নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মনটা যদি তুষারের মতো...

আখেনাটেন

আমি আমাকে চিনব বলে বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছি একা একা, পাই নি একটুও কূল-কিনারা কিংবা তার কেশমাত্র দেখা। এভাবেই না চিনতে চিনতেই কি মহাকালের পথে আঁচড় কাটবে শেষ রেখা?

আখেনাটেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

দিল্লী কড়চাঃ কিছু ঘটনার মুখোমুখী-৪

২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৪০


১.মানবতা

জহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় (জেএনইউ)। ভারতীয়দের মুখে দিল্লী যাওয়ার পর থেকেই শুনে আসছি এর গুণকীর্তন। একজনকে বললাম নিয়ে চল দেখি তোদের পছন্দের ইউনিতে। প্রায় ১০০০ একরের উপর পাথর ও সবুজ পরিবেশে বিশাল মনোরম ক্যাম্পাস। ঢুকেই কিছুদূর গিয়ে বাম পাশে দেখি একদল ছেলেমেয়ে নাচের অনুশীলন করছে। ভারতন্যাটাম বা কত্থক নয়। এ একেবারে বলিউডি মশলা নাচ। অরগানাইজড। ডেডিকেটেড। কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে সিনক্রোনাইজ সেই নাচ দেখলাম। আমার বন্ধুটি জানালো প্রায় প্রতিদিন এখানে এই অনুশীলন চলে। বেশ তো!

আর একটু এগিয়ে যেতেই দেখি বেশ বড়-সড় একটি মিছিল আসছে। স্লোগানগুলো বাংলায় তরজমা করলে এমন হয়, ‘ইসরাঈল নিপাত যাক, মানবতা মুক্তি পাক’‘প্যালেস্টাইনের উপর আগ্রাসন বন্ধ হোক’‘ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব চাই’‘পূঁজিবাদ নিপাত যাক’। সে সময় ঈসরাইল গাজাতে হামলা চালাচ্ছিল। তারই প্রতিবাদস্বরূপ এই মিছিল।

একেবারে বাঙালী স্টাইল। তবে এখানে এই পরিবেশে প্যালেস্টাইনের মুক্তি নিয়ে চিন্তিত মানুষ দেখে বেশ অবাক হলাম। ভারতীয় বন্ধুটি জানালো এটাই জেএনইউ এর সৌন্দর্য। ভারতসহ বিশ্বের যেখানেই মানবতা ভূলন্ঠিত হোক, সেখানের জন্যই জেএনইউ এর মন পোড়ে। উদারনৈতিক ও ক্ষুধামুক্ত একটি বিশ্বের স্বপ্ন দেখে এখানকার বেশির ভাগ ছাত্র। এরাই ভারতের বহুধাবিভক্ত সমাজে লিংকারের কাজ করছে দেশ-বিদেশ ছড়িয়ে থেকে। ক্যাম্পাসের দেয়ালগুলোতে এইসব নিয়ে স্লোগান ও চিকায় ভরে আছে।

ভিতরের গল্পঃ পৃথিবীতে নিজেকে প্রথমে ‘মানুষ’ ভাবনার মানুষের সংখ্যা নিদারুনভাবে কমে গেলেও একেবারে নিঃশেষ হয়ে যায় নি রে গেদু!

২.আয়নার ওপিঠ

একদিন দিল্লী জামে মসজিদের পাশে চাঁদনি চকে কয়েকজন মিলে হাঁটছি। তখন ডিসেম্বরের কলজে হিম করা ঠান্ডা। তাপমাত্রা ৩/৪ ডিগ্রির কাছে থাপড়াথাপড়ি করছে। সাথে যোগ হয়েছে হিমালয় থেকে পালিয়ে আসা কনকনে হাওয়া।

শুক্রবার। কাজ শেষে সন্ধ্যার একটু আগেই সেন্টুর হোটেল থেকে এখানে চলে এসেছি কিছু কেনাকাটা করার জন্য। রাত প্রায় আটটা বাজে। হঠাৎ দেখি একটি গলির মতো জায়গায় বিশাল একটি জটলা। লোকজনের হুড়োহুড়ি। মানে আমাদের ত্রান বিতরণ করলে যেমন লুটোপুটি হয় আর কি! ঐ লুটোপুটির আসর থেকে টমের মতো পল্টি দিয়ে যারা বের হয়ে আসছে তাদের হাতে দুটো-তিনটে করে ‘জিনিস’।

হ্যাঁ, জিনিস মানে বিয়ার, স্কচ, হুইস্কি, রাম, ব্রান্ডি, ভদকা, জিন, ওয়াইন, দেশী দারু, ফেনি, আরক সহ নানা প্রকারের, নানা আকারের, নানা রঙের, নানা ডিজাইনের বোতল। নো লাইসেন্স। নো এইজ ভ্যারিফিকেশন। চাহিবামাত্র কড়াক হাজির।

আমি একজন ভারতীয় বন্ধুর দিকে তাকালাম, রহস্য কি? উনি জানালেন কাল থেকে দুইদিন উইকেন্ডের ছুটি। এইসময় সবাই পঙ্গপালের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে ঐসব জিনিসের প্রতি। দিন দিন নাকি এটা ভীষণ বেড়ে চলেছে। পাশেই দেখলাম দাঁড়ানো একটি ট্রাক থেকে বিজয় মালিয়ার কিংফিশার ব্রান্ডের মাল আনলোড হচ্ছে।

ভীষণ চাহিদা। প্রচুর যোগান। লাগামহীন পান। অসংখ্য রেই...।

ভিতরের গল্পঃ কিছুদিন পরেই (ডিসেম্বর, ২০১২) এরকমই এক রাতে কিছু মাতালের হাতে সম্ভ্রম হারিয়ে নির্মমভাবে প্রাণ হারাতে হয়েছিল বোন নির্ভয়াকে। আধুনিক হতে গিয়ে কিছু লোক প্রায় ‘ক্যাপিটাল অব রেইপ’ বানিয়ে ফেলেছিল হাজার বছরের এই ঐতিহ্যবাহী শহরটাকে!

৩.বন্ধন

রমজান মাস শুরু। চিন্তা হচ্ছিল কীভাবে ইফতার সেহেরী করব এখানে? কারণ তখনও দিল্লী ততটা পরিচিত হয়ে উঠে নি। চানক্যপুরী। হোটেল লীলা প্যালেস ও নেহেরু পার্কের মাঝের কর্ণারে একটি সুন্দর জায়গাতে কিছু ফাস্টফুডের দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। লোকজনের ভালোই আনাগোনা এখানে। পাশে বিভিন্ন দেশের এমব্যাসি থাকায় বিদেশীর আনাগোনাও প্রচুর।

সেখানেই ইফতারের আগে একটি জায়গায় অস্থায়ীভাবে নামাজের জায়গা বানানো হয়েছে। পাশ দিয়ে হাঁটার ব্যস্ত রাস্তা। সেই রাস্তা দিয়ে হাঁটতে গিয়ে সেখানে থামলাম আমরা। বেশ সুশ্রী এক টুপি-দাঁড়ি-পাঞ্জাবী-পাগড়ি পরিহিত যুবক এসে আমাদের পরিচয় জানতে চাইল। দিলাম। নিমন্ত্রণ করল। তখন প্রায় ইফতারের সময় হয়ে এসেছে। সুন্দর আয়োজন ইফতারের। নানা পদের ফলমূল। লুচি-হালুয়া। এক গ্লাস লাচ্ছি। একেকদিন একেক ধরণের খাবার। ফ্রিতে খাওয়ানো হচ্ছে সবাইকে। মুসলিম-হিন্দু-ক্রিশ্চিয়ান যে কেউ বসে যেতে পারে। পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া লোকজন অবাক হয়ে দেখছে। আমাদের টিমেও নানা দেশের নানা ধর্মের লোক। খেয়ে কেউ খুশি হয়ে ওদের ফান্ডে টাকা দিলে সেটাও নেওয়া হয়। সারা রমজান মাস এভাবেই চলবে। আমরা জানালাম রমজান মাসে আমরা মাঝে মাঝে এখানেই ইফতার করতে চাই। আমরা টাকা দিতে গেলে এক মুরুব্বি এসে জড়িয়ে ধরে বললেন আপনারা আমাদের ভিনদেশী মেহমান। কিছুতেই টাকা নিলেন না।

জানালো তারাবীর নামাজও এখানে হয়। আমাদের জন্য আরো বিস্ময় অপেক্ষা করছিল। তারাবীর নামাজের পর প্রতিদিনের জন্য চিকেন/মাটন বিরিয়ানির আয়োজন। অর্থাৎ নামাজ শেষে ভরপেট খেয়ে দেয়ে চলে আস। পরে আমরা উনাদের একটি চ্যারিটি ফান্ডে কিছু টাকা পয়সা দিলেও প্রায় পুরোটা মাস আমাদের দাওয়াত দিয়ে ইফতার ও তারাবীর পর মেহমানদারী করিয়েছিল। শুধু আমরা না ওখানে আসা অন্য মুসলিম ভাইদেরও তাই। কিছু ধনী মুসলিম ব্যবসায়ী আছে ঐ এলাকায়। উনারায় নাকি এটি চালু করেছে কয়েক বছর আগে রোজাদারী মানষের কষ্টের কথা ভেবে।

ভিতরের গল্পঃ দেশ-কাল-স্থান ভিন্ন হলেও ভাতৃত্ববোধ বুঝি এমনই! সকল মত-পথের সাথেই যদি এরকমই বন্ধন হত তাহলে পৃথিবীতে বেঁচে থাকা কি আরো রঙিন হয়ে উঠত না!!


৪.বন্ধুত্ব

সেন্টুর হোটেল বাইরে থেকে ফিরলাম। ডিনার ৭টা থেকে ৯টা। তখন সাড়ে আটটা। ভাবলাম তাড়াতাড়ি করে হাতব্যাগটা রুমে রেখে ফ্রেশ হয়েই দৌড় দিব খাওয়ার জন্য। রুমমেট আগেই চলে এসেছে। লিফট থেকে তাড়াতাড়ি বের হয়ে রুমের দরজার কার্ড পাঞ্চ করতে গিয়ে দেখি খোলা। হুড়মুড় করে ঢুকে ব্যাগটা বেডে ছুঁড়ে ফেলেই স্ট্যাচু হয়ে গেলাম।
রুমমেটের বেড থেকে তিন জোড়া হরিণী চোখ যুগপৎ বিস্ময় নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। ঘটনার আকস্মিকতায় আমিও ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে হাঁ করে তাকিয়ে আছি কমলা কালারের বিয়ের লেহেঙ্গা পরে থাকা রাধা ও সুন্দরী গোপীদের দিকে। এ জিনিস আমাদের রুমে আসল কি করে?

একজন হিংলিশে জানতে চাইলেন আমার পরিচয়। আমিও পালটা জানতে চাইলাম আপনারা আমাদের রুমে কি করছেন? যদিও আমার ভারতীয় রুমমেট মাঝে মাঝে ওর প্রেমিকাকে রাজস্থানের জয়পুর থেকে আনত। তখন আমি কাবাব মে হাড্ডি হয়ে লবিতে উদাস হয়ে হেমন্ত দা’র গান শুনতাম 'অলিরও কথা শুনে বকুল হাসে, কই তাহার মতো তুমি আমার কথা শুনে হাসো না তো। ধরারও ধূলিতে যে ফাগুন অাসে, কই তাহার মতো তুমি আমার কাছে কভু অাসো না তো'। । এবার একসাথে তিনজনকে দেখে একটু ভড়কেও গেলাম। দম আছে ভায়ার। সাথে আবার বিয়ের পোশাক। আমার তথৈচব অবস্থা উনারা বুঝতে পেরে প্রতিউত্তরে জানালেন রুম নাম্বার চেক করে ঢুকেছি কিনা। তাড়াতাড়ি দরজার কাছে এসে দেখি ভুল করে রুম নং ৩০২ এর জায়গায় ২০২ এ ঢুকে পড়েছি। হায় রে ক্ষুধা!!

একটা বলদামার্কা ভেটকি মাছের মতো হাসি দিয়ে ‘সরি’ বলতেই উনারা হৈ হৈ করে উঠলেন। ইতোমধ্যে রুমে আরো কিছু ছেলেমেয়ে, মহিলা এসে ঢুকল। সবাই আমার এই কাণ্ডে হেসে খুন। আমিও উনাদের দাঁত কেলানিতে অংশগ্রহন করলুম। পরে ডিনারের কথা স্মরণ হতেই উনাদের বললাম ডিনারের সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে। যেতে হবে। আমার এই ব্যস্ততাই উনারা আমাকে উপস্থিত দাওয়াতই দিয়ে বসলেন উনাদের সাথেই বিয়ের ডিনার তথা বিয়েতে অংশগ্রহণ করতে। ইনসিস্ট করল। মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি। জানালাম আমি মুসলিম। প্রতিউত্তরে প্রিটি প্রিটি গার্লের ‘কিয়া বাত হ্যায় জান, কাম অন’। এতদিন শুধু রুমের জানালা দিয়ে সুইমিংপুলের পাশে বিয়ের খানা-পিনা আর আয়োজন দেখতাম। আজকে সুযোগ হল নিজেও অংশ নেওয়ার।

এরকম বিয়ে শীতকালে প্রায় প্রতিদিন লেগেই থাকে সেন্টুর হোটেলে। সরকারী হোটেল। ডিসকাউন্ট পায় সরকারী আমলা ও নেতারা। এরপর সেইরাতে উনাদের সাথে বেশ মজা করেই পার করলুম। ডিজে পার্টিতে পাঞ্জাবী স্টাইলে কৃষ্ণ সেজে রাধাদের সাথে নাচও দিতে বাধ্য হলুম। রাত তিনটার দিকে কন্যা সম্প্রদানের লগ্ন আসল। মালাবদল হল। আকস্মিকভাবে চমৎকার কিছু মানুষের সাথে পরিচয় হয়ে গেল যা এখনো অটুট রয়েছে।

ভিতরের গল্পঃ ভারতীয়রা বিয়েতে প্রচুর খরচ করে। বিশেষ করে পাঞ্জাবী বিয়েগুলোতে বেশি। এই একটি জায়গাতে কিপ্টামুর কোনো চিহ্ন দেখতে পাই নি। এ ছাড়া প্রতিটা বিষয়ে এদের কিপ্টামু কিংবদন্তি পর্যায়ের!!



ছবি: লেখক। ইন্ডিয়া গেট। সেন্টুরের বিয়ের অায়োজনের ছবি (রুম থেকে তোলা)। জেএনইউ'র দেয়ালচিত্র।
@দিল্লী কড়চাঃ কিছু ঘটনার মুখোমুখী-৩
@দিল্লী কড়চাঃ কিছু ঘটনার মুখোমুখী-২
@দিল্লী কড়চাঃ কিছু ঘটনার মুখোমুখী-১
**********************************************************************************************
©অাখেনাটেন/২০১৮

মন্তব্য ৯৫ টি রেটিং +১৮/-০

মন্তব্য (৯৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:০২

রাজীব নুর বলেছেন: আমি কিন্তু আপনারে লেখার ভক্ত।

২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:২৫

আখেনাটেন বলেছেন: :D

জেনে প্রীত হলুম।

ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

২| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:২৬

কিরমানী লিটন বলেছেন: অনেক তথ্য সমৃদ্ধ লিখা- মুগ্ধ শুভকামনা...।

২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৫

আখেনাটেন বলেছেন: খুশি হলুম জেনে।

অনেক অনেক শুভকামনা রইল ব্লগার কিরমানী লিটন।

শুভেচ্ছান্তে.......

৩| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৩১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বাহ বাহ পরিচিত দৃশ্য অনেকদিন পর দেখলাম।
ভালোলাগলো বেশ। লেখায় অবশ্যই +++

২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৬

আখেনাটেন বলেছেন: আপনার অভিজ্ঞতা জানতে পারলে ভালো লাগত মনিরা'পা। :D

অনেক অনেক শুভকামনা ও ঢিংকা চিকা-ঢিংকা চিকা নাচসমৃদ্ধ শুভেচ্ছা। :P
ভয় করছে, মোল্লাদের দেশে থাকেন। হয়ত ভাবছেন, ঢিংকা চিকা ঢিংকা চিকা এ কেমন শুভেচ্ছা--কি বেহায়া ছেলে রে বাবা? নাউযুবিল্লাহ। :-P

ভালো থাকুন মনিরা'পা। :D

৪| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


শেষটা টপ অভিজ্ঞতা; ভারতের মানুষ বিচিত্র

২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৫১

আখেনাটেন বলেছেন: চাঁদগাজী বলেছেন: শেষটা টপ অভিজ্ঞতা; -- হা হা হা।

আমার কিঞ্চিত ধারণা হয়েছিল আপনি লাস্টের অভিজ্ঞতার উপর কিছু একটা বলবেন। হলোও তাই। রাধা যেখানে নৃত্যরত সেখানে কৃষ্ণরা কি কথা না বলে থাকতে পারে? ;)

ভারতের মানুষ বিচিত্র -- খাঁটি কথা। ভালো-মন্দ নানা চরিত্রের মানুষের সাথে পরিচয় হয়েছে। যদিও ভালোর সংখ্যায় বেশি। বিচিত্র সংস্কৃতির মেলবন্ধন।

শুভেচ্ছা নিবেন। ভালো থাকুন।

৫| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৪

মাহবুবুল আজাদ বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন +++

২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৬

আখেনাটেন বলেছেন: প্রীত হলুম।

শুভেচ্ছা নিবেন মন্তব্যের জন্য ব্লগার কবি মাহবুবুল অাজাদ।

ভালো থাকুন।

৬| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৫১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: হাহাহাহাহা মোটে' ও মোল্লাদের দেশ না, এ হচ্ছে ইচ্ছে পূরণের দেশ। আপনার যা ইচ্ছে , আপনার যা ভালোলাগে সেসব ই করতে পারবেন এখানে। তবে যে কোন ওপেন ঢিংকা চিকায় বাধা আছে ,যেন অন্য আরেকজনের সমস্যার কারন না হয় তা।

আপনার জন্য ও শুভ কামনা।

২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০০

আখেনাটেন বলেছেন: এ হচ্ছে ইচ্ছে পূরণের দেশ --মন্দ বলেন নাই। :D

ভালো থাকুন মনিরাপা।

৭| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০২

মায়াবী ঘাতক বলেছেন: গত মাসে আমিও ভারত গিয়েছিলাম। আপনি ঠিকই বলেছেন। ভারতের মানুষ বিচিত্র। কলকাতায় যেখানে খেয়ে আসলেন না গিয়ে খাবেন জিজ্ঞাসা করে সিমলায় তার বিপরীত। গাড়িতে লিফট দেয়ার পর জোর করেও ভাড়া দেয়া যায়নি। মানুষগুলাও অনেক অমায়িক।

২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৩৪

আখেনাটেন বলেছেন: গাড়িতে লিফট দেয়ার পর জোর করেও ভাড়া দেয়া যায়নি। মানুষগুলাও অনেক অমায়িক। --ভালো লাগল জেনে।

বহু জাতির, বিচিত্র মানুষের সমাহার ভারত। কিছু কূটিল মানুষ থাকলেও বেশির ভাগই খেটে খাওয়া ভালো মানুষ।

অাপনার মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হলুম। ভালো থাকবেন।

৮| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩০

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: অভিজ্ঞতার বর্ণনার পুরো লেখাটাই যেন মুগ্ধতায় ভরপুর।

অসম্ভব ভাল লেগেছে ;)

২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৩৭

আখেনাটেন বলেছেন: তাজুল সাহেবের অসম্ভব ভালো লেগেছে নাকি অন্য কিছুর ধান্ধা এর ভিতরে। ভায়া ঝেড়ে কাশুন। ;)


শুভকামনা ও এক ডালি শুভেচ্ছা।

৯| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩২

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া ভারতেই একটা বিয়ে করে ফেলো না!

দেখি তোমার পাঞ্জাবীটা কেমন হয়!

আমাদেরকে ছবি তুলে দিতে ভুলো না। তুমি আবার নিজেই কিপটা দাওয়াৎ দেবেনা জানি! :)

২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৪৫

আখেনাটেন বলেছেন: শায়মা বলেছেন: ভাইয়া ভারতেই একটা বিয়ে করে ফেলো না! --সেটাই তো চাইছিলুম। তা হল কই? পাখি উড়ে অন্য গাছে বাসা বেঁধেছে। :(

তবে পদাতিক দা মনে হচ্ছে এবার দ্বায়িত্ব নিবে। নো চিন্তা। :D

তুমি আবার নিজেই কিপটা দাওয়াৎ দেবেনা জানি!--পাঞ্জাবি ডান্স পারলে দাওয়াত পাবেন ভাইয়ুমনি। এটা নিশ্চয়তা দিতে পারি। :P

১০| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০২

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: সুন্দর বর্ননা :)

তা শেষমেশ ললনা ;)

২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৪৭

আখেনাটেন বলেছেন: শেষমেশ ললনা তো গলল না। :D


কি করা যায় বলুন তো.........

১১| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২০

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ভারতীয়দের কাছে বিয়ে শাদী, পুজা পার্বণ, ক্রিকেট খেলা, বলিউডের হিন্দী ফিল্ম এই গুলোর জন্য টাকার সমস্যা হয়না। বাঁকি সব কিছুতেই এরা ভীষণ কৃপণ।

২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৫১

আখেনাটেন বলেছেন: ভারত বিশ্বের অন্যতম পারসোনাল সেভিংস রাখা দেশ। নিজেদের বিকাশের ব্যাপারে একটি শ্রেণি জান-প্রাণ দিচ্ছে। আরেকটা শ্রেণি সুযোগের অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার নিউজে গত পরশু দেখলাম ছত্রিশগড়ে এখন প্রায় অর্ধেক মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে বাস করছে। বেশির ভাগই তফসিলি জাতি।

মন্তব্যের জন্যে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ভাইজান।

১২| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ফারাও ভাই বরাবরের মতো আপনার 4 নাম্বার কড়চাটিও ভালো লাগলো । জে এন ইউ বা পূর্ব ভারতে যাদবপুর এখনো ভারতের চিরাচরিত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে। যেখানে ধর্ম এই সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীদের সুকুমার বৃত্তিগুলোকে নষ্ট করেনি । দিল্লিতে মোদি সরকার গত বছর এবিভিপির মাধ্যমে লাগাতার চেষ্টা করেছিল সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশকে খন্ডন করতে বা নষ্ট করে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির অনুপ্রবেশ ঘটাতে। ওখানে যেমন মোদি পারেননি ,যাদবপুরে তেমনি মমতা আপ্রাণ চেষ্টা করেও ক্ষান্ত দিয়েছেন। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী যাদবপুর ক্যাম্পাসে অসুস্থ রাজনীতির জন্ম দিতে পারেননি। এটা মমতার একটা বিরাট ব্যর্থতা । গোটা রাজ্য ওনার অঙ্গুলিহেলনে চললেও একটি ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে উনি সম্পূর্ণ ব্যর্থ।।উল্লেখ্য যাদবপুরে আই সি ও জে ইন জেএনইউতে বামপন্থী ছাত্র রাজনীতির আধিক্য থাকায় মোটামুটি সুস্থ সংস্কৃতি এ দুটি জায়গায় এখনও বজায় আছে।

তারাবির অভিজ্ঞতা নতুন নয় ।এটা মোটের উপর সব শহরেই এটা পাওয়া যায় ।আমি ব্যক্তিগতভাবে রোজার সময় প্রয়োজনে কোথাও না কোথাও এর সন্ধান পেয়েছি।

সেন্টুর হোটেলের অভিজ্ঞতাটিতে মজা পেলাম । ভাগ্যিস ওখানে লগ্নে বর নিজে হাজির ছিলেন। নইলে তো এ দেশে বিদেশী পাত্র পেলে জোর করে ধরে বিয়ে দিয়ে দেয়। হা হা হা হা ।

এবার শায়মা আপুর সুরে বলি ,আপনি এখানে তো একটি বিয়ে করতেই পারেন । সানিয়া মির্জা তো পাকিস্তান পাত্রকে বিয়ে করে সুখী থাকতে পারেন তাহলে আপনার ক্ষেত্রে অসুবিধা কোথায় ?? আপনি বললে অবশ্য আমি নিজে দায়িত্ব নিতে পারি। হা হা হা
হা। আর যদি পাত্রী পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি হয় তাহলে আপনি যতই নাদুসনুদুস হোন না কেন না খাইয়ে ,কিপ্টেমি করে আপনাকে জন্টি রোডস বানিয়েই ছাড়বে । দায়িত্ব নিয়ে কথা বললাম । সহমত আপনার সঙ্গে কিপ্টেমিতে এ দেশের লোকেরা বিশ্বসেরা ।


শুভকামনা ভালোবাসা জানবেন।


২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০১

আখেনাটেন বলেছেন: জেএনইউতে তো কানাইয়া আর উমর খালিদকে নিয়ে এবিভিপি বড় গেমটাই খেলল। অামার বেশ কিছু পরিচিত বন্ধু রয়েছে জেএনইউ থেকে পাশ করা। তাদের চিন্তা-ভাবনার বিশালত্ব আমাকে অবাক করে। আপনাদের যাদবপুর ইউনি নিয়েও ধর্মান্ধ গোষ্ঠী নেতিবাচক প্রচারণা চালায়। তারপরও এই দুইটা ইউনি ভালোভাবেই নিজেদের অবস্থান দাঁড় করিয়েছে ভারতে।

ভাগ্যিস ওখানে লগ্নে বর নিজে হাজির ছিলেন। নইলে তো এ দেশে বিদেশী পাত্র পেলে জোর করে ধরে বিয়ে দিয়ে দেয়। --হা হা হা। মন্দ বলেন নাই। বিহারে নাকি পাত্রকে বেঁধে বিয়ে পড়ায়ে দিচ্ছে। ঘটনা সেচা নাকি।

আপনি যখন দায়িত্ব নিয়েছেন তখন আর সমস্যা দেখি না। :D

শুভকামনা নিরন্তর পদাতিক দা'র জন্য।

১৩| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪

নজসু বলেছেন:



প্রায় একশত কোটি মানুষের দেশ ভারতবর্ষ,
নানা জাতি, নানা ধর্ম নানা সংস্কৃতি।
নানান ধরনের, নানান মন মানসিকতার মানুষ।
ভালোর মাঝে মন্দ, মন্দের মাঝে ভালো থাকে।

ভারতে মানবতা মুক্তি পাবার পাশাপাশি অশ্লীলতা নিপাত যাওয়া প্রয়োজন।

অশ্লীলতা নিপাত যাক
মানবতা মুক্তি পাক।

এই শ্লোগান শুধু ইন্ডিয়ার জন্য নয়; আমার সোনার বাংলার জন্যও চাই।

শুধু ভারতেই কি নির্ভয়ারা নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারছেনা? আমাদের দেশেও তো শিশু থেকে বৃদ্ধা পর্যন্ত রেহাই নেই।
আমাদের দেশের তরুণেরাও কি জিনিসে আসক্ত?

সারা পৃথিবীতে নির্ভয়ারা নির্ভয়ে বিচরণ করুক। এটাই আমাদের কাম্য হোক।

পারস্পরিক সদ্ভাব, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের মধ্যেই সমাজের শান্তি,
শৃঙ্খলা, সংহতি ও অগ্রগতি নিহিত।

সে হোক মুসলিম, হোক হিন্দু হোক না বৌদ্ধ-খ্রিস্টান।

হিংলিশ আর বাংলিশ এই দুটোকেই খাচ্ছে ইংলিশ নামক দানবটা।

পশ্চিমা সংস্কৃতি ক্রমাগত আমাদেরকে নিঃশেষ করে দিচ্ছে।

ইন্ডিয়াকে ধ্বংস করছে পশ্চিমা।
আর আমাদের মতো অবুঝ বাঙালিরা ধ্বংস হচ্ছে পশ্চিমা আর ইন্ডিয়ার যৌথ প্রযোজনায়।

ভালো থাকবেন প্রিয় আখেনাটেন ভাই।

২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০৬

আখেনাটেন বলেছেন: শুধু ভারতেই কি নির্ভয়ারা নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারছেনা? আমাদের দেশেও তো শিশু থেকে বৃদ্ধা পর্যন্ত রেহাই নেই।
আমাদের দেশের তরুণেরাও কি জিনিসে আসক্ত?
-- হ্যাঁ, আমরাও পিছিয়ে নেই। এখানে 'বাবা'রা সক্রিয় ভীষণভাবেই সক্রিয়। এখন শুনছি গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।

পারস্পরিক সদ্ভাব, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের মধ্যেই সমাজের শান্তি,
শৃঙ্খলা, সংহতি ও অগ্রগতি নিহিত।

সে হোক মুসলিম, হোক হিন্দু হোক না বৌদ্ধ-খ্রিস্টান।
-- সহমত।

অাসলে অশিক্ষা-কুশিক্ষার দরুন এত এত অনাচার দেশে। অামরা শিক্ষাকে কখনই প্রধান নিয়ামক ধরি নি জাতি গঠনে। শিক্ষাক্ষেত্রে বাজেট দেখলেই টের পাওয়া যায়।

সুন্দর মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ব্লগার নজসু। ভালো থাকবেন।

১৪| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:১৩

সুমন কর বলেছেন: আপনার কড়চা খুব সুন্দর হয়। নানা রঙের অভিজ্ঞতা আর আপনার নিজস্ব মতামতগুলো বেশ লাগে।
+।

২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০৮

আখেনাটেন বলেছেন: অাপনি হচ্ছেন টপ কোয়ালিটির পাঠক প্রিয় কবি সুমন কর। :D

যেভাবে কাঁচা লেখকদের উৎসাহ দিয়ে যান সেটা সত্যিই অতুলনীয়।

ভালো থাকুন নিরন্তর।

১৫| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৩৭

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: সেকুলারিজম দিয়ে মানবতার কথা ভাবাও একটা বড় পাপ।

২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:১১

আখেনাটেন বলেছেন: এটা দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার।

যে কোন ধরণের গোঁড়ামী সমাজের জন্য ভালো কিছু বয়ে অানে না।

ভালো থাকুন নিরন্তর।

১৬| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:২২

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: লেখক বলেছেন: এটা দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার।

যে কোন ধরণের গোঁড়ামী সমাজের জন্য ভালো কিছু বয়ে অানে না।

ভালো থাকুন নিরন্তর।


ধ্বংস ডেকে আনে।
আল্লাহ সকলকে হেফাজত করুক।সুবুদ্ধি দান করুক।

২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৪০

আখেনাটেন বলেছেন: আল্লাহ সকলকে ধর্মান্ধতা ও গোঁড়ামী থেকে হেফাজত করুক। সুবুদ্ধি দান করুক।


ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

১৭| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:২৩

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: আপনার কড়চাগুলো দারুণ আকর্ষণীয়! আর আপনার লেখার স্টাইলও একেবারে ব্যতিক্রমী। শুধু পড়তেই মজা নয়, শিক্ষণীয় অনেককিছুই থাকে। বরাবরের মতই একটানে পড়ে ফেললাম। প্লাস।

২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৪৩

আখেনাটেন বলেছেন: প্রীত ও অনুপ্রাণিত হলুম মন্তব্য পড়ে। :D


অনেক অনেক শুভেচ্ছা ব্লগার সম্রাট ইজ বেস্ট। আপনার নতুন কোনো পোস্ট দেখি না অনেক দিন থেকে।


১৮| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৪০

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: [কি রে অখা পিএইচডি! ভালোই তো লিখতে পারিস দেখছি...]


মন্তব্য:
১। আমাদের ক্যাম্পাসের কতগুলো দলীয় স্লোগানের বাইরে কিছু বলতে শুনিনি।
২। আমাদের দেশেও মাল খাওয়া লোকের সংখ্যা বাড়ছে।
৩। @ দেশ-কাল-স্থান ভিন্ন হলেও ভাতৃত্ববোধ বুঝি এমনই!
মানুষ বরাবরই ভালো। সালা রাজনীতিবিদরা সুবিধা আদায়ের জন্য সাম্প্রদায়িক বিভেদ তৈরী করে রেখেছে। ভারতের মোদি একটা বড় বদ।
৪। মজার কাহিনী।

২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৩০

আখেনাটেন বলেছেন: হা হা হা। (মন্তব্য ব্যান ২০ দিন) :D


ভালো বিশ্লেষণ করেছেন। কলুষিত রাজনীতি আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক, মানবিক, সামাজিক, অর্থনৈতিকসহ সকল প্রকার বিকাশের জন্য অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের ভাগ্যে লি কুয়ান, পার্ক কিংবা মাহাথিরের মতো নেতারা নেই। যারা দেশের স্বার্থে, জাতির স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে নিজেদের অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে।

শুভেচ্ছা রইল পাপ্র।

১৯| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৩৩

পদ্ম পুকুর বলেছেন: এই মুহুর্তে সামুতে যে সব সিরিজ চলছে, আমার মনে হয়, এই সিরিজটাই সেরা। আপনার মত লিখতে ইচ্ছে হয় খুব্।

২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৫৭

আখেনাটেন বলেছেন: পুরোনো স্মৃতিগুলোকে অক্ষরে প্রকাশ। আপনাদের ভালো লাগছে জেনে উৎসাহ পাচ্ছি।

আপনি নিজেও দেশ-বিদেশ ভ্রমণ করেন। লিখে ফেলতে পারেন কোনো চমৎকার অভিজ্ঞতা। আমরাও জানি। সেটা ভ্রমণ অবস্থায়ও লেখা যায় মোবাইল বা ফ্যাবে।

আপনাকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ব্লগার পদ্ম পুকুর সুন্দর ও অনুপ্রেরণামূলক মন্তব্যের জন্য।

ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

২০| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:৩৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: এক সমীক্ষা রিপোর্ট এ পড়িয়াছিলাম ভারতের পুরুষদের মধ্যে ৫০% দারু পিয়ে থাকে !! আমাদের কি অবস্থা কে জানে ? :(

বর্ণনা ভালো হইয়াছে। দিল্লি আমারও ভালো লাগিয়াছে !

২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:২৯

আখেনাটেন বলেছেন: আমরাও আর পিছিয়ে নেই। তবে যোগানের ঝামেলার কারণে এখনও অনেক পিছিয়ে আছি যদিও। আর ওয়েদারও একটা ফ্যাক্টর এই জিনিস পানে। তবে সময়ে বাড়বে এতে সন্দেহ নেই। এখন যদিও বিধ্বংসী 'বাবা' দ্বারা পুরুন হচ্ছে।


ভালো লাগায় অনেক শুভেচ্ছা। ভালো থাকুন।

২১| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:৪৪

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: বাস্তব অভিজ্ঞতার সুন্দর উপস্থাপন! ;)



ভালো লাগলো+

২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৪১

আখেনাটেন বলেছেন:
ধন্যবাদ কবি।

ভালো থাকুন। শুভেচ্ছা।

২২| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:০৯

পুলক ঢালী বলেছেন: আপনার কড়চা চর্চা দারুন হয়েছে। জেএনউ এর সাথে চাণক্যপুরীর এপিঠ ওপিঠে খটকা লেগে গেল। ভেটকী মাছ আর বলদা উপাখ্যান চ্রম লাগলো। ৪টি ঘটনার প্রত্যেকটির রসময় উপস্হাপন খুব ভাল লেগেছে। চলতে থাকুক আপনার দিল্লী কড়চা আনলিমিটেড। ভাল থাকুন মিশরীয় ভাই। :D

২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৪৪

আখেনাটেন বলেছেন: খুশি হলুম জেনে ব্লগার পুলক ঢালী ভাই।


জেএনইউ তে ঘুরতে যাওয়া আর চাণক্যপুরী কাজ আর সেন্টুর থাকা। :D

ভেটকী মাছ আর বলদা উপাখ্যান চ্রম লাগলো। --- হা হা হা। আমারও ভালো লেগেছিল।

শুভেচ্ছা নিবেন। ভালো থাকুন।

২৩| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:১১

প্রামানিক বলেছেন: পড়ে খুব মজা পেলাম। ধন্যবাদ

২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৪৫

আখেনাটেন বলেছেন: ধন্যবাদ প্রামানিক ভাই।

অনেক দিন পর দেখলুম আপনাকে মনে হচ্ছে।

ভালো থাকুন।

২৪| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৬

জুলিয়ান সিদ্দিকী বলেছেন: মজার পোস্ট।

২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৪৬

আখেনাটেন বলেছেন: জুলিয়ান সিদ্দিকী বলেছেন: মজার পোস্ট। --- খুশি হলুম ভাইজান শুনে।


শুভেচ্ছা ও শুভকামনা থাকল। ভালো থাকুন।

২৫| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৩

জুন বলেছেন: আখেনাটেন,
বড় পরিচিত দৃশ্যের মাঝে ঘুর ঘুর করলাম আপনার দিল্লীর করচা পড়ে । সাধারন মানুষরা সব দেশে সব খানেই ভিন্ন । আপনার অভিজ্ঞতাগুলো অত্যন্ত উইটি যা অসাধারন ভাবে উপস্থাপনা করেছেন পড়তে খুবই ভালোলাগলো ।
ভুল নম্বরে ঢুকে পড়ার ব্যপারটায় খুব মজা পেলাম :)
+

২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৪৮

আখেনাটেন বলেছেন: বড় পরিচিত দৃশ্যের মাঝে ঘুর ঘুর করলাম আপনার দিল্লীর করচা পড়ে -- তারমানে আপনার ভাণ্ডারেও অনেক কিছুই জমা আছে মনে হচ্ছে। আমাদেরকেও জানানা জুনাপা। অপেক্ষায় থাকলুম।


অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা ও শুভকামনা রইল আপনার জন্য। সুস্থ থাকুন। সুন্দর থাকুন।

২৬| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪০

করুণাধারা বলেছেন:  দিল্লিবাসের নানারকম অভিজ্ঞতা! জীবনে কখনো দিল্লিতে না গিয়েও আমি মনে হচ্ছিল সবকিছু দেখতে পাচ্ছিলাম। জেএনইউতে সারাদিন ধরে এক ঘুরান দিলেই মনে হয় নানারকম কালচার, নানারকম মানুষ আর বিশ্বে ঘটে যাওয়া অনেক ঘটনা সম্পর্কে জানা হয়ে যায়।  ছুটির দিন হলেও মদের ফোয়ারা ছোটাতে হবে! তাহলে তো নানারকম ক্রাইম ঘটবেই। রমজানে এভাবে রোজাদারদের খাওয়ানো শুনে মনে হল আমাদের দেশে হাজার কোটি টাকার মালিক বড়লোকেরা ট্রাক ভরে যাকাতের শাড়ি দেন, কিন্তু রোজাদারদের এভাবে খাওয়ানোর ধারণা এদের মানসিকতায় নেই। এদেশে অনেক গরিব মানুষ অল্প খাবার দিয়ে ইফতার সারেন।

শেষ ঘটনাটা দুর্বোধ্য!! হাসি যদি বলদা মার্কা, ভেটকি মাছের মতই হবে, তাহলে তারা এত খাতির করলো কেন, যদি তাদের ভালোই না লাগবে!! আবার কৃষ্ণ সাজে রাধাদের সাথে নাচতেও হলো? ..............
এই ঘটনা বর্ণনা শেষে ভিতরের গল্প বলে যা বলেছেন, মনে হচ্ছে সেটা ঠিক না, বাকি  তিনটার ভিতরের গল্প ঠিকই আছে।

যেমন চমৎকার অভিজ্ঞতা, তেমনি তার বর্ণনা! লাইক।

২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৫৯

আখেনাটেন বলেছেন: দিল্লী কসমোপলিটান সিটি। লাখো বিদেশী বাস করছে। বছরে প্রায় এক কোটি বিদেশী পর্যটক আসে বেড়াতে এখানে। ফলে নানা রকম বৈচিত্র এখানে। সাথে হাজার বছরের ঐতিহ্য। বিশ্বের অন্যতম পুরাতন ও ঐতিহ্যবাহী সিটি। পরতে পরতে ইতিহাস। ভালো না লেগে পারে না।

ইফতার ও তারাবীর ব্যাপারটাতে আমিও বেশ পুলকিত হয়েছিলাম।

শেষ ঘটনাটা দুর্বোধ্য!! হাসি যদি বলদা মার্কা, ভেটকি মাছের মতই হবে, তাহলে তারা এত খাতির করলো কেন, যদি তাদের ভালোই না লাগবে!! আবার কৃষ্ণ সাজে রাধাদের সাথে নাচতেও হলো? --- হা হা হা। অাসলে সেই ভেটকি হাসি মানে বোকা বোকা হাসিই মনে হয় উনাদের কুপোকাত করেছিল। ভিলেইনি হাসি দিলে তো পিঠের ছাল থাকত না অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে। হা হা হা।

এই ঘটনা বর্ণনা শেষে ভিতরের গল্প বলে যা বলেছেন, মনে হচ্ছে সেটা ঠিক না -- অাসলে অামি এক্সপেক্ট করে নি যে তারা আমাকে এভাবে ইনভাইট করবে আবার ইনসিস্ট করবে পার্টিসিপেইট করার জন্য। কারণ দিল্লীতে ততদিনে থেকে বুঝেছি যে বেশিরভাগই অত্যন্ত অান্তরিক হলেও টাকা-পয়সা খরচের ব্যাপারে ভীষণ হিসেবী। সেটা কাছের বন্ধুর ক্ষেত্রেও। সেজন্যই ঐ নিমন্ত্রণে অবাক। :D

অাপনার চমৎকার মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ করুণাধারাপা। শুভকামনা। ভালো থাকুন নিরন্তর।


২৭| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৬

বলেছেন: অনেককিছু জানা হলো -- আয়নার ওপিঠ সব সমাজই কম বেশি পরিলক্ষিত হয় ---



আপনার লেখা সত্যি অসাধারণ শব্দচয়নে ভরপুর।

ভালোলাগা

২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০০

আখেনাটেন বলেছেন: ল ভাইয়ের মন্তব্যে প্রীত হলুম।


শুভেচ্ছা ও শুভকামনা থাকল। ভালো থাকুন। আর এভাবেই পাশে থাকুন।

২৮| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:২৭

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন:






চারটার মধ্যে তিনটা ঘটনাই পজেটিভ। তার মানে আমরা বেশিরভাগই ভাল। স্বল্প কিছু খারাপের জন্য পৃথিবী নড়বড়ে।

অভিজ্ঞতার চমৎকার বর্ণনা মুগ্ধ করলো।

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৫৩

আখেনাটেন বলেছেন: চারটার মধ্যে তিনটা ঘটনাই পজেটিভ। তার মানে আমরা বেশিরভাগই ভাল। স্বল্প কিছু খারাপের জন্য পৃথিবী নড়বড়ে। --চমৎকার একটি জিনিস লক্ষ করেছেন। হ্যাঁ, আমাদের বেশির ভাগই ভালো। কিন্তু নানা অসঙ্গতি আমাদের কলুষিত করে ফেলছে নানাভাবে।

আপনার লেখাগুলি ভালো লেগেছে জেনে প্রীত হলুম। শুভকামনা ভালো থাকুন প্রিয় ক্থাকথি।

২৯| ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:২৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: আখেনাটেন,




নিত্য ঘটে যাওয়া সাধারণ ঘটনাগুলোও কি অবলীলায় তুলে এনে পাঠককে অন্যরকম কিছু ভাবনার সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন!
কেবল দুটো সন্ধানী চোখই যে যাবতীয় সাধারণ ঘটনার ভেতর থেকেও কিছু কিছু সত্য তুলে আনতে পারে, আপনার এমন লেখাগুলো তারই স্বাক্ষী।

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:০৩

আখেনাটেন বলেছেন: চমৎকার মন্তব্যের জন্য প্রথমেই আপনাকে শুভেচ্ছা প্রিয় ব্লগার অাহমেদ জী এস।

আমি নিজে ঘুরতে পছন্দ করি। একা একা হলেও। নানা মানুষের জীবনের গল্প শুনতে ভালোলাগে। পরিবর্তনগুলো নিয়ে চিন্তা করতে ভালো লাগে। তাই ছোট ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোকেও বিশ্লেষণ করার প্রয়াস পাই। যদিও এটা অাহামরি কিছু না। কিন্তু আমার ব্যক্তিসত্ত্বার উৎকর্ষে চলতে ফিরতে নানা ঘটনা নানাভাবে প্রভাব ফেলেছে এটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানবেন। ভালো থাকুন।

৩০| ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৫৪

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: ভীন দেশী গল্প জানলাম। আসলে মানুষের কাছাকাছি না গেলে বুঝা যায় না কে কেমন? চমৎকার লেখনির জন্য ধন্যবাদ।

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:১৩

আখেনাটেন বলেছেন: শুভেচ্ছা ও শুভকামান সাদা মনের মানুষ ভাই।

ভালো থাকুন।

৩১| ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:০০

নীল-দর্পণ বলেছেন: বাহ! বেশ মজার সব ঘটনা, বিশেষ করে শেষটা! =p~

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:১৫

আখেনাটেন বলেছেন: শেষটা তো ভালো লাগবেই। পাঞ্জাবী ডান্স কার না ভালো লাগে। :P


শুভকামনা রইল ব্লগার নীল-দর্পণ।

৩২| ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:১০

নীল আকাশ বলেছেন: দেরিতে আসলাম, দু:খিত, খুব ব্যস্ত ছিলাম। লেখাটা আমি কয়েকবার পড়লাম, চমৎকার লিখেছেন। বিভিন্ন দেশে না ঘুরলে এদের সম্পর্কে জানা যায় না।

ভারতে আমি গিয়েছি প্রায় ৫ বার। ৪ বারই হায়দারাবাদ, কর্নাটক পেরিয়ে তামিল এর ভিতরে। এখানকার লোকজন অমায়িক ভদ্র, এতই ভদ্র যে কথা বলার সময় খুব লজ্জা লাগতো। আমরা ভারতীয় বলতে যাদের বুঝি তারা হলো কলকাতার খেস্টা পাবলিকদের। বউ কে নিয়ে বিয়ের পর ঘুরতে কলকাতায় গিয়েছিলাম। পুরোই খাচ্চর একটা জাতী। বেনসন সিগারেটর একটা প্যাকেট কিনছিলাম দেখে ৬/৭ জন চোখ বড় বড় করে জিগ্গেস করলো দাদা কি ওপার থেকে এসেছেন নাকি? খাবার অর্ডা্র দিলে আবার এসে জানতে চাইতো ঠিক মতো দিয়েছি নাকি? টাক্সি কাব গুলি ড্রাইভার গুলি ছিল বাটপার। পথঘাট না চিনলে খবর আছে, একবার ১ ঘন্টা ঘুরিয়ে আগের জায়গার একটু সামনে নামিয়ে দিয়ে বলল, দাদা এটাই সেই জায়গা.......।
দিল্লী, কর্নাটক আর হায়দারাবাদ এর লোকজন কে খুব ফাস্ট মনে হয়েছিল, তবে ভন্ডামী একদমই নেই।

চমৎকার এই লেখাটায় ৩ আর ৪ নাম্বার টা মন ছুয়ে গেল। ২ নাম্বার টার ব্যাপারে বলতে গেলে বলতে হয়, তবে বর্তমানে ভারতে যা হচ্ছে সেটার সাথে এদের বিকৃত ভাবে চলাফেরাও কিছুটা দায়ী। নিজের সংস্কৃতি ছুড়ে ফেলে দিয়ে পাশ্চাত্য সংস্কৃতি আকড়ে ধরে এরা নিজেদের সমাজ টাকে পুরোপুরি ধংশ করে দিয়েছে। ইন্টারনেটের একটা জরিপে সেদিন দেখলাম পরকীয়া করার কানাডিয়ান একটা ওয়েব সাইটে ভারতীয়দের একাউন্ট প্রায় ৭০ ভাগ, অবাক হলেও সত্য মেয়েদের একাউন্টই বেশী! এসব সমাজে এই রকম হবে না কোথায় হবে! মেয়েদের চলা ফেরা কিছু কিছু জায়গায় খুবই উগ্র মনে হয়েছে, পোষাক এর কথা বলছি। কেউ যদি নিজেকে পন্য বানাতে চায়, টাও আবার এই রকম লোভনীয় পন্য, গ্রাহকের কি আসলেও অভাব হবে?
দুর্দান্ত একটা লেখা দেবার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
শুভ কামনা রইল!

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৪৭

আখেনাটেন বলেছেন: দেরিতে আসলাম, দু:খিত, খুব ঘুরাঘুরির মধ্যে ছিলাম। :D


ভারত বিরাট দেশ। নানা জাতি। নানা চিন্তার মানুষ। তবে এটা ঠিক যে উত্তরের চেয়ে দক্ষিণের লোকজন ভালো। শিক্ষার ফল।

চমৎকার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা রইল ব্লগার নীল আকাশ।

ভালো থাকবেন।

*অনেক দিন পর ব্লগে আবার লগ ইন করার সুযোগ হল। অনেক নতুন মুখ দেখছি। :)

৩৩| ২৫ শে নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:৫২

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: লেখা খুব ভাল লেগেছে ভাইয়া।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৪৯

আখেনাটেন বলেছেন: ধন্যবাদ ব্লগার মোস্তফা সোহেল।

লেখাটি পড়েছেন জেনে ভালো লাগল।

ভালো থাকুন নিরন্তর।

৩৪| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:০২

ফারিহা হোসেন প্রভা বলেছেন: চমৎকার একটি ঘটনার বর্ণনা শুনলাম, ভাল লেগেছে অনেক.....
শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৫২

আখেনাটেন বলেছেন: ফারিহা হোসেন প্রভা বলেছেন: চমৎকার একটি ঘটনার বর্ণনা শুনলাম -- ফারিয়া আপুমনিতা একটি বর্ণনা শুনেছেন। বর্ণনা কিন্তু চারটে ছিল। :D

মন্তব্যের জন্য অশেষ শুভকামনা রইল।

৩৫| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৩৯

চাঙ্কু বলেছেন: হাইস্কুলে পড়ার সময় জেএনইউ থেকে এক বড় ভাই পাশ করে বের হয়েছিল। উনার কাছ থেকে জেএনইউ এর এত গল্প শুনেছি। একদিন যাওয়ার ইচ্ছা আছে!!

ইন্ডিয়ান-দের মদপ্রীতি মাঝে মাঝে পেইন লাগে!! ছুটির দিন হলেই এরা মনে হয় পানির বোতলের আগে মদের বোতল খোলে!

বিয়ের খানা-পিনার কথাতো কিছু বললেন না! ;)

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৫৮

আখেনাটেন বলেছেন: একদিন যাওয়ার ইচ্ছা আছে!! -- শীঘ্রই সে আশা পূর্ণ হোক চাঙ্কু জেডার। :D


মনে হয় পানির বোতলের আগে মদের বোতল খোলে! -- হা হা হা। কথা মন্দ কন নাই।

খানাপিনার বেলায় খালি মনে আছে নানা পদের ভেজ খাবার, বিশেষ করে পনির দিয়ে রান্না পদগুলো। যদিও এই পনির সমৃদ্ধ খাবারে আমার যমের অরুচি। X((

অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোলাগা মন্তব্যে।

৩৬| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:০২

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:



দিল্লী এখন আর বহুদূর নয় ।

আপনার পাচ্ছেন আখেনাটেন ভাইয়ের ব্লগে । তাই দলে দলে যোগ দিন ।

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:০০

আখেনাটেন বলেছেন: :D


তবে তাই হোক!!!!!!!!

শুভকামনা রইল মন্তব্যের জন্য। ভালো থাকুন

৩৭| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৩৮

জাহিদ হাসান বলেছেন: :) :)

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:০১

আখেনাটেন বলেছেন: X( X((




:P

শুভেচ্ছা ব্লগার জাহিদ হাসানকে আমার ব্লগে পাড়া দেওয়ার জন্য। :D ভালো থাকুন।

৩৮| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:১২

নজসু বলেছেন:



কি ব্যাপার ভাই আপনাদে দেখিনা কেন?
আশা করি ভালো আছেন।

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:১৫

আখেনাটেন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ব্লগার নজসু এই অধমকে স্মরণে রাখার জন্য।

ডিসেম্বর মাস ঘুরাঘুরির জন্য কিছুটা সময় বরাদ্দ থাকে। নেফারতিতির খোঁজে বেরিয়েছিলাম নীল নদের পাশে।

আখেনাটেনের তোলা। ১৯ শে ডিসেম্বর।



নেফারতিতিরে ফ্রেমে রেখে আখেনাটেন ছবি তুলেছে। আবু সিম্বেল, মিশর।

৩৯| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:১৩

নজসু বলেছেন:

কি ব্যাপার ভাই আপনাকে দেখিনা কেন?
আশা করি ভালো আছেন।

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:১৭

আখেনাটেন বলেছেন: শুভেচ্ছা নিরন্তর নজসু ভায়ার জন্য। :D

৪০| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১:২৮

রাকু হাসান বলেছেন:

ইদানীং দেখছি না ,ব্লগে । কেমন আছেন ? সব কিছু ঠিক তো ? যেমনই থাকেন নক দিন প্লিজ । চিন্তিত ।ফিরে আসুন । অসুস্থ থাকলে সুস্থ হন সেই কামনা । কোনো বিপদে থাকলে উদ্ধার করুক স্রষ্টা সেই কামনা ।

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:১৯

আখেনাটেন বলেছেন: আপনার মন্তব্য পড়ে আপ্লুত হলুম ব্লগার রাকু হাসান।

অনেক দিন পর লগড ইন করলাম। আবার কথা হবে।

শুভকামনা নিরন্তর।

৪১| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৩৭

কালীদাস বলেছেন: কেমন আছেন? :)

আপনার আগের পর্বগুলোও পড়েছিলাম, ভাল লেগেছিল আপনার সরস বর্ণনা। দুইটা পয়েন্ট বলি। জেএনইউর মিছিলটা খানিকটা অবাক করল বটে। কারণ ইন্ডিয়ার রিলেশন ভাল, বেশ ভাল, ইজরায়েলের সাথে। এমনকি অনেক ইন্ডিয়ান সিটিজেন আমি নিজেই দেখেছি ইজরায়েলে মাইগ্রেট করে সিটিজেনও হয়েছে। আর খাবার তেমন সমস্যা ছিল না দিল্লিতে। আমি ছিলাম পাহাড়পুরে (না পাহাড়গন্জ), মেলা কিসিমের রেস্টুরেন্ট ছিল গলির দুইপাশেই। শেষ মাথায় মনে হয় কেএফসি না পিজা হাটও ছিল একটা।

লাস্ট পয়েন্ট। ইন্ডিয়ান (রিসেন্ট?) কালচারের একটা জিনিষ চরম বিরক্তিকর লাগে, এই বিয়ে উপলক্ষে নাচানাচিটা। আগে দেখতাম সিনামায় নাচত, এখন রিয়াল লাইফেও দেখি। এবং এই ব্যাপারে আমার প্রিয় বাংলাদেশিরাও সুন্দর কপি করেছে দেখলাম, অনেক গায়ে হলুদের প্রোগ্রামেই দেখি জঘণ্যরকমের নাচানাচি করে। খুবই বিরক্তিকর।

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:২৬

আখেনাটেন বলেছেন: ভালো।

অনেক দিন পর আপনাকে ব্লগে দেখলাম। :D আপনার কি অবস্থা? ইকোনোমিস্ট ম্যাগাজিনের ভাষায় গরু খাটনি (পিএইচডি) কবে শেষ হচ্ছে? :D


উপরে যা লিখেছেন তাতে দ্বিমত করার কোনো কারণ দেখি না। ঐইটা পাহাড়গঞ্জই। রেল স্টেশনের পাশে হওয়ায় সাধারণ পর্যটকেরা এই এলাকাতেই থাকে বেশি।

ব্লগে আপনাকে দেখে ভালো লাগল। শুভকামনা রইল।

৪২| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:৫০

মাহের ইসলাম বলেছেন: অভিজ্ঞতাগুলো এমন বাস্তব মনে হচ্ছিল, অসাধারণ।
তবে নতুন বন্ধুদের সাথে রাধার নাচটা কেমন ছিল, তা অবশ্য বুঝতে পরলাম না।

শুভ কামনা রইল।

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:২৮

আখেনাটেন বলেছেন: তবে নতুন বন্ধুদের সাথে রাধার নাচটা কেমন ছিল, তা অবশ্য বুঝতে পরলাম না। -- তা আর বলতে!! হা হা হা। রাধারা কেমন নাচে সেটা তো বলিউডি সিনেমায় .......। ;)


মন্তব্যে প্রীত হলুম ব্লগার মাহের ইসলাম। ভালো থাকুন।

৪৩| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:২৬

সোহানী বলেছেন: ওরে বাপরে এতো দেখি কঠিন অভিজ্ঞতা। ভালোলাগলো প্রতিটা বিষয়।

আর সাথে সমর্থন থাকলো পদাতিক ভাই এর প্রস্তাব এ। উনি যখন দায়িত্ব নিতে চাচ্ছেন সেখানে না বলাটা বোকামী...হাহাহাহাহাহা

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:৩০

আখেনাটেন বলেছেন: হা হা হা।

পদাতিক দা'কে মনে হচ্ছে দায়িত্বটা চাপানো যেতে পারে। আশা করি উনি আমাকে বিপদে কুঁয়োয় ফেলবেন না। :P


অনেক অনেক শুভেচ্ছা সোহানী'পাকে।

৪৪| ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৭

নীলপরি বলেছেন: বরাবরের মতোই ভালো লাগলো ।
দারুণ :)

শেষের মরালটা কতো জনের উপর সমীক্ষা চালানোর ফল ?

শুভকামনা

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:১০

আখেনাটেন বলেছেন: ভালো লেগেছে জেনে প্রীত হলুম। :D


আমার পরিচিত বেশির ভাগ লোকের উপর সমীক্ষার ফলাফল ঐইটা। সেটা নিতান্তই কম নয়। আর তাদের এই কিপ্টুস পরিচয়ে লজ্জিত হতেও দেখি নি। বরং এই নিয়ে তারা বেশ গর্ববোধ করে। তারা বলে সঞ্চয়ী। এ নিয়ে কিছু বাস্তব অভিজ্ঞতাও আছে। কোনো এক সময় সেগুলো নিয়েও লেখার ইচ্ছে রয়েছে। :)

একটা বলি: রাজধানী এক্সপ্রেস ট্রেনে কলকাতা আসার পথে এক কলকাতান দাদা-বৌদির দিল্লীবাসীর কিপ্টামুর মজার মজার কৌতুক শুনে হেসে গড়াগড়ি খাওয়ার দশা। কলকাতাবাসীদের নিয়ে আমাদের ভাবনাটা একবার চিন্তা করুন।

অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা ব্লগার কবি নীলপরী আপনাকে।

৪৫| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৪৪

কালীদাস বলেছেন: প্রায় শেষ ;) থ্যাংকস :) গতবছরটা সাংঘাতিক ব্যস্ততার মাঝে গেছে এজন্যই। এবছরের প্রথমার্ধেই সব শেষ হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। দেশে ফিরে ঘুমানোর চেষ্টা করব কয়েকদিন B-)

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৫৩

আখেনাটেন বলেছেন: হা হা হা।

হুম, বড়া ঘুমই দরকার। তবে নিজ প্রতিষ্ঠানের কিছু ছারপোকা সেই সুখের ঘুমে বাগড়া না দিলেই হয়। যতদূর জানি ডিপার্টমেন্টগুলোতেও নানামুখি রাজনীতির গুঁতোগুতি ঢুকে গেছে।

৪৬| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৭

নীলপরি বলেছেন: ৩নং ঘটনায় আপনি যাদের কথা বলেছেন তাঁরাও তো ভারতেরই । তাই প্রশ্নটা করেছিলাম ।

আসলে ব্যক্তিগত বিক্ষিপ্ত অভিজ্ঞতা (কিপটেমি ) এগুলো । তেমন বললে হয়তো আপনার পাশের ফ্যাল্টের পড়শিও কিপটে হতে পারেন । কারো কাছ থেকে অকারণ বাজে ব্যবহার পেলে এমন মনে হয় । একবার পাঞ্জাবে একজন ড্রাইভার ভীষণই বিরক্তিকর ব্যবহার করছিল । কিন্তু পরে অন্যান্যদের কাছ থেকে ভালো ব্যবহার পেয়েছি ।

আর যে বাঙালীদের ট্রেনের গল্পটা বললেন ওরকম নাকউঁচুদের অভাব নেই যারা নিজের দিকে না তাকিয়ে অন্যদের ছোটো করে ।

'ইসরো' মঙ্গল প্রজেক্ট রিসার্চের জন্য যে বাজেট করেছিল , তা হলিউড মুভি গ্র‌াভিটির বাজেট থেকেও কম । এছাড়া এখান থেকে ১১৪ টা স্যাটেলাইট নাসার থেকে অনেক কম খরচে লঞ্চ করেছে । এরকম কিছু কিপটেমি হলে মন্দ কী ?

তবে ,এটা ঠিক এখানে সজাগ থাকতে হয় । সেটা যে কোনো বড়ো শহরেই বোধহয় এক ।

শুভকামনা

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:২৫

আখেনাটেন বলেছেন: পুনরায় মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ব্লগার নীলপরি।

আসলে ব্যক্তিগত বিক্ষিপ্ত অভিজ্ঞতা (কিপটেমি ) এগুলো --সহমত। তবে মানুষ তার চারপাশের পরিবেশে বা সমাজ দ্বারাও অনেকটা প্রভাবিত। এমন কি হতে পারে না ওদের পরিবেশ ও কালচারের সাথেই এটি জড়িয়ে গেছে। যেমন, ধরুন আমরা বাংলাদেশীরা কথায় কথায় বলি কলকাতান দাদারা কিপ্টুস। এর কিছুটা সত্যতা তো রয়েছে নাকি। তা না হলে এতটা জেনারালাইজড হত না ব্যাপারটা। ঠিক তেমনি দিল্লীবাসী বা নর্থ ইন্ডিয়ানরা যদি দাদাদের চেয়ে...। আমার ব্যক্তিগত বিক্ষিপ্ত অভিজ্ঞতা ব্যতিরেকেও এর প্রমাণও রয়েছে। একটি সমীক্ষায় দেখেছিলাম সেভিংস হারে সর্বভারতীয়দের মধ্যে ৬৮% নর্থ-ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান, গোটা ভারত বাকিটা। এই লেখাতে কিছুটা দেখতে পাবেন। । এটাও কিন্তু তাদের কঞ্জুসপনাকেই নির্দেশ করে। কিছু ব্যতিক্রম বাদে এ জিনিস উত্তর ভারতীয়দের জিনে মিশে গেছে মনে হয়।
এছাড়াও কয়েকবছর আগে বিল গেটস ও ওয়ারেন বাফেট এসেছিল ভারতে প্রতিশ্রুতি আদায় করতে যে সুপার ধনীরা তাদের সম্পদের কিছু অংশ যেন গরীবের জন্য ব্যয় করে। ভারতে শত শত সুপার ধনী থাকলেও শুধু মাত্র আজিম প্রেমজি (সে সময়ের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ধনী) ১ বিলিয়ন ডলার শিক্ষাখাতে ব্যয় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এ নিয়ে সে সময় ব্যাপক সমালোচনা হয় ভারতে। তখন অরুন্ধতি রায় তার এক কলামে উল্লেখ করেছিলেন যে এই সুপার রিচরা এখনও তাদের সম্পদ চ্যারিটি বা অন্য কিছুতে হারাতে দ্বিধায় আছে। আরো কিছুদিন তারা এগুলো ভোগ করলে হয়ত চিন্তার পরিবর্তন হবে। এগুলোও কিন্তু কালচারের একটি দিক উন্মোচন করে। যদিও এর ব্যতিক্রমও রয়েছে।

তাদের এই অন্যের জন্য খরচের ব্যাপারে অতি রক্ষণশীলতা শুধু আমার একার অভিযোগ নয় এটা নিশ্চিত থাকতে পারেন। হয়ত আপনার দেখা কেউ এর মধ্যে পড়ে না। ব্যতিক্রম থাকতেই পারে। তবে আমার মনে হয় না বিষয়টা একেবারেই অতিরঞ্জিত।

৩নং ঘটনার কারণ ধর্মীয়। এরাই হয়ত আবার অন্য জায়গায় এই রূপে নাও থাকতে পারে...ভারতে মন্দিরে, মাজারে সোনা-রুপা উপহার দেওয়ার হার দেখলেই তা অনুমান করা যায়।

বাঙালি ট্রেনের ঐ দম্পতিকে আমার নাকউঁচা মনে হয় নি কিন্তু। তারা তাদের দীর্ঘদিন দিল্লী অবস্থানের অভিজ্ঞতার আলোকেই নিশ্চয় তা বলেছে।

আর 'ইসরো'র ব্যাপারে যা বলেছেন সেক্ষেত্রে সহমত। কস্ট মিনিমাইজ করে যদি ভালো প্রডাক্ট ডেভালপ করা যায় তাহলে সেখানে কঞ্জুসপনা করা যেতেই পারে। :D

এবং স্যাটেলাইট তৈরিতে ভারত তা করিয়েও দেখাচ্ছে গোটা বিশ্বকে। কিছুদিন আগেও একসাথে সর্বোচ্চ সংখ্যক স্যাটেলাইট সামান্য খরচে উৎক্ষেপণ করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল। এগুলো অবশ্যই প্রশংসনীয়।

ভালো থাকুন ব্লগার নীলপরি।

৪৭| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৫৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: হুটোপুটির মধ্যে আপনি কোন শরাব জোগাড় করেন নাই? শীতের মধ্যে একটু গা-গরম করতে পেরেছিলেন কিনা জানতে ইচ্ছে করছে! :)

ভারতবাসীর কিপ্টামি সম্পর্কে খুব বেশী জানা নাই, তবে মনে হয় কোলকাতার দাদাদের কেউ হারাতে পারবে না। 'গোটা ডিমের আদ্দেকটা খেতেই হবে কিন্তু' টাইপের কিপ্টামি। =p~

পান্জাবীরা বিয়েতে যে খরচ করে তার একটা বড় অংশই করে শরাবের পিছনে......যতোটুকু শুনেছি।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৩৩

আখেনাটেন বলেছেন: শরাবের নহর বয়ে গিয়েছে সেখানে, কিন্তু এ দুর্ভাগা তাতে অভ্যস্ত হতে পারে নি বলে আপসোসটা থেকেই গেল। :D

'গোটা ডিমের আদ্দেকটা খেতেই হবে কিন্তু' টাইপের কিপ্টামি। -- হা হা হা। তবে বিয়েতে ওদের খরচ করা হাত রীতিমত ঈর্ষনীয়।

মিছা শোনেন নাই হয়ত। এখনকার জেনারেশনগুলো বেশি...। :P

শুভেচ্ছা মন্তব্যের জন্য ব্লগার ভুয়া মফিজ।

৪৮| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:০৩

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: যথারীতি চমৎকার। ভারতে দীর্ঘ সময় থাকা হয় নাই। কিন্তু বেশ কয়েকবারে বেশ কিছু প্রদেশ টুরিস্ট হিসেবে ঘুরেছি। ভারতের ভৌগোলিক বৈচিত্র্যর মত মনুষ্য বৈচিত্র্যও উল্লেখযোগ্য। ভবিষ্যৎ এ সময় সুযোগ হলে অল্প সময়ে দেখা ভারতীয়দের নিয়ে লিখার ইচ্ছে আছে। ভারত এমন একটা দেশ, যেখানে আমি বারবার যেতে চাইবো।

আপনার দিল্লি কড়চা পড়ে খুব ইচ্ছে আছে, সপ্তাহ খানেক বা দিন দশেক শুধু দিল্লিতে কাটানো। হেঁটে হেঁটে শহর আর এর মানুষগুলোকে আরও ভালভাবে দেখার। এর আগের প্রতিটি ট্যুরেই দিল্লি দেখেছি ব্যস্ত টুরিস্ট হিসেবে বড্ড তাড়াহুড়ো করে।

অনেক অনেক ভাল লাগা রইলো। ভাল থাকবেন সবসময়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.