নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হাজার হাজার অসাধারন লেখক+ব্লগারের মাঝে আমি এক ক্ষুদ্র ব্লগার। পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া লেখালেখির গুণটা চালিয়ে যাচ্ছি ব্লগ লিখে... যখন যা দেখি, যা মনে দাগ কাটে তা লিখি এই ব্লগে।

সোহানী

আমি অতি বিরক্ত হয়ে আমার অনেক লিখাই ড্রাফটে নিয়েছি কারন সামুতে আমার কিছু ভাবনা শেয়ার করছি, আর এ ভাবনা গুলো আমার অনুমতি ব্যাতিরেকে কপি না করার অনুরোধ করেছিলাম কিন্তু যত্রতত্র আমার লিখার কপি পেস্ট দেখেই যাচ্ছি দিনের পর দিন।

সোহানী › বিস্তারিত পোস্টঃ

একটি রগকাটা তরুন প্রজন্ম ও আমার কিছু প্রশ্ন? ....... মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে আকুল আবেদন, একটু শুনবেন কি?

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:৩৪


সুফিয়া কামাল হলের ছাত্রলীগ সভানেত্রী এশা


কুয়েত মৈত্রী হলের ছাত্রলীগ সভানেত্রী শায়লা

খবরটা দেখে শিউরে উঠলাম। নিজেকে বার বার প্রশ্ন করতে লাগলাম, আমি কি সত্যিই ঢাকা ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট ছিলাম? আমি কি এমন হিংস্র ছিলাম তখন? বা আমার সময়ে কি এমন হিংস্র কাউকে পেয়েছিলাম? জীবনভর মেয়েদের অধিকার নিয়ে আন্দোলন করেছি নির্যাতিত বলে, এখন কি সত্যিই মেয়েরা নির্যাতিত? সুফিয়া কামাল হলে কি এমন কোন ঘটনা ঘটেছে? একটি মেয়ে কিভাবে ছুরি বা ধারালো অস্র হাতে আরেকটি মেয়ের উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে? আমি আর ভাবতে পারছি না, আমার মাথা পুরোপুরি হ্যাং হয়ে গেছে............।



ক'দিন আগে দেখলাম কুয়েত মৈত্রী হলের এক সভানেত্রী রাস্তার উপর ফেলে মেয়েদের কাপড় ছিঁড়ছে, পিটাচ্ছে। আমি তাজ্জব হয়ে গেলাম। অামি মাত্র কয়েক বছর পার করেছি এ প্রজন্ম থেকে কিন্তু রাতারাতি এমন পরিবর্তন আগে কখনো দেখিনি। খোদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি এমন হয় তাহলে বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কি অবস্থা? এটি কেন হচ্ছে, কেন এমন মারমুখী হয়ে যাচ্ছে তারা? শুধু কি লীগের মেয়েরাই এমন করছে নাকি বাকিরা ও? কেন তারা এমন করছে???? ক্ষমতার দম্ভ? চাওয়ার আগে বেশী কিছু পাওয়ার দম্ভ? নাকি উপরে উঠার সিড়িঁ হিসেবে ব্যবহার করছে? নিজেকে লাইম লাইটে আনার চেস্টা করছে? এভাবে সাধারন বা দূর্বলের উপর অত্যাচার করে কি কেন্দ্রিয় কমিটিতে জায়গা পাওয়া যায়? এ ধরনের রেকর্ড থাকলে কি দলের উপরের দিকের পোস্ট পাওয়া যায়?... আমি আর ভাবতে পারছি না, আমি রাতে ঘুমোতে পারি না নিজের দেশের কথা ভেবে, নিজের দেশের সম্ভাবনাময় তরুন প্রজন্মে কথা ভেবে...........।

আগে শুনতাম শিবির রগ কাটে বিশেষ করে আমি যখন ইউনিভার্সিটিতে পড়তাম তখন দেখেছিলাম চট্রগাম ও রাজশাহী ইউনিভার্সিটিতে প্রায় শিবিরগ্রুপ অন্য দলের ছেলেদের রগ কাটতো কিন্তু সাধারন ছেলেপেলেরা এর বাইরে ছিল। কিন্তু এখন দেখছি ক্ষমতাসীন দলের মেয়েরা রগ কাটে তবে তা সাধারন ছাত্রীদের। কিন্তু কেন করে তারা। আমি নিজে রক্ত সহ্য করতে পারি না, কোন পোকাকেও মারতে কষ্ট হয় আর আমার কয়েক প্রজন্ম পরের তরুনীরা রগ কাটে, রাস্তায় ফেলে পিটায়....................। হায় রে দেশ!!



কাল অরণ্যক এর পোস্ট পড়ে জানলাম হলে হলে নাকি টর্চার সেল আছে। ও মাই গড, মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার বা পাকিস্তানী শু.... বাচ্চাগুলো এমন কাজ করতো। টর্চার সেল এর সে ভয়াবহ কাহিনী পড়েছি আর শিউরে উঠেছি। আজ স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর নিজ স্বাধীন দেশের স্বাধীন নেতারা নিরীহ মানুষের উপর অত্যাচার করে। স্বাধীনতার স্বপক্ষের দাবীদার দলের পক্ষে এমন কাজ নিজেকেই সত্যিই হতাশ করে।

প্রিয় প্রধানমন্ত্রী আপনি এ তরুন প্রজন্মকে বাচাঁন। এরাই দেশের সম্ভাবনা, এরাই দেশের ভবিষ্যত। যে তরুনী ফুল বই হাতে নিয়ে বকুলতলায় বসবে, সে আজ ছুরি হাতে বান্ধবীর গলায় চেপে ধরছে। প্লিজ প্লিজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ প্রজন্মকে বাচাঁন। এরা ধ্বংস মানে পুরো জাতি ধ্বংস, এরা ধ্বংস মানে দেশ ধ্বংস, এরা ধ্বংস মানে ভবিষ্যত প্রজন্ম ধ্বংস।

উপরের ছবিদুটোর দিকে তাকান, কি সুন্দর মেয়ে দুটো.... কি নিস্পাপ ওদের চোখ দুটো। কেন তারা এতো হিংস্র হয়ে গেছে, কেন তারা এতো উম্মত্ত হয়ে গেছে??? প্লিজ প্লিজ প্লিজ ওদেরকে রুখে দিন, ওদেরকে সঠিক পথটি দেখিয়ে দেন। অস্র নয় বই তুলে দেন ওদের হাতে। ওদের বলুন ওরাই দেশের ভবিষ্যত, ওদের দিকেই তাকিয়ে আছে পুরো দেশ, পুরো জাতি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, যে সাধারন ছাত্র-ছাত্রীটি ইউনিভার্সিটিতে শুধু পড়তেই এসেছে রাজনীতি করতে নয় তাদেরকে বাচাঁন, তাদেরকে পড়তে দিন, তাদেরকে তাদের মতো থাকতে দিন। দলের ছেলেরা দল করুক কিন্তু সাধারন ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের মতো করে চলুক, পড়ুক, হাসুক ... আর উচ্ছলতায় ক্যাম্পাসের প্রাণ আনুক। ওরাতো দলের কোন কাজে বাধাঁ দিচ্ছে না। কেন ওদেরকে জোর করে দলে নিবো, রগ কেটে আন্দোলনে যেতে বাঁধা দিবো, পিটিয়ে হল থেকে বের করে দিবো, কেন কেন কেন? আমরা তো গনতান্ত্রিক রাস্ট্ নিশ্চয় স্বৈরাচর কোন রাস্ট্র নই.... তাই নয় কি??

কয়েকটি সংবাদের লিংক দিলাম নীচে ইউনিভার্সিটির ছাত্রলীগের"
অনলাইন খবর
অনলাইন খবর
অনলাইন খবর
অনলাইন খবর
অনলাইন খবর
অনলাইন খবর

মন্তব্য ১১৬ টি রেটিং +৯/-০

মন্তব্য (১১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:৫১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সত্যিই বিষয়টি উদ্বেগের।আমাদের সহনশীলতা কমে যাচ্ছে।এক অনিশ্চিৎ ভবিষতের দিকে আমরা এগোচ্ছি।জানিনা কবে এ অমনিশা ঘুঁচবে।

শুভ কামনা রইল।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:১৫

সোহানী বলেছেন: কিন্তু এভাবে তো চলতে পারে না দিনের পর দিন। দেশকেতো বাঁচাতে হবে, তরুন সমাজকে তো বাঁচাতে হবে।

২| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:৫২

সনেট কবি বলেছেন: যার রগ কেটেছে তার ছবি কই?

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:১৬

সোহানী বলেছেন: ভিকটিমের ছবি দেয়া নীতি বিরুদ্ধ।

৩| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:৫২

শাহ আজিজ বলেছেন: স্বপ্নে বিচরন করছেন সোহানি?? জেগে উঠুন , দেশটাকে ছিন্নভিন্ন করে জয়ের গান গাইছে রাজনিতিকরা । যে যেভাবে পারে লুটছে , মারছে , ধর্ষণ করছে , বাসে পিষে হাত পা তো নিচ্ছে সাথে জীবনটাও । আমরা এক দুঃসময়ের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছি । কোন রাজপুত্র নেই যে এসে আপাত এই লম্পটদের হাত থেকে দেশকে, মানুষকে রক্ষা করবে।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:১৯

সোহানী বলেছেন: আমি হতাশ নই, আমি খুব আশাবাদী। সত্যিই একদিন কোন রাজপুত্র আসবে, বাচাঁবে আমাদের। তাইতো স্বপ্ন দেখি আজিজ ভাই, হয়তো একদিন স্বপ্ন সত্যি হবেই হবে।

৪| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:৫২

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: এসব দেখে ও শুনে গা শিউরে ওঠে, আতঙ্কিত হই নিজের সন্তানদের সম্ভাব্য দুর্গতির কথা ভেবে। মূল বক্তব্যের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছি। যথাযথ কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ ও দূরদর্শী পদক্ষেপ গ্রহণ কামনা করছি।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:২১

সোহানী বলেছেন: সোনাবীজ ভাই, সত্যিই জানি না ভবিষ্যত প্রজন্মের কি হবে, কি হবে এ পোড়া দেশের।

যথাযথ কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ ও দূরদর্শী পদক্ষেপ গ্রহণ কামনা করছি। ...........

৫| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:০১

খায়রুল আহসান বলেছেন: যে দলটি আজ সংসদে এবং রাজনীতির মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বীহীন, তার অঙ্গদলের আজ এতটা হিংস্র হবার প্রয়োজনীয়তাটা কোথায়, বুঝতে পারছি না। নাম না জানা অখ্যাত কিছু ছেলেপুলের দল নাহয় তাদের কিছু দাবী দাওয়া নিয়ে আন্দোলন করছেই, তাদের প্রতি কি আরেকটু সহনশীল হওয়া যেত না? ইলেক্ট্রনিক এবং প্রিন্ট মিডিয়া কি তাদের কথাগুলোকে নিরপেক্ষভাবে তুলে ধরতে পারতো না? সরকারও কি আন্দোলনটা দানা বাঁধার আগে আরেকটু সচেতনভাবে সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজতে পারতো না?
লিঙ্কগুলোর খবর পড়ে ও ছবি দেখে গা শিউরে ওঠে। কুখ্যাত এনএসএফ এর কথা মনে পড়ে যায়।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:২৫

সোহানী বলেছেন: ঠিক একই কথা আমারো। ওরাইতো ক্ষমতায়। তাহলে এতোটা বাড়াবাড়ির দরকার কি?

আসলে ক্ষমতার দম্ভে ওরা সাদাকে সাদা দেখছে না। তার উপর ক্ষমতার কাড়াকাড়ি.... যে যত বেশী হিংস্র সে ততবেশী ক্ষমতাবান। এভাবে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখে একমাত্র স্বৈরাচার।............. ওরা ক্ষমতার মোহে এখন পুরোপুরি অন্ধ।

৬| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:০৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ভোতা অনুভূতিতে আকুল আহবান কি সাড়া জাগাতে পারবে!

তারা জ্ঞানপাপী, তারা ক্ষমতালৌবী, তারা অর্থ, বিত্ত আর ক্ষমতার পূজারী!
তারা জেনে শুনেই প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠৈলে দেয়! আরেক প্রজন্ম বাহ্য মোহাবিষ্টতায় সে পথের অনুসরন করে!

এতো আজ নয় অনেক অনেক যুগের বিষচর্চার ফল। আমার সময়েই আমাকে এক হলের বিশেষ রুমে নিয়ে তোষক উল্টিয়ে দিল-
বলল নাও বেছে নাও যেটা পছন্দ! রকমারী অস্ত্রে বাহার দেখে মুগ্ধ!!! বিনয়ের সাথে প্রত্যাখ্যান করতে পেরেছিলাম বলৈই হয়তো বেঁচে আছী! তখন যদি অন্য যারা চলৈ গেছৈ তাদের মতো লোভে চোখ চকচক করে উঠতো! হয়তো জীবন অন্য রকম হতো! মোষ্ট ওয়ান্টেড লাইফ :P :-/ X((

জাতীয় রাজনীতি ঠিক হতে হবে আগে।
সন্ত্রাস, স্বৈরাচারিতা, ক্ষমতার মোহ ছেড়ে প্রকৃত গণতন্ত্র চর্ছাই হতে পারে মুক্তির একটা সোপান।
কিন্তু মানবে কে? অন্তত চলমান ক্ষমতাসীনরাতো নয়ই!!!

বদলাতে চাই একটি পূর্ণ বিপ্লব! দেশপ্রমিকদের বিপ্লব।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৩

সোহানী বলেছেন: আমি জানি বিগু ভোতা অনুভূতিতে আকুল আহবান সাড়া জাগাতে পারবে না। কিন্তু সাধারন একজন মানুষ হয়ে ও বলতেই হচ্ছে কারন যেখানে সকল বুদ্ধিজীবিরা তাদের বুদ্ধি বিক্রি করে বসে আসে। আমি জানি এসব অরন্যে রোদনে কারো কিছু যায় আসে না কিন্তু কি করবো বলো চুপ থাকতে পারছি না কিছুতেই। সহ্য হচ্ছে না দেশের এ ধ্বংস।

হাঁ অনেক অনেক যুগের বিষচর্চার ফল। কিন্তু কাউকে না কাউকে তো থামাতে হবে। আজ আমি বলবো কাল আরেকজন। এভাবে সংখ্যাটা বেড়ে যাবেই যাবে। আর কতকাল চলবে এভাবে।

স্বৈরাচারী গণতন্ত্রের দরকার নেই। চলুক একনায়কতন্ত্র, সমর্থন থাকবে কিন্তু কথা দিতে হবে দেশ সিঙ্গাপুর হবে, মালয়শিয়া হবে... শক্ত হাতে দমন হবে সন্ত্রাস।

৭| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:০৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


সেসব ছেলেমেয়ে ছাত্র রাজনীতি করে, তারা পড়ালেখা করে না, বাকীদের পড়তে দেয় না; এই মেয়েগুলো (ছবিতে ) পড়ালেখা করে না। ঢাকা ইউনিভার্সিটির শিক্ষকেরা নীচু মানের রাজনৈতিক কোন্দল করে, ওরা পড়ালেখা শিখায় না। বিদেশের গরুর রাখালেরা (কাউ বয়) ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছেলেমেয়েদের থেকে গড়ে বেশী পড়ালেখা করে।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৫

সোহানী বলেছেন: সহমত গাজী ভাই।

ঢাকা ইউনিভার্সিটির শিক্ষকেরা লাল নীল সাদা পতাকা থেকে বেরিয়ে আসুক, ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করুক দেখবেন সব ঠিক হয়ে যাবে।

বিদেশের গরুর রাখালেরা ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছেলেমেয়েদের থেকে গড়ে বেশী পড়ালেখা করে কারন সেখানে রাজনৈতিক কোন্দল নেই, লাল নীল সাদা পতাকা নেই।

অনেক ধন্যবাদ গাজী ভাই্।

৮| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:০৯

ব্লগ মাস্টার বলেছেন: এরা বিয়ের পর স্বামীর গলা আর মাথা কেঁটে ফেলতে পারে এরা খুব ভয়ানক নারী।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৭

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহাহাহাহা............ উত্ত্রটা ওস্তাদ আজিজ ভাই দিয়ে ফেলেছেন।

যারা বিয়ের পিড়িতে বসবেন তারা মেয়ের হাতের তালু চেক করুন ওখানে লীগের সিল আছে কিনা। সেধে গলা দেবেন? কক্ষনো নয়, বিয়াই করুম্না হালায়।.........হাহাহাহাহাহাহা =p~ =p~ =p~ =p~ =p~

৯| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:৩৭

শাহ আজিজ বলেছেন: ব্লগ মাস্টার বলেছেন: এরা বিয়ের পর স্বামীর গলা আর মাথা কেঁটে ফেলতে পারে এরা খুব ভয়ানক নারী।



যারা বিয়ের পিড়িতে বসবেন তারা মেয়ের হাতের তালু চেক করুন ওখানে লীগের সিল আছে কিনা। সেধে গলা দেবেন? কক্ষনো নয় , বিয়াই করুম্না হালায়।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩১

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহা সহমত!!!!!! ;)

জাহীঙ্গর নগর ইউনিভার্সিটির মানিকের ঘটনার পর সেখানকার মেয়েদের বিয়ে নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল। আমার জানামতে অন্তত দুটি বিয়ে ভেঙ্গে যেতে দেখেছি। অথচ ্ওরা খুব সাধারন মেয়ে, কিন্তু সময়ের স্বীকার। অথচ সেই মানিক পুরস্কৃত হয়েছিল্ তাহলে এরা কেন হিংস্র হবে না।

১০| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:৩৭

মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন:
আপু, গ্রাম বাংলায় একটা প্রবাদ আছে "রতনে রতন চিনে শুয়োর চিনে কচু"

কুয়েত মৈত্রী হলের ছাত্রলীগ সভাপতি শায়লা শত-শত মানুষের সামনে দিনে-দুপুরে অন্য মেয়ের বস্ত্র হরণের পুরষ্কার স্বরুপ কি পেয়েছে নিচের ছবিতে দেখুন।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৩

সোহানী বলেছেন: বলো কি........... এটাতো জানতাম না। অবশ্য অবাক হবার কিছু নেই, জাহীঙ্গর নগর ইউনিভার্সিটির মানিককে পুরস্কৃত করার পর সবাই বুঝে গেছে কিভাবে উপরের সারিতে উঠতে হবে।

হাঁ, নীচে এশার পুরস্কার ও দেখলাম। ক'দিন পর সে হয়তো মহিলা এমপি হবে............

১১| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:৩৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:
শিক্ষা, গবেষণা, পাঠদান, বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে আরো উৎকর্ষ সাধনের পথ ছেড়ে রাজনৈতিক দলগুলোর লেজুড়বৃত্তি এবং ব্যক্তিগত পদ-পদবী আর দলাদলির স্বার্থে শিক্ষকরা দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। এজন্য পৃথিবীর সেরা দুই হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঝে বাংলাদেশের একটিও নেই। ভবিষ্যতে যে তালিকায় আসবে তার কোন লক্ষণ দেখছি না। রাজনীতি বাদ দিয়ে শিক্ষকরা গবেষণায় মনযোগ না দিলে সে সম্ভাবনা নেই।

গত নয় বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণের কাছাকাছি হয়েছে। নিয়োগ পেয়েছেন ৯০০ জনের অধিক শিক্ষক! শুনা যায় এসময় প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে অনেক নতুন বিভাগ খোলা হয়েছে শুধু রাজনৈতিক বিবেচনায় শিক্ষক নিয়োগের জন্য। এই সংখ্যাটা সম্ভবত গিনজ বুকে স্থান পেতে পারে। দল ভারী করার জন্য যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ হয় তখন শিক্ষকদের পাঠদান ও গবেষণার যোগ্যতার চেয়ে রাজনৈতিক পরিচয়টা মূখ্য হয়ে উঠে। এতে লাভের চেয়ে ক্ষতি অনেক বেশি। এমনও অভিযোগ আছে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী ছাড়াই কোন কোন ছাত্রকে শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যা সত্যি বেদনাদায়ক।

এমন নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যের সাথে চরম বেমানান, বিব্রতকর। শিক্ষকরাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেরুদণ্ড। আর শিক্ষকের প্রধান যোগ্যতা হলো জ্ঞান, রাজনৈতিক পরিচয় কোন অবস্থাতেই যোগ্যতা হিসাবে বিবেচ্য হতে পারে না। এ ধারা শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নয়, দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান।

একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতকরা ৭০ ভাগ শিক্ষক প্রত্যক্ষভাবে দলীয় রাজনীতির সাথে জড়িত। এটা দুর্ভাগ্যজনক। তরুণ শিক্ষকরা রাজনীতি করেন অপেক্ষাকৃত ভাল বাসস্থান, স্কলারশীপ ও সিন্ডিকেট সদস্য হওয়ার আশায়। আর বয়োজ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ শিক্ষদের লক্ষ্য থাকে প্রক্টর, প্রভোস্ট, ডিন, উপ-উপাচার্য, উপাচার্য এবং বিভিন্ন সংস্থা বা কমিশনের চেয়ারম্যান হওয়ার।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:০১

সোহানী বলেছেন: চমৎকার মন্তব্যে ধন্যবাদ জানাই কাওসার ভাই। আপনার কথার সাথে দ্বিমত পোষনের কোন সুযোগ নেই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা লাল নীল সাদার ছাতার নীচে থাকবে আর সাধারন ছাত্র-ছাত্রীদের তাদের কাছে টানবে এটাই তো এখন স্বাভাবিক।

কিন্তু কতকাল? কতকাল আর এভাবে চলবে?..........

অনেক ভালো থাকুন.............

১২| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:৪৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:
একটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পদায়ন ও মর্যাদা যখন রাজনৈতিক বিবেচনায় হয় তখন সেখানে গবেষণা ও সুষ্ঠু পাঠদান মুখ্য বিষয় থাকে না। আর এটাই হচ্ছে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ধ্বংসের সবচেয়ে সহজ পথ। এতে ভাল মানের শিক্ষকরা গবেষণায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। ফলশ্রতিতে আমরা পাই আন্তঃসার শুণ্য একদল শিক্ষক, গলাবাজ অধ্যাপক, মেরুদণ্ডহীন জাতির বিবেক।

শুনা যায় অনেক শিক্ষক অন্যের গবেষণা কর্ম শতভাগ নকল করে ধরা পড়েছেন। রাজনীতি যেখানে মান মর্যাদা আর রুটি রুজির প্রধান হাতিয়ার সেখানে অন্য শিক্ষকের গবেষণাকর্ম চুরি হবে এটাই স্বাভাবিক। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। রাজনীতিটাই তো বেশিরভাগ শিক্ষকের গবেষণার মূল বিষয়বস্তু। বিষয়ভিত্তিক গবেষণার সময় কই!

এজন্য সব সময় ছাত্র রাজনীতির বিরুদ্ধে আমার কঠোর অবস্থান। ছাত্ররা যখন নিজেদের অধিকার আদায়ের রাজনীতি বাদ দিয়ে রাজনৈতি দলগুলোর লেজুড়বৃত্তি করে তখন এ রাজনীতি ছাত্রদের কোন কল্যাণে আসে না, জাতির কোন ভাল কাজে আসে না। তাদের মনে অসুস্থ প্রতিযোগিতা ও প্রতিহিংসা সংক্রমিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো রাজনৈতিক দলগুলোর ছাত্র রাজনীতির প্রধান আখড়া।

বিশ্ববিদ্যালয় মূলত গবেষণার জায়গা, মুখস্ত করে পড়াশোনার জন্য নয়। ছাত্ররা যখন রাজনীতি আর প্রতিহিংসা, হল দখল/বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকে তখন গবেষণার মতো কঠিন কাজ একান্ত মনে করতে পারে না। আর এসব ছাত্ররা যখন শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পান তখন নিজেকে রাজনীতি থেকে আলাদা করতে পারেন না। পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন ও পাঠদানে নিজের অজান্তেই ছাত্রদের রাজনৈতিক পরিচয় মূখ্য হয়ে উঠে তার কাছে। যা হওয়ার কথা নয়। একজন শিক্ষকের কাছে একজন ছাত্রের পরিচয় শুধুমাত্র 'ছাত্র' হবে। অন্যকোন পরিচয় থাকতে পারে না।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:১৭

সোহানী বলেছেন: হাঁ সত্য।

সত্যিই দু:খজনক। পৃথিবীর সব দেশই মনে হয় তাদের শিক্ষার জায়গাটা ধ্বংস করতে চায় না। কিন্তু আমরা তাও করিনা।

শিক্ষকরা গবেষণাকর্ম নকল করে, ছাত্ররা কোটায় ঢুকে ও নকল করে ........ স্বজনপ্রীতি, দলীয়প্রীতি............ আর কতকাল???

হাঁ, আমি ও সব সময় ছাত্র রাজনীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ার পক্ষে।

আবারো চমৎকার মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ কাওসার ভাই।

১৩| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:০৮

মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন:
আর একটা কথা বলতে ভুলে গেছি।

কুয়েত মৈত্রী হলের সভানেত্রী শায়লাকে দিনে-দুপুরে শত-শত মানুষের সামনে অন্য মেয়ের বস্ত্র হরণের পুরষ্কার স্বরূপ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ মোদীর সাথে দেখা করার ডেলিগেশনের সদস্য হতে পারে তবে সুফিয়া কামাল হলের সভানেত্রী এশা ভবিষ্যতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে দেখা করার ডেলিগেশনের সদস্য হইতে পারবে না কেন?

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:১৮

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহাহা....... ওয়েট এন্ড সি। অবশ্যই সে সুযোগ পাবে এ আমি এখানে লিখে রাখছি।

১৪| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:৫২

ক্স বলেছেন: @মোস্তফা কামাল পলাশ, ধর্ষণের জন্য সরকার পুরস্কৃত করে, খুনের জন্য নয়। শায়লার জামা কাপড় ছিড়ে ফেলা হচ্ছে এ্যাটেম্পট টু ধর্ষণ কেস, আর এশার রগ কাটা হচ্ছে এটেম্পট টু খুনের কেস। সেঞ্চুরি ধর্ষক মানিক একসময় পরীক্ষা কমিটির উপ পরিদর্শকের দায়িত্বে পুরস্কৃত হয়েছিল, কিন্তু বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার আসামীরা ছাড় পায়নাই।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:১৯

সোহানী বলেছেন: ভালো পয়েন্ট বলেছেন ক্স ................

এ্যাটেম্পট টু এর জন্য পুরস্কার............

১৫| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:৫৬

নূর-ই-হাফসা বলেছেন:
দেখুন আপু জুতার মালা পড়ানোর পর সাবেক লীগ কর্মীরা তাকে ফুলের মালা পড়াচ্ছে। এদের লজ্জা বলতে কিছুই নেই ।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:২০

সোহানী বলেছেন: বলেন কি?????

কেন এ ফুলের মালা? রগ কাটার পুরস্কার?

১৬| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:৫৯

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: এশা খারাপ, শায়লা খারাপ, বদরুল খারাপ, নাহিদ খারাপ, মাল খারাপ, ইয়াবা বদি খারাপ আর তাদের যিনি দুধ কলা দিয়ে পোষেন তিনি ধোঁয়া তুলসী পাতা!
তাইতো?

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:২১

সোহানী বলেছেন: সে জন্যই এ খোলা চিঠি, সময় থাকতে সাবধান হতে হবে। নতুবা দেশতো বর্বর এর দেশ হয়ে যাবে।

১৭| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:০২

রাজীব নুর বলেছেন: এই দেশ শ্যাষ। আর ভালো সম্ভব না। সুস্থ সুন্দর ভাবে বেচে থাকার জন্য এখন দেশ ছেড়ে পালাতে হবে।


শাহ আজিজ বলেছেন: স্বপ্নে বিচরন করছেন সোহানি?? জেগে উঠুন , দেশটাকে ছিন্নভিন্ন করে জয়ের গান গাইছে রাজনিতিকরা । যে যেভাবে পারে লুটছে , মারছে , ধর্ষণ করছে , বাসে পিষে হাত পা তো নিচ্ছে সাথে জীবনটাও । আমরা এক দুঃসময়ের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছি । কোন রাজপুত্র নেই যে এসে আপাত এই লম্পটদের হাত থেকে দেশকে, মানুষকে রক্ষা করবে।

সহমত।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:২৩

সোহানী বলেছেন: জানি না... দেশের যে অবস্থা খুব কস্ট হয়, খারাপ লাগে।

তারপর ও আশা, কোন কোন রাজপুত্র এসে লম্পটদের হাত থেকে দেশকে, মানুষকে রক্ষা করবে।

১৮| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:২০

নীলপরি বলেছেন: লেখাটা আশাবাদী লাগলো । সাথের মন্তব্যগুলোও পড়লাম । আলোচনাগুলোও গুরুত্বপূর্ণ ।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:২৪

সোহানী বলেছেন: হাঁ নীলপরি........ আশাতো থাকতেই হবে। আর আলোচনা করলেতো একসময় নয় একসময় ক্ষমতাবানদের চোখে পড়বে।

১৯| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৫

তার ছিড়া আমি বলেছেন: হ্যাঁ, ঠিক বলেছেন। এ ধরনের রেকর্ড থাকলে আওয়ামী লীগে উপরের দিকের পোষ্ট পাওয়া সহজ হয়। মারো কাটো খাও। যে যত মারমুখী, সে তত যোগ্য।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:২৫

সোহানী বলেছেন: যে যত মারমুখী, সে তত যোগ্য। এ ধরনের রেকর্ড থাকলে আওয়ামী লীগে উপরের দিকের পোষ্ট পাওয়া সহজ হয়।

সেটা নিয়ে আমারো সন্দেহ। একে একে তারা যেভাবে পুরস্কৃত হচ্ছে...........

২০| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:৫২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন।

তরুণ প্রজন্ম-কে বাচাতে না পারলে দেশ ও জাতি অন্ধকারে পতিত হবে।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:২৬

সোহানী বলেছেন: হাঁ সত্য। তরুণ প্রজন্ম-কে বাচাতে না পারলে দেশ ও জাতি অন্ধকারে পতিত হবে।

২১| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:৩৪

করুণাধারা বলেছেন: মেয়ে দুটির ছবি দেখে কেউ বিশ্বাস করতে পারবে না যে তারা এমন হিংস্র আচরণ করতে পারে। এশার বহিষ্কারাদেশ তুলে নিয়েছে ছাত্রলীগ কিন্তু সে মাফ চেয়েছে অথবা অনুশোচনা করেছি এমন কোনো খবর কোথাও দেখিনি। আমার ধারণা, এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ও একই যুক্তিতে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করবে। এরপর মেয়েটি হিংস্রতর হয়ে হলে ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরবে।

জানিনা কেন, সমাজে হিংস্রতা আর নিষ্ঠুরতা বেড়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি খুব হতাশ।



১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:২৯

সোহানী বলেছেন: জানি না সে কোন মাপ চেয়েছে কিনা। কারন উপরের ছবিতে দেখলঅম তাকে ফুলের মালা দিয়ে বরন করছে।

এখন বলুন, এই মেয়েটি যদি আবার বিশ্ববিদ্যালয় এ ফিরে আসে এবং সাথে আরো বলবান হয়েই আসবে নিশ্চিত। তাহলে সাধারন ওই ভুক্তভোগী মেয়েদের কি হবে??? .........

হে আল্লাহ এদের রক্ষা করো।

২২| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৬

সৈয়দ তাজুল বলেছেন: তারা অন্যের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৩০

সোহানী বলেছেন: সে টা ঠিক আছে। কিন্তু তাই বলে এতোটা হিংস্র!!!!!!!!!!

কারন ওরা দেখেছে হিংস্র হলেই প্ররস্কার মিলে তাহলে কেন হবে না.............

২৩| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: আসলে এসাদের কি দোষ। তাদের যা করতে বলা হয়, তারা তাই করে। ছাত্রদের আন্দোলন যখন তুঙ্গে ছিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি দ্রুত এশাকে বহিস্কার করেছে। আর এখন আন্দোলন স্থগিত করার পর পরই ভিসি স্বমুর্তি ধারন করেছে। বলেছে এসার কোন দোষ নাই, তার ছাত্রত্ব ফিরিয়ে দিয়ে তাকে সম্মানিত করা হবে!!!! বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা যখন নীতি নৈতিকতা সব বিক্রি করে দেয় নষ্ট রাজনীতির কাছে, তখন কার কাছ থেকে মানবিকতা আশা করবে মানুষ?

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৩২

সোহানী বলেছেন: হাঁ সত্য তাই...........।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা যখন নীতি নৈতিকতা সব বিক্রি করে দেয় নষ্ট রাজনীতির কাছে, তখন কার কাছ থেকে মানবিকতা আশা করবে মানুষ? সেই কারনেইতো এত আত্ম চিৎকার।

২৪| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: আমরা গাধার খপ্পরে পড়েছি। দেশের ভালো আশা করবো। কিন্তু কবে আসবে সুদিন। কবে??

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৩২

সোহানী বলেছেন: জানি না কবে আসবে সুদিন। হয়তো আসবে একদিন... তার অপেক্ষায়।

২৫| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৪

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন:

পোস্ট দিয়ে ডুব মেরেছেন কেন??


প্রথমটাকে চিনি না। পরের টা পুরাই খচ্চর।
বি. দ্রঃ ডাইনিরা দেখতে সুন্দরই হয়।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৫

সোহানী বলেছেন: সবার আগে অাপনার উত্তরই দিলাম।

পোস্ট দিয়ে ডুব মারিনি, টাইম গ্যাপ। আমার দিন আপনাদের রাত। তাই ঘুম থেকে উঠা পর্যন্ত অপেক্ষা আর কি ;)

প্রথমটা সুফিয়া হলের রগকাটা এশা।

ডাইনিরা দেখতে সুন্দরই হয়।...............হাহাহাহা এতোদিন জানতাম ডাইনিরা দেখতে কুৎসিত হয়!!!!!!!

২৬| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৩

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: বর্তমানে ছাত্রীনেত্রীদের মূল কাজ কি আহা যদি জানতে..............

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৩০

সোহানী বলেছেন: আর জানতে চাই না কি করি..... যা জানলাম তাতেই ভয় পেয়েছি।

২৭| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:১০

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: আরণ্যকের পোষ্টদুটো পড়ে ভীষন লোভ হচ্ছে ঢাবি'র বিভৎস এবং বিপন্ন ছাত্র রাজনীতির খুব কাছ থেকে দেখা ভয়ংকর নোংরা সব স্মৃতিকথা শেয়ার করতে, ভয় হয় পাছে না আবাে প্রাণের ঢাবি থেকে লোকের শ্রদ্ধা উঠে যায়................ /:)

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৩৭

সোহানী বলেছেন: হাঁ কি করি, অনেক কিছুই বলি না। সহ্য করি, কিন্তু কতকাল। সব আমলইতো দেখলাম কিন্তু দিন দিন আরো খারাপ হচ্ছে তাই আর ভালোলাগে না।

২৮| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:১৪

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: জোয়ান অব আর্ক কয়ে
স'লেম যা ফিৎনা;
কিছু ক'তে ছমছমি
স'বো কও কিতনা? :P

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৩৮

সোহানী বলেছেন: একবার জোয়ান অব আর্ক কইয়া বেবাকরে ক্ষেপাইছো....... আবার......!!!!!!!!!!! এই এখুনি তেড়ে আসলো বলে........ :P

২৯| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৩৭

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: ছাত্র রাজনীতি হল সোনার ডিমপাড়া হাঁস। সুতরাং কোন রাজনৈতিক দলই এই হাঁসকে ঘরে বন্দি করে রেখে না খাইয়ে মেরে ফেলতে চাইবে না। বরং ভাল ভাল খাবার দিয়ে এদেরকে মোটাসোটা আর তেল চকচকে করে তুলে সারাজীবন বাঁচিয়ে রাখতে চাইবে।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৩৯

সোহানী বলেছেন: দারুন বলেছেন। আর সে কারনেইতো ছাত্র রাজনীতি বন্ধ হয় না। ............ সবাই তার মতো ইউজ করে ওদের বা দেশের চিন্তা কেউই করে না।

৩০| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৪৪

স্পার্টাকাস৭১ বলেছেন:
শরণার্থী কোটা দুই দিন আগে বৈদেশ গিয়া আফায় যে এমন একটা বুদ্ধিজীবি মার্কা ভাব ধরিচ্ছেন যে, যাওনের আগে বাংলাদেশ কে এক্কেবারে স্বর্গ রাখি গেছিলেন B-))
আফনে কুন সময় ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়িচ্ছিলেন একটু কন শুনি। তালাশ করি দেখি সেই সময় ঢাকা ইউনি কেমন গুডি গুডি ছিল?

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৪৭

সোহানী বলেছেন: শরণার্থী কোটা দুই দিন আগে বৈদেশ গিয়া বুদ্ধিজীবি মার্কা ভাব ধরছি কারন যাওনের আগে যে বাংলাদেশ রাইখা গেছিলাম তা এক্কেবারে স্বর্গ না হইলে ও অন্তত রগকাটা বাহিনী দেখি নাই......... ;) B-))

কোন সময়ই ঢাকা ইউনিভার্সিটি গুডি গুডি ছিল না। তবে শিবিরের রগকাটা শিক্ষা যখন এরা নেয় তখন ওই রাজাকারদের সাথে পার্থক্য খুঁজতে হিমসিম খাই।

৩১| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:২৩

ধ্রুবক আলো বলেছেন: আমরা মেরুদন্ডহীন একটা জাতি, আমরা প্রজন্ম পাচ্ছি একটা তার ছিড়া প্রজন্ম, যারা রগ কাটবে, চোখ কানা করে দিবে।
আবার এদের কে শাস্তি দিলে একদল মানুষ এদের পক্ষে দাঁড়িয়ে যাবে। ফেসবুক সমবেদনা জানিয়ে পোস্ট দিবে।প্রধানমন্ত্রী আপনার প্রশ্নের উত্তর দিবে না। উনারা এই সব প্রশ্নের উত্তর দেন না।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:৫৬

সোহানী বলেছেন: হাঁ অলরেডি দাড়িঁয়ে গেছে। ফেসবুকে সমবেদনা জানিয়ে পোস্ট দেয়া শুরু হয়েছে...............

৩২| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৩২

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: দেশ এখন কালো শক্তিতে আচ্ছাদিত অপেক্ষা করুণ একদিন স্বপ্ন পূরন হবে। সেই দিনের জন্যইতো এতো আয়োজন।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:৫৬

সোহানী বলেছেন: হাঁ একদিন স্বপ্ন পূরন হবেই। সেই দিনের জন্যইতো অপেক্ষা।

৩৩| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৩৬

তারেক ফাহিম বলেছেন: জনস্রোত যেদিকে রায় সেদিকে।
যাঁচাই করার অপেক্ষা রাখে না।
গরমে নরম :-P

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:৫৭

সোহানী বলেছেন: গরমে নরম আর নরমে গরম!!!!!!!!!!

৩৪| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৫৩

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন:

ও তাই তো!,!!

আপনি তো কেনেডি বাসী?:)

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:৫৮

সোহানী বলেছেন: জ্বি কেন রে ভাই... কানাডাবাসী হলে কি রাজনৈতিক আলাপ নিষিদ্ধ? নাকি ব্লগে লিখা সমস্যা...................

৩৫| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৫৭

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: মনিরাপু'র এক পেয়ার কা লাডলা ফেবুতে কি স্টেটাস দিয়েছে দেখো !!! (হারামি কি গাছে ধরে?)

Iffat Jahan Ishaএর সামাজিক স্বীকৃতি ও পুনর্বাসনের মহান এবং মহত্তোর উদ্দেশ্যে আমি বিনা যৌতুকে তাহাকে নিকাহ করিতে রাজি (শর্ত সাপেক্ষে)

শর্তাবলীঃ
* তওবা কাটিয়া ছাত্রলীগ থেকিয়া বে-দাখিল হইতে হইবে
* গৃহে আমি অবস্থাকালীন দা-ছোরা-চাপাতি বা এ জাতীয় ধারালো অস্ত্র স্পর্শ করা যাইবে না।
* দাম্পত্যকলহকালীন কোনরূপ (মতিয়া কাটিং)অশ্লীল খিস্তির ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

শায়মা'পুও দেখি তার মিউচুয়াল ফ্রেন্ড !! কেমন সব লোক যে এদের লিস্টিতে, ছিহহ...............

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১২:০১

সোহানী বলেছেন: ............. পোলাপান বেশী বাড় বাড়ছে।...............

রগকাটা যদি এভাবে ট্রেন্ড হয়ে দাড়াঁয়.......!!! সত্যিই ভয় পাচ্ছি নীরিহ মেয়েগুলোকে নিয়ে। এই এশা যদি আবার ফিরে অাসে সেই হলে তাহলেতো বাকিরা হলছাড়া হতে বাধ্য।

৩৬| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:০৯

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: তুমি দেখছি চর্মরোগীদের কাছে রীতিমতন ব্যান্ডিট কুইন হয়ে গেছ মাইরি !!
ঢেকি স্বর্গেও ধান ভানে আর তুমি বরফপুরিতে বসেই মুড়ি-মুড়কি,খই-চিড়ে, ভাপা পিঠে সব সমানে বানিয়ে যাচ্ছো !!
ইয়ে,,,ঢেকির সামনের গদাখানিও কম কার্যকরি না...............ভালোই থেঁতলাও ;) :P =p~

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১২:০৩

সোহানী বলেছেন: তুমি মাইরি মরছো... সাথে আমারে ও......... :P

এই এক্ষুনি আসলো তেড়ে। এখনো উনারা হাজিরা দেন নাই একজন ছাড়া। ব্লগ লিখতে লিখতেই অপেক্ষায় ছিলাম, কখন হামলা শুরু হবে..............।

৩৭| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১২:০২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষক পৃথিবীর নামকরা অনেক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করে এসেছেন। সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ কেমন? ছাত্রদের সাথে শিক্ষকদের সম্পর্ক কেমন? গবেষণা ও পাঠদানের ধরণও নিশ্চয় জানেন। তাহলে দেশে ফিরে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করার পর এগুলো কী ভুলে যান? যতদূর জানি গবেষকদের স্মৃতিশক্তি ও বিবেক অনেক প্রখর থাকে। যদি নিজেকে পরিবর্তনই না করা যায় তাহলে শুধু শুধু বিদেশে গিয়ে গবেষণাকর্ম করে তো কোন লাভ নেই।

নাকি দেশে ফিরেই আগের মতো "ছাত্র-শিক্ষক-রাজনীতি" এর দুষ্ট চক্রে পড়ে যান?

লন্ডনের ব্লুমসবারিতে অবস্থিত পৃথিবী বিখ্যত "ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন" (UCL)-এর ক্যাম্পাস। ২০১৭/১৮ সালের QS ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি রেঙ্কিংয়ে পৃথিবীর সপ্তম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় (অক্সফোর্ড ও ক্যামব্রিজের সম মানের)। ক্যাম্পাসের ভেতরে তিন মাস চাকরি করার পর জানতে পারি এটি একটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। কোনদিন দশজন ছাত্রকেও এক সাথে হই হুল্লোড় করতে দেখিনি। কে শিক্ষক কে ছাত্র চেনার কোন উপায় নেই। শিক্ষকরা সার্বক্ষণিক পাঠদান ও গবেষণা নিয়ে ব্যস্ত। ছাত্ররাও তাই।

লন্ডনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়তে গিয়ে দেখেছি কে ভিসি, কে ডিন, কে প্রক্টর কেউ চেনে না। আর চেনার প্রয়োজনও নেই। শিক্ষকদের এত এত পদ-পদবীও নাই। থাকলে গবেষণা বাদ দিয়ে শিক্ষকরা এসব পদ নেবেন না বলে আমার বিশ্বাস। নেই রাজনীতির কোন চর্চা। নেই প্রতিহিংসা, পদ-পদবীর দৌড়ঝাপ। সেখানে ছাত্র-শিক্ষকের মাঝে খুব বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক হলেও কেউ এর অপব্যবহার করে না। ছাত্রীরা নিরাপত্তার অভাববোধ করে না!

বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক তরুণ শিক্ষক বিদেশ থেকে উচ্চশিক্ষা নিয়ে দেশে ফিরে আসেন না নোংরা রাজনীতির ভয়ে। ফিরলেও পর্যাপ্ত গবেষণার সুযোগ পান না। আর ভাল কিছু করলে রাজনৈতিক পরিচয় না থাকলে সেভাবে মূল্যায়িত হন না। এতে তারা মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন, হতাশ হন। উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন।

একটি কথা না বল্লেই নয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের (রঙ ধারী) একটি অংশ স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি হিসাবে নিজেদের পরিচয় দেন। তাহলে অপর পক্ষ কী স্বাধীনতার বিরোধী? যতটুকু জানি স্বাধীনতার বিপক্ষে দেশের কোন মানুষ স্পষ্ট অবস্থান নিলে তা দেশদ্রোহীতার শামিল। তাহলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকশো শিক্ষক রাজাকার? হায়রে প্রতিহিংসা আর বিভাজনের রাজনীতি! দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠও এখন বিভাজন আর প্রতিহিংসার চরণ ভূমিতে পরিণত হয়েছে।

একটি শিশুর হাতে বিপজ্জনক আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দেয়া আর শিক্ষকদের মাথায় রাজনীতির প্যাচ ঢুকিয়ে দেওয়ার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। উভয়ই ধ্বংস ডেকে আনে, সৃষ্টি নয়। একজন শিক্ষককে আমরা রাজনীতিবিদ নয়, শুধুমাত্র শিক্ষক ও গবেষক হিসাবে দেখতে চাই। শিক্ষকদের রাজনীতি নয়, শিক্ষানীতির মধ্যে থাকতে হবে। যে বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা বাদ দিয়ে রাজনীতি/দলাদলি আর প্রতিহিংসার বীজ রোপন করা হয়, সে প্রতিষ্ঠানের নামের সাথে 'বিশ্ব' শব্দটি জুড়ে দেওয়া বেমানান। শুধু 'বিদ্যালয়' লেখলেও স্কুলটির জন্য অপমানের।।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৭:২৩

সোহানী বলেছেন: কাওসার ভাই, দেশে পিএইচডি করে খুব কমই দেশে ফিরে। যে সব শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি করে এরা মূলত রাজনীতি করেই এখানে ঢুকেছে এবং তা সেভাবেই টিকিয়ে রেখেছে। তারা রঙ ধারী শিক্ষক। আপনি কি জানেন শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন কোন বিশ্ববিদ্যালয়েরই শিক্ষক হওয়া যায় না। দলীয় ট্যাগ না থাকলে কোনভাবেই সম্ভব নয় ঢুকো। সেটা সব যুগেই ছিল কম বা বেশী। এখন হয়তো একটু বেশীই নির্লজ্জ কারন রগ কাটা প্রজন্ম এরা..... এদের ধারতো একটু বেশীই হবে।

ভাইরে বিদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে শুধু তুলনা করে হতাশাই বাড়বে........ কোনভাবেই কোন কিছুতেই তুলনা চলে না।

ভালো লাগলো আপনার কথাগুলো কিন্তু কেউ কি শুনবে!!!!!!!!!!!!!!!!

৩৮| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১২:০৪

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন:
""একটি রগকাটা তরুন প্রজন্ম ও আমার কিছু প্রশ্ন?....... মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে আকুল আবেদন, একটু শুনবেন কি?""


১/ প্রধানমন্ত্রী আপনার কথা শুনবে না।
২/ আপনার বাঁকি প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন???

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:৪৫

সোহানী বলেছেন: এক সময় পত্রিকায় খুব আসতো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে আকুল আবেদন, তারপর দেখা যেত সেটার সত্যিই সুরাহা হয়েছে। তাই বলে দেখি আর কি...... আর

১/ প্রধানমন্ত্রী আমার মতো ছারপোকার কথা শুনবেন না শোনার কথা ও না। তারপর ও বলতে বলতে এক সময় হয়তো বিরক্ত হয়ে যদি কিছু করেন আর কি..........
২/ বাকি প্রশ্নের উত্তর অবশ্যই পেয়েছি.... অনেকেই ফুলের মালা সহ ছবি পোস্ট করেছে :(

৩৯| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১২:২৭

মনিরুল ইসলাম বাবু বলেছেন: :( :(

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:৪৬

সোহানী বলেছেন: :( :( :( :( :(

৪০| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১২:৫৩

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: ফেইসবুকে ছাত্রলীগ কর্মীদের ঐশীর পক্ষে দেওয়া স্ট্যাটাস, যুক্তিতর্ক, সহানুভূতি দেখে হতাশ। বর্তমান ছাত্রলীগ তথা আওয়ামীলীগ একদম পচে গেছে।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:৪৯

সোহানী বলেছেন: হাঁ তাই তো দেখছি। কোথায় তাকে জেলে পাঠাবে উল্টো ফুলের মালা দিয়ে বরন করে.............. হাহাহাহাহাহাহা

ওওওওও ঐশী নয় এশা। ঐশী হলো বাবার খুনী পুলিশ সুপারের মেয়ে। কিছু নেইম ট্রেন্ড হয়ে গেছে দেশে। ঐশী, এশা, শায়লা, মতিয়া..................

৪১| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১:০২

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: view this link

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:৫১

সোহানী বলেছেন: এইসব কি দেখাইবা......... ফুলের মালা দিয়া বরণ শেষ। এখন শুধু কাজি ডাকার পালা। দেখা যাক কোন মন্ত্রনালয় পায়........

৪২| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১:০৪

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: view this link

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:৫২

সোহানী বলেছেন: কি কমু কও........ কওনের ভাষা নাই।

৪৩| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১:০৪

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: view this link

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:৫৪

সোহানী বলেছেন: এভাবে পুরস্কৃত করার কারনে এইসব গুন্ডারা আরো উশৃঙ্খল হবে, আরো রগ কাটবে। কারন তারা জানে রগ কাটার পুরস্কার ট্রাম্প ভ্রমণ!!!!

৪৪| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১:৪৫

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: হতাশা জনক ব্যাপার

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:৫৫

সোহানী বলেছেন: সত্যিই হতাশার নয়ন। কিন্তু এর থেকে তো বের হয়ে আসতেই হবে............

৪৫| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৬:৪১

কালীদাস বলেছেন: শুধু পলিটিশিয়ান না বা শুধু ঢাকা ইউনি না। অমুক ইউনিতে পড়ে/অমুক দলের নেতা; এরকম ভাবের চোটে একেকটা পারলে মাটির কয়েক ইঞ্চি উপর দিয়া হাঁটে। এই ইউনিগুলোতে আমরা কি **টা পড়াই আর কি মাল পয়দা করি খুব ভাল মত জানা আছে গত ১৫বছর ধৈরা।

সত্যি কথা লেখলে অনেকের **য় আগুন ধরে। গত চল্লিশ বছরে ইউনির সেরা প্রাপ্তি দেখান হয় স্বৈরাচারেরে পাছায় লাথি মাইরা নামানো, আর্মির পাছায় লাথি মারার ছবিটারে। এইজন্য ইউনিভার্সিটি? একটা ইউনির মেইন আউটকাম এইটা?

ফ্যাকাল্টির ডীন/প্রভোস্ট/....ভিসি প্রত্যেকটা পোস্টের জন্য পলিটিক্স করাই লাগবে, ১৯৭৩ এক্টের ভার্সিটিগুলো বলেন বা বাকিগুলোই বলেন। তাহলে মেধার চর্চা কই? এই **র জন্য ইউনিভার্সিটি? এইগুলারে দেইক্ষ্যা নতুন পলিটিক্সে ঢোকা ছেমড়া ছেমড়ি কি শিখবে?

নিজের কয়েকশবার হয়রানির শিকার হওয়ার কথা লেখা যাবে। লেখতে ইচ্ছা করতাছে না, কারণ মুখে চরম নোংরা কিছু গালি আসছে বারবার। সলিমুল্লাহরা এই ঘটনাগুলা জানলে পারলে কবর থিক্যা উইঠা আইসা "ভাড়ষিঠি" বানানির জন্য নাকে খত দিত কার্জন হলের সামনে।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:১৮

সোহানী বলেছেন: কালীদাস জানি কতটা ক্ষোভ থেকে কথাগুলো বলছেন। ঠিক এমন কষ্ট পাই দেশের এ ধ্বংস দেখে। নতুবা কি দায় পড়েছে..... আরামে আয়েসেতোই আছি, দেশ নিয়ে না ভাবলে ও চলবে। কিন্তু পারি না, রাগে ক্ষোভে দু:খে রাজাকারের বাচ্চা গালি খাবার পর ও আবার আসি। ব্লগে কিছু মার্কামারা ছাগুরা চিল্লাচিল্লি করলেও কান বন্ধ রাখি কারন আমরা না বললে কে বলবে? যারা দেশে থাকে তারাতো দেখি মুখ ও খুলতে পারে না ... মুখ খুললেইতো রগ যাবে নয়তো গলা। কোন সভ্য দেশে ক্ষমতাসীনরা এমন আচরন করতে পারে, জানা নেই....!!!

আর ইউনির চল্লিশ বছরে সেরা প্রাপ্তি........... কবে কোথায় কি করেছে?? নামেই ইউনিভার্সিটি....কোন মৈালিক গভেষনা আছে? কোন রিসার্চ প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছে? কোন রিসার্চ পরিকল্পনা আছে??? তাহলে তাকে কেন ইউনিভার্সিটি নামে ডাকবেন?? এ তো রাজনৈতিক আখড়া নাম দেয়ার সময় হয়েছে, তবে সেটা সব সময়ের জন্যই প্রযোজ্য।।

ফ্যাকাল্টির ডীন/প্রভোস্ট/ভিসি কেন, সাধারন লেকচারার পদেও পলিটিকেল ব্যাকগ্রাউন্ড লাগে। মেধা লাগে না ভাইজান.......। হাঁ এ চর্চা আগে ও ছিল এখনো আছে, কম বা বেশী। তাইতো শুধু শুধু ইউনিভার্সিটি নামধারী রাজনৈতিক আখড়া।

৪৬| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৭:১৯

অাব্দুল্লাহ অাল কাফি বলেছেন:
এসব ডায়নি বুড়িদের কবল থেকে মুক্তির জন্য জাতি অপেক্ষা করছে দিগ্বিজয়ী এক রাজপুত্রের যিনি এই অভিশাপ থেকে রক্ষা করবে জাতিকে।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:১৯

সোহানী বলেছেন: হাঁ জাতি অপেক্ষায় আছে থাকবে......................... দিগ্বিজয়ী এক রাজপুত্রের যিনি এই অভিশাপ থেকে রক্ষা করবে জাতিকে।

৪৭| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৭:২৮

মোঃ মঈনুদ্দিন বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার ব্যাখ্যাবহুল সুন্দর পোস্টের জন্য। সত্যিই হতাশাব্যাঞ্জক দৃশ্য এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাম্প্রতিক বেশ কিছু বছর ধরে যা ঘটে চলেছে তা কোনক্রমেই মেনে নেয়া যায় না। দেশের সরকার ও নীতিনির্ধারকগণ চোখে মালা দিয়ে বসে আছে মনে হয়। দেখে না দেখার ভান করছে। জানি না এর কোন সমাধান রয়েছে কী নেই?
গত কিছুদিন ফেইসবুকে দেখছি ভার্সিটি নেত্রী এশা নির্দোষ। কিন্তু আপনার পোস্ট ও এর নিচের লিঙ্ক দেখে বুঝতে পারছি আসলে যা কিছু রটে তার আংশিক হলেও ঘটে।
ধন্যবাদ ভালো থাকুন।
শুভ নববর্ষ।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৩:৫৯

সোহানী বলেছেন: দেশের সরকার ও নীতিনির্ধারকগণ চোখে ঠুলি দিয়ে বসে আছে বা বলা যায় কখনই এসবের সমাধানে আসবে না।

আর এশা বা এদরকে বাচাঁতে সব সময়েই দল এগিয়ে আসবে, তাকে নির্দোষ বানাবে ....... এ আর নতুন কি!!!

৪৮| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:১৮

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: শুভ নববর্ষ।
আপনার মনোবেদনা উপলব্ধ। ঢাবির ছাত্র আমি ও। মেয়ে দের এমন বর্বরতা ঢাবিতে দেখিনি। এশা যা করেছে তার নিন্দা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। তবে ক্ষমতার পালাবদলের সময় সুকৌশলে তরুণ নেতৃত্ব কে যথেষ্ট পরিমাণে কালার করা নোংরা রাজনীতি র অংশ । এশা এখন নোংরা রাজনীতির অংশ।দলে এখন তার অনেক দাম। তিনি ছাত্রলীগ ছাড়া এখন আর কিছুই করতে পারবে না। তার উদ্বেগের জন্য দল তাকে ইচ্ছে মত ব্যবহার করতে পারবে। কারণ তার হাত পা বাঁধা।
তরুণ নেতৃত্ব কে খেয়াল রাখতে হবে এশার আর পেছনে ফেরার পথ নেই। এমনটা যেন আর কারো না হয়। ঢাবির উন্নয়নে ছাত্র রাজনীতি মনোনিবেশ করতে পারে । দেশের ভবিষ্যৎ তারা ই । তারা ফাঁদে পড়লে জাতিকে টেনে তুলবে কারা।
এশা র মত মেয়ে র ভালো বিয়ে হ ওয়ার সম্ভাবনা নেই। এখন তাকে রক্ষা করতে মিথ্যে গল্প তৈরি করছে। গায়ের জোরেই তারা সত্য কে মিথ্যা করবে। রগকাটা এশা ঘৃণার প্রতীক হয়ে বেঁচে থাকবে। আর তাকে ঘৃণিত করলো নোংরা রাজনীতি।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৪:০৯

সোহানী বলেছেন: রগকাটা এশা ঘৃণার প্রতীক হয়ে বেঁচে থাকবে। কিন্তু সত্যই বলেছেন দলে এখন তার অনেক দাম। অার এ কারনেই নেতারা এ ধরনের আচরন করে, নিজের উপরের উঠার সিড়ি হিসেবে। যুগ যুগ ধরে এভাবেই চলে আসছে। অভি ইলিয়াস নিরু কিংবা শিরিন সানু রানু........ সবাই এ ধরনের আচরন করেই উপরে উঠেছে। অার এখনকার তরুনরা বা করবেন না কনে, পার্থক্য হিঙস্রতা নিয়ে। এতোটা হিংস্র কিংবা সাধারন ছাত্র-ছাত্রীর উপর আক্রমন দেখিনি আগে।

আর বিয়ে!!!! সেটা সম্পূর্ন ভিন্ন বিষয়। তার উপর ভালো বিয়ে সেটাতো আরো আপেক্ষিক। তবে এ ক্ষেত্রে আপনার শংকা কিন্তু একদমই ভুল। ব্যাখ্যাটা দিবো উদাহরন সহ কোন এক সময়, আজ নয়।

অনেক ভালো থাকুন কবি।

৪৯| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:২৫

:):):)(:(:(:হাসু মামা বলেছেন: এদেরকে জাতির উচিৎ পুরুষ্কার দেয়া |-)

দুঃখে কলিজা ফাটিয়া যায় মোর
এত সুন্দর মুখশ্রী মনে একি তোর,
রূপ তোর ছলনা
আর কিবা না পারিছ তোরা ললনা।

প্রজন্ম কোথায় আর কোথায় যেয়ে দাঁড়াবে সেটাই ভাবছি সোহানী আপু। এসব একজন দুজনের জন্য পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের কলঙ্ক এবং নারী জাতির কলঙ্ক।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৪:১৩

সোহানী বলেছেন: একজন দুজনের জন্য পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের কলঙ্ক এবং নারী জাতির কলঙ্ক............ ঠিক না মামা। এরা আছে বলেই দল অাছে। এবং অলরেডি পুরস্কার পাওয়া শুরু হয়ে গেছে, আরো পাবে ...............

দুঃখে কলিজা ফাটায়েন না মামা.... রাজকন্যা সহ রাজত্ব পাবেন। শুধু একটু সামলে নিবেন, তাইলেই হলো ;)

৫০| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:৩৭

মোহেবুল্লাহ অয়ন বলেছেন: কারো কারো গা জ্বালা করছে । =p~

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৪:১৪

সোহানী বলেছেন: কেনরে ভাই?????

৫১| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:৪৮

শকুন দৃিষ্ট বলেছেন: নববর্ষের শুভেচ্ছা।

আপনি একেবারে জায়গামত আবেদন খানি নিবেদন করিয়াছেন। কিন্তু জনাবা, আপনার আকূল আবেদন সবিনয়ে বিলকুল প্রত্যাখ্যাত হইতে হইতেছে। কারন বুঝেনইতো, নেত্রী যে এই খুঁটির উপরেই দণ্ডায়মান আছেন (বলিয়া মনে করিতেছেন)। তাহা না হইলে, মাল্য(জুতার) বদনের দৃশ্যখানি অবলোকন পূর্বক নেত্রী এমন অঝোর ধারায় কাঁদিবেন কেন???

ব্লগ মাস্টার বলেছেন: এরা বিয়ের পর স্বামীর গলা আর মাথা কেঁটে ফেলতে পারে এরা খুব ভয়ানক নারী

- উহাদের আদতে কি বিবাহের দরকার আছে জনাব? তারপরেও কতজন খাড়াইয়া আচেন দেখবেন শিগ্‌গিরই!!

শাহ আজিজ বলেছেন: যারা বিয়ের পিড়িতে বসবেন তারা মেয়ের হাতের তালু চেক করুন ওখানে লীগের সিল আছে কিনা। সেধে গলা দেবেন? কক্ষনো নয় , বিয়াই করুম্না হালায়

- মেবাই, বিয়া করেন নাই অহনও? দেইখ্যা তো মনে অয় "চুল কয়ডা পাহে গ্যাছে হুতাশে!!!:) তা ভাই, কত নং বিবির জন্যে মনে খায়েশ উঠছিল??:):):)

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: বর্তমানে ছাত্রীনেত্রীদের মূল কাজ কি আহা যদি জানতে..............

- আহা, যদি জানাতে ভাইডি!!! যদিও ঝাতি জানে, তারপরেও ঝাতি আবারও ঝানতে ছাই!!!

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: মনিরাপু'র এক পেয়ার কা লাডলা ফেবুতে কি স্টেটাস দিয়েছে দেখো !!! (হারামি কি গাছে ধরে?)

- মনিরাপু'র এক পেয়ার কা লাডলা??? আছে(বা ছিল) না কি? ঝানতাম না তো!!!

Iffat Jahan Isha - এর সামাজিক স্বীকৃতি ও পুনর্বাসনের মহান এবং মহত্তোর উদ্দেশ্যে আমি বিনা যৌতুকে তাহাকে নিকাহ করিতে রাজি (শর্ত সাপেক্ষে ****)

শর্তাবলীঃ
* তওবা কাটিয়া ছাত্রলীগ থেকিয়া বে-দাখিল হইতে হইবে
* গৃহে আমি অবস্থাকালীন দা-ছোরা-চাপাতি বা এ জাতীয় ধারালো অস্ত্র স্পর্শ করা যাইবে না।
* দাম্পত্যকলহকালীন কোনরূপ (মতিয়া কাটিং)অশ্লীল খিস্তির ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ


- এই দ্যাহেন ভাইজানেরা! এক আদমি মিল গায়া!! শর্তসাপেক্ষে উনি রাজি ****!!!

শায়মা'পুও দেখি তার মিউচুয়াল ফ্রেন্ড !! কেমন সব লোক যে এদের লিস্টিতে, ছিহহ...............

- শায়মা'পুর ত্রাসিত ব্লগাচরণে আমার আগেই সন্দেহ হইছেল। অক্ষনে পেরমান পাইলাম। ছিহহ্‌ শায়মাপি, ছিহহ্‌ ............... ............... অবশেষে, টুমিওওওওওও .................

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: ফেইসবুকে ছাত্রলীগ কর্মীদের ঐশীর পক্ষে দেওয়া স্ট্যাটাস, যুক্তিতর্ক, সহানুভূতি দেখে হতাশ। বর্তমান ছাত্রলীগ তথা আওয়ামীলীগ একদম পচে গেছে।

- সে কি কেবল আজ থিকা? যেইদিন থিকা বংগবন্ধু নাই, হেইদিন থিকাই আওয়ামীলীকের পচন ধরছে .......

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আপনার মনোবেদনা উপলব্ধ। ঢাবির ছাত্র আমি ও। মেয়ে দের এমন বর্বরতা ঢাবিতে দেখিনি। এশা যা করেছে তার নিন্দা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। তবে ক্ষমতার পালাবদলের সময় সুকৌশলে তরুণ নেতৃত্ব কে যথেষ্ট পরিমাণে কালার করা নোংরা রাজনীতি র অংশ । এশা এখন নোংরা রাজনীতির অংশ।দলে এখন তার অনেক দাম। তিনি ছাত্রলীগ ছাড়া এখন আর কিছুই করতে পারবে না। তার উদ্বেগের জন্য দল তাকে ইচ্ছে মত ব্যবহার করতে পারবে। কারণ তার হাত পা বাঁধা।

তরুণ নেতৃত্ব কে খেয়াল রাখতে হবে এশার আর পেছনে ফেরার পথ নেই। এমনটা যেন আর কারো না হয়। ঢাবির উন্নয়নে ছাত্র রাজনীতি মনোনিবেশ করতে পারে । দেশের ভবিষ্যৎ তারা ই । তারা ফাঁদে পড়লে জাতিকে টেনে তুলবে কারা।
এশা র মত মেয়ে র ভালো বিয়ে হ ওয়ার সম্ভাবনা নেই। এখন তাকে রক্ষা করতে মিথ্যে গল্প তৈরি করছে। গায়ের জোরেই তারা সত্য কে মিথ্যা করবে। রগকাটা এশা ঘৃণার প্রতীক হয়ে বেঁচে থাকবে। আর তাকে ঘৃণিত করলো নোংরা রাজনীতি


- ভাইজান, সমস্যা আমাদের সময়(আগেও) আছেলো। তয়, এতটা প্রকট-প্রচ্ছন্য আছেল না। সমস্যার গভীরতার পার্থক্য, এই যা। আর, এশারে নিয়া ভাইবা সময় নষ্ট কইরেন না। হেতের ভবিষ্যৎ উজ্বল।

ভাল থাকুন আপুনি।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৪:১৬

সোহানী বলেছেন: ভাইজান, সমস্যা আমাদের সময়(আগেও) আছেলো। তয়, এতটা প্রকট-প্রচ্ছন্য আছেল না। সমস্যার গভীরতার পার্থক্য, এই যা। আর, এশারে নিয়া ভাইবা সময় নষ্ট কইরেন না। হেতের ভবিষ্যৎ উজ্বল।

যা বলার এক লাইনেই বলে দিয়েছেন। বাকি গুলোর উত্তর আমার চেয়ে আপনিই ভালোই জানেন.............

৫২| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৪:৪৪

শকুন দৃিষ্ট বলেছেন: প্রত্যুত্তরে ধন্য।

জ্বী আপু, উত্তর আমার-আপনার সবারই কম-বেশি জানা, শুধু অন্ধ সেজে বসে আছি। কিন্তু, প্রলয় তো আর থেমে নেই। সে তার গতিতেই এগিয়ে চলেছে।

সমস্যা এই পোড়া মন আর খোলা চোখ-টারে নিয়ে। কখনো-কখনো সে অন্ধ হয়ে চুপ করে থাকতে পারে না। হুন্কার দিয়ে গর্জে উঠতে চায়। আর তখনই গাত্র-দাহ শুরু হয় প্রতিপক্ষের।

ভাল থাকবেন, অনেক, অনেক।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:০৮

সোহানী বলেছেন: শুধু অন্ধ সেজে বসে আছি। হাঁ এর চেয়ে ভালো কোন পথ নেই নিজেকে বাচাঁনোর। কিন্তু কতকাল???

তবু ও মাঝে মাঝে এ পোড়া মন কিছু চেয়ে বসে সাধ্যের বাইরে, কি করবো বলুন চোখ খুলতে চাই না, বাধ্য হই।

অনেক অনেক ভালো থাকুন।

৫৩| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:০৭

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: এরা ক্ষমতার জোরে সব কিছুই করতে পারে।
মাঝে মাঝে দুঃখ হয় কেন এমন দেশে জন্ম হল।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:০৯

সোহানী বলেছেন: তৃতীয় বিশ্বের সব দেশেরই এক সমস্যা........ ক্ষমতা জোর করে টিকিয়ে রাখা।......

অনেক ভালো থাকুন সোহেল।

৫৪| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৫

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
কোন এক গবেষণায় জানা গিয়েছিলো
সুন্দরী মেয়েরা বেশী হিংস্র হয়ে থাকে।
তার বাস্তব প্রমাণ দেখলাম, শুনলাম,
তাজ্বব হলাম, ব্যথিত হলাম।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:১০

সোহানী বলেছেন: আরে না না........... ক্লিউপেট্রাই সব নষ্টের গোঁড়া। ওর থেকেই মনে হয় সুন্দরীরা হিংস্র হওয়া শুরু হয়েছে।

৫৫| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৪৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোহানী ,




স্বপ্ন আর তার লক্ষ্যস্থলের মধ্যের রাস্তা সব সময় ট্যাড়া বেঁকা হয় । এ রাস্তা কখনও সোজা নয় । সোজা হতে দেয়াও হয়না । তবুও মুশকিল হলো – স্বপ্ন দেখা থেমে থাকেনা । তেমন একটা স্বপ্ন নিয়ে এই লেখাটি লিখেছেন আপনি । মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে আপনার এই আবেদনটি কখনও কি পৌঁছুবে ? পৌঁছালেও তিনি কি করবেন ? ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করবেন ? রাজনীতিবিদরা রাজনীতিতে পেশীশক্তি বাদ দিয়ে কি করে ক্ষমতার কামড়া কামড়ি লড়াইয়ে টিকে থাকবেন ?

রাজনীতিবিদদের কায়েমী সুবিধা বজায় রাখতে শাসন ক্ষমতা কুক্ষিগত করার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাকে তো পাশ করতেই হয় । সেকারনে একটা হুলস্থুল জাতীয় আবহাওয়া তৈরীর মধ্যে দিয়েই তারা নেমে পড়েন ভোটযুদ্ধে । এই যুদ্ধে আসল পদাতিক সৈনিকেরাই যদি না থাকে তবে জেনারেলরা কি করে যুদ্ধে জিতবেন ? যুদ্ধে জয় এনে দিতে পারবে এমন মারকূটে ফ্রন্ট লাইন সৈনিকদের প্রশিক্ষনকালীন যদি পুরষ্কার না দিয়ে ভর্ৎসনাই করা হয় তবে যুদ্ধের মাঠ যে ফাঁকা পড়ে থাকবে ! সৈনিকেরা তো চাইবেই তাদের কারিশমা দেখিয়ে সাধারন থেকে লেফটেনান্ট হতে , সেখান থেকে ক্যাপ্টেন................. ।
জেনারেলরা সৈনিকদের যতো বেশি পুরষ্কৃত করবেন , ততোই সৈনিকেরা জানপ্রান ঢেলে দিয়ে জেনারেলদের বিজয়ী করতে সচেষ্ট থাকবেন । এটাই জেনারেলদের রক্ষা কবচ ।
আমাদের দেশের রাজনীতি এমন ঢংয়েই চলে আসছে । আমরাই চলতে দিয়েছি । এমোন বাস্তবতার সাথেই আমাদের বসবাস । আমাদের চেয়ে অভাগা আর কে আছে ? এগুলো আমাদেরই অজ্ঞতায়, আমাদেরই অসচেতনতায়- অবহেলায়, আমাদেরই অজান্তে তৈরী হওয়া একটি ফ্রাঙ্কেনষ্টাইন।

এ থেকে মুক্তির কোনও পথ নেই । না আজ অথবা কাল ..................

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:২৯

সোহানী বলেছেন: হাঁ সত্যি প্রিয় জী ভাই.... স্বপ্ন আর তার লক্ষ্যস্থলের মধ্যের রাস্তা সব সময় ট্যাড়া বেঁকা হয়। তারপরও স্বপ্ন দেখা থেমে থাকেনা । আর সে স্বপ্ন থেকেই এমন আবেদন, হয়তো কখনই কারো কানে পৈাছাবে না জানি তারপরও বলে যাই। যদি কখনো কারো শোনার সময় হয়।

যুদ্ধে জয় এনে দিতে পারবে এমন মারকূটে ফ্রন্ট লাইন সৈনিকদের প্রশিক্ষনকালীন যদি পুরষ্কার না দিয়ে ভর্ৎসনাই করা হয় তবে যুদ্ধের মাঠ যে ফাঁকা পড়ে থাকবে ! ... হাঁ তা দেখেছি দিনের পর দিন। কিন্তু সমস্যা আমরা সৈন্য হিসেবে যাদেরকে আমরা মাঠে ব্যবহার করছি তাদের কে দিয়ে হয়তো একটি রকেট তৈরী করা যেত, নতুন কোন কৃষি যন্ত্র উদ্ভাবন করা যেত, দেশের অর্থনীতির চাকাকে গতিশীল করা যেত। আমরা বড্ড বেশী মিসইউজ করছি তাদের। যারা সৈন্য নয় তাদেরকে সৈন্য হিসেবে ইউজ করার কারনে আসল কাজে লোকবলের অভাব পড়ে গেছে।

আমাদেরই অজ্ঞতায়, আমাদেরই অসচেতনতায়- অবহেলায়, আমাদেরই অজান্তে তৈরী হওয়া একটি ফ্রাঙ্কেনষ্টাইন। হাঁ এই ফ্রাঙ্কেনষ্টাইন দানব থেকে মহা দানবে পরিনত হচ্ছে দিনের পর দিন। না এর থেকে মুক্তির কোনও পথ নেই....। না আজ অথবা কাল, কোন কালেই নয়। কারন কেউই মুক্তি পেতে চায় না বা মুক্তি দিতে চায় না ...........

যুগে যুগে সব পেশী শক্তিই এদের ইউজ করেছে আর পুরস্কার স্বরুপ কিছু মাংসের ছিটেঁফোটা ছুঁড়ে দিয়েছে। আর তা পেয়ে বোকাগুলো নিজের জীবন বাজী রেখে ঝাপিঁয়ে পড়েছে।........... হায়রে দেশ।

আসলে ক'দিন ধরে খবরগুলো দেখে মনটা এতো বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল যে ...... জানি অরণ্যো রোদন, কিছুতেই কিছুই হবার নয়, তারপরও কিছ বলার চেস্টা।

অনেক ভালো থাকেন প্রিয় জী ভাই।

৫৬| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:৫০

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
সোহানী আপু আপনার জন্য গবেষণার বিস্তারিত তুলে ধরা হলো,
সাধু সাবধান !! সুন্দর মুখের বা চেহারার মানুষ তুলনামূলক ভাবে অহংকারী ও স্বার্থপর হয়ঃ কখনে চরম নিষ্ঠুর

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৩

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহাহা........... আপনার বিস্তারিত গবেষণা পত্র দেখে ভয় পেয়েছি ;) !! আস্তাগফিরুল্লাহ্ ...............

৫৭| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:১১

প্রামানিক বলেছেন: কি যে মন্তব্য করবো ভেবে পাচ্ছি না।

১৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৮

সোহানী বলেছেন: মন্তব্য নয় দেখুন আপডেট...

http://www.ittefaq.com.bd/education/2018/04/18/154306.html

৫৮| ১৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:০১

স্পার্টাকাস৭১ বলেছেন:
এখন বুঝতে পারছেন সেই রাতে ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে রগ কাটার কোন ঘটনা ঘটেনি?
এই আপনাদের মত তৃতীয় শ্রেনীর যত সব আবাল বেকুবদের জন্য আজকাল মিডিয়া এত পাওয়ারফুল আর সাঈদীরা চাঁন্দে গিয়া ম্যাশিন চালায়।

৫৯| ১৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:১৫

নায়না নাসরিন বলেছেন: আপু বিদেশে থাকেন তারপর ও দেশের জন্য আপনার পরান কাদে শুনে খুব ভালোলাগলো।
সোনাবীজ ভাইয়ার লেখায় দেখলাম আপনি এক্সিডেন্টে মৃত রাজিবের ভাইদের সাহায্য করার জন্য মানুষ খুজতেছেন ?
সেমন লোক কি পেয়েছেন আপু ? আপনি অনেক উদার ও মহান তাই বাহিরে বিদেশে থেকেও দেশের সবার জন্য চিন্তা করেন। আপু আপনার উপর আল্লাহ রাব্বিল আলামীন রহমত নাযিল করুক। ভালোলাগা রইলো ++++++++্

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.