নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জানত যদি হাসন রাজা বাঁচব কতদিন..

Miles to go before I sleep.....

নরাধম

"Recite! in the name of thy Lord; Who created Created man out of a clot of congealed blood Recite! and thy Lord is Most Bountiful, He Who taught (the use of) the Pen Taught man that which he knew not"

নরাধম › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইতিহাস জাফর ইকবালকে কিভাবে বিচার করবে?

১৪ ই মার্চ, ২০১৮ রাত ২:০৯

এই পোস্ট জাফর ইকবালের "ঐতিহাসিক বিচার" নিয়ে আলোচনা।
...............................................................................

বিল ক্লিনটনের বিরুদ্ধে মনিকা লুইনস্কি ছাড়াও আরো অনেক মেয়েকে ধর্ষণ বা শারিরীক অনাচারের অভিযোগ ছিল। হিলারি ক্লিনটন তখন এসব মেয়েদেরকেই আক্রমণ করত, তাদের চরিত্র হননের চেষ্টা করত। হিলারি ক্লিনটনের এ ভূমিকাকে বলা হয় এনেইবলারের (enabler) ভূমিকা। এনেইবলারের কাজ হলো যে অন্যায় করছে তাকে পরোক্ষভাবে সে অন্যায় করতে দেয়া, অন্যায়ে পরোক্ষভাবে সহায়তা করা। এটা সমাজে প্রায়ই দেখা যায়। অন্যায় জারি থাকার জন্য যারা অন্যায় করে তাদের চেয়েও এনাইবলারদের ভূমিকা অনেক বেশি। এনেইবলার ছাড়া কোন অন্যায় সামাজিকভাবে বেশিদিন চলা কঠিন।

এরকম এনেইবলারদের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর হল ইন্টেলেকচুয়াল এনেইবলার (intellectual enabler)। যখন রাষ্ঠ্র কোন চরম অন্যায়ের দিকে যায়, তখন এরকম ইন্টেলেকচুয়াল এনেইবলাররা সেরকম অন্যায়ের একটা বুদ্ধিবৃত্তিক বৈধতা (intellectual legitimacy) দেয়, তারা যুক্তি দেয় অন্যায়কে সমর্থন করে, বা যারা সে অন্যায়ের বিপক্ষে তাদেরকে নানারকম কুযুক্তি দিয়ে আক্রমণ করে। অনেক সময় এনাইবলাররা নানা যুক্তি দিয়ে বা আবেগের ব্যবহার করে অন্যায় নিয়ে যথেষ্ট পরিমান মতভিন্নতা, সন্দেহ, বা জল ঘোলা করে। এই সন্দেহের ঘোলা জল তখন অন্যায়ের একটা প্লাটফর্ম তৈরী করে, ক্রমান্বয়ে অন্যায়ের ন্যারেটিভটাই পোক্ত হয়, অন্যসব আলোচনা হারিয়ে যায়। এরকম দেখা গেছে নাৎজি জার্মানির ক্ষেত্রে, হিটলারের হলোকাস্টকে জায়েজ করার জন্য প্রচুর ইন্টেলেকচুয়াল খাড়া ছিল, তারা হিটলারের কাজকে বুদ্ধিবৃত্তিক বৈধতা দিয়েছিল, এজন্যই জার্মানির সাধারণ মানুষও হিটলারের ঘৃণ্য গনহত্যায় সায় দিছিল, অংশগ্রহণও করেছিল। সেরকম সম্প্রতি ইরাকে যুক্তরাষ্ঠ্রের আক্রমণ এবং গনহত্যাকে জায়েজ করার জন্যও যুক্তরাষ্ঠ্রের মূলধারার মিডিয়া ইন্টেলেকচুয়াল এনাইবলার হিসেবে কাজ করেছে। মৌলবাদি নাস্তিক হিচেনস, স্যাম হ্যারিস এরাও উচ্চস্বরে এহেন ঘৃণ্য আগ্রাসন আর গণহত্যার ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার জন্য ইন্টেলেকচুয়াল এনাইবলার হিসেবে কাজ করেছে। তেমনি আফগানিস্তানে দখল জারি রাখা এবং হত্যা চালু রাখার জন্য অনেক নারীবাদিরা এনাইবলার হিসেবে কাজ করেছে।

বাংলাদেশে জাফর ইকবালের সবচেয়ে বড় সমালোচনা আমার চোখে এই যে তিনি বাংলাদেশের গণতন্ত্র ধ্বংস, প্রতিষ্ঠানসমূহকে অকার্যকর, শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে জলান্জলি, এবং শাসকশ্রেণীর রাষ্ঠ্রীয় ডাকাতি, অরাজকতা, ব্যাংক ডাকাতি, শেয়ারবাজার ডাকাতি ইত্যাদি অপরিসীম অন্যায়ের বুদ্ধিবৃত্তিক বৈধতা দেন। এটা না যে তিনি ব্যক্তিগতভাবে এসব অন্যায়কে সমর্থন করেন, কিন্তু তার মত লোকের সরকারকে মোটাদাগে বুদ্ধিবৃত্তিক বৈধতা দেওয়ার জন্য এসব অন্যায় জারি থাকে। অনেক সময় এরকম ইন্টেলেকচুয়াল এনাবলাররা কিছুটা সমালোচনাও করেন, তবে সে সমালোচনাতেও প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় থাকে, জাফর ইকবালও সেরকম কদাচিৎ সরকারের মৃদু সমালোচনার মাধ্যমে নিজের লেজিটিমেসি বজায় রাখেন এবং শাসকগোষ্ঠীকে তাদের অনাচার করার কাজেও পরোক্ষভাবে মদদ যোগান। তাই শাসকগোষ্ঠীর সমস্ত অন্যায়, সেটা হোক ত্বকী হত্যার মত ব্যক্তিক অপরাধ, বা সমষ্টিক অনাচার যেমন শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস, ব্যাংক ডাকাতি, গণতন্ত্র ধ্বংস, যাই উল্লেখ করেন না কেন, সবকিছুর ভার জাফর ইকবালের উপর বর্তায়, তিনিও এসবের জন্য দায়ী, কারন তিনি এসবকে এনেইবল করছেন।

এজন্য জাফর ইকবালকে চেতনার কারবারীরা যতই সালাম করুক না কেন, তিনি ক্রমান্বয়ে অপাংক্তেয় হয়ে যাবেন, ইতিহাসের ভুল সাইডে তিনি থাকবেন, তাঁকে লোকে একসময় খুব ঘৃণা করবে, ইতিহাস তাঁকে আস্তাখুড়ে নিক্ষেপ করবে। তবে সেসব অনেক দেরী আছে, তার আগেই জাফর ইকবাল এবং তার মত যারা রাষ্ঠ্রীয় অনাচারকে বুদ্ধিবৃত্তিক বৈধতা দেয় তাদের দ্বারা রাষ্ঠ্রের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি যা হওয়ার তা হয়ে যাবে, অথবা ইতিমধ্যেই হয়ে গেছে। জাফর ইকবাল দেশকে পজিটিভ কিছু দিয়েছেন কিনা জানিনা, তবে একসময় তাঁর বই পড়ে টীনএইজ বয়সে আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেক আনন্দ পেয়েছি। কিন্তু সে এন্টারটেইনারের ভুমিকায় পজিটিভ কিছু থেকে থাকলেও তার বর্তমান ইন্টেলেকচুয়াল এনাবলারের ভূমিকার কাছে সেসব বিনোদনের মূল্য কিছুই না। এটা খুবই দুঃখজনক, কেননা জাফর ইকবালের সুযোগ ছিল আলোর দিশারী হওয়ার, কিন্তু তিনি বেঁচে নিলেন অন্ধকারের কান্ডারী হওয়াটাকেই।

উল্লেখ্য তাঁর এহেন ঘৃণ্য ইন্টেলেকচুয়াল এনাইবলার হওয়ার ভূমিকার স্বাভাবিক "ঐতিহাসিক" বিচার হওয়া জরুরী, কিন্তু তাঁকে শারীরিক কোন আক্রমণ করার বা এমনকি তাঁর বাকস্বাধীনতায় কোনরকম হস্তক্ষেপ করা সমর্থন করছিনা, সেটা বলাই বাহূল্য।

মন্তব্য ৪৯ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৪৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই মার্চ, ২০১৮ রাত ২:২৪

শাহিন-৯৯ বলেছেন: গুড এন্যালাইসেস।

১৪ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ৯:১৮

নরাধম বলেছেন: ধন্যবাদ।

২| ১৪ ই মার্চ, ২০১৮ ভোর ৬:৩৪

১৯৭১ মুক্তি বলেছেন: জাফর ইকবাল বিজ্ঞানের কথা বলেন, জাফর ইকবাল বিজ্ঞান মনস্ক প্রগতির কথা বলেন, জাফর ইকবাল স্বাধীনতার কথা বলেন, জাফর ইকবাল যুদ্ধাপরাধী জামাত-শিবির-রাজাকার-আলবদর নির্মূলের কথা বলেন, জাফর ইকবাল জঙ্গিবদের বিরুদ্ধে বলেন, জাফর ইকবাল ধর্মান্ধ পশ্চাৎপদ মৌলবাদের বিরুদ্ধে আধুনিকতার কথা বলেন। সুতরাং জাফর ইকবালকে নিয়ে কোন অবার্চিনের তর্ক করার বিন্দুমাত্র আগ্রহ আমার নেই।

তবে মৌলবাদ নিয়ে কিছু বলা যেতেই পারে। Christopher Hitchens, Sam Harris, Ayaan Hirsi Ali..... এদের কেউই আজন্ম পংকিল কাঁদায় মাথা গুজে থাকা কোন ব্যাক্তি নয়। নাস্তিকতা হছ্ছে একটি চলমান প্রক্রিয়া, এই প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞান এবং বিজ্ঞানলব্ধ প্রশ্ন এবং উত্তের সন্ধান করে। "দুয়ে-দুয়ে চার" মিলিয়ে দেখে।

বিষয়টি এমন না যে নাস্তিকরা বদ্দি আমলের মরুভূমির বালিতে গজিয়ে উঠা কোন দৈত্য এবং তার যৌনবিক্রিত সাগরেদের হাবিজাবি কথা সোনার ফ্রেমে বাঁধিয়ে পুজা করে। নাস্তিক কখনো কল্পলোকের ৭২ বেশ্যাা ভোগে আশক্ত নয়। নাস্তিক কখনো আসমানের খেজুর আর মধু খাওয়ার লোভে লালায়িত নয়। ধন্যবাদ।

১৪ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ৯:০৫

নরাধম বলেছেন: ওহে ছাগল, বলদের নাতি, এই পোস্টে নাস্তিক বিষয়ে কোন কথা নেই। এই পোস্ট বুঝার মত মগজ তোমার নাই।

৩| ১৪ ই মার্চ, ২০১৮ ভোর ৬:৫০

কাউয়ার জাত বলেছেন:

১৬ ই মার্চ, ২০১৮ রাত ১২:৪৮

নরাধম বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪| ১৪ ই মার্চ, ২০১৮ ভোর ৬:৫০

কাউয়ার জাত বলেছেন:

১৪ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ৯:২১

নরাধম বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫| ১৪ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ৮:৪৬

উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: সাধারন জনতা ব্যতিত বাংলাদেশে কেউ সেরকম নেই যে নির্মোহ দৃষ্টিতে সরকারের সমালোচনা করবে। পক্ষপাতমূলক অবস্থান খুবই বিরক্তিকর, কিন্তু এই সারিতে জাফর ইকবালের চেয়ে আরো অনেকে অনেক বেশী এগিয়ে রয়েছেন। এদের একজন যেমন মতিয়া চৌধুরী। কোকো তারেক খালেদা জিয়ার অপকর্ম নিয়ে মতিয়া এত সোচ্চার, কিন্তু নিজ দলে এদের চেয়ে হাজার গুন বেশী সন্ত্রাসী দুর্নীতিবাজ থাকলেও চোখে পড়ে না! এদিকে গাফফার চৌধুরী একবার লিখেছিলেন, মতিয়া নাকি খুবই ধার্মিক!

জাফর ইকবাল অবশ্য একজন বুদ্ধিজীবি। তিনি সরাসরি আওয়ামী লীগের সাথে যুক্ত নন। কিন্তু পক্ষপাতের তীরটা আওয়ামী লীগের দিকেই থাকে। যার ফলে যেসব ইস্যু নিয়ে তিনি অহরহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করেন, সেসব ইস্যুতে আওয়ামী লীগের কোন সমালোচনা তার কাছ থেকে পাওয়া যায় না, তিনি নীরব থাকেন। ইদানিং আবার তিনি প্রশ্ন ফাস নিয়ে সরকারের সমালোচনা করছেন। কিন্তু তার মত বুদ্ধিজীবীর মাথায় কি এটা আসেনা, প্রশ্ন ফাস কোন আলাদা ইস্যু নয়? এটা সমাজের আর দশটি অন্যায় অনৈতিকতার সাথে এক সূতায় গাথা। আমাদের সময়ে একটি পরিচিত স্লোগান ছিল, "নির্বাচন হয় যেভাবে, পরীক্ষা দেব সেভাবে।" কিছুদিন আগে এইচ টি ইমাম এক সভায় বলেছিলেন শুধু ছাত্রলীগারদের চাকুরী দেয়া হয়। এইরকম ভয়ানক অবস্থায় পরীক্ষা হবে একদম সুষ্ঠু উপায়ে - এই আশা যে একেবারে অসম্ভব আশা তা কি তিনি বুঝতে পারেন না? তিনি কি এতই গবেট?

১৪ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ৯:১৮

নরাধম বলেছেন: বেশ ভাল বলেছেন।

৬| ১৪ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ৯:০২

উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আপনার প্রশ্নের জবাব দেই নি।

ইতিহাস জাফর ইকবালকে কিভাবে মূল্যায়ন করবে?

ইতিহাসে জাফর ইকবাল মূল্যায়িত হবেন তার অবদানের মাধ্যমে। তার সাহিত্য এবং অন্যান্য অবদান তাকে বিচার করবে। নেতিবাচক অন্ধকার দিকগুলো সাধারন ভাবে মানুষের জীবদ্দশায় বেশী আলোচিত হয়। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে মানুষের সেসবের মেমরি ফিকে হয়ে আসতে থাকে। বিশেষত মানুষের মৃত্যুর পরে তার মানবতা কিংবা সভ্যতার প্রতি অবদান গুলো বেশী হাইলাইট হয়ে থাকে।

আপনি নাজি বাহিনীর যেসব উদাহরন দিলেন তার শতভাগ সত্যতা মানতে আমি অপারগ। যেসব বিজ্ঞানী কিংবা বুদ্ধিজীবীরা সরাসরি গনহত্যা বা সেরকম মানবতা বিরোধী কাজে অংশ নিয়েছিল তারা ঠিকই আস্তাকুড়েতে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। কিন্তু শুধু সমর্থন কিংবা পক্ষপাতের জন্য কারো অবদানকে ইতিহাস অস্বীকার করেনি। নাজী সমর্থক সাহিত্যিক ন্যুট হ্যামসুন সেরকমই একজন ছিলেন।

১৫ ই মার্চ, ২০১৮ ভোর ৪:২৮

নরাধম বলেছেন: "বিশেষত মানুষের মৃত্যুর পরে তার মানবতা কিংবা সভ্যতার প্রতি অবদান গুলো বেশী হাইলাইট হয়ে থাকে। "

এটা ঠিক। তবে জাফর ইকবালের তো সেরকম কালজয়ী কোন সাহিত্য নেই,অনেক লেখাই চুরি করা লেখা। এসব লোকে বুঝবে ক্রমান্বয়ে, তাই তার চুরিদারি ধরা পড়বে।

৭| ১৪ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ৯:০৫

উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: "চাঁদগাজী বলেছেন:

আপনার পকেটে রগকাটার যন্ত্র এখনো আছে?"

@চাদগাজী, আপনি সবার ব্লগে মন্তব্য করেন - এটা প্রশংসনীয়। কিন্তু মন্তব্যটা একটু ভেবেচিন্তে পোস্টের সাথে সম্পর্কিত হলে অন্যরা একটু কম বিরক্ত হয়।

১৪ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ৯:২১

নরাধম বলেছেন: উনার মাথায় সমস্যা আছে, বুড়া বয়স, একা থাকেন, ছেলে-মেয়ে সবাই ছেড়ে চলে গেছে উনার খারাপ অভ্যাসের জন্য। তাই একটু ছাগলামি করেন, কি আর করা।

৮| ১৪ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ৯:৩৮

১৯৭১ মুক্তি বলেছেন: মুসলিম মুমিনরা যখন যুক্তির মাথা খেয়ে বসে তখন গালমন্দই তাদের পাথেয়, এক্ষেত্রে আপনি তাদেরই অন্যতম একজন। কে বলেছে নাস্তিকতার কথা বলা নেই? আপনি না বল্লেন : " মৌলবাদি নাস্তিক হিচেনস, স্যাম হ্যারিস...... ব্লা ব্লা", তো নাস্তিকতা নিয়ে তো বলতেই হয়। তাছাড়া মুমিন আস্তিকদের প্রান ভোমড়ার ছটফট কি অন্যেরা বুঝে না? বুঝে ঠিকই। জাফর ইকবাল ঐ প্রান ভোমড়াকেই ঘায়েল করার কথা বিজ্ঞানের ভাষায় বলেন। উচিৎ কথা তিতে লাগবেই। এই ২১ শতকে এসেও যদি ঘ্যানর ঘ্যানর শুনতে হয় এক বাটপার নাকি পাংখ্যাওলা গাধায় চড়ে মহাশুন্যে ভ্রমন করেছেন। তাহলে তো বিজ্ঞান মনস্ক জাফর ইকবালের চড় থাপর থেকেই হবে। হজম করতে শিখুন। তবেই না মুমিনকুল মানুষ হতে পারবে। পারবে না??

১৪ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ১০:১৪

নরাধম বলেছেন: শিবসেনা নাকি বজরং?

৯| ১৪ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ৯:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: ঈশ্বরের কাছ থেকে ক্ষমা পাওয়া যায়। কিন্তু প্রকৃতি কাউকে ক্ষমা করে না। সে কঠিন প্রতিশোধ নেয়।

১৪ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ১০:১৫

নরাধম বলেছেন: প্রকৃতি কি জিনিস? খায় না মাথায় দেয়? সে কেমনে প্রতিশোধ নেয়? ডরাইছি!

১০| ১৪ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ৯:৫২

মোহেবুল্লাহ অয়ন বলেছেন: মানে, আম্লিগ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকার, তাদের কোন বিকল্প নেই, বিম্পি রাজাকারপন্থী এগুলা লিখালিখি করতে গিয়ে বাকিসব অন্যায়, লুটপাট এগুলা এড়িয়ে যাচ্ছে- এটাই বুঝাচ্ছেন?

১৪ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ১০:১৩

নরাধম বলেছেন: কাছাকাছিই।

১১| ১৪ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ১০:২৭

নীলআকা৩৯ বলেছেন: জাফর ইকবালের তো সেরকম কোন সাহিত্য নেই, সব চুরি করা লেখা। এটাই সত্য । আওয়ামী লীগের পা চাটা দালাল । তার প্রধান কাজ হচ্ছে আওয়ামী লীগ যা করবে সেটার সাফাই গাওয়া। হুমায়ুন আহমেদের পরিবারের এটাই একমাত্র কুলান্গার। শাহাজালাল ভাসির্টিতে পড়া সাধারন ছাত্র ছাত্রীদের দের কাছেই জানা যায় কি ধরনের বদমায়েস এই কুলান্গার টা!

১৪ ই মার্চ, ২০১৮ রাত ১১:৪০

নরাধম বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২| ১৪ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ১০:৫২

পদ্ম পুকুর বলেছেন: দীর্ঘদিন পর একটা শক্তিশালী লেখা দেখলাম। তবে ভ্রাতা, আপনি যে পথে গিয়েছেন, তা অতীব স্পর্শকাতর। এই দেশে জাফর ইক্বাল একটা ট্যাবু হয়ে দাড়িয়েছে। আপনি যে সময়ের ব্লগার, আলেকজান্ডার ডেনড্রাইট এর পরিণতি আপনার জানার কথা।

১৪ ই মার্চ, ২০১৮ রাত ১১:৪১

নরাধম বলেছেন: জাফর ইকবালের ভক্তের অভাব নেই। তবে কে কি ভাবল, বা কে লেখা পছন্দ/অপছন্দ করল সেসব নিয়ে মাথা ঘামায় না। ধন্যবাদ আপনাকে।

১৩| ১৪ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ১১:৫২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
বাংলাদেশের গণতন্ত্র, রাষ্ঠ্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ, শিক্ষাব্যবস্থা, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, শেয়ারবাজার, ব্যাংক।

খেলাফতিদের এইসব দিয়া কাম কি?
তারা তো আফটারঅল এসব প্রচলিত গণতন্ত্র, রাষ্ঠ্রীয় কাঠামো বাদ দিয়ে খলিফা ভিত্তিক ইসলামি শাসন ব্যবস্থা চায়।
সেদিন দেখলাম এক জঙ্গি আনসারুল্লা সমর্থকও গনতন্ত্র ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাইছে ...

হাসবো ..?

১৪ ই মার্চ, ২০১৮ রাত ১১:৪৩

নরাধম বলেছেন: বুঝতেই পারছি পোস্টের সাথে প্রাসংগিক কোন কিছু বলার নেই আপনার।

১৪| ১৪ ই মার্চ, ২০১৮ দুপুর ১২:৫২

চাঁদগাজী বলেছেন:



রগ কাটার যন্ত্র কি পকেটে রাখেন সারাক্ষণ?

১৪ ই মার্চ, ২০১৮ রাত ১১:৪২

নরাধম বলেছেন: বুঝতেই পারছি পোস্টের সাথে প্রাসংগিক কোন কিছু বলার নেই আপনার।

১৫| ১৪ ই মার্চ, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৫

রাফা বলেছেন: প্রত্যাবর্তনটা এরকমই করতে হয় মনে হয়।যাহাদের জন্য পোষ্ট উহারা একেকজন আসিয়া দশটি করিয়া কমেন্ট করিয়া আপনাকে ধন্য করিয়া দিবে।এতদিন যাহারা খোয়ারে ছিলো এই পোষ্ট তাহাদের মধ্যে সাহসের সঞ্চয় করিয়া বাহিরে নিয়া আসিতে পারে কিনা ইহাই পরিলক্ষণ করার মত বিষয়। ব্রাভো চালিয়া যান।

১৪ ই মার্চ, ২০১৮ রাত ১১:৪৫

নরাধম বলেছেন: বুঝতেই পারছি পোস্টের সাথে প্রাসংগিক কোন কিছু বলার নেই আপনার।

১৬| ১৪ ই মার্চ, ২০১৮ দুপুর ১:৫৩

আবু তালেব শেখ বলেছেন: সরকারের দালালি করে নাকি জাঃইঃ কাকা?

১৪ ই মার্চ, ২০১৮ রাত ১১:৪৬

নরাধম বলেছেন: গুড কোশ্চেন!

১৭| ১৪ ই মার্চ, ২০১৮ দুপুর ২:৩৬

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: সময়ই বলে দিবে তিনি কিভাবে মূল্যায়িত হবেন।

১৪ ই মার্চ, ২০১৮ রাত ১১:৪৬

নরাধম বলেছেন: তা ঠিক।

১৮| ১৪ ই মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:০৬

সালু সরকার বলেছেন: এর আগেও আপনার পোস্ট পড়েছি , কিন্তু আপনার নামের সাথে পোষ্টে এর বিষয় বস্তু যায় না।
যাক সেসব, জাফর ইকবাল স্যার -উনার প্রতি আপনার এক ধরনের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ( আমার মনে হয়েছে)।
বিভিন্ন পাবলিক ভার্সিটির টিচারেরা (আপনার কথায় এনাইবলার)বেশির ভাগই কোন না কোন নির্দিষ্ট দলের সাথে যুক্ত। আমি এরকম একজনকে চিনি যিনি মুখে বলেন নিরপেক্ষ কিন্তু তা নন। এখন সে এক ভার্সিটির টিচার থেকে অন্য ভার্সিটির(পাবলিক) ভিসি হয়েছেন। কোন দিন তাঁকে দেখিনি বর্তমান কোন সমস্যা নিয়ে কথা বলতে। সবাই সুবিধাবাদী।

১৫ ই মার্চ, ২০১৮ রাত ১২:২২

নরাধম বলেছেন: এটা ঠিক, এক ধরণের অভিমান আছে জাফর ইকবালের প্রতি, একসময় অনেক পছন্দ করতাম তো!
আপনার কমেন্টের বাকি অংশের সাথে একমত।

১৯| ১৪ ই মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৫

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ইকবাল নিয়ে ইন্টারেস্টিং করার কিছু নেই। উনি গালগল্প লিখেন। উনার লিখার আগে অনেকেই তা মুভিতে কিংবা বিদেশি বইয়ে তা পড়ে ফেলেন।

১৫ ই মার্চ, ২০১৮ রাত ১২:২২

নরাধম বলেছেন: ধন্যবাদ।

২০| ১৪ ই মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৩

মাহিরাহি বলেছেন: স্বাধীনতার পর বিশ্বমানের কোন সাহিত্যিক নেই আমাদের।

যারা আমাদের সাহিত্যকে শাসন করছে তারা খুবই অযোগ্য। তাদের কাজ হল মেধার ঘাটতিকে মিডিয়া দিয়ে অতিক্রম করা।

যার ফলে আমাদের পাঠক সমাজও ম্যাচিওরড না।

তাই আমাদের নিউ জেনারেশনের পাঠকরা এই তথাকথিত লেখকদের দ্বারা খুব সহজেই ইমোশনালি প্রতারিত হয়।

নিজের ভেতর থেকে অনুপ্রানিত হয়ে লেখার মান
আর জনপ্রিয়তার জন্য বা অন্য কোন মোহে লেখার মানে আকাশ পাতাল তফাত হয়ে থাকে।

আমাদের দেশের লেখকরা দুকলম লেখতে পারলেই মিডিয়ার সামনে জাকিয়ে বসেন নিজেকে আরো বেশি জনপ্রিয় করার জন্য।

এদের কাছে থেকে নতুন প্রজন্মের পাঠকেরা কোন ধরনের নৈতিকতার পাঠ নিবে বলাই বাহুল্য।




১৫ ই মার্চ, ২০১৮ রাত ১২:২৩

নরাধম বলেছেন: ধন্যবাদ।

২১| ১৫ ই মার্চ, ২০১৮ রাত ২:০৯

কোলড বলেছেন: You just wasted the bandwidth. Jafar Iqbal (sic) is a 3rd rate writer. Once I read one of his Op-ed in response to Zia Haider Rahman's (In the light of what we know) article and I realized where he stood in terms of writing quality.

১৫ ই মার্চ, ২০১৮ রাত ২:৪২

নরাধম বলেছেন: আমি আসলে জাফর ইকবালের সাহিত্যিক হিসেবে সমালোচনা বা মূল্যায়ন করিনি এই পোস্টে।

২২| ১৫ ই মার্চ, ২০১৮ রাত ২:৪৮

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: ভুল সময়ের পোস্ট। পোস্টটি আজ থেকে এক বছর আগে কিংবা এক বছর পরে বস্তুনিষ্ঠ তথ্যসহ লিখলে মানাত। এমন সময়ে লিখলেন যখন ওনার উপর একটি অযৌক্তিক আক্রমণের বেদনা জোরালোভাবে বিদ্যমান। আপনিও হয়তো বুঝতে পারেননি, আপনার পোস্টটিও কারও জন্য intellectual enabler হিসেবে কাজ করতে পারে, আক্রমণটিকে প্রচ্ছন্ন সমর্থন দিতে পারে।

ওনার সাহিত্যের তুলনামূলক আলোচনা করা যেতে পারে। কিন্তু ঢালাওভাবে যে বললেন, ওনার সব লেখা চুরি করা, বস্তুনিষ্ঠ প্রমাণ দিতে পারবেন? একজন শিক্ষকের কাছে এরকম খেলো মন্তব্য অপ্রত্যাশিত।

১৫ ই মার্চ, ২০১৮ ভোর ৪:৩৩

নরাধম বলেছেন: "এমন সময়ে লিখলেন যখন ওনার উপর একটি অযৌক্তিক আক্রমণের বেদনা জোরালোভাবে বিদ্যমান। আপনিও হয়তো বুঝতে পারেননি, আপনার পোস্টটিও কারও জন্য intellectual enabler হিসেবে কাজ করতে পারে, আক্রমণটিকে প্রচ্ছন্ন সমর্থন দিতে পারে।" -- এটা একটা খুবই খেলো যুক্তি। আক্রমণকারীরা আমার লেখা পড়ে আক্রমণ করেনা, আর আমার লেখা পড়লে আক্রমণ আরো না করার কথা, কেননা আমি নিষেধ করছি আক্রমণ করার। তাঁকে এসব আক্রমণ থেকে বাঁচানোর দায়িত্ব সরকারের, যেটা সরকার পালন করছেনা। কেন পালন করছেনা সেটা আপনিও জানেন, আমিও জানি।

ওনার "সব" লেখা চুরি করা সেটা ভুল বলেছি, সেটা ডিলিট করে দিলাম। ওটা কমেন্টে তাৎক্ষনিক মন্তব্য ছিল, তাই ইমপ্রিসাইজ ছিল।
তবে অনেক লেখাই কমবেশি চুরি করা, সেটা আপনি অনলাইনেই পাবেন অনেক প্রমাণ। আমি নিজেও দেখেছি অনেক লেখাই চুরি করা, অনেক সময় চুরির ব্যাপকতা দেখে অবাকই হইছি।

২৩| ১৫ ই মার্চ, ২০১৮ রাত ৩:০১

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: উনি শুধু সাহিত্য নিয়ে পড়ে থাকলে উনার এত সমালোচনা হত না। কিন্তু রাজনীীত নিয়ে লিখতে গিয়ে শুধুই একটা দলের দিকে ঝুঁকে থাকলে যে কেউ নিরপেক্ষতা হারাতে বাধ্য...

১৫ ই মার্চ, ২০১৮ ভোর ৪:৩৫

নরাধম বলেছেন: সেটা ঠিক, তবে সাহিত্যেও ওনি ব্যাপক রাজনীতি করেন, ধার্মিক মুসলমানকে "ইভিল" হিসেবে উপস্থাপন করেন, আর এভাবে একটা ভ্রান্ত ন্যারেটিভ গড়ে তুলেন, যা ইসলামবিদ্বেষী মুসলমানদেরকে ডিহিউম্যানাইজ করার জন্য ব্যবহার করে।

আদতে সব কিছুই রাজনীতি, রাজনীতির বাইরে কোন কিছু নাই।

২৪| ১৫ ই মার্চ, ২০১৮ ভোর ৫:৩৪

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: আমার মন্তব্যে খেলো যুক্তি নেই, কারণ আমি আলাদা কোনো যুক্তি দেইনি। এ পোস্টে আপনার দেয়া যুক্তিটিকেই ফিরিয়ে দিয়েছি কেবল। আমি বোঝার চেষ্টা করেছি, পুরো পোস্টে আপনার যুক্তির সপক্ষে উদাহরণ কী। উদাহরণ পাইনি, পেয়েছি উপসংহার। আপনি লিখেছেন, নিজে অন্যায় সমর্থন না করলেও অপরিসীম অন্যায়ের বুদ্ধিবৃত্তিক সমর্থন দেন তিনি । এটি আপনার নিজস্ব উপলব্ধি। নিজের উপলব্ধির ব্যাপারে অন্যকে কনভিন্সড করতে আপনার দরকার উদাহরণ দেয়া, উপসংহার নয়।

আপনার পোস্ট পড়ে যেমন কারো উচিত জাফর ইকবালকে আক্রমণ না করা, জাফর ইকবালের লেখা পড়েও কারও উচিত নয় তার রাজনৈতিক বিশ্বাসকে সবসময় যথার্থ মনে করা কিংবা বিপরীতে তাঁকে শারীরিক আক্রমণ করা। কিন্তু দেখুন, আক্রমণ হয়েই যায়। কেন? কারণ একেক জনের যুক্তি নেয়ার ক্ষমতা একেক রকম। তাই একজন শিক্ষিত মানুষ হিসেবে, পোস্টের লেখক হিসেবে, আপনার উচিত ছিল উদাহরণ প্রদান করা, তথ্য দেয়া, তাতে লেখার ব্যাপারে নিজের কাছে অন্তত সৎ থাকতে পারতেন, পাঠকে যেভাবেই আপনার লেখা নিক না কেন।

আলোচনা চলছে আপনার সঙ্গে। অনলাইনে প্রমাণ পাব, এটি কোন প্রমাণ বা উদাহরণ হতে পারে না, তা সে বুদ্ধিবৃত্তিক অন্যায় হোক বা প্ল্যাজারিজমসংক্রান্তই হোক।

১৫ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ৭:০৫

নরাধম বলেছেন: গুগলে "জাফর ইকবাল লেখাচুরি" এটা লিখে সার্চ দেন, তাহলে অনেক প্রমাণ পাবেন। অনেকগুলোই মুভি থেকে নেওয়া কাহিনী নিজে নাম-স্থান বদল করে, সামান্য কিছু পরোক্ষ পরিবর্তন এনে, কিন্তু মূলকাহিনী অক্ষুন্ন রেখে নিজের নামে চালিয়ে দিছেন, এসব যে অন্যের কাহিনী দ্বারা ইন্সপায়ারড সেটা কোথাও স্বীকার করেন নি। অথচ সেবা প্রকাশনীও লিখে সেরকম, কিন্তু তারা বিদেশী কাহিনী থেকে ইন্সপায়ারড সেটা স্বীকার করে নেয়।

তবে এ বিষয়টা পোস্টের সাথে তেমন প্রাসংগিক না, কেননা পোস্টে আমি জাফর ইকবাল যে ইন্টেলেকচুয়াল এনেইবলার হিসেবে কাজ করছে, সেটা নিয়ে লিখেছি, তাঁর লেখাচুরি নিয়ে কিছুই লিখিনি। সেটা এসেছে অন্য একজনের কমেন্টের প্রতিউত্তরে।

আর আপনি বলেছেন, "এমন সময়ে লিখলেন যখন ওনার উপর একটি অযৌক্তিক আক্রমণের বেদনা জোরালোভাবে বিদ্যমান। আপনিও হয়তো বুঝতে পারেননি, আপনার পোস্টটিও কারও জন্য intellectual enabler হিসেবে কাজ করতে পারে, আক্রমণটিকে প্রচ্ছন্ন সমর্থন দিতে পারে।"

সেটার প্রতিউত্তরে আমার কমেন্ট, "আক্রমণকারীরা আমার লেখা পড়ে আক্রমণ করেনা, আর আমার লেখা পড়লে আক্রমণ আরো না করার কথা, কেননা আমি নিষেধ করছি আক্রমণ করার। তাঁকে এসব আক্রমণ থেকে বাঁচানোর দায়িত্ব সরকারের, যেটা সরকার পালন করছেনা। কেন পালন করছেনা সেটা আপনিও জানেন, আমিও জানি।"


আপনি কি পোস্টের সারমর্মটা বুঝেছেন? জাফর ইকবাল সরকারের অপররিসীম অন্যায়, অত্যাচার, ডাকাতিকে "চেতনাপন্থী" সরকার বলে বুদ্ধিবৃত্তিক বৈধতা দেয়, সেটা ইচ্ছেকৃত কিনা জানিনা, কিন্তু দেয় সেটা সত্য। একই কাজগুলো যদি চেতনাবিরোধী সরকার করত, তাহলে সেটা নিয়ে জাফর ইকবাল অনেক বেশি সোচ্চার হতেন। ইন্টেলেকচুয়াল বৈধতা সরাসরি এসব অন্যায়ের পক্ষে বলে দিচ্ছেন সেটা না, বরং সিলেক্টিভ সাইলেন্সের মাধ্যমে। আর এরকম ধারণা দিয়ে যে চেতনার সরকার কিছু করলেও সেটা খারাপ হতে পারে, কিন্তু তবুও সবকিছু শেষ পর্যন্ত মেনে নিতে হবে কেননা এরটা চেতনার সরকার সেটাকে ইম্প্লাই করে। গণতন্ত্র হত্যা নিয়ে জাফর ইকবালের কোনই প্রতিবাদ নেই, কেননা গণতন্ত্র থাকলে তার চেতনাবাদীি সরকার ক্ষমতা থেকে সরে যেতে হবে, আসবে চেতনাবিরোধী সরকার, যেটা জাফর ইকবালের পছন্দ না। তাই গণতন্ত্র যাক, বিচারব্যবস্থা যাক, অভূতপূর্ব ডাকাতি থাকুক, দুর্বৃত্তের শাসন চলুক, ব্যাংক ডাকাতি হোক, শেয়ারবাজার ডাকাতি হোক, শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস হোক, স্বাধীনতা/সার্বভৌমত্ব ভারতের কাছে গচ্ছা যাক, কোন কিছুতেই তাঁর বা তাঁর ভক্তদের কোন কিছু যায় আসেনা, কেননা চেতনার সরকারের ক্ষমতায় থাকা এসব অপরিসীম অন্যায় থেকেও বেশি গুরুত্বপুর্ণ। সেটা তারা ইম্প্লাই করে সিলেক্টিভ সমালোচনার মাধ্যমে।




১৫ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ৭:১২

নরাধম বলেছেন: লেখাচুরি নিয়ে ইসলামবিদ্বেষী ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিনের পোস্ট:

https://www.facebook.com/atheist.asif/posts/604056016308497


আসিফ মহিউদ্দিনকে আমার পছন্দ না, কিন্তু তার লেখার লিংক দিচ্ছি এজন্য যে এটা "জামাতিদের" প্রপাগান্ডা বলতে পারবেন না। আড় আসিফ নিজেও লেখাচোর, তাই সে লেখাচুরির ব্যাপারে এক্সপার্ট।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.