নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মনটা যদি তুষারের মতো...

আখেনাটেন

আমি আমাকে চিনব বলে বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছি একা একা, পাই নি একটুও কূল-কিনারা কিংবা তার কেশমাত্র দেখা। এভাবেই না চিনতে চিনতেই কি মহাকালের পথে আঁচড় কাটবে শেষ রেখা?

আখেনাটেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

রম্যঃ- ভালোবেসে দূরে যাওয়ার গল্প--তিল

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২৬



(Close-up ভালোবেসে কাছে আসার গল্পে অনুপ্রাণিত হয়ে আমার এই ক্ষুদ্র পরিবেশনা Open-up ভালোবেসে দূরে যাওয়ার গপ্পো) =p~

-সুবহানাল্লাহ! মাশাল্লাহ্! মারাত্মক ছবি তো, মিলন ভাই। দেখি, দেখি।

দেখলাম--একটি মেয়ে চোখে সুপার উওম্যান স্টাইলে চুখোস(মুখোসের ছোটবোন) লাগিয়ে পাশে আরেক পিচ্চিকে নিয়ে পোজ দিয়েছে। তবে আমার কাছে যেটা মারাত্মক আকর্ষণীয় মনে হলো তা হচ্ছে মেয়েটার ডান চিবুকে ছোট্ট এবং খুবই ছোট্ট একটি কালো তিল। এই তিল আমাকে প্রথম দেখাতেই কিল করে দিল লুট করে নিল।

তাৎক্ষণিক আমি মিলন ভাইকে এই মেয়ের আগপাশতলা জানার জন্য জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকাতেই মিলন ভাইয়ের চোখে গভীর হতাশা দেখতে পেলাম। তিনি চরম নিরাশক্ত ভঙ্গিতে আমাকে বোঝাতে চাইলেন ‘দুনিয়া উলট খেলেও এ হবার লয়’।

ও, হ্যাঁ, মিলন ভাইয়ের পরিচয়টা দিয়ে নেই। উনি আমার রুমমেট। খুবই সজ্জন ব্যক্তি। সম্প্রতি বৃত্তি নিয়ে স্বপ্নের দেশ আমেরিকাতে পিএইচডি করতে যাচ্ছেন। তাই হয়তবা শেষ বারের মতো দেশের প্রিয়জনদের মুখটাকে মনে করে পুরাতন ছবিগুলো উল্টেপাল্টে দেখছেন।



যে আমি মেয়ে মানুষ নামক এই জটিল পদার্থটি বাদে অন্য অনেক কিছু নিয়ে গবেষণা করে অনেক রাতের ঘুম হারাম করেছি। সেই আমি সামান্য ‘তিল’ নিয়ে গত তিনদিন যাবত হাই প্রোফাইল গবেষণায় মগ্ন। তিলটা ডান চিবুকে না বাম চিবুকে হলে ভালো হত! একটু কি বেশিই ছোট! নাকি ছোট হওয়ার কারণেই বেশি আকর্ষণীয়। এই নিয়ে বিস্তর চিন্তা-ভাবনা।

অবশেষে সিদ্ধান্তে উপনীত হলাম এই তিলটি আমার চাই। যে করেই হোক এই মহার্ঘ বস্তুটি অন্য কেউ দখলে নেওয়ার আগেই আমার কবজা করতে হবে। অবশ্য শুধু তিল তো পাওয়া যাবে না, তিলের সাথে যে এটিকে দখলে রেখেছে তাকেও কবজা করতে হবে। মানে চমৎকার ফুলটি হলেই হবে না, কারুকার্য খচিত ফুলদানিটিও লাগবে। হয়তবা ফুলদানির সৌন্দর্যের কারণেই ফুলকে আরো হৃদয়গ্রাহী করে তুলেছে।

তাই আজ থেকে আমার মিশন ফুলসহ ফুলদানি মানে তিলসহ তিলদানি।

প্রথম পদক্ষেপ

মিলন ভাইয়ের কাছে কাঁচুমাচু করে বললাম, ‘ভাইজান গো, ঐ মেয়েটার পরিচয়টা যদি জানাতেন’। উনি মনে হয় কিছুটা বিরক্ত হয়েই বললেন, ‘কোন মেয়েটা’। আমি খুলে বলাতে উনি হো হো করে হেসে বললেন, ‘ও তো আমার ছাত্রী’।

-আপনি তো আম্রিকা চলে যাচ্ছেন। টিউশনিটা হ্যান্ডওভার করা যায় না।

-দূর মিয়া, এটা কী কইলা, এটা চালের বস্তা নাকি যে হাত বদল করুম।

-রাগ করেন ক্যান? তিলটারে আমার ভালো লেগেছে।

-তিলটারে ভালো লেগেছে। কী আবোল-তাবোল কও এগুলা? ছাগল কোনহানে?

-না মানে, মেয়েটাকে পড়ানোর কোন ব্যবস্থা করা যায় না।

-না যায় না, কারণ ও এখন এ-লেভেলে উঠেছে। স্কুলের এক মহিলা টিচারের কাছে পড়ানোর ব্যবস্থা পাকা।

একরাশ হতাশা আমার চোখে-মুখে। এভাবে তিলতিল করে ভাবনার মানে তিলের ডালপালা ছড়ায়েছিলাম তা কি এখন ছেঁটে ফেলতে হবে। ভাবতেই বুকটা মোচড় দিয়ে উঠল। যে আমি যা ভেবেছি প্রায় তাই করেছি। আর এই সামান্য তিলটা এখন অসামান্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। না কিছু তো করনা পাড়েগা।

আমি জানি মিলন ভাই আমাকে ছোট ভাইয়ের মতো ভালোবাসেন। যদিও আমাদের মধ্যে টম অ্যান্ড জেরির বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান, তথাপি তিনি নিশ্চয় আমার জন্য কিছু একটা করবেন। তাই শেষবারের মতো তার শরণাপন্ন হলাম।

তিনি শেষে ছোট পিচ্চিটাকে পড়ানোর বন্দোবস্ত করলেন। যাক, দুধের স্বাদ ঘোলে তো মিটল। একেবারে না দেখার চেয়ে তিলের কাছাকাছি উঠবস করা তো যাবে।

মিশন তিলচুরি

ওরা দুই বোন। তিলওয়ালী বড়। ইতোমধ্যে আমি পিচ্চিকে টিউশন দিতে শুরু করেছি। প্রায় পনের দিন হয়ে গেছে। পাশের রুম, বারান্দা, বিশাল বাসার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তিলওয়ালীর কূজন আমি সুজন হয়ে নিমগ্ন চিত্তে শুনি, আর দিন গুনি। মিলন হবে কত দিনে, আমার তিলদানির সনে।

অবশেষে মহারানী তিলদানি তার অপার মহিমা নিয়ে চব্বিশতম দিনে দেখা দিলেন।

-এই সুনু (পিচ্চির ডাকনাম), হ্যারিকে দেখেছিস। কোথায় যে যায় মাঝে মাঝে।

বলেই আমাদের পড়ার টেবিলের পাশ কাটিয়ে অন্য দিকে চলে গেলেন মাথায় ঠাঠা পড়া রুপবতী তিলদানি। কিন্তু একি- আমি তো তিল দেখলাম না। নাকি আমার চোখের ভুল। না, তা কি করে হয়। যে জিনিসটার জন্য আমার তাজিন ডং-এ উঠার মতো পরিশ্রম করতে হল। শেষে কিনা এই। না কোথাও কোন গণ্ডগোল হয়েছে। নিশ্চয় এই মেয়ে তিলদানি না। এ অন্য কেউ। নিশ্চয় অন্য কেউ। কিন্তু চেহারা তো একই। তার মানে তিল কি সার্জারি করে সরিয়ে ফেলেছে। না, এ অন্য মেয়ে।

-সুনু সোনা, ইনি কি তোমার কাজিন। আর এই হ্যারিটা আবার কে?

-নো, নো, সি’জ মাই সিস, শারা। হ্যারি’জ আ নাইস কিটি।

-হুম, বুজলুম। তা, তিলটি কোথায় গেল। ওটা নেই কেন?

-হোয়াট’জ টিল? হোয়াট’র ইউ টকিং অ্যাবাউট?

খাইছে, এর সাথে আর বেশি কিছু শেয়ার করা যাবে না।

-কে? কে? পায়ের উপর কে?

টেবিলের নিচে তাকিয়ে দেখি মিস্টার হ্যারি আমার পায়ের উপর গড়াগড়ি খাচ্ছে। এই শালা আর জায়গা পেল না। আমার পায়েই ওকে ঢলাঢলি করতে হবে।

-তোমার সিস কে বল মিস্টার হ্যারি এখন আমার পায়ের উপর চাটুমচুটুমগিরি করছে। ব্যাটা হয়ত বুঝতে পেরেছে আমার বদ মতলব।

-টিচার, হোয়াট’জ চাটুমচুটুমগিরি?

-ওটা, কুট্টুসকাট্টুসগিরির ছোটবোন। তুমি যেমন তোমার শারা আপুর ছোট বোন। এবার তুমি তোমার আপুকে ডেকে দাও।

পিচ্চি অবিশ্বাস্য দৃষ্টিতে চেয়ে ওর আপুকে ডাকতে গেল। হয়ত ভাবছে, টিচার কি পাগল হয়ে গেল নাকি!

সুনু তার আপুকে ডেকে এনে হ্যারিকে দেখাল। এবার আমি ভালো করে দেখার সুযোগ পেলাম। আমার শকুনের মতো হাভাতে তাকানো দেখেই হয়তবা তাড়াতাড়ি করে বলল, ‘স্যার, হ্যারিকে এদিকে পাঠিয়ে দিন তো’।

মিস শারা, হ্যারিকে নিয়ে বিড়াল পদক্ষেপে আমাকে রহস্যের ঘেরাটোপে আটকে চলে গেলেন। আর এই আমি তখনি ফেলুদা সেজে এই রহস্যের জট খোলার জন্য গোয়েন্দাগিরি শুরু করে দিলাম।

এদিকে মিলন ভাই গত সপ্তাহে আমেরিকা চলে যাওয়ায় এখনো কোনো যোগাযোগ হয় নি। উনি হয়ত ভর্তি, থাকা ইত্যাদি নিয়ে প্যারার উপর আছে। ফেবুসহ অন্য মাধ্যমেও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। এদিকে আমি রহস্যের জট খুলতে না পেরে ছ্যাড়াব্যাড়া অবস্থা।

ইতোমধ্যে হ্যারি ব্যাটা নিত্যদিন আমার পায়ের কাছে ঢলাঢলি আর গলাগলির সুযোগে ওর মালকিনের সঙ্গে প্রায় প্রতিদিনই দেখা হতে লাগল। হ্যারির মালিককে যতই দেখি আর ভাবি ফুল ছাড়া ফুলদানি যদি এত অপরুপ হয় তবে আমার ফুল দরকার নেই ফুলদানিই যথেষ্ট।

হ্যারির বদৌলতে ওর মালিকের সাথে ইদানিং টুকটাক হালকা কথা হচ্ছে। কিন্তু সেটা তিল রহস্যের জট খোলার মতো ততটা গভীর নয়।
এর মাঝে ফেসবুকে মিলন ভাইকে পেলাম। খুচরা কিছু কথার পর তিল বিষয়ক আলোচনায় মিলন ভাইয়ের সাহায্য প্রার্থনা করলাম। উনাকে আমি যতই বুঝাই শারার আরেকটা জমজ বোন আছে। যার অসাধারণ একটা ‘তিল’ আছে।
আমি বললাম, ‘আপনি ছবিটা দেখেন’। উনি বললেন, ‘ঠিক আছে, আমি জেনে তোমাকে জানাব’। উনাকে কেন জানি খুব উৎফুল্ল মনে হচ্ছিল আমার সাথে কথা বলার সময়।

এরপর আবার বেশ কিছুদিন মিলন ভাইয়ের পাত্তা নেই। এর মাঝে ফুলদানির সাথে আমার হ্যারির বদান্যতায় (হ্যারিকে লাল সালাম) বেশ চমৎকার বোঝাপড়া হয়েছে।

পোড়া পোড়া গন্ধ

দেখতে দেখতে প্রায় তিন মাস চলে গেল। সেদিন সুনুদের অ্যাপার্টমেন্টের লিফটে উঠে লিফটের দরজা বন্ধ হওয়ার অপেক্ষা করছি। দ্রুত পদক্ষেপে এক অসম্ভব সুন্দরী মেয়ে আমার পাশে দাঁড়ালেন। আর আমি তো ভূত দেখার মতো চমকে উঠলাম। এই তো সেই তিল। মাই গড। সেই তিলদানি। আমার বিস্মিত চেহারায় উনি মনে হয় কিছু টের পেয়েছেন। গায়ের পোশাকটা একটু ঠিক করে নিলেন। আমার তো তখন তা থৈ তা থৈ অবস্থা। ভাবছি তাহলে এতদিনে চান্দের দেখা মিলল। এই বিল্ডিং-এ থাকে তাহলে।

যদিও মেয়েটাকে খুব কাছ থেকে না দেখলে বয়স বোঝার উপায় নেই। লিফট থেকে বের হয়ে একই দিকে অগ্রসর হতে থাকলে উনি একটু বিস্মিত হলেন। আমার বিস্ময়ের সীমা বাঁধ ভাঙ্গার উপক্রম। সুনুদের বাসার কলিংবেল প্রায় একই সঙ্গে টিপতে যাচ্ছিলাম। এবার উনি থাকতে না পেরে আমাকে কৌতূহল মিশ্রিত কন্ঠে জিজ্ঞাস করলেন, ‘কার কাছে’।

-আমি সুনুর হোম টিউটর।

-ও মানে আপনি মিস্টার অয়ন। ভেরি হ্যান্ডসাম। আপনার কথা সুনুর মুখে অনেক শুনেছি।

আমার তখন আক্কেলগুড়ুম অবস্থা। আমি যার রহস্য উদ্ধারে কত শত গোয়েন্দা কাহিনি হজম করলাম লাস্ট তিন মাস। আর ইনি কিনা বলে আমার কথা অনেক শুনেছে। আমি মুখ খুলে উনার পরিচয়টা জানার আগেই উনি বাসার ভেতরে অতি পরিচিতের মতো হনহন করে চলে গেলেন। আমার মাথা তখনো ভোঁ ভোঁ করছে।

-সুনু সোনা, এক্ষুনি যে একটা মেয়ে তোমাদের বাসায় এসেছে সে কি হয় তোমার।





-‘আমার আম্মু’-সুনুর সরল উত্তর।

আমার তখন মনে হল ‘ইহা আমি কি শুনিলাম’। ইতোমধ্যে শারা ও তার মা এসে আমার সাথে পরিচয় হল। তিনি তিন মাসের একটা ট্রেনিং এ জার্মানিতে ছিলেন। গতরাতে দেশে ফিরেছেন।

ওরা আর সব কি বলছিল আমার মাথায় কিছুই ঢুকছে না। আমার শুধু একটায় কথা মনে হচ্ছে আমি তিলকে তাল বানিয়েছি। আবার সেই তাল পাবার লোভে ইয়া বড় তালগাছ বেয়ে উঠে দেখি পাকা তাল আগেই কে যেন খেয়ে গেছে। গভীর হতাশা আর জ্বালান্মূখ ভগ্ন হৃদয়টা নিয়ে ব্যর্থ মনোরথে রুমে ফিরলাম।

টম অ্যান্ড জেরির ক্লাইমেক্স

হলে ফিরে ফেসবুক ওপেন করে দেখি মিলন ভাইয়ের মেসেজঃ
‘’ও, হ্যাঁ, তোকে তো বলাই হয় নি। সুনুর মা ডাক্তার। উনি তিন মাসের ট্রেনিং এ জার্মানিতে আছেন। উনার ডান চিবুকে একটা তিল আছে। যদিও ভদ্রমহিলার দুইটা মেয়ে, তবু উনাকে দেখলে মনে হবে ওরা তিন বোন। মহিলার অল্পবয়সে বিয়ে হয়েছিল। তবে নিজেকে ফিট রেখেছেন যা আমাদের দেশে বিরল।

বিঃ দ্রঃ তোকে কিছু মিথ্যে বলাতে দুঃখিত। আমিও এইটারে ক্রাশ খাইছিলাম ভুল করে। ঐ ছবিটা সুনুর জন্মদিনের। তিন মায়ে-ছায়েই ঐভাবে সেজেছিল সেদিন। যখন দেখলাম আমার মতো তোরও একি অবস্থা ছবি দেখে। তাই ভাবলাম—আমি একাই কেন, তুইও একটু মজোর স্বাদটা নে। প্রথম দিন তোর ভাবগতি দেখেই বুঝেছিলাম বড়শিতে মাছ ভালভাবেই গেঁথেছে। তাই আমিও দেখতে চাইছিলাম তুই কেমন খেলতে পারিস। হা হা হা।‘’


পুনশ্চঃ আমিও বেশ কিছুদিন পর মিলন ভাইকে একটি ঘনিষ্ঠ যুগল ছবি পোষ্ট করলাম। মিলন ভাইয়ের উত্তর ছিল ‘না, না, এ হতেই পারে না’। আমার তখন মিলন ভাইয়ের মুখটা দেখতে ইচ্ছা করছিল। হা হা হা।

শেষ হয়েও হইল না শেষ

দুই বছর পর। আমি ল্যাপটপের পুরনো ছবিগুলো দেখছি। রুমমেট রবিন উঁকি মেরে একটি ছবি দেখে থমকে দাঁড়াল।

-অয়ন ভাই, তিলটা তো মারাত্মক মানিয়েছে মেয়েটাকে। কে উনি?

আমি দুহাত উপরে হাই তোলার মতো করে তুলে হতাশ ভঙ্গিতে মাথা দুলিয়ে সায় দিয়ে বললাম, ‘ছাত্রী’। রবিনের আনন্দে উদ্ভাসিত চেহারাটা আমি না তাকিয়েও দেখতে পেলাম।

ও হ্যাঁ, আগামী মাসে আমার ফ্লাইট- ব্লগার চাঁদগাজী ভাইয়ের দেশ আম্রিকা। যে রবিন টিউশনি করবে না বলে পণ করেছিল সে কিনা জেদ ধরেছে টিউশনিটা যেন তাকে হ্যান্ডওভার করা হয়। বড়শিতে এবার বোয়াল গেঁথেছে। কী বুঝলেন? ;)


বি.দ্র. পরিবর্ধিত-পরিমার্জিত-পরিশোধিত এবং পুন:পরিবেশিত।

ছবি: লেখক

এবার রাতের তুর্কি মেগাস্টার তারকানের একটি তড়কা উঠা গান শুনে ঘুমাতে যান---(আগামীকাল নিশ্চয় একটি হেকটিক দিন ;)

মন্তব্য ৬০ টি রেটিং +১৫/-০

মন্তব্য (৬০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৪৯

ওমেরা বলেছেন: fantastic ! fantastic !

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৫৮

আখেনাটেন বলেছেন: কী খুশীস্টিক! কী খুশীস্টিক! (খুশিতে লাফালাফি করা) :P

ধন্যবাদ ওমেরা।

২| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:০৩

কুঁড়ের_বাদশা বলেছেন: “আই লাভ ইউ” দিবসের শুভেচ্ছা রহিল। ;) :P

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:০৭

আখেনাটেন বলেছেন: :P :P

ভালোবাসার প্রতিদান ভালোবাসায়। যতই দূরে যাই। ;)

৩| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:১৩

কুঁড়ের_বাদশা বলেছেন: ভালবাসার গুষ্ঠি কিলাই,ভালবাসা হল গুটি বসন্ত বা জল বসন্তের মত কিছুদিন যন্ত্রণা দিয়ে আবার চলে যায়। ;) ;)

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:২৪

আখেনাটেন বলেছেন: কুঁড়ের_বাদশা বলেছেন: ভালবাসার গুষ্ঠি কিলাই,ভালবাসা হল গুটি বসন্ত বা জল বসন্তের মত কিছুদিন যন্ত্রণা দিয়ে আবার চলে যায়। ;) ;) -- ভালোবাসা গুটি বসন্ত। হা হা গ খা।

এই আবিষ্কার কীভাবে করলেন ভায়া? আপনাকে তো গোবেল থুক্কু নোবেল দেওয়া দরকার গুটি বসন্তের সাথে ভালোবাসা জড়ানোই। :P

৪| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৩৩

কুঁড়ের_বাদশা বলেছেন: ব্লগে শিক্ষিত লোকে আমায় বাদশা ভাই বলে ডাকেন, আর অশিক্ষিত লোকে কুঁড়ে বাদশা বলে ডাকেন। :)
যদিও এ নিয়ে মনে কষ্ট আছে। এখন মনে দুঃখ মনে থাক। আমার পরিচয় দেই, আমি হলাম ব্লগে সকলের
পরিচিত মুখ এ যুগের বিখ্যাত দার্শনিক কুঁড়ের বাদশা।;) স্বপ্নে পাওয়া তাবিজের মত দার্শনিক আমি। :| =p~

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১:১০

আখেনাটেন বলেছেন: ঠিক হায় দার্শনিক বাদশা। গোস্তাফি মাফ করুন।

৫| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৩৭

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: আপনার চোখের ডাক্তার দেখানো দরকার। :)

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১:১২

আখেনাটেন বলেছেন: তাড়াতাড়ি সাক্ষাতকারের ব্যবস্থা করুন। B-)

৬| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৪৩

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া এইটা কি নির্বাচিত টেস্টিং পোস্ট? :P


যাইহোক হ্যাপী ভ্যালেনটাইন এ্যন্ড ফালগুন......

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১:০৯

আখেনাটেন বলেছেন: শায়মা বলেছেন: ভাইয়া এইটা কি নির্বাচিত টেস্টিং পোস্ট? :P -- হা হা হা। দেখি জল কোথায় গড়াগড়া খায়। :D


ফাগুনের ভ্যালেন্টাইন শুভেচ্ছা।

৭| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৫৩

মাআইপা বলেছেন: ‘ইহা আমি কি শুনিলাম’

দারুন হয়েছে।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১:১৪

আখেনাটেন বলেছেন: ইহা আপনি কি লিখিলেন?

ভালোলাগার জন্য এক গামলা শুভকামনা।

৮| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ২:২৪

কাতিআশা বলেছেন: মজা লাগলো...তিল-কাহিনী!

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:১৬

আখেনাটেন বলেছেন: কাতিআশা বলেছেন: মজা লাগলো...তিল-কাহিনী! -- :D খুশি হলুম।


শুভেচ্ছা রইল।

৯| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৩:১৯

জাহিদ অনিক বলেছেন:

মনে হচ্ছে কিছুদিন পরে রবিনও আপনাকে একটা যুগল ছবি পাঠাবে, আর আপনিও বলে উঠবেন না না না না
তখন আপনার মুখটাও হবে দেখার মত।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:২৯

আখেনাটেন বলেছেন: জাহিদ অনিক বলেছেন: মনে হচ্ছে কিছুদিন পরে রবিনও আপনাকে একটা যুগল ছবি পাঠাবে, আর আপনিও বলে উঠবেন না না না না
তখন আপনার মুখটাও হবে দেখার মত।
-- হা হা হা। ডর দেখাবেন না। প্রেমে ডরে না বীর।

যাকে ছেড়েছি তাকে ছেড়ে যেতে দাও, কেন তার চামড়া খুলে বেদনা জাগাতে চাও। :((

১০| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:০৩

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: রম্য দারুন মজা লেগেছে ভাইয়া।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:৩২

আখেনাটেন বলেছেন: ভালো লেগেছে জেনে খুগখে। (খুশিতে গড়গড়ি খেলুম) :D

ভালো থাকুন। প্রিয়জনের ভালোবাসায় সিক্ত হোন।

১১| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:২৩

রক বেনন বলেছেন: তিলের খাজা! তিলের খাজা!! হা হা হা। খুবই মজার হয়েছে। একটা ব্যাপার খুব জানতে ইচ্ছে করছে। যুগল ছবিটি কে কে ছিল? :) :)

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:৩৬

আখেনাটেন বলেছেন: তিলের খাজা! তিলের খাজা!! হা হা হা। খুবই মজার হয়েছে। --- :P খুগখে! খুগখে!


একটা ব্যাপার খুব জানতে ইচ্ছে করছে। যুগল ছবিটি কে কে ছিল? :) :) -- হা হা হা। কিছু বিষয় রহস্যের ভিতর থাকুক না। পাবলিক সবকিছু খোলামেলা দেখতে চায়। আর পারা গেল না। :P

১২| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:৪৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: পরিবর্ধন, পরিমার্জন আর সংশোধনে রূপ রস খোলতাই হয়েছে ;)
জেল্লা আরো বেড়েছে বলেই মনে হল

হায় ক্রাশ!

বাসন্তি আর ভ্যালেন্টাইট শুভেচ্ছা উইদ কাল তিল :P হা হা হা

++++

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:৩৯

আখেনাটেন বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: পরিবর্ধন, পরিমার্জন আর সংশোধনে রূপ রস খোলতাই হয়েছে ;)
জেল্লা আরো বেড়েছে বলেই মনে হল
-- আগেরটাতেও আপনার মন্তব্যের কথা মনে আছে আমার। আপনি ভালো পাঠক। :)


ভরপুর খুশিতে ভরে উঠুক আপনার চারপাশ।

১৩| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:০১

রাজীব নুর বলেছেন: একবার মাদার তেরেসার কথা ভাবুন- নিজের দেশ ছেড়ে এসে অন্য দেশের কুষ্ঠ রোগীদের সেবা করতেন। আপনি যদি আপনার শত্রুকেও ভালোবাসেন- একদিন না একদিন সে আপনার বশ্যতা স্বীকার করবে।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:৪১

আখেনাটেন বলেছেন: হা হা হা। রাজীব নুর ভাই দেখছি মাদার তেরেসাকে টেনে এনেছেন রম্যতে।


আপনি যদি আপনার শত্রুকেও ভালোবাসেন- একদিন না একদিন সে আপনার বশ্যতা স্বীকার করবে। --দ্বিমত করার কোনই কারণ নেই।

আপনার শরীর এখন কেমন?

১৪| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:১৮

সুপ্ত শিপন বলেছেন: হায় তিল !! ছোট কালো মোহময় তিল !!

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:৪৩

আখেনাটেন বলেছেন: সুপ্ত শিপন বলেছেন: হায় তিল !! ছোট কালো মোহময় তিল !! -- বা: জীবন বাবুকে স্মরণ করায়ে দিলেন। চমৎকার।

ফাগুনের অাগুনীয় শুভেচ্ছা সাথে এক বালতি ভালোবাসা নিন জনাব। :)

১৫| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৪৭

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহাহাহা......... আমি আপনার ক্রাশ খাওয়া দেখে হাসতে হাসতে ফিট :P

অসাধারন...............++++++

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:১৬

আখেনাটেন বলেছেন: আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলুম।

শুভকামনা।

১৬| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:৩৭

সুমন কর বলেছেন: হাহাহাহা.........বড়শিতে আবার মাছ গেঁথেছে। গল্প ভালো লাগল। +।

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৩৫

আখেনাটেন বলেছেন: ভালো লাগায় আপনার জন্যও রইল শুভকামনা ব্লগার কবি সুমন কর।

১৭| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৪৭

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: ভালবাসার রম্য পড়লাম ! :)


এখন আমার কাছে ভালবাসাকে রম্য মনে হয় গো ভাই। :)


ভালো আছেন নিশ্চয়।

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:০০

আখেনাটেন বলেছেন: এখন আমার কাছে ভালবাসাকে রম্য মনে হয় গো ভাই। -- এডা কি কন, মশাই? নিশ্চয় কোনো কারণ আছে। ঝেড়ে কাশেন দেহি। ;)

সিরিয়াস প্রেমিকেরা শুনলে কিন্তু দাবড়ানী দিবে কয়ে দিলাম। :P

১৮| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১১:৫৭

সাহসী সন্তান বলেছেন: এবারের ক্লোজআপ কাছে আসার গল্প গুলো এখনো দেখা হয়নি। একচুয়ালি সময়ই পায়নি, সেজন্যই! তবে আপনার গল্প ভাল হয়েছে। ভালবেসে শুধু কাছে আসলে ব্যাপারটা কেমন জানি পানসে হয়ে যায়, সেজন্য দু'একটা গল্পে একটু আধটু দূরে গেলে খারাপ হয় না... ;)

আমি বেশির ভাগ সুন্দরী মেয়েদেরকে দেখেছি, এমনিতেই সৌন্দর্যের কারণে তাদের দিকে তাকানো যায় না। তার উপরে মুখে হয় তিল থাকবে না হলে হাসলে গালে টোল পড়বে। উফ, এ যেন সৌন্দর্যের বাড়াবাড়ি! /:)

এনিওয়ে, তিল নিয়ে গল্প লিখছেন অথচ আপনার গল্পের ছবির মেয়েটার গালে কিন্তু কোন তিল খুঁজে পাই নাই? অবশ্য এটা আমার দৃষ্টিশক্তির সীমাবদ্ধতা কিনা বুঝতেছি না! তবে তিল ওয়ালা একটা ছবি দিলে ভাল হইতো। :|

গল্পে ভাল লাগা! শুভ কামনা জানবেন!

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:১৫

আখেনাটেন বলেছেন: ভালবেসে শুধু কাছে আসলে ব্যাপারটা কেমন জানি পানসে হয়ে যায়, সেজন্য দু'একটা গল্পে একটু আধটু দূরে গেলে খারাপ হয় না... ;) -- অামারও সেই মত। ;)


আমি বেশির ভাগ সুন্দরী মেয়েদেরকে দেখেছি, এমনিতেই সৌন্দর্যের কারণে তাদের দিকে তাকানো যায় না। তার উপরে মুখে হয় তিল থাকবে না হলে হাসলে গালে টোল পড়বে। উফ, এ যেন সৌন্দর্যের বাড়াবাড়ি! /:) -- এক্কেরে গরম লোহায় হিটাইছেন ভাইজানগো। এহেন বাড়াবাড়ি কার ভাল্লাগে কন? /:)


এনিওয়ে, তিল নিয়ে গল্প লিখছেন অথচ আপনার গল্পের ছবির মেয়েটার গালে কিন্তু কোন তিল খুঁজে পাই নাই? অবশ্য এটা আমার দৃষ্টিশক্তির সীমাবদ্ধতা কিনা বুঝতেছি না! তবে তিল ওয়ালা একটা ছবি দিলে ভাল হইতো। -- আপনারেই কেবল পাইলাম ছবি নিয়ে কথা কইতে। আমি আগেই এ নিয়ে আশা করছিলাম কেউ কিছু বলুক এ নিয়ে।

ঘটনা হচ্ছে এইটারও নাকি একখান তিল ছিল বহুকাল আগে। তয় এর নাকি তিল পছন্দ না। তাই চিল্লা-ফাল্লা করে সার্জারি করে এই মহার্ঘ বস্তুটি সরায়ে ফেলেছে। আমি তিল বিষয়ক একখান লেখা লিখেছি। তার এই তিল বিষয়ক অতীত উপাখ্যানের ইতিহাস জেনে আমার নিজে হাতে তোলা তার ছবিটাই গল্পে দেওয়ার মনোবাসনা হয়। সেও রাজি হয়। :P আর এ কারণেই আপনি তিল খুঁজে পান নি।
আর জানাশোনা তিলওয়ালীর ছবি দেওয়ার তদবির করেছিলাম। সে কি ঝগড়া? পালিয়ে বেঁচেছিলুম।

১৯| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:১২

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: ভাইরে ... ভাবছিলাম একটা বিয়ে করুম+প্রেম এ ভেবে একটা জরিনারে অফার মাইরলাম ....
সে জরিনার ভাবের জ্বালায় বাচি না ... সে আমার কথাগুলো রম্য মনে করল ।

এই হল আমার জীবনের ভালবাসার ইতিহাস..... কবিতা লিখি ঠিকি কিন্তু তা সব আমার আয়নাবজী, কাল্পনিক। :)

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:২০

আখেনাটেন বলেছেন: শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: ভাইরে ... ভাবছিলাম একটা বিয়ে করুম+প্রেম এ ভেবে একটা জরিনারে অফার মাইরলাম ....
সে জরিনার ভাবের জ্বালায় বাচি না ... সে আমার কথাগুলো রম্য মনে করল ।
-- আপনের কতা শুনে তো বুকডা আমার ফাডি ফাডি যায়। ভালোবাসার প্রকাশকে যে মেয়ে কমেডি ভাবে তার থেকে খোদা আপনাকে হেফাজতে রাখুক। :P

কষ্ট পেলুম আপনার এহেন ইতিহাস শুনে। সমবেদনা জানানোর ভাষা খুঁজে ন পাই ভাই। :((

গজব নেমে অাসুক সব কমেডি প্রেমিকার হৃদয়ে। X(

২০| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:২২

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: আসল কথা হল বিশ্বাস করতে পারিনি
তাকে আমি পছন্দ করে শুনে...। :)

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৩

আখেনাটেন বলেছেন: এই এক জ্বালা! মেয়েদের মন বুঝা বড় দায় ভাইজান।

কি আর করা? এখন কমেডি কিং হয়েই থাকেন। আর যদি পারেন তাকেও কমেডি কুইনে রুপান্তরের তদবীর চালাতে থাকেন। তাহলেই সম্ভব...। :)

২১| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৩২

সাহসী সন্তান বলেছেন: ঘটনা হচ্ছে এইটারও নাকি একখান তিল ছিল বহুকাল আগে। তয় এর নাকি তিল পছন্দ না। তাই চিল্লা-ফাল্লা করে সার্জারি করে এই মহার্ঘ বস্তুটি সরায়ে ফেলেছে।

- আমার ধারনা ছেলেরা চিবুকে তিল ওয়ালা মেয়েকে ঠিক কতটা পছন্দ করে এই অজানা তথ্যটা হয়তো এই বেকুব মেয়ে জানতো না। কারণ, জানলে এহেন উজবুক মার্কা কাজ করার আগে সে অন্তত একবার হইলেও ভাবতো! তেব্রো ধিক্কার জানাইলাম... X((

কোন একজনের সাথে একবার সামথিং সামথিং-এ জড়িয়ে পড়ার পরে বলেছিলাম, যদি কখনো তোমাকে না পাই তাইলে তোমার ঐ ঠোল ফেলানো গালের হাসি আর ডান চিবুকের তিলটা আমাকে দিয়ে যাইও। না দিলে জোর করে নিবো (অবশ্য জোর করা লাগে নাই)... B-))

ভাবেন একবার, এমনিতেই তিলের জ্বালায় বাঁচি না; তার উপ্রে গালে পড়ে টোল। এই জিনিস হাতছাড়া করলে জাতি কি আমাকে কোনদিনও ক্ষমা করতো? আমি পারি নাই জাতির উপ্রে এরকম একটা বজ্জাতি করতে... ;)

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৪১

আখেনাটেন বলেছেন: - আমার ধারনা ছেলেরা চিবুকে তিল ওয়ালা মেয়েকে ঠিক কতটা পছন্দ করে এই অজানা তথ্যটা হয়তো এই বেকুব মেয়ে জানতো না। কারণ, জানলে এহেন উজবুক মার্কা কাজ করার আগে সে অন্তত একবার হইলেও ভাবতো! তেব্রো ধিক্কার জানাইলাম... -- ---- হেত বাঙালী না। বাঙালী হলে ঠিকই তিলের মাজেজা বুঝত। জীবনে তিল বিষয়ক কোনো কবিতাও মনে কয় পাঠ করে নি মনে হয়। B-)


কোন একজনের সাথে একবার সামথিং সামথিং-এ জড়িয়ে পড়ার পরে বলেছিলাম, যদি কখনো তোমাকে না পাই তাইলে তোমার ঐ ঠোল ফেলানো গালের হাসি আর ডান চিবুকের তিলটা আমাকে দিয়ে যাইও। না দিলে জোর করে নিবো (অবশ্য জোর করা লাগে নাই).. -- বাহ। তার মানে আপনের ভান্ডারেও তিল কিংবা টোল নিয়ে গল্পের হাঁড়ি আছে মনে কয়। তয় জাতিও জানতে চায় কী সেই উপাখ্যান? :P

২২| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৯

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: নিজের খেয়ে পরের মাইয়ারে প্রেমের তালিম দেওয়ার সময় বা ইচ্ছা আমার কোনটাই নাই। =p~
এখন বাবা-মায়ের পছন্দমত বিয়ে করা ইচ্ছা আছে,তবে আরো একটু পরে। :)

এখনো বিষয়টা মনে পড়লে চরম হাসি পায়.... ;)



ভালো থাকুন ব্রাদার।

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৫

আখেনাটেন বলেছেন: শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: নিজের খেয়ে পরের মাইয়ারে প্রেমের তালিম দেওয়ার সময় বা ইচ্ছা আমার কোনটাই নাই। =p~ -- এত হতাশার কতা! হাল ছেড়ে দিলেন। প্রেমে এত ডরে গেলে চলবেক। :P

২৩| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:২৯

হাসান জাকির ৭১৭১ বলেছেন: বাহ!
চমৎকার!!
আমরাও তিলকে তাল করেই পড়লাম।।

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৫২

আখেনাটেন বলেছেন: দেখেন আবার তাল খাওয়ার লোভ সামলাতে না পেরে যেন তালগাছে উঠে পড়েন না। বিপদ হলে আমাকে দোষ দিতে পারবেক লাই।

ধন্যবাদ ব্লগার হাসান জাকির ৭১৭১।

২৪| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৪৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: পোড়া পোড়া গন্ধে এসে টুইস্ট ধরা :P
আমি আগেই জানতাম এক মজলুম কখনো অন্য মজলুমের দুঃখ বোঝে না ; দুঃখ'র বোঝ ট্র্যান্সফার করে ;)

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৫৪

আখেনাটেন বলেছেন: আমি আগেই জানতাম এক মজলুম কখনো অন্য মজলুমের দুঃখ বোঝে না ; দুঃখ'র বোঝ ট্র্যান্সফার করে -- হা হা। ভালো বলেছেন।

এটা কি ভালোবাসার দুষ্টুচক্র নাকি। খালি ট্রান্সফার হতেই থাকবেক। ;)

২৫| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:১৮

নূর-ই-হাফসা বলেছেন: গল্প টা পড়ে দারুন মজা পেলাম ।
আজকাল সত্যি মা আর মেয়ে কোনজন বুঝার উপায় থাকে না ।

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৩০

আখেনাটেন বলেছেন: আজকাল সত্যি মা আর মেয়ে কোনজন বুঝার উপায় থাকে না । --- :D যুগের হাওয়া।

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ব্লগার নূর-ই-হাফসা।

২৬| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:২৭

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: অনেকদিন পর আপনার পোস্ট পড়লাম।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:৫৪

আখেনাটেন বলেছেন: এর আগেও একটা পোস্ট দিয়েছিলাম। মাঝখানে আপনি নিজেও মনে হয় ব্লগে ছিলেন না ব্যস্ততায়।

অামার মতো একজন ক্ষুদ্র ব্লগারকে মনে রেখেছেন জেনে ভালো লাগলো।

আপনার জন্যও শুভকামনা রইল নিরন্তর ব্লগার মো: মাইদুল সরকার।

২৭| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:০৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: মাশাল্লাহ!গো গ্রাসে পড়লাম নয়, গিললাম।প্রেমের দিবসে না পড়লেও আজও উপভোগ্য।বাসন্তিক শুভেচ্ছা রইল।

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:২৫

আখেনাটেন বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ ব্লগার পদাতিক চৌধুরি।

ভালো থাকুন।

২৮| ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:১০

জুন বলেছেন: নূর-ই-হাফসা বলেছেন:
আজকাল সত্যি মা আর মেয়ে কোনজন বুঝার উপায় থাকে না ।

আমিও তাই বলি আখেনাটেন।
কিছুদিন পর রবিন এর প্রতিক্রিয়া দেখার অপেক্ষায়
=p~
+

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:২৮

আখেনাটেন বলেছেন: কিছুদিন পর রবিন এর প্রতিক্রিয়া দেখার অপেক্ষায় -- হুম; ভালো বলেছেন। :P সেরের উপর সোয়া সের হয় নাকি নাকানিচুবানি খেয়ে ফিরে আসে আমিও লক্ষ রাখছি। ;)

ভালো থাকুন জুনাপু।

২৯| ০২ রা মার্চ, ২০১৮ ভোর ৬:৪৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
অসাধারন হয়েছে রম্য গল্পটি ,
তিলকে সত্যিই তাল বানিয়ে ফেলছেন ।
তিল নিয়ে গবেষনা করছেন আর এখানে আমার
ত্বকে তিল সমাচার : সচিত্র জ্যোতিষী বিবরণ
দেখবেন না তা কি হয় । অনেকে দেখলাম তিলদানি খুঁজছে
আমার ওখান হতে দুএকটা তিলদানি তুলে নিয়ে আসতে পারেন ।
তিল দেখে ক্রাস অনেকেই খেয়েছে , কেও বলে কেও বলেনা
নীজের কথাতো নয়ই ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

০৪ ঠা মার্চ, ২০১৮ দুপুর ১২:১৯

আখেনাটেন বলেছেন: তিল দেখে ক্রাস অনেকেই খেয়েছে , কেও বলে কেও বলেনা
নীজের কথাতো নয়ই ।
-- হা হা। ভালো বলেছেন।

রম্য ভালো লাগার জন্যা অশেষ ধন্যবাদ প্রিয় আলী ভাই।

*আপনার লেখা পড়তে যাচ্ছি। ভালো থাকুন।

৩০| ০৫ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ১১:১৯

অনন্য দায়িত্বশীল আমি বলেছেন: পড়ে মজা পেলাম।

১২ ই মার্চ, ২০১৮ দুপুর ১২:০৭

আখেনাটেন বলেছেন: জেনে খুশি হলাম। (দেরীতে প্রতিউত্তরের জন্য দুঃখিত)

শুভকামনা রইল।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.