নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মনটা যদি তুষারের মতো...

আখেনাটেন

আমি আমাকে চিনব বলে বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছি একা একা, পাই নি একটুও কূল-কিনারা কিংবা তার কেশমাত্র দেখা। এভাবেই না চিনতে চিনতেই কি মহাকালের পথে আঁচড় কাটবে শেষ রেখা?

আখেনাটেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান: একটি মিষ্টি চুরি-চুরি গল্প ও কিছু কটূ কথা!!!!

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৬



আমার বন্ধু খলিল। বাড়ী পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে। ভীষণ ধর্মভীরু কিন্তু শুক্রবারের নামাজটা পড়তেও নাকি তার মারাত্মক অালসেমী লাগে। ;)

তার একটি গল্প আমার পাকিস্তানের সামাজিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা দিয়েছিল। সে যে গ্রাম থেকে এসেছে সে গ্রামে নাকি প্রায় হাজার পাঁচেক লোকের বাস। ছোটখাট শহর আর কি! পুরুষেরা বেশির ভাগই মিডলইষ্টের দেশগুলোতে কাজ করে। আর স্ত্রীরা দেশে বছর বছর কচি মুখের পয়দার মাধ্যমে জনসংখ্যার চক্রবৃদ্ধি উন্নয়নে উদার বিনিয়োগে রত। এই খলিলের মত কিছু সংখ্যাক মানুষ পড়াশুনাকে পূঁজি হিসেবে নিয়েছে।

খলিলরা একদিন সন্ধ্যারাতে ঘরে বসে তাস খেলছে। হঠাৎ বাইরে শোরগোল। খলিলরাও ঝাঁপ দিয়ে ঘরের বাইরে আসে। বেরিয়ে দেখে, কেউ রকেট লাঞ্চার, একে-৪৭, এম-১৬, গ্রেনেড নিয়ে কাউকে যেন ধাওয়া করেছে। আমি বিস্মিত হয়ে খলিলকে জিজ্ঞেস করলাম এই সব অত্যাধুনিক অস্ত্রপাতি তোমাদের কাছে থাকে। খলিল মুচকি হেসে উত্তর দিয়েছিল এগুলো প্রায় প্রত্যেক বাড়িতেই আছে। এর জন্য সরকারের কোন লাইসেন্স লাগে না। আমি ভীষণ অবাক হলাম। একটা সাধারন মফস্বলের লোকেদের হাতে সরকারী অনুমোদন ছাড়াই এইসব ভয়ঙ্কর অস্ত্রশস্ত্র। এ দেশ জঙ্গীর আঁতুড়ঘর হবে নাতো কি আমরা হব!!

যাহোক, খলিলকে আবার জিজ্ঞেস করলাম তা এই লোকগুলো হঠাৎ এগুলো নিয়ে কাকে ধরতে বের হয়েছে।

তার সহজ-সরল উত্তর ছিল এক ছিঁচকে চোর নাকি কার যেন শুকাতে দেওয়া কাপড় চুরি করতেছিল। সেটা এক মহিলা দেখতে পেয়েই চোর বলে চিৎকার করলে এইসব যুদ্ধাস্ত্রের দামামা।

এরপর খলিল থেকে আমি দশ হাত দূর দিয়ে চলাফেরা করেছি। আমার বুকের ছাতি কসাই মোদীর মতো ৫৬ ইঞ্চি চওড়া নয়। চোর ধরতে রকেট লাঞ্চার!! মাফ চাই! :((

স্বাধীনতা! আহ, স্বাধীনতা! এর স্বাদ যে বড়ই মধুর! আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধের অনেক পরের প্রজন্ম তারা কিন্তু এই মধুরতম ব্যাপারটাকে খুব একটা উপলব্ধি করতে পারি না। যদি না আমার ভেতর থেকে এর জন্য তাড়না আসে; যদি না নিজেকে বোঝাতে পারি এর গুরুত্ব; যদি না সে কঠিনতম সময়টাকে বুঝতে চাই; তা নাহলে এই যুদ্ধটাকে স্রেফ আর দশটা বৈশ্বিক যুদ্ধের মতই মনে হবে। যার এক পক্ষ আমার জন্মভূমি; আরেকপক্ষ পাকিস্তান।

আজ একমাত্র সামরিক দিক ছাড়া বাংলাদেশ পাকিস্থানের চেয়ে সকল ক্ষেত্রে ভালো অবস্থানে আছে। কী অর্থনৈতিক কী সামাজিক! কী স্ট্রাটেজিক কী ডিপ্লোম্যাটিক! সকল সূচকে পাকিদের চেয়ে এই গরীব দেশটুকু এগিয়ে থাকা কম বিস্ময়ের নয়; কেন বিস্ময় বলছি তা একটু খোলাসা করা দরকার?

আয়তনে, সম্পদে, ভূ-কৌশলগত অবস্থানে, বৈশ্বিক পরিচিতিতে পাকিস্তান বাংলাদেশ থেকে অনেক অনেক এগিয়ে; তাহলে এমন কি বিষয় পাকিদের সাথে জড়িত হয়ে পড়ল যা তাদের এত নিরাপদ অবস্থানে থেকেও আজ বাংলাদেশ থেকে পিছিয়ে পড়তে হচ্ছে।

উত্তর একটাই হতে পারে, ‘নিমকহারামী’। ভাষাটা বেশ রূঢ় কিংবা আংশিক অশ্লীল শুনালেও এটাই পাকিদের পতনের নিয়ামক।

আপনি যখন আপনার কাছের জনের সাথে প্রতারণা করবেন; আপনি যখন আপনার নিজের লোকেদের অধঃস্তন করে রাখার চেষ্টায় রত হবেন; আপনি যখন আপনার আমিত্বে গরিয়ান হয়ে অন্যকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন; তখন মনে রাখবেন আপনার পতনের বেশি দেরী নেই; তা সে ব্যক্তির ক্ষেত্রে হোক কিংবা দলের ক্ষেত্রেই হোক কিংবা জাতির ক্ষেতেই হোক অথবা দেশের ক্ষেত্রেই হোক। পাকিরা এখনো এই দোষে চরমভাবে দুষ্ট। তাই তাদের আরো পতনের রাস্তা সামনে এখনো উন্মুক্ত অবস্থায় রয়েছে।

আমাদের ক্ষমতাসীনরা কি উপরের লাইন কয়টি উপলব্ধি করার অবস্থায় আছে??? :( :(

ছবি: বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ , জাতীয় স্মৃতিসৌধে তোলা।

মন্তব্য ৫৪ টি রেটিং +১৬/-০

মন্তব্য (৫৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৭

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন: কিউট আম্মুর জন্য দোয়া রইল।।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৮

আখেনাটেন বলেছেন: প্রত্যাশা করি এই আম্মুরাই একদিন একটি উন্নত জাতির কান্ডারী হবে।

২| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৮

রাজীব নুর বলেছেন:

আপনার এই কথার সাথে আমি একমত না।
তাদের পতন হয় না। বরং দিন দিন তাদের আরও উন্নতি হয়।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৯

আখেনাটেন বলেছেন: আপনার এই কথার সাথে আমি একমত না।
তাদের পতন হয় না। বরং দিন দিন তাদের আরও উন্নতি হয়।
---পাকিদের এই বেহাল অবস্থা দেখেও কি আপনার তাই মনে হচ্ছে।

অবশ্য এখনকার বাংলাদেশকে লক্ষ করে এ কথা বললে ঠিক আছে। তবে সুনামী বলে কয়ে আসে না।

৩| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


পাকিস্তানের সাধরণ মানুষের কষ্টের সীমা নেই; তবে, তারা সেটাকেই জীবন মনে করে।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:০০

আখেনাটেন বলেছেন: পাকিস্তানের সাধরণ মানুষের কষ্টের সীমা নেই; তবে, তারা সেটাকেই জীবন মনে করে।-- হুম; সামন্তবাদী প্রভুরা সাধারণ মানুষদের মধ্যে অনেককে জঙ্গিত্বে ঠেলে দিয়েছে; অনেককে মূর্খ করে রেখে উপরে উঠার সিঁড়ি বন্ধ করে দিয়েছে।

এছাড়া নানামূখী তৎপরতায় দেশটির কুলাঙ্গার সেনাবাহিনী নিজ দেশের ভাবমূর্তিকে বহির্বিশ্বে চুনকালি লেপে দিয়েছে। এত প্রতিকূলতা স্বত্ত্বেও কিছু সেইন মানুষ রয়েছে বলেই হয়তবা দেশটি এখনও টিকে আছে। ডন'র মতো উপমহাদেশের সবচাইতে উৎকৃষ্ট মানের পত্রিকার প্রকাশ হচ্ছে আবার এখানেই। যারা এই সব ভণ্ডামীর ব্যাপারে সোচ্চার।

জিও টিভি এ নিয়ে বেগড়বাই করত। কয়দিন আগে কূটচালে সেটিও বন্ধ করে দিয়েছে।

৪| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৪

প্রান্তর পাতা বলেছেন: হুম, পড়লাম। এই মিয়ানমারও খেসারত দিবে।
অফটপিক: আমি দুটি গল্প লিখেছি, পড়ে মতামত জানালে খুশি হতাম।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:০২

আখেনাটেন বলেছেন: সবাইকে তাদের নিজ নিজ পাপের প্রায়চিত্ত করতে হবে।


*সময় করে দেখে নিব।

৫| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৫

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন: ঘটনার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন আছে :(



তলাহীন ঝুড়ি পাওয়ার পরও রিজার্ভে আমরা ২য়(দক্ষিণ এশিয়ায়) পাকিরা আমাদের ধারে কাছেও নাই।:)

সাধারন লোকেদের হাতে অনুমোদন ছাড়া অস্ত্র থাকা দেশ ও মানবতার জন্য হুমকিস্বরুপ। পাকিরা অমানুষই রয়ে গেল।। X(

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:১৪

আখেনাটেন বলেছেন: *আমার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন নেই। হয়ত কিছু অতিরঞ্জন থাকতে পারে, নাও পারে। কারণ পাকিদের কোনো কিছুতেই বিশ্বাস নেই। আর তার বলার ধরণে মনে হয় নি সে বাড়িয়ে বলেছে। হয়তবা এর অন্য কোনো ব্যাখ্যাও থাকতে পারে। তবে তাদের হাতে যে ঐ সব ধরণের অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে এতে আপনি শতভাগ নিশ্চিত থাকতে পারেন।

*অর্থনীতির চেয়ে সামাজিক স্তরে আমাদের অগ্রগতি অনেক বেশি। এ নিয়ে তাদের ইন্টেলেকচুয়াল সোসাইটিতে হা পিত্যেশ চলে।

*অাফগান যুদ্ধের সময় এই এলাকাগুলোতে অস্ত্রের সরবরাহ মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়। এখানে মার্কিন ফাঁদে পা দেয় পাকিস্তান সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নকে শিক্ষা দিতে। যার কুফল এখন পাকিস্তান হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে।

৬| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫০

সৈয়দ তাজুল বলেছেন: পাকিস্তানিরা তাদের শাসক ও সেনা দ্বারা নির্যাতিত। এটা পাকিস্তান সৃষ্টর পর থেকেই...

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:১৮

আখেনাটেন বলেছেন: পাকিস্তানিরা তাদের শাসক ও সেনা দ্বারা নির্যাতিত। এটা পাকিস্তান সৃষ্টর পর থেকেই... -- সহমত। সেখানে একটা এলিট শ্রেণি আগে থেকেই দেশের দণ্ডমুণ্ডের কর্তা ছিল। এরা সেনাদের সাথে নিয়ে একটি ভিসিয়াস সার্কেল তৈরি করেছে। এর কুফল হাজার হাজার মানুষের প্রাণের বিনিময়ে তাদের শোধ হচ্ছে।

৭| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: পতনের আগে কারোই হুশ হয়না
আর যখন হুশ হয় তখন সময় থাকে না-
আর পতন শুধু ব্যক্তিক বা দলীয় ক্ষতিই করেনা- জাতিকে পিছিয়ে দেয় - -যুগ যুগ

চোর ধরতে রকেট লাঞ্চার!!!! ইট্টু বেশি চাপা মারছে মনে হয় :P =p~

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:২৪

আখেনাটেন বলেছেন: পতনের আগে কারোই হুশ হয়না
আর যখন হুশ হয় তখন সময় থাকে না-
আর পতন শুধু ব্যক্তিক বা দলীয় ক্ষতিই করেনা- জাতিকে পিছিয়ে দেয় - -যুগ যুগ
-- এটি তথাকথিত দেশপ্রেমিক ধ্বজ্জাধারীদের কর্ণগুহরে যদি প্রবেশ করত। তাহলে দেশ আজ সিঙ্গাপুর না হোক; থাইল্যান্ডতো হতে পারত।

চোর ধরতে রকেট লাঞ্চার!!!! ইট্টু বেশি চাপা মারছে মনে হয় -- হয়ত অতিরঞ্জন হয়ত নয়; কারণ এই সকল জায়গাতে সে সময় তালেবানসহ নানারকম জঙ্গি গোষ্টী বিভিন্ন দলে বিভক্ত। এরা একে অপরের সাথেও কোন্দলে জড়িত। আবার বিভিন্ন উপজাতির মাঝেও নানারকম কোন্দল বিরাজমান থাকে এসব এলাকায়। সাথে এই সকল সহজলভ্য অস্ত্র থাকলে শোডাউন দিতে ভয় কী? :P

৮| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৩

সুমন কর বলেছেন: জ্বী না, তারা উপলব্ধি করবে না !!

ভালো লিখেছেন। +।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:২৭

আখেনাটেন বলেছেন: জ্বী না, তারা উপলব্ধি করবে না !! -- কেউই মনে হয় করে না। কিন্তু পাপ নাকি বাপকেও ছাড়ে না। তাই সময় থাকতে সাধন না করলে পরিণতির জন্যও তখন প্রস্তুত থাকতে হবে।

৯| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৫

ক্স বলেছেন: ঘটনা সত্য হলে পড়তে ভালোই লাগত। পাকি বিদ্বেষ ছড়াতে চাপা একটু বেশিই ছাড়া হয়ে গেল। কেবল সামরিক নয়, আন্তর্জাতিক কূটনীতি এবং বিদেশী রাষ্ট্রে প্রভাব বিস্তারেও পাকিরা আমাদের চেয়ে বহুগুণে এগিয়ে। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ৬ জন পুরুষ ও ৬ জন নারী - মোট ১২ জন পাকিস্তানি বংশদ্ভুত। যেখানে আমরা বারবার তিন কন্যা নিয়েই গর্বিত হই।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:৪৯

আখেনাটেন বলেছেন: ঘটনা সত্য হলে পড়তে ভালোই লাগত। --আপনার কেন মনে হল ঘটনা সত্য নয়? তারমানে বলতে চাচ্ছেন তাদের হাতে এই সকল অস্ত্র নেই। অথবা থাকলেও তারা এই সব বেততমিজ কাজ করতে পারে না। তাহলে বলতে হয় আপনি এখনও গুহাবাসী। পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ নিয়ে আপনার কোনো ধারণাই নেই। কিংবা গোটা পাকিস্তান নিয়েই নেই। শুধু খলিল একাই না; আরো অনেক পাকিস্তানি বন্ধু আছে আমার। সবাই এই অার্মসের লাগামহীন ব্যবহার নিয়ে শংকিত ছিল। ২০১১ সালের কথা বলছি। এটা পড়েন; দুই চারটা অর্ডারও দিতে পারেন এ দেশি ভাই বেরাদরদের জন্য। :P

কেবল সামরিক নয়, আন্তর্জাতিক কূটনীতি এবং বিদেশী রাষ্ট্রে প্রভাব বিস্তারেও পাকিরা আমাদের চেয়ে বহুগুণে এগিয়ে। -- অান্তর্জাতিক রাজনীতি নিয়ে আর একটু স্টাডি করতে হবে। তাহলেই নিজের ভুলটুকু আশা করি ভেঙে যাবে। মধ্যপ্রাচ্যের শেখেরা দাবড়ানির উপর রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম বাবাজি পেদানি দিচ্ছে। পশ্চিমারাও নানারকম হুমকি দিয়ে রাখছে টেররিস্ট স্টেইট বিবেচনা করা নিয়ে।

১০| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার এই বন্ধু নেশা টেশা করে নাকি? না, মানে শুনেছি গাজার নৌকা নাকি পানিতে না, হাওয়ায় ভাসে!! :P
চাপা টাপা যাই মারুক, আপনার লেখা পড়তে বরাবরই ভালো লাগে।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:৫৮

আখেনাটেন বলেছেন: হা হা হা; না না; খলিল অতি ভ্দ্র ছেলে। প্রথম লাইনেই তো বলেছি ধর্মভীরু কিন্তু নামাজী না।

পাকিস্তানের ঐ প্রদেশে অস্ত্রের কারবারী একটি স্বাভাবিক ঘটনা। বিভিন্ন উপজাতি গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব; তালেবান মিলিশিয়াসহ নানারকম জঙ্গি গোষ্ঠির তৎপরতা; সরকারী বাহিনীর হামলা প্রতিউত্তর ইত্যাদি কারণে তাদের যুদ্ধ-বিগ্রহ একটি কালচারে পরিণত হয়েছে। হয়ত আমাদের কাছে এটি নিছক অাজগবি গল্প মনে হলেও ওদের কাছে খলিলের বর্ণনা অনুসারে পানিভাতের মতোই তরল ও সহজপাচ্য। =p~ :P

১১| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫০

সোহানী বলেছেন: কসাই মোদী আর চোর ধরতে রকেট লাঞ্চার ..................... হাহাহাহাহা সুপার লাইক!

দেশের ভবিষ্যত পুঁচকাটাকে অনেক আদর....................

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১২:০৩

আখেনাটেন বলেছেন: আমার খলিলকে বলার দরকার ছিল 'চোর ধরতে তারা কেন এফ-১৬ যুদ্ধবিমান' ব্যবহার করল না। ঘুষ সাধলেই পাকি সেনাবাহিনী সরবরাহ করত। এরা নাকি এ ব্যাপারে কামেল বাহিনী। :P

দেশের ভবিষ্যত পুঁচকাটাকে অনেক আদর.. -- পিক্সিটাকে আমার পক্ষ থেকেও অনেক অনেক অাদর ও ভালোবাসা। :D

১২| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:২৯

সোহাগ তানভীর সাকিব বলেছেন: হুম, ভালো লেগেছে।

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১২:০৫

আখেনাটেন বলেছেন: কোনটা ভালো লেগেছে একে-৪৭, নাকি রকেট লাঞ্চার। :P

১৩| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৩৯

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: সহমত। পাকিরা এখনো বেশীরভাগ হিংসা আর জাত্যাভিমান নিয়ে পড়ে আছে। শিয়া, সুন্নী, তালেবান সমস্যার সমাধান করছে না। একটা অকার্যকর রাষ্ট্র...

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১২:১৪

আখেনাটেন বলেছেন: পাকিরা এখনো বেশীরভাগ হিংসা আর জাত্যাভিমান নিয়ে পড়ে আছে। শিয়া, সুন্নী, তালেবান সমস্যার সমাধান করছে না। একটা অকার্যকর রাষ্ট্র... -- হুম; এরা আসলে কি চায় নিজেরাও জানে না। সামান্য টাকার জন্য সোভিয়েতকে খেদাতে গিয়ে মার্কিন ফাঁদে পা দেয়। আর জঙ্গির কারখানা খুলে বসে।

পাকি সেনাবাহিনী হচ্ছে চরম করাপ্টেড একটি বাহিনী। এদের জন্যই তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে পতিত হচ্ছে। অথচ অর্থনৈতিক জৌলুসের জন্য ৬০-৭০'এর দশকে করাচীকে রীতিমত ঈর্ষা করত এশিয়ার বেশির ভাগ শহর। মাথাপিছু আয়, জীবনযাত্রার মান সবকিছুতে আমাদের উপমহাদেশে তাদের ধারে কাছেও কেউ ছিল না। কয়েক দশকের ব্যবধানে এখন আস্তাকূঁড়ে পতিত হয়েছে। শুধু ভ্রান্ত নীতির কারণে। আমাদেরকেও তাদের অপতৎপরতার আওতা থেকে বাদ রাখে নি।

১৪| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:২৯

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: যারা ক্ষমতায় থাকে তারা কি এত কিছু বুঝতে চাই।
লেখায় +++

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:২৮

আখেনাটেন বলেছেন: যারা ক্ষমতায় থাকে তারা কি এত কিছু বুঝতে চাই। -- আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের অসৎ রাজনীতিবিদরা বুঝতে চায় না। ফলেই এদের শেষ পরিণতিটাও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হয় অমানবিক। এখানে ক্ষমতা একবার পেলে এরা অন্নদাতার অাসনে নিজেদের দেখে, আর জনগণকে ভাবে তাদের কেনা গোলাম। ফলটাও হাতে-নাতে পায়...। গতকাল যে ছিল, সে আজ এর ফল ভোগ করছে। আজ যে আছে, আগামীকাল সেও...।

১৫| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:০১

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
একদিন ওরা যে রক্তের বন্যা বইয়ে দিয়েছিল এই বাংলার বুকে তার শাস্তিতো তারা পাবেই।

এখন নিজেরাই নিজেদের রক্ত দিয়ে হোলি খেলা খেলে।

আমরা এগিয়ে যাবো উন্নতীর দিকে ওরা হা করে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখুক।

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:৩৪

আখেনাটেন বলেছেন: একদিন ওরা যে রক্তের বন্যা বইয়ে দিয়েছিল এই বাংলার বুকে তার শাস্তিতো তারা পাবেই। -- এর থেকে এখনও শিক্ষা তারা নেয় নি। ফলে এত সম্ভাবনাময় দেশ হওয়া স্বত্তেও এখন বিশ্বে ধিকৃত। সাধারণ মানুষেরা ভোগ করছে সীমাহীন জুলুম।

আমরা এগিয়ে যাবো উন্নতীর দিকে ওরা হা করে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখুক। --- ওরা আমাদের এই অগ্রগতিকে রীতিমত ঈর্ষা করে। কেউ ওখানে বন্ধুবান্ধব থাকলে জিজ্ঞেস করেন জানতে পারবেন। কীভাবে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হয় এখনও বোধোদয় না হলে অচিরেই আমরা একটি জাতির ডায়নোসরের মতো বিলুপ্ত হওয়া দেখব মনে হয়। :D

*আর আমাদের ক্ষেত্রে বলতে হয় অামরা উন্নতি করছি ঠিকই তবে তা কতটা সাসটেইনেবল (টেকসই) তা কিন্তু জাতির ভাবা দরকার। কিছু কুলাঙ্গার রাজনীতিবিদ-ব্যবসায়ী ও অসৎ আমলার কাছে দেশের কলকব্জা চলে যাওয়ায় আমাদের সামনেও বিপদের হাতছানি রয়েছে। এরাই আবার গলার রগ ফুলিয়ে নিজেদের 'দেশপ্রেমিক' বলে ঘোষণা দিচ্ছে। ভয়ঙ্কর ব্যাপার-স্যাপার।

১৬| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:০৪

আরইউ বলেছেন: ছোট একটা দেশ, এত মানুষ তবু বাংলাদেশের মানুষ *কিস্তানের চেয়ে অনেক ভালো আছে। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো যদি আরেকটু যত্নবান হতো!

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:৪৬

আখেনাটেন বলেছেন: ছোট একটা দেশ, এত মানুষ তবু বাংলাদেশের মানুষ *কিস্তানের চেয়ে অনেক ভালো আছে। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো যদি আরেকটু যত্নবান হতো! -- হুম; ভালো বলেছেন।

ওদের চেয়ে ভালো আছি কারণ ওরা অতীত থেকে শিক্ষা নিচ্ছে না।

ঠিক একইভাবে আমাদের তথাকথিত মহান দেশপ্রেমিক নেতারাও অতীত থেকে শিক্ষা নিচ্ছে না। এই শিক্ষাটা যদি নিত তবে দেশ থেকে সাগর কিংবা অাকাশ পাড়ি দিয়ে হাজারো জনতাকে কামলা দিতে ভীনদেশে পাড়ি দিতে হয় না।

আজকে দেশের দুটি প্রধান খাত ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর ও শিক্ষাখাত মূমুর্ষূ অবস্থায় রয়েছে। অক্সিজেন দিয়ে দম ধরে রাখা হয়েছে। কবে কবর জিয়ারত করতে হয় আল্লাহ মালুম!

এগুলো দেশের টেকসই ভবিষ্যৎ নিয়ে অশনিসংকেত দেয়। উন্নয়নের নন-সাসটেইনেবল ঢোল পিটিয়ে ফাটিয়ে ফেলছি। ফাটা ঢোলের ভিতরে মহাশুন্য। এসব বলার লোকও কমে গেছে সমাজে। সুবিধাবাদী কিংবা চাটুকার বুদ্ধিজীবীরা মুখে ফিডার লাগিয়ে স্টার জলসা বা স্টার প্লাস দেখছে।

১৭| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:০৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ইতিহাসের সবচাইতে বড় শিক্ষা হচ্ছে-
কেউ ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না :(

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:১৮

আখেনাটেন বলেছেন: এই শিক্ষা না নেওয়ার কালচারটা মনে হয় আমাদের জিনের সাথে গ্রোথিত হয়ে গেছে।

ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে পারলে নিজেদেরকে অধিশ্বর ভাবা শুরু করি। আর জনগণেরা হচ্ছে সেবাদাস। যেমনে ইচ্ছে তেমনি চালাও। কিন্তু একবারও ভেবে দেখে না এই জনগণেরাই ইনাদের শেষতক পেদানিটা দেয়। তখন আর মুখে রা থাকে না।

১৮| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:২২

পলাশবাবা বলেছেন: কিন্তু এই অকার্যকর রাষ্ট্রে একজন বিচারপতির এত ক্ষমতা কিভাবে আসে যে তিনি রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রীকে সমন পাঠানোর সাহস রাখেন। সেই সমন শুধু সমন না। সেই সমনের ঠেলায় প্রধানমন্ত্রী আদালত পর্যন্ত যান .। প্রধানমন্ত্রী আবার চাকরিও যায় ।

কিভাবে সম্ভব ?

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:৩৭

আখেনাটেন বলেছেন: খুব ভালো একটি পয়েন্ট তুলে ধরেছেন। এই জিনিসটা লেখার সময় খেয়াল ছিল না।

হ্যাঁ; এটা বলতে দ্বিধা নেই যে বাংলাদেশ ও ভারতের বিচার ব্যবস্থা থেকে পাকিস্তানের বিচারব্যবস্থা অনেকাংশে বেটার। বাংলাদেশ বা ভারতে এ জিনিস কল্পনায় করা যায় না। যা ওরা করে দেখিয়েছে। এর আগেও ওদের বিচার বিভাগের কিছু যুগান্তকারী রায় অসৎ রাজনীতিকদের বিপক্ষে গেছে। কিছুদিন আগে এক ধর্ষনের রায়ও দ্রুততম সময়ে দেওয়া হয়েছে। এই সবকিছুর পরেও অনেক লুপহোলও রয়েছে। যেমন জঙ্গিদের জামিনের ব্যাপারে বা অারো কিছু বিষয়ে। তারপরেও বলতে হয় তাদের বিচার ব্যবস্থা থেকে আমাদের শেখার আছে।

এই কথায় মনে হয় আমাদের সাবেক প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন উনার কোনো বক্তৃতায়। যার ফল...। সামান্য মতবিরোধ হওয়াতে মাননীয়কে দেশছাড়া করে ছাড়ল।

১৯| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৪

অনন্য দায়িত্বশীল আমি বলেছেন: একদম ঠিক বলেছেন।

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৩

আখেনাটেন বলেছেন: নৈতিকতা ও মূল্যবোধ একটা বড় বিষয়; এগুলো পরিবার থেকে ধীরে ধীরে ইনস্টল হয় শিশুর মস্তিষ্কে। এই শিশুরা বড় হলে পরিবারের এই শিক্ষা ও রুচি সবসময়ের জন্যই মেনে চলার চেষ্টা করে। হয়ত পরিবেশগত কারণে কিছুটা হেরফের হতে পারে, তবে একেবারে দূরীভূত হয়ে যায় না।

আমাদের বর্তমান সামাজিক কাঠামোতে এই 'নৈতিকত ও মূল্যবোধ' বোধ করি সবচাইতে অবহেলিত বিষয়। কিন্তু চুড়ান্ত বিচারে এটিই সবচেয়ে অগ্রগামী হওয়া দরকার ছিল। একজন মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ রাষ্ট্রের কিংবা সমাজের ক্ষতি করার আগে দশবার ভাববে এবং বিবেকের কাছে বাধা পেয়ে সেই অপরাধ না করার সম্ভাবনাই বেশি।

তাই একজন ঘুষখোর কিংবা অসৎ পিতার সন্তান যত সহজে অসৎ হয়, তত সহজে সাধারণ বিবেকবান পিতার সন্তান হতে পারে না। হলেও নানা পারিপার্শ্বিক কারণ নিহিত থাকে।

আমাদের সমাজের প্রতিটি স্তরে এখন গণ্ডগোল। পাকিদের এই ব্যর্থতার সাজা ভোগ করতে হচ্ছে। আমাদের কবে শুরু হবে আল্লাহ মালুম!

২০| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ফ্যারাও ভাই,আপনার গল্পটি পড়লাম।ভাল লিখেছেন,তবে মনটা কেমন হয়ে গেল।যাই হোক সবার কল্যাণ আমার কামনা।
পরের অংশটি এতিহাসিক দৃষ্টিতে দেখলে,পৃথিবীর সব দেশে এ চিত্র বিদ্যমান। দুশো বছরধরে উপমহাদেশের উপর বৃটিশের অত্যাচার যেমন ভোলার নয়,তেমনি পাকুদের বর্বরোচিত কাজও ভোলার নয়।স্বাধীনতার পর শোষক ও শোষিতের সম্পর্ক সাপে নেউলে হলেও উভয়ের উন্নয়নের প্যারামিটার ধরে রাখার প্রচেষ্টা থাকাটা দরকার।যেকারনে ব্রিটেন আজও উন্নত বিশ্বের মধ্যে পড়লেও পাকুরা সেই তিমিরেই পড়ে আছে।আমি আপনি হয়তো ওদের এই অবস্থার জন্য খুশি,কিন্তু ওদের অবনতির পিছনে ওরাই দায়ী।



ধন্যবাদ, নিরন্তর শুভ কামনা।

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৫

আখেনাটেন বলেছেন: আমি আপনি হয়তো ওদের এই অবস্থার জন্য খুশি -- না; সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা নিয়ে সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষেরা খুশি হতে পারে না। সেটা যে দেশেই হোক; যে সমাজেই হোক। এখানে তাদের কর্মফলের জন্য দোষারোপ করা হচ্ছে, ঠিক যেমনটা আমাদের বর্তমান ভ্রান্ত নীতির জন্যও।

সময়ে সময়ে এই অসুস্থ নীতিগুলোই তাদের সাজার কারণ হয়ে উঠে। সাধারণ মানুষের কষ্টে সেটা পাকিস্তানেই হোক কিংবা ভারত-বাংলাদেশেই হোক; মুসলিমই হোক কিংবা হিন্দুই হোক; বিবেকবান মানুষের মনোবেদনার অবশ্যই কারণ হওয়া উচিত। এবং খুঁজে দেখা দরকার এর পেছনের কারনগুলো।

এই আপনাদের ওদেশে কাঠুয়াতে কিংবা উন্নাতে যে বাচ্চামেয়েগুলোর নির্মম মৃত্যু ঘটল। এতে বিবেকবান মানুষেরা হিন্দু-মুসলিম না দেখে অবশ্যই ঘৃণা প্রকাশ করেছে ঘৃণ্য অপরাধীর উদ্দেশ্যে। আর কিছু ক্ষমতাসীন কুলাঙ্গার কীভাবে ক্ষমতার সর্বোচ্চ শিখরে থেকেও এই জঘন্য অপরাধকে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন করতে চাচ্ছে। এরা আবার নিজেদের ধর্মের মহান সেবক। যুগে যুগে দেশে দেশে এই সব কুলাঙ্গারদের জন্যই যত অশান্তি সমাজে।

২১| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৩৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: পাকিস্তানীদের মধ্যে পাঞ্জাবীরা খুবই খারাপ, পাঠানরা ভাল। তবে ওদের বেশীরভাগ জনগোষ্ঠী শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত। কেবলমাত্র শিক্ষা বিস্তারের মাধ্যমেই সামাজিক পরিবর্তন আনা যেতে পারে। তাছাড়া ওদের আম জনতার মধ্যে ধর্মীয় গোড়ামীও খুব বেশী। এটাও শিক্ষার অভাবের কারণেই।

১৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১২:৪৫

আখেনাটেন বলেছেন: পাঞ্জাবীরা ধূর্ত ও ডমিনেটিং স্বভাবের। পাকিস্তানের সকল সমস্যার মূল এরা।

রূক্ষ ও বৈরি পরিবেশে বেড়ে উঠায় পাঠানরা যুদ্ধবাজ সেই আদিকাল থেকেই, হয়তবা পরিবেশগত কারণও এতে কিছুটা নিহিত।

কেবলমাত্র শিক্ষা বিস্তারের মাধ্যমেই সামাজিক পরিবর্তন আনা যেতে পারে। --সহমত। কিন্তু এই শিক্ষাকে প্রতিপক্ষ ভাবে তালেবান। মালালার করুন পরিণতি এর ফসল।

যুক্তরাষ্ট্রকে পরিপূর্ণভাবে ঐ ধূর্ত পাঞ্জাবীরা যেদিন ওদের মাটি থেকে চির বিদায় ঘোষণা দিবে সেদিন থেকে ওদের আসল পরিবর্তন সূচিত হবে। কিন্তু এটা ঘটবে না কারণ ঐ পাঞ্জাবী স্টাব্লিশমেন্ট।

২২| ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:৫৪

গড়ল বলেছেন: পাকিস্তানে বা পাকিস্তানিদের সকল সমস্যার একটাই সহজ সরল সমাধান, সমস্যাটা যে কারণে বা যে মাত্রারই হোক না কেন। আর তা হল অস্ত্র ব্যাবহার করা, যার কাছে যে অস্ত্রই থাকুক তাই দিয়েই সমাধানের চেষ্টা করা।

২০ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১২:২৭

আখেনাটেন বলেছেন: অস্ত্র দিয়ে এ যুগে সমাধান হওয়ার কথা না। সবপক্ষমিলে আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান নিহিত।

তবে তা হবে না। কারণ অস্ত্র বাণিজ্য বিশ্বে একটি ট্রিলিয়ন ডলার ব্যবসা। আলোচনায় সমাধান হলে তো সেই বাণিজ্যে ভাটা। তাই যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা সব জায়গাতে চলতেই থাকবে।

২৩| ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:১৬

শামচুল হক বলেছেন: পুরোটাই পড়লাম। পাকিস্থানী পাঞ্জাবী আর পাঠান সম্পর্কে ভালো ধারনা হলো। ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য।

২০ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১২:৩১

আখেনাটেন বলেছেন: নানাকিসিমের মানুষ সেখানে নানা গোত্রে বিভক্ত। সবগুলোকে পাঞ্জাবীরা ডমিনেইট করছে। ফলে পাঞ্জাবীবের রমরমা চললেও অন্যরা খুব সুখে নেই। যেমনটা একাত্তরের আগে বাংলাদেশ ছিল না।

২৪| ২১ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৪৪

হাইড্রোক্লোরাইড এসিড বলেছেন: দারুণ লিখেছেন। নাপাক চিরকাল নাপাক। রাজনীতিক, সামাজিক মনস্তাত্ত্বিক দিক গোঁড়ামি তে ভরপুর থাকলে সে দেশ কিছুই করতে পারবে না। গর্ব করে 'জয় বাংলা ' বলতে পারি। অত্যন্ত মসজিদে নামায আদায়ের সময় 'নারায়েতকবির' বলে বোমা হামলার ভয় থাকে না আমাদের দেশে। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে নাপাকিস্তানের কিছু ভূত বাংলাদেশে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৩

আখেনাটেন বলেছেন: রাজনীতিক, সামাজিক মনস্তাত্ত্বিক দিক গোঁড়ামি তে ভরপুর থাকলে সে দেশ কিছুই করতে পারবে না। --আমরাও অনেক এগিয়ে নেই। অনেক কিছুর সংস্কার জরূরী হয়ে পড়েছে।

যতদিন না শিক্ষায় বিনিয়োগ ব্যাপকভাবে হচ্ছে ততদিন সমাজের অসঙ্গতিগুলোও দূর করা অসম্ভব। বর্তমান ক্ষমতাসীনেরা তো আবার শিক্ষার বারোটা বাজিয়ে লুঙ্গি ড্যান্স দেওয়া শুরু করেছে।

২৫| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৩

সাহসী সন্তান বলেছেন: আপনার বন্ধু খলিলের সাথে পরিচয় করাইয়া দেওয়ায় ধইন্ন্যা! আমরাও চেষ্টা করবো তাদের ছাড়া ১০০ হাত দূরে থাকতে! আমাদের দেশের ট্রাকের থেকেও যে তারা ভয়ঙ্কর, সেটা অনুভব করার চেষ্টা করছি... ;)

কিন্তু কথা সেটা না। পাকিস্থানের খলিল বাংলাদেশী আখেনাটেনের বন্ধু হইল ক্যামনে জাতি জানতে চায়?

পোস্ট ভাল্লাগছে! প্লাস নেন!

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৩

আখেনাটেন বলেছেন: আমাদের দেশের ট্রাকের থেকেও যে তারা ভয়ঙ্কর, সেটা অনুভব করার চেষ্টা করছি... -- চেষ্টা করা ভালো। দেশে তো আবার বেশির ভাগই অপচেষ্টায় নিয়োজিত। :(

পাকিস্থানের খলিল বাংলাদেশী আখেনাটেনের বন্ধু হইল ক্যামনে জাতি জানতে চায়? -- জাতি মনে কয় পোস্ট ভালোভাবে খেয়াল করে নি। জাতির জন্য সেখানে একটু ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল 'এই খলিলের মত কিছু সংখ্যাক মানুষ পড়াশুনাকে পূঁজি হিসেবে নিয়েছে।'

এই পড়াশুনার খাতিরেই বৈদেশের ইউনিতে পাকিস্তানি খলিল, শামশেদ কিংবা ভারতীয় সোলাংকি, সত্য, মোদিভক্ত অনিকেতসহ উপমহাদেশের অনেকের সাথে পরিচয়।

২৬| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:১৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: গল্পটা মিষ্টি চুরি-চুরি গল্প কীভাবে হলো বুঝলাম না। আপনি সম্ভবত Federally Administered Tribal Areas-এর কথা বলছেন। ওখানে এটা বৈধ। তবে সারা দেশে না।

বক্তব্যের সাথে একমত।

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:০১

আখেনাটেন বলেছেন: গল্পটা মিষ্টি চুরি-চুরি গল্প কীভাবে হলো বুঝলাম না। -- এটি একটি PUN ছিল। :)

আপনি সম্ভবত Federally Administered Tribal Areas-এর কথা বলছেন। ওখানে এটা বৈধ। তবে সারা দেশে না। -- এখন উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ ও Federally Administered Tribal Areas খাইবার পাখতুনওয়ালা নামে পরিচিত। আর আর্মস সারাদেশেই বৈধভাবে ব্যবহার করতে পারে। তবে শুধু খাইবার পাখতুনওয়ালাতে হেভী অার্মস (যেগুলো আমার লেখায় এসেছে) বৈধ ব্যবহারের অনুমতি আছে।

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এই সব আর্মস রাখার জন্য তারা বৈধ- অবৈধ নিয়ে মাথা ঘামায় না। পাকিস্তান অবৈধ আর্মস তৈরিতে ও ব্যবহারে বিশ্বে উপরের সারিতে রয়েছে।

২৭| ২৬ শে এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৭

প্রান্তর পাতা বলেছেন: একটা গল্প লিখেছি, আপনার মতামত একান্ত কাম্য
শহুরে গাছ

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:০২

আখেনাটেন বলেছেন: ভ্রমণ করে এসেছি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.