নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মনটা যদি তুষারের মতো...

আখেনাটেন

আমি আমাকে চিনব বলে বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছি একা একা, পাই নি একটুও কূল-কিনারা কিংবা তার কেশমাত্র দেখা। এভাবেই না চিনতে চিনতেই কি মহাকালের পথে আঁচড় কাটবে শেষ রেখা?

আখেনাটেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

স্বাধীনতার মাসঃ বাংলাদেশের সুখে-দুখে কেন চোখে জল চলে আসে????

২১ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৯



কেন এরকম হয়? এর পেছনের কারণ কী? লাস্ট বলে ছক্কার পরে কেন অন্ধকার রুমে চোখের পানিরা বাঁধ উপচে পড়ার পাঁয়তারা করে? কেনই বা এমনটা মেনে নিতে ভীষণ ভীষণ রকম কষ্ট হয়?

আমার মনে আছে। এশিয়া কাপের যে ফাইনালে বাংলাদেশ পাকিস্থানের কাছে হেরে গিয়েছিল তখন আমি ভারতের একটি বড় শহরে। খেলা দেখার জন্য তাই ভারতীয় বন্ধুদের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে পপকর্ন নিয়ে বসে পড়লাম। সেদিন আশা জাগিয়েও দুই রানে হেরে গেলে আমার চোখের জলের বন্যা দেখে ভারতীয় বন্ধুরাও ভাষা হারিয়ে ফেলেছে। তারাও বাকরূদ্ধ। তারাও ব্যথিত। কেন এমনটা হয়?

হলি আর্টিজনে হামলার পর বিদেশী বিভিন্ন সংবাদ-মাধ্যম কিংবা ফোরামে বাংলাদেশ নিয়ে নেতিবাচক খবর দেখে তখন কেন চোখ জ্বালাপোড়া শুরু করে? কেন গরীব এই দেশটির নেতিবাচক খবর অন্য দেশের পত্রিকায় সহ্য হয় না?

অথচ দেশে আমি নিজেই নানান নেতিবাচক দিক নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা কারো সাথে বিতর্কে জড়িয়ে পড়ছি। কেন এটা হচ্ছে? কেন ওটা হচ্ছে? ওটা করলে কী আরো ভালো হত না? কেন শিক্ষায় ব্যয় এত কম? কেন মৌলিক গবেষণায় আমাদের দৃষ্টি নেই? অথচ একই কথা কোনো বিদেশী বন্ধু বললে কেন চোখে জল চলে আসে?

কেন বিদেশী পত্রিকায় দেশের পজিটিভ খবর হাতড়ে-পাতড়ে খুঁজে ফিরি এবং তা দেখতে পেলে চোখ জলে ভরে উঠে? কেন নেক্সট-১১, ২০৫০ এ বাংলাদেশ অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ, বাংলাদেশের অর্থনীতির ক্রমান্বয়ে এগিয়ে চলা বিদেশীর মুখে শুনে চোখ ঝাপসা হয়ে আসে?

কেন ইউটিউবের সহ-প্রতিষ্ঠাতা জাওয়েদ করিম, খান একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা সালমান খানদের নামের সাথে বাংলাদেশ যুক্ত থাকায় ভালোলাগার উষ্ণধারা চোখ দিয়ে গড়ে পড়তে চায়? যদিও জানি বাংলাদেশের সাথে তাদের এখন সম্পর্ক নেই বললেই চলে। কেন হাই-রাইজ বিল্ডিং তৈরির জন্য টিউব স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর জনক ফজলুর রহমান খানের নাম দেখলেই আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ি? কেন শিল্পপতি কালিপ্রসাদের যুক্তরাষ্ট্রে নিজের অবস্থান দাঁড় করানো আর দেশে তার বিনিয়োগের খবর শুনে ভালোলাগার স্রোত বয়ে চলে?

কেন ডঃ ইউনুসের নোবেল পাওয়ার খবর শুনে চোখের পানি হু হু করে ঝরে পড়ে? কেন দীপঙ্কর তালুকদার, অমিত চাকমা, ইকবাল কাদিরদের নামের সাথে বাংলাদেশ যুক্ত থাকায় চোখের পানি বাঁধ মানতে চায় না?

কেন পদ্মাসতুর স্প্যান বসিয়ে সেতু দৃশ্যগত হলে চোখে জলে ভর উঠে? যখন ভাবি অন্য সব বিখ্যাত বড় শহরের মতো ঢাকা শহরেও মেট্রো রেলে চড়ে যাত্রীরা চলাফেরা করছে কেন চোখে পানি চলে আসে?



কেন ভোরবেলা কক্সবাজার বীচে দাঁড়িয়ে এর সৌন্দর্য্য দেখে আবেগে চোখে ঝাপসা দেখি? কেন সাজেকে মেঘ থেকে জল চোখের জলের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে?

কেন গুগল ম্যাপে বাংলাদেশের ম্যাপটা দেখে, সুন্দরবনের সবুজ আর সর্পিল নদীগুলোর চিত্র দেখে বুকটা হু হু করে উঠে?

কেন বিদেশী বন্ধুরা বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের ভূয়সী প্রশংসা করলে চোখের জল উপচে পড়তে চায়?

কেন চার কিমি আইল কিংবা কাঁচা রাস্তা পেরিয়ে স্কুলে যাওয়ার রাস্তাটা পাকা হওয়া দেখে টুপটুপ করে চোখের পানি ঝরতে চায়? কেন হারিকেনের আলোয় পড়া বাচ্চাটি বিদ্যুতের আলোর ঝলকানি দেখে চোখ খুলে রাখতে পারে না? কেন সাঁওতাল বিগাল দা’র ছেলেটা মিশন স্কুল থেকে এসএসসি পাশের খবর শুনে চোখ জলে ভরতে চায়?

ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার রাস্তাটাও একদিন চার লেন হবে কেন ভাবতে ভাল লাগে? কেন ভাবতে ভালো লাগে নোংরা দূষিত বুড়িগঙ্গাটাও একদিন টেমস বা রাইনের মতো হবে? কেন ভাবতে ভালো লাগে চট্রগ্রাম বা কক্সবাজারটা একদিন ব্যাংকক কিংবা মিয়ামীর মতো হবে?

কেন ভাবতে ভালো লাগে আমরাও একদিন হাই-স্পিড রেলে চড়ে কক্সবাজার কিংবা রংপুর যাব? কেন ভাবতে ভালো লাগে ২৮ কোটি বাঙালীর বাংলা সিনেমাও একদিন বিদেশীরাও হুমড়ী খেয়ে দেখবে? কেন ভাবতে ভালো লাগে টিভি-ফ্রিজের মতো একদিন বাংলাদেশী ব্রান্ডের প্রাইভেট কার, বাস-ট্রাক দেশে বিদেশের রাস্তাগুলো দাপিয়ে বেড়াবে?

হয়ত আমি একটু বেশিই আবেগী; হয়ত আমার ভাবনাগুলো একটু বেশিই অপরিপক্ক; হয়ত আমার চিন্তাগুলো একটু বেশিই অগোছালো; হয়ত আমি এখনো এই যান্ত্রিক নগর সভ্যতার কংক্রিটের সাথে নিজেও কংক্রিটের মতো শক্ত মনের হতে পারি নি; হয়ত আমার...।

আমি স্বপ্ন দেখি আমার ভাবনার চারাগাছগুলো একদিন লাল-নীল-হলুদ পুষ্পে মহীরুহ হয়ে উঠবে। আমি স্বপ্ন দেখি বিগাল দা’র ছেলেটিও একদিন এ দেশের উন্নয়নে জীবন বাজি রাখছে। আর তাঁর স্বপ্নকে কিংবা আমাদের সকলের স্বপ্নকে বাস্তবায়নের জন্য দেশের কর্তারাও দেশপ্রেমের চুড়ান্ত পরাকাষ্ঠা দেখাচ্ছে। হয়ত সেদিন আমি থাকব না। কিন্তু থাকবে আমার কিংবা আমাদের স্বপ্নের বাস্তব প্রতিবিম্ব!!!!

ছবি: নিজ। প্রথমটি জাতীয় স্মৃতিসৌধে; দ্বিতীয়টি সাজেক ভ্যালিতে পাহাড়ি বাচ্চার সকালবেলা একাকী ছুটে চলা।

মন্তব্য ৫৩ টি রেটিং +১৮/-০

মন্তব্য (৫৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৪:১১

কাছের-মানুষ বলেছেন: সব স্বপ্নই একসময় বাস্তবতায় রুপ নিবে হয়ত! ছবিটা সুন্দর হয়েছে।

সাজেক ভ্যালি সম্পর্কে অনেক শুনছি ইদানিং, যাওয়া হয়নি। যেতে হবে মনে হচ্ছে।

লেখাটা ভাল লাগল। +++

২১ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৪:২৯

আখেনাটেন বলেছেন: সব স্বপ্নই একসময় বাস্তবতায় রুপ নিবে হয়ত! - আজ হোক কাল হোক একদিন হয়ত বাস্তবায়ন হবে। শুধু অামরা দেখে যেতে পারলে...।

ছবিটা সুন্দর হয়েছে। -- ধন্যবাদ। এই ছোট্ট পাহাড়ি বাচ্চাটির মতই আমাদের দেশের উন্নয়নের পথে ছুটে চলা গতি পাক।

সাজেক ভ্যালি সুন্দর জায়গা। ভালো লাগলে নিশ্চয়।

লেখা ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম।

মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ ব্লগার কাছের-মানুষ।

২| ২১ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৪:১৩

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: বাংলাদেশের সুখদুঃখে চোখে জল আসবে এটাইতো স্বাভাবিক, আমরা স্বপ্ন দেখি আমাদের ভাবনার চারাগাছগুলো মহীরুহ হয়ে উঠবে একদিন।

২১ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৪:৩১

আখেনাটেন বলেছেন: বাংলাদেশের সুখদুঃখে চোখে জল আসবে এটাইতো স্বাভাবিক, আমরা স্বপ্ন দেখি আমাদের ভাবনার চারাগাছগুলো মহীরুহ হয়ে উঠবে একদিন। -- অামাদের স্বপ্নগুলো অতি শীঘ্রই বাস্তবে রূপ নিক।

সুন্দর মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা রইল ব্লগার তারেক_মাহমুদ।

ভালো থাকুন।

৩| ২১ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৪:১৬

তারেক ফাহিম বলেছেন: খুব ধীরে পড়লাম ব্লগটি।

আসলে আমরা আশা নিয়েই বেঁচে আছি।

আপনার ভাবনার সম্পুর্ণ পূর্ণতা কামনা করছি।

২১ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৩

আখেনাটেন বলেছেন: আমাদের সকলের দেশের প্রতি ভালোবাসাগুলো বাস্তবে রূপ নিক।

আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ব্লগার তারেক ফাহিম।

৪| ২১ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৪:৩১

ঢাবিয়ান বলেছেন: কেন দূরদেশে বিখ্যাত সুমুদ্রবীচে গিয়ে মনে হয় আমাদের কক্সবাজারই সেরা? কেন ফেসবুকের পাতায় অধীর আগ্রহে চেয়ে থাকি দেশে থাকা বন্ধুদের পোস্ট দেখার আশায়? কেন অন্য দেশের পাসপোর্ট হাতে নিয়েও সে দেশকে নিজের বলে মনে হয় না? কেন ফেলে আসা দেশটাকে প্রতিমুহুর্তে স্মরন করি? কেন আসি এই বাংলাব্লগে?

২১ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৮

আখেনাটেন বলেছেন: কেন দূরদেশে বিখ্যাত সুমুদ্রবীচে গিয়ে মনে হয় আমাদের কক্সবাজারই সেরা? কেন ফেসবুকের পাতায় অধীর আগ্রহে চেয়ে থাকি দেশে থাকা বন্ধুদের পোস্ট দেখার আশায়? কেন অন্য দেশের পাসপোর্ট হাতে নিয়েও সে দেশকে নিজের বলে মনে হয় না? কেন ফেলে আসা দেশটাকে প্রতিমুহুর্তে স্মরন করি? কেন আসি এই বাংলাব্লগে? -- চিরন্তন হাহাকারজনিত 'কেন' প্রশ্নের কোনো উত্তর নেই হয়তবা কারো কাছেই।

হয়তবা এই আবেগ; এই ভালোবাসা; এই মমত্ববোধ; এই দৃষ্টিভঙ্গী; এই সবই আমাদের এই দেশকে সমৃদ্ধির শিখরে তুলবে একদিন। আমরা থাকি কিংবা না থাকি।

দেশ-মা-মাটি এগুলোর বিচ্ছেদ হবার নয়!!!!!


আপনার মন্তব্যটুকুও হৃদয় ছুঁয়ে গেল। ভালো থাকুন ব্লগার ঢাবিয়ান।

৫| ২১ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৩

সাইন বোর্ড বলেছেন: এর নাম ভালবাসা, দেশপ্রেম । কিন্তু ক্ষমতাবানরা তা বুঝেনা ।

২১ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৩২

আখেনাটেন বলেছেন: হয়তবা ক্ষমতাবানদের দেশপ্রেম আমাদের মতো খেটে খাওয়া আম আদমীদের চেয়ে হাজারগুণে শক্তিশালী। তাই এই ঠুনকো অাবেগ তাদের গায়ে হাওয়া দিয়ে চলে যায়। প্রবেশ করতে পারে না।

সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ব্লগার সাইন বোর্ড।

৬| ২১ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:২৭

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: বাংলাদেশ আমাদের মা ,আর মার কিছু হলে সন্তানের চোখে জল আসাটা স্বাভাবিক!


ভাল লিখেছেন ।এভাবে প্রতিটি মানুষের দেশ প্রেম থাকলে ; আর কোন দেশে সমস্যা থাকতো না।

২১ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৫

আখেনাটেন বলেছেন: বাংলাদেশ আমাদের মা ,আর মার কিছু হলে সন্তানের চোখে জল আসাটা স্বাভাবিক! -- সুন্দর বাক্য। মায়ের দুঃখে ব্যথিত আমি আপনি হলেও অনেকের কাছে এগুলো হাস্যস্পদ। কী কঠোর তাদের দেশপ্রেম!

চমৎকার মন্তব্যে জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ব্লগার কবি শাহরিয়ার কবীর।

৭| ২১ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৩২

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: মূখে যাই বলি বুকের মাঝে দেশের জন্য অজস্র ভালবাসা আছে বলেই এমন হয়।
লেখাটি পড়ে অনেক ভাল লাগল ভাইয়া।
স্বাধীনতার মাসে দারুন একটি লেখা।

২১ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৪১

আখেনাটেন বলেছেন: মূখে যাই বলি বুকের মাঝে দেশের জন্য অজস্র ভালবাসা আছে বলেই এমন হয়। -- হয়তবা তাই।

হয়তবা বেশির ভাগ বাংলাদেশীই এগুলো ধারণ করে। হয়তবা এই শক্তিই একদিন আমাদের বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করা শেখাবে। হয়তবা এই ভাবনাগুলোও একদিন আমাদের নেতা ও আমলাদের বুকে স্পন্দিত হবে। হয়তবা সেদিন আর বেশি দূরেও নেই।

অাশা করতেই পারি নাকি!

ভালো থাকুন ব্লগার মোস্তফা সোহেল।

৮| ২১ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



ইন্টারেষ্টিং সিম্পটমস!

আমার চোখে পানি আসে বেশী ঠান্ডায়, গরমে, বেশী আলোতে ও বেশী বাতাসে!

২১ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৭

আখেনাটেন বলেছেন: ইন্টারেষ্টিং সিম্পটমস! -- হা হা হা। ভাইজান এই ইন্টারেস্টিং সিম্পটমসে কিন্তু লাখো বাংলাদেশী অাক্রান্ত। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে আমাদের নেতা ও আমলাদের এই রোগে কাবু করতে পারে না। তা পারলে বুড়িগঙ্গাতে গোসল করলেও চুলকানি হত না। :P

আমার চোখে পানি আসে বেশী ঠান্ডায়, গরমে, বেশী আলোতে ও বেশী বাতাসে! -- কমন সিম্পটমস! বয়সকালে এরকম সবারই হয়। যদিও জানি আপনার মনের বয়স অনেক কম। :D

আপনার ইন্টারেস্টিং মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ ব্লগার চাঁদগাজী।

৯| ২১ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৭

*** হিমুরাইজ *** বলেছেন: সুন্দর একটি লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

২১ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৯

আখেনাটেন বলেছেন: লেখাটি পড়ে মন্তব্য রাখার জন্যও আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ ব্লগার হিমুরাইজ।

ভালো থাকুন।

১০| ২১ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৫১

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: চাঁদগাজী বলেছেন:



ইন্টারেষ্টিং সিম্পটমস!

আমার চোখে পানি আসে বেশী ঠান্ডায়, গরমে, বেশী আলোতে ও বেশী বাতাসে!


এটা কি কোন রাজনৈতিক বক্তব্য দিলেন চলে গেলেন নাকি চাঁদগাজী ভাইয়া? ;) ;)

কিছু বুঝলাম নাহ...... !! :( :( :(

২১ শে মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০২

আখেনাটেন বলেছেন: হা হা হা।

মন্তব্যটা কিন্তু জোস ছিল। উনাকে হয়তবা এমন ঠুনকো আবেগ এখন আর স্পর্শ করে না। আমরাও বুড়ো হলে হয়তবা এইসব ছাইপাশ আবেগ খেলো মনে হবে তখন।

১১| ২১ শে মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১১

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: আপনার অনুভূতি স্বাভাবিক। দেশের জন্য ন্যূনতম টান থাকলে সবারই এমন হওয়া উচিত। ভাল লাগল আপনার কথাগুলো।

২১ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ১১:১০

আখেনাটেন বলেছেন:

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ব্লগার সম্রাট ইজ বেস্ট।

ভালো থাকুন।

১২| ২১ শে মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৩

চাঁদগাজী বলেছেন:

@শাহরিয়ার কবীর ,

জাতি অনেক কষ্টের মাঝ দিয়ে যাচ্ছেন, সবকিছুর পরও এখনো জাতিকে হৃদয়ের থেকেই ভালোবাসেন।

২১ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ১১:১৯

আখেনাটেন বলেছেন: জাতি অনেক কষ্টের মাঝ দিয়ে যাচ্ছেন-- কবে এর শেষ হবে?

১৩| ২১ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ৮:৩১

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: আপনার বুকে একটি বাংলাদেশ আছে। সাধারণ মানুষের বুকে একটি বাংলাদেশ আছে।

২১ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ১১:২১

আখেনাটেন বলেছেন: তাই কেউ সেই বাংলাদেশকে অবহেলা করলে কষ্ট হয়।

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

ভালো থাকুন।

১৪| ২১ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ৮:৩৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার সব কেন-র উত্তর একটাই.. .. ..দেশের প্রতি ভালোবাসা। তবে আমাদের, বাংলাদেশীদের ভালোবাসা একটু অদ্ভুদ টাইপের (অল্পকিছু ব্যাতিক্রম ছাড়া!!)। আপনি হয়তোবা সেই ব্যাতিক্রমদের একজন!!!!
অন্তর থেকেই কামনা করি, দেশ একদিন সত্যিকারের বাসযোগ্য দেশ হবে!
আশা করতে দোষ কি?

২১ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ১১:২৫

আখেনাটেন বলেছেন: অন্তর থেকেই কামনা করি, দেশ একদিন সত্যিকারের বাসযোগ্য দেশ হবে! -- আমাদের এই তীব্র ভালোবাসা ও কাজে তার দৃষ্টান্তই পারে দেশকে বাসযোগ্য করতে। আমার আপনার সকলের আশা পুরুন হোক এই কামনা।

চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ব্লগার ভুয়া মফিজ।

ভালো থাকুন।

*আপনার ইটালির সিরিজটা কিন্তু বেশ ছিল। অন্য কিছু নিয়ে লেখেন।

১৫| ২১ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ৯:১৭

ওমেরা বলেছেন: আমার চোখে জল আসে না তবে দেশের ভাল। কথা শুনলে ভাল লাগা খারাপ কিছু শুনলে কষ্ট লাগে।

আপনার লিখাটা ভাল লেগেছে ধন্যবাদ।

২১ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ১১:২৮

আখেনাটেন বলেছেন: সবারই এমন হয় বুঝি। আপনি যেহেতু দেশের বাইরে থেকেও বাংলা ভাষায় কিছু জানাতে চাচ্ছেন, সেহেতু বুঝা যায় ভালোবাসা মরে নাই।

সুন্দর মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

১৬| ২২ শে মার্চ, ২০১৮ ভোর ৬:৫৮

কলাবাগান১ বলেছেন: দুই যুগের ও বেশী দেশের বাইরে কিন্তু প্রত্যেক দিন ঘুম থেকে উঠেই সিএনএন এর ওয়েব সাইটের আগে প্রথম আলোর ওয়েব সাইট খুলি...।

২২ শে মার্চ, ২০১৮ সকাল ১১:০৩

আখেনাটেন বলেছেন: আপনার লেখাতেই বুঝা যায় এতদিন দেশের বাইরে থাকলেও মাতৃভূমির প্রতি টান আপনার এখনও প্রগাঢ়। মা-মাটিকে নিয়ে ভাবেন। এতদিন বাইরে থেকে হয়ত খুব কমই আছেন এরকম। সেক্ষেত্রে আপনার প্রশংসা না করে পারা যায় না।

তবে আমার মনে হয় আমাদের সাদাকে সাদা ও কালোকে কালো বলতে পারার মানসিক শক্তিটা আরো পোক্ত করা উচিত। এতে শ্রদ্ধা আরো বাড়বে বৈ কমবে না।

চমৎকার মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

ভালো থাকুন।

১৭| ২২ শে মার্চ, ২০১৮ সকাল ৮:২৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: খুব সুন্দর লিখেছেন , যার অন্তর জুরে রয়েছে দেশপ্রেম তার পক্ষেই এমনতর লেখা সম্ভব । দেশ প্রেম, স্বদেশের মঙ্গল, দেশে বিদেশে উজ্জল ভাবমুর্তী ও সুনাম প্রভুতি অনেক বিষয়েই অনেকগুলি কেনর সাথে আবর্তিত হচ্ছে অনেক বিষযের সংস্লিষ্টতা । এ সমস্ত কেনর জবাব প্রতিটি দেশ প্রেমিক বাংগাদেশীর মনেই ঘুরছে । যে মাতৃকোড়ে, যে মাতৃভূমিতে আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে পাঠিয়েছেন তার প্রতি মমতা, ভালোবাসা পোষণ আমাদের সকলেরই সহজাত প্রবৃত্তি। যে ভূ-খন্ডের আলো, বাতাস, পানি গ্রহণ করেছি, যে ভূ-খন্ডের মানুষের স্নেহ মমতায় বড় হয়েছি তার প্রতি ভালোবাসা পোষণ করা আমাদের প্রাণের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। স্বদেশের উপকার ও কল্যাণের জন্য দায়িত্ববোধ, দেশের সামান্যতম অকল্যাণ দেখেও হৃদয় ব্যথিত হওয়া, দেশ ও দেশের মানুষের জন্য ভালোবাসার প্রকাশ এসব মানবীয় গুণাবলীইতো প্রকৃত স্বদেশপ্রেম। তবে এপোষ্টে উথ্থাপিত যতসব কেনর উত্তরগুলির জন্য এবং কাংখিত বিষয়ে অগ্রগতি ও সিদ্ধি লাভের নিমিত্ত দেশের দায়িত্বশীল ক্ষমতাবানরা কতটুকু সচেতন কিংবা দায়িত্বের পরাকাষ্টা দেখাচ্ছেন তা কমবেশী সকলের কাছেই পরিস্ফুট । কামনা করি ব্যক্তিগত ক্ষুদ্র স্বার্থের গন্ডি উপেক্ষা করে বৃহত্তর স্বার্থের দিকে যেন সকের মন পরিচালিত হয়, আত্মকল্যাণ অপেক্ষা বৃহত্তর কল্যাণবোধ সক্রিয় হয়ে ওঠে, আর জ্বলে ওঠে স্বদেশের প্রতি ভালোবাসার নিষ্কলুষ প্রদীপ শিখা। এ দিনের আশাতেই থাকলাম । কামনা করি প্রত্যেক মানুষের যেন হয় সুপ্রভাত তার ভালবাসার জায়গা স্বদেশভুমে, কিংবা বুকে নিয়ে দেশ প্রেম বিশ্বের বুকে যে কোন প্রান্তে সম্মানজনক অবস্থানে।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।


২২ শে মার্চ, ২০১৮ সকাল ১১:০৯

আখেনাটেন বলেছেন: উথ্থাপিত যতসব কেনর উত্তরগুলির জন্য এবং কাংখিত বিষয়ে অগ্রগতি ও সিদ্ধি লাভের নিমিত্ত দেশের দায়িত্বশীল ক্ষমতাবানরা কতটুকু সচেতন কিংবা দায়িত্বের পরাকাষ্টা দেখাচ্ছেন তা কমবেশী সকলের কাছেই পরিস্ফুট । --ক্ষমতাসীনেরা যদি আমাদের মতো খেটে খাওয়া পাবলিকের মতো ভাবতো তাহলে দেশ আজ সিঙ্গাপুর না হোক মালয়েশিয়া হতে পারত। কিন্তু তেনাদের দেশপ্রেম মুখে। সর্বনাশটা তাই সর্বগ্রাসী।

কামনা করি ব্যক্তিগত ক্ষুদ্র স্বার্থের গন্ডি উপেক্ষা করে বৃহত্তর স্বার্থের দিকে যেন সকের মন পরিচালিত হয়, আত্মকল্যাণ অপেক্ষা বৃহত্তর কল্যাণবোধ সক্রিয় হয়ে ওঠে, আর জ্বলে ওঠে স্বদেশের প্রতি ভালোবাসার নিষ্কলুষ প্রদীপ শিখা। -- চমৎকার বলেছেন। আমাদের সকলের এই বৃহত্তর কল্যাণের পথেই চলা উচিত স্বার্থহীনভাবে।

আপনার অসম্ভব সুন্দর মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় ব্লগার ড: এম এ আলী ভাই।

ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

১৮| ২২ শে মার্চ, ২০১৮ সকাল ৯:০৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: কেউ কেউ শ্লোগান দেয় হৃদয়ে বাংলাদেশ!
কিন্তু তাদের অন্তরে লোভ, অর্থের ক্ষমতার আর স্বার্থের!

আর যাদের চোখ জলে ভরে তাদের শ্লোগান হৃদয়ে গভীরে। তারা নিভৃতে দিয়ে যায় শ্রম, মেধা
দেশৈর তরে! কেউ জানে কেউ জানে না! তারা কেয়ারও করে না!
ক্ষমতাসীণ সেসব ভন্ডদের চোখে জল আসুক!
দেশের দু:খে, দেশৈর সাফল্যে, দেশৈর ভাবনায়

+++

২২ শে মার্চ, ২০১৮ সকাল ১১:২০

আখেনাটেন বলেছেন: কেউ কেউ শ্লোগান দেয় হৃদয়ে বাংলাদেশ!
কিন্তু তাদের অন্তরে লোভ, অর্থের ক্ষমতার আর স্বার্থের!
--ক্ষুদ্র ব্যক্তিস্বার্থের মায়া ইনারা কাটাতে পারেন না। অথচ ইনারাই মহান দেশপ্রেমিকের খেতাবধারী। দেশে প্রকৃত দেশপ্রেমিক যদি কেউ এ দেশে থেকে থাকে তারা বাংলার কৃষক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে খেয়ে না খেয়ে ফসল ফলিয়ে চলেছে। দেশকে দিয়েই যাচ্ছে নি:স্বার্থভাবে। প্রতিদানে পাচ্ছে ফসলের অন্যায্য মূল্য। হাড়ভাঙা
কায়িক শ্রমের মূল্য এত কম আর কেউ এ দেশে পায় না। এদের কেউ কখনও দেশপ্রেমিক বলেছে বলে শুনি নি।

অথচ দেশের বারোটা বাজানো নেতাদের স্বঘোষিত দেশপ্রেমিকের তকমার অভাব নেই এ দেশে। দুর্ভাগা এ জাতি।

আপনার বরাবরই মতোই সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

১৯| ২২ শে মার্চ, ২০১৮ দুপুর ২:২১

বিলিয়ার রহমান বলেছেন: বেড়ালের দেশে, দস্যুর বেশে
শঙ্খ বাজানো হায়
সে তো অকারন, অরণ্য রোদন
কেউ কি কখনো শুনবে তোমায়????

অস্ত গেলে সবি, স্বপ্ন আর দাবি
কোন এক অনাহূত ঝড়ে।
ডুবু ডুবু দ্বীপ, নিভু নিভু প্রদীপ
তবু ও শঙ্খ জাগাবেনা কারে।

কবিতা:: শঙ্খ
বিলিয়ার রহমান রিয়াজ

(কিছুটা প্রসঙ্গিক মনে হলো তাই এমন কমেন্ট)

২২ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ১১:৩২

আখেনাটেন বলেছেন: মিঞাভাই, আমি যে কবিতা কম বুঝি। :(( এর গুঢ়ার্থটা যদি একটু বলতেন!

শুভেচ্ছা নিবেন মন্তব্যের জন্য।

ভালো থাকুন।

২০| ২২ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৪

বিলিয়ার রহমান বলেছেন: টাইপো: প্রসঙ্গিক<< প্রাসঙ্গিক

২১| ২২ শে মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২১

আহমেদ জী এস বলেছেন: আখেনাটেন ,




খুব আবেগ তাড়িত একটি লেখা ।
দেশের সুখে-দুখে কেন চোখে জল চলে আসে ? দেশ যে "মা-জননী" ! দেশ যে স্বর্গের চেয়েও গরীয়সী ! দেশ যে আমার আপনার একটাই ভুবন ! আমার আপনার প্রথম চোখ মেলা যে এই মাটিতেই ....................

২২ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ১১:৩৭

আখেনাটেন বলেছেন: দেশের সুখে-দুখে কেন চোখে জল চলে আসে ? দেশ যে "মা-জননী" ! দেশ যে স্বর্গের চেয়েও গরীয়সী ! দেশ যে আমার আপনার একটাই ভুবন ! আমার আপনার প্রথম চোখ মেলা যে এই মাটিতেই ......... --- সহমত। এই ভালোবাসাটা দেশের চেয়ে দেশের বাইরে গেলে আরো বেশি টের পাই। তাই এই সোনার দেশটাকে যখন কিছু নষ্ট লোক সঠিক পথে চলতে পথে পথে বাধার প্রাচীর তৈরি করে দেখে ভীষণ খারাপ লাগে। আমি অতি ক্ষুদ্র শুধু আক্ষেপ করা ছাড়া কিছু করার থাকে না। নিজের অবস্থান থেকে যথাসাধ্য চেষ্টা করি এটাই সান্ত্বনা।

আপনার মন্তব্য পড়ে বেশ ভালো লাগল। ভালো থাকুন নিরন্তর প্রিয় ব্লগার।

২২| ২৩ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ১২:২৮

প্রামানিক বলেছেন: দেশ প্রেম নিয়ে খুবই আবেগী লেখা, ভালো লাগল। ধন্যবাদ

২৩ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ১২:৩৫

আখেনাটেন বলেছেন: আপনাকেও শুভেচ্ছা প্রামানিক দা।


ভালো থাকুন।

২৩| ২৩ শে মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৭

সুমন কর বলেছেন: না, আপনি মোটেও আবেগী নন !! আপনার স্বপ্নগুলো প্রতিটি বাঙালীর স্বপ্ন। একদিন পূরণ হবে------সেটা ভাবতে দোষ নেই !!

লেখায় মুগ্ধতা।

২৪ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ১২:২১

আখেনাটেন বলেছেন: আপনার স্বপ্নগুলো প্রতিটি বাঙালীর স্বপ্ন। একদিন পূরণ হবে------সেটা ভাবতে দোষ নেই !!
-- আমিও তাই বিশ্বাস করি। শুধু কিছু পথভ্রষ্ট লোক সামনে এগিয়ে যাওয়ার রাস্তাতে বাধার প্রাচীর তুলে ধরছে। যদিও প্রকৃত দেশপ্রেমিকেরা শত প্রতিকূলতার মাঝেও প্রাচীর ডিঙিয়ে নি:স্বার্থভাবে দেশকে দিয়ে যাচ্ছে বলেই...।

আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ কবি ব্লগার সুমন কর।

২৪| ২৬ শে মার্চ, ২০১৮ দুপুর ১:৪১

মনযূরুল হক বলেছেন: এই ভালোবাসা চুইয়ে চুইয়ে নামে প্রতিটি বাংলাদেশির হৃদয়ে । কিন্তু দু:খ হয়, মুক্তিযুদ্ধের ১৪ বছর পরে জন্ম নেয়া কাউকে কেবল পোশাকের ‘দোষে’ রাজাকার বলা হয়। ২৬ বছর বয়সের যেই ছেলেটা জীবনভর দেশপ্রেমের গান গেয়ে গেলো, দেশের টেকনাফ আর তেতুলিয়া সীমন্ত চষে বেড়িয়ে যেই তরুণ বন্ধুদের নিয়ে দেশপ্রেমের শপথ করলো, “কোনদিন দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে যোগ দেবো না”- সে হয় দেশদ্রোহী। জামায়াতের হুমকি উপেক্ষা করে যার জামায়াত বিরোধী রচনা পত্রিকার প্রচ্ছদ প্রতিবেদন হয়, সে পরিণত হয় শিবির কর্মীতে...

২৮ শে মার্চ, ২০১৮ দুপুর ১২:১০

আখেনাটেন বলেছেন: এটা একটা ট্রেন্ড হয়ে গেছে কিছু মানুষের কাছে। ভালো করে খোঁজ নিয়ে দেখবেন এরা সকলেই গোষ্টীসুদ্ধ অসৎ। কথিত দেশপ্রেম নামক ভণ্ডামীর মাধ্যমে সব কিছু জায়েজ করতে চায়। এদেরই এখন রামরাজত্ব।

আর মুক্তিযুদ্ধের ১৪ বছর পরে জন্মেও কেউ যদি মাতৃভূমির প্রতি বিতশ্রদ্ধ হয়ে অন্য দেশের প্রতি অানুগত্য প্রকাশ করে, মাতৃভূমির ক্ষতির চিন্তা করে, স্বাধীনতাকে ভুল হিসেবে বিবেচনা করে, তাকে আমি নিজেও ছোটা রাজাকার বলতে দ্বিধা করব না। কারণ আমি আমার নিজের কাছে পরিষ্কার কাকে কি বলছি।

দেশের উন্নতির জন্য আমাদের আগে মনে-প্রাণে বাংলাদেশী হওয়া প্রয়োজন। এখন যেটা দেখা যাচ্ছে আপনি দেশের জন্য কেঁদে আকুল কিন্তু নিজের ঝোলা অসৎভাবে হালুয়া-রুটি দিয়ে ভরছেন দেদারছে। আর মায়াকান্না করছেন দেশ নিয়ে। এই গোষ্ঠীটার সঙ্গে উঠবস করতে হচ্ছে এখন প্রতিনিয়তই।

২৫| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:১৬

মনিরুল ইসলাম বাবু বলেছেন: হৃদয়ছোঁয়া আবেগের দারুণ বহিঃপ্রকাশ ।

০১ লা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৩

আখেনাটেন বলেছেন: বাঙালীরা মনে হয় একটু বেশিই আবেগপ্রবণ জাতি কি বলেন? :)

ধন্যবাদ ব্লগার মনিরুল ইসলাম বাবু আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।

ভালো থাকুন।

২৬| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৮

কালীদাস বলেছেন: অনেক শক্ত হয়ে গেছি আগের চেয়ে, অনেক ক্ষেত্রেই আবেগশূণ্য হয়ে গেছি, এগুলোর বেশিরভাগেই খুব একটা রিয়্যাকশন হয় না। কিন্তু ফেরার সময় প্লেনের জানালায় ঢাকা শহরটা চোখের সামনে ভেসে উঠলেই চোখে পানি এসে পড়ে। শাহজালালে প্লেন ভালমত থামার আগেই সবাই দাঁড়িয়ে যায়, ফোন গুঁতান শুরু করে "মনু পেলেন নামছে", আমি তখন সাবধানে লুকিয়ে চোখ মুছি। এবং ভাবি একেবারে নামব কবে।

০১ লা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:১৩

আখেনাটেন বলেছেন: কিন্তু ফেরার সময় প্লেনের জানালায় ঢাকা শহরটা চোখের সামনে ভেসে উঠলেই চোখে পানি এসে পড়ে। -- এই আবেগটুকুই জাতির উপরে উঠার সিঁড়ি। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের এই যে কলূষিত রাজনীতির কালো থাবায় মাতৃভূমির প্রতি এই আবেগকে শক্তিতে রূপান্তর করে তরতরিয়ে উপরে উঠার পথটা প্রায় অবরূদ্ধ।

বিশেষ করে আমি শিক্ষার কথা বলছি। এই সেক্টরে পচন মানে জাতির আগপাশতলা পচন। এই জায়গাটাতে আমরা অাস্তাকুঁড়ে পতিত হয়েছি।

২৭| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৫৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: এরকম তো আমারও প্রায়ই হয়!!!!
হৃদয়ে যাদের বাংলাদেশ, তাদের তো এমনই হবার কথা!
পোস্টে ভাল লাগা + +

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩২

আখেনাটেন বলেছেন: দেশকে প্রকৃত ভালোবাসলে সকলের এরকমই হওয়ার কথা এবং তাদের দ্বারা কোনো প্রকার খারাপ কাজ হতে পারে না।

কিন্তু এখনকার চেতনার পীরেরা মুখে ভালোবাসার ফেনা তুলে ফেললেও কাজে নষ্টামির চুড়ান্ত। এইসব মুখোশধারীদের জন্যই দেশের উন্নতি বেগবান হচ্ছে না।

ভালো থাকুন নিরন্তর।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.