নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এক দেশে ছিলো এক রাজকন্যা....তার নাম ছিলো কঙ্কাবতী.....

কঙ্কাবতী রাজকন্যা

কঙ্কাবতী রাজকন্যা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমার দীপুদা- ৪

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৪৮


কানাঘুষায় শুনতে পাই, বিয়ের পর থেকেই নাকি দীপুদাদের সংসারে অশান্তি লেগেই আছে। মা চাচী ফুফুরা প্রায়ই তাদেরকে নিয়ে মুখরোচক গল্প তোলে। বউ নাকি রাগ করে প্রায়ই তার বাবার বাড়ি চলে যায়। গন্ডগোলটা মূলত মেজো ফুপুর সাথেই। দীপুদা মায়ের অন্ধ সমর্থক তাই এত সমস্যা। এমনিতেই মেজ ফুপুর মাঝে চরম ডমিনেটিং স্বভাব রয়েছে সেটা আমাদের সকলেরই জানা। কাজেই এইসব গল্পে বউ এর থেকে মা চাচীরা মেজো ফুপুর একরোখা বদরাগী স্বভাবকেই দায়ী করে। আমি শুনবো না শুনবো না করেও কানে এসে যায় এসব। আসলে একটা সময় দীপুদার কথা উঠলেই আমি কান খাড়া করে ফেলতাম। তার প্রতি এক অপ্রতিরোধ্য আকর্ষন আমাকে নিজের অজান্তেও তার নামের আদ্যাক্ষরেও মনোযোগী করে তুলতো। সেই সুতীব্র আকর্ষনটা আমার আজও আছে কিনা আমি যাচাই করে দেখতে যাই না তবে কোথাও একটি তার ছিঁড়ে গেছে তেমনটাই মনে হয় আমার।

আমার ঢাকা ভার্সিটির ভর্তি ফলাফল বের হয়। আমি অর্থনীতিতে ভর্তি হয়ে যাই। আমার সামনে তখন নতুন দিন, নতুন জগৎ, নতুন নতুন আবির্ভাব ও আবিষ্কার। আমার হলের সিনিয়র রুমমেটকে দেখে আমি অবাক হই। এতটুকু পুচকে পাচকে মেয়েটার সে কি মানষিক শক্তি। সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িত মেয়েটি যখন এক মাঠ জনসন্মুখে শ্লোগান দেয় আমি ভীড়ের মাঝে দাঁড়িয়ে থেকে মুগ্ধ হয়ে দেখি। ওর শ্লোগানগুলো যেন এক একটি অজর কবিতা, অবিনাষী গান। আমি সদা সর্বদা একটু মুখচোরা স্বভাবের কাজেই এসব আমার কাছে স্বপ্নের মত লাগে। টি এস সির কবিতা সমাবেশ, গানের আসর রোজ বিকেলের আড্ডা নতুন এক জীবনের দ্বার খুলে যায় আমার চোখের সামনে। ঘনিষ্ঠ বসে থাকা জুটিদেরকে দেখে কখনও কখনও হঠাৎ হঠাৎ আমার দীপুদাকে মনে পড়ে। দীপুদার পাশে কখনও এইভাবে বসে থাকা হলো না আমার। একটাবারও হাতে হাত রেখে পাশাপাশি হেঁটে যাওয়া হলো না। নিজের অজান্তেই বুকের মাঝে জমে থাকে দীর্ঘশ্বাসের ঝাঁপি। তবে দীপুদাকে এসব মুহুর্তে মনে পড়লেও দীপুদার জন্য লুকানো সেই অসহ্য কষ্টটাকে আমি বেশ চাঁপা দিয়ে ফেলেছি বলেই মনে হয় আমার।

হল, ভার্সিটি, ক্লাস, চটপটি ফুচকা, মধুর ক্যান্টিন বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের এই গতীময় চলমান দিনগুলিতে আমি মিশে যাই দিনে দিনে। বন্ধু নির্বাচনে আমি বরাবর খুব বেশি সিলেকটিভ ছিলাম এখনও আছি। তবুও এক দল হৈ হুল্লোড় বন্ধুদের দলে আমি ভিড়ে যাই।ভার্সিটি লাইফ আমাকে আমার অতীত জীবন থেকে অনেক অনেক দূরে নিয়ে যায় যেন।আমার অতীতের সকল অভিজ্ঞতা, নানা রকম ভালো লাগা মন্দ লাগারাও বদলে গিয়ে নিত্য নতুন আবিষ্কারে মগ্ন হয়ে উঠি আমি। হল জীবনে নিজের দায়িত্ব নিজে নেওয়া, বাজার করা, রান্না করে খাওয়া বা ক্যান্টিনে খাওয়া সবই আমি উৎসাহ নিয়ে করি। মাঝে মাঝেই বাড়ির জন্য সেই প্রথম দিককার মত মন খারাপ করা ভাবটাও চলে গেছে আমার। হলের ট্যালটেলে পানি ডাল আর মোটা চালের বিস্বাদ ভাতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি বেশ। এখানে এই বিদ্যাপীঠে পড়ালেখা করতে আসলেও আমার সবকিছুই কেমন উৎসব ঊৎসব লাগে। ফাল্গুনে বইমেলা, বসন্ত উৎসব, পহেলা বৈশাখ বা বিজয় দিবসে বা প্রতিটা উৎসবেই যেন প্রাণ পেয়ে ওঠে এই ভার্সিটি চত্বর। জীবনের জয়গান যেন প্রতিনিয়ত গেয়ে চলেছে এক ঝাঁক সবুজ প্রাণ......

ঈদের ছুটিতে বাড়ি গিয়ে শুনি দীপুদারা সেপারেশনে আছে। বউ নাকি ডিভোর্স চেয়েছে। দু এক মাসের মধ্যেই তাদের সম্পর্ক শেষ হয়ে যাবে। জানিনা কেনো যেন এ সংবাদে ভীষন মন খারাপ হয় আমার। আরও শুনি, মেজো ফুপু তার নামে উল্টা মামলা করেছে বাড়ি থেকে গহনা ও অর্থকড়ি আত্মসাতের। আমার দৃঢ় বিশ্বাস হয় মেজো ফুপুর এটা বানানো গল্প। ঐ মেয়েটার উপরে প্রতিশোধ নিতেই ফুপু এই মামলা সাজিয়েছে। বউটাকে যতটুকু দেখেছি একজন দৃঢ় চরিত্রের মানুষ বলেই মনে হয়েছে আমার। মেজো ফুপুর প্রতি আমার মন ঘৃনায় ভরে ওঠে কিন্তু এরপর একদিন মেজো ফুপু এক আশ্চর্য্য প্রস্তাব নিয়ে আসে। সে বউকে ডিভোর্স করিয়ে দিয়ে দুই মাসের মাঝে ছেলেকে বিয়ে করাতে চায় এবং বউ হিসাবে সে আমাকে দেবার জন্য বাবা মাকে আষ্ঠেপৃষ্ঠে ধরে। মা রাজী ছিলেন না তার অবিবাহিতা মেয়েটার সাথে এই রকম একবার বিয়ে হওয়া ছেলেকে বিয়ে দিতে কিন্তু মেজো ফুপু নাছোড় বান্দা। বাবাকে রাজী করিয়েই ছাড়ে। বাবা আমার সন্মতি নিতে আসেন। আমি স্থবির বসে থাকি।

মেজোফুপু আমাকে নিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে দেন। হাউ মাউ কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তিনি। মেজোফুপুর কান্ড দেখে আমি চরম বিস্মিত হয়ে পড়ি। তিনি আমার হাত দুটো ধরে বার বার আমার কাছে ক্ষমা চান। তিনি বলেন সৃষ্টিকর্তা তাকে শাস্তি দিয়েছেন। এই মেয়েকে ফুপু নিজে পছন্দ করে বিয়ে দিয়েছিলেন এবং দীপুদা তখন এই বিয়েতে রাজী হননি এবং রাজী না হবার কারণ হিসাবে উনি আমাকেই উনার পছন্দের কথা জানিয়েওছিলেন কিন্তু ফুপু তখন রাজী হননি। আত্মীয়ের মাঝে বিয়ে চাননি উনি আর তাই তিনি তখন সে কথা চেপে গিয়ে এই মেয়েকে বিয়ে দিয়ে এনেছিলেন, যার ফল ভালো হলো না। এই পরিনতি নিয়ে এলো। উনি আমাকে বার বার রিকোয়েস্ট করেন আমি যেন সব ভুলে গিয়ে এই বিয়েতে রাজী হই। আমি হতবাক বসে রইলাম। ফুপু অধৈর্য্য হয়ে উঠছিলেন। আমাকে বার বার তাগাদা দিচ্ছিলেন উনাকে কথা দিতে,
- তুই আজই আমাকে কথা দে। প্লিজ আমাকে ফিরাবি না বল প্লিজ.....
আমি দীর্ঘশ্বাস চেপে বললাম,
- তার আগে আমি দীপুদার সাথে একবার কথা বলতে চাই ফুপু .....


অনেক রাতে দীপুদার ফোন এলো। আমি এই ফোনটার অপেক্ষাতেই ছিলাম। এতক্ষন দু চোখের পাতা এক করিনি আমি। বহুদিনের বহু প্রতিক্ষীত এই ফোন। অপর প্রান্তে দীপুদার গলা।
- হ্যালো, হ্যালো
আমি নিশ্চুপ বসে রইলাম। আমার বুকের মাঝে কথার পাহাড় কিন্তু কোনো ভাষা খুঁজে পাচ্ছিলাম না আমি। অথচ দীপুদাকে আমার অনেক কথা বলার ছিলো, আছে এবং থাকবেও বাকী জীবন...
দীপুদা বললেন,
- আমাকে ক্ষমা করবি না শিখা?
আমার চোখে নিশব্দ জলের ধারা.....
সে জলধারায় ভেসে যায় সকল অপ্রাপ্তি, জমানো দুঃখ, শোক তাপ.....

জানালা দিয়ে বৃষ্টির ছাট আসছিলো সাথে সোদা মাটির গন্ধ......
বেশ কয়েক সপ্তাহ তীব্র দাবদাহের পরে অন্ধকারের বুক চিরে শুস্ক মাটির বুকে অঝর বর্ষন.....

না থাকে অন্ধকার, না থাকে মোহপাপ,

না থাকে শোকপরিতাপ।

হৃদয় বিমল হোক, প্রাণ সবল হোক,

বিঘ্ন দাও অপসারি ॥

সমাপ্ত



আমার দীপুদা - ১ আমার দীপুদা- ২
আমার দীপুদা-৩

মন্তব্য ৬০ টি রেটিং +১৫/-০

মন্তব্য (৬০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৫৩

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: গল্প এবার এতো অল্পতে শেষ কেন? :)

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৫৫

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: অনেক বড় গ্যাপ দিয়ে গল্পে ফিরতে গেলে বোধ করি এমনই হয়। পুরোপুরি ফেরা হয় না ।

২| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:০৫

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন:

চার পর্বের গল্প ভালো লিখেছেন। এখন এ গল্পের ঘটনা কাল্পনিক বা কারো জীবনের গল্প যাইহোক না, কেন!!
তবে আপনার গল্পে মেসেজ আছে। আপনার গল্পের দীপুদা মত এ সমাজে অনেকে ঘর ভেঙ্গে যাচ্ছে নীরবে.......। :( :(
আশা করি, আবারও নতুন কোন ঘটনা নিয়ে গল্প লিখবেন। আপনার নতুন কোন গল্প পড়ার অপেক্ষা থাকলাম।
ধন্যবাদ,ভাল থাকুন।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৩০

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: ঘর ভাঙ্গা তো আজকের দুনিয়ার এক নতুন ফ্যাশনে রুপ নিয়েছে।

অসংখ্য ধন্যবাদ শাহরিয়ার কবির। শুভকামনা।

৩| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:০৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: অহ ,বেশ তো ;
অতপরঃ তাহারা সুখে শান্তিতে বসবাস করিতে লাগিলো ।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৩০

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: হ্যাঁ এখন তাহারা সুখেই আছে।

ধন্যবাদ মনিরা আপা।

৪| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:০৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: একটা কথাতেই মন কেমন গলে যায়!
এ অনুভবের কোন তুলনা নেই, ব্যাখ্যা নেই শুধু অনুভব করে নিতে হয়!!!!!

দারুন। তারপর কি হল???

+++

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৩১

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: তারপর তাহারা সুখে ও শান্তিতে বসবাস করিতে লাগিলো।


তবে ফুপু কেনো শ্বাশুড়ি নামে মনে হয় কিছু লেখা যেত এ গল্পের শেষের পরেও।

৫| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:১১

শকুন দৃিষ্ট বলেছেন: বাহ্‌! দারুন!!

শেষমেষ পাইলাম! আমি উহাকে পাইলাম!! তবে, অনেক ঘুরা-পথে!!

আচ্ছা, দীপুদার নুতন সংসার কেমন চলছে? জানেন?

একটু এডিট হবে - অবিনাষী টা মনে হয় অবিনাশী হবে?

কিন্তু, পর্ব এত অল্প কেন?

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৩৩

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: তারা ভালো আছেন। তবে আদরিণী ফুপু নাকি জাঁত শ্বাশুড়িতে রূপ নিয়েছেন। তবুও তারা ভালো আছে।


হ্যাঁ অবিনাশী হবে। পরে ঠিক করে দেবো।

পর্ব অল্প কারণ গ্যাপ পড়ে গেছে।


সর্বদা সাথে থাকবার জন্য ধন্যবাদ অজস্র।

৬| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:২৪

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আপনার অন্য লেখাগুলি আগে পড়া হয়নি। এটা পড়া মনে হয়েছি আপনার লেখার হাত অনেক ভালো।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৪৮

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ শাহাদাৎভাই।

৭| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:২৯

কুঁড়ের_বাদশা বলেছেন: গল্প ভালো লিখেছেন ।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৪৯

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: ধন্যবাদ বাদশাভাই।

৮| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:০৯

নূর-ই-হাফসা বলেছেন: গল্পের শেষ টা অন্য রকম ছিল । এইটা আশা করিনি । শুভ পরিনতি ঘটলো । দীপুদার তাহলে দোষ ছিল না ।
জীবন কেমন অদ্ভুত! দীপুদা তার হবেই যেহেতু এতো চোখের জল আর অপেক্ষা কেন যে ঘটালো । সত্যিই কি কিছু করার ছিল না ।
মনের জোর তীব্র হলে অযথা অন্য মেয়েকে বিয়ে করে কষ্ট দিতোনা। সেই মেয়ের তো দোষ ছিল না । এ যে অন‍্যায় ।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২১

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: পৃথিবীতে এমন অনেক অন্যায় ঘটে জান্তে বা অজান্তে। তবুও পৃথিবী এমনই চলে যায়।

৯| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:১২

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: এই পর্বেতো পুরো টাস্কি খেয়ে গেলাম, কি থেকে কি ঘটছে ! পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২২

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: এ গল্পের এখানেই সমাপ্তি।


নতুন কিছু লিখবো এরপর।

১০| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:১৩

শকুন দৃিষ্ট বলেছেন: যে রাতে মোর দুয়ার গুলি, ভাঙল ঝড়ে,
জানি নাই তো তুমি এলে আমার ঘরে।।

সব যে হয়ে গেল কালো
নিবে গেল দীপের আলো,
আকাশ পানে হাত বাড়ালেম
কাহার তরে।।

অন্ধকারে রইনু পড়ে, স্বপন মানি,
ঝড় যে তোমার জয়ধ্বজা,
তাই কি জানি।

সকাল বেলা চেয়ে দেখি,
দাড়িয়ে আছ তুমি এ কি!
ঘর ভরা মোর শূন্যতারই,
বুকেরও পরে।।

জানি নাই তো তুমি এলে আমার ঘরে।

আমরা পাঠকেরা তো ভাল লেখনির সাথে থাকতেই চাই, সবসময় - কিন্তু, ম্যুডি লেখনিই তো থাকতে দেয় না - অল্পতেই শেষ টেনে দেয়, আর রেশ রেখে যায়! কি আর করা! হা হা হা ...

আবার কবে দেখা হবে নতুন কিছুর সাথে? না কি সমস্যার সৃস্টি করছি বেশি-বেশি আশা করে?

অত-শত বুঝি না! নতুন লেখা চাই, কোন এক নতুন গল্পে, নতুন রুপে, নতুন পরিসরে।

ভাল থাকবেন সবসময়, শুভকামনা অনবরত।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২৩

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: আচ্ছা তাই হবে। নতুন রুপেই মানে নতুন গল্পরুপে নতুন পরিসরে। যত তাড়াতাড়ি আসা যায় চেষ্টা করবো।

১১| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:১৫

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: গল্প এতো অল্পতে শেষ করে দিলেন। নিচের ছোটকরে সমাপ্ত লেখাটি চোখে পড়ে নি। এতো মনোযোগের পরেও এই টুকু বাদ পড়ে যাওয়া মানে আমার এই গল্পটি তৃপ্ত করতে পারেনি। হয়তো আপনি নিজের অবসরের জন্য তাড়াতাড়ি গল্পের সমাপ্তি টেনেছেন।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩৬

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: হ্যাঁ গ্যাপ পড়ে যাওয়ায় আর এ গল্পে থাকতে ইচ্ছে হলো না। মাথায় নতুন কিছু। মন সেখানে চলে গেছে।

১২| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৪০

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: প্রথম প্যারায় সিনিয়র মেটের দৃড়তা।। দ্বিতীয় প্যারাতে সবকিছুতে অভ্যস্থ হয়ে যাবার পর থেকেই গল্প মোড় নিল!!
সমাপ্ত হওয়াতে পাঠকরা পড়ে গেছে ভাবনায়।।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৫১

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: কিসের ভাবনা?
ভাবনায় পড়বে কেনো?

সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ সচেতনভাই।

১৩| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৮:৩৬

একটি আটলান্টিক বলেছেন: নতুন কোন সিরিজ লিখবেন?

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৫৩

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: হ্যাঁ লিখবো। সিরিজ না হলেও কিছু লিখবো।

১৪| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:১৫

সৈয়দ ইসলাম বলেছেন: ভালো লেখাগুলো পড়তে ভালই লাগে।
+++




শুভকামনা জানবেন।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৫৪

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ ইসলাম ভাই।

১৫| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:০৯

মিনহাজুল পলক বলেছেন: অনেক ভালো লেগেছে। ভেবেছিলাম শেষটা বিয়োগাত্মক হবে!

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৫৪

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ। শুভকামনা জানবেন।

১৬| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:১৫

রাজীব নুর বলেছেন: খুব সুন্দর গল্প।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৫৬

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: শুভকামনা রাজীবভাই।

১৭| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৭

একটি আটলান্টিক বলেছেন: আপু আমি ভাবছিলাম শেষে প্রধান চরিত্র মেয়েটা(আপনি) অন্য কাউকে বিয়ে করবে আর দিপু ভাই তার মতো চলবে।এখন পুরোটা পড়ে কিছুটা শকড হয়েছি।এই সিরিজটার নিয়মিত পাঠক ছিলাম তো তাই

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৫

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: হা হা সব গল্পের চরিত্র যদি আমি হই তবে অন্যদের কি হবে?

১৮| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:২১

নূর-ই-হাফসা বলেছেন: আপু আপনার গল্পের নায়ক গুলো ভালো হয় । গল্পের শেষটা অবাক করার মতো

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৭

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: নায়িকারাও কি ভালো নয়? তারা তো বেশি ভালো আপু।

১৯| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৫

জাহিদ অনিক বলেছেন:


একটা গান মনে পড়ে গেল,
সূরে ও বানীর মালা দিয়ে তুমি আমারে ছুইয়াছিলে-----

যাক, দীপুদা আখ্যান শেষ।
এবং অতঃপর তাহারা সুখে শান্তিতে বসবাস করিতে লাগিলো।


পরে কোন গল্প নিয়ে হাজির হচ্ছেন কংকাভাইয়া ?

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৩

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: দেখি কি নিয়ে হাজির হওয়া যায় জাহিদ হাসানভাই।

একজন আনিসকেও আনা যায়। আর তীতলী বা কংকার মত কোনো পাঁজি দস্যি টাইপ দস্যুকে।

২০| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:০৭

নীল-দর্পণ বলেছেন: এত তাড়াতাড়ি শেষ হবে ভাবিনি তবে ভাল লেগেছে বরাবরের মতই আপনার চমৎকার লেখনীতে।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৪

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ নীল দর্পণ আপা।

২১| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:২৯

রাজীব নুর বলেছেন: গল্পটা তখন তাড়াহুড়া করে পড়েছিলাম।
এখন আর একবার পড়লাম।
গল্পের নায়ক নিজেকে একবার ভেবে নিলাম।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৫

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: আপনার গল্প মানে আপনার নায়কীতে গল্পগুলোও কম মজাদার নয়।

২২| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:৪২

ধ্রুবক আলো বলেছেন: যদি গল্প এখানে সমাপ্ত হয় তাহলে বলি, আমার শেষের টুকু একটুও ভালো লাগে নি :(

লেখার উপস্থাপনার জন্য +।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:৫৮

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: গল্পের শেষটা এমনই।
আমারও ভালো লাগেনি। আমি হলে জীবনেও রাজী হতাম না।

ধন্যবাদ ধ্রুবক ভাই।

২৩| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:২১

নূর-ই-হাফসা বলেছেন: নায়িকা রাও অসম্ভব রকমের ভালো ।
প্রথম গল্পের নায়িকা নিজস্বতা ছিল । বাস্তববাদী ও ছিল । শক্তিশালী চরিত্র বলা চলে ।
দ্বিতীয় গল্পে নায়িকা ভালোবাসায় অন্ধ ছিল ,ভালোবাসতে পারার তীব্র ক্ষমতার অধিকারী ও বলা যায় ।
নাহলে এক ফোনে কেউ গলে যায় । হয়তো তার মনের জোর দীপু দাকে তার করে দিয়েছে ।
আপনার গল্পের নায়িকা ২ জন খুব ভালো থাকুক সেই কামনা রইলো

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৯

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: ধন্যবাদ হাফসা আপা।
সর্বদা সাথে থাকায় কৃতজ্ঞতা।

২৪| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৫৯

ব্যর্থ সৈনিকের দিনলিপি বলেছেন: হুট করেই পড়তে বসি আর এক টানে সব কয়টা পার্ট পড়া শেষ করলাম। দীপুর বিয়ের সময় শিখার অবস্থা দেখে খুব খারাপ লাগছিলো কিন্তু স্বল্প সময়ের জন্যে এক ছেলের আগমন মনটাকে আবার ভালো করে দিয়েছে। আমাদের সমাজেও এইরকম অনেক অন্তরালের নায়ক আছে যারা বিপদের সময় পাশে দাড়িয়ে যায় আবার হুট করে কোথায় জানি হারিয়ে যায়।
এইরকম সুন্দর রোমান্টিক গল্প আরো চাই

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৩

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।

২৫| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৪৫

কাতিআশা বলেছেন: ভালো লাগলো...সবার এমন ভাগ্য হয়না!

২০ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:২২

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপা। সাথে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা।

২৬| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৭:৪৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আমাদের ব্লগ রাজকন্যা প্রজাদের সুখ দুঃখের কথা মনে করে এবার মিলনান্তক একটা গল্প লিখেছেন বলে তাকে প্রথমেই একটা বড় সেলাম | জীবন রহস্যময় অন্ধকার রাতের মতোই | আঁধারে পথ চলতে কাঙ্খিত জায়গায় পৌঁছানো যাবে কি না বা হোঁচট খেয়ে পড়তে হবে কি না কারো জানা থাকে না | তবুও সেই আঁধার রাত দূর করে কখনো পূর্ণিমার চাঁদ উঠে | সব কিছু আলোয় ভাসিয়ে নেয় | যেই গল্পে এই চাঁদটা উঠে না সেটার সমাপ্তি আমাদের বিষন্নতা বাড়ায় | যে গল্পে জীবনের আঁধারের মধ্যেও পূর্ণিমা চাঁদ ওঠে সেই গল্প আমাদের মন ভালোলাগার খুশিতে ভরিয়ে দেয় |রাজকন্যা, এই গল্পের শেষে শিখার ভালোলাগাটা ভেবে কথাটা ভেবে মনের খুশিটা কেমন যেন বন্যা ধারায় বেরিয়ে এলো | ভালোবাসার সুন্দর গল্পগুলোতে না পাবার কষ্টগুলোই মনে হয় বেশি | এরাবিয়ান নাইটসের গল্পগুলোতেই মনে হয় মিলনান্তক গল্পগুলো বেশি পড়েছিলাম | আর ছোটো বেলায় পড়ে কি যে ভালো লেগেছিলো !! রাজকন্যা, আপনার গল্পে নতুন পটভূমি, কাঠামো, নতুন নায়ক আর নায়িকা কিন্তু আনন্দ পাবার ব্যাপারটা সেই ছোটবেলায় পড়া এরাবিয়ান নাইটসের মতোই হলো | পুরো গল্প ঠাস বুননে খুবই সুন্দর হয়েছে | কোনো বর্ণনাই অতিরিক্ত মনে হয় নি | শিখার ভালোবাসার কথা আর ওর মনখারাপের কথা সবই পরিমিত কিন্তু সংক্ষিত মনে হয়নি কখনোই | এটাই গল্পটা ভালো লাগার বড় কাৰণ আমার কাছে | অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় চরিত্রের বাজার নেই সেটাও ভালো লেগেছে এই গল্পের | সব মিলিয়ে খুবই সুন্দর একটা গল্প বলার জন্য একরাশ শুভেচ্ছা জানাচ্ছি | সবশেষে, রাজকন্যা প্রজার একটা আর্জি আছে, একটি নতুন গল্পটা তাড়াতারি শুরু করবেন | বেশি দেরি না হয় যেন |

২০ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:২৪

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: কৃতজ্ঞতা জানাবার ভাষা নেই আসলে।

নতুন গল্পের দু লাইন মাথায় নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি।একটু সময় পেলেই বাকীটা লিখবো মলাসইলমুইনাভাই।

ভালো থাকবেন।

২৭| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৫২

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন:


গল্প জমে উঠার আগেই শেষ করে দিলেন ! সে যাই হোক এই পর্বে আবেগগুলো ভালভাবে ফুটে উঠেছে যদিও লম্বালম্বা গ্যাপ দিয়ে গল্পটা শেষ করা হয়েছে । এই গ্যাপগুলোর মাঝে আরো অনেক গল্প জুড়ে দেয়া যেত । যেমন, ছাঁদে সিগারেট টানারত ছেলেটার গল্প, ভার্সিটি লাইফের গল্প ইত্যাদি ইত্যাদি ।

অপ্রকাশিতভাবে গল্পের সমাপ্তিও একধরণের গল্প...

২০ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:২৮

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: হ্যাঁ ছাঁদের ছেলেটা গল্পে আসবে, যদি কখনও এই গল্প এডিট হয় বা প্রকাশ হয়। আর ভার্সিটি লাইফের রাজনীতিটাও আসবে। এখানে ইচ্ছাকৃত বাদ দেওয়া হয়েছে।

অসংখ্য ধন্যবাদ কথাকথিকেথিকথনভাই।

আপনার রাত্রিত্ব দারুণ হচ্ছে।

২৮| ২০ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:০৯

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন:





তাহলে রাত্রিত্ব পড়েছেন । ধন্যবাদ ।

২০ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:২১

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: হ্যাঁ পড়েছি। অনেক কিছুই পড়ে মন্তব্য দেওয়া হয় না অনেক সময়।

২৯| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:০৯

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: যাক অতঃপর মিলনেই সমাপ্তি হইল।
বেশ ভাল লেগেছে।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:১৭

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: অজস্র ধন্যবাদ সোহেলভাই।

৩০| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:২৯

করুণাধারা বলেছেন: কাহিনী আর লেখনী দুইই পুরো সিরিজ জুড়ে একইরকম আকর্ষণীয় ছিল। একটানে পড়ার মত, পড়েছিও কিন্তু ভাললাগা জানাতে কিছুটা দেরী হল। শুধু একটা জিনিষ একটু খটকা লাগছে- প্রথম পর্বে দেখছি দীপু যখন এসএসসি পাশ করল শিখা তখন ক্লাস নাইনে- দীপু দু' বছরের বড়। চতুর্থ পর্বে দেখছি দীপুর বিয়ের পর শিখা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে ভর্তি হল, বয়স আঠার জোর উনিশ। তাহলে দীপু কত বছরে বিয়ে করল? এটুকুই খটকা- বাকিটুকু শুধুই ভাল লাগা।

সামুর ব্লগার শিখা রহমানের একটা গল্প আছে- দীপু নাম্বার ওয়ান, দীপু নাম্বার টু। মনে পড়ে গেল।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৪৬

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: সত্যিকারের দীপু আর শিখার বয়সের পার্থক্য জানলে আরও বেশি ধাক্কা খাবেন আপা। গল্পের প্রয়োজনে বয়স ছাটাছাটি করতে গিয়ে হয়তো একটু খটকা লেগেছে।
সর্বদা সাথে থাকার জন্য অজস্র ধন্যবাদ আপা। শুভকামনা জানবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.