নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মনটা যদি তুষারের মতো...

আখেনাটেন

আমি আমাকে চিনব বলে বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছি একা একা, পাই নি একটুও কূল-কিনারা কিংবা তার কেশমাত্র দেখা। এভাবেই না চিনতে চিনতেই কি মহাকালের পথে আঁচড় কাটবে শেষ রেখা?

আখেনাটেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

একজন ‘না’-বালকের প্রথম ও শেষ ধূম্রপানের ইতিহাস!!!!

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:২৬


আমার ভীষণ হিংসে করতে ইচ্ছে করে মংলু, রতন ও কান্দুড়ুকে । পান্তা খাওয়ার পর জমির আলে (আইল) বসে কী মিষ্টি করে যে হালিম বিড়িতে সুখ টান দেয়। মুগ্ধ আমি বিস্মিত আমি তা বিস্ফারিত চোখে অবলোকন করি। খালি মনে হতে থাকে কবে সে দিন আসবে যে দিন মংলুদের মতো এই আমি মদিরাতে সুর তুলতে পারব। সুখটানের সুখে হৃদয় নাচাতে পারব।

আমার ভাবনার আকাশে সুখের পাখিরা পতপত করে উড়ে বেড়ায় বিড়ি খাওয়ার দৃশ্য কল্পনাতে। ইতোমধ্যে একদিন চাচাতভাই ক্লাস থ্রিতে পড়া কবির কান্দুড়ুর সহায়তায় বিড়ি খেয়ে মাথা ঘুরে চিৎপটাং। কাদা-পানিতে মাখামাখি। এ কথা শুনে বয়সে অল্প কিছুদিনের বড় আমিও নিজের মধ্যে একটি চ্যালেঞ্জ অনুভব করলাম। কি আছে হেথায়?

শেষে আরো কয়েকজন শিষ্যকে নিয়ে বিড়ির খোঁজে বের হয়ে পড়লাম। কিন্তু বিধি বাম! দোকানদারা হরতাল ডেকেছে আমাদের মন্ডলের পুতদের বিড়ি দেবে না। শেষে তাদের দোকান করা নিয়ে না টানাটানি শুরু হয়। কিন্তু আমরা নব্য হবু বিড়িখোর বাহিনী হাল ছাড়তে রাজি নয়।

শেষে কৌশল অবলম্বন করতে হল। এক মহিলা দোকানদারকে গিয়ে বলা হল এই বিড়ি কাজের লোকদের দেওয়ার জন্য বাবা পাঠিয়েছে। এতে সন্দেহ করার কিছু নেই। মাঝে মাঝেই কাজের লোকদের জন্য বিড়ি কিনতে হত। ফলে বিনা বাধায় বিড়ির সংস্থান হল। কিন্তু ঝামেলা বাঁধল কোথায় এর সৎকার হবে।

এটা একটা মারাত্মক বিষয়। ধরা খাওয়ার ভয় আছে। অনেক আলাপ-আলোচনার পর সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া গেল। খলার মাঝে (বাড়ি থেকে বেশ দূরে যেখানে ধান মাড়া হয় ও খড়ের স্তুপ রাখা হয় তেমন বৃহদাকার আমবাগানের মাঝে উন্মুক্ত স্থান) খড়ের গাঁদার পাশে বিশাল আম গাছের চিপায় বসে জীবন কা পেহেলীবার ধুঁয়ার স্বাদ! ভয় আছে আগুন লাগার। কারণ এই ধানের পালাগুলো তখনো মাড়া হয় নি। এক একটা পালা প্রায় দুশ-মণ তিনশ-মণ ধানের। কোনভাবে আগুন টাগুন লাগলে আমাদের দফারফা হবে। তাই সাবধানে এগুতে হবে। এই পালাগুলোর চিপা বাদে তেমন যুতসই স্থান পাওয়া যাচ্ছে না যেখানে পান করা যেতে পারে।

ভীষণ উত্তেজনা। হালিম বিড়ি। ২৫ টাতে প্যাকেট। একটি দিয়াশলাই। চারজন। যখন দিয়াশলাইয়ের কাঠিতে প্রথম ঠোকাতে ফস করে আগুন ঝলসে উঠল। মনে হল যেন এ আগুন কাঠিতে নয়, আমাদের হৃদপৃন্ডে দপ করে জ্বলে উঠল। কচি মুখগুলোর জ্বলন্ত শলাকার দিকে লোভাতুর চাহনী দেখে ঈশ্বরও হয়ত টানটান উদ্বেগে লক্ষ রাখছিলেন। হয়ত ভাবছিলেন, এতে কী এতই মজা?

এভাবেই চলছিল বেশ। একেক দিন একেকজন গিয়ে বিড়ি ও দিয়াশলাই নিয়ে আসি। আর পালা ও আমগাছের চিপায় বসে সুখ-সাগর পাড়ি। বেশ কিছুদিন এভাবে চলার পর আমাদের দোকানী মহিলার মনে সন্দেহ জাগে। সে গোয়ান্দাগিরি করে। আমরাও কম নয়। বিড়ি নিয়ে প্রথমে কাজের লোকদের কাছেই যাই। সেখানে কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করে পরে আমাদের আস্তানায় গিয়ে জলসার আসর বসাই।

কোন একদিন বিকেলে দোকানী মহিলা নিজের গরু মাঠে নিয়ে যাওয়ার সময় আমাদের খলার ভিতর প্রবেশ করতে দেখে। তারপর সন্দেহবশত নিজ চউক্ষে কি করি আমরা তা দেখার জন্য আমাদের পিছু নেয়। তখনই হাতেনাতে ধরে ফেলে মন্ডলের পুতদের কুকীর্তি।
এরপর যা হবার তাই ঘটল। সবকিছু মিসাইলের মতো দ্রুত ঘটছে। আমরা বিকেলের পর বাসায় ফিরতে পারছি না। কারণ ইতোমধ্যে রাষ্ট্র হয়ে গেছে মন্ডলের বাচ্চাদের ভয়ঙ্কর কান্ডকীর্তি। ভয়ঙ্কর এই কারণে যে আমরা কৃষককুলের সন্তান তাদের সারাবছরের সঞ্চয় ঐ বিশাল ধানের পালার কাছে গিয়ে এই কুকীর্তিগুলো করেছি। কোনভাবে যদি আগুন ধরে যেত ধানের পালায়। তাহলে তো গোটা বছরই মাটি তাদের।

বোকা আমরা এত কিছু ভাবার সময় কই। সবাই আত্নগোপনে বিভিন্ন জায়গায়। ইতোমধ্যে সন্ধ্যায় খবর পেলাম একজন গ্রেফতার খেয়েছে। মারের নাকি তুলকালাম আয়োজন চলছে। আমার তো মনে হচ্ছে এখন কেউ যদি আমাকে পাশের ভারতের কাঁটা তারের বেড়াটা পার করে দিত। তাহলে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ভিক্ষা-টিক্ষা করে জীবন সুন্দরভাবেই পার করে দিতে পারতাম। নিজেকে আমি ছোটা ভিক্ষুক ভাবা শুরু করেছি।

আমি মহিষের গোয়ালের হাড়ং (যেখানে মহিষদের ডিনার :P হিসেবে খড় দেওয়া হয় সারারাতের জন্য) এ লুকিয়ে আছি। সাধারনত এশার আজানের পর রাখালেরা মহিষ গোয়ালে তোলে। ততক্ষণ পর্যন্ত নিরাপদে থাকা যাবে। লুকোচুরি খেলার সময় এই উঁচু হাড়ংগুলো আমাদের লুকানোর খুব ভালো জায়গা। কারণ ভিতরে প্রচুর খড় থাকে। পিচ্চি আমরা সহজেই আত্নগোপন করতে পারি।

কিন্তু আমার এই গোপন গুহার খবর বেশিক্ষণ স্থায়ী হল না। বাকি সাগরেদরা ধরা খাওয়ায় ফাঁস করে দিয়েছে আমার সম্ভাব্য স্থানগুলোর নাম। একটু পরেই বড় আপার কমান্ডে বিগাল দা’র অনুসন্ধানী টিম চিরুনি অভিযান চালিয়ে আমাকে গ্রেফতার করে মার্চ করতে করতে বাড়িতে নিয়ে চলল। চারিদিকে কৌতুহলী চোখের জটলা। মনে হচ্ছে যেন চার ফুটের সিরিয়াল কিলারকে র‍্যাবের স্পেশাল স্কোয়াড পাকড়াও করে হেডকোয়ার্টারের নিয়ে যাচ্ছে। আমার ভয়ের প্রতিক্রিয়া হিসু ও এর চেয়েও বড়টার কাছাকাছি পর্যায়ে চলে গেছে। আল্লাহ মালুম! কী ধরণের খানাপিনার ব্যবস্থা করেছে।

অবশেষে বড় আপার নির্দেশে কার্পেট পিটানির পর দোয়া-দরুদ পড়ে শুদ্ধ করা হল। অবশ্য আমি যে শুদ্ধ হয়েছি তা বুঝতে এক সপ্তাহ লেগেছিল। কারণ রামছ্যাচা খাওয়ার পর সাতদিন বিছানাগত। এরপর মুক্ত আকাশ দর্শন। নিজেকে মুক্ত বিহঙ্গের মতোই মনে হচ্ছিল শুদ্ধ আমি।


পুনশ্চঃ আমাদের ওখানে বেশ আগে হিড়ি পাগলা নামে একজন ছিল। বাজারে প্রায়শই সে এলাকার নতুন জামাইদের নানাভাবে প্যাঁচে ফেলত। এ ব্যাপারে সে কামেল আদমী। কারণ সদ্য বিবাহিত জামাই বাবুরা জানতই না এ পাগল। তো হিড়ি পাগলা এক জামাইকে বলছে, ‘তুই বিড়ি (সিগারেটকে বিড়ি হিসেবে ধরে নিয়েছে) খাস। তোর ফুসফুস চ্যাপ্টা খেয়ে গ্যাছে। কলজাই কালা পানি খলবল করছে। তুই তো মরবু কদিন পরেই। হারামজাদা, বিড়ি খাস ক্যান’।
ইতোমধ্যেই ভ্যাবচ্যাকা খাওয়া নব জামাই ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা। তারপর একটু চুপ থেকেই হিড়ি পাগলার খুব মিষ্টি সুরে বিড়ির আবদার। ‘জামাই একটা বিড়ি দিবু’।

**ধূমপান বিষপান, যদি বাঁচতে চান, তবে না খান???? :P :P

ওস্তাত নুসরাত ফতেহ আলী খানের একটি ক্লাসিক শুনে ঘুমাতে যান...।



প্রথম ছবি: অন্তর্জাল

মন্তব্য ৯৫ টি রেটিং +১৭/-০

মন্তব্য (৯৫) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৪১

চাঁদগাজী বলেছেন:


আমি বাড়ী থেকে আধা মাইল দুরে খামারে থাকতাম বেশীরভাগ সময়ে; ওখানে লোকজন থাকতো না খুব একটা; কিন্তু বিড়ি খাওয়ার কথা কখনো মনে আসেনি

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৪৮

আখেনাটেন বলেছেন: গ্রেট। আপনার প্রতিকূল অবস্থায় টিকে থাকার যে অসাধারণ গুণ আছে তা এই ব্লগের সবাই স্বীকার করবে। কয়জন পারে।

এখনও কি বিরত? :D

২| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৪৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: লেখাটি এখন প্রিয়তে গেল ।
একটু সুস্থ ফিল করলে পরে আবার আসব।
শুভেচ্ছা রইল ।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৫০

আখেনাটেন বলেছেন: আপনার দেখা পাওয়াতেই খুশি।


ইদানিং আপনার শরীর মনে হয় ভালো যাচ্ছে না।

৩| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৫০

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: বিড়ি/সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছেও জাগেনি, কখনো খাওয়াও হয়নি। হয়তো বা শহরে অভিভাবকদের কড়া নজরদারির কারণে। আপনি আর না খাওয়াতে ধন্যবাদ..

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৫৪

আখেনাটেন বলেছেন: সেইরকম মারের পর বিড়ির নেশা টুটে গেছে জনমের তরে। :P


কথায় আছে না 'কাঁচায় না নোয়ালে বাঁশ পাকলে করে ট্যাঁশ ট্যাঁশ'। আমাকে কাঁচায় নোয়ায়ে ফেলেছে। ফলে আর ট্যাঁশ ট্যাঁশ করা হয়ে উঠে নি। =p~

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৪| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:০৪

জাহিদ অনিক বলেছেন:

কাওয়ালিটা কয়েকবার শুনলাম।

আমি বিড়ি খাইতাম। এখন মাঝেমধ্যে খাই। ৯০ ভাগ ছেড়ে দিয়েছি।


আপাতত কাওয়ালীতেই মজে রইলাম। পোষ্ট পড়ে পরে মন্তব্য করব।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:১০

আখেনাটেন বলেছেন: তাহলে এটাও শুনে দেখবেন। এগুলো আমার মানসিক প্রশান্তির খোরাক।

৫| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:০৫

ওমেরা বলেছেন: আমাদের ফ্যামেলীতে কেউ সিগারেট খান না । লিখা ভাল লাগল ধন্যবাদ ।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:১২

আখেনাটেন বলেছেন: অাপনাদের কে শুদ্ধ করেছিল। কোন উপায়ে? :P :P

পড়ে ভালোলাগার জন্য ধন্যবাদ।

৬| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:০৯

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: বিড়ি টানতে টানতে পোষ্টটা পড়লাম।। :)

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:১৯

আখেনাটেন বলেছেন: হা হা হা। অাপনাকে কেউ শুদ্ধ করে নি। :P

৭| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:১২

জাহিদ অনিক বলেছেন:

ধন্যবাদ। আরও কয়েকটা দিন ।

আই লাভ কাওয়ালী।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:১৭

আখেনাটেন বলেছেন: https://www.youtube.com/watch?v=uAHoeaAMj5s



৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:১৮

আখেনাটেন বলেছেন:

৮| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:২১

চাঁদগাজী বলেছেন:


হ্যা, সিগারেট মিগারেট খাই না।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:২৫

আখেনাটেন বলেছেন: আমার মতো শুদ্ধি অভিযানের মধ্যে দিয়ে যান নি তো আবার। ;)


সমগোত্রীয় লোক দেখলে ভালো পাই।

৯| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:৩১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: হাহাহাহাহাহা =p~ =p~ =p~
বড় আপা'স ড্রাই ক্লিনিং এন্ড ওয়াশ সুলভ মুল্যে কার্পেট ওয়াশ দেয়া হয় ।

মারাত্মক লেভেলের ছিলেন তো !!!!!
অসম্ভব ভালোলাগা লেখায় ।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:৩৯

আখেনাটেন বলেছেন: বড় আপা'স ড্রাই ক্লিনিং এন্ড ওয়াশ সুলভ মুল্যে কার্পেট ওয়াশ দেয়া হয় । -- এই জিনিস দু দশক পরে মাঝে মাঝে দেখা হলেও ডরে কলজা চিমসে হয়ে যায়। :((


'ডর' কত প্রকার ও কী কী? আমরা জেনেছি পিচ্চিকালেই। ;) :P

১০| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:৪১

উম্মে সায়মা বলেছেন: উচিৎ কাজ হয়েছে। সবাইকে যদি এমন কার্পেট ধোলাই দেয়া যেত খুব ভালো হত :)
খুব সুন্দর করে লিখেছেন++

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:২১

আখেনাটেন বলেছেন: হা হা হা। কার্পেট ধোলাইয়ের জন্য অাশেপাশে কেউ আছে নাকি। জানালে বড় আপাকে পাঠায়ে দিব। তারপর দেখেন কী হয়? ১০০% গ্যারেন্টি। এক ধোলাইয়ে রোগ উপশম। =p~

১১| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ২:০২

নূর-ই-হাফসা বলেছেন: যাক আপনার বড় আপা ভালো কাজ করেছেন । সবার আপারা যদি এমন করতো তাহলে আজকাল স্কুল পড়ুয়া ছেলেদের সিগারেট হাতে দেখতে হতো না ।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৩৬

আখেনাটেন বলেছেন: সবার আপারা যদি এমন করতো তাহলে আজকাল স্কুল পড়ুয়া ছেলেদের সিগারেট হাতে দেখতে হতো না । -- এখনকার বড় আপারা ফেবুতে সময় দিতে গিয়ে পিচ্চিদের ধোলাইয়ের টাইম পায় না। ;)


১২| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ২:৩৬

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: প্রথম সিগারেট ফুকার পর, চকলেট, আচার, চটপটি খাওয়ারও পাক্কা দুটি ঘন্টা পর বাসায় ঢুকেছিলাম :-P !!
দারুন স্মৃতিকথন।।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৩৮

আখেনাটেন বলেছেন: প্রথম সিগারেট ফুকার পর, চকলেট, আচার, চটপটি খাওয়ারও পাক্কা দুটি ঘন্টা পর বাসায় ঢুকেছিলাম :-P !! -- ভাইজান, এবার তাহলে সেই গল্পটাই ফেঁদে ফেলেন। আমরাও শুনি।

স্মৃতিকথন ভালোলেগেছে জেনে খুশি হলুম।

১৩| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ২:৩৯

জাহিদ অনিক বলেছেন:


বেশ মজা পেলুম।


আমার ১ম বিড়ি খাওয়া ছিল নেভি সিগারেট !

যে বন্ধু আমার গুরু হয়েছিল সে ভেবেছিল আমি কেশে কেটে টেদে এক করে দিব। তাই আমাকে নিয়ে গেল সন্ধ্যার পরে স্কুলের ঘরের পিছনে নির্জনে। বিড়ি ধরিয়ে আমাকে দেখালো কি করে খেতে হয়। এরপরে আমাকে দিল।
বললে,
ধীরে ধীরে টানবি। মস্তকে যেন ধোঁয়া না যায়, বুকের মধ্যে ধোঁয়া আটকাবি না। নে ধর খা। আস্তে আস্তে।

কিসের কি আস্তে আস্তে আমি সিগারেট পেয়েই টিলাম ভোঁস ভোঁস টান ! চার পাঁচ টানে সিগারেট শেষ। বললাম আরেকটা দে!
কোন কাশি কুশি কিছুই না !
তয় এখন ভালা হইয়া গেছি। খাই না।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৪২

আখেনাটেন বলেছেন: হা হা হা। সকলের শুরুটা মনে হয় এভাবেই হয়। কেউ কার্পেট ধোলাইয়ের পর শুদ্ধ হয়। আর কেউ সুখটানের সুখে বিভোর হয়।

তবে এই জিনিস পানের মনে হয় সকলের কিছু না কিছু ইতিহাস আছে।

১৪| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৮:০৩

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: দারুন মজার মানুষ মনে হচ্ছে আপনাকে। এইভাবে মজা করে ক জনে লিখতে পারে? এই লেখা প্রিয়তে রাখলাম। পড়ে পড়ে হাসবো মাঝে মাঝে। যদিও আপনার এই করুন স্মৃতিময় লেখা পড়ে কেউ হাসছে জানলে আপনি হয়তো রাগ করবেন।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৪৬

আখেনাটেন বলেছেন: সেইরকম ধোলাই খেলে সবাই মজার মানুষে এমনিতেই পরিণত হবে। :P


আপনার এই করুণ ইতিহাস পাঠে প্রীত হয়েছেন জেনে খুশি হলুম। লেখাটি প্রিয়তে নেওয়ায় ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

১৫| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:১৯

নীল-দর্পণ বলেছেন: আমি কল্পনায় দেখতে পাচ্ছি সারাদিন পালিয়ে বেড়ানো দুমড়ানো হাফ শার্ট আর হাফ প্যান্ট পড়া এলো চুলের ৪ফুটি এক আসাই মাথা নিচু করে থুতনিটা বুকের সাথে লাগিয়ে উপর ওয়ালসর কাছে তাওবা করছে যে আজকের মত পার পেলে আর ধ্রুম্র শলাকার দিকে ফিরেও তাকাবে না।

বেচারা বালকের "ওরে বাবারে, ওরে মারে, আপা আর খাবো না, ছাইড়া দেও……" বলে ওয়াশিং & ধোলাই মেশিনের ভেতর থেকে চিৎকারও শুনতে পাচ্ছি। :P


মজা পেয়েছি আপনার লেখায়, আপনিও তখন ব্যথা পেলেও এখন নিশ্চই মজা পান এটা মনে করে? ;)

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৫১

আখেনাটেন বলেছেন: আমি কল্পনায় দেখতে পাচ্ছি সারাদিন পালিয়ে বেড়ানো দুমড়ানো হাফ শার্ট আর হাফ প্যান্ট পড়া এলো চুলের ৪ফুটি এক আসাই মাথা নিচু করে থুতনিটা বুকের সাথে লাগিয়ে উপর ওয়ালসর কাছে তাওবা করছে যে আজকের মত পার পেলে আর ধ্রুম্র শলাকার দিকে ফিরেও তাকাবে না। -- এক্কেরে সেই দৃশ্যটাই তুলে ধরেছেন। গ্রেফতারের পরে দর্শক সারিতে কি আপনিও ছিলেন নাকি। সন্দেহ হয়। :P

আপনিও তখন ব্যথা পেলেও এখন নিশ্চই মজা পান এটা মনে করে? -- স্মৃতি অক্ষয়। অনাগত দিনগুলোর সুখের চাবিকাঠি।

ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

১৬| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৩২

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: লেখাটি পড়ে অনেক মজা লাগল।
ছোট বেলায় আমিও চিকন পাটকাঠিতে আগুন না ধরিয়েই বিড়ির মত টানতাম।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৩

আখেনাটেন বলেছেন: ছোট বেলায় আমিও চিকন পাটকাঠিতে আগুন না ধরিয়েই বিড়ির মত টানতাম। -- এটা তো আরো ছোটকালের নিয়মিত চর্চা ছিল। ভালো কথা মনে করে দিয়েছেন।

ধন্যবাদ পাঠে।

১৭| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:০০

মোহেবুল্লাহ অয়ন বলেছেন: আমি গ্রামে গিয়ে এক ছোট খালাত ভাই কে নিয়ে মামার প্যাকেট থেকে ৩-৪টা সিগারেট হাত করে চিপায় চুপায় গিয়ে দুইদিন টেনেছি। ধোয়া মুখেই রাখতাম। একবারে অনেক বড় টান দিতাম আর সিগারেটের জ্বলন্ত আগুন কত দ্রুত সামনে এসে পরে সেটা দেখে মজা পেতাম। সেটাই শেষ ধূমপান। তখনো আগ্রহ ছিল না এখনো নাই। তখন শুধু টেস্ট করার জন্য টেনেছিলাম।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৬

আখেনাটেন বলেছেন: আপনি তাহলে খাঁটি মানুষ। বড় কোনো এক্সপেরিমেন্টের মধ্যে দিয়ে যান নি।


একবারে অনেক বড় টান দিতাম আর সিগারেটের জ্বলন্ত আগুন কত দ্রুত সামনে এসে পরে সেটা দেখে মজা পেতাম। -- হা হা হা। এটা বাচ্চাদের মনে হয় মজার একটা খেলা।

১৮| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৪০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আহ কত যে একটা শলাকা খাবার ইচ্ছে ছিল ! কেন যেন আর খাওয়া হয়ে উঠেনি | কিন্তু আমার ছোট বেলায় বাসার আশেপাশে মহিষের হারঙের মতো লুকোনোর কোনো জায়গা ছিল না | তাই নিশ্চিত নগদ নগত ধরা খেতে হতো সিগারেট খাবার যে কোনো অভিযান শুরু করার সাথে সাথেই আর ড্রাই ক্লিনিং আর ওয়াশিং শুরু হতো দেরি না করেই -মানে দীর্ঘক্ষণ মেয়াদি| সিগারেট খাবার স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা হয়নি ঠিক কিন্তু ওই ঝামেলাটাও হয়নি মনে করেই বাঁচোয়া | লেখাটা ভালো লাগলো খুবই |

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:০১

আখেনাটেন বলেছেন: মিঞাভাই তাহলে তো ম্যাঁড়ম্যাঁড়া বাচ্চাকাল পার করেছেন। পিচ্চিকালে নানারকম এক্সপেরিমেন্টের নানাকিসিমের কসরতের মজাই অালাদা। এখন সেগুলো সুখস্মৃতি হয়ে নস্টালজিক করে তোলে। আহা, ফিরে পেতাম যদি সে দিনগুলো।

আপনার কি মনে হয় না যে কি হত একটু ধোলাই-টোলাই খেলে? :P

১৯| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:২৯

বাবুরাম সাপুড়ে১ বলেছেন: বালক বেলায় গ্রামের বাড়ীতে বিড়িতে সুখটান দেওয়ার সৌভাগ্য আমারও বেশ কয়েকবার হয়েছিল। বয়েসে কিঞ্চিৎ বড় পাশের বাড়ীর রাখাল বালক ছিল সমস্ত সুকর্মের সাথী। গ্রামের ধুলোমাখা পথ ,পুকুড় ,গরুর গোয়াল ,ধানের মরাই , খড়ের পালোই .......আহা ..স্মৃতি মাখা সেই সব দিন ফিরে আর আসবে না কখনো।
লেখাটি বেশ হয়েছে আপনার।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:০৪

আখেনাটেন বলেছেন: বালক বেলায় গ্রামের বাড়ীতে বিড়িতে সুখটান দেওয়ার সৌভাগ্য আমারও বেশ কয়েকবার হয়েছিল। বয়েসে কিঞ্চিৎ বড় পাশের বাড়ীর রাখাল বালক ছিল সমস্ত সুকর্মের সাথী। গ্রামের ধুলোমাখা পথ ,পুকুড় ,গরুর গোয়াল ,ধানের মরাই , খড়ের পালোই .......আহা ..স্মৃতি মাখা সেই সব দিন ফিরে আর আসবে না কখনো। -- বাহ্, বাহ্। তাহলে তো আপনিও আমার মতোই কিছুটা মাটির সোদা স্বাদ পেয়েছেন জীবনে। এ স্মৃতি ভোলার নয়। শহুরে কংক্রিটের জঞ্জালে ক্ষণে ক্ষণে উঁকি দেয়।

২০| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৭

অপ্‌সরা বলেছেন: হা হা হা হা হা হা

আহারে আমাদের ভাইয়াটা!!!!!!!!!

ছোটবেলাটা কি কত্তের !!!!!!!!! :(


:P

আমি তো আবার খুবই এক্সপেরিমেন্টাল ছোট থেকেই!!!!! তো বাসায় একবার এক সিগারেটের বক্স পেয়ে আমার দু বছর বয়সেই সেটা মুখে দিয়ে আগুন টাগুনের তোয়াক্কা না করেই কাঁচা চিবিয়ে খাবার ট্রাই করেছিলাম!

শেষে গলায় বেঁধে খক খক কাশি শুনেই সবাই দৌড়ে আসলো!

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:১১

আখেনাটেন বলেছেন: ছোটবেলাটা কি কত্তের !!!!! -- আপামণি শুধু কষ্টটা দেখলেন। এর আগের সুখ সমুদ্রের এক বালতি জলের কথাও মনে হল না। :P

তো বাসায় একবার এক সিগারেটের বক্স পেয়ে আমার দু বছর বয়সেই সেটা মুখে দিয়ে আগুন টাগুনের তোয়াক্কা না করেই কাঁচা চিবিয়ে খাবার ট্রাই করেছিলাম! -- আপনি তো দেখছি বাচ্চা ডাকু ছিলেন ছোটকালে। আমার থেকেও দশ কাঠি সরেস। চিবিয়ে খেয়ে ফেললেন মাইরি। স্যালুট। :|

আর কি কি এক্সপিরিমিন্টির ভিতির দিয়ি গিছিন বলুন দেহি<<<<

২১| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:০৭

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: খুব ছোট কালে একবার গোপনে টেনেছিলাম, সোক কাশি, দমবন্ধ অবস্থা। তারপর থেকে বিড়ি/সিগারেট থেকে নিরাপদ দূরুত্বে অবস্থান করছি।

লেখাটা পড়ে অনেক অনেক ভাল লাগিল।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:১৩

আখেনাটেন বলেছেন: তারমানে বলছেন ধোলাই-টোলাই খান নি। সন্দেহ হয়। বড় সন্দেহ। কেউ স্বীকার করতে চাহে না বাহে। ইজ্জতের সাওয়াল। :P


লেখা ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলুম।

২২| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:১৫

অপ্‌সরা বলেছেন: না না খেতে পারিনি। তার আগেই তো গলায় বেঁধে গেলো খসখসে তামাকু!!!!!!!!

আরও ইতিহাস শুনতে চাও! ওয়েট আনছি। :)

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:২০

আখেনাটেন বলেছেন: ধমকা-ধুমকি কিলিবিলি পড়ে নি ডানে-বামে এহেন সুকর্মের জন্য। ;) যদিও অতি কচিকালে আপনার ঘটনা...। ভুলের মধ্যে পড়ে না। :D

২৩| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:১৮

অপ্‌সরা বলেছেন: :) :) :)

এই যে আমার ছেলেবেলা..... :)

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:২২

আখেনাটেন বলেছেন: কিছু তো দেখছি না। ফকফকা। :P

২৪| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:২৩

অপ্‌সরা বলেছেন: দেখবা দেখবা উপরের হাসিমুখ তিনটা ইমোর উপরে ক্লিক করো!!!!!!!!!! :)

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:২৮

আখেনাটেন বলেছেন: পাইছি। :D

২৫| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:২৪

অপ্‌সরা বলেছেন: আমার মাঝে বিখ্যাতদের সকল গুণাবলী থাকা স্বত্তেও...../:):((/:)

উফ তুমি তো ক্লিক করতেই পারলে না । এই নাও এইভাবেই পড়ো।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৩৪

আখেনাটেন বলেছেন: হা হা হা। এই রকম ভয়ঙ্কর পিচ্চি বাসায় গোটা দুই থাকলে নরক-গুলজার হবে নিশ্চিত। :((

২৬| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৪২

অপ্‌সরা বলেছেন: আরও আছে ভাইয়া!!!!!!!!

আমার মাঝে বিখ্যাতদের সকল গুণাবলী থাকা সত্বেও.....:D:-*:((:P (২)

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:১৬

আখেনাটেন বলেছেন: হা হা হা। ডিম নিয়ে ডিমবাজী। কচিকালে মহা ত্যাঁদোড় ছিলেন মনে হচ্ছে। ;)

২৭| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৩৬

করুণাধারা বলেছেন: সিরিয়াস পোস্ট দেবার মাঝে মাঝে এমন রম্য পোস্ট দিতে পারেন। বেশ কিছু সময় কাটানো গেল হাসতে হাসতে!

+++++

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:১৮

আখেনাটেন বলেছেন: সিরিয়াস পোস্ট দেবার মাঝে মাঝে এমন রম্য পোস্ট দিতে পারেন। -- মন্দ বলেন নাই। এত এত নৈরাজ্যের মাঝে একটু বিনুদুন মন্দ না। B-)


ভালো থাকুন নিরন্তর ব্লগার করুণাধারা।

২৮| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:১৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ''চির উন্নত মম শির'', ক্লাশ ফোরে এক পাড়াতো বড়ভাই এর সৌজন্যে ধুম্রপানে হাতেখড়ি। এখনও চালিয়ে যাচ্ছি। শত অত্যাচারেও এই শির অবনত হয় নাই.......... :P

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:২১

আখেনাটেন বলেছেন: হা হা হা। আপনি মনে হয় না কার্পেট ধোলাই খেয়েছেন। খেলে এই কথা বলতেন না। :P

২৯| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০১

প্রামানিক বলেছেন: পান্তা খাওয়ার পর জমির আলে (আইল) বসে কী মিষ্টি করে যে হালিম বিড়িতে সুখ টান দেয়।

কি কথা কলু বাহে আখেনটেক! হলিম বিড়ির নাম শুনি মোর নেশা পা'লো। আও বাও শুন মনে হলো, বাড়িটা কি ওইদিকে? বিড়ি খাওয়ার গল্প খুব ভালো হ'ছে বাহে। মুই মজা করি পইননু।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:২৬

আখেনাটেন বলেছেন: কি কথা কলু বাহে আখেনটেক! হলিম বিড়ির নাম শুনি মোর নেশা পা'লো। আও বাও শুন মনে হলো, বাড়িটা কি ওইদিকে? বিড়ি খাওয়ার গল্প খুব ভালো হ'ছে বাহে। মুই মজা করি পইননু। -- অংপুরের হালিম বিড়ি হামার নওগাঁতেও ম্যালা পাওয়া যাছল অখন।

মজা পাইচেন শুনে মুই হ্যাভি খুশি হইছু।

৩০| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩০

জেন রসি বলেছেন: প্রথম প্রথম লুকিয়ে লুকিয়ে বিড়ি খাওয়াটা আসলেই একটা দুঃসাহসিক কাজ। কিছু একটা জয় করে ফেলবার মত ব্যাপার। তবে ধরা খেলেই উত্তেজনা মুহূর্তের মধ্যে ভয কিংবা আতংকে রুপ নিতে পারে। এটা ঠিক ততটা সুখকর ব্যাপার নয়। মিশন ফেল করলেই রিমান্ড। তারপর সোজা ক্রশফায়ার। :P হাহাহা.......বেশ লিখেছেন।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৩০

আখেনাটেন বলেছেন: প্রথম প্রথম লুকিয়ে লুকিয়ে বিড়ি খাওয়াটা আসলেই একটা দুঃসাহসিক কাজ। কিছু একটা জয় করে ফেলবার মত ব্যাপার। তবে ধরা খেলেই উত্তেজনা মুহূর্তের মধ্যে ভয কিংবা আতংকে রুপ নিতে পারে। --- এক্কেবারে খাঁটি কথা। হাড়ে হাড়ে গিরাই গিরাই টের পেয়েছি । :((

পড়ে অানন্দ পেয়েছেন জেনে ভালো লাগল। ভালো থাকুন।



৩১| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:১১

তারেক ফাহিম বলেছেন: অাহা, আহা এক মাইরে বিড়ি খাওয়া শেষ!!!

আমিও রামধোলাই খেয়েছিলাম বিড়ি টানতে গিয়ে।

আমিতো ভাই স্পটে ধরা খেলুম। মুন্সি বাড়ীর পুত জমির অাইলে বসে কাজের লোকের বিড়িতে ফুক দিতে দেইখ্যা হাতে নাতে ধরা পড়তে হলো।

শৈশবে ফিরে গেলাম আপনার লিখা পড়ে।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৩৩

আখেনাটেন বলেছেন: আমিতো ভাই স্পটে ধরা খেলুম। মুন্সি বাড়ীর পুত জমির অাইলে বসে কাজের লোকের বিড়িতে ফুক দিতে দেইখ্যা হাতে নাতে ধরা পড়তে হলো। -- হা হা হা। সেইরকম মার হয় নি মনে কয়। :P

আমাদের সকলের শৈশবেই এ ধরণের কিছু বাঁদরামীর ইতিহাস কম-বেশি থাকায় স্বাভাবিক। থাকলে লিখে ফেলুন। আমরাও জানি।

৩২| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৫৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: না বালকের ধুম পান, এটা একটা রিয়েল লাইফ এডভেঞ্চার!!!
এই নিয়ে আমার একখান দুক্ষের কাহিনী ছিল- =p~

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৩৮

আখেনাটেন বলেছেন: না বালকের ধুম পান, এটা একটা রিয়েল লাইফ এডভেঞ্চার!!! -- সেচা কথা। আর এই এডভেঞ্চার করতে গিয়ে ধোলাই খায় নি এই রকম কোনো বাপের পুত অাছে নি। ;)

আপনার লেখাটি পড়ে আসলাম।

৩৩| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:২৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: এক খাতের বরাদ্দ আরেক খাতে সরকার ব্যয় করে না? শলাকা সুখটানের এক্সপেরিমেন্টের বরাদ্দ সেই খাতে ব্যয় না করা গেলেও আমাদের বাসার সরকার অন্য খাতে উদার হাতে সেটার পুরো বরাদ্দ ব্যয় করতেন জানবেন |

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৩৯

আখেনাটেন বলেছেন: সেই বরাদ্দটা কোনো খাতে তা জাতির সামনে উন্মোচন করেন। জাতি জানুক। :P

৩৪| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৫৬

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: ছোটবেলায় বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে দু'একটা টান দিয়েছিলাম। তেমন ইন্টারেস্ট পাইনি।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:২৫

আখেনাটেন বলেছেন: চমৎকার। বিষপান মুক্ত থাকা খুব একটা সহজ জিনিস নয়। সবাই পারে না। অাপনি পেরেছেন। তারমানে ধোলাই নিয়ে আপনার কোনো অভিজ্ঞতা নেই। :D শুভেচ্ছা।

৩৫| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১:২১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আহা আহা !!!!
এত দেখছি কারেন্ট জাল পোষ্ট :P

দলে দলে জাটকা আটকাচ্ছে !!!

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:২৯

আখেনাটেন বলেছেন: =p~ =p~


ছেলেদের জীবনে এ জিনিস কারেন্ট জালের মতোই। কেউ অাটকে পড়ে আছে আজিবনের তরে। কেউ পিছলা-পিছলি করে ক্যামনে যেন বের হয়ে গেছে। আর কারো ধোলাইয়ের মাধ্যমে কারেন্টের গুণাগুণ নিস্ক্রিয় করা হয়েছে। :P

৩৬| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৫৯

সুমন কর বলেছেন: হাহাহা............বেশ মজা করে লিখেছেন। পড়ে মজা পেলাম। তা এখন কি বিষপান করেন?

আমি জীবনে একটান দেইনি। ভাবছি দেবো নি, একটা............ ;)

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৩১

আখেনাটেন বলেছেন: হা হা হা। আর বিষপান। সে সুযোগ দিলো কই।

আমি জীবনে একটান দেইনি। ভাবছি দেবো নি, একটা..... -- সাবধান কিন্তু বড় আপা থাকলে। ;)

৩৭| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৫২

কালীদাস বলেছেন: হা হা হা =p~ কার্পেট পিটানো মানে কি? টানা ঘন্টাখানেক গণধোলাই? :P

এনিওয়ে, ছাড়তে পারার জন্য অভিনন্দন। জীবনে একশলাও খাইনি। ইনডাইরেক্ট স্মোকিং কতটা প্রবলেম করে সেটা আমার মত কয়েকজন নিরীহ ইনসানের চেয়ে ভাল জানে না কেউ :((

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:০২

আখেনাটেন বলেছেন: হা হা হা। কার্পেট পিটানি হচ্ছে আপনাকে কাঁচা চকচকে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে কোমরের নিচ থেকে ছ্যাঁচা দিতে শুরু করল। আপনি অাত্মরক্ষার খাতিরে মাটিতে শুয়ে পড়লেন। তখন শোয়া অবস্থায় কঞ্চির বাড়ি পড়ছে আপনার উপর আর আপনি কার্পেটের মতো মাটিতে রোলিং করছেন। =p~ =p~ দৃশ্যটা কল্পনা করুন তাহলেই টের পাবেন। :P

৩৮| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:০৪

কালীদাস বলেছেন: ভুই পাইছি :((
আমি বাকি জীবনে স্বপ্নেও বিড়ি খাব না :P

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:১৩

আখেনাটেন বলেছেন: হা হা হা। এই বাঁদরামীর দৃশ্যগুলো কল্পনা করলে নিজে নিজে হাসি। আর এখানে-সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা পরিবারের লোকজন একজায়গায় মিলিত হলে অতীত ইতিহাস তখন জীবন্ত হয়ে উঠে আড্ডাগুলোতে।

৩৯| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৩৫

কুঁড়ের_বাদশা বলেছেন: সিদ্ধি ছাড়া জীবন শুদ্ধ হয় না, ভাই!!!! =p~ বিড়ি ছাড়ার্ অনেক চেষ্টা করেছি কিন্তু পারিনি !! তবে ছেড়ে দিবো !! আপ্রাণ চেষ্টায় আছি!!! :-B

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:০১

আখেনাটেন বলেছেন: সিদ্ধি ছাড়া জীবন শুদ্ধ হয় না, ভাই!!! -- কার্পেট ধোলাই খাইছেন্নি কখনও। খেলে তারপর বলেন যে সিদ্ধি ছাড়া শুদ্ধ হওয়া যায় কিনা...। :)

যেহেতু ছাড়ার চেষ্টায় আছেন, সেহেতু আপনার জন্য মিনি কার্পেট ধোলাই ফরজ হয়ে গেছে। মুহূর্তেই সমাধান পাবেন। =p~ =p~

৪০| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:২৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: না-'বালক' এর প্রথম ও শেষ ধুম্রপান একই সাথে ঘটেছিল বলে নাবালকের ফুসফুস বহুমাত্রিক দূষণ থেকে বেঁচে গেছে। এজন্য আপার প্রতি তার আজীবন কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।
@মনিরা সুলতানা, এত দেখছি কারেন্ট জাল পোষ্ট :P দলে দলে জাটকা আটকাচ্ছে !!! - দারুণ বলেছেন। তবে জালে শুধুই কি জাটকা আটকাচ্ছে? :)

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৪৩

আখেনাটেন বলেছেন: না-'বালক' এর প্রথম ও শেষ ধুম্রপান একই সাথে ঘটেছিল বলে নাবালকের ফুসফুস বহুমাত্রিক দূষণ থেকে বেঁচে গেছে। এজন্য আপার প্রতি তার আজীবন কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। --- আপার এ ঋণ শোধ হবার নয়।

ভালো থাকুন নিরন্তর।

৪১| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:১৩

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন:





হা হা হা ! বেশ জীবন্ত রম্য । চমৎকার লেগেছে ।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৪৬

আখেনাটেন বলেছেন: একজন কার্পেট ধোলাই খাচ্ছে আর অাপনি হাসছেন। এ মানতে পারবেক লাই। :((



ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলুম।

৪২| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ২:৫১

অলিউর রহমান খান বলেছেন: আমি সিগারেট খাবো দূরে গন্ধ ও নিতে পারি না।
বেশ মজা লাগলো।
ধন্যবাদ জনাব।

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১:৩৩

আখেনাটেন বলেছেন: তারমানে ফুসফুস চ্যাপ্টা খায় নি। :P


সুস্থ থাকুন। ধন্যবাদ।

৪৩| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৫৩

জুন বলেছেন: ইদানিং বাংলা সিনেমার গল্পের মত কারো লেখা সে মার্বেল খেলাই হোক আর ঘুড্ডি ওরানোই হোক তা পড়লেই আমার নিজের জীবনের কিছু কিছু ঘটনার সাথে মিল পরে যায় , ব্যপারটা আমাকেও ভাবায় বৈকি আখেনাটেন ;)
যাই হোক এই ধুমপানের কথায় ও এক স্মৃতি ভেসে ওঠলো। অনেক আগের কাহীনি আমার শাশুড়ীর মুখে শোনা। কর্তা তখন স্কুল ছাত্র । মাত্রই বন্ধুদের কাছে সিগারেটের উপর হাতেখড়ি নিচ্ছে। এমন সময় একদিন শাশুড়ী মা তার হাতে বিকেলের নাস্তা বাবদ দুই টাকা দিয়ে তার কাছে ক্লাস ফাইভ আর থ্রিতে পড়া দুই ছেলে মেয়ের দায়িত্ব দিয়ে বাবার বাড়ি পল্টন গেলো। রাতে এসে ছেলে মেয়েদের ডেকে জিজ্ঞেস করলো তোমরা বিকেলে কি খেয়েছো ? বড় জন চুপ ছোট দুজন সমস্বরে বলে উঠলো " মা আমরা সিগারেট খেয়েছি। ভাইয়া আমাদের সিগারেট জন্য কিনে এনেছিল আমরা তিনজন তাই খেয়েছি" =p~
তারপর বড় জনের কান ধরা তালের পাখার ডাটি পিঠে পরা যা হয় আর কি B-)

২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৯

আখেনাটেন বলেছেন: ইদানিং বাংলা সিনেমার গল্পের মত কারো লেখা সে মার্বেল খেলাই হোক আর ঘুড্ডি ওরানোই হোক তা পড়লেই আমার নিজের জীবনের কিছু কিছু ঘটনার সাথে মিল পরে যায় -- :D

ছোট্টকালে বৈচিত্র কম থাকায় সকলের প্রায় একই রকম দুষ্টু-মিষ্টি কাটে। নানারকম দুষ্টুমীগুলো প্রায় পরীক্ষায় প্রশ্ন কমন পড়ার মতো কমন পড়ে যায় অনেকের মধ্যে। :P

ভাইজানও মনে হচ্ছে পিচ্চিকালে সেইইইরকম ছিল। :P

ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য ব্লগার জুনাপু। সুন্দর থাকুন।

৪৪| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০৮

আটলান্টিক বলেছেন: আখেনাটেন ভাইয়া দেরি করে এই লেখাটা পড়লাম।চমৎকার হয়েছে।(Sorry for being late)

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২৯

আখেনাটেন বলেছেন: পড়েছেন এবং ভালো লেগেছে সেজন্য ধন্যবাদ গামলাতে করে তুলে রাখলাম। তখনই পাবেন যখন নিজের বিড়ি খাওয়া কিংবা না-খাওয়ার ইতিহাসটুকুর পর্দা উন্মোচন করবেন। ;)

৪৫| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৫২

মাআইপা বলেছেন: কার্পেট ওয়াশ!!!!!!!!!!!!!! হা হা হা

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৫০

আখেনাটেন বলেছেন: :P

ধন্যবাদ।

আপনাকে আমার ব্লগে স্বাগতম।

৪৬| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ২:২৪

কামরুল ইসলাম রুবেল বলেছেন: বিড়িডা শ্যাষ করলাম আর পোষ্টটাও চোখে পড়লো। যাই আরেকটা ধরাই। সিরাম হৈচে।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:০০

আখেনাটেন বলেছেন: হা হা হা; এই বিড়িই কিন্তু আপনার ফুসফুসসসস ছিড়িকিড়ি করে দিবে কয়ে দিলুম। ছুডুকালে কার্পেট পিটানি আপনার উপর ফরজে কেফায়া ছিল মনে কয়। =p~ :-P

শুভকামনা।

৪৭| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৩:২২

মিথী_মারজান বলেছেন: কার্পেট ধোলাই কথাটা শুনে বেশ মজা পেয়েছিলাম কিন্তু ৩৭ নং মন্তব্যের প্রতিউত্তরে এর যা বিবরণ দেখলাম!
ওরে বাবা!!!
আপনার পরবর্তী প্রজন্মেরও বোধহয় আর সাহসে কুলাবেনা হালিম মামার সাথে মিট করার। =p~=p~
কি যে দারুণ করে লিখেন আপনি!:)

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:০৪

আখেনাটেন বলেছেন: আপনার পরবর্তী প্রজন্মেরও বোধহয় আর সাহসে কুলাবেনা হালিম মামার সাথে মিট করার। -- এক্কেরে সঠিক জায়গায় ঢিল মেরেছেন। না পরের প্রজন্মের কেউ সে পথ মাড়াচ্ছে না। :D

শেষের ফাটাকেস্ট ডায়ালগ মেরে দিলেন তো ফুলে-ফেঁপে। ব্লাস্ট হলেও দায় আপনাদের কয়ে দিলুম কিন্তু। :P

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.