নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন সুখী মানুষ, স্রষ্টার অপার ক্ষমা ও করুণাধন্য, তাই স্রষ্টার প্রতি শ্রদ্ধাবনত।khairulahsan@yahoo.com

খায়রুল আহসান

অবসরে আছি। কিছু কিছু লেখালেখির মাধ্যমে অবসর জীবনটাকে উপভোগ করার চেষ্টা করছি। কিছু সমাজকল্যানমূলক কর্মকান্ডেও জড়িত আছি। মাঝে মাঝে এদিক সেদিকে ভ্রমণেও বের হই। জীবনে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করিনি, এখন তো করার প্রশ্নই আসে না। জীবন যা দিয়েছে, তার জন্য স্রষ্টার কাছে ভক্তিভরে কৃতজ্ঞতা জানাই। যা কিছু চেয়েও পাইনি, এখন বুঝি, তা পাবার কথা ছিলনা। তাই না পাওয়ার কোন বেদনা নেই।

খায়রুল আহসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

চিয়াং মাই সফরের একটি ছোট্ট স্মৃতিঃ

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:০৪

চিয়াং মাই এর Doi Inthanan National Park ঘুরে ফিরে দেখছিলাম। কিছুক্ষণ হাল্কা ঝিরঝিরে বৃষ্টি হয়েছিল। হাঁটতে হাঁটতে কিছুটা ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম, ক্ষুধাও পেয়েছিল। ট্যুর গাইডের বেঁধে দেওয়া সময় অনুযায়ী আবার সবাই একত্রিত হ’লাম, আমরা সাকুল্যে ছিলাম দশ জন। মাথা গোণার পর গাড়ীতে বসেই সাব্যস্ত হলো, লাঞ্চের জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় যাওয়ার আগেই পথে তাজা ফলমূল ও সব্জীর জন্য বিখ্যাত বাজার মং মার্কেট (Hmong Market) পড়বে, আমরা সেখানে দশ মিনিটের একটা যাত্রাবিরতি করে কিছু তাজা ফলমূল খাবো/কিনে নিব।

সেই অনুযায়ী আমরা সেখানে নেমে আমি ও আমার স্ত্রী কিছু গার্ডেন ফ্রেশ স্ট্র’বেরী খেলাম। খাওয়া শেষ করে আমি পথের পাশে গাড়ীর কাছে দাঁড়িয়ে আছি, হঠাৎ খেয়াল করলাম, কয়েকজন বয়স্কা রমণী পিঠে ঝুড়ি বেঁধে তাজা ফলমূল ও শাকসব্জী বয়ে নিয়ে মাথা নীচু করে আনমনে হেঁটে যাচ্ছে। আমার একেবারে কাছে আসার পর আমি একজন অশীতিপর, অতীব সুন্দরী রমণীকে দেখে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেলাম। আমাদের দেশে ঐ বয়সী নারীদেরকে সাধারণতঃ কারো না কারো সাহায্য নিয়ে পথ চলতে হয়। অথচ উনি পায়ে বুট পরে, পিঠে আমাদের অনেকটা সিলেটী চা শ্রমিকদের মত করে ঝুড়ি বেঁধে পাহাড়ী টের‍্যাস থেকে বয়ে আনা শাক সব্জী, ফলমূল ইত্যাদি নিয়ে আপন মনে হেঁটে চলেছেন তার নির্দিষ্ট গন্তব্যপানে। আমি তাকে ইশারায় একটু থামতে বললাম, উনি থামলেন। সেলফোন বের করে তাকে ইশারায় বললাম, আমি তার সাথে একটা ছবি তুলতে চাই। উনি এক গাল হেসে তৎক্ষণাৎ রাজী হয়ে গেলেন। তার চেহারা দ্যূতিময় ছিল, বিশেষ করে তার চোখ দুটো দেখে তাকে একজন অত্যন্ত আত্মপ্রত্যয়ী এবং গর্বিতা রমণী বলে মনে হলো। উনি উজ্জ্বল বর্ণের নানারকম সাজসজ্জা বিশিষ্ট পোষাক পরিহিতা ছিলেন, মাথায় এক ধরণের মস্তকাবরণীও পরেছিলেন। উজ্জ্বল ফর্সা তার রেখাঙ্কিত মুখ দেখে মনে হয়েছিল যেন কালের রোজনামচা। বেশ হাসিখুশী মুখে তিনি ছবি তুলে বিনয়ের সাথে আবার তার পথযাত্রার অনুমতি চাইলেন। আমি তাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বিদায় জানালাম, এরই মধ্যে বাকী যাত্রীরা এসে পড়ায় আমাদেরও যাত্রা শুরু হলো।

একটি ছোট্ট স্মৃতি, কিন্তু মনে অনেক মায়ার সাথে আমি সেই অশীতিপর বৃদ্ধাকে স্মরণ করি। যারা তাদের নিজেদের জীবন ও জীবিকাকে ভালবাসে এবং তা যতই নগন্য হোক না কেন, তা নিয়ে গর্ববোধ করে, তাদের চেহারাতেও সে গৌরবপ্রভা দীপ্যমান হয়।


চিয়াং মাই, থাইল্যান্ড
০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭


মন্তব্য ৪৮ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (৪৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:১৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



জীবনের উজ্বল একটি মহুর্ত

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৮:১৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: ঠিক বলেছেন, সেটা ছিল জীবনের উজ্বল একটি মহুর্ত!
প্রথম মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা...

২| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২৫

প্রামানিক বলেছেন: চমৎকার স্মরণীয় ঘটনা। ধন্যবাদ খায়রুল ভাই।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:০১

খায়রুল আহসান বলেছেন: লেখাটা পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ, প্রামানিক। মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হ'লাম।

৩| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩১

অন্তরন্তর বলেছেন: ছোট্ট একটু ঘটনা কিন্তু মনে রাখার মত। আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আমি কিছু মহিলা দেখি, ইনফ্যাক্ট আমার পাশের ফ্ল্যাটের মহিলার বয়স ৮১ বছর। সে গট গট করে হেটে যায় আর আমি অবাক হয়ে দেখি। শুভ কামনা।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:১৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: আমার পাশের ফ্ল্যাটের মহিলার বয়স ৮১ বছর। সে গট গট করে হেটে যায় আর আমি অবাক হয়ে দেখি - ইনি মহিলা তো, তাই আমি একটু কনজার্ভেটিভ এস্টিমেট দিয়েছি। ছবি দেখে অনেকেই আমাকে বলেছেন, ওনার বয়স আশীর কোঠায় হবে।
ছোট্ট একটু ঘটনা কিন্তু মনে রাখার মত - জ্বী, সেজন্যেই তো মনে রেখেছি এবং পোস্ট দিয়েছি।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৪| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩৩

সোহানী বলেছেন: সত্যিই তাই, বাইরের দেশের এ বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের এমন বয়সের ভারে ন্যুজো হয়ে ও দেখি সুন্দর চলাফেরা করে। আসলে জীবনভর একা চলতে অভ্যস্থ এ সময়ে ও কারো সাহায্য নেয় না।

ভালো লাগলো স্মৃতি চারন খায়রুল ভাই।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:৫৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: লেখাটা পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। বয়স ওনাকে কাবু করতে পারেনি, হয়তো অতি সহজ সরল জীবনাচারের কারণেই।
প্লাসে অনুপ্রাণিত।

৫| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:০৩

সুমন কর বলেছেন: আপনার ছোট্ট স্মৃতি পড়ে ভালো লাগল।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:২৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: ছোট্ট স্মৃতি টা পড়ার জন্য একটা অনেক বড় ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
ভাল থাকুন, শুভকামনা---

৬| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:০৫

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: সুখস্মৃতিটা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৩২

খায়রুল আহসান বলেছেন: সুখস্মৃতিটা শেয়ার করে আমি নিজেও সুখ অনুভব করছি। আপনি পড়েছেন, মন্তব্য করেছেন, এজন্য অনেক ধন্যবাদ।

৭| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:১১

ধ্রুবক আলো বলেছেন: জীবনের উজ্জ্বল একটা মুহূর্ত। খুব ভালো লাগলো।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:৪১

খায়রুল আহসান বলেছেন: জ্বী, প্রথম মন্তব্যেই চাঁদগাজী সাহেব একই কথা বলে গেছেন।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ, প্রীত হ'লাম।

৮| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১:৪৯

শামচুল হক বলেছেন: ছোট স্মৃতিও অনেক সময় বড় আকারে চোখের সামনে ভেসে উঠে। আপনার এই স্মৃতিচারণও তাই। ধন্যবাদ খায়রুল আহসান ভাই।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:১৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: লেখাটা পড়েছেন, এজন্য অনেক ধন্যবাদ। মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হ'লাম।

৯| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৩:৩৫

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: চমৎকার অভিজ্ঞতা। তবে সুসন্তান থাকলে আমাদের দেশের প্রবীণরাও খুব ভালো থাকেন। বাইরের দেশের কর্মজীবি বৃদ্ধ/বৃদ্ধারা অবাকই হবে আমাদের দেশের বয়স্কদের আরাম আয়েশ দেখলে...

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: তবে সুসন্তান থাকলে আমাদের দেশের প্রবীণরাও খুব ভালো থাকেন। বাইরের দেশের কর্মজীবি বৃদ্ধ/বৃদ্ধারা অবাকই হবে আমাদের দেশের বয়স্কদের আরাম আয়েশ দেখলে... -- ঠিক বলেছেন। তবে বড় কথা হচ্ছে, সুসন্তান থাকলে! সৌভাগ্যের কথা এই যে আমাদের দেশের সন্তানেরা, আমরা এখনও আল্লাহ'র রহমতে বেশীরভাগই সুসন্তানই আছি।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। প্রীত হ'লাম।

১০| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৭:৩২

আটলান্টিক বলেছেন: এইটা হচ্ছে জিনগত একটি বিষয়।সিলেটে আপনাকে ৮০ বছর বয়সী বৃদ্ধাও দেখাতে পারবো যে নিজের সব কাজ নিজে করে।আপনার আনন্দ দেখে আমিও আনন্দ পেলাম

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার আনন্দ দেখে আমিও আনন্দ পেলাম -- ধন্য হ'লাম।
যে যত খেটে খাবে, কায়িক শ্রমের মাধ্যমে, তার ভাল থাকার সম্ভাবনা তত বেশী।
মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ। প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম।

১১| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:২০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: যারা নিজেদের জীবন জীবিকাকে ভালবাসে তা ছোট বড় না ভেবে তা নিয়ে গর্ব বোধ করে তাদের চেহারায়তেই থাকে সেই গৌরব প্রভা! -
যথার্থ বলেছেন।

শেয়ারে ধন্যবাদ

+++

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪০

খায়রুল আহসান বলেছেন: উদ্ধৃতির জন্য ধন্যবাদ। মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত।
শুভেচ্ছা...

১২| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৫৫

জাহিদ অনিক বলেছেন:

চমৎকার ভ্রমণ স্মৃতি।
আপনাদের চলার পথের গল্পগুলো বেশ ভালো লাগে শুনতে

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১২

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনাদের চলার পথের গল্পগুলো বেশ ভালো লাগে শুনতে - এসব কথা শুনছেন, শুনেন, শুনে মন্তব্যও করেন, এজন্য অশেষ ধন্যবাদ।
আমারও ভাল লাগে আপনার কথা শুনতে। একটা স্মৃতিকথা লেখার কথা ছিল বোধহয়।
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত।

১৩| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৮

অজানিতা বলেছেন: বাহ! মনোমুগ্ধকর ভ্রমণকথা। ভালো লাগলো।
ভাই ধন্যবাদ লেখার জন্য।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৪৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: ভ্রমণকথা ভালো লেগেছে জেনে খুশী হ'লাম। প্রেরণাদায়ক মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

১৪| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:৫৮

মনিরা সুলতানা বলেছেন: জীবিকার সাথে , পরিবেশ , খাদ্যাভাস অনেক কিছু মিলিয়েই ।
ভালো লাগলো আপনার ভ্রমন গল্প ++++্

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৭:২১

খায়রুল আহসান বলেছেন: ভালো লাগলো আপনার ভ্রমন গল্প - গল্পটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ। মন্তব্যে প্রীত ও অনুপ্রাণিত হ'লাম।

১৫| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৯

ধ্রুবক আলো বলেছেন: ষাটোর্ধ্ব হওয়ার আগে আমি নিজেই হয়তো বিছানায় পরে যাবো! ষাট পর্যন্ত সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকাও একটা চ্যালেঞ্জ।

চীন জাপান, থাইল্যান্ড আরও বেশ কিছু দেশের মানুষের শারীরিক কাঠামো খুব ভালো। শক্ত সাবলীল।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:১৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: ষাটোর্ধ্ব নয়, অশীতিপর। বয়সটা সম্পাদনা করে দিয়েছি। দোয়া করি, আপনি অশীতিপর বয়স পর্যন্ত সচল, সক্রিয় ও চিন্তাশীল থাকুন! তার পরে তো অনন্ত প্রক্রিয়ায় অন্তর্লীন হবার পালা! সবার জন্যই অনিবার্য, অবধারিত!

১৬| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩০

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: আপাতদৃষ্টিতে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে হলেও আপনার এই পোস্টটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা অনেকের চোখ খুলে দিতে পারে। বয়সের চেয়ে মনের সতেজতা বেশি কাম্য।


ধন্যবাদ ভাই খায়রুল আহসান।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:৪৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: বয়সের চেয়ে মনের সতেজতা বেশি কাম্য - অবশ্যই।
ছোট এ লেখাটি পড়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য রেখে যাওয়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

১৭| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:০৮

মলাসইলমুইনা বলেছেন: খায়রুল ভাই, আমি খুব ঘরকুনো টাইপের | সহজে বেড়াতে যেতে চাই না দূরে কোথাও | তারপরও কোথাও বেড়াতে গেলে ন্যাচার দেখার চেয়ে মানুষের জীবন যাপন দেখাতেই আমার অনেক বেশি ভালো লাগে | ছোট ছোট খুঁটি নাটি জিনিসগুলো দেখতেই আমার বেশি মজা লাগে | তাই চিয়াং মাই সফরের বর্ণনায় সবচেয়ে বেশি ভালো লাগলো আপনার দেখা ষাটোর্ধ সেই বুড়ির কথা | আমি এখানেও দেখি বয়স্ক লোকেরা একাই থাকে |বাসার সব কাজ একাই করছে |এই তুমুল স্নোর মধ্যে পাহাড়ি রাস্তায় গাড়ি ড্রাইভ করছে! অবাক লাগে |এরা বয়সের বাঁধা জয় করেছে সেটাই মনে হয়| চিয়াং মাই-এর পাহাড়ের সেই বুড়ির ঘটনায়ও সেই জীবনের, বয়সের বাঁধা জয় করার গল্পই শুনলাম যেন | খুব ভালো লাগলো আপনার ট্যুরে দেখা জীবনের গল্প বলা |

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:২০

খায়রুল আহসান বলেছেন: কোথাও বেড়াতে গেলে ন্যাচার দেখার চেয়ে মানুষের জীবন যাপন দেখাতেই আমার অনেক বেশি ভালো লাগে - আমার দুটোই ভাল লাগে। মানুষের মুখ দেখতেও আমার ভাল লাগে।
সেই অশীতিপর বৃদ্ধার যাপিত জীবনে কত শত দুঃখ কষ্টের কথা ঢাকা পড়ে আছে কে জানে, কিন্তু তার মুখে সুখ ও প্রশান্তির সুবর্ণরেখা উৎকীর্ণ হয়ে আছে।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। অনুপ্রাণিত।

১৮| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৩০

নিতাই পাল বলেছেন: এই ব্লগে রেজিস্ট্রেশন করেছি ৫মাসের বেশি। অথচ আমার লেখাগুলো প্রথম পাতায় স্থান পায় না। কেন পায় না, তা আমার জানা নেই। যদি আমার লেখাগুলো প্রথম পাতায় স্থান নাইবা পায়, তাহলে, আমাকে রেজিস্টার করতে দেওয়া হলো কেন? নাকি, আমি ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের একজন লেখক বলে। প্রশ্ন শুধু এই ব্লগের সমস্ত লেখকবৃন্দের কাছে রেখে গেলাম।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:৫৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: কথাগুলো ভুল জায়গায় রেখে গেলেন।
"ফীডব্যাক" এ মেইল করুন, আশাকরি একটা সুরাহা হবে।

১৯| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:০৫

কাতিআশা বলেছেন: জেনেটিক বলে একটা ব্যাপার আছে..আমাদের অফিসের শাটল বাসটা চালায় এক বৃদ্ধা!..কোনো কমপ্লেইন নেই, শুধু লান্চ টাইমে লকার রুমের বেন্চে বসে একটু ঝিমিয়ে নেয়!

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:১৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: লেখাটা পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হ'লাম, কাতিআশা।

২০| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩৩

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: স্মৃতি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৪৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: লেখাটা পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ, শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া)। মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হ'লাম।

২১| ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:০৪

জুন বলেছেন: আপনার ক্ষুদ্র লেখাটি নিয়ে গেল চিয়াং মাই এর দই ইনথানন আর দই পুই ন্যাশনাল পার্কে খায়রুল আহসান । চিয়াং মাই নিয়ে আরো লেখা দেখতে চাই :)
আমার মনে হয় শুধু সেই বৃদ্ধাই নয় যেঁ কোন পাহাড়ি জনগোষ্ঠী শারিরিক ভাবে এমন সক্ষম । এটা আমি দেখেছি বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় ভ্রমনে । ভুটানে আমাদের গাইড যেখানে দৌড়ে সেই সুউচ্চ টাইগার নেষ্টে লাফিয়ে লাফিয়ে উঠছিল তার অর্ধেক বয়সী হয়েও আমার পরিজনরা লাঠি হাতে অর্ধেক পথও পেরুতে পারেনি । আর আমিতো নীচে গাড়িতেই বসে ছিলাম সেই উচ্চতা দেখে।
সিমলায় যেই বৃদ্ধ কুলিটি আমাদের লাগেজ নিয়ে মলের উপর আমাদের হোটেলের রিসেপশনে একটানে উঠে গেল তা আমাদের কাছে ছিল অবিশ্বাস্য। অর্ধেক উঠেই আমরা ক্লান্ত হয়ে পরেছিলাম।
আপনি জীবনে্র শেষ প্রান্তের দিকে পাড়ি দেয়া একজনের ছবি দিয়েছেন আর আমি দিলাম মাত্র শুরু একজনার।
দই পুই ন্যাশনাল পার্কে ঐতিহ্যময় পোশাক পরিহিতা এই সেই উনি লাঠির আগায় চাকা লাগিয়ে খেলছে আপনমনে । মা হয়তো ব্যাস্ত ।



০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫০

খায়রুল আহসান বলেছেন: শিশুরা কত ছোট ছোট জিনিসেও মহা আনন্দ খুঁজে পায়! চমৎকার এ ছবিটার জন্য ধন্যবাদ।
পাহাড়ী জনগোষ্ঠী প্রকৃতির কোলে বড় হয়। কায়িক শ্রমের সাথে সাথে নির্ভেজাল খাদ্যদ্রব্য তাদেরকে সক্ষম রাখে। আর সেই সাথে নিষ্কলুষ জীবনযাত্রা প্রণালী।
ইচ্ছে আছে চিয়াং মাই নিয়ে আরো কিছু লেখার।
মন্তব্যে অনুপ্রাণিত।

২২| ১১ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:৫১

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:


হার্ট ওয়ার্মিং ইক্সপিরিয়েন্স! এশিয়ার অনেক দেশেই প্রেরণাদায়ক দৃশ্য চোখে পড়ে।
বাইরে গেলেই তা দেখতে পাই, ভেতরে এলেই আর পাই না :)

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:২৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: বাইরে গেলেই তা দেখতে পাই, ভেতরে এলেই আর পাই না - আপনি ঠিকই বলেছেন, আমারও একই রকমের অনুভূতি ও অভিজ্ঞতা। আমাদের মতই দেশ নেপাল ও ভুটানেও আমি এমন অনেক হার্ট ওয়ার্মিং ইক্সপিরিয়েন্স লাভ করেছি। ওসব দেশের লোকজনকে আমার কাছে য়ামাদের চেয়ে অনেক বেশী সরল ও সৎ বলে মনে হয়েছে।
লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। মন্তব্যে অনুপ্রাণিত।

২৩| ১১ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:১০

করুণাধারা বলেছেন:



ভ্রমণ কাহিনীতে কেবল স্থানের বর্ণনা থাকলে পরিপূর্ণ হয় না; স্থানীয় মানুষদের মাঝে মাঝে বসিয়ে দিলে ছবিটা পূর্ণ হয়। তাই ভাল লাগল এই বৃদ্ধার গল্প। আর "অশীতিপর" কথাটা পড়ে নিজের মায়ের কথা মনে পড়ল। জানি না কেন আমাদের দেশের মানুষদের সত্তর বছর পার হতেই হাঁটু ব্যথা শুরু হয়! পাহাড় দূরে থাক, সমতলে চলতেই তাদের কষ্ট হয়।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:২৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: ভ্রমণ কাহিনীতে কেবল স্থানের বর্ণনা থাকলে পরিপূর্ণ হয় না; স্থানীয় মানুষদের মাঝে মাঝে বসিয়ে দিলে ছবিটা পূর্ণ হয় - একদম ঠিক কথাই বলেছেন। আমিও ভ্রমণ কাহিনীতে মানুষদেরকে, তাদের কথাই খুঁজি।
আমাদের দেশেও যারা পাহাড়ী জনপদে বাস করেন, তারাও কিন্তু সত্তরেও ঠিক মতই চলাফেরা করতে পারেন, ওদের চেয়ে হয়তো অপেক্ষাকৃত একটু কম হলেও। আসল কথা কায়িক শ্রম, নির্ভেজাল খাদ্য এবং দুশ্চিন্তাহীন প্রাকৃ্তিক জীবন, যান্ত্রিক নয়।
লেখাটা পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। মন্তব্য এবং প্লাসে অনেক অনুপ্রাণিত।
শুভেচ্ছা---

২৪| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৪৯

পলক শাহরিয়ার বলেছেন: ছোট্ট কিন্তু সুন্দর স্মৃতি। চিয়াংমাই নিয়ে আরো লিখুন। চিয়াংরাই গিয়েছিলেন বা যাবেন? গেলে অবশ্যই হোয়াইট ক্যাসেল দেখে আসবেন আর লম্বা গলার মেয়েদের গ্রামটা।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:২৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: চিয়াংরাই এও গিয়েছিলাম। হোয়াইট ক্যাসেলও দেখেছি, লম্বা গলার মেয়েদেরকেও দেখেছি। তবে গলা লম্বা রাখার জন্য এই প্রক্রিয়াটাকে আমার ভাল লাগেনি। ছোটবেলায় পড়েছিলাম, চীনা মেয়েদের পা ছোট রাখার জন্য তাদেরকে কাঠের জুতো পড়িয়ে রাখা হতো। সেটা জেনেও ভাল লাগতো না।
লেখাটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ। মন্তব্যে অনুপ্রাণিত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.