নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

স্রোতের অজানা টানে সমুদ্র বালিয়াড়ি বেয়ে বোহেমিয়ান- গৃহকোন, জীবন যাপন ফেলে চলে যায়। তুমি দুহাত বাড়িয়ে আলিঙ্গনে বাঁধতে চাও জোছনা গলে হারিয়ে যায় সুখ ।আছড়ে পরা ঘূর্ণিজল মনে বাজায়অচেনা সবুজ দিগন্তচনযফ অজানা টানে সমুদ্র বালিয়াড়ি বেয়ে বোহেমিয়ান- গৃহকোন, জীবন যাপ

রোকসানা লেইস

প্রকৃতি আমার হৃদয়

রোকসানা লেইস › বিস্তারিত পোস্টঃ

মঙ্গল শোভা করলে কি হয়

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:০৯



মঙ্গল শোভা যাত্রা নিয়ে পক্ষ বিপক্ষ দাঁড়িয়ে গেছে। বাঙালিদের স্বভাব যেন সব কিছু নিয়ে তর্ক করা । আজকাল হারাম আর হালালের সাথে যোগ হয়ে যাচ্ছে সংস্কৃতি। প্রতিটি ভৌগলিক অবস্থানে অবস্থানরত মানুষ নিজেদের মতন কিছু আচার আচরন করে এর সাথে ধর্মের কোন যোগ নেই।
অথচ নতুন জ্ঞানীরা সব কিছুতেই ভাগ করতে চায় ধর্মের ভিত্তিতে। যারা মনে প্রাণী ধার্মিক তারা থাকুক না ধর্ম নিয়ে অন্যদের ব্যাপারে তাদের এত নাক গলাতে হবে কেন?
ছোটবেলায় কফ কাশি হলে তুলসিপাতার রস খেতে দিতেন মা। । হাম, বসন্ত রোগ গরমে ঘামাচি হলে বা ধোয়া মোছার জন্য ব্যবহার করা হতো নিম পাতা। দাঁতের মাজন হিসাবেও ব্যবহার হয় নিমের ডাল। হিন্দু বাড়িতে তুলসি গা থাকে বলে কি এখন এড়িয়ে যেতে হবে গাছ? এসবের সাথে ধর্মের কোন শখ্যতা বা বিরোধীতা নেই। অথচ এখন দেখছি আদিকালের সব সংস্কৃতি মুছে ফেলে হালাল হারাম দিয়ে গাছ ফুল মাছ সবজি আচার আরচণ যাচাই করা হচ্ছে।
ধর্ম এতো ঠুনকো নাকি যে প্রকৃতির বিষয় ব্যবহারে শেষ হয়ে যাবে।
বিদেশে আলখাল্লা টুপি পরিহিত মানুষ দেখি সমুদ্র পাড়ে, যেখানে বিকিনি পরে ঘুরছে নারী। তাতে তাদের ধর্ম যায় না? অথচ দেশে কিছু মুখোশ বানিয়ে মঙ্গল শোভা করলে তা অপসংস্কৃতি কবে কার ইতিহাস অনেক প্রশ্ন বিদ্ধ করা হচ্ছে। কে কতটা ধর্ম কর্ম করে স্বর্গে যাবে না নরকে যাবে তা তার আর তার ঈশ্বরের বোঝা পড়ায় ঠিক হবে। মানুষ হয়ে আরেকজনের স্বর্গ নরকের হিসাব কি ভাবে নির্ধারিত করে ফেলছে মানুষ।
বাঙালিদের মুখ ভাড় করে থাকতে হবে। হাসা যাবে না আনন্দ করা যাবে না। করুণ গীত, কাব্য, গল্প লিখতে হবে শুধু।
কেউ যদি নিজের ইচ্ছায় আনন্দ করে। তাতে এর বিরুদ্ধে সোর তুলতে হবে কেন, এত গাত্রদাহ হয় কেন বুঝতে পারি না।
আনন্দ করার তেমন কিছুই বাঙালিদের নাই। নববর্ষ উপলক্ষে তারা যদি মঙ্গল শোভার মিছিল করে, রমনার বটমূলে গান শুনে। কেউ ট্রাকে ঘুরে গান করে সতেরো কোটি মানুষের কজনা সে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারে। কত লাখ মানুষ ঘুরতে যেতে পারে মঙ্গল শোভায় বা রমনায়। প্রত্যেকে আলাদা কিছু আনন্দ উৎসবের আয়োজন করে কিছু মানুষ একদিন ঘর থেকে বেড়িয়ে ঘুরতে যায় তাতে কাদের এত গা জ্বালা করে কেন করে ?
আমাদের ছোটবেলায় আমরা বৈশাখি মেলায় মাটির পুতুল চুড়ি, দুল, চুলের ফিতা, বেলুন বাঁশি, কত রকমের খেলনা কিনেছি। নাগর দোলা চড়েছি। হালখাতার অনুষ্ঠান হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খৃষ্টান সবাই করেছে। দোকানে ঘুরে যেমন মিষ্টি খেয়েছি। বাড়ি বাড়ি গেলেও ভালো খাবারের আয়োজন থেকেছে। আমরা যেমন ছোটবেলায় পেয়েছি বাবা মার কাছেও শুনেছি তাদের এমনই আনন্দ উৎসবের গল্প।
পুতুল নাচ, পালা গান, যাত্রা, ঘোর দৌড়, নৌকা বাইচ, মল্লযুদ্ধ, বলি খেলা, মাছধরা, ঘুড়ি উড়ানো এসব কিছুই বাঙলার উৎসব সংস্কৃতির অনুষ্ঠান । বান্নী স্নান, রাস উৎসব, চরকমেলা, সিন্নি, উরুস, ঈদ পূজা কোন উৎসবই কেবল কোন একক ধর্ম সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না কখনো। মহরমের মেলা থেকে কি অন্য ধর্মের মানুষ কিছু কিনে না?
সব সময়ই অন্যরা নিজের মতন অংশ গ্রহন করে আসছে আনন্দ উৎসবে। প্রকৃতির মতন বাংলা সংস্কৃতির ধারা হিসাবে মানুষ বালোলাগা নিয়ে অংশ গ্রহণ করে আসছে। এখন যারা করতে চায় না তারা ঘরে ঢুকে থাকলেই হয় এত্ত কথা বলা কেন আনন্দ উৎসব নিয়ে।
যারা উৎসব নিয়ে এত কথা বলে তারা অন্য অনেক কিছু থেকে নিজেদের বিরত রাখে কিনা জানতে ইচ্ছা করে। ছবি তোলা ছবি দেখা গান বাজনা টিভে সিনেমা দেখা। অন লাইনে ভিডিও ব্যবহার। ফেসবুক এ সবই তো নতুন সংযোজন তারা এসব থেকে বিরত থাকে কি?। অন লাইনে ঢুকলে কত্ত কিছু দেখতে হয় ইচ্ছায় অনিচ্ছায় তা নিয়ে কি তাদের অভিযোগ কেমন জানতে ইচ্ছা করে? কি ভাবে এড়িয়ে চলে অনাকাঙ্খিত বিষয়গুলো। যা ধর্মের পরিপন্থি তাদের জন্য।
ইহুদি ধর্মের যারা সত্যিকারে ধর্ম পালন করে কোন অভিযোগ ছাড়া তারা এখনও যান্ত্রিক অনেক বিষয় এড়িয়ে চলে নিষিদ্ধ দিনগুলোতে। যেমন না খেয়ে রোজা রাখে মুসলিমরা এক মাস ধরে। একাদশির দিন উপোস করে হিন্দুরা সব কিছুর মধ্যে থেকে নিজের ভালোলাগার বিষয়গুলো মানুষ পালন করে নিজের মনে সানন্দে। এর জন্য কোন জোড়ের প্রয়োজন হয় না।
তবে যা ধর্ম নয় আনন্দ সংস্কৃতি তা নিয়ে কেন এত চিন্তা হৈ চৈ।

মন্তব্য ২৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:১৬

বিএম বরকতউল্লাহ বলেছেন: বছরের প্রথম দিন মা খুব ভাল আয়োজন করতেন। যাতে সারাবছরই ভাল খেতে পারে মায়ের সন্তানেরা।
এখন পান্তা ইলিশ।
কীসের সাথে কী পান্তাভাতে ঘি।

চমঃকার লেখনি। ধন্যবাদ।

২০ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ২:২১

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ। ঠিক আমরাও ভালো খাবার খেতাম বৎসরের প্রথম দিনে।
পান্তাটা নিশ্চয় বানিজ্য মনস্ক কেউ চালু করে ছিল। তবে বেশ ভালো সারা পেয়েছে।

২| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:১৮

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন: ধর্ম নিয়ে ম্যাওপ্যাও ভালোলাগ না :(

২০ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ২:৩২

রোকসানা লেইস বলেছেন: খুব বাজে ভাবে বললেন। ধর্ম নিয়ে কিছু বলা হয়নি বরং বলা হয়েছে সত্যিকারের ধার্মিক যে কোন ধর্মের মানুষ যে কোন অবস্থায় নিজের ধর্ম পালন করেন কোন রকম হৈচৈ না করে।
কিন্তু যা হচ্ছে এবং যাদের অসুবিধা হচ্ছে তারা একটা প্যাচাল লাগানোর জন্য এসব করছে। উগ্রতা কোন ধর্মের সাথে যায় না।

৩| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১২:০৪

চাঁদগাজী বলেছেন:



প্যারেডটার নাম হওয়ার কথা, "নববর্ষের প্যারেড"; আগে মেলা ছিলো, এখন প্যারেডের দরকার কেন? মেলাই চলুক, বাচ্চারা খেলাধুলা করুক, বয়স্করা আড্ডা দিক!

২০ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৩:৩৫

রোকসানা লেইস বলেছেন: প্যারেড কুচকাআওয়াজের সাথে কেমন আর্ম ফোর্সের নিয়ম লেগে থাকে যেন। অবশ্য প্যারেড ইংলিশ শব্দ হিসাবে ক্রিসমাস প্যারেড, গে প্যারেড, থ্যাংস গিভিং প্যারেড এমন অনেক প্যারেড হয় বিভিন্ন দেশে।
বাংলায় মঙ্গল শোভা যাত্রা বলায় এবং করায় সমস্যা কেন হচ্ছে। কজন মানুষ আর এর সাথে যোগ দিচ্ছে? খানিক খেলাধুলার মতন আনন্দ করাই তো।

৪| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১২:০৬

সোহাগ তানভীর সাকিব বলেছেন: ধর্ম প্রত্যকের কাছেই অনুভূতি আর বিশ্বাসের ব্যাপার। যুক্তি অনেক সময় ধর্মের কাছে আচল। ধর্ম প্রতিটা মানুষের কাছে বিশ্বাসীয় ব্যাপার। প্রত্যেক মানুষ যুক্তি ছাড়াই নিজ নিজ ধর্মকে ভালোবাসে। সুতরাং আমি মনে করি ধর্মীয় ব্যাপারে লেখালেখির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সর্তকতা অবলম্বন করা উচিত। যেন কোন ধর্মেই আঘাত না লাগে।

২০ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৩:৪০

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ সোহাগ তানভীর সাকিব আপনি যা বললেন আমি তাই বলেছি। ধর্ম যারা করে তারা নিজের অন্তর থেকেই করে সে যে ধর্মের মানুষই হো্ক।
ধর্মকে কোন কটাক্ষ করা হয়নি বলা হয়েছে যারা আনন্দ উৎসব করছে ধমের বাইরে, তা নিয়ে এত বেশী গাত্রদাহ কাদের হচ্ছে। উগ্র ভাবনার মানুষ ছাড়া আগেও কারো সমস্যা হয়নি এখনও হচ্ছে না।
বাঙালির উৎসবকে ভিন্ন খাতে দেখানোর চেষ্টা চলছে।

৫| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৭:৩৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনি এই শোভাযাত্রার ইতিহাস জানেন না বলেই এমন অবান্তর পোস্ট দিয়েছেন। যতদিন এই শোভাযাত্রা কেবল আনন্দ শোভাযাত্রা(১৯৮৯-১৯৯৫) ছিল ততদিন কোন প্রশ্ন উঠেনি। বাঘ, ময়ুরের মুখোশ নিয়েও প্রশ্ন উঠেনি। এখনো মানুষ ক্রিকেট খেলা দেখতে যায় বাঘের মুখোস পড়ে।ক্রিকেটারদের ডাকা হয় টাইগার বলে। সেখানে মৌলবাদীরা চিৎকার চেচামেচি করে পাত্তা পায় না। কিন্ত্ যখন এই শোভাযাত্রা ''মঙ্গল শোভাযাত্রা'' (১৯৯৬) নাম লাভ করেছে তখন থেকেই কথা উঠা শুরু হয়েছে। ধর্ম নিরপেক্ষ সার্বজনীন উৎসবের শোভাযাত্রায় যখন অমঙ্গল দূর করার কথা বলা হয়, অসুর দমনের কথা বলা তখন সেটা আর সাবর্ব্জনীন ও ধর্মনিরপেক্ষ থাকে না।

আপনি ধর্ম পালন বা না পালন যাই করে থাকেন না কেন অন্যের ধর্মীয় বিশ্বাষকে শ্রদ্ধা করতে শিখুন।ঘৃনার বিষবাস্প ছড়িয়ে কোনদিন সমাজে শান্তি আনা যায় না।

২০ শে এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৪:০৮

রোকসানা লেইস বলেছেন: মঙ্গল মানে ভালো। ভালো বলেলে কোন অসুবিধা নেই কিন্তু মঙ্গল বললে অসুবিধা হয় দুটোই তো বাঙলা শব্দ। অসুর একটি খারাপ শক্তি সেটা কে দমন করতে চাইলেও তার মধ্যে পুরো হিন্দু ধর্ম চলে আসে তাই না?
এটাই বুঝি বড় সমস্যা?
আপনি তো খুব ভালো ব্যাখ্যা দিলেন। এবং আমি কিছুই জানি না সে বিষয়েও মতামত দিয়ে দিলেন। এ ভাবেই অপপ্রচার গুলো প্রচার হয়ে যায়।
আপনার জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি নব্বইয়ে প্রথম মঙ্গল শোভা যাত্রায় আমি ছিলাম। শুরু থেকে মানুষ গ্রহণ করেছে এবং চলে আসছে। এখন সমস্যা কাদের শুরু হলো?
ঘৃনার বিষবাষ্প তারাই ছড়াচ্ছেন অন্যের আনন্দ যারা সহ্য করতে পারছেন না। খামখা কিছু কথা তুলে কেচাল লাগানোই তাদের উদ্দেশ্য। বাংলাদেশে এতকাল থেকেই এটা হয়ে আসছে। সাধারন মানুষের বিশ্বাসকে ভীত করে কেওয়াস তৈরি করা।
সময়ের সাথে সব কিছুই পরিবর্তন হবে আগামীতে হয়তো সেল ফোন কম্পিউটারের মুখোশও পরতে পারে নতুন প্রজন্মের মানুষ। ভাষার মতন সব সব কিছুই পরিবর্তন হয় হবে এবং এই গতিকে কিছুতেই রোধ করা যাবে না।
বাঙালিরা লুঙ্গি, ধুতি পরত। লুঙ্গি কাছা দিয়ে কাজে নামত এখন কিন্তু টোকাই থেকে কামলা রিকসাওলারাও প্যান্ট পরছে এটা কিছুতেই বাঙালির পোষাক না। মহিলারা ব্লাউজ পেটিকোট ছাড়া শাড়ি পরত । ঠাকুর বাড়ি থেকে ব্লাউজ, পেটিকোটের প্রচলন সাধারন নারীদের মধ্যে আসে। এখন নারীরা শাড়িতে আর সীমা বদ্ধ নেই প্যান্ট ফতুয়া পরছে, লেহেঙ্গা, বোরখা পরছে সব কিছুই নিজস্ব অভিরুচিতে সহজ এবং সময়ের প্রয়োজনে বদলে যাচ্ছে। সময়ের সাথে পরিবর্তন হবেই সব কিছুর।
আমাকে অনেক ফতুয়া দিলেন এবার আপনাকে বলছি, নিজের ধর্ম আন্তরিকতার সাথে পালন করুন অন্যকে আপনি শ্রদ্ধা করতে শিখুন যদি তারা ধর্ম না করে সেটা তাদের বিশ্বাস। অন্যের বলার কিছু নেই। ঈশ্বর এবং তার বোঝা পড়া হবে পরকালে হাসরের ময়দানে। কোন মানুষের সাধ্য নাই বলার কে স্বর্গ বাস করবে কে নরকে যাবে।

৬| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:৩৩

রাজীব নুর বলেছেন: কয়েক ঘন্টার একটা অনুষ্ঠান নিয়ে যারা ঝামেলা করে তারা নির্বোধ।

২০ শে এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৪:১৯

রোকসানা লেইস বলেছেন: একদম

৭| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:৩৫

নীলআকা৩৯ বলেছেন: আপনি বলেন তো মঙ্গল শোভাযাত্রা কি ? কবে থেকে এসেছে ? বাঘ ভালুকের মুখোস পরে কি ভালো আপনি নিয়ে আসবেন ? আপনার হাস্যকার যুক্তিগুলি বলে দিচ্ছে যে আপনার এ সম্পর্কে কোনো ধারনা নেই। কথা কথায় হুজুর দের গালি দেয়া খুব সহজ। এদের মৌলবাদী বলা ও সহজ। মৌলবাদী কি জিনিস ? এর অর্থ কি জানেন ? বাংলা উইকিপিডিয়া পড়ে দেখুন। এখান কি লেখা আছে এর সংগা হিসেবে।
"ইসলামী মৌলবাদকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে মুসলমানদের একটি আন্দোলন হিসেবে যারা অতীতকে ধারন করে এবং ধর্মের মূলে ফিরে যেতে চায় এবং একইভাবে জীবনযাপন করে যেভাবে নবী মুহাম্মদ (সঃ) ও তার সাহাবীগন জীবনযাপন করতেন। ইসলামী মৌলবাদীরা ইসলামের প্রাথমিক উৎস (কুরআন ও সুন্নাহ) এর "আক্ষরিক এবং মৌলিক ব্যাখ্যা" সমর্থন করে, এবং তাদের জীবনের প্রতিটি অংশ হতে "বিকৃত" অনৈসলামিক প্রভাব দূর করতে চায় এবং "ইসলামী মৌলবাদ"-কে একটি মর্যাদাহানিকর শব্দ হিসাবে দেখে ইসলামী পুনর্জাগরণ ও ইসলামী আন্দোলনের বিরোধীরা ব্যবহার করে থাকে।"

এই সংগা যদি মানতে সমস্যা থাকে তাহলে ইসলাম আর ধর্ম সম্পকে আপনার আরো অনেক লেখাপড়া করতে হবে। অল্প জানা নিয়ে ইসলাম আর ধর্ম নিয়ে কথা বলবেন না। কারন প্রতিটি কথার জন্য আপনাকে একদিন মৃত্যুর পর জবাবদিহি করতে হবে।

২০ শে এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৪:১৮

রোকসানা লেইস বলেছেন: আপনার পড়ার সমস্যা হয়েছে। আবার পড়ুন। আমি বলিনি মঙ্গল শোভা যাত্রা কি? বলেছি মঙ্গল শোভাযাত্রা করলে কি হয়?
শিরোনাম পড়েই লাফিয়ে উঠলেন? ভিতরের লেখা মনে হয় কিছুই দেখেন নি।
বিকৃত" অনৈসলামিক প্রভাব দূর করতে চায় এবং "ইসলামী মৌলবাদ"-
শুরু থেকেই তো ভাগাভাগি শুরু হয়ে গেছে নবীর নাতী কে হত্যা করা হলো । খলিফাদের হত্যাকরা হলো মসজিদে নামাজ পড়ার সময় ধর্মের মুকুট নিজে পরার জন্য। এত ভাগাভাগির ভিতর যারা ধর্ম বুঝেন এবং জানেন তারা নিজ দায়িত্বে করে আসছেন।
এত্ত ভিন্ন ধর্মি তো তবে এ দুনিয়ায় থাকার কথা না। ১৪০০ হিজরি সাল থেকে কিছুই ক্লিন হলো না এখন খানিক আনন্দের উপর হামলে পরা হয়েছে।

৮| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:৩৭

নীলআকা৩৯ বলেছেন:

২০ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৩৫

রোকসানা লেইস বলেছেন: আপনি নতুন আবিস্কৃত কম্পিউটার স্মার্ট ফোন, ব্লগ, ইন্টানেট ব্যবহার করছেন যে!!!

৯| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:৪৮

মোঃ সাইদুল ইসলাম বলেছেন: এই শোভাযাত্রা কবে শুরু হয়েছে? এটা বাঙ্গালীদের সংস্কৃতি হলো কিভাবে?

২০ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৩৬

রোকসানা লেইস বলেছেন: তাই তো! আপনি বাঙালির উৎসবের একটা ধারনা দিন তো

১০| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৫:৪৭

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: মঙ্গল শোভাযাত্রা হিন্দু ধর্মের পার্ট হলে আমি সেই নামে আপত্তি করবো। মঙ্গলের জন্য এস্তেখারা নামায দোয়া আছে। মুসলিম রাষ্ট্র সেটা করলে পারে। আমি নাগরদোলায় উঠেছি ক কিন্তু ছিঁড়ে এক্সিডেন্ট হয় কিনা সে আশঙ্কায় দোয়া পাঠ করেছি।লা হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।

২০ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৪১

রোকসানা লেইস বলেছেন: হিন্দু ধর্মের পার্ট কবে থেকে কি ভাবে হলো? আনন্দ উৎসবের জন্য যখন শুরু হলো তখন তো কোন সমস্যা ছিল না?
রাষ্ট্র মুসলিম করে থেকে হলো?
রাষ্ট্রে তো অনেক ধর্মের মানুষ আছে। তারা কি নিজের মতন আনন্দ উৎসব করতে পারবে না?
নাগরদোলায় চড়ে ভয়ে দোয়া পড়তে থাকলেন আনন্দ কখন করলেন? দোয় শিখেছেন বলে ভয়ের জায়গায় দোয়াকে ধরে থাকেন পারানি হিসাবে।
অনেক বাচ্চা আছে যারা দোয়া শিখেনি। বিশাল বিশার রোলার কোস্টারে চড়ে আনন্দে চিৎকার করে মজা করে।
মানুষের ধারনায় ব্যাপক ব্যবধান আছে।

১১| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:১৮

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন: "খুব বাজে ভাবে বললেন!!!"

--- পাঠক ক্ষমাপ্রার্থী। লিখুন। আমাদের সচেতনতার দরকার আছে।।:)

১২| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৪৮

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ।
যুক্তি পূর্ণ আলোচনা না করলে, সচেতনতা আর কবে হবে কে জানে।
মন্তব্যে ম্যাওপ্যাও এমন শব্দ কোন অর্থ বা যুক্তি দেয় না।

১৩| ২৫ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:৩০

নীলআকা৩৯ বলেছেন: আপনাকে আমি 'মঙ্গল শোভাযাত্রা'' নামে কি করা হয় সেটা জানতে বলেছি। অমঙ্গল দূর করার জন্য অসুরকে দমন করার কথা বলা হয় তখন কি সেটা ধর্মনিরপেক্ষ থাকে? অসুর কে ? এখানে কার কাছে নতুন বছরের মঙ্গল ও কল্যাণ কামনা করা হচ্ছে?

নতুন বছরের প্রথম দিনে নারী-পুরুষের মুখে উল্কি আঁকা, বড়বড় পুতুল, হুতুম পেঁচা, হাতি-কুমির-সাপ-বিচ্ছু ও ঘোড়াসহ বিভিন্ন জীব-জন্তুর মুখোশ পরা প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষ একসঙ্গে অশালীন পোশাক পরে অশ্লীল ভঙ্গিতে ঢোল বাদ্যের তালে তালে নৃত্য করে র‌্যালি করে। এটা কি ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক না ? ইসলামে এটা কবে থেকে সমর্থন করছে ? প্রমান দেখান ?

ইসলামের বিশ্বাস মতে কোন জীবজন্তু, বন্যপ্রাণী ও দেবদেবীর মূর্তির কাছে কল্যাণ ও মঙ্গল কামনা করলে ঈমান থাকবে না। মুসলমানদের বিশ্বাস মতে ভাল-মন্দ, মঙ্গল-অমঙ্গল সব কিছুই আল্লাহর হুকুমেই সংঘটিত হয়ে থাকে। মুসলমানকে কল্যাণ ও মঙ্গল কামনা করতে হবে একমাত্র আল্লাহর কাছেই। ছুরা ইখলাছ কি কখনো পরে দেখেছেন ?

ইসলাম অনাত্মীয় নারী-পুরুষের অবাধ বিচরণ অনুমোদন করে না এবং নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যেই পর্দার বিধান জারি করেছে। এটাও কি ভুলে গেছেন ?

ইসলাম যেটা হারাম ঘোষনা করেছে সেটা সর্বাবস্থায় হারাম। হাজার বছরের ঐতিহ্য হলেও হারাম, কোটি বছরের সংস্কৃতি হলেও হারাম। হাজার বছর আগে আমাদের পূর্বপুরুষরা ভুল করেছে বলে আমাদেরকেও সেই একই ভুল করতে হবে - এটাই বা কেমন আবদার? আমাদের প্রায় সবার পূর্বপুরুষই একসময় হিন্দু ছিল। তারা কুসংস্কারাচ্ছন্ন ছিল। আমরা কি এখনোও তাদের মতো ভূল করে যাবো? কিন্তু যারা এই সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত হয়েছে - অর্থাৎ যারা অমুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করছে তারা চায় আমরা যেন আবার আমাদের পূর্বপুরুষদের ভুলের পুনরাবৃত্তি করি। তারা আমাদেরকে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মিষ্টি মিষ্টি কথা শুনিয়ে হাজার বছর পেছনে নিয়ে যেতে চায়। আমাদেরকে পশুপাখি ও মূর্তির পূজারী বানাতে চায়, অশ্লীলতা ও নোংরামীতে নিমজ্জিত করতে চায়। কিন্তু সচেতন মুসলিমরা কখনোই বিভ্রান্ত হবে না ইন-শা আল্লাহ।

আপনি কি জানেন না, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "যে কাউকে অনুকরণ করে, সে তাদের মধ্যে অন্তর্গত হয়"।

আপনাকে অনুরোধ করবো শেখ এম উদ্‌দীন ভাইয়ের এই লেখাটা পরার জন্য Click This Link

আল্লাহ আপনাকে সুপথে ফেরার তৌফিক দান করুন। আমীন।

১৪| ২০ শে মে, ২০১৮ রাত ৮:৩৮

রোকসানা লেইস বলেছেন: বুঝলাম হারাম যারা ইসলাম পালন করে তাদের জন্য কিন্তু যারা পালন করে না তাদের জন্য কোন ব্যাপার না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.