নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

স্রোতের অজানা টানে সমুদ্র বালিয়াড়ি বেয়ে বোহেমিয়ান- গৃহকোন, জীবন যাপন ফেলে চলে যায়। তুমি দুহাত বাড়িয়ে আলিঙ্গনে বাঁধতে চাও জোছনা গলে হারিয়ে যায় সুখ ।আছড়ে পরা ঘূর্ণিজল মনে বাজায়অচেনা সবুজ দিগন্তচনযফ অজানা টানে সমুদ্র বালিয়াড়ি বেয়ে বোহেমিয়ান- গৃহকোন, জীবন যাপ

রোকসানা লেইস

প্রকৃতি আমার হৃদয়

রোকসানা লেইস › বিস্তারিত পোস্টঃ

সুবিধাজনক বিষের উৎপাদন তার মাঝে বসবাস

২৫ শে মে, ২০১৮ রাত ১:৪৫



পরিবেশবাদীরা পরিবেশ নিয়ে ক্রমাগত কথা বলতে থাকে। গাছ কেটো না। গাছ লাগাও। পশুর প্রতি সদয় ব্যবহার করো। প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ করো।
শুনতে আমাদের কারো কারো কাছে খুব ভালোলাগে। কিন্তু নিজেরা সচেতন ভাবে প্লাস্টিকের ব্যবহার কতটা কমিয়েছি। অনেক জায়গায় শপিং করতে গেলে প্লাস্টিক ব্যাগ এখন কিনতে হয়। অনেক দেশে প্লাস্টিকের বোতল কন্টেইনার ইত্যাদি রিসাইক্লিং করার ব্যবস্থা আছে। ফিরিয়ে দিয়ে কিছু মূল্যও পাওয়া যায় বিভিন্ন দেশে।
আবার রিসাইক্লিং কন্টেইনারে সঠিক ভাবে অনেকে ফেলেন না প্লাস্টিক বোতল, কাগজের ঠোঙ্গা ইত্যাদি অনেক শিক্ষিত মানুষও। পার্ক, সাগর পারে, লেইকের ধারে, পাথরের মাঝে পরে থাকতে দেখি আনন্দকারীদের ফেলে যাওয়া জুসের, মদের বোতল। জলে ভাসতে ভাসতে তারা কোথায় চলে যায় কোন তিমির পেটে ঢুকবে বলে । অথবা কোন পাখি তুলে নেয় খাবার ভেবে।
পরিবেশবাদীদের সংখ্যা পৃথিবীর মানুষের তুলনায় হাতে গোনা বলা যায়। তবু তারা সচেতন করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন । আমার ছোটবেলায় দেখতাম চটের ব্যাগ হাতে বাজারে যেতে । প্লাস্টিক বন্ধ করে দেয়ার পর অনেকে কাপড়ের ব্যাগ নিয়ে বাজারে যান। প্লাস্টিক ব্যগ কিনেন না। কিন্তু অনেকে এখনও পয়সা দিয়ে প্লাস্টিক ব্যাগ কিনেন। বাজার ঘরে আনতে। তাদের সংখ্যা প্রচুর।
পাটের তৈরি পরিবেশ ফ্রেণ্ডলি ব্যাগ হাতে নিতে অনেকের লজ্জা লাগে অথচ প্লাস্টিক ব্যাগ ঠিক আছে। ঘর ভর্তি হযে যায় একটা বোঝার মতন এই ব্যাগ বাজার সদাইর সাথে ঘরে আসতে আসতে। যার কোন ক্ষয় নেই। তখন বাইরে ফেলে দেয়া হয়, যা মাটিতে কখনো নষ্ট হয় না শত বছরেও।
বিভিন্ন প্রকারের বোতল কন্টিইনার ৪৫০ বছর থেকে একহাজার বছর পর্যন্ত সময় নিবে, ডিকোম্পজ হতে। অথচ গত তের বছরে ৯.১ বিলিয়ন টন তৈরি হয়েছে। মোট ২৫,০০০ এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং এর ওজন, বর্তমানে জীবিত প্রত্যেক ব্যক্তির প্রায় ২,৪০০ পাউন্ড ট্র্যাশ ব্যবহার করে।
প্লাস্টিক দূষণ মানুষ, প্রাণী, জল এবং মহাসাগরের উপর বিষাক্ত প্রভাব বিস্তার করছে। প্লাস্টিক দূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন সমান্তরাল বৈশ্বিক জরুরী অবস্থা এখন।


বিষাক্ত রাসায়নিক প্লাস্টিকের ক্ষুদ্রাংশ যা চোখে দেখা যায় না তা আমাদের রক্ত এবং টিস্যুর মধ্য পাওয়া যায়। এর প্রকাশ হয়, ক্যান্সার, জন্মগত ত্রুটি, প্রতিবন্ধী, ইমিউনিটি সিন্টেমের সমস্যা, অন্তঃস্রাবের সংক্রমণ এবং অন্যান্য রোগের সাথে সম্পর্কিত।
কিছুদিন আগের এক গবেষনায় পাওয়া গেছে কানাডার নাম করা কোম্পানির বোতলজাত পানির বোতলের পাঁচটির পানির মধ্যে মিশে আছে ত্রিশ ভাগ প্লাস্টিকের ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র অংশ। অথচ নির্দ্বিধায় পরিচ্ছন্ন মনে করে আমরা পান করছি সে সব বোতলজাত পানি। নিশ্চয়ই সবদেশের বোতলজাত পানিতেই এই সমস্যা আছে।
শরীরের ভিতর কি ভাবে প্রভাব বিস্তার করে নিচ্ছে আমরা নিজেও জানতে পারছি না।
অথচ আমরা ভালোবাসি এই প্লাস্টিক ব্যবহার করতে। থালা বাটি ঘটি জুতা স্যান্ডেল থেকে ব্যবহার্য সব রকম দ্রব্যই এখন পাওয়া যায় প্লাস্টিকের তৈরি। সহজ লভ্য এবং ভঙ্গুর নয় বলে এর ব্যবহারও আকর্ষণিও মানুষের কাছে।
প্লাস্টিক ব্যাবহারের জন্য খুব ভালো। খাবার দাবার মুড়িয়ে নিতে। প্যাকিংয়ে পানি, ভেজা তরল অবস্থা থেকে দ্রব্য বাঁচাতে সহজ পদ্ধতি। কিন্ত খাবারে প্লাস্টিকের প্রভাব যা শরীরের জন্য ভালো নয়।
প্লাস্টিক খারাপ বলে, আমি এর ব্যবহার কমাতে পারছি না নিজের ইচ্ছায়। অনেক কিছু প্লাস্টিক মোড়ানো এবং কন্টেইনারে থাকে যা ইচ্ছা না হলেও সে ভাবেই কিনতে হয়। যত দিন এর উৎপাদন বন্ধ না হবে ততদিন এই ভয়ংকর চিরজীবী পদার্থ আমাদের মাঝে ঘুরে ফিরে আসতেই থাকবে আমাদের গ্রাস করে ফেলতে। পরিবেশবাদীর বলা কওয়ায় কোন লাভ হবে না।
সাগরের জলের সাথে যে পরিমান প্লাস্টিক এখন বর্জ্য হিসাবে ভাসে তা মাছের তুলনায় বেশী। বেশী দিন না আর কয়েক বছরের মধ্যে সাগরের অনেক মাছ প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে যাবে প্লাস্টিকের কল্যাণে।
বিষ বৃক্ষের গাছ একবার গজিয়ে গেলে তাকে নিধন করতে সময় লাগে। তবে ইচ্ছা থাকলে করা যায়। পর্যাপ্ত প্লাস্টিকের ব্যবহারের মধ্যেও অনেকে প্লাস্টিক বিহীন জীবন যাপনে অভ্যস্ত হয়ে উঠছেন। খুব বেশীদিন আগে নয় একটা সময় মানুষ প্লাস্টিক ছাড়া জীবন যাপন করেছে। প্লাষ্টিকের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে পাটের তৈরি পরিবেশ বান্ধব পন্যের উৎপাদন ব্যবহার। সেদিকে মনোযোগ দেয়া যেতে পারে পরিবেষেকে ভালো রাখতে।প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করতে।

মন্তব্য ১৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে মে, ২০১৮ রাত ১:৫৪

অনুতপ্ত হৃদয় বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট

৩০ শে মে, ২০১৮ রাত ৩:১৬

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য

২| ২৫ শে মে, ২০১৮ রাত ২:০৬

রসায়ন বলেছেন: প্লাস্টিক ইটিং ব্যাকটেরিয়া নাকি খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এটার মাস প্রোডাকশন হলে প্লাস্টিক নিয়ে ঝামেলা বিদায় হতো

৩০ শে মে, ২০১৮ রাত ৩:২০

রোকসানা লেইস বলেছেন: প্লাস্টিক ইটিং ব্যাকটেরিয়া দিয়ে ক্ষয় করতে গিয়ে আরো কি ক্ষয় আসে কেজানে। ভূমি জুড়ে যে ভাবে বিস্তার লাভ করছে প্লাষ্টিক সব কি পরিস্কার করা সম্ভব হবে।
ধন্যবাদ রষায়ন

৩| ২৫ শে মে, ২০১৮ রাত ২:২০

স্ব বর্ন বলেছেন: সচেতনতা বাড়ানোর জন্য এমন গুরুত্বপূর্ন লেখা দরকার.....অনেক ধন্যবাদ এমন ভালো লেখার জন্য।

৩০ শে মে, ২০১৮ রাত ৩:২১

রোকসানা লেইস বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ স্ব বর্ণ

৪| ২৫ শে মে, ২০১৮ ভোর ৫:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:


আফ্রিকা, এশিয়া ও দ: আমেরিকার লোকেরা শিক্ষিত না হওয়ায় ভয়ানক সমস্যা হচ্ছে।

৩০ শে মে, ২০১৮ রাত ৩:২২

রোকসানা লেইস বলেছেন: প্লাস্টিক প্রথম কারা তৈরি করেছে

৫| ২৫ শে মে, ২০১৮ দুপুর ১:১৮

রাজীব নুর বলেছেন: গুরুত্বপূরনেকটি বিষয় নিয়ে লিখেছেন। মানুষকে খুব বেশি সচেতন হতে হবে।
ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

৩০ শে মে, ২০১৮ রাত ৩:২৮

রোকসানা লেইস বলেছেন: মানুষ অনেক বিষয় জানে না। বিশেষ করে সুবিধা দেয়ার বিষয়গুলো আবিস্কারের সাথে মানুষ ব্যবহার করা শুরু করেছে সুবিধা নিতে। অনেক কিছুর ক্ষতিকর প্রভাব বেশ কিছু বছর ধরে ব্যবহারের পর ধরা পরেছে। উন্নত বিশ্ব ব্যবহার কমিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ততদিনে অনুন্নত দেশগুলো ব্যবহার শুরু করেছে।
পৃথিবী জুড়েই মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
শুভেচ্ছা রইল

৬| ২৫ শে মে, ২০১৮ রাত ৯:০৬

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: খুবই দরকারী বিষয় নিয়ে লিখেছেন আপু। পোষ্টে লাইক।
ধন্যবাদ আপনাকে।

৭| ৩০ শে মে, ২০১৮ রাত ৩:২৯

রোকসানা লেইস বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা রইল সামু পাগলা০০৭

৮| ৩০ শে মে, ২০১৮ ভোর ৪:২১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: চমৎকার সুন্দর একটি লেখা। প্লাস্টিক সামগ্রী পরিবেশ বিপর্যয়ে অনেকটাই দায়ী।

৯| ৩১ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৪

রোকসানা লেইস বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কাওসার চৌধুরী

১০| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ২:৩১

রাকু হাসান বলেছেন: সাগরের মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাবে !! বিরাট খারাপ সংবাদ ! :| সবার সচেনতা জরুরি .......খারাপ লাগে তখন বেশি শিক্ষিতরা অজ্ঞের মত অসচেতন হয়ে থাকে ।

১১| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১১:৫৭

রোকসানা লেইস বলেছেন: ঠিক তাই আমরা জেনে বুঝে বিষ ছড়িয়ে যাচ্ছি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.