নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহিত্য, সংস্কৃতি, কবিতা এবং সমসাময়িক সামাজিক বিষয়াদি নিয়ে গঠনমুলক লিখা লিখি ও মুক্ত আলোচনা

ডঃ এম এ আলী

মুক্তমনা

ডঃ এম এ আলী › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিদেশে কর্মরত মেধাবী বিজ্ঞানীদেরকে দেশমুখী করার লক্ষ্যে একটি পর্যালোচনা

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:০০


সুত্র : Click This Link
মাত্র দিন কয়েক আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার অফিসিয়াল ওয়েব সাইটে দেখা যায় নাসায় অভ্যন্তরীণ গবেষণা ও উন্নয়ন বিষয়ক সেরা উদ্ভাবকের পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশের মেয়ে মাহমুদা সুলতানা। উল্লেখ্য যে নাসার গডার্ড মহাকাশ উড্ডয়ন কেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ গবেষণা ও উন্নয়ন (আইআরএডি) কর্মসূচীর অধীনে নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য প্রতি বছর ‘আইআরএডি ইনোভেটর অব দ্য ইয়ার’ নামে একটি পুরস্কার দেয়া হয়। এবার মহাকাশে ব্যবহারযোগ্য ক্ষুদ্র ও কার্যকরভাবে আলোক তরঙ্গ শনাক্তকারী বর্ণালি মিটার উদ্ভাবন ও ন্যানো ম্যাটেরিয়ালের উন্নয়নে যুগান্তকারী অবদানের জন্য পুরস্কার পেয়েছেন মাহমুদা সুলতানা । নাসার ওয়েবসাইটে বাংলাদেশের এই তরুণীকে ২০১৭ সালের সেরা উদ্ভাবকের পুরস্কার দেয়ার ঘোষণাটি আসে গত ২৪ অক্টোবর ২০১৭তে । এই কৃতি বাংলাদেশী বিজ্ঞানীর প্রতি আমাদের অভিনন্দন রইল ।
ছবি: বাংলাদেশী বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানা

ছবি : মাহমুদা সুলতানা উদ্ভাবিত যন্ত্র sensor platforms

উল্লেখ্য যে কৈশোরে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানো মাহমুদা সাদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক এবং ২০১০ সালে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি) থেকে পিএইচডি করেন। একটি বেল ল্যাবরেটরিতে শিক্ষানবিশ গবেষক হিসাবে কাজ করার সময় মাহমুদা এমআইটির একটি Job fair থেকে নাসায় যোগ দেয়ার আমন্ত্রণ পান। তিনি নাসার গডার্ড ডিটেক্টর সিস্টেম শাখার গবেষক প্রকৌশলী হিসাবে যোগদান করেন ।
সুত্র : Click This Link

মেধাবী বাংলাদেশী বিজ্ঞানীদের দেশমুখী করা প্রসঙ্গ

আমরা সকলেই জানি বাংলাদেশের হাজার হাজার মেধাবী বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী , চিকিৎসক ও অন্যান্য সমাজ বিজ্ঞানী এবং পেশাজিবী বিদেশে গুরুত্বপুর্ণ অবদান ও কৃতিত্ব রেখে চলেছেন সুনামের সাথে । তাঁদের বিষিষ্টজনদের নামের তালিকা দিতে গেলে অনেক লম্বা হবে । আলোচনার সুবিধার্থে মহাকাশ গবেষনার সাথে সংস্লিষ্ট এ দেশের প্রথিতযশা একজন বিজ্ঞানীর কিছু কথা এখানে তুলে ধরা হলো যিনি দীর্ঘদিন বিদেশে থেকে দেশে ফিরে এসে যে মহতি কির্তী গড়েছেন তা দেখানোর জন্য ।

মৌলিক বিজ্ঞানে যে সমস্ত বিজ্ঞানী জগত বিখ্যাত তার মধ্যে বাংলাদেশী বিজ্ঞানী প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম অন্যতম ।

ছবি সুত্র : Click This Link
১৯৩৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদশের ঝিনাইদহে তিনি জন্ম গ্রহন করেন । প্রায়োগিক গণিত ও তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি এবং সম্মানজনক ডক্টর অব সায়েন্স বা ডিএসসি ডিগ্রি অর্জনকারী এ বিজ্ঞানী জগত বিখ্যাত বিজ্ঞান-প্রতিভা স্টিফেন হকিং এর ঘনিষ্ট বন্ধু ছিলেন ।

জামাল নজরুল ইসলাম ১৯৬৩ থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ডক্টরাল ফেলো, ১৯৬৭ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত কেমব্রিজ ইনস্টিটিউট অব থিওরেটিক্যাল অ্যাস্ট্রোনমিতে গবেষণা , ১৯৭১-৭২ ,ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে ভিজিটিং অধ্যাপক ,১৯৭৩-৭৪ সালে লন্ডনের কিংস কলেজে ফলিত গণিতের শিক্ষক, ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ে সায়েন্স রিসার্চ ফেলো এবং ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত মনে সিটি ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা করেছেন। তাঁর অনেক গবেষণা নিবন্ধ বিখ্যাত সব সাইন্স জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে । ১৯৮৩ সালে তাঁর গবেষণাগ্রন্থ দ্য আল্টিমেট ফেইট অব দ্য ইউনিভার্স কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হলে সারা বিশ্বের কসমোলজিস্টদের মধ্যে হই চই পড়ে যায়। বইটি পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় দ্রুত অনূদিত হয়। পরের বছর কেমব্রিজ থেকেই প্রকাশিত হয় ক্লাসিক্যাল জেনারেল রিলেটিভিটি। তাঁর গবেষণা আইনস্টাইন-পরবর্তী মহাবিশ্ব গবেষণায় বিরাট অবদান রেখেছে। তিনি এই ধারায় গবেষণা অব্যাহত রেখে পরবর্তীকালে লেখেন ফার ফিউচার অব দ্য ইউনিভার্স বা মহাবিশ্বের দূরবর্তী ভবিষ্যৎ।
সুত্র : Click This Link

পাচ্যাত্তের উন্নত দেশে প্রায় ৩০ বছরের অভ্যস্ত জীবন, সম্মানজনক পদ, গবেষণার জন্য উন্নতমানের অনুকূল পরিবেশ, বিশ্বমানের গুণীজন সাহচর্য এবং আর্থিকভাবে লোভনীয় চাকরি ছেড়ে প্রফেসর ইসলাম দুই মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে দেশে ফিরে আসেন ১৯৮৪ সালে । দেশে ফিরে নীজ জেলা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত বিভাগে যোগ দিলেন মাত্র তিন হাজার টাকা মাসিক বেতনে।তিনি বলেছেন নিজের দেশে নিজের মানুষের মধ্যে যে গ্রহণযোগ্যতা এবং অবস্থা সেটা বিদেশে কখনোই সম্ভব নয় ।

দেশে ফিরে এসে জামাল নজরুল ইসলাম গড়ে তুলেছেন আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠান গাণিতিক ও ভৌতবিজ্ঞান গবেষণাকেন্দ্র বা রিচার্স সেন্টার ফর ম্যাথমেটিক্যাল অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্স (আরসিএমপিএস), যেখানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে খ্যাতিমান পদার্থবিজ্ঞানী, আপেক্ষিক তত্ত্ববিদ এবং বিশ্ব সৃষ্টি তাত্ত্বিকদের আগমন ঘটেছে । সেখানে অনেক আন্তর্জাতিক সেমিনারের আয়োজন হত নিয়মিতভাবে ,অনেক নোবেলজয়ীসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের পণ্ডিতগন যোগ দিয়েছেন তাতে । দুর্ভাগ্যের বিষয় ২০১৩ সনে তাঁর ইন্তেকালের পরে যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে এই সম্ভাবনাময় গবেষনা প্রতিষ্ঠানটি করতে পারছে না তার ভূমিকা পালন যথাযথভাবে ।

এটা অনস্বীকার্য যে বিদেশে কর্মরত বিজ্ঞানীরা মনঃকষ্টে ভুগলেও, দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ,সমাজে হিংসা ও হানাহানি, ক্ষমতাবানের দৌরাত্ম্য, চরমপন্থা ও অসহিষ্ণুতা , অর্থিক অসচ্ছলতা , জীবনের নিরাপত্তা, মানুষের মধ্যে লোভ আর স্বার্থপরতা, বঞ্চনা ও বৈষম্যের অর্থনীতি, কালোটাকা ও অবৈধ সম্পদের ছড়াছড়ি প্রভৃতি বহুবিদ কারণে দেশে ফিরতে আগ্রহ বোধ করেন না । উন্নয়নের নামে প্রকৃতি, পরিবেশ ও গরিবের স্বার্থবিরোধী কাজ দেখে অনেকে হতাশ ও ক্ষুব্ধ হলেও দেশে এসে তাদের মেধা ও শ্রমকে কাজে লাগাতে পারছেন না । দেশে একদিকে চলছে বিলাসী ভবন নির্মাণ , যত্র তত্রভাবে মাথা তুলছে বেআইনীভাবে ব্যয়বহুল বহুতল ভবন, নির্মাণ শেষে বিবিধ কারণে তা ভেঙ্গে ফেলার বিশাল কর্মযজ্ঞও চলছে সমানতালে । এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করা যায় যে ঢাকার হাতীরঝিল প্রকল্প এলাকায় বেআইনীভাবে স্থাপিত বহুতল বিশিষ্ট বিজিএমইএ ভবন আদালতের রায়ের প্রেক্ষিতে এখন ভেঙ্গে ফেলার চুড়ান্ত পর্যায়ে আছে ।

রাজধানীর হাতিরঝিল প্রকল্প এলাকায় পরিবেশের ক্ষতি করে বেআইনিভাবে প্রায় দুই দশক আগে গড়ে ওঠা ১৬ তলাবিশিষ্ট বিজিএমইএ ভবন ভেঙে ফেলার চূড়ান্ত রায় এসেছে। এই ভবনটি অবৈধ ঘোষণা করে তা ভেঙে ফেলতে হাই কোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে বিজিএমইএর আপিলের আবেদনটি প্রধান বিচারপতি নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ খারিজ করে দিয়েছেন কয়েকমাস আগেই । এখন এটা নিষ্চিত যে ভেঙ্গে ফেলাই হবে । বিচারের রায়ে হাই কোর্ট বলেছিল, “বিজিএমইএ ভবনটি সৌন্দর্যমণ্ডিত হাতিরঝিল প্রকল্পে একটি ক্যান্সারের মতো। এ ধ্বংসাত্মক ভবন অচিরেই বিনষ্ট করা না হলে এটি শুধু হাতিরঝিল প্রকল্পই নয়, সমস্ত ঢাকা শহরকে সংক্রামিত করবে।” যদিও বিজিএমইএর আইনজিবী ব্যারিস্টার রফিক আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছিলেন এটা ভেঙে দিলে অর্থনীতিতে খারাপ প্রভাব পড়তে পারে। কারণ অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে গার্মেন্টস শিল্পের ওপরে।”

ভেঙ্গে ফেলার অপেক্ষায় হাতীর ঝিলের প্রান্তদেশে গড়ে উঠা বিজিএমই এ ভবন

আদালতের রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে ৬ মাসের মধ্যে বিজিএমইএ ভবনটি ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান। জানা যায় উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরে ১০ বিঘার একটি প্লটে বিজিএমই এর নতুন ভবন নির্মাণ খুবই দ্রুততার সঙ্গে শুরু হবে ।

আদালদের বিজ্ঞ বিচারকদের প্রতি পুর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই বলছি তাদের রায় কার্যকরী হোক। আইনের প্রক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত সঠিক কাজটিই করেছেন । তবে কথা প্রসঙ্গে কিছু বিষয় এমনিতেই চলে আসে । বিজ্ঞ আদালত প্রাসঙ্গিক সকল বিষয়ই খুটিয়ে দেখেছেন বলে বিশ্বাস করি । বেআইনীভাবে পরিবেশের জন্য ঝুকিপুর্ণ ভবনের বিষয়ে যা প্রাপ্য বিজ্ঞ আদালত সে রকম রায়ই দিয়েছেন । এ রায়ের পরে আমরা এখন দুটি জলাজয়ের মাঝখানে এমন ভবন কিভাবে নির্মান করা হলো সে প্রসঙ্গে সচেতন জনতা হিসাবে কিছু আলোচনাতো করতেই পারি দায়িত্বে থাকা নগর পরিকল্পনাবিদদের বোধদয়ের জন্য ।

ভবন নির্মানের জন্য বেগুনবাড়ী খালের উপরে এ জায়গার মালিকানা সরকারী সংস্থা রপ্তানী উন্নয়ণ ব্যুরো বিজিএমইএকে হস্তান্তর করে বলে উল্লেখ দেখা যায় । রাজধানীর বুকে থাকা সংরক্ষিত জলাশয়ের এ জায়গার মালিকানা রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরো পেলোও বা কিকরে !!! আর এর উপরে ভবন নির্মাণের জন্য তারা বিজিএমইকে তা দিলই বা কি করে!!!

সর্বোপরী সকলের চোখের সামনে দিয়ে এমন জায়গায় বেআইনীভাবে বিজিএমইএ বছরের পর বছর লাগিয়ে এত বিশাল আকারের নির্মানযজ্ঞ চালিয়েই বা গেল কিভাবে। রাজউক কেন, বা কি কারণে চোখ মুখ বন্ধ করে রেখেছিল এর নির্মানকালে। বিষয়টি বিজ্ঞ আদালতের কাছেও নিশ্চয়ই প্রশ্নের সন্মুখীন হয়েছিল ।

রাজুকের বিল্ডিং প্লান অনুমোদনের জন্য নীতিমালার কিছু প্রাসঙ্গীক বিষয় তুলে ধরা হলো নীচে ।

ঢাকা নগরীতে ভবন তৈরীর জন্য আগ্রহীদেরকে ভবনের ডিজাইন অনুমোদনের জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হয় । বিবিধ কারণে রাজুক কতৃক্ষের অনুমোদন প্রক্রিয়া অস্বাভাবিক বিলম্বিত হয় কারণ রাজুককে অনুমোদন প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু বিষয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখতে হয় ।

ভবন নির্মাণের জন্য প্রথমেই ভুমি ব্যবহার ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করতে হয়। এ সময় বেশ কিছু বিষয়ে আবেদন পত্রের সাথে তথ্য প্রদান করতে হয় । এ পোষ্টের আলোচনার জন্য প্রাসঙ্গীক গুরুত্বপুর্ণ কয়েকটি বিষয় তুলে ধরা হলো :
ক) আবেদনকারী স্বাক্ষরিত ১৫সেমি ঔ ২০সেমি মাপের সাইট ম্যাপ ( মৌজা ম্যপ হতে হতে ) এর তিন কপি
খ) নির্মানের জন্য প্রস্তাবিত জমির অবস্থান
গ) ২৫০ মিটার ব্যসার্ধের মধ্যে জমিটির ব্যবহার
প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সম্বলিত প্রাথমিক আবেদন পাওয়ার পরে রাজুক সরজমিনে পরীক্ষা নিরীক্ষা পুর্বক সেই জায়গায় ভবন নির্মান করার জন্য যোগ্য মনে করলে আবেদনকারীকে ভবনটির বিস্তারিত ড্রইং ডিজাইন প্রনয়ন করে ২৪ মাস সময়ের মধ্যে দাখিলের জন্য অনুমোদন দেয়া হয় ।

ভবনটি যদি ১০ তলা বা ৩৩ মিটারের বেশী উচ্চতা সম্পন্ন হয় তাহলে নিন্মোক্ত ১০ টি সরকারী সংস্থা হতে মতামত বা ছাড়পত্র গ্রহন প্রয়োজন হয়ঃ
· Department of power division (DPDC) for electrical load requirement
· Water and sewage authority WASA for water consumption requirement
· Titas gas & Transmission authority for gas requirement
· Fire service for fire safety drawing clearance
· Civil aviation for building height permission
· Dhaka traffic control authority
· Dhaka City Corporation
· Department of environment
· DCC Ward Commissioner
· Dhaka Metropolitan Police (DMP)
সকল প্রয়োজনীয় বিষয়ে সন্তোষজনক মুল্যায়নের পর , রাজউক সংস্টিষ্ট কমিটির সদস্যগণ ভবনটির জন্য ড্রইং ডিজাইন অনুমোদন করে ডেভেলপার কোম্পানি বা আবেদনকারীকে অনুমোদন প্রদান করে।

যাহোক, বিজ্ঞ আদালত তাদের রায়ে বলেছেন ভবন নির্মানটি ছিল বেআইনী । তাতে পরিস্কার বুঝা যাচ্ছে ভবনটির নির্মানের অনুমোদন পক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব ছিল, যে জন্য এটা রাজুক হতে অনুমোদিত হতে পেরেছিল । এ বিষয়ে দায়ীদের সম্পর্কে আদালতের রায়ে কি আছে তা জানা যায়নি । নিশ্চয়ই এ বিষয়গুলি বিজ্ঞ আদালতের দৃষ্টি এড়ায়নি ।

এখানে উল্লেখ্য যে, হাতির ঝিলে এখনো মাথা উচু করে দাঁড়িয়ে থাকা ২লক্ষ ৬০ হাজার বর্গফুটের এই বিজিএমইএ ভবনটির বর্তমান মুল্য দাঁড়াতে পারে আনুমানিক প্রায় ২৬০ কোটি টাকা ( প্রতি বর্গফুট ১০০০০ টাকা হিসাবে) যা এখন আইনের বিধান বলে ধংস করে দেয়া হবে । দায়ত্বশীল সংস্থাগুলি সচেতন হলে এই ২৬০ কোটি টাকার ভবনটি নির্মিত হতোনা , এর জন্য এখন জাতিকে নতুন করে যে মুল্য দিতে হবে তা দিয়ে দেশের বাইরে থাকা হাজার হাজার বাংলাদেশী বিজ্ঞানীকে অনায়াসে উচ্চ পারিশ্রমিক ও সুযোগ সুবিধা দিয়ে দেশে এনে বিজ্ঞান সাধনায় নিয়োজিত করা যেতে পারে !!

এছাড়াও বিজিএমই এর জন্য নতুন ভবন নির্মানের জন্য যে অর্থ ব্যয় হবে তা দিয়ে ঢাকার বাইরে গার্মেন্টস পল্লী / শিল্প এস্টেট গড়ে তুলে রাজধানীর কেন্দ্র হতে পোশাক শিল্প কারখানাগুলিকে সরিয়ে নেয়া যেতে পারতো অনায়াসে । তাতে করে পোশাক শিল্প শ্রমিকদেরকে রাজধানী এলাকার ঘিঞ্জি বস্তিতে গাদাগাদি করে করতে হতোনা বসবাস , অপরদিকে ঢাকার রাজপথে পোশাক শিল্প মালিকদের হাজার হাজার গাড়ীর যানজট, কালো ধোয়া আর শব্দ দুষনের শিকার হতে বেঁচে যেতো রাজধানীবাসী ।

যদিও বিকল্প ভাবনার কোন সুযোগ এখন আর নেই এবং আদালতেরর রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতেই হবে তাই রায়ের বিষয়ে কিছু বলার কোন অবকাশ নাই। তবে দেশের সাধারণ নাগরিক হিসাবে কিছু প্রাসঙ্গীক ধারনাতো সকলের সাথে শেয়ার করে নেয়া যেতেই পারে ।

মানুষ বুদ্ধি খাটিয়ে যদি চাঁদে কিংবা মঙ্গল গ্রহে যেতে পারে, তাহলে একটু বুদ্ধি খাটিয়ে বিজিএমই এর এই ভবনটিকে আরো দৃষ্টি নন্দন করে ঝিলের শোভা বর্ধনকারী ও পরিবেশ বান্ধব করার চিন্তা ভাবনা করার কোন সুযোগ আছে কিনা তা দেশের বিজ্ঞ আইনজ্ঞরা একটু ভেবে দেখতে পারেন ? ঝিলের পারের ছোট কিছু স্থাপনাকে সরিয়ে দিয়ে হাতির ঝিল ও বেগুনবাড়ী খালের মধ্যে পানি প্রাবাহের নালাকে একটু বাঁকা করে দিয়ে নিন্মের চিত্রের মত করে বইতে দেয়ার বিষয়টি স্টাডি করে দেখার বিষয়টিও বিজ্ঞ জনেরা ভেবে দেখতে পারেন । এতে করে লেকের জল প্রবাহে বড় কোন বাধা কিংবা নান্দনীকতা খুব একটা দৃস্টিকটু দেখাবে কিনা সে বিষয়ে দেশের বিজ্ঞ নগর স্থপতি ডিজাইনারগন একটু ভেবে দেখতে পারেন । এমনটি হলে শত শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ ভবনটিকে অক্ষত রাখার বিষয়ে কোন বিধি সন্মত ব্যবস্থা নেয়ার অবকাশ এখনো বাকি আছে কিনা তা বিজ্ঞ জনেরা ভেবে দেখতে পারেন।

তবে এটা নিশ্চিত যে ক্ষতির দায়টা এখন নিতে হবে সাধারণ জনতাকেই , কারণ এটা নির্মান করা হয়েছে ব্যাংকে রক্ষিত জনগনের সঞ্চিত আমানতের অর্থ হতে। বিজিএমইএ এবার হয়তো শত শত কোটি টাকা ঋন নিবে নতুন আলীশান ভবন তৈরী করতে । বিজিএমইএ কোন শ্রমিকের সংগঠন নয়, এটা শ্রমিকের রক্ত চোষা গার্মেন্টস মালিকদের সংগঠন । লোনের টাকায় নতুন আলীশান ভবন তৈরী করে তা ভাড়ায় খাটিয়ে সংগঠন সদস্যদের সুবিধার ভাগ দিবে বাড়িয়ে , আর অন্য দিকে ভেঙ্গে ফেলা ভবনের জন্য গৃহীত ঋণের দায়মুক্তির তরে ধর্ণা দিবে ব্যাংকের দুয়ারে । তাদের দাবী মেনেও নেয়া হবে সহজে কারণ বিজিএমইএর সদস্যগনের বেশীর ভাগই দেশের বড় দু’দলের প্রভাবশালি খেলোয়ার । তা ছাড়াও বিজিএমইএ তাদের ক্ষতি পোষাবে বিবিধ প্রকারে পোষাক শ্রমিকদের সুযোগ সুবিধা টেনে ধরে ।

পানি প্রবাহের নালাকে একটু বাঁক নিয়ে সম্প্রসারণ করা সম্ভবপর যদি নাও হয় তাহলে ভারতের জয়পুরের মান সাগর লেকের মাঝখানে জালমহল প্রাসাদের মত একে লেকের মাঝে পানির বুকে রেখেই ঝিলের শোভা বর্ধন করার বিষয়টি ভাবা যেতে পারে, এর ফলে হয়ত বেঁচে যেতে পারে দেশের সম্পদ। দেশের সম্পদ অক্ষুন্য রাখার বিষয়ে সচেতন জনতাদের কিছু চিন্তাভাবনাতো থাকতেই পারে ।
ছবি : মান সাগর লেকে জালমহল প্যালেস জয়পুর, ভারত

একটি বানিজ্যিক ভবন যা রামপালের বিদ্যুত কেন্দ্রের মত করবেনা ধোয়া নিশ্বরণ, তাকে পরিবেশ বান্ধব করা কি খুবই কঠীন কিছু বিষয় । রামপালে নির্মাণাধীন দৃষ্টিনন্দন বিদ্যুত কেন্ত্রটির কথাই ভাবা যাকনা একটুখানি ।

পরিবেশবাদীদের মতে সুন্দরবনের নিকটে রামপালে কয়লা বিদ্যুত কেন্দ্র হলে তা সুন্দরবনকে করবে বিপন্ন যা দেশের সার্বিক পরিবেশের উপরই প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করে সকলেই । বিষয়টি সরকারও অনুধাবন করে কেন্দ্রটিকে সেখান থেকে না সরিয়ে বরং সেটিকে জায়গায় রেখে পরিবেশ বান্ধব করার জন্য উপযুক্ত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশবাসীকে ।
কিন্তু যদি দেখা যায় বিজিএমইএ ভবনের মত রামপাল বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মান হওয়ার একযুগ পরে তার ঘন ধুয়ায় সুন্দরবনকে করছে বিপন্ন, তখন এই বিজিএমই ভবনের মত একে ভেঙ্গে ফেলার জন্য আদালতের এই রায়কে রেফারেন্স হিসাবে টানা হতে পারে যুক্তিসঙ্গতভাবে, তখন কারো কিছু বলার থাকবেনা সে কথাতো বলাই যায় । তবে ক্ষতি হবে বিবিধ প্রকারে ।
ছবি : রামপাল প্রকল্পের প্রস্তুতি শেষ, কাজ শুরুর অপেক্ষা
A149

ছবি সুত্র: http://primenewsbd.com/news/110579
তাই বেআইনী ভাবে কোন ভবন কিংবা স্থাপনা যেন গজিয়ে উঠতে না পারে তা কঠোরভাবে তদারকির প্রয়োজন আছে , বেআইনি কোন স্থাপনা গড়ে উঠলে এর দায় দিতে হবে সংষ্লিষ্টদের ঘাড়ে । আর খেয়াল রাখতে হবে দেশের জাতীয় সম্পদ যেন নষ্ট না হয় অযোগ্যদের হাতে পরে , যারা কাজের সময় চোখ বুদে থাকে, পরে বিবিধ অযুহাত খুঁজে দায়মুক্তির তরে । মনে হয় তারা কোনদিন ভাবতে পারে নাই সরকারী খাল/লেক নিয়ে কোন একদিন জাতীয় পর্যায়ে হাতীর ঝিলের মত এমন সুন্দর প্রকল্প হতে পারে। হয়তবা মনে করেছিল পুরাটা লেকই তারা গিলে খাবে একে একে । সৌভাগ্য বা কারো কাছে দুর্ভাগ্যক্রমে হাতির ঝিল সৌন্দর্যকরণ প্রকল্পটি না হলে এটা কোনকালেই বেআইনী কিংবা ঢাকার পরিবেশের জন্য বিপন্ন বলে চিহ্নিত হত কিনা তাতে সন্দেহ জাগে ভীষণভাবে !!!

যাহোক, ফিরে যাই মুল প্রসঙ্গ মেধাবী বিজ্ঞানীদেরকে দেশে ফিরিয়ে এনে গবেষনা কাজে নিয়োগ প্রসঙ্গে । আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত বিদেশে থাকা মেধাবী বিজ্ঞানীদেরকে দেশে এসে কাজের জন্য প্রনোদনা দিচ্ছে বিবিধ প্রকারে । আমরাও এ লক্ষ্যে সামান্য একটু দৃষ্টি দিলে মেধাবী বিজ্ঞানীরা বিদেশে পড়াশুনা শেষে দেশে ফিরে আসবেন ধারণা করি । মেধাবী বিজ্ঞানী ও পেশাজিবীদের জন্য উচ্চ পারিশ্রমিক , উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ সকল প্রকার বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানে রিসার্চ ও ডেভেলপমেন্ট ইউনিট সৃজন , এবং merit based society প্রবর্তন করে গবেষনার অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারলে আমাদের মেধাবী বিজ্ঞানীরা দেশে ফিরে আসার আগ্রহ পাবেন বলে ধারনা করা যায় ।

এছাড়াও বাংলাদেশের বড় বড় সকল প্রকল্পেই বিভিন্ন ধরনের বিশেষজ্ঞ নিয়োগের জন্য একটি Component তথা অংগ অন্তর্ভুক্ত আছে । কিন্তু প্রকল্পের আওতায় বিশেষজ্ঞ নিয়োগের প্রক্রিয়াটি বিদেশী দাতা সংস্থার প্রভাবে এমনই তেলেসমাতিতে পরিপুর্ণ যে তাতে এমনকি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কোন বাংলাদেশী বিজ্ঞানীর পক্ষেও নিয়োগ পাওয়া বেশ দুরুহ ব্যপারই বটে। এ বিষয়টিকে একটু স্বচ্ছ , সহজ ও উদার করা হলে মাসে দশ হতে বিশ হাজার ডলার বেতনে হাজার হাজার বাংলাদেশী বিজ্ঞানী নিয়োজিত হতে পারেন অনায়াসে । হাজার হাজার কোটি টাকার বড় বড় প্রকল্পের আওতায় বিশেষজ্ঞ নিয়োগের বিষয়ে সরকারী প্রকিউরমেন্ট নীতিমালায় যথাযথভাবে একটু পরিবর্তন আনা গেলে কবিগুরু রবিন্দ্রনাথের ভাষায় বলা যাবে ‘পরিত্রাণকর্তা আসবেন দারিদ্র্য লাঞ্ছিত কুটিরে পূর্বাচলের সূর্যোদয়ের দিগন্ত থেকে’। পশ্চিমের দিকে আমাদের তাকিয়ে থাকতে হবেনা আর কোন কালে ।

ছবি সুত্র : গুগল অন্তরজাল
কথা সুত্র : যথাস্থানে যুক্ত হয়েছে লিংক আকারে ।

মন্তব্য ১০৮ টি রেটিং +১৫/-০

মন্তব্য (১০৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:৩০

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: যাক এবার খুব বেশী বড় পোস্ট দেননি। একটানে পড়ে গেলাম। তবে দুই বিষয় নিয়ে আলাদা আলাদা পোস্ট দেয়া যেত। কারণ, বিদেশে কর্মরত দেশী বিজ্ঞানীদের দেশে ফিরিয়ে আনা আর বিজিএমইএ ভবন ভাঙার ব্যপার দুইটাই আলাদা আলোচনার দাবি রাখে।
আমার মনে হয় সরকার এত এত আইন অমান্য করে চলেছে প্রতিনিয়ত সেখানে আরেকবার আইন অমান্য করে বিজিএমইএ ভবন রাখাটাই যুক্তিসঙ্গত। দন্ডপ্রাপ্ত মন্ত্রী আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এখনো মন্ত্রীত্ব করছেন, প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে সমালোচনা করার পরও কারো বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা হয়নি। তাহলে ২৬০ কোটি টাকার একটা বিল্ডিং আর কীইবা ক্ষতি করতে পারবে? যেখানে বিশ্বে প্রথমবারের মত আমাদের ফ্লাইওভারে সিগনাল লাইট দেওয়া হয়েছে। শেখ হাসিনা চাইলে এখনো বিল্ডিংটা আদালতের মাধ্যমেই(সরকার চাইলে আদালত বিপক্ষে যাওয়ার কথা না) রেখে দিতে পারেন।
আর এই মূল বিষয়ে বেশী কিছু বলবো না। বর্তমান দুই পরিবারের অবসান না হওয়া পর্যন্ত মেধাবী বিজ্ঞানীদের এই দেশে অপমানিত হওয়ার জন্য আসার দরকার নেই...

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৪:৫৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ।
ঠিকই বলেছেন বিষয় দুটি নিয়ে পৃথক দুটি পোষ্ট হতে পারে ।
আমিতো শুধু একটা পতাকা তুলে ধরেছি
বিজ্ঞজনেরা এ বিষয়ে আলোকপাত করলে
অনেক কিছু আলোচনায় উঠে আসবে ।

দেখা যাক বিজ্ঞসহ ব্লগারগন
এ বিষয়ে কি মতামত রাখেন ।

অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

২| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:৩৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



দেশের বর্তমান আর্থ-সামাজিক অবস্হায়, সুযোগ পেলে ৮/১০ কোটী লোক দেশ ছেড়ে পালাবে; এবং সরকারও চাচ্ছে, ২/৪ কোটী পালিয়ে যাক।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৫:০৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ
যদিও বর্তমান অবস্থায় বিজিএমইএ ভবনটি ভেঙ্গে ফেলা ছাড়া
আর কোন বিকল্প নে্ই তার পরেও এ বিষয়ে আপনার কাছ হতে একটি
বিজ্ঞজনচিত পৃথক পোষ্ট কিংবা মন্তব্য কি আশা করতে পারি ।

৩| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৪:৩২

নতুন বলেছেন: দেশে গবেষনার জন্য সরকার আগ্রহী হয়ে তার জন্য টাকা খরচা শুরু না করলে বিদেশিরা দেশে এসে কাজের সুযোগ পাবেনা।

আর অবশ্যই বিদেশে কিছু মানুষের শিক্ষা নেবার দরকার আছে ... তাদের সাথে কাজ করার দরকার তাতে আমরা অনেক কিছু শিখতে পারি।

সরকারের উচিত বিদেশে যারা ভালো করলে তাদের সাহাজ্য চাওয়া এবং তাদের দেশের জন্য কাজ করে আহবান করা।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৫:০৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ খুবই মুল্যবান কথা বলেছেন ।
গবেষনা কাজের জন্য সরকারকে
বড় মাপের বিনিয়োগ ও অনুকুল
পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে ।
বিদেশে , পড়াশুনা, কাজের
অভিজ্ঞতা ও দেশে ফিরে
এসে দেশের গবেশনায়
অবদান রাখা সবকিছুরই
প্রয়োজন আছে ।

শুভেচ্ছা রইল

৪| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৫:১৬

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: একবার টক শো-তে ১/১১ সরকারের সমালোচনা করে বলা হয়েছিল, তাদের সাফল্য শুধু রেংগস ভবন ভাঙা। কারণ, কোন সরকার তা করতে পারেনি। তারা করে দেখিয়েছে! কিন্তু এই বিজিএমইএ ভবন জিয়াউর রহমান বা বিএনপি'র কিছু না। এটা আদালতের দোহাই দিয়ে ভাঙাটা এত কীসের ইগোতে চলে গেল বুঝতে পারলাম না। গুলশান লেক দখল হয়নি? তুরাগ নদী দখল হয়নি? ঢাকার খালগুলো দখল হয়নি? ঢাকার রাস্তায় জ্যামে পড়ে হাজার হাজার কর্মঘন্টা নষ্ট হয়না? তাহলে একটা ভবন কী ধরনের আমূল পরিবর্তন আনবে ঢাকার মাটিতে? জাতির বিবেকের কাছে আজ এই প্রশ্ন...

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৫:৩৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ ভাল বিষয়ে প্রশ্ন রেখেছেন ।
মনে হয় বুঝতে পেরেছেন দুটো বিষয়কে
কেন একটি পোষ্টে আনা হয়েছে ।
কিন্তু বিষয়টাতে সকলেই চুপ করে
আছে দেখে একটু বিস্ময় লাগে ।

৫| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৬:৫৬

তার ছিড়া আমি বলেছেন: ১। বিজ্ঞানীরা বাইরেই থাক সুখে শান্তিতে।
২। সব গোড়ায় গলদের মূলৎপাটন হোক।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৮:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , তবে কথা হল দেশেও হাজার হাজার বিজ্ঞানী আছেন এবং তারাও গুরুত্বপুর্ণ অবদান রেখে চলেছেন ।
কথায় বলে দেশের জুগী দেশে মান পায়না । দেশের বাইরে কিছুটা প্রাপ্তি হলে সেটাকে অনেক সময় বড় করে দেখা হয় ।
অনেকেই জীবনের শেষ বেলায় এসে তা উপলব্দি করেন । যেমন এ পোষ্টে দেখানো হয়েছে বিজ্ঞানী প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম
পাচ্যাত্তের উন্নত দেশে প্রায় ৩০ বছরের অভ্যস্ত জীবন, সম্মানজনক পদ, গবেষণার জন্য উন্নতমানের অনুকূল পরিবেশ, বিশ্বমানের গুণীজন সাহচর্য এবং আর্থিকভাবে লোভনীয় চাকরি ছেড়ে গোটা পরিবার সহ দেশে ফিরে গুরুত্বপুর্ণ অবদান রেখেছেন । নীজ দেশের জন্য ত্যাগ স্বীকারে মহাত্বতা বাড়ে । কামনা করি যে কোন মুল্যে দেশে অনুকুল গবেশনা পরিবেশ সৃষ্টি হোক , অআমাদের মেধাবী বিজ্ঞানীরা দেশে এসে গবেষনা কর্মে অবদান রাখতে উতসাহিত হোক । এ জন্য সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন ।

৬| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৭:১৬

কলাবাগান১ বলেছেন: আপনি আসল জায়গা টা তে কথা বলেন নাই...বাংলাদেশে বিজ্ঞান চর্চা প্রসার পাওয়া কস্টকর কেননা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক যারা বিজ্ঞান করবেন (ইভেন বুয়েট এর শিক্ষক) হয় লাল/নীল/সাদা দল নিয়ে ব্যস্ত অথবা প্রচন্ড ভাবে মৌলবাদী ভাবধারায় প্রভাবিত। এর মাঝে কিছু শিক্ষক ইচ্ছা থাকলে ও কিছু করতে পারেন না...বিদেশ থেকে ফিরে এসে তো আরো বিরূদ্ধবাদীতার শিকার হবেন।
বাংলাদেশের মানুষ ইদানিং ধর্মকে বিজ্ঞানের অনেক উপরে স্হান দিয়ে থাকে...টলারেনস জিরো ভিন্ন মতকে এক্সসেপ্ট করতে...

কট্ররবাদীতার মাঝে লিবারেল ধ্যান ধারনার যায়গা পাওয়া যায় না....কিন্তু বিদেশে টলারেন্স আছে...

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৮:৪০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ দেশে বিজ্ঞান চর্চার কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরার জন্য । সমস্যা গুলিকে চিহ্নিত করতে পারলে সমাধান বের হয়ে
অআসবে বলে ধারণা করি । শিক্ষকদের মধ্যে লাল নীল সাদা দল থাকলে কি যে সমস্যা হয় তা কি বলতে । দেশের রাজনৈতিক দলগুলিও তো চায় আতেল শিক্ষকেরা যেন তাদের পক্ষে গানা গায় । শিক্ষকেরা মৌলবাদী ভাবধারায় দিক্ষিত না হয়ে মৌলিক গবেষনায় দিক্ষা লাভ করুক সেটাই আমরা চাই । শিক্ষকগন গবেষনা করতে চাইলে সুযোগের অভাব নাই , রাজনীতির দলাদলী না করে গবেষনা কর্মে প্রতিযোগীতায় নামলে ভাল ফল পাবে বলে মনে বাজে সর্বদাই ।

কট্টরবাদী বনাম বিদেশে টলারেন্স সকলই ঠিক আছে , তবে আমাদেরতো এর থেকে বেরিয়ে আসতে হবে যে কোন মুল্যে । প্রথম দিকে কিছুটা সমস্যা হবে তবে সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টা থাকলে তার হাত হতে উত্তরনও ঘটবে । মানুষ আশাবাদী , মানুষ যেমন আশা করে ফলও তেমনি পায় । মাত্র গুটি কয়েক যুতসই ভাল বৈজ্ঞানিক আবিস্কারই একটি জাতির ভাগ্যকে পরিবর্তন করে দিতে পারে ।


৭| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:২৩

রোকসানা লেইস বলেছেন: আশাটা খুব ভালো। টেলেন্টরা দেশের জন্য কাজ করবেন।
কিন্তু দেশে এই টেলেন্টরা গবেষনার সুযোগ কবে পাবে।
পরিচিত কয়েকজনকে জানি ফিরে গিয়েছিলেন।
কিন্তু তিষ্ঠাতে পারেননি পদে পদে অনিয়ম আর হয়রানির ঠেলায় ফিরে গেছেন আবার বিদেশে।
এছাড়া পদে পদে বেআইনি কাজের রূপ নিয়ে যে স্থাপনা দাঁড়িয়ে আছে। তেমন অনেক অনিয়মের ধাক্কা কবে যে শেষ হবে ভাবতেই ভয় লাগে।
তবে খুব অল্প সময়ে সব ঠিক ঠাকও করে ফেলা যেতে পারে যদি সঠিক নিয়ম চালু হয় আর সে নিয়ম মানার জন্য সবাই বাধ্য থাকে। পরিচিতি আর ক্ষমতার জোড় যদি নিয়মে বাঁধা পরে।
এরজন্য নতুন প্রজন্মকে তৈরি করতে হবে।
আপনার প্রস্তাবনা কাজে লাগিয়ে ভবনটি রক্ষা করার চেষ্টা করা যেতে পারে। ভেঙ্গে আবার তৈরি তার সাথে আরো অনৈতিক কিছু করার সুযোগ না দিয়ে।
সুফল আসুক এই কামনা

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৩৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ রোকসানা লেইস ।
খুবই সুন্দর করে বলেছেন ।

দেশে টেলেন্টদেরকে কিভাবে অাকৃষ্ট করা যায় তা নিয়ে সকলের ভাবার সময় এসে গেছে ।
এর জন্য রাজনৈতিক , সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো এবং অনুকুল পরিবেশ
সৃষ্টির লক্ষ্য টেলেন্টদের কাছ হতেই গঠনমুলক প্রস্তাবনা আসলে মনে হয় দেশে
ও বিদেশে জনমত গঠনে বেশ সহায়ক হবে । কোন বিষয়ে প্রবল জনমত
গড়ে উঠলে তা পরিকল্পনাবিদ আমলাদেরকে প্রভাবিত করতে পারে!!
বিজ্ঞানী ও পরিকল্পনাবিদদের মাথার উপরে বসে আছে আমলারা
যারা স্ব স্ব বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কিংবা সেই ডিসিপ্লিনের উপরে ডিগ্রী
ধারী নয় । দেখা যায় দেশের বিভিন্ন মন্ত্রনালয়াধীন সরকারী
প্রতিষ্ঠান সমুহের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন বিভাগেরই
প্রধান হচ্ছেন বিষয় বহির্ভুত প্রশাসনিক ক্যাডারের
কর্মকতাগন । এ হেন অবস্থায় তারা গবেষনার
মত কর্মকান্ড কিংবা গবেষকদেরকে সঠিক
ভাবে মুল্যায়ন করবেনই বা কিভাবে ,
বিষয়টা ভাবতেও একটু অবাক
লাগে বিবিধ কারনে ।

বিজিএমইএ ভবনটির বিষয়ে ইতিবাচক
ভাবনার জন্য আবারো ধন্যবাদ রইল ।

শুভকামনা থাকল ।

৮| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:২৬

চাঁদগাজী বলেছেন:

"লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
যদিও বর্তমান অবস্থায় বিজিএমইএ ভবনটি ভেঙ্গে ফেলা ছাড়া
আর কোন বিকল্প নে্ই তার পরেও এ বিষয়ে আপনার কাছ হতে একটি
বিজ্ঞজনচিত পৃথক পোষ্ট কিংবা মন্তব্য কি আশা করতে পারি । "

-বাড়ীটা আইন ভেংগে তৈরি করা হয়েছে, শাস্তি হিসেবে, প্রেসিডেন্ট অর্ডিনেন্স দিয়ে বাড়ীটির মালিকানা সরকারের হাতে নিয়ে নিতে পারে; বাড়ীটিকে ঢাকা ও জাহাংগীর নগর ইউনিভা্রসিটি মিলিতভাবে রিসার্চ সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৫১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ অনুরোধে সারা দেয়ার জন্য ।
ভানটির বিষয়ে ভাল কথা বলেছেন,
বুঝা যাচ্চে এটাকে টিকিয়ে রাখার বিষয়ে
শক্ত খুটির ব্যবস্থা একটা আছে ।
এমন বড় মাপের একটি ভবন ভাড়া
দিলেও যে পরিমান টাকা প্রতি মাসে
আসবে তা দিয়ে পোশাক শিল্পের
ফ্যাশন ও ও ডিজাইন উন্নয়নের জন্য
বিরাট কর্ম সাধন করে পোশাক রপ্তানী
খাত হতেই কয়েক বিলিয়ন ডলার বেশি
বৈদেশিক মুত্রা অর্জন সম্ভব হতে পারে।

৯| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:



দেশের বর্তমান অবস্হায়, আমেরিকা ও কানাডা থেকে একজন শ্রমিকও দেশে ফেরত আসবে না।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:০৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ খাটি কথা বলেছেন । আসবেনা তো বটেই, সুযোগ পেলে সেখানে আরো যাবে ।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ২:১৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: একেবারে সঠিক কথা বলেছেন । পারলে আরো যাবে সেখানে ।

১০| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৩৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


ঢাকায় ৪/৫ লাখ টোকাই ( দু:খজনক শব্দ) প্রতি রাতে আকাশের নীচে ঘুমায়, ৫০ হাজার লাখ মা-বাবা আকাশের নীচে ঘুমায়; সেই শহরে কি করে ২৩০ কোটী টাকার বাড়ী ভাংগার কথা আসে? এসব মগজহীনরা জাতির সম্পদকে ধুলাবালি ভাবছে?

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৫৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: নিস্প্রাণ ভবনটি ছিল নিরাপরাধ
এর নির্মানকারীগন ছিল বেআইনী ;
এখন শাস্তি পেল ভবনটি , হাতুরী
শাবলের আঘাতে ভাঙ্গা হবে
তার সমগ্র অবয়বটি ।
যারা করল তেমনটি
জানতে ইচ্ছে করে
কি হবে তাদের গতি!!!

১১| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:০৪

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: দেশের অবস্থা ভালো তা কোন ভাবেই বলা যাবেনা। কারণ সব খানেই দলীয় প্রভাব জ্ঞানীরা পিছনে চামচারা সামনে!!






ভালো থাকুন নিরন্তর। ধন্যবাদ

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৫৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ , খুবই খাটি কথা বলেছেন
এখন উপায় কি হবে তাই শুধু ভাবি ।

শুভেচ্ছা রইল

১২| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৫০

ভাইরাস-69 বলেছেন:

প্রথমেই বাংলাদেশী বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানাকে অভিনন্দন জানাই।

তিনি এবং তার দল বর্তমানে মেটাচিউটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি) -র সাথে সহযোগিতা করছেন, একটি প্রোটোটাইপ ইমেজিং স্পেকট্রমিটার তৈরি করতে - একটি যন্ত্র যা কার্যত সমস্ত বৈজ্ঞানিক শৃঙ্খলে ব্যবহৃত হয় আলো-এর বৈশিষ্ট্যগুলি পরিমাপের জন্য - উদ্ভূত কোয়ান্টাম ডট প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে যে এমআইটি গবেষক প্রবর্তিত।

কোয়ান্টাম ডটস 1 দশকের প্রথম দিকে আবিষ্কৃত একটি অর্ধপরিবাহী nanocrystal হয়। নগ্ন চোখের অদৃশ্য, বিন্দু তাদের আকার, আকৃতি, এবং রাসায়নিক গঠন উপর নির্ভর করে হালকা বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্য শোষণ পরীক্ষা পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে। তার তহবিল দিয়ে, সুলতানা উন্নয়নশীল, তাপ ভ্যাকুয়াম এবং কম্পন পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্যতা অর্জন করে এবং সূর্য ও অরোরা চিত্রের দৃশ্যমান দৃশ্যমান তরঙ্গদৈর্ঘ্যের প্রতি সংবেদনশীল 20-by-20 কোয়ান্টাম-ডট অ্যারে প্রদর্শন করে... (তথ্য সূত্রঃ নাসা)

কোন দেশের উন্নতি সাধাণের প্রধান শর্ত হল,বিজ্ঞানও প্রযুক্তি উন্নতি করা।বিজ্ঞানের গবেষণার ক্ষেত্র সৃষ্টি না করলে দেশ পিছিয়ে যাবে অনেক অংশে। উন্নত রাষ্টে হিসাবে বিশ্ব দরবারে মাথা উচু করে দাঁড়ানোর ক্ষমতা হারিয়ে ফেলবে। বর্তমানে সময়ে যারা বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করতে চান তাদেরকে সঠিক মূল্যয়াণ করত হবে।কারণ,বিজ্ঞানের সুপ্ত সম্ভবনার সোনালী বীজ নিহিত আছে । বিজ্ঞানের উন্নতি সাধানে কত না সুবিধা হচ্ছে।আজ আমরা অল্প সময়ে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিচ্ছি। প্রিয়জনের সাথে অল্প সময়ে মুহর্তে টেলিফোনে কথা বলছি। সূদুর অতীত কাল থেকে বিজ্ঞানী যেমন-আর্কিমিডিস থেকে শুরু করে নিউটন,আইনন্টইন এমন কি আমাদের দেশের অনেক বরণী বিজ্ঞানীর স্বরণীয় আবিষ্কার কথা গল্পে মত হৃদয়গ্রাহী করে কিশোর-কিশোরীদের জন্য লেখা হচ্ছে। তথ্যবহুল একটা পোষ্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ জানবেন,জনাব।

শুভ কামনা রইল।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:০৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ বাংলাদেশি এই গুণী বিজ্ঞানীকে অভিনন্দন জানানোর জন্য ।
মাহমুদা সুলতানা উদ্ভাবিত জটিল বৈজ্ঞানিক বিষয়টিকে
খুব সুন্দরভাবে বর্ণনা দিয়ে এই পোষ্ট টাকে অনেক
উচ্চতায় নিয়ে গেছেন , কৃতজ্ঞতা জানবেন ।

আমাদের নিজস্ব স্যাটেলাইট এখন মহাকাশে
উৎক্ষেপনের দ্বারপ্রান্তে । এর সফল ও
বহুমূখী ব্যবহারের লক্ষ্যে তাঁর মত
বিজ্ঞানীদের প্রয়োজন আছে
দেশে ।সরকার এমন
টেলেন্টদেরকে খুঁজে
বের করতে পারে
নীজের গরজে।

শুভেচ্ছা রইল ।

১৩| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৫৭

ধ্রুবক আলো বলেছেন: এই সকল নিউজ গুলো পত্রিকায় পড়ি। টেলিভিশন মিডিয়াতে হাইলাইট খুব কমই হয়। এই নিউজ গুলো হাইলাইট হলে দেশের নতুন প্রজন্মের জন্য একটা প্রেষণামূলক হতো।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:২০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , বিষয়টি আলোচনার সাথে অনেক কিছুই জড়িত । কথা বলতে হয় খুব ভেবে চিন্তে । মিডিয়ার যে করুন অবস্থা তাকি আর বলতে । এখন শুধু পারেন দেশের তরুন টেলেন্টরাই সঠিকভাবে তাদের চিন্তাভাবনা তুলে ধরতে বিবিধ প্রকারে । নতুন টেলেন্ট প্রজন্ম নিয়ে আমি খুবই অাশাবাদী, কোন ভাবেই মেধার স্ফুরণ যাবেনা রাখা দমিত করে । বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজ সর্বত্রই পাওয়া যাচ্ছে বিবিধ প্রকারে ।

শুভেচ্ছা রইল ।

১৪| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:০০

সোহানী বলেছেন: লিখার শিরোণাম পড়ে ভাবছিলাম আলীভাই মনে হয় এবার দেশেই ফিরিয়ে নিবেই নিবে.... তারপর যখন লিখা পড়া শুরু করলাম তখন ভাবলাম গিয়াস লিটন ভাইয়ের মতো গুনীজন নিয়ে পর্ব শুরু করেছেন..... কিছুদূর পর দেখি আরে নাহ হাতির ঝিলের বিজিএমই ভবন নিয়েই আপনার আলোচনা..... প্রথমেই বলে নেই একই সাথে এতোকিছু একবারে পেলাম তাই ধন্যবাদ। এবার আসি মূল আলোচনায়....

প্রবাসীরা কেন দেশে ফিরে আসবে না তার হাজারটা কারন আপনি দিয়েছেন। এবং যারা ফিরে এসেছে তাদের কি করুন অবস্থা তার ও কিছু বর্ননা দিয়েছেন...... তাই ওই পর্ব বাদ।

দ্বিতীয় টপিক্স: বিদেশের দেশী মেধাবীরা ভালো আছে এবং ভালো করছে কারন সেখানে যার মেধা আছে আর ইচ্ছা আছে তার জন্য শত উপায় খোলা আছে। আর দেশে যার মেধা আছে তাকে গলা টিপে হত্যা করছে, তাই শিশু থেকে যুবক কোন মেধাবীই উঠে আসছে না। বরং ধ্বংস হচ্ছে তাই যার অর্থ বিত্থ আছে সে তার প্রজন্মকে বাইরে রেখে পড়াচ্ছে।

তৃতীয় টপিক্স: আপনি কি জানেন হাতির ঝিল পরিকল্পনার পর বাস্তবায়ন হতে প্রায় ২০ বছর সময় লেগেছিল। কারন রেংগস ভবন ছিল এর মুখে। পরবর্তীতে তত্বাবধায়ক সরকার এসে তা ভেঙ্গে ফেলে। সেটি প্রায় বিজিএমই ভবন এর ৪ গুন। সেটি ভেঙ্গতে পারলে বিজিএমই ভবন ও রাখার কোন যুক্তি নেই। কারন প্রথমেই দরকার হাতির ঝিলের প্রকল্প ঠিক করা। আর ও রকম হাজার কোটি টাকা দেশে থেকে প্রতি মাসে চলে যায়। এখন বলেন দেশে ব্যাংক ডিফল্ডারের সংখ্যা কত বা মোট কত টাকা অপরিশোধিত লোন আছে? এইসব হাজার কোটি টাকা কোথায় গেল? কেন একটা ভালো ইন্ডাস্ট্রিওতো হয়নি এতো বছরে?.............. আগে দরকার মাথা ঠিক করা তারপর লেজ এমনিতেই ঠিক হবে।...........

অনেক ভালো থাকেন..........

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ বোন সোহানী , কি যে বলেন , গুণী জন নিয়ে লেখা সে যে গিয়াস ভাই এর জগত তা আমি ভাল করেই জানি । কোন কালেই আমার দু:সাহস হবেনা ঐ রকম মহতি কর্ম সাধনে । আমি আমার লেখার উপক্রমনিকা হিসাবে তাদের কথা শ্রদ্ধার সাথে অল্প দুয়েক লাইনে টেনে এনেছি এখানে ।

আপনি ঠিকই বলেছেন, প্রবাসী গুণী বিজ্ঞানীদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনা এক অতি কঠীন বিষয় । এর জন্য যে রকম অনুকুল অবকাঠামো ও দেশের কর্নধারদের মন মানসিকতা দরকার । কি ভাবে ও কোনদিন যে তা হবে তা বিধাতাই জানেন । তবে আশায় আশায় থাকতে পারি একদিন তা হবে । শুনেছি ২০৫০ এ আমরা নাকি দুনিয়ার মধ্যে উন্নত বিশ্বের কাতারে নাম লেখাব , সে সময় আমরা বিশ্বের বুকে ২৩তম বৃহত অর্থনীতির দেশে পরিনত হব । ফলে কর্ম যজ্ঞতো শুরু করতেই হবে বিবিধ প্রকারে !!! সে ভবন ধংস করে কিংবা সৃস্টি করে যে ভাবেই হোক ।

বেআইনীভাবে শত শত কোটি টাকার ভবন তৈরী হবে, আর আইনীভাবে তা ভাঙ্গা হবে , জানিনা এই ভাঙ্গা গড়ায় ২০৫০ সনে দেশের অবস্থা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে । কোন কাতারে নাম লেখাব তা বিধাতাই জানেন ।

প্রস্তাবনা ঠিকই দিয়েছেন , দেখা যাক তা ফলে কেমনে !!

শুভেচ্ছা রইল

১৫| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:২৪

গড়ল বলেছেন: মেধাবীদের দেশমূখী করে লাভ কি, চিড়িয়াখানায় একটা পশুকে যতই সুযোগ সুবিধা দেন না কেন, একটা বন্দি পরিবেশে তার অদ্বিতীয় বৈশিষ্ঠগুলি কখনই বিকাশ লাভ করবে না। দেশে যদি মুক্ত চিন্তা করার পরিবেশ না থাকে, বাক স্বাধিনতা না থাকে, মুক্তভাবে যে কোনকিছু অবলোকনের পরিবেশ না থাকে শুধু কিছু উন্নত দালান, উচ্চ প্রযুক্তি সম্পন্ন ল্যাব ও প্রচুর টাকা দিলেও কোনদিনই কোন প্রতিভা সম্পূর্নরুপে বিকশিত হবে না।

আর যে দেশে সবসময় সবকিছু নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হয় যেমন টাইমমত কোথাও পৌছাতে পারব কিনা, সময়মত বিদ্যুৎ থাকবে কিনা, ছেলেমেয়ের স্কুলে সময় মত যেতে পারল কিনা, ডাক্তার রোগ ধরতে পারল কিনা, বাজারে গেলে ভাল জিনিষ পাব কিনা, দোকানে থেকে কিছু কিনলে ঠকব কিনা, আসল জিনিষটা পাব কিনা, রাস্তায় পুলিশ দূর্ব্যাভার করবে কিনা, ছেলেমেয়ের প্রাইভেট টিউশন কোঠায় ভালো পাব, পড়ার সময় রাস্তায় কেউ মাইক বাজাচ্ছে কিনা, হসপিটালের আশে পাশে কেউ ওয়াজ মহাফিল করছে কিনা, কোন ভিআইপি রাস্তা ব্লক করে রেখেছে কিনা এরকম হাযারটা ফালতু চিন্তা নিয়ে যাদের সারাদিন যাদের মস্তিষ্ক ব্যায় করতে হয় তাদের দিয়ে সৃজনশীল কিছু চিন্তা করান দুসাধ্য।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , বুঝতে পারছি কথাগুলি অনেক দু:খ কষ্ট
ব্যথা , বেদনা ও হতাশা হতে উঠে এসেছে ।

কিন্তু এত হতাশা বুকে চেপে রেখেতো চলবেনা ভাই,
মুক্তির একটি উপায় আমাদের সকলকে মিলে
খুঁজে বেড় করতেই হবে । সকলেই যদি
সচেতন হয়ে একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক
অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি করে দিতে পারি
তাহলে দেশের টেলেন্টরা আকৃষ্ট
হবেন দেশে এসে গবেষনা ও
উন্নয়নের হাল ধরতে ।

টেলেন্টরা বিদেশে স্থায়ী
হয়ার চেয়ে দেশে ফিরে
তাদের ক্ষমতাকে কাজে
লাগাতে পারলেই তাদের
টেলেন্ট উপাধিটা আরো
অনেক বেশী পোক্তা হবে ।

প্রতিকুলতার মধ্যে সৃজনশীলতা দেখানোর
ভিতরেই টেলেন্ট প্রতিভাটা আরো বেশি
করে ফুটে উঠবে । তাঁদের কৃতি লেখা
থাকবে দেশের ইতিহাসে স্বর্নাক্ষরে ।

অনেক অনেক ধন্যবাদ রইল ।

১৬| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৫২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ডঃ জামাল নজরুল ইসলাম আমার প্রকাশিত 'প্রবাসে বাংলাদেশী গুণীজন' গ্রন্থের একজন গুণী।
বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানাও 'প্রবাসে বাংলাদেশের রক্তের উত্তরাধিকারী গুণীগণ' সিরিজে প্রকাশের অপেক্ষায় আছেন।
দুজনকে নিয়ে আলোচনা ভাল লাগলো, ভাল লাগ্লো হাতির ঝিল কাহনও ।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় গিয়াস ভাই ।
প্রবাসে বাংলাদেশী গুনীজনদের নিয়ে আপনার মহতি কর্মের কথা আমি জানি ।
আমি এটাও জানি সুলতানার কথাও সুন্দরভাবে উঠে আসবে আপনার লেখায় ।
প্রবাসী বাংলাদেশের কৃতিত্বগুলি যে ভাবে আপরার লেখায় উঠে আসে তাতে
আমাদের দেশের তরুন তরুনীরা বিশেষভাবে অনুপ্রাণীত হয় ।

প্রবাসী গুণীজনদের কথা বলতে গিয়ে এবং তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে
অআনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অনুকুল গবেষনা ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা
সৃজনের কথামালা প্রসঙ্গে প্রয়োজনীয় অর্থ সংস্থানের সীমাবদ্ধতার
কথামালায় মনে হল আমরা যদি আমাদের সিমীত সম্পদকে
যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারতাম তা হলে অনেক সুবিধা হত্।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

১৭| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:২৪

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: আমার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ এই আলোচনা পর্ব। আপনি প্রতিটি বিষয়ে খুব সুন্দর করে বুঝিয়েছেন। আপনার সাথে একমত।

বৈজ্ঞানিকদের দেশমুখী করা ও দেশের বিভিন্ন স্থাপনা নিয়ে যা বলে গেছেন সবগুলোই যুক্তিগত দিক থেকে একমত হওয়ার মতো।

শুভকামনা আপনার জন্য সবসময়। আপনাদের মতো কিছু মানুষ আমাদের দেশটিকে নিয়ে ভাবেন বলেই আমরা মাঝেমধ্যে নিরাশ হয়েও খুঁজে পাই ভরসা।

শুভ হোক আপনার প্রতিক্ষণ।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:১৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোষ্ট টি গুরুত্বপুর্ণ অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।

আলোচ্য বিষয়ে সহমত প্রকাশের কথা শুনে ভাল লাগল ।

আপনার জন্যও রইল শুভ কামনা ।


১৮| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:২৮

নতুন নকিব বলেছেন:



একনজরে বুঝলুম। রীতিমত। বরাবরের মত। অবাক করা, মুগ্ধ করা অপূর্ব অসাধারন পোস্ট।

পড়ে বিস্তারিত মন্তব্যে আসার ইচ্ছে থাকল। শুভকামনা অন্তহীন আলী ভাই। মন্তব্যে এসে উদ্দীপনাদাতাদেরও।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
পোষ্ট টাকে অপুর্ব অসাধারণ মনে মুগ্ধ
হওয়ার কথা শুনে খুব ভাল লাগল ।

আবার এসে দেখবেন শুনে খুশি হলাম ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

১৯| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:১৫

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: চমৎকার লেখা। এক নিঃশ্বাসে পড়ার মতো। বিজিএমইএ ভবন তো সকলের নাকের ডগার উপর বসে ডাকাতি করা ছাড়া আর কিছুই নয়। তারা দেশের আইন কানুনের তোয়াক্কা করে না। আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও তারা ভবনটি না ভেঙ্গে শুধু সময় প্রার্থনা করে চলেছে আর আদালতও তা' দিয়ে চলেছে। কত রঙ্গ দেখ রে জাদু।


ধন্যবাদ ডঃ এম এ আলী।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:০৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: লেখাটি চমৎকার ও এক নিঃশ্বাসে পড়ার মত অনুভুত হওয়ায় খুশী হলাম ।
বিজিএমইএ হলো মালিকদের সংগঠন , তারা নীজেদের সংগঠন ও ভবনকে শক্তিশালী করছে
আর পোশাক শ্রমিকদের সংগঠনকে বিভিন্নভাবে নিরোৎসাহিত করছে ।
সরকারী ও বিরোধী দলের চাইদের বেশিরভাগই এই সংগঠনের সাথে যুক্ত বিবিধ প্রকারে ।
নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ব্যাংক হতে হাজার কোটি টাকার লোন নিয়ে বাহারী ভবন নির্মান করা হবে ,
এর সাথে যুক্ত হবে কত কত বিষয় বিবিধ প্রকারে । ঠিকই বলেছেন কত রঙ্গ দেখ রে জাদু।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

২০| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২৩

নীলপরি বলেছেন: আপনার প্রত্যেক পোষ্টের বিষয়গুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয় । এটাও সেরকম । ++++++++

শুভকামনা ।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোষ্ট টি গুরুত্বপুর্ণ মনে হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
এত এত প্লাসে অনুপ্রানীত হলাম ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

২১| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: এটা অনস্বীকার্য যে বিদেশে কর্মরত বিজ্ঞানীরা মনঃকষ্টে ভুগলেও, দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ,সমাজে হিংসা ও হানাহানি, ক্ষমতাবানের দৌরাত্ম্য, চরমপন্থা ও অসহিষ্ণুতা , অর্থিক অসচ্ছলতা , জীবনের নিরাপত্তা, মানুষের মধ্যে লোভ আর স্বার্থপরতা, বঞ্চনা ও বৈষম্যের অর্থনীতি, কালোটাকা ও অবৈধ সম্পদের ছড়াছড়ি প্রভৃতি বহুবিদ কারণে দেশে ফিরতে আগ্রহ বোধ করেন না । |আপনি নেইল ডাউন করেছেন বিদেশ থেকে কেন আমাদের বিজ্ঞানীরা দেশে আস্তে চায় না সেই সমস্যার |আমি মিডিল ইস্ট, ফার ইস্ট, তুরস্কসহ ইউরোপের যে সব দেশের ছেলে মেয়েদের সাথে এখানে পড়েছি তারা সবাই কিন্তু দেশে ফিরেছে | কারণ তারা জানতো যা তারা পড়েছে এখানে সেটা তাদের দেশে ইউজ করতে পারবে কোনো সমস্যা ছাড়াই | দেশের সামাজিক আইন শৃঙ্খলার অবস্থা নিয়ে তাদের কোনো সমস্যা নেই তাই অভিযোগও নেই | আমাদের অবস্থা সেরকম নয় | এই কারণটাই ব্রেন ড্রেনটা থামছে না | আমি শিওর না এখানে মুরগি না ডিম্ কোনটা আগে ঠিক করতে হবে সমস্যাটা সমাধান করতে | একটা জিনিস বুঝতে পারছি এর জন্য আমাদের ভোগান্তি অন্তহীন হয়েই থাকবে যতক্ষণ না আমরা সমস্যাটা সমাধানের ব্যাপারে একমত হতে পারি |

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:১৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: মুল্যবান গঠনমুলক মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
ভাল কথা বলেছেন সমস্যাটি সমাধানের জন্য সকলের ঐক্যমত প্রয়োজন ।
পরস্পরের মধ্যে তথ্যের আদান প্রদান ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে
করনীয় বিষয় ঐক্যমতে পৌঁছে সঠিক ভাবে ও সুসমন্বিতভাব
কর্ম প্রচেষ্টা গ্রহন করলে ভাল হবে বলে মনে করি ।

শুভেচ্ছা রইল ।

২২| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৩১

মানিজার বলেছেন: ডেডিকেটেড ব্লগিং । ভাল করছেন ।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:২২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , প্রনোদনামুলক কথায় অনেক অনুপ্রানীত হলাম ।

শুভেচ্ছা রইল ।

২৩| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৪৩

নিরাপদ দেশ চাই বলেছেন: খুব ভাল পোস্ট। আমিও মনে করি প্রবাসী বিজ্ঞানী ও বিনিয়োগকারীদের দেশে ফিরে আসা উচিৎ। সরকারের কাছ থেকে কোন কিছু আশা করে লাভ নাই।কোন সরকাররেই মেধাবী লোকজন পছন্দ না। কিন্তু তাই বলে কি নিজ মাতৃভূমির জন্য কেউ কিছু করবে না? এ ক্ষেত্রে অনুকরনীয় হচ্ছে ডঃ ইউনুস, ফজলে আবেদ প্রমুখ।এই দেশপ্রেমিক ব্যক্তিরা হাজারো প্রতিকুলতার সাথে লড়াই করে দেশের জন্য সেবা করে যাচ্ছে। চাইলে তারাও দেশ থেকে বাইরে গিয়ে রাজার হালে থাকতে পারত। এখনো কিছু মানুষ চেষ্টা করছে যাদের অনেকের কথা আমরা জানি না। ফেসবুকের মারফত ঊত্তরবঙ্গে কাজি ডেইরি ফার্ম নামের একটি অরগানাইজেশনের উপড় একটি প্রতিবেদন পড়লাম যেখানে দেখলাম যে তারা উত্তরবঙ্গের নারীদের গরু ছাগল পালনে সহায়তা করছে এবং দুধ বিক্রির টাকা দিয়ে গরুর দাম শোধ করার ব্যবস্থা চালু করেছে। এই সংস্থায় স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে যাকে কাজ করতে দেখলাম , তার পরিচয় জেনে চমকে উঠলাম।বিদেশে উচ্চশিক্ষা শেষ করে আসাএক প্রাক্তন ঢাবি ছাত্রী।এরা শুধু এই ফার্মই চালাচ্ছে না, এরা নারী ও শিশুদের জন্য স্কুলও খুলেছে পঞ্চগড়ে।তাই ব্যক্তিগত উদ্যোগ নিয়ে দেশে কিছু করতে চাইলে সেটা একেবারেই যে অসম্ভব তা না। বিদেশি প্রযুক্তি জ্ঞান যদি দেশে লাগানো যায় তবে দেশের উন্নতি আরো দ্রুত হবে।

কিন্তু প্রতিষ্ঠিত কোন সংস্থায় এসে সেখানে কাজ করতে গেলে কোন অবস্থাতেই কাজ করতে দেয়াতো হবেই না উল্টো অপমানিত হতে হবে। তারপরেও টিকে থাকতে চাইলে ডঃ জাফর ইকবালের মত অবস্থা হবে।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:৫৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: যুক্তি দিয়ে খুব সুন্দর কথা বলেছেন ।
দেশের বিজ্ঞানীরা যদি বিদেশে খাকতে চান তারা থাকুন না সেখানে তাতে কোন
আপত্তি নাই । এটা যার যার একান্ত ব্যক্তিগত বিষয় । তারা দেশের বাইরে থেকেও
দেশের সেবায় নিয়োজিত হতে পারেন বিবিধ প্রকারে । আমাদের কথা হলো দেশে
এমন সব অবকাঠামো ও অনুকুল পরিবেশ সৃস্টি করতে হবে যেন মেধাবীরা দেশে
ফিরে আসার জন্য অকৃষ্ট হন নীজে থেকেই ।

যারা দেশের বাইরে পড়াশুনা করতে যান তাদের বেশীর ভাগই দেশে ফিরে আসেন ।
তাঁরা সরকারী , বেসরকারী এনজিও ও স্বকর্মসংস্থানে নীজকে নিয়োজিত করে
দেশ সেবায় গুরুত্বপুর্ণ অবদান রেখে চলেছেন ।

দেথা যায় এদেশে অনেক বিদেশী বিশেষজ্ঞ ও শ্রমিক কাজ করছেন এবং তারা এদেশ
হতে বিলিয়ন ডলার আয় করছেন । তাই আমরা এই উচ্চ্ বেতনের জায়গাগুলিতে
নীজেদের জনবল কেন নিয়োগ করতে পারছিনা তা এখন বিরাট প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে ।
ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে সকলে মিলে মত বিনিময় করে একটি গনচেতনতা গড়ে তুলা
কাম্য বলে মনে করি ।


অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

২৪| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৪৭

তারেক ফাহিম বলেছেন: একের ভিতর অনেক।


সামুকে আপন করে নিয়েছি আপনাদের ন্যায় গুনি ব্লগারের জন্যই।

আপনার জন্য শুভকামনা সবসময়।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৫৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ, সামুকে আপন করে নিয়েছেন জেনে খুশি হলাম ।

শুভ কামনা রইল ।

২৫| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৫৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ, সামুকে আপন করে নিয়েছেন জেনে খুশি হলাম ।

শুভ কামনা রইল ।

২৬| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৪:১৭

ফেরদৌসা রুহী বলেছেন: দেশের যে অবস্থা হচ্ছে দিনে দিনে এই অবস্থায় যেসব মেধাবীরা দেশের বাইরে কাজ করছে তারা কেউই ফিরে আসবেনা।

যদি দেশের অবস্থা, কাজের পরিবেশ সব কিছুর উন্নতি হয় হয়তো তখন অনেকেই চিন্তা করবে দেশে ফিরে আসার।

যারা দেশের বাইরে উন্নত দেশে থাকার, কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে তারা দেশের এই অবস্থা দেখে আতংকে ভুগে।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৪:৫২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , আপনি যতার্থই বলেছেন। তবে অনুকুল পরিবেশ সুস্টির জন্য
প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা যেতে পারে, যাতে করে
যদি কোন দিন প্রয়োজন পরে তাহলে যেন নীজের দেশে ফিরে আসতে
পারে এবং আর কিছু না পাক অন্তত নীজের দেশে নিরাপত্তা ফিল করে,
জানিনা সে দিন আমাদের কবে আসবে ।

শুভেচ্ছা রইল

২৭| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৫:৫৯

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: আগে এসে পড়ে গিয়েছিলাম। এবারে আসলাম মন্তব্য করতে। প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই, এমন একটি বিষয়কে তুলে নিয়ে আসার জন্যে।

বিদেশের সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন বা বেড়িয়েছেন নামকরা, অথচ আমাদের কাছে অপরিচিত অনেক বাংলাদেশী বাঙালী। এই মানুষগুলো জীবনের সিংহভাগ সময় দেশের বাইরে থেকে যান। শেষ বয়সে ফিরে আসেন দেশে। তখন তাঁদের আর কিছু দেওয়ার থাকে না তেমন। আর, দেওয়ার থাকলেও আমরা কেন যেন নিতে পারি না তাঁদের কাছ থেকে।

আমি একবার আমেরিকার এক রকেট সায়েন্টিস্টের সাথে মুখোমুখি কথা বলেছিলা্ম। জিজ্ঞাসা করেছিলাম- আপনি দেশে ফিরে আসেন না কেন? তিনি আমাকে উত্তরে বলেছিলেন, আমি কেন আসবো যেখানে দেশের বাইরে আছে সব সুযোগ-সুবিধা। এখানে টাকাটাই মূখ্য নয়। এর পাশাপাশি উন্নত গবেষণার পরিবেশও যুক্ত যা বাংলাদেশে এখনো গড়ে উঠেনি।

আমি নাসার আরেক রকেট বিজ্ঞানীকে একই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনিও ঐ একই রকমের উত্তর দিয়েছিলেন।

একি অবস্থা যারা ইউরোপে থাকেন। অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠানেই বাংলাদেশীরা আছেন। তাদের কয়েকজনের সাথে আমার দেখাও হয়েছিলো। আমার কথার জবাবে তাঁরা শুধু হেসেছিলেন। বলেছিলেন- বাংলাদেশকে আগে প্রস্তুত হতে হবে আমাদেরকে নেওয়ার জন্যে।

আমি যখন বললাম, আপনারা নিজে গিয়ে আগে প্রস্তুত করেন না কেন?

তখন উনারা বলেছিলেন, ডঃ খলিল, ডঃ জাফর ইকবাল বা ডঃ রেজা-ই-করিম খন্দকারদের মতো অনেকেই আগে এমন দেশে ফিরে গিয়েছেন। তাঁদের অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর নয়।

আপনার্ পোস্টটি দেখে মনে পড়ে গেলো অতীত এই স্মৃতিগুলোর কথা।

ধন্যবাদ।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৩৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ খুবই সুন্দর যুক্তিপুর্ণ কথা বলেছেন । অনেক ভাবনার বিষয় রয়েছে কথামালাতে ।
তবে একথাও বলা যায় যে বেশ ভাল সুযোগ সুবিধা দিয়েও আমরা ধরে রাখতে পারিনা আমাদের মেধাকে । আমাদের দেশের বিশ্ব বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষকগন একজন প্রভাষক হিসাবে যোগদান করার পরপরই তার উচ্চশিক্ষার জন্য সুযোগ খুঁজতে থাকেন । ভালো একটি স্কলারশিপ এর জন্য আপ্রান চেষ্টা করেন। সুযোগ পেলেই চলে যান মাস্টার্স, পিএইচডি করার জন্য, তারপর পোস্ট-ডক্টরেট, এভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নিয়মানুসারে শিক্ষাছুটি নিয়ে বিদেশে কাটিয়ে দেন ছয়-সাত বছর। এরপর ভালো সুযোগ পেলে দেশে বা বিদেশে বিভিন্ন ধরনের চুক্তিভিত্তিক চাকরির নিমিত্তে পাঁচ বছর বা ততোধিক সময়ের জন্য লিয়েন/প্রেষণে ছুটি কাটাতে থাকেন। এভাবে দেখা যায় অনেক শিক্ষক তাঁর শিক্ষকতা জীবনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সময় নিজ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম থেকে বিরত থাকেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের উন্নত বিশ্বে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় জ্ঞানার্জনের প্রয়োজন আছে। তাতে কোন সন্দেহ নাই , তবে এর সুফল হতে দেশ বঞ্চিত হয় বিবিধ প্রকারে , সে সময়ে শুন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ করা যায়না বলে ছাত্ররা পরে বিপাকে ।

কর্মক্ষেত্রে অর্জিত জ্ঞান প্রয়োগের পাশাপাশি শিক্ষা ও গবেষণা বিস্তারের প্রয়োজনহেতু কনসালট্যান্সি ও বিভিন্ন চুক্তিভিত্তিক কাজের সুযোগ দুনিয়ার প্রায় সকল দেশেই রয়েছে । ভারত, পাকিস্তান ও চীনের মতো বিদেশে অবস্থান করা মেধাবী গবেষককে সুযোগদানের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে এনে তাদের মেধা কাজে লাগিয়ে দেশকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মত চিন্তাটা সরকারকে করতে হবে । মেধাবীদের দেশে ফিরে আসার জন্য আকর্ষণ সৃস্টি ও তাদেরকে ধরে রাখার জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা ও জবাবদিহিতাও এ সাথে নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় আশানুরূপ ফল পাওয়া যাবে না।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

২৮| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০০

নিয়াজ সুমন বলেছেন: আপনার আইডিয়াগুলো কিংবা উদাহরণগুলো ভেবে দেখার মতো। তবে প্রশ্ন হচ্ছে দেশের আর দশের উন্নয়ন হবে এমন সৎ চিন্তার মানুষ কি আছে দেশে ঐ জন প্রশাসনের মধ্যে আদো ? যাদের মাধ্যমে এই কাজগুলো প্রশাসন করবে সঠিক ভাবে। যতক্ষন না সত্যিকারের দেশপ্রেম উজ্জিবিত না হবে ততক্ষন কাজগুলো এমন ই রসাতলে যাবে। যাই হোক আপনার পোস্ট টি ভেবে দেখতে পারে যথাযত কৃর্তপক্ষ।
ধন্যবাদ আপনাকে চমৎকার পোস্ট করার জন্য।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:৫০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:


ধন্যবাদ মুল্যবান মতামত দানের জন্য ।
আমাদের জন প্রসাসনে সৎ চিন্তার
মানুষের সমাগম ঘটাতে হবে
সত্যিকারের দেশপ্রেম
উজ্জিবিত করতে
হবে ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

২৯| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৫৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: ডঃ এম এ আলী ,




চমৎকার বিশ্লেষণ , যুক্তি-তর্ক, উচিৎ-অনুচিৎ দিয়ে সাজানো লেখা । পাঠকের মন্তব্যও কম বিশ্লেষণাত্বক নয় ।

লেখায় আপনার অমন আশাবাদী হওয়ার বিন্দু পরিমানও অনুঘটক এদেশের জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে কোথাও নেই । রবীন্দ্রনাথের ভাষায় যে ‘পরিত্রাণকর্তা আসবেন দারিদ্র্য লাঞ্ছিত কুটিরে পূর্বাচলের সূর্যোদয়ের দিগন্ত থেকে’ তিনি কোথায় এই দেশে ? তাকে পাবেন কোথায় ? যে দেশের ভাগ্যাকাশ তমসাচ্ছন্ন দিন ভর , যে দেশের মানুষের চিন্তা-চেতনা ফরমালীনের অভাবে পঁচে গলে গেছে তাকে কোন যাদুর কাঠির স্পর্শে জাগিয়ে তোলা যাবে ? আমাদের চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত যেখানে ক্যান্সারের বীজ ছড়ানো সেখানে " আশা" নামের কুহকিনী কবে মরে ভুত হয়ে গেছে !

আপনি নিজেও বলেছেন -- " বিজ্ঞ আদালত তাদের রায়ে বলেছেন ভবন নির্মানটি ছিল বেআইনী । তাতে পরিস্কার বুঝা যাচ্ছে ভবনটির নির্মানের অনুমোদন পক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব ছিল, যে জন্য এটা রাজুক হতে অনুমোদিত হতে পেরেছিল ।"
এই যখন অবস্থা তখন বুঝতেই হয় আমরা সকল সুস্থ্যতার উর্দ্ধে উঠে গেছি ।

দুঃখিত, আপনার এমন শক্তিশালী একটি লেখায় এ ধরনের মন্তব্য করতে হলো বলে ।
ভালো থাকুক আমাদের সকল কৃতী সন্তানেরা অন্য আকাশে । তাদেরকে এই অন্ধকুপে ডেকে আনার কোনও মানে নেই ............

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ২:৫১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ অতি মুল্যবান মতামত রাখার জন্য ।
পোষ্টে উঠে আসা দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা বেশ ঝুকি পুর্ণ
একটিতে আদালত অপরটিতে সরকারে দৃষ্টি ভঙ্গী,
তাই এ বিষয় দুটি নিয়ে সকলের কথামালাই
হচ্ছে বেশ কৌশলী ।
খোলা মনে সব কথা যায়না বলা
সেতো বুঝতেই পারছেন ।

ঠিকই বলেছেন যে অবস্থায় এখন আছি সেখান হতে
উঠে আসা মনে হয় হবে খুবই কঠীন হবে।

মেধাবী বিজ্ঞানীদেরকে মনে হয় দেশে ফিরিয়ে আনা হবে খুবই দরুহ।
ঠিকই বলেছেন ভালো থাকুক আমাদের সকল কৃতী সন্তানেরা অন্য আকাশে
তাদেরকে এই অন্ধকুপে ডেকে আনার কোনও মানে নেই


এ প্রসঙ্গে মনে পরে আমাদের ধোলাই খালের গুণী বিজ্ঞানীদের কথা । আপনিতো জানেন সারা দেশের কোথাও যে যন্ত্রাংশ পাওয়া যায়না না সে যন্ত্রাংশ পাওয়া যায় ধোলাইখালের দোকানে। যে যন্ত্রাংশটি মানুষ খুঁজে খুঁজে হয়রান, সে যন্ত্রাংশটি সহজেই পাওয়া যায় সেখানে। নতুন কিনতে গেলে যার জন্য গুনতে হয় বড় বড় নোট সে যন্ত্রাংশটি স্বল্প মূল্যে এবং সহজেই মিলে যায় ধোলাই খালের পুরাতন যন্ত্রাংশ বিক্রির দোকানে । ধোলাই খালের পণ্য গুলিও নাকি বর্তমানে লোকমুখে স্বীকৃতি পেয়েছে ধোলাই ব্র্যান্ড হিসেবে। শুধু মাত্র রাজধানী ঢাকা নয় সারা দেশ থেকে ক্রেতারা যায় সেখানে।

যদিও বলা হয়ে থাকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পার্ক করা গাড়ী থেকে চুরি করা গুরুত্বপূর্ণ পার্টস, হেড লাইট কিংবা আস্ত গাড়ির চাকা চুরি হওয়ার পর চলে যায় ধোলাই খালে। তবে শুধু মাত্র চোরাই মালই নয় সেখানে এখন গড়ে উঠেছে ইস্পাত শিল্প, ঢালাই লোহা ও পিতল শিল্প । তাদের উৎপাদন কারখানাগুলো শিল্প প্রতিষ্ঠানের মতো বড় নয়। ছোট ছোট দোকানেই তৈরি হয় নানা ধরণের পন্য। হাতুরির টু টাং শব্দে এখানে নিত্য চলে সৃষ্টি । বলা হয়ে থাকে এখানকার শ্রমিক এবং কারিগররা উপযুক্ত প্রশিক্ষণ পেলে বাংলাদেশেকে নাকি নিয়ে যেতে পারে চীনেরও উপরে । অপার সম্বাবনাময় ধোলাই ব্র্যান্ড যখন দিনে দিনে এগিয়ে চলছে তখন দেশি বাজারে বিবিধভাবে বিদেশী পণ্যের অবাধ প্রবেশের কারণে বড় ধরণের চ্যালেঞ্জের মুখে নাকি ইতিমধ্যেই তারা পরে গেছে । কয়েক বছর আগে চালানো এক বেসরকারী জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে ধোলাই খালে পাঁচ লাখ শ্রমিক কাজ করে জীবীকা নির্বাহ করছে । হালকা প্রকৌশলের এই শিল্পের বার্ষিক টার্নওভার নাকি ২৫ হাজার কোটি টাকার উপরে । এখন তাই মনে একটি প্রশ্ন জাগে, বিদেশ হতে বিজ্ঞানী/বিশেষজ্ঞ গন যদি চলে আসেন দেশে তাহলে দেশের এই গুণী কর্মঠ বিজ্ঞানীদের কি অবস্থা হবে !!!!

তাই ভাল কথা বলেছেন তিনিরা সেখানেই থাকুন সুখে অন্য আকাশে । আমাদের দিনগুলি ধোলাই খালের মত পন্য দিয়ে পার করালেও দায়িত্বশীলরা বলেন দেশ ভাসবে উন্নয়নের জোয়ারে । ২০৫০ সনে আমরা চলে যাব উন্নত বিশ্বের কাতারে । না হয় থাকলাম কিছুদিন সে আশাতেই কি আর করা ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৩০| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:৫২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: প্রথমেই কৃতি বাংলাদেশী বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানা'র জন্য প্রানঢালা অভিনন্দন রইল ।

বেশ গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা তুলে এনেছেন ; আমাদের দেশের হাজারো সমস্যা থাকবেই সব দেশে সবার ই থাকে সেদিন আরও একটা পোষ্ট এ বলেছি " অযোগ্যদের হাতে আমরা নিজেরাই ছেড়ে দিচ্ছি দেশ কে । সিস্টেম খারাপ ? এই সিস্টেমের ভিতরে ঢুকেই সিস্টেম কে পাল্টাতে হবে ,সিস্টেম এর কুলুর বলদ হয়ে গেলে চলবে না ।
আমি অন্তত আমার দেশ কে নিয়ে আশাবাদী ।
নিরাপদ দেশ চাই এর মন্তব্য অনেক ভালো লাগলো ;
নিরাপদ দেশ চাই বলেছেন: খুব ভাল পোস্ট। আমিও মনে করি প্রবাসী বিজ্ঞানী ও বিনিয়োগকারীদের দেশে ফিরে আসা উচিৎ। সরকারের কাছ থেকে কোন কিছু আশা করে লাভ নাই।কোন সরকাররেই মেধাবী লোকজন পছন্দ না। কিন্তু তাই বলে কি নিজ মাতৃভূমির জন্য কেউ কিছু করবে না? এ ক্ষেত্রে অনুকরনীয় হচ্ছে ডঃ ইউনুস, ফজলে আবেদ প্রমুখ।এই দেশপ্রেমিক ব্যক্তিরা হাজারো প্রতিকুলতার সাথে লড়াই করে দেশের জন্য সেবা করে যাচ্ছে। চাইলে তারাও দেশ থেকে বাইরে গিয়ে রাজার হালে থাকতে পারত। এখনো কিছু মানুষ চেষ্টা করছে যাদের অনেকের কথা আমরা জানি না। ফেসবুকের মারফত ঊত্তরবঙ্গে কাজি ডেইরি ফার্ম নামের একটি অরগানাইজেশনের উপড় একটি প্রতিবেদন পড়লাম যেখানে দেখলাম যে তারা উত্তরবঙ্গের নারীদের গরু ছাগল পালনে সহায়তা করছে এবং দুধ বিক্রির টাকা দিয়ে গরুর দাম শোধ করার ব্যবস্থা চালু করেছে। এই সংস্থায় স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে যাকে কাজ করতে দেখলাম , তার পরিচয় জেনে চমকে উঠলাম।বিদেশে উচ্চশিক্ষা শেষ করে আসাএক প্রাক্তন ঢাবি ছাত্রী।এরা শুধু এই ফার্মই চালাচ্ছে না, এরা নারী ও শিশুদের জন্য স্কুলও খুলেছে পঞ্চগড়ে।তাই ব্যক্তিগত উদ্যোগ নিয়ে দেশে কিছু করতে চাইলে সেটা একেবারেই যে অসম্ভব তা না। বিদেশি প্রযুক্তি জ্ঞান যদি দেশে লাগানো যায় তবে দেশের উন্নতি আরো দ্রুত হবে।

কিন্তু প্রতিষ্ঠিত কোন সংস্থায় এসে সেখানে কাজ করতে গেলে কোন অবস্থাতেই কাজ করতে দেয়াতো হবেই না উল্টো অপমানিত হতে হবে। তারপরেও টিকে থাকতে চাইলে ডঃ জাফর ইকবালের মত অবস্থা হবে।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ২:৫৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অসাধারণ মুল্যবান কথা বলেছেন
" অযোগ্যদের হাতে আমরা নিজেরাই ছেড়ে দিচ্ছি দেশ কে । সিস্টেম খারাপ ? এই সিস্টেমের ভিতরে ঢুকেই সিস্টেম কে পাল্টাতে হবে ,সিস্টেম এর কুলুর বলদ হয়ে গেলে চলবে না ।
আমি অন্তত আমার দেশ কে নিয়ে আশাবাদী ।


নিরাপদ দেশ চাই এর কথাগুলিও মুল্যবান , তিনি অনেক গুরুত্বপুর্ণ বিষয় তুলে ধরেছেন ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৩১| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:০৮

জাহিদ অনিক বলেছেন:


মেধাবী বিজ্ঞানী ও পেশাজিবীদের জন্য উচ্চ পারিশ্রমিক , উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ সকল প্রকার বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানে রিসার্চ ও ডেভেলপমেন্ট ইউনিট সৃজন , এবং merit based society প্রবর্তন করে গবেষনার অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারলে আমাদের মেধাবী বিজ্ঞানীরা দেশে ফিরে আসার আগ্রহ পাবেন বলে ধারনা করা যায় ।
- এইটুকুই সার কথা।


আরও কিছু বিস্তারিত ভাবনা দিলে ভাল হত !

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:০২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ সহমত প্রকাশের জন্য ।
পোষ্ট টি মনযোগ দিয়ে পাঠ করে মুল কথাগুলি
তুলে এনেছেন দেখে ভাল লাগল ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৩২| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৫৭

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন:

বাংলাদেশী বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানাকে অভিনন্দন !!!!


এ পোষ্টটি আগেও একবার পড়ছি এবং ভাইরাস-69 দিয়ে মন্তব্যে করেছি। এ নিক আমার। এ নিক দিয়ে আরো পরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয় নিয়ে কিছু লেখার চেষ্টা থাকবে।


ধন্যবাদ ভাই।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:০৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
উল্টা পাল্টা 69 এর কথাগুলি পাঠে বুঝেছিলাম
তিনি কোন যে সে ব্যক্তি নন । এখন জেনে খুশী হলাম ।
কবিতার ফাকে ফাকে আমরা পাব মুল্যবান আর্টিকেল,
সামু সমৃদ্ধ হবে গুণীদের পদভারে ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৩৩| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:০২

বিলিয়ার রহমান বলেছেন: ও রকম মেধাবীরা দেশের হোক সে চাওয়াটা সকলের!!


তবে ওনাদের কাজ করার মতো প্লাটফর্ম এদেশে নেই! আমাদের কর্তারাও এ ব্যাপারে খুব আগ্রহী বলে মনে হয় না!!



আপনার পোস্টা বেশ সুন্দর ও গোছানো (এটা অবশ্য আপনার সকল পোস্টের জন্যই কমন) ! তবে সত্যি বলতে কি বাংলাদেশ নিয়ে খুব একটা আশাবাদী হতে পারছিনা। কারন এদেশে উন্নয়নের প্রতিযোগিতা হয় না বরং প্রতিযোগিতা হয় কাদা ছোরাছুরির!!!!

পোস্টে +

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:০১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ সুপ্রিয় কবি ।
মেধাবীদের জন্য দেশে কি ভাবে প্লাটফরম তৈরী করা যায়
তা নিয়ে সকলেই অাসুন এখনই ভাবি ,
তা না হলে আমরা যে মেধা শুন্য হয়ে যাব অচিরেই,
এখন দেশ ত্যাগ খুবই সহজ ,মেধাবীরা একটু চেষ্টা করলে
দেশের বাইরে চলে যেতে পারে সহজেই , কিন্তু তাদেরকে
ফিরিয়ে আনা খুবই কঠীন ।

দেশে ফিরার প্রতিযোগীতা না হয় চলুক কবিতায় কবিতায়,
রূপক হলেও একদিন তা ফলে যেতে পারে, যেমনটি কবি
নজরূল বলেছিলেন জগতটাকে দেখব আমি আপন
হাতের মুঠোই পুরে , কবির ভাবনা তো ফলেছে ।
তেমনিভাবে যদি মেধাবীদেরকে দেশেফিরার তরে
সকল কবিগনে তাদের কাব্যে গড়েন স্বপ্নপুরী
একদিনতো সমৃদ্ধিতে তা যেতেও পারে ভরি ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৩৪| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:১৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: ডঃ এম এ আলী ,



২৯ নম্বর প্রতিমন্তব্যে যে প্রসঙ্গের অবতারণা করলেন সেজন্যে আবার আসতেই হলো ।

শুধু ধোলাইখাল কেন , কেরানীগঞ্জ-জিঞ্জিরার কথাও তো বলতে হবে ! প্রবাদ আছে, সকালে দেশের বাইরে থেকে যে জিনিষটি গুলিস্থানের বাজারে আসে , বিকেলের মধ্যেই তার হুবহু নকলটি নাকি জিঞ্জিরায় তৈরী হয়ে যায় । ওখানের কারিগরেরা এতোটাই দক্ষ জিনিষ তৈরীর ওস্তাদিতে । তাও আবার বেশির ভাগ মেশিনারীজই দেশীয় প্রযুক্তিতে ওখানকার অশিক্ষিত কারিগরদের নিজের হাতে বানানো। তাও আবার সরকারী লোকদের ভয়ে চুপি চুপি লুকিয়ে লুকিয়ে । এদেশটা যেন "ভাত দেবার মুরোদ নেই কিল দেবার গোঁসাই" এর মতো । এ বিষয়গুলো নিয়ে পত্র পত্রিকায় একসময় অনেক লেখালেখি হয়েছে । কেরানীগঞ্জ-জিঞ্জিরাকে বৈধ শিল্প নগরী ঘোষনা করে সরকারের সর্বাত্মক অর্থনৈতিক সহযোগিতার আহ্বান করা হয়েছিলো । কি হয়েছে তার ? অরণ্যে রোদন হয়েছে ।
ঐসব দক্ষ কারিগরদের যদি আমরা খানিকটা আর্থিক সাহায্য দিতে পারতাম তবে চায়নিজ আর ভারতীয় মালে দেশের বাজার ছয়লাব হয়ে যেতে পারতোনা । দেশের ছোট বড় সকল ব্যবসায়ীদের সামান্য কিছুর জন্যেও পাসপোর্টে চায়না-ইন্ডিয়ার ভিসা লাগাতে উর্দ্ধশ্বাসে ছুটতে হতোনা ।
আপনিও বলেছেন , “কারিগররা উপযুক্ত প্রশিক্ষণ পেলে বাংলাদেশেকে নাকি নিয়ে যেতে পারে চীনেরও উপরে ।“ প্রশিক্ষনের দরকার নেই, ঐ হাযার হাযার ক্ষুদে কারিগরদের দরকার সামান্য পুঁজি আর একটু জায়গা । দেশ কি তাদের তা দিতে পেরেছে ? পারেনি । পেরেছে, তেল চকচক মাথাওয়ালা লোকদের হাযার লক্ষ কোটি টাকা ঋন দিয়ে সেই টাকা “অনাদায়ী” সীল মেরে ফেলে রাখতে । পেরেছে, ঐ হাযার লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করার সুযোগ করে দিতে । ঐ হাযার লক্ষ নয় , কি হতো যদি মাত্র হাযার কোটি টাকা কয়েক লক্ষ দেশীয় কারিগরদের পুঁজি হিসেবে দেয়া যেতে পারতো ? আপনিই আবার বলেছেন -“হালকা প্রকৌশলের এই শিল্পের বার্ষিক টার্নওভার নাকি ২৫ হাজার কোটি টাকার উপরে ।“ তাহলে ভাবুন -- হালকা থেকে ভারী প্রকৌশল শিল্প গড়ে উঠলে দেশ তো আমুল বদলে যেতো আরও দশ বছর আগে । আমার তো মনে হয়, শুধু একটু আর্থিক সাহায্য পেলে আমাদের এই খেটে খাওয়া - অশিক্ষিত শিল্প কারিগররা মোটরগাড়ীও তৈরী করে ফেলতে পারতো অনায়াসে । তেমন হয়েছে কি ? হয়নি ।

এমন রাষ্ট্রযন্ত্রের কুশীলবদের কাছে আপনি কি আশা করেন ?
আপনার লেখার এমন হিতৈষী আবেদন সবটাই তাই অরণ্যে রোদন মাত্র ।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:০৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



ধন্যবাদ আবার এসে গুরুত্বপুর্ণ মিসিং তথ্য তূলে ধরার জন্য ।
অরন্যে রোদন হলেও এ রোদন করেই যেতে হবে যতক্ষন
পর্যন্তনা দেশের জন্য কাংখিত মঙ্গল আসে ।
সমাজের অংশ হিসাবে এ দায়িত্ব সকলের।
ভাল যারা কিছু করতে চাইবে তাদের
কিছু দুর্ভোগ তো পোহাতেই হবে
এটাই তো চলে আসছে
চিরকাল ধরে । তার
পরেওতো এ জগত
থেমে নেই চলছে
অাপন গতিতে।

শুভেচ্ছা রইল ।

৩৫| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:২৩

দি রিফর্মার বলেছেন: এমন অনেক ঘটনা প্রায়শঃই ঘটছে যে, ডক্টরেট করার পর দেশের টানে ফিরে এসে আর এই দেশে টিকে থাকতে না পেরে আবার বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে। আমি বছর দুয়েক একটি এনজিওতে চাকরী করেছি। সেই সময় আমরা একটি প্রচেষ্টা নিয়েছিলাম যে, ফান্ডিংয়ের অন্যতম শর্ত বিদেশী কনসালটেন্ট নিয়োগের পরিবর্তে দেশীয় কনসালটেন্ট নিয়োগ করা। দুটি বড় প্রজেক্টে এই বিষয়ে প্রচন্ড দেন দরবার করে সফল হয়েছিলাম। সম্ভাব্য প্রতিটি ক্ষেত্রে দেশীয় কনসালটেন্ট নিয়োগের ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে।
চমৎকার ও গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ের উপর লেখা সুন্দর পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:২০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ মুল্যবান মতামত দানের জন্য । খুবই সত্য বিষয় তুলে ধরেছেন ।
বিদেশী সাহায্য পুষ্ট সরকারী কিংবা বেসরকারী সকল প্রকল্পের এইড মেমোয়ার প্রনয়নের কাজটি প্রথমেই সারা হয় আমলা কিংবা এনজিওদের কর্ণধারদের হাতে ।তখন প্রকল্পের আওতায় বিশেষজ্ঞ নিয়োগের থেকে বড় চিন্তা থাকে প্রকল্প সাহায্যটি পাওয়ার বিষয়ে । অন্য সকল বিষয় তখন গৌন হয়ে হয়ে পরে, কিংবা প্রকল্পের অআওতায় বিশেষজ্ঞ নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে দাতা সংস্থার সাথে দেন দরবার করে প্রকল্পের অনুমোদন ও অর্থায়ন প্রক্রিয়াকে আমলা নির্ভর প্রশাসন বিলম্বিত করতে চায়না কোন প্রকারে। এইড মেমোয়ারের উপর ভিত্তি করে প্রনীত চুক্তিমালার পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তীতে প্রকল্পের আওতায় বিদেশী বিশেষজ্ঞ নিয়োগ ঠেকানো যায়না কোন প্রকারে , বিশেষ করে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়ীত প্রকল্পের বেলায় এমনটা বেশী ঘটে । যাহোক, সরকার সচেতন হলে এবং দেশে তীব্র জনমত গড়ে উঠলে এ বিষয়টি নিয়ে সরকার ও তার সংস্লিষ্ট কর্মকর্তারা ভাবতে বাধ্য হবে ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

৩৬| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:২৮

প্রামানিক বলেছেন: মেধাবীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে হলে তাদেরকে মিনিমাম মূল্যায়নটা অন্তত করা দরকার কিন্তু দেশের দুর্নীতির কারণে সেটাও করা সম্ভব না।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৮:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ সুপ্রিয় কবি প্রামানিক ভাই ,মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ।
আপনি ঠিক্‌ই বলেছেন তাঁদেরকে মিনিমাম মূল্যায়নটা করা দরকার । এখন এই মিনিমামটা কত সেটা নির্ধারণ করাই আসলে এক বিরাট সমস্যা । দেশে বিশ্ব মানের অনেক জ্ঞানী গুণী বিজ্ঞানী আছেন যারা দেশের বিভিন্ন গবেশনা প্রতিশ্ঠান ও সরকারী- বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন। উনারা দেশের বাইরে চলে যাওয়ার সুযোগ সুবিধা পেয়েও দেশেই পরে আছেন কিংবা একটু চেষ্টা করলে দেশের বাইরে চলে যেতে পারেন অনায়াসে। তারপরেও দুর্নিতির ভিতরেও দেশে থেকেই এখন যে মুল্যায়নটা পাচ্ছেন সেটা নিয়েই তারা দেশেই পরে আছেন । অপরদিকে দেশের বাইরে যারা আছেন তাদেরকে ফিরিয়ে আনতে হলে দেশের বিজ্ঞানীদের থেকে অবশ্যই বেশী কিছু দিতে হবে, দেশের বিজ্ঞনীদের সমান দিলে তারা কি তুষ্ট হবেন?
তাই বিষয়টা কি সেখানেই না অন্য কোথাও সেটাই এখন ভাবনার বিষয় । বাংলাদেশের মত একটি দারিদ্র পিরিত দেশ কি পারবে চড়া মুল্য দিয়ে স্বেচ্ছা প্রবাসীদেরকে তাঁদের ইচ্ছার বাইরে গিয়ে প্রবাসের সমান সুযোগ সুবিধা দিয়ে কোন দিন দেশে ফিরিয়ে আনতে ? তাই সকলে মিলে আলাপ আলোচনা করে একটি উপযুক্ত রাস্তা ও অনুকুল পরিবেশ সৃজন করতেই হবে দেশী ও প্রবাসী সকল বিজ্ঞানীদের জন্যই । একারণেই মনে হয় যেখানেই না- সেখানেই হ্যাঁ এই মন্ত্র খানি সবসময় আওরিয়ে যেতে হবে মেধাবীদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হলে । আর এই হ্যাঁ বলার জন্য দেশবাসীকে তাঁদের জন্য অনুকুল সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে যে কোন মুল্যে । এখানে কোন আপোষ করা চলবেনা এখাতে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ আখেরে দেশের জন্য বেশী প্রাপ্তি ঘটাবে । এর অন্যথা হলে দেশ অচিরেই বিভিন্ন প্রকারে মেধাশুন্য হয়ে যেতে পারে ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

৩৭| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২৩

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: স্টিকি পোস্টের ৯৭ নম্বর মন্তব্যের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:১৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ কষ্ট করে এসে অবহিত করার জন্য ।
আমি রেসপন্স করব ইনশাল্লাহ ।

৩৮| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৩৫

থার্মোমিটার বলেছেন: ডিম অাগে না মুরগি অাগে? কাজের পরিবেশ আগে ঠিক করতে হবে নাকি বিদেশ হতে অাগে ফেরত আসতে হবে।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:২৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: মুরগী না থাকলে ডিম হতোনা আবার ডিম না ফুটলে মুরগী হতোনা ।
এখন নীজেই বুঝেন কোনটি আগে হতে হবে ।

৩৯| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪৮

আখেনাটেন বলেছেন: অনেক লেখায় পড়েছি দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু নিজে অনেকে মেধাবী প্রবাসীকে দেশে ডেকে এনেছেন। দেশের কাজে লাগিয়ে দিয়েছেন। কিছুদিন পর থেকেই এই প্রচেষ্ঠাগুলো আর দেখা যায় নি।

সর্বশেষ মতিয়া চৌধুরী ডক্টর মাকসুদুল অালমকে ডেকে এনে পাটের জিনোম প্রজেক্টে কাজে লাগিয়েছিলেন। ফলে বাংলাদেশের ইতিহাসে ঐ যুগান্তকারী অাবিষ্কারটি করা সম্ভব হয়। কিন্তু এই মাকসুদুল স্যারের বাংলাদেশে থাকাটা দীর্ঘায়িত করা যায় নি এক শ্রেণির অপদার্থ ও নীতিহীন মানুষের জন্য।

এসব বিষয় দেখে বিদেশে ভালো অবস্থানে থাকা গবেষকদের দেশে অানা খুব একটা সহজ হবে না। এসে যদি দেখে চারিদিকে অব্যবস্থাপনার মচ্ছব চলছে,তাহলে কতদিন টিকে থাকবে তারা।

অনেকেই বলে জামাল নজরুল স্যার বিদেশে থাকলে হয়তবা পদার্থে নোবেল পাওয়া উনার জন্য খুব বড় ব্যাপার হতো না। অধ্যাপক সালাম বাংলাদেশে এসে এ নিয়ে অাক্ষেপও করেছেন।

গবেষণার জন্য উপযুক্ত নীতিমালা ও পরিবেশ সৃষ্টি এখন সময়ের দাবী হয়ে গেছে। যত দ্রুত সরকার এটা বুঝবে তত মঙ্গল।

সুন্দর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।

১১ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:২০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ মুল্যবান মন্তব্যের জন্য । সঠিক কথাই বলেছেন । বিষয়টা যে কিভাবে কোন দিক দিয়ে শুরু করা যায় সেটাই বিরাট সমস্যা। সকলেই বলেন মানি ইজ নো প্রোবলেম , বিশ্ব ব্যাংক না দিলেও ত্রিশ হাজার কোটি টাকা খরচ করে ব্রিজ দেয়া যায় , হাজার খানেক কোটি টাকা খরচ করে কেন ব্রিজ তেরী সহ প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি উন্নয়নের জন্য বিদেশে কর্মরত উপুক্ত সকল বিজ্ঞানীদেরকে দেশে বসে বিজ্ঞান সাধনা করতে দেয়ার ব্যবস্থা করা যাবেনা সে এক বিরাট প্রশ্ন ।

তবে বর্বিতমান পর্যায়ে দেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সাধনার অবস্থাটা খুঁজতে গিয়ে কিছুটা অবাকই হলাম ।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সরকারী বিজ্ঞান গবেষনা কেন্দ্র হলো বিসিএসআইআর, যাকে এক নামে সকলেই সাইন্স লেবরেটরী নামে চিনে । বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের অধিন প্রযুক্তি বিষয়ক এই প্রতিষ্ঠানের সরকারী ওয়েব পেইজ এর
চলমান গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্প অবস্থাটা একটু ক্লিক করে দেখে আসেন , সেখানে শুধু তিনটি শব্দই ভাসে, পাশে অবশ্য দেখা যায় শুধু বিসিএসআইআর এর চেয়ারম্যানের ছবিটা । দেশের চলমান গবেষনা সম্পর্কে কেও যদি দেখতে চায় দেশের গবেষনার খবর তাহলে এই যদি হয় অবস্থা তাহলে আর কিছু বলার প্রয়োজন আছে কি আছে । বিষয়টা অনেক সাহস করে ফোনে বিসিএসআইআর এর চেয়ারম্যানের গোচরে নেয়ার চেষ্টা করেছি । যোগাযোগ ফলাফল নিন্মচাপ।

অনেক অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৪০| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:২৯

কালীদাস বলেছেন: দরকারী পোস্ট, ধন্যবাদ। কিন্তু মাঝখানে হাতিরঝিল, রামপাল টপিকগুলো মেইন পোস্ট/টাইটেলের সাথে একেবারেই অসামন্জস্যপূর্ণ। আলাদা পোস্টে রাখলেই মানত বেশি।


কাজের কথায় আসি। আমার পিএইচডি এখনও শেষ হয়নি, কিন্তু অলরেডি দুইটা পোস্টডকের অফার হাতে আছে; এর মধ্যে একটা অপশন ট্যানিউর ট্রাকে একাডেমিক লাইনে দ্রুতই টানবে। সেইম জিনিষ পরিচিত আরও অনেকের সাথেই হয়েছে বা হচ্ছে। আমাকে দেশে ফিরতেই হবে কারণ দেশের এফিলিয়েশন এবং মা-বাবার জন্য। কিন্তু মাঝে মাঝে টের পাই, সাত বছর আগে দেশের জন্য জান কোরবানি করে দেয়ার যে ইচ্ছা ছিল সেটা আগের মত নেই অনেকাংশেই; সেটা পড়ার জন্য দেশ ছাড়ার অনেক আগে থেকেই। কেন? শুনবেন?

কি পেয়েছি দেশ সেবা করতে যেয়ে? নিজের পকেটের টাকা খরচ করে কাজ করতে হয়েছে, হাসিমুখে করেছি; ভেবেছি দেশের জন্য করছি। নিজের কাজের জন্য ভার্সিটি এক পয়সা ঢালেনি আমার পেছনে, নিজের ফান্ড নিজে খুঁজে বের করেছি বাইরে থেকে। বিনিময়ে প্রশংসা চাইনি, চেয়েছি দেশের লাভ হোক। কি দেখেছি, কি পেয়েছি জানেন? আমার বিনা পয়সার দেশসেবার চেয়ে বেনিয়াদের পেছনে অঝোরে টাকা ঢেলে সেইম জিনিষ পেতে নিজের মনমত পরিবর্তন করে। কিছু শুয়রকে চিনেছি যারা দেশপ্রেমের নামে নিজের ব্যাংক ব্যালেন্স প্রেমে মত্ত। এদের সাথে লড়তে গিয়ে বুঝেছি, আমি একা একজন, আমার পেছনে কেউ নেই। শেষ সহযোদ্ধা যিনি ছিলেন তিনিও মারা গেছেন এবছর এপ্রিলে।

শুধু সরকারী পেটমোটা আমলাদের গালি দিলেই শেষ হবে না। লাভের গুড় অনেকে পায় যারা সরাসরি সেক্রেটারিয়েটের সাথে যুক্ত না। আরেকজন জামাল স্যার দেশে ফিরে কি করবেন? এই বিশাল শুয়রের পালের পাছায় লাথি মেরে কার সেবা করবেন? দিনশেষে আমার দেশকে আল্লাহর ভরসাতে রাখতে হয়।

তবু আশায় আছি, একদিন সব বদলাবে। আমার দেশ নিজের পায়ে দাঁড়াবে।

১১ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:

ধন্যবাদ এসে দেখার জন্য ।

প্রবাসী বিজ্ঞানীদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য অর্থ সংস্থানের কথা বলতে গিয়ে
২৬০ কোটি টাকার বিল্ডিং এর মত কর্মকান্ডকে দেখানো হয়েছে এই বিল্ডিংটাকে
পরিবেশের অযুহাত দিয়ে ভেঙ্গে ফেললে কোন এক দিন পরিবেশের দোহাই
দিয়ে রামপালকে ভেঙ্গে ফেলার সুযোগ যে থাকতে পারে সেটাই ইঙ্গিত
করা হয়েছে । পোষ্ট টি অআবার যদি একটু মনযোগ দিয়ে পড়েন
তাহলে বুঝতে পারবেন ।

ইউ এস এ তে ২০১৭/১৮ সনে শুরু হবে এমন সকল পোষ্ট ডক্টরাল রিসার্চ করার জন্য বলতে গেলে প্রায় সবগুলি ইউনিভার্সিটিতেই যেখানে কমপক্ষে সেপ্টেম্বর ২০১৭ এর মধ্যে পিএইচ ডি কমপ্লিট করার বিধান রয়েছে সেখানে পিএইচডি শেষ না হতেই পোষ্ট ডক্টরালের জন্য দুর্লভ অফার পাওয়ার জন্য অান্তরিক অভিনন্দন রইল ।

হ্যাঁ অনেক পোষ্ট ডক্টরাল ফেলোশীপ/রিসার্চ শেষের পরে সেই ইউনিভার্সিটিতেই ফেকাল্টি মেম্বারের জন্য এন্ট্রি সুবিধা থাকে , অাশা করি সেটা হয়ে যাবে এবং সে জন্য অগ্রীম অভিনন্দন রইল ।

দেশে এফিলিয়েশন আছে ও ফিরে আসার ইচ্ছার কথা শুনে খুশি হলাম, সে সাথে আপনার দু:খ জনক অভিজ্ঞতার কথা শুনে কিছুটা মর্মাহত হলাম । অাপনার সহযোদ্ধার প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা ও তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি ।

প্রবাসী বিজ্ঞানীদেরকে যে সশরীরে দেশে ফিরেই বিজ্ঞান সাধনা করতে হবে দেশ সেবার জন্য তাতো নয় । তাঁরা যেখানে
আছেন সেখানে থেকেও দেশের বিজ্ঞান , প্রযুক্তি ও কল্যানের জন্য কাজ করতে পারেন বিবিধ প্রকারে ।

নীচে মাত্র কয়েকটি উদাহরণ তুলে দিলাম ;
১) প্রথমেই ধরা যাক পোষ্ট ডক্টরাল রিসার্চের সুযোগটি নিয়েই । এখানে একজন ডক্টরেট বাংগালী বিজ্ঞানী এমন একটি গবেষনার বিষয় নিয়ে কাজ করতে পারেন যা দিয়ে এমন কোন বৈজ্ঞানিক আবিস্কার হলো যা দিয়ে বাংলাদেশ সহ বিশ্বের আরো অনেক গবীব দেশের মানুষের দারিদ্র বিমোচনে গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রাখতে সহায়তা করল দারুনভাবে । প্রবাস হতে দেশে ফিরে, কোন একজন সারা জীবন দেশে থেকে গবেশনা করেও দেশের জন্য যা করতে পারবেন না , সেখানে তিনি বিদেশে থেকে সেখানকার উন্নতমানের অনুকুল গবেশনার সুযোগ ব্যবহার করে নীজ দেশের জন্য অনেক অনেক বেশী সুযোগ মুবিধা করে দিতে পারেন অনায়াসে ।

২) বিদেশে বসে দেশের জন্য আরো অনেক কিছুই করার আছে ,সবগুলি বলতে গেলে তার তালিকা হবে অনেক বড় । তার পরেও দুএকটি কথা উদাহরন হিসাবে বলা যায় যথা ;

ক) বিদেশের উন্নত প্রযুক্তিকে কিভাবে দেশের পরিবেশের ও সংগতির সাথে মিল রেখে উত্তমভাবে এডাপ্ট করা যায় তা বের করতে পারেন সহগেই কারণ তিনি দেশের পরিবেশ ও অবস্থার বিষয় ভাল করে বুঝতে পারবেন ।

খ) বিদেশের উন্নতমানের প্রযুক্তির উপরে সাইনটিফিক প্রবন্ধ বাংলাদেশী প্রতিষ্টীত জার্নালে প্রকাশ করে দেশের বিজ্ঞানী ও ছাত্রদের জন্য প্রয়োজনীয় লিটারেচার সমৃদ্ধ করা যায় , এর প্রায়োগিক মুল্য অনেক বেশী ।

খ) বিদেশের কোন বানিজ্যিক সুবিধা যেখানে দেশী পণ্যের বাজার সম্ভাবনা রয়েছে সে বিষয়ে বিবিধ ভাবে দেশের ব্যবসায়ীদের জন্য তথ্য সরবরাহ করা যায় বিভিন্ন বৈধ উপায়ে এমনকি তারা নিয়মিতভাবে যোগাযোগ রাখতে পারেন বিদেশে বাংলাদেশ মিশন গুলির সাথে । এতে করে কোটি কোটি টাকার রপ্তানী বাজার বাংলাদেশ পেতে পারে, ফলে লাভবান হতে পারে দেশের উৎপাদনকারী শ্রমিক সমাজ ( যদিও লাভের বড় অংশই যাবে মহাজনদের পেটে) তার পরেও পোশাক শিল্পের মত দরিত্র শ্রমীকদের মজুরীতো কিছু পরিমানে হলেও বাড়তে পারে ।

যাহোক , প্রবাসী বিজ্ঞানীদেরকে দেশে ফিরার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ আর সন্মানী দেয়া সম্ভব না হলেও তাদের মনটা যদি বাংলাদেশের জন্য কাঁদে তবে তারা যেখানে আছেন সেখানে থেকেই দেশকে সেবা দিতে পারেন আরো বেশী করে বলে মনে পরে ।

জানি, সকল প্রবাশীরই মন কাঁদে দেশের জন্য । তাই প্রবাসে থাকা সকল ভাগ্যমান গুনী জ্ঞানী বিজ্ঞানীদের জন্য একরাশ শুভেচ্ছা রইল ।

২৩ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৫৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
বাংলাদেশী বিজ্ঞানীদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে
আপনার কোন সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা থাকলে জানালে বাধিত হব।

৪১| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:১৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হায়! আমাদের কথিত নেতারা যদি একটিবার এমন করে ভাবতে পারত!

দেশ এবং দেশপ্রেম যদি ব্রান্ডেড পণ্য না হতো তাদের চেতনায়!
সত্যিকারের দেশোন্নয়নের ইচ্ছা যদি ১০% নেতারও থাকত- আমরা অনেক ভাল থাকতাম!

বরাবরের মতো সমৃদ্ধ ভাবনা, তথ্য উপাত্তে দারুন পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ প্রিয় ড. এম এ আলী।

অফটপিক: আপনার অনুমতি ছাড়াই আপনার বাঁশ বিষয়ক পোষ্টটি শেয়ার করেছি এ বিষয়ে কাজ করছেন একজনকে। আশা করি পোষ্ট পারিমশন :P দিয়ে বাধিত করবেন ;)
এ বিষয়ে উনি আপনার সাথে যোগাযোগে আগ্রহী। আপনার সম্মতি থাকলে অনুগ্রহ করে মেইল করলে বািধত হবো।
mail: bidrohyvrigu@gmail.com

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৫১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য । পোষ্ট টিকে সমৃদ্ধ মনে হওয়ার কথা শুনে ভাল লাগল ।
সামুতে পোষ্ট দেয়াই হয় সকলের সাথে শেয়ার করার জন্য , কামনাই থাকে এটা যেন বেশি বেশি করে শেয়ার হয়। এর জন্য অনুমতির কোন প্রয়োজন নেই । তবে আপনি যখন চেয়েছেন তখন সানন্দ চিত্তে শেয়ার করার বিষয়টি অনুমোদিত বলে ধরে নিতে পারেন ।
পোষ্ট টির প্রতি আগ্রহী এবং কাজ করেছেন এমন একজনের সাথে শেয়ার করেছেন শুনে খুশি হলাম । অনুরোধ খুশী মনে গৃহীত ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৪২| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৪৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: ২০১৭ সালের “IRAD Innovator of the Year” পুরস্কার অর্জনের জন্য মাহমুদা সুলতানাকে এবং তার গর্বিত মাতাপিতাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি! পুরস্কার প্রাপ্তির সাইটেশনে তার মেধার প্রশংসা করে যে কথাগুলো বলা হয়েছে, তা পড়ে অভিভূত হ'লাম।
"I can only imagine what she’ll do in the future. She embodies the very essence of innovation” - এ কথা পরে মাহমুদার স্বদেশী একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে গর্বে বুক ফুলে যায়। এমন একটি তথ্য সবিস্তারে শেয়ার করার জন্য আপনাকেও আন্তরিক ধন্যবাদ, ড. এম এ আলী
সুরম্য অট্টালিকা 'বিজিএমইএ' ভবনটি রাজউক এবং দেশের পূর্ত মন্ত্রণালয়ের কলঙ্কজনক আযোগ্যতা ও দুর্নীতির সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। আদালতের আদেশ সকলের শিরোধার্য, একে হয়তো ভেঙে ফেলতাই হবে। তবুও আপনার আলোচনার প্রেক্ষিতে এ নিয়ে দ্বিতীয় ভাবনার কোন অবকাশ আছে কিনা, তা দেশের শাসক এবং কর্ণধারগণ ভেবে দেখতেই পারেন।
অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, প্রবাসী গুণীজনের দেশে ফেরা তো দূরের কথা, দেশ থেকে প্রতিমাসে শত শত মেধাবী তরুণ তরুণী প্রবাসে পাড়ি জমাচ্ছে। কানাডা, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি দেশে অভিবাসন প্রক্রিয়া সহজতর করায় দেশ থেকে প্রবাসে গণ অভিবাসন চলছে।

২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর কথামালার জন্য ।

সুরম্য অট্টালিকা 'বিজিএমইএ' ভবনটি রাজউক এবং দেশের পূর্ত মন্ত্রণালয়ের কলঙ্কজনক আযোগ্যতা ও দুর্নীতির সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। সঠিক মুল্যায়ন করেছেন । এই মহুর্তে এর চেয়ে বেশী কিছু বলার না্ই ।

গুণীজনদের দেশে ফিরা না চলে যাওয়া সেটাই এখন বড় ভাবনার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে । বিষয়টি নিয়ে একটা পোষ্ট দেয়ার কথা ভাবছি । লিখিই বা কিভাবে যা কিছু নিয়ে লিখতে যাই সকল বিষয়ই চলে যায় প্রভাবশালীদের বিপক্ষে । লেখালিখি আসলেই মনে হয় একটি মুছিবত ।

শুভ কামনা রইল

৪৩| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:০৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: তবে খুব অল্প সময়ে সব ঠিক ঠাকও করে ফেলা যেতে পারে যদি সঠিক নিয়ম চালু হয় আর সে নিয়ম মানার জন্য সবাই বাধ্য থাকে। পরিচিতি আর ক্ষমতার জোড় যদি নিয়মে বাঁধা পরে। এরজন্য নতুন প্রজন্মকে তৈরি করতে হবে।
আপনার প্রস্তাবনা কাজে লাগিয়ে ভবনটি রক্ষা করার চেষ্টা করা যেতে পারে। ভেঙ্গে আবার তৈরি তার সাথে আরো অনৈতিক কিছু করার সুযোগ না দিয়ে
(৭ নং মন্তব্য)-- রোকসানা লেইস এর এ মন্তব্যের সাথে আমি অনেকটাই একমত। সবচেয়ে প্রথমে প্রয়োজন নিয়ম-নীতি নির্ধারণ এবং আলোচনা/সুবিবেচনার পর একবার আইন তৈ্রী হয়ে গেলে তার অন্ধ প্রয়োগ। আইন প্রয়োগকারীকে এ ব্যাপারে পর্যাপ্ত ক্ষমতা দিতে হবে।
বাড়ীটিকে ঢাকা ও জাহাংগীর নগর ইউনিভা্রসিটি মিলিতভাবে রিসার্চ সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে - চাঁদগাজী এর এ বক্তব্যটিকেও সমর্থন করি।
ঢাকায় ৪/৫ লাখ টোকাই ( দু:খজনক শব্দ) প্রতি রাতে আকাশের নীচে ঘুমায়, ৫০ হাজার লাখ মা-বাবা আকাশের নীচে ঘুমায়; সেই শহরে কি করে ২৩০ কোটী টাকার বাড়ী ভাংগার কথা আসে? এসব মগজহীনরা জাতির সম্পদকে ধুলাবালি ভাবছে? -এ মন্তব্যটি (১০ নং) প্রণিধানযোগ্য।

২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদম নব প্রজন্মের জন্য সঠিক পথ নির্দেশনা মুলক মন্তব্যের জন্য ।
বিজ্ঞ ব্লগারদের মুল্যবান মন্তব্যগুলিকে সঠিকভকবে মুল্যায়ন করেছেন দেখে ভাল লাগল ।
দেশের পলিসি মেকারগন যদি মন ভুলেওদুয়েকবার বিশ্বের এই সর্ব বৃহত সামু ব্লগে দিনে একবার ১০ মিনিটের জন্য হলেও
বিচরণ করতেন তাহলে জাতি অনেক উপকৃত হত ।

জাতীয় সংবাদ পত্র ও সংবাদ মাধ্যমগুলি বলতে গেলে সবই দলকানা , শুধু সামু ব্লগেই রয়েছে সমাজের ক্রশ সেকসন অফ পিপলের আনাগুনা । সমাজের বহজনের কবিতা , গল্প , সাহিত্য , প্রবন্ধ, নিবন্ধ ও মতামত এখানে প্রকাশিত হয় , অনুভুতিশীল যে কেও তা হতে তুলে নিতে পারেন সঠিক দিক নির্দেশনা ।

শুভ কামনা রইল

৪৪| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৪৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: আগে দরকার মাথা ঠিক করা, তারপর লেজ এমনিতেই ঠিক হবে - ধন্যবাদ সোহানী, এমন চমৎকার দর্শনের জন্য! :D
আর যে দেশে সবসময় সবকিছু নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হয় যেমন টাইমমত কোথাও পৌছাতে পারব কিনা, সময়মত বিদ্যুৎ থাকবে কিনা, ছেলেমেয়ের স্কুলে সময় মত যেতে পারল কিনা, ডাক্তার রোগ ধরতে পারল কিনা, বাজারে গেলে ভাল জিনিষ পাব কিনা, দোকানে থেকে কিছু কিনলে ঠকব কিনা, আসল জিনিষটা পাব কিনা, রাস্তায় পুলিশ দূর্ব্যাভার করবে কিনা, ছেলেমেয়ের প্রাইভেট টিউশন কোঠায় ভালো পাব, পড়ার সময় রাস্তায় কেউ মাইক বাজাচ্ছে কিনা, হসপিটালের আশে পাশে কেউ ওয়াজ মহাফিল করছে কিনা, কোন ভিআইপি রাস্তা ব্লক করে রেখেছে কিনা এরকম হাযারটা ফালতু চিন্তা নিয়ে যাদের সারাদিন যাদের মস্তিষ্ক ব্যায় করতে হয় তাদের দিয়ে সৃজনশীল কিছু চিন্তা করান দুসাধ্য --- একেবারে বাস্তব পরিস্থিতির কথা বলে গেছেন গড়ল, সেজন্য তাকেও ধন্যবাদ।
শুভকামনা আপনার জন্য সবসময়। আপনাদের মতো কিছু মানুষ আমাদের দেশটিকে নিয়ে ভাবেন বলেই আমরা মাঝেমধ্যে নিরাশ হয়েও খুঁজে পাই ভরসা -- নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন এর এ কথার সাথে (১৭ নং মন্তব্য) একমত।

২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ সহব্লগারদের মুল্যবান মন্তব্য সমুহ সুন্দরভাবে মুল্যায়নের জন্য ।
আপনার এই সুন্দর মুল্যায়নের প্রতি তাদের দৃষ্টি আকর্ষন করে আসব তাদের ব্লগে গিয়ে।

শভেচ্ছা রইল

৪৫| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৫৪

রাতুল_শাহ বলেছেন: ব্লগার গড়ল - এর মন্তব্যের সাথে সহমত।
বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশীদের এনে কি করবেন?
বিভিন্ন কোম্পানির কন্সালটেন্সি? যেখানে তার মতামতের কোন মূল্য থাকবে না।
বিদেশে কর্মরত এক পুলিশ ভাই বললেন, আমার কাছে ট্রাফিক জ্যাম কমানোর উপায় আছে, আমি কাজ করার সুযোগ চায়। সুযোগ পায় নাই।
দেশে যারা আছে, তাদেরকে মেধাবী মনে হচ্ছে না?
তারা মেধার বিকাশ করতে পারছে না বলে বিদেশ যাচ্ছে, ঐখানে মেধার বিকাশ ঘটছে, আপনি বলছেন, তাকে দেশে ফিরিয়ে আনো।
দেশে যারা আছে, তাদের মেধাকে কাজে লাগান, সুযোগ দিন।
মেধাকে কাজে লাগানোর যোগ্যতা আমেরিকা, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, কানাডা, ভারতের আছে। বাংলাদেশের নেই।

দুঃখের কথা কি বলবো, গবেষণা বিষয়ে সরকারী বাজেট, আফগানিস্তানের চেয়েও কম।
বেতনেই বাজেট বেশি। বলি এত বেতন দিয়ে দেশ পাচ্ছেটা কি?

ধরেন, একজন বিদেশ থাকা মেয়ে মেধাবী আসলো, আপনি তো তাকে মাগরিবের ভিতর ঘরে আসতে বলবেন। সারারাত কোন কাজে ব্যস্ত থাকলে, তাকে নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন।

ক্যাম্পাসের পাশে ওয়াজ মাহফিল হয়, কীর্ত্তন হয়, পোলাপাইন পড়তে পারে না। কিছু বললে ধর্মীয় অনুভূতি আনা হবে, উচ্চ শব্দের ব্যাপারে কিছু বলা যাবে না।


দেশে ওরা এসে ১০ দিক থেকে না না না না শুনবে।

২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৪২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ দীর্ঘ মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ।

সহব্লগারদের মুল্যবান মন্তব্যের সুন্দর মুল্যায়ন করেছেন দেখে ভাল লাগল ।

আপনি বিষয়গুলি উদাহরন দিয়ে তুলে ধরে। আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন
আমাদের দুর্বলতাগুলি কোথায়।

গবেষনা নিয়ে আমাদের দুর্বলতা এবং অবহেলা দুটোই আছে ।
সকলেই মিলে একটা উপাই বের করতে হবে ।

তবে এ মহুর্তে মনে হচ্ছে দেশের বিজ্ঞানীদেরকে উপযুক্ত সন্মান দিয়ে
দেশে স্থিত হওয়ার ব্যবস্থা নেয়াই বেশী প্রয়োজন ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

৪৬| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:১৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: যারা দেশের বাইরে উন্নত দেশে থাকার, কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে তারা দেশের এই অবস্থা দেখে আতংকে ভুগে - একদম ঠিক কথা বলেছেন ফেরদৌসা রুহী। বাস্তব পরিস্থিতি অনেকটা সেরকমই।
ভালো থাকুক আমাদের সকল কৃতী সন্তানেরা অন্য আকাশে । তাদেরকে এই অন্ধকুপে ডেকে আনার কোনও মানে নেই .... - শ্রদ্ধেয় আহমেদ জী এস এর এ হতাশা কোথা থেকে উঠে এসেছে তা বুঝিয়ে বলার প্রয়োজন নেই। খাদ্যদ্রব্য, পরিধেয়, পানীয়, ঔষধপত্রসহ আমরা সবখানেই বিষাক্রান্ত।
আখেনাটেন এবং কালীদাস এর ৩৯ ও ৪০ নম্বর মন্তব্যদুটো এবং তার উত্তর ভাল লেগেছে।
আলোচনা এগিয়ে চলেছে মন্তব্যের মাধ্যমে। তবে এতে হতাশার সুরই প্রকট।
‘পরিত্রাণকর্তা আসবেন দারিদ্র্য লাঞ্ছিত কুটিরে পূর্বাচলের সূর্যোদয়ের দিগন্ত থেকে’ - এ আশাটুকুই এখন ভরসা।
ভাল থাকুন আলী ভাই। এত দূরে থেকেও আপনাদের মত লোক দেশকে নিয়ে সদা ভাবেন, এতেও অনেক ভরসা পাই।
আশাকরি শল্য চিকিৎসার পর আপনি ভালভাবেই recuperate করছেন।

২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:১৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: সহব্লগারদের মুল্যবান মন্তব্য সমুহ সুন্দরভাবে মুল্যায়নের জন্য ধন্যবাদ ।
আমাদের সকলের মাঝেই দেখি হাতাশার সুর । অবস্থা দিনে দিনে হতেছে
আরো বেদনা বিদুর । আমাদের তরুন মেধাবীগন দলে দলে দেশ ত্যাগে
হতেছেন প্রখর । কে চায় এ সুন্দর দেশটি ছেড়ে যেখানে যেতে যেখানে
ধুলাবালিতেও গড়াগরি খেলে মনে সূখ বাজে । আত্নীয় পরিজন ছেড়ে
দুরে বসে বিলাসী জীবন হয়ত কিছু মিলে কিন্তু মনের প্রফুল্লতা যায় যে
মিলিয়ে । কে কোথায় নিরাপদ কে তা জানে। সংবাদ পত্রে দেখা গেল
ক্ষমতার পালা বদলের সন্ধিক্ষনে সৌদি আরবে শতাধিক বিলিয়নিয়ার
ও ডজনখানেক যুবরাজ আছেন এখন পাঁচতারা হোটোলের কয়েদ ঘরে ,
অনেকেরে নাকি নির্যাতন করছে সেখানে বিবিধ প্রকারে। কেও কেও
শত কোটি ডলার জরিমানা দিয়ে মুক্তির প্রহর গুনছে । তাইতো বলা
যায় শান্তি কোথাও নাই , যদিনা সকলেই শুদ্ধ হয় অন্তরে ও বাইরে।
কবে যে শুদ্ধি অভিযান শুরু হবে , আর সকলে ফিরে পাবে
নিরাপত্তা নীজ আবাসে সে চিন্তাই কেবল মনে বাজে ।
বিজ্ঞানীদেরকে দেশে এনে যদি তাদেরকে পরিবেশ
গত নিরাপত্তা দেয়া যেত তাহলে দেশের টানে তাঁরা
সন্মানীর বিষয়টার সাথে হয়ত আপোষ করে নিতে
পারতেন সহজেই। দেখা যাক এখনো আশাবাদী,
এক সময় সুদিন আমাদের আসবেই ।

অনেক শুভেচ্ছা রইল

৪৭| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:০৪

রাতুল_শাহ বলেছেন: আমার শোনা কথা - চীন কিন্তু বিদেশ থেকে তাদের মেধাবীদে ডেকে নিয়েছিলো, এবং অবাধ কাজের সুযোগ দিয়েছিলো।

কিছুদিন আগে একটা গবেষণার সফলতার কথা পড়ছিলাম। উনারা ১৯৯৬ সালে গবেষণা শুরু করে ২০১১ তে এসে আশার আলো দেখেছেন।
চিন্তার বিষয় আমাদের দেশের অধৈর্যশীলরা এতটা সময় অপেক্ষা করতে পারবে কি না।

২১ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৮:৪৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ মুল্যবান তথ্য টুকু এসে জানিয়ে যাওয়ার জন্য ।
সরকারী নীতি নির্ধারকদের দৃষ্টিটা উদার ও সুদুর প্রসারী হলে
কি ফল দেয় তা চীনাদের কাছ হতেও শেখা যায় ।

শুভেচ্ছা রইল

৪৮| ২১ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৫৪

জুন বলেছেন: এই দুর্নীতি, অনিয়ম, অরাজকতা আর নিরাপত্তা হীনতার মাঝে কেউ কি দেশে ফিরে আসে ডঃ এম আলী ! যার একটি সন্তান বাবা মায়ের কোল ছাড়া । যাকে কাছে পেতে তাদের মন কাঁদে অতৃপ্ত আকুতিতে, তারাও সন্তানকে বলে ফিরে আসিস না
+

২১ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:২৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ খুবই মুল্যবান একটি কথা বলে যাওয়ার জন্য । স্নেহময়ী মা হিসাবে দেশের কথা ভাবছেন দেখে ভাল লাগল ।
দেশর গবেষক ও পলিসি মেকাররা যদি একটু সচেতন হন তাহলে কিছু ভাল রিজাল্ট আসতে পারে ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৪৯| ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৫৩

কালীদাস বলেছেন: সুনির্দিষ্ট কোন প্রস্তাব নেই আমার। এমন কিছু করা দরকার যেন এরা কোনরকম রাজনীতির শিকার না হয়, দলীয়/অফিস, যেকোন রকমের রাজনীতি। সেকেন্ড আমলাতান্ত্রিক জটিলতা/হয়রানি কমান। বিদেশে সাধারণ লোকজনও যে পরিমাণে সম্মান করে, নিজের দেশের পিয়ন পর্যন্ত খারাপ বিহেভ করে।

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:০৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ মুল্যবান মতামতের জন্য ।
আমার দেয়া নতুন পোষ্টে এ বিষয়ে আরো কিছু তথ্য সন্নিবেশ করে একটু
বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে । সেখানে আপনার মুল্যবান মতামত কামনা করছি ।

শুভেচ্ছা রইল ।

৫০| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:৩১

অলিউর রহমান খান বলেছেন: মাহমুদা সুলতানার জন্য বাংলাদেশীরা গর্ব করতেই পারে। এমন মেধাবী আমাদের দেশে হাজার হাজার আছে শুধু প্রয়োজন তাদেরকে সঠিক ভাবে তুলে আনা। আমাদের দেশে অনেকেই ভিন্ন ভিন্ন জিনিস আবিষ্কার করে যাচ্ছেন, কিন্তু কারো সে দিকে কোন নজর নেই। এই হলো বাংলাদেশের অবস্থা কিন্তু উন্নত বিশ্বে থাকালে দেখা যাবে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়, তাদের পুরস্কারিত করা হয়। এতে তাঁরা অনুপ্রাণিত হয়ে দ্বিগুন উৎসাহে নতুন নতুন জিনিস আবিষ্কার করে থাকেন। জনাব সুন্দর পোষ্টের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ভোর ৫:১৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , সঠিক কথা বলেছেন । আমাদের দেশে হাজার হাজার মেধাবী আছেন যাদেরকে যথাযোগ্য মর্যাদায় তুলে আনা প্রয়োজন । আমাদের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত বিষয়গুলি যথাযথভাবে পৃষ্ঠপোষকতা পায়না বলে সেগুলির যথাযথ বিকাশ লাভ ঘটেনা । এ পোষ্ট টি সুন্দর হয়েছে শুনে ভাল লাগল ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৫১| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ভোর ৫:৫৩

অলিউর রহমান খান বলেছেন: জ্বী জনাব। দেখুন এক সুফিয়াকে কে নিয়ে মিডিয়ার খাওয়া, ঘুম সব কিছু হারাম করে দিয়েছে। যে টাকা গুলো সুফিয়ার পিছনে ব্যয় করা হয়েছে তা না করে যদি একি অর্থ দিয়ে দেশের আবিষ্কারকদের হাইলাইট করা হতো; তাহলে আরও যারা এসব বিষয় ভালো বুঝেন ও কাজ করে যাচ্ছেন তারা উৎসাহিত হতেন।

অনেক ছেলে-মেয়েরা হতাশা থেকে ঝরে পড়ছে প্রতিনিয়ত। কোন সরকার গোষ্টী থেকে কখনো মেধাবীরা সঠিক পৃষ্টপোষকতা না পাওয়ার কারণে অকালেই শেষ হয়ে যাচ্ছে।
আমাদের দেশ পরিবর্তন হবে একদিন, কেউ যদি এমন ভাবেন তাহলে তা ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখা ছাড়া আর কিছুই নয়।
আমাদের দেশ যেখানে কোনদিন দূর্নীতি মুক্ত হবার কোন সম্ভাবনাই নেই, সেখানে দেশের অবস্থা পরিবর্তন অকল্পনীয়।
সবার প্রতি এক বুক ঘৃণা প্রকাশ করলাম।

শুভেচ্ছা নিবেন জনাব।
আপনাকে ধন্যবাদ।

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৪৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ অআবার আসার জন্য ।
জ্ঞানবিজ্ঞানের সহিত আমাদের সম্পর্ক এখনো অনেক কম। আমাদের দেশে এখনো সবকার্যের সমাপ্তি বক্তৃতায়, সিদ্ধি করতালি লাভে। কোন দেশ আপনা হইতে উন্নত হয় না, তাকে উন্নত করতে হয় সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় ভালবেসে । কোথাও ভুল ও অনিয়ম দেখা গেলে তাকে সংশোধন করতে হয় যথাযথভাবে । আমাদের প্রজন্মের হতাশা কাটিয়ে উঠার লক্ষ্যে কর্যকর আশা জাগানীয়া কাজ করতে হবে ।

৫২| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪৯

অন্তরন্তর বলেছেন: খুব জরুরী একটা বিষয়ে লিখেছেন। আপনার সব পোস্টই অনেক অনেক ভাল হয়। কি ভাবে যে বলা যায় তা লিখে বুঝানো যাচ্ছে না। অনেকেই অনেক সমাধান দিয়েছেন এবং পরিশেষে বলেছেন আমাদের দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে এটা সম্ভব নয়। দুর্নীতির মহা আখড়া সব সেক্টরে। পরিবর্তন আসার কোন পথ আমি দেখছি না। দেশের বাইরে থাকি অনেক বছর কিন্তু দেশকে এক মিনিটের ভুলতে পারি না তাই এসব দেখে মন কাঁদে। আপনার লিখাগুলো সামুর সম্পদ। এভাবেই লিখতে থাকুন অনেক অনেক দিন। শুভ কামনা।

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোষ্টটিকে সামুর সম্পদ অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
সরকারী ও বেসরকারী চাকুরীর সুযোগ সুবিধার বিষয়ে
একটি ভারসাম্য থাকা উচিত বলে মনে করি ।
সকলের সমন্বিত চিন্তা চেতনায় ও কর্ম প্রয়াসে
বেসরকারী চাকুরীর সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি পেতে পারে ।
বিদেশে বসেও দেশের জন্য অনেক মুল্যবান অবদান
রাখা যায় , অনেকে রাখছেনও ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

৫৩| ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোষ্টটিকে সামুর সম্পদ অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
সরকারী ও বেসরকারী চাকুরীর সুযোগ সুবিধার বিষয়ে
একটি ভারসাম্য থাকা উচিত বলে মনে করি ।
সকলের সমন্বিত চিন্তা চেতনায় ও কর্ম প্রয়াসে
বেসরকারী চাকুরীর সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি পেতে পারে ।
বিদেশে বসেও দেশের জন্য অনেক মুল্যবান অবদান
রাখা যায় , অনেকে রাখছেনও ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

৫৪| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৪০

একটি আটলান্টিক বলেছেন: বন্যেরা বনে সুন্দর.......
হ্যা বাংলাদেশের অনেক মেধাবী উন্নত দেশে কাজ করে যাচ্ছে।এতে করে বাংলাদেশের সম্মান বাড়ছে।কিন্তু যতদিন পর্যন্ত না বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত আমাদের উচিত তাদেরকে তাদের মত কাজ করতে দেওয়া।এখন বাংলাদেশের যে অবস্থা তাতে তাদেরকে দেশে আনলে উপকারের চেয়ে অপকারই হবে।আপনার প্রতিটি পোষ্ট হচ্ছে এক একটি জ্ঞানের ভান্ডার।অসাধারণ লিখেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.