নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- মাহমুদুর রহমান।স্বপ্ন ছিল প্রেসিডেন্ট হব।স্বপ্ন দেখতে দেখতে নিজেই একটি স্বপ্ন রাজ্য গড়ে তুলি।আর বর্তমানে আমি সেই রাজ্যের প্রেসিডেন্ট।

মাহমুদুর রহমান

এই পৃথিবীর বিরাট খাতায়, পাঠ্য যেসব পাতায় পাতায় শিখছি সে সব কৌতূহলে, নেই দ্বিধা লেশ মাত্র, বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর, সবার আমি ছাত্র।

মাহমুদুর রহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

এলোমেলো জীবনের দিনলিপি থেকে-৮

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:০৫


১।ঢাকা শহরের বাড়িওয়ালা গুলো বড় অমানবিক।এদের তুলনা চলে একজন স্বৈরশাসক এর সাথে আর ভাড়াটিয়ারা হল সাধারন জনগন।এদের যখন মর্জি তখন একজন ভাড়াটিয়াকে নিষেধ করে দিতে পারে।আবার অনেকে আছে পরোক্ষভাবে নিষেধ করে।যেমন গতকালের ঘটনা টা মনে পড়ে গেল।
আমার বাবা বললেন,বাড়িওয়ালাতো ভাড়া বাড়ালো ৫০০ টাকা।আমি শুনে থতমত খেয়ে গেলাম।কি বলেন আব্বা,সত্যি!
হুম।
কারনটা কি?
বাড়িওয়ালার বউ বলল,"তোদের চলাফেরা সুন্দর না,বাসার জিনিসপত্র থাকে এলোমেলো,বাসার ভিতর ঢুকা যায় না।সবার থেকে আমাদের বিদ্যুৎ বিল বেশী আসে,তোর বোনেরা উনাকে দেখলে সালাম ও দেয় না।"
আব্বার কথার প্রতিউত্তরে,
আমি বললাম,"আমরা যে এই বাসাটায় থাকি,আমরা ভাড়া থাকি ফ্রি না।আমাদের বাসা অগোছালো বা গোছালো যেমন ইচ্ছা তেমন থাকুক এটা দেখার দায়িত্ব তো আর উনার না।আমার বোনেরা উনাকে সালাম দিবে কিভাবে?এই একবছরে উনি বাসায় আসছেন দুই বা তিনবার,আর প্রতিবারেই উনি বকবক করে গেছেন,অসুন্দর ভাষায় কথা বলেছিলেন। তাই হয়তো উনার জন্য সম্মান উঠে গেছে।এছাড়াও আরেকটা বিষয় আমার বোনেরা তেমন মিশুক না।উনি যে সালাম দেয়ার কথা বলেছেন উনার মেয়েদের আমি আজ পর্যন্ত দেখলাম না কাউকে সালাম দিতে।উনি অন্যের কাছ থেকে সালাম পাওয়ার আশা করেন কিভাবে?
এছাড়া বিদ্যুৎ বিল কম-বেশি আসবেই,কিন্তু সেটা তো আমরাই দিই,উনারা তো আর দেন না।কিন্তু আপনাকে যখন বলে আপনার ছেলে মেয়েরা এমন আপনার উচিৎ ছিল বলা,আপনি একমাস আপনার ছেলে-মেয়েগুলোকে রেখে ঘুরে আসবেন, দেখবেন ঘরের কি হাল!"
আব্বা বলল,"বাবারে আমরা তো এভাবে আর বলতে পারি না,কারন তাঁরা বাড়ির মালিক।আমরা না থাকলে উনাদের কিছু যায় আসে না।"
[বিদ্রঃ- আব্বা-আম্মা উভয় বাড়িতে থাকেন।আব্বা প্রতি মাসে ঢাকায় আসেন পেনশন তুলতে।]

২।গতকাল টংদোকানে এক মুরুব্বির সাথে গল্পে মেতে উঠলাম।
তিনি আমাকে একটা প্রশ্ন করলেন,ঢাকা শহরের বড়লোক কারা জানেন?
"কারা?"আমি পালটা জিজ্ঞেস করলাম।
তিনি বললেন," এই যে ভাঙ্গাচুরার দোকান দেখছেন,এই ধরনের দোকানদারগুলো ঢাকা শহরের বড়লোক।"
আমি বললাম,"ধুর চাচা, কি যে বলেন না,এরা দিন এনে দিন খায়।এরা বড়লোক হতে পারে না।"
"এই তো বুঝলেন না।",তিনি বললেন।
আমি বললাম,"ঠিক আছে তাহলে আপনিই বুঝিয়ে বলেন আমাকে।"
এই যে ঢাকা শহর,কোটি মানুষের বসবাস।এই ঢাকা শহরে মানুষ আসে কেন?উন্নত শিক্ষার জন্য।মানুষের পড়াশোনা শেষ হলে এদের কাছে বই বিক্রয়ের জন্য আসে।প্রতিকেজি বইতে মানুষ পায় ১০১২ টাকা।কিন্তু এদের লাভ হাজার হাজার টাকা।
মানে বুঝলাম না,একটু বুঝিয়ে বলুন চাচা।
আপনি যখন এদের কাছে বই বিক্রি করে চলে যান তখন বইগুলো এদের হয়ে যায়।তখন এরা কি করে বই গুলো চেক দেয়।অনেকে করে কি বইয়ের মধ্যে টাকা রাখে।এমন মানুষ আছে না?হুম আছে।বই চেক দেয়ার সময় এই টাকাগুলো কিন্তু সে পেয়ে যায়।এবং আমার নিজ চোখে দেখা এরকম বই চেক দেয়ার সময় একছোট ভাই ২৭ হাজার টাকা পেয়েছে।তাহলে এরা বড়লোক না?
এরা ঢাকা শহরে বাড়ি-গাড়িও করছে।
মনে মনে ভাবলাম,"সালার আমারও যে এই জীবনে কতগুলো টাকা এভাবেই চলে গেল একমাত্র আল্লাহ মালুম।তখন কেন যে বই গুলো চেক দিলাম না!"

মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:২৯

স্বপ্নীল ফিরোজ বলেছেন: বাড়িওয়ালারা ঠিক মতো আয়কর দিলে দেশ উন্নয়নের জোয়ারে সত্যি সত্যি ভাসতো। তারা কর ফাকি দেয়। ভাড়া নেয় ১৬ আনা।

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৫০

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: যার কাছে দিবে সেও তো দুর্নীতিবাজ।

২| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৩১

আরোগ্য বলেছেন: বইয়ের মাঝে টাকা রাখার অভ্যাস আমার কখনই ছিলো না।

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৫০

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: বেচে গেলেন।

৩| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
অত টাকা কই পাবো যে পুরাতন বইয়ের ভেতর রেখে আবার কাগজের দরে বিক্রি করে দেব।
পোস্টে ভালো লাগা।

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৭

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

৪| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৫

স্রাঞ্জি সে বলেছেন:


প্রথম টা বাড়িওয়ালার প্রতি জঘন্য ঘৃণা চলে আসছিল। কিছু কিছু বাড়িওয়ালা এমনি থাকে । আর কিছু কিন্তু ভালই পাবেন। ভালদের হাতে পড়লেই ভাল। ।

দ্বিতীয় হাসলাম খুব। বইয়ের ভিতর টাকার চেক। খুদা আমাই যদি পাইতাম একদিন।

পোস্টে ভাল লাগা৷

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৭

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: কিছু কিছু না বেশীরভাগ বাড়িওয়ালারা এমনি।ভালোর সংখ্যা খুবই নগন্য।
:) বইয়ের ভেতর টাকার চেক আমি তা বলিনি ,চেক বলতে বইয়ের পাতা উল্টানোকে বুঝিয়েছি।বই কিনে নেওয়ার পর তাঁরা বইয়ের প্রতিটি পাতা নিজেরা চেক করেন কারন অনেক মানুষ বইয়ের মধ্যে টাকা রাখেন।

৫| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৯

বলেছেন: পোস্টে দুঠোই অনেক অনেক ভাল লাগা৷

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৭

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ,ভালো থাকবেন।

৬| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:০৩

সুমন কর বলেছেন: ১। মানুষ জ্ঞান দিতে পছন্দ করে আর ওরা আসলেই পিশাচ (কিছু ব্যতিক্রম আছে) !!
২। মেয়ে'রা সাধারণত সেরকম ভাবে টাকা রাখে।

লেখা সাবলীল হয়েছে।

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৫৩

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: জী আপনি ঠিক বলেছেন।মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৭| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৪১

রাজীব নুর বলেছেন: বাড়ি করতে অনেক টাকা লাগে। বাড়িওয়ালারা একটু বেশি বেশী করে।

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৫৩

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: একটু না,অনেক বেশীই করে।

৮| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:১০

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
বাড়ি করার ঝক্কি যে বাড়ি না করে
সে বুঝবে না। নিকনা কিছুটা বেশী
ক্ষতি কি, যে দিতে পারে সেইতো
বাড়ি ভাড়া নেয় ! তার আয়ের
উৎস খুঁজেছেন কখনো!

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৫৬

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: আপনার কথার সাথে সহমত।কিন্তু ব্যাপারটা তা না,সে শুধু আমাদের ভাড়া বাড়িয়েছে।বাকি সকলেরটা ঠিক রেখেছে।আর এটা ইচ্ছা কৃত।আশা করি বুঝাতে পেরেছি।

৯| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:০৯

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: বাড়িওয়ালাদের নাম শুনলেই আমার মন খারাপ হয়ে যায়। এত নিয়ম মেনে চলার পরও তেনাদের চোখে কোন না কোন ভুল ধরা পড়বেই...

০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:০৩

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: সব হিংসা আর অহংকার।

১০| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:১৩

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ভাইরে,
ফরিদ ভাই তোমায় নিয়ে সনেট লেখছেন দেখে তোমায় দেখতে এলাম। খুব ভালই তো লেখা। আচ্ছা, এতো সুন্দর করে সবাই মন্তব্য করছে, আর আপনি শুধু ধন্যবাদ দিয়েই অফসর নিচ্ছেন! খুব ব্যস্ত মাকি!?

০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:১২

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: আগে সনেট পড়ে আসলাম,এখন উত্তর দিচ্ছি।
:)
ব্লগে ঢুকেই প্রথমে আপনার মন্তব্য পড়লাম। ভাই, আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ এত সুন্দর একটা খবর আমায় পোঁছে দেয়ার জন্য।
আচ্ছা, এতো সুন্দর করে সবাই মন্তব্য করছে, আর আপনি শুধু ধন্যবাদ দিয়েই অফসর নিচ্ছেন!
মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে,এটাই আমার একমাত্র সম্বল।

১১| ০৩ রা নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:২৬

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ভালো লাগলো প্রতিমন্তব্য

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:১১

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: ভালোবাসা নিরন্তর।

১২| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৫৫

এস এম ইসমাঈল বলেছেন: পোষ্টে ভাল লাগা। ভাড়াটিয়া হিসেবে আমার আছে বিশাল অভিজ্ঞতার ভাান্ডার । ১৯৮৬ - ২০০৮। এর মাঝে বাসা বদলেছি ৭ বার। তাও আবার ছেলে-মেয়েদের লেখা পড়ার সুবিধার কথা ভেবে। আমার গিন্নী খুব গোছালো স্বভাবের মহিলা। সব বাড়ীওয়ালারা আমাদের বাসার প্রশংসা করে গেছেন। একজন অবসর প্রাপ্ত এস পি'র বাসায় থাকার সময় বাড়ী ওয়ালী খুব জ্বালাতন করতেন। বাসায় মেহমান এলে পানির লাইন অফ করে দিতেন। কোন গাড়ওয়ালা মেহমান এলে তিনি খুুউব রাগ করতেন। কারণ এতে নাকি তাঁর উঠোন নোংরা হয়ে যাবে। কিছু কিছু বাড়ী ওয়ালা মাস শেেষ হবার আগেই ভাড়া চেয়ে বসতেন। আমার গিন্নী সব সময় তাঁদের
আবদার রাখার চেষ্টা করতেন। ভাড়া দিতেও তিনি যেতেন।

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:২৮

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: আপনার কথাটা পড়ে খুব খারাপ লাগল।এরা আসলে আল্লাহকে ভয় করে না।
"হিংসা বিদ্বেষ করে যেই জন
কে বলে মানুষ তারে অধম সেই জন।"
এদের স্থান জাহান্নাম।আল্লাহ আপনাদের ভালো রাখুক এটাই প্রার্থনা।

১৩| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৪১

এস এম ইসমাঈল বলেছেন: আমিন।জাযাকাাল্লাহ।

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৯

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.