নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মনটা যদি তুষারের মতো...

আখেনাটেন

আমি আমাকে চিনব বলে বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছি একা একা, পাই নি একটুও কূল-কিনারা কিংবা তার কেশমাত্র দেখা। এভাবেই না চিনতে চিনতেই কি মহাকালের পথে আঁচড় কাটবে শেষ রেখা?

আখেনাটেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

পশ্চিমাদের হাইড্রোকার্বন রাজনীতি ও মোল্লাদের গদির মোহ -- মুসলমানদের কি খাদের কিনারে টেনে এনেছে?????

১২ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১:২১



কিছুদিন ধরেই বিশ্ব মিডিয়া সরগরম সৌদি বনাম কাতার কিংবা গাধা বনাম বলদ কিংবা নেকড়ে বনাম হায়েনা কিংবা সুন্নি বনাম শিয়া লড়াইয়ের খণ্ডচিত্র, পার্শ্বচিত্র, পূর্ণাঙ্গচিত্র, ঘোলাটে কিংবা ফকফকাচিত্রে।

এই পূর্ণদৈর্ঘ্য ছবির প্রোটাগনিস্ট সৌদি-কাতার হলেও সাইড লাইনে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক বাজাচ্ছে বহু কলাকুশলী। তো আমাদের ফ্রি ফ্রি বাজাতে সমস্যা কোথায়?

এবার প্রথমে আসা যাক কেন আমি সৌদি-কাতার কলহকে গাধা বনাম বলদ বা নেকড়ে বনাম হায়েনা বলছি। গাধা বনাম বলদ বলার কারণ হচ্ছে এই নিরীহ গোছের প্রাণীরা আরাম-আয়েশ করে খায় দায় আর মালিকের বেগার খাটে। কিংবা মালিকের ছোট পোলাটা মায়ের দুধ কম পায় তাই দুদু সরবরাহ করাও এদের অন্যতম দায়িত্ব। নিজেদেরকে নিয়ে অ্যাডভেঞ্চার বা এক্সপেরিমেন্ট এরা খুবই কম করে। বরং এরা গতানুগতিক এই জীবন নিয়েই দিন গুজরান করে ধরাধাম ত্যাগ করে স্বর্গবাসী হয়। আর রেখে যায় কিছু গোবর।

এখন তুলনা করুন—মোল্লারা আয়েশ করে জীবন কেটে দেয়। আর নিজেদের তেল বেচা টাকা অস্ত্র কেনা আর নারী-মদ-গাড়ি-জুয়া ইত্যাদির মাধ্যমে পশ্চিমাদের কোষাগারে যোগান দেয়। অ্যাডভেঞ্চার বা এক্সপেরিমেন্ট মানে এরা কোনো গবেষণা বা বিশ্বকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য কোন অবদান রাখে না। আর মরার পরে (নরকবাসী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি) গোবরমস্তিষ্কের কিছু কুলাঙ্গার রেখেযায়।
আর হায়েনা বনাম নেকড়ে বলার কারণ হচ্ছে এরা ধূর্ত প্রাণী। খিদে পেলে নিজেদের বাচ্চা-কাচ্ছাও এরা খেয়ে ফেলতে পারে। এরা নিজেদের টেরিটরিতে এমনকি নিজ সম্প্রদায়ের কেউ হলেও চামড়া ছিলার জন্য প্রস্তুত থাকে। আবার বাঘ-সিংহ দেখলে বিড়ালের মতো ম্যাঁও ম্যাঁও করে। এরা নিজ গোত্রের বাইরের কাউকে সন্দেহের চোখে দেখে। এই চরিত্রের সাথে মোল্লাদের চরিত্র মিলিয়ে নিন।

হাইড্রোকার্বন। বিশ্বকে আজ এতটা আধুনিক করার পেছনে এই জড় বস্তুটিই প্রধান। বিংশ শতাব্দীর শুরুতে মোল্লাদের মরুর দেশে এই দুর্মূল্য জিনিসটি অাবিষ্কার হওয়ার পরেই সেখানকার ভূ-রাজনীতির চিত্র পাল্টে যায়। এটি আবিষ্কার বহু আগে থেকেই প্রায় পৃথিবীর মধ্যভাগের এই অঞ্চলটি নিয়ে বহু ধরণের রাজনীতি হয়েছে। তবে এই মহার্ঘ বস্তুটি মোল্লাদের ঝুলিতে যোগ হওয়ায় সেখানকার রাজনীতি নতুন মাত্রা পায়।

আর এই রাজনীতির পিক মানে সর্বোচ্চ অবস্থার যাত্রা চলছে গত বিশ বছর ধরে। তবে এটা এবার বোধ হয় ডাউন করতে শুরু করেছে হাইড্রোকার্বনের বিকল্প (সোলার পাওয়ার)পাওয়া যাওয়াতে। যুক্তরাষ্ট্রের শেলওয়েল আর সোলার পাওয়ারের বাড়বাড়ন্ত মোল্লাদের গদির খুঁটি ধরে টান দিয়েছে।

এখন দেখা যাক কাতার কেন বলির পাঁঠা হল জাতভাইয়ের কাছে? এককথায় উত্তর হল ইরান ও রাশিয়ার সাথে বেশি মাখামাখি। সিরিয়াতে বাসার সরকারকে গোপনে সাহায্য। মিশরে সিসির বিপরীতে অবস্থান। ফিলিস্তিনে ফাতাহকে বাদ দিয়ে হামাসকে সাপোর্ট। সবগুলোই ইসরাঈল, সৌদি ও পশ্চিমাদের মধ্যপ্রাচ্যের নীতির সাথে স্বার্থের সংঘাত ঘটিয়েছে। অথচ কাতার দাদাভাই সৌদিদের সাথে তিনা জোঁকের মতোই লেগে ছিল। ইয়েমেনে বোমা মেরে নিরীহ মানুষ হত্যা করছে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে।

কাতার থেকে পাইপলাইন সৌদি-জর্ডান-সিরিয়া বা সৌদি-কুয়েত-ইরাক-সিরিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগরে পতিত হবে কিংবা ইরানকে বাইপাস করে তুরস্কের ভিতর দিয়ে ইউরোপে প্রবেশ করবে। এতে প্রথমে ইরাক বাগড়া দিয়েছিল। তার ফল হল সাদ্দাম বাবাজি প্রায় দশলাখ মানুষসহ জীবন দিয়ে পূরণ করেছে। এরপর সিরিয়ার আসাদ মিঞা গাইগুই করছে। ফলে ইতোমধ্যে নিজে বেঁচে থাকলেও লাখ লাখ লোকের জীবন, সম্পদ ও বাসস্থান ধ্বংসের সাক্ষী হয়েছেন।



এখানে পার্শচরিত্র হিসেবে নিজেদের স্বার্থে কলকাঠি নাড়ছে রাশিয়া আর ইরান। তুরস্কের অবস্থা হয়েছে খেপ দেওয়া পতিতার মতন। যার কাছে মালকড়ির সাথে জীবনের নিরাপত্তা বেশি তার কাছেই রাত কাটাবে। প্রথমে পশ্চিমাদের সাথে থাকলেও ঘটনার ঘনঘটায় এখন রাশিয়ার বগলের নিচে অবস্থান করছে। ঠিক একইভাবে কাতারও প্রথমে পশ্চিমাদের সাথে গুরু-সাগরেদের ভূমিকাই থাকলেও নানামুখী (এখানে আরেক মোল্লা ইরানের ভূমিকা রয়েছে) তৎপরতায় এখন কিছুটা বাঁধন আলগা। আর এইটাকে বিশ্বাসঘাতকতা মেনে পশ্চিমা মদদে গাধা বনাম বলদের লড়াই।

রাশিয়া কেন এখানে কেন জড়িত। কারণ হাইড্রোকার্বন। ইউরোপের বেশিরভাগ দেশেই রাশিয়ার গ্যাস ছাড়া এই সাদাবাবুরা গরম হতে পারে না। রাশিয়া এই কাজটা বহুদিন ধরে করে আসছিল ভালোভাবেই। কিন্তু পুতিন আসার পরে এই সস্তাই গ্যাস পাওয়ার এই গুটিবাজীর দিনের রাশ টেনে ধরেছে। আবার মাঝে মাঝে হুংকার দেয় সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার। ফলে ইউরোপীয়ানরা পড়ে ফাঁফরে। পুতিনপূর্বযুগে পশ্চিমারা যেভাবে রাশিয়াকে খাসি করে রেখেছিল। পুতিন পরবর্তীযুগে কিছুটা হলেও তার বিপরীত চিত্র দৃশ্যগত হচ্ছে। আর এখানেই ইউরোপীয়ানদের ভয়। বিপদের সময় কে চায় শত্রু দেশের কাছে জিম্মি হতে। ফলে এরা চায় মধ্যপ্রাচ্যের হাইড্রোকার্বনের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ। যে বাগড়া দিবে ইসরাঈলকে খুঁটি ধরে সবগুলোরে সাইজ কর!!

এখন রাশিয়া দেখছে পারস্য সাগরের তরলসোনা যদি ইউরোপে প্রবেশ করে তাহলে তো তাঁর এতদিনের স্বপ্ন (ইউরোপিয়ানদের চাপে রাখা) ধূলিসাৎ হয়ে যাবে। নিজেরা হারাবে হাইড্রোকার্বন মার্কেট। তাই তারা ইরানকে পাশে নিয়ে প্রথমে সাদ্দামকে বুঝায়। পাইপলাইন হবার লয়। হলেও সেটা ইরান-সিরিয়া টু ভূ-মধ্যসাগর। সাদ্দাম পটল তোলার পর এখন আসাদকে ধরেছে পশ্চিমারা। কিন্তু এখানে রাশিয়া পূর্ণউদ্যোমে বাধা দেওয়ায় কিছুতেই তাকে বাগে পাচ্ছে না পশ্চিমারা। প্রথমে কাতারসহ জিসিসিভুক্ত মোল্লারা সবাই সমস্বরে পশ্চিমাদের সাথে গোপনেযুক্ত হয়ে আসাদকে হটাতে বহুমুখী চেষ্টা চালায়। ইরান ও রাশিয়ার দৃঢ সাপোর্টে প্রথমে ঐ জোট ব্যর্থ হয়। না পেরে এবার পশ্চিমাদের কূটবুদ্ধিতে এই মোল্লারা কূটকৌশলের আশ্রয় নেয়। পশ্চিমা গোয়েন্দাসাপোর্ট, অস্ত্রশস্ত্র ও ট্রেনিং আর মোল্লাদের সালাফি ডক্ট্রিনের সহায়তায় তৈরি করে একবিংশ শতাব্দির কুখ্যাত কাল্ট গোষ্ঠী আইএস।

এই আইএস গঠনের উদ্দ্যেশ্য ভিন্ন থাকলেও পরে এরাই আবার ফ্রাংকেনস্টাইন হয়ে প্রভুদেরও কতল করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠলে এবার মোল্লাসহ পশ্চিমারাও নড়েচড়ে বসে। কিন্তু ততদিনে যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গেছে। এরপর রাষ্ট্রীয়ভাবে সহায়তা না করা হলেও বিভিন্ন গোষ্ঠী ও ব্যক্তি এই জঘণ্য সন্ত্রাসীদের পাশে দাঁড়িয়ে গেছে। ফলে একে বিনাশ করা এখন হয়ে পড়েছে অসম্ভব। কারণ এদের আইডিওলোজি এরা ইতোমধ্যেই বিশ্বের অপরাপর মুসলিম জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিয়েছে। ফলে গুটিকয়েক হলেও তাদের সিম্প্যাথাইজার পেয়ে গেছে। যার ফল আমরা বাংলাদেশিরাও হোলি আর্টিজন রেস্তোরাঁতে দেখলাম।

এখন আবার মোল্লারা বলছে আমরা ভারতীয় উপমহাদেশের লোকজন মুসলমানই নয়। এটা বলছে কারণ বাংলাদেশ ও পাকিরা সৌদি জোটে সৈন্য সরবরাহ করতে অনিচ্ছুক হওয়ায়। এখানেও সৌদিদের নষ্টামীর চিত্র আছে। তারা পাকিদের বলেছে শুধু সুন্নি সৈন্য দিতে শিয়া নয়। পাকিরা এতে নিজ দেশে সমালোচনার শিকার হবে ভেবে আর রাজি হয় নি। তাই এখন তারা গোটা ভারতবর্ষের মুসলিমদের নাম দিয়েছে হিন্দু-মুসলমান (কনভার্টেট হওয়ায়)। পাকিদের এতদিন সাচ্চা মুসলমান বললেও এখন তারা হিন্দু-মুসলমান। এই পাকিরাও কিন্তু আমাদের এই নামেই ডেকে একাত্তরে রক্ত বন্যা বয়ে দিয়েছিল। সেসময় ভ্রাতা সৌদি-কাতার পাকিদের অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়েছিল। পাকিরা তাদের ভন্ডামী, গোঁড়ামী আর নষ্টামীর কারণে মুসলমান আছে কিনা সে বিষয় তর্কসাপেক্ষ! কিন্তু এই মোল্লারা জানে না এই হিন্দু-মুসলমানেরাই বিশ্বে এখন কিছুটা হলেও তাদের মান ইজ্জত বজায় রাখতে সাহায্য করছে। তাই ভন্ড মুসলিম হওয়ার চাইতে হিন্দু-মুসলিম হয়েই থাকতে চায় বাঙ্গালী জাতি।

এভাবে নানা উপায়ে মোল্লারা ক্ষমতার লোভে (জনগণকে সুযোগ দিলে এই রাজতন্ত্রের মোল্লাদের লাথি মেরে বিদায় করবে বিনা বাক্য ব্যয়ে) নিজেদের নষ্টামীর দ্বারা সকল দেশের মুসলমানদের এক ভয়ংকর অবস্থার মধ্যে ফেলে দিয়েছে!!!!!


বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা দিয়ে শেষ করছি:

আমার প্রদীপখানি অতি ক্ষীণকায়া,
যতটুকু আলো দেয় তার বেশি ছায়া।
এ প্রদীপ আজ আমি ভেঙে দিনু ফেলে,
তাঁর আলো তোমাদের নিক বাহু মেলে।
----ভালো থাকুক বিশ্ব-বিধাত্রীর সকল মানবশিশু।

মন্তব্য ২৩ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (২৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ২:২১

আলগা কপাল বলেছেন: দেশে যে হারে বন্যা তাতে বিশ্বরাজনীতিতে নজড় দেওয়ার সময় নেই।
তবে আপনার বিশ্লেষণ ভালো হয়েছে।

১২ ই জুলাই, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:১৭

আখেনাটেন বলেছেন: আমরাও এই রাজনীতির বাইরে নেই। যে খেলা তারা শুরু করেছে আমারাও এর চালের অংশ হয়ে গিয়েছি।

ধন্যবাদ মন্ত্যব্যের জন্য।

২| ১২ ই জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৩:১৫

আবু তালেব শেখ বলেছেন: সবচেয়ে বড় গাধা সৌদি

১২ ই জুলাই, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:১৮

আখেনাটেন বলেছেন: হুম, ধন্যবাদ।

৩| ১২ ই জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৪:২৩

ইমরান আশফাক বলেছেন: আমাদের ভবিষ্যৎ কারিগরি শিক্ষার ব্যাপকতার উপর নিহিত। আমাদের মানসম্পদকে কারিগরী শিক্ষায় দিক্ষিত করতে পারলে আমাদের সোনালী ভবিষ্যৎ ঠেকায় কে। আল্লাহ তো বলেছেন তিনি সেই জাতীর ভাগ্য পরিবর্তন করেন না যে জাতী নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনে উদ্যোগী না হয়। এই শয়তানের চেলাগুলির (মধ্যপ্রাচ্যের বাদশাহ গুষ্ঠি) সেবা করার চেয়ে ভবিষ্যৎ পৃথিবীর নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করাই বেশী জরুরি।

আমরা কারও দালাল হতে চাই না, বরং নিজেদের দালাল আমরা নিজেরাই হবো।

১২ ই জুলাই, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২৯

আখেনাটেন বলেছেন: হুজুররা তো জিকির-অাসগর কিংবা তসবিহ টিপে বেহেস্তের ধান্ধায় আছে। জ্ঞান-বিজ্ঞান সাধনায় তাদের এত সময় কই?

৪| ১২ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৯:৫৭

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: সুন্দর আলোচনা করেছেন, তথ্যনির্ভর পোষ্টে ভালো লাগা রইল।

১৩ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ১২:১৭

আখেনাটেন বলেছেন: ধন্যবাদ কষ্ট করে মন্তব্য করার জন্য।

৫| ২০ শে জুলাই, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: আখেনাটেন ,




তেল নিয়ে বিশ্ব জুড়ে তেলেসমাতির কথাই বলে গেছেন । সুন্দর বিশ্লেষণ ।

" মোল্লারা ক্ষমতার লোভে (জনগণকে সুযোগ দিলে এই রাজতন্ত্রের মোল্লাদের লাথি মেরে বিদায় করবে বিনা বাক্য ব্যয়ে) নিজেদের নষ্টামীর দ্বারা সকল দেশের মুসলমানদের এক ভয়ংকর অবস্থার মধ্যে ফেলে দিয়েছে!!!!! "
অতি সত্য কথন ।

২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১০:৩১

আখেনাটেন বলেছেন: এই তেলের তেলেসমাতিতে গোটা পৃথিবীকে অশান্তিতে রেখেছে পশ্চিমারা।

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

শুভকামনা।

৬| ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৫:২৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



সিরিয়ার ৪ লাখ ও ইরাকের ৩ লাখ তো খাদের ভিতরে আছে, কিনারের কথা কেন বলছেন?

২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১০:৩৪

আখেনাটেন বলেছেন:
বাকি বিশ্বের তথা যুদ্ধ থেকে বহু দূরে থাকা মুসলিমদের কথা চিন্তা করুন।

৭| ২৫ শে জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৩:২০

মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান বলেছেন: এটা তো আমেরিকার কুট কৌশল। মুসলমানরা কেন যে বুঝে না। আল্লাহু ভাল জানেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

২৫ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ৮:০৯

আখেনাটেন বলেছেন: শুধু আমেরিকাকে দোষ দিলে হবে না। তাদেরকে সে সুযোগটা করে দিয়েছে মোল্লারা। মোল্লাদের নষ্টামীর কারণেই মধ্যপ্রাচ্যের এই দুরাবস্থা।

৮| ২৫ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১০:০৭

প্রামানিক বলেছেন: তথ্য নির্ভর পোষ্ট। ভালো লাগল। ধন্যবাদ

২৬ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ৮:৪৭

আখেনাটেন বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য প্রামানিক ভাই।

৯| ২৫ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১০:১০

নাগরিক কবি বলেছেন: সময়োপযোগী পোস্ট। আমেরিকাকে নিয়ে আর কি বলবো। দুধের মধ্যে **

২৬ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ৮:৪৯

আখেনাটেন বলেছেন: দাদাগিরি সব সর্বনাশের কারণ।

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

১০| ৩০ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ৯:৫৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: খুবই সুন্দর বিশ্লেশন করেছেন ।
লেখাটি বেশ মনযোগ আকর্ষণ করেছে।
প্রিয়তে গেল লেখাটি ।

লেখার মধ্যে থাকা আপনার বলা নীচের কথাগুলির কনোটেশন অনেক বেশী , এর মাধ্যমেই ভু রাজনীতিতে একটি বড় ধনের পরিবর্তন আসবে বলে ধারণা করা যায় ।
আর এই রাজনীতির পিক মানে সর্বোচ্চ অবস্থার যাত্রা চলছে গত বিশ বছর ধরে। তবে এটা এবার বোধ হয় ডাউন করতে শুরু করেছে হাইড্রোকার্বনের বিকল্প (সোলার পাওয়ার)পাওয়া যাওয়াতে। যুক্তরাষ্ট্রের শেলওয়েল আর সোলার পাওয়ারের বাড়বাড়ন্ত মোল্লাদের গদির খুঁটি ধরে টান দিয়েছে।

অনেক অনেক সাধুবাদ রইল এই মুল্যবান লেখাটর জন্য ।

৩১ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১০:২৬

আখেনাটেন বলেছেন: অাসলে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি নিয়ে জানার চেষ্টা করলেও মাথা অাউলে যায়। এত প্যাঁচ এই জায়গায়। শতাব্দির পর শতাব্দি চলে অাসছে এসব।

তবে মোল্লাদের সুখের গদিতে কিছুটা হলেও টান পড়েছে। নতুন করে নিজেদের ভাবতে হচ্ছে।

অামি মাঝে মাঝে ভেবে পাই না, এই লোকগুলোর এত টাকা, অথচ তারা একটিও বিশ্বমানের রিসার্স ইউনি বানায় নি। কত জায়গায় টাকা ঢেলেছে অকাজে কুকাজে। কিন্তু উচ্চশিক্ষাখাতে ব্যয় নিয়ে ছল চাতুরী। অারব স্প্রিং এর পর কিছুটা হুশ হয়েছে।

ভালো থাকুন প্রিয় ব্লগার। শুভকামনা রইল।

১১| ৩১ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১০:৪৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য । আপনি ঠিকই বলেছেন অারব স্প্রিং এর পর এদের কিছুটা হুশ হয়েছে।
দেশের বাইরে আমার পিএইচডি কোর্স করার সময় সাথে দুজন আরবী মহলা পিএইচডি স্টুডেন্ট ছিল ।
তারা সৌদী সরকারের স্কলারশীপে ছিল , তাই বেশ রেখে ঢেকে কথা বলত , তার পরেও একান্তচারিতায়
তারা বুজিয়ে দিত তাদের মনোভাব , তাতে বুঝা যেতো আরব স্প্রিং এ সেখানকার শিক্ষিত সমাজের
কতটা সমর্থন আছে । আশা করি একটা বড় ধরনের পরিবর্তন খুব সহসায় আসবে সেখানে ।

অনেক অনেক শুভ কামনা রইল ।


০১ লা আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১:৪০

আখেনাটেন বলেছেন: অারব স্প্রিং এর বাদশা আবদুল্লাহ বেশ কিছু রিফর্ম আনতে বাধ্য হয়। অন্য গালফ কান্ট্রিও তাই।

যেমন সৌদি আরব উচ্চশিক্ষার এক স্কিমে ২০ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দেয়। শুধু মাত্র ২০১৫ সালেই ৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশে সৌদি ছাত্রদের পিছনে ব্যয় করে। যার কারণে যে যুক্তরাষ্ট্রে ২০০০ সালের অাগে ৫ হাজার সৌদি ছাত্র ছিল না, সেখানে ২০১৪তে এসে ৬০ হাজারের কাছাকাছি ছিল। যা চীন, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়ার পরেই। যদিও এখন আবার মন্দার কারণে বরাদ্দ কমে দিয়েছে।

এই রিফর্মগুলো যদি আরো তিরিশ-চল্লিশ বছর আগে করত, তাহলে এক বিশাল শিক্ষিত শ্রেণি তৈরি হত। ফলে ধর্মের কুসংস্কারগুলো দূর হতে কাজে লাগত। হয়তবা সেক্ষেত্রে আইএস মতো এমন কুখ্যাত গোষ্ঠীরও উদ্ভব হত না।

১২| ০১ লা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:০৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ সঠিক মুল্যায়ন করেছেন ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.