নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার পরিচয় আমি \"আমার কথা\" সিরিজে দিয়ে চলেছি। আগ্রহী পাঠকেরা সেখান থেকেই জেনে নিতে পারবেন। khairulahsan@yahoo.com

খায়রুল আহসান

অবসরে আছি। কিছু কিছু লেখালেখির মাধ্যমে অবসর জীবনটাকে উপভোগ করার চেষ্টা করছি। কিছু সমাজকল্যানমূলক কর্মকান্ডেও জড়িত আছি। মাঝে মাঝে এদিক সেদিকে ভ্রমণেও বের হই। জীবনে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করিনি, এখন তো করার প্রশ্নই আসে না। জীবন যা দিয়েছে, তার জন্য স্রষ্টার কাছে ভক্তিভরে কৃতজ্ঞতা জানাই। যা কিছু চেয়েও পাইনি, এখন বুঝি, তা পাবার কথা ছিলনা। তাই না পাওয়ার কোন বেদনা নেই।

খায়রুল আহসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

সাজেকের মেধাবী মুখ- রুপঞ্জী (Ruponjy)

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:৫৫

২৫ জানুয়ারী ২০১৮। আমরা পাঁচ বন্ধু মিলে সস্ত্রীক অবস্থান করছিলাম সাজেক রিসোর্টে। সকালে নাস্তার পর সবাই মিলে সাব্যস্ত করলাম, সাজেকের সর্বোচ্চ পয়েন্ট “কংলাক পাহাড়” এ আরোহণ করবো। অনেকটা পথ মাইক্রোবাসেই ওঠা গেল। বাকী সামান্য কিছুটা পথ পায়ে হেঁটে উঠতে হবে। পায়ে চলা পথ পাহাড় বেয়ে ওপরে উঠে গেছে, জায়গায় জায়গায় খাঁজকাটা সিঁড়িও আছে। মধ্যবর্তী একটা জায়গায় সামান্য একটু সমতল ভূমির মত পাওয়া গেল। সেখানে দেখলাম ১৩/১৪ বছরের এক পাহাড়ী ছেলে দাও হাতে বাঁশ, কঞ্চি ইত্যাদি কাটছে এবং পাহাড়ী ঝোপ ঝার পরিষ্কার করছে। ছেলেটার চেহারা বেশ মায়াবী। তবে চোখে মুখে আত্মবিশ্বাস এবং বুদ্ধিমত্তা স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্যে দীপ্যমান। তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলাম, ও সেখানে কী করছে। ও জানালো, ন্যূনতম খরচে পর্যটকদের জন্য ও সেখানে একটা অস্থায়ী টী স্টল দিতে চায়। এজন্য সে জায়গাটা পরিষ্কার করছে। চিকন বাঁশ ফালা ফালা করে কেটে জোড়া দিয়ে একটা টেবিল বানিয়েছে। কিছু পরিত্যাক্ত গাছের গুঁড়ি ও তক্তা সংগ্রহ করে পর্যটকদের বসার জন্য কয়েকটা বেঞ্চি বানিয়েছে। এই উদ্যমী কিশোরের এতটা কর্মস্পৃহা এবং প্রায়োগিক বুদ্ধি দেখে মুগ্ধ হয়ে আমাদের মধ্য থেকে একজন তার হাতে কিছু অর্থ দিয়ে বললো, মনে কর আমিই তোমার দোকানের প্রথম কাস্টমার, এবং এটা তোমার প্রথম এক কাপ চায়ের মূল্য। এর একটা সংক্রামক প্রতিক্রিয়া হলো, তার দেখাদেখি আমরা আরো দু’জন কিছুটা সাহায্যের হাত প্রসারিত করলাম। তাকে ডেকে বললাম, এ সামান্য পুঁজিটুকু সে যেন তার ব্যবসায়ে কাজে লাগায়। সে প্রথমে একটু অবাক হলো, তার পরে শুধু একটা নির্বাক হাসি দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলো এবং ওটুকুই তার জন্য যথেষ্ট, আর যেন না দেই, বাকী দু'জনকে দেখিয়ে আমাকে সে অনুরোধ করলো। তাৎক্ষণিকভাবে উপলব্ধি করলাম, এখানেই আমাদের আর ওদের মধ্যে পার্থক্য।

এরই মধ্যে ওর সাথে কিছুটা ঘনিষ্ঠ আলাপচারিতা জুড়ে দিলাম। ওর পরিবারে কে কে আছে জেনে নিলাম। মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় ওরা মানুষ। মা ই সংসারের চালিকা। সাংসারিক প্রয়োজনে পাহাড়ের চড়াই উৎরাই পেরিয়ে সে বহুবার পার্শ্ববর্তী দেশের ত্রিপুরা গমনাগমন করেছে। সড়ক ধরে যাওয়া আসা করাটা ব্যয়বহুল এবং ঝামেলাপূর্ণ। ওরা এসবের ধার ধারেনা। দশ বারটা পাহাড় মারিয়ে সীমান্ত প্রহরীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে এপার ওপার করাটা এই পুঁচকে ছেলেটার কাছেও নস্যি মাত্র। আমাদের এক বন্ধুর প্রশ্নের উত্তরে সে জানালো যে সে বহুবার জাম্পুই গেছে। জাম্পুই হচ্ছে মিজোরাম সীমান্তে অবস্থিত ত্রিপুরা রাজ্যের একমাত্র হিল স্টেশন। আলাপচারিতার পর আমরা আমাদের একটা বৃন্দছবি তুলে দেয়ার জন্য ওকে অনুরোধ করলাম। সে সন্তুষ্ট চিত্তে রাজী হলো। ক্যামেরা হ্যান্ডলিং দেখে বুঝতে পারলাম, এ কাজে সে নতুন নয়। তারপর ছবি দেখে সবাই মুগ্ধ হ’লাম।

সে তার পরিকল্পনার কথা জানালো। সাজেকে এখন পর্যটকদের অনেক ভিড় লেগেই থাকে। সে সপ্তাহে ছুটির দু’দিন এই চায়ের দোকানে সারাদিন ধরে কাজ করবে। বাকী দিনগুলোতে সে যথারীতি স্কুলে যাবে। সে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে, তার রোল নং ২। আমি তার মাথায় হাত দিয়ে দোয়া করলাম, তার সাফল্য কামনা করলাম। পরের শ্রেণীতে উঠে যেন তার রোল নং ১ হয়, সে শুভকামনা রেখে আসলাম এবং সব সময় লেখাপড়াটাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়ার পরামর্শ দিলাম। পকেট থেকে একটা চিরকুট বের করে আমি তার নামটা লিখে দিতে (মানে অটোগ্রাফ দিতে) বললাম। সে ইংরেজীতে তার নামটা লিখলো ‘Ruponjy’. ক্লাস সিক্সের ছাত্র হিসেবে তার হাতের লেখাটাও সুন্দর।

যারা হাতের কাজে ভাল, তাদেরকে আমি বরাবরই সমীহ করে থাকি। রুপঞ্জীকে দেখে আমার মনে হয়েছে, সে জীবনে যা কিছুই করুক, সাফল্যের পেছনে তাকে ছুটতে হবেনা। মেধা ও পরিশ্রমের যৌথ চর্চা তাকে একদিন কাঙ্ক্ষিত সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেবে, যদি না সে অসৎ সঙ্গের কারণে বিপথগামী হয়।

ঢাকা
০৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

পথের পাশের ঝোপঝার পরিষ্কার করে বিশ্রাম নিচ্ছে রুপঞ্জী


আত্মপ্রত্যয়ী রুপঞ্জী


মন্তব্য ৬৪ টি রেটিং +২১/-০

মন্তব্য (৬৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:০৪

রানা আমান বলেছেন: আন্তরিক শুভকামনা রইলো রুপন্জীর জন্য ।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:০৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: ধন্যবাদ, আপনার শুভকামনার জন্য। প্রথম মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম।

২| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:০৬

আরাফআহনাফ বলেছেন: সুন্দর বর্ণনা, ছোট্ট অথচ জীবনঘনিস্ট - তার চেয়েও সুন্দর সুন্দর ছবিগুলো।
তার অটোগ্রাফটা দেখতে পেলে আরো ভালো লাগতো।

ভালো থাকুন।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:১২

খায়রুল আহসান বলেছেন: ছোট্ট অথচ জীবনঘনিস্ট - ধন্যবাদ, এ ছোট্ট কথাটার মাধ্যমে বড় প্রশংসাটুকুর জন্য।
চিরকুটটা খুঁজে দেখবো। যদি পাই, তবে আপনাকে দেখাবো।
শুভেচ্ছা জানবেন।

৩| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:২০

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: সফল হোক সে কিশোর।

দু’জনের জন্যই শুভকামনা।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: ধন্যবাদ, আপনার শুভকামনার জন্য। মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রানিত।

৪| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:২২

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: সাজেক নিয়ে ভ্রমন পোষ্ট কবে পাব ভাইয়া?
রুপণ্জীর জন্য রইল অনেক শুভ কামনা।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: সাজেক নিয়ে ভ্রমন পোষ্ট এই তো শুরু করলাম। একটু একটু করে কিছু কথা বলে যাব, সময়াভাবের কারণে বড় কিছু লিখা আপাততঃ সম্ভব হচ্ছেনা।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। প্লাসে অনুপ্রাণিত।

৫| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:৩২

তারেক মাহমু৩২৮ বলেছেন: দারুণ লাগলো আপনার সাজেকের গল্পটি, আর ও গল্প শোনার প্রতিক্ষায় রইলাম।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:০০

খায়রুল আহসান বলেছেন: সাজেকের রুপঞ্জী'র গল্পটি আপনার ভাল লেগেছে জেনে প্রীত হ'লাম। আরো গল্প শোনার জন্য প্রতীক্ষার কথা বলে আমায় অনুপ্রাণিত করে গেলেন।
ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা!

৬| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৬

রাজীব নুর বলেছেন: অনেকদিন পর আপনার পোষ্ট পেলাম।
সেই যে একটি টুপির আত্মকাহিনি লিখলেন। তারপর আপনার আর কোনো খোজ নেই।


পোষ্টি মন ছুঁয়ে গেল।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:০৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: একটি হ্যাটের আত্মকাহিনী এর পরে আরো দুটো পোস্ট লিখেছিলাম, এবং দুটোতেই আপনি মন্তব্যও করেছেন। আজ তৃতীয়টা পোস্ট করলাম।
মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হ'লাম। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা!

৭| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৭

শামচুল হক বলেছেন: চমৎকার একটি গল্প উপহার দিয়েছেন। ধন্যবাদ খায়রুল আহসান ভাই।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনার চমৎকার মন্তব্যের জন্য। প্রশংসায় প্রীত হয়েছি।

৮| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
মেধাবী ও অধ্যাবসায়ী বালক রুপঞ্জির জন্য শুভেচ্ছা রইল ।
আপনার সাজেক ভ্রমন কাহিণী দেখার জন্য অধীর আগ্রহে থাকলাম ।
এই পোষ্টে আত্মপ্রত্যয়ী রুপঞ্জির জীবন কাহিনী পাঠে একদিকে যেমনি পুলকিত হলাম অন্যদিকে তেমনি কিছুটা আশংকা গ্রস্ত হলাম। শুধু তার কথা ভেবেই নয়, সেখানকার তার মত অনেক কিশোর কিশোরী তরুনদের কথা ভেবে । তারা বিপদ সংকুল সিমান্ত পথ পারি দিয়ে ওপারে যায়, খোদা না করুন কোন দিন না তাদের আবার ফেলানীর মত অবস্থা হয়ে যায় ।
রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত সাজেক এর প্রত্যন্ত অঞ্চলের যাতায়াতব ততটা ভাল নয় , রাঙ্গামাটি জেলার সর্বউত্তরের সাজেক হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন, যার আয়তন প্রায় ৭০২ বর্গমাইল। সাজেক বাংলাদেশের একমাত্র ইউনিয়ন যার দুদিকে দুটি ভারতীয় রাজ্য সীমান্ত, উত্তরে ত্রিপুরা, পূর্বে মিজোরাম। সেখানকার মানুষদের বর্তমান জীবন যাত্রার উপর এলাকার এই ভোগলিক অবস্থান গুরুত্বপুর্ণ প্রভাব রাখে। এলাকার জনগনকে সীমান্ত ঝুকির বিষয়ে সচেতন রাখা খুবই জরুরী।
সেখানে গড়ে তুলা বাংলাদেশের সামরিক ক্যাম্প আশা করি এ বিষয়ে গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রাখছে । কামনা করি রাংগামাটির ছাদ, মেঘ পাহারের অপরুপ সৌন্দর্যময়ী এই সাজেক ভ্যালি হয়ে উঠুক বাংলাদেশের একটি আকর্যনীয় পর্যটন কেন্দ্র ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:০০

খায়রুল আহসান বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ, ডঃ এম এ আলী। মন্তব্যের মাধ্যমে আপনি আমার এ লেখাটিতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংযোজন করেছেন। সেই সাথে সুন্দর এই ছবিটার জন্য আবারো ধন্যবাদ।
ভারত উপমহাদেশ বিভক্তির পর ১৯৪৭ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান পুলিশ বিভাগ সাজেক উপত্যকার বর্তমান অবস্থান থেকে ৩ কি,মি উত্তর পূর্বে বৈরাগীপাড়া নামক স্থানে একটি পুলিশ ফাঁড়ি প্রতিষ্ঠা করেছিল। প্রায় ২২ বছর পর ০৩ মার্চ ১৯৬৯ তারিখে সেটা সাজেকের বর্তমান অবস্থানে স্থানান্তরিত হয় এবং তৎকালীন ঈস্ট পাকিস্তান রাইফেলস বা ইপিআর (যার বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বিডিআর এবং ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহের পর থেকে বিজিবি নামে নতুন নামকরণ করা হয়) অধীনে ন্যস্ত হয়। সেই থেকে আজ পর্যন্ত সাজেকের আইন শৃঙ্খলা পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি দ্বারা রক্ষিত হয়ে আসছে।
সাজেক কাসালং পর্বত রেঞ্জে অবস্থিত, সাগরাঙ্ক (সী লেভেল) থেকে প্রায় ১৮২০ ফিট উচ্চতায়। সাজেক উপত্যকাটি যদিও প্রশাসনিকভাবে রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার অধীন, সেখানে যাতায়াতের সুবিধা খাগড়াছড়ি জেলার বাঘাইহাট হয়ে, দীঘিনালা-সাজেক সড়ক ধরে। রাঙ্গামাটি থেকে সাজেকের দূরত্ব ১৪৫ কি,মি, খাগড়াছড়ি জেলা থেকে মাত্র ৬০ কি,মি।
নিকটস্থ সীমান্তরেখা থেকে সাজেক বিওপি'র দূরত্ব ১০ কি,মি। সাজেক ইউনিয়নের আয়তন ৭০২ বর্গমাইল হলেও এর জনসংখ্যা আনুমানিক মাত্র ৪৫০০, যার ৬০% ত্রিপুরা, ৩৫% চাকমা, ৩% পাঙ্খা এবং ২% লুসাই।

৯| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১১

অপ্‌সরা বলেছেন: রুপঞ্জীর জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা! :)

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:১৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: লেখাটা পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত।

১০| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:৫১

সোহানী বলেছেন: রুপন্জীর কথা শুনেই মুগ্ধ। অবশ্যই সে অনেক অনেক বড় হবে কারন ওরা সৎ ও পরিশ্রমী।

কিন্তু ভ্রমণ পোস্ট কোথায়? একা একাতো ঘুরলে চলবে না, আমাদেরকে ও সাথে নিতে হবে..........।

আলি ভাইয়ের মন্তব্যে +

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:২৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: অবশ্যই সে অনেক অনেক বড় হবে কারন ওরা সৎ ও পরিশ্রমী। - আপনার এ ভাবনাটা সত্যে পরিণত হোক!
কিন্তু ভ্রমণ পোস্ট কোথায়? - চেষ্টা করছি কিছু একটা লিখতে। ভ্রমণের পর পরই না লিখে ফেললে পরে কষ্ট হয় স্মৃতি হাতড়িয়ে লিখতে। দেখা যাক...
আলি ভাইয়ের মন্তব্যে + -- আমিও দিয়েছি!
বরাবরে মত লেখায় মন্তব্য করে, প্লাস দিয়ে প্রেরণা যুগিয়ে গেলেন, আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা!!!

১১| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৪৮

কাতিআশা বলেছেন: দু’জনের জন্যই শুভকামনা। খুব ভালো লাগলো এই উদ্যোগের জন্য!

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:৪৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার এ মন্তব্যটাও খুব ভালো লাগলো।
অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা...

১২| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৩৭

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:

রুপঞ্জীর প্রতি অনেক স্নেহ ও ভালবাসা রইল। ছেলেটির জন্যে আপনার এই লেখা সত্যি অনেক কিছু। ছেলেটি নিশ্চয় তা জানতে পারলে খুশি হবে।



০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:১২

খায়রুল আহসান বলেছেন: ছেলেটির জন্যে আপনার এই লেখা সত্যি অনেক কিছু। ছেলেটি নিশ্চয় তা জানতে পারলে খুশি হবে। - যদি সে বড় হয়ে কোনদিন এই ব্লগে যোগদান করে এ লেখাটির সন্ধান পায়, তবে সে খুশী হোক বা না হোক, আমি সত্যই খুব খুশী হবো।
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। প্লাসে অনুপ্রাণিত।

১৩| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ২:২৩

অাব্দুল্লাহ অাল কাফি বলেছেন: আমাদের সমাজে রুপঞ্জীরা অর্থসংকটে চরম হতাশাগ্রস্ত।আমাদের উচিৎ তাদের জীবনমান উন্নয়নে কিছু অবদান রাখা।ভালো লাগলো লেখাটা।
আমারা অনেকেই কিন্তু আপনার লেখার প্রতিক্ষায় থাকি।ব্যাপারটা বুঝবেন আশা করি।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:২৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: আমারা অনেকেই কিন্তু আপনার লেখার প্রতিক্ষায় থাকি।ব্যাপারটা বুঝবেন আশা করি - এতদিন তো তা বুঝিনি। তবে আজ আপনার কাছ থেকে এ কথাটা জানতে পেরে বড়ই খুশী লাগছে।
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। প্লাসে অনুপ্রাণিত।

১৪| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ২:৪৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


ছেলেটা সফল হোক

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৫৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: ছেলেটা সফল হোক - তাই যেন হয়!
ধন্যবাদ।

১৫| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ভোর ৪:৩৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: খায়রুল ভাই: খাগড়াছড়ির সবুজ সুন্দর, সাজেক রিসোর্ট, কংলাক পাহাড়ের নিঃসীম নৈশব্দের সৌন্দর্য্য দেখতে গিয়েও যে আপনি জীবনের সৈন্দর্যও খুঁজেছেন আর তার ছবি তুলেছেন, সেই সৈন্দর্যের বর্ণনাকেও সাথী করেছেন সেটা জেনে অনেক ভালো লাগলো | আমি অনেক আগে একবার খাগড়াছড়ি গিয়েছিলাম ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে ট্যুরে | তখন এসব কোনো রিসোর্ট আমার ধাৰণা ছিল না | দীঘি নালার এক আর্মি ক্যাম্পে পাহাড়ের উপর একটা রাতে আমরা ছিলাম | অন্য দুদিন ছিলাম খাগ্রাছড়ির একটা গেস্ট হাউজে -আর্মির খুব সম্ভবত | সেই ট্যুরের কথা মনে পড়লো আপনার লেখা পড়তে পড়তে | ভালো লাগলো রূপঞ্জীর গল্প | আশাকরি ঝামেলা সব কেটেছে |সবাই ভালো আছেন |

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:০৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: উন্নয়নের একটা কালো দিকও আছে, অসৌন্দর্য। এবারে সাজেক গিয়ে আমার মনে হলো, পাহাড়ী এসব অঞ্চল হয়তো অচিরেই উন্নয়নের জোয়ারে তাদের ঐশ্বরিক সৌন্দর্য হারিয়ে বাণিজ্যিক সৌন্দর্যে ভাসবে।
এলাকাটা এখন আর নিঃশব্দ নয়, শোরগোলময়।
মনছোঁয়া মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

১৬| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৮:৩৭

নীলপরি বলেছেন: রূপঞ্জীর জন্য শুভকামনা ।
পোষ্টের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:২৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: মন্তব্য এবং শুভকামনার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ। প্লাসে অনুপ্রাণিত।

১৭| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:৩০

ching বলেছেন: পাহাড়ে স্বাগতম

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

১৮| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:০২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: গল্প ভাল লেগেছে। রুপঞ্জী'র জন্য শুভ কামনা।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: রুপঞ্জী'র জন্য শুভ কামনা -- ধন্যবাদ। মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হ'লাম।

১৯| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:২৬

সুমন কর বলেছেন: ছোট পোস্ট ভালো লাগল। রুপন্জী'র জন্য শুভকামনা.....

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: রুপন্জী'র জন্য শুভকামনা..... -- অনেক ধন্যবাদ।
পোস্টটা আপনার ভাল লেগেছে জেনে প্রীত হ'লাম।

২০| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:৩০

করুণাধারা বলেছেন: ভাল লেগেছে রুপঞ্জীকে। এই ভাললাগা অবশ্য আগেই জানিয়েছি লাইক দিয়ে।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:১৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: ধন্যবাদ, লেখাটা পড়ে তা ভাল লাগার কথাটা জানিয়ে যাবার জন্য।
অনুপ্রাণিত।

২১| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৯

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন:





বেশ অনুপ্রেরণাদায়ক । রুপঞ্জি পৌছে যাক সাফল্যের চূড়ায় যেমন দাপরে বেড়ায় সে পর্বত শৃঙ্গের চূড়ায় চূড়ায় ।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:১৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: রুপঞ্জী সম্পর্কে আপনার আশাবাদ সত্যে পরিণত হোক!
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম।

২২| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:২০

শাহিন-৯৯ বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম, পরে মনযোগ দিয়ে পড়ব।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৩০

খায়রুল আহসান বলেছেন: আচ্ছা। ধন্যবাদ।

২৩| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৮:২৩

সামিউল ইসলাম বাবু বলেছেন: অনিন্দ্য সুন্দর।

শুভ সকাল।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৮:২৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: শুভসকাল!
ধন্যবাদ, মন্তব্যে অনুপ্রাণিত।

২৪| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৮:২৪

সামিউল ইসলাম বাবু বলেছেন: প্রিয়তে

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:৩৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: আবারো ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা---

২৫| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:৪৩

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ভালো লাগলো ছেলেটির কথা জানতে পেরে।।। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।।।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:৪০

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ, লেখাটি পড়ে এখানে মন্তব্য রেখে যাবার জন্য।

২৬| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৮

জাহিদ অনিক বলেছেন:


রুপঞ্জী'র জন্য অনেক অনেক শুভকামনা।

যদি কোনদিন সাজেক যাই, যদি দেখা পাই রুপঞ্জীর; তার দোকানে এক কাপ চা খাব। আপনাদের কথাও তাকে জানাবো।
তাকে জানবো তার কথা আমরা জানি অনেক আগে থেকেই। সে অনেক আগে থেকেই আমাদের নায়ক বনে গেছে।

ঘটনাটি শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:১০

খায়রুল আহসান বলেছেন: সে অনেক আগে থেকেই আমাদের নায়ক বনে গেছে - এ কথার সাথে সাথে আমার এ লেখাটাও যেন সার্থক হয়ে গেল!
অনেক অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পড়ার জন্য এবং সুন্দর একটা মন্তব্য রেখে যাওয়ার জন্য।
প্লাসে অনুপ্রাণিত।

২৭| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫০

ওমেরা বলেছেন: আত্ববিস্বাসী ও পরিশ্রমী বালক রুপঞ্জী'র জন্য অনেক অনেক শুভকামনা। শেয়ারের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া ।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:২৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনাকেও লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। প্লাসে অনুপ্রাণিত।
স্বদেশ থেকে ঘুরে গিয়ে যে পোস্টটি লিখেছেন, তা ভাল লেগেছে।

২৮| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:০৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: চমৎকার এক আশা 'র গল্প শুনলাম ;
অনেক অনেক শুভ কামনা রুপাঞ্জয় এর জন্য ।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:৪৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: চমৎকার এক আশা 'র গল্প শুনলাম - গল্প পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। রুপঞ্জী'র জন্য আপনাদের শুভকামনা নিশ্চয়ই ওর সহায় হবে।
প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম। শুভেচ্ছা---

২৯| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:২১

মিথী_মারজান বলেছেন: রুপঞ্জী! কি সুন্দর নাম!
রুপঞ্জী'র জন্য ভালোবাসা আর শুভ কামনা।
দোয়া করি তার স্বপ্নপূরণ হোক।
আপনাকেও ধন্যবাদ এক স্বপ্নবান কিশোরের স্বপ্নের সাথে আমাদের পরিচয় করিয়ে দেবার জন্য।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:২৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: আমার কাছেও রুপঞ্জী নামটা ভাল লেগেছে।
গল্পটা পড়ে প্রেরণাদায়ক মন্তব্য রেখে যাওয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
শুভকামনা...

৩০| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১:১৫

উম্মে সায়মা বলেছেন: অনেক বড় হোক রুপঞ্জি। শুভ কামনা তার জন্য....

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:১২

খায়রুল আহসান বলেছেন: লেখাটা পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম।

৩১| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৪৩

প্রথমকথা বলেছেন: রুপঞ্জি 'র জন্য খুব মায়া হচ্ছে, ক্লাস সিক্সে পড়া ছেলের মধ্যে যে উপার্জন করার চিন্তা আমাকে খুব ভাবনা ফেলে দিয়েছে। এই ভাবনা যদি আমাদের বিশাল জনগোষ্টির মাঝে থাকতো তাহলে কত ভাল হতো। মেধাবী এই ছাত্রের জন্য আশীর্বাদ রইল।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:০০

খায়রুল আহসান বলেছেন: ক্লাস সিক্সে পড়া ছেলের মধ্যে উপার্জন করার চিন্তা থাকাটা আমার কাছে কোন চিন্তার বিষয় মনে হয় না, বরং সংগ্রামী জীবনে মেধা ও বুদ্ধি খাটিয়ে সু্যোগ কাজে লাগিয়ে কিছুটা উপার্জন করে নিজের পড়াশুনার খরচ মেটানোর চিন্তাটা আমার কাছে ইতিবাচকই মনে হয়েছে।
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৩২| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৪৩

ধ্রুবক আলো বলেছেন: রূপঞ্জির জন্য অনেক শুভ কামনা রইলো।
শুধু সুযোগের অভাবে আর অসৎ সঙ্গে পরে যাওয়ার কারনে বাংলাদেশের অনেক সন্তান প্রতিভা বিকশিত করতে পারে না।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৮:৫২

খায়রুল আহসান বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম।
সহজাত প্রতিভার বিকাশ কোন না কোনভাবে ঘটেই থাকে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.