নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আপাতত থাক, পরে এসে লিখব।

ফারিহা নোভা

আজ রাতে স্বপ্নেরা ভেঙ্গেছে বাঁধ, মুগ্ধতার আকাশে তাই একফালি চাঁদ।

ফারিহা নোভা › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিদেশে পড়তে যাবার আগে কি করবেন কিভাবে শুরু করবেন

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:০৪




বর্তমান সময়ে বিদেশে পড়তে যাওয়া তেমন কোন জটিল বিষয় না, যদিও অনেকের কাছে সব সময় সব কিছুই জটিল মনে হয়। যাই হোক সে কথায় যাচ্ছিনা। বিদেশে পড়তে যাবার আগে কিভাবে শুরু করবেন কি পরিকল্পনা করবেন ভেবে কুল পাচ্ছেন না। এমনটাই হবার কথা।

তাই যে সেব বিষয় মাথায় নিয়ে সামনে এগোবেনঃ

১। বিদেশ যাবার কথা একবার মাথায় ঢুকে গেলে সেটা থেকে বের হওয়া অনেক কঠিন। সবার আগে যা করবেন সাথে সাথে একটা পাসপোর্ট করে নিবেন। এমন অনেককেই দেখেছি পরিকল্পনা করতে করতেই দিন পার করে পাসপোর্ট তৈরি করতে দিয়েছে পাসপোর্ট হাতে কিন্তু সেশন শেষ- ৬ মাসের ধাক্কা।

২। আই ই এল টি এস – এটা সবার কাছে একটা ভয়ের কারণ, জানিনা কোন দিক থেকে এটা এত ঝামেলার। যাই হোক নিজেকে তৈরি করে করতে বড়জোর ২/১ মাস সময় লাগবে। একটা টার্গেট রেডি করে শুরু করুন দেখবেন সব ইজি হয়ে গেছে।

ব্যাচেলর লেভেলের জন্য ৫.৫-৬.০ আর মাস্টার্স এর জন্য ৬.০+ মিনিমাম

৩। কোন দেশে যাবেনঃ সব সময় নিজের যোগ্যতার দিকে খেয়াল করবেন। এটা হচ্ছে আপনার একাডেমিক রেজাল্ট আর ফাইন্যান্সিয়াল কন্ডিশন। কারণ একেক দেশে একেক রকম ডিমান্ড থাকে। স্বপ্ন আর বাস্তবতা ভিন্ন ব্যাপার অনেকেই আছেন যারা যে দেশের জন্য যোগ্য না সে দেশের জন্য আপ্রাণ ট্রাই করতে থাকেন। অর্থ সময় পুরোটাই বৃথা যায়। তার চেয়ে ভাল হয় যদি আপনার লেভেল থেকে একটু নিচে নামেন, দেখা যাবে এটাই আপনার লক্ষ্যে পৌছার রাস্তা বানিয়ে দিবে অনেক সহজে।

৪। ব্যাংক একাউন্টঃ আপনার অথবা ফ্যামিলি মেম্বারদের কারো ব্যাংক একাউন্ট অবশ্যই থাকা উচিত, সবচেয়ে ভাল হয় আপনার ব্যাক্তিগত একাউন্ট থাকলে। সব এম্বেসি মিনিমাম ৩ মাসের স্টেটমেন্ট চায়, তবে সেটা ৬ মাসের দিলে সবচেয়ে ভাল। আর অবশ্যই একটিভ একাউন্ট হওয়া ভাল। ব্যালেন্সড ট্রানজেকশন থাকা উচিত যা আপনার গ্রহণযোগ্য ফাইন্যান্সিয়াল অবস্থা নির্ধারণ করে।

৫। একাডেমিক ডকুমেন্টসঃ আপনার সব ডকুমেন্টস মিনিস্ট্রি এটাস্টেড করে রাখুন, অবশ্যই ২/৩ সেট করে। আর সব ডকুমেন্টস এর সফট কপি মেইলে সেভ করে রাখুন এবং ছবিও।

৬। ইন্ডিয়ান ভিসাঃ আপনার কাঙ্খিত দেশের এম্বেসি যদি ইন্ডিয়াতে হয় তাহলে আগে থেকেই ইন্ডিয়ার ভিসা করে রাখুন। সে ক্ষেত্রে ট্যুরিস্ট ভিসা করলেই হবে।

৭। এম্বসেসির এপয়েন্টমেন্ট ডেটঃ যেহেতু এখন ভিসা আবেদনকারীর সংখ্যা অনেক বেড়ে গিয়েছে তাই সবার আগে খেয়াল রাখবেন ডেট পাবার বিষয়টা।

৮। ডেডলাইনঃ কখনোই শেষ সময়ে গিয়ে ইউনিভার্সিটিতে এপ্লাই করবেন না, কারণ এপ্লিকেশন প্রসেস বেশ সময় সাপেক্ষ। এপ্লিকেশন স্টার্ট হবার সাথে সাথে এপ্লাই করাই ভাল। হাতে সময় পাবেন সব কিছু ভাল ভাবে গোছানোর জন্য। সেপ্টেম্বর সেশনের জন্য এপ্রিল/মে থেকেই এপ্লিকেশন শুরু হয়ে যায়। আর ফেব্রুয়ারি সেশনের জন্য অক্টোবর থেকে।

৯। স্টুডেন্ট ফাইল বা ব্যাংক একাউন্টঃ সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক বা ব্রাক ব্যাংকে একটা খুলে রাখুন আগে থেকেই। যাতে আপনার এপ্লিকেশন ফি টিউশন ফি পাঠাতে কোন সমস্যা না হয়। এপ্লিকেশন ফি পাঠাতে স্টুডেন্ট ফাইল না খুললেও হয়। তবে টিউশন ফি পাঠাতে খুলতে হয়।

১০। ইউনিভার্সিটিঃ যে ইউনিভার্সিটি তে এপ্লাই করবেন তার ইন্টারন্যাশনাল কো-অরডিনেটর এর সাথে ভাল যোগাযোগ রাখুন তাহলে অনেক ক্ষেত্রে এডমিশন পেতে সুবিধা হবে। রিলিভেন্ট সাবজেক্টে এপ্লাই করা উচিত। তাতে এডমিশন পেতে সুবিধা হয়।

১১। ভাষাঃ ভাষা শেখার একটা পরিকল্পনা আগে থেকেই রাখবেন, কারণ ইউরোপের প্রায় সব দেশই আলাদা আলাদা ভাষা। ইংরেজির উপর ভরসা করে শুধু স্টাডি করতে পারেন, কিন্তু কাজের জন্য অবশ্যই চলার মত ভাষা জানাটা জরুরী।

১২। শুধু মাত্র একটা দেশ ফিক্স করা উচিত না, কমপক্ষে দুইটা দেশে এপ্লাই করুন অথবা ২ টা ইউনিভার্সিটি চয়েজ করুন। এমন অনেকেই আছেন একটা ইউনি তে এপ্লাই করে ৩/৪ মাস ওয়েট করে শেষ পর্যন্ত হয়নি, পুরো সেশন মিস। তাই একটা অল্টারনেটিভ রাখা ভাল।

১৩। যে সাবজেক্টে পড়তে যাবেন আগে থেকেই তার একটা মোটিভেশন লেটার লিখে রাখুন, যা আপনার এডমিশন ও ভিসা ইন্টারভিউ দুই জায়গাতেই কাজে লাগবে।

১৪। যে দেশে যাবার পরিকল্পনা নিবেন সে দেশ সম্পর্কে অনলাইনে খোঁজ নিন, ইউটিউবে ভিডিও দেখুন, অনলাইন গ্রুপ থাকলে সেখানে এড করেন নিজেকে। যত বেশি জানবেন তত আপনার কনফিডেন্স বাড়বে।


পরিশেষে বলা যায় সব কিছু ভেবে চিন্তে আগানো উচিত। আপনার সামান্য ভুল অনেক বড় একটা স্বপ্নের পরিসমাপ্তির কারণ হতে পারে।
ছবিঃ ইন্টারনেট

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১:১৮

প্রামানিক বলেছেন: পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৪৫

ফারিহা নোভা বলেছেন: শুভ কামনা রইল।

২| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১:৫৮

অভিমানী স্বপ্নচারী বলেছেন: আমার জার্মানীতে ব্যাচেলর করার ইচ্ছা আছে।যদিও আপনার পরামর্শগুলো প্রাথমিক প্রস্তুতির জন্যে।তবুও দিকনির্দেশনার জন্যে ধন্যবাদ

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৪৬

ফারিহা নোভা বলেছেন: মন্তব্য ও পাঠের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৩| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: লেখা পড়ার পাট শেষ।
চাকরি করতে গেলে কি করতে হবে?

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৪৬

ফারিহা নোভা বলেছেন: জব ভিসার জন্য এপ্লাই করতে হবে।

৪| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৪৯

নতুন বলেছেন: কোন দেশে পড়তে যাবেন সেটা ঠিক করতে হবে আগে...

আর সেটা ঠিক করার জন্য দেখতে হবে কোন দেশে আপনি পড়াশুনা শেষে কাজ করতে পারবেন এবং পিআর পেতে পারেন সেটা।

কারন দেশে ফিরে আসলে আবার বাইরে যাওয়া খুবই ঝামেলার বিষয়।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:০০

ফারিহা নোভা বলেছেন: আমার মনে হয় পিআর এর আগে আপনার ভিসা হবার সম্ভাবনা যে দেশে বেশি সেদিকে নজর দেয়া ভাল।

৫| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:১২

নতুন বলেছেন: আপনি যখন বিদেশে পড়তে যাবেন তখন পিআর অপসনটা যেন থাকে সেটা হিসাব করেই যাওয়া উচিত।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:২৬

ফারিহা নোভা বলেছেন: আমি পিআর অপশন ছাড়াই আছি হাঙ্গেরিতে। এখানে পিআর পেতে মিনিমাম ৮ বছর থাকা লাগে। অন্যান্য দেশে আরও তাড়াতাড়ি পাওয়া যায়।

৬| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৪৩

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:


বিদেশে গিয়ে পড়া যায় সেটাই বুঝছি না।

৭| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৫

নতুন বলেছেন: আপনি হাঙ্গেরীতে আছেন তার মানে তারা পড়াশুনার পরে আপনাকে কাজের অনুমতি দিয়েছে...

আমি এটাই আসলে বলতে চেয়েছি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.