নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এক দেশে ছিলো এক রাজকন্যা....তার নাম ছিলো কঙ্কাবতী.....

কঙ্কাবতী রাজকন্যা

কঙ্কাবতী রাজকন্যা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমার দীপুদা-৩

০১ লা জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:৫৯

হঠাৎ একদিন খবর পাই, দীপুদার বিয়ে। এই খবর মেজো ফুপু নাকি ফোনে জানিয়েছেন মাকে। এই মাসেই তার এনগেজমেন্টও হবে। খবরটাতে আমি কিছুক্ষনের জন্য স্তব্ধ হয়ে যাই। ভেতরে ভেতরে একটু আধটু না চরম বিস্মিত হই! তবে খুব চুপচাপ শান্ত মাথায় শুনে যাই। বুকের ভেতর হতে উদগত দীর্ঘশ্বাস গিলে ফেলি। তারপর সবার সাথে সবার আনন্দে মিশে থাকার নির্ভুল অভিনয় করে যাই। সারা বাড়ি জুড়ে চলে বিয়ের আয়োজন। আমিও সেই আয়োজনে সামিল হয়ে যাই। আসলে দীপুদাকে আমি সেদিন থেকেই আমার মনের সিংহাসনে আসন দিয়ে ফেলেছিলাম। সেদিনের সেই সোনালী বিকেল এক ঝটকায় দীপুদাকে আমার চোখে একদম বদলে দিয়েছিলো। দীপুদা হয়ে উঠেছিলো আমার স্বপ্নের রাজকুমার! অথচ দীপুদা একেবারেই আমাকে ভুলে গেছে যার নিশ্চিত পরিনাম এই বিয়ের সংবাদটি। খুব আশ্চর্য্য হই এটা ভেবে কিন্তু কাউকে আমার সেই পরম আশ্চর্য্য হওয়া বা কষ্টটা শেয়ার করার জন্য খুঁজে পাই না। দীপুদার জন্য হয়তো সেটা ক্ষনিকের ভুল ছিলো নয়তো পাত্তা দেবার মতন কিছুই না কিন্তু আমার জন্য সে ঘটনাটি ছিলো বিশাল কিছু। আমি সেদিন থেকে মনে প্রাণে তাকে নিয়েই থেকেছি আর কাউকে জায়গা দেইনি আমার মনের কোনেও। হয়ত আর কখনও দিতেও পারবোনা।


আমি সব কিছু নিজের ভেতরে লুকিয়ে ফেলে হাসিমুখে দিন কাটাই। সব কাজিনরা মিলে ঠিক করে হলুদে কি পরবে, কি গাইবে, কি নাচবে। আমি তাদের সকল উৎসাহ উদ্দীপনার উৎসব মিটিং এ নীরবে উপস্থিত থাকি। আমার ভাগ্যে পড়ে দলীয় বেশ কয়েকটা নাচ। আমি বা আমরা কোনোদিন নাচ শিখিনি। আমাদের বাড়িতে এই সব নাচ গান বা কালচারাল কিছুর তেমন প্রচলন ছিলো না। এমনকি আমাদের বাড়িতে পূর্ব পুরুষদের মাঝেও কোনো লেখক বা কবি সাহিত্যিক বা শিল্পী হবার কারো কোনো নজির নেই। তবুও এই বিয়ে উপলক্ষে আমাদের বাড়ীর বড়রা এই গান নাচ এলাউ করে ফেলে। রোজ বিকালে আমাদের ট্রেইনিং হয়। আমরা অবাক হয়ে দেখি মিলি আপা আমাদের ভেতরে সবচেয়ে সুন্দরী আর কর্ম পটিয়সী এই বড় বোনটি যে কোনো নাচ তুলতেও বিষম পারদর্শী। কোমরে ওড়না জড়িয়ে রাজহংসীর মত মরাল গ্রীবা তুলে নানা ভঙ্গিমায়, নানা ছন্দে নেচে চলে মিলি আপা। তাকে দেখতে কি যে ভালো লাগে। মিলি আপার ফরসা পায়ের পাতায় হেনার কারুকাজ। মিলি আপা খুব সৌখিন আর সুন্দর। এমন মেয়েদেরকেই মনে হয় শঙ্খিনী বলা হয়। মিলি আপার তাড়ায় এই সব সাঁত পাচ স্বপ্ন থেকে ফিরে ফের নাচে মন দেই। তার অক্লান্ত প্রচেষ্টায় এবং আমাদেরও ঐকন্তিক চেষ্টায় শেষ মেষ আমরা সবগুলো নাচই পারদর্শীতার সাথেই তুলে ফেলি।


মা চাচী ভাবীদের নতুন গহনা গড়ানোর বা বিয়েতে পরার নতুন শাড়ি কেনার ধুম পড়ে। দীপুদার বউকে কি উপহার দেওয়া হবে। যৌথ না একক নাকি পুরো বাড়ির সব ঘরগুলি এক হয়ে কোনো বিশাল কিছু এমনই নানা জল্পনা কল্পনায় মুখর হয়ে থাকে এই বাড়ির প্রতিটি মানুষ। কোন সুদূরে রাজশাহীতে দীপুদার বিয়ের আয়োজন চলছে তার ঢল এসে লাগে বুঝি আমাদের বাড়িতেও। দীপুদা বউ নিয়ে এ বাড়ীতে আসবেন ঘুরতে সেই উপলক্ষে ঘর দূয়ার রং করাও হয়। বিয়ে উপলক্ষে ফুপু আমাদের সবাইকে হলুদের শাড়ী দেন। বৌভাতে পরার শাড়ীও।এই বিবাহ উৎসব নিয়ে মেতে ওঠা বাড়িটিতে সকলের অলখে এক বুক ব্যাথা চেপে সকলের সাথে সামিল হয়ে গিয়েছি আমিও। তবে এই শাড়ী দুটি পাবার পর আমার যে কি হলো। আমি চুপচাপ আমার নিজের ঘরে ফিরে এসে দরজা বন্ধ করে শাড়ী দুটি বুকে চেপে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ি। সেই কান্নার সঠিক কারণটা কি আমি খুঁজি না বা আমি ঠিক জানার চেষ্টাও করি না। শুধু মনে আছে বুকের ভেতর চাপা কষ্ট। গলার কাছে এক দলা অসহনীয় ব্যাথা! বোবা কান্না যা কাউকে কখনও দেখানো যাবে না।


একদিন ভোরে আমরা সবাই বাস ভাড়া করে রওয়ানা হই রাজশাহীর উদ্দেশ্যে। আমি সকলের সাথে হাসি ঠাট্টা গানে মেতে রইলাম পুরোটা পথই। পুরো গাড়ি জুড়েই আনন্দের ঘনঘটা। বহু দিন এইভাবে এক সাথে কারো কোথাও যাওয়া হয়নি। দীপুদার বিয়ে উপলক্ষে সবার যেন এক মহা মিলনমেলার আয়োজন হলো। টিফিন ক্যারিয়ারে করে পোলাও মাংস থেকে নানা রকম পিঠা পুলি চিপস বিস্কিটে পুরো বাসটাই যেন হয়ে উঠলো এক বনভোজনের মাঠ। কিন্তু ক্ষনে ক্ষনে মনের ভেতরে উঁকি দিচ্ছিলো হাজারও প্রশ্ন। দীপুদার সাথে অনেকগুলো বছর দেখা নেই আমার। কেমন হয়েছে সে দেখতে? তার সাথে দেখা হবার পর বা আমাকে দেখার পর তার কি মনে পড়বে সেই ফেলে আসা বিকেলের কথা? তার কি একটু দুঃখ হবে নাকি লজ্জা পাবে? মেজো ফুপুর পছন্দের এই মেয়েটিকে বিয়ের কথা হবার সময় দীপুদার কি একটাবারও মনে পড়েনি সেই শীত বিকেলের স্মৃতি? তবে কি দীপুদার সেই বিকেলটা কোনো মুহুর্ত ভুলের বিকেল ছিলো? কেমন দেখতে সেই নতুন বউটা? আমার থেকেও নিশ্চয় অনেক বেশি সুন্দরী। শুনেছি মেয়েটা নাকি মেডিকেলে পড়ছে। ডাক্তারনী বউ হবে দীপুদার। কত শত প্রশ্ন খেলে যায় আমার মনে।

হই হই করে আমরা গিয়ে পৌছাই দীপুদাদের বাড়িতে। মেজোফুপুর উষ্ণ অভ্যর্থনা ও বিয়ে বাড়ির সাজ সাজ রবে মিশে যাই কিছুক্ষনের মাঝেই। দীপুদার সাথেও দেখা হয় আমাদের। সে তো চিরদিনের গুরু গম্ভীর যেমনটা আগেও ছিলো এখনও রয়ে গেছে। তবে তার চেহারা চলনে বলনে অনেক খানি বদলে গেছে । আরও আরও বেশি স্মার্ট আরও আরও বেশি চৌকস যেন কথায় বার্তায় এবং আরও আরও অনেক বেশি কাঠিন্যে ঘেরা তার চোয়াল! সেই এস এস সি এর পরের দীপুদার সাথে আজকের দীপুদার বড় বেশি অমিল। তবুও দীর্ঘশ্বাস! আমাদের এতজনের মাঝে আমাকে ঠিক আলাদা করে দীপুদার চোখেও পড়লোনা মনে হয়। আমিও একটু আবডালই খুঁজছিলাম তবুও আমার তীক্ষ্ণ চোখে দীপুদাকে খুঁটিয়ে দেখতে ভুল করিনি আমি। সারাবাড়ি ফুলে ফুলে সেঁজে উঠেছে। হলুদ মেহেদী, হলুদের ডালা কূলা নিয়ে বসে যাই আমরা। নানা ভাবে নানা সাজে ফুটিয়ে তুলি নতুন বউ এর জন্য হলুদের সরঞ্জামগুলি। এসব নিয়ে কাজ করতে করতে আমি বার বার হারিয়ে যাই একটি বহু কাঙ্খিত কিন্তু এখন যা একবারেই অবাস্তব এমন একটি স্বপ্নে। চলচিত্রের মত বার বার চোখে ভাসে হলুদের সাজে এসব ডালা কুলার সাজ নিয়ে হলুদের বউ সাজে বসে আছি আমিই।

খুব ধুমধাম করে দীপুদার হলুদ হলো।একরাশ গোলাপ গাঁদার মাঝে হলুদের সুসজ্জিত স্টেজটার উপর গরদের পাঞ্জাবী আর পায়জামাতে দীপুদাকে আজ দেখাচ্ছিলো যেন সত্যিকারের রাজকুমার। আমরা সবাই সাজগোজ করে নাচলাম, গাইলাম শুধু আমি দীপুদার কপালে হলুদ ছোঁয়াতে পারলাম না। সবাই যখন একে একে তাকে হলুদ ছুঁইয়ে দিচ্ছিলো, মিষ্টি মুখ করাচ্ছিলো। আমি সবার অলক্ষ্যে চুপচাপ উঠে এসেছিলাম ছাঁদে। ছাঁদ আমার খুব প্রিয়। আমার প্রিয় বন্ধু। আকাশের বিশালতা যেন এই ছাঁদেই দাঁড়ি্যে থাকে। আকাশের এই নির্মল, নির্বাক ও নির্লিপ্ততার মাঝেও সেও যেন আমার মনের সকল কথা বুঝে নেবার একজন প্রিয় বন্ধুই হয়ে থাকে। সেই সন্ধ্যায় যখন ওদের ছাঁদে উঠে এলাম। পুরো বাড়িতেই তখন উৎসবের আনন্দ। বাসাটা ফ্লাট বাসা ছিলো। ৬টি ফ্যামিলীর বসবাস ঐ বাড়িতে। তবুও মফস্বলের শহর হওয়ায় এক বাড়িতে অনুষ্ঠান মানে পুরো পাড়ারই সেখানে জমজমাট উপস্থিতি। ঐ ৬ ফ্লাটের কোনো বাসিন্দাই মনে হয়না সেদিন সেখানে ছাড়া আর কোথাও ছিলো।


কিন্তু সকলের থেকে পালিয়ে ছাঁদে কিছুক্ষন একা থাকতে আসলেও পুরোপুরি একা হতে পারলাম না। ছাঁদের এক কোনে একটি ছেলে একা একা দাঁড়িয়ে ভোস ভোস সিগারেট ফুঁকছিলো। সে আমাকে হঠাৎ এমন সময়ে ছাঁদে দেখেই হয়ত ফিরে তাকালো । আমাকে ঐ হলুদবাড়ির সাজে একা একা ছাঁদে দেখে মনে হয় একটু অবাকও হলো। তবে এক পলক তাকিয়েই আবার নিজের মনে অন্য দিকে ফিরেই সিগারেট টানতে লাগলো। কিন্তু আমার মাঝে একটা অস্বোয়াস্তি কাজ করছিলো। এমন ভর সন্ধ্যায় একাকী আমি ছাঁদে একই ছাঁদে আরেকজন অপরিচিত যুবক। দুজন মাত্র মানুষ এই ভর সন্ধ্যায় একাকী ছাদে। ব্যাপারটা আমাকে স্বস্তি দিচ্ছিলো না। তবুও আমি তাকে পুরোপুরি ভুলে গিয়েই নিজের মাঝে নিজে আত্মস্ত হতে চাইছিলাম। কিন্তু আমার অজান্তেই আমার চোখ দিয়ে যে কখন অবিরল প্রস্রবন ধারা তা বুঝি আমি নিজেও জানতাম না। অপ্রতিরোধ্য কান্নার দমকে ফুলে ফুলে উঠছিলাম আমি।

হঠাৎ শুনতে পেলাম একটি কন্ঠস্বর, আমার খুব কাছাকাছি।
- আপনাকে আমি একটা জোক শুনাতে চাই..
চমকে উঠলাম আমি। মনে পড়লো আমি ছাড়াও ছাদে আরেকজন রয়েছে তবে মনে পড়ায় বা হঠাৎ কন্ঠস্বরে যত না চমকেছি তার থেকেও বেশি চমকালাম তার কথা শুনে। বলে কি এই লোক! জানা নেই, চেনা নেই আমার কি হয়েছে সে সম্পর্কে কোনো প্রশ্নও নেই, আমার এমন পরিস্থিতিতে তার মাথায় জোকস আসে কি করে? আমি বিস্ফারিত নেত্রে তার দিকে তাকিয়ে রইলাম। ছেলেটা বললো,
- ভাববেন না আমি ফ্লার্ট করছি। আপনার চোখ দুইটা খুব সুন্দর জানেন?
এই কথায় আমার চোখ মনে হয় আরও বিস্ফারিত হয়ে গেলো। মনে মনে ভাবলাম, এটাই জোক নাকি? আমার ভাবনাটা বুঝি সে বুঝে ফেললো। সে বললো,
- এটা জোক নয়। আমি অন্য জোকসের কথা বলছি।
আমাকে নিরুত্তর দেখে ফের বললো,
-ঠিক আছে একটা ম্যাজিক দেখেন ....
আমি কিছু বলার আগেই সে আমার আঁচলের এক কোনা টেনে নিয়ে তার হাতের লাইটার দিয়ে ফস করে আগুন জ্বালিয়ে ফেললো। আমি চিৎকার করে উঠতে যাবার আগেই সে সেই আগুন মুঠোবন্দী করে পিষে মেরে ফেললো। তারপর আঁচলের কোনাটা মেলে ধরে দেখালো অক্ষত কারুকার্য্যময় আঁচল.....

আমি বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। আমার কান্না কোথায় উড়ে গিয়েছিলো জানিনা আমি। সে বললো,
- ঠিক এই আগুনটার মতই সব দুঃখ কষ্ট বেদনাকে জীবন থেকে পিষে ফেলুন। এই ঝকঝকে তকতকে কারুকার্য্যময় আঁচলটির মত বুনে তুলুন নিজের জীবনটাকে। এই দায়ভার শুধু আপনার হাতে আর কারো হাতে নয়। আপনার জীবনকে সুন্দর করে গড়ে তুলবার কারিগর একমাত্র আপনি..... গুডলাক....

ছেলেটা নেমে গেলো। হাতের তর্জনীতে তার লাইটারের রিংটি ঘুরাতে ঘুরাতে। একবারও পেছন ফিরে চাইলো না। ঠিক যেন স্বর্গ থেকে নেমে আসা কোনো দেবদূতের মতই সে আমার কানে কিছু সঞ্জীবনী বাণী দিয়ে গেলো। সেই সঞ্জীবনী সুধার পরশে আমি নতুন আমি হয়ে উঠলাম.....

এবার থেকে শুধুই আমি ......আমার হবো....

চলবে...

আমার দীপুদা- ২

মন্তব্য ৬০ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৬০) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:০৬

একটি আটলান্টিক বলেছেন: পরে এসে পড়বো। কমেন্ট করে গেলাম

০১ লা জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৩০

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: আচ্ছা। পরে পড়েন আটলান্টিকভাই। নববর্ষের শুভেচ্ছা।

২| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:২০

কামরুননাহার কলি বলেছেন: এরে বিয়ের কাহীনিও শুরু হয়ে গেলো। এই যা বলছিলাম না অন্য করে হয়ে গেছে সে। দেখা যাক তারপর কি হয় আপ্পি।

০১ লা জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৩০

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: হ্যাঁ সেই তো হলো। এটাই ট্রাজেডি।

৩| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৩৫

Biniamin Piash বলেছেন: অসাধারণ।
নতুন বছরের শুরুতেই একটা ভাল গল্প পেলাম।আশা করি পুরোটা বছর জুড়েই এরকম ভাল লেখা উপহার পাবো।

০১ লা জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৩৭

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ পিয়াসভাই। অনেক ভালো থাকবেন।

৪| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৩৫

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: নতুন বছরের শুভেচ্ছা কঙ্কাবতী রাজকন্যা।
আপনার এই সিরিজটি এখনও পড়া হয়নি।
সময় করে পড়ে নেব আর জানাব কেমন লাগল।

০১ লা জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৩৮

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: নতুন বছরের শুভেচ্ছা সোহেলভাই। অনেক ভালো থাকবেন।

৫| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:২৬

কুঁড়ের_বাদশা বলেছেন: গল্প খুব সুন্দর হয়েছে।

০১ লা জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৩২

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: ধন্যবাদ বাদশাভাই।

৬| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:১৮

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: ভালবাসার মানুষকে কি ভাই ডাকা যায় নাকি? :) দীপুদা কেন? হৃদয় সিংহানে স্বপ্নের রাজকুমার...প্রথম অংশ পড়লাম ..... :)

০১ লা জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৩

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: কারণ সে শিখার ফুপাতো ভাই।

৭| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:২৪

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: গল্পের নায়িকা ভীষণ কষ্টে আছে পড়ে বোঝা গেল, এবং দিপুদার হুবু ডাক্তার বউ....
এখন গল্পে পরের অংশে কি আছে,তা পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম।

০১ লা জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৪

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: পরের অংশে বিয়ে। পরের অংশটা দিতে কিছুদিন দেরী হবে।

৮| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৫০

আমার আব্বা বলেছেন: প্রতিটা মানুষের একটি রুচি আছে, সবকিছুর একটি বাজার আছে, পাঠকেরও একটি বাজার আছে, কোন শ্রেণীর পাঠক আপনার পছন্দ । বাংলা ছায়াছবির বাজার বর্তমানে অশ্ল্রীলতার কারনে নিম্ন আয়ের মানুষেরা সিনেমা হলে যায় । আবার উন্নত মানের হলিউড ও বলিউড সিনেমা যৌনচারে পরিপূর্ণ । সচেতন সুশিক্ষিত ব্যক্তিবর্গ এ্যানিমেশন সিনেমা দেখে বন্ধু বান্ধাব ছেলে মেয়ে নিয়ে । পৃথিবী জোড়া রাধা কৃষ্ণের লীলা আর ভালো লাগেনা ।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৩:৪৭

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: thanks for your comment amar Abba.

৯| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:০৭

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: বিচ্ছেদের কাহিনী আর ভাল লাগে না। পারলে নায়িকার জন্য অন্য কাউকে জুটিয়ে দিন।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৪

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: আমি জুটাবার কেউ নই। যে নায়িকার কাছ থেকে গল্পটা শোনা সে জুটালেই লেখাতেও কেউ না কেউ জুটে যাবে নিশ্চয়। অসংখ্য ধন্যবাদ সম্রাটভাই।

১০| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৩৩

নূর-ই-হাফসা বলেছেন: যাক ভালো হয়েছে খুব । নায়িকা এখন ঠিক পথে চলবে । দীপু দার কোন শাস্তি দিতে পারলে ভালো হতো ।
আজকের পর্বটা দারুন লাগলো

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৫

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: নায়িকা বোকা সে আর বলার নেই। দীপুদার কি শাস্তি হয় গল্পেই জেনে যাবেন হাফসাআপা। অসংখ্য ধন্যবাদ।

১১| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৩৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: এই ঝকঝকে তকতকে কারুকার্য্যময় আঁচলটির মত বুনে তুলুন নিজের জীবনটাকে। এই দায়ভার শুধু আপনার হাতে আর কারো হাতে নয়। আপনার জীবনকে সুন্দর করে গড়ে তুলবার কারিগর একমাত্র আপনি !!!!!!

অসম্ভব সুন্দর লেখা !!!

ভালোবাসা কঙ্কা !

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৬

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ মনিরা আপা। অনেক ভালো থাকবেন।

১২| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৫২

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: গতিশীল বর্ননায় লেখা ভালো লাগলো

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৬

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আপা। ভালো থাকবেন।

১৩| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৮:২৭

অলিউর রহমান খান বলেছেন: অসাধারণ হয়েছে আপু। মনোমুগ্ধকর!

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৭

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: অজস্র ধন্যবাদ অলিভাই। কেমন আছেন?

১৪| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:২৪

ধ্রুবক আলো বলেছেন: ওহ, সুন্দর। কে এই ছেলে এটা একটা রহস্য!!

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৮

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: সে ঐ বাড়ির ভাড়াটে বা বাড়িওয়ালাদের কেউ হবে যে দীপুদার হলুদে সেদিন যায়নি। যেই হোক সে বড় ভালো লোক ছিলো।

১৫| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:৩৫

জাহিদ অনিক বলেছেন:
দীপুদা কেন কিছু বোঝে না!

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৮

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: দীপুদা শুধু অবুঝই নন, বড় অপরাধীও।

১৬| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:২১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: এক চমকে দীর্ঘ জীবন ক্ষয়ে গেল- আরেক চমকে দেখী সামনে কি কারুকর্যময়তা আস েজীবনের পরতে পরতে :)

হ্যাপি নিউ ইয়ার রাজকন্যে :)

+++++++

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৪

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: হ্যাপী নিউ ইয়ার ভৃগুভাই। অনেক ভালো থাকুন।

১৭| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:২১

শামচুল হক বলেছেন: ভালো লাগল। ধন্যবাদ

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৫

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ শামচুলভাই।

১৮| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:০৩

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: আবারো নতুন বছরের শুভেচ্ছা শতত।
পর্বটি পড়তে পেরেছি। গতদিনও পড়তে গিয়ে কোন এক কাজে ফেসে আর শেষ করা হয়নি বলে আজ আবার প্রথম থেকে পড়ছি। অাপনার লিখনীর যাদু যে কোন গল্পকেই যে মুগ্ধকর করে তোলতে পারে তা আমার বোধগত। তারপরেও গল্প যে কোন- কোন জীবনের কথা বলে। গল্প যদি মনমুগ্ধকর হয় পড়তে কী যে ভালো লাগে! অামার তেমনি লাগছে এই গল্পটি। পরের পর্বে কোন আবহ ঘটনা ধারাবাহিকতায় গল্পটি এগিয়ে যাবে তারি অপেক্ষায়।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৫

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: সুজনভাই কৃতজ্ঞতা জানবেন। নতুন বছরের শুভেচ্ছা রইলো।

১৯| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৫৯

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন:




গল্পটা এখনো জমাচ্ছি পারছি না কেন যেন.... দেখি সামনে কী হয়...

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৬

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: অনেক অনেক শুভকামনা রইলো কথাকথিকেথিকথনভাই। ভালো থাকবেন।

২০| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২৫

ক্লে ডল বলেছেন: এ আবার কার উদয় হল!
চলুক। সাথে আছি।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৯

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: হা হা জানিনা কার উদয় হয়েছিলো। সে যিনিই হোক না কেনো তিনি বেশ জ্ঞানী ব্যাক্তি বুঝাই যায়।

২১| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৮ ভোর ৪:০২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: খুব সুন্দর হয়েছে এই পর্বটা | অসম্ভব সুন্দর বর্ণনা | দ্বিতীয় পর্বের চেয়ে অনেক ভালো | দ্বিতীয় পর্ব অবশ্য প্রথম পর্বের চেয়ে ভালো ছিল | কিন্তু প্রথম পর্বটা এই পর্বের চেয়ে অনেক ভালো | রাজকন্যা, তারমানে বুঝেছেন নিশ্চই অসম্ভব সুন্দর তিনটে পর্ব হলো এরই মধ্যে | বুঝতেই পারছেন এরচেয়ে কম সুন্দর হতে পারবেনা নেক্সট পর্বগুলো আর ...|হ্যাপি নিউ ইয়ার |

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৯

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: হ্যাপী নিউ ই্যার মলাসইলমুইনাভাই। অনেক অনেক শুভকামনা রইলো।

২২| ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১:৪৫

নূর-ই-হাফসা বলেছেন: যাক দীপুদার শাস্তি হবে জেনে ভালো লাগলো । প্রকৃত ভালোবাসার মূল্য যারা দিতে পারেনা । তারা ভালোবাসা হীন থাকা উচিত । নায়িকা বোকা ঠিক বলেছেন।
আপু নতুন পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম ।

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৮ ভোর ৬:৪৭

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ হাফসা আপা। শুভকামনা।

২৩| ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:১১

ধ্রুবক আলো বলেছেন: পর্ব কি এটা শেষ?

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:১৭

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: না শেষ না। তবে একটু ব্যাস্ততা যাচ্ছে। খুব শিঘরী শেষ পর্ব নিয়ে আসবো।

২৪| ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:০৭

একটি আটলান্টিক বলেছেন:
দিপু ভাইয়ের গল্প ৪ কি কুরবানির ঈদে দিবেন?অপেক্ষা করে বসে আছি তো

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:২৪

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: না তার আগেই দেবো। লিখতে পারছি না আপাতত।

২৫| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ২:২৯

শকুন দৃিষ্ট বলেছেন: সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: বিচ্ছেদের কাহিনী আর ভাল লাগে না

আচ্ছা, আপনার গল্পের নায়িকারা সবসময় এমন প্রেমে পড়ে যে শেষে মানকাচিপায় পড়তে হয়, কেন? নাকি চিপায় না পড়লে গল্প হতনা? সে যাগ্‌গে, আপনি ফেরবার বেস্ট ভাইয়ের জন্য একটা বেস্ট রোমান্টিক গল্প নিয়ে আসুন যাতে সেটা আগামি বইমেলায় বেস্ট সেলার হয়, কেমন?

এবার, প্রসঙ্গে আসি - গল্পে অলংকরন নেই, চরিত্রাধিক্যতা নেই, কাহিনীর তেমন গভীরতা নেই - তা'হলে আছে কি?

শিখা(দীপশিখা) নামের একটা মেয়ের দীপু নামের তারই এক কাজিনের প্রতি দুর্বলতা থেকে প্রেমে রুপ নেয়া - এক সাদামাটা পারিবারিক কাহিনী। এই সাদামাটা কাহিনীই অন্য এক মাত্রা পেয়ে গেছে ও যাচ্ছে শুধু তার পরিবেশনার ঢং -এর কারনে(অবশ্য আমার মতে)।

সাবলীলতাভরা বাচনভঙ্গিতে আচ্ছন্ন হয়ে এক নিঃশ্বাসে পড়ে ভাললাগাটুকু না জানালে কৃপনতা করা হয়।
আচ্ছা দীপশিখা কি সত্যিই দীপুদার প্রেমে পড়েছে? অন্যকিছুর গন্ধ পাচ্ছি নাতো আবার?

তুমি অপরের, আমি জানতাম,
ভালবাসলাম তবু তোমাকেই।।

আমার ফেরার উপায় নেই (না কি আছে?)

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৮

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: দীপশিখা তার গল্প বলেছিলো। আমার একি খেলা আপন সনে পড়ে তার জীবনের একটি গোপন ঘটনা নিয়ে লিখতে বলেছিলো। এটা তার অনুরোধে লেখা। দীপশিখার কাছে শোনা এই গল্পের মাঝে শুধু সে তার দীপুদা আর দুজনের মা বাবা এরাই এসেছে যা খুব স্বল্প কয়েকটি চরিত্রের মাঝেই সীমাবদ্ধ।

অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই। শুভকামনা।

২৬| ১১ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১:৩৬

নূর-ই-হাফসা বলেছেন: আপু নতুন পর্ব কবে দিবেন ?
নায়কের শাস্তি জানার ইচ্ছে নিয়ে অপেক্ষা করছি ।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৯

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: কাল পরশু দিয়ে দেবো। অযথা ঝামেলা যাচ্ছে। শীতে কাঁপছি।

২৭| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৭:১১

নীল-দর্পণ বলেছেন: দুটো পর্ব একসাথে পড়লাম। সুন্দর, চমৎকার লেখনীতে মনে হচ্ছিল যেন প্রতিটি ঘটনা চোখের সামনে ভেসে বেড়াচ্ছে।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:০১

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ নীল আপা। শুভকামনা।

২৮| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৩৫

নূর-ই-হাফসা বলেছেন: আপু আপনি কোথায় হারিয়ে গেলেন । তাড়াতাড়ি আসুন । নতুন পর্ব লেখা না হোক , তবুও আসুন ।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:০২

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: হারাইনি। একটু ঝামেলায় ছিলাম। নতুন পর্ব লিখে ফেলবো শিঘরী।

২৯| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:০০

শকুন দৃিষ্ট বলেছেন: আমি জানতাম তথ্যগুলি!

এত দেরি করে ফিরলেন যে? ভাল আছেন তো? শরীর, ম্যুড্‌ ভাল?

আপনার পরের পর্বের অপেক্ষায় ছিলাম। শুনে ভাল লাগছে যে, পাচ্ছি তাড়া-তাড়িই।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:১৩

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: হ্যাঁ ভালো আছি। শরীর ম্যুড সবই ভালো। এই পর্ব আজই দিয়ে দেবো। মাঝে বিশাল গ্যাপ পড়ে গেলো। নিজের কাছেই খাপছাড়া লাগছে। পুরনো গল্পে ফেরা বা গল্পের ভেতর ফেরা এখন বড় কঠিন।তারপরও লিখছি।

৩০| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৯

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: মানুষের জীবনে এমন কিছু কষ্ট থাকে যা কখনই কাউকে বলা যায় না।
শেষে এসে বেশ চমকই পেলাম।

২০ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৩০

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: পড়ার জন্য কৃতজ্ঞতা সোহেলভাই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.