নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

The best and most beautiful things in the world cannot be seen or even touched - they must be felt with the heart---Helen Keller

জুন

ইবনে বতুতার ব্লগ

জুন › বিস্তারিত পোস্টঃ

সমগ্র থাইল্যান্ডবাসীকে আরেকবার কাঁদিয়ে বিদায় নিলেন কিম্বদন্তীতুল্য মহান রাজা ভুমিবল

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১১:৩২


কল্পিত স্বর্গের আদলে তৈরী রাজা ভুমিবলের স্বর্নালী অগ্নিশয্যা ফ্রা মেরু মাস জ্বলে ওঠার জন্য প্রস্তত
ছাব্বিশে অক্টোবর ২০১৭ বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের জনগনের জন্য ছিল এক চিরস্মরণীয় দিন। বছরব্যাপী শোক পালনের পর এবার প্রানপ্রিয় রাজা ভুমিবলকে সশরীরে স্বর্গে পাঠিয়ে দেবার পালা আসলো। আপামর থাই জনগনের দৃঢ বিশ্বাস যে তাদের রাজা একজন দেবতা সুতরাং ২০১৬ এর ১৩ই অক্টোবর মৃত্যুর পরপরই তাঁর আত্মা স্বর্গে চলে গিয়েছে। এবার তাঁর নশ্বর দেহটিও স্বর্গবাসী আত্মার সাথে মিলিত হতে পারে তার জন্য সারা বছর ধরে রাজ্য জুড়ে আয়োজন করেছিলো এক মহাযজ্ঞের।

ওগো মা রাজার দুলাল যাবে আজ শেষবার তাঁর ঘরের সন্মুখ পথে
শোকাকুল জনগনের প্রতি সরকারী অনুরোধ ছিল এক মাসের জন্য কালো পোশাক পরার। থাই জনগন কেবল একমাসই নয়, গত একটি বছর ধরে কালো পোশাকে নিজেদের আবৃত করে শোক প্রকাশ করেছে। এটা কারো নির্দেশে নয়,করেছে তাদের ভেতরের আবেগ, শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায়। থাই জনগনের একমাত্র ভরসার জায়গা ছিল তাদের রাজা ভুমিবল যিনি বর্তমান চক্রী বংশের নবম রামা উপাধীতে ভুষিত। নিয়মতান্ত্রিক রাজা হয়েও দেশের সবার কাছে ছিলেন সর্বোচ্চ সন্মানের আর ভালোবাসার একজন, ছিলেন চুড়ান্ত ঐক্যের প্রতীক। দেশের দূঃসময়ে বারবার তিনি দৃঢ় হাতে হাল ধরেছিলেন, দিয়েছিলেন দিকনির্দেশনা যা অমান্য করার সাহস হয়নি কখনো কারো। আর এটা ছিল শুধু মাত্র দেশের প্রতি, তাঁর জনগনের প্রতি গভীর মমতার জন্য।

রোদের আলোয় ঝলমলে
সোনার সিংহাসনে বসেও তিনি ছিলেন মাটির কাছাকাছি, ছিলেন তাঁর প্রিয় প্রজাদের হৃদয়ের একান্ত গভীরে। তাঁর সত্তর বছরের দীর্ঘ রাজত্বকাল জুড়ে অমানুষিক পরিশ্রম ও মেধা দিয়ে কৃষিকাজে প্রাচীন রীতি নীতির উপর নির্ভরশীল থাইল্যান্ডের জনগনকে বিশ্বে একটি আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে দাঁড় করিয়ে রেখে গেছেন। উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে তার সাফল্য ছিল ঈর্ষনীয়, যার জন্য জাতিসংঘের মহাসচিব কফি আনান তাঁর হাতে আজীবন সন্মাননা স্মারক তুলে দেয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন। তার প্রতিষ্ঠিত সাফিসিয়েন্সী ইকোনমির সুফল আজ ভোগ করছে সমগ্র থাইবাসী।

আমি ভিক্ষে করে ফিরতেছিলাম গ্রামের পথে পথে, তুমি তখন চলেছিলে তোমার স্বর্নরথে ।
অপুর্ব এক স্বপ্ন সম লাগতেছিল চোক্ষে মম, কি বিচিত্র শোভা তোমার কি বিচিত্র সাজ।
আমি মনে ভাবতেছিলাম এ কোন মহারাজ !


রাজা ভুমিবলের জন্য প্রস্তত অগ্নিশয্যা ফ্রা মেরু মাস
থাই শিল্প ও সংস্কৃতির প্রধান এক পৃষ্ঠপোষক রাজা ভুমিবলের প্রয়ানের সাথে সাথেই শুরু হয় কত আড়ম্বর আর কত সুন্দর ভাবে তাঁর শেষ কৃত্যের আয়োজন করবে তার বছরব্যাপী পরিকল্পনা। রাজপরিবারের জনপ্রিয় মুখ, আজন্ম রাজার সকল উন্নয়ন কাজের সাথী প্রিয় কন্যা মহাচাক্রী শ্রীনির্ধন ছিলেন এই কমিটির প্রধান, যাকে নির্বাচন করেছিলেন বর্তমান রাজা মহাভাজিরালংকর্ন।

দেশের মানুষের জন্য নিবেদিত রাজার প্রতীক
থাই আর্ট এন্ড কালচারের প্রধান ডিজাইনার Korkiat Thongphut ও art technician Theerachat কে রাজা ভুমিবলের মৃত্যুর পর পরই নির্দেশ দেয়া হয় তাঁর শেষ শয্যা তৈরীর জন্য। চোখের জল মুছে তারা দুজন সহযোগীদের নিয়ে শুরু করেন এই নকশাঁর কাজ। অনেক ভাবনা চিন্তা আর বাছাইয়ের পর অবশেষে রাজবাড়ির পাশেই ৭৩ হেক্টর জায়গা জুড়ে সানাম লুয়াং নামে যে বিশাল খোলা চত্বরটি রয়েছে সেখানে তৈরী করা হলো অসাধারন নান্দনিক নকশাঁর সেই স্থাপনাটি যা ফ্রা মেরু মাস নামে তারা নামাকরন করেছেন।

রাজার প্রতি অসীম ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা নিয়ে গড়ে তুলছে তার চির বিদায়ের স্থানটি।
শতাব্দীর শ্রেষ্ঠতম অগ্নিশয্যাটি তৈরী করতে বৌদ্ধ এবং হিন্দু মিথের আশ্রয় নিয়েছেন শিল্পীরা। নীল সমুদ্রের মাঝে ৫৩ মিটার উচু এবং ৬০ মিটার প্রস্থ জুড়ে অপুর্ব কারুকার্য্য আ্রর ভাস্কর্য্যে সাজানো স্বর্নালী স্বর্গীয় স্থাপনাটি বৌদ্ধ ধর্মের কল্পিত স্বর্গ মেরু পর্বতের আদলে তৈরী করা হয়েছে। এতে পৌরানিক কাহিনীর অনেক চরিত্রর সাথে যুক্ত করা হয়েছে রাজার প্রিয় দুই কুকুরকে যার একজন তোংদায়েন যাকে নিয়ে রাজা একটি বইও লিখেছিলেন। প্রায় এক বছর ধরে থাইল্যান্ডের বাঘা বাঘা শিল্পীদের দিন রাতের দক্ষ হাতের ফসল রাজার বিদায় অগ্নিশয্যা।

পৌরানিক চরিত্রের ভাস্কর্য্য
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কালো পোষাকে আপাদমস্তক ঢাকা লাখো জনতার ঢল শুরু হয়েছিল রাজকীয় প্রাসাদের আশেপাসে। যে পথ দিয়ে রাজার দেহটি নিয়ে সোনায় মোড়ানো অপরূপ কারুকার্য্যময় বিজয় রথটি যাবে তা এক নজর দেখার জন্য অনেকেই তিনদিন ধরে কখনো গা পুড়ে যাওয়া রোদ মাথায় নিয়ে রাজার ছবি হাতে বসে আছে নির্বাক। তাদের চোখ বেয়ে মাঝে মাঝে গড়িয়ে পড়ছে অশ্রুধারা যা কখনোবা ঢল বৃষ্টি এসে ধুইয়ে দিচ্ছে কোন অতিলৌকিক করুনাময় হাতের পরশ নিয়ে।


পথের ধারে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে আছে রাজার ছবি বুকে নিয়ে অসীম ধৈর্য্যের সাথে।
এই রথে যে থাকবে তাদের প্রিয় রাজার নিস্তব্দ দেহখানি। শেষবারের মত ছুটে এসেছে কালের সাক্ষী হতে, শুধু একবার চোখের পানিতে কম্পিত ঠোটে, হৃদয় মন্থন করে বিদায় বলবে মনে মনে।

উড়িয়ে ধ্বজা অভ্রভেদী রথে, ঐ যে তিনি ঐ যে বাহির পথে ।

আমি ২২ শে অক্টোবর এলাকাটির আশপাশ থেকে ঘুরে এসেছি। তখন চলছিল রাস্তার দুপাশ জুড়ে ফুলের কারুকাজ। লাখো লাখো ফুলের মেলা বসেছিল চওড়া সেই পথের দুপাশের ফুটপাত জুড়ে। সরকারী ভাবে ঘোষনা করা হয়েছিল বিদেশীদের যাওয়াতে নিষেধ নেই তবে সানাম লুয়াং চত্বরে ঢুকতে হলে কঠোর ড্রেস কোড মেনে চলতে হবে। এছাড়াও পাসপোর্ট সাথেতো নিতেই হবে ।

যাতায়তের ব্যাপারটিও মাথার মধ্যে ছিল। সরকার সাধারন নাগরিকদের যাতায়তের সুবিধার্থে শহরের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে প্রচুর সাটল বাসের ব্যাবস্থা করেছে কিন্ত বাসের গায়ে থাই ভাষায় লেখা পড়ে গন্তব্য খুজে বের করা সম্ভব নয়।তাছাড়া আমার শারিরীক অবস্থাও তা পারমিট করছিলো না । সুতরাং টিভিই ছিল আমাদের মত অনেকেরই ভরষা।

রাজ প্রাসাদে যাবার পথের দু পাশে অপুর্ব নকশায় ফুলের সারি

টিভিতে দেখলাম এই যে প্রায় তিন লাখ সাধারন মানুষ সেখানে উপস্থিত তারপরও কোন ঠেলাঠেলি ধাক্কাধাক্কি, বিশৃংখলার কোন দৃশ্য নজরে এলো না।জায়গায় জায়গায় বিনে পয়সায় খাবার দিচ্ছে, পানীয় দিচ্ছে, স্বাস্থ্য সেবা দিচ্ছে কিন্ত সবাই সুন্দর লাইন বেধে তা পালন করছে। এমন কিছু করছে না যাতে রাজার প্রতি অসন্মান দেখানো হয়।

সারিবদ্ধ কালো পোশাকে থাই বাসীরা
২৬শে অক্টোবর ২০১৭ ভোরে আমরা টিভি খুলে বসেছি। পাঁচদিন ব্যাপী এই পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন ভুমিবলের একমাত্র পুত্র ও তাঁর উত্তরাধিকারী দশম রামা রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন। সকাল সাতটায় রাজার আগমনের সাথে সাথে পাঁচদিনব্যাপী শেষকৃত্য অনুষ্ঠান শুরু হলো দুসিত মহাপ্রসাদ থর্ন হলে। এই হলে যেখানে চন্দন কাঠের কফিনে রাজার দেহ সংরক্ষিত ছিল গত একটি বছর প্রিয়জন আর দেশবাসীর শ্রদ্ধায় আর ভালোবাসায়। রাজার কল্যান কামনা করে ধর্মীয় গ্রন্থ ত্রিপিটকের বানী উচ্চারিত হয়েছে অনুক্ষন বৌদ্ধ ভিক্ষুদের মুখ থেকে। আজও তার ব্যাত্যয় হয়নি।


দুসিত মহাপ্রসাদ থর্ন হল যেখানে গত এক বছর ধরে ছিল রাজার কফিন
স্ত্রোত্র পাঠ শেষে আজও রাজা প্রতিদিনের মত তাদের খাবার ও জাফরানী রঙের নতুন কাপড় দান করলেন। সমস্ত আনুষ্ঠানিকতা পালন করলেন একে একে । এবার নতুন রাজার অনুমতি নিয়ে রাজা ভুমিবলের কফিনের প্রতীক রাজকীয় উরন তুলে নিলেন বিজয় রথে যে রথটি আমি তৈরী অবস্থায় দেখে এসেছি ব্যাংকক মিউজিয়ামের একটি বিশেষ কক্ষে ।

একে একে নিভিছে দেউটি

ম্লান মুখে তাকিয়ে আছে রাজার কন্যারা। বাঁ দিক থেকে আজন্ম পিতার পথের অনুসারী মহাচাক্রী শ্রীনির্ধন , ডানে অপর কন্যা প্রিন্সেস উবলা রত্না রাজকন্যা


মিউজিয়ামের ভেতরে দেখে এসেছি নিখুত কারুকাজে সাজিয়ে রাখা বিজয় রথ আর পালকীগুলো যা রাজার দেহ বয়ে নিয়ে যাবে অগ্নিশয্যায়

আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরন ধুলার পরে

সেই স্বর্নালী রঙের বিজয় রথটি টেনে নিয়ে গিয়েছিল লাল পোশাকের ৫০০ সদস্যের ড্রাম বাদক দলটি, মতান্তরে ২১৬ জন। এই দলে শরিক ছিলেন রাজকীয় চিকিৎসক সিরিরাজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ডিন, ছিলেন শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত রাজার চিকিৎসায় নিয়োজিত জনৈক চিকিৎসক। পাঁচশ জনের মধ্যে আরেকজনের কথা উল্লেখ না করলেই নয় সে ছিল রাজা ভুমিবলের বহুদিনের পুরনো ব্যাক্তিগত গাড়ীচালক যে কিনা গাড়ীর স্টিয়ারিং এর বদলে রথের দড়ি ধরে টেনে টেনে শেষবারের মত গন্তব্যে পৌছে দেন তার প্রিয় মালিককে।

রাজার সার্বক্ষনিক চিকিৎসক অশ্রুসজল চোখে দেশের ৬ কোটি জনগনের উদ্দেশ্যে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন "রথের রশিতো সবাই ধরতে পারবে না, আমার হাতটিই হবে আপনাদের সবার হাত"

সুর ভক্ত রাজা ভুমিবল ছিলেন চল্লিশটির উপর গান ও সুরের রচয়িতা। যে সুরের প্রতিধ্বনী আপনি এখানের আনাচে কানাচে কান পাতলে শুনতে পাবেন। নিপুন কারুকার্য্যময় সোনার উরনটি বিজয় রথের উপর বসিয়ে ড্রামের তালে তালে টেনে নেয়ার মিছিল পরিচালনার জন্য তাঁর কম্পোজ করা সুর থেকে তিনটি সুর বেছে নিয়েছিলেন কতৃপক্ষ।


জ্যাজ মিউজিকের ভক্ত ও নিজের গড়া ব্যান্ড দলের সদস্য রাজা ভুমিবল


সেই সুরের প্রতি ভালোবাসা তাঁর বৃদ্ধ বয়সের ছবিতেও দেখা যায়।
তবে কফিন বা উরনটি বয়ে নিয়ে যাওয়া ছিল প্রতিকী। এটি হচ্ছে প্রাচীন আয়ুথিয়া রাজত্বকাল থেকেই থাই রাজাদের একটি প্রথা। আগের দিনে নিয়ম ছিল রাজাদের মৃত্যুর পর না পোড়ানো পর্যন্ত খাড়াভাবে হাত পা বেঁধে হাত জোড়ের ভংগীমায় এই উরনের ভেতর বসিয়ে রাখা। বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্যও একই ব্যাবস্থা। তবে রাজা ভুমিবলের শেষ ইচ্ছে অনুযায়ী তাকে চন্দন কাঠের কফিনে শোয়ানো অবস্থায় রাখা হয়েছিল।

উরনের ভেতর মৃতদেহ রাখার পদ্ধতি ।

এটা ছিল প্রতিকী রাজকীয় উরন
পিতা ভুমিবলের লাশবাহী সেই বিজয় স্বর্ন রথের পেছনে পেছনে বর্তমান রাজা মহাভাজিলালংকর্ন এর নেতৃত্বে তাঁর দুবোন মহাচাক্রী শ্রীনির্ধন ও উবলারত্না রাজকন্যা, দুই মেয়ে প্রিন্সেস বাজরক্তআভা ও শ্রীভান্নাভারী নারীরত্না সহ থাই রয়েল এয়ারফোর্স, থাই রয়েল নেভী, থাই আর্মি, কিংস পার্সোনাল বডিগার্ড, পুলিশ ও মিলিশিয়া বাহিনীর সদস্যরা রাজার সৃষ্ট সুরের তালে তালে ধীরে ধীরে মার্চ করে যাচ্ছিল। ধীরে ধীরে প্রতীকি উরনটি নিয়ে বিজয় রথের সেই অল্প দুরত্বে পাড়ি দিতে দুপুর হয়ে এসেছিল।

থাই সৈন্য বাহিনীর সারি
বিজয় রথটি স্বর্নালী সেই প্রতীকি স্বর্গপুরীর সামনে এসে দাড়ানোর পর প্রতিকী উরনটি পুলির সাহায্যে উপরে তার জন্য নির্ধারিত স্থানে বসানো হলো। যে অবিশ্বাস্য দক্ষতা আর সুশৃংখলতার সাথে সব কিছু একে একে সম্পন্ন হচ্ছিল তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস হয়না। এরই মাঝে সবার অগোচরে রাজার কফিনটিও এনে রাখা হলো সেখানে । এরপর কিছুটা বিরতি দিয়ে বিকেলে এসে স্থাপনাটিতে বাতি জালিয়ে গেলেন নতুন রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন। মুহুর্তের মাঝে আলোয় ঝলমল করে উঠলো পুরো স্থাপনাটি।

কফিনটি বসিয়ে দেয়া হলো মুল চত্বরে।
এই অনুষ্ঠানে প্রায় চল্লিশটি দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহন করেছিল সম্পুর্ন স্বইচ্ছায়। পেপারে পড়েছি তারা কাউকে অফিসিয়ালী আমন্ত্রন জানায়নি, তবে কেউ যদি নিজ আগ্রহে আসে তবে তাকে সাদর আমন্ত্রন জানাবে। তারা জানিয়ে দিয়েছে তাদের প্রথম অগ্রাধিকার নিজ দেশের জনগনের অংশগ্রহন। সেই প্রত্যাশার মুল্য দিয়েছে সানাম লুয়াং ও আশেপাশে হাজির হওয়া তিন লাখ মানুষ।

বিশ্ব প্রতিনিধিদের মাঝে হলুদ ফিতায় সস্ত্রীক ভুটানের রাজা জিগমে খেসার ওয়াংচুক সামনের সারিতে বসা

রাজা ও যথাক্রমে তার তিন বোন কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর একে একে সব দেশের প্রতিনিধিরা সেখানে উঠে ফুল দিয়ে রাজার প্রতি তাদের শেষ শ্রদ্ধা জানান। তারপর সবাই রাজা ও তাঁর বোনদের সাথে করমর্দন করে শোক জ্ঞ্যাপন করেন। আমাদের বাংলাদেশের একজন প্রতিনিধিও গিয়েছিলেন। কিন্ত ক্যামেরা অত কাছে না হওয়ায় তাকে সেই মুহুর্তে চিনতে পারিনি।

যদিও সন্ধ্যা নামিছে মন্দ-মন্থরে, সব সুর গেছে থামিয়া। তবু বিহংগ ওরে বিহংগ মোর, এখনি অন্ধ বন্ধ কোরোনা পাখা।

রাত সাড়ে দশটায় চিতা্র অনল জলে ওঠার কথা, বিভিন্ন চ্যানেল সেই বিশাল প্রাঙ্গন থেকে রাজাকে উদ্দেশ্যে করে আবেগ ঘন গান, পৌরানিক কাহিনী নিয়ে মুখোশ নাচ হচ্ছে। সাঝ নেমে আসার আগেই চিতা প্রাঙ্গনে বাতি জ্বালিয়ে গেলেন নতুন রাজা।


মুহুর্মুহু কামানের গোলার শব্দে প্রিয় রাজার বিদায় বার্তা ঘোষিত হচ্ছে
রাত প্রায় বারোটা বাজে, তখন ভাবছিলাম কি হলো? ওরাতো ঘড়ির কাটা ধরে সব কিছু করছে তাহলে এখনো অগ্নি সংযোগ করছে না কেন! পরে জানতে পারলাম রাজপরিবারের ইচ্ছায় এই অনুষ্ঠানটি টিভিতে সরাসরি দেখানো হবে না। কিন্ত বিষয়টি আমরা জানতামনা।
পরদিন পেপারে দেখলাম রাত সাড়ে দশটায় শুধুমাত্র রাজ পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে দশম রামা রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন পুত্র হিসেবে তার মুখাগ্নি করেন।

দূর থেকে দেখা যাচ্ছে সেই স্বর্নালী স্বর্গপুরীর আগুন
পরদিন ২৭ শে অক্টোবর শুক্রবার সকাল ৮.৩০ মিনিটে বৌদ্ধ ভিক্ষু সহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে থাই রাজা ফিরে আসেন তাঁর পিতার ছাই হয়ে যাওয়া দেহবাশেষ কুড়িয়ে নিতে । টিভিতে দূর থেকে দেখা গেলো একটি উচু প্লাটফর্মে জড়ো করে রাখা কিছু হাড় ছাই। একটি একটি করে সেই হাড় তুলে নিয়ে পবিত্র পানিতে ডুবিয়ে একে একে পদ্মফুলের আকারের তিনটি সোনার পাত্রে সংরক্ষন করলেন।

রাজা মহা ভাজিলালংকর্ন তার পিতার দেহাবশেষ তিনটি পাত্রে পবিত্র পানি দিয়ে ধুয়ে ধুয়ে রাখছে।

মোট আটটি স্বর্ন পাত্রে পিতার দেহাবশেষ সোনার বরন পাল্কীতে করে পুর্ন মর্যাদায় আবার গ্রান্ড প্যালেসে ফিরিয়ে আনলেন তাঁর পুত্র এর একটি গ্রান্ড প্যালেসের ওয়াট ফ্রা খিউতে থাকবে আর বাকি দুটো থাইল্যান্ডের দুটো বিখ্যাত ও পবিত্র মন্দিরে রাখা হবে যার একটিতে তাঁর পিতা দীক্ষা নিয়েছিলেন ভিক্ষু হিসেবে।

রাতের আলোয় রাজপ্রাসাদ
মুল এই স্থাপনায় সবার আসা সম্ভব না ভেবেই সরকারী নির্দেশে তৈরী হয়েছে দেশের ৭৬ টি বিভাগে একটি করে ৭৬ টি রেপ্লিকা এবং বাকি নয়টি ব্যাংককে। ছাওপ্রায়া নদীর ধারে যেখানে আছে থাইল্যান্ডের বিশাল ফুলের বাজার, ঐতিহাসিক মেমোরিয়াল ব্রীজ ও ১ম রামার স্ট্যাচু সেখানে তৈরী রেপ্লিকাটি কাছ থেকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে আমার ।

ছাওপ্রায়া নদীর উপর মেমোরিয়াল ব্রীজের পাশে একটি রেপ্লিকা যেখানে আমি গিয়েছি ২৫শে অক্টোবর

রাজার উদ্দেশ্যে শেষ নিবেদন হিসেবে সব জায়গায় সারিবদ্ধ ভাবে থাইরা গিয়ে নির্দিষ্ট জায়গায় একটি করে চন্দন কাঠের তৈরী ফুল উৎসর্গ করেছে যার বেশ কিছু আমিও তৈরী করেছিলাম । প্রায় এক বছর ধরে দেশব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে বিভিন্ন শপিং মলে তৈরী হয়েছে এই লাখ লাখ ফুল ।

এখানে আমার বানানো ফুলও রয়েছে

মেমোরিয়াল ব্রিজের সামনের রাস্তায় পাশের ফুল দোকানীদের ফুল দিয়ে তৈরী থাইল্যান্ডের জাতীয় পতাকা

ফুল ব্যাবসায়ীরা ফুল দিয়ে রাজার পদবী ৯ অক্ষরটি সৃষ্টি করেছে
প্রায় তিন বিলিয়ন বাথ অর্থাৎ ৯০ মিলিয়ন ডলার খরচ হচ্ছে রাজার শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে। তাতেও থাইবাসীদের কোন অনুযোগ, অভিযোগ বা আক্ষেপ নেই। তাদের কথা হলো তাদের পিতা তাদের জন্য যা করেছে তার ভগ্নাংশও তারা তাকে ফিরিয়ে দিতে পারেনি, সারাজীবন শুধু নিয়েই গিয়েছে। থাইল্যান্ডের একটি প্রজন্ম রাজা হিসেবে ভুমিবলকেই জেনে এসেছে।

মেমোরিয়াল ব্রিজের দুধারে এমনি অর্কিডে সাদা হয়ে আছে পথ
আমার এদেশ ত্যাগ করার কথা ছিল এ মাসের মাঝামাঝি । শুধুমাত্র এই অনুষ্ঠানটি দেখার জন্য আমি যাত্রা পিছিয়েছি যার ফলে কোটি মানুষের অন্তর নিংড়ানো ভালোবাসা্র সাক্ষী হোলাম আমিও।

বেশিরভাগ ছবি টিভি থেকে মোবাইলে তোলা, রেপ্লিকার ছবি আমার মোবাইলে । দু একটা ছবি বিভিন্ন সুত্র থেকে নেয়া।

মন্তব্য ১১৪ টি রেটিং +২৭/-০

মন্তব্য (১১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১১:৫৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: জুন ,




আগে কখনও আপনার পোস্টে প্রথমেই মন্তব্য করার সুযোগ পেয়েছি কিনা মনে নেই । এবারে প্রথম হলে চা পাওয়া যাবে তো ?
চা পেলে একটা বিড়ি ধরিয়ে টানতে টানতে বিষয়ের উপরে কিছু বলতে পারতুম ................ :(

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০৫

জুন বলেছেন: সেটাই দেখছি আহমেদ জী এস । আমার অত্যন্ত প্রিয় একটি লেখা পড়তে বসেছেন আমার উচিৎ ছিল তৎক্ষনাৎ আপনার জন্য চা দেয়া । কিন্ত সময় আমাকে দেয় না অবসর ।
যাই হোক দেরীতে হলেও এই নিন আপনার বরফযুক্ত থাই চা

২| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:০২

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: আমি ২য় হইছি আমারে পান দেন :D

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২৮

জুন বলেছেন:
এই নিন আপনার পান । এখন আশা করবো আমার লেখাটি নিয়ে আপনি কিছু বলে যাবেন সাদা মনে #:-S

৩| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:১৫

প্রামানিক বলেছেন: আমি তৃতীয় হইছি আমারে ডাল পুরি দেন।

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৫

জুন বলেছেন:
প্রামানিক ভাই এই নেনগরম গরম ডালপুরি । এখন খেয়ে দেয়ে বলেন আমার লেখাটি কেমন হলো :)

৪| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:২০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমাদের দেশে তো রাজা নাই, কিন্তু এমন একজন নেতা কি কোনদিন হবে না? হলে দেশের চেহারাটা পাল্টে যেত। অসাধারন এবং বিস্তারিত বর্ণনা। ছবির কথা আর নাইবা বললাম!!! এককথায় দারুন।

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:১৮

জুন বলেছেন: ভুয়া মফিজ আমাদের রাজা থাকলেও কি হতো কে জানে ? আরো কত দেশেই তো রাজতন্ত্র আছে । কিন্ত তার মত কই !
ভালোলাগলো জেনে আমারও অনেক ভালোলাগলো । আন্তরিক ধন্যবাদ পোষ্টটি পড়া ও মন্তব্যের জন্য ।

৫| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:২৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আপনার রাজার দেহান্তরিত হবার শৌক বিহব্বল পোষ্টটা যেমন অন্তরকে আর্দ্র করেছীল এটাও কম নয়।

দারুন সব উপ শিরোনাম যেন হৃদয় নিংড়ানো সারকথা!
হৃদয়ের এই টান কি আইন, প্রশাসন, গুম, ভয়, বা বিধান দিয়ে পাওয়া যায়? যায়না। কেবলই হৃদয় নিংড়ানো ভালবাসা দিতে হয়!
থাই বাসীর প্রতি সশ্রদ্ধা ভালবাসা। তারা যেমন ভালবাসা পেয়েছ তেমনি ফিরিয়ে দিতে কার্পন্য করেনি।

দারুন স্মরনীয় শেষকৃত্যের এমন চমৎকার, হৃদয়গ্রাহী এবং পুংখানুপুংখ বর্ণনায় মনে হল যেন রাজপথের পাশে থেকেই পুরোটা অনুভব করছি। সেই ভক্তিতে, সেই কষ্টে, সেই কম্পিত ঠোটে বিদায় বলার অনুভবে!

হ্যাটস অফ টু ইউ :)

++++++++++++++

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৯:১১

জুন বলেছেন: তারা যেমন ভালবাসা পেয়েছ তেমনি ফিরিয়ে দিতে কার্পন্য করেনি।
তারপর ও তাদের ধারনা তারা তার যোগ্য প্রতিদান দিতে পারেনি ।
বিদ্রোহী ভৃগু অসাধারন একটি মন্তব্যের জন্য আপনাকেও টুপি খোলা অভিনন্দন ।
ভালো থাকবেন আর লেখার সাথে থাকবেন সেই প্রত্যাশায় ।

৬| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:৫১

বিলিয়ার রহমান বলেছেন: এটা কি একটা ছবি ব্লগ?? নাকি একটা ব্লগ পোস্ট???

আমার মনে হয় এক সাথে দুটোই!:)

শুষ্ক আবেগকে আর্দ্র করে দেয়া বর্ণনা প্লাস দারুন সব ছবির সমন্বয়ে এক অসাধারন পোস্ট!!:)

+++

@ জী এস ভাইয়া ওয়াট এ্যা কমেন্ট!! চা পাঠানোরতো ব্যবস্থা নেই থাকলে অমন কমেন্টের পর ১০ বার চা পাঠিয়ে দিতে আমি রাজি ছিলাম!:)

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৯:৫২

জুন বলেছেন: শারিরীক মানসিক প্রতিকুলতা নিয়েও আপনাদের সাথে কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য ফিরে ফিরে আসি বিলিয়ার রহমান । আপনারা পড়েন, প্রশংসা করেন দেখে খুব ভালোলাগে । আসলে আমি একটি ছবি ব্লগই দিতে চেয়েছিলাম আমার আগের লেখার কন্টিনিউটি হিসেবে । শেষে লিখতে লিখতে আর ছবি পোষ্ট থাকেনি ।
মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন।

৭| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:৩৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অসাধারন একটি পোস্ট পড়লাম।

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৮:০৪

জুন বলেছেন: আপনার মতামত জেনে অনেক খুশী হয়েছি গিয়াস উদ্দিন লিটন ।
ভালো থাকুন সেই শুভকামনায় ।

৮| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:৫১

আহমেদ জী এস বলেছেন: জুন ,





ভাগ্যবান থাইল্যান্ডবাসীর প্রতি ঈর্ষা জাগছে । জাগছে রাজা ভূমিবল সম্পর্কে আপনার লেখা পোস্টগুলো থেকে । হায়রে .......... যেখানে বছর জুড়ে আপামর প্রজাকুল একজন শাসকের মৃত্যুতে কালো পোষাক পরিধান করে শোক প্রকাশ করে , সেখানে আমরা তেমন কারো মৃত্যুতে উল্লাস করি । তাদের ঘৃনা করি , হয়তো কামনা করি মৃত্যুও !!!!!!!

বিদ্রোহী ভৃগু ঠিকই বলেছেন ---- "হৃদয়ের এই টান কি আইন, প্রশাসন, গুম, ভয়, বা বিধান দিয়ে পাওয়া যায়? যায়না। কেবলই হৃদয় নিংড়ানো ভালবাসা দিতে হয়!"
সেই সাথে আমিও বলি -- জনতার পাশে পাশেই থাকতে হয় , মূমূর্ষ এই জনতার ফুসফুসে কিছুটা হলেও ভালোবাসার বাতাস ভরে দিতে হয় ।

এবারের লেখাতে সুখ সুখ লাগলো । আমাদের একজন সামুব্লগার "জুন" জনগনের একমাত্র ভরষা, চুড়ান্ত ঐক্যের প্রতীক এক ভিনদেশী রাজার শেষকৃত্যে নিজের বানানো ভালোবাসার ফুল দিয়ে অর্ঘ্য দিয়ে এলেন বলে । ইতিহাসের এক স্বাক্ষী হয়ে রইলেন বলে !

শুভেচ্ছান্তে ।

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৮:২৯

জুন বলেছেন: খুব তাড়াহুড়ো করে লিখেছি পোষ্টটি যাতে ঘটনার সাথে সাথে তা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পারি । ফলে বেশ কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি রয়ে গেছে । তারপর ও আপনাদের প্রশংসা পেয়ে মনটা ভালোলাগায় ভরে উঠছে।
জী ফুল আমি বানিয়েছিলাম বেশ অনেকগুলোই কিন্ত জায়গামত পৌছাতে পারিনি । তারপর ও রাজার সেই ব্যাক্তিগত চিকিৎসকের মতই বলি আমার হাতে না হলেও হয়তো আর কারো হাত ধরেই আমার ফুলগুলোও পৌছে গেছে অর্ঘ্য হিসেবে ।
অনেক অনেক ভালোলাগা রইলো আপনার দু দুটি মন্তব্য পেয়ে ।
আপনাদের নিরন্তর অনুপ্রেরনা আমার লেখার জীবনীশক্তি । নাহলে শরীর না কুলালেও আপনাদের ভালোবাসার টানে বার বার ফিরে আসি ।
আন্তরিক ধন্যবাদ ও সকালের শুভেচ্ছা জানবেন আহমেদ জী এস ।

৯| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ২:৩২

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: স্পষ্ট বর্ননাতে পোষ্টটি সত্যি সুন্দর। প্রশংসা সবটুকু তোমার প্রাপ্য।

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৮:৩২

জুন বলেছেন: আপনার আন্তরিক প্রশংসায় মনটি ভরে উঠলো যেন কানায় কানায় । অসংখ্য ধন্যবাদ সুজন সব সময় উৎসাহিত করার জন্য ।
শুভ কামনা সকালের ।

১০| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: সেই ছোট বেলা থেকে এই সেদিনও " রিপ্লিস বিলিভ ইট অর নট" আর গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে অল্প কতগুলো জিনিস ছিল চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মতো স্থায়ী | তার একটা ছিল থাই রাজার নাম -অলওয়েজ ভূমিবল | এর মধ্যে কত কি যে হলো ! কত দেশ ভাঙলো, কত দেশ হলো, কত রাজা রাজরার সিংহাসন গেলো ! কিন্তু ভূমিবল একই ভাবে থাকলেন ! এখন গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে সেটার পরিবর্তন হবে ! এশিয়ার যে কোনো দেশের মতোই থাইল্যান্ডের রাজনীতিও ভীষণ করাপ্ট |ঘন ঘন আর্মি ক্যু সেটারই পরিচয় দেয় | কিন্তু যেই জিনিষটা এখনো আমায় অবাক করে সেটা হলো এই এতো রাজনৈতিক প্রব্লেমের মধ্যেও থাইল্যান্ডের কেউ ভূমিবলের উপর শ্রদ্ধা হারায়নি বা তার কর্তৃত্ব চ্যালেঞ্জ করেনি ! একটা আর্মি ক্যুতেও তার বিরুদ্ধে কিছু হলো না ? অবিশ্বাস্য ! কত বড় মাপের একজন নেতা হলে এটা সম্ভব ভাবতেই আমি অবাক হই ! কোনো সংবিধান চেঞ্জ করতে হলো না, কোনো আইন জারি করতে হলো না মানুষ এমনিতেই এতদিন ধরে সালাম জানিয়ে যাচ্ছে রাজা ভূমিবলকে ! একমাসের জায়গায় একবছর কালো পোশাক পরে সন্মান জানিয়ে যাচ্ছে ! আহা লিখলেন ভূমিবলকে নিয়ে আর আমার খারাপ লাগছে বাংলাদেশকে নিয়ে ! প্রিয় জুন, আপনার লেখা একের ভিতর অনেক (বাংলাদেশের সেই ম্যাট্রিকের নোট বইগুলো মতোই) ! এক লেখার ভিতরেই অনেক ভাবনা ঢুকিয়ে দিতে পারেন আপনি সহজেই (আর এজন্যই আপনার লেখা পড়ি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায়) | ভালো থাকবেন |

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৫০

জুন বলেছেন: এশিয়ার যে কোনো দেশের মতোই থাইল্যান্ডের রাজনীতিও ভীষণ করাপ্ট |ঘন ঘন আর্মি ক্যু সেটারই পরিচয় দেয় | কিন্তু যেই জিনিষটা এখনো আমায় অবাক করে সেটা হলো এই এতো রাজনৈতিক প্রব্লেমের মধ্যেও থাইল্যান্ডের কেউ ভূমিবলের উপর শ্রদ্ধা হারায়নি বা তার কর্তৃত্ব চ্যালেঞ্জ করেনি ! একটা আর্মি ক্যুতেও তার বিরুদ্ধে কিছু হলো না ? অবিশ্বাস্য !
আপনার প্রশ্নের উত্তর পাবেন আমার নীচের এই লেখাটিতে ।
১৪ই অক্টোবর ১৯৭৩.. ভিনদেশী এক ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাস
এই আন্দোলন দমনের কুখ্যাত দুজন ছাড়াও প্রতিটি ক্যু এর উস্কানীদাতারাও রাজার আমন্ত্রনে তার পায়ের কাছে এসে বসেছে এবং তার আদেশ মেনে নিয়ে পদ ত্যাগ বা দেশ ত্যাগ করেছে। তার এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাবাত্রা ।
আপনার অসাধারন মন্তব্যে আমার পোষ্টটি অন্যমাত্রায় নিয়ে গেছে । অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে ।

১১| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: রাজা- বাদশাহদের আমল আবার ফিরাইয়া আনা দরকার ! তাহা হইলে আমাদের শাসকরা দেশটাকে নিজের মনে করিবেন, আগামী নির্বাচনে জয়ের জন্য সম্পদ জমা করিবেন না, গুন্ডা-পান্ডা পালিবেন না, নির্বাচনে হারিলে নির্বাসনে যাইতে হইবে বিধায় বিদেশে সম্পদ জমা করিবেন না ! আমরা অন্তত দেশদরদী শাসক পাইব যিনি দেশটাকে নিজের মনে করিবেন !

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৪

জুন বলেছেন: রাজা- বাদশাহদের আমল আবার ফিরাইয়া আনা দরকার !
কিন্ত টারজান০০০০৭ রাজা বাদশাহ তো যুগে যুগেই ছিল দেশ বিদেশে । কিন্ত কজনা দিন রাত মাথার ঘাম পায়ে ফেলে দেশের মানুষের কথা ভেবেছে বলুন ? তারা শুধু নিজেদের আরাম আয়েসের কথাই ভেবেছে আর কিছু কিছু রাজা বাদশাহ সিংহাসন আরোহনের সাথে সাথেই নিজেদের সমাধি রচনা করে গেছে । যেমন মিশরের ফারাওরা ।
আমরা অন্তত দেশদরদী শাসক পাইব যিনি দেশটাকে নিজের মনে করিবেন !
এখন এটাই আমাদের প্রত্যাশা থাকলো ।
মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন ।
নীচের ছবিতে দেখেন নাক বেয়ে ঘাম গড়িয়ে পড়ছে তাঁর। এই ছবিটি অনেক অফিসে বাধানো রয়েছে কর্মচারীদের উজ্জীবিত করার জন্য ।

১২| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:১১

চাঁদগাজী বলেছেন:


থাইদের এই বিশাল আয়োজনকে আপনি খুবই গুরুত্বের সাথে প্রকাশ করতে সমর্থ হয়েছেন; ভালো লাগলো

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৬

জুন বলেছেন: আপনার ভালোলাগার জন্য অনেক ভালোলাগলো চাঁদগাজী ।
পোষ্টটি পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

১৩| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:৩১

ওমেরা বলেছেন: লিখা পড়লাম অনেক কিছু জানলাম, কিছু ভাবনাও মনে আসল কিন্ত থাক বলব না । বর্ণনা ছবি খুবই ভাল হয়েছে ধন্যবাদ আপু ।

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:০১

জুন বলেছেন: আপনার মনের ভাবনাটি জানার জন্য কৌতুহল জেগে উঠলো ওমেরা । সব কিছু ভালোলাগার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ।
অনেক অনেক ভালো থাকুন ।

১৪| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৯:২৯

করুণাধারা বলেছেন: রাজাধিরাজ! কেবল দেশের মানুষের হৃদয়েই তিনি শ্রদ্ধার আসন গেড়ে বসেন নি বরং অন্য দেশের মানুষের হৃদয়ও তার প্রতি শ্রদ্ধা ভালবাসায় পূর্ণ হয়ে আছে। লেখার ছত্রে ছত্রে রাজার প্রতি আপনার শ্রদ্ধা আর ভালবাসার সাথে সাথে প্রিয়জন হারাবার বেদনাও ফুটে উঠেছে। আর এই যে কোটি মানুষের হৃদয় নিংড়ানো ভালবাসার সাক্ষী হলেন, চমৎকার ছবি আর বর্ণনা দিয়ে আমাদের সাথে সেই অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন! খুব ভাল লাগল।

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:১৬

জুন বলেছেন: আপনার অসাধারন মন্তব্যে মুগ্ধ হোলাম করুনাধারা । ওনার মতন জনপ্রিয় একজন ব্যাক্তিকে নিয়ে বিভিন্ন তথ্যে যতটুকু দেখেছি পরেছি আর শুনেছি তা নিয়ে একটি বই লেখা যায় । কিন্ত অত্যন্ত ব্যস্ততা ছাড়াও শারিরীক ও মানসিক কারনে তা সম্ভব হচ্ছে না ।
ভালোলাগার জন্য অনেক অনেক ভালোলাগা রইলো ।

১৫| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১০:৪২

ধ্রুবক আলো বলেছেন: আহমেদ জি এস ভাই ও বিদ্রোহী ভৃগু ভাইয়ের মন্তব্য খুব ভালো লাগলো।
আপনার এ পোস্টটা থেকে অনেক কিছু শেখার আছে । একজন রাজার জন্য মানুষের কতটা ভালোবাসা তা এখানে ফুটে উঠেছে।
শাসন করে হয়তো ক্ষমতায় থাকা যায় কিন্তু ভালোবাসা দিয়ে হৃদয়ে চিরস্থায়ী বসবাস করা যায়।

জুন আপু আপনি আমাদের গর্ব। আপনার কারনে অনেক কিছুই জানতে পারছি, অনেক ধন্যবাদ, শুভ কামনা।

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:২০

জুন বলেছেন: শাসন করে হয়তো ক্ষমতায় থাকা যায় কিন্তু ভালোবাসা দিয়ে হৃদয়ে চিরস্থায়ী বসবাস করা যায়। ধ্রুবক আলো অত্যন্ত ধ্রুব সত্যই বলেছেন ।
ওনারা দুজনাই অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং হেভীওয়েট ব্লগার সুতরাং তাদের মন্তব্যগুলো ওজনদারই হবে এটাই স্বাভাবিক।
আর শেষের লাইনটি আমার চোখে পানি নিয়ে আসলো । আমি মনে হয় আপনাদের এত ভালোবাসার যোগ্য নই ।
শুভকামনা রইলো নিরন্তর ।
আপনার একই মন্তব্য দুটো আসায় একটি মুছে দিলাম ।

১৬| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১১:৩৬

জাহিদ হাসান বলেছেন: রাজা ভুমিবলের মত একজন শাসক যদি আমরা পেতাম..

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:২৩

জুন বলেছেন: এই একই দুরাশা আমারও মনে জাগ্রত হয় যখন দেখি তাঁর নিরবিচ্ছিন্ন পরিশ্রম একটি দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে বিশ্বে কতখানি উচু মর্যাদায় টেনে নিয়ে এসেছে। মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ জাহিদ হাসান এবং আমার সব লেখালেখিতে উৎসাহ দেয়ার জন্য।

১৭| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১১:৪৮

শোভন শামস বলেছেন: চমৎকার, হৃদয়গ্রাহী এবং পুংখানুপুংখ বর্ণনার ব্লগের জন্য ধন্যবাদ ++++++

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:২৪

জুন বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ শোভন শামস লেখাটি পড়ে মন্তব্য করার জন্য ।

১৮| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১২:০৮

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: পড়তে পড়তে মনটা নিজের অজান্তেই একটু ভারাক্রান্ত হলো কি!! মোহাচ্ছন্ হয়ে পড়েছিলাম।। ভাবছি কতটুকু জনপ্রিয় নেতা হলে পুরো দেশের মানুষ এভাবে নিজেদের মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে!! ওদের পুজোর সাথে থাকে শ্রদ্ধার আসনটুকুও।। এবং এটা মাঝে মাঝে পুজোকেও ছাড়িয়ে যায়।। এটা তখনই হয় যখন কেউ তার লোকদের মনে দাগ কেটে স্থায়ী আসন গাড়তে পারে।।
আর পাঠ এবং মন্তব্যই বলে দেবে আপনার এই ছবিব্লগটি কত ভাল হয়েছে।।
ভাল থাকুন, প্রবাসে।।

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:৪১

জুন বলেছেন: সচেতনহ্যাপী আপনি হয়তো জানেন রাজা ভুমিবলের জন্মদিন ৫ই ডিসেম্বর এদেশে ফাদার্স ডে হিসেবে পালিত হয় । এদেশের জনগন তাকে পিতা বলেই মনে করে । তারা গর্বের সাথে বলতো হি ইজ কিং অফ কিংস এন্ড হি ইজ আওয়ার ফাদার
আপনার মন্তব্যে আমার ভারাক্রান্ত মনটিও আরো ভারী হয়ে উঠলো । এদেশে বহুবার আসা যাওয়া ও থাকার সুত্র ধরে আমি অনেকটাই এদেশীয় কালচার সম্পর্কে জানতে পেরেছি । রাজা যেঁ তাদের জীবনে কতখানি মর্যাদার আসনে আসীন তা দেখা যায় প্রতিটি দোকানপাট থেকে শুরু করে ধনী গরীব সবার ব্যক্তিগত বাসভবনে তাঁর ছবি ঝুলিয়ে রাখায় । সে কোন নির্দেশে নয় হৃদয়ের গভীর ভালোবাসা থেকেই ।
অনেক ব্যাস্ততার মাঝেও আপনাদের উত্তরগুলো দিতে চেষ্টা করছি পাছে যদি আর দেয়ার সুযোগ না পাই তাই ।
শুভকামনা রইলো আর আন্তরিক ধন্যবাদ নিরন্তর উৎসাহ দেবার জন্য ।

১৯| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১:০৯

উম্মে সায়মা বলেছেন: একজন শাসক কতটা নিবেদিত প্রাণ হলে জনগণের এত শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা অর্জন করতে পারে তার একটা উদাহরণ হয়ে রইলেন থাই রাজা! ধন্যবাদ জুন আপু আমাদের সাথে বিস্তারিত শেয়ার করার জন্য।
আপনি নিজে কাঠ দিয়ে ফুল বানিয়েছেন? ওদের এত এত আয়োজন বিস্ময় জাগানোর মত!

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:৪৯

জুন বলেছেন: আমার লেখাটি পড়ে একটি আন্তরিক মন্তব্যের জন্য আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ উম্মে সায়মা ।
আপনি নিজে কাঠ দিয়ে ফুল বানিয়েছেন? কাঠকে পাতলা পাতলা করে চেছে তারপর সেটা দিয়ে ফুল বানানো । সাথে ফুলের ডাঁটিঁর সাথে টেপ দিয়ে পেচিয়ে দেয়া হয়েছে ক্ষুদে এক মোমবাতি আর ধুপকাঠি ।
আমার বানানো ফুলের ছবি দেখেন উম্মে সায়মা , যদিও সুন্দর হয়নি তবে আমার আন্তরিকতা ছিল ১০০%

২০| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ ভোর ৪:৪৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ছাব্বিশে অক্টোবর রাজা ভুমিবলের অগ্নিশয্যা নিয়ে রচিত এ ব্লগবাড়ীটি অসাধারণ হয়েছে । আমি সবসময় থাকি পশ্চাতে তার ফলে চা নাস্তা কিছুই জুটেনা কপালে, কি আর করা সারা জীবনেই খেলাম শুধু ধরা ।

কত সুন্দর করে করুন সুরে বলে গেলেন ওগো মা রাজার দুলাল যাবেগো আজিকে শেষবার এ পথ দিয়ে । বিবিসিতে রাজা ভুমিবলের অগ্নিশয্যার দৃশ্যাবলী দেখার কালে ধারা ভাষ্যকার বলতে পারেনি এমন করে যা বিধতে পারে দর্শক ও শ্রোতার মর্মমুলে । থাই জাতির চুড়ান্ত ঐক্যের প্রতীক রাজা ভুমিবলের প্রতি সে দেশের জনগনের সাথে আমাদের দেশের একজন সহ ব্লগারের গভীর মমতায় বলা কথাগুলি পাওয়া যাবে এখন গুগলের খাতা জুরে । এটাকে আমাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব বলে ধরে নেয়া যায় অবলিলায়

মান্দাতা অআমলের কৃষি নির্ভর দেশের দরিদ্র জনগনকে আত্মনির্ভরশীল একটি জাতিতে পরিনত করে রাজা ভুমিবল আপামর থাইবাসীদের হৃদয়ে কেমন করে জায়গা পেয়েছেন তা তুলে ধরেছেন সুন্দরভাবে । কবিতার ছন্দে বলা কথা আমি ভিক্ষে করে ফিরতেছিলাম গ্রামের পথে পথে..... বলে রাজা ভুমিবল সস্পর্কে যেন সমস্ত থাই বাসীর কথাই গেলেন বলে এ ছোট্ট পরিসরে । রাজা ভুমিবলের জন্য অগ্নিশয্যা প্রস্তুতের বিষয়ে অসাধারন নান্দনিক নকশাঁ সম্বলিত থাই শিল্প ও সংস্কৃতির চিত্রমালাও সুন্দরভাবে উঠে এসেছে লেখাটিতে। পথের ধারে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে আছে রাজার ছবি বুকে নিয়ে অসীম ধৈর্য্যের সাথে এর জন্য রাজার কতটুকু কৃতি প্রয়োজন ছিল তা এখন হয়ত অনেকের কাছেই অবাক মনে হবে তবে তাতো ঘটলই এবং তা দেখল সকলে এই ব্লগের পাতা জুরে । অগ্নিশয্যার শুরু হতে শেষতক সকল ঘটনাবলীর সচিত্র প্রতিবেদন সাথে নান্দনিক ভাষায় বিশ্লেষন অপুর্ব হয়েছে ।

শুভেচ্ছা রইল

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৯:০৮

জুন বলেছেন: ডঃ এম আলী বেচে থাকলে কাল আপনার মন্তব্যের উত্তর দিতে চেষ্টা করবো।
এত সুন্দর একটি মন্তব্যের যথাযোগ্য প্রতি মন্তব্য প্রাপ্য । ভালো থাকুন ।

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৮:২২

জুন বলেছেন: চা নাস্তা নিয়ে আক্ষেপ করবেন না ডঃ এম আলী , আপনার জন্য না হয় আরেকবার চায়ের কেটলী বসাবো চুলোয় । কিন্ত আমি অপেক্ষায় থাকি আপনার মুল্যবান একটি মন্তব্যের জন্য । কবিতার লাইনগুলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের । অত্যন্ত পরিচিত কবিতা বলে আমি আর তা উল্লেখ করিনি । তাঁর দূরদর্শিতায় প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্কোন্নয়ন ও একটি বিশাল ব্যাপার ছিল । আসলে আমেরিকায় জন্ম নেয়া সুইজারল্যান্ডে পড়াশোনা করা ছাড়াও তাঁর চরিত্রের এই গুনাবলীগুলো উন্মেষের পেছনে একটি বড় ভুমিকা ছিল দক্ষিনের সাধারন ঘর থেকে আসা তার মা শ্রী নগরিন্দ্রার ভুমিকা । চিয়াং রাই এর সবুজ পাহাড় যেগুলো আফিম চাষের জন্য পুড়িয়ে দিয়েছিল সেগুলোর পুন বনায়নে তাঁর মায়ের প্রধান ভুমিকা ছিল । সেজন্যই দই আংখাং এর জনগন রাজমাতাকে স্বর্গ থেকে নেমে আসা দেবী বলে সম্বোধন করে।
আপনার মন্তব্যগুলোও অসাধারন হয় যতটা না হয় আমার লেখা। অনেক অনেক ভালো থাকবেন, আর আমার জন্যও দোয়া করবেন যেন সুস্থ থাকি ।

২১| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৭:২৭

সোহানী বলেছেন: সবাইকে চা পান ডালপুরি বিতরন করলেন ... আমার জন্য কি তাহলে?

আগেও রাজা কে নিয়ে লিখায় বলেছিলাম, এমন রাজা যদি পেতাম!!

বরাবরের মতই অসাধারন লিখায় ভালোলাগা।

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৮:৩০

জুন বলেছেন: আপনার জন্য ফুলের একজিবিশন থেকে আমার মোবাইলে তোলা হাতে আঁকা একটি জবা ফুলের ছবি রইলো সোহানী


আপনার টুকরো টুকরো লেখাগুলোর ও কিন্ত বিশাল ব্যাপ্তি । নারীরা শুধু প্রতারিত আর বঞ্চিতই হয় যুগে যুগে । আপনার লেখাটিও মনে দাগ কেটে গিয়েছে ।
শুভেচ্ছা জানবেন ।

২২| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৯:২৬

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: বরাবরের মতোই এবারো আপনার লেখনী এবং সেই সংগে যতসব সুন্দর সুন্দর ছবি। ভালোলাগা রইলো। আমাদেরকে একটু চা-পান দিয়েন যদিও দেরী করে ফেলেছি।





ভালো থাকুন নিরন্তর। ধন্যবাদ।

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৮:৩২

জুন বলেছেন: দেশ প্রেমিক বাঙালী
মনে করে এসে আমার লেখায় মন্তব্য করেছেন তার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন । চা- পান তোলা রইলো ভবিষ্যতের জন্য, যদি সুযোগ হয় অবশ্যই পাবেন ।
আপনিও ভালো থাকুন সব সময় ।

২৩| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৯:৪৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: রাজার রাজার মত হলে সম্মানের কমতি হয়না। একজন নেতা একটা দেশে ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করতে পারেন। যে রাজা মানুষের ভালবাসা অর্জনের ব্যাপারটি সাধন করতে পেরেছেন তিনি সত্যি কারের রাজা। রাজা ভূমিবল তেমন একজন। তাঁকে নিয়ে চমৎকার পোস্ট।

তবে একটি কথা না বললে নয়,
সত্য প্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত নেতাই প্রকৃত নেতা। জনগণের নেতা। প্রসাদের কুচক্রি হওয়ার চেয়ে রাজপথে জনমানুষের অধিকার আদায়ের নেতা হওয়া বেশি সম্মানের । আর সিংহাসনে বসা রাজা এমন হলে তো কথাই নেই। #:-S
জুনাপি আপনি থাইল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হলে কেমন হবে? :P
বাংলাদেশ নিয়ে পোষ্ট দিচ্ছেন না যে । !:#P

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৮:৩৮

জুন বলেছেন: একজন নেতা একটা দেশে ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করতে পারেন। যেমন মালোয়েশিয়ার মাহাথির যেমন সিংগাপুরের লি কুয়ান । আমরাও অপেক্ষায় থাকি তেমন কেউ আসে কি না সেলিম আনোয়ার ।
পোষ্টটি আপনার ভালোলাগার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ।
না ভাই আমার রাস্ট্রদুত হওয়ার কোন চান্স নেই । বর্তয়ানে যিনি আছেন তিনিও নারী এবং অনেক সুন্দরী যাকে বলে অপ্সরী । তাকে কি আমি সরিয়ে দিতে পারি !!
ভালো থাকবেন সেই প্রত্যাশাই রইলো । আপনার জন্য আমার অনেক শুভকামনা থাকলো ।

২৪| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১১:০১

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: আমাদের দেশেও একজন রাজা ভূমিবল দরকার।
আমি ২৫ নং, আমার জন্য কি হবে জুনাপু?

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৮:৪৩

জুন বলেছেন: দরকার থাকলেই কি আর পাওয়া যায় মোস্তফা সোহেল । তার জন্য ভাগ্য করে আসতে হয় ।
পোষ্টটি পড়া ও মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন ।

২৫| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১১:৪৯

সামিয়া বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম, গুড জব আপু।।

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৮:৪৪

জুন বলেছেন: আমি আর কি বা জানি ইতি সামিয়া ! যতটুকু সামান্য জানি তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করি ।
পোষ্টটি পড়া ও মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ।

২৬| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:১০

নীলপরি বলেছেন: ওনাকে নিয়ে লেখা আপনার আগের পোষ্টটাও পড়েছি । এটাও আপনি অসাধারণ ভাবে উপস্থাপণ করেছেন । পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ ।

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৮:৪৫

জুন বলেছেন: আপনাকেই আমার আন্তরিক ধন্যবাদ নিয়মিত আমার লেখাগুলো পড়ার জন্য নীলপরি ।
শুভেচ্ছা নিরন্তর ।

২৭| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:৩৪

প্রামানিক বলেছেন: ঐদিন শুধু ছবিগুলো দেখেছি সময়ের অভাবে পড়তে পারি নাই। আজ আপনার দেয়া ডাল পুরি খেয়ে ছবির পাশাপাশি লেখাগুলিও ভালো করে পড়লাম। ছবির পাশাপাশি আপনার বর্ণনা অসম্ভব ভালো লাগল। একজন লোক কতটুকু ভালো হলে দেশের সমস্ত লোক তার জন্য কাঁদতে পারে তা আপনি বর্ণনা দিয়ে ভালোভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন। আরো ভালো লাগল আপনিও শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে নিজ হাতে ফুল বনিয়ে থাই বাসিদের সাথে সামিল হয়েছেন। দেবতার মত থাই রাজার প্রয়ণে সবাই যখন শোকাভিভূত তখন আপনিও সেই শোকের সাথে একাত্ম হয়েছেন, এহেন কাজের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৮:৪৭

জুন বলেছেন: আপনি যে আবার ফিরে এসেছেন প্রামানিক ভাই তাতে আমি অত্যন্ত খুশী হয়েছি । আমার লেখাটি আপনার ভালোলাগার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ । ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন সেই কামনায় ।

২৮| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৯:১৪

নীল-দর্পণ বলেছেন: ফিফার প্রেসিডেন্ট-সেপ ব্লাটার
থাইল্যান্ডের রাজা- ভুমিবল…এসব পড়ে পড়ে বড় হয়েছি। চিরন্তন সত্যের মত ছিল এগুলো।

পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল চোখের সামনেই সব দেখছি যেটা আপনার সব লেখা পড়েই মনে হয়
এক বছর পর্যন্ত দেহ কফিনে সংরক্ষণ করা ছিল! মমিটাইপ কিছু ছিল কি? এটা কি শুধু এই রাজার জন্যেই নাকি সব রাজার ক্ষেত্রেই এই নিয়ম?

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৮:৫৬

জুন বলেছেন: নীল- দর্পন পোষ্টটি মনযোগ দিয়ে পড়েছেন জেনে খুব ভালোলাগলো।
কিভাবে দেহ সংরক্ষন করা হয়েছিল সে তথ্য আমার জানা নেই। রাজকীয় পরিবারের গোপন ব্যাপার । বিভিন্ন তথ্য থেকে পড়েছি দেহ উরনের ভেতর এমনি রেখে দেয় । তারপর যখন শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয় তখন তার দেহের অবশিষ্টাংস পবিত্র পানিতে ধুয়ে নতুন কাপড়ে পেচিয়ে চিতায় পুড়িয়ে ছাই করে দেয়। তারপর সেই ছাই ও হাড়গুলো সোনার পাত্রে সংরক্ষন করা হয়। স্বর্ন পাত্রটি কেবল রাজাদের জন্যই প্রযোজ্য।
ভালো থাকবেন নীল দর্পন । অনেক শুভকামনা রইলো আপনার জন্য ।

২৯| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১১:৩৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আফাগো আমারো শরীরট ভাল যাচ্চেনা, তা না হলে গতকালই লিখতাম আরো কত কিছু । CNN এবং BBC তে দেখার সময় কিছু দৃশ্যাবলী আমিও করেছিলাম ধারণ । মনে হয়েছিল সেগুলি হতে কিছু এখানে করবো সংয়োজন । সঞ্চয় হতে সেগুলি বের করি দেখি আমার হাতে তাদের সুরত যা এসেছে তা দেখায় না আপনার হাতে তুলা ছবির মত সুদর্শন । আপনার এ সুন্দর ব্লগে দিলে তেমন ভাল দেখাবেনা তা বুঝা গেছে বিলক্ষন । ছবিগুলির সাথে বিবরন আপনি যা দিয়েছেন তার তুলনাও শুধু আপনার এই তথ্যবহুল অনবদ্য লিখন । গতকাল পোষ্ট টি প্রিয়তে নিতে হয়েছিল ভুল , আজ তাই একে না নিয়ে নরবনা একচুল ।

রাজাকে মমি করে রেখেছিল একবছর , আমার ধারনা থাইরা চেষ্টা করলে প্রাচীন মিশরিয়দের মত মমীই না আবার বানিয়ে ফেলে , এরা শিল্প চর্চায় দিন কে দিন হয়ে উঠছে বড়ই পটু ।

ভুমিবলের মত জনপ্রিয় একজন রাজাকে নিয়ে বিভিন্ন রকম সচিত্র তথ্য সম্বলিত আপনার যে পরিমান বিবিধ প্রকারের লেখা দেখছি, সেগুলি একসাথে করলে একটি বিশাল পুস্তক হয়ে যাবে তাতে কোন সন্দেহ নাই । কাল বিলম্ব না করে Turn Key ভিত্তিতে পাবলিসারের হাতে তুলে দিন সবগুলি একসাথে , এডিট, ফেডিট, প্রুফ রিডিং, প্রিনটিং তারাই সব করবে ,আর আমরা পাব সুন্দর ঝকঝকে বাধানো একটি বই, যখন তখন দেখব আর রাজাকে অনন্তকাল মমির মতন করে জিয়ে রাখব বুক সেলফে ধরে ।

আপনার সুস্থতা কামনা করছি ।

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৯:১০

জুন বলেছেন: ডঃ এম আলী আপনার বিনয়ী মন্তব্যে আমি লজ্জিত বোধ করছি । টিভি থেকে ছবি তুললে ভালো হয় না । তারপর ও তৎক্ষনাৎ লেখার জন্য আমি অনেকগুলো ছবি তুলেছিলাম । নানা রকম ব্যাস্ততায় পোষ্টটি লিখে শেষ করতে পারিনি বলে দিতে পারি নি ।
এখানে মমি নিশ্চয় তৈরী করতে পারে । তবে তাদের ধর্মীয় আচারে তাহলে সে স্বর্গে যেতে পারবে না যদি দেহ পরে থাকে এই নশ্বর পৃথিবীতে । মাও সে তুং এর মমিকৃত দেহ দেখে এসেছি তিয়েন আনমেন স্কয়ারে । লেনিনের মমিকৃত মৃতদেহ ও তো ছিল ক্যমুনিষ্ট শাসন পর্যন্ত । এখানে চিয়াং মাই এর এক বিখ্যাত মন্দিরের প্রাঙ্গনে এক ছোট্ট কারুকার্য্যময় মন্দিরে মোমের মুর্তি বানিয়ে রাখা এক সন্যাসীর মুর্তি দেখুন । এত জীবন্ত ছিল যে যখন সেখানকার দেখভাল করা মহিলাটি যখন সন্ধ্যা নেমে আসায় দরজা জানালা বন্ধ করে দিচ্ছিল তখন সেই মুর্তির দিকে তাকিয়ে আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম ।
আমার বই ও মমির মত পরে থাকবে মেঝেতে । ধুলোর আস্তরনে ঢাকা । একসময় পোকায় কাটবে হয়তো । তারপর ও আমার প্রতি এতখানি আস্থার জন্য কৃতজ্ঞ । ভালো থাকুন আবারো বলছি । অসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভকামনা আরেকটিবার মনে করে আসার জন্য ।

৩০| ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ২:৩২

ফেরদৌসা রুহী বলেছেন: কি পরিমান ভালোবাসা তাদের রাজার জন্য তা আপনার পোস্টের মাধ্যমে জেনে নিলাম।
আপনি থেকে গিয়ে নিজে যেমন সাক্ষী হয়েছেন তেমনি আপনার থাকার কারনে আমরা দেখে নিতে পারলাম সব কিছু।
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। এই পোস্ট না দিলে আমরাই বঞ্চিত হতাম।

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৯:১২

জুন বলেছেন: বহু বহু দিন পর আমার পোষ্টে আপনাকে পেয়ে খুব ভালোলাগলো ফেরদৌসা রুহী । আপনার ভ্রমণ কাহিনীগুলো পড়ে অনেক কিছু জানছি ।
আমার পোষ্টটি পড়া ও মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইলো ।

৩১| ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১১:৩১

খায়রুল আহসান বলেছেন: নাকের ডগায় ঝুলে থাকা ঘামের ফোঁটাটাই আমার কাছে রাজার বড় পরিচয় দিয়ে গেল। এমন রাজাই আমি চাই আমাদের দেশেও, যিনি ২০/২৫টা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অত্যাধুনিক গাড়ীবহর নিয়ে প্রজাদের পথের পাশে আটকে রেখে নিজ দেশের রাজপথে চলাচল করবেন না। মাঠে ময়দানে ঘুরে ঘুরে করনীয় কাজ করবেন।
পোস্টের ছবিগুলো সুন্দর। মূল শিরোনাম, অনুচ্ছেদ শিরোনাম, চিত্র শিরনাম- সব কিছুই খুব সুন্দর হয়েছে।
সরকার ঘোষণা করলো এক বছরের শোক, কৃতজ্ঞ জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কালো পোষাক পড়ে পালন করে গেল এক বছরের শোক- বিরল দৃষ্টান্ত। এমন জনদরদী নেতার পদাঙ্ক অনুসরণ করা কঠিন, তবে দৃষ্টান্তটি শাসকদের জন্য যথাসম্ভব অনুসরণীয়।
পাঁচশ জনের মধ্যে আরেকজনের কথা উল্লেখ না করলেই নয় সে ছিল রাজা ভুমিবলের বহুদিনের পুরনো ব্যাক্তিগত গাড়ীচালক যে কিনা গাড়ীর স্টিয়ারিং এর বদলে তাঁর মালিককে রথের দড়ি ধরে টেনে টেনে শেষবারের মত গন্তব্যে পৌছে দেন - অন্তরের গভীরতম শ্রদ্ধা থেকেই এটা করা হয়েছিল।
এ ছবিদুটো দেখেও খুব ভাল লাগলোঃ
জ্যাজ মিউজিকের ভক্ত ও নিজের গড়া ব্যান্ড দলের সদস্য রাজা ভুমিবল
সেই সুরের প্রতি ভালোবাসা তাঁর বৃদ্ধ বয়সের ছবিতেও দেখা যায়
সবার শেষের মন্তব্য, পান শুপারী চুন এর কোন কিছুই তো বোধহয় ভাগ্যে জুটবে না। তথাপি, লেখার গুণের কারণেই এই মূল্যবান পোস্টটাতে + + দিয়ে গেলাম।

৩১ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১০:১১

জুন বলেছেন: আপনি প্রথম লাইনে যে ছবির কথা উল্লেখ করেছেন তা আমি অনেক অফিস আদালতের ভেতরে দরজার কাছে বাধানো অবস্থায় দেখেছি । কতটা পরিশ্রম করে গেছেন তার নমুনা হিসেবে ।
সরকারী ভাবে এক বছর শোক পালন করার ঘোষনা ছিল যেমন পতাকা অর্ধ নমিত রাখা সহ আরো দাপ্তরিক কাজ । জনগনকে বলেছিলেন এক মাস কালো পোশাক পড়ার জন্য এবং আনন্দ উৎসবের মাত্রাটি কমিয়ে রাখার জন্য যাতে কোনভাবেই রাজাকে অসন্মান না করা হয় খায়রুল আহসান । তবে জনগন স্বতস্ফুর্ত ভাবেই বছরব্যাপী কালোপোশাক পড়েছে, কালো ব্যাচ লাগিয়েছে ইত্যাদি। এমন জনদরদী নেতার পদাঙ্ক অনুসরণ করা কঠিন, তবে দৃষ্টান্তটি শাসকদের জন্য যথাসম্ভব অনুসরণীয়।
অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন একটি কথা বলেছেন ।
পোষ্টটি পড়া ও সুলিখিত একটি মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ।

৩২| ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১১:৩৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: সরকার ঘোষণা করলো এক বছরের শোক - এ কথাটা পড়তে হবেঃ
"সরকার ঘোষণা করলো এক মাসের শোক"

৩১ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১০:১৯

জুন বলেছেন: খায়রুল আহসান এখানে সরকার এক বছর ব্যাপী (১৩ ই অক্টোবর ২০১৬ - ২৯ অক্টোবর মধ্যরাত ২০১৭ )শোকের ঘোষনাই দিয়েছিলো যা শেষ হলো গত রবিবার রাত বারোটায় । নতুন রাজা মহাভাজিরালংকর্নের হাত দিয়ে রাজার দেহ ভস্ম পুর্ব নির্ধারিত জায়গায় স্থানান্তরের মাধ্যমে ।
আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইলো মন্তব্যের জন্য ।

৩৩| ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৩:৩০

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: সত্যিকার দেশ প্রেমিক।

৩১ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১০:২১

জুন বলেছেন: কোন সন্দেহ নেই সৈয়দ মশিউর রহমান । মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ ।

৩৪| ৩১ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৫:০৬

বিলুনী বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর প্রতিমন্তব্য সমুহের জন্য ।
শুভ কামনা রইল ।

০৩ রা নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:১৬

জুন বলেছেন: স্বাগতম আমার ব্লগে বিলুনী সাথে অশেষ ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ।

৩৫| ৩১ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৫:১০

বিলুনী বলেছেন: লেখা শেষ না হতেই ভুল জায়গায় ক্লিক হওয়ায় উপরের মন্তব্যটি এসে গেছে । বলতে চেয়েছিলাম পোষ্ট যেমন তথ্যবহুল হয়েছে তেমনি আপনার সকল প্রতি মন্তব্যও সুন্দর হয়েছে ।
শুভকামনা রইল ।

০৩ রা নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:২৩

জুন বলেছেন: ভুল জায়গায় ক্লিক হলেও আমার পোষ্ট ও মন্তব্গুলো যে আপনার কাছে সুন্দর ও তথ্যবহুল হয়েছে জেনে ভালোলাগলো ভীষন । আপনার মন খোলা মন্তব্যর জন্য আমার মন থেকে ধন্যবাদ বিলূনী ।
ভালো থাকুন সব সময়।

৩৬| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:২৫

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন:

আপা, পোষ্ট আগেই পড়েছিলাম কিন্তু মন্তব্য করা হয়নি ।কারণ, আপনার পোষ্টের মন্তব্যগুলো ও প্রতিউত্তরগুলোর আমি খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ি। সবকিছু অনেক তথ্যবহুল হয়ে থাকে। আমার ইতিহাস কম জানা থাকার কারণে, কিছু হলেও নানান বিষয়ের ইতিহাস সম্পকে বেসিক জিনিষগুলো জানা।


ধন্যবাদ।

০৩ রা নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৩৩

জুন বলেছেন: শাহরিয়ার কবীর আপনার মন্তব্যটি আপনার বিশাল হদয়ের পরিচয় বহন করছে । মন্তব্যগুলো অনেক সুন্দর হলেও আমার উত্তরগুলো ততখানি সৌন্দর্য্যমন্ডিত নয়। তারপরও রক্ত মাংসের মানুষ তাই প্রশংসা শুনতে ভালোই লাগে ।
আমার লেখা থেকে কিছু জানতে পারছেন জেনে খুব ভালো লাগলো । আবারো ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা

৩৭| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৫০

মুরশীদ বলেছেন: লেখাটি স্মৃতিতে থাকবে।
ভালোলাগা রইলো ।

০৩ রা নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৩৬

জুন বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও ।

৩৮| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:২৪

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: অনেক দেরিতে হলেও পড়ে মুগ্ধ হয়ে গেলাম জানার সুখে।

শুভ হোক আপনার প্রতিক্ষণ

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৩০

জুন বলেছেন: আপনি মুগ্ধ হয়েছেন জেনে খুব খুশী হোলাম নয়ন যেমন মুগ্ধ হই আপনার কবিতা পাঠে ।
অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা জানবেন ।

৩৯| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৫৬

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: আপনার একেকটা পোষ্ট মানেই একেকটা এলাকা সম্পর্কীয় সবিস্তর ধারণা পাওয়া।
এরচেয়ে ভালো উপহার আর কি হতে পারে আমার মতো সামান্য মানুষের জন্য! আপনাদের জন্যই আমি গর্ববোধ করি সামু ব্লগ নিয়ে।

আপনার দেয়া প্রতিউত্তরে অনেক অনেক শ্রদ্ধা আর কৃতজ্ঞতা।
দোআ করবেন আমার জন্য।

শুভ হোক আপনার সামনের দিনক্ষণ।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৩২

জুন বলেছেন: আপনার মন্তব্যে গৌরবান্বিত বোধ করছি নয়ন । অবশ্যই দোয়া করি যেন আপনার জীবনটিও সুখে শান্তিতে ভরে উঠে । শুভেচ্ছান্তে ।

৪০| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৪

নিশাত১২৩ বলেছেন: মাঝে মাঝে মনে হয় অনেক কিছুই অজানা থেকে যাচ্ছে । লেখায় ভালোলাগা দিয়ে গেলাম ।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:৫৯

জুন বলেছেন: ভালোলাগা রেখে দিলাম নিশাত । শুভকামনা রইলো । আর ধন্যবাদ পোষ্টটি পড়ার জন্য ।

৪১| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:০৫

সুমন কর বলেছেন: ভাগ্যিস আপনি যাত্রা পিছিয়েছিলেন, না হলে আমরা এমন সুন্দর একটি অনুষ্ঠানের ভার্চুয়াল ভ্রমণ করতে পারতাম না। নিখুঁত বর্ণনা, আবেগ মেশানো। দারুণ লাগল।
+।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:২৯

জুন বলেছেন: আন্তরিক একটি মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে সুমন কর । আসলে আমি গত বছর রাজার মৃত্যুর সময়ও ব্যাংকক উপস্থিত ছিলাম । তাই ক্রিমেশনটি দেখার খুব আগ্রহ ছিল যার প্রস্ততি চলছিল সারা বছর জুড়ে।

৪২| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:২২

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন:





আপনার পোস্ট মানেই তথ্যের চমক থাকবেই । বেশ ভাল লাগলো ।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:২৩

জুন বলেছেন: কথাকথিকেথিকথন প্রথমেই দুঃখ প্রকাশ করছি উত্তরটি দিতে দেরী করার মত অসৌজন্যতার জন্য ।
আন্তরিক একটি মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই আপনাকে ।
ভবিষ্যতেও সাথে থেকে উৎসাহিত করবেন তার প্রত্যাশায় ।

৪৩| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৫৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: জুন ,




৮ নম্বরে করা আমার মন্তব্যের জবাবে লিখেছেন --- " জী ফুল আমি বানিয়েছিলাম বেশ অনেকগুলোই কিন্ত জায়গামত পৌছাতে পারিনি । তারপর ও রাজার সেই ব্যাক্তিগত চিকিৎসকের মতই বলি আমার হাতে না হলেও হয়তো আর কারো হাত ধরেই আমার ফুলগুলোও পৌছে গেছে অর্ঘ্য হিসেবে ।"
ঠিক তাই ।

আর দেখলুম, নতুন একটি ছবি যোগ করেছেন , ঊরন এর । উরনের ভেতর মৃতদেহ রাখার পদ্ধতি । বেশ জটিল ও অমানবিক একটি প্রথা । মৃত্যুর পরে ৪ ঘন্টার মধ্যেই রাইগর মর্টিস ( স্টিফনেস ) শুরু হয়ে যায় অর্থাৎ মৃতের দেহ শক্ত হয়ে যায় । তেমন অবস্থায় আপনার দেয়া ছবির মতো হাত-পা বাঁকিয়ে উরনের ভেতরে রাখা প্রচন্ড কষ্টকর ও অমানবিক । মৃতের না হলেও মৃত ব্যক্তির আত্মীয় স্বজনদের কাছে তা অবশ্যই অমানবিক মনে হবে । তবে রাইগর মর্টিস শুরু হবার আগেই অর্থাৎ মৃত্যুর পরে পরেই এমনটা করা হয় কি ?
আপনি জানলে , জানালে খুশি হবো ।

রাতের শুভেচ্ছা ।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:০৮

জুন বলেছেন: সেই চন্দন কাঠের ফুল যাতে জড়িয়ে ছিল একটি ছোট্ট ধুপকাঠি আর মোম আমি মন প্রান ঢেলেই বানিয়েছিলাম আহমেদ জি এস। এটা ছিল আমার জন্য একটি স্মরনীয় ঘটনা। ধন্যবাদ কথাটি মন্তব্যে উল্লেখ করার জন্য।
উরন অর্থাৎ এই ধরনের কফিনে মৃতদেহ সংরক্ষন ওদের দেশের একটি প্রথা যা শুধুমাত্র ভিক্ষু এবং রাজপরিবারের সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য। আপনি ঠিকই বুঝতে পেরেছেন ঘটনাটি । চক্রী বংশের রাজা সপ্তম রামা রাজাধীপকের স্ত্রীর মৃতদেহ উরনে বসাতে গিয়ে যে অবর্ননীয় কষ্ট হয়েছিল তা সামনা সামনি দেখে রাজা ভুমিবলের মা প্রিন্সেস নগরিন্দ্রা মৃত্যুর আগে অনুরোধ করে গেছিলেন তাকে যেন শোয়ানো অবস্থায় কফিনে রাখা হয়। পরবর্তীতে একই পদ্ধতি গ্রহন করা হয় রাজা ভুমিবলের বোন এবং নিজের ক্ষেত্রেও ।
আরেকবার এসে ছবিটি প্রাসংগিক একটি মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে ।
ভালো থাকুন আর সুস্থ থাকুন সেই শুভকামনায় ।

৪৪| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৪২

থার্মোমিটার বলেছেন: আমাদের এরশাদাদু মারা গেলে এমন কান্না কানমু, দেশে অষ্টআশির বন্যা হয়া যাইবো আর সংগে বাজবো তোমাদের পাশে এসে সব ব্যাথা বুকে নিয়ে আজকের চেষ্টা আমার। পোষ্টে প্লাস =p~

১০ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:১১

জুন বলেছেন: অনেকদিন পর এই গানটি শুনে ভীষন স্মৃতিকাতর হয়ে পরলাম থার্মোমিটার । ওহ কি দরদ দিয়েই না গাইতো ;)
যাইহোক স্বাগতম আমার ব্লগে আপনাকে । মজার একটি মন্তবের জন্য অশেষ ধন্যবাদ

৪৫| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৩৫

এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: আজ ১০ ই নভেম্বর, শুক্রবার
সাহিত্য আড্ডার আড্ডা বার!
চলে আসুন 'বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র'র ক্যাফেটেরিয়ায়।
লিফটের সর্বোচ্চ ৮ চেপে জাস্ট উপরে খোলা আকাশের নিচে সবুজ সমারোহে চা পর্বে দেখা হয়ে যাক আড্ডাবাজদের।
বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে চারটায় দেখা হচ্ছে তবে!
যোগাযোগঃ
মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামঃ ০১৮১৯-৫১৮৯৩৪
এটিএম মোস্তফা কামালঃ ০১৫৫৮৩০৮৮৪৮
আশরাফুল ইসলাম দুর্জয়ঃ ০১৭২৪-৬১৪২৫৬

১০ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:১৩

জুন বলেছেন: আপনাদের সাহিত্য আড্ডা এখোনো চলছে দেখে খুব ভালোলাগলো। এবার না পারলেও আগামীতে অবশ্য যোগদানের চেষ্টা করবো এটি এম মোস্তফা কামাল

৪৬| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৩৭

এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: রোববার (১২ তারিখ) ইনশাল্লাহ থাইল্যান্ড যাচ্ছি। এআইটিতে কাজ। থাকবো এম্বাসেডারে।

১০ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:১৬

জুন বলেছেন: এআইটিতে কাজ আর থাকবেন এম্বেসডরে ! অনেক দুর হয়ে যাবেনা ? নাকি সুকুমভিতে বসেই সব কাজ সেরে ফেলবেন :) কোনো ট্রেনিং এ যাচ্ছেন কি ?

৪৭| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:১১

রাতুল_শাহ বলেছেন: থাইল্যান্ড গেলে আপনাকে সাথে নিয়ে যেতে হবে।

২১ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৮:৪২

জুন বলেছেন: থাইল্যান্ড গেলে আপনাকে সাথে নিয়ে যেতে হবে
অবশ্যই রাতুল । আমি আর কিছুদিন পরেই অনেক অনেক দিনের জন্য চলে যাচ্ছি । তখন এসো একবার ভাবীজীকে নিয়ে বেড়াতে।

৪৮| ২১ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:১৯

রাতুল_শাহ বলেছেন: আপনার শরীর স্বাস্থ্য এখন কেমন?
পায়ের কি অবস্থা?

২১ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৩৭

জুন বলেছেন: আছি, চলে যাচ্ছি আরকি রাতুল । পায়ের ব্যাথা আছে খানিকটা আমার জন্য এই উদ্বীগ্নতা প্রকাশের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জেনো ।

৪৯| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:২২

নায়না নাসরিন বলেছেন: খুব সুন্দর করে লিখা আপু । জানলাম অনেক কিছু ।

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৫৮

জুন বলেছেন: কিছু জানতে পেরেছেন যেনে খুব ভালোলাগলো নায়না নাসরিন । মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ।

৫০| ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৩০

শামচুল হক বলেছেন: আপনার ভ্রমণ কাহিনীগুলো আমার কাছে খুব ভালো লাগে। জানার মত অনেক কিছু থাকে।

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৩৭

জুন বলেছেন: স্বাগত জানাই আমার ব্লগে শামচুল হক । ভালোলাগার কথা জেনে আমারো অনেক ভালোলাগলো । আমি যতটকু জানি ততটুকুই আপনাদের সাথে শেয়ার করে খুশী হই । শুভকামনা রইলো সবসময়ের জন্য ।

৫১| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:২২

আখেনাটেন বলেছেন: মুক্তদেশের রাজার শেষকৃত্যের অাদ্যপান্ত পড়ে শেষ করলাম। অনেকদিন থেকেই পড়ব পড়ব করে পড়া হয়ে উঠছিল না। অনেক গুছিয়ে চমৎকারভাবে লিখেছেন।

তবে ভেবে অবাক হচ্ছি যে সাধারণত সাধারণ মানুষেের রাজা-বাদশাদের প্রতি এইযুগে এক ধরণের বিতৃষ্ণা থাকার কথা তাদের কর্মকাণ্ডের কারণে। কিন্তু থাইদের কাছে রাজাতো মনে হচ্ছে বীরের সন্মাননা পাচ্ছে। যদিও জানি থাই রাজাও সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। মাঝে কিছু সমালোচনাও হয়েছিল।

জনগণের এই স্বত:স্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ ভালো লাগছে। যে কোনো দেশের উন্নতির জন্য এই ঐক্যটা জরুরী।

ভালোলেগেছে এই অসম্ভব সুন্দর পোস্টের জন্য।

২৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:১৬

জুন বলেছেন: যদিও জানি থাই রাজাও সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। মাঝে কিছু সমালোচনাও হয়েছিল।
আখেনাটেন রাজা ভুমিবল সম্পুর্ন সৎ ভাবে আয় করে ধনী হয়েছিলেন যা জনগনের উন্নতির জন্য এই বিপুল অর্থ ব্যয় করেছেন এবং এখনো দুই হাজারেরও বেশি বিভিন্ন রয়েল প্রোজেক্টের আন্ডারে এটা জনকল্যানে ব্যয় হচ্ছে। তাদের দেশে কোন এনজিও নেই। রাস্তাঘাট, ব্রিজ, শিল্প, স্বাস্থ্য, শিক্ষা কৃষি থেকে মৎস ডেইরী পোল্ট্রিতে বিপ্লব অর্থাৎ যা কিছু উন্নয়ন সে দেশে আপনার চোখে পড়বে তার সবটুকুই রাজা ভুমিবলের হাত ধরে হয়েছে। তার সাফিসিয়েন্সী ইকোনমি এখন বহু দেশেই অনুসরন করা হয়ে থাকে। জাতিসঙ্ঘের প্রাক্তন মহা সচিব কফি আনান তাঁকে উন্নয়নের জন্য লাইফ টাইম এচিভমেন্ট উপাধীতে ভুষিত করার গৌরব লাভ করেছেন আখেনাটেন। দীর্ঘ সত্তর বছর সে দিন রাত জনকল্যানেই প্রতিটি দিন, প্রতিটি মুহুর্ত ব্যয় করেছে। এ জন্য দেশের জ্ঞ্যানীগুনী শিক্ষিত থেকে সাধারন জনগন তাকে কখনো মানুষ ভাবে নি, ভাবে দেবতা। তার জন্য চোখের পানি ফেলেনি এমন মানুষ খুজে পাওয়া ভার ছিল। এছাড়াও তাদের পরিবারের প্রতিটি সদস্য জনকল্যানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রচুর দান করে থাকেন। তাদের কারো বিরুদ্ধে টাকা চুরির কোন অভিযোগ নেই । আমি এবিষয়ে আমার আরেকটি পোষ্ট আপনাকে পড়ার অনুরোধ করবো তাহলে হয়তো সামান্য কিছুটা হলেও অনুধাবন করবেন ।

গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গাল ইতিহাসের এক কুখ্যাত মাদক সাম্রাজ্যে একদিন
আমার পোষ্টটি পড়া ও মন্তব্যের জন্য ও আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ।

৫২| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:২৭

আখেনাটেন বলেছেন: আপনার মন্তব্য পড়ে বুঝতে পারছি কেন এত শ্রদ্ধা? কিছু কারণতো অবশ্যই রয়েছে। দেশের তরে এভাবে নিজেদের বিলিয়ে দিলে এই ভালোবাসাটুকু তাঁর প্রাপ্য।

অথচ আমাদের দেশের নেতা ও ধনীদের কথা চিন্তা করলে...। আজকেই প্রথম অালোর হেড নিউজ করেছে দরবেশের কুকীর্তি নিয়ে। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার নিয়ে এরা করবেটা কি?


আপনার লিংকে ক্লিক করলাম; কিন্তু পোস্ট নেই দেখাচ্ছে...।

সুন্দর প্রতিমন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।

২৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৪১

জুন বলেছেন: আমারও সেই একই প্রশ্ন এত টাকা দিয়ে তারা কি করবে আখেনাটেন ! আবার দিয়েছি লিংকটা ।
দেখেনতো দেখতে পাচ্ছেন কি না । আরেকবার আসার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন ।
গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গাল ইতিহাসের এক কুখ্যাত মাদক সাম্রাজ্যে একদিন

৫৩| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:০৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: জুন ,




অনেক দিন লেখা দিচ্ছেন না । তা কি ব্লগের সমস্যার কারনে, না কি রাজা ভুমিবলের অন্তিম বিদায়ে এখনও কাঁদছেন ? :(
চোখ মুছে এবার লিখতে বসুন .....................

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৩৬

জুন বলেছেন: হা হা হা না ভালই বলেছেন রাজা ভুমিবলের অন্তিম বিদায়ে এখনও কাঁদছি নাকি ? :)
এখন কান্নাকাটির পালা শেষ আহমেদ জীএস । নতুন লেখা নিয়ে বসেছি । দেখি কতটুকু কিভাবে লিখতে পারি ।
আমার লেখালেখি নিয়ে আপনার কনসার্নটুকু দেখে খুব ভালোলাগলো ।
সকালের শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ রইলো ।

৫৪| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৫৪

অন্তরন্তর বলেছেন: আপনার এই পোস্ট বেশ কয়দিন পড়েছি। মন্তব্য করবো করেও করা হয়নি। উনাদের মত মানুষের জন্ম হয়েছিল বলেই পৃথিবীটা আজও এত সুন্দর। মানবজনম সার্থক উনার। কোটি কোটি মানুষের কান্না দেখলেই এটা বুঝা যায়। খুব ভাল লিখেছেন যদিও বরাবরই আপনি ভাল লিখেন। অনেক দেরীতে মন্তব্য করলাম। শুভ কামনা।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:১০

জুন বলেছেন: তারপরও যে এসেছেন মন্তব্য করেছেন তদুপরি ভালো বলেছেন তার জন্য অনেক খুশী হয়েছি অন্তরতর । আশাকরি আমার আজ দেয়া নতুন পোষ্টেও আপনার সুচিন্তিত মতামত পাবো । অশেষ ধন্যবাদ ও শুভকামনা জানবেন ।

৫৫| ২৫ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:৪৬

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
মানুষের শেষ বিদায়ও যে এত আড়ম্বরপূর্ণ হতে পারে না পড়লে বিশ্বাস করা যেতনা।

নতুন পোস্ট দিন।

২৬ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৯

জুন বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন হয়তো মোঃ মাইদুল সরকার, শুধু ধনীরাই নয় এমনকি দরিদ্র একজন থাইও মনে করে তাদের দেবতার মত রাজা সারাটি জীবন দিয়ে তাদের জন্য যা করে গেছেন এই টাকা সে তুলনায় তেমন কিছুই নয়। কতখানি ভালোবাসা থাকলে একবছর ধরে কালো পোশাক পরেছিল তারা।

নতুন পোষ্ট দিবো খুব শীঘ্রই, একটু ঝামেলায় আছি ।
মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন। শুভকামনা সতত।

৫৬| ২৭ শে জুন, ২০১৮ রাত ১০:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: আমি বুঝতে পারছি না এতদিন আপনার পোষ্ট আমার চোখে পড়েনি কেন?

২৮ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:০৯

জুন বলেছেন: আমি বুঝতে পারছি না এতদিন আপনার পোষ্ট আমার চোখে পড়েনি কেন?
আমিও বুঝতে পারছিনা রাজীব নুর কেন চোখে পরেনি /:)
তাছাড়া আপনার বিভিন্ন লেখা পড়ে বুঝেছি আপনি আমার দেশী মানুষ :)

দেরীতে হলেও আসার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ।

৫৭| ২৭ শে জুন, ২০১৮ রাত ১০:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: আমি বুঝতে পারছি না এতদিন আপনার পোষ্ট আমার চোখে পড়েনি কেন?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.