নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মনটা যদি তুষারের মতো...

আখেনাটেন

আমি আমাকে চিনব বলে বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছি একা একা, পাই নি একটুও কূল-কিনারা কিংবা তার কেশমাত্র দেখা। এভাবেই না চিনতে চিনতেই কি মহাকালের পথে আঁচড় কাটবে শেষ রেখা?

আখেনাটেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভারত পরীক্ষিত বন্ধু, মাই ফুট!!!!

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:০৩



ভদ্রলোককে বেশ উত্তেজিত মনে হচ্ছে। আমি চুপচাপ উনার বক্তব্য শুনে যাচ্ছি। রাগে বেচারার চোখমুখের শিরাগুলো দপদপ করছে। আমার কিছু প্রশ্নতে উনাকে তাতিয়ে তুলেছে মনে হয়।

ইনি বাংলাদেশের একটি নামকরা প্রাইভেট ভার্সিটির তরুণ শিক্ষক। কয়েক বছর পশ্চিমা এক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার পর ঘরের টানে পাকাপোক্তভাবে দেশে চলে এসেছে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ভীষণ আবেগী। বাবা মুক্তিযুদ্ধের স্থানীয় কমান্ডার ছিলেন। দেশের প্রতি অপরিসীম মায়া। পশ্চিমা আরাম-আয়েশ করার সকল সুযোগ সুবিধা থাকা সত্ত্বেও দেশে থাকার ইচ্ছা পোষণ করার জন্য বুকের পাটা কয় জনের আছে। ভদ্রলোকের প্রতি তাই আমার একটি ভালো শ্রদ্ধার জায়গা রয়েছে।

আমরা কিছুটা সমমনা হওয়ায় প্রায়ই এখানে-সেখানে আড্ডার আসর জমিয়ে তুলি আরো দু একজনকে নিয়ে। সন্ধ্যাবেলায় বনানীর এক রেস্তোরাঁয় মুখোমুখী বসে তাঁর এই যুদ্ধংদেহী ভাব দেখে আমি নিজেও কিছুটা আবেগ তাড়িত হয়ে পড়লাম।

আমাদের আলোচনার কিছু অংশ তুলে ধরা হলঃ

আমিঃ ভারত তো আবার বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দেওয়ায় বিরত...।

তিনিঃ (আমার কথা শেষ হওয়ার আগেই)...ভাই, থামেন। মেজাজ যথেষ্ট খারাপ রয়েছে।

আমিঃ আপনার কি মনে হয় রোহিঙ্গা সমস্যা বাংলাদেশের জন্য মারাত্মক একটি ভবিষ্যৎ বয়ে আনতে পারে? বাংলাদেশ নিজেই একটি দরিদ্র দেশে সাথে প্রায় ১০ লক্ষ লোকের ভোরণ-পোষণ করা। কিংবা এদের ফেরত নেওয়া নিয়ে মায়ানমারের সাথে একটি দীর্ঘমেয়াদী খারাপ সম্পর্কের মধ্যে দিয়ে যাওয়া।

তিনিঃ দেখুন, মানবিক দিক বিবেচনায় এই লোকগুলোকে বাংলাদেশ সরকার কিছুতেই সীমান্তের উপারে কুরে কুরে মরতে দিতে পারে না। এতে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের সুনামে মারাত্নক প্রভাব পড়ত। প্রাথমিক অবস্থায় বাংলাদেশ যা করেছে তা প্রশংসাযোগ্য। কিন্তু এর পর যা দেখছি তাতে কোন আশার আলো নেই। এখানে বাংলাদেশ কূটনৈতিকভাবে চরমভাবে ব্যর্থ। আমি কখনই ভাবতে পারি নি যে ভারত বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে মায়ানমারকে সাপোর্ট করবে। এটা বাংলাদেশ সরকারের ডিপ্লোমেসিতে একটি কালো অধ্যায় হিসেবে থাকবে।

আমিঃ চীনও তো বাংলাদেশের পাশে নেই। এটা কীভাবে দেখছেন?

তিনিঃ চীন পাশে থাকবে না এটা আগে থেকেই জানা কথা। কারণ তারা এখন মায়ানমারকে বেস ধরে ভারত মহাসাগরে তাদের আধিপত্য যা ‘স্ট্রিং অব পার্ল’ বলে সমদ্র ঘাঁটির মাধ্যমে কায়েম করতে চাচ্ছে। তাই তারা বার্মার পাশে থাকবে এটাই স্বাভাবিক। চীনের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিক স্বার্থ বার্মাতে বাংলাদেশের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। তবে বাংলাদেশ সরকার মানবিক দিককে গুরুত্ব দিয়ে চীনের সহানুভূতি আদায় করতে কূটনৈতিকভাবে আরো তৎপর হতে পারত। এখানেও বাংলাদেশ ব্যর্থ।

আমিঃ বাংলাদেশও তো চীনের ব্যাপক অর্থনৈতিক কর্মকান্ড চলছে...

তিনিঃ আমার মনে হয় চীন ও ভারতের পৃথক পৃথক কারসাজিতে মায়ানমার এই অসহায় রোহিঙ্গাদের উপর ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে।

আমিঃ ব্যাপারটা একটু খোলাসা করলে ভালো হতো। কারণ চীনের এখানে ভূমিকা থাকলেও ভারত কীভাবে কারসাজি করছে?

তিনিঃ প্রথমে চীনেরটা বলি। আপনি হয়ত শুনে থাকবেন বাংলাদেশের সোনাদিয়াতে একটি ডিপ সি পোর্ট করার সকল প্রকার আয়োজন সেরে ফেলেছিল। চীন ব্যাপকভাবে ধরেছিল তারাও এর অংশীজন হবে নির্মাণকাজে। ভারত এটাকে তাদের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থে বাংলাদেশের উপর চাপ প্রয়োগ করে সোনাদিয়া গভীর সমুদ্র বন্দর প্রজেক্টটায় পরিত্যক্ত ঘোষণা করতে বাংলাদেশকে বাধ্য করে। এর পরিবর্তে পায়রা বন্দর নামে ভারতীয় বিনিয়োগের নামে আধা-খেচড়া একটি প্রায় নন ভায়াবল পোর্টকে সমর্থন দিয়েছে। এখানে ভারতের যুক্তি চীন চট্টগ্রামের সোনাদিয়াতে গভীর সমুদ্রবন্দর তাদের ‘স্ট্রিং অব পার্ল’র একটি অংশ। বাংলাদেশ সরকারও ভারতীয় কিছু বিনিয়োগ, বিদ্যুৎ, ক্রেডিটের মূলাতে গভীর সমুদ্র বন্দরের ধারণা থেকেই সরে এসেছে। যা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য মারাত্মকভাবে দরকার এক দশকের মধ্যেই।

এতে চীন অবশ্যই ভীষণ নাখোশ হয়েছে। বাংলাদেশে তাদের রাজনৈতিক বা সামরিক স্বার্থ থাকল না। ফলে তারা মায়ানমারের আরাকানের কিউকপিউতে তাদের সমুদ্র বেস করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। ৬-৭ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ।

আবার ভারতও আরাকানের সিতেতে একটি সমুদ্র বন্দরে বিনিয়োগ করছে। তাদের ওএনজিসি কোম্পানী সমুদ্রে তেল ও গ্যাস তুলছে যা পাইপলাইনে করে দক্ষিন-পূর্ব রাজ্যগুলোর ভিতর দিয়ে যা আগে বাংলাদেশের ভিতর দিয়ে নেওয়ার কথা ছিল, নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে।

এখন দেখা যাচ্ছে বৈশ্চিক পট পরিবর্তনে আরাকানের রোহিঙ্গা প্রধান অঞ্চল একটি ভারনেরেবল বা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে চরমপন্থী ইসলামী দলগুলোর তাদের জিহাদী কার্যকলাপ পরিচালনা করতে। কারণ আরাকান ভূমির অবস্থানগত কারণে কিছুটা জঙ্গী তৎপরতায় সুবিধাজনক জোনে রয়েছে। বলতে গেলে মায়ানমার থেকে কিছুটা পাহাড়দিয়ে বিচ্ছিন্ন এই অঞ্চল। এই জঙ্গী কার্যক্রম যদি কখনো আরাকানে বৃদ্ধি পায় তাতে বঙ্গোপসাগরের তেল ও গ্যাসের সরবরাহে চীন ও ভারতের মারাত্নকভাবে বাধাগ্রস্ত হবে। আর এটা ব্যাপক আকার ধারণ করলে মায়ানমার সরকারেরও কিছু করার থাকবে না। এই ধরণের একপেশে ভারত ও চীনা গোয়েন্দাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে সামরিক জান্তা একটি চরম সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে। জাতিগত নিধন ও উচ্ছেদ। যাতে ভবিষ্যতে এই ধরণের কোনো চরমপন্থীদের মোকাবেলা করতে না হয়।

এই রকম অভিন্ন স্বার্থে ভারত ও চীন একই সুরে গীটার বাজাচ্ছে বাংলাদেশের কানের কাছে কর্কশভাবে।

আমিঃ ভারত তো আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু। তাদের তো মায়ানমায়ের চেয়ে বাংলাদেশের স্বার্থ বেশি দেখা উচিত।

তিনিঃ (কিছুটা রাগান্বিত ও বিকৃত স্বরে) ভারত পরীক্ষিত বন্ধু, মাই ফুট। আপনার মনে রাখা দরকার যে ভারত হচ্ছে চানক্যনীতির দেশ। তারা ক্ষ্যাপ দেওয়া পতিতার মতো। মালকড়ি বেশি পেলে তাদের সাথেই রাত কাটাবে।

আমিঃ (উনার এইরকম রেস্তোরাঁতে বসে লাগামছাড়া কথাবার্তায় আমি কিছুটা বিব্রত হয়ে) এটা কি একটু বেশি রূঢ় হয়ে গেল না...

তিনিঃ থামুন, থামুন। সত্য সবসময় তিতা। ভারতের কোন উপকারটা আপনি বিনা স্বার্থে পেয়েছেন।

আমিঃ কেন? সমুদ্র সীমা নির্ধারণে ও ছিট মহল সমস্যা সমাধানে ভারতের জমি ছাড়...

তিনিঃ (আমার মুখের কথা কেড়ে নিয়ে) সমুদ্র সীমা। আপনার কি মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। ভারত আমাদের সীমানার বিরোধিতা করে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে যেতে বাধ্য করেছে। ভুয়া ক্লেম করে প্রায় বিশ হাজার বর্গ কিলোমিটার জায়গা নতুন করে পেয়েছে। এখানে বন্ধুত্বের কি দেখলেন।

আর ছিটমহল তো তাদের স্বার্থেই তাদের সমাধান করতে হত।

আমিঃ এটা কেমন...

তিনিঃ দেখুন, কংগেস ক্ষমতা থাকাকালীন বিজেপি তীব্রভাবে প্রতিবাদ করেছিল এই ছিটমহল বিনিময়ে। কারণ তাতে ভারত বেশ কিছু ভূমি হারাবে বাংলাদেশের কাছে। এই ধুয়ো তুলে বিরোধিতা করেছে। আর বিজেপি’র বরাবরই মিথ্যা অভিযোগ ছিল ভারতে প্রায় দু কোটি বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী বাস করছে। আর এই ছিটমহলের সীমানা চিহ্নিত না হওয়া জায়গাগুলোকে তারা অনুপ্রবেশের মুখ হিসেবে বিবেচিত করে। তাই ভবিষ্যতে যাতে দরিদ্র বাংলাদেশ থেকে আর কোনো অনুপ্রবেশকারী ভারতে প্রবেশ করতে না পারে এর একটি টেকসই উপায় হিসেবে ছিটমহল বিনিময়। এর ফলে তারা পরিপূর্ণভাবে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে বাংলাদেশ থেকে আইসোলেট করতে পারবে। এটা বিজেপি সরকারের হিন্দুরাষ্ট্র ভাবনার একটি দীর্ঘমেয়াদী ভাবনার ফল। এই কারণে তারা নিজের নাক কেটে (কিছু জমি হারিয়ে) হলেও কথিত পরের যাত্রা (অনুপ্রবেশ) ভঙ্গ করার ব্যবস্থা করেছে।

কিন্তু বাস্তবতা কি দেখলেন? বাংলাদেশ থেকে যদি কোটি কোটি লোক অনুপ্রবেশই করছে, তাহলে ছিটমহল বিনিময়ের সময় বাংলাদেশের ভিতরে পড়া ভারতের লোকজনের চল্লিশ হাজার জনগোষ্টীর মধ্যে ১০০০ জনেরও কম কেন ভারতে যেতে ইচ্ছুক ছিল। সবারই তো ভারতে গিয়ে সুখে শান্তিতে বাস করার কথা। ভারতীয় মানুষ ও পত্রিকাওয়ালারাও তো এটাই শিয়ালের হুক্কো হুয়ার মতো এক স্বরে বলে আসছিল। এখন দেখা যাচ্ছে সাত-আটশ জন যারা গেছে তারাও এখন বাংলাদেশে ফেরত আসতে চাচ্ছে। আরো অনেক কিছুই সমালোচনা করা যায় এখানে।

আমিঃ আপনাকে ভারতের ব্যাপারে বেশ আক্রমণাত্নক মনে হচ্ছে...

তিনিঃ এখানে আক্রমণের কি হল...আমি শুধু ফ্যাক্টটুকু তুলে ধরছি। ভারতের সাধারণ খেটে খাওয়া পাবলিকের সাথে আমার কোনো বিরোধ নেই। আমার বেশ কিছু ভারতীয় বন্ধু রয়েছে। বাইরে পড়াশুনাকালীন আমার রুমমেটও ছিল ভারতীয়। ভারতে বেশ কয়েকবার গিয়েছি। হিন্দু বন্ধুদের বাসায় উঠেছি। খেয়েছি। আমার এখানে কোন অভিযোগ নেই। আমার কথা হচ্ছে বাংলাদেশ যেভাবে ভারতকে বিভিন্ন ইস্যুতে সহযোগিতা করছে বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে। আমি তাঁর কিছুই দেখছি না ভারতের পক্ষ থেকে। বাংলাদেশ নিজের অনেক ত্যাগ স্বীকার করে এই বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়েছে। সে তুলনায় ভারত কিছুই করছে না। এইখানটাতেই আমার ক্ষোভ।

আমিঃ বাংলাদেশ কী ত্যাগ স্বীকার করল...?

তিনিঃ অনেক। অনেক। কয়টা শুনবেন? আপনি পরেশ বড়ুয়াদের নাম শুনেছেন। যাদের বিএনপি সরকার পুষে-টুষে রাখত দেশের ক্ষতি করে। এরা বাংলাদেশ থেকে ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব রাজ্যগুলোর বিচ্ছিন্নবাদীতায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছিল। এর আগের সরকারের পররাষ্ট্রনীতি (হা...অশ্লীল গালি দিয়ে) পাকি আইএসআই ঘেঁষা হওয়ায় ভারতের এই উলফা-টুলফা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ে ভীষণ চাপে থাকত। দশ-ট্রাক অস্ত্রের কথা মনে আছে নিশ্চয়। পাকি হায়েনারা বেশ ভালোভাবেই এদেশে ইনভলভ ছিল এইসব জঙ্গি কার্যকলাপে। কিন্তু লীগ সরকার এসে পররাষ্ট্রনীতি পাকি থেকে কুটিল দাদামুখী করেছে। ফলে এই পরেশ বড়ুয়া-ফড়ুয়াদের দিন শেষ হয়ে যায়। এখন ভারতের সেভেন সিস্টার্স অনেকটায় শান্ত। এটা সরকারকে অনেক ত্যাগ স্বীকার করেই তা করতে হয়েছে। এর প্রতিদান কোথায়?

আমি শুধু নীরবে উনার এই সব চরম বাস্তবতাগুলো শুনে যাই। উনার এই দেশের প্রতি মমত্ববোধ ও ভালোবাসা আমাকে আপ্লুত করে। আমরা কেউ ভারতপ্রেমী-কেউ ভারত বিদ্বেষী, কেউ পাকিপ্রেমী-কেউ পাকি বিদ্বেষী। ভাবি আমরা কবে খাঁটি বাংলাদেশী হব। যে শুধুই বাংলাদেশের স্বআর্থ দেখবে। প্রতিবেশীর সাথে উইন-উইন ব্যবস্থা বজায় রেখে গরীব এই দেশকে সমৃদ্ধির শিখরে তুলে ধরার প্রত্যয়ে ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তা দেখাবে!!!!!

ছবি: নিজের তোলা।

মন্তব্য ৯৬ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৯৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:১৯

কালীদাস বলেছেন: যার সাথে কথা বলেছেন এটা আমি না, এটা নিশ্চিত করতে পারি ;) দেশে আমি পাবলিকের টিচার আর সেভেন সিস্টার্স নিয়ে কম জানি প্লাস ধর্মীয় ট্যাগ মেরে এভাবে বলা আমি পছন্দ করিনা। বাকি পয়েন্টগুলো খুব ভুল কি? কথায় কথায় এত ফ্রেন্ডশিপ মারাই আমরা, বাস্তবে কি পাচ্ছি? মিয়ানমার নিয়ে শেষ পর্যন্ত কি করল? বর্ডারে নিঃসংকোচে গুলি করে বিএসএফ আমরা একশ গুলি খেলে মিনমিন করে পররাষ্ট্র লেভেলের মিটিংএ বলি "দাদা, দশটা গুলি না হয় আকাশের দিকে ছুড়তেন"। বাণিজ্য ঘাটতি এখনও অনেক।

তবে ভারত, চীন থেকে একটা জিনিষ শেখার আছে। এরা সবকিছুর শেষে নিজের দেশের স্বার্থটাকে সবার চেয়ে বড় রাখে। লংরান পরিকল্পনা করে যতটুকু সম্ভব সাইড ইফেক্ট চিন্তা করে।

ঐ ভদ্রলোক কি মাই ফুট বলেছেন নাকি মাই এস বলেছেন? :P সত্যি করে বলেন তো ;)

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৩৩

আখেনাটেন বলেছেন: যার সাথে কথা বলেছেন এটা আমি না, এটা নিশ্চিত করতে পারি -- হা হা। আপনার মতোই কেউ একজন। এই কয়দিনে যতদূর আপনাকে চিনেছি।

ধর্মীয় ট্যাগ মেরে এভাবে বলা আমি পছন্দ করিনা। -- এ বাক্যটা বুঝলাম না। এখানে ধর্ম নিয়ে তো কিছু বলা হয় নি। :(

কথায় কথায় এত ফ্রেন্ডশিপ মারাই আমরা, বাস্তবে কি পাচ্ছি? -- এটা নিয়ে আমাদের অারো ভাবা দরকার যদি সত্যিকারের দেশপ্রেমিক কেউ হয়ে থাকে। সবকিছুর আগে দেশের স্বার্থ, যেমনটা ভারত-চীন নিজেদের ক্ষেত্রে দেখছে।

২| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:২৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমরা কবে খাটি বাংলাদেশী হবো কোনদিনও না। যেমন আমরা, তেমনি আমাদের সরকার, তেমনি পররাষ্ট্রনীতি! আজ আমাদের পাশে কেউ নাই। ভারত, চীন, রাশিয়া, আমেরিকা......কেউনা। খুব খারাপ কথা মুখে আসছিল, ভদ্রভাষায় বলি, সবাই আমাদেরকে টিস্যু পেপারের মতোই ব্যাবহার করেছে, আর টিস্যু পেপার তো কেউ পকেটে রাখে না, ছুড়েই ফেলে.... X(

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৪৩

আখেনাটেন বলেছেন: দশকের পর দশক এই নতজানু পররাষ্ট্রনীতি ( সময়ে সময়ে বিভিন্ন দিকে হেলে থাকে) আমাদের মেরুদণ্ড খাড়া করতে দিচ্ছে না।

এটার কারণও আছে। দেশে সুশাসন বলবৎ থাকলে একটি সুস্থ কালচার গড়ে উঠত। যা আমাদের কোনো জেনারেশনই পাচ্ছে না। ফলে এক বিশৃঙ্খল অবস্থায় তরুন সমাজ নিজেদেরকে গড়ে তুলছে। এরা সমাজের সুশাসনের মাঝে নব্য বিষফোঁড়া হয়ে উঠছে।

জাতির প্রতি ভালোবাসা না থাকলে নানারকম অনাচারে সহজেই লিপ্ত হওয়া যায়। এখন চারপাশে দেখুন অনাচারের মচ্ছব চলছে। এখান থেকে তরুণেরা কী শিখবে?

মাথা থেকে পা পর্যন্ত নোংরাতে ঢেকে গেছে। সামনে অারো দুর্যোগ ওৎ পেতে আছে।

৩| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৩০

শাহিন-৯৯ বলেছেন: কোন বড় দেশ নিজেদের স্বাথের বাহিরে কিছুই করবে না।

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৪৬

আখেনাটেন বলেছেন: বাংলাদেশকেও তার স্বার্থকেই প্রাধান্য দেওয়া দরকার আগে।

৪| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৩৯

কালীদাস বলেছেন: তেমন আহামরি কিছু না, কেবল এ জায়গাটা:

তিনিঃ এখানে আক্রমণের কি হল...আমি শুধু ফ্যাক্টটুকু তুলে ধরছি। ভারতের সাধারণ খেটে খাওয়া পাবলিকের সাথে আমার কোনো বিরোধ নেই। আমার বেশ কিছু ভারতীয় বন্ধু রয়েছে। বাইরে পড়াশুনাকালীন আমার রুমমেটও ছিল ভারতীয়। ভারতে বেশ কয়েকবার গিয়েছি। হিন্দু বন্ধুদের বাসায় উঠেছি। খেয়েছি। আমার এখানে কোন অভিযোগ নেই। আমার কথা হচ্ছে বাংলাদেশ যেভাবে ভারতকে বিভিন্ন ইস্যুতে সহযোগিতা করছে বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে। আমি তাঁর কিছুই দেখছি না ভারতের পক্ষ থেকে। বাংলাদেশ নিজের অনেক ত্যাগ স্বীকার করে এই বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়েছে। সে তুলনায় ভারত কিছুই করছে না। এইখানটাতেই আমার ক্ষোভ।


-----
রাগের মাথায় মার্ক করে ফেলেছিলেন হয়ত ভদ্রলোক। সেজন্যই বলা।

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:০৬

আখেনাটেন বলেছেন: :| :|

এটা হয়ত উনি বলেছেন এই ভেবে যে এ দেশে কিছু ছাগল আছে যারা ভারত বা পাকিস্থানের বিপক্ষে কিছু বললেই মনে করে ধর্মীয় কারনেই এরা বিপক্ষে।

এর বাইরেও যে ভাবনা থাকতে পারে তা তাদের মস্তিস্কে ঢোকে না। এর জন্যই হয়ত উনি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করার প্রয়াস পেয়েছেন। যতদূর জানি ধর্মের ব্যাপারে উনি যথেষ্ঠ উদার।

৫| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৫৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: দশকের পর দশক এই নতজানু পররাষ্ট্রনীতি এটাই মূল বিষয়। পদলেহন আর পররাষ্ট্রনীতি যে এক জিনিস না, এটাই বোঝে না!!!!!!
পুরা মেয়াদ যদি পরের মেয়াদে কিভাবে আবার ক্ষমতায় আসা যাবে এই চিন্তাই করে তবে কাজের কাজ করবে কখন? আর এদের যা কথা!!! দেখেন না নৌমন্ত্রী বললো, মিয়ানমার রোহিংগাদেরকে নাগরিকত্ব দিয়েই ফেরত নিবে........ব্যাটা ছাগল!!!
আবার দেশপ্রেমের কথাই চলে আসে, সেটাই নাই, কি ছিড়বে???

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:১৬

আখেনাটেন বলেছেন: পুরা মেয়াদ যদি পরের মেয়াদে কিভাবে আবার ক্ষমতায় আসা যাবে এই চিন্তাই করে তবে কাজের কাজ করবে কখন --- ভালো বলেছেন। এটাই মনে হয় অন্যতম কারণ এই নীতির পেছনে।

সমাজে অবক্ষয়ের বিষবাষ্প আমাদের পরিপূর্ণভাবে গ্রাস করার অপেক্ষায় রয়েছে।

৬| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৬

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: বাংলাদেশ কূটনৈতিকভাবে ব্যর্থ হয়নি, সফল হয়েছে। তার প্রমাণ মনে হয়ে বের হয়েছে সম্ভবত ১০৩/১০ ব্যবধানে বাংলাদেশের পক্ষে ভোটজয়। রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দিয়ে মিয়ানমার ফেরত নিবেন, এবং দ্রুতই হবে সম্ভবত।

আপনার আর সেই মাষ্টার সাহেবের কথোপকথন অনেকাংশ পড়েছি, তবে শেষ পর্যন্ত পড়তে পারলাম না। পরে পড়বো।

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২৪

আখেনাটেন বলেছেন: ভারতকে বুঝাতে পারে নি সেখানে কূটনৈতিকভাবে সফল বলবেন কীভাবে?

সারা পৃথিবী একদিকে আর চীন-ভারত একদিকে থাকলে রোহিঙ্গা সমস্যার কোনোদিনও সমাধান হবে না। কলকাঠি নাড়া জান্তা সরকার নানারকম চাল চালতেই থাকবে।

৭| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৭

খাঁজা বাবা বলেছেন: যেকোন দেশের জন্য প্রতিবেশি কখনোই বন্ধু হতে পারে না। এটা সবার বোঝা উচিত।

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২৬

আখেনাটেন বলেছেন: যেকোন দেশের জন্য প্রতিবেশি কখনোই বন্ধু হতে পারে না। -- অাংশিক হলেও সত্য। তবে উইন-উইন নীতি বজায় থাকলে দু-পক্ষের জন্যই মঙ্গল।

৮| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৫৮

চাঁদগাজী বলেছেন:



যার সাথে কথা বলেছেন, উনি বাংলাদেশ, ভারত ও চীনের অবস্হা বুঝেন বলে মনে হয় না; বাংলাদেশ কোনভাবে ভারত ও চীনের সমকক্ষ নয়; দেশের মাঝে বন্ধুত্ব আর ব্যক্তির বন্ধুত্বের মাঝে মিল থাকে না।

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১৪

আখেনাটেন বলেছেন: শুধু সমকক্ষ হলেই কি বন্ধুত্ব হয়? তাহলে যুক্তরা্ষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়া কি সমকক্ষ? যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি কি সমকক্ষ? ভারত-ভুটান কি সমকক্ষ? তাদের বন্ধুত্ব কিন্তু অান্তর্জাতিক রাজনীতিতে টের পাওয়া যায়।

আর দেশ ও ব্যক্তির বন্ধুত্ব এক নয়। এখানে সে নিয়ে অালোচনাও করা হয় নি। যা উনি বলেছেন তা হচ্ছে আমরা যেভাবে ভারতকে উদারচিত্তে নিজেদের সবকিছু দিয়ে দিচ্ছি তার বিনিময়ে আমরা কি পাচ্ছি? এখানেই বন্ধুত্বের কথা অাসছে যা আমাদের তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা বলতে বলতে মুখে ফেনা তুলে ফেলছেন।

৯| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১৩

আবু তালেব শেখ বলেছেন: ভদ্রলোক ঠিকই বলেছেন। ইন্ডিয়া স্বার্থ ছাড়া একপাও এগোয় না এটা ঠিক। তবে তাদের সাথে বিরোধ না করে
মিলেমিশে থাকাটায় শ্রেয়।
তারা একি সাথে পরাশক্তি, অর্থ এবং বিশাল ভুখন্ডের দেশ

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২৩

আখেনাটেন বলেছেন: উইন-উইন পররাষ্ট্রনীতিই হচ্ছে মোক্ষম উপায়। অান্তর্জাতিক রাজনীতিতে কেউ কারো বন্ধু নয়। তবে নিজেদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে সকলেই সজাক থাকতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কূটনৈতিকভাবে সফল দেশগুলোর বন্ধুত্বও এই শ্রেণির।

এই জায়গাতেই বাংলাদেশের গণ্ডগোল। কেন? তা আমরা সকলেই কম-বেশি জানি।

১০| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১৭

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: ...রাখাইনে সহিংসতা বন্ধ করা, রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা দিয়ে সম্মানজনক প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করা, সহিংসতায় দোষীদের শাস্তি দেয়া – এইসব বিষয় নিয়ে জাতিসংঘের তৃতীয় কমিটিতে সম্প্রতি রেজুলেশন গৃহীত হয় এবং তা রেকর্ড সংখ্যক ভোটে পাশ হয়। বিশ্বের ১৩৫টি দেশ পক্ষে, সেখানে মাত্র ১০টি দেশ বিপক্ষে এবং ২৬টি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল। একই ইস্যুতে ২০১১ সালে যা ছিল যথাক্রমে ৯৪-২৫-৬৩। শেখ হাসিনার সরকারের কূটনৈতিক সফলতা এইখানেই।....

....তবে ভারত মাঝে মধ্যে কান্ট্রি স্পেসিফিক রেজুলেশনে বিপক্ষেও ভোট দিয়েছে।কিছুদিন আগেই ২০১১ সালে মিয়ানমার সংক্রান্ত এরকম রেজুলেশনে ভারত বিপক্ষে ভোট দিয়েছিল। সেই অবস্থান থেকে সরে এসে এবার তারা ভোট দানে বিরত থেকেছে। এমনকি ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইলও রেজুলেশনের পক্ষে ভোট দিয়েছে।....

এই সংক্রান্ত আরো তথ্য জানার থাকলে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের তৃতীয় কমিটির ওয়েবসাইটে গিয়ে বিভিন্ন সময়ের রেজুলেশন ও ভোটিং সংক্রান্ত তথ্য দেখে নিতে পারেন। মনের সংকীর্ণতা দূর হবে আশা করি।

চ্যানেল আই অনলাইন
নভেম্বর ১৮-২০১৭ইং

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫১

আখেনাটেন বলেছেন: আপনি ২০১১ সালের সাথে এখনকার তুলনা করছেন। এখনকার ধ্বংসের ব্যাপকতা নিয়ে আপনার কোনো ধারণায় নেই। অার এ নিয়ে অান্তর্জাতিক মিডিয়াতে ২০১১ সাল ও ২০১৭ সালের পার্থক্যটাও অাপনার চোখে পড়ে নি। আবার বলবেন না যেন সরকারের তৎপরতার জন্যই অান্তর্জাতিক মিডিয়া রোহিঙ্গা ইস্যুতে উঠে-পড়ে লেগেছে।

কয়দিন আগেও এক পশ্চিমা কূটনীতিক অভিযোগ করেছিল বাংলাদেশ রোহিঙ্গা ইস্যুতে তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছে না। এ নিয়ে সূচিও জল ঘোলা করেছে।

আর ঈসরাইলের কথা পেড়েছেন। কয়দিন আগে ঈসরাইল কঠোর সমালোচনার স্বীকার হয়েছে এ অবস্থায় মায়ানমারে অস্ত্র সরবরাহ করার জন্য নিজ দেশেই।

আগের মন্তব্যেই বলেছি ভারত-চীনকে বাগে আনতে না পারলে কোনভাবেই কূটনৈতিক সফলতা বিবেচনা করা যাবে না। কারণ আখেরে ঐ জাতিসংঘের প্রস্তাব অচিরেই অাস্তাকুড়ে নিক্ষেপ হবে যদি চীন-ভারত পাশে না থাকে। এবার বুঝে আসছে কেন কূটনৈতিকভাবে বাংলাদেশ সফল না বলা হচ্ছে?

১১| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৪১

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: তরুণ এই শিক্ষকের কথাগুলো আমার বেশ মনে ধরেছে, ওনার কথাগুলোর কয়েকটিতে দ্বমত থাকলেও ৯০ ভাগের সাথেই আমি একমত।

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:৫৯

আখেনাটেন বলেছেন: আমাদের বাংলাদেশীদের অনেকের মনের কথায় বলেছেন। কিছু পাক-ভারতীয়দের ভালো নাও লাগতে পারে এ ধরণের চাঁচাছোলা বক্তব্যে।

১২| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৫৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: আখেনাটেন ,




কালীদাস এর মন্তব্য কোট করছি --- "সবকিছুর শেষে নিজের দেশের স্বার্থটাকে সবার চেয়ে বড় রাখে। " আর
ভারতের বিভিন্ন দলের মধ্যে কাইজ্জা থাকলেও দেশের স্বার্থে তারা রোসুনের কোয়ার মতো এক । আমরা সম্পূর্ণ বিপরীত , পারলে
নিজেরা কামড়া-কামড়ি করে যে যতোটুকু পারি দেশটাকে বেঁচে দেই ।

ভুয়া মফিজ এর কথা - "সবাই আমাদেরকে টিস্যু পেপারের মতোই ব্যাবহার করেছে, আর টিস্যু পেপার তো কেউ পকেটে রাখে না, ছুড়েই ফেলে.." বুঝতে হবে সবাইকে ।

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:০২

আখেনাটেন বলেছেন: ভারতের বিভিন্ন দলের মধ্যে কাইজ্জা থাকলেও দেশের স্বার্থে তারা রোসুনের কোয়ার মতো এক -- ভালো বলেছেন। এই জায়গায় আমরা অালোকবর্ষ দূরে আছি তাদের থেকে।

তাদের মধ্যে শত অমত থাকা স্বত্ত্বেও দেশের স্বার্থে তারা এক। আর এখানে বাংলাদেশের স্বার্থ দেখার আগে এক শ্রেণির লোক খোঁজে ভারতের না হয় পাকিদের স্বার্থ। আজব জাতি আমরা।

১৩| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৩১

কালীদাস বলেছেন: সম্ভবত আমি ভুলই বুঝেছি ঐ বক্তব্যটা, আপনি বলার পর দেখলাম আসলেই দড়ি দেখে সাপ সাপ করেছি। কথাবার্তায় ভদ্রলোককে উদারই মনে হচ্ছে এখন আমারও। আমি দুঃখিত আপনাকে আপসেট করে থাকলে :(

পোস্টের ব্যাপারে আরেকটা জিনিষ যোগ করি। পোস্টে যে জায়গাটার ছবিটা দিয়েছেন, আমরা এখনও ছবি তোলার একটা সুন্দর লোকেশন ছাড়া অন্য কোন মূল্য বুঝিনি জায়গাটার।

পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে কথা বলতে গেলে মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। এখন যারা ঐ মিনিস্ট্রির চার্জে আছেন তাঁদের কাজের ধরণ আগের ডাক্তার আপার চেয়ে খানিকটা বেটার। ৭০/৭৫ টা দেশে গেছে ডাক্তার আপা, প্রত্যেকবার কোন দেশে গেছে আর নতুন কোন ঝামেলা লাগিয়ে এসেছে। অনেকগুলো দেশে বাংলাদেশি শ্রমিক নেয়া বন্ধ হয়ে গেছে এই বিশেষ ভ্রমণগুলোর পর :(

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৪৮

আখেনাটেন বলেছেন: পোস্টে যে জায়গাটার ছবিটা দিয়েছেন, আমরা এখনও ছবি তোলার একটা সুন্দর লোকেশন ছাড়া অন্য কোন মূল্য বুঝিনি জায়গাটার। -- ভালো জিনিস ক্যাচ করেছেন। সে জন্যই নিজের তোলা ছবিটা দিয়েছি। এই ছবির মাঝেই পোস্টের মূল বক্তব্য বা জিস্টটুকু লুকিয়ে আছে।

নিজেদের গদি নিয়ে টেনশনের কারণে কোনো সরকারই পর রাষ্ট্র-টাষ্ট্র নিয়ে ভাবার সময় হয় না। এভাবেই আমাদের বেশির ভাগ কূটনীতিকরা হয়েছে অকর্মার ঢেঁকি। প্রবাসী ভাইয়েরা কি পরিমাণ কষ্ট করে দেশের জন্য অর্থ পাঠাচ্ছে এরা যদি একটিবারও ভাবত। আপনি নিশ্চয় এয়ারপোর্টগুলোতে দেখেছেন প্রবাসী লেখাপড়া না জানা ভাইদের কী আকুতি ফরম পুরুন করে দেওয়ার জন্য? কিংবা
এদের সাথে ইমিগ্রেশনের লোকদের ব্যবহারের ধরণ। দেখলেই মন খারাপ হয়ে যায়।

১৪| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৩৪

মানিজার বলেছেন: ভারতের জন্য কী কী ত্যাগ স্বীকার করল বাংলাদেশ ? @কালীদাস

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৪৪

আখেনাটেন বলেছেন: নিচে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ব্লগার কালীদাস।

১৫| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৩৭

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: - জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে প্রস্তাব পাস | ভোটদানে বিরত ছিল ভারত ও জাপান|
- মোদীজির মিয়ানমার সফরে সন্ত্রাস বিরোধিতার নাম সামরিক জান্তার পক্ষে সাফাই গাওয়া |
- বাংলাদেশকে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি হুমকি ও নয়াদিল্লির ‘তথাকথিত বন্ধু’ বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হংসরাজ আহির।
- ‘ভারত, চীন ও রাশিয়ার মাখন-রুটি নিয়ে বসে থাকলে সেটা হবে দুঃখজনক।’ বলেছেন বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত রাশেদ আহমেদ |
- তিস্তা নিয়ে মমতা দিদির রং ঢং|
-কাঁটাতারে ফেলানির লাশ |

ভারত আমাদের কিরকম বন্ধু তা বলার অপেক্ষা রাখে না |

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:০২

আখেনাটেন বলেছেন: মিউচুয়াল রিলেশনশিপ বলে একটা কথা আছে। পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে সেটা সাম্যবস্থা বজায় থাকার চেষ্টা। অথবা গিভ অ্যান্ড টেক।

আমরা দিচ্ছি, আপনিও দিবেন। এটা ঘটবে কুটনৈতিক প্রক্রিয়ায়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই সাম্যবস্থার পাল্লা কূটনীতিতে প্রায় পুরোটাই ভারতের দিকে হেলে আছে। আমাদের কোনো সুযোগই নেই। কিন্তু বাংলাদেশ সুযোগ নিতে পারত। সে সুযোগ এসেছিল। শুধু গদির মোহ সুযোগটাকে হাতছাড়া করেছে।

১৬| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৫৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
বাংলাদেশ কূটনৈতিকভাবে চরমভাবে ব্যর্থ?
ভারত ভোটদানে বিরত!

বিবদমান এলাকায় কে কার পক্ষে সরাসরি দাঁড়ায়?
দোকলান টার্মওয়েলে বাংলাদেশ কোনপক্ষে কিছু বলেছে?
ইন্দোনেশিয়া গৃহযুদ্ধ, নতুন স্বাধীন দেশ পয়দা, মালয়েশিয়া অষ্ট্রেলিয়া,আমেরিকা - বাংলাদেশ কোন পক্ষ নিছে?
বা কাছের শৃলংকা তামিল উত্থান সময়ে?

সাইলেন্ট থাকাটা নিরাপদ।

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:২৩

আখেনাটেন বলেছেন: বিবদমান এলাকায় কে কার পক্ষে সরাসরি দাঁড়ায়? -- আপনি মনে হয় রোহিঙ্গা সমস্যা বুঝে উঠতে পারেন নি। এটা শুধু
বাংলাদেশের সমস্যা নয়। এটা ভারতেরও সমস্যা। এরা দিল্লি-ফিল্লিতেও থাকে। ভারতেও অনুপ্রবেশ করে।

এছাড়া রাখাইনেও ভারতের স্বার্থ রয়েছে যা পোস্টে উল্লিখিত হয়েছে। সার্ক ইস্যুতে ভারতের এক কথায় বাংলাদেশ যদি সমর্থন দিতে পারে তাহলে বাংলাদেশের এহেন বিপদে ভারত কেন সমর্থন দিবে না। এটা কি কূটনৈতিক ব্যর্থতা নয়।

দোকলান টার্মওয়েলে বাংলাদেশ কোনপক্ষে কিছু বলেছে? -- কিসের মধ্যে কি পান্তা ভাতে ঘি। দোকলান ইস্যুতে কি ভারত বাংলাদেশের সমর্থন চেয়েছিল। চাইলে বাংলাদেশ সুড়সুড় করে দিয়ে দিত। আবাব বলেন না যেন কেন দিত?

পোস্টের লাস্ট লাইনগুলো আবার পড়েন।

১৭| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:২২

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: সামান্য এক নদীর হিস্যাই ভারত এখনো দিতে পারেনি আমাদের। আর এটা তো বাণিজ্যিক ব্যপার স্যাপার। তার উপর রোহিঙ্গাদের বেশীরভাগই মুসলিম। যদি হিন্দু নির্যাতিত হতো, তাহলে এতদিন ভারত বর্ডার খুলে দিত রোহিঙ্গা হিন্দুদের জন্য! এখন ভারত, চীন নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে আমাদের এই ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে লাইনে আনার চিন্তা করা উচিত। এদের কোনভাবেই যেন নাগরিকত্ব বা কাজ কর্ম করার সুযোগ না দেয়া হয়। স্থানীয় ক্যাচাল লাগার আগেই এদের ক্যাম্পে রাখা উচিত...

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:২৯

আখেনাটেন বলেছেন: এখন ভারত, চীন নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে আমাদের এই ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে লাইনে আনার চিন্তা করা উচিত। এদের কোনভাবেই যেন নাগরিকত্ব বা কাজ কর্ম করার সুযোগ না দেয়া হয়। -- ভারত-চীন পাশে না থাকলে সমস্যা মোকাবেলা করা বাংলাদেশের পক্ষে অসম্ভব। এটা বাংলাদেশের মাথারা এতদিনে বুঝে উঠার কথা।

কারণ ভারত-চীনে সমর্থন ছাড়া রোহিঙ্গাদের কোনদিনও মায়ানমার ফেরত নিবে না। নানারকম টালবাহানার মাধ্যমে এড়িয়ে যাবে। আর এত এত লোকজন এক জায়গায় বেশি দিন থাকলে নরক ভেঙে পড়বে অচিরেই চট্টগ্রাম রিজিয়নে। আর যাই হোক অশিক্ষিত রোহিঙারা মানুষ হিসেবেও খুব একটা সুবিধার না। অশিক্ষার কারণেই হয়তবা।

১৮| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৫৯

কালীদাস বলেছেন: @মানিজার: ভারতের জন্য এক অর্থে আমরা কিছুই করিনি, ১৯৭১ এর জন্য আমরা (অন্তত আমি) এখনও কৃতজ্ঞ। এবং আমার মন্তব্য কেবল ভারতের জন্য না, আমাদের ওভারঅল পররাষ্ট্রনীতির ব্যাপারে। আমার এবং অনেকের অবজেকশনটা হচ্ছে প্রতিবেশিসুলভ আচরণ কতটা স্বাভাবিক বাংলাদেশের প্রতি ভারতের? স্বাধীনতার ৪৬ বছর পরে আমরা এখন আর চাইনা যে ভারতের আর্মি আমাদের হয়ে মিয়ানমার সীমান্তে দাড়াক, কিন্তু বাকিগুলো?! এই পোস্টে দুইজন লীগার কমেন্ট করেছে, ঐদুইটা কমেন্ট বাদ দিয়ে বাকিগুলো দেখুন প্লিজ; স্বাভাবিক প্রতিবেশি সম্পর্ক আছে দাবি করা দুইটা দেশের মধ্যে এরকম মন্তব্যগুলো আশা করা যায় না।

@ আখেনাটেন: সহমত। ইদানিং ইমিগ্রেশনে হয়রানি/বাটপারি আগের চেয়েঅনেক কমেছে এখন ম্যাজিস্ট্রেটরা তৎপর হবার পর। তারপরও দেশের রেভেন্যুর বড় অংশটা যাদের হাত ধরে আসে তারা আরও বেটার কিছু ডিজার্ভ করে নিজের জন্মভূমিতে।

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৪৭

আখেনাটেন বলেছেন: দেশের রেভেন্যুর বড় অংশটা যাদের হাত ধরে আসে তারা আরও বেটার কিছু ডিজার্ভ করে নিজের জন্মভূমিতে। -- এটা দূতাবাসের কর্মকর্তা আর ইমিগ্রেশন চেলাদের গলায় ঝুলে দেওয়া দরকার।

১৯| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৪:৩২

সোহানী বলেছেন: আরে ভাই আমরা শুধু জীবনভর চেচিঁয়েই যাবো... লাভ, ক্রিম দাদারাই খাবে।

আমি জানি না কতজন ভারতীয়দের সাথে কথা হয়েছে, অামি অনেকের সাথেই কথা বলেছি বা বলি। সামান্য সন্মানটুকুই কখনই আমাদেরকে তারা দেয় না। তারা আমাদের কৃতদাসভাবে সবসময় আর আম রা ও বেহায়ার মতো দাদা দাদা করতে করতে জীবন পানি করে দেই.....

সত্য কথোপকথন ভালো লাগলো..........

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৫২

আখেনাটেন বলেছেন: আরে ভাই আমরা শুধু জীবনভর চেচিঁয়েই যাবো... লাভ, ক্রিম দাদারাই খাবে। -- জন্মের পর থেকেই এই হাউকাউ দেখে আসছি। ফারাক্কা বাঁধ, পুশ ব্যাক, সীমান্ত হত্যা, মাদকের ডাম্পিং স্টেশন হিসেবে বাংলাদেশকে ব্যবহার, এখন শুনা যাচ্ছে জঙ্গীগিরিতে বেশিরভাগ অস্ত্রও আসছে প্রতিবেশীর থেকে এভাবে নানারকম ক্যাচাল জীবনভর চলতেই আছে।

এ ধরণের প্রতিবেশী কি কাম্য? বড় হলে মনটাও উদার হওয়া দরকার।

২০| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৫:০২

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

দু'টা ঘটনা বলি। আমি তখন পশ্চিমা একটি দেশে মাস্টার্সে ভর্তি হয়েছি। ভার্সিটি'র প্রথম দিন। একজন ভারতীয়'র সাথে দেখা। সেও একই প্রগ্রামের।

আমি বাংলাদেশী শুনেই সে আমার সাথে হিন্দীতে কথা বলা শুরু করলো। আমি কিছুক্ষণ চুপ মেরে থাকলাম। তারপর, তার সাথে যখন কথা বলা শুরু করলাম, তখন সে শুনতে পেলো আমি বাংলাতে কথা বলছি!!! এবারে তার চুপ মেরে থাকার পালা!!!

এরপর থেকে সে সব সময় আমার সাথে ইংরেজীতেই কথা বলতো। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরে সব বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা এক জোট হয়ে আমাকে স্টুডেন্ট ইউনিয়নের প্রতিনিধি বানিয়েছিলো। :)

দ্বিতীয় ঘটনাটা আমার ছোট ভাইকে নিয়ে। সেও সেই দেশেই পড়েছে।

একবার গুগল হ্যাকাথনে সে আর দু'জন চায়নিজের সাথে জোট বেঁধে একটা দল গঠন করেছিলো। এক পর্যায়ে, সে নিজে একটা সফটওয়্যারের আইডিয়া দেয় টিমে। কোডিংও করে। যখন, টিমটি তাদের ফাইনাল প্রোগ্রাম জমা দিলো, তখন দেখা গেলো ডেভেলপার হিসেবে তাতে শুধু ঐ চায়নিজের নাম লেখা, পেটেন্টও তাদের! আমার ভাইয়ের নাম গায়েব। হা, হা, হা!!!

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৫৮

আখেনাটেন বলেছেন: আমি বাংলাদেশী শুনেই সে আমার সাথে হিন্দীতে কথা বলা শুরু করলো। আমি কিছুক্ষণ চুপ মেরে থাকলাম। তারপর, তার সাথে যখন কথা বলা শুরু করলাম, তখন সে শুনতে পেলো আমি বাংলাতে কথা বলছি!!! এবারে তার চুপ মেরে থাকার পালা!!! -- এই জিনিস বহুবার আমার সাথেও ঘটেছে। ভারতীয় সাথে পাকিরা পর্যন্ত ধরেই নেয় যে আমরা বাংলাদেশীরা অবশ্যই হিন্দি কিংবা উর্দুতে পারদর্শী।

তবে আমার কিছু তামিল-তেলেগু ফ্রেন্ড আছে যারা হিন্দির নাম শুনলে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠে। অাশ্চর্য এক দেশ।

২১| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৬:২৫

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: সত্যপথিক শাইয়্যানের অভিজ্ঞতার সাথে যোগ করতে চাই | প্রবাসে আমাদের মধ্যে একটা কথা প্রচলিত আছে, আপনার অফিসের বস যদি সাদা হয় তবে আপনার ভাগ্য অনেক ভালো | সে যদি হয় ভারতীয় বা চাইনিজ তবে আপনার কপালে চরম দুঃখ আছে - আপনাকেই এমন হার্ড টাইম দিবে যে আপনি সারাক্ষন দুঃস্বপ্ন দেখবেন | শুধু অফিসের বস নয়, ব্যক্তিগতভাবে আমার ভারতীয় প্রফেসরের ক্লাসের অভিজ্ঞতা মোটেই ভালো নয় | আর আমার জানামতে ভারতীয় শিক্ষকের অধীনে থাকা এক বাংলাদেশী পিএইচডি ছাত্রের পিএচডিই সম্পূর্ণ করা হয়ে উঠে নি ওই শিক্ষকের চরম সংকীর্ণ মনোভাবের কারণে |

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:১৫

আখেনাটেন বলেছেন: কম্পিটিশন বেশি হলে মানুষের মাঝে কিছুটা স্বার্থপরতা চলে আসে এমনিতেই। কারণ নিজের অবস্থান হাতছাড়া হওয়ার ভয়।

ভারতীয় ও চাইনিজ সমাজে এখন মারাত্মক প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে।

একটা ঘটনা বলি:

আমার ভারতীয় এক বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচার রিক্রুটমেন্টের (সরাসরি সহকারী অধ্যাপক) ভারতীয় অ্যাপ্লিক্যান্টদের দেখার সুযোগ হয়েছিল। সেখানে দেখেছি একটি পদের জন্য ১২৪টি আবেদন। সেখানে কর্ণেল, শিকাগো, টরেন্টোসহ আরো অনেক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রী নেওয়া আবেদনপত্র। শেষে ইউনিভারসিটি অব টেক্সাস, অস্টিনের একজন নিয়োগ পেয়েছে। এখানে রাজনীতি থাকলেও যোগ্য লোককে নিয়োগ দিতে কার্পণ্য করে নি।

তারা উঠছে নিজেদের মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে। নানাবৈচিত্রের সমাজে বাস করলে নানারকম সমস্যা থাকবে। এটাই হয়তবা ওদের ক্ষেত্রে ঘটছে। তবে আমাদের বাংলাদেশী রাজনীতিকরা দেশ নিয়ে ভাবনা কম থাকায় এই ব্যাপারগুলো সম্পর্কে অবগত না। থাকলেও নিজেদের ঝোলা ভরতে গিয়ে এগুলো মনে অাসে না।

২২| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৩২

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: সোহানী আপু বলেছেন, আরে ভাই আমরা শুধু জীবনভর চেচিঁয়েই যাবো... লাভ, ক্রিম দাদারাই খাবে।

আমি জানি না কতজন ভারতীয়দের সাথে কথা হয়েছে, অামি অনেকের সাথেই কথা বলেছি বা বলি। সামান্য সন্মানটুকুই কখনই আমাদেরকে তারা দেয় না। তারা আমাদের কৃতদাসভাবে সবসময় আর আম রা ও বেহায়ার মতো দাদা দাদা করতে করতে জীবন পানি করে দেই.....


দারুন বলেছেন আপু।

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:১৬

আখেনাটেন বলেছেন: আপনার বক্তব্য কিন্তু পেলাম না।

২৩| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৫২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ভারতের কথিত বন্ধু বাংলাদেশ নিরাপত্তার দিক থেকে অত্যন্ত বিপদজনক -ভারতের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হান্সরাজ গঙ্গারাম আহির
আওয়ামীলীগের অন্ধ ভারত প্রীতির এই প্রতিদান দিল ভারত!!!!! কথিত বন্ধু! উপাধি!!!!!
এখনোকি হুশ ফিরবে? সার্বভৌমত্ব আর আত্মমর্যাদায় কোন আপোষ চলেনা এটা বুঝতে আর কত লাঞ্চনা সইবে বাঙ্গালী???
একমুখী বানিজ্য, ট্রানজিট, অন্ধানুগত্য আর নমঃনম করার পরও তারা কিন্তু তাদের স্বার্থ থেকে একচুলো সরছে না! সরবে না! পদ্মা, তিস্তা, রাম্পাল, সাধারন বানিজ্য, টিভি সম্প্রচার, এবং প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সকল চুক্তি তাদের অনুকুলে! নিজের স্বার্থের বাইরে একপাও দেয়না তারা!
মায়ানমার ইস্যুতে পরিষ্কার তারা তাদেরই স্বার্থে অন্ধ।
বন্ধু নেমেছে গলাজল, তারা কিন্তু পা'ও ভেজায়নি! আমাদের নেতাদের চোখ খুলবে কবে??

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:২০

আখেনাটেন বলেছেন: সার্বভৌমত্ব আর আত্মমর্যাদায় কোন আপোষ চলেনা এটা বুঝতে আর কত লাঞ্চনা সইবে বাঙ্গালী???একমুখী বানিজ্য, ট্রানজিট, অন্ধানুগত্য আর নমঃনম করার পরও তারা কিন্তু তাদের স্বার্থ থেকে একচুলো সরছে না! -- এখানে বাংলাদশকে অারো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।

তারা তাদের স্বার্থ দেখবে এটাই স্বাভাবিক। তবে বাংলাদশ কেন দরকষাকষির সুযোগ হাতছাড়া করবে। বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশের সে সুযোগ রয়েছে। কিন্তু নিজের গদির দীর্ঘস্থায়ী রূপ দিতে গিয়ে দেশের বারোটা বেজে যাচ্ছে সে দিকে কোনো বুদ্ধিজীবীর রা নেই। আশ্চর্য আমাদের সুশীলরা।

২৪| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৩০

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: আসলে দেশ নিযে যখন কথা উঠে, একেকজনের মতামত একেকরকম।

তাই তখন মানুষের কথা, উচ্চারন, বাচনভঙ্গি ইত্যাদি দেখলে না হেসে পারা যায়না।

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:২২

আখেনাটেন বলেছেন: আসলে দেশ নিযে যখন কথা উঠে, একেকজনের মতামত একেকরকম। -- দেশ নিয়ে আপনার মতামতটা কিন্তু দেন নি। পড়ে দেখি হাসা যায় নাকি কাঁদা যায়। :(

২৫| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৪৪

জাহিদ অনিক বলেছেন:

দুর্বল ফরেন পলিসির কারনে বাংলাদেশ অনেক কিছুই মাথা পেতে মেনে নেয়।

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:২৬

আখেনাটেন বলেছেন: যুগ যুগ ধরে এই ফরেন পলিসির কারণে নানারকম বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছে দেশ। ফলে কূটনৈতিকরাও চৌকশ না হয়ে হচ্ছে গবেট। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে তো ইনারাই এক একটা রাজা। শ্রমিকেরা তাদের প্রজা।

আজব এক অবস্থা। কয়দিন আগে প্রথম অালোতে এক পাঠক মন্তব্য করেছে কুয়ালালামপুর বাংলাদেশী এমব্যাসী একটি...বুঝে নিন। এভাবেই চলছে সবকিছু।

২৬| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৫৬

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

রোহিংগা/রাখাইন সম্পর্কিত কৌশলগত স্পর্শকাতর বিষয়টিতে কথা বলা এবং একই সাথে শ্রোতাকে ভুল বোঝাবুঝি মুক্ত রাখা কঠিন। 'কেন কঠিন' সেটি বলা আরও কঠিন। আমি বলবো একটি পটভূমিকে মনে নিয়ে, শ্রোতা বুঝবেন তার স্ট্যান্ডার্ডে। আপনার লেখায় বিষয়গুলো স্পষ্ট হয়েছে।

শুধু এটুকুই বলবো, বাংলাদেশ মানবাধিকারের বিষয়ে ভালো অবস্থান নিয়েছে, কিন্তু কূটনীতি বা ভূরাজনৈতিক ইস্যুতে চরম ঠকা ঠকেছে। কূটনীতি? বাংলাদেশ আত্মনীতি আর আত্ম প্রতিষ্ঠায় মগ্ন আছে। পরেশ/মরেশ যা-ই বলুন, আবেগে কূটনীতি চলে না। কূটনীতি হতো পরেশকে টুপ হিসেবে রেখে কোন একটি স্বার্থ আদায় করা।

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৩২

আখেনাটেন বলেছেন: কূটনীতি হতো পরেশকে টুপ হিসেবে রেখে কোন একটি স্বার্থ আদায় করা। -- এই জিনিসটাই হয়ত উনি বুঝাতে চেয়েছেন। আমাদের হাতে দাবার গুটি ছিল। কিন্তু আমরা সেটা গদির নেশায় কী নিদারুন অবহেলায় বিলিয়ে দিয়েছি। এখনও দিচ্ছি। এখানেই দাদাদের সাথে আমাদের পার্থক্য।

২৭| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:১৫

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

মন্তব্যটা কীভাবে যেন শেষ হবার আগেই বের হয়ে গেলো....

বলছিলাম কূটনীতির কথা। আবেগে কূটনীতি চলে না। প্রসঙ্গ আসে বন্ধুত্বের কথা। টেরাম্প একবার বলেছিল, সে নাকি জংউন কিমের বন্ধু হতে চেয়েছিল, পারে নি। বুঝুন... আম্রিকান বন্ধুত্ব কাছে বলে! তার বন্ধু হতে পারে চিনের শিন - এটি ঠিক আছে। জাপানের আবে - এটাও হয়তো মেনে নেওয়া যায়। ফিলিপাইনের দুতের্তে? অথবা কোরিয়ার মু জে ইন? এরা কি সত্যিই তার বন্ধু? আসলে কেউই বন্ধু নয়।

পররাষ্ট্রনীতিতে কেউই ব্যক্তিগত/সামাজিক বন্ধুর মতো 'জানের জান' বন্ধু হতে পারে না। ব্যক্তিগত আবেগ/পছন্দ দিয়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা যায় না, উচিতও নয়। একটি দেশের পররাষ্ট্রনীতি তথা দেশের স্বার্থই হয় সমস্ত কূটনীতি ও পররাষ্ট্রনীতির প্রেরণা।

বড়দেশের সাথে ছোট দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিকভাবে সমান্তরাল হওয়া সম্ভব নয়। যুক্তরাষ্ট্র বনাম মেক্সিকো, চিন বনাম তাইওয়ান/ ভিয়েনাম... স্বাভাবিকভাবে সেখানে অসম বাণিজ্য, অসম স্বার্থের সুবিধা পায় বড় দেশগুলো। কুটনীতির প্রশ্নটি আসে ঠিক সেখানেই। সঠিক এবং নিরাবেগ কূটনীতিই পারে ছোট দেশের সর্বোচ্চ স্বার্থ নিশ্চিত করতে। নিরাবেগ নির্মোহ পররাষ্ট্রনীতির প্রধান শক্তি হলো নিজ দেশের মানুষের আস্থা এবং সরকারের নৈতিক দৃঢ়তা। (ফিলিপাইনের দুতের্তে পাখির মতো মানুষ মারছে, দেশকে মাদকের অভিশাপমুক্ত করতে। দেশের মানুষ তাকে এভাবেই গ্রহণ করেছে। তার কুটনীতিও সফল হচ্ছে।) আমাদের দেশ?... যা হোক এবিষয়ে আলোচনা আরও দীর্ঘায়িত করার দরকার আছে?

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৪৫

আখেনাটেন বলেছেন: আবেগে কূটনীতি চলে না। -- আমরা আবেগেই চালাচ্ছি। আপসোস।


পররাষ্ট্রনীতিতে কেউই ব্যক্তিগত/সামাজিক বন্ধুর মতো 'জানের জান' বন্ধু হতে পারে না। ব্যক্তিগত আবেগ/পছন্দ দিয়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা যায় না, উচিতও নয়। একটি দেশের পররাষ্ট্রনীতি তথা দেশের স্বার্থই হয় সমস্ত কূটনীতি ও পররাষ্ট্রনীতির প্রেরণা। -- দুর্দান্ত। এই পোস্টের মূল ভাবনাও সেটা। সবার থেকে দেশ আগে। এখানে বিন্দু পরিমাণ ছাড়ের কোনো সুযোগ নেই। ছোট দেশ হিসেবে আমাদের সবকিছু চুলচেরা বিচার করেই পদক্ষেপ নিতে হবে। এই জায়গায় আমাদের চরম ব্যর্থতা। তা কেন? সেটা আমরা সকলেই অবগত।

একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের কূটনীতি তখনই সফল হবে যদি রাষ্ট্র নিজের পায়ের উপর দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। আমাদের রাজনীতিকরা কি কখনও নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর মত অবস্থা সৃষ্টি করেছে সেই জন্মের পর থেকেই। এখানেই যত গণ্ডগোল।

প্রত্যেকটা সরকারই যখন নিজেদের গদির স্থায়িত্বের জন্য অন্য দেশের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকে তখন সেখানে স্বাধীন কিংবা সফল কূটনীতি কখনই অাশা করতে পারে না জাতি।

ছোট দেশ হিসেবে আমাদেরও অনেক দরকষাকষির জায়গা রয়েছে। সেগুলো খুঁজে বের করতে হবে। সে অনুযায়ী অগ্রসর হওয়াই হচ্ছে একটি মেরুদণ্ড শক্ত জাতির প্রাথমিক পদক্ষেপ।

আমরা এ সব জানি কিন্তু কেউই মানি না। কারণ তাঁবেদারী। এ জন্যই হয়তবা শিক্ষকের ক্ষোভ।

২৮| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৫৭

নিরাপদ দেশ চাই বলেছেন: এখন চাওয়া শুধু একটাই, সেটা হচ্ছে সুষ্ঠু নির্বাচন। ্মানুষের ভারত বিরোধী ক্ষোভ যে পর্যায়ে পৌছেছে তাতে আওয়ামিলীগ একটা সিটেও পাশ করতে পারবে বলে মনে হয় নয়া। বিএনপি মনে করে যে আবার খালেদা জিয়া , তার পুরান গ্যাং নিয়ে নির্বাচনী তরী পারি দিবে এবং তার ছেলে তারেক রহমান আবার হাওয়া ভবন খুলবে।কিন্তু এখন আর সেই দিন নাই। উন্মুক্ত ইন্টারনেটের যুগে জনগন এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালি। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত হলে খুব সম্ভবত প্রধান দুই দলের বেশিরভাগ নেতাই নির্বাচন করার অযোগ্য বলে প্রমানিত হবে। বিচারপতি সিনহা তার ষোঢ়স সংশোধনীর রিভিউতে এই ধরনের একটি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি সফল হননি। উপরন্ত তাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে দেশ থেকে বের করে দেয়া হয়েছে এই জাতীয় ইঙ্গিত দেয়ার জন্য।

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪৩

আখেনাটেন বলেছেন: আমাদের রাজনীতিকরা চরম মুহূর্তেও দেশের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের স্বার্থকেই প্রাধান্য দেয় বেশি। এর কুফল জাতি ভোগ করছে দশকের পর দশক ধরে।

২৯| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:২০

বাংলার জামিনদার বলেছেন: আমার মনে হয় একটা ব্যাপার কেউই খেয়াল করছেনা বা কথা বলতে চাচ্ছেনা, সেটা হচ্ছে কেনো আমাদের সবাই পাত্তা দিচ্ছেনা। এর উত্তরে অনেক কথাই বলা যায়, কিন্তু আসল কথা হলো, অন্য দেশের লোকেরা আমাদের বিদ্যার দৌড়, চারিত্রিক দীনতা এবং দেশপ্রেমের অভাব বুঝে ফেলেছে।

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪৫

আখেনাটেন বলেছেন: অন্য দেশের লোকেরা আমাদের বিদ্যার দৌড়, চারিত্রিক দীনতা এবং দেশপ্রেমের অভাব বুঝে ফেলেছে। -- মন্দ বলেন নি। আর এই সুযোগটাই দুহাত ভরে লুটে নিচ্ছে তারা।

আর আমরা এখানে গলাবাজি করছি।

৩০| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৪৬

নতুন নকিব বলেছেন:



রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে ভারত কখনও বাংলাদেশের দিকটা ভেবে দেখেনি। তারা মূলত: নিজের লাভ ছাড়া দুনিয়ার কিছু বুঝে না। 'লাঠি ভর দিয়ে হেঁচড়ে চলা রহিমার মা' চেয়ে-চিন্তে পেলে এক পেট খেল, না পেলে উপোষ থাকলো, তাতে গ্রামের একমাত্র মাতব্বর 'কানকাটা চৌধুরী সাহেবের' যেমন কোন ভাবান্তর হয় না, তেমনি বাংলাদেশ বর্মী মগদের আঁচরে, কামড়ে, দংশনে ক্ষত-বিক্ষত হলেও চৌধুরী সেজে বসে থাকা তামাশা উপভোগকারী দাদাদের কিছুই যায় আসে না। 'দাদারা' এই দেশটিকে সর্বোপরি 'রহিমার মা' -দের চেয়ে বেশি কিছু বলে গনায় ধরেন না!

আর আমাদের অতিরিক্ত ভারতপ্রীতির কারনে রাশিয়া-চীন এর কাছে স্বাতন্ত্র্য হারিয়েছে বাংলাদেশ। সত্যি বলতে, ভারত কখনও বাংলাদেশের বন্ধু ছিলো না, তবে চরম সত্য হল, একটি বিশেষ দলকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য তাদের নির্লজ্জ হস্তক্ষেপের কারনে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ আজ ভারতকে চরম ঘৃনার চোখে দেখে।

বাংলাদেশকে বাঁচতে হলে, সোজা হয়ে দাঁড়াতে হলে, নতজানু পররাষ্ট্রনীতি পাল্টাতে হবে। আর পররাষ্ট্রনীতি পাল্টানোর পূর্বে নিজেদের নীতি-আদর্শেও বিশুদ্ধতা আনয়ন করতে হবে। আমরা আমাদের নিজেদের ভেতরেই যেখানে নীতি-নৈতিকতার তোয়াক্কা করি না, সেখানে পররাষ্ট্রনীতি আর কি পাল্টাবো? গনতন্ত্র, ভোটাধিকার, আইনের শাসন, মানবাধিকার ইত্যাদিকে নির্বাসন দিয়ে প্রতিবেশি দেশের বন্ধুসুলভ আচরন আশা করা 'নিম গাছ লাগিয়ে মিষ্টি আপেল খাওয়ার আশা ছাড়া কিছুই নয়'।

বাংলাদেশকে তার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অবশ্যই আপডেট করতে হবে। অন্তত:পক্ষে মিয়ানমার টিয়ানমার কিংবা এই জাতীয় মগ টগ যেন ইন ফিউচারে আর কোন দিন থ্রেট হিসেবে আবির্ভূত হতে না পারে, সেরকম সামর্থ্য অর্জন করতে হবে। আর এটা নিশ্চিত- নিজেদের সক্ষমতা বাড়লে একটা সময় আমাদের অনেক বন্ধু হবে। শত্রুও সমীহ করতে বাধ্য তখন। সে দিনটিরই অপেক্ষায়।

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৫১

আখেনাটেন বলেছেন: গনতন্ত্র, ভোটাধিকার, আইনের শাসন, মানবাধিকার ইত্যাদিকে নির্বাসন দিয়ে প্রতিবেশি দেশের বন্ধুসুলভ আচরন আশা করা 'নিম গাছ লাগিয়ে মিষ্টি আপেল খাওয়ার আশা ছাড়া কিছুই নয়'। -- যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ। আর জনগণ রামের বেশ ধরে অদৃশ্য অসুর বধ করার জন্য অাস্ফালন করি।

আমাদের এখানে যে দলই ক্ষমতা পায় তারাই দেশটাকে বাপ-স্বামীর তালুক মনে করে। জনগণ মরল কি বাঁচল এতে তাদের কিচ্ছু যায় আসে না।

যে জাতি যেমন সে তেমনই নেতা নির্বাচন করবে। আমরা হয়ত মানুষগুলোই খারাপ, তাই আমাদের চয়েসও সে রকম।

৩১| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:১১

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: সম্ভবনা দেশ বাংলাদেশ, আমাদের দেশে কি নেই? কিন্তু দুঃখের বিষয় হল আজও “ রাহু ও শানি দশা” থেকে মুক্তি লাভ করতে পারলো না। :(

২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:০১

আখেনাটেন বলেছেন: সম্ভবনা দেশ বাংলাদেশ, আমাদের দেশে কি নেই? কিন্তু দুঃখের বিষয় হল আজও “ রাহু ও শানি দশা” থেকে মুক্তি লাভ করতে পারলো না। -- সহমত।

আমাদের নেতারা জাতির ভবিষ্যৎ নিয়ে কদাচিৎ ভাবেন। তাই বর্তমান সবসময়ের জন্যই বিশৃঙ্খলাপূর্ণ।

৩২| ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:০৯

জুন বলেছেন: ভারতের কোন প্রতিবেশী দেশের সাথে আন্তরিক সম্পর্ক আছে কিনা আমার সন্দেহ আখেনাটেন । যারা ভুটান বা নেপালের মত স্থল বেষ্টিত রাস্ট্র তারা বাধ্য হয়েই নম নম করছে বলেই আমার বিশ্বাস। তারপর ও তারা মাঝে মাঝে ভারতের দাদাগিরি আর স্বার্থপরতা সহ্য করতে না পেরে চীনের দিকে ঝুকছে। ইউরোপে প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে কি স্বার্থহীন সুন্দর সম্পর্ক দেখলে আর শুনলেও ভালোলাগে। আমাদের সাথেতো পুরাই স্বার্থের সম্পর্ক ।
ভালোলাগলো আপনার লেখাটি, সত্যটিই তুলে ধরেছেন প্রফেসরের সাথে কথোপকথনে ।
+

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৪

আখেনাটেন বলেছেন: ভারতের কোন প্রতিবেশী দেশের সাথে আন্তরিক সম্পর্ক আছে কিনা আমার সন্দেহ আখেনাটেন । -- ভুটান ও বাংলাদেশ বাদে কারো সাথেই নেই।

উপমহাদেশে এই ভালো সম্পর্কের প্রধান প্রতিবন্ধকতা মনে হয় ধর্ম। এর ফলেই অবিশ্বাসের গ্যাপটা বাড়তে বাড়তে অাকাশ স্পর্শ করেছে।

আমরা পাশাপাশি বাস করলেও মনের গহীন কুঠিরে তীব্র ঘৃণা ও বিদ্বেষ নিয়ে চলছি। এতে অাখেরে দু-পক্ষেরই যে ক্ষতি হচ্ছে তা কিন্তু কেউ অনুধাবণ করছে না।

আর এখন এর মাত্রাটা যে পরিমাণ বেগ পেয়েছে এর শেষ পরিণাম ভয়ঙ্কর হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।

ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য।

৩৩| ২৫ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:০৯

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: ভদ্রলোক যে দারুন রাগী তা শিরোনাম দেখেই স্পষ্ট। তবে শিরোনাম দেখে আমি আপনার বাণীই ভেবেছিলাম।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৬

আখেনাটেন বলেছেন: ভদ্রলোক যে দারুন রাগী তা শিরোনাম দেখেই স্পষ্ট। -- হা হা হা। কিছু ক্ষেত্রে ক্ষোভ থাকলেও সে জন্য রাগী কি-না তা নিরূপণ করা মুশকিল।

৩৪| ২৫ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:৪০

খায়রুল আহসান বলেছেন: কিছু কথোপকথন দিয়ে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের প্রতি আলোকপাত করেছেন, বিদগ্ধ পাঠকেরাও তাদের মন্তব্য দিয়ে পরিস্থিতির বিচার বিশ্লেষণ করেছেন। অনেক পাঠকের মন্তব্যই ভাল লাগলো, তাই তাদের মন্তব্যে, আপনার প্রতিমন্তব্যে 'লাইক' দিয়েছি।
পররাষ্ট্র বিভাগে তো দেশের শ্রেষ্ঠ মেধাবীরাই যায়। তবুও আমাদের পররাষ্টড় নীতির এত দৈন্য দশা কেন? কোতা সিস্টেম আমাদের সব সিস্টেমকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।
রোহিঙ্গা সমস্যা নিরসনকল্পে বাংলাদেশের উচিত হবে ভারতকে ছেড়ে চায়নাকে কিছু ছাড় দিয়ে দলে ভেড়ানো যায় কিনা, সে চেষ্টা করে দেখতে।
পোস্টে ভাল লাগা + +

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:০৮

আখেনাটেন বলেছেন: পররাষ্ট্র বিভাগে তো দেশের শ্রেষ্ঠ মেধাবীরাই যায়। তবুও আমাদের পররাষ্টড় নীতির এত দৈন্য দশা কেন? কোতা সিস্টেম আমাদের সব সিস্টেমকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। -- অবশ্যই সিস্টেমে গণ্ডগোল আছে।

রোহিঙ্গা সমস্যা নিরসনকল্পে বাংলাদেশের উচিত হবে ভারতকে ছেড়ে চায়নাকে কিছু ছাড় দিয়ে দলে ভেড়ানো যায় কিনা, সে চেষ্টা করে দেখতে। -- চায়না চাইলে এক নিমিষেই এর সমস্যার সমাধান করতে পারে। কিন্তু তারা তা করবে না। কারণ এতে মায়ানমার নাখোস হবে এটা চায়না ভালো করেই জানে। এবং এর ফলে বার্মার পুরোপুরি ভারতের দিকে ঝুঁকে পড়ার একটা সম্ভবনা রয়েছে যা চীনের ভূ-রাজনৈতিক কৌশলে একটি ভূমিকম্পের মতো হবে। এই সুযোগ ভারত কোনো মতেই ছাড়বে না।

একই কারণে ভারতও বাংলাদেশকে পুরোপুরি সাপোর্ট করছে না। ভয়, পাছে বার্মা তাদেরকে রাখাইন তথা মায়ানমার থেকে খেদায়ে দেয়। যেমনটা পশ্চিমাদের অনেকাংশে দিয়েছে জান্তা সরকার।


এখানে একটি গেম চলছে ভারত ও চীনের মধ্যে। মায়ানমার হচ্ছে চালক। বাংলাদেশ হচ্ছে গুটি।



মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

৩৫| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৫৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: বঙ্গবন্ধুর আওয়ামীলীগের পররাষ্ট্রনীতি আর এখনকার পররাষ্ট্রনীতির যদি তুলনা করেন , তাহা হইলে দেখিতে পাইবেন, তাহার পররাষ্ট্রনীতি ছিল " সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব , কাহারো সাথে শত্রুতা নহে। " ইহার কারণে বঙ্গবন্ধু ভুট্টোর পাকিস্তানের সাথেও কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করিয়াছিলেন। ওআইসিতে যোগ দিয়াছিলেন। দেশের স্বার্থে ইন্দিরার ভারতের আপত্তিও কানে তোলেন নাই ! এখনকার বিচিহীন পররাষ্ট্রনীতির কারণে দেশকে কখনো ভারতের কখনো চীনের , কখনো আমেরিকার , কখনো ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের লুঙ্গির তলে আশ্রয় লইতে হইতেছে ! ফলাফল, সকলেই আসিয়া ইয়ে মারিয়া স্বার্থ উদ্ধার করিয়া কাটিয়া পড়িতেছে ! বিএনপি সরকার হইলেও খুব একটা ব্যাতিক্রম হইতো না ! হয়তো ভারতের লুঙ্গির তল হইতে বাহির হইয়া চীনরে ব্লো জব দিয়া বেড়াইত !

২৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:২৭

আখেনাটেন বলেছেন: জনগণ যে রকম সে রকম নেতাই নির্বাচন করে। আর নেতাদের দেশপ্রেমের অভাব থাকলে জাতিকে তারা কীভাবে সঠিক পররাষ্ট্রনীতি দ্বারা পরিচালনা করবে। ফলে যা হবার দেশে তাই ঘটছে।

*মন্তব্য আর একটু শালীনভাবেও কিন্তু উপস্থাপন করা যায়। :(

৩৬| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:০২

প্রামানিক বলেছেন: তবে ভারতের লোকজনের স্বদেশ প্রীতি আমাদের চেয়ে অনেক বেশি। তারা দেশের স্বার্থে সবাই এক, আমরা ওদের চরিত্রের ভিন্ন রুপ।

২৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৩২

আখেনাটেন বলেছেন: তবে ভারতের লোকজনের স্বদেশ প্রীতি আমাদের চেয়ে অনেক বেশি। তারা দেশের স্বার্থে সবাই এক, আমরা ওদের চরিত্রের ভিন্ন রুপ। -- সহমত।

নানা মত নানা পথের লোক হলেও তারা বেশির ভাগই দেশ ইস্যুতে একমত থাকারই চেষ্টা করে। আমাদের অনেক কিছুই শেখার আছে তাদের কাছ থেকে।

৩৭| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:২০

জুন বলেছেন: উপমহাদেশে এই ভালো সম্পর্কের প্রধান প্রতিবন্ধকতা মনে হয় ধর্ম। আখেনাটেন আপনার এই বক্তব্যটি যদি সত্য হতো তবে পৃথিবীর একমাত্র হিন্দু রাস্ট্র নেপালের সাথে তাদের সম্পর্ক এত তলানীতে এসে ঠেকতো না । ওদের মোড়লগিরির জন্য প্রতিবেশী কোন দেশই তাদের পছন্দ করে না বলেই আমি মনে করি ;)

২৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৪৫

আখেনাটেন বলেছেন: আখেনাটেন আপনার এই বক্তব্যটি যদি সত্য হতো তবে পৃথিবীর একমাত্র হিন্দু রাস্ট্র নেপালের সাথে তাদের সম্পর্ক এত তলানীতে এসে ঠেকতো না । -- অাপু, সেজন্যই আমি কিছুটা ডাউট নিয়ে 'মনে হয়' শব্দবন্ধ ব্যবহার করেছি। কিছু ইস্যুতে নেপালের সাথে ভারতের টক্কর লেগেই থাকে এটা সত্য। এখানে মাওবাদী বা চীনের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। কিছুদিন আগে মদেশিদের সাথে তরাইয়ে এই নিয়েই তুলকালাম হয়ে গেল।

তবে ভারত কিন্তু নেপালকে বহুমুখী সুযোগ-সুবিধা দিয়ে রেখেছে। যা বাংলাদেশের জন্য কল্পনাতেও অানা সম্ভব নয়। যেমন নেপালীরা কিন্তু ভারতে সরকারী জবও করতে পারে। অাধার কার্ড পেতে পারে। অবাধে নিজ নিজ দেশে ভিসা ছাড়াই চলাচল করতে পারে।

আর বাংলাদেশ ভিসা নিয়েই চলাচলে হাজারো রকম প্রতিবন্ধকতা।

যদিও থিউরিটিক্যালি বলা হয়ে থাকে যে ধর্ম পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে কোনো প্রভাব ফেলে না। কিন্তু জনমত কিন্তু এই নীতিকে প্রভাবিত করে। ফলে পুপুলিস্ট সরকারকে জনগণের কথা মতোই চলতে হয়। সেজন্যই আমার ঐ মন্তব্য করা।

তবে আপনার এ কথায় একমত যে ভারতের মোড়লগিরি নেপালের মানুষেরাও ভালোভাবে নিচ্ছে না ইদানিং।

ভালো থাকুন আপু।

৩৮| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৩০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ভারতে মুসলিমরাও দেশ প্রেমিক। আমার এক পরিচিত বললেন, মিডলিস্টে ভারতিয় মুসলিমদের সামনে আমারা ভারতের বিরুদ্ধে কিছু বললে এরা তিব্র প্রতিবাদ করে।

২৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৩

আখেনাটেন বলেছেন: আপনার কথায় সত্যতা রয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবেই চিনি বেশ কিছু ভারতীয় মুসলিমকে। কয়েকজন বেশ ভালো বন্ধুও। তবে এরা কিন্তু এই প্রজন্মের ছেলেমেয়ে। তাদের দেশপ্রেম নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

তবে তাদের মুখেই শোনা কথা। শোয়াইব নামে উত্তরপ্রদেশের এক বন্ধু জানায় যে তার বড় চাচা ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট খেলার সময় পাকিস্থানের সাপোর্ট করে। অারো নানা ইস্যুতে পাকিদের সমর্থন করে। এ নিয়ে শোয়াইবের সাথে তর্ক-বিতর্কও ঘটে।

বাংলাদেশেও মনে হয় এরকম কিছু এন্টিক পিস পাওয়া যেতে পারে খুঁজলে। :P

৩৯| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:০২

আটলান্টিক বলেছেন: আখেনাটেন ভাইয়া দারুণ লিখছেন।আপনার প্রতিটা পোষ্টেই জানার মত অনেক কিছু থাকে।ওই ভদ্রলোককে আমার সালাম দেবেন পুরো বিষয়টা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়ার জন্য।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৫১

আখেনাটেন বলেছেন: আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম।

ওই ভদ্রলোককে আমার সালাম দেবেন পুরো বিষয়টা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়ার জন্য।
-- পেয়ে গেছেন উনি।

ভালো থাকুন নিরন্তর ব্লগার একটি অাটলান্টিক।

৪০| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:৪৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার এই বক্তব্যটি যদি সত্য হতো তবে পৃথিবীর একমাত্র হিন্দু রাস্ট্র নেপালের সাথে তাদের সম্পর্ক এত তলানীতে এসে ঠেকতো না - জুন এর এ যুক্তিটা দারুণ হয়েছে (৩৭ নং মন্তব্য)।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৩

আখেনাটেন বলেছেন: বিচক্ষণ ও বুদ্ধিমতী জুনাপু।

৪১| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:২৪

আটলান্টিক বলেছেন: খায়রুল সাহেব আপনার সাথে একমত

২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৪

আখেনাটেন বলেছেন: আমিও দ্বিমত নই। :D

৪২| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: @একটি আটলান্টিক, আমি তো এখানে দুটো মন্তব্য করেছি। কোন মন্তব্যটার সাথে আপনি একমত?

৪৩| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:৩০

আটলান্টিক বলেছেন: @খায়রুল সাহেব
দুটোর সাথেই একমত।আপনি প্রতিটা মন্তব্য খুব চিন্তা করে লেখেন।তাই আপনার সাথে দ্বিমতে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না

৪৪| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৪১

নতুন বলেছেন: দেশের সাথে দেশের সম্পক` হয় দুইদেশের স্বাথে` উপরে ভিক্তি করে...

ভারত কেন কোন দেশই আমাদের বন্ধু হবেনা। সবাই নিজের স্বাথ`ই দেখবে...

আমাদের স্বাথ` আমাদের নিজেদেরই রক্ষা করতে হবে.... ভারতের সাথে বেশি মাখামাখি থাকলে সেই সরকার বেশি সুবিধা দেবে তাদের...

খাটি বাংলাদেশী দালাল এখন কম.... বিভিন্ন দেশী দালাল বেড়ে যাচ্ছে... :(

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:০৯

আখেনাটেন বলেছেন: খাটি বাংলাদেশী দালাল এখন কম.... বিভিন্ন দেশী দালাল বেড়ে যাচ্ছে... -- এইটাই এ দেশে বড় চিন্তার বিষয়।


বড় দুই জোটের বেশির ভাগ নেতা-পাতিরা দুইদিকে নুইয়ে রয়েছে। আবার এদের হাতেই আমরা জনগণেরা ক্ষমতার ঝাণ্ডা তুলে দিচ্ছি যুগের পর যুগ ধরে। এরা আর কীভাবে জাতিকে মেরুদণ্ড খাড়া করা শেখাবে। শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল দশা দেখলে চোখে পানি চলে অাসে।

৪৫| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:১৬

নতুন বলেছেন: দেশপ্রেম না থাকলে কোন দেশই কখনো উন্নতি করতে পারেনা। দেশের উন্নয়ন হয় আত্নত্যাগে,সমস্টিগত চেস্টায়...

আমাদের দেশে চলে সমস্টিগত দূনিতি....এই বোধটা না পাল্টাতে দেশের উন্নতি হবেনা... দেশের বয়সই বাড়বে...

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:৪০

আখেনাটেন বলেছেন: দেশপ্রেম না থাকলে কোন দেশই কখনো উন্নতি করতে পারেনা। দেশের উন্নয়ন হয় আত্নত্যাগে,সমস্টিগত চেস্টায়... --আমাদের নেতারা তো মুখে অাত্নত্যাগের চকচকে বুলির ফোয়ারা ছুটে চলেছে প্রতিনিয়ত। ইনাদের অাত্নত্যাগ মানে অন্যের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে নিজেদের সমৃদ্ধি।


আমাদের দেশে চলে সমস্টিগত দূনিতি....এই বোধটা না পাল্টাতে দেশের উন্নতি হবেনা... দেশের বয়সই বাড়বে.. --
জাতিকে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করার প্রজেক্ট যতদিন নেওয়া হবে না, ততদিন জাতিকে এভাবেই খুড়িয়ে খুড়িয়ে দালালীর মাধ্যমে চলতে হবে। গতকালই দেখলাম এদেশ থেকে শুধু ভারতেই বৈধ পথেই ৩২ হাজার কোটি টাকা যাচ্ছে ওদের রেমিটেন্স হিসেবে। এভাবে টপ ম্যানেজমেন্ট লেভেলে ভারতসহ, শ্রীলংকা, পাকিস্থান, তুরস্ক ও অন্যান্য দেশের প্রচুর লোক নানাভাবে টাকা নিয়ে যাচ্ছে এদেশ থেকে। কারণ আমরা জাতিকে সেভাবে শিক্ষিত করে তুলতে পারছি না। আামাদের এ নিয়ে মাথাব্যথাও নেই।

মাথাব্যথা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটেের নির্বাচনে হলুদ বা নীল বা সাদা দলেরা কে কতটা পদ কুক্ষিগত করতে পারবে? এরা আর জাতিকে কি যোগান দেবে? দেশে কুলাঙ্গারদের সংখ্যা চক্রবৃদ্ধিহারে বাড়ার বহু কারণ দৃশ্যগত।

৪৬| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:১২

নতুন বলেছেন: দেশে বেকারের পরিমান কত বেশি কিন্তু স্কীল্ড লোক কম... তাই আমাদের বাইরের দেশের মানুষ আনতে হয়।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৪৭

আখেনাটেন বলেছেন: আমাদের এখনকার উচ্চশিক্ষাও স্কিল লোকবল তৈরি করার প্রথম সোপান হিসেবে নিদারুনভাবে ব্যর্থ। সরকারও এ ব্যাপারে উদাসীন। অথচ কিছু দূরদর্শী লোকের শিক্ষাক্ষেত্রে চমৎকার কিছু পরিকল্পনা পাল্টে দিতে পারে জাতির ভবিষ্যৎ।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ব্লগার নতুন।

৪৭| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৩১

আটলান্টিক বলেছেন: ফেরাউন ভাইয়া বাংলাদেশে স্কিলড লোক বানানো কিভাবে সম্ভব ?কেননা এখন শিক্ষকরা ছাত্রদের চেয়ে অযোগ্য ও মূর্খ।যদি টিচাররাই কিছু না জানে তাহলে যারা লার্নার তারা কি করবে?এখন পাবলিক ইউনিভার্সিটির ছেলেমেয়েরা বই বাদ দিয়ে GRE নিয়ে বেশি ব্যস্ত।এখন বুঝেন কি অবস্থা?

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:০৯

আখেনাটেন বলেছেন: মহাসাগর ভাইয়া শুধু GRE নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও তো কাজ হতো। সাথে যে PRE (Political Rowdiness in higher Education) TRE (Teaching Retardation in higher Education) SRE (Student Repulsiveness in higher Education) ইত্যাদি নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকতে বেশি দেখা যায়।

এসব কিছুই দেশের উচ্চশিক্ষাকে মধ্যযুগের অন্ধকারের দিকে টানছে।

৪৮| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৮

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: আপনার লেখা পড়ে খুব মজা পাচ্ছি।

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৮:০৪

আখেনাটেন বলেছেন: আপনার মন্তব্য পড়েও ভীষণ মজা পেলুম।

সেজন্য এক পাতিল ফাগুনের আগুন লাগা শুভেচ্ছা।

৪৯| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:২৫

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: মোদ্দা কথা হলো ভারতীয়রা দেশপ্রেমিক আর আমাদের রাজনীতিবিদরা কী ভাবে দেশের স্বার্থকে বিকিয়ে নিজের ঝোলা ভরানো যায় সেই ধান্ধায় ব্যস্ত; অতপর ভারতের সংগে কোন প্রতিবেশীরই সম্পর্ক ভালোনা। চীন পাকিস্তান তো চিরশক্র নেপাল এবং শ্রীলংকার সংগেও সম্পর্ক ভালোনা এমনকী মালদ্বীপও ভারতকে মানছেনা পক্ষান্তরে আমরা ভারতের লুঙ্গী তুলে তেল মালিশ করে যাচ্ছি কিন্তু নিজে দাড়াতে পারছিনা।



ভালো থাকুন নিরন্তর।

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:২০

আখেনাটেন বলেছেন: দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: মোদ্দা কথা হলো ভারতীয়রা দেশপ্রেমিক আর আমাদের রাজনীতিবিদরা কী ভাবে দেশের স্বার্থকে বিকিয়ে নিজের ঝোলা ভরানো যায় সেই ধান্ধায় ব্যস্ত; -- এটাই অাসল কথা। দেশের স্বার্থ আগে এই জিনিস আমাদের রাজনীতিবিদ ও আমলাদের কুটিল মাথায় কে ঢুকাবে?

ভালো বলেছেন।


ভালো থাকুন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.