নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হাজার হাজার অসাধারন লেখক+ব্লগারের মাঝে আমি এক ক্ষুদ্র ব্লগার। পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া লেখালেখির গুণটা চালিয়ে যাচ্ছি ব্লগ লিখে... যখন যা দেখি, যা মনে দাগ কাটে তা লিখি এই ব্লগে।

সোহানী

আমি অতি বিরক্ত হয়ে আমার অনেক লিখাই ড্রাফটে নিয়েছি কারন সামুতে আমার কিছু ভাবনা শেয়ার করছি, আর এ ভাবনা গুলো আমার অনুমতি ব্যাতিরেকে কপি না করার অনুরোধ করেছিলাম কিন্তু যত্রতত্র আমার লিখার কপি পেস্ট দেখেই যাচ্ছি দিনের পর দিন।

সোহানী › বিস্তারিত পোস্টঃ

জীবন যেখানে যেমন, আমার প্রবাস জীবনের ডায়রী........ বিদেশে দেশীয় চরিত!!!

২৮ শে জুন, ২০১৮ সকাল ৯:২৭



সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি :

আমি নিজেকে পজিটিভি মানুষ হিসেবেই মনে করি। অর্ধেক গ্লাসের ভরা পানিটুকুই দেখার চেস্টা করি। খালি অংশটুকুতে চোখ বুঝে ভাবি ওইটাও ভরা। তারপরও মাঝে মাঝে অনিচ্ছাসত্বেও চোখ মেলে ওই খালি অংশটুকু দেখতে হয়। যাহোক আমার এবারের বিষয় ওই খালি অংশটুকু। ................. আচ্ছা কথার মারপ্যাচ বন্ধ করলাম, আসল কথা আমার এবারের বিষয় বিদেশে দেশীয় কিছু বদগুন।

এখন কথা হলো কেন লিখতে বসলাম!!!!!!.... সোজা হিসেব, সবসময় দেশীয় পজিটিভ কথা বলি কিন্তু আলোর নীচের ওই অন্ধকার অংশটুকু যদি না বলি তাহলে হয়তো মনে একটু ধাক্কা লাগতে পারে। বিদেশে যেয়েও যে দেশী বদগুনগুলা সযত্নে লালন করছি তাই সেগুলা জানান দিতে চাইলাম। আর যেহেতু আমি প্রবাস জীবন নিয়ে লিখছি তাই মনে করি এর সবদিকই তুলে ধরা উচিত।
-
-
-
বিশেষ দ্রষ্টব্য : এই প্রথম আমি আমার কোন লিখার মন্তব্যে সেন্সর বসিয়েছি। দুটি কারনে,

১) আমি অনেক নেগেটিভ কথা বলবো যার পিছনে অবশ্যই যুক্তি আছে এবং এর বিপরীতে আপনার মত থাকবে, যুক্তি থাকবে... সেটাই স্বাভাবিক। তবে আমি আপনার সেসব যুক্তি খন্ডন ও করতে পারি। কিন্তু সমস্যা হলো আমার হাতে অঢেল সময় নেই। কোন রকমে ব্লগে উকিঁ দেই। তাই আপনার সেসব যুক্তি খন্ডন করার মতো আমার হাতে যথেস্ট সময় নেই বিধায় এই স্বৈরাচারিতা ;)

২) আম জাম কলা বাগান আর স্পার্টাকাস ট্রাম্পাকাস নামের বিশিষ্ট জনরা আজাইরা প্যাচাল লাগাইয়া আমার মহামূল্যবান সময়ের বারোটা বাজায় । তাই তাহাদের থেইকা যতই দূরে থাকা যাইবে ততই আমার মঙ্গল :P B-))



.............. শুরু করলাম তাইলে, কি বলেন B-)

দলাদলি : ছোট্ট একটা কমিউনিটি আমাদের। ভারত বা চায়না বা কোরিয়ানদের তুলনায় আমরা বলতে গেলে সবচেয়ে সংখ্যালগিষ্ঠ কমিউনিটি। অথচ অামাদের এ ছোট্ট কমিউনিটিতে কম করে কয়েকশ দল আছে। আওয়ামী, বিএনপি, খুলনা উত্তর, খুলনা দক্ষিন, খুলনা আওয়ামী, খুলনা বিএনপি, খুলনা ডিইউ, খুলনা সিইউ, খুলনা বুয়েটিক, খুলনা ধলা, খুলনা কালা............ শত শত দল। সবাই নেতা হতে চায়। এই নেতা হওয়ার জন্য দলাদলি, গুতোগুতির কোন শেষ নেই। এবং এই বলির পাঠা এখানে যারা নতুন আসে তারা। আর এ দলাদলি চরমে উঠে যখন কোন দেশীয় বিশিষ্ট নেতারা বিদেশে আসেন। সবাই তাকে একান্ত আপন করে রাখতে চান। তাই অন্য কোন দলকে কাছে ঘেষতে দেন না। এবং এটি হাস্যকর অবস্থায় পড়ে কারন আমরা তখন ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে রাস্তায় নেমে পরি। একদল পক্ষে থাকে অন্যদল বিপক্ষে থাকে। লোকাল পত্র পত্রিকায় নেতাজ্বির ফুলের মালা আর বাঁশের নিউজে আমাদের জীবন ত্রাহি ত্রাহি। এবার বুঝেন ঠেলা, বিদেশী যারা আমাদেরকে চিনে না বা জানে না তারা কিভাবে আমাদের এ দলাদলিকে মূল্যায়ন করবে? আমাদেরকে মূল্যায়ন করবে?? আমাদেরকে দেশকে মূল্যায়ন করবে???

এবার একটু তাকান নিজেদের সাবকন্টিনেন্ট অন্যান্য দেশের দিকে... সাদা চামড়া বাদ দেন!! যতই তারা দলাদলি লাঠালাঠি করুক নিজেদের মধ্যে কিন্তু দেশের প্রশ্নে সবাই এক হয়ে যায়। কেউই বলতে পারবে না ওদের প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরে গেলে তাকে বিপক্ষে স্লোগান দিয়েছে বা নেগেটিভলি তাকে উপস্থাপন করেছে??? না করেনি, আমি অন্তত এ পর্যন্ত দেখিনি।



কাক ও ময়ুরের পুচ্ছ: ব্যাক্তিগত ঘটনা শেয়ার করি। কানাডায় তখন নতুন। কাজেই পরিচিত কাউকে খুঁজে বের করে কথা বলি। সেরকমই একজন এর ফোন নাম্বার পাওয়ার পর কল দিলাম। এবং উনি ফোন পেয়েই খুব দেখা করার জন্য আগ্রহী হলেন। খুব খুশি হয়ে আধা ঘন্টার মধ্যে উনার জন্য রকমারী নাস্তা তৈরী করলাম। যথারীতি উনার বউসহ বাসায় এসেই ঠিক মতো বসলেন না, নাস্তা খাওয়া তো দূরে থাক। যতক্ষন ছিলেন উনি এবং উনার ইন্টার পাশ বউ আমাদেরকে কিভাবে কানাডিয়ান হওয়া যায় তার উপদেশ দিতে থাকলেন........।

বলুন ক্যানাডা, নট কানাডা :) ....
এভাবে নাস্তা বানিয়ে বসে থাকে শুধু বাঙ্গালীরাই ক্যানাডিয়ানরা নয় :(
আমার গাড়িটা দেখেছেন এবার লেটেস্ট মডেলটাই কিনলাম.... তিন নাম্বার গাড়িতো. B-)

একবার উনার বাসায় গিয়েছিলাম ল্যাপটপে উইন্ডজ লোড করতে। কারন দেশের আনা সিডিগুলো কাজ করছিল না। বাসায় এক কাপ চাতো দূরে থাক ঠিকমতো বসতেও বললেন না আর বার বার বলতে লাগলেন অরিজিনাল উইন্ডজ ভার্সন কিনতে হলে আমাকে কতো ডলার পে করতে হতো....। আমার তখন ছাইরা দে মা কান্দা অবস্থা। ক্যানাডিয়ানর কালচার বলে কথা!!!!! কাজটা করে আসার সময় উনি দয়া করে উনার গাড়িতে লিফ্ট দিলেন। আমার ছেলেটা একটু সিক ছিল বলে গাড়ি থেকে বের হয়ে ঠিকভাবে গাড়ির দরজা বন্ধ করেনি বলে তিনি আমাকে উপদেশ দিলেন, ছেলেকে ম্যানারর্স শেখাবেন নতুবা ক্যানাডায় চলতে পারবে না। তখন উনাকে বাংলাদেশী ভদ্রতায় কিছু বলতে পারি নাই যে, ভাইজান দেশে আমার ছেলের গাড়ির দরজা বন্ধ করতে হয় নাই। কারন ওর জন্য রাখা এ্যাসিসটেন্ট আর ড্রাইভারই দরজা খুলে দিতো ও বন্ধ করে দিত। শুধু ম্যানারর্স নয় এখানে আমার ছেলে স্কুলের টিচার্স এ্যাপ্রিসিয়েশান এওয়ার্ড পেয়েছে। পুরো স্কুলের বেস্ট একজনকেই বেছে নেয় টিচাররা, আমার ছেলেই সেই সিলেকটেড ওয়ান....। আমি জানি এটি কেন তারা করে... কারন দেশে তারা দেশে ছিল নুন আনতে পানতা ফুরানো অবস্থা!! লেক্সাস গাড়ি স্বপ্নেও তারা দেখতো না। কানাডায় এসে গাড়ি বাড়ি করে নিজেকে বিশাল কিছু ভাবতে শুরু করেছে। তাই সবার দেশের অবস্থান নিজের মতই ভাবে। আর এ সব নব্য প্রবাসী ধনীরা সবসময়ই তার সম্পদ দেখাতে চায় আর বোঝাতে চায় তারা কত ধনী এখানে। তবে এটা খুব হাস্যকর কারন যে এখানে যে কেউই বাড়ি বা গাড়ি কিনতে পারে মূহুর্তে শুধুমাত্র দরকার মাসিক মোটামুটি একটা আয়। এখনকার সবকিছুই মর্টগেজ এর মাধ্যমে কেনা।

আবার কিছু দেশী ভাই বোনরা আছেন যারা এখানে এসে স্লিভলেস গেন্জি আর হাফপেন্ট পড়ে আধা খেঁচড়া ইংরেজীতে কথা বলে ভাবেন তারাতো পাক্কা কানাডয়িান.... =p~ =p~ =p~ =p~ তাই যারা নতুন আসে তাদেরকে কানাডিয়ান বানানো নিজেদের গুরু দায়িত্ব ভাবেন ........ হাহাহাহাহাহ। এমন ভাব ধরেন যেন মনে হয় তাহারা অতি উউউচ্চা শ্রেনীর আর নতুনরা মেথর শ্রেনীর, আনকালচার্ড নেটিভ। তাই মূল্যবান দায়িত্ব মনে করিয়া উপদেশের বন্যা ছুটান। কিন্তু কোন কাজে তাদের কাছে যান মোটামুটি পিছলায়ে বের হইয়া যাইবেই যাইবে........ B:-/


গাইডেন্স : কানাডায় আর যাই হোক দেশীয় কেউই আপনাকে সঠিক গাইডেন্স দিবে না। বা বলা যায় গাইডেন্স দেবার রিস্ক কেউ নেয় না। কারন অবশ্য সোজা, এখানে প্রতিষ্ঠিত হতে গেলে যে পরিমান কষ্ট করতে হয় তার ধৈর্য্য অনেকেরই থাকে না। মাঝ পথে সে ব্যার্থতার দায়ভার কেউই নিতে চায় না। এবার আসেন অন্যান্য দেশের কথা, বিশেষ করে ইন্ডিয়া বা চায়না। বিশাল কমিউনিটি ওদের। নতুনদের জন্য থাকা খাওয়া জব গাইডেন্স.... এমন কিছু নেই যে ওরা ব্যবস্থা করে না। বিশেষ করে পান্জাবীরা। ওদের কমিউনিটিতে বিশাল ফান্ড থাকে নতুনদের হেল্প করার জন্য। পুরান প্রত্যেকই চাঁদা দেয়। আবার নতুনরা যখন পুরোন হবে তখন তারাও শুরু করবে চাঁদা দেয়া। এমন ও দেখেছি ইন্ডিয়ান ছেলেপেলে ওয়ান ওয়ের টিকেট, এক সিমেস্টারের ফি জমা দিয়ে আর পরিচিত কারো ফোন নাম্বার জোগাড় করে ভগবানের নাম নিয়ে কানাডায় চলে আসে। এক বেলা খাবারের টাকা পকেটে নিয়ে ঠিকই সার্ভাইব করে যায়। কারন খুব সোজা। ওদের কমিউনিটি ওদেরকে পথহারা হতে দেয় না। আর আমরা!!!!!!!!!! বছরে একটা ঈদ তাও আমরা একেক দল একেকদিন পালন করি। কেউ সৈাদী মানে, কেউ কানাডা মানে, কেউ বাংলাদেশ মানে........... হাহাহা সে এক আজিব অবস্থা। অথচ ভারতীয়রা বিশাল করে পূজো পালন করে যেখানে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী হাজির হয়ে নাচানাচি করে। কোন দলাদলি নেই, গ্রপিং নেই.......।

আরো আছে, একজন যদি কোনক্রমে একটা অফিসে ঢুকতে পারে তাহলে তাদের চৈাদ্দ গোষ্ঠি ওখানে ঢুকে পরে। আর আমরা কোনভাবে উপরে উঠতে পারলে নীচের দিকে তাকাতে ভুলে যাই। এমন কি একই অফিসে দেশি ভাই বোন থাকলে পরিচয় দিতে ও লজ্জা পায়। X(( X(( X(( X((



কিপ্টামী ম্যানার্স: আবারো পার্সোনাল এক্সপেরিয়েন্স শেয়ার করি। একটা ট্রেনিং করছিলাম। আমরা ছয়জন বাঙ্গালী সহ ক্লাসে প্রায় ৩২ জন বিভিন্ন দেশের। ক্লাস শেষে টিচার নিজ হাতে বানানো কেক সহ বিভিন্ন স্ন্যাক্স এর আয়োজন করলো। অবশ্যই প্রতিটি আইটেমই লিমিটেড ছিল সবার জন্য। দেখা গেল সব দেশের আপু ভাইরা একপিস করে নিলেও আমার দেশী দুইজন আপু ২/৩ পিস করে খেয়েও টিস্যু দিয়ে আরো কিছু ব্যাগে ভরছে X(( :( । যার কারনে পরে আসা অনেকেই খাবার পায়নি। তারপর আরো আছে.... এভাবে স্ন্যাক্স পার্টি দেবার পর আমরা সবাই মিলে টিচারের জন্য পিজ্জা পার্টি দিবো বলে ঠিক করলাম। মাত্র আট ডলার চাঁদা নির্ধারন করলাম। যথা সময়ে দেখা গেল দেশী ভাই আপুরা একে একে কেটে পড়লো... কারো ডাক্তারের এ্যাপেয়ন্টমেন্ট, কারো ইমাজেন্সি কাজ, কারো অমুক, কারো তমুক...। অনেক কস্টে দুই আপুকে ধরে রাখলাম ও আট ডলার আদায় করলাম। টিচারের জন্য অপেক্ষা করছিলাম কারন উনার ক্লাস ছিল। কথা ছিল টিচারকে নিয়ে কোন পিজ্জা রেস্টুরেন্টে যাবো। এভাবে কিছুক্ষন অপেক্ষার পর দুই আপু কিছুক্ষন ফিসফিস করে এসে বললো, আমাদের ও কাজ আছে আমরা চলে যাবো। কি আর করা, আমরা ওকে বল্লাম। একটু পরে দেখি যার কাছে টাকা ছিল তাকে ডেকে নিলো উনারা তাদের টাকা ফেরত নিল X( X( X( X( ..... আমি মোটামুটি তাজ্জব হলাম। মাত্র আটটা ডলার!!!!!! তাও শুধু টিচারকে খাওয়াবো.....। নিজে লজ্জায় আর কিছু বলতে পারলাম না। শুধু বল্লাম যদি সর্ট পড়ে আমি দিতে রাজি আছি। এক ইরানীতো বলেই উঠলো, তুমি ছাড়াতো দেখি কোন বাঙ্গালী নেই। তা তুমি চাইলে চলে যেত পারো। এটা যে কতটা অপমানকর তা বোঝার ক্ষমতা কি আমার দেশী ভাই বোনদের আছে???


বাঙ্গালী চরিত : আপনি বাড়ি কিনবেন, বা গাড়ি কিনবেন, বা ছোট্ট একটা টিভি কিনবেন অথবা ব্যাংকে কোন কাজে যাবেন....। ইংরেজী কম জানেন বা বুঝেন বলে কিংবা দেশীয় ভালোবাসায় সাধারনত বাঙ্গালী কাউকেই খুজেঁ বের করলেন। দেশী ভাই হিসেবে আপনি ভাবলেন সেই সবচেয়ে ভালো করবে আপনার কিন্তু দেখা গেল বাঁশটা সেই আপনেরেই দিচ্ছে পথ্থমে। তার লাভ/প্রমোশন/কমিশন এর প্রাকটিসটা আপনার উপ্রেই করবে......। আপনার টাকায় আপনাকে কলা মূলা বুঝায়ে ছাড়বে..... :(( :(( :(( :(( । আবার ভাব নিবে দেশি বলে সে আপনাকে দয়া করছে.........।

আরো কিছু আছে ....... যেমন বাংলা দোকানগুলো...... । কানাডায় কাস্টমার গ্রিটিংস মারাত্বক সেনসিটিভ। সবাই হেসে কথা বলে। কিন্তু বাংলা দোকানগুলোতে ঢুকলে আর কাস্টমার সার্ভিসের আপুদের বিহেব দেখলে মনে হয় ছুইটা পালাই। মনে করে আমরা দোকানে কিনতে আসি নাই ভিক্ষা করতে আসছি। কিন্তু মজার ব্যাপার হইলো যখনই সাদা চামড়ার কোন কাস্টমার দেখে অমনি আপুগুলা গলে গলে পরে যায়, তাদের বিহেব পাল্টে যায় মূহুর্তে। যেন তাহাদের জীবন ধন্য করছে এরা.........

-
-
-
-
আচ্ছা শুধু নেগেটিভ কথা বল্লাম এতক্ষন... এবার একটু পজিটিভ বলি। আমি যাদের কথা বলেছি তারা সংখ্যায় নগণ্য। ভালো মানুষের সংখ্যাই বেশী। শুধু সমস্যা এক বালতি দুধে এক ফোটা চনাই দুধকে নস্ট করতে যথেস্ট। তাই ভালো কিছুর উদ্যোগ নিলেও তা ভেস্তে যায় ওই এক ফোটার জন্য। প্লিজ দেশী ভাই আপুরা, আসুন না অন্তত বিদেশে এসে দেশকে পজিটিভলি রিপ্রেজেন্ট করি। নিজেদের মধ্যে মারামারি বন্ধ করি। দেশের প্রশ্নে সবাই এক হই। একটু কম্প্রোমাইজ, ভিন্ন মতকে একটু রেসপেক্ট, পাবলিকলি অন্যকে অপমানের চেস্টা না করা......... সেটা কি খুব বেশী কিছু!!!!!!!!

আজ এটুকুই ... আরো কিছু চরিত্র নিয়ে আসবো ভবিষ্যতে ;) ..........

সক্কলে ভালো থাইকেন.............



বাকি পর্ব যদি পড়তে চান.........

আমার নিকটতম প্রবাসী প্রতিবেশীরা
জীবন যেখানে যেমন: আমার প্রবাসী বান্ধবীরা
জীবন যেখান যেমন, প্রবাস জীবনের ডায়রী.............. আমার ইহুদি সহকর্মী, দি লাঞ্চিয়ন লেডি
জীবন যেখানে যেমন ......... বিদেশী বিড়ম্বনা-২ ...... মাইনাস ৪০ :(( :(( :(( !!!
জীবন যেখানে যেমন, আমার প্রবাস জীবনের ডায়রী,............ বিদেশী বিড়ম্বনা !!!
জীবন যেখানে যেমন...................আমার প্রবাসী ঈদ :(
জীবন যেখানে যেমন......আসেন এই গরমে একটু নায়াগ্রা ঘুরে আসি.....
জীবন এখানে যেমন ............. আমার প্রবাস জীবনের ডায়রী...ছাড় ছাড় ছাড় ;) ;)
জীবন এখানে যেমন ......... আমার প্রবাসী জীবনের ডায়রী
আসেন টরেন্টো বিখ্যাত সান্টা ক্লজ প্যারেড দেখি

মন্তব্য ১৪০ টি রেটিং +২৯/-০

মন্তব্য (১৪০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১০:৪৬

করুণাধারা বলেছেন: লেখার সাথে সাথে ছবিগুলোও মানানসই হয়েছে।

নিজেদের মধ্যে দলাদলি, অসততা, আত্মকেন্দ্রিকতা- এই সবই আমাদের জাতীয় চরিত্র বৈশিষ্ট্য। ঠিক এমন বৈশিষ্ট্য বিশিষ্ট জাতি আরেকটি দেখেছি, মিশরীয় জাতি। কিন্তু তারাও অন্যের সামনে নিজেদের দলাদলি প্রকাশ করে না, যেটা আমরা হরদম করি।

কিপটেমীর গল্প পড়ে খুব হাসলাম। এটাও খুব পরিচিত চরিত্র, দেশে এদের অনেক দেখা যায়। কিন্তু বিদেশে গিয়ে, যেখানে প্রতিটি মানুষই নিজের দেশকে রিপ্রেজেন্ট করে, সেখানে এই সমস্ত কাছ থেকে কিছুটা উঁচুতে ওঠাটাই বাঞ্ছনীয়। এই ধরনের চরিত্রদের এই উপলব্ধিটাই হয়না!!

পোস্ট ভালো লাগলো। লাইক।

২৮ শে জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪০

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ করুণাধারা চমৎকার মন্তব্য করার জন্য।

আপু সব দেশেই নিজেদের মধ্যে দলাদলি আছে কিন্তু তা তারা করে নিজেদের মধ্যে, প্রকাশ্যে নয়। ভারতীয়দের দলাদলি দেখলে তাজ্জব হবেন। এক প্রদেশ আরেক প্রদেশকে দেখতেই পারে না। কিন্তু যখনই দেশের প্রশ্ন আসে তখনই সবাই সব বিবেধ ভুলে যায়। আর আমরা এমনিতে ভালোই মিল কিন্তু সবার সামনে অদ্ভুত আচরন করি।

কিপটেমী!!! কি বলবো অঅপু, জীবনে কতই না বাজে খরচ করি। যেখানে মান সন্মান জড়িত সেখানে সামান্য ৮/১০ ডলার এমই কি মূল্যবান হলো!!!

অনেক ভালো থাকেন।

২| ২৮ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১০:৪৮

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রিয় সোহানি, অনেকদিন পরে ব্লগে এসেই প্রথম লেখাটাই আপনার দেখে এতো ঝামেলার মধ্যেও মনটা ভালো হয়ে গেলো I হাহাহা এই লেখাটা লিখলেন ! এটাতো কবেই কবীন্দ্র রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলে গিয়েছেন :

"সাত কোটি সন্তানেরে, হে মুগ্ধ জননী,
রেখেছ বাঙালী করে, মানুষ কর নি।"


এই ছোট ব্লগ আমাদের এটাতেই যে রকম নোংরামি চালিয়ে যাচ্ছে কিছু ব্লগার ! ব্লগাররা যাদের পড়াশোনা আছে যাদের রুচি বোধ একটু উন্নত হবার কথা তারাই নোংরামি করে যাচ্ছে I আর বিদেশেতো বারোভাজা বাঙালি সব I কিছু কিছু মানুষতো রং হেডেড কাজ করবেই I আপনার যেকোনো মুগ্ধ লেখার মতোই ইনটেলিজেন্ট আর রসময় লাগলো এই লেখাও I অনেক ধন্যবাদ মনভরানো সুন্দর লেখার জন্য I

২৮ শে জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫২

সোহানী বলেছেন: আরে আপনাকে দেখে কি যে ভালো লাগছে....। কোথায় হারিয়ে গেলেন!!!

নাইমুল ভাই, অামার পছন্দ, রুচি, ভালোলাগা বা মন্দলাগার সাথে অনেকেরই মিলবে না তাই বলে রাগ করে চলে যাবো?? কখনই না। আমার আগের একটা পোস্টে ডিইউ হলের মেয়েদের নিয়ে কিছু কথা লিখছিলাম। আপনার সময় হলে সে পোস্ট দেখবেন যে কি ধরনের মন্তব্য করেছে কিছু মার্কামারা ব্লগার। এবং উনার দাবি করেন উনারা নাকি কেউ পিএইচডি করছেন কেউ বা পিএইচডি ছাত্রদের শিক্ষক। আমি কি বিষয়ে লিখছি তা ও বোঝার ক্ষমতা এইসব লোকদের নেই। ধিক্! তাদের........

আই ডোন্ট কেয়ার দেম। তাদের খাই নাকি পড়ি যে তাদেরকে কেয়ার করতে হবে। আমার রুচিতে কুলায় না তাদের ব্লগে ঢুকে উল্টা পাল্টা বলতে।

যাইহোক, এইসব থোড়াই কেয়ার করেন। এইটাই আমার অনুরোধ। আপনার চলা আপনি চলবেন, এদেরকে গোনায় ধরবেন না। এবং এরা কিন্তু সংখ্যায় খুব কম। তাই বেশী সুবিধা করতে পারেনি এবং পারবে না।

প্লিজ নিয়মিত হোন, আপনার লিখাগুলো সত্যিই মিস করি।

৩| ২৮ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১১:২৪

সিগন্যাস বলেছেন: আমার এক সিনিয়র ভাইয়া টরেন্টো থেকে পিএচডি করেছিলেন।উনি দেশে এসে আমাদের উপদেশ দিয়েছিলেন যদি কোনদিন কানাডায় যায় তাহলে ভুলেও যেন নিজ কমিউনিটির কারো সাথে যোগাযোগ না রাখি।ঐখানে নাকি বাঙালিদের চেয়ে পাকিস্তানিরা অনেক ভাল।উনি নিজেও পাকিস্তানের এক ছেলের সাথে রুম শেয়ার করে থাকতেন।ঐ সিনিয়র ভাইয়াটা বলেছিল সে বাঙালিদের কাছ থেকেই সবচেয়ে বেশি ডিস্ক্রিমিনেশনের শিকার হয়েছে।প্রবাসে কি আমাদের অবস্থা এতোই খারাপ :(

২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ৮:০৫

সোহানী বলেছেন: এটি নিয়ে আমার দ্বিমত আছে। আমি আসার আগেও সবাই এটি বলতো। কিন্তু কথা হলো নিজ দেশ যেখানে আপন হয় না সেখানে পরদেশ কিভাবে আপন হবে। এটি ডিপেন্ড করে আপনি কিভাবে অন্যকে নিচ্ছেন এবং অপর ব্যাক্তিটির ব্যাকগ্রাউন্ড কি? আমি কিন্তু তেমন খারাপ কাউকে পাইনি। বরং অন্য দেশের বিশেষ করে ব্রিটিশ পেয়েছি অন্তত বাজে বিহেবের। যাদেরকে পেয়েছি তাদের কথা অলরেডি বলেছি। এবং এগুলো আমি মাইন্ড করি না। ৫% ভিন্ন মানসিকতার হবেই, এটাই স্বাভাবিক।

সিনিয়র ভাইয়া কি ধরনের ডিস্ক্রিমিনেশনের শিকার হয়েছে তা বললে হয়তো ব্যাখ্যা করতে পারতাম।

অনেক অনেক ভালো থাকেন।

৪| ২৮ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১১:৫২

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন:

”কেউ কেউ বড় বড় দেশে গেলেও তাদের মনটা কখনোই বড় করতে পারে না” :-B

পোষ্টে খুব ভালো লাগা রইলো আপু ।


২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ৮:০৭

সোহানী বলেছেন: না রে কবির ভাই, সবাই না। ওদের পর্সেন্টেজ খুব কম। শুধু ওদের থেকে দূরে থাকলেই হলো........... এই যা!

৫| ২৮ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১১:৫৪

শামচুল হক বলেছেন: পুরোটাই পড়লাম। বাঙালির চরিত্র বলে যা বুঝায় তা ভালো করেই তুলে ধরেছেন। আপনি বিদেশে থেকেই এই অবস্থার বর্ননা দিলেন আর আমরা যারা দেশে আছি তাদের কি অবস্থা এবার বোঝেন।

২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ৮:০৯

সোহানী বলেছেন: দেশে বসে খারাপ লাগে না বেশী কারন আমরা ধরেই নেই এমনটাই হবে। তবে যখন ভিন দেশীদের সামনে এধরনের বিহেব করে তখন খুব খারাপ লাগে।

৬| ২৮ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১১:৫৬

মোঃ খুরশীদ আলম বলেছেন: আপনি প্রবাদটা পড়েছেন কি “ ঢেকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে” পড়ে থাকলে মর্মার্থ বুঝাতে অসুবিধা হবার কথা নয়। আপনার দীর্ঘ রচনার প্রত্যেক পরতে পরতে আমাদের চরিত্রের যে সরূপ উদঘাটন করেছেন তা শুধু ক্যানাডায় নয়, সবখানেই এক রকম। বাংলাদেশীদের বেশীরভাগই আন্তরিক নয়, যে কোন ব্যাপারে চরম পর্যায়ের হিংসুটে।
এটা কোন বিশেষ এলাকায় নয় বরং বাংলাদেশসহ সর্বত্রই , যেখানে যেখানে বাংলাদেশীরা আছে।
ভাল লাগল, আপনার লেখাটি। কখন যে আমরা ভাল হব, উত্তর জানা নাই।

২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ৮:১২

সোহানী বলেছেন: আসলে আমরা খুব ভালো। শুধু সামান্য কিছু ঝামেলা করে। আর মনে হিংসে কার না আছে বলেন। কেউ প্রকাশ করে কেউ করে না। পরিমিতভাবে পাবলিক বিহেবই এর থেকে পরিত্রানের উপায়। যাইহোক, সবার বুদ্ধির উদয় হোক।

৭| ২৮ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১১:৫৯

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: মন্তব্য করার অপশন বন্ধ রাখছেন তাহলে অন্যরা মন্তব্য করলে কেমন করে!

২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ৮:১৪

সোহানী বলেছেন: আসলে মন্তব্য রিভিউ অপশান দিয়েছিলাম। কিন্তু দেখলাম সামুর এ অপশান কাজ করে তাই মন্তব্য করাই বন্ধ হয়ে গেল। তাই ভাবলাম এটা ঠিক না, ব্লগের প্রানই মন্তব্য। তাই আবার অপশন অন করলাম..........

৮| ২৮ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:৩০

নতুন নকিব বলেছেন:



ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টে। মন্তব্য অপশন খুলে দেয়ায় ভাল হয়েছে। সবাই কথা বলতে পারছেন। ভাল থাকবেন।

২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ৮:১৫

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ নকিব ভাই, আপনার অনুরোধই আবার চিন্তা করেছি। আসলেই ব্লগের প্রানই মন্তব্য। তাই আবার অপশন অন করতেই হলো।

৯| ২৮ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:৩২

একদম_ঠোঁটকাটা বলেছেন: এরকম শ্রেণি যখন সংখ্যায় নগণ্য। তখন আপনাদের মত ভালো লোকেদের আরও বেশী করে সামনে এগিয়ে আসা উচিৎ। যাতে ভালো উদাহরণের মধ্যে এই নগণ্য খারাপ দিকগুলো ঢাকা পড়ে যায়। কিন্তু ভালো লোকগুলো প্রবল আত্ম কেন্দ্রিকতায় ভোগে তারা সামনে এগিয়ে আসে না, সব কিছুতে গা বাঁচিয়ে চলার মানসিকতা নিয়ে চলে।

২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ৮:১৭

সোহানী বলেছেন: সব কিছুতে গা বাঁচিয়ে চলার মানসিকতা নিয়ে চলি না বলেই মনে হয়। আর আমি নিজেকে ভালো লোক হিসেবে ও ট্রিট করি না।

১০| ২৮ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৬

নতুন নকিব বলেছেন:



অনেক দিন পরে প্রিয় ব্লগার 'মলাসইলমুইনা' ভাইকে এই পোস্টে মন্তব্যে পেলাম। আলহামদুলিল্লাহ। জানি না, কেন তিনি আমাদের ছেড়ে ছিলেন এতদিন। সকল প্রতিবন্ধকতা তার কেটে যাক দ্রুত। তিনি নিয়মিত হোন আবারও। আগের মতই তার স্নিগ্ধ পদচারনায় মুখর-মুখরিত হোক ব্লগ প্রাঙ্গন। তার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা।

২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ৮:১৮

সোহানী বলেছেন: সত্যিই উনাকে দেখে অনেক ভালো লাগছে।

সকল প্রতিবন্ধকতা তার কেটে যাক দ্রুত। তিনি নিয়মিত হোন আবারও। আগের মতই তার স্নিগ্ধ পদচারনায় মুখর-মুখরিত হোক ব্লগ প্রাঙ্গন।

১১| ২৮ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৩

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন: তুমি কিডা হে??B:-)
চিনলাম না তো???:P

ছবিগুলো ঝাক্কা,(ঝাক্কাস)
জটিল পুস্ট আপ্পা!!;)


এতবড় লেখা পড়তে পড়তে আমি শ্যাষ হইয়া গেছি রে!!!:( আমারে কেউ বরফ জল খাওয়া!!:P

২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ৮:২১

সোহানী বলেছেন: এই কে আছিস নিজাম উদ্দিন আউলিয়ারে এক গ্লাস ঠান্ডা ওরস্যালাইন দাও.........

১২| ২৮ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৬

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন: বরফ আপা! তোমার চিন্তা ধারা সুপার! ;)
আহা! সবাই যদি এমন করে ভাবতো???:)

একটু কম্প্রোমাইজ, ভিন্ন মতকে একটু রেসপেক্ট, পাবলিকলি অন্যকে অপমানের চেস্টা না করা......... সেটা কি খুব বেশী কিছু!!!!!!!!
-- মাথামোটাদের ওসব বলে লাভ নেই! লুল টাইপ লোকদের কথা বাদ দাও! ওদের জন্য বিশেষ দ্রষ্টব্য লেখাও যা না লেখাও তা!X( ব্লগের দু-চারটা বাঁদড়কেই আমি বুঝাতে পারলাম না!:( আমার সোজা হিসেব ঠোঁট কাটা হও, খারাপ/অহংকারী ভাবধরাদের কচুকাট কর!!!

এখন বলো,
আমিও জ্ঞান দিচ্ছি? আমিও একটা লুল??X(

২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ৯:২১

সোহানী বলেছেন: আউলিয়া ভাই, আমি ওইগুলারে থোড়াই কেয়ার করি। খালি হাতে কম সময় দেইখা মেজাজ খারাপ হয় উত্তর দিতে। তারপরও ব্লগ বইলা পরিমিত কথা কই.... আমার সাথে তামশা করবে আর আমি সালাম দিমু এত্তো সোজা না। আমি দুনিয়ার ছোট থেকে বড় সকল মানুষের সাথেই মিশছি, জানছি, বুঝছি... সেটা অফিসের সুইপার থেকে মন্ত্রী বা সেক্রেটারি মহোদয় কিংবা ক্লিনার থেকে ইউএন হেড। সব পরিবেশের অভিজ্ঞতাই আছে এবং সেখানে মানিয়ে নেয়ার কেপাসিটি ও আছে।

যাগা, বহুত বকর বকর করলাম......... এইবার অফ গেলাম। অাপনার জ্ঞান দিচ্ছি..........

১৩| ২৮ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: প্রিয় আপুর বিদেশে দেশীয় চরিতের এসাইনমেন্টের কমেন্ট কিভাবে শুরু করবো বুজতেছি না।..... :( :(। তার উপ্রে সেন্সরশিপে কমেন্ট বাদ পড়ার ভয় আছে। :((। দেখা যাক কমেন্ট সেন্সরশিপে ঠিকে থাকে কিনা!! B-)

আমি আপনার এসাইনমেন্টের প্রতিটি সেকশনের জন্য আলাদা কমেন্ট করবো; আমার লন্ডনের দিনগুলোর অভিজ্ঞতার আলোকে। :-B

দলাদলি-
দলাদলি বা দালালি যাই বলুন না কেন আপনি যা বলেছন তা আমার মনের কথা। ইউরোপ আমারিকায় এগুলো খুবই কমন ব্যধি। আপনি যথার্থই বলেছেন, লোকাল পত্রিকায় নেতাজীর :( ফুলের মালা আর বাশের :( নিউজে আমাদের ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। এটা লন্ডনের কার্বন কপি। তবে লন্ডনে আনুপাতিক হারে নেতা পয়দা হয় বেশি। এখানে নেতাও নেতা, উনার গিন্নি ও বড় নেত্রী। লন্ডনে দলগুলোর দলাদলি নিয়ে কিছুদিন আগে এই ফিচারটি লিখেছিলাম।

কাক ও ময়ুরের পুচ্ছ-
আপু এই অংশটি আমার সবচেয়ে ভাল লেগেছে। এখানে 'ম্যানার' শেখাতে সবাই ঝাঁপিয়ে পড়ে নতুনদের মাথার উপ্রে। কত জ্ঞান বন্টন করেন তার কোন শেষ নেই। এক্কেরে আক্কেলের ঝাঁপি খুলে বসেন। উপদেশ দিতে বাংলাদেশীদের চেয়ে উপকারী জন্তু পৃথিবীতে আর একটিও নেই। এরা নিতে নয় অন্যের উপ্রে উপদেশ বর্ষণ করতেই বেশি আনন্দ পায়। এতে নিজেদের প্রতিভার স্বীকৃতি মেলে। X((
"যতক্ষণ ছিলেন উনি আর উনার ইন্টার পাশ বউ আমাদেরকে কিভাবে কানাডিয়ান হওয়া যায় তার উপদেশ দিতে লাগিলেন।"........ X(( X(

গাইডেন্স-
বাঙালিরা কাউকে উপ্রে উঠার গাইডেন্স দেবে; এমন প্রত্যাশা করাটাই অপরাধ। স্বার্থ ছাড়া বাঙালিরা জানাজা পর্যন্ত পড়তে চায় না। আর কানাডা তো নিজেকে একাকি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মিশনে বাঙালিরা যায়; সো অন্যকে বুদ্ধি দিয়ে নিজের কাতারে আনার মতো বোকা বাঙালিরা নয়। B-)। আর কানাডার ঈদ নিয়ে যথার্থই মূল্যায়ন করেছেন। তবে লন্ডনে সবাই সৌদি তরিকায় ঈদ করে। :-B

কিপ্টেমী ম্যানার্স নিয়ে কিছুই বলবো না; আপুরা মাইন্ড করবে। B-) :( :-B

বাঙালি চরিত-
লেখার শেষ অংটুকু নিয়েই বলবো। আমরা সাদা চামড়া দেখলেই অজ্ঞান হয়ে যাই। ম্যানার্সের রক্ত গরম হয়ে যায়; কারণ ঐতিহাসিকভাবে আমরা সাদা চামড়াকে নিজেদের শাসক হিসাবে দেখেছি। এজন্য সাদা দেখলে ইংরেজি কম জানারাও দাঁত বের করে, এক্সকুজ মি ষাড় বলি, আর সাথে- হাউ ক্যান আই হেল্পউ ষাড়; সাথে গুড মরনিং, গুড ইভিনিং তো আছেই। আর নিজেদের চেহারার কোন কাস্টমার দেখলে ম্যানার প্যানেরা সব হাওয়ায় মিশে যায়। সম্বোধনটা এমন হয়, "আন্নে ইয়া কিয়া কন, আফা। মুলা/শিম/পান কাইলকাই দেশ থেহে আইছে, একদম টাটহা। তয় দাম কিছুটা বেশি হবে, আন্নে ভাল জিনিস কিনবেন কিন্তু দাম কম দেবেন এটা তো হয় না!!! X( X(

আপু, আর বেশী লেখে আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করবো না। পোস্টে অবধারিত ভাবে লাইক দিলাম। আন্নে তো মোর উপদেষ্টা, তাই না। আজ দিনটি খুব ভাল যাবে প্রিয় আপুর লেখা পড়েছি বলে।

২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ১:৫৯

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ দীর্ঘ মন্তব্য এবং এর সাথে ব্রিটিশ বাস্তবতা তুলে ধরার জন্য। আমি আপনার সেই লিখাটি পড়েছিলাম এবং একই মন্তব্য করেছিলাম।

আসলে আমাদের বড় অংশেরই মন মানসিকতা অনেক ভালো। ওই যে সমস্যা ভালোটা নিয়ে কেউ কথা বলে না, খারাপটা নিয়ে বিশাল হৈচৈ করে।

বড় মন্তব্যে প্রতিউত্তর ছোট দিলাম কারন আরো কিছু বিষয় নিয়ে আসবো নেক্সট্ লিখায়।

১৪| ২৮ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:০৩

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন:
হাহাহা! লেখা টা পড়ে ভালো লাগল আপু। সাথে সাথে আমার নিজের একটা ঘটনা মনে পরে গেল। পড়াশোনার জন্য আমি কিছুদিন মালয়েশিয়া তে ছিলাম। একদিন রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছিলাম একা। তখন পাশ দিয়ে হেটে যাওয়া ৩-৪ জন বাঙ্গালী আমার নাক নিয়ে কিছু বলাবলি করে দুষ্টুমি করছিল (আমার নাক খুব লম্বা :P সাধারণত অনেক কম দেখা যায় এমন নাক, ইন্দিরা গান্দির নাকের মত :P ) কিন্তু তারা বুঝেনি যে আমি বাঙ্গালী মেয়ে এবং তাদের কথা সব বুঝতে পারছি। তখন আমি মনে মনে হাসলাম আর বললাম "ঢেঁকী স্বর্গে গেলেও ধান ভাঙ্গে" । বাঙ্গালী বিদেশে ও ইভটিজিং করে :P হাহা। তবে আমিও আপনার মতই বলতে চাই, এমন মানুষের সংখ্যা খুব নগণ্য। ভালো মানুষের সংখাই বেশী কিন্তু অমন দু একজনের জন্যই সবার বদনাম হয়।

২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ৩:২৮

সোহানী বলেছেন: আসলেই তাই এমন মানুষের সংখ্যা খুব নগণ্য। ভালো মানুষের সংখাই বেশী কিন্তু অমন দু একজনের জন্যই সবার বদনাম হয়। কিন্তু এ দু একজনইতো পুরো কমিউনিটি নষ্ট করতে যথেস্ট......

খারাপ লাগলো ইভ টিজিং এর মতো অভ্যাস ও আমরা বজায় রেখেছি বলে। তবে কানাডায় এটি কিন্তু মারাত্বক অপরাধ।

১৫| ২৮ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৯

রাজীব নুর বলেছেন: আমি আপনার এই পোষ্টে মন্তব্য করেছিলাম।
এখন দেখছি মন্তব্যটি নাই।
ঘটনাটা কি?

২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ৩:২৯

সোহানী বলেছেন: সেটাইতো বুঝতে পারছি না। আপনি কি সেন্ড করেছিলেন?? আমি কিন্তু ওপেন করে দিয়েছি এবং এখনো কোন মন্তব্য ডিলিট করি নাই।

১৬| ২৮ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৫:২৩

ধ্রুবক আলো বলেছেন: পুরোটা পড়া হয়নি, একটু পরে এসে বাকিটুকু পরে যাবো।

২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ৩:৩০

সোহানী বলেছেন: ওকে ধ্রুবক আলো ...

১৭| ২৮ শে জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: দারুনভাবে বাঙ্গালী চরিত্র তুলে ধরেছেন।

২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ৩:৩০

সোহানী বলেছেন: হুম বাট নিজেরেই মন খারাপ হয়.............

১৮| ২৮ শে জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোহানী ,




সাহসী লেখা । বরফের দেশে যে মেয়ে থাকে , সে মেয়ে গুটিকয় লোকের কটাক্ষ/আজাইররা প্যাঁচালের ভয়ে বরফের মতো জমে যাবে আর তার লেখায় সেন্সরশীপ আরোপ করবে ; এটা মেনে নেয়া গেলোনা ।
আমার আগের পোস্ট মৃত্যু.... শুধু মুছে ফেলা নাম ! এ আপনার মন্তব্য ছিলো এরকম "আমি সবসময়ই বিশ্বাস করি কর্মে। " । সে বিশ্বাসে অটুট থেকে, সব ঝড়কে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে আপনার কর্ম আপনি করে যান । কে কি বললো , তা কার কি এলো গেলো ?????????

আসলেই, আমরা বাঙালীরা স্বর্গে গিয়েও ঢেঁকিতে ধান ভানি । এসব কি শত শত বছর পরের গোলামী করার / চাটুকারীতা করার / বিশ্বাসঘাতকতা করার প্রবনতা থেকে " রেসিয়াল ক্যারেক্টার " হয়ে গেছে ??????????
কি জানি !!!!

২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ৩:৩৮

সোহানী বলেছেন: প্রিয় জী ভাই, গুটিকয় লোকের কটাক্ষ/আজাইররা প্যাঁচালের ভয়ে নয়... সময়ের অভাব। অলরেডি দেখেন নীচে ... এইসব আবাল ছাগলগুলোর কোন আত্মসন্মাবোধ নেই কেন বুঝতে পারছি না। অামার মতে যারা অন্তত ইউনিভার্সিটির চৈাকাঠ পা দিয়েছে তাদের মিনিমাম আত্মসন্মাবোধ থাকে। বোঝায় যাচ্ছে কোথ্থেকে উঠে আসছে এগুলা। সামান্যতম বিবেক বা আত্মসন্মাবোধ থাকলে, শিক্ষা থাকলে, ভালো কোন পরিবার থেকে উঠে আসলে দিনের পর দিন অন্য কারো পোস্টে উল্টা পাল্টা বকতে পারতো না।

শত শত বছর পরের গোলামী করার / চাটুকারীতা করার / বিশ্বাসঘাতকতা করার প্রবনতা থেকে " রেসিয়াল ক্যারেক্টার " হয়ে গেছে ?.... হয়তো হাঁ হয়তো না। কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা সততা, মানবিকতা, আত্মসন্মাবোধ এসব শিক্ষাতো দেশ থেকে উঠেই গেছে। শিখবে কিভাবে????

সরি, আপনার মন্তব্যের প্রতিউত্তরে আমিও আজাইরা প্যাচাল শুরু করলাম............

১৯| ২৮ শে জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৯

বলেছেন: ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে #:-S

২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ৩:৩৯

সোহানী বলেছেন: হুম কেউ কেউ ;) ;) ;) ;)

২০| ২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ৮:০২

সনেট কবি বলেছেন: দারুণ।

২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ৩:৩৯

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ কবি.........

২১| ২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ৮:০২

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর । অনেক আগেই পড়েছি। শেষ দিগে চমৎকার কিছু কথা বলে পোস্টের সমাপ্তি টেনেছেন। আমার ভাল লেগেছে ।

২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ৩:৪০

সোহানী বলেছেন: জ্বি কবি ভাই। অনেক অনেক ধন্যবাদ........... মেসিতো এগিয়ে গেল...!!

২২| ২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ৮:০৩

জুন বলেছেন: সে বিশ্বাসে অটুট থেকে, সব ঝড়কে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে আপনার কর্ম আপনি করে যান । কে কি বললো , তা কার কি এলো গেলো ?????????
আমিও আহমেদ জী এসের এই বাক্যটির সাথে চুড়ান্তভাবে একমত সোহানী । লেখায় বরাবরের মতই অনেক ভালোলাগা রইলো ।
+

২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ৩:৪১

সোহানী বলেছেন: জি আপু, তাইতো এদেরকে থোড়াই কেয়ার করি.............

২৩| ২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ৮:৩০

আবু হাসান লাবলু বলেছেন: আপনি প্রত্যকটি কথা ১০০% বলেছেন শুধু কানাডায় নয় সব দেশেই আমাগো সোনার ছেলেরা এই রকম

২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ৩:৪১

সোহানী বলেছেন: লাবলু ভাই, সবাই কিন্তু না। গুটি কয়েক..... তাদের জন্যই পুরো কমিউনিটির বদনাম।

২৪| ২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ৮:৩৪

নাজিম সৌরভ বলেছেন: ১৮ নং মন্তব্যে আহমেদ জি এস ভাই যা বললেন তাঁর সাথে পুরোপুরি একমত । ধন্যবাদ আপু, চাঁদের অন্ধকার সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন ।
আমাদের এক ভাইয়া বলেছিলেন, আমি বাংলাদেশি না হয়ে ইন্ডিয়ান হলেই ভালো হত । কানাডা আমার জন্য সহজ হয়ে যেত । তিনি কোন দুঃখে বলেছিলেন তা আপনার লেখাটা পড়লেই বোঝা যাবে ।

২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ৩:৪৩

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ সৈারভ ভাই। আসলেই দু:খ সেখানে। একটু যদি সহনশীল হতাম তাহলে আমাদের ভোগান্তি অনেক কমে যেত।

২৫| ২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ৯:২৪

চঞ্চল হরিণী বলেছেন: এই প্রথম আপনার লেখা পড়লাম। যা বলেছেন তা তো এই দেশে ঘটেই, বিদেশেও ঘটে ভাবতেই কেমন লাগলো। বেশ রসালো করে লিখেছেন। প্রবাস জীবনে বাঙ্গালীদের এমন আরও অনেক টানাপড়েন নিয়ে যদি একটি প্রমাণ প্রবন্ধ লিখেন তাহলে খুব ভালো হবে মনে হয়। আমাদের খুব ডায়াসপোরা সাহিত্য নেই।

২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ৩:৪৫

সোহানী বলেছেন: ১০ বছরের বেশী ব্লগ জীবনে এ প্রথম আমার লিখা পড়লেন !!!!!!!!!!!! হায় হায়!!!

লিখার ইচ্ছে হরিণী, একটু গুছিয়ে নিয়ে শুরু করবো। অনেক ধন্যবাদ...... স্বাগতম!

২৬| ২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ১০:৪১

সাাজ্জাাদ বলেছেন: আপনার প্রতিটা কথাই বাস্তব আর আমাদের সাথে মিলে। আমিও আপনার মতো প্রবাসি হলেও দেশ ভিন্ন।

আমি এখানেও আওয়ামি লীগ আর বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া- পাল্টা ধাওয়া দেখেছি।
পরে পুলিস এসে বিশ্রী অবস্থা।

২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ৩:৪৬

সোহানী বলেছেন: তবে এখানে এতোটা করে না। কারন এখানে কেইস হলেই সর্বনাশ।

২৭| ২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ১১:১১

স্পার্টাকাস৭১ বলেছেন:
আমার খুব হাসি পায় কারন যখনই সুজোগ পায় বিদেশে প্রায় সব বাঙ্গালীই এই কথা গুলো রেকড প্লেয়ারের মত বলতে থাকে। এখন আমার কথা হল খারাপ বাঙ্গালীটা তাহলে কে?

তবে আমার উত্তরটা এখন জানা আছে।
খারাপটা হল যারা এই রেকড বাজায় তারাই।

প্রমান নিবেন ?

দেশে থাকতে আপনি একটা জব করতেন, আপনি বলেছেন যে জবটা নাকি এখনও আপনার জন্য রাখা আছে (মামার বাড়ির টাইপ কথা )। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল, বাংলাদেশে অফিস আওয়ারের প্রায় পুরোটা সময় আপনি ব্লগে বিভিন্ন পোষ্ট পয়দা করতেন আর কমেন্ট করতেন।
আরও মজার ব্যাপার কী ঈদের কিংবা বড় কনো ছুটির সময় আপনি ব্লগের সকলের কাছে বিদায় নিয়ে নিতেন যে এই ছুটির মধ্যে আর ব্লগে আসা হবেনা আপনার। তার মানে অফিস আওয়ারই ছিল আপনার সব চেয়ে বেশি ফাঁকি দেয়ার যায়গা।

প্রমান: আপনার দেশে থাকা কালিন পোষ্টের টাইমলাইন। যে কেও তা দেখে আসতে পারে এখনও।

এই কাজটা যে কতটা অনৈতিক আর অন্যায় এই বোধটাও নাই নিঃশ্চিত, তার থেকে আমাদের দেশের বেশ্যারাও অনেক বেশি সৎ উপার্যন করে।

আসলে নিজে ভাল হলে "শুধু বাঙ্গালী খারাপ, বাঙ্গালী অসৎ" টাইপের কথা আর মাথায় আসার কথা না।

২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ৩:৫৭

সোহানী বলেছেন: বেশ্যাদের কাছে যে যাওয়া আসা করে সেই তো তাদের সর্ম্পকে ভালো জানবে। তাই আপনি ওদের সর্ম্পকে জানবেন এইটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

যেহেতু দেশের কর্পোরেট বা অন্যান্য কোন সেক্টরে কাজ তো করা দূরে থাক সেরকম কারো সাথে দেখা হয়নি তাই জানবেন না সেটাই স্বাভাবিক।

আমার সম্পর্কে রিসার্চ করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। আচ্ছা আমি কাজ না কইরা বইসা বইসা বেতন নিসি, অফিস আওয়ারের প্রায় পুরোটা সময় ব্লগে বিভিন্ন পোষ্ট পয়দা করছি আর কমেন্ট কইরা বেতন নিসি, ঈদের কিংবা বড় কোন ছুটির সময় ব্লগের সক্কলের কাছে বিদায় নিসি, আমার মামার বাড়ির আবদারের চাকরীটা হের পরেও আছে। তো এখন কি করিবেন মি: ট্রাম্পাকাস সাহেব??? বইসা বইসা কান্দেন, আর সবার ব্লগময় নোংরা কথা বইলা বেড়ান............হাহাহাহা

যত্তসব আবাল শ্রেনীর বেহায়া আত্মসন্মানহীন লোক..... কোথ্থেকে যে উইঠা আইসে এইগুলা বোঝা যায়।

৩০ শে জুন, ২০১৮ রাত ৮:২৪

সোহানী বলেছেন: মি: ট্রাম্পাকাস সাহেব, আমার দশবছর ব্লগ জীবনে কখনো কারো সাথে ব্যাক্তিগত আক্রমন করেছি এমন ইতিহাস নেই। ব্যাক্তিগত বিষয়ে নাক না গলানো, সন্মান করা, পজিটিভলি মানুষকে দেখার শিক্ষা আমার পরিবার থেকে পেয়েছি। সেই সাথে আমার উচ্চ শিক্ষা আরা দেশী বিদেশী মানুষের সাথে মেশার কারনে সে শিক্ষা আরো বাড়িয়েছি। তাই বলে এই ভেবে বসেবেন না যে কেউ আমাকে নোংরা কথা বলবে আর আমি তাকে সালাম দিয়ে যাবো। কারন ওইসব নোংরা মানুষকে ডিল করার অভিজ্ঞতাও আছে আমার। তাদেরকে আমি আমার স্বভাবসুলব ভালো বিহেব করার চেস্টাই করি কিন্তু একটা লিমিট পর্যন্ত। কিন্তু যখন দেখি সে সেই লিমিট অতিক্রম করেছে তখন বাধ্য হয়ে তাদের মতোই ট্রিটমেন্ট দেয়ার চেস্টা করি।

আপনি আমার ছাত্ররাজনীতি নিয়ে লিখায় বাজে কমেন্ট করেছেন কম করে ৪/৫ বার। আগে ও অন্যান্য লিখায় করেছেন কিন্তু অামি ভদ্রভাবে অাপনাকে শুধরানোর চেস্টা করেছি। কিন্তু সে সীমা অলরেডি শেষ। তাই এরপর থেকে আপনি আমার থেকে কোন ভদ্র বিহেব আশা করবেন না। আগের কমেন্ট এ তার রিফ্লেকশান দেখতে পারছেন নিশ্চয়। আমি জানি আপনি কার মাল্টি!!!

এটা ব্লগ, নিজের একান্ত ভালোলাগা বিষয় নিয়ে কথা বলি, তর্ক বিতর্ক করি, কিছু জানার চেস্টা করি, কিছু জানানোর চেস্টা করি....। ব্লগে নোংরামী কোনভাবেই কাম্য নয়। এ শিক্ষা যদি আপনি এখনো পেয়ে না থাকেন তাহলে বলবো ব্লগ থেকে দূরে থাকেন নিদেনপক্ষে আমার ব্লগ থেকে। ভালো থাকেন।

২৮| ২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ১২:০৬

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:
সব মিলায়ে জটিল হইসে!

২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ৩:৫৯

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ডানা ভাই.............

২৯| ২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ১২:২১

অচেনা হৃদি বলেছেন: কাকার মুখে শুনেছি অস্ট্রেলিয়ার বাঙালি কমিউনিটিও নাকি ভালো নেই ।
আমেরিকানরা ভালো নেই তা আগেই শুনেছি । মনে মনে ভাবছিলাম এই ব্লগের সোহানি আর সামুপাগলা আপুর মত আমি কানাডা পালিয়ে যাবো । এখন আজ দেখছি সেই দেশেও গোলমেলে অবস্থা ।
বাঙ্গালির জন্য কি কোন ইউটোপিয়া নেই ? :(

২৯ শে জুন, ২০১৮ ভোর ৬:৪৯

সোহানী বলেছেন: হৃদি, অস্ট্রেলিয়ার বা আমেরিকানদের তুলনায় আমরা হাজার গুন ভালো আছি। অামি যা বল্লাম তা বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এটিই বাঙালি কমিউনিটির পুরো চিত্র নয়। আমার শেষের প্যারাটা আবার পড়েন। এখানে চমৎকার কিছু মানুষ আছে তারা দিনের পর দিন দেশের জন্য বা দেশের মানুষের জন্য অনেক কিছুই করছে। আমি আবারো বলি এটি মাত্র ৫% এর চিত্র। বাকি ৯৫%ই কিন্তু ভালো।

৩০| ২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ১২:২১

অনেক কথা বলতে চাই বলেছেন: স্পার্টাকাস৭১ , আপনি কোথায় আছেন জানি না। Tourist visa নিয়ে কানাডা তে বাংগালি এলাকা গুলি ঘুরে দেখে যান।

২৯ শে জুন, ২০১৮ ভোর ৬:৫৩

সোহানী বলেছেন: স্পার্টাকাস৭১ সাহেব মঙ্গল গ্রহে থাকেন। উনাকে নিয়ে বেশী কিছু কইয়েন না। এরপর দেখবেন আপনার ব্লগে ঢুকে আবালগিরি করা শুরু করবে..... সে যে একটা আত্মসন্মানহীন লোক তাও বুঝে না।

৩১| ২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ১২:২৫

অনেক কথা বলতে চাই বলেছেন: অচেনা হৃদি , আপনি কানাডা আসবেন না কেন? এখানে এসে বিদেশিদের এলাকাতে থাকবেন। বাংগালি গিজ গিজ করে সেই রকম এলাকা বাদ দেবেন। তাহলেই তো হলো!

২৯ শে জুন, ২০১৮ ভোর ৬:৫৬

সোহানী বলেছেন: না ভাই কথাটা ঠিক না। আমি আমার কমিউনিটিতে না থাকলে কোথায় থাকবো। কাক হয়ে ময়ুরের পাখা লাগাতে চাই না। শুধু মাঝে মাঝে এ ঝামেলাগুলা একটু ঠিক করে নিলেই হলো। আমার কমিউনিটিতে থাকবো, নিজের কালচার রিপ্রেজেন্ট করবো..... সবাইকে মাথা উচুঁ করে দেখিয়ে দিবো আমরা অনেক কিছু।

৩২| ২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ১২:৩৪

অনেক কথা বলতে চাই বলেছেন: এমনিতেই tension হচছে। এই লিখাটা সেটা আরো বাড়িয়ে দিল!
Canada Day তে Hamilton-এ বাংগালিদের picnic-এ আমার যেতে হবে। অরাজগতার আশংকা করছি। এক গাদা বাংগালি এক সাথে হলে যা হয় আর কি!

২৯ শে জুন, ২০১৮ ভোর ৬:৫৮

সোহানী বলেছেন: আপনি কি এই প্রথম কোন পিকনিকে যাচ্ছেন? যদি তাই হয় তাহলে বলবো আপনার এ শংকা সম্পূর্ণ অমূলক। এখানে এক গাদা বাঙ্গালী জড়ো হয় ঠিকই কিন্তু সেরকম ঝামেলা প্রকাশ্যে হয় না। রাজনৈতিক কোন অনুষ্ঠান না থাকলে সেরকম ঝামেলার সুযোগ নেই।

৩৩| ২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ১:১২

এইচ তালুকদার বলেছেন: চমৎকার লেখা

২৯ শে জুন, ২০১৮ ভোর ৬:৫৯

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৩৪| ২৯ শে জুন, ২০১৮ ভোর ৪:১৪

নতুন বলেছেন: আমরা বাঙ্গালী তাই আমাদের চরিত্রর কিছু জিনিস সবখানেই তো থাকবে তাইনা।

অবশ্য ভালো মন্দ সব খানেই আছে...

২৯ শে জুন, ২০১৮ সকাল ৭:০০

সোহানী বলেছেন: আপনি আমার শেষের প্যারাটা আবার পড়েন। ধন্যবাদ।

৩৫| ২৯ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৯

নিওফাইট নিটোল বলেছেন: দেশীয়চরিত এর আগেও বেশ কয়েকটা ব্লগে পড়েছি এবং চরিত্র ও কাহিনিগুলো বেশ একইরকম......তবে ব্যক্তিভেদে শতকরার হিসেবে ভিন্নতা দেখেছি- কারো অভিজ্ঞতায় কমিউনিটির বেশিরভাগ গুটিবাজ আবার কেউ হয়তো ভালো মানুষই বেশি পেয়েছিল :D

ভার্সিটিতে এক টিচার ছিল- উনি তখন আমেরিকাফেরত হয়েছেন মাত্রই......একদিন ক্লাসে বলছিলেন যে- 'আমি জীবনে দেশী পেপারে "নারিন্দা"র নাম কতবার পড়েছি জানি-ই না - জীবনে সেখানে কোনদিন গেলামও না, অথচ আমার স্টেইটে "নারিন্দা সমিতি" নামেও একটা দল ছিল......বাংলাদেশেও এত দল নাই ওইখানে ছোট্ট জায়গায় মানুষ যত দল করত!'.......স্যার বলত যে- 'কমিউনিটিতে দলবাজিতে/কূটনামিতে শুধু ভাই-ব্রাদাররাই না, ভাবিরাও অনেক আগায়ে গেছে' =p~

পরের লেখায় অপেক্ষায় থাকলাম.......শুভেচ্ছা পোষ্টে :)

০৩ রা জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:২৯

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহা.......... ধন্যবাদ নিওফাইট ভাই। আমেরিকা অবস্থাতো আরো ভয়াবহ। এখানে তবু কিছুটা কম।

আর ভাই/ভাবি সবাই সমান প্রয়োজনে।

অনেক ভালো থাকেন।

৩৬| ২৯ শে জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৯

লিট্রিমিসটিক বলেছেন: জীবিকার তাগিদে আপনার মত আমারও বহুজাতীয় পরিবেশে থাকতে হয়। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য আপনার নেগেটিভ কথা গুলো খুব ভাল ভাবে অনুভব করেছি স্বজাতীয়দের মাঝে। অভিজ্ঞতা ভাগাভাগির জন্য ধন্যবাদ।

০৩ রা জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:৩৫

সোহানী বলেছেন: লিট্রিমিসটিক, আপনি আমিই পারি তা করতে।

যেমন, কাল আমার বাসায় একটা পার্টি ছিল। দেশী বা ভিন দেশী সবাই ছিল। এবং সবাই এতোটা আন্তরিক ছিল যে কেউই আড্ডা ছেড়ে উঠছিল না। রাত দুইটায় শেষ করলাম। এবং আপনি নিশ্চয় জানেন এখানে পার্টি মানে কি ধরনের ঝামেলা কারন নিজেকেই সব করতে হয়। কিন্তু গেস্টরা সবাই আমার সাথে ধোয়া মোছা রান্না সব একসাথে করেছে। আমার একটু ও গায়ে লাগেনি। আসলে সব কিছু ডিপেন্ড করে আপনি কেমন আচরন করেন সবার সাথে।

অনেক ভালো থাকেন।

৩৭| ৩০ শে জুন, ২০১৮ রাত ২:১৫

মোঃ আবু বকর ছিদ্দিক বলেছেন: আপনাকে অসাধারন শব্দচাষী না বলে পারলামনা।আমার নতুন ব্লগে আমন্ত্রিত সবাইআমন্ত্রিত

০৩ রা জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:৩৬

সোহানী বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ বকর ভাই। অবশ্যই দেখবো।

০৩ রা জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:৩৭

সোহানী বলেছেন: আপনি কি পোস্ট সরিয়ে ফেলেছেন? কিন্তু কেন???

৩৮| ৩০ শে জুন, ২০১৮ রাত ২:৩৫

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আপনার অভিজ্ঞতা নিয়ে অভিজ্ঞ হলাম আপু -
লেখায় ভালোলাগা।

০৩ রা জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:৩৭

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ মনিরা।

৩৯| ৩০ শে জুন, ২০১৮ রাত ২:৪৮

অনেক কথা বলতে চাই বলেছেন: আমি বাংগালিদের পিকনিকে গিয়েছিলাম আগেও। আসলে, বাংগালিদের সাথে আমার ভাল experience খুব কমই হয়েছে Canada তে, তাই...... careful থাকি।

এই তো, কিছুদিন আগেও Scarborough যেতে হয়েছিল, passport-এর জন্য। কি সাংঘাতিক, লাইনের কোন বালাই নেই!
আসলে এতগুলো বাংগালি এক সাথে হলে ভুলেই যায় যে এটা Canada।

এমনকি parking lot-এও মনের সুখে ভেপু বাজাচিছলো!

০৩ রা জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:৪০

সোহানী বলেছেন: তবে অামার experience কিন্তু অসাধারন। আগের মন্তব্যে দেখুন। আমার experience শেয়ার করেছি। আসলে মোটামুটি সবাই কিন্তু ভালো কিছু ব্যবসায়ী ছাড়া.............. তাই নয় কি?

৪০| ৩০ শে জুন, ২০১৮ রাত ৩:০০

অনেক কথা বলতে চাই বলেছেন: পিকনিকে খাবার পেতে token system করবে শুনলাম। Token ধরে থাকবো, হয়তো দেখবো খাবার শেষ।

বাংগালি horizontal line মানে, vertical না! হাহাহা

বাংলাদেশে line-এ দাড়ানো কখনো ভাল লাগেনি। পিঠে কারো একটা হাত। ঘাড়ের উপর কারও নাক মুখের বাতাস।

০৩ রা জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:৪২

সোহানী বলেছেন: এটা হতেই পারে... মিস ম্যানেজমেন্ট। আর লাইনে দাড়াঁনোর এ ম্যানার্সে আমরা একটু পিছিয়ে... সবাইতো এক রকম হয় না। তাই নয় কি!!!

৪১| ৩০ শে জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৩

ফ্রিটক বলেছেন: লেখাটা অনেক বড়, তারপরও ভাল লেগেছে

০৩ রা জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:৪২

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ফ্রিটক।

৪২| ০১ লা জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:১৬

জাহিদ অনিক বলেছেন:
আপুনি যে পজেটিভ চিন্তার মানূষ তা লেখার মধ্যে মধ্যে দেয়া ছবিগুলো দেখলেই চেনা যায়, ব্যপক মজার ছিল ছবিগুলো।
লেখাও ভালো লেগেছে। কিছুটা ভিন্নধর্মী।

০৩ রা জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:৪৩

সোহানী বলেছেন: ওওও তুমি কই?? আমি অনেকদিন তোমার ব্লগে ঢু দিচ্ছি না। একটু বিজি আছি। ফ্রি হয়ে সব এক সাথে পড়বো.........

৪৩| ০২ রা জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:১২

শিখা রহমান বলেছেন: কঠিন কথাগুলো প্রানবন্ত আর রসময় করে উপস্থাপন করেছেন। বিদেশে থাকার কারণে আপনার সব লেখায় উল্লেখিত অভিজ্ঞতাগুলো কমবেশী আমারও হয়েছে।

লেখায় ভালোলাগা রইলো। শুভকামনা। ভালো থাকবেন বরফের দেশে।

০৩ রা জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:৪৫

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ শিখা... আপনার লিখাটা পড়তে যাচ্ছি।

৪৪| ০২ রা জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:২৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ব্লগে আরেক কানাডিয়ান সেলিব্রেটি (সামুপাগলা) আপনার মতই প্রবাস জীবনের ডায়রী/স্টোরি লেখেন।
তার পোষ্টে আপনার কমেন্ট কখনোই দেখি নি। আপনার পোষ্টেও উনি নেই, কখনোই নেই।
কারনটা তো বুঝি ...

"বিদেশে দেশীয় চরিত" নিয়ে লিখছেন, কিন্তু আপনি ও আপনারা তো কম জান না ...

০৩ রা জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:৫৪

সোহানী বলেছেন: না আপনার কথাটি ঠিক নয়। সামু পাগলার সাথে আমার সম্পর্ক কেমন তা ওর ৬ বছর পূর্তির লিখাতে পাবেন। আর আমি বা সামু নয়, অনেকে্ই লিখেন কানাডা লাইফ নিয়ে। যেমন পয়গম্বর বা কেএসরথি। পয়গম্বর এর লিখা বা কানাডার গাইডেন্স যা এক কথায় অসাধারন। আমি এখানে আসার আগে উনার কাছ থেকে অনেক পরামর্শ পেয়েছি। যেহেতু এখন হাতে সময় কম এবং এ বিষয়ে জানার দরকার নেই তাই তাদের ব্লগে কম যাওয়া হয়। আর সামুপাগলা আমার ব্লগেও প্রচুর আসে। তবে কে আমার ব্লগে আসলো বা কে আসলো না সেটা আমার মূখ্য নয় আমার কাছে, কি বিষয় নিয়ে লিখা হয়েছে সেটাই আমার কাছে আগ্রহের বিষয়।

আশা করি বোঝাতে পেরেছি। ভালো থাকুন।

৪৫| ০৩ রা জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:১০

অনন্য দায়িত্বশীল আমি বলেছেন: এটা বাঙ্গালীদের স্বভাব, এটা বাঙ্গালীদের রক্তে মিশে আছে। একটু কোনভাবে উপরে উঠলে এরা অতীত ভুলে যায়।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৫:৩৩

সোহানী বলেছেন: হুম.... তবে সবাই নয়, কেউ কেউ। কিন্তু কি করবো বলেন এটা যার যার পারিবারিক শিক্ষা।

অনেক ভালো থাকেন দায়িত্বশীল ভাই।

৪৬| ০৩ রা জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:১৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: চমৎকার পোস্টটির আমি কিনা ১৩০১ নম্বর পাঠক হলাম!!!!

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৫:৩৫

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহাহা....... আপনি তো ভাই আনলাকি থার্টিন এর আনলাকিত্ব গুচালেন এ অধমের অধম পোস্টে পদধূলি দিয়ে।

৪৭| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ২:৩৬

শুভ_ঢাকা বলেছেন: সোহানী আপু,

কোথায় যেন পড়েছিলাম বাঙ্গালী একাই একশো। কিন্তু একশো বাঙ্গালী কখনো এক হতে পারে না কি দেশে কি বিদেশে। এজ ইউজুয়াল লেখা উপভোগ্য।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৫:৩৫

সোহানী বলেছেন: কিন্তু কি করবো বলেন, বিদেশ বিভূয়ে এসে আমাদের যদি এক ছায়াতলে না দাড়াঁই তাহলেতো আমাদেরই লস......

৪৮| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:৫০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আমি প্রথম পাঠক ছিলাম! কিন্তু দারুন এক মন্তব্য করে দেখি লেখক কোন মন্তব্য গ্রহণ করবেন না!!!
:-/
পরে আবার বাঁধা উঠােনা হলেও আমি এক্কবারে শেষেই এলাম !

ভিন্নমতেই মতের সৌন্দর্য! জ্ঞানের বিকাশ! যারা ভিন্নমত সইতে পারেনা- তারা স্বৈরাচারী!
তাদের জন্য করুনা। ব্লগে বা জাতীয় পর্যায়ে সকলের জন্যেই!

পাঞ্জাবীদের কমিউনিটি ইউনিটি আসলেই শেখার মতোই মনে হয়!
অথিতি বৎসল বাঙালী এত বিভক্ত হয় কেনু! স্বার্থ? নাম? খ্যাতির মোহ?
মানুষ হবে কবে???

পোষ্টে +++++++

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৫:৪৭

সোহানী বলেছেন: উপস্ সরি বিগু। শেষ বলে কিছু নেই, আমি জানি বিগু আসবেই ;)

কমেন্ট রিভিউ অপশান চুজ করেছিলাম কিন্তু দূর্ভাগ্য এই অপশান কাজ না করে পুরো কমেন্টই বন্ধ করে দিল। সাজ্জাদ ভাই আগের পোস্টে এটা বলার পর ্টনক নড়লো। তাই খুলে দিলাম। কারন এতো ঝামেলার মাঝে লিখালিখি করি তাই উটকো ঝামেলা নিতে ইচ্ছে করে না।

যারা ভিন্নমত সইতে পারেনা- তারা স্বৈরাচারী! আমার মতে ওদের পারিবারিক শিক্ষার অভাব আছে। হয় এরা এমন পরিবারে বড় হয়েছে সেখানে সারাক্ষন কলহ ছিল, অভাব ছিল, ভালোবাসা ছিল না। তাই তাদের মনের কোনে সেই বোধগুলো বাসা বেধেঁ আছে। বর্তমানে হয়তো শিক্ষা পেয়েছে কিন্তু মনের কুলষিতা দূর হচ্ছে না এবং হবেও না কোনদিন।

আসলে স্বার্থ.... কে কাকে ছাড়িয়ে যাবে, কে ক্ষমতায় থাকবে আর হিংসা। কখনই ব্যাক্তির উর্ধে উঠতে পারে না।

আজ সকালেই একটা নিউজ দেখে হাসলাম। এখানে বাংলাদেশীদের ফেইসবুক গ্রুপ আছে। ইদানিং নতুন একটা গ্রুপ ওপেন হবার পর আগের গ্রুপ এর একজন খুব নামকরা (দেশে এবং বিদেশে) দেশী ভাই তাদেরকে কটাক্ষ করে পোস্ট করে যাচ্ছে। আমার খারাপ লাগলো কারন উনাকে সবাই সন্মান করে। আর নতুন কোন গ্রুপ খুললে তার সমস্যা কোথায়??? ফেইসবুক কি তার একার???

এজন্যই পাঞ্জাবীদের কমিউনিটি থেকে প্রধানমন্ত্রীর নোমিনেশান পায়............

অনেক ভালো থাকো বিগু।

৪৯| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:০৬

আখেনাটেন বলেছেন: ভালো খারাপ নিয়েই সব সমাজ। কোথাও কম কোথাও বেশি। আমাদের দেশে যেমন ঠক বাছতে গাঁ উজাড় হবে, কানাডাতে হয়ত এমনটা হবে না, তবে নিতান্ত কম হবেও বলে মনে করি না। কারণ আইনের শাসন তাদের পায়ে শিকল বেঁধে রেখেছে বলেই লোভ-হিংসার চুড়ান্ত রূপগুলো তারা সহজে প্রকাশ করতে পারে না।

তবে উপরের মন্তব্য থেকে বলা যায় উন্নত দেশে বাস করলেই যে মনটাও উন্নত হবে তা বলা যাবে না। যে পারিবারিক-সামাজিক মূল্যবোধের মধ্যে আমরা বড় হয়েছি তার অাসল রূপটা বের হওয়ায় স্বাভাবিক। এরই ফল হয়ত উপরের দুএকটি মন্তব্য। যারা কেবল 'কোরিডা দে টোরোস' বা স্পেনিশ বুলফাইটের বুলের মতো লাল রংকেই শত্রু মনে করে। অন্য কোনো রং তাদের চোখে পড়ে না। সাদা-কালোর পার্থক্য করতে না পারা এটা তাদের বিশাল ব্যর্থতা জীবনে।

উন্নত সমাজে অনুন্নত মানুষের কিছু দুষ্টুক্ষত চিহ্নিত করে দেখানোর জন্য আপনাকে শুভেচ্ছা ব্লগার সোহানীপা।


০৫ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৫:৫৬

সোহানী বলেছেন: আখেনাটেন ভাই, সুপার লাইক আপনার মন্তব্যে। উপরে বিদ্রোহীর মন্তব্যে ঠিক একই কথা বলেছি। যে পারিবারিক-সামাজিক মূল্যবোধের মধ্যে আমরা বড় হয়েছি তার অাসল রূপটা বের হওয়ায় স্বাভাবিক।... এটা সহজে পরিবর্তন করা যায় না। অন্য কোনো রং তাদের চোখে পড়ে না, সাদা-কালোর পার্থক্য করতে পারে না।

আর হাঁ এটি কিন্তু সত্য। আইনের শাসন তাদের পায়ে শিকল বেঁধে রেখেছে বলেই লোভ-হিংসার চুড়ান্ত রূপগুলো তারা সহজে প্রকাশ করতে পারে না। তারপর ও যা দেখি তা সত্যিই খারাপ লাগে। ওরা আসলে খুবই কম সংখ্যায়। কিন্তু সামান্য অংশই পুরো জাতির কলংক।

অসাধারন মন্তব্যের জন্য কৃতজ্ঞতা।

৫০| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৬:৪৭

রিফাত হোসেন বলেছেন: সাদা চামড়ার মানুষের সাথে যে আচরণ করে সেটা দেশীর সাথে করে না। ঠিক বেশীরভাগ সাদাদের উল্টো। মনের কথাই বলেছেন।
দলাদলি নিয়ে যা বললেন তাও সঠিক। সে কারণেই ঝামেলা থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করি।

০৭ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:৫৮

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রিফাত...........

৫১| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:০৯

ব্লগ মাস্টার বলেছেন: অনেক সুন্দর একটা লেখা লেখাটা ছেড়ে উঠতে মন চাইছে না তবু উঠতে হবে ।মেয়ের স্কুল সময় হয়ে গেছে ।পরে আবার আসছি আপু।

০৭ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:৫৯

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহা........ আগে মেয়ের স্কুল তারপর ব্লগ....।

আসার অপেক্ষায়।

৫২| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:৩১

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

কিপটামি ম্যানারস অংশটি পড়েছি এবং ফেবুতে তাজ্জম মন্তব্য করেছি। বাকিগুলো দেখে তাজ্জব হই নি। তাজ্জব হবার অনুভূতি ভোঁতা অই গেছে!!!

শুভেচ্ছা জানবেন, সোহানী আপা :)

০৭ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১:০৪

সোহানী বলেছেন: মইনুল ভাই, দীর্ঘদিন পর দেখলাম। আপনাকে ব্লগে দেখলে ভালোলাগে।

আসলে নেগেটিভ কথাগুলো বলতে চাইনা তারপরও মনে হয় সবকিছু নিজের মধ্যে রাখা ঠিক না। বলে ফেললে হালকা হওয়া যায়।

তারপর!!!!!!! আপনার লিখা কই???? সত্যিই মিস্ করছি আপনার দারুন সব লিখা। ফেবুতে আমি নিয়মিত না, কারন কেন যেন ফেবু ভালো লাগে না। শুধুমাত্র শাশুড়ি মা আর বোনদের যন্ত্রনায় ওখানে ঢুকি আর ছেলে-মেয়েদের ছবি আপলোড দেই। কারন শাশুড়ি মা এর জীবন হচ্ছে আমার মেয়ে......... হাহাহাহা

৫৩| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: একজন মনীষী বলেছিলেন, খুব সম্ভব সৈয়দ মুজতবা আলী, "বিদেশে বাঙালী মাত্রই সজ্জন"! এখন তো দেখছি কথাটা মিথ্যে।
বাঙালীদের মধ্যে যোগ্যতা থাক বা না থাক, নেতা হবার খায়েশ একটা সহজাত প্রবৃত্তি। এর কারণেই বেশীরভাগ গন্ডগোল বাঁধে।
মালয়েশিয়া ভ্রমণের সময় এক বাঙালী ভাইকে বিশ্বাস করে ঠগেছিলাম, একথা ভুলতে পারিনা। অথচ সেখানে পথে ঘাটে এটা ওটা জিজ্ঞেস করে প্রচুর লোকের সাহায্য নিয়েছিলাম, যার মধ্যে স্থানীয়রা ছাড়াও আমাদের উপমহাদেশীয় অন্যান্য দেশগুলোর লোকও ছিল- সবার কাছ থেকেই স্বতঃস্ফূর্ত সাহায্য পেয়েছি প্রচুর।
মূল পোস্ট এবং পোস্টের অনেকগুলো মন্তব্য ও প্রতিমন্তব্য ভাল লেগেছে। + +

০৭ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১:১৮

সোহানী বলেছেন: খায়রুল ভাই, আপনাকে ও ঠকিয়েছে কেউ.... অবাক হলাম।

এখানেও ঠকায় তবে যখন কেউ বাড়ি গাড়ি কিনতে যায় তখন সুযোগ নেয়। তবে সত্যি কথা, আমি খুব হ্যাল্প পেয়েছি। দু একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া। এবং আমার প্রতিবেশী পোস্টে ওদের কথা প্রায়ই বলি। এখান ছাড়াও আমি অন্যান্য দেশেও অনেক ভালো বিহেব পেয়েছি। একবারতো সুইজারল্যান্ডের লুজানে এক কফি শপে বাঙ্গালী ভাই আমাদের দেখে পারলে জড়িয়ে ধরে। এই যে অনুভূতি তা বলে বোঝানো যাবে না। দেশের বাইরে গেলেই দেশের প্রতি মারাত্বক ভালোবাসা ফিল করি।

আসলে অাপনার কথাটিই আসল "নেতা হবার খায়েশ"। এই ভাবনা থেকেই সব সমস্যার শুরু..... এবং যখন আপনি স্থানীয়ভাবে থাকা শুরু করবেন তখন এইসব ঝামেলার সাথে জড়িয়ে পড়তে হয়।

একটা সুখবর দেই, আমার ফ্যামিলির আরেকজন মেম্বার গতকালই পিএইচডি কনফার্ম হলো। তার ডিফেন্স ছিল কাল এবং চমৎকার ভাবে শেষ হলো। ফ্যামিলির আরেকজন পিএইচডি হোল্ডার, বাবা যে কি খুশি.............. দোয়া করবেন। ভালো মানুষদের দোয়া সবসময়ই অনেক বড় কিছু।

৫৪| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:৩৪

সুমন কর বলেছেন: হইছে হইছে অফ জান.......আরো কতো লজ্জা দেবেন !! ওদের (মানে আমাদের) সেটা নেই !! X(( একটি ঘটনা ফেবুতে শেয়ার করেছিলেন এবং আমিও মন্তব্য করেছিলাম।

যাক, আপনার অনুভূতি'র (খারাপ মেজাজের) কথা পড়ে মজা পেলাম।
+।

০৭ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১:২০

সোহানী বলেছেন: সুমন ভাই, অনেকদিন পর!! কেমন আছেন?............. আপনাকে ব্লগে খুব কম দেখি ইদানিং।

ফেবুতে কিছু লিখে নিজের অস্তিত্ব জানান দেই মাঝে মাঝে।................হাহাহাহাহাহা

৫৫| ০৭ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:৪৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
মাঝে মাঝে আমার মনে হয় কেন আমি বাংলাদেশের নাগরিক হলাম। এর চেয়ে অন্য কোন দেশের নাগরিক হলেও মনে হয় খারাপ হতো না। আমার এটাও মনে হয়েছে, আমার দেশের মানুষ জন যেমন তার চেয়ে নেপাল বা ভুটানের মানুষও ভালো। সবাই নয়। ভালো আছে । তবে তারা ব্যতিক্রম। ব্যতিক্রম দিয়ে আর যাই হোক পুরো দেশের কোন উপকার হবে না । কেবলই উদাহরণ দেয়া যাবে।

বিদেশে ঘুরে ঘুরে যা অভিজ্ঞতা লাভ করলাম, তাদের মনে হয় দেশের মানুষ জন মিলে দেশটাকে মেরে ফেলেছে। আমাদের কোন স্বকীয়তা নেই। আমরা মিক্সড জাতি হয়ে গেছি।

আমাদের সামনে কোন শুভ কিছু দেখি না। তবু আমি আশায় বুক বাধি। কোন এক দিন হয়তো পরিবর্তন আসবে। সেই দিন আমি থাকবো না।

১৩ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০২

সোহানী বলেছেন: সত্যিই তাই আমরা মিক্সড জাতি হয়ে গেছি।

কর্পোরেট বেনিয়া, রাজনৈতিক নীতিহীনতা, সামাজিক অস্থিরতা আমাদেরকে দিনকে দিন অসুস্থ্য জাতিতে পরিনত করছে। জানি না হয়তো কোন একদিন পরিবর্তন হবে।

অনেক ভালো থাকেন সাজ্জাদ ভাই।

৫৬| ০৭ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১১:৫৭

সুমন কর বলেছেন: :( :( কই না তো !! আপনার পোস্ট মিস করেছি !! :(( এমন হয়ে গেছে !! যতটুক মনে পড়ে, আপনার রগকাটা পোস্টটি ইচ্ছে করে পড়িনি। আর কোন মিস গেছে !! শিট !!

আসলে খেলা আর অফিস নিয়ে ব্যস্ত, ব্লগে কম আসি। খেলা শেষ হলে আবার পুরো দমে ব্লগে .....

আপনি বরং আমার ব্লগে এখন কম আসেন না........... :( (আমি এ কথা কখনো বলি না, যে আসার আসবে !!, হাহাহাহাহা)

১৩ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৬

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহাহা............. আসলে কয়দিন ধরে ব্লগের কিছু নোংড়া কমেন্ট দেখে একটু বিরক্তই ছিলাম। আর সাথে ব্যস্ততা। তাই কম আসা হতো।

খেলাতো প্রায় শেষ তাই নিশ্চয় আবার নিয়মিত হবেন!!!!!!! আমি জানি আপনি আমার পোস্ট মিস করেন না, কিন্তু অনেক পরে পরে আপনাকে দেখি। ফেবুতে বরং মনে হয় আপনি একটু বেশী সময় দেন..... মাঝে মাঝে দেখি সেখানেতো তাই বললাম।

অনেক ভালো থাকেন সুমন ভাই।

৫৭| ১২ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:৫১

খায়রুল আহসান বলেছেন: আমার ফ্যামিলির আরেকজন মেম্বার গতকালই পিএইচডি কনফার্ম হলো - এই অসামান্য সাফল্য অর্জন করার জন্য তাঁকে এবং পরিবারের সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা!

১৩ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৮

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ খায়রুল ভাই। পরিবারের যে সবচেয়ে বেশী খুশী হতো সেই যে নেই, কাকে জড়িয়ে ধরে আনন্দ করবো............

৫৮| ১৫ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১:৪৮

রাকু হাসান বলেছেন: সোহানী আপু আপনার নামটি সুন্দর :-B । জানলাম প্রবাসিদের নিয়ে বেশ কিছু । তাঁদের ব্যাপারে কম জানতাম । সেটা খুব দুঃখজনক লাগে ,আমরা ঈদেও এক হতে পারি না । ইফতার পার্টি নামে রাজনীতি করি ...বাঙালি জাতীয়তাবাদ দিন দিন নিচের দিকে যাচ্ছে ....শেষটাই ধোঁকা দিয়েছেন ;) ,ভাবছি আরও কিছু পড়তে পারছি কিন্তু একটু পরেই শেষ ।
ছবি গুলো যোগ করায় বাড়তি ভাললাগা কাজ করছে পড়তে ।
অনেক বেশি ভাল থাকুন ,শুভরাত্রি :-B

২০ শে জুলাই, ২০১৮ ভোর ৪:৫৭

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আমার নামের অর্থ জোছনা। বাবার রাখা নাম।

আসলে অনেক ব্যাস্ততার মাঝে লিখি তাই বেশী কিছু লিখতে পারি না। অনেক ভালো লাগলো লিখাটি পড়লেন বলে।

ভালো থাকেন সবসময়.............

৫৯| ২০ শে জুলাই, ২০১৮ ভোর ৬:২৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: জীবন যেখানে যেমন , উঠে এসেছে অনেক কথন , লেখাটি পাঠে মনে বাজে জাতীয় কবি কাজী নজরুল আজ হতে শতেক বছর আগে বিষের বাঁশীতে লিখেছিলেন জাতের নামে বজ্জাতি, সব জাত-জালিয়াত খেলছে জুয়া ......... তাই তো বেকুব, করলি তোরা এক জাতিকে একশো-খান! এখন দেখিস দেশ জোড়া, পচে আছিস বাসি মড়া.। মানুষ নাই আজ, আছে শুধু জাত-শেয়ালের হুক্কাহুয়া॥ দিন-কানা সব দেখতে পাসনে দণ্ডে দণ্ডে পলে পলে, কেমন করে পিষছে তোদের পিশাচ জাতের জাঁতাকলে।(তোরা) জাতের চাপে মারলি জাতি, সূর্য ত্যজি নিলি বাতি, বুঝলি না সেই বিধির বিধি, মনুর পায়েই নোয়াস শির.... এই বিশ্ব মায়ের বিশ্ব-ঘর, মায়ের ছেলে সবাই সমান, তাঁর কাছে নাই আত্ম-পর। সৃষ্টিকে তাঁর ঘৃণা করে স্রষ্টায় পূজিস জীবন ভর । তাই জাতীয় কবির বিষের বাঁশীর কথা ও আপনার লেখার সাথে কন্ঠ মিলিয়ে বলতে হয় সময় এসেছে এখন সকলে মিলে আত্ম শুদ্ধি কর । নীজ জাতী ও জাতের সাথে বজ্জাতি না করে সকলকে সন্মান কর । এতেই ভাল এতেই সুখ ।

ধন্যবাদ সুন্দর লেখাটির জন্য ।

শুভেচ্ছা রইল

২১ শে জুলাই, ২০১৮ ভোর ৫:২৫

সোহানী বলেছেন: আপনার মন্তব্য মানে আমার লিখা পূর্ণতা পেল।

লিকার প্রথমেই বলেছি আমি পজিটিভ মানুষ। যে যাই বলুক আমরা সত্যিই একদিন সব বিবেধ ভুলে এক কাতারে দাড়াঁবো। আসলে যে বিষ আমাদের মাঝে তার বীজ তো জন্মের পর থেকেই বোপন করা হয় মগজে, তারপর দিনে দিনে তার পরিচর্যাই করা হয়। তাই এ বিষ ছাড়া অনেক কঠিন। তারপরও প্রত্যাশা, আমরা পারবোই!!!!!!!

যাইহোক............ লিখা কই???????????

৬০| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ ভোর ৬:৪৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: লেখা কৈ ???????? লিখবনা আর লিখবনা নাগো , পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন লেখার হাটে , বাইব না মোর খেয়াতরীে লেখার ঘাটে, চুকিয়ে দেব বেচা কেনা, মিটিয়ে দেব লেনা দেনা দিয়া মন্তব্য সকলের লেখা পাঠে , বন্ধ হবে আনাগোনা নীজ ঘাটে , তবে ফেলব চরণ অন্য সকল ব্লগের হাটে । ভাবছি কেবল যখন আর বাজবে না বাঁশি মোর ঘাটে , তখনো সকলেরি কাটবে দিন কাটবে, আজও যেমন দিন কাটে, আহা,ঘাটে ঘাটে খেয়ার তরী এমনি সে দিন উঠবে ভরি-- লিখবে সবাই খেলবে পাঠক তাদের মাঠে মাঠে, তখন কেইবা আমায় মনে রাখবে ।

২৫ শে জুলাই, ২০১৮ ভোর ৫:১৮

সোহানী বলেছেন: কি বলবো বা কিভাবে আপনার এ মন্তব্যের উত্তর দিবো তা নিয়ে সময় নিচ্ছি। তাই আপনারটা স্কিপ করে অন্য কারো উত্তর ও দিতে পারছি না।

আমি খুব দু:খ পেলাম আপনার সিদ্ধান্তে। সামুর এ দীর্ঘ সময়ে আপনার মতো অনেক অনেক ব্লগারকে হারিয়েছি যাদেরকে সরকার পর্যায় থেকে প্রমোট করার কথা। এমনই প্রতিভাবান তারা আপনার মতো। কিন্তু দূর্ভাগ্য এমনিই দেশে বাস করি তাদের মূল্য কেউই বুঝলো না। কালের গর্ভে তারা হারিয়ে গেল। জাতি বুঝলোই না কি সম্পদ তারা হারিয়েছে।

আমি জানি আপনি লিখেন বা না লিখেন তা নিয়ে আপনার কি যায় আসবে না শুধু আমার মতো হাজারো পাঠক যারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকে আপনার মতো কারো লিখার তারা হারাবে অনেক কিছু।

জানি না আপনার এ সিদ্ধান্তের পিছনের কারন কি বা জানতে ও চাই না, কিন্তু খুব আশা নিয়ে থাকবো আপনি আবার লিখা দিবেন। আমি জানি সামুর পরিবেশ বা দেশের লিখালিখির পরিবেশ কখনই স্বাধীন নয় তারপরও তো লিখতে হবে নিজের দায়বদ্ধতা থেকে। জানি এটি অনেক কঠিন, তারপর ও কি করবো নিজের দেশ, নিজের আত্মা বলে কথা.......... কার উপর রাগ করবো বলেন?????

তারপরও আমার মতো এক ক্ষুদ্র গুনগ্রাহী বা ভক্তের অনুরোধ কি আরেকবার বিবেচনায় নিবেন?

৬১| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১:৪৫

তারেক সিফাত বলেছেন: কিছু কিছু বাঙ্গালিদের মধ্যে এইসব দলাদলি, মারামারি দেখলেই আমার সবসময় মনে পড়ে - তাহারা যেখানেই থাকিবে সেখানেই দুই ভাগ হইয়া যাইবে। আমেরিকা, কানাডা, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া - হেন এমন কোন জায়গা নাই যেখানে তারা গ্যাঞ্জাম করে না। আমরা তো আমাদের প্রতিবশী দেশের থেকেও শিখতে পারি না। কত একতা তাদের মধ্যে! আর কখনোও শিখতেও পারবো না মনে হয় আমরা ।


সোহানী আপু, আপনার এই লিখাটা ভালো লেগেছে। প্রবাসে বাঙ্গালির কোন্দল, ঝগড়া-বিবাদ নিয়ে অনেক শুনেছি আর এই লেখা পড়ে সেগুলার আরো কিছু স্বরূপ নিজের চোখের সামনে দেখলাম বলে মনে হল।


এই সিরিজের বাকি লিখাগুলোও পড়ে ফেলবো দ্রুত -এটা আশা করছি।

২৫ শে জুলাই, ২০১৮ ভোর ৫:২৩

সোহানী বলেছেন: ভাইরে এসব লিখলে খোদ গ্যাঞ্জাম ওয়ালা লোকগুলা আমারেই দিকে আঙ্গুল তুলবে!!!!!!!!!!

যাহোক, লিখবোরে ভাই তবে খুব বিজি দিনকাল যাচ্ছে........। সময় করে লিখবো।

ভালো থাকেন অনেক.......

৬২| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:৫১

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোহানী ,



শুভ সকাল ।
ভাবাভাবি শেষ হয়েছে ? অনেকদিন লেখায় নেই কেন ? যা মনে আসে লিখুন ।

২৫ শে জুলাই, ২০১৮ ভোর ৫:৪০

সোহানী বলেছেন: প্রিয় জী ভাই, আমার ড্রাফটের সংখ্যা দেখলে নির্ঘাৎ হাসবেন। এতো কিছু এক সাথে শুরু করি তারপর কিছুই শেষ করতে পারি না। তারউপর সময় ম্যানেজ বিশাল ব্যাপার। কারন একটা লিখা মানে পাঠকদের উত্তর দেয়া এবং সেটা দেরী করে দেয়া আমার পছন্দ না। তাই সময়ই দিতে হয় অনেক বেশী।

তার উপর সামার, বাচ্চাদের স্কুল বন্ধ। ্ওদের ফুট ফরমায়েশ খাটতে খাটতে জীবন শেষ। সাথে আছে দাওয়াত পর্ব ও ঘুরাঘুরি। আমার এখন ছাইড়া দে মা কাইন্দা বাচাঁ অবস্থা..........হাহাহাহাহা

তারপরও আসবো। মাথায় অনেক কিছু ঘুরছে.......... কিন্তু আপনার ড্রাফট কেন ফাইনাল হয় না!!!!!!!!!!!!!! ব্যাস্ততা কমিয়ে আমাদের না হয় একটু সময় দেন!!!!!!!!!!

৬৩| ২৫ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ১১:৪৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোহানী ,




প্রতিমন্তব্যে ধন্যবাদ ।
একবছর পুরোনো একটি ড্রাফট ফাইনাল করে এইমাত্র ঢিল ছোঁড়ার মতো ছুঁড়ে এসেছি ব্লগে .... B-)

২৮ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:৫৪

সোহানী বলেছেন: হুম অসাধারন ঢিল ছুঁড়েছেন...........। এরকম ড্রাফটগুলো একসময় ফাইনাল হবে এ প্রত্যাশায়................

৬৪| ২৮ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:৩১

কানিজ রিনা বলেছেন: সহানী অনেক ভাল লাগল, তোমার ইমেল নাম্বারটা খুজে পেলাম না পুনরায় অনুরোধ রইল
নাম্বারটা দেওয়ার জন্য। অভিনন্দন।

২৮ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:৫৩

সোহানী বলেছেন: আপু আপনার ইমেলটা দেন আমি এখনই বেক করছি। যদি FB তে এ্যাকাউন্ট থাকে তবে সোহানী সোহানী নামে খুঁজে পাবেন। নীচে লিংক দিলাম। ১০ মিনিট পর মুছে দিব এ মন্তব্য........

https://www.facebook.com/sohani2018

৬৫| ১৯ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:৫৫

শাহারিয়ার ইমন বলেছেন: আমি যতদূর জানতাম ,বাইরে বাংগালি কমিনিউটি হেলপফুল অনেক , বিশেষ করে যারা স্কলারশিপ নিয়ে যায় ।তাদের জন্য কমিনিঊটি হেল্প ও গাইডলাইন অনেক জরুরী ।আমারো ইচ্ছে আছে ,স্কলারশিপ নিয়ে বাইরে যাওয়া ।এখন যা দেখছি ,অবস্থা তো ভয়াবহ । |-)

২০ শে আগস্ট, ২০১৮ সকাল ৭:৫৯

সোহানী বলেছেন: শেষ প্যারাটা আবারো পড়ুন।

বাইরে বাঙ্গালী কমিনিউটি অনেক হেল্পফুল, অামি খুব অল্প সংখ্যক মানুষের কথা তুলে এনেছি। তাই টেনশানের কিছু নেই। স্কলারশিপ নিয়ে যারা আসে তারা যে কমিউনিটিতে থাকে তা অবশ্যই সাধারন কমিউনিটি থেকে ভালো। কাজেই চলে আসুন.....

৬৬| ২২ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:৫৮

শাহারিয়ার ইমন বলেছেন: পড়েছি আগেই বাট আপনার লেখায় নেগেটিভ টা বেশি হাইলাইট হয়েছে । ধন্যবাদ এত কিছু জানানোর জন্য

২৬ শে আগস্ট, ২০১৮ ভোর ৬:০৪

সোহানী বলেছেন: আমার বাকি লিখা পড়ার পর মন্তব্য এর কনক্লুশানে অাসবেন। কারন এ লিখাটা নেগেটিভ বিষয় নিয়েই লিখা। তাই নেগেটিভ টা বেশি হাইলাইট করেছি।

অনেক ধন্যবাদ ইমন ভাই।

৬৭| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৮

মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: আশা করি আমাদের বাংলাদেশীদের এই মানসিক দৈন্য দিনে দিনে কেটে যাবে। শুভকামনা। :)

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৩:০৯

সোহানী বলেছেন: আসলে এ ধরনের মানুষের সংখ্যা কিন্তু খুব কম। তাই নিয়ে বেশী কিছু বলার নেই।

৬৮| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:১৬

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: আহারে, সেন্সর তুলে নিয়েছিলেন কেন? বিদেশের গপ শুনে বিদেশ চলে যেতে মন চায়...

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৩:১০

সোহানী বলেছেন: সেন্সর তুলছি কারন যাদের লাইগা তা দিসি তারা এখন আমার ব্লগে উকিঁছুকিঁ কম দেয়।

৬৯| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:১৮

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: ও হ্যাঁ, পোস্টের ছবি ক্যাপশনগুলো জটিল ছিল, সেইরাম.... :-B

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৩:১১

সোহানী বলেছেন: হেহেহেহে এই আর কি!! সবই গুগুল মামার কৃতিত্ব :#)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.