নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

{♥ যদি কখনো নিজেকে একা ভাবো, তাহলে ঐ দূর আকাশের অসীম সীমান্তের দিকে তাকিয়ে থাকো! কখনো নিরাশ হয়ে যেও না! হয়তো বা একটা বাজপাখিও তোমার দিকে উড়ে আসতে পারে! ♥}

সাহসী সন্তান

আমাকে তোর ভালোবাসার দরকার নেই। শুধু পাশে থেকে একটু সাহস যোগাস, দেখবি তখন ভালোবাসাটা এমনিতেই চলে আসবে!!

সাহসী সন্তান › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমি গর্বিত এইজন্য যে, আমাকে কখনো কোটার খোটা খাইতে হয় নাই...

১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:২৫


আমার বাবার জন্ম ১৯৬৬ সালের মে মাসে। মুক্তিযুদ্ধের পূর্বে বাবার বয়স ছিল মাত্র পাঁচ কি সাড়ে পাঁচ বছর। সুতরাং বাবা যে কোন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না সেটা খুব সহজেই অনুমান করা যায়। যদিও মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তির বয়স তখন ঠিক কত ছিল সেটা আমার সঠিকভাবে জানা নাই।

বাবা ছিলেন দাদার ছেলেদের মধ্যে পঞ্চম নাম্বার সন্তান। আর ছেলে মেয়ে মিলিয়ে সপ্তম। বাবার ছোট এখনো একটা ভাই এবং একটা বোন আছে। তবে বাবা মুক্তিযোদ্ধা না হলেও আমার বড় দুই চাচা ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তারা ৯ নং সেক্টরে মেজর এম. এ. জলিলের নেতৃত্বে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। আমার ব্যক্তিজীবনে মুক্তিযুদ্ধের যত ইতিহাস জানা, তার প্রায় সবই এই দুই চাচার কাছ থেকে। উনারা দু'জনেই আমাকে খুব ভালোবাসতেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল, আমার বড় চাচা এখন আর এই পৃথিবীতে বেঁচে নেই!

তবে মেঝো চাচা এখনো পর্যন্ত জীবিত। মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কর্নেল আতাউল গনী ওসমানী কর্তৃক স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট তার ঘরে আমি নিজে দেখেছি। মেঝো কাকু যখন আমাদেরকে মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনাতেন, তখন গর্ব করে বলতেন, 'তোরা হয়তো জানিস না! আমার সাহসীকতায় খুশি হয়ে আমাদের কমান্ডার আমাকে তার ব্যবহৃত একটা মাফলার উপহার দিয়েছিলেন।'

বলে সেই মাফলারটাও তিনি আমাদেরকে দেখাতেন। কিন্তু মজার বিষয়টা কি জানেন? আমার মেঝো চাচা ছিলেন একজন হুজুর। মানে মাওলানা আরকি! তৎকালিন সময়ে আমাদের গ্রামের স্থানীয় মাদ্রাসার একজন সদ্য নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন তিনি। এবং পরবর্তিতে অবশ্য সেই মাদ্রাসার প্রিন্সিপালও হয়ে গিয়েছিলেন। সত্যি বলতে, একজন হুজুর মানুষ যে রাইফেল কাঁধে যুদ্ধ করতে পারে (!) সেটা আমি আমার চাচাকে না দেখলে হয়তো কখনোই বিশ্বাস করতাম না! আমি ভাবতাম, হুজুর মানুষ হবে নরম শরম। এবং অন্যদের থেকে তাদের মন মানসিকতা যে ভিন্ন হবে এটা হল প্রাকৃতিক নিয়ম। অথচ আমার মেঝো চাচা ছিলেন ঠিক তার বিপরিত। প্রচন্ড মেজাজি আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন।

তবে চাচার যে গুণটা দেখে আমার সব থেকে বেশি আশ্চর্য লাগে তা হল, উনার ঘরে মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট থাকা সত্বেও তাকে আমি কখনো মুক্তিযুদ্ধের সুবিধা ভোগ করতে দেখিনি। কেন (?) জিজ্ঞেস করলে বলেন, 'এই দু'টাকার ভাতা আর পেনশন খাওয়ার জন্য আমরা যুদ্ধ করি নাই। আমরা যুদ্ধ করেছি নিজেদের নায্য অধিকার প্রাপ্তির আশায়!'

যদিও সেটা পেয়েছে কিনা জিজ্ঞাসা করে আমি আজ পর্যন্ত তার কাছ থেকে কোন প্রতিউত্তর পাই নাই। তবে বর্তমানে তার নামে যে ভাতা আসে, তার পুরোটাই ভোগ করেন আমাদেরই পাশের গ্রামের হতদরিদ্র মরিয়ম নামের এক বুড়ি মহিলা। যাকে আদর করে আমরা ভদি দাদী বলে ডাকি। এই ভদি শব্দটা নিয়ে আসলে এইখানে হালকা একটু কপচানো দরকার। কারণ তা না হলে শব্দটার অশ্লিলতা নিয়ে অনেকেই হয়তো প্রশ্ন তুলতে পারেন। আসলে আমাদের অঞ্চলে ছোট থাকতে কেউ যদি শরীর স্বাস্থ্যের দিক থেকে একটু বেশি পরিমাণে নাদুশ নুদুশ থাকতো, তাহলে তাকে আদর করে সবাই ভদি বলে ডাকতো। সুতরাং এখন নিশ্চই বুঝতে পারছেন, মরিয়ম দাদীকে কেন সবাই ভদি বলে ডাকে?

সে যাহোক! তো আমি একবার কৌতুহল বশত আমার মেঝো চাচাকে জিজ্ঞাসা করছিলাম; 'চাচা আপনার প্রাপ্য অধিকার আপনি নিজে ভোগ না করে কেন ভদি দাদীকে সব দিয়ে দেন?'

জবাবে চাচার কাছ থেকে যেটা জানলাম সেটা ট্রাজেডিক কিনা জানি না, তবে রোমহর্ষক তো বটেই। ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে চাচা তার ফিল্ড কমান্ডারের কাছ থেকে দুই দিনের ছুটি নিয়ে গ্রামে আসছিলেন বাবা মায়ের মুখটা দেখার জন্য। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস! শহর পেরিয়ে গ্রামে প্রবেশ করতেই তিনি পড়ে যান পাক বাহিনীর খপ্পরে। পাক বাহিনী সেদিন গ্রামের প্রত্যেকটা ঘরে ঘরে তল্লাশি চালিয়ে সামর্থ্যবান সকল পুরুষকে ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযানে নেমেছে। চাচা পাক বাহিনীর হাতে ধরা পড়ার ভয়ে তাদের কাছ থেকে পালাতে গিয়ে দূর্ভাগ্যক্রমে ডান পায়ে গুলি খান। কিন্তু গুলি খাওয়ার পরেও তিনি না থেমে বরং প্রাণের ভয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে কোন রকমে পাশের গ্রামের একটা কাঁটা ঝোঁপের আড়ালে লুকিয়ে পড়েন।

ঠিক তখনই তার প্রচন্ড রকমের পানির পিপাসা পায়! একদিকে কাঁটা ঝোঁপে কাঁটার খোঁচা, অন্যদিকে তীব্র পানির পিপাসা! তাছাড়া পায়ের ক্ষতস্থান থেকে অনবরত রক্তপাতে তিনি ক্রমশ্য দূর্বল হয়ে পড়ছিলেন। এমতাবস্থায় এইখানে পড়ে থাকলে নিশ্চিৎ মৃত্যু জেনে তিনি পিপাসিত শরীর নিয়ে খোঁড়া পা'টাকে টানতে টানতে কোন রকমে একটা বাড়ির দরজায় এসে করাঘাত করেন। কিন্তু ভিতর থেকে কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে পরে টলতে টলতে ঐ ভদি দাদীর জীর্ণ কুঠিরের সামনে এসেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। দাদী সম্ভবত তখন কুপি বাতি নিভিয়ে শোয়ার আয়োজন করছিলেন। কিন্তু ভিতর থেকে হঠাৎ ধপাস শব্দ শুনে দরজা খুলে বাইরে এসে দেখেন, তার দরজার সামনে একজন মানুষ উপুড় হয়ে পড়ে আছে! যার শরীর থেকে প্রচুর রক্ত বের হয়ে তার দরজার সামনেটা প্রায় ভিজিয়ে দিয়েছে!

এত রক্তক্ষরণ দেখে দাদী প্রথমে ভাবছিলেন লোকটা হয়তো মরেই গেছে। তবে কিছুটা পরীক্ষা নিরিক্ষা করে তিনি বুঝতে পারলেন যে, না মরে নাই! জ্ঞান হারা হইছে। দাদী ছিলেন কিছুটা কবিরাজ টাইপের। একা নির্ভেজাল মানুষ! যতদূর জানি, গ্রামে উনার আপন বলতে কেউ ছিল না। ঐ কবিরাজী করে আর পরের বাড়িতে খেটেখুটে তার কোনরকমে কষ্টে সষ্টে দিন চলে যেত। তো দাদী উপুড় হয়ে পড়ে থাকা আমার মেঝো চাচাকে চিৎ করে শুইয়ে দিতেই তৎক্ষনাত তাকে চিনতে পারেন। সাথে সাথে তিনি চাচাকে টেনে হিচড়ে ঘরের ভিতরে নিয়ে সামান্য সেবা সুশ্রুষা করতেই চাচার জ্ঞান ফিরে আসে। তখন দাদী চাচাকে কিছু ভাত আর ডাল খেতে দিয়ে দরজার সামনে বসে থাকেন বঁটি নিয়ে। যদি কেউ এসে দরজায় টোকা দেয়, সাথে সাথে তাকে জবাই করে দেবেন!

চাচার খাওয়া শেষ হলে তাকে ঘরের মধ্যে শোয়ার ব্যবস্থা করে দিয়ে তিনি দরজা বাইরে থেকে তালা দিয়ে ঐ রাত্রেই হ্যারিকেন নিয়ে বেরিয়ে যান আমাদের বাড়িতে খবর দিতে। তারপর আমাদের বাড়ি থেকে লোকজন এসে চাচাকে সেই রাত্রেই বাড়িতে নিয়ে যায়।

চাচা মনে করেন, তিনি যদি মুক্তিযোদ্ধা হন; তাহলে তার ভদি চাচীও একজন মুক্তিযোদ্ধা। তারও মুক্তিযুদ্ধের ভাতা পাওয়ার অধিকার আছে। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, দাদী বয়স্ক ভাতা বাবদ সামান্য কিছু টাকা ছাড়া আর কিছুই পান না। আর সেজন্যই আমার চাচা তার মুক্তিযুদ্ধে প্রাপ্য ভাতা বাবদ যাবতীয় সুযোগ সুবিধা সব ঐ দাদীকে দিয়ে দেন। চাচা মনে করেন, এই ভাতা তার থেকে তার চাচীরই সব থেকে বেশি প্রাপ্য!

তবে আমি বড় দুই চাচার গর্বিত মুখের কথা চিন্তা করে মাঝে মাঝে বাবার উপরে রাগ করে বলি, 'আচ্ছা বাবা, তুমি যুদ্ধে যাও নাই কেন বলতো?'

আমার কথা শুনে বাবা বিস্ময় মাখা কণ্ঠে বলেন, 'বলিস কিরে! পাঁচ বছর বয়সে কি যুদ্ধ করবো? তোর ভাল ভাবে কথা ফুঁটতেই তো পাঁচ বছর লেগে গিয়েছিল!'

বাবার কথা শুনে আমি লজ্জা পাই। যদিও আমি জানি, বাবা একদম ঠিক কথাটাই বলেছেন! মাত্র পাঁচ বছর বয়সে একটা বাচ্চা হয়তো সবেমাত্র অ=তে অজগর আসছে তেড়ে, আ=তে আমটি আমি খাব পেড়ে পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে! তবে তার দ্বারা যুদ্ধ (?) অসম্ভব!

তবে বাবা যুদ্ধ না করলেও তিনি যুদ্ধ পরবর্তি এই দেশের একজন গর্বিত সৈনিক ছিলেন। প্রায় চব্বিশ থেকে পঁচিশ বছর তিনি এই দেশের জন্য ছিলেন একজন নিবেদিত প্রাণ মানুষ। দেশের প্রয়োজনে পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে গিয়ে নিজের জীবনবাজি রাখতে ছিলেন দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমি কুমিল্লার ময়নামতি ক্যান্টনমেন্টে থাকাকালীন সময়ে দেখেছি, কেবলমাত্র সৎ আর সাহসীকতার জন্য অনেক বড় বড় অফিসারও বাবাকে যথেষ্ট স্নেহ করতো। বাবাও তাদেরকে খুবই সম্মান করতেন। যদিও আমার বাবা কোন বড় মাপের কমিশন্ড অফিসার ছিলেন না। ছিলেন একজন সামান্য নন কমিশন্ড অফিসার। তবে বাবা যুদ্ধ করতে না পারলেও আমি যে একজন গর্বিত সৈনিকের সন্তান, সেজন্যও মনে মনে গর্ব অনুভব করি!

আমার বাবার মোট তিনজন সন্তান। দুইটা ছেলে আর একটা মেয়ে। বাবার তিন সন্তানের মধ্যে আমিই সবার বড়! মেঝো বোন শান্তা, এবার অনার্স ফাস্ট ইয়ারের ছাত্রী! আর ছোটভাই সীমান্ত পড়ে ক্লাস সেভেনে। ছোট বোন পিচ্চি থাকা অবস্থায় দেখতে একটু বেশি সুন্দরী হওয়ায় আমার এক দূর সম্পর্কের দাদী ওকে আদর করে পরী বলে ডাকতো। সেই পরী ডাক পরে এতটাই জনপ্রিয়তা পায় যে, পরবর্তিতে ঐটাই তার ডাক নাম হিসাবে ফিক্সড হয়ে যায়। আমি কোথায় যেন পড়েছিলাম, পৃথিবীতে জন্মগ্রহণকারী শিশুদের মধ্যে ছেলে শিশুদের তুলনায় মেয়ে শিশুরা সব সময় একটু বেশি কিউট হয়! কেন হয় জানি না, তবে হয় যে এটা জানি। এবার একটা মজার কথা বলি? সত্যি বলতে, আমি নিজেও মনে মনে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি- 'হে আল্লাহ, বিয়ের পরে আমার প্রথম সন্তানটা যেন মেয়ে হয়!' :P

ধুর, কি বলতে কি বলছি। ধান ভানতে শিবের গীত গাওয়াটা বোধহয় ঠিক হচ্ছে না! এবার কাজের কথায় আসা যাক। গতকাল অফিসে কাজ না থাকায় বসে বসে ফেসবুকের "কোটা সংস্কার চাই" নামক পেজটাতে ক্রলিং করে করে কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সাহসী ভাই বোনদের বীরত্ব গাঁথা কাহিনী গুলো পড়ছিলাম। এমন সময় ছোট বোন শান্তা ফোন করে আমাকে কোন কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে বেশ সাহসী গলায় বলল-

'ভাইয়া, চলমান এই যৌক্তিক কোটা সংস্কার আন্দোলনে সরাসরি অংশগ্রহণ করার জন্য আমি চললাম ফিল্ডে! পারলে তোরা কিছু করিস! আমরা দেখতে চাই, তোদের আর তোদের সরকারের পোষ্য বাহিনীর অস্ত্রের কত ধার!'

প্রায় ঝড়ের বেগে কথাগুলো বলে সে আমার প্রতিউত্তরের অপেক্ষা না করেই ফোনটা কেটে দিলো। আকস্মিক এই ঝড়ের কবলে পড়ে আমি তখনও প্রায় স্তম্ভিত হয়ে বসে আছি। পরে কিছুটা ধাতস্থ হয়ে ওকে আবারও ফোন দিলাম। কিন্তু ওপাশ থেকে কোন সাড় শব্দ না পেয়ে পরবর্তিতে বাড়িতে ফোন দিয়ে বিস্তারিত জানলাম...

সত্যি বলতে আমাদের দুই ভাইয়ের মাঝখানে ঐ-ই একমাত্র বোন হওয়ায় বাবা মা সহ আমাদের পরিবারের সবাই ওকে একটু বেশি আদর করে। আমার খুব ভাল রকম মনে আছে, ছোট থাকতে ও এতটাই ভীতু ছিল যে আমাকে রোজ বাইকের পিছনে করে ওকে স্কুলে নামিয়ে দিয়ে আসতে হতো। যদিও আমাদের দিকে তখন বাচ্চাদের সাথে অভিভাবক যাওয়ার কোন রীতি প্রচলিত ছিল না। তবে আমি যেতাম! কারণ ঐ যে বললাম, ও ছিল একটু বেশি পরিমাণে ভীতু আর অতি আদরের। তাছাড়া বাইক থেকে নামার সাথে সাথে প্রায় প্রতিদিনই সহপাঠীদের বিরুদ্ধে ওর অভিযোগ শুনতে শুনতে আমি সত্যিই টায়ার্ড হয়ে যেতাম।

কোনদিন কেউ হয়তো ওর জামা ছিড়ে দিছে। কেউ বা কলম কেড়ে নিছে। কেউ হয়তো ওর বসা বেঞ্চ দখল করে নিজে বসে আছে ইত্যাদি ইত্যাদি হাজার রকমের অভিযোগ। আর প্রতিদিনই স্কুলে গিয়ে আমাকেই সেগুলোর সমাধান করে দিয়ে আসা লাগতো। অথচ ও নিজের থেকে কাওকে কিচ্ছু বলতো না।

আমি নিজে দেখেছি, অতিরিক্ত রান্না বান্নার চাপ না থাকলে আম্মা কখনোই ওকে চুলার পাশে যাইতে দিতো না। পাছে চুলার উত্তাপে তার আদরের মেয়ের কোন স্কিন প্রবলেম দেখা দেয়! সেটা নিয়ে আমাদের দু'ভাইয়ের অবশ্য ক্ষোভের কোন সীমা ছিল না। তাছাড়া পথে ঘাটে বখাটেরা উত্তক্ত করে কিনা সেই ভয়ে বাবা সার্বক্ষণ যাকে চোখে চোখে রাখতো।

আমার সেই সহজ সরল বোনটাও আজ যখন বারুদের মত জ্বলে উঠে স্বশরীরে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করার কথা বলে, তখন খুব ইচ্ছা করে আমিও ওর পাশে দাঁড়িয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে ওকে সাহস দিয়ে বলি, 'যা বোন! আমি তোর ভাই, তোর পিছনে আছি! দেখি তোদের কে কি বলে!'

কিন্তু চাইলেও আসলে সব কিছু করা যায় না! আমি একজন সরকারি চাকুরিজীবি। এখান থেকে চাইলেই আমি সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বলতে পারি না। আমি যদি কোন বিষয়ে সরকারকে কোন পরামর্শ প্রদানের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি, তাহলে অবশ্যই সেটা অফিসিয়াল নীতিমালা মেনেই করতে হবে। তা না হলে আমি নীতিমালার বাইরে যাই করি না কেন, সেটা রাষ্ট্রদ্রোহীতার সামিল বলে গন্য হবে। এবং তৎক্ষনাত আমার নামের সামনে পিছনে বিদ্রোহী ট্যাগ লেগে যাবে। হোক সেটা যৌক্তিক অথবা অযৌক্তিক। সুতরাং এই জায়গায় বসে বোনের জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে চোখের পানি ফেলে দোয়া করা ছাড়া আসলে আমার আর কিছু করার নাই!

তবে এর বাইরে আমার আরো একটা পরিচয় আছে। আমি একজন মানুষ! আর এটাই আমার সব থেকে বড় পরিচয়! একজন বিবেক সম্পন্ন মানুষ হয়ে দেশের মধ্যে চলমান এই কোটা সংস্কার নামক যৌক্তিক আন্দোলনকে সাপোর্ট না করার মত এতটা মনুষত্বহীন হয়তো এখনো হয়ে উঠতে পারি নাই। আর তাই আমি একজন সরকারি চাকরিজীবি হিসেবে নয়। বরং একজন সাধারন মানুষ হিসাবে, এক বোনের ভাই হিসাবে বলতে পারি-

'মন খারাপ করিস না বোন! সাথে নেই তো কি হইছে। একজন ভাই হিসাবে আমি সব সময় তোর পাশে আছি। তুই এগিয়ে যা বোন! আমি দূর থেকে তোকে স্যালুট জানাই! তোদের এই আন্দোলনকে স্যালুট জানাই। আর মন থেকে দোয়া করি, এভাবেই প্রতিবাদী কণ্ঠে যেন সারাজীবন তোরা সকল অন্যায়ের প্রতিবাদ করে যেতে পারিস! জয় তোদের নিশ্চিৎ...!!'

পরিশিষ্টঃ- কোটা ব্যবস্থা নিপাত যাক, মেধাবীরা সুযোগ পাক!

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ- টাইপিংয়ের ভুলের কারণে হয়তো অনেক জায়গায় বানানে ভুল থাকতে পারে। সেটাকে বিবেচ্য বিষয় হিসাবে না ধরে, ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখলে কৃতার্থ হবো!

মন্তব্য ৬৪ টি রেটিং +২০/-০

মন্তব্য (৬৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:৫৭

ক্স বলেছেন: আপনার এত আদরের বোনকে পুলিশের লাঠির সামনে ছেড়ে দিলেন? একটু লাগাম টেনে ধরুন। যত বড় আন্দোলনই হোক, রাত নামার আগে যাতে ঘরে ফিরে আসে - সেটা নিশ্চিত করুন। নইলে কে জানে কোন বিপদে জড়িয়ে যায় - তখন কিন্তু আপনিও বিপদে পড়বেন।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:১১

সাহসী সন্তান বলেছেন: টেনশানের কিছু নাই। সাথে লোক আছে! এবং এ ব্যাপারে আমি যথেষ্ট সচেতন! তারপরেও ধন্যবাদ মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য! তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে একটু আধটু সেক্রিফাইস না করলে হয় না...

ভুলে যাইয়েন না, আন্দোলনকারী প্রত্যেকটা মেয়ে কারো না কারো মা-বোন অথবা সন্তান। এইসব মেয়েদের বাবা মা ভাইয়েরা নিশ্চই তাদের সন্তান বা বোনেদেরকে কম ভালোবাসেন না? সুতরাং আমি কেন এমন একটা যৌক্তিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ করার জন্য আমার বোনের ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে যাব?

পোস্টটার মাধ্যমে আমি এই ম্যাসেজটাও দিতে চেয়েছি যে, আমি আমার বোনকে আদর দিয়ে দিয়ে অন্তত বাদর তৈরি করি নাই। তাকে শিখিয়েছি কিভাবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে হয়! B-)

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ! শুভ কামনা জানবেন!

২| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:৫৭

রোকনুজ্জামান খান বলেছেন: কিভাবে লিখেন সুন্দর লিখা গুলি।
লিখা টি পরতে পরতে হীম শিতল
হয়ে গিয়ে ছিলো /



ভাল লাগা রইলো দোয়া রইলো
আপনার বোনের জন্য /

১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:১৪

সাহসী সন্তান বলেছেন: ধন্যবাদ রোকনুজ্জামান খান ভাই! শুভ কামনা জানবেন!

৩| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:১২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
অনেকদিন পর আপনার এই পোস্ট পড়ে মনে হলো কত রকম পরিস্থিতির মধ্যে দিয়েইনা মানুষকে যেতে হয়।

সেই ভদী দাদীর জন্য ও আপনার এবং আপনার পরিবারের জন্য শুভকামনা।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:১৬

সাহসী সন্তান বলেছেন: কথা সত্য! পরিস্থিতির শিকার হলে অনেক সময় বিড়ালও বাঘের রূপ ধারন করতে বাধ্য হয়...

আপনার শুভ কামনা সাদরে গৃহীত হল! ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য! শুভ কামনা আপনার জন্যেও!

৪| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:২২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:
ওহ!!! দারুণ মিষ্টি লেখা। খুব ভাল লেগেছে।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:২৭

সাহসী সন্তান বলেছেন: ধন্যবাদ কাওসার ভাই! আপনাদের সুন্দর সুন্দর মন্তব্য পেয়ে সত্যিই অনুপ্রানিত হচ্ছি! শুভ কামনা জানবেন!

৫| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:২৩

কাউয়ার জাত বলেছেন: দেখলাম এখন পর্যন্ত কেউ লাইক দেয়নি। আমি লাইক দিলাম। ওমা দেখি দুইটা লাইক উঠল। অন্য লাইকদাতাকে খুঁজতে গিয়ে দেখি তিনি কাল্পনিক_ভালোবাসা। আহ ধন্য আমি ধন্য।

লেখা বরাবরের মতই সুন্দর হয়েছে। কিন্তু সাইজ একটু বড় হয়ে গেছে।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৫

সাহসী সন্তান বলেছেন: আপনি ফাস্ট লাইকার! আমি এই ধরনের একটা মত প্রকাশের সুন্দর প্লাটফর্মে চা কফি বিতরন করা পছন্দ করি না বলে আপনাকে শুকনা মুখে থাকতে হচ্ছে। তবে মন থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি! এবং এভাবে সুন্দর মন্তব্যের মাধ্যমে অনুপ্রেরণা প্রদানের জন্য অবশ্যই কৃতজ্ঞতা...

আমি বর্তমানে ব্লগে কিছুটা অনিয়মিত। তবে মাঝে মাঝে যখন আসি, তখন আপনার কিছু কিছু মন্তব্য চোখে পড়ে! সত্যিই আপনি একজন স্পষ্টবাদী বক্তা। এভাবেই যেন আপনার স্পষ্টভাষী বক্তব্য সব সময় চালু থাকে সেইটাই কামনা করি।

আর লেখা বড় হওয়াটা আসলে আমার মুদ্রা দোষ ভাই! আমার ব্লগ জীবনে সম্ভবত এই কথাটা সব থেকে বেশি শুনেছি, লেখা বড় হয়ে গেছে। অথচ কিছুতেই এর থেকে বেরিয়ে আসতে পারছি না। লিখতে বসলেই হাবিজাবি কথা মনে পড়ে! :( দেশে এমন কোন কোচিং সেন্টার আছে কিনা দেকা দরকার। যেখানে শর্টকার্টে লেখা শেখানো হয়... ;)

মন্তব্যের জন্য আবারও ধন্যবাদ! শুভ কামনা জানবেন!

৬| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:২৯

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: কাছ থেকে দেখা এক মুক্তি যোদ্ধার কাছে জানতে চেয়েছিলাম আপনি সরকারের দেওয়া সুযোগ সুবিধা নেন না কেন?উত্তরে তিনি বলেছিলেন,সুযোগ সুবিধার জন্য তো যুদ্ধ করি নাই।
যারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা আমার মনে হয় তারা দেশ থেকে আলাদা করে কোন সুযোগ সুবিধা নেওয়ার কথা কল্পনাও করবেন না।
দেশকে যে প্রকৃত ভালবাসে তার কাছে দেশের সব মানুষই সমান।
আপনার ভদি দাদিও যে একজন যোদ্ধা তা আপনার চাচার মতে আমিও একমত।
আপনার বোনের জন্য শুভকামনা রইল।কোটা সংষ্কারের এই আন্দোলন সফল হোক।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:৫১

সাহসী সন্তান বলেছেন: খুব সুন্দর যৌক্তিক মন্তব্য! আমিও সেটাই মনে করি। একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা কখনোই তার স্বার্থের কথা চিন্তা কইরা যে যুদ্ধে যায় নাই, এটা হলপ করে বলা যায়! স্বার্থবাজ আসলে তারাই, যারা মুক্তিযোদ্ধার নামে হাইব্রিড মুক্তিযোদ্ধা সেজে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধটাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে...

সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ! শুভ কামনা সোহেল ভাই!

৭| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:৩১

*** হিমুরাইজ *** বলেছেন: ওই ব্যাটা কোটায় চাকরি পেয়েছে কথাটি শুনতেও তো লজ্জা লাগে।
লেখাটি ভাল লেগেছে।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৩

সাহসী সন্তান বলেছেন: লেখা ভাল লাগায় কৃতজ্ঞতা! মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ! শুভ কামনা জানবেন!

৮| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:৫০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কোটার খোটা বলতে কোটাধারিরা পরীক্ষার ফলফলে কোটা উল্লেখ করে প্রকাশ করা তাদের জন্য অপমান জনক মনে করে থাকে। এও দাবী করে থাকে মুক্তিযুদ্ধা কোটায় নিয়োগ হওয়াতে তাদের নিচের দিকে পজিশন দেয়া হয় । #:-S

১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:০১

সাহসী সন্তান বলেছেন: যে এই ব্যাপারটাকে প্রকৃতই অপমানজনক বলে মনে করে সে সত্যি কোটার সুবিধা ভোগ করে কিনা সেটা যাচাই করে দেখা দরকার। তবে কোটায় নিয়োগ হওয়ার কারণে কেউ নিচের পজিশনে থাকছে কিনা আমার জানা নাই...

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ সেলিম ভাই! শুভ কামনা জানবেন!

৯| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


সব গ্রাজুয়েটের চাকুরী হোক, আমাদের সম্পদ আছে, মানুষের টাকায় শেখ হাসিনা মানুষের জন্য চাকুরী সৃষ্টি করুক।

পোষ্ট পড়েছি, আপনার বক্তব্যে গরমিল আছে।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৫২

সাহসী সন্তান বলেছেন: কি পড়ছেন মুখস্ত পাঠ করেন! পরীক্ষা কইরা দেখি আপনি কোন জেনারেশনের! পাশ করলে কোটায় মন্ত্রী হওয়ার সুযোগ। না করলে টুকি! দেখেন কি করবেন! আর শেখ হাসিনা তো আপনার দলের লোক। তো এইখানে হাউ কাউ না কইরা বিষয়টা তারে গিয়া বুঝাইতে পারতেছেন না?

তাছাড়া আপনি পড়বেন জানলে পোস্টের মধ্যে আপনার মত খানিক ম্যাও প্যাও লিখে রাখতাম। তাইলে আর গরমিল হইতো না। আগামীতে কোন পোস্ট করলে অবশ্যই আমি আপনার পোস্টে গিয়ে জিগাইয়া আসবো, আপনি আমার পরবর্তি পোস্ট পড়বেন কিনা! পড়ার ইচ্ছা পোষন করলে অবশ্যই পোস্টের মধ্যে আপনার মনের মত কিছু ম্যাও প্যাও লিখে রাখা হবে। কথা দিলেম... ;)

সেই পর্যন্ত সুস্থ থাকবেন! আপনি অসুস্থ হইলে আমি একজন পাঠক মিস করবো! শুভ কামনা!

১০| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৪০

নতুন নকিব বলেছেন:



ধন্যবাদ, সাহসী সন্তানের সাহসী লেখায়।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৩

সাহসী সন্তান বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ সাহসী কমেন্টের জন্য! শুভ কামনা নকিব ভাই!

১১| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:০৮

নীলপরি বলেছেন: গুছিয়ে ভালো লিখেছেন ।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:১৮

সাহসী সন্তান বলেছেন: ধন্যবাদ পরি! শুভ কামনা জানবেন!

১২| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৩২

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: আপনার চাচাকে আমার সালাম পৌছে দিবেন। বড় ভালো মানুষ।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৫

সাহসী সন্তান বলেছেন: অবশ্যই পৌঁছে দেবো! মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ সাজ্জাদ ভাই! শুভ কামনা জানবেন!

১৩| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনার ২ মুক্তিযোদ্ধা চাচার জন্য সন্মান রলো।

আমার ১ম কমেন্টের বিপরিতে দেয়া আপনার উত্তর পড়েছি।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩০

সাহসী সন্তান বলেছেন: কমেন্ট পড়ছেন জাইনা খুশি হইলাম! মুখস্ত পড়ার হাঙ্গামায় যাইতে চান না বলেই মন্তব্য ঘুরাইয়া করলেন কিনা ঠিক বুঝলাম না... ;)

সে যাহোক, আপনি একজন মুক্তিযোদ্ধা সেজন্য আপনাকে যথেষ্ট সম্মান করি। তবে সমস্যাটা হইল, আমি যে যেমন তার সাথে সেইরকম আচরণ করতে পছন্দ করি! প্রথম প্রতিউত্তরে কষ্ট পেয়ে থাকলে স্যরি!

শুভ কামনা জানবেন!

অফটপিকঃ- আপনার মন্তব্য দুইটা আসছিল! প্রথমটা ডিলিট কইরা দিছি!

১৪| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: "পরিশিষ্ট" এর সাথে একমত।
আপনার দুই মুক্তিযোদ্ধা চাচা, ভদি দাদী আর সংগ্রামী বোনের প্রতি রইলো আন্তরিক অভিবাদন। অমুক্তিযোদ্ধা বাবার যেটুকু পরিচয় পেলাম, তার জন্যেও শ্রদ্ধা রইলো।
কোটাখোর আমলাদের মেধাহীনতার পরিচয় তাদের আচরণে ও কাজে প্রকাশ হয়ে পড়ে।
পোস্টে ভাল লাগা + +

১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৩০

সাহসী সন্তান বলেছেন: কোটাখোর আমলাদের মেধাহীনতার পরিচয় তাদের আচরণ ও কাজে প্রকাশ হয়ে পড়ে আপনার এই কথার সাথে পূর্ণ সহমত! চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ!

শুভ কামনা জানবেন!

১৫| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৯

সোহানী বলেছেন: ভালো লাগলো সাহসী।

হাঁ, আমার চাচা, মামা সরাসরি যুদ্ধ করেছেন। বাবা সরাসরি ইনভল্ব ছিলেন না কিন্তু উনার সাহায্য ছাড়া চাচা মামারা কখনই যেতে পারতেন না। কারন তখন সবাই বাবার কাছে থেকেই কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেন।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৩৫

সাহসী সন্তান বলেছেন: আমি সম্ভবত অন্য কোন একটা পোস্টে আপনার কাছ থেকে জানছিলাম আপনার চাচা এবং মামা মুক্তিযোদ্ধা! উনারা দুইজন সহ একজন পরোক্ষ মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে আপনার বাবার প্রতিও আন্তরিক শ্রদ্ধা রইল...

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ সোহানী আপু! শুভ কামনা জানবেন!

১৬| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:১২

জগতারন বলেছেন:
১৯৭১ সালে মুক্তি যুদ্ধের সময়ে আমার বয়স ১১ বছর, ৬ ক্লাসে পড়ি। অর্থাৎ আমার জন্ম ১৯৬০ সালে, আপনার বাবার ৬ বছরের বড়।
আমি মুক্তি যুদ্ধ দেখেছি গ্রাম থেকে, প্রকৃত মুক্তি যুদ্ধ গ্রাম থেকেই হয়েছিল। আমাদের বাড়ি পাক আর্মি দ্বারা আক্রমন হয়েছিল কারন গ্রামের অপর প্রান্তে চেয়ারম্যানের বাড়ী রাজাকারদের দ্বারা লুন্ঠিত হওয়ার পর ফিরে যাবার সময়ে ২/৩ জন মুক্তি যোদ্ধা ৩০৩ রাইফেল দিয়ে গুলি করে নৌকা ছিদ্র করে দিয়েছিল। এদের একজন ছিল আমার ভাইগনা, মোশারফ মোল্লা, তখন বর্ষার সময় ছিল, টেকেরহাট বন্দর, রাজাকার ও পাক আর্মিদের ক্যম্প, সেখান থেকে আমাদের গ্রামে আক্রমনে এসেছিল তারা। আমাদের গ্রামে ডোকায় প্রথম বাড়ি ছিল আমাদের। তাই তারা প্রথমই আমদের বাড়ি এসেছিল। আমাদের বাড়ি ও আসে- পাসের অন্যান্য বাড়ির প্রায় সকল লোক গ্রামের উত্তর পাশ দিয়ে প্রবাহিত কুমার নদী পার হয়ে তাঁতীকান্দী গ্রামে চলে গিয়েছিল। আমাদদের বাড়ির পূরবপাশের বাড়ির এক সদ্য বিবাহিতা বধু নাদি পাড় হওয়ার সুযোগ করতে পারে নি, সেই বধু এক পাক আর্মি দ্বারা লাঞ্চিত হয়েছিল।
আমারা চার ভাই-বোন ও মা সেখানে গিয়াছিলাম। আব্বা তখন বাড়িতে ছিল না। আমাদের বাড়ির উত্তর পাশের বাড়ির মোসলেম ফকির ভাইয়ের বড় নৌকায় বেশির ভাগ লোক পাড় হয়েছিল। দুখের বিষয়; আমারা তিন ভাইবোন মা থেকে বিছিন্ন হয়ে গিয়েছিলাম, তখন মা'য়ের কোলে ছোট্ট বোন। অনেক্ষন পর মা,য়ের সাথে একত্রিত হয়েছিলাম। পরিবার থেকে বিছিন্ন হওয়া ও বসত বাড়ি ত্যাগ করে অন্য কথাও আশ্রয় নেওয়া যে কই কষ্টের তথন প্রথম বুঝেছিলাম।
পরের দিন বড় চাচা ও আমাদের গ্রামের কিছু মুক্তি যোদ্ধা আমাকে টেকেরহাট আর্মি ও রাজাকারদের ক্যাম্পে গোয়েন্দা করতে পাঠিয়েছিলেন। তখন তারা ভেবেছিলেন সেখানে আমি নিরাপদভেবে বিভিন্ন খবরাদি সংগ্রহ করতে পারবো। কারন আমি চঞ্চল, বয়সে ছোট্ট, বয়সের তুলনায় চালাক। আমার বাবা-চাচার এক মামাতো ভাই স্থানীয় মুসলীমলীগ ও রাজাকার সংগঠনের নেতা। তিনি অত্র ক্যম্পে অবস্থান করছেন।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৪২

সাহসী সন্তান বলেছেন: নিজের ব্যক্তিগত একটা চমৎকার ঘটনা শেয়ার করলেন! তবে এগুলো আপনারা পোস্ট আকারে প্রকাশ করেন না কেন? এমন বীরত্ব গাঁথা ঘটনা গুলো যদি আড়ালই করে রাখলেন, তাহলে আমরা নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাসটা জানবো কাদের কাছ থেকে?

আশাকরি পোস্টের মাধ্যমে আপনার কাছ থেকে এরকম অভিজ্ঞতার ঘটনা আরো পাবো! মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ! শুভ কামনা জানবেন!

১৭| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:১৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন:
রক্ত কনায় ওঠে নাচন
ওরে আয় ছুটে আয়
ডাকছে সময় - - -

সময়ের প্রয়োজনে যে ছুটতে পারে সেইতো সাহসী সন্তান!
প্রিয় বোনের জন্য আবেগ, রাস্ট্রীয় বাধ্যবাধকতার সীমাবদ্ধতা, আত্মার আহবান
সব মিলিয়ে শিহরিত করা এক লেখা!

সকলের জন্য শুভকামনা :)

+++

১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৪৬

সাহসী সন্তান বলেছেন: আপনার মন্তব্যে বেশ উৎসাহিত বোধ করছি! খুব সুন্দর বলেছেন আপনি...

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ! শুভ কামনা ভৃগু'দা!

১৮| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:২৯

জগতারন বলেছেন:
আমার উপরের মন্তব্যের পরে বিজ্ঞ পাঠক-পাঠীকাদের কাছে জানতে চাই; আমার বয়স ও কাজ বিবেচনা করলে আমিও কি একজন মুক্তি যোদ্ধা নই ???

১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৫৬

সাহসী সন্তান বলেছেন: আমার মতে মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে অংশগ্রহণকারী সকলেই তার নিজ নিজ অবস্থান থেকে এক একজন মুক্তিযোদ্ধা! আর সেজন্য যে মুক্তিযোদ্ধা লিস্টে নাম তালিকাভুক্ত থাকা লাগবে আমি সেরকমটা মনেকরি না! সেদিক বিবেচনা করলে আমার চোখে আপনি একজন মুক্তিযোদ্ধা! তবে বাকিরা কি বলে আমি জানি না...

ফিরতি মন্তব্যে আবারও ধন্যবাদ! শুভ কামনা রইল!

১৯| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:১১

হাফিজ বিন শামসী বলেছেন:
চাচা মনে করেন, তিনি যদি মুক্তিযোদ্ধা হন, তবে তার ভদি চাচী ও একজন মুক্তিযোদ্ধা।

আফসোস! উনার এই উপলব্ধি যদি আমাদের সবার মাঝে বিরাজ করতো!

উনি শুধু আপনার চাচাই নন। উনি সারা বাংলার চাচা।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:০৯

সাহসী সন্তান বলেছেন: ওভাবে বলে না। কেউ কেউ রাগ করতে পারে! জাতির চাচা এরশাদ কাকু এটা সবাই জানে... ;)

আমার চাচা সাধারন একজন মুক্তিযোদ্ধা! আর নিজেকে নিয়ে গর্ব করার জন্য তার এতটুকু পরিচয়ই যথেষ্ট! তারপরেও আপনার মন্তব্যটা ভাল্লাগছে!

ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য! শুভ কামনা জানবেন!

২০| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৫৪

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: বেশীরভাগ মুক্তিযোদ্ধাদেরই একটা বিষয়ে কমন মন্তব্য, "কিছু পাওয়ার জন্য যুদ্ধ করিনি।" লোম খাড়া হয়ে যায় এই কথা শুনে! অথচ তাদের পুঁজি করে একটা বিশেষ দল ব্যবসা করে যাচ্ছে দিনের পর দিন...

১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:১৪

সাহসী সন্তান বলেছেন: অত্যন্ত যৌক্তিক কথা বলেছেন! তবে মজার বিষয়টা হল, এই ব্যাপারটা আপনি সেই তাদেরকে বলতে চাইলেই বিভিন্ন বিশেষনে বিশেষায়িত হতে পারেন! তখন ঘুমন্ত চেতনা জাগ্রত হইয়া আপনারে গুতাইতে আসতে পারে... ;)

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ! শুভ কামনা জানবেন!

২১| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:০৩

সামিয়া বলেছেন: লেখাটটা সময় করে পড়ে মতামত জানাবো।।।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:১৬

সাহসী সন্তান বলেছেন: অবশ্যই! আমি অপেক্ষায় রইলাম...

সে পর্যন্ত শুভ কামনা!

২২| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৩৪

নূর-ই-হাফসা বলেছেন: সম্পূর্ণ লেখা টা অনেক ভালো লাগায় পূর্ণ ।
চাচা মনে করেন, তিনি যদি মুক্তিযোদ্ধা হন, তবে তার ভদি চাচী ও একজন মুক্তিযোদ্ধা।
এই লাইন টা বেস্ট ছিল ।
প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা রা বিনিময়ে কিছুই চান না । কিংবা প্রকৃত অর্থে সুযোগ অনেকেই নিচ্ছেন না । কোটা সুযোগ পাচ্ছেন তথাকথিত বানানো মুক্তিযোদ্ধা রা ।
আন্দোলন সফল হোক আর আপনার বোন সহ সকল আন্দোলন কারীর জন্য অনেক অনেক শুভকামনা ।

১২ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:৪৩

সাহসী সন্তান বলেছেন: নিঃস্বার্থভাবে দেশকে ভালোবেসে যারা জীবনবাজি রেখে যুদ্ধ করেছিল তারাই তো মুক্তিযোদ্ধা। কিন্তু সমস্যাটা হল, বর্তমানে হাইব্রিড মুক্তিযোদ্ধাদের চাপাচাপিতে অনেক মুক্তিযোদ্ধাই নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে পরিচয় দিতেও লজ্জাবোধ করে। এটা জাতির জন্য সত্যিই লজ্জাস্কর একটা বিষয়... :(

আপনার শুভ কামনার জন্য ধন্যবাদ আপু! কৃতজ্ঞতা রইল!

২৩| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১:৩৭

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনি একা নয়, কয়েক কোটী আপনার মতো গর্বিত: ১৯৭১ সালে, প্রতি ৬২৫ জনে মাত্র ১ জন মুক্তিযু্দ্ধে গেছেন; এখন গর্ব রাখার জন্য কয়েকটা বস্তা কিনে নেন।

১২ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:৫৪

সাহসী সন্তান বলেছেন: গর্ব বিক্রি করার অপশন থাকলে না হয় উহাকে বস্তায় ভইরা রাইখা দিতাম। সেইটা যখন নাই তখন খামোখা বস্তাটা নষ্ট করার কি দরকার। বরং তার মধ্যে কিছু অভিমান ভইরা রাখি। সময় অসময়ে কাজে লাগানো যাইবেনে... ;)

আর ৬২৫ জনে মাত্র ১ জন মুক্তিযুদ্ধে গেছে আপনার এই তথ্যটা যদি সঠিক হয়, তাইলে আমি আসলেই ভাগ্যবান। কারণ আমার পরিবারে দুইজন মুক্তিযোদ্ধা। আমি প্রত্যক্ষভাবে মু্ক্তিযুদ্ধের সন্তান না হইলেও পরোক্ষভাবে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! B-)

আপনি তো প্রত্যক্ষ মুক্তিযোদ্ধা। বস্তা পাঠাই দিবো নাকি একটা, খানিক গর্ব ভইরা রাইখেনেন! আমার থেকে ঐটা এখন আপনার জন্য বেশি দরকার! হাইব্রিড মুক্তিযোদ্ধাদের গর্বের ঠেলায় যাতে আপনাদের গর্বটা বিলিন না হয় সেজন্যই আরকি। মানে তাদের সাথে যখন গর্ব করে পেরে উঠবেন না, তখনই বস্তার মুখ ছাইড়া দিবেন! সাথে সাথে গর্বে বাকিরা সব গর্ভবতী হইয়া যাইবে... =p~

২৪| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৬:৩১

অাব্দুল্লাহ অাল কাফি বলেছেন: আমাদেরও নৈতিক সামর্থন রয়েছে এমন আন্দলনে।শুভ কামনা রইলো।

১২ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:৫৯

সাহসী সন্তান বলেছেন: এমন একটা যৌক্তিক আন্দোলনে আমরা প্রত্যক্ষ সমর্থন দিতে না পারলেও পরোক্ষ সমর্থনে অনেক কিছুই আসে যায়। কারণ তাতে আন্দোলনকারীরা তাদের স্প্রিট ফিরে পায়। আর আমি মনেকরি, একজন বিবেকবান মানুষ মাত্রই সেটা বোঝে...

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ! শুভ কামনা জানবেন!

২৫| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৬:৩৫

অাব্দুল্লাহ অাল কাফি বলেছেন: আপনার চাচাজানের ৭১ এ সাহসীকতা ও উদারতায় মুগ্ধ হলাম।

১২ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:০২

সাহসী সন্তান বলেছেন: আপনার মুগ্ধতাই আমার ভালোলাগা! পূনঃমন্তব্যে আবারও ধন্যবাদ!

ভাল থাকবেন!

২৬| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৭:৩৭

Sujon Mahmud বলেছেন: কোটা বাতিল করা অমানবিক। কোটা সংস্কার করা হোক

১২ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:০৬

সাহসী সন্তান বলেছেন: সহমত! কোটা বাতিল করলে অনেক আইনি ঝামেলা পোহাইতে হবে। তাছাড়া রাজনৈতিক কূটকৌশল তো আছেই। এ যেন সেই "ডাক্তার ডাকা হইল মুসলমানী করানোর জন্য। অথচ ডাক্তার অভিমান কইরা পুরাটাই কাইটা দিলো" এমন একটা অবস্থা... :(

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ! শুভ কামনা জানবেন!

২৭| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:৫৬

কামরুননাহার কলি বলেছেন: ভাইয়া আপনার লেখাটি অনেক ভালো লেগেছে।
কিন্তু ভাইয়া আপনার এই পোস্টের প্রথম মন্তব্যকারীকে আমি কি বলবো ভাষা খুজে পাচ্ছিনা।
কারণ এই ধরনে মানুষের মন মানসিকতা এতোটাই জঘন্য যে এরা সমাজের চোখে বিষধর কাল সাপ। ইচ্ছে হয় এদের এই সমাজ থেকে উগলিয়ে ফেলে দেই।

১২ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৩

সাহসী সন্তান বলেছেন: দরকার নাই কিছু বলার। আমি যেটুকু বলেছি, সে যদি বুঝতে পারে তাহলে এইধরনের চিন্তা ভাবনা প্রকাশ করার আগে একবার হলেও অন্তত ভাববে! তবে তার ব্যাপারটা পজেটিভও ধরা যায়। যদিও সেটা জোর করে ধরতে হবে...

লেখা ভাল লেগেছে জেনে খুশি হলাম। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ! শুভ কামনা জানবেন!

২৮| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:২৩

সুমন কর বলেছেন: চাচার প্রতি শ্রদ্ধা আর বোনের প্রতি আদর রইলো.....

দেশে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা'র চেয়ে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা'র সংখ্যা বেশি..........
লেখা ভালো লেগেছে।

১২ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:৩২

সাহসী সন্তান বলেছেন: "দেশে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা'র চেয়ে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা'র সংখ্যা বেশি" -একদম সঠিক কথা। পুরোপুরি সহমত!

লেখা ভাল লাগায় কৃতজ্ঞতা সুমন'দা! শুভ কামনা জানবেন!

২৯| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:৪২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আপনার পোষ্টটি ও মন্তব্যগুলি মন দিয়ে পড়লাম।সরি,পড়াতে বাধ্য করালেন।মুক্তি যুদ্ধে অংশ নেওয়া সমস্ত বীরদের সম্মান জানাই।সম্মান জানাই আপনার মূল্যবোধকে।ভাই - বোনের বন্ধন অটুট থাকুক চিরকাল। fb র একটি ছবি প্রসঙ্গক্রমে দিলাম,আপনার পোষ্টটি ও মন্তব্যগুলি মন দিয়ে পড়লাম।সরি,পড়াতে বাধ্য করালেন।মুক্তি যুদ্ধে অংশ নেওয়া সমস্ত বীরদের সম্মান জানাই।সম্মান জানাই আপনার মূল্যবোধকে।ভাই - বোনের বন্ধন অটুট থাকুক চিরকাল। fb র একটি ছবি প্রসঙ্গক্রমে দিলাম,

১২ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৭

সাহসী সন্তান বলেছেন: ছবিটা দারুন! কোটা সংস্কারের প্রকৃত যথার্থতাই ফুটে উঠেছে আপনার শেয়ারকৃত এই ছবিটার মধ্যে! এতবড় পোস্টটা পড়ে সুন্দর কম্পিলিমেন্ট জানিয়ে যাওয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ...

শুভ কামনা জানবেন!

৩০| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:১৭

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: এরই নাম হলো বাপ কা বেটা। বাপ যেমন সাহসী পুতও তেমন সাহসী।

১২ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:০৯

সাহসী সন্তান বলেছেন: আহাঃ বাধিয়ে রাখার মত কমেন্ট! এভাবে সামনা সামনি প্রশংসা করলে কেমন জানি লুইজ্জা লুইজ্জা লাগে... :``>>

ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য! শুভ কামনা জানবেন!

৩১| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৪

শাহিন-৯৯ বলেছেন: অনেক দিন পর মন মত একটা লেখা পড়লাম মনে হয়।

১২ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:৪৪

সাহসী সন্তান বলেছেন: মনেহয় বলে যদি সেই কনফিউশনেই থাকেন, তাইলে আর ব্যাপারটা মন মত হইল কই? ;) যাহোক, আমি চেষ্টা করেছিলাম প্রকৃত ঘটনাটা একটু সুন্দরভাবে সাজিয়ে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করতে! সেটা যে কিছুটা সফল হয়েছি, তা আপনাদের মন্তব্য দেখেই অন্তত বুঝতে পারছি... :)

সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ! শুভ কামনা জানবেন!

৩২| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৩:৫১

তপোবণ বলেছেন: এই আন্দোলনে আমি সরাসরি যুক্ত নই, যারা আছে তাদের জন্য এই যৌক্তিক আন্দোলন সফল হোক মন থেকে খুব চাই। আপনার লেখা পড়ে খুব ভালো লাগল প্রিয়তে আছেন। অনেক শুভকামনা আপনাকে।

৩৩| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:৪০

থিওরি বলেছেন: সাহসী পিতার সাহসী সন্তানেরা বেচে থাক! আর অন্যায়ের প্রতিবাদ করুক সবসময়। আপনার লেখনি চমৎকার। আপনার বোনেরর জন্য শুভকামনা।
ভদি দাদীর মতো কতো 'মুক্তিযোদ্ধা ' কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। আমার আশে পাশে যে মুক্তিযোদ্ধা দের পাই, তারা কখনো মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিতে চাই না। যুদ্ধের গল্প শুনতে চাইলেও বলতে চাই না। তারা যে মুক্তিযোদ্ধা শুধু জানতে পারি তাদের ছেলেমেয়েগুলো ভালো জায়গায় ভর্তি আর চাকরি পাওয়ার পর!!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.