নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মনটা যদি তুষারের মতো...

আখেনাটেন

আমি আমাকে চিনব বলে বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছি একা একা, পাই নি একটুও কূল-কিনারা কিংবা তার কেশমাত্র দেখা। এভাবেই না চিনতে চিনতেই কি মহাকালের পথে আঁচড় কাটবে শেষ রেখা?

আখেনাটেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণকাজে ভারতঃ বিপর্যয় ঘটলে দায় কার?

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৩


রূপপুর নির্মাণকাজেও যুক্ত হচ্ছে ভারত! -প্রথম অালো

শ্বেতহস্তীর বৃহদাকার স্ট্যাচু নির্মাণে নিয়োগ করা হচ্ছে পাড়ার ইটগাঁথা রাজমিস্ত্রীদের। স্ট্যাচু ভেঙে গেলে দায় কার? ধ্বংসের লেলিহান শিখা জনপদকে মিশিয়ে দিলে দায় কার?

আমরা এক অবাস্তব ও অবিশ্বাস্য সময়ের মুখোমুখী। জাতীয় স্বার্থের চেয়ে গোষ্ঠীস্বার্থ আমাদেরকে মাঝে মাঝে অন্ধ করে দেয়।

নিউজটা পড়ার পর এক ধরণের করুণা অনুভূত হচ্ছে কুশীলবদের জন্য। শুধু মনে হচ্ছে অমানুষ থেকে মানুষ হতে আমাদের আর কত শতাব্দী অপেক্ষা করতে হবে?

১৩ বিলিয়ন ডলারের প্রজেক্ট মানে এক লক্ষ দশ হাজার কোটি টাকারও বেশি (ভুল পড়েন নি) খরচ হচ্ছে এই দানবের পেছনে। দেশে বিদ্যুতের দরকার। উন্নয়নের চাকা সচল রাখতে ভীষণ ভাবেই দরকার। সরকার সেটা নানাভাবে চেষ্টা করছে সেজন্য প্রশংসাও প্রাপ্য। তবে সেটা অবশ্যই সাসটেইনেবল বা টেকসই হওয়াও ভীষণরকম জরুরী। আমরাই একমাত্র স্বল্পউন্নত দেশ যারা এইরকম বিলাসিতার পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। গ্রোস পিরিয়ডের পর এর সুদসহ ক্রেডিট পরিশোধ করতে দেশের হালুয়া টাইট হয়ে যাওয়ার কথা।

আবার আমরাই একমাত্র দেশ যারা কোনো প্রকার প্রশিক্ষিত নিউক্লিয়ার বিজ্ঞানী ছাড়াই এরকম সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ধার করা লোকদের দ্বারা কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এবং আমরাই একমাত্র দেশ যার পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৫০ কিলোমিটার সারকামফেরেন্সের মধ্যে কয়েক কোটি লোকের বাস।

ভাবুন। নির্মাণ ত্রুটি বা অন্য কারণে একবার বিপর্যয় ঘটলে কি অবস্থা হবে? নিশ্চয় চেরনোবিল কিংবা জাপানের ফুকুসিমার কথা আমরা ভুলে যাই নাই।

এবং রূপপুরে যে প্রযুক্তি (ভিভিইআর ১২০০) রাশিয়া সরবরাহ করছে তা রাশিয়ার বাইরে এই প্রথম। মানে তারাও আমাদেরকে টেস্ট গ্রাউন্ড ধরেই এগুচ্ছে। সাথে লাভের গুড়ের পরিমাণ আরো বৃদ্ধি করতে ভারতকে (যার এ ধরণের প্রযুক্তি নিয়ে কোনো অভিজ্ঞতাই নেই) সঙ্গে নিয়েছে। আর এগুলো করা হয়েছে এদেশের কিছু সূর্যসন্তানের(!) পরামর্শে। এরাই মহান দেশপ্রেমিক নাতো কি ঐ রূপপুরের পাশের ক্ষেতে আলু চাষ করা হাড়জিরজিরে কৃষকটা দেশপ্রেমিক। যে আলুর ন্যায্য মূল্য না পেয়েও যুগযুগ ধরে ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের র-মেটেরিয়াল উৎপাদন করে যাচ্ছে নিঃস্বার্থভাবে এসি রূমে বসে থাকা আমাদের জন্য।

ভারত তার নিজ স্বার্থে এই প্রকল্পে জড়াতে চাইবে এটা নিশ্চিত ছিল। কিন্তু জাতীয় স্বার্থে ভারতকে পরামর্শক বাদে এখানে অন্তর্ভুক্ত করা কোনো ভাবেই উচিত নয় ( কারণ ভারত নিজেও ভুগছে এ খাতে উন্নত প্রযুক্তি জ্ঞানের অভাবে)। কিন্তু কোনো এক রহস্যজনক কারণে এখন ভারত এর নির্মাণেও অংশগ্রহণ করবে। হাতুড়ে ডাক্তার দিয়ে হার্টের বাইপাস সার্জারী। রোগী মরলে কী আর বাঁচলেই কী? হসপিটাল পরিচালনাকারীদের তো আর কিছু হচ্ছে না!!!

এ বিষয়ে আরো জানতে চাইলে:

#ঘাপটি মারা বিপদ-১- ব্লগার করুণাধারা
#রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প: স্বপ্ন ও বাস্তবতা-প্রথম আলো
#সুন্দরবন থেকে রূপপুর: ভুল তথ্য ও অস্বচ্ছতা-আনু মোহাম্মদ
#রূপপুরের জন্য চেরনোবিল দুর্ঘটনার বার্তা-প্রথম আলো

মন্তব্য ৭৩ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (৭৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:০১

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: ছোট বেলাতে আমার চাচারা মাটির বাড়ি বানাচ্ছে। তাই দেখে আমি জিদ ধরলাম আমিও বাড়ি বানাবো। তখন কোদাল দিয়ে মাটি কোপাইতে গিয়ে পায়ের আঙুলই কেটে ফেলেছিলাম।


ভারতেকে এ বিষয়ে নেয়াটা আমার পছন্দ নয়। ওরা প্রযুক্তিকে ভালোই এগিয়ে আছে। সেই হিসেবে কোল পাওয়ার প্ল্যান্টে থাকুক। পরমানু প্রকল্পে পরামর্শক বাদে সরাসরি অন্তর্ভুক্ত করা কোনো মতেই উচিত হবে না।

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৪২

আখেনাটেন বলেছেন: ভালো উদাহরণ দিয়েছেন।

যেখানে ভারত নিজেই নিউক্লিয়ার টেকনোলজী নিয়ে বিড়ম্ববনার মধ্যে অাছে, সেখানে কীসের স্বার্থে তাদের এইরকম একটি সেনসেটিভ প্রকল্পে যুক্ত করতে হবে। এখানে কে কলকাঠি নাড়ছে? দেশের স্বার্থ পরিপন্থী এসব কাজে কারা ইন্ধন যোগাচ্ছে?

ভারত তার স্বার্থ দেখবে এটাই স্বাভাবিক। তাহলে আমাদের নিজেদের স্বার্থটা দেখতে অসুবিধা কোথায় হচ্ছে?

২| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:০৮

ব্লু হোয়েল বলেছেন: দায় বন্ধুত্বের ।
জয় বন্ধুত্বের ।

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৪

আখেনাটেন বলেছেন: কেন এই অাত্মবিধ্বংসী সিদ্ধান্ত? ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা কি নেতাদের মাথায় একটিবারের জন্য উঁকি দেয় না?

৩| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:২১

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: ভারত কখনো স্বার্থ ছাড়া কাজ করে না।

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৫১

আখেনাটেন বলেছেন: শুধু ভারত না-- অাত্মমর্যাদাবান সব জাতিই তার লাভটা অাগে দেখবে। এখানে ভারতকে দোষ দেওয়াও অন্যায়। তাদের এখানে বড় ধরণের স্বার্থ আছে। এক, বিদ্যুৎ কেন্দ্র যাতে সামরিক কাজে না ব্যয় হয়, দুই, এনএসজি'র সদস্যপদে একধাপ এগিয়ে যাওয়া নিশ্চিত করা।

দুর্ভাগ্য যে তাদের স্বার্থে বাংলাদেশ সাহায্য করছে। মানে নিজের নাক কেটে নিজের যাত্রাই ভঙ্গ করা..।

আমাদেরকে চলতে হত মেপে মেপে এইরকম একটি ব্যাপারে। কিন্তু কিছু অর্বাচীনের কারণে এর বিপর্যয় হলে ফলটা ঐ অালু চাষীর উপর দিয়েই যাবে।

৪| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৯

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: টেনশন বাড়িয়ে দিলেন ভাই।

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০০

আখেনাটেন বলেছেন: দেশের বিবেকবান সকল জনগণেরই এ খবরে টেনশন হওয়ার কথা।

৫| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৩

পদ্ম পুকুর বলেছেন: ব্লু হোয়েল বলেছেন: দায় বন্ধুত্বের । জয় বন্ধুত্বের ।

আমরা যা দিয়েছি তা ওরা মনে রাখবে। বিনিময়ে কিছু চাওয়ার অভ্যাস আমাদের নেই।

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০১

আখেনাটেন বলেছেন: এগুলো স্রেফ নোংরামী। কিছু মানুষ দেশের সাথে গাদ্দারি করছে।

৬| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০১

চাঁদগাজী বলেছেন:



রাশান চুল্লী, ভারতীয় ইনফ্রাস্টাকচার, বাংগালী অপারেটর: এটা জচ্ছে, জাতির উপর এটম বোমা ফোটানোর মেনু

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৩

আখেনাটেন বলেছেন: ঠিক তাই।

নিজের কপালে নিজে কুড়াল মারার জাতি পৃথিবীতে খুবই কমই অাছে। অামরা এটা খুবই অানন্দের সাথে করি।

৭| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৬

আরোগ্য বলেছেন: মনে হয় শীঘ্রই ভারতের সাথে পরামর্শ করে পাঠ্য বইও প্রকাশ করা হবে।

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৮

আখেনাটেন বলেছেন: বেশ কয়েকবছর থেকে ভারত হতে নিম্নমানের পাঠ্যবই ছাপিয়ে আনা হচ্ছে।

এভাবে চললে পরামর্শে প্রকাশ হলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই।

৮| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: মনে পড়ে বদরুদ্দিন উমরের আত্মঘাতি বাঙালী বইটার কথা!!!!!!!!!!!

মা মাটি মানুষের সাথে প্রতারণা করে নব্য কোটিপতির তালিকা হয দীর্ঘ
আমেরিকা পিছে পড় রয়!
উন্নয়নের মহাস্বপ্নে বুদ জাতি- দেখেনা মৃত্যু পরোযানায় হাটে হাসিমূখে

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৪৫

আখেনাটেন বলেছেন: মা মাটি মানুষের সাথে প্রতারণা করে নব্য কোটিপতির তালিকা হয দীর্ঘ-- এগুলো একসময় জাতির জন্য অভিশাপ হয়ে দেখা দিবে। একশ্রেণীর মানুষ দেশে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে খেটে যাচ্ছে আর এক শ্রেণী জোঁকের মতো চুষে খাচ্ছে সব। এগুলো একটি জাতির জন্য ভালো লক্ষণ নয়।


*ভৃগু দা বদরুদ্দিন উমরেরও অাতঘাতী বাঙালী বই আছে জানা ছিল না তো। অামার জানা মতে এই শব্দটি বিখ্যাত হয়েছিল নীরদ সি চৌধুরীর 'অাত্মঘাতী বাঙালী' বইটির জন্য।

৯| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২২

স্রাঞ্জি সে বলেছেন:

বর্তমান সরকার যতদিন থাকবে। ভারত বাংলাদেশ কে চেটেপুটে খাবে।

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৪৭

আখেনাটেন বলেছেন: কারণটা কী?

১০| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৩৩

রাকু হাসান বলেছেন:


দারুণ বিষয় তুলে এনেছেন । চিন্তা হচ্ছে । আমাদের মত দেশের এমন একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব বিলাসী সিদ্ধান্ত বলা যায় । ভারত কে এসবে না জড়ানোই ভালো হবে । কেননা এখানে ছেলেখেলা বা পরীক্ষা নিরীক্ষার জায়গা না । এই সেক্টরে সংশ্লিষ্ট সেরা এক্সপার্টই দরকার । আল্লাহ্ না করুক যদি কিছু ঘটে যায় তাহলে তো প্রতিরোধেও পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকবে না স্বাভাবিক ভাবে । থাকলেও অপ্রতুল । তখন কেমন ভয়াবহ হবে ?ভাবতেই শিউরে উঠছি । সরকারের পারমানবিক বিদ্যু পাওয়ার প্লান্ট নিমার্ণে সরকারের পক্ষে আমি তবে এমন আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত কোনো ভাবেই সমর্থন দেওয়া যায় না । হাতুরি ডাক্টার দিয়ে বাইপাস করালে অপারেশ থিয়েটার রুমেই রোগির মৃত্যুর সম্ভবনা অনেক । :(

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৫৭

আখেনাটেন বলেছেন: দেশের বিদ্যুতের চাহিদা সীমাহীন। কিন্তু এর জন্য এই শ্বেতহস্তী পালনের জন্য আমরা উপযুক্ত হয়েছি কিনা সেটা আগে ভাবা দরকার ছিল।

মরার উপর খাড়া'র মতো করে আবার যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন অাইডিয়া ও চুক্তি। এটা যে সাসটেইনেবল প্রজেক্ট না তা জাতি ভবিষ্যতে অবশ্যই টের পাবে।

১১| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: ’এক অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ’

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৫৯

আখেনাটেন বলেছেন: কিন্তু সমস্যা হচ্ছে রাজীব ভাই আপনি এই উন্নয়নের দৌড়ে তাল মেলাতে পারছেন না।

১২| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০৭

ভীতু সিংহ বলেছেন: আমাদের আসলে উপর ওয়ালার কাছে প্রার্থনা করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই। আশা করি আল্লাহ আমাদের এই সোনার দেশকে চেরনোবিল হওয়া থেকে রক্ষা করবেন। কত সিরিয়াস একটা ইস্যু। অথচ সবাই যতসব আউল ফাউল বিষয় নিয়ে মেতে আছে।

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:২৯

আখেনাটেন বলেছেন: কারো কোনো বিকার নেই এত বড় একটি সিরিয়াস ইস্যুতে। সুশীল সমাজের দুএকজন এগুলো নিয়ে চিন্তা করলেও বেশির ভাগই চুপ। ভাবখানা এমন যা হয় হোক। নিজে না বিপদে পড়লেই হলো। আমাদের ভাবনাগুলো কতটা কুৎসিত হয়ে যাচ্ছে দিনকে দিন।

১৩| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:২২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: দূর মশাই সেই কবে থেকে ভাবছি পারমাণবিক শক্তিধর দেশে পরিণত হবো আমরা ! নর্ডিক দেবতা থড়ের মতো পারমাণবিক বৈদ্যুতিক চপেটাঘাতে আশেপাশের অপশক্তিগুলোকে শায়েস্তা করবো আর আপনি এই যুগসন্ধিক্ষণে কি স্বপ্নভঙ্গের গান শোনালেন !

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৪১

আখেনাটেন বলেছেন: উন্নয়নের নেশায় নেতারা মাতাল হয়ে গেছেন। এরকম একটি ভয়ঙ্কর সেনসেটিভ প্রকল্পেও লাভের গুড় ভাগাভাগি শুরু করেছেন। এর জন্য জাতিকে একদিন পস্তাতে হবে। কোটি লোকের জীবন মরণের প্রশ্নও আমাদের অনুভূতিকে সজাগ করতে পারছে না।

১৪| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৩৮

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন: আমরা ছোটবেলায় পিকনিক করতাম । ওর বাড়ি থেকে চাল ওই বাড়ি থেকে ডাল আর এক বাড়ি থেকে মশলা এভাবে । যখন দেখতাম কিছুই পারি না । খিচুড়ি বানিয়ে ফেলতাম । শেষ ।

এইটা হলো কেকা আপার রেসিপির মতই সহজ ।

এ নিয়ে রাজনীতির কিছু নাই ।

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৪৭

আখেনাটেন বলেছেন: একটি পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরিতে সেফটিনেস কোনো রাজনৈতিক ইস্যু নয়। এটা কোটি মানুষের জীবনমরণের ইস্যু। এটি একটি জীবন্ত এটম বোমা। সামান্য দুর্ঘটনাও মানুষ, পরিবেশ-প্রতিবেশের জন্য নরক গুলজার হয়ে যাবে বৃহৎ একটি এলাকাতে। যা আমাদের কল্পনারও বাইরে।

১৫| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৫২

জাহিদ অনিক বলেছেন: বাংলাদেশে বিদ্যুতের যে পরিমান সিণ্ডিকেট চলছে তা নজিরবিহীন-
দেশের বিদ্যুৎ চাহিদার একটা সিংহ ভাগ মিটছে কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট দিয়ে। যেগুলোর আয়ু হবার কথা বড়জোড় ৫ বছর।
সেগুলো এখন ১০ বছর বার তারও অধিক সময় ধরে চলছে--- চলবে।

সরকার তার ১ম মেয়াদে কোনো বড় পাওয়ার প্লান্ট নির্মান করতে পারে নাই, সেজন্য তাৎক্ষনিক বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে বানানো হয়েছিল বেসরকারি আওতায় কুইক রেন্টাল প্লান্ট, যেগুলো একটা নির্দিষ্ট সময়ের পরে আর চালু রাখার কথা ছিল না।
সরকার চেয়েছিল এই সময়ের মধ্যে বৃহৎ পাওয়ার প্লান্ট তৈরী করে জাতীয় গ্রিডে সাপাই দেবার। কিন্তু সেটা হয়নি নানা কারনে।

এর ফলে, যে কুইক রেন্টাল প্লাওয়ার প্লান্টগুলো অল্প সময়ের জন্য বানানো হয়েছিল সেগুলো তার কার্যক্ষমতা হারাচ্ছে তাই দীর্ঘমেয়াদে আবার সেই কুইক রেন্টাল প্লান্টগুলো চালু করার জন্য দরকার হচ্ছে হেভি মেইনট্যেনেন্স, ফলে বেড়ে যাচ্ছে পার ইউনিট বিদ্যুতের দাম, ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার।

আবার এই কুইক রেন্টালগুলো সিণ্ডিকেট করতে করতে এমন অবস্থায় গিয়েছে যে, সরকার চাইলেও আর বৃহৎ কোন পাওয়ার প্লান্ট তৈরীতে হাত দিতে পারছে না, নানা ভাবে বাধা দিচ্ছে বেসরকারি ঐসব কুইক রেন্টাল মালিক ও সমিতি।
ফলে আমাদেরকে বাধ্য হয়েই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বিদ্যুতের ইউনিট।

০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:০৭

আখেনাটেন বলেছেন: অাপনি সুন্দর (নাকি কুৎসিত?) একটি বিষয় তুলে ধরেছেন চমৎকার করে।

যে কথাগুলো বলেছেন এগুলো নিয়ে তেমন একটা উচ্চবাচ্য নেই সুশীলদের মাঝে। এগুলোই হচ্ছে নন-সাসটেইনেবল উন্নয়ন। লোকরঞ্জনের এসব উন্নয়ন জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে কতটা ফলপ্রসু তা অর্থনীতিবিদরা বলতে পারবেন। তবে একটি বিশেষ শ্রেণির যে ভাগ্যের চাকা খুলে গেছে এই কুইক রেন্টালে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

কয়দিন আগেই সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশী কুইক রেন্টালের কুশীলবের একজনের বিলিয়ন ডলারের নিউজ এসেছিল।

দশবছর হয়ে গেল এখনও একটি মেগা বিদ্যুত কেন্দ্র তৈরি করতে পারে নি ( অথচ ১৩২০ মেগাওয়াটের একটি কোল বেইজড পাওয়ার প্লান্ট চালু করতে সর্বোচ্চ সাড়ে তিন বছর লাগার কথা)। আরও দশবছরেও পারবে কিনা সন্দেহ আছে, যদি ঐ যে বললেন কুইক রেন্টালের ভূতেরা এর ভিতরে ঢুকে থাকে।

কিন্তু রূপপুরে কোন ভূতে ঢুকেছে ভারতকে ডেকে আনতে কে জানে?

১৬| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:৩৮

করুণাধারা বলেছেন: রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণকাজে ভারতঃ বিপর্যয় ঘটলে দায় কার? দায় আমাদের, আমরাই দিনের পর দিন মৃত্যুপুর তৈরি করতে দিয়েছি।

প্রথম আলোয় খবরটা পড়ার পর থেকে মেজাজ খারাপ হয়েই ছিল; এই রকম খবরেও কারো  কোন হেলদোল নেই দেখে। তাই ব্লগে আপনার পোস্টটা দেখে খুব ভালো লাগলো; অন্তত একজন এই ভয়াবহ ব্যাপারটা নিয়ে ভাবছেন!!!!!!

 রূপপুর পাওয়ার প্লান্ট কোম্পানি নামক তড়িঘড়ি করে তৈরি করা কোম্পানি একটা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে গত মাসে। প্রায় সাড়ে চারশ জন মানুষকে ট্রেনিং দেয়া হবে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালানোর জন্য। অদ্ভুত ব্যাপার, এমন সংবেদনশীল বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালনার জন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালনায় কোন অভিজ্ঞ লোক কে চাওয়া হয়নি।

আমার একটা পোস্ট আছে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভয়াবহতা নিয়ে পুরোটা যদি না পড়তে পারেন, শেষটুকু পড়ার অনুরোধ থাকল। আমার মনে হয়, শেষ পর্যন্ত পারমাণবিক বর্জ্য পদ্মার তীরে সিমেন্টের ট্যাংক  বানিয়ে তাতে পুঁতে রাখা হবে!!!!

এই ভিডিওটা দেখার অনুরোধ রইলো।
 পারমাণবিক বর্জ্য দরিয়া মে ঢাল।


রূপপুর পাওয়ার প্লান্ট নিয়ে আমার পোস্ট

০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৩৪

আখেনাটেন বলেছেন: প্রথম আলোয় খবরটা পড়ার পর থেকে মেজাজ খারাপ হয়েই ছিল; এই রকম খবরেও কারো কোন হেলদোল নেই দেখে। --দিনের পর দিন নেগেটিভ খবর দেখে দেখে ভয়ঙ্কর খবরগুলোও আর আমাদের অনুভূতিকে সজাগ করতে পারে না। যেমন ধরুন, অামেরিকাতে বন্দুকের গুলিতে একজন মরলেও মিডিয়া ঝাঁপ দিয়ে লিখে ফেলে। আমরাও হুমড়ি খেয়ে পড়ি। অামেরিকার লোক মরছে। কী সর্বনেশে কথা! অথচ হুনডুরাস বা উগান্ডা বা সিরিয়াতে শত লোক মরলেও আমরা ভাবি এত স্বাভাবিক। এটা আর পড়ার দরকার কি?

গোটা বিশ্ব এখন এভাবেই চলছে? আমরাই বা বাদ থাকি কেন? কথায় আছে না, রকেটের পেছনে অাগুন না লাগা পর্যন্ত রকেট ঝিম মেরে থাকে। অাগুন লাগা মাত্র ঊর্ধ্বমুখী গমন শুরু হয়। আমাদের অবস্থাও এমন! শুধুমাত্র নিজের পেছনে আগুন লাগলেই আমরা...। এর বাইরে চিন্তা করতে হলে বিবেক-নীতি-নৈতিকতা-মূল্যবোধ নামক জিনিসগুলোর ভিত্তি মজবুত হওয়া চাই। এখন এ দেশে এগুলো মানুষের মাঝে অাকাল পড়েছে। জীবন-মরণ ইস্যুতেও মানুষ রাজনীতি খোঁজে।

আপা আপনার পোস্টটাও উপরে লিংক দিয়ে দিলাম।

১৭| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ ভোর ৬:৪৬

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: চাঁদগাজী বলেছেন:
রাশান চুল্লী, ভারতীয় ইনফ্রাস্টাকচার, বাংগালী অপারেটর: এটা জচ্ছে, জাতির উপর এটম বোমা ফোটানোর মেনু


কাকু সবি বুঝেন, তাইলে মাঝে মাঝে হয় কি তার? B:-)

০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৩৯

আখেনাটেন বলেছেন: কাকু সবি বুঝেন, তাইলে মাঝে মাঝে হয় কি তার? -- উনি বিচক্ষণ মানুষ। তবে জামাত-বিম্পির ঘোর বিরোধী। এর মনে হয় যথেষ্ঠ কারণও আছে উনার যুক্তিতে।

মাঝে মাঝে আউলা-ঝাউলা কথা বললেও দেশের জন্য উনার ভালোবাসা অপরিসীম তা বুঝা যায়।

১৮| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ ভোর ৬:৪৭

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: লেখক বলেছেন: ন্যায়দণ্ডের পাল্লা ডানদিকে বেশি হেলে গেছে মনে হচ্ছে!!!!

মোক্ষম মাইরি :D :D :D

০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৫৩

আখেনাটেন বলেছেন: হা হা হা। কবা-হাকা'রা কুথায়! উনাদের রকেট লাঞ্চার ছাড়া যে আলুচনা জমছে না। :P

১৯| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:১৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: হাহাহা ।করুণাধারার মন্তব্য আর লেখাটা পড়ে আমারতো নিজেদের জ্বালানি বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের ভাবতে ইচ্ছে করছে ।এক বছর আগেই এই প্রকল্প আর তার সম্ভাব্য সমস্যা নিয়ে দেখি আমরা ব্যাপক আলোচনা চালিয়েছিলাম ।ভুলে গিয়েছিলাম এই লেখাটার কথা । আসলে কার লেখা সেটা ভুলে গিয়েছিলাম তাই আর আগের মন্তব্যে বলিনি এই লেখাটার কথা। এই আশংকাটা কিন্তু শুরু থেকেই ছিল যে আনাড়ি কারো চাপে আনাড়ি কারো হাতে এই কাজটা দিয়ে একটা বিপদ্দজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি সরকার করতে পারে।সেই দুঃখজনক ব্যাপারটাই সত্যি হয়ে গেলো ! ইয়া নফসি ছাড়া আর কি বলবার আছে এই মুহূর্তে সেটা বুঝতে পারছি না ।

০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৬

আখেনাটেন বলেছেন: করুণাধারাপা লেখাটা আমার চোখে পড়ে নি মনে হচ্ছে। চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন এর অন্ধকার দিকটি।

এই প্রজেক্টে সরকারের সেফটি ইস্যুতে সর্বোচ্চ নজর দেওয়া উচিত যদি সত্যিই তাদের মধ্যে বিন্দু পরিমাণ দেশপ্রেম থাকে।

২০| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:২৫

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন:




খারাপ কিছু না হোক এই প্রত্যাশা৷ দেশ তো আমাদের।

০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৮

আখেনাটেন বলেছেন: হুম; সেটা দেশের প্রতিটি মানুষেরই প্রত্যাশা। কিন্তু এটার জন্য তো নিজেদেরকে আগে সতর্ক হতে হবে। নিজেরাই যদি খাল কেটে কুমীর ডেকে অানার ব্যবস্থা করি, তাহলে কুমীরের অাক্রমণে মরলে দোষ কাকে দিবেন?

২১| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:১৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় আখেনাটেন ভাই ,

গতকাল করা আমার কমেন্টের উত্তর না পেয়ে আজ এসে দেখলাম কমেন্ট ডিলিট হয়ে গেছে। ঠিক কি মন্তব্য করেছিলেন মনে পড়ছে না । তবে জাতীয় স্বার্থের প্রতি কতৃপক্ষের আরো সংবদেনশীল হওয়া উচিত ছিল বলে , এরকম কিছু একটা লিখেছিলাম ।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৪১

আখেনাটেন বলেছেন: পদাতিক দা আপনার মন্তব্য তো আমার চোখে পড়ে নি। সেটা কি পোস্ট হয়েছিল এখানে?


জাতীয় স্বার্থের প্রতি কতৃপক্ষের আরো সংবদেনশীল হওয়া উচিত -- সকল দেশের তাই করা উচিত। অাগে নিজের স্বার্থ। কিন্তু আমরা উল্টো পথে হাঁটতে বেশি পছন্দ করি।

২২| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:২০

নীল আকাশ বলেছেন: ইহারা যেন কোন প্রকারের জীব? ন্যায়দন্ড কে বলছি........কিছু দিন আগে পর্যন্ত নিজেকে মানুষ মনে করতাম, ২টা হাত ২টা পা, ১টা মাথা আছে, এখনোতো ৩'৫ হাত মাটির নীচে ঢুকি নি। তবে এখন আর নিজেকে মানুষ মনে করিনা। এই দেশ নিজেকে মানুষ মনে করার কোন কারনও নেই। সরকারই আপনাকে মানুষ মনে করে না, বলেন করে....যান তো একটু ভোট দিতে, একটু সাহস সত্য কথা নিয়ে কিছু লেখেন, তারপর বুঝবেন আপনি মানুষ কিনা, গত কালকে দেখলাম সামুর একজন ব্লগার হাপিশ হয়ে গেছে, কোনদিন হয়তও আমার নামও দেখবেন! চাঁদ কাকুর দালালী পোষ্টে যেভাবে ঝেড়েছি তাতে মোটেও অবাক হবো না........।

আখেনাটেন ভাই চিন্তার কিছু নেই। কিছু যদি হয়ে যায় সেটা বি এন পির দোষ, ধাক্কা দিয়ে যখন রানা প্লাজা ফেলে দিতে পেরেছিল। এখানেও কোন নাশকতা হলে বি এন পি করবে আর কিছু হবার কোন সম্ভবনা নেই। ;)

আমার ক্লোজ একজন ফ্রেন্ড এই প্রজেক্টের সাথে জড়িত। আপনার চেয়েও আমি এসব ব্যাপারে ভালো জানি। দেশের জনসংখ্যা এক বারে হাতের মুঠোয় চলে আসবে.......। :P

ভালো লিখেছেন তবে সাবধানে থাকবেন, ভাই, আমি এই নিয়ে একটা পোষ্ট দিতে যেয়েও দেই নি.......
শুভ কামনা রইল!

০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৭

আখেনাটেন বলেছেন: এতবড় জাতীয় ইস্যুতে নেতা কিংবা অামলাদের জনগণের জানমাল নিয়ে সাপ-লুডু খেলার কোনো অধিকার নেই। যে কোনো দুর্ঘটনায় জনগণের কাঠগড়ায় উঠতে হবে একদিন তাদের।

সরকারের এই প্রজেক্টের সেফটিনেসের ব্যাপারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মনে করি।

তবে সাবধানে থাকবেন, ভাই, আমি এই নিয়ে একটা পোষ্ট দিতে যেয়েও দেই নি.. -- :|

২৩| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:২৭

ফেনা বলেছেন: অসাধারণ একটা পোষ্ট।

(জনাব আপনার এই লেখাটা জানাও ডোট কম এ সম্পাদকীয়তে দিতে চাই। সেই জন্য আপনার অনুমতি চাইছি।)

০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৯

আখেনাটেন বলেছেন: অনুমতি প্রদান করা হল ব্লগার ফেনা। :D

২৪| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৫০

শাহারিয়ার ইমন বলেছেন: এগুলো সব উন্ন্যনের জোয়ারে ভেসে যাবে !!

০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৩

আখেনাটেন বলেছেন: জনগণের কিংবা আমাদের সচেতন ব্লগারদের উদাসীনতা দেখেও তাই মনে হচ্ছে।

অন্তত এই বিষয় নিয়ে দশটা পোস্ট আসা উচিত ছিল নিউজটা জানার পর।

২৫| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:৩৮

ফেনা বলেছেন: লেখা দেওয়া হয়েছে। দয়া করে চেক করে দেখুন।
janoo.com

০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৪২

আখেনাটেন বলেছেন: দেখলাম। ধন্যবাদ।

২৬| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:০২

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: অনেল আগে শিনেছিলাম রাশিয়া নাকি পারমানবিক বর্জ নেয়ার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে সকল বর্জ ফেলে গেছে!
জানা নেই! আমাদের কুসূর্য সন্তানেরা দেশটাকে কোন দিকে নিয়ে যাবেন!

০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৪৭

আখেনাটেন বলেছেন:

প্লান্ট চালুর পর বর্জ্য উৎপাদন হবে। আর এই পারমানবিক বর্জ্যের ব্যাপারে রাশিয়া এখনও কোনো ক্লিয়ার কাট কথা বলে নি। সরকারও এ নিয়ে খোলাসা করে কিছু বলছে না।

পারমানবিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এটি নিয়েও বিশেষজ্ঞরা চিন্তিত।

২৭| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:১০

তারেক ফাহিম বলেছেন: সোনার দেশ সোনা হয়েই থাক।


খারাপ কিছু না হলেই ভালো।

০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৪৯

আখেনাটেন বলেছেন: সাধারণ জনগণের সেটাই চাওয়া।

কিন্তু ডেকে বিপদ অানার ঝুঁকির মধ্যে থাকবে কেন জনগণ?

২৮| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৭

ইনাম আহমদ বলেছেন: ভারত উপমহাদেশের দুটি পারমাণবিক শক্তি ও বিশ্বের আটটি পারমাণবিক শক্তির একটি। ওদের নিজস্ব প্ল্যান্ট আছে। এখনও জাপানের মতো কিছু ঘটেনি যদিও জাপান অনেক উন্নত রাষ্ট্র।
চেরনোবিলের ঘটনা পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের প্রথম দিককার একটা উদাহরণ। সবকিছুতে ওটাকে নিয়ে আসার মানে আপনার মগজ ১৯৮৬ এর পরে আর ডেভেলপ করেনি।
তবে যেহেতু আপনি সরকারের কাছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের কোনও টেকসই পরিকল্পনা প্রস্তাব করার বদলে সরকারের নিন্দা করার জন্য পোস্ট দিয়েছেন, আপনার উদ্দেশ্য পরিষ্কার নয়।
শুধু ভারত নয়, আমাদের মুসলিম ভ্রাতারাষ্ট্র পাকিস্তানও কিন্তু একই প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। ওদের কন্ট্রাক্ট দিলে কি আপনি এইরকম পোস্ট দিতেন?

০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৪২

আখেনাটেন বলেছেন: আপনার মন্তব্য পড়ে স্কুল জীবনের রাম মজিদ স্যারের কথা অাবার মনে পড়ল। হা হা হা। উনি সেসময় অামাদের ইঁচড়ে পাকামির জন্য নানা ধরণের খানাপিনার ব্যবস্থা করতেন। কি ধরণের খানাপিনার ব্যবস্থা করত তা অামার এই পোস্টে পাবেন? এই মন্তব্য দেখে মনে হচ্ছে এখন রাম মজিদ স্যারের বড্ড দরকার। :P

এবার আপনার মন্তব্যের ইঁচড়ে পাকামিতে অাসি। ভারত উপমহাদেশের দুটি পারমাণবিক শক্তি ও বিশ্বের আটটি পারমাণবিক শক্তির একটি। ওদের নিজস্ব প্ল্যান্ট আছে। -- প্রথমে পারমানবিক শক্তির দেশ আর পারমানবিক পাওয়ার প্লান্টের পার্থক্য শিখে নিন। এরপর নিউক্লিয়ার রিএক্টর কত প্রকার ও কি কি তা জেনে নিন গুগল মামার কাছে? এর পরে উপরে উল্লেখিত ভিভিইআর-১২০০ টেকনোলজি নিয়ে গুগলে সার্চ দিয়ে ফাঁকা ঘিলুটা কিছু জ্ঞানে পূর্ণ করুন। এরপর অাসুন ভারত এই ধরণের প্রযুক্তি নিয়ে কতগুলো নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট বানিয়েছে তা । এরপর জেনে নিন ভারতে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট নিয়ে কি ধরণের অান্দোলন হয়েছে ও হচ্ছে? ( তামিলনাড়ুর কুন্দনকুলামে রাশিয়ার রিএক্টর ও মহারাষ্ট্রের জৈন্তাপুরে ফ্রান্সের )।

শেষে জেনে নিন নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টের জন্য নিউক্লিয়ার রিএক্টর বিশ্বের কোন কোন দেশ ম্যানুফ্যাকচারিং করছে ও কারা কারা তা রপ্তানী করছে? এরপর জানুন এনএসজি কি? ভারত কেন এখনও এর সদস্য নয়? কারা এর বিরোধিতা করছে? এগুলো পড়ার পর আবার এখানে মন্তব্য করতে অাসুন, তখন রাম মজিদ স্যার আর ইঁচড়ে পাকামির জন্য খানাপিনার ব্যবস্থা করবে না? :D


তবে যেহেতু আপনি সরকারের কাছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের কোনও টেকসই পরিকল্পনা প্রস্তাব করার বদলে সরকারের নিন্দা করার জন্য পোস্ট দিয়েছেন, আপনার উদ্দেশ্য পরিষ্কার নয়। -- আমাকে কি সরকার জয় দা'র মতো উপদেষ্টা নিয়োগ দিয়েছে যে আমি বিনা পয়সাতে পরিকল্পনা প্রস্তাব দিব? পয়সা খরচ করলে বিশ্বের সেরা পরামর্শকেরও পরামর্শ পাওয়া সম্ভব। সরকার কি তা নিয়েছে বা নেওয়ার চেষ্টা করেছে? আমি সাধারণ খেটে খাওয়া জনগণ ইঁচড়ে পাকামির বয়স পার করে এসেছি তাই খারাপ কিছু দেখলে একটু ইস আস করি। তারই ফল এই লেখা।

শুধু ভারত নয়, আমাদের মুসলিম ভ্রাতারাষ্ট্র পাকিস্তানও কিন্তু একই প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। ওদের কন্ট্রাক্ট দিলে কি আপনি এইরকম পোস্ট দিতেন? -- ছোটকালে আমাদের একটি গরু প্রায় হারিয়ে যেত সন্ধ্যার আগে আগে। তবে রাখাল গেদু জানত কোথায় গেলে ওটাকে পাওয়া যাবে। তাই টেনশন করত না। সময় মতো গিয়ে নিয়ে আসত। বলুন তো--কোথায় পাওয়া যেত গরুকে? বুঝতে পেরেছেন। ইঁচড়ে পাকা হলেও ঘটে একটু হলেও গোবরের পাশাপাশি ঘিলুও আছে দেখছি। হ্যাঁ, ওটাকে পাওয়া যেত পাশের বাঁশঝাড়ে। যেখানে কিছু অর্বাচীন প্রাকৃতিক কর্ম সম্পন্ন করত। আর সেগুলো গলাধঃকরন করার জন্যই নাদান গরুটি হাজির হত সন্ধ্যার আগে আগে। এই বিষ্ঠা খাওয়া গরুর জন্য বাড়ির সবাই বিরক্ত হত। কারণ সবসময় এটার ঐ জিনিসের প্রতিই নজর বেশি। আমরা এটাকে শত বুঝিয়েও বশ করতে পারি নি। যতই নিষেধ করা হোক ঘুরে ফিরে ওদিকে যাবেই বিষ্ঠার টেস্ট...।

আপনাকে মনে হয় আমার ব্লগে এই প্রথম পেলাম। সুস্বাগতম কুতর্কের জন্য। গত তিন বছরে বেশি নয় মোটেই ৪২টি পোস্ট করেছি। পারলে একটু ঘুরে আসুন আমার ব্লগ বাড়িটা। প্রতিটা পোস্টে কিছু হিডেন বার্তা আছে। একজন নাবালকের সাবালক হওয়ার ট্রেইনিং এর জন্য কয়টি পোস্টই যথেষ্ঠ।




২৯| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৮

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: এই খেয়াল কার আছে, কে মরছে কে বাচঁছে মরে যাইক দেশের যত আলু চাষা আছে তাহলে বিদেশ থেকে সরা সরি ফ্রেন্জ ফ্রাই কিনে খাবে উচুদালানে বসে। ইউরেনিয়ামে গোচাবে মরফিনের নেশা।
অনেক সুন্দর পোস্ট। জনগন সচেতন কিন্তু জনগনকে যারা পরিচালিত করে তারা জনগনের কতটুকু বান্ধব?

০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৪৯

আখেনাটেন বলেছেন: জনগন সচেতন কিন্তু জনগনকে যারা পরিচালিত করে তারা জনগনের কতটুকু বান্ধব? -- তারা তো তাদের জ্ঞাতি গোষ্ঠীকে কানাডা, ইংল্যান্ডের বেগম পাড়াতে রেখে এসেছে। উনাদের এ দেশের জন্য সচেতন হওয়ার দরকার আছে কি?

অালু চাষীরা মরলেই কি আর বাঁচলেই কি?

৩০| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:১০

সুমন কর বলেছেন: আপনার এ পোস্টের জন্য ১ নং মন্তব্যটিই সারমর্ম !!

সহমত।

০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৫১

আখেনাটেন বলেছেন: হ্যাঁ, সুমন দা পাঠকের প্রতিক্রিয়া সুন্দর মন্তব্য করেছে। এগুলো যদি ছোট্ট এই দেশের নেতা ও অামলাদের মাথায় ঢুকত।

৩১| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৪৫

মনিরা সুলতানা বলেছেন: দায় আমাদের সাধারণ জনতার :(

০২ রা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৫৪

আখেনাটেন বলেছেন: বিপদ হলে তো ভুক্তভোগী ঐ খেটে খাওয়া জনগণই।

নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টের সেফটি ইস্যু একটি মারাত্মক জিনিস। এটা নিয়ে অস্বচ্ছতা জাতির মাথাব্যথার কারণ অবশ্যই।

৩২| ০৩ রা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:০৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: একশবার আছে দাদা ;
যার ,যেভাবে যতটুকু পারছি , পারছে লিখছে; দায় নেই কেবল এ দেশের মূল মিডিয়ার পা চাটা সাংবাদিকদের।

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:২২

আখেনাটেন বলেছেন: যার ,যেভাবে যতটুকু পারছি , পারছে লিখছে; দায় নেই কেবল এ দেশের মূল মিডিয়ার পা চাটা সাংবাদিকদের। --গা সওয়া হয়ে গেছে এখন সাধারণ জনগণের এসব নোংরামী দেখে দেখে।

৩৩| ০৩ রা নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৪৩

খাঁজা বাবা বলেছেন: দেশ বিক্রি করা, এই টার্ম টা আমরা ছোট বেলা থেকেই শুনে এসেছি, অনেকে বলে দেশ আবার বিক্রি করে কভাবে?
দেশে যে শুধু আলাস্কার মত ই বিক্রি হয় না আরো অনেক ভাবে বিক্রি হতে পারে তা এখন বুঝেছি।
যেকোন মুল্যে ক্ষমতায় থাকতে হবে, তাতে মূর্দা বিক্রি হোক বা দেশ।

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:২২

আখেনাটেন বলেছেন: :(

৩৪| ০৩ রা নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৬

ইনাম আহমদ বলেছেন: আপনার কথা বলার ভাষা শুনে বোঝা যাচ্ছে আপনি একজন দাড়িওয়ালা চায়ের দোকানি। ব্লগে আজকাল পারমাণবিক প্রযুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও চায়ের দোকানীরা গল্প করছে।
উত্তর দিতে গিয়ে কিছু জটিল শব্দ ব্যবহার করেই নিজেকে বিদ্বান প্রমাণের চেষ্টা করেছেন এবং ধরা খেয়েছেন। আমি চাইলে এই ছাগল মার্কা পোস্টের বিপরীতে আপনার মন্তব্যগুলোকে উল্লেখ করে খুব চমৎকার একটা পোস্ট করতে পারি, যেটা নির্বাচিত পাতায় যাওয়ার যোগ্য বলে গণ্য হবে। তবে রাস্তায় পড়ে থাকা বিষ্ঠায় পা ফেলে নিজের সময় নষ্ট করার রুচি নেই।
আপনার যে ভাষার ধরণ সেটা থেকেই আপনার সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
আর আমি নতুন নই ব্লগে, বর্ষীয়ান বহু বটগাছের চেয়ে আমার পোস্টের মান উন্নত বলে আমার ধারণা, আমার বেশ কিছু পোস্ট নির্বাচিত পাতায় আছে। আপনার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ব্লগিংয়ের দিকে মন না থাকলে আমার সাথে আরও আগেই পরিচয় হতো আপনার।
আর আমি কে, কি করি, আমার বিদ্যার দৌড় কতখানি না জেনে যেভাবে নিজের মায়ের শেখানো ভাষায় কমেন্টের উত্তর করলেন, তাতে আপনার সম্পর্কে সাধারণ মানুষেরও জানা পরিষ্কার হলো। আপনার ব্লগে আমিন বলতে আসা বাঙালি ছাড়া আর কেউ কোনও ভালো কিছু খুঁজে পাবেনা।

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:২০

আখেনাটেন বলেছেন: আপনাকে ইঁচড়ে পাকা বলে নিজেও একটু দ্বিধাই ছিলাম। একটু বেশিই কি বলে ফেললাম? আপনার দ্বিতীয় মন্তব্যের পর এখন মনে হচ্ছে ইঁচড়ে পাকার আগে 'মহা' শব্দটা অবশ্যই যোগ করা উচিত ছিল। এতবড় ভুলের জন্য ব্লগ কমিউনিটির কাছে আমি কান্না বিজড়িত কণ্ঠে ক্ষমাপ্রার্থী। ;)

প্রথম মন্তব্যে নিউক্লিয়ার প্রযুক্তির বেসিক জ্ঞানের অজ্ঞতার দরুন ভারত-পাকিস্তানের ( এই দুই দেশ এখনও মান্ধাতার আমলের নিউক্লিয়ার প্রযুক্তির জন্য উন্নত দেশগুলোর পা ধরে বসে আছে অাধুনিক টেকনোলজি জ্ঞান ট্রান্সফারের জন্য) প্রযুক্তির সাথে রাশিয়ার প্রযুক্তি গুলিয়ে ফেললেন। এ নিয়ে একটু টিপস দিলাম গুগলে কি কি পড়বেন? তাতেই এভাবে ভুল বকা শুরু করলেন।

সাধে কি চাঁদগাজী সাহেব এখনকার জেনারেশনকে (আপনি কোনো এক মন্তব্যে নিজেকে ছাত্র হিসেবে দাবী করেছেন) মগজহীন প্রশ্নফাঁস জেনারেশন বলেছেন। এর সাথে আমি যোগ করব বাবা-মার লাই পেয়ে 'বখে যাওয়া' জেনারেশন।

প্রথম মন্তব্যে আমার সম্পর্কে কিছুই না জেনে পাকনামী করে ব্যক্তিগত অাক্রমণ শানালেন 'মগজ ডেভালপ হয় নি'। ইঙ্গিতে বুঝাতে চাইলেন 'পাকিপন্থী'। আমি 'পান ও মেটাফোর' ব্যবহার করে বিরক্ত হয়ে রূঢ় ভাষায় কাউন্টার দিলাম। এবার আপনি অাসলেন অারো ভয়ঙ্করভাবে 'মহাসুনামী' হয়ে। মনে হচ্ছে সব উড়িয়ে নিয়ে যাবেন কুৎসিত কথার দ্বারা (যদিও মূর্খদের এটাই শেষ অস্ত্র)। অথচ এই পোস্ট নিয়ে সচেতনামূলক সুন্দর বিতর্ক হতে পারত।

এতেই আপনি থেমে থাকেন নি, এই বাক্য 'আপনার ব্লগে আমিন বলতে আসা বাঙালি ছাড়া আর কেউ কোনও ভালো কিছু খুঁজে পাবেনা' দ্বারা আমার ব্লগে মন্তব্য করা গুণী ব্লগারদেরও হেয় করলেন নিদারূনভাবে।

আপনার দ্বিতীয় মন্তব্যটা নিজেই আবার পড়ুন। লজ্জা অনুভব না করলে আবার 'কিন্ডারগার্টেন' স্কুলে ভর্তি হয়ে জাতিকে এই অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে সাহায্য করুন।

এক ভারতের নাম থাকাতেই যেভাবে কচ্ছপের মতো কামড়ে ধরেছেন-- আমার তো ভয় হচ্ছে অাদৌ পা থেকে ছুটাতে পারব কিনা। ঠিক এরকমই পাকিস্তানের নাম নেওয়াতেও (এই পোস্টে) আপনার জানে দুশমনেরা কামড়ে ধরলেও বেশিক্ষণ ধরে রাখে নি।

আপনাদের দুইপক্ষের (পাকি-বান্ধব ও ভা-দা) জ্বালায় মনখুলে দুটো কথাও পাড়া যাবে না দেখছি। এতদিন শুনেছি আপনাদের দুইপক্ষের অত্যাচারে অনেক ছাগলমার্কা (আপনার ভাষায়) ব্লগার ব্লগ থেকে বিদায় নিয়েছে নিরবে-নিভৃতে। অারেকটা ছাগল সেই তালিকাতে যোগ হলে ব্লগের মনে হয় না কোনো ক্ষতি বৃদ্ধি হবে। ;)

শুভকামনা অাপনার জন্য। আপনার মানসিক সুস্থতা কামনা করছি।

৩৫| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:৫৪

খাঁজা বাবা বলেছেন: ইনাম আহমদ ভাই ভারতের একনিষ্ট ভক্ত। আখেনাটেন ভাই আপনার এমন কিছু বলা উচিত না যাতে উনি ভারত কে ছোট করা হয় এবং ইনাম ভাই কষ্ট পান। আসুন আমরা একসাথে গাই- জন গন মন.........................

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৭

আখেনাটেন বলেছেন: ঘোড়ার যেরকম ঠুলি পরানো হয় শুধু সামনে দেখানোর জন্য। সেরকম কিছু মানুষ নিজের থেকেই এরকম ঠুলি পরে থাকে। এরা চারপাশে আর কিছু দেখতে পারে না। সাদা-কালোর পার্থক্য করতে পারে না। এদের কাছে সবই এক রঙের।

৩৬| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ২:৪৬

কালীদাস বলেছেন: টু বি অনেস্ট, আমি কড়াভাবে নিউক্লিয়ার এনার্জির বিপক্ষে। সেখানে রাশিয়া থেকে এই টেকনোলজি আনার তো প্রশ্নই ওঠে না। সেটা আনার পর এখন দেখা যাচ্ছে এখানে দাদাদের সাবকন্ট্রাক্টরি আছে। এই চুক্তি করার আগে দেশে সাফিশিয়েন্ট এক্সপার্ট রেডি করা উচিত ছিল। হয়েছে কি?

এবং আমি এখনও বুঝি না, এরকম আগুন নিয়ে খেলার কি দরকারটা ছিল! কোন এক্সিডেন্ট হলে পুরা দেশ জনশূন্য হয়ে যাবে। ইকুয়েটর লাইনের এত কাছের একটা দেশ, সোলার পাওয়ার নিয়ে ভাবা উচিত ছিল বা এত লম্বা কোস্টাল লাইনে অনেক জায়গাতেই উইন্ডমিল বসানোর কথা ভাবতে পারত।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৫৫

আখেনাটেন বলেছেন: সবচেয়ে বড় যেটা বিষয় সেটা হচ্ছে আমাদের নিজেদের নিউক্লিয়ার প্রযুক্তিজ্ঞান সম্পন্ন লোকবলের নিদারুন অভাব থাকা স্বত্তেও এ ধরণের সুপার ক্রিটিক্যাল একটি বিষয় রান করে দেওয়ার মতো পাগলামী একমাত্র আমরাই করছি।


ইকুয়েটর লাইনের এত কাছের একটা দেশ, সোলার পাওয়ার নিয়ে ভাবা উচিত ছিল বা এত লম্বা কোস্টাল লাইনে অনেক জায়গাতেই উইন্ডমিল বসানোর কথা ভাবতে পারত। -- আরো নানা সাসটেইনেবল উপায় আছে পাওয়ার সমস্যার সমাধানে। দেশ টেকনোলজিক্যালি এগিয়ে গেলে পরে নিউক্লিয়ার পাওয়ার নিয়েও ভাবা যেত। কিন্তু তড়িঘড়ি করে লক্ষ কোটি টাকা ক্রেডিট নিয়ে...। যাহোক, এটা এখন ভবিতব্য। খারাপ কিছু না হোক এই কামনা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.