নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হাজার হাজার অসাধারন লেখক+ব্লগারের মাঝে আমি এক ক্ষুদ্র ব্লগার। পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া লেখালেখির গুণটা চালিয়ে যাচ্ছি ব্লগ লিখে... যখন যা দেখি, যা মনে দাগ কাটে তা লিখি এই ব্লগে।

সোহানী

আমি অতি বিরক্ত হয়ে আমার অনেক লিখাই ড্রাফটে নিয়েছি কারন সামুতে আমার কিছু ভাবনা শেয়ার করছি, আর এ ভাবনা গুলো আমার অনুমতি ব্যাতিরেকে কপি না করার অনুরোধ করেছিলাম কিন্তু যত্রতত্র আমার লিখার কপি পেস্ট দেখেই যাচ্ছি দিনের পর দিন।

সোহানী › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমার নিকটতম প্রবাসী প্রতিবেশীরা ..................পর্ব ৫

১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:০৬



অফিসের পর ক্লাস শেষে বাসার লিফটে উঠে খুবই টায়ার্ড ফিল করছিলাম। দেয়ালে হেলান দিয়ে দাড়িয়ে ছিলাম। এখানে সাধারনত কেউই দেয়ালে হেলান দিয়ে দাড়ায় না। ওদেরকে স্কুল থেকেই শিক্ষা দেয় হেলান দিয়ে দাড়ানো মানে তোমার কোন স্ট্রেংথ নেই। যাহোক দোতালায় উঠতেই এক বোরকাধারী কেনিয়ান মহিলা লিফটে উঠেই আমার দিকে তাকিয়ে বললো আর ইউ টায়ার্ড। আমি বললাম হুম, যতটুকু টায়ার্ড তারচেয়েও বেশী টায়ার্ড ফিল করছি কারন যখনই মনে পড়ছে বাসায় যেয়ে রান্না করতে হবে, হাড়ি পাতিল ধুতে হবে কারন সকালে তাড়াহুড়া করে সবকিছু এভাবে রেখে চলে গেছিলাম। এখন ফিরে সব করতে হবে.... এখানেতো আর কাজের মেয়ে নেই!!

আমার ফ্লোরে আসতেই একসাথে নেমেই মহিলা হেসে বললো তুমিও একই ফ্লোরে থাকো? ও তুমিতো আমার নেইবার কিন্তু তোমাকে দেখি না কেন। কারন আমি সকালে বের হই আর রাতে ফিরি তাই আমাকে লবিতে দেখো না। কথা বলতে বলতে বাসায় ঢুকে পড়লাম। যাহোক ঘর ক্লিনিং এর যুদ্ধ শুরু করেছি কিছুক্ষন পরেই দেখি দড়জায় নক। খুলেই দেখি সে কেনিয়ান মহিলা হাতে এক বিশাল ট্রে।

আরে তুমি?
হাঁ তোমার যাতে রান্না না লাগে তাই আমি দিয়ে গেলাম।
মানে কি? ততততুমি....
আরে তুমি আমার নেইবার, আমার মুসলিম বোন, আমরাইতো আমাদের জন্য। এখন থেকে যখনই তোমার টায়ার্ড লাগবে, আমাকে নক করো। আমি সবসময়ই বেশী রান্না করি।

এরপর থেকে সে মহিলা প্রায় সময় অসময় আমাকে খাবার দিয়ে যায় এবং একবারে যা দিয়ে যায় তা দিয়ে আমি মোটামুটি তিনদিন চলতে পারি ....হাহাহাহাহাহা...... এভাবে ভালোই দিন পার করছি। তবে আমার ভাগ্য অনেক ভালো কারন শুধু এ কেনিয়ান আন্টি না অনেকেই খাবার দিয়ে যায়। এক দেশী ভাবী আছেন প্রতিদিন অফিসের পর এসে জানতে চাইবে চা করে দিব কিনা বা কোন নাস্তা। দারুন সব খাবার খাই ভাবীর হাতের। অসাধারন রান্না করেন তিনি........ যখনই কিছু খেতে ইচ্ছে করে সোজা ভাবীর কাছে আবদার।

কানাডায় আসার পরই অনেকদিন পর সেই ছোটবেলার অভ্যেসটা আবার মনে পড়ে গেল। ছোটবেলায় যেকোন পূজা বা ঈদে আমাদের পাশের হিন্দু দিদিমার বাসায় খাবার আদান প্রদান হতো। গোঁড়া দিদিমা কখনই কোন মুসলিমের খাবার স্পর্শ করতো না কিন্তু কেন যেন শুধু আমার মায়ের রান্না খেতো। আর আমরাতো সারা বছরই অপেক্ষা করতাম কখন পূজা শুরু হবে আর মজার নাড়ু সন্দেশ পাবো....। কানাডায় আসার পর সে পুরোনো স্মৃতি আবার ফিরে আসলো নতুনভাবে। এখানে আমরা সবাই থাকি অনেক মিলেমিশে, নতুন কিছু বা ভালো কিছু রান্না করলে কখনই পাশের কাউকে না দিয়ে আমরা খাই না। যে কোন প্রয়োজনে বা যে কোন উৎসবে একে অপরকে সহযোগীতা করি আমরা প্রান খুলে। ঢাকায় বা অন্যান্য বড় শহরগুলোতে যা চিন্তা ও করি না, এখানে এসে অনায়াশে আপন হয়ে যাই আমরা। ঢাকার বাইরে অন্যান্য শহরগুলোতে হয়তো বা কিছু সম্পর্ক আছে প্রতিবেশীর সাথে কিন্তু ঢাকায়তো এখন পাশের বাসায় কে থাকে অনেক সময় আমরা তাও জানি না, সম্পর্ক তৈরী করাতো দূরে থাক।

আসলে এটা কানাডিয়ান ইমিগ্রান্ট কালচার... বারো দেশের প্রতিবেশী এবং বারো রকমের কালচার। কিন্তু মজার বিষয় সবাই সব কিছুই সহজে মেনে নেয় বা বলা যায় আনন্দ দু:খ ভাগ করে নেয় সহজেই। পহেলা বৈশাখ, ঈদ, পূজা, বড়দিন সবই আমরা একসাথে আনন্দ করি। ঘুরতে যাওয়া, সময় অসময়ে পিকনিক করা, একসাথে শপিং এ যাওয়া....... এক সাথে এভাবে আনন্দ করার আনন্দ এখানে এসেই পেয়েছি।

শুধু দেশি লোকজন নয় অন্য দেশের সবাই ও খুব আপন হয়ে যায় খুব সহজেই। আমার এক কাশ্মিরি প্রতিবেশী অাছে এমন কোন দিন নেই যে আমার খোঁজ নেয়নি। যেকোন প্রয়োজনে বা যেকোন অনুষ্ঠানে সবার আগে আমার পাশে থাকে। আমি রান্না কম জানি বলে দারুন সব কাশ্মিরি রান্না আমাকে খাওয়ায়। অনেক কাশ্মিরি গিফট পেয়েছি উনার থেকে ......। বাচ্চাদের নিয়ে কোন টেনশানই করতে হয় না, একটু আসতে দেরী হবে জাস্ট কাশ্মিরি ভাবীকে ফোন করে দেই, উনিই সব ব্যবস্থা করে রাখেন। এ সম্পর্কের কোন নেয়া দেয়া নেই, কোন হিসেব নিকেশ নেই।

প্রথম আসার পর একবার আমার মেয়ের জ্বর হলো, কি করবো কোথায় যাবো বুঝতে পারলাম না, কাউকেই চিনি না। বাঙ্গালী বলে শুধু লিফটে পরিচয় হয়েছিল এক চিটাগাং এর ভাবীর সাথে। তাকেই ফোন দিলাম। সাথে সাথে দৈাড়ে আসলো। উনার গাড়ি দিয়ে নিয়ে গেল আমার মেয়েকে হাসপাতালে। সারাক্ষনই পাশে ছিল। এতোটা ভালো মানুষের দেখা পেয়ে মনে হয়েছিল সাক্ষাৎ কোন দেবদূত।

তার উপর এখানে আছে মারাত্বক মুসলিম বন্ডিং। যা দেশে চিন্তাও করি না। সারা বিশ্বের মুসলিমরা এক কাতারে দাড়িঁয়ে নামাজ পরি, রোজা রাখি ঈদ পালন করি..... কে বাংলাদেশী, কে ভারতীয় বা কে আফ্রিকান তা নিয়ে ভাবি না। সবাই সবার বাসায় ইফতারের ট্রে নিয়ে হাজির হয় পরিচিত বা কোন অপরিচিতের বাসায়।

সবাই এখানে সবার প্রয়োজনে এগিয়ে আসে, সময় অসময়ে সাহায্যের হাত বাড়ায়। আর সে কারনেই আপনজনকে ছেড়ে ও আমরা এতােটা ভালোভাবে থাকতে পারি। আপনজন চেয়েও আত্বীয় থেকে অনাআত্বীয়ই আপন হয়ে যায় এখানে।

আপন ভালো তো সব ভালো.............সবাই ভালো থাকুন।

আগের পর্ব:
আমার নিকটতম প্রতিবেশীরা - পর্ব ৪

মন্তব্য ৭৭ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (৭৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:২৬

বোববুরগের বলেছেন: Didi your Canadian life sounds so much better than the American Life. I'm thinking of making the switch myself, maybe live in Vancouver or Toronto for a while.

১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:৪৮

সোহানী বলেছেন: প্রতিবেশী হিসেব করলে ইউএসএ অনেক জমজমাট। সেখানে প্রচুর বাংলাদেশী। যা এখানে খুব্ই কম। তবে চাকরী বা ব্যবসা ইউএসএ তে অনেক ভালো।

আসতে পারেন তবে Vancouver কস্টলি শহর Toronto এর তুলনায়। Toronto তে অনেক বেশী লোকবল কিন্তু Vancouver টুরিস্ট সিটি।

২| ১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:৩১

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি একা থাকেন??!!!
ভদ্র মহিলা কি কি রান্না করে দিয়ে যান? মানে মেন্যু কি?
দেশে মানুষ একজন আরেকজনের কোনো খোজ খবর নেয় না, কিন্তু বিদেশে সবাই সবার খোজ খবর রাখে।

১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:৫০

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহা....... খাবারের ম্যানু একেকদিন একেক রকম। বেকিং আইটেমই বেশী থাকে। চিকেন আমাদের মতো রান্না করে। তবে সব্জী ভিন্ন। ওরা কাসাবা বা কলার মতো একটা আইটেম খুব বেশী খায়, অনেকটা আধা পাকা কলার তরকারী রান্না করলে যা হয় আর কি.......

আর হাঁ, দেশে মানুষ একজন আরেকজনের কোনো খোজ খবর না নিলেও বিদেশে কিন্তু সবাই সবার খোজ খবর রাখে।

৩| ১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:৩৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আরেহ আপনার সিরিজ চলছে!!!! আর আমার খবর নেই!!!!

সো স্যাড!

এখন ব্যাকফুটে হাটতে হবে দেখছি ;)

দুটো কানাডিয়ান সিরিজ পেয়ে গেলাম পাশাপাশি :)

+++

১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:৫৬

সোহানী বলেছেন: আরে এ সিরিজ চলছে না, বলতে পারো থেকে চলছে। অনেক আগে শুরু করেছিলাম এবং এটি ছিল ড্রাফটে। কিন্তু সময় করে পারছিলাম না পোস্টটা দিতে। সবাই যেভাবে পোস্ট দেবার জন্য ধাক্কা দিচ্ছিল তাই একটু ঘষে মেজে দিলাম।..........

তোমার খবর কি???????

৪| ১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:৪১

কানিজ রিনা বলেছেন: তাহলে তো স্বর্গে আছো বলতে হয়, এত
হৃদ্বতা আমাদেশে নাই বিশেষ করে শহরে।
আসলে ধর্ম যত সবই মানবতা শিখায় কিন্তু
এখন ধর্ম নিয়েই বেশী হিংসা। তোমার ওখানে
এত সুন্দর পরিবেশের কথা শুনে অনেক
খুশি হলাম। শুভকামনা সব সময়।

১৬ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩০

সোহানী বলেছেন: হুম, এক প্রকার স্বর্গে আছি তা ঠিক তবে অনেক কিছুই দশে আছে যা এখানে নেই। তারপরও বলবো কম বেশী মিলিয়ে ভালো আছি্। হৃদ্বতা,সহযোগিতা, আনন্দ, দু:খ ভাগ করে নেয়ার মতো পরিবেশ আছে। তবে বলে নেই, সব এলাকা কিন্তু একই নয়। এটা নির্ভর করে কোন এলাকায় আছেন। শুধু সাদা এলাকায় থাকলে কিন্তু এ ধরনের হেল্প অসম্ভব উপরোন্ত পান থেকে চুন খসলেই ৯১১ এ কল..............

ভালো থাকেন রিনা আপু সবসময়.....

৫| ১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:৫১

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: ইস কি ভাল লাগলো! আপনারা এভাবে একে অপরের সাথে কত আন্তরিকতা, ভালবাসা, বিপদে আপদে একে অপরের প্রতি সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেন। আর ঢাকা শহরের মানুষগুলো এখন বড়ই যান্ত্রিক।আমার পাশের ফ্লাটের ভাইয়ের সাথে পরিচয় হয়েছে টানা ৩ বছর পর। সিঁড়িতে দেখা হলে জাস্ট হাই হ্যালো ছাড়া অন্যকোন কথা হয় না। রোজার মাসে শুধুমাত্র ফর্মালিটির খাতিরে আমরা একদিন ইফতারি দেই তারাও একদিন দেয়।

ছোট বেলায় একটা ছড়া শুনেছিলাম পুরোটা মনে নেই,দু লাইন লিখছি-

ইট পাথরের বাড়ি সেথা
ইট পাথরের ঘর
কেউ আসেনা কারো কাছে
সবাই যেন পর।

অনেক ভালোলাগা। লাইক ।

১৬ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৬

সোহানী বলেছেন: সত্যিই তাই। দেশে আমরা কেমন যেন যান্ত্রিক হয়ে যাচ্ছি। প্রাইভেসী নামক শব্দটা এতো বেশী আমাদের মগজে ঢুকে গেছে যে এটাকেই আধুনিকতা ভাবি। আর এখানে আসলে পরিবার পরিজন ছেড়ে থাকার কারনে আমরা অনেকটা না পাওয়ার থেকে পরকে আপন করে নেই। ঢাকায় থাকাকালীন একই ভাবে আমরাও চলতাম। খুব প্রয়োজন না হলে কারো সাথে কথা বলতাম না। কিন্তু এখানে বাংলা শব্দ কানে আসলেই এগিয়ে যেয়ে কথা বলি................

অনেক ভালো থাকেন তারেক ভাই।

৬| ১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:৫২

অনন্য দায়িত্বশীল আমি বলেছেন: ভালো একজন প্রতিবেশী পাওয়া অবশ্যই ভাগ্যের ব্যপার। আপনি ভাগ্যবতী। পরিশেষে একটি কথা ধর্ম মানুষকে মানুষ হতে শেখায় হিংস্র হতে শেখায় না। ধন্যবাদ।

১৬ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪১

সোহানী বলেছেন: আসলে সব সূত্রেই আমি ভাগ্যবতী। তবে সবাই ভালো প্রতিবেশী শুধু আপনাকে তার ভালোটুকু বের করে নিতে হবে........

আর কোন ধর্মই কখনই খারাপ কিছুই শেখায় না। ধর্মকে মিস ইউজ করি আমরা.....................

৭| ১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:৫৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার প্রতিবেশী ভাগ্য দেখছি সাংঘাতিক!!
অামাদের এখানে তো কেউ কারো খোজ রাখে না, রাস্তায় হাই পর্যন্তই দৌড়। ভাবছি কানাডাতে আপনার এলাকাতেই মাইগ্রেট করবো। কোন বাড়ী খালি হলে জানাবেন, প্লীজ! :)

১৬ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৪

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহাহা..... আসেন চলে আসেন। আপনি আসলে আমার আরেক বেলার খাবার জোগাড় হবে :):):):):):)

আসলে এটি এরিয়া বুঝে। আমি যে এলাকায় থাকি তা ইমিগ্রেন্ট এলাকা। শুধু সাদাদের এলাকায় গেলে আবার ভিন্ন চিত্র। তবে এটা মানি যে সম্পর্ক তৈরীটা নিজের উপর। আপনি যেভাবে গড়তে চাইবেন সেভাবেই তা গড়ে উঠবে।

৮| ১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:০৩

সোহাগ তানভীর সাকিব বলেছেন: এমন প্রতিবেশী-ই তো প্রয়োজন।

১৬ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৫

সোহানী বলেছেন: সত্যিই তাই :):):):)

৯| ১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:০৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: যাক একমাস তিন দিনের অপেক্ষার প্রহর ঘুচলো। এজন্য আপাকে ধন্যবাদ।
"দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়ানো মানে তোমার কোন স্ট্রেন্থ নেই।"...... চমৎকার মটিভেশনাল একটা স্পীচ!! এজন্যই তো আপনাকে আমার মেন্টর বলি।........

কেনিয়ান মহিলার সাথে দেখা হওয়া আর পরে ট্রে ভরে খাবার নিয়ে আসাটা শুনে সত্যি ভাল লাগলো। এটা লন্ডনে আমিও দেখেছি। আমার আপা সব সময় ভাল কিছু রান্না করলে নীচের ফ্লাটের ডিভোর্সী সাদা ব্রিটিশ টমাসকে দিতেন। খাবার পেয়ে সে কি পরিমান খুশি হতো বলে বুঝানো যাবে না।

আর আমরা দিনকে দিন আধুনিক হতে গিয়ে প্রতিবেশী, আত্মীয়তা কোন সম্পর্কের ধার ধারি না। অনেকটা এরোগেন্ট হয়ে উঠছি। তবে কেনিয়ান আন্টির 'হালাল' ডিশে কী ছিল তা লেখিকা চাইলে শেয়ার করতে পারতেন!! বড্ড জানতে ইচ্ছা করছে B-)

আর প্রতিবেশীর সাথে ভাল সম্পর্ক স্থাপনের জন্য নিজেও ভাল হতে হয়। সবার সাথে হাসি মুখে মিশতে হয়। অন্যের বিপদে এগিয়ে যেতে হয়। যতটুকু আপনাকে দেখেছি এ যোগ্যতা শতভাগ আছে নিশ্চিত!!

ও আরেকটি কথা, সব সময় টায়ার্ড হলে চলবে না। কেনিয়ান আন্টির বাসায়ও জীবনে অন্তত একবার হলেও ট্রে ভরে খাবার নিয়ে যেতে হবে B-)

বেশি কিছু লাগবে না, আমাদের কেকা আপার "নূডুলসের শরবত" ও "নূডলসের কোরমা" হলেই চলবে। B-) B-)


১৬ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১১

সোহানী বলেছেন: ও মাই গড আমার দিনের হিসেব ও আপনার কাছে আছে??????????? মেনি মেনি থ্যাংস............

হাহাহাহা আমাদের কেকা আপার "নূডুলসের শরবত" ও "নূডলসের কোরমা" পাঠালেতো সেই বেলায়ই সম্পর্কের ইতি ঘটবে B-) B-) । আরে সবসময় কি টায়ার্ড হলে চলে??? কিছুতো সময় সময় করতেই হয়!!!!!!!!!

আপনার আপার প্রতিবেশী ব্রিটিশ টমাস এর কথা শুনে ভালো লাগছে। আসলে সাদাদের সাথে আমাদের কমই খাবার আদান প্রদান করি এখানে। প্রথমত এরা কেন যেন নিজস্ব সার্কেল এর বাইরে মিশে না, তার উপর হাই হ্যালোর বাইরে খুব একটা কথা বলে না। আপনি নিশ্চয় কানাডিয়ান কালচার সম্পর্কে জানেন, তারা খুব একটা বাইরে মিশে না। এভাবে প্রতিবেশীর খোঁজ নেয়া আমাদের এশিয়ান কালচার, বিশেষ করে সাউথ এশিয়ান।

সত্যিই তাই, আমরা দিনকে দিন আধুনিক হতে গিয়ে প্রতিবেশী, আত্মীয়তা কোন সম্পর্কের ধার ধারি না। অনেকটা এরোগেন্ট হয়ে উঠছি। তার উপর এখন মোবাইল নেট ইউটিউব .......... এসব নিয়ে এতো বেশী বিজি থাকি যে কারো দিকে তাকানোর সময় কোথায়? এ্যারোগেন্ট আমরা নিজের অজান্তেই হয়ে যাই। আর নীতিবাক্য আমরা এখন শেখাই ও না আবার শেখাতে গেলে ও তার ধার ধারে না এ আধুনিক ছেলে পেলেগুলো। অথচ আমেরিকা কানাডা ইউরোপের প্রতিটি দেশেই শিশুদের ছোট থেকেই যেকোন ম্যানার্স নীতিকথা শুধু শেখানোই না বাস্তবেও দেখানো হয়। আর অথচ আমরা এমনই আধুনিক হয়ে গেছি যে এসবের ধার ধারি না...............

ওওওও কেনিয়ান আন্টি কি দেন তা কিন্তু উপরে বর্ননা করেছি। তবে উনার রান্না ভালো। এখানে এসে অনেক ধরনের ফুডই চেখে দেখার সুযোগ হয়েছে, তারপরও নিজের আলু ভর্তা ডাল ভাত এর সাথে কোন তুলনাই হয় না। সাথে যদি শুকনো মরিচ দেয়া হয় B-) B-)

১০| ১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:০৭

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: আপনার প্রতিবেশীদের নিয়ে লেখাটি অনেক ভাল লাগল।
আমাদের দেশে এখন সবাই একা থাকতেই পছন্দ করে।একে অপরের সাহায্য করা সবাই ঝামেলা মনে করে।
প্রতিবেশীর হক এখন আর কেউ পূরন করে না!

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:২১

সোহানী বলেছেন: কারন আধুনিকতার নামে আমরা দিন দিন বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছি। প্রতিবেশী নিয়ে মাথা ঘামানোর মতো সময় আমাদের হাতে নেই....

অনেক ভালো থাকেন সোহেল ভাই।

১১| ১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:২৫

মনিরা সুলতানা বলেছেন: চমৎকার !!!
আপু আপনার প্রতিবেশী ভাগ্য অনেক ভালো !!!
দারুন লেখা :)

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:২২

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মনিরা। তোমার প্রতিবেশীর মতো পিয়ানো তো শুনায় না...........:):)

১২| ১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:৩৫

ওমেরা বলেছেন: নিজ ভাল তো জগত ভাল এটাই সত্য কথা । যে যেমন সে তেমন প্রতিবেশীই পায় । ধন্যবাদ আপু।

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:২৩

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহা ঠিক ওমেরা ;) ................

১৩| ১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:৪০

মিথী_মারজান বলেছেন: বাহ্!
কি দারুণ সৌহার্দ্য - সম্প্রীতি।
এমন কিছু সম্পর্ক আসলেই জীবনটা একটু সহজ করে দেয়।

খুব ভালো লাগলো আপু।
সবসময় সুন্দর থাকুন।
শুভ কামনা।:)

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:২৫

সোহানী বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ মিথী।

সৌহার্দ্য - সম্প্রীতি সম্পর্ক সত্যিই জীবনটা সহজ করে দেয়। জীবনটা আননন্দে ভরে উঠে।

অনেক ভালো থাকেন।

১৪| ১৬ ই মে, ২০১৮ সকাল ১১:৪২

করুণাধারা বলেছেন: একসময় কিন্তু আমরাও এরকম ছিলাম, বাসায় কিছু ভাল রান্না হলেই প্রতিবেশীকে না দিয়ে খেতাম না। আর এখন!! একই বিল্ডিংয়ে বসবাসকারী একজন মারা যায় আর আমরা জানতেও পারি না। এই রমজান মাসে আগে একটা রেওয়াজ ছিল প্রতিবেশীকে ইফতার পাঠানো, এখন সেসব অতীত। খুব ভালো লাগলো সোহাগী, সুদূর প্রবাসে এমন আপন জন পাওয়া যায় জেনে।

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:২৮

সোহানী বলেছেন: আসলেই তাই, আগে রমজান বা যেকোন অনুষ্ঠানে পাশের বাসায় খাবার পাঠানোর রেওয়াজ ছিল। আর এখনতো সেসব অতীত।

এখানে আপু, আমার নিকট আত্বীয়ের অভাব, সবাই মোটামুটি একই মানসিকতার হবার কারনে খুব ভালো একটা বন্ধুত্ব হয়ে যায়।

অনেক ভালো থাকেন করুণাধারা ।

১৫| ১৬ ই মে, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৬

জাহিদ অনিক বলেছেন:

এমন প্রতিবেশী পেলে তো কথাই নেই; আহ এক দিন খাতির জমিয়ে নিতাম শুধু আর বাসায় রান্না করার ঝামেলায় যেতে হত না !
হাহাহা
যাইহোক, ৪নং টা পড়া ছিল না। ওটাও পড়ে নিচ্ছি।

ভালো থেকো আপু

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:৩১

সোহানী বলেছেন: আরে তুমি প্রোপিক কবে পাল্টালা!!!!!!! ধেৎ আগেরটাই ভালো ছিল.......... এখানে একেবারে কবি কবি লাগছে :D

হ্যা, আমি তোমার প্রতিবেশী হতে চাই। কারন তুমিও অনেক ভালো রান্না করো .............................হাহাহাহাহা আশে পাশে খালি হলে আওয়াজ দিও।

১৬| ১৬ ই মে, ২০১৮ বিকাল ৩:০৫

এমজেডএফ বলেছেন: "তবে আমার ভাগ্য অনেক ভালো কারন শুধু এ কেনিয়ান আন্টি না অনেকেই খাবার দিয়ে যায়। এখানে সবার প্রয়োজনে এগিয়ে আসে, সময় অসময়ে সাহায্যের হাত বাড়ায়। কিন্তু মজার বিষয় সবাই সব কিছুই সহজে মেনে নেয় বা বলা যায় আনন্দ দু:খ ভাগ করে নেয় সহজেই।"
আসলেই আপনি অনেক ভাগ্যবতী! অনেক প্রবাসীর গল্প শুনেছি, তবে আপনার মতো এত পজেটিভ গল্প শুনি নাই। প্রবাসে আমিও অনেকদিন ছিলাম। আমার অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ আপনার বিপরীত! যখন কোন ইমিগ্রেন্টের সামনে পড়েছি, তার মৌখিক ও শারীরিক ভাষার মর্মার্থ ছিল, "তুমিও এসেছো আমাদের আরাম-আয়াসে ভাগ বসাতে?" কারো কাছে থেকে কোনো বুদ্ধি-পরামর্শের জন্য গেলে প্রথমেই বলবে, কেন যে আপনারা সবকিছু না জেনে বিদেশে আসেন, এখনতো এখানে অবস্থা খুব খারাপ! আর যদি কোনো পরামর্শ পেয়েও থাকেন, তার জন্য মাঝে মাঝে ফোন করে সেই 'বড় ভাই"-কে সালাম দিতে হবে, না হয় খুব মাইন্ড করবে। বর্ণবাদীরা বড় জোড় আমাকে ঘৃণা করেছে, এর থেকে বেশি নয়। কিন্তু আমার স্বদেশি ও ইমিগ্রান্টরা ঈর্শ্বানীত হয়ে আমার ক্ষতি করার জন্য চেষ্টা করেছে অনবরত প্রতি মুহুর্তে। উপরের দিকে উঠার চেষ্টা করলে প্রবাসী ভাইয়েরা পা ধরে নিচের দিকে টানার চেষ্টা করেছে, একদল আরেক দলের পিছনে লেগেই আছে, কে কাকে লেং মারবে। যাই হোক ফিরিস্তি লম্বা করে লাভ নেই। ম্যাডাম আপনার এই সুখী অভিজ্ঞতা পড়ে আমি এখন আর কোন ইমিগ্রান্টকে দোষ দেই না, দোষ আমার কপালের। সবাই আপনার মতো চাঁদ কপাল নিয়ে জন্মায় না, অনেকে পোড়া কপাল নিয়েও জন্মায়। আপনার সুন্দর ও সর্বাঙ্গীন সুখী প্রবাস জীবন কামনা করছি। ভালো থাকুন, সুখে থাকুন।

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:০২

সোহানী বলেছেন: আপনি কি জানেন কানাডায় কত ধরনের দেশীয় দল বা সংগঠন আছে!!! রাজনৈতিক সংগঠন এর কথা বাদ দেন। এ স্বল্প পরিসরে সবাই নেতা হতে চায়। বড়জোর লোকাল পত্রিকায় নিজের ছবি ছাপানো বা অমুক সংগঠনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে কার্ড বিতরন... এর বাইরে এর কোন প্রভাব নেই। তারপর ও হাজারটা সংগঠন, সবাই এখানে এসে নেতা হতে চায়। আপনি যদি এর মধ্যে ঢুকতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে পলিটিকসে্ আসতে হবে, লড়াই করতে হবে, অন্যকে পা ধরে নামাতে হবে..........। আর এসব বাদ দিয়ে নিজের মতো করে শান্তিতে থাকতে চাইলে কেউই আপনাকে বাধা দিবে না। আমার টার্গেট দ্বিতীয়টা। আমি ঢাকা ইউনভার্সিটির ছাত্রী। আমার ডিপার্টমেন্ট, ইউনভার্সিটি থেকে শুরু করে এলাকা, সাবজেক্ট সব কিছুতেই দল আছে। ওরা বার বার আমাকে আসতে বলে, ওদের সাথে যোগ দিতে বলে। অমি সবিনয়ে প্রত্যাখান করি। কারন এসব দলাদলিতে আমি যেতে চাই না। দরকার নেই আমার নেতা হবার। আসলে আমার চাহিদা খুব কম,আমি অল্পতেই সুখী। কারো ব্যাক্তিগত বিষয়ে নাক না গলিয়ে, পরচর্চা না করে যদি থাকা যায় তাহলে আমার বিশ্বাস কেউই আপনাকে ও ঘাটবে না। তাই এটা চাঁদ কপাল বা পোড়া কপালের বিষয় নয় কিছুতেই, এটি একান্ত নিজস্ব বিষয়।

অনেক ভালো থাকুন এমজেডএফ, আপনাকে আগে দেখিনি আমার ব্লগে। স্বাগতম!

১৭| ১৬ ই মে, ২০১৮ বিকাল ৪:১০

চাঁদগাজী বলেছেন:


বিশ্বের সব সাধারণ মানুষ আসলেই অসাধারণ

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:০৭

সোহানী বলেছেন: ড: জেকিলের গল্প আপনার নিশ্চয় জানা গাজী ভাই। একটি মানুষের দ্বৈত স্বত্বা, একটি ভালো একটি মন্দ। কোনটার আধিক্য বেশী তার উপর নির্ভর করে আপনি লোকটি কেমন। তেমনি আপনি কোন স্বত্বাটিকে বের করে আনতে পারছেন তা নির্ভর করে আপনার উপর। যেমন একজন হিংস্র কিলার আবার নিজের জীবনের বিনিময়েও কাউকে বাচাঁয়। কারন তার ভালো স্বত্বাটি কখনো কখনো জেগে উঠে বা বলা যায় জাগানো হয়।

যাহোক, বিশ্বের সব সাধারণ মানুষ আসলেই অসাধারণ শুধু সে অসাধারিত্তিা বের করে আনতে হবে।

অনেক ভালো থাকুন।

১৮| ১৬ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০০

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: হাহাহাহাহা....... খাবারের ম্যানু একেকদিন একেক রকম। বেকিং আইটেমই বেশী থাকে। চিকেন আমাদের মতো রান্না করে। তবে সব্জী ভিন্ন। ওরা কাসাবা বা কলার মতো একটা আইটেম খুব বেশী খায়, অনেকটা আধা পাকা কলার তরকারী রান্না করলে যা হয় আর কি.......

আর হাঁ, দেশে মানুষ একজন আরেকজনের কোনো খোজ খবর না নিলেও বিদেশে কিন্তু সবাই সবার খোজ খবর রাখে।


ধন্যবাদ মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার জন্য।

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:০৮

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রাজীব ভাই। ভাবী সহ পিচ্চিটা ভালো আছে?

১৯| ১৬ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৫

উম্মে সায়মা বলেছেন: এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ পেলে প্রবাস জীবন অনেকটাই সহজ হয়ে যায়! সেদিক দিয়ে আপনি খুব ভালো আছেন বলতে হয় আপু!

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:১০

সোহানী বলেছেন: সত্যিই তাই সায়মা এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ পেলে প্রবাস জীবন অনেকটাই সহজ হয়ে যায়..............। আর আমি কিন্তু সবখানে সব পরিবেশেই ভালো থাকি।

২০| ১৬ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৫

জুন বলেছেন: সোহানী আপনার মতই আনন্দোচ্ছল আপনার লেখাগুলো । আপনার লেখা পড়ে আমার মনে হয় ইদানীং আমাদের দেশের মানুষরা ইদানীং নিজ নিজ কমফোর্ট জোনে থাকতে ভালোবাসে তাদের মন মানসিকতার সাথে মিলে এমনি আত্মীয় বা বন্ধুবান্ধব নিয়ে । এখন যোগাযোগ সহজ হয়েছে , ইচ্ছে করলেই আপনি তাদের কাছে যেতে পারেন বা তারা আসতে পারে । আগের দিনে এগুলো সম্ভব ছিলনা বলেই আমরা প্রতিবেশীদের সাথে জড়িয়ে থাকতাম । সোহানী এটা আমার ধারনামাত্র কোন কনক্লুসন নয় । তাছাড়া এখন মানুষের মন ও বৈচিত্রময় । আমি হয়তো পছন্দ করি বই নিয়ে আলোচনা করতে , প্রতিবেশি লাইক করে হিন্দী সিরিয়াল ও তাদের পোশাক আশাক নিয়ে, এসব বিভক্তি আগে আমাদের সমাজে ছিল না । তার উপর আছে ছেলে মেয়ে নিয়ে প্রতিযোগীতা । আগের মত খোলা মন নিয়ে মিশতে সমস্যা । আপনি হয়তো খোলা মনেই পাশের বাড়ী গেলেন উনি ভাববেন আপনার হয়তো কোন উদ্দেশ্য আছে । অথবা দশ বার শোনাবে উনি কত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন , যার তার বাসায় যাননা বা তাদের বাসায় খান না। এখন আপনার বাসা যতই ফিটফাট হোক এরপর আপনি সেখানে যেতে নিশ্চয় সংকোচ বোধ করবেন ( নিজের অভিজ্ঞতা) যা আগে সহজ সরল মানুষের মধ্যে ছিল না। আর বিদেশে এটা হয় কারন সেখানে তাদের আত্মীয় বন্ধুরা নেই , প্রতিবেশী তাদের ভরসার স্থল। বিপদে আপদে তারাই এগিয়ে আসে।
আমার দেবর আমেরিকার এক নামকরা ইউনির প্রফেসর , তারা কোন এপার্ট্মেন্টে থাকে না। বিশাল বিশাল এলাকা নিয়ে ইন্ডিভিজুয়াল বাড়ী । আমার জা তার এক ছেলেকে নিয়ে ঢাকা আসলো , আমার দেবর ও তার দুই সন্তানকে নিয়মিত খাবার সরবরাহ করলো প্রতিবেশীরা গাড়ী চালিয়ে এসে। যদিও তারা রাধতে পারে তারপর ও ।
তারপর ও সবার কিছু কিছু মন্তব্যে বুঝলাম আপনি বড় ভাগ্যবতী । আমিও মোটামুটি এগিয়ে আছি এই ব্যাপারে ;)
+

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:২৬

সোহানী বলেছেন: আপনার সাথে কোনভাবেই দ্বিমত করর সুযোগ নেই। তারপর ও উপরে এমজেডএফ ও গাজি ভাইকে দেয়া উত্তরে আমি বলেছি।

আপনার প্রতিবেশীর মানসিকতা, ভালোলাগা, চাওয়া পাওয়া কোনটাই আপনার সাথে মিলবে না। এখন কথাহেলো আমার এখানে কি ব্যাতিক্রম? না, ব্যাতিক্রম নয়। এ ধরনের মানসিকতার প্রতিবেশীই কমন, সবাই নিজে শ্রেষ্ঠ হতে চায়.... নিজেই যে সেরা তার দলিল দস্তাবেজ দেখাতে চায়। আসলে আমি সবিনয়ে এ ধরনের মানসিকতাকে এড়িয়ে চলি। না কোন ঝগড়া নয়, মনোমালিন্য নয়... তাদের সাথে হাই হ্যালো সম্পর্ক শুধু। কেউ পরচর্চা করতে চাইলে স্পষ্ট বিরক্ত হই বা গুড়ুত্ব দেই না, যার কারনে কেউই আমার সাথে পরচর্চা করে না। আমি শুধু মানুষের ভালো স্বত্তাকে খুঁজে বেড়াই। কিন্তু যখন দেখি কোনভাবেই তার ভালো স্বত্তাকে খুঁজে পাচ্ছি না তাহলে তাকে সরাসরি ইগনোর করি। হাঁ, আমি নিজেকে কখনই শ্রেষ্ঠ দাবী করি না.... আমি ভাবি আমি এতো বেশী সাধারন যে কারো সাথে মিশতে আমার জাতপাত লাগে না।নিজে যদি কখনো উচুঁ তলায় পৈাছাতে পারি তাহলে হয়তো তখন ভাব নিবো.........হাহাহাহাহা

অনেক দন্যবাদ আপু শেয়ারিং এর জন্য।

২১| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:০৫

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন: কনেডি তে(কানাডা) গেলে সবার মন তুষারে মত সাদা হয়ে যায় নাকি??:P

@"কে বাংলাদেশী, কে ভারতীয় বা কে আফ্রিকান তা নিয়ে ভাবি না"
---- আহা! পৃথিবীর সব মানুষ যদি এমন করে ভাবতো????:(


কনেডিয়ান আপা!
আপনার সাথে রাজনীতি নিয়ে আড্ডা দিব!!!;)

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:২৭

সোহানী বলেছেন: সরি ভাই, রাজনীতি নিয়ে আড্ডা দিতে চাই না। অন্য কোন বিষয় হলে আমি আছি।

২২| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:৩৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোহানী ,




আপনি ভাগ্যবতী সন্দেহ নেই ।
কেন আমাদের দেশে আমরা প্রতিবেশীদের খোঁজ রাখিনে , কেনই বা পাশের বাসায় কে থাকেন জানিনে সেটুকু পর্যন্ত, তা মনে হয় সহ-ব্লগার জুন এর মন্তব্যে ফুটে উঠেছে । আর বিদেশ-বিভূঁয়ে মানুষ যে কেন এতো কাছাকাছি এসে যায় , তা ও বলেছেন তিনি । যদিও তিনি বলেছেন , এটা কনক্লুসিভ কিছু নয় । কিন্তু আমার তো মনে হয় এটা অনেকটাই কনক্লুসিভ ।

এবার আপনাকে নিয়ে পড়া যাক ------ প্রতিবেশীরা যদি সব কিছু রান্না করে আপনাকে দিয়েই যায় তবে আর তো আপনার রান্না করার দরকার পড়েনা । রান্না রান্না প্রাকটিসের ঝামেলাও নেই । এখন বোঝা গেলো আপনার রান্না ভাত "জাউ" হয়ে যায় কেন ! B-) =p~
ভাত রাঁধা কিন্তু খুব সোজা । চুলোয় হাড়ি চড়িয়ে পানি গরম করবেন , তারপর সেখানে চাল ঢেলে দেবেন । চাল ফুটে ভাত হলে নামিয়ে নেবেন এবং পানি ঝড়িয়ে ফেলবেন । ব্যস........ এরপর গরম গরম পরিবেশন করবেন । :( :P :-*

এরপরেও ভাতে সমস্যা হলে ব্লগ-প্রতিবেশীদের দরজার কড়া নাড়াতে ভুলবেন না । :#) :-P

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:৩৭

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহা ভাত এখন ভালোই রাঁধি, জাউ হয় না যদি না ভাত বসিয়ে ব্লগে ঢুকি............। এমন কি প্রেসার কুকার ছাড়াই ভালো রান্না করি। তাই আপাতত: ব্লগ-প্রতিবেশীদের দরজার কড়া নাড়াতে হবে না :#):#):#).........। তবে অন্য কিছু রাঁধতে হলে কড়া নাড়া ছাড়া উপায় নেই।

তবে বিষয়টি যত সহজে আমিও ভেবেছিলাম বাস্তবে তা না। এই যে চাল কখন ফুটলো, মার ঝড়াতে যেয়ে হাতে গরম ভাত ও মার ফেলে দেয়া........ হাজারটা ক্যালকুলেশান। আপনি রেধেঁছেন বলেতো মনে হয় না, তাহলে আপনি ও আমার মতো ব্লগে সাহায্য প্রার্থনা করতেন.......হাহাহাহা।

আমি কিন্তু অনেক মন্তব্যেই ডিটেইলস উত্তর দিয়েছি। আপনি কিভাবে কাউকে আলিঙ্গন করবেন তার উপর ডিপেন্ড করে সে আপনাকে কিভাবে নেবে........... থাক এতো কঠিন প্যাচাল উত্তর না দেয়াই ভালো। কারন আপনার বুদ্ধি আমার চেয়ে কোটি গুন ভালো B-)B-)B-)B-)B-)

২৩| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:৩৬

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: মানুষের মনস্তাত্ত্বিক কারণেই যে যেখানে সংখ্যালঘু সে সেখানে এ ধরণের বন্ডিং-এ আপনা আপনি আটকা পড়ে যায়। এটা জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের ক্ষেত্রেই কমবেশি প্রযোজ্য।

আপনার প্রতিবেশিদের সহযোগিতাপূর্ণ আচরণের বর্ণনা পড়ে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ বোন সোহানী।

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:৪১

সোহানী বলেছেন: অনেকটাই তাই। এখানে সবারই উদ্দেশ্য প্রায় অভিন্ন। সে কারনে সহজেই সকলে মিশে যায়। তার উপর সবাই বলতে গেলে হাইলি এডুকেটেড। সবাই দেশে ভালো পজিশান থেকেই এসেছেন। তাই মনমানসিকতা অকেটা অভিন্ন।

অকেদিন পর আপনাকে পেয়ে ভালো লাগছে।

২৪| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:০৭

প্রামানিক বলেছেন: আপনার কাহিনী পড়ে বাস্তব কিছ দৃশ্য চোখে ভেসে উঠল, ঢাকা শহরেও স্থানীয়দের সাথে ভাড়েটেদের যত না মিল হয় তার চেয়ে ভাড়াটে ভাড়াটের মধ্যে মিল হয় বেশি, কারণ সংখ্যা লঘু হওয়ার কারণে। কেনিয়া, কাশ্মির, ভারত, চিটাগাংয়ের তারা যদি কানাডার সংখ্যা লঘু না হতো তা হলে এত মিলমহব্বত হতো না।

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:৫৪

সোহানী বলেছেন: অনেকাংশে সত্যি। তবে এখানকার সবাই শিক্ষিত তাই অনেক কিছুই সহজ হয়ে যায়। সবাই প্রায় একই ন্যাচারের, কম বা বেশী।

অনেক ভালো থাকেন প্রামানিক ভাই।

২৫| ১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:১৭

মোহেবুল্লাহ অয়ন বলেছেন: কানাডার প্রশংসা বেশি করবেন না এই ব্লগে। তাহলে স্পেশাল দুইজন ব্লগার আপনাকে সংখ্যালঘু,ভাতা খাওয়া মহিলা ইত্যাদি ছাড়াও অন্য কোন ট্যাগে ভূষিত করবে। :P

১৬ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:৫৮

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহা..... এই আসলো বলে। আমি এসব গা করি না কারন যে যেমন পরিবার বা পরিবেশ থেকে আসছে সে তেমনই আচরন করবে। আর তারা শুধু টিনের চশমা নয় কানে ও সিমেন্ট দিয়ে রেখেছে তাই তাদেরকে কিছু বলা বোকামী।

অনেক ভালো থাকেন অয়ন।

২৬| ১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ১২:৪৫

সুমন কর বলেছেন: আপনি তাহলে অনেক লাকি.........

লেখাটি পড়ে ভালো লাগল। সব জায়গায় যদি এমনটি হতো....!!

১৭ ই মে, ২০১৮ ভোর ৬:৪০

সোহানী বলেছেন: হুম আমি যে লাকি তা আমি বরাবরেই স্বীকার করি। তবে পরিবেশকে জয় করতে আমি পছন্দ করি সেটা যতই প্রতিকূল পরিবেশ হোক না কেন।

অনেক অনেক ধন্যবাদ সুমন।

২৭| ১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ১:১৫

নিওফাইট নিটোল বলেছেন: প্রবাস ব্লগগুলো এত পছন্দ করি- কিন্তু কীভাবে কীভাবে যেন আপনি চোখের আড়াল ছিলেন.........শিট, আফসোস হচ্ছে এখন......প্রথম পড়ছি সম্ভবত আপনার লেখা- স্পেশালি বৈদেশকথন.......কতকিছু না জানি পড়ার বাকি আমার.......কেন আগে চোখে পড়লেন না এইজন্য লাইকের পাশাপাশি তেব্র পর্তিবাদ /:)

ওদেরকে স্কুল থেকেই শিক্ষা দেয় হেলান দিয়ে দাড়ানো মানে তোমার কোন স্ট্রেংথ নেই
সেকি! আমিতো মুভিতে অহরহ এরকম কেইস দেখি- হোক টিনেজ বা এডাল্ট.......তাহলে কী স্ক্রিপ্ট রাইটার বেটা অভদ্র নাকি? :P

ঢাকায় বা অন্যান্য বড় শহরগুলোতে যা চিন্তা ও করি না, এখানে এসে অনায়াশে আপন হয়ে যাই আমরা
প্রবাসে আপন হওয়া সহজ, স্বদেশে না......এটা তিতা সত্যি আসলে- সংখ্যালঘুরা ক্ষেত্রভেদে বন্ডিং তৈরি করেই ফেলে.....আর স্বার্থ মোটামুটি অভিন্ন হলেতো কথাই নেই- সমমনা কালচারের বিশাল কমিউনিটি হয়েই যায়। তবে কি আপনার সাদা ফ্রেন্ড বেশ কম নাকি? ওরা আমাদের মত আবেগী/ঘনিষ্ঠ না হলেও যথেষ্ট জেন্টেল ;)

তার উপর এখানে আছে মারাত্বক মুসলিম বন্ডিং
ধর্মীয় চেতনা থাকাতো ভালো/দরকারী.....কিন্তু কারো কারো চেতনা দেশে নিস্তেজ থাকলেও বিদেশে গিয়েই দেখি দারুন সজাগ হয়ে যায়- ক্ষেত্রবিশেষে চেতনা রীতিমতো চুলকানিতে পরিণত হয়......তখন আবার এরকম স্বদেশীকে কি দূরদেশী মনে হয় না? :(

আর ঢাকার কথা বললেনতো? ওটা এখন মফস্বলেও ঢুকে গেছে.......ছোটবেলায় দেখতাম এক পাড়ার ভাবী অন্য পাড়া পর্যন্ত বেড়াতে যেত......পাশের বাসার বৌদির নাড়ি-নক্ষত্রও মার রোজকার গল্পের ছোট অংশ হয়ে থাকত.......আর বড়বেলায় দেখি যে ১০ বছর পাশাপাশি থেকেও পাশের ফ্ল্যাটের ড্রয়িংরুম দেখার সৌভাগ্যও কারো হয় না- সুখ-দু:খের কথাতো 'বহত দূর কি বাত' |-) .......খুবই দু:খ লাগে গতিময় জীবনের আত্মকেন্দ্রিকতা দেখলে!!

মনে হয় আপনার ব্লগে আমার অভিষেক হল আজ- আশাকরি নিয়মিত থাকব......স্বদেশের বৈশাখী বৃষ্টিস্নাত হাসনাহেনার সুবাসিত শুভেচ্ছা থাকল পোষ্টে :)

***************************************
মারাত্বক -< মারাত্মক; অনাআত্মীয় -< অনাত্মীয়

ছোটখাট কিছু স/শ, র/ড় জাতীয় ভুল থাকলেও আশাকরি ঠিক হয়ে যাবে পরের যেকোন লেখায়- না হলে কিন্তু বিপদ আছে......আমি একটু ছিদ্রান্বেষী- স্টকারের মতো লেগে থাকব- এই স্টকিংটা আবার জায়েজ =p~

আর কনভার্সেশনগুলো ভাল হয় নতুন লাইনে লিখলে- যেমনটা মাঝে একবার লিখেছেন- জাতির বুঝতে সুবিধা হয় আরকি :P ......আর প্যারায় লিখলেও ভেঙে লিখতে পারেন- তাহলে জাতি আর ঘ্যানঘ্যান করবে না :D



১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ৭:০১

সোহানী বলেছেন: সুস্বাগতম। তবে আপনি আমার ব্লগে আগে এসেছেন বলেই মনে হচ্ছে হয়তো প্রবাসী কোন লিখায় নয় সাধারন কোন লিখায়। কারন আমার ব্লগ বয়স দশ বছরের বেশী :D

শেষের থেকে আসি........ বানান!!........... এই বেলা মাপ করেন। আমার বাংলা লিখাই কষ্টকর সেখানে শুদ্ধ বানান স্বপ্ন। কারন এখনো কিবোর্ড যেমন রপ্ত হয়নি তেমন যুক্তাক্ষর এ কোন কোন বর্ণ যুক্ত হয় তাও ঠিকভাবে জানি না। তাই আপনার বানান শুদ্ধি অভিযান মাথা পেতে নেব।

হেলান দিয়ে দাড়ানো: হাঁ বাচ্চাদের অনেক কিছুই শেখানো হয় এখানে যা তার পরবর্তী জীবনে কাজে লাগবে। আর মুভির ব্যাপারটি সম্পূর্ন ভিন্ন। সেটা আসে কাহিনী বা চরিত্রের প্রয়োজনে। একটির সাথে আরেকটির মিলালে চলবে না।

ঢাকায় বা অন্যান্য বড় শহর: এটা আমি অন্যান্য মন্তব্যে ও বলেছি। আপনার কথারই সমর্থন জানাই। তবে সংখ্যালঘু থেকেও বড় কথা আমাদের সকলেরই উদ্দেশ্য অভিন্ন। তাই আত্মীয় পরিজনহীন জীবনে ওরাই সবচেয়ে আপন হয়ে উঠে। আর সাদাদের সাথে কালচার বা অনেক কিছুতে পার্থক্য থাকার কারনে পরিবার সহ মেশা হয় না। কিন্তু আমার এখানের সবচেয়ে কাছের তিনজন ফ্রেন্ডই সাদা। ওরা যে কিভাবে আমাকে হেল্প করে তা অবিশ্বাস্য। অন্য আরেকটি লিখায় তা বলেছি।

মুসলিম বন্ডিং: ''কারো কারো চেতনা দেশে নিস্তেজ থাকলেও বিদেশে গিয়েই দেখি দারুন সজাগ হয়ে যায়- ক্ষেত্রবিশেষে চেতনা রীতিমতো চুলকানিতে পরিণত হয়......তখন আবার এরকম স্বদেশীকে কি দূরদেশী মনে হয় না?'' ..... হাঁ সহমত। আর এ কারনেই বিভিন্ন জঙ্গী গ্রুপ গড়ে উঠে। এবং এটাও সত্য যে দেশে হালাল হারাম নিয়ে চিন্তা না করলেও এখানে এক গ্রুপ হালাল হালাল বলতে বলতে অজ্ঞান হয়ে যায়। তাদের বাড়াবাড়ি বেশী রকম বাড়াবাড়িই মনে হয়। তবে এখানে স্বাধীনতা, আপনি চাইলে এ গ্রুপে ঢুকতে পারে না চাইলে এভোয়েড করতে পারেন। কেউই জোর করবে না।

অার হাঁ, গতিময় জীবনের আত্মকেন্দ্রিকতা ঢাকা শহর ছেড়ে এখন অলিতে গলিতে ঢুকে পড়েছে.........


অনেক অনেক ভালো থাকেন........ অপেক্ষায় থাকলাম আবার আসার।

১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ৭:০৫

সোহানী বলেছেন: আর হাঁ আপনার মন্তব্যের ঘরের আগের মন্তব্য আমার আরেকটি লিখায় করা। তাই আপনি আমার ব্লগে প্রথম নন...:D

২৮| ১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ৭:১১

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: আগের পর্বগুলো পড়া হয়নি, তবে এই পর্ব পড়ে খুবই ভালো লাগছে প্রবাসে প্রতিটা মানুষ হেল্পফুল দেখে। আমার মনে হয় এই মানুষগুলোই বাংলাদেশে আসলে এমন ভাবে চলাটা ভুলে যাবে। (মানে ওখানে যারা বাঙালী আছে তাদের কথাই আমি বলছি)

১৭ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১২

সোহানী বলেছেন: আসলে দেশে সতের রকমের মানুষ এক সাথে বাস করে সাথে ধান্ধা ও ভিন্ন। কিন্তু এখানে সবারই উদ্দেশ্য এক এবং সবাই অনেক ভালো পজিশান থেকেই বাংলাদেশ থেকে আসে তাই মানসিকতা প্রায় একই রকম।

তাই ওরা বাংলাদেশে গেলে সেই সতের রকমের মানুষ এর সাথে বাস করে বলে তাদেরকে খুজেঁ পাবেন না।

২৯| ১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:১৫

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রাজীব ভাই। ভাবী সহ পিচ্চিটা ভালো আছে?

ভাবী ভালো আছে। তয় মহা ব্যস্ত। কি নিয়ে ব্যস্ত আমি জানি না।
বাচ্চা সেই রকম আছে। স্কুল রমজানের বন্ধ। সে এখনব ওয়াটার কালার দিয়ে সারাদিন কি কি যেন আঁকে । আমি সন্ধায় বাসায় ফিরলে আমাকে তার আঁকা দেখায়।

১৭ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২১

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহা...... ভাবী কি নিয়ে ব্যাস্ত তা জানেন না!!!!!!!!! ভাবী কি মাইন্ড করছে না আপনি উনাকে হেল্প করছেন না বলে???

বাচ্চাদের এ সময়টা দারুন এনজয়েবল। আপনার মেয়ের সমান আমার ও একটি মেয়ে আছে। সে ও সারাদিন আকাঁ আকিঁ করে এবং মোটামুটি আমাকেই আকেঁ ...... । আমার খুব ভালো লাগে। মেয়েকে প্রচুর গল্পের বই কিনে দেন কারন দেশেতো লাইব্রেরী সিস্টেম নেই। এখানে আমার মেয়ে প্রতিদিন স্কুল থেকে একটা করে লাইব্রেরী বুক আনে। প্রথম প্রথম আমি পড়ে দিতাম কিন্তু এখন মাত্র ৬ বছর সে যেকোন বই পড়তে পারে। এখানে এসব বইগুলো স্কুল থেকে বাছাঁই করে দেয়, যেমন ম্যানার্স নিয়ে, ভালো বিহেব নিয়ে, হেল্প করা নিয়ে। অসাধারন.... গল্পের ছলে দারুন মেসেজ দেয় ওদের যা ছোট বয়সেই মগজে ঢুকে যায়। কোন একদিন ওদের পড়ানোর স্টাইলটা নিয়ে আসবো। অসাধারন।

ওদেরকে ক্লাসে খুব একটা পড়ায় না, সারাদিন বনে বাদাড়ে ঘুরে বেড়ায়। কিন্তু আমার মেয়ে এ ৬ বয়সেই ১১ ঘরের পর্যন্ত নামতা মুখস্ত বলতে পারে, যোগ বিয়োগ গুন ভাগ অনায়েশে করতে পারে, যেকোন বিষয় নিয়ে প্যারার পর প্যারা লিখতে পারে। আমি খুব অবাক হই, ও শিখলো কিভাবে!!!!!!!

৩০| ১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১১:০১

কামরুননাহার কলি বলেছেন: ইস আপি এখন তো আমার খবুই হিংসে হচ্ছে যে ওখানকার মানুষেরা কত ভালো। আর এখানে কেউ কারো ধারধারেই নাই। আর এখন তো ডিজিটাল হয়ে গেছে দেশ। তাই সবার হাতে প্রযুক্তি এসে আপন জনদেরকেও ভুলে যায়।

১৭ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৪

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহা....... শোন কলি, তোমাকে চুপি চুপি বলি। সবখানেই কিছু না কিছু ঝামেলার মানুষ থাকেই। তুমি কিভাবে তার সাথে মিশবা সেটা তোমার উপর। আর দেশে সমস্যা হলো সব কিছু নিয়ে এতো অস্থিরতা, অনিশ্চয়তা, অবিশ্বাস ........ তাই পাশের বাসার কাউকে বিশ্বাস করা ও কষ্টকর। এখানে তা নেই। আইন এতো কড়া যে কেউ উল্টাপাল্টা করার কথা চিন্তা ও করে না। সবাই ভালো না হয়ে যাবে কই........হাহাহাহাহা

৩১| ১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১১:২৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন:
শুধু দেশি লোকজন নয় অন্য দেশের সবাই ও খুব আপন হয়ে যায় খুব সহজেই। কারন তারা এক পয়েন্টে এসে সবাই এক 'প্রবাসী'।

১৭ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৬

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহা....... এটাই মূলমন্ত্র লিটন ভাই। তবে এর সাথে অনেক কিছু কিন্তু আছে যা প্রায় প্রতিটি মন্তব্যে বলেছি। যাহোক, সুখে দুখে মিলিয়ে আমরা অনেক ভালো আছি............

৩২| ১৭ ই মে, ২০১৮ দুপুর ১:৩৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: প্রতিবেশিদের নিয়ে সুখেই আছে।

ছবিটা সেই কথাই বলে।

দারুণ হয়েছে এ পর্বটা।

১৭ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৭

সোহানী বলেছেন: হাহাহা... সত্যিই তাই। তবে সুখ না খুজেঁ উপায় কি!!!! শুধু শুধু দু:খ খোজাঁর মাঝে আমি কোন কারন খুজেঁ পাই না। এটা একটা বোকামী।

৩৩| ১৭ ই মে, ২০১৮ বিকাল ৪:১৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: আপনার কাছে আমি কিছু পরামর্শ চাই। কিন্তু বলতে সাহস পাচ্ছি না।

১৭ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩১

সোহানী বলেছেন: কোন সমস্যা নেই সাজ্জাদ ভাই। আমি সাধ্যমত চেস্টা করবো। আমাকে ফেইসবুকে খুঁজে পাবেন সোহানী সোহানী নামে। তবে উত্তর দিতে দেরী হলে রাগ হবেন না কারন আমি ফেইসবুক কম খুলি। তারপর ও ব্লগে মেসেজ দিয়ে রাখলে অামি খুলবো।

৩৪| ১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:৩৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোহানী ,




আবার আসতেই হলো । বলেছেন - আপনি রেধেঁছেন বলেতো মনে হয় না, তাহলে আপনি ও আমার মতো ব্লগে সাহায্য প্রার্থনা করতেন.......হাহাহাহা।
কেন ...কেন...কেন... এমন মনে হলো ? ভাত রান্নার যে রেসিপি দিলুম তাতেও কি মনে হয়না , আমি ভাত রাধঁতে জানি ? :(
এরপরে ডিম ভাজার রেসিপি দিলে কি স্বীকার করবেন যে , আমি রাধঁতে জানি ? ;)
এই ব্লগেই আমার শরবতে শাহী বানানোর রেসিপিও দেয়া আছে । :P

ঢেঁড়শ কেটে কমপক্ষে কতবার ধুঁয়ে ভাজি করতে হয় জানেন ? :-* আন্ডা পোঁচ করতে পিয়াজ মরিচ লাগে কয়টা ? :) মরিচ ভর্তায় চিনি দেবেন কতো চামচ ????? :|

এরপরেও কি বলবেন আমি রাধঁতে জানিনা .... :(( :(( :((

১৮ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২২

সোহানী বলেছেন: জী ভাইজান, এমন মনে হবার কারন আপনি যদি সত্যিই ভাত রান্না করতেন তাহলে অবশ্যই এর কঠিন দিকগুলো উল্লেখ করতেন, এটাই সবচেয়ে কঠিন কাজ। আমি যতদিন পর্যন্ত রাধিনি ততদিন পর্যন্ত টের পাইনি এটা কেমন কঠিন কাজ। এই যেমন ভাত হতে হবে ঝরঝরা, জাউ ও হবে না চাল ও থাকবে না। প্রাকটিকেলি না করলে এটার সঠিক ডাইমেনশানটা জানা সহজ নয়। তারপর ধরেন মার যখন ঝড়াবেন একটুখানি গরম মার বা ভাত হাতে পড়বে না। কিভাবে সম্ভব এ অসাধ্য সাধন!!!! নাহ্ পারলেন না তো.........

তারপর ধরেন যেমন, আন্ডা পোঁচ করতে আপনি পিয়াজ মরিচ খোজাঁখুজিঁ করছেন ;) ;) ;) ;) । পাঠক আপনাকে সত্যিই এবার কেকা আপার রান্না ঘরে ঢুকাবে, আমি নিশ্চিত।

আরো আছে.... জাহিদ অনিকের রান্নার সেই মন্ত্র জানেন??? জানেন না তো......... তাহলে প্রমানিত আপনি রান্না আসলেই করতে জানেন না। :(( :(( :((:(( :(( :((:(( :(( :((:(( :(( :((

৩৫| ১৮ ই মে, ২০১৮ রাত ১২:৪০

জাহিদ অনিক বলেছেন:


লেখক বলেছেন: আরে তুমি প্রোপিক কবে পাল্টালা!!!!!!! ধেৎ আগেরটাই ভালো ছিল.......... এখানে একেবারে কবি কবি লাগছে :D

হ্যা, আমি তোমার প্রতিবেশী হতে চাই। কারন তুমিও অনেক ভালো রান্না করো .............................হাহাহাহাহা আশে পাশে খালি হলে আওয়াজ দিও।


সাধারণত ব্লগে ছবি পাল্টাই না। কিন্তু সাত পাচ কি যেন ভাবতে ভাবতে পাল্টেই ফেললাম !

আমার রান্না ভালো !!! আপনি লেখা পড়েছেন আমার রান্না নিয়ে, খেয়ে তো দেখেন নাই ;) আমি অতটা সুবিধার রাধুনী না। তেল নুন লংকা এসব গড়বড় হয়ে যায়।
আমার প্রতিবেশী হতে চাওয়া ভালো কথা, ইহাতে আমারই সুবিধা। আপনার প্রতিবেশীদের দেয়া খাবার আমাকেও দিবেন ;)


থেংকু সোহানী আপু

১৮ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৮

সোহানী বলেছেন: তোমাকে সত্যিই ডিফারেন্ট লাগছে। আগের ছবিতে বোকা বোকা সহজ সরল একটা ছেলে মনে হতো....হাহাহাহাহা

তোমারতো শুধু তেল নুন লংকা গড়বড় হয়ে যায়... আমারতো পুরাটাই গড়বড় হয়ে যায়। :((:(( :(( :((

অার প্রতিবেশীদের দেয়া খাবার তোমাকে কেন দিব... আমার রান্নাই দিবো, তবে সেটা খেতে পারা বা না পারার দায়িত্ব তোমার.... কিংবা ওরস্যালাইন খোঁজার দায়িত্বও তোমার। ও ভালো কথা, এখানে কিন্তু ওরস্যালাইন পাওয়া যায় না বাংলাদেশ ধেকে আনাতে হবে ;)

৩৬| ১৮ ই মে, ২০১৮ রাত ১:৩৮

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: সিরিজ চলছে ; অথচ পড়া হয়নি। ;)


প্রতিবেশীর সাথে বন্ধুত্ব এর উপকারিতা একটু বেশিই হয় । সুখে, দুঃখে পাশে পাওয়া যায়। ;)


ভালো লিখেছেন ...


ভালো থাকুন আপু ।।

১৮ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৯

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কবীর ভাই। সত্যিই তাই, আত্বীয় পরিজন বিহীন এখানে প্রতিবেশীই ভরসা। এবং তারা সত্যিই অনেক হ্যাল্পফুল।

৩৭| ১৮ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:৪৭

নীহার দত্ত বলেছেন:
এমন বেশী বেশী প্রতিবেশী থাকলে আর কি চাই !
লেখা ভালো লেগেছে

১৯ শে মে, ২০১৮ সকাল ৮:০৫

সোহানী বলেছেন: সে আর বলতে ...........

৩৮| ১৮ ই মে, ২০১৮ রাত ১০:৫০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: প্রতেবেশি নিয়ে বেশ ভালো আছেন।

১৯ শে মে, ২০১৮ সকাল ৮:০৬

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহা হাঁ ভালো আছি সেলিম ভাই প্রতিবেশী নিয়ে। আপনার কি অবস্থা? আপনার প্রশ্নের উত্তর কি পেয়েছেন?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.