আমার মত ঘরের কাছের পরবাসী । আমি অবশ্য রিঠা মাছ , শোল মাছ , মাগুর মাছ , লৈট্টা শুটকী বেগুন দিয়ে । ফুলকপি ভাজি বরবটি ভর্তা । ধনেপাতার ভর্তা সবই এখন করি । কতদিন আর খিচুড়ি খাওয়া যায় !
মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.