নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চার হাত থেকে আধ হাত কম..

সৈয়দ তাজুল ইসলাম

নিভৃত গ্রহচারী

সৈয়দ তাজুল ইসলাম › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভাটির গ্রামগুলো ডুবে যাচ্ছে: রক্ষায় এগিয়ে আসুন

১৩ ই জুলাই, ২০১৯ ভোর ৫:১৩


আমাদের ভাটির গ্রামগুলো পানিতে ডুবে যাচ্ছে। পানি আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেকের বাড়ির উঠানে পানি, অনেকের থাকা-বসার জায়গায় পানি। কারো কারো চুলায় আগুন জ্বালানো সম্ভব হচ্ছে না পানির জন্য। বেশিরভাগের টিউবওয়েল ডুবে যাওয়ায় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। এতটুকুতে শেষ নয়। মূল দূর্যোগ তো শুরু হবে বন্যার পানি নেমে গেলে। শুরু হবে ডাইরিয়া-আমাসা ইত্যাদি বিভিন্ন রোগ এবং অভাব-অনটন, খাদ্যের ঘাটতি। মধ্যনগর ইত্যাদি অনেক এলাকায় ইতোমধ্যে বন্যার পানি অনেকের বাড়ি ভেঙে নিয়ে যাচ্ছে।

প্রতিমুহুর্ত বিভিন্ন গ্রাম থেকে দোয়ার জন্য আহাজারি আসছে। আমরা দোয়া করছি। আপনারাও দোয়া করুন। দোয়ার বাইরে আর কি করণীয়, তা ভাবতে হবে আমাদের।


বন্যা দুর্গত এলাকার জলমাহালগুলোকে ইজারা দেওয়া যাবে না, স্থানীয়দের জন্য মুক্ত করে দিতে হবে কিংবা ইজারা দিয়ে যে টাকা পাওয়া যাবে সেগুলোকে প্রত্যেক অঞ্চলের গরীব মানুষের উন্নয়নে কাজে লাগানো হবে, তা সরকারকে এখনই ঘোষণা দিতে হবে। জল মাহাল মানে স্থানীয় নদী এবং বিল। এগুলো ইজারা দেওয়ার কারণে স্থানীয় জনগণ আর মাছ শিকার করতে পারে না। এতে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এজন্য ভাটির যারা শহর-নগর এবং মহানগরে কিংবা বিদেশে আছেন তারা দাবী উঠাতে পারেন সরকারের কাছে, এগুলো ইজারা না দিয়ে জনগণের জন্য ছেড়ে দেওয়া হোক কিংবা ইজারার টাকা স্থানীয়দের উন্নয়নে ব্যয় করা হোক।

এই দূর্যোগ মোকাবেলায় সরকারকে আরও সচেতন হয়ে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি জনগণকেও সাহায্যের হাত নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। রক্ষা করতে হবে আমার সোনার বাংলার গ্রামের গরীব মানুষগুলোকে। দয়া করে সবাই হাতকে প্রশস্ত করুন।


আমরা কী করতে পারি!
বন্ধুরা পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন :
আমাদের সহব্লগার, লেখক ও দার্শনিক সৈয়দ মবনু ভাই
০১৭১৫৫২৫১৪২

মন্তব্য ২৭ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (২৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই জুলাই, ২০১৯ ভোর ৫:২৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


কোন কোন এলাকা প্লাবিত হয়েছে ইতিমধ্যে?

১৩ ই জুলাই, ২০১৯ ভোর ৬:৫৭

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: সুরমা, কুশিয়ারা, খোয়াই, সাঙ্গু, সোমেশ্বরী, তিস্তাসহ কয়েকটি নদীর পানি বিপদসীমার অনেক ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যা পুর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলছে, যমুনার পানি আরো বাড়বে।

ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ১০টি জেলা বন্যা কবলিত হয়েছে। দুই-তিন দিনের মধ্যে আরো কয়েকটি জেলা বন্যা কবলিত হতে পারে। ৩৫ জেলায় আগাম প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। বন্যা পুর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের উর্ধ্বতন প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান বলেন, দেশের অর্ধেক এলাকা বন্যাকবলিত হতে পারে। বন্যাকবলিত এলাকার হাজার হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ঐ সব এলাকাগুলোতে খাবার, খাবার পানির সংকট দেখা যাচ্ছে। বহু স্থানে সড়ক যোগাযোগ ব্যহত হচ্ছে।

এই বন্যায় সবচে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে বৃহত্তর সিলেটের সুনামগঞ্জ আর বৃহত্তর ময়মনসিংহের নেত্রকোনার ভাটি অঞ্চল। ইতোমধ্যে ভাটির অনেক গ্রাম ডুবে গেছে পানিতে। পানি আরও বৃদ্ধি পেলে জনজীবনে ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। এই মুহুর্তে অনেকের বাড়ির উঠানে পানি, অনেকের থাকা-বসার জায়গায় পানি. পানির জন্য কারো কারো চুলায় আগুন জ্বালানো সম্ভব হচ্ছে না। বেশিরভাগের টিউবওয়েল ডুবে যাওয়ায় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। এতটুকুতে শেষ নয়। মূল দূর্যোগ তো শুরু হবে বন্যার পানি নেমে গেলে। শুরু হবে ডাইরিয়া-আমাসা ইত্যাদি বিভিন্ন রোগ এবং অভাব-অনটন, খাদ্যের ঘাটতি। মধ্যনগর ইত্যাদি অনেক এলাকায় ইতোমধ্যে বন্যার পানি অনেকের বাড়ি ভেঙে নিয়ে যাচ্ছে। প্রতিমুহুর্ত বিভিন্ন গ্রাম থেকে দোয়ার জন্য আহাজারি আসছে।

১৩ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৭:০৬

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: চাঁদগাজী ভাই,
আপাত সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনার ভাটি অঞ্চল নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

২| ১৩ ই জুলাই, ২০১৯ ভোর ৬:৫৫

বলেছেন: পুনর্বাসন তহবিল ও কেন্দ্র স্হাপন জরুরি।।।

১৩ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৯:৩৯

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: দেশি ভাই,
মানুষের দুর্ভোগ কখনো কমে না বিশেষত দরিদ্র মানুষগুলোর।

আর এই পুনর্বাসন তহবিল ও কেন্দ্র স্থাপন রাষ্ট্রীয় দুর্নীতিবাজদের উদর ভর্তির পান্তা হয়ে গেছে।

৩| ১৩ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৭:৩৫

রাজীব নুর বলেছেন: কেন প্রতি বছর গ্রাম গুলো ডেবে যায়?? এর স্থায়ী কোনো সমাধান নেই??

১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১:২৯

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: রাজীব ভাই,
বাঁধ নির্মাণের টাকাগুলো দিয়ে যখন জনগণ প্রতিনিধিরা বাঁধ নির্মাণের পরিবর্তে নিজেদের রাস্তাঘাট এবং ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করার চেষ্টা করে তখন স্থায়ী সমাধান কিভাবে আসবে?


যারা ভুক্তভোগী তারা যদি পারত অর্থাৎ তাদের যদি সামর্থ্য থাকতো বাঁধ নির্মাণের, অবশ্যই তারা এ সমস্যা থেকে উত্তরণ পেয়ে যেত। কিন্তু সে সকল বাঁধ নির্মাণ তদের মত অসহায়দের দ্বারা সম্ভব নয়, তাদের দ্বারা সম্ভব দুর্যোগকালীন সময়ে বেঁচে ওঠা ।

৪| ১৩ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ১১:৫৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: উজানের বাঁধ গুেলা মরণ ফাঁদ

গরমে পানি আটকে পানির অভাবে শুকিয়ে মারে
বর্ষার অতিরিক্ত পানি ভাটিতে ঠেলে দিয়ে ডুবিয়ে মারে

আমাদের রাজনীতিবিদরা খুশি- কারণ তারা অনুদানের ত্রানের টাকা লুটপাটের সুযোগ পায়!
আমজনতার হয়েছে মরণ!

প্রতিবারই আমজনতার সক্রিয়া অংশগ্রহনে, াথবা নিরবে মেনে নিয়েই মানুষ পার করে এ দু:সময়!
এবার সকলেই সহয়াতার হাত বাড়িয়ে আসবে আশঅ করি।

কিন্তু প্রয়োজন স্থায়ী সমাধান। খরা বা অকাল অতিবণ্যায় যেন আর ভাসতে না হয়।
স্বাভাবিক বন্যা প্রকৃতির আশীর্বাদ। কিন্তু কৃত্রিম বন্যা প্রতিবেশীর স্বার্তপরতার ফল।

১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১:৫৭

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু ভাই,

কৃত্রিম আর অকৃত্রিম দুর্যোগ যাই বলেন, আমাদের প্রতিনিধিরা চাইলে এই খাতে ব্যয় হওয়া অর্থ দিয়ে সকল দুর্যোগ থেকে মুক্তির এমনকি স্থায়ী সমাধানের পথ বের করতে পারে। কেউ যে করছে না এমন না, কেউ কেউ নিজ এলাকার জন্য কিছু তো করছেই, তবে অধিকাংশরাই অনুদানের ত্রানের টাকা লুটপাটের সুযোগ পায়।
এরা চাইলে এসকল দুর্যোগ থেকে পরিত্রাণের ব্যবস্থা করতে পারে; স্থায়ীভাবেই।


আপনি লক্ষ করবেন, ধান কাটার সময় আগত হঠাৎ আগত বন্যাগুলোর মোকাবিলার জন্য সাধারণ কৃষকেরা কী পরিমান পরিশ্রম করে। এদের এই পরিশ্রমকে যদি আমাদের জনপ্রতিনিধিরা কৌশলের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধের কাজে ব্যবহার করতো তাহলে এদের আন্তরিক চেষ্টায় হয়তো এসকল দুর্যোগ থেকে কিছুটা মুক্তি পাওয়া যেত।
আমাদের কথা, বাবারা তোরা মাল খা তবে একটু লিমিটে খা!


পরিষ্কার সুচিন্তিত মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৫| ১৩ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ২:১৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এবারের বন্যা কি মারাত্বক আকার ধারন করবে বলে মনে হয়?

বন্যার জন্য উজানের বাধগুলোর সাথে সাথে আমাদের সরকারগুলোও দায়ী। নদী-নালা-খাল-বিল সব ভরাট করে দখলের মহোৎসব করলে পানি যাবে কোথায়? সব 'খেকো'দের জন্য দেশটা আস্তে আস্তে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে!! X(

১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ২:১৩

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: হ্যা ভাই, ধীরে ধীরে বাড়তেই আছ। আল্লাহ না করুক মারাত্মক আকার ধারণ করলে তো আরো সমস্যা।

এই দুরাবস্থার সময় সৈয়দ মবনু ভাই সহ আরো অনেকেই বক্তিগত ভাবে তাদের সহায়তায় পাশে দাঁড়িয়েছেন। অনেক সংঘটন তাদের সহযোগীতায় তৎপর ভূমিকা রাখছে। কিন্তু দূর্যোগ মোকাবেলায় এগুলো যথেষ্ট নয়। আলহামদুলিল্লাহ এখন পর্যন্ত অনেকেই বিভিন্ন অনুদান দিয়ে এসকল বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।


নদী-নালা-খাল-বিল সব ভরাট করে দখলের মহোৎসব করলে পানি যাবে কোথায়? সব 'খেকো'দের জন্য দেশটা আস্তে আস্তে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে!!
কথাগুলো খারাপ না, একেবারে সঠিক বলেছেন।


৬| ১৩ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৩:০৩

আখেনাটেন বলেছেন: উত্তরবঙ্গের নদীগুলোতেও পানি বাড়ছে। নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ায় একসাথে বেশি বৃষ্টিপাত হলে সাথে উজানের পানির ঢল আসলে মারাত্মক রূপ নেয়। খোঁজখবর রাখছি এলাকার। অনেক দিন থেকে বন্যা না হওয়ায় মানুষ এখনও নিশ্চিত রয়েছে যে কিছু হবে না। তাই যেন হয়।

১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ২:১৬

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:

এলাকার খোঁজ খবর রাখছেন জেনে অনেক ভালোলাগলো প্রিয় নেফারতিতির প্রেমিক।
প্রত্যেকেরই উচিত নিজ নিজ অবস্থান থেকে এসকল বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। এগুলো বলে দিতে হয় না, মানুষ কেন যে পাশে দাড়ায় না সেটাই ভাবার বিষয়।

জীবন সুখময়, সবাই সুখে থাকুক।

৭| ১৩ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: সরকারের অনেক কিছুই করার আছে। করবে কিনা সেটাই দেখার বিষয়। বন্যার সময় সাধারণ মানুষ সবসময়েই এগিয়ে আসে। আমরাও কলেজের তরফ থেকে এ ধরনের পরিস্থিতিতে অতীতে চাঁদা তুলে পাঠিয়েছি। আশা করি এবারও পাঠাবো।

১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ২:৪২

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:
সরকারের অনেক কিছুই করার আছে এবং করছেও, তবে তদারকির বিষয়টা একেবারে নেই বললেই চলে। যার কারনে সরকারের সহযোগিতা জনগণের দুর্যোগ মোকাবেলার ঠিক পাশাপাশি এসে দাঁড়াতে পারে না।

বিদ্রোহী ভৃগু দার মন্তব্য দেখেছেন, আমাদের রাজনীতিবিদরা খুশি- কারণ তারা অনুদানের ত্রানের টাকা লুটপাটের সুযোগ পায়!
আমজনতার হয়েছে মরণ!

আসলে আমাদের রাজনীতিবিদদের অবস্থা অনেকটা এরকম।



আপনার স্টুডেন্ট লাইফের চাদা তুলে পাঠানোর তথ্য শুনে ভালোই লাগছে। সর্বোপরি এখন যে আবারো সেই সকল পরিস্থিতি মোকাবেলায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ইচ্ছা করেছেন সেটাকে সালাম জানাই।


নিজে ভাল থাকুন, অন্যকে ভাল রাখুন।

৮| ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১:০১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: এটিই আমাদের বিজয়, আমরা বন্যা কবলিত অবস্থায় জীবন যাপনে অভ্যস্ত!!! কিছুদিন পর আমরা সম্পূর্ণ পানিতে বসবাস শুরু করবো।

১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ২:৫৬

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:

রাস্তার উন্নতি ও বেহাল দশায় দুর্নীতি দেখে ভাবছিলাম এবার আর নৌকা চলবে না। । নদী-নালা-খাল-বিল সব ভরাট করে দখলের মহোৎসব দেখতেই মনে হয় আপনাদের এই বন্যার আগমন । যাহোক বিজয় তো হল! চলুন এবার এবিষয়ক জরুরি আলোচনা সভার নামে কিছু ভোজন সেরে নেই X((


৯| ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১:৩৮

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: বন্যার্ত দের ত্রাণ সহায়তা দেয়া দরকার

১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৩:০০

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: সেলিম আনোয়ার ভাই, দেশ বিদেশ থেকে এখন পর্যন্ত অনেকেই যোগাযোগ করেছে। চাইলে আপনিও যোগাযোগ করতে পারেন, পোস্টে নাম্বার দেয়া আছে।


অনেক অনেক ধন্যবাদ প্রিয় কবি ভাই।

১০| ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৩:২৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



আসামে বড় বন্যা হওয়া মানে এই বানের পানিতে আমাদের ভেসে যাওয়া। গত কয়দিনে হিমালয়ের এই অঞ্চলে ব্যাপক বৃষ্টি হয়েছে আগামী সপ্তাহখানেক চলার পূর্বাবাস আছে। এজন্য আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশে বন্যা হবে, নিম্নাঞ্চল ডুবে যাবে। আশা করি, সরকার এ বিষয়ে সচেতন।

১৫ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ২:১৮

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: বাংলাদেশের প্রায় অধিকাংশ নিম্নাঞ্চলে বন্যা হতে চলেছে। বিপদগ্রস্ত মানুষ, অসহায় মানুষগুলো সরকারের দিকে চেয়ে আছে কিন্তু সরকার বা প্রশাসনিক দায়িত্বরত মানুষগুলো নিজেদের সুবিধা আদায় করতে এতই ব্যস্ত যে আজকাল এসব অসহায় মানুষদের পাশে তাদের দাঁড়ানো এক প্রকার সাময়িক অভিনয়ের রূপ নিয়েছে।

ধন্যবাদ প্রিয় কাওসার ভাই।

১১| ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৩:২৫

আরোগ্য বলেছেন: এটা কি বিকাশ নম্বর সৈয়দ ভাই?

১৫ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ২:২২

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:

হ্যা ভাই, এটা বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট নাম্বার, তবে আমার না লেখক সৈয়দ মবনু ভাইয়ের নাম্বার এটা। উনি এখন ঐখানেই থাকার কথা।

১২| ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ ভোর ৬:৩৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: উপদ্রুত এলাকায় দ্রুত ত্রাণের ব্যবস্থা দরকার। সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন এনজিও বা বেসরকারি উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরী।

১৮ ই জুলাই, ২০১৯ ভোর ৬:৫৯

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ভাই ,

বাংলাদেশের অনলাইন সংবাদ পত্রে খোঁজ নিলে জানতে পারবেন,এগুলো যথেষ্ট নয়।

ধন্যবাদ

১৩| ১৮ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৭:২৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


এই সময় জমিতে কি কোন ধরণের ফসল ছিলো?

১৪| ২০ শে জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: নদীর নাব্যতা কমে যাওয়া নদী ভরাট , খাল খন্দ ভরাট পানির ধারণের জায়গা হ্রাস করেছে অনেক খানি । ফলে আগের তুলনায় অনেক অল্পপানিতে তলিয়ে যাচ্ছে গ্রাম ভিটে বাড়িঘর ফসলের জমি সব। এর জন্য দায়ি লোভী মানুষ সরকার এর দায় এড়াতে পারবে না। বানভাসি লোকদের জন্য শুভকামনা থাকলো। আমারা দেশের মানুষ সচেতন না হলে এই দেশের সামনে ভয়ানক বিপদ। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.