নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে ১৯৭৭ সালে এস.এস.সি এবং আনন্দ মোহন কলেজ থেকে ১৯৭৯ সালে এইচ.এস.সি পাশ করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৪ সালে এলএল.বি (সম্মান) এবং ১৯৮৫ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএল.এম পাশ করি।

মোহাম্মদ আলী আকন্দ

১৯৮৭ সালে আইনজীবী হিসাবে ময়মনসিংহ বারে এবং পরে ঢাকা বারে যোগদান করি। ১৯৯২ সালে সুপ্রিম কোর্ট বারে যোগ দেই।

মোহাম্মদ আলী আকন্দ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ওমর ইশরাক

৩১ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১০:১০

ওমর ইশরাক
এই মানুষটাকে চিনে রাখুন।



কোন বাংলাদেশিকে যদি প্রশ্ন করা হয়, গুগলের সি ই ও কে? সবাই এক কথায় বলে দিবে ইন্ডিয়ার অমুক।
কিন্তু যদি প্রশ্ন করা হয় মেডট্রনিক (Medtronic) বা ইন্টেল (Intel) এর চেয়ারম্যান এবং সি ই ও কে? তখন অধিকাংশই আকাশের তাঁরা গুনতে থাকবে।

ওমর ইশরাক, যার জন্ম বাংলাদেশে, মেডট্রনিক (Medtronic) এবং ইন্টেল (Intel) এর চেয়ারম্যান এবং সি ই ও।

কত বড় পদে তিনি আছে এটা জানার জন্য প্রথমে মেডট্রনিক (Medtronic) এবং ইন্টেল (Intel) সম্পর্কে আমাদের জানতে হবে।

মেডট্রনিক (Medtronic) হচ্ছে পৃথিবীর সর্ব বৃহৎ মেডিকেল টেকনোলজি কোম্পানি (medical technology company) এই কোম্পানি সব ধরণের অত্যাধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম তৈরি করে। এই কোম্পানিতে ১ লক্ষ মানুষ কাজ করে।

আর ইন্টেল (Intel) মানেই কম্পিউটার। কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলে খ্যাত প্রসেসর থেকে শুরু করে অসংখ্য যন্ত্রপাতি তারা তৈরি করে। তাছাড়া সফটওয়্যার এবং কম্পিউটার সম্পর্কে নানা ধরণের সমাধান তারা দেয়।

ওমর ইশরাক মেডট্রনিক (Medtronic) কে যোগ দেয়ার আগে আমেরিকার আরেকটি বড় কোম্পানি জেনারেল ইলেক্ট্রনিকের সি ই ও এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি শুধু কোম্পানি প্রশাসনে দক্ষ না তিনি অনেক মেডিক্যাল যন্ত্রপাতি আবিষ্কারও করেছেন।

তিনি ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডনের কিং'স কলেজ থেকে ব্যাচেলর অফ সাইন্স ডিগ্রী এবং ইলেক্টিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ Ph.D. করেন। তিনি কিং'স কলেজের ফেলো। তিনি American Institute for Medical and Biological Engineering (AIMBE) কলেজের ফেলো এবং আমেরিকার National Academy of Engineering আর নির্বাচিত সদস্য।

তার নামটা এখন আলোচনায় এসেছে আরেকটা কারণে, সেটা হচ্ছে তিনি বাংলাদেশের কয়েকটা কোম্পানিকে প্রস্তাব দিয়েছেন, যাতে তারা তার কোম্পানি মেডট্রনিক (Medtronic) থেকে সহায়তা নিয়ে বাংলাদেশেই দ্রুত করোনা ভাইরাস সনাক্তের টেস্টিং কিট তৈরি করে।

মন্তব্য ৩০ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৩০) মন্তব্য লিখুন

১| ৩১ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১০:২৯

নেওয়াজ আলি বলেছেন: মানুষ মানুষের জন্য

৩১ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১০:৫০

মোহাম্মদ আলী আকন্দ বলেছেন:



"মানুষ মানুষের জন্য"
আমাদের অনেক দীনতার মধ্যে আরেকটা দীনতা হচ্ছে আমরা আমাদেরকে চিনি না।
আমরা চিনি ইন্ডিয়ানদেরকে।
ইন্ডিয়ানরা কোন বড় পদে গেলে আমরা অনেক গর্ববোধ করি।
কিন্তু বাংলাদেশ জন্মগ্রহণকারী অনেক মানুষ অনেক বড় বড় পদে আছে যা আমরা জানি না।
আর জানলেও তেমন প্রচার করি না।

২| ৩১ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১০:২৯

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: একটি অজানা বিষয় জানা হলো। মোহাম্মদ আলী আকন্দ সাহেবকে ধন্যবাদ।

৩১ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১০:৫৩

মোহাম্মদ আলী আকন্দ বলেছেন:


"একটি অজানা বিষয় জানা হলো।"
আপনাদেরকে জানাতে পেরেছি এই জন্য ভাল লাগছে।
লিঙ্কগুলিতে গেলে তাঁর সম্পর্কে আর জানতে পারবেন।

আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

৩| ৩১ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১০:৩৩

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: চমৎকার তথ্য। গর্ব বোধ করছি। উনার উদ্যোগে সফলতা কামনা করি।

৩১ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১০:৫৮

মোহাম্মদ আলী আকন্দ বলেছেন:



"চমৎকার তথ্য।"
লিঙ্কগুলিতে আরো তথ্য জানতে পারবেন।

"গর্ব বোধ করছি।"
এই সব মানুষকে নিয়ে বিশ্ব গর্ব করে।
তিনি এক দিকে খুব ভাল কোম্পানি বা ব্যবসা প্রশাসক এবং একই সাথে বৈজ্ঞানিক।
তিন মেডিক্যালের অনেক যন্ত্রপাতি আবিষ্কার করেছেন।
যেগুলি খুবই আধুনিক।

"উনার উদ্যোগে সফলতা কামনা করি।"
বাংলাদেশকে নিয়ে তিনি যে উদ্যোগ নিয়েছেন তার সফলতা তাঁর উপর না।
যেখানে একটা হাসপাতাল বানাতে বাঁধা দেয় সেখানে এই উদ্যোগ সফল হওয়া কঠিন।

৪| ৩১ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১১:৪০

কলাবাগান১ বলেছেন: উনি বাংলাদেশের ওয়ালটনকে ভেন্টিলেটর তৈরীতে সাহায্য করবেন....আমেরিকার টিভিতে ভারতীয় বিজ্ঞানী, ডাক্তার, কর্পোরেট হেড, ইন্জিনিয়ার আর এখন দখল করে নিয়েছে করোনার সময়...। করবে কেন, তারা যোগ্যতা দিয়েই আমেরিকাতে এমন স্হানে আসতে পেরেছে...এর মাঝে ইশরাক সাহেব আমাদের মান বাচালেন

৩১ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১১:৫৩

মোহাম্মদ আলী আকন্দ বলেছেন:



"উনি বাংলাদেশের ওয়ালটনকে ভেন্টিলেটর তৈরীতে সাহায্য করবেন"

এই তথ্য সঠিক বলে আমি জানি। তথ্যটা সংযোজন করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

"করবে কেন, তারা যোগ্যতা দিয়েই আমেরিকাতে এমন স্হানে আসতে পেরেছে...এর মাঝে ইশরাক সাহেব আমাদের মান বাচালেন"

ইন্ডিয়ানদের যোগ্যতা নিয়ে আমার কোন বিরূপ মন্তব্য নাই।
আমরা বাংলাদেশের যোগ্যতাসম্পন্ন লোকদের কথা জানি না। আমি শুধু এই কথাই বলতে চেয়েছি।
জানলেও ইন্ডিয়ার মত প্রচার করি না।
আবার প্রচার করলেও এর সাথে রাজনীতি জড়িয়ে ঘোলাটে করে ফেলি।
আবার কেউ কেউ এটা কে ছোট করে দেখার চেষ্টা করি।
ভাব করি, না, এটা এমন কি আর?
কিন্তু ইন্ডিয়ারটাকে সব সময় হাইলাইট করতে থাকি।

https://www.medtronic.com/us-en/about/leadership/omar-ishrak.html

https://newsroom.intel.com/biographies/executive-management/#gs.1tm5gj

৫| ৩১ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১১:৪১

কলাবাগান১ বলেছেন: করবে না কেন?

৩১ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১১:৫৪

মোহাম্মদ আলী আকন্দ বলেছেন:



ইন্ডিয়ানদের যোগ্যতা নিয়ে আমার কোন বিরূপ মন্তব্য নাই।

৬| ০১ লা এপ্রিল, ২০২০ রাত ১২:২৪

রাজীব নুর বলেছেন: মানুষকে টাকে চিনে রাখলাম।

০১ লা এপ্রিল, ২০২০ রাত ১:৫৫

মোহাম্মদ আলী আকন্দ বলেছেন:


"মানুষকে টাকে চিনে রাখলাম।"
টাকে চিনেন আর গুনে চিনেন -- চিনলেই হল।

৭| ০১ লা এপ্রিল, ২০২০ রাত ১:২২

ইফতি সৌরভ বলেছেন: আসলে আমাদের পত্রিকাগুলো আজ উনাকে নিয়ে লিখেছে। একজন বাংলাদেশি যে এত বড় পদে আছেন তা আগে জানা ছিল না। ভারতীয়রা যেভাবে তাদের যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের নিয়ে নিয়মিত প্রচার করে তা আমাদের দেশে জ্ঞানী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে খুব কম হয়! বিশ্ব ব্যাংকের ভারতের country director পদে এখন একজন বাংলাদেশি আছেন জুনায়েদ কামাল আহমেদ- এমন অনেকেই আছেন যাদেরকে নিয়ে নিয়মিত ফিচার করলে আমাদের নতুন প্রজন্ম উপকৃত হতো। ড. আবেদ চৌধুরী সহ অনেক গুণী ব্যক্তির জীবনী একসময় আমাদের অনেক প্রভাবিত করেছিল ।

০১ লা এপ্রিল, ২০২০ রাত ২:১৫

মোহাম্মদ আলী আকন্দ বলেছেন:



"আসলে আমাদের পত্রিকাগুলো আজ উনাকে নিয়ে লিখেছে।"

পত্রিকা দেখা হয় নাই। কোন পত্রিকায় লিখেছে?


"একজন বাংলাদেশি যে এত বড় পদে আছেন তা আগে জানা ছিল না।"

বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত অনেক আমেরিকান বড় বড় পদে আছেন। নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অনেক ভাল ভাল প্রফেসর আছেন। অনেক গবেষক আছেন।

"ভারতীয়রা যেভাবে তাদের যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের নিয়ে নিয়মিত প্রচার করে তা আমাদের দেশে জ্ঞানী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে খুব কম হয়!"

শুধু পত্রিকা না। আমাদের মাঝে কেন জানি নিজেদেরকে ছোট করে দেখার একটা প্রবণতা আছে। অন্যদেরকে বিশেষ করে ইন্ডিয়ার কোন কিছুকে বড় করে দেখতে পছন্দ করি। ইন্ডিয়ানরা খুব মেধাবী ইত্যাদি বলতে কেন জানি আমরা পছন্দ করি। ইন্ডিয়ানরা মেধাবী হউক বা না হউক এটা তাদের ব্যাপার এটা নিয়ে আমার কোন বক্তব্য নাই। কিন্তু আমাদেরটা আমরা কেন প্রচার করতে চাই না। অথবা কেন আমরা খামাখা ইন্ডিয়ার সাথে নিজেদেরকে তুলনা করে ছোট হতে চাই -- আমি জানি না।


"এমন অনেকেই আছেন যাদেরকে নিয়ে নিয়মিত ফিচার করলে আমাদের নতুন প্রজন্ম উপকৃত হতো।"

আমার মতে শুধু নতুন প্রজন্ম না সবাই উপকৃত হতো।
বাংলাদেশের অনেক মানুষের ধারণা যারা বিদেশে থাকে তার সবাই খুব ছোট কাজ করে।
কিছু দিন আগে এক সাংবাদিক বলেছিলেন, বিদেশে বাংলাদেশিরা সবাই জুতা পোলিশ করে।
আরেক বার এক আমলা বলেছিলেন বিদেশে যারা থাকে সব কামলা (তুচ্ছার্থে)
কিছু দিন আগে এক মন্ত্রী বলেছেন এরা কি লাট সাহেব?

৮| ০১ লা এপ্রিল, ২০২০ রাত ২:২৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: যে (জাতি অর্থে) নিজেকে সন্মান করতে জানে না, বিশ্বও তাকে সন্মান করে না।

আমাদের মন্ত্রী-আমলাদের কথা বাদ। এরা জাতির জন্য বোঝা-স্বরুপ।

০১ লা এপ্রিল, ২০২০ ভোর ৪:২১

মোহাম্মদ আলী আকন্দ বলেছেন:



"যে (জাতি অর্থে) নিজেকে সন্মান করতে জানে না, বিশ্বও তাকে সন্মান করে না।"

এখন আমার প্রশ্ন (প্রশ্ন আমার নিজের কাছেও), কেন বাংলাদেশিরা জাতি হিসাবে বা ব্যক্তি হিসাবে নিজেদেরকে সম্মান করে না?
এই মন মানসিকতার পিছনে কি মনস্তত্ব কাজ করে?
জাতি হিসাবে বা রাষ্ট্র হিসাবে আমাদের কি কিছু সমস্যা আছে?
যদি উত্তর হাঁ সূচক হয়, তা হলে প্রশ্ন, কি সেই সমস্যা?
আমি দেখেছি ইন্ডিয়ান বংশোদ্ভূত পিচাই সুন্দররাজন (ডাকা হয় সুন্দর পিচাই) যখন গুগলের সিইও হয় তখন বাংলাদেশের পত্রিকা সহ সোশ্যাল মিডিয়ার ঝড়। পিচাই কত সুন্দর, পিচাই কত ব্রিলিয়ান্ট। সেই সাথে কেউ কেউ পিচাইয়ের প্রশংসা করতে করতে ইন্ডিয়ানদের প্রশংসা করতেও ছাড়ে নাই। এক কথায় অনেকেই বুঝতে চেয়েছে জাতিগত ভাবে ইন্ডিয়ানরা অনেক ব্রিলিয়ান্ট বাংলাদেশের তুলনায়।

ইন্ডিয়ানদের মেধা নিয়ে আমার কোন প্রশ্ন বা কৌতূহল নাই এবং কোন মন্তব্যও নাই। কিন্তু ইন্ডিয়ানদের প্রশংসা করতে করতে বাংলাদেশিদেরকে ছোট করা আমার পছন্দ হয় না।

কিছু দিন আগে আমি শিকাগো বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেখানে বাংলাদেশ বংশোদ্ভূত স্থপতি ফজলুর রহমান খানের ডিজাইন করা সিয়ার্স টাওয়ার দেখতে গিয়েছিলাম। ১১০ তালা ভবনটি ১৯৭০ সালে নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ১৯৭৩ সালে শেষ হয়। এত আগের একটা বিল্ডিং তারপর শত শত মানুষ এই ভবন দেখতে আসে। আমি আমেরিকাতে এমন কোন বিখ্যাত বিল্ডিং পাই নাই যা কোন ইন্ডিয়ান ডিজাইন করেছে।

"আমাদের মন্ত্রী-আমলাদের কথা বাদ। এরা জাতির জন্য বোঝা-স্বরূপ।"
এদের কথা বাদ দিব কি ভাবে?
জাতির এই বুঝাগুলি তো বহির্বিশ্বে জাতিকে প্রতিনিধিত্ব করে।

৯| ০১ লা এপ্রিল, ২০২০ ভোর ৪:৫৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার প্রশ্নগুলো পড়তে পড়তে নিজের অজান্তেই একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেললাম, কারন প্রশ্নগুলির উত্তর অপ্রিয় হলেও আমি জানি। আমার ধারনা, আপনিও জানেন। চাইলে এটা নিয়ে আপনি লিখতে পারেন, আমিও পারি। কিন্তু কি লাভ? কিছু কি বদলাবে তাতে?

০১ লা এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৫২

মোহাম্মদ আলী আকন্দ বলেছেন:



আপনি হয়তো প্রশ্নগুলির উত্তর জানেন।
কিন্তু আমি পুরাপুরি জানি না। আংশিক জানি।
আংশিক জানা দিয়ে সব হয় না।
তবে একটা প্রধান কারণ বলতে পারি সেটা হল বাংলাদেশিরা নিজেদেরকেই নিজেরা পছন্দ করে না। অথবা একটু জোরালো ভাবে বললে নিজেরা নিজেদেরকে ঘৃণা করে।

১০| ০১ লা এপ্রিল, ২০২০ ভোর ৫:৫৩

কলাবাগান১ বলেছেন: এসব কথা বলে নিজেকে সান্তনা দিয়ে লাভ নাই। সত্য যেটা সেটা সত্যই...যত ভারতীয় রা আজ প্রফেসর/বিজ্ঞানী/ডাক্তার/আবিস্কারক এর স্হানে আছে আমেরিকাতে, তার ২% ও বাংলাদেশীরা নাই আমেরিকাতে....থাকবে কিভাবে, আমেরিকাতে আসার পর প্রথম কাজ হল কোথায় তার উপজেলা/গ্রাম এর সমিতি আছে সেটায় যোগ দেওয়া অথবা সে রকম সমিতি স্হাপন করা....তারপর কয়দিন পরে কে প্রেসিডেন্ট হবে তা নিয়ে মারপিট...পাল্টা সমিতি গঠন। ভারতীয়রা যখন বাংগালীর মুদি দোকানে দিনে কাজ করে রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসে যায়, তখন আমরা ব্যস্ত, এই এলাকায় আরেক টা মসজিদ বানানোতে (যদিও ২৫-৩০ মাইল এর মধ্যে পাশের শহরেই বড় মসজিদ আছে).......লাইব্রেরী বানান নো যায় সেই কনসেপ্ট ই নাই ৯০-৯৫% প্রবাসী বাংলাদেশীর মাঝে.....।
যদি দ্বিতীয় জেনেরেশান কিছু করতে পারে..তার পথ চেয়ে আছি

০১ লা এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:৫১

মোহাম্মদ আলী আকন্দ বলেছেন:



১."এসব কথা বলে নিজেকে সান্তনা দিয়ে লাভ নাই।"

কাউকে সান্তনা দেয়া আমার এই পোস্টার লক্ষ্য না।
আর কাউকে সান্ত্বনা দেয়া আমার দায়িত্বের মধ্যেও পরে না।

২. "সত্য যেটা সেটা সত্যই...যত ভারতীয় রা আজ প্রফেসর/বিজ্ঞানী/ডাক্তার/আবিস্কারক এর স্হানে আছে আমেরিকাতে, তার ২% ও বাংলাদেশীরা নাই আমেরিকাতে "

ইন্ডিয়ার সাফল্য বা ব্যর্থতায় আমার কোন আনন্দ বা বেদনা নাই।
কারণ ইন্ডিয়া আমার দেশ না।
ইন্ডিয়ার সাফল্য বা ব্যর্থতায় ইন্ডিয়ানরা আনন্দিত বা কষ্ট পেতে পারে এবং এটাই স্বাভাবিক।
আমার আনন্দ বা বেদনা বাংলাদেশের এবং আমেরিকার সাফল্যে বা ব্যর্থতায়।

৩. আপনার তৃতীয় পয়েন্ট বাংলাদেশিরা সমিতি আর রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত।

আমি আপনার এই কথার সাথে একমত। আবার বাংলাদেশিদের রাজনীতি মানে বিএনপি আর আওয়ামী লীগ; ডেমোক্র্যাটিক বা রিপাবলিকান পার্টি না। যদি বিএনপি আওয়ামী লীগ বাদ দিয়ে ডেমোক্র্যাটিক বা রিপাবলিকান পার্টিও করতো তাহলেও কিছু লাভ হাত। তবে এই কারণের সাথে মূল বিষয়ের খুব বেশি সম্পর্ক নাই।

৪. "ভারতীয়রা যখন বাঙ্গালীর মুদি দোকানে দিনে কাজ করে রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসে যায়, তখন আমরা ব্যস্ত, এই এলাকায় আরেক টা মসজিদ বানানোতে "

এটা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সত্য না।
বাংলাদেশিরা সমিতি (ইউনিয়ন, থানা, জেলা এবং বাংলাদেশ সমিতি), বিএনপি-আওয়ামী লীগ, স্কুল-কলেজের স্টাইলে পিকনিক, পহেলা বৈশাখ, ২১শে ফেব্রুয়ারি সহ সব দিবস এবং খুব নিম্নমানের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এইগুলি নিয়ে ব্যস্ত থাকে। আবার এই অনুষ্ঠানগুলিকে কেন্দ্র করে চাঁদা তুলা, দলাদলি করা ইত্যাদি একটা বিশাল ব্যাপার।

৫. ইন্ডিয়ানরা দিনে কাজ করে রাতে পড়তে যায় এই কথা সত্য। কারণ যে ইন্ডিয়ানরা দিনে কাজ করে রাতে পড়তে যায় তারা ইন্ডিয়ান গভর্নমেন্টের কাছ থেকে স্টুডেন্ট লোন নিয়ে স্টুডেন্ট ভিসায় আমেরিকাতে পড়তে এসেছে। এই ধরণের ভিসায় কোন বাংলাদেশি আমেরিকাতে আসে না। বাংলাদেশিরা সরাসরি স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে আসে। এ ছাড়া কোন বিকল্পও নাই। বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে এই ধরণের শত শত বাংলাদেশী ছেলে-মেয়ে পড়াশুনা করছে এবং ভাল করছে। এবং পাস করার পর খুব ভাল চাকরিও করছে। একটা কথা মনে রাখতে হবে সবাই সিইও বা চেয়ারম্যান হবে না। আমার মত অনেকেই দায়িত্বপূর্ণ সরকারী কাজে নিয়োজিত আছেন।

১১| ০১ লা এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৭:১৮

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আমাদের অনেক বড় বড় আর নামি প্রফেশনালই আছেন যারা পশ্চিমে বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি আর একাডেমিয়ায় আছেন।কিন্তু মেডট্রনিকের মতো এতো বিখ্যাত মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির এতো টপ এক্সিকিউটিভ হিসেবে মনে হয় খুব বেশি বাংলাদেশী মানুষ নেই। একজন গর্ব করার মতো মানুষ আমাদের। কিন্তু ডক্টর ওমর ইশরাক সম্পর্কে দুটো তথ্য মনে হয় ভুল হয়েছে আপনার লেখায় । প্রথমটা হলো ডক্টর ইশরাক কিন্তু কখনো GE-র প্রেসিডেন্ট বা সিইও ছিলেন না। উনি সম্ভবত সিইও ছিলেন GE Healthcare-এর। এটা GE -র একটা সাবসিডিয়ারি। এরাও অবশ্য মেডিকেল টেকনোলজি/ ইকুপমেন্ট তৈরির একটা ওয়ার্ল্ড জায়ান্ট । আর আরেকটা তথ্য কাইন্ডলি চেক করবেন সেটা হলো ডক্টর ইশরাক ইন্টেলের কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান ও সিইও না । উনি ইন্টেলের এখনকার বোর্ড অফ ডাইরেক্টরের চেয়ারম্যান। খুবই বড় একটা পজিশন বলাই বাহুল্য । যাহোক, একজন কৃতি বাংলাদেশিকে আমাদের সবার সাথে পরিচয় করে দেবার জন্য ধন্যবাদ ।

০১ লা এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:০৩

মোহাম্মদ আলী আকন্দ বলেছেন:



তিনি GE তে ১৬ বছর কাজ করেছেন। প্রথমে অফিসার এবং পরে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে।
বর্তমানে GE Healthcare এর একটা বিভাগ GE Healthcare Systems এর সিইও এবং প্রেসিডেন্ট।

আর এটা আপনি ঠিক বলেছেন তিনি ইন্টেলের বোর্ড অফ ডাইরেক্টরের চেয়ারম্যান।

আমি আমার পোস্টে যে লিংকগুলি দিয়েছি সেগুলিতেই হালনাগাদ তথ্য আছে।
তাড়াহুড়া করে লেখার জন্য কিছু ভুল হয়েছে তার জন্য দুঃখিত।

১২| ০১ লা এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১০:২৬

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: অনেক মন্দ খবরের মাঝে এমন চমৎকার খবর মনকে আপ্লুত করে। সুন্দর তথ্য শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

০১ লা এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:১৭

মোহাম্মদ আলী আকন্দ বলেছেন:



"অনেক মন্দ খবরের মাঝে এমন চমৎকার খবর মনকে আপ্লুত করে। সুন্দর তথ্য শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।"

আসলে অনেক ভালো খবরই আছে।
কিন্তু কেন জানি মন্দ খবর বেশি প্রচারিত হয়।
আমি আমার এই পোস্টের মাধ্যমে এই কথাটাও বলতে চেয়েছি ভালো খবরগুলো প্রচার হলে উৎসাহ আরো বাড়বে।
জাতি হিসাবে হীনমন্যতা কমে যাবে।
আত্মবিশ্বাস বাড়বে।
তবে বাড়াবাড়ি করা ঠিক না।
আমরা আবার অনেক সময় একটা পজিটিভ খবর নিয়ে অনেক বেশি মাতামাতি করি।
কার আগে কে অভিনন্দন জানাবে।
কার আগে কে সংবর্ধনা দিবে।
তারপর শুরু হবে রাজনীতি করণ।
তারপর একদলের পক্ষে অবস্থান হেলে পড়লে আরেক দল তাকে পচিয়ে দিবে।
যেমন হয়েছে নোবেল লোরিয়েট ড. ইউনুসের ক্ষেত্রে।
একটা দলের কাছে তাঁর মত এত খারাপ লোক পৃথিবীতে আর নাই।
রাজনীতির নোংরা আবর্তে তাঁকে নিয়ে বাংলাদেশের কোন গর্ব নাই, আছে দুঃখ।

১৩| ০১ লা এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:৪৯

রাজীব নুর বলেছেন: আসলে আমার জানার এবং চেনার পরিধি খুব বেশি সীমিত।

০১ লা এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:২২

মোহাম্মদ আলী আকন্দ বলেছেন:



"আসলে আমার জানার এবং চেনার পরিধি খুব বেশি সীমিত।"

এই কথা দ্বারা বুঝা যাচ্ছে আপনি ক্রমেই জ্ঞানী হয়ে উঠছেন।
যত জ্ঞান বাড়তে থাকবে, তত মনে হতে থাকবে, আমি তো কিছুই জানিনা।
তখন মনে হবে আরো একটু পড়ি, আরো একটু জানি।

১৪| ০১ লা এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৫৪

আসোয়াদ লোদি বলেছেন: উনার সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে চাই। স্বদেশে অবদান রাখুক সেটাই প্রত্যাশা।

০১ লা এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:৪৯

মোহাম্মদ আলী আকন্দ বলেছেন:



"উনার সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে চাই।"
আমি আমরা মূল পোস্টে দুইটা লিংক দিয়েছি, সেখান থেকে আরো জানতে পারবেন।

"স্বদেশে অবদান রাখুক সেটাই প্রত্যাশা।"
স্বদেশে অবদান রাখা কঠিন বা অসম্ভব।
বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসাবে তাঁকে সুরক্ষা দিতে পারবে না।
কারণ বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ রাষ্ট্র, সরকার এবং রাজনৈতিক দল -- এই তিনটার মধ্যে পার্থক্য করতে পারে না।
সাধারণ মানুষের কথা বাদ দেন।
একটা উদাহরণ দেই তাহলে বুঝতে সহজ হবে।
বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল। ইংরেজিতে Attorney General for Bangladesh অর্থাৎ তিনি বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল।
কিন্তু আপনারা কি দেখেন?
তার কার্যকলাপ এমন যে তিনি যেন বাংলাদেশ সরকারের একজন উকিল।
বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনা করাই যেন তার কাজ।
আবার কোন কোন ক্ষেত্রে এমন আচরণ করেন যেন বাংলাদেশ সরকার না, সরকারী দলের একজন উকিল।

কেন এমন করেন?
কারণ তিনি জানেন না সরকারী দল, সরকার আর রাষ্ট্র এক জিনিস না।

তাহলে একজন অ্যাটর্নি জেনারেলের মত উচ্চ পদের উচ্চ শিক্ষিত মানুষ যদি রাষ্ট্র, সরকার এবং দলের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে না পারেন, তাহলে এই রাষ্ট্র নাগরিকদের সুরক্ষা কি ভাবে দিবে? আর যদি রাষ্ট্র কোন নাগরিকের সুরক্ষা দিতে না পারে তা হলে সেই নাগরিক ওই রাষ্ট্রের জন্য কি ভাবে অবদান রাখবে।

১৫| ০১ লা এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:০৫

রাজীব নুর বলেছেন: এরকম বিষয় নিয়ে নিয়মিত পোষ্ট দিবেন।

০১ লা এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:৫০

মোহাম্মদ আলী আকন্দ বলেছেন:



চেষ্টা করবো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.