নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কয়েছ আহমদ বকুলের লেখা

কয়েছ আহমদ বকুল

কবিতার জন্য আমি বাঁচি

কয়েছ আহমদ বকুল › বিস্তারিত পোস্টঃ

ব্যর্থ সরকারের চেয়ে ব্যর্থ বিরোধীদল মারাত্মক

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৪ সকাল ৯:৩০

ব্যর্থ সরকারের চেয়ে ব্যর্থ বিরোধীদল মারাত্মক



-----------------------------কয়েছ আহমদ বকুল



গ্রামঞ্চলে নব পরিনিতা বউ দেখতে পাড়া প্রতিবেশী মহিলাদের দল বেধে আসার এক রেওয়াজ চালু আছে। নতুন নতুন সরকার গঠন হলে বিদেশী বন্ধুদের অভিনন্দন দেয়ার রেয়াজের মতো। নিজের বউকে দেখতে রেয়াজ মতো দল বেধে লোক না আসলে বর বা তার পরিবারের মন খারাপ হয় কি না জানি না তবে আমাদের নতুন সরকার বিদেশীদের অভিনন্দন না পেয়ে বেশ মন মরা হয়ে আছে। যে দু'এক রাষ্ট্রের অভিনন্দন পাওয়া গেছে স্ব নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমে বেশ জুরে সুরে প্রচার প্রকাশ হচ্ছে তা। কিন্তু কেন, নিজেকে সৎ স্বচ্ছ ভাবতে পারলে অন্যদের অভিনন্দন সমর্থনের তোয়াক্কা তো করার কথা নয়।







শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সর্বদলীয় সরকার গঠিত হয়েছে। যে কোন প্রক্রিয়ায়ই হোক একটি সরকার গঠন করা হয়েছে। তুলনামূলক সৎ অথচ বাচালদের নিয়ে যে সরকার গঠন করা হয়েছে তা কতো দিন রাষ্ট্র পরিচালনা করবে তার সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেয়া আছে সংবিধানে। তারপরও কেন আমাদের বিজ্ঞ মন্ত্রীবর্গ কথা বলার সুযোগ পেলেই বারবার বলছেন তাঁরা পাঁচ বছরের জন্য সরকার গঠন করেছেন? কেন এতো হা হুতাশ, ভীতু লোকদের মতো ভয় পাচ্ছিনা ভয় পাচ্ছিনা বলে কেন এতো ভীত সন্ত্রস্থতার প্রকাশ? এই সরকার কতোদিন দেশ পরিচালনা করবে তা নির্ধারন করবে তার কার্যক্রম ও সিদ্ধান্ত গ্রহন, মন্ত্রীদের পাগলপন মার্কা কথাবার্তা নয়।







দশম জাতীয় সংসদে এক অর্থে কোন বিরোধীদল নেই। বলা চলে একানব্বই পরবর্তী সময়ে সংসদীয় গণতন্ত্র চালুর পর থেকে কোন সময়ই আমাদের মহান জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের খুব ভালো উপস্থিতি বা অবস্থান ছিলো না। ওয়াকআউট অতঃপর লাগাতার সংসদে অনুপস্থিতি এক ধরনের রীতিতে পরিনত হয়ে গিয়েছিলো। সংসদীয় গণতন্ত্রের এমন লজ্জাজনক ব্যবহারের এক পর্যায়ে এবার আমরা পেলাম বিরোধীদল বিহীন দশম সংসদ। তাই আশস্থ স্বরে বলা যায় সংসদে বিরোধীদল থাকা না থাকা বাংলাদেশে গণতন্ত্র চর্চায় বা গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রাম চলমান রাখায় কোন ভূমিকা রাখে না বা রাখবে না। তবে বিরোধীদল সংসদে হোক বা সংসদের বাহিরে, তাদের কে হতে হবে যুক্তিসঙ্গত গঠনমূলক সঙ্গবদ্ধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ। আন্দোলন সংগ্রামে সাধারণ মানুষকে প্রতিপক্ষ করার চেয়ে তাদের কে সঙ্গে নিয়েই যা করার করতে হবে।





একটি সরকার বিভিন্ন কারণে শতাধিক কারণে ব্যর্থ হয়, হতে পারে। কিন্ত বিরোধীদল ব্যর্থ হয় একটি মাত্র কারণে আর তা হচ্ছে জনসাধারণের অসম্পৃক্ততা। সরকার ব্যর্থ হলে কোন না কোন ভাবে ব্যর্থতার গ্লানী থেকে উত্তরন হওয়া যায়। কিন্তু ভুল পথে সরকার পরিচালিত হওয়ার প্রাক্কালে বা সরকার দুর্নীতিগ্রস্থ হলে, অগণতান্ত্রিক বা জনবিরোধী কাজে সরকার লিপ্ত হওয়ার পর সরকার কে সঠিক পথে ফেরাতে বিরোধীদল ব্যর্থ হলে তা হয় খুবই দুঃখজনক ও মারাত্মক। রাজনীতিকে জুয়া ভাবলে সরকার কোন ভুল করার আগেই বিরোধীদল চাইবে রাতারাতি সরকার কে দুষ্ট বা খারাপ প্রমানিত করে অতীতের জুয়ায় হেরে যাবার প্রতিশোধ নিয়ে লাভবান হতে। তাতে হিতে বিপরীত হবে, জুয়ায় জুয়াড়ীরা বড়ো দান গুলো এভাবেই হারে। রাজনীতিকে জনসেবা বা রাষ্ট্র সেবা ভাবলে বিরোধীদলের উচিৎ হবে অপেক্ষা করা, অবলোকন করা অতীতের ব্যর্থতার যন্ত্রণা ভুলে নতুন করে দেশ সেবায় আত্মনিয়োগ করা।



১৫/০১/২০১৪

বার্মিংহাম

ইউ কে

মন্তব্য ২ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৪ সকাল ৯:৩৫

ফিলিংস বলেছেন: ব্যর্থ সরকারের চেয়ে ব্যর্থ বিরোধীদল মারাত্মক

২| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১০:১০

ক্লিকবাজ বলেছেন: তার চেয়েও মারাত্মক সরকারী দলের ব্যর্থ লোকজন, তাদের একপক্ষ লোটপাট করে আঁটি সহ গিলে খায়, আর ব্যার্থ পক্ষ সুজুগের অপেক্ষায় ফেল ফেল করে চেয়ে থাকে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.