নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

লেখালেখি

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম › বিস্তারিত পোস্টঃ

গল্পঃ চোর

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৫৭

বেশি বয়সের পুরুষ মানুষ কম বয়সী মেয়ে বিয়ে করলে যেসব সমস্যায় পড়ে, তার একটা হলো বউয়ের আবদার রক্ষা করা। বাচ্চু মিয়ার কথা ধরুন। তার বউ রাহেলা বলেছে, এবার ঈদে তাকে একটা জামদানী শাড়ি কিনে দিতে হবে। বিয়ের পর প্রথম ঈদ। এ সময় বউয়ের আবদার বড় স্পর্শকাতর। টানাপোড়েনের সংসারে বাপের মৃত্যুর পর সোমত্ত বোনের বিয়ে দিয়ে নিজে বিয়ে করতে করতে বাচ্চু মিয়ার বয়স চল্লিশ ছুঁই ছুঁই হয়ে গেল। এই বয়সী লোককে মফঃস্বল শহরের কেউ মেয়ে দিতে চায় না। অগত্যা গ্রাম থেকে এক গরীব পরিবারের মেয়ে রাহেলাকে সে বিয়ে করে নিয়ে এল। রাহেলার বয়স ষোল সতেরোর বেশি নয়। তার চোখে মুখে শিশিরভেজা সদ্য ফোটা গোলাপের হাসি। গাঁও গেরামের গরীব ঘরের মেয়ে। বয়স যাই হোক, স্বামী পেয়েই সে খুশি। কিন্তু শশুর বাড়ি থেকে ছেলে কিছু না পাওয়ায় বাচ্চু মিয়ার মা নাখোশ। বুড়ি সকাল থেকে সন্ধ্যে পর্যন্ত রাহেলাকে শাপ-শাপান্ত করে। তবু হাভাতে ঘরের মেয়ে রাহেলার মুখ থেকে হাসি যায় না। সে কলপাড়ে বসে থালা বাসন মাজে, রান্নাঘরে লাকড়ি তোলে, উঠোন ঝাড়ু দেয় আর ফিক ফিক করে হাসে। শাশুড়ি যে কী বলে, বেশিরভাগ কথাই সে বোঝে না।

তো এই নতুন বউ রাহেলা স্বামীর কাছে শাড়ির আবদার করেছে। তাও আবার জামদানী। কম দামের জামদানী শাড়িও তিন হাজার টাকার নিচে পাওয়া যায় না। বাচ্চু মিয়া শাড়ির দোকানেই সেলসম্যানের কাজ করে। শাড়ির দাম তার মুখস্থ। বউয়ের আবদার শুনে তার বুক ধড়াস্ করে ওঠে। তার এক মাসের বেতন তিন হাজার টাকা। ঈদের সময় এক হাজার টাকা বোনাস। এর বাইরে তার আর কোন রোজগার নেই।

সারাদিন অসংখ্য শাড়ির ভাঁজ খুলে নিজের গায়ে জড়িয়ে খদ্দেরকে দেখাতে হয়। বাচ্চু মিয়ার অধিকাংশ খদ্দেরই মহিলা। তারা একেক সময় একেক আবদার করে। বলে, ‘আঁচলটা কেমন, দেখি!’ শাড়ির আঁচল নিজের বুকের ওপর ছড়িয়ে দিয়ে বাচ্চু মিয়াকে দেখাতে হয়। তার লজ্জা লজ্জা করে। কিন্তু উপায় কী? এটাই তার চাকরি। মহাজন এই কাজের জন্যই তাকেসহ দোকানের চারজন সেলসম্যানকে বেতন দেয়।
‘এই পাড়টা নীলের ওপর হলে ভালো হতো’ অথবা ‘আঁচলের কাজটা বডিতে হলে ভালো হতো’–খদ্দেরের এমন নানারকম ‘ভালো হতো’র জবাব হাসিমুখে দিতে হয়। একটুও রাগ করা যাবেনা। বয়স যতই হোক, কোন মহিলা খদ্দেরকে খালাম্মা, চাচিমা এসব সম্বোধন করা যাবেনা। বলতে হবে ‘আপা’ অথবা ‘ম্যাডাম’। মালিকের কড়া নির্দেশ। একটার জায়গায় বিশটা শাড়ি দেখতে চাইলেও দাঁত বের করে তা’ দেখাতে হবে। কখনোই বিরক্ত হওয়া যাবেনা। বেনারসি, জামদানী, কাতান, কাঞ্জিভরম, সিল্ক, তসর, টাঙ্গাইল, ছাপা-এমন কোন শাড়ি নেই, যা বাচ্চু মিয়ার গায়ে ওঠেনি। একজন মহিলা সারা জীবনেও এত শাড়ির স্পর্শ পায় না। পরিচিত লোকজন দোকানে এলে বা দোকানের সামনে দিয়ে হেঁটে গেলে গায়ে শাড়ি জড়ানো অবস্থায় বাচ্চু মিয়ার অস্বস্তি হয়। সে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকে। ঈদ বা পূজা পার্বণে এই অবস্থা চরমে ওঠে।

পনের বছর হলো এই দোকানে চাকরি করছে বাচ্চু মিয়া। কিন্তু কোন দিন সে যা করেনি, রাহেলাকে খুশি করতে গিয়ে এবার সে তাই করলো। ঈদের চারদিন আগে সে দোকান থেকে একখানা জামদানী শাড়ি চুরি করে ঘরে নিয়ে এল। কিন্তু রাহেলা চুরি করা শাড়ি পরবে না। তাকে অনেক বুঝিয়েও রাজি করাতে পারছেনা বাচ্চু মিয়া। হাসি খুশি রাহেলার চেহারা গম্ভীর। তার চোখ মুখ থেকে কিশোরী মেয়ের চপলতা উধাও। যেন এক মুহূর্তেই সে অনেক বড় হয়ে গেছে। বিয়ের পর তার এই চেহারা কখনো দেখেনি বাচ্চু মিয়া। সে বিব্রত মুখে বলে, ‘আচ্ছা নে, এবারকার মতো পর। আর কোনদিন আনবো না।’
রাহেলা চিৎকার করে বলে, ‘না, না। আপনি এক্ষুনি এই শাড়ি ফেরত দিয়ে আসেন। না হলে আমি পাড়ার সবাইকে বলে দেব।’
‘সর্বনাশ!’ বাচ্চু মিয়া বউয়ের মুখ চেপে ধরে ফিস ফিস করে বলে, ‘তোর কী মাথা খারাপ হয়েছে? এই শাড়ি ফেরত দিতে গেলে আমি ধরা পড়ে যাবো। আমার চাকরি থাকবে না। সবাই আমাকে চোর বলে ঘৃণা করবে।’
‘আপনি তো চোরই। আমিও আপনাকে ঘেন্না করি।’
‘এসব তুই কী বলছিস?’ বাচ্চু মিয়া মহা বেকুব, ‘তোর শখ মেটানোর জন্য আমি এটা নিয়ে এলাম, আর তুই আমার সাথে এমন করছিস? ছিঃ ছিঃ, আগে জানলে এই কাজ করতাম না।’
রাহেলা কোন কথা শুনতে রাজি নয়। তার এক কথা, এই শাড়ি এক্ষুনি দোকানে ফেরত দিতে হবে। তা’ না হলে সে শাশুড়িসহ পাড়া-প্রতিবেশি সবাইকে বলে দেবে। ভীষণ বিপাকে পড়ে গেল বাচ্চু মিয়া। গিলে ফেলা সহজ, কিন্তু বমি করা কঠিন। এই শাড়ি দোকানে চুপি চুপি রেখে আসা সম্ভব নয়। ও কাজ করতে গেলে সে নির্ঘাত ধরা পড়ে যাবে। অন্য দোকানে বিক্রি করতে গেলেও জানাজানি হয়ে যাবে। বাচ্চু মিয়া যে ‘গফুর এন্ড সন্স’ দোকানের কর্মচারী, তা’ বাজারের সবাই জানে। ভারি মুশকিল হয়ে গেল। এই শাড়ি এখন বাচ্চু মিয়ার গলার কাঁটা।

শেষে বউকে অনেক বুঝিয়ে সুঝিয়ে একটা রাতের জন্য শাড়িটা ঘরে রাখার অনুমতি পেল বাচ্চু মিয়া। বউয়ের কঠিন শর্ত, কাল সকালে দোকানে যাবার সময় অবশ্যই শাড়িটা নিয়ে যেতে হবে। বউয়ের শর্ত মেনে আপাততঃ রেহাই পেল সে।
রাতে ঘুমের মধ্যে বাচ্চু মিয়া স্বপ্ন দেখলো। ঈদের পরদিন তার বউ জামদানী শাড়ি পরে সেজে গুজে স্বামীর সাথে বাপের বাড়ি বেড়াতে গেছে। সেখানে গ্রামের মেয়েরা তার শাড়ি দেখে অবাক। এত দামি শাড়ি কিনে দিয়েছে তার স্বামী? রাহেলার কপাল বটে! ফেরেশতার মতো স্বামী পেয়েছে সে। শহরে বিয়ে হবার এই এক সুবিধা। শহরের ছেলেদের মন বড় হয়। গ্রামে স্বামীদের হাতে যত টাকাই থাক, বউকে তারা কখনো এত দামের শাড়ি কিনে দেবে না। তারা টাকা জমিয়ে জমিয়ে শুধু জমি কেনে।
শ্বশুরবাড়িতে বাচ্চু মিয়া খুব সম্মান পেল। বাড়ির পোষা মোরগ জবাই করা হলো জামাইয়ের জন্য। রাহেলা জামদানী শাড়ি পরে মোড়া পেতে বসে রইল উঠোনে। তার মুখে স্বর্গের হাসি। ঘোমটা টানা প্রতিবেশি মহিলারা ভিড় করে দেখছে তাকে। কেউ কেউ এগিয়ে এসে রাহেলার শাড়ির আঁচল হাত দিয়ে পরখ করে চোখ কপালে তুলে ফিরে যাচ্ছে। বাচ্চু মিয়ার শাশুড়ি রান্নাবান্নায় ব্যস্ত। শশুর নিজ হাতে ডাব কেটে জামাইয়ের হাতে দিয়ে কাঁচুমাচু মুখে দাঁড়িয়ে আছে। বাচ্চু মিয়ার দশ বছর বয়সী পিচ্চি শ্যালক তার দুলাভাইয়ের জন্য ঝোপ ঝাড় খুঁজে কিছু বেতফল নিয়ে এসেছে। খোসা ছাড়িয়ে সেগুলো একটা মাটির সানকিতে জমা করছে সে।

রাহেলার ধাক্কাধাক্কিতে বাচ্চু মিয়ার সুখস্বপ্নের ঘুম ভেঙ্গে যায়। সকাল হয়ে গেছে। চাটাইয়ের বেড়ার ফাঁক গলে কাঁচা রোদ এসে ঢুকেছে ঘরে। ঘড়িতে সাতটা বাজে। আটটার মধ্যে দোকানে পৌঁছাতে হবে। দেরি হলে মহাজন রাগারাগি করে। খুব দ্রুত হাত মুখ ধুয়ে নাস্তা খেয়ে প্রস্তুত হলো বাচ্চু মিয়া। রাহেলা তোষকের নিচ থেকে খবরের কাগজ দিয়ে মোড়ানো শাড়িটা এনে ওর হাতে দিয়ে গম্ভীর মুখে বললো, ‘এবার ঈদে আমাকে কোন শাড়ি দিতে হবেনা। আপনি এমন কাজ আর করবেন না।’ বাচ্চু মিয়া শাড়ি হাতে নিয়ে ঘর থেকে বেরোলে ওর বৃদ্ধা মা কলতলা থেকে চেঁচিয়ে বললো, ‘তোর হাতে ওটা কী রে, বাচ্চু?’
‘কিছু না, মা।’

বাড়ি থেকে বেরিয়ে হন হন করে হেঁটে বাচ্চু মিয়া মোড় পর্যন্ত এসে দোকানের দিকে না গিয়ে অন্য রাস্তায় রওনা হলো। শাড়িটা কোথাও ফেলে দিতে হবে। শহরের বড় ড্রেনটা যেখানে গিয়ে খালের সাথে মিশেছে, সেখানে সবার অজান্তে এই কাজ সারতে হবে। মোড় থেকে মাইলখানেক হাঁটা রাস্তা। বাচ্চু মিয়া তার হাঁটার গতি বাড়িয়ে দিল।
পথে এক মুদি দোকানের সামনে জটলা দেখে থেমে গেল সে। ছেলে বুড়ো, নারী পুরুষ সবাই হট্টগোল করছে। মাঝবয়সী লুঙ্গি পরা খোঁচা খোঁচা দাড়িওয়ালা এক লোককে ঘিরে তাদের হৈ চৈ। বাচ্চু মিয়া ভিড় ঠেলে ভেতরে ঢুকে দেখে, লোকটির দুই হাত পিছমোড়া করে বাঁধা। মুখে ভুষা কালি আর চুনের ছোপ ছোপ দাগ। গলায় দড়ি দিয়ে ঝোলানো পুরনো জুতা স্যান্ডেলের মালা। তাকে এখন এই মহল্লার পথে পথে ঘোরানো হবে। মুদি দোকান থেকে দুধের প্যাকেট চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ায় লোকটির এই শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে। একজন অতি উৎসাহী যুবক এক পাটি রাবারের জুতা হাতে লোকটির পাশে দাঁড়িয়ে আছে। তার কাজ হলো, নতুন কেউ চোরটিকে দেখতে এলে তার হাতে রাবারের জুতা ধরিয়ে দিয়ে চোরের গালে মারার ব্যবস্থা করা। বাচ্চু মিয়াকেও জুতা দিয়ে মারতে বলা হলো। দু’একজন যারা বাচ্চু মিয়াকে চেনে, তারা হৈ হৈ করে উঠলো, ‘বাচ্চু ভাই, মারেন, মারেন।’
বাচ্চু মিয়া হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। কী করবে, সে বুঝতে পারছেনা। চার দিক থেকে সমস্বরে চিৎকার, ‘মারেন, মারেন।’ চোরের গালে এক ঘা জুতা মেরে বোকার মতো দাঁড়িয়ে রইল বাচ্চু মিয়া। ‘আরও দুটা বাচ্চু ভাই, আরও দুটা। মোট তিনটা মারেন।’ বাচ্চু মিয়া আরো দুই ঘা মেরে জুতা ফেলে দিল। তারপর সে অতি দ্রুত ভিড় ঠেলে বেরিয়ে দিকভ্রান্তের মতো হাঁটা দিল খালের দিকে। তার বগলে কাগজে মোড়ানো জামদানী শাড়ি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফেলে দিতে হবে এটা। নরম শাড়ি এখন তার বগলের নিচে কাঁটা হয়ে ফুটছে।
শহরের নালা ও খালের সংযোগস্থলে একটা ইটের ওপর পেশাব করার মতো করে বসে আশেপাশে কেউ আছে কী না দেখে নিল বাচ্চু মিয়া। না, তার দৃষ্টিসীমার মধ্যে কেউ নেই। বুকের ভেতর ঢিপ ঢিপ করছে ওর। মাথাটা ভীষণ ভারি। মনে হচ্ছে, মাথার ভেতর লোহা লক্কড় ভরে বসে আছে সে।
আবর্জনাসহ নোংরা কালো পানি ড্রেন থেকে বেরিয়ে স্রোতের মতো মিশে যাচ্ছে খালের পানিতে। বিরামহীন কল কল শব্দ। আর একবার এদিক ওদিক দেখে নিয়ে চোখ বন্ধ করে শাড়িটা পানিতে ফেলে দিল বাচ্চু মিয়া। ‘আহ্!’

মিনিটখানেক চোখ বন্ধ করে বসে থেকে উঠে পড়লো সে। তারপর টলমলে পায়ে একটু নিরাপদ দূরত্বে সরে এসে রাস্তার পাশে একটা ল্যাম্প পোষ্টের গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে রইল। নিজের পায়ের কালো স্যান্ডেল জোড়ার দিকে নজর গেল ওর। এক মুহূর্ত কী যেন ভাবলো সে। তারপর পা থেকে এক পাটি স্যান্ডেল খুলে আচমকা নিজের গালে ঠাস ঠাস করে তিন ঘা বসিয়ে দিল বাচ্চু মিয়া। স্কুলে যাওয়ার পথে একদল ছেলেমেয়ে ওর এই কাণ্ড দেখে দাঁড়িয়ে পড়েছে। তারা বোঝার চেষ্টা করছে লোকটা পাগল কী না! বাচ্চু মিয়া ওদেরকে চলে যাওয়ার জন্য ধমক দিতেই ওরা সমস্বরে চিৎকার করে উঠলো, ‘পাগল, পাগল!’ তারপর রাস্তায় পড়ে থাকা নুড়ি পাথর ও ঢিল তুলে ওরা ছুঁড়তে লাগলো বাচ্চু মিয়ার দিকে।
বাচ্চু মিয়া সত্যি সত্যিই পাগলের মতো দৌড়ে পালিয়ে যেতে চাইল। ছেলেমেয়েরা পেছন থেকে ঢিল ছুঁড়ছে ওর দিকে। প্রাণপণে দৌড়াচ্ছে বাচ্চু মিয়া। ‘এ্যাই, এ্যাই’ বলে চিৎকার করে সে সাবধান করছে বাচ্চাদের। কিন্তু তাতে ওদের উৎসাহ আরও বেড়ে যাচ্ছে। বিপুল বিক্রমে ইট পাটকেল ছুঁড়ছে ওরা। এক পাটি স্যান্ডেল থেকে গেছে রাস্তায়। পাগলের মতো এক পাটি স্যান্ডেল পরে দু’হাতে মাথা ঢেকে দৌড়াচ্ছে বাচ্চু মিয়া।
***************************************************************************************************************
রি-পোস্ট।

মন্তব্য ৭০ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (৭০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:০৬

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: প্রথম হইছি, রাজশাহীর আম দেন B-)

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:১২

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ঠিক জিনিষটাই চেয়েছেন, যাতে না দিতে পারি। পাকা তাল চাইলেও তো দু'একটা দিতে পারতাম।

২| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:০৯

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: শাশুড়ি যে কী বলে, বেশিরভাগ কথাই সে বোঝে না।..........মনে হয় কানে কালা :-B

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:১৫

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: এই গল্প আপনি এর আগে পড়েছেন। তারপরেও বলছেন রাহেলা কালা। সে কালা নয়, কানে একটু কম শোনে। হে হে হে। :-P

৩| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:১২

আমি পোলাপাইণ বলেছেন: ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী কাব্যময়।
পুর্নিমার চাদ যেন ঝলসানো রুটি

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:১৬

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই আমি পোলাপাইন।


ভালো থাকুন। শুভেচ্ছা রইল।

৪| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:২২

শায়মা বলেছেন: আগেও পড়েছিলাম এবং মুগ্ধ হয়েছিলাম ভাইয়া!

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:২৫

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ বোন শায়মা।


ভালো থেকো। শুভেচ্ছা রইল।

৫| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:২৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


সুন্দর প্লট, ভালোভাবে প্রকাশিত

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৩১

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই চাঁদগাজী।



ভালো থাকুন। শুভকামনা রইল।

৬| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৩৩

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: ক পাটি স্যান্ডেল থেকে গেছে রাস্তায়। পাগলের মতো এক পাটি স্যান্ডেল পরে দু’হাতে মাথা ঢেকে দৌড়াচ্ছে বাচ্চু মিয়া।.........তারপর কি হলি?

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৪৩

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: তারপর আর কী হবে? বাচ্চু মিয়ারে একজোড়া স্যান্ডেল কিনে দিয়েছেন নরসিংদীর কামাল উদ্দিন।

৭| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৩৪

সুমন কর বলেছেন: হুম, আগে পড়েছিলাম।

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৪৪

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই সুমন কর।



ভালো থাকুন। শুভকামনা রইল।

৮| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৩৬

সাদা মনের মানুষ বলেছেন:
নাহার আপা তার ফুল বাগান থেকে আপনার জন্য দুইডা তাল পাডাইছে

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৪৭

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ফুল বাগান থেকে তাল? আমি এক্কেরে বেতাল হইয়া গেলাম।

৯| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৩৮

সাদা মনের মানুষ বলেছেন:
আর মেজদা পাডাইছে এইগুলি

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৪৯

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: মেজদাকে আমার ধইন্যাপাতা পৌঁছাইয়া দিয়েন।

১০| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৫৭

Kishor Mainu বলেছেন: সুন্দর।।।

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:২৩

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই কিশোর মাইনু।


ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা রইল।

১১| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:১৬

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: গল্প ভালো শ্রদ্ধেয়, মুগ্ধতা জানিয়ে গল্পের গাঁথুনিতে।

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:২৫

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন।


ভালো থাকুন। শুভকামনা রইল।

১২| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:৫৫

প্রামানিক বলেছেন: কামাল মিয়ারে আম দিলে আমারে নাটোরের কাঁচা গোল্লা দেন।

চমৎকার গল্প। ধন্যবাদ হেনা ভাই।

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:২৭

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: নাটোরের কাঁচাগোল্লা এখন নাটোরের পচাগোল্লা হয়ে গেছে প্রামানিক ভাই।


আপনাকে ধন্যবাদ। ভালো থাকুন। শুভকামনা রইল।

১৩| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:০৯

কানিজ রিনা বলেছেন: রাজসাহীতে গফুর এন্ডসন্স একটা শাড়ির
দোকান ছিল। খুব পরিচিত, গল্পটা বেশ
শিক্ষামূলক। ভাল লাগল ধন্যবাদ।

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:২৯

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: হাঁ, আপনি ঠিকই বলেছেন।


ধন্যবাদ বোন কানিজ রিনা। ভালো থাকুন। শুভেচ্ছা রইল।

১৪| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ২:৪৪

সাইফুল১৩৪০৫ বলেছেন: চোর দিয়ে চোর পেটালেন। আর সেই চোরকে দৌঁড়ানি দিলেন আমাকে দিয়ে? খুবই শিক্ষামূলক ও ভাল লাগল পড়ে।

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৩০

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: হাঃ হাঃ হাঃ। ধন্যবাদ ভাই সাইফুল১৩৪০৫।


ভালো থাকুন। শুভেচ্ছা রইল।

১৫| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ৮:৪০

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: প্রামানিক ভাই গুলগুলা নিয়া হাজির হইছে কইথ্থেকে?

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৩২

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: এইগুলা গুলগুলা নয় কামাল ভাই। এইগুলা পচাগোল্লা। একবার খাইলে সারাজীবন আর ভুলবেন না।

১৬| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৩৭

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: গল্প ভাল লেগেছে ভাইয়া।
১৬ নং কমেন্টের জন্য কি পাব ভাইয়া?

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৩৫

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ১৬ নম্বর কমেন্টের জন্য শুভকামনা ছাড়া আর কী দেব ভাই?


ধন্যবাদ ভাই মোস্তফা সোহেল। ভালো থাকবেন।

১৭| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:১১

রক বেনন বলেছেন: বরাবরের মতই সুন্দর হেনা ভাই। চমৎকার প্লট।

আপনার চোখের কি অবস্থা এখন? আশা করি ভাল আছেন আগের থেকে। ভালো থাকবেন হেনা ভাই।

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৩৭

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই রক বেনন। আমার চোখের অবস্থা ভালো। অপারেশনের পর এখন বেশ ভালো দেখতে পাচ্ছি।


ভালো থাকবেন। শুভকামনা রইল।

১৮| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:০২

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: অসাধারণ।
কেন জানি এই গল্পের নির্মাণ শিল্প আলাদা মনে হলো।

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:০৮

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: কেন জানি এই গল্পের নির্মাণ শিল্প আলাদা মনে হলো।

আমার প্রতিটি গল্পের নির্মাণ শৈলী আলাদা। আপনি খুব সহজেই গল্পগুলিকে পৃথক করতে পারবেন। যেটা কমন, সেটা হলো হিউমার, যা অধিকাংশ গল্পেই আপনি খুঁজে পাবেন।

ধন্যবাদ ভাই শাহাদাৎ হোসাইন। ভালো থাকবেন। শুভকামনা রইল।

১৯| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৩৬

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: আমারো চাইছে মন
ফাটাই ব্যাটার গাল;
কে কয়েছে ক'তে তারে
শাড়িটা চুরির মাল!!

আমি হলে কইতুম
বৌ কি আনছি দেখো;
'পাঁচহাজার ফুল ক্যাশ'
এভাবেই কয়া শেখো। ;)

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০২

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন:


আমি হলে কইতুম
বৌ কি আনছি দেখো;
'পাঁচহাজার ফুল ক্যাশ'
এভাবেই কয়া শেখো।


হাঃ হাঃ হাঃ। ছড়ার ছন্দে ভালোই বলেছেন। ধন্যবাদ ভাই কি করি আজ ভেবে না পাই। ভালো থাকুন। শুভেচ্ছা রইল।

২০| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৫৯

শাহানাজ সুলতানা বলেছেন: সুন্দর

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০৩

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ বোন শাহানাজ সুলতানা।


ভালো থাকুন। শুভকামনা রইল।

২১| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:০৮

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: ভালো লিখেছেন,গুরু + :P


আগেও এবার পড়েছিলাম ।

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০৪

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: পুনরায় পড়ার জন্য ধন্যবাদ ভাই শাহরিয়ার কবীর।


ভালো থাকুন। শুভকামনা রইল।

২২| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:০৭

ওমেরা বলেছেন: বাচ্চু মিয়া এত বোকা কেন !! সে শাড়ীর দোকানে করে একটা শাড়ীতো কিস্তিতে নিতে পারত ।

দাদু ভাইয়া কেমন আছেন ? অনেক ধন্যবাদ দাদু ভাইয়া ।

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১০

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: নিচে ২৩ নম্বর কমেন্টে করুনাধারার 'তাইলে এই গল্প কই পাইতাম' কথাটি তোমার মন্তব্যের সঠিক উত্তর।


আমি ভালো আছি ওমেরা বুবু। তুমি কেমন আছো? গল্পটি পড়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। ভালো থেকো বোন। শুভকামনা রইল।

২৩| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:৩৭

করুণাধারা বলেছেন: ওমেরা বলেছেন, "বাচ্চু মিয়া এত বোকা কেন !! সে শাড়ীর দোকানে করে একটা শাড়ীতো কিস্তিতে নিতে পারত ।"

তাইলে এই গল্প কই পাইতাম!!!

গল্পে +

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১১

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ করুণাধারা।


ভালো থাকবেন। শুভকামনা রইল।

২৪| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:১৮

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: চোরের পরে এবার ডাকাত নিয়া একটা বাস্তব গল্প চাই :-B

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৫৮

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ঠিক আছে, তাহলে কিছুদিন ডাকাতদের সাথে মেলামেশা করে লেখার মশলাপাতি জোগাড় করে নিই। :-P

২৫| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:১২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: দারুন গল্প!

থিম, বর্ণনা, সাবলিলতা.. পরিণতি.. সব মিলিয়ে মুগ্ধ :)

++++

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৩৪

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই বিদ্রোহী ভৃগু। একটা কথা প্রসঙ্গত বলতেই হয়। আমি ইদানিং নতুন লেখা পোস্ট না দিয়ে পুরাতন লেখাগুলিই রি-পোস্ট দিচ্ছি। এতে হয়তো কেউ কেউ বিরক্ত হতে পারেন। প্রকাশ না করলেও সেটা আমি বুঝতে পারি। কিন্তু আমার আগের কিছু লেখা অত্যন্ত পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছিল, যা পরে আসা অনেক ব্লগারই পড়েননি। মূলত তাদের জন্যেই লেখাগুলো রি-পোস্ট দেওয়া। আপনার মন্তব্য থেকে ধারনা করছি এই গল্পটি আপনি আগে পড়েননি। রি-পোস্ট না দিলে হয়তো আপনার আর কোনদিন পড়াই হতো না।
যাই হোক, রি-পোস্ট দেওয়া লেখাগুলো যারা আগে পড়েছেন, তাদেরকে বিরক্ত না হবার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।

ভালো থাকুন। শুভকামনা রইল।

২৬| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৩০

আহমেদ জী এস বলেছেন: আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম ,




নিকট অতীতেই এই গল্পটি পড়ে মন্তব্যও করেছিলুম কিন্তু "রিপোস্ট" এই লেখাটি পড়ে ফেলেছি বলে বলে " রি-মন্তব্য "একটা করতেই হয় । আমিও আমার ঐ মন্তব্যটা এখানে "রি-পোস্ট" দিলুম । B-)
মন্তব্যটি দেখা যাচ্ছেনা ? তাহলে সেই পোস্টটি থেকে চোর এর মতো একটু চুরি করে দেখে আসুন......... :|

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৩০

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: হাঃ হাঃ হাঃ। নিজের পোস্টে নিজেই চুরি করে দেখার একটা অন্যরকম মজা আছে মনে হয়।


ধন্যবাদ ভাই আহমেদ জী এস। ভালো থাকুন। শুভকামনা রইল।

২৭| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:১৮

সোহানী বলেছেন: হাঁ আগেও পড়েছিলাম......... তারপরও ভালোলাগা আবার জানালাম............

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৩২

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ বোন সোহানী।



ভালো থাকবেন। শুভকামনা রইল।

২৮| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:৫১

জাহিদ অনিক বলেছেন: যার লাইগা করলাম চুরি সেই বলে চোর


গল্প ভাল লেগেছে হেনা ভাই। আগেও যেমন লাগত।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:০১

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই জাহিদ অনিক।


ভালো থাকুন। শুভেচ্ছা রইল।

২৯| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:৩৪

জুন বলেছেন: আমাদের দেশের বিভিন্ন উৎসব আর পার্বনে অল্প আয়ের মানুষ বাচ্চু মিয়াদের আশা আকাঙ্ক্ষা আর বঞ্চনার গল্প মনকে স্পর্শ করে গেল ভীষনভাবে হেনা ভাই।
অনেক ভালোলাগা রইলো ।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:০৫

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: উৎসব ও পালা পার্বণে বাড়তি খরচের ধাক্কা প্রান্তিক শ্রেনির মানুষের জন্য সত্যিই বজ্রপাতের মতো।



ধন্যবাদ বোন জুন। ভালো থাকুন। শুভেচ্ছা রইল।

৩০| ০১ লা অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৫

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: নিম্ন আয়ের সৎ নিরীহ মানুশের গল্প। লেখকদের, পাঠকদের ইমোশান নিয়ে খেলা করার দারুন এক হাতিয়ার সমাজের নিম্ন শ্রেনীর মানুষের জীবন কাথা।

০১ লা অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:৩৩

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই কলিমুদ্দি দফাদার।


ভালো থাকুন। শুভকামনা রইল।

৩১| ০২ রা অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১২:০০

বর্ষন হোমস বলেছেন:
আপনার লেখনী অত্যন্ত ভাল।পড়ে মজা পেলাম।

ধন্যবাদ।

০২ রা অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০১

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই বর্ষন হোমস।



ভালো থাকুন। শুভকামনা রইল।

৩২| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:০৩

পুলক ঢালী বলেছেন: হেনাভাই খুব সুন্দর লিখেছেন।
আমি দুটো বিষয়ে চমৎকৃত
১। রাহেলা গরিব ঘরের সাধারন মেয়ে, শাড়ি গয়নার প্রতি মেয়েদের দুর্বলতা চিরন্তন সেগুলো জয় করে চরম নিতিবতির পরিচয় দিয়েছে।
২। বাচ্চু মিয়াঁ বউএর প্রতি ভালবাসায় ন্যায় নিতি জ্ঞান হারিয়ে চুরি করে। নাথিং ইজ আন ফেয়ার ইন লভ অ্যান্ড ওয়ার তাই বাচ্চু নির্দোষ কিন্তু বিবেক জেগে যাওয়ায় তার সমস্যা তৈরি হয়।

গল্পে নিম্নবিত্ত মানুষের সাধ ও সাধ্যের ব্যাবধান খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। খুব ভাল লাগলো।

১১ ই অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪৫

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: রাহেলার কম বয়সটাও প্রণিধানযোগ্য। সাধারণত অত কম বয়সে শাড়ি গয়নার লোভ সামলে সততার ওপর অনড় থাকা খুব কঠিন। বাস্তবে এরকম একজন হীরের টুকরা মেয়েকে আমি দেখেছি, যার কারণেই এই গল্পটা আমি লিখতে পেরেছি।


ধন্যবাদ পুলক ঢালী ভাই। ভালো থাকুন। শুভেচ্ছা রইল।

৩৩| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:১০

পুলক ঢালী বলেছেন: সামমা ভাই যে সুন্দর তালের ফুল এনেছেন চমৎকৃত হলাম কিন্তু আমার কেন বড়া খাওয়ার লোভ জাগছে বুঝতে পারছিনা :D
ওনার শিঙ্গাড়া, কাঁচামরিচ আর পেয়াজকাটা দেখে ক্ষুধার মিটার চড়চড় করে তুঙ্গে উঠছে :D

১১ ই অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪৯

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: আরে ভাই, সাদা মনের মানুষ তো এইসবই করে। খাবারের ছবি দিয়ে লোভ জাগিয়ে দেয়। এই ছবির শিঙ্গাড়া গুলো দেখলে যে কারো খেতে মন চাইবে, আপনার আর দোষ কী?

৩৪| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৭ ভোর ৬:২১

শান্তির দেবদূত বলেছেন: বরাবরের মতোই অসাধারণ। আপনার প্রতিটি গল্পের প্লট একটু অন্যরকমের হয়, আর সেটার প্রকাশভঙ্গি হয় আরও দারুন ও সাবলিল। সবমিলিয়ে খুবই স্বার্থক একটি ছোট গল্প। শুভেচ্ছা রইল প্রিয় গল্পকার।

১৪ ই অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৯:৫১

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই শান্তির দেবদূত।



ভালো থাকবেন। শুভকামনা রইল।

৩৫| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:২২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আহ , আমাদের দেশের বড় বড় চোরদের যদি বাচ্ছু মিয়ার মত বিবেকের দংশন বলে কিছু থাকতো !!!!

০২ রা নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৩৬

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: বড় বড় চোরদের মধ্যে বিবেকের দংশন বলে কিছু নেই। থাকলে তারা বড় চোর হতে পারতো না। সমাজের প্রান্তিক শ্রেনির মানুষরাই বিবেকের দংশনে ভোগে। তারা সামান্য অনৈতিক কাজ করেও মনে মনে কষ্ট পায়।


ধন্যবাদ ভাই গিয়াস উদ্দিন লিটন। ভালো থাকুন। শুভেচ্ছা রইল।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.