নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হাজার হাজার অসাধারন লেখক+ব্লগারের মাঝে আমি এক ক্ষুদ্র ব্লগার। পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া লেখালেখির গুণটা চালিয়ে যাচ্ছি ব্লগ লিখে... যখন যা দেখি, যা মনে দাগ কাটে তা লিখি এই ব্লগে।

সোহানী

আমি অতি বিরক্ত হয়ে আমার অনেক লিখাই ড্রাফটে নিয়েছি কারন সামুতে আমার কিছু ভাবনা শেয়ার করছি, আর এ ভাবনা গুলো আমার অনুমতি ব্যাতিরেকে কপি না করার অনুরোধ করেছিলাম কিন্তু যত্রতত্র আমার লিখার কপি পেস্ট দেখেই যাচ্ছি দিনের পর দিন।

সোহানী › বিস্তারিত পোস্টঃ

জীবন যেখানে যেমন, আমার প্রবাস জীবনের ডায়রী.............. আমার প্রতিবন্ধী শিক্ষক!

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৩৫



প্রিয় লেখক খায়রুল আহসান ভাই এর গল্পঃ বোবার কান্না পড়ার পর মনে হলো হায়রে আজ যদি ছেলেটি এদেশ জন্মাতো তাহলে সে অনেক কিছুই হয়তো করতে পারতো। তাই প্রিয় খায়রুল আহসান এর গল্পটি পড়ে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারলাম না। আমি জানি, অনেকের মনেই দোলা দিবে যে যেখানে সুস্থ্য মানুষের কোন ব্যবস্থা দেশে নেই সেখানে প্রতিবন্ধীদের জন্য কিছু করা হয়তো বাড়াবাড়ি। কিন্তু একটু যদি ভাবি স্টিফেন হকিংস এর কথা, হয়তো এরকম কাউকে আমরা পেয়েও যেতে পারি। বা এ অসার হাতকে খুব সহজেই কর্মীর হাত তৈরী করতে পারি শুধুমাত্র একটু চেস্টায়, তাই নয় কি??? শুধু দরকার সবার একটু সহযোগীতা, একটু সহমর্মীতা।

যাই হোক ভাই ও বোনেরা আমরা দেশের প্রতিবন্ধীদের নিয়া ভাবার টাইম নাই তাইতো কোটা আন্দোলনের সুপারিশ নাকি প্রতিবন্ধী কোটার কাটছাট !!!!! আমরাই মনে হয় মধ্যম উন্নত দেশের তালিকায় থাকা একটি দেশ যে খুব একটা প্রতিবন্ধীদের নিয়া ভাবি না। বিশ্বের মনে হয় সব সভ্য দেশেই প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা আছে। শুধু চাকরীতেই নয় বাসে রেলে রাস্তায় খেলায় সবখানেই আছে। এমন কি তারা যাতে নির্বিগ্নে চলাফেরা করতে পারে তাই হুইল চেয়ার মুভ করার জন্য সেখানেই স্মুথ রাস্তা তৈরী করা হয়, বাসে উঠার জন্য এক্সট্রা সিঁড়ির ব্যবস্থা ও থাকে। স্কুল কলেজ ভার্সিটি সরকারী সেবা সব স্থানেই কোটা আছে এবং আছে তাদের উপযোগী চলাচলের ব্যবস্থা, অনেকটা নীচের ছবির মতো।


-
-
-
যা বলছিলাম নিজের অভিজ্ঞতা........ আমার ভার্সিটিতে প্রচুর স্টুডেন্ট থাকায় একটি সাবজেক্টে ২/৩ জন টিচার পড়ায়। তাই আমরা সাধারনত: কে ভালো পড়ায় ও ভালো মার্কিং করে তা জেনে রেজিস্টার করি। এই সেমিস্টারে তাই বন্ধু-বান্ধব সর্কেলকে কল দিতেই সবাই এক বাক্যে বললো ওসমন্ড এর ক্লাস নাও। এই বিষয়ে যেমন ভালো পড়ায় তেমনি মার্কিং ও ভালো। যাহোক, প্রথম ক্লাসে একটু দেরী হয়ে গেল ঢুকতে। দৈাড়াতে দৈাড়াতে ঢুকেই অনুমতি চাইলাম। কর্নার থেকে ওসমন্ড এক গাল হেসে উঠে বললো, ইয়ং লেডি, আমার ক্লাসে ঢুকার বা বের হবার কোন রেস্ট্রিকশান নেই। যার যখন খুশি ঢুকবে, যখন খুশি বের হবে তবে সাইলেন্টলি, অন্যকে ডিস্টার্ব করে নয়। কারন তোমরা সবাই এডাল্ট, ভালো মন্দ বোঝার ক্ষমতা তোমাদের আছে। আর আমার লেকচার যে তোমার ভালো লাগবেই তা ও ঠিক না, তাই তোমার মুক্তি দরকার সে সময়টার জন্য.......। এই বলে হাহাহাহা করে অট্ট হাসিতে ফেটে পড়লো।

যাই হোক ক্লাসে ঢুকে তাকালাম ওসমন্ড এর দিকে, একটু থতমত খেলাম। হুইল চেয়ারে বসা ওসমন্ড নিজে চলাফেরা করতে পারে না, শরীর অনেক ভারী কিন্তু ভারী চশমার ফাকেঁ বুদ্ধিদীপ্ত দুটি চোখ। খুব আমুদে সে, সারাক্ষনই হাসি লেগে থাকে মুখে। আর পড়ানোর স্টাইল এক কথায় অসাধারন, ক্লাস কখন শুরু হয় বা কখন শেষ হয় তাই বুঝতে পারি না এতোটাই মনোযোগী থাকি।

সে তার জীবন কাহিনী বলতে খুব পছন্দ করে। সময় পেলেই শুরু করে এটা সেটা, স্কুলের কথা প্রতিবেশীর কথা, বউ বাচ্চাতো কমন বিষয়। মাঝে মাঝে রিডল দেয় সল্ভ করার জন্য যা আমাদের জন্য আইসব্রেক পড়ার ফাঁকে। এক সময় নিজের জীবনের শুরুটা শেয়ার করলো আমাদের সাথে। জন্মের পরই তার কঠিন রোগের বাচাঁ মরার লড়াই চলছিল। প্রায় আড়াই বছর পর্যন্ত ছিল হাসপাতালে। সিঙ্গেল মায়ের কাছে বড় হওয়া ওসমন্ড এর স্ট্রাগল ছিল সবার চেয়ে একটু বেশীই। তারপর স্কুল শুরুর পর থেকে মায়ের চেস্টা সাথে ক্লাস টিচারদের সহযোগীতায় আজকের ওসমন্ড। ক্লাসের সমবয়সীদের থেকেও অনেক সহযোগীতা পেয়েছে সবসময়ই। প্রতিবন্ধী ছিল বলে ক্লাসের টিচারকে এক্সট্রা কেয়ার নিতে হতো। এবং তিনি তা হাসি মুখেই করতেন। ক্লাসের পর অতিরিক্ত সময় দিতেন তাকে। প্রথম দিকে কোনভাবেই পড়ায় কোন্সেন্ট্রেশান ধরে রাখতে পারতো না। অনেক চেস্টার পর ডাক্তাররা বুঝতে পারলো তাঁর আইবল কিছুক্ষন পর পরই সরে যায়। তাই ট্রিটমেন্টের এর পর এমন চশমা পড়তে হয় তাকেঁ। ডাক্তার, টিচার, ক্লাসমেট সবাই অসম্ভব স্নেহ করতো ভালোবাসতো। রিসেসে(টিফিন পিরিওড) যখন একা বসে থাকতো তখন অফিসরুম থেকে কেউ না কেউ এসে তাকে সঙ্গ দিতো।

একদিন ক্লাসে আগে আসলাম বলে তাঁর সাথে গল্প করতে বসলাম। ওর আড়াই বছরের ছেলেকে নিয়ে মজার সব কথা বলছে। বললো, জানো ওর একটা গার্লফ্রেন্ড আছে এ বয়সেই। কখনই কারো সাথে খেলনা শেয়ার করে না কিন্তু পাশের বাসার সেলিনা আসলে সব খেলনা নিয়ে হাজির হয়, এ বলে হো হো করে হেসে উঠলো। ঠিক আমার মতো। আমি জিজ্ঞাসা করলাম কেন? তুমিও কি অল্প বয়স থেকেই গার্লফ্রেন্ড জোগাড় করেছে নাকি?? আরো অট্ট হাসিতে বলতে লাগলো অনেকটা। শুনো আমার কাহিনী.....

আমারও ঠিক সেলিনার মতো চমৎকার একটি প্রতিবেশী ছিল। আমিও ওর পিছনে অাঠার মতো লেগে থাকতাম। কিন্তু ও কোনভাবেই পাত্তা দিতো না। তারপর যখন একটু আধতু ভাব হতে লাগলো তখন ক্লাসে নতুন একটি মেয়ে আসলো, আমি দেখেই ক্রাশ খেলাম। অনেক কস্টে তার সাথে সম্পর্ক করলাম। কিন্তু সে কোনভাবেই আমাকে বয়ফ্রেন্ড করতে রাজি না। যাহোক একসময় ওর থাকার জায়গা নিয়ে সমস্যা হলো। আমি শুনে ওকে আমার সাথে থাকার প্রপোজ করলাম। আমরা একসাথে থাকা শুরু করলাম। ও ওর মতো থাকে আমি আমার মতো। কিন্তু তারপরও আমাকে বয়ফ্রেন্ড করতে রাজি হয়নি। এর মধ্যে আমি ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে শুনে জেনে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করলাম। কিন্তু আমার গোড়া ধার্মিক পরিবার এর কথা চিন্তা করে বিষয়টি কাউকে জানালাম না। ঠিক নয় মাস পরে জেরিন একদিন এসে আমাকে বললো যে সে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছে। এবং ইসলামে বিবাহ বর্হিভুত কোন ছেলের সাথে থাকা জায়েজ নয় তাই সে চলে যাবে। আমি তখন কি বলবো বুঝতে পারিনি কিন্তু আনন্দিত মনে হয় জীবনে হয়নি। তখনই তাকে আমার কথা বললাম, ও শুনে সাথে সাথে আমাকেই বিয়ের প্রপোজ করে ।.............

একটু অবাক হয়ে জানতে চাইলাম তোমার নামতো চেইন্জ করোনি!!! তাই আমি বুঝতে পারিনি তুমি মুসলিম।

নাহ্, কারন এখনো কেউই জানে না...... এ কথা বলে আবারো অট্ট হাসি। তারপর একটু গম্ভীর হয়ে বলে, যে মা তাঁর জীবন সেক্রিফাইস করেছে আমার জন্য তাঁকে কষ্ট দিতে চাই না, বুঝেছো ইয়ং লেডি।

-
-
-
যাক্গা, ফুল প্রেম লতা পাতা নিয়াই লিখুম এখন থেইকা। সক্কলেই খুশি তাইলে.......... ওম শান্তি ওম শান্তি। তাই আইজকার এ চেস্টা!!!!!!!!! দৈাড়ের উপ্রে থাইকা লিখা দিসি তাই নিজগুনে পইড়া নিয়েন। আর খুঁচাখুঁচি করতে চাইলে করতে পারনে তয় আমার টাইম নাইক্কা। তাই ডিলিট বাটনের উপ্রে আল্লাহ্ ভরসা...............!

বি:দ্র: ছবি গুগুল মামার সাহায্য।

মন্তব্য ৭৪ টি রেটিং +১৮/-০

মন্তব্য (৭৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৫০

প্রামানিক বলেছেন: মুসলিম হলে নাম চেইঞ্জ করতেই হবে এমন কোন আয়াত মনে হয় কোরানে নেই, কেয়ামতের দিন নাম হিন্দু না মুসলমান এ নিয়ে কোন প্রশ্ন হবে কিনা এরকম কোন হাদীসও আমার চোখে পড়ে নাই।
ধন্যবাদ বোন সোহানী, সুন্দর একটি ঘটনা শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৪০

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় ছড়াকার। দেরীতে রিপ্লাই দেবার জন্য দু:খিত।

আসলে সে নাম চেইন্জ করতে না চাওয়ার পিছনের কাহিনী জানি না। এতটুকু শুধু বলেছে মাকে কষ্ট দিতে চায় না।

অনেক ভালো থাকেন।

২| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৫০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: বাহা! বেশ ভালো লাগলো আপু। সুন্দর অনুভূতি। শ্রদ্ধেয় খায়রুল আহসান স্যারের ' বোবার কান্না ' আমিও পড়েছিলাম। খুব ভালো লেগেছিল।


শুভকামনা জানবেন।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৪৪

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পদাতিক ভাই।

সরি আপনার লিখা অফ লাইনে বাসে ট্রেনে যেতে যেতে পড়ি কিন্তু কমেন্টস করা হয় না। যদি অনুমতি দেন তাহলে ইংরেজীতে মন্তব্য করবো কারন মোবাইলে বাংলা ফন্ট ইন্সটল করিনি অনেকটা ইচ্ছে করেই। যদিও আমি বাংলা ব্লগে ইংরেজী লিখতে পছন্দ করি না।

ভালো থাকুন সবসময়ই।

৩| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:০২

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: আমাদের দেশের সুস্থ স্বাভাবিক অনেক প্রতিভাই পরিচর্যার অভাবে ঝরে যায়। প্রতিবন্ধীরা তো অনেক দূরে।

গল্প ভালো লেগেছে আপু।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৫১

সোহানী বলেছেন: আসলেই তাই, দেশের সুস্থ স্বাভাবিক অনেক প্রতিভাই পরিচর্যার অভাবে ঝরে যায়। তাই প্রতিবন্ধীরা তো অনেক দূরে। কিন্তু একটু চেস্টা করলেই এ অসাড় হাতকে কাজের হাত বানাতে পারি, শুধু দরকার একটু সহেযোগীতা।

অনেক ভালো থাকেন জুনায়েদ ভাই।

৪| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:০৯

আখেনাটেন বলেছেন: চমৎকার। চমৎকার। মচৎকার।


যাক্গা, ফুল প্রেম লতা পাতা নিয়াই লিখুম এখন থেইকা। সক্কলেই খুশি তাইলে... -- হা হা হা। ভালো স্ট্রাটেজি। মিত্র বাড়াও। আমিও এখন ছাগল-টাগল নিয়ে লিখছি। থাক ওরা সুখে। কে হায় খাল কেটে কুমীর আনিতে ভালোবাসে?

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০৩

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহাহা..... নাট ভাই, এ স্ট্রাটেজি নেয়া ছাড়া উপায় নাই কারন বিজি। তবে ক্যাচাল খারাপ না, সবার চরিত্র টের পাওয়া যায়। তাই মাঝে মাঝে খাল কেটে ডাইনোসার আনা খারাপ না, এন্টারটেইনমেন্ট। ব্লগ গরম থাকে............... ;)

৫| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:২২

রাকু হাসান বলেছেন:

স্কুল,কলেজ রাস্তাঘাট,খেলার মাঠ কোথাও প্রতিবন্ধী বান্ধন অবকাঠামো গড়ে উঠে নি ,সত্যি খুব দুঃখজনক । এমন এমন কিছু অবকাঠামো আছে যেখানে সুস্থ মানুষ ও চলাচল করা কষ্টকর । আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করায় ভাল লাগলো । গল্প টি আমার পড়ার সুযোগ হয়নি । এখন পড়তে পারবো ।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০৭

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ রাকু ভাই।

সাধারন মানুষের জন্য অবকাঠামোই যেখানে নেই সেখানে প্রতিবন্ধীদের জন্য কিছু করা সত্যিই বিলাশিতা। তারপরও ওদেরকে নিয়ে চিন্তা করতে হবে, কিছু করতে হবে। ওরা কেন অন্যের বোঝা হয়ে বেচেঁ থাকবে.................

ভালো থাকুন সবসময়।

৬| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:২৩

রাকু হাসান বলেছেন:

স্কুল,কলেজ রাস্তাঘাট,খেলার মাঠ কোথাও প্রতিবন্ধী বান্ধন অবকাঠামো গড়ে উঠে নি ,সত্যি খুব দুঃখজনক । এমন এমন কিছু অবকাঠামো আছে যেখানে সুস্থ মানুষ ও চলাচল করা কষ্টকর । আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করায় ভাল লাগলো । গল্প টি আমার পড়ার সুযোগ হয়নি । এখন পড়তে পারবো ।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০৭

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৭| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:৩৩

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: বেশ বড়সড় অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন আপু, ভালো লাগলো।

প্রতিবন্ধীদের নিয়ে বর্তমান সরকার তো মোটামুটি ভালোই ভাবছেন বলেই জানি যা বিগত কোন সরকার এসব ভাবতই না।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০৯

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ নয়ন।

তোমার গানগুলো সব পড়েছি ও শুনেছি ফেইসবুকে ও এখানে। কিন্তু কমেন্ট করতে পারিনি। সবগুলেঅই দারুন হয়েছে। তুমি জাত গীতিকার ও সুরকার।

৮| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:০৪

নাজিম সৌরভ বলেছেন: ভালো লাগলো পড়ে। কিছুটা গুরুগম্ভীর লেখা, তবে শেষ প্যারা পড়ে হাসলাম। :)

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:১০

সোহানী বলেছেন: শেষ প্যারা আত্মউপলব্ধি.................

অনেক ধন্যবাদ নাজিম ভাই।

৯| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:১৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ছোট্ট লেখাটায় অনেকগুলো বিষয়ই চলে এসেছে।

প্রতিবন্ধীদের প্রতি আমাদের মানবিকতাবোধ খুব নিম্নস্তরে। অন্য পরিবারের প্রতিবিন্ধী তো দূরের কথা, নিজ পরিবারের প্রতিবন্ধীদের প্রতিও আমার মায়া-মমতা ও দায়িত্ববোধ নিষ্ঠুরতার পর্যায়ে। এর কারণও আছে। পরিবারের প্রতিটা সদস্যই জীবিকা অর্জনের জন্য প্রতিনিয়ত ব্যস্ত থাকে; একজন প্রতিবন্ধীর প্রতি যত্ন নেওয়ার সময় নেই। ঐ প্রতিবন্ধীরও জীবিকা অর্জনের একটা হাত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তার বদলে এখন তাকে টানতে হচ্ছে। এজন্য তার উপর বাকি সদস্যদের বিরক্তি ক্রমশ বাড়তে থাকে। ব্যাপারটা এতোই নির্মম যে ভাবতে গেলে মন অস্থির হয়ে ওঠে। যাদের সামর্থ্য আছে, তারা হয়ত এদেরকে প্রতিবন্ধী স্কুলে পাঠাতে পারে, কিন্তু সবার ভাগ্যে এটা জোটে না। আশার কথা হলো, প্রতিবন্ধীদের জন্য বিগত কয়েক বছর ধরেই রাষ্ট্রীয়ভাবে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। এই খাতে বড়ো বাজেট দেয়া গেলে অনেক বেশি সংখ্যক প্রতিবন্ধী উপকৃত হবে।

মায়ের কষ্টটা হলো, স্বাভাবিকভাবেই, সবচাইতে বেশি। একটা বোবা বাচ্চা, হয়ত অনেক কিছুই চাইছে, বা বলতে চাইছে, কিন্তু বলতে পারছে না। বাচ্চাটার কী যে কষ্ট, ঐ জায়গায় নিজেকে বসালে সেটা অনুভব করা যায় কিছুটা।

ওসমন্ডের সাথে আপনার কনভার্সেন ভালো লাগলো। ওকে বলতে পারেন ওর নাম ওসমান হতে পারে :) মোহাম্মদ ওসমন্ড হলেও সমস্যা দেখি না। নাম চেঞ্জ না করলেও সমস্যা নাই। নামে কিছু না, অন্তরে আল্লাহ ও ইমান থাকলেই হলো।

প্রতিভা ও প্রচেষ্টা থাকলে প্রতিবন্ধীরাও অসামান্য অবদান রাখতে পারে। ওসমন্ড এবং হকিংরা তার প্রমাণ।

লেখায় ভালোলাগা জানিয়ে গেলাম হোসানী আপু।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৩২

সোহানী বলেছেন: এটাই দেশের বাস্তবতা সোনাবীজ ভাই।

সত্যিটা আপনাকে চুপি চুপি বলি। কানাডা বা আমেরকিায় যদি এরকম বাচ্চা জন্মায় তাহলে সরকার সকল খরচ বহন করে। এমন কি তার শিক্ষা, চিকিৎসা... সব। এমনিতেই এখানে বাচ্চাদের জন্য এ্যালাউন্স আছে তবে প্রতিবন্ধী বাচ্চা হলে অনেক বেশী এ্যালাউন্স পায় মা। সে তুলনায় আমাদের দেশে রাস্ট্রীয়ভাবে কিছুই নেই বলতে গেলে। তাই একা পরিবার ওদের সব খরচ মেইনটেইন সত্যিই দূরহ।

তার উপর তার দেখাশুনা করার বাস্তবতাতো আপনিই উল্লেখ করেছেন। আর মায়ের কষ্টের বোঝা কেউ কখনোই নিতে পারবে না।

ওসমন্ডের নাম চেইন্জ বিষয়ে আমি জানতে চাইনি। ওটা ওর পার্সোনাল ইস্যু। তবে আমার বিশ্বাস নামে কি আসে যায় তাই ...

আর আমার নামের আকিকা দিবেন কবে??? জানেন না নাম চেইন্জ করলে আকিকা দিতে হয় প্রিয় জনদের। তাই নয় কি!!!!

১০| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৩২

রাজীব নুর বলেছেন: অনেকদিন পর ব্লগে আপনার পোষ্ট পেলাম।
মানূষের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো মানবতা। কিন্তু মানুষ মানবতা হারিয়ে ফেলেছে। হয়ে পড়েছে অমানবিক।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:২৫

সোহানী বলেছেন: মেনি থ্যাংকস্ নুর ভাই আমাকে মনে রেখেছেন।

মানবতা বলে শব্দটাই মনে হয় দিন দিন বিলুপ্ত ঘোষনা হবে। এবং সেটা হবে আমাদের মতো দেশগুলেঅ থেকে। কেন জানেন??? কারন আমরা আমাদের প্রজন্মকে মানবিক নয় অমানবিক হতে শিখাই দিনের পর দিন।

১১| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৩৯

সৈয়দ ইসলাম বলেছেন: ওসমন্ডের মত আমারো বাচ্চা বয়সে গার্ল ফ্রেন্ড ছিল, থুক্কু ওসমন্ডের বাচ্চা ছেলের মত আমারো একজন সেলিনা ছিল :( কিন্তু সে আর পাশে নেই! কারণ সে শুধু আমারই গার্ল ফ্রেন্ড ছিল কিন্তু আমি ওর বয়ফ্রেন্ড হতে পারি, মানে সে আমায় বয় ফ্রেণ্ড করতে নারাজ ছিল। গতকাল রাত ১১টা ১১মিনিটে আমার ভালমন্দ জানতে চাওয়ায় তার স্মৃতি ভেসে উঠেছিল, আর আজ আপনার গল্প পড়ে। |-)

ভালই তো লেখছেন, ডিলিট বাটনের ধারেকাছেও যাবেন না বলে দিলাম। অনেক ভাল লেগেছে গল্পটি।

শুভকামনা আপনার জন্য।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৩১

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহাহা........ এ বয়সে সবাইরই মনে হয় গার্লফ্রেন্ড/ বয়ফ্রেন্ড থাকে তবে কখনো সেটা এক পাক্ষিক কখন বা দোপাক্ষিক।

রাত ১১:১১ এর স্মৃতি রোমন্থনের জন্যই আমি আবার মনে করিয়ে দিলাম...। আর ডিলিট বাটন আমার জন্য নয় ক্যাচালকারীদের জন্য। আগের পোস্টগুলা পড়লে বুঝবন........... :( :( :( :( :( :( :( :( :( :( :( :( :(

১২| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৫৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: রিসেসে (টিফিন পিরিওডে) ও যখন একা বসে থাকতো তখন অফিসরুম থেকে কেউ না কেউ এসে ওকে সঙ্গ দিত - কি অপূর্ব এক মায়াময় সহমর্মিতা! স্পর্শিত হ'লাম, অভিভূত হ'লাম!
আমার লেখা একটা গল্প পড়ে আপনি প্রবাস জীবনের নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে এ পোস্টটা লিখে গেলেন, এবং শুরুতেই আমার সে গল্পটার একটা লিঙ্কও দিয়েছেন, এজন্য ভীষণ অনুপ্রাণিত বোধ করছি এবং আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। হয়তো আপনার এ লেখার প্রথম মন্তব্যকারী পাঠক প্রামানিক আপনার এ লেখাটা পড়েই আমার "বোবার কান্না" ও পড়ে এসেছেন এবং সেখানে একটি মন্তব্যও রেখে এসেছেন।
আপনার গল্পটা গল্প নয়, বাস্তব। আমারটাও তাই। কখনো কখনো সত্যটা গল্পের চেয়েও অবিশ্বাস্য হয়ে থাকে।
পোস্টে প্লাস + +

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৩৫

সোহানী বলেছেন: আসলে আমি মিথ্যে গলাপ কেন যেন লিখতে পারি না। বাস্তবের গল্পই লিখতে ভালো লাগে। আপনার গল্পটি পড়ে এখানকার সুবিধার কথা ভেবে মনটা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বাস্তবতা হলো আমাদের এতো সম্পদ নেই।............ এখানে স্কুল থেকে সন্মান বিষয়টি শেখায় আর আমরা যে কি শেখাই তাও জানি না............।

১৩| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:০৪

মলাসইলমুইনা বলেছেন: ওম শান্তি, ওম শান্তি এখনো খুচাখুচি করণের কারনিক কেউ আসেনি ! তাই এই ফাকে আমার মন্তব্যটা সেরে নেই I ডিলিট বাটনে চেপে কোন মিনিটেই যে আবার মুছে দেন লেখা (খবরদার সেটা করবেন না কিন্তু ঠিক মাথার উপরে সৈয়দ ইসলামের মন্তব্য দ্রষ্টব্য ) I আখেনাটেনের মন্তব্যের অনেকগুলো কথা আমিও ভেবেছিলাম বলবো I এখন আর বলার দরকার নেই I তারপরেও বলি এতো দিন আমেরিকায় থেকেও আমার একটা কষ্ট এখনো যায়নি I সেটা হলো এদের রাস্তা ঘাটের আর্কিটেকচারের কথা যখনি ভাবি, পাবলিক ট্রান্সপোর্টেশনের ডিজাইন যখন দেখি তখন আমাদের দেশের হ্যান্ডিক্যাপ্ড মানুষদের চলা ফেরার সীমাবদ্ধতা মনে করে এখনো মনের কোনায় কোনায় কষ্ট এসে ভোর করে I দেশের বাইরে না এলে হয়তো ব্যাপারগুলো এমন করে ভাবার সুযোগ থাকতো না I লেখায় অনেক ভালোলাগা I

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৪০

সোহানী বলেছেন: নাইমুল ভাই, খুচাঁখুঁচি করণের কারনিকরা আসবে না এই মূহুর্তে কারন ওরা দেখলাম আরো কজনের পিছনে ব্যস্ত আছে..... হাহাহাহাহা। ওদেরকে বিতাড়নের পর আবার হয়তো আয়েশ করে এখানে আসবে।

শুধু রাস্তা ঘাটের আর্কিটেকচারেরই শুধু না, সর্বক্ষেত্রে ওদের জন্য সকল সুযোগ দেখে দেশের জন্য মন কাদেঁ। সবচেয়ে বড় কথা ওরা মানুষ হিসেবে চিহ্নিত করে অন্য কিছু হিসেবে নয়।

অনেক ভালো থাকুন।

১৪| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:২৮

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: আমাদের দেশে তো প্রতিবন্ধীদের বোঝা মনে করে সবাই।এ দৃষ্টি ভঙ্গি থেকে আমাদের বের হতে হবে।
সুন্দর একটি পোষ্টে +++

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৪১

সোহানী বলেছেন: সত্যিই তাই সোহেল ভাই। কিন্তু কিভাবে? আমরা জানি না।

১৫| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৫৮

অচেনা হৃদি বলেছেন: যাকগা, ফুল প্রেম লতা পাতা নিয়াই লিখমু এখন থেইকা। সক্কলেই খুশি তাইলে... ওম শান্তি ওম শান্তি।
বাক্যটা পড়ে খুব হাসি পেল।
=p~

আমি তো সবাইকে খুশি করার মত লেখাই লিখতাম। তবুও ওম শান্তি হলনা।

আসলে ফুল প্রেম লতা পাতা ছাড়া অন্য টপিক (যেমন রাজনীতি) নিয়ে লেখা বড় কঠিন। আমি সবসময় মিষ্টি মিষ্টি লেখা দিতাম। তখন আমার কত শুভাকাঙ্ক্ষী ছিল! অনেকে অলটাইম আমার ব্লগ ঘুরে দেখত নতুন কিছু লিখেছি কি না। কেউ কেউ ছড়া কবিতা লিখে আমাকে উৎসর্গ করতো!
যেদিন আমার লেখায় সামান্য রাজনীতি এলো সেদিনই সেই লোকগুলো আমার শত্রু হয়ে গেল। যে লোক কবিতা উৎসর্গ করত সেই লোকটাই খুব খু-ব বাজে মন্তব্য করে আমাকে কষ্ট দিল।
হায়রে রঙ্গ ভরা বঙ্গ ব্লগ।

যাকগা, এই পোস্টের উপ্রে কিছু কথা কমু।
প্রতিবন্দি কাউকে দেখলে আমার খারাপ লাগে। বিশেষ করে কোন নারী প্রতিবন্দিকে দেখলে সৃষ্টিকর্তার উপর খুব অভিমান লাগে কেন একজন নারিকে তিনি এরকম বানাবেন। কোথাও পড়েছিলাম, নারী প্রতিবন্দিরা সহজেই এবিউজের শিকার হয়।
কানাডাতে প্রতিবন্দিরা সুখে আছে জেনে ভালো লাগলো। কানাডার মত সব দেশের মানুষ সভ্য হোক এই কামনা করি।
গল্পের ওসমন্ডের কথা জেনে খুব ভালো লেগেছে। এই লোকটা ইসলাম গ্রহণের পর যদি নাম পাল্টাতে চায় তাহলে ‘ওসমান’ নাম রাখতে পারে, এতে নামের খুব একটা হেরফের হবে না।

আপু কিন্তু পোস্টে ব্যবহৃত ছবিগুলোর উৎস উল্লেখ করেননি। বিশেষ করে প্রথম ছবিটা দেখে ওসমন্ডের ছবি ভেবেছিলাম। কিন্তু পোস্টে লিখেছেন ওসমন্ড খুব ভারি শরীরের লোক। এটা তো তাহলে ওসমন্ড নয়।

সুন্দর একটি লেখা উপহার দেবার জন্য আপুকে ধন্যবাদ।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৫৬

সোহানী বলেছেন: হায় হায় তাড়াহুড়ায় ভুলেই গেছি উৎস উল্লেখ করতে। মেনি থ্যাংস......

এখন আমাদের পথ হলো দুটো, ১) ফুল লতা পাতা প্রেম নিয়ে লিখে চিহ্নিত ক'জনের প্রিয় হওয়া ও উৎসর্গ লিস্টে নিজের নাম জ্বলজ্বল করতে দেখা কিন্তু পাঠক সংখ্যা সামান্য কিছু ২) নিজের মনের সত্যিকারের ভাবনার লিখা তারপর আপনাকে ছাগু পাগু উপাদি দিয়ে সাইদীর সাথে চাঁন্দে পাঠানোর চেস্টা (যদিও এদের হাতে এছাড়া কোন উদাহরন নেই) সাথে ছাগলধুনা কমেন্ট। কিন্তু পাঠক সংখ্যা অগনীত। এখন আপনার ডিসিশান, সময়ের তালে চামচা হবেন নাকি সত্যি কথাটা বলবেন।

যাকগা আর কিছু কমুনা এখন... বিজি আছি। ...........

প্রতিবন্ধী নিয়ে যা বলেছেন তার উপর কিছু বলার নেই। লিখাটায় আরো অনেক কিছু যোগ করার ইচ্ছে ছিল কিন্তু সময়ের অভাবে পারিনি।

আর আপনার লিখার অনেক কমেন্টস্ কিন্তু বাকি। সময় করে ফিরে আসবো। আপনি খুবই ভালো লিখেন। কারো ধাক্কায় লিখা বন্ধ করবেন না।

১৬| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৮

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


আপু,...................
যাক অবশেষে সময় হলো!! আপনি যা লেখেন তাতেই সোনা ফলে; এ লেখাটিও তার ব্যতিক্রম নয়৷আজকের টপিকের বিষয়টি চমৎকার; বলার এবং অনুধাবন করার অনেক গভীর বিষয় আছে৷আপনি বলেছেন, "যেখানে সুস্থ মানুষের কোন ব্যবস্থা দেশে নেই সেখানে প্রতিবন্ধীদের জন্য কিছু করা হয়তো বাড়াবাড়ি৷" একদম হক কথা৷এদেশে প্রতিবন্ধীরা হলো প্রথমে পরিবারের বোঝা, পরে সমাজের বোঝা আর সর্বশেষ রাষ্ট্রের বোঝা৷তারপরও কিছু ব্যতিতিক্রম আছে৷কোন কোন প্রতিবন্ধী নিজ উদ্যোগে অনেক সৃজনশীলতার সাক্ষর রাখছেন৷এতে পরিবারের একটি ভূমিকা থাকতে হয়ে এসব মানুষদের আত্মবিশ্বাসী করে বড় করতে ৷

স্টিফেন হকিংসের জন্ম বাংলাদেশে হলে বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী হওয়ার কোন সুযোগ ছিল না৷দু'বেলা দুমঠো মোটা ভাত জুটতো কিনা তা নিয়েও সন্ধিহান আমি৷তবে পরিবারের লোকজন অতি ধূর্ত হলে তার উপাধি হতো "পীরে কামেল", কিংবা " ইশারা বাবা", অথবা "শোয়া বাবা"৷ এতে অবশ্য সহায় সম্পদ এবং সম্মান অনেক হতো ৷

বিশ্বের উন্নত ও মানবিক দেশগুলো প্রতিবন্ধীদের মর্যাদার চোখে দেখে এজন্য বাসে, ট্রেনে, হাঁটার পথে, গাড়ি পার্কিংয়ে এক্সট্রা কেয়ার পায়৷সরকারী ও বেসরকারি চাকরিতে অনেক অগ্রাধিকার পায়৷যাদের কাজ করার সামর্থ্য নেই তাদেরকে সরকার বড় অংকের আর্থিক সহযোগিতা করে৷জীবনে যাতে কখনো মনে না হয় তিনি সমাজ ও দেশের বোঝা এজন্য পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র তার সব রকম ব্যবস্তা রাখে৷

লন্ডনে দেখেছি দুই পা না থাকা অবস্থায়ও মানুষ হ্যানড্ ব্রেক ব্যাবহার করে ড্রাইভিং করতে পারে৷আমার কাছে সবচেয়ে ভাল লেগেছে এসব মানুষদের প্রতি মানুষের ভালবাসা ও রেসপেক্ট দেখে৷এগুলো করতে টাকা পয়সা করছ করতে হয় না; থাকতে হয় বিবেক আর সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা৷আমরা ধনী দেশগুলোর মতো হয়তো অনেক সীমাবদ্ধতার জন্য অনেক কিছু করতে পারবো না৷কিন্তু তাদের জন্য বেঁচে থাকার একটি সম্মানজনক জীবন দিতে চেষ্টা করতে পারবো ৷

আপনার টিচারের জীবনের অভিজ্ঞতা তো দারুণ৷কানাডায় জন্ম না হয়ে বাংলাদেশে হলে তিনি হতেন, "সাদা বাবা" জাতীয় কিছু৷টিচার হওিয়ার চান্স খুব সীমিত ছিল ৷অনেক শুভ কামনা আপু, দৌড়ের উপরে থাকেন সমস্যা নেই৷কিন্তু এটা অজুহাত হিসেবে দাঁড় করানো যাবে না!!!

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:২৪

সোহানী বলেছেন: তোমার লিখার উপর কিছু নেই। (সরি আমি বেশীক্ষন আপনি বলতে কষ্ট হয়।) তোমার মতো লিখতে পারলে জীবন ধন্য হতো।...

হাঁ সত্য, এদেশে প্রতিবন্ধীরা হলো প্রথমে পরিবারের বোঝা, পরে সমাজের বোঝা আর সর্বশেষ রাষ্ট্রের বোঝা৷একান্ত পারিবারিক চেস্টা ছাড়া ওদের কিছু করার সুযোগ নেই। কিন্তু দেশের বাইরে এ নিয়ে পরিবারের অতো চিন্তা করতে হয়না বলে অনেক কিছুই সম্ভব হয়।

আর স্টিফেন হকিংস নিয়ে বলেছো এর উপর কথা নেই। বেচারা এদেশে না জন্মায়ে কি লসটাই না করলো.... হাহাহাহাহাহা ইশারা বাবা হতে যেয়েই হতে পারলো না।

আর উন্নত দেশে সম্পদ, মানষিকতা সব মিলিয়ে অনেক কিছু সম্ভব। যা এ দেশে অসম্ভব। তারপর আশা হয়তো একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে।

অনেক ভালো থাকুন প্রিয় লেখক। দৈাড়ের যন্ত্রনায় অস্থির আছি........... কখন যে মুক্তি মিলবে।

১৭| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:১৩

সুমন কর বলেছেন: ওসমন্ডের কাহিনী পড়ে ভালো লাগল। আমাদের দেশে প্রতিবন্ধী'দের তেমন সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা নেই। তাই তারা এগিয়ে যেতে পারে না। +।

আর শেষ প‌্যারা পড়ে হাসতেই হলো............ ;)

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:০৯

সোহানী বলেছেন: সত্যিই তাই...............আমাদের দেশে প্রতিবন্ধী'দের তেমন সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা নেই বলেইতো এতোটা দু:খ।

আর শেষ প‌্যারা !!!!!!!!! এইটা একরকম ওষুধ ;););););););)

১৮| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:৪৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: খুব খুব ভাল লাগল পড়ে। উন্নত দেশে রাস্তাঘাট , পাব্লিক ট্রান্সপোর্টের সাথে সাথে মানুষও প্রতিবন্ধী বান্ধব। স্কুল থেকেই বাচ্চাদের এই শিক্ষা দেয়া হয়। আমার মেয়ের ক্লাসে একজন শারীরীক প্রতিবন্ধী ছাত্রী আছে। টিচারদের নির্দেশ দেয়া আছে যে এই ছাত্রীটিকে সব সময় সব রকম সহায়তা বন্ধুদের দিতে হবে। প্রতিবন্ধী ছাত্রীটির যেন কখনও কারো কাছে ফেবার চাইতে না হয়। শূনে অবাক হয়েছি যে প্রতিবন্ধী মেয়েটি সাত দিনের কেম্পিং ট্রীপে পর্যন্ত গেছে এবং সব আনন্দ উপভোগ করেছে।

আমাদের দেশে সুযোগ সুবিধার কথাতো বাদই দিলাম। প্রতিবন্ধীদের সবাই সমাজের বোঝা মনে করে এবং এসব পরিবারদের আত্মীয় পরিজনরাও এড়িয়ে চলতে চেষ্টা করে। শূধু তাই নয় অনেক ক্ষেত্রেই এই দুর্বলতার নোংরা সুযোগও নেয়ার চেষ্টা করে।

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:১৩

সোহানী বলেছেন: শুনে অনেক ভালো লাগলো। আমাদের ইয়ারে রোকেয়া হলে ও একজন অন্ধ মেয়ে ছিল। সবার আন্তরিকতা ছিল সবসময়ই। তাইতো সবসময়ই দু:খ রাস্ট্রীয় পর্যায় থেকে যদি একটু এগিয়ে আসতো তাহলে ওরা অনেক কিছু করতে পারতো।

১৯| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:০৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হায়!
আমাদের দেশে যেখানে মেধ্যাবীদের বা সাধারন সুস্থদেরই নূন্যতম মৌলিত অধিকারের জণ্য রাজপথে নামতে হয়!
সেখানে প্রতিবন্ধীদের জন্য ভালবাসা তো স্বপ্নের মতো।
কত মেধাবী অকালে ঝড়ে যাচ্ছে! বেতন দিতে না পেরে! অভাবের সংসারে! টিচারদের কুকুর খেদাও ব্যবহারে! কে খবর রাখে?

আমাদের প্রাথমিক আর মাধ্যমিক স্কুলের ৯৭ ভাগই ডিসেকায়ািলফাইড আন্তর্জাতিক সে মানদন্ডে!
একটা জাতির বৃহত্তম অংশই ভুল পরিবেশে ভুল শিক্ষায় বেড়ে উঠছে যার অব্যবহিত ফলাফল পাচ্ছি জাতীয় জীবনে।
আচরণে।পরিবারে। সমাজে।

কল্পলোকের গল্পকথাই মনে হয় এমন কাহিনী শুনলে।

অনেক অনেক ভাললাগা
++++++

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:২৩

সোহানী বলেছেন: বিগু, সব কিছুর মূলে হলো সীমিত সম্পদ কিন্তু অসীম জনসংখ্যা। তাই এ সীমিত সম্পদ দখল নিয়ে চলে কঠিন লড়াই। কে কাকে মেরে দখল নিবে সেটাই বড় কথা। মনুষত্ব, মানবিকতা, নীতি, সততা এসব অনেক আগেই দেশ ছেড়ে পালিয়েছে।

সত্যিই মেধাবীদের বা সাধারন সুস্থদেরই নূন্যতম মৌলিত অধিকারের জন্য রাজপথে নামতে হয়! সেখানে প্রতিবন্ধীদের জন্য ভালবাসা তো অলীক স্বপ্নের মতো।.........

২০| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৫২

করুণাধারা বলেছেন: উন্নত দেশের মানুষের এই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া ব্যাপারটা আমার খুব ভালো লাগে। ওসমন্ডকে শিক্ষকেরা এভাবে সাহায্য করেছেন বলেই সে নিজের পা না থাকা সত্বেও শক্ত ভাবে দাঁড়াতে পেরেছে। সে আবার সাহায্য করেছে জেরিনকে, বাসায় থাকতে দিয়ে। সবাই যদি এভাবে সবাইকে সাহায্য করতো.......

আমাদের দেশে প্রতিবন্ধী শিশুর জীবন হয় খুবই কষ্টকর, তার মায়ের জীবন হয় আরো দুর্বহ, প্রতিবন্ধী শিশু জন্ম দেবার দায়ে। তাই একজন জীবন যুদ্ধে জয়ী প্রতিবন্ধী মানুষের কথা জানতে পেরে খুব ভালো লাগলো।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৪৩

সোহানী বলেছেন: আপু এখানে জন্ম থেকেই সহমর্মিতা সেখানে হয়। অপরকে সন্মান বিশাল বিষয় এবং তা শিশু কিশোর বৃদ্ধ বা প্রতিবন্ধী ......... সবাইকেই এক কাতারে দেখতে হয়। আর মায়ের কষ্ট সব দেশেই সমান আপু...........

অনেক ভালো থাকেন।

২১| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১১

সনেট কবি বলেছেন: খুব ভাল লাগল পড়ে।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৪৩

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ সনেট কবি ভাই।

২২| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০০

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোহানী ,



অনেকদিনের পরে এলেন একটি ঘুরে দাঁড়ানোর সাহসী বাস্তবতার কথা নিয়ে ।
আমাদের দেশে কেন যে এরকমটা হয়না সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই তার মন্তব্যে এর পেছনের নিদারুন বাস্তবতার দৃশ্যটাই তুলে ধরেছেন । এবং বলেছেন ( যা সত্য ) প্রতিবন্ধীদের জন্য বিগত কয়েক বছর ধরেই রাষ্ট্রীয়ভাবে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।
কাওসার চৌধুরী ও সুন্দর বিশ্লেষণী মন্তব্য করেছেন যা আশার বানীর মতো ।
এবার না হয় আপনার কষ্ট কমবে কিছুটা । আসার হাতকে কর্মীর হাতে পরিনত করতে হয়তো পারবো আমরাও ।

আর ..............
লতাপাতা নিয়ে লেখার দরকার নেই , কারন আমরা ছাগল নই যে তা খাবো । আপনার শীতের ঠান্ডা ফুল, প্রেম নিয়েও লেখার দরকার নেই , তা এদেশের পথেঘাটে গরম গরম মিলছে যখন তখন । B-) :#)
আর দৌঁড়ের উপর থেকে লেখারও দরকার নেই তাতে "উষ্টা" খা্ওয়ার সম্ভাবনা আছে । তারচে' খানিকটা জিরিয়ে না হয় জীবন যেখানে যেমন এর কাহিনী লিখুন ।

ভালো থাকুন আর থাকুন এমন একখানা ফুরফুরে মন নিয়ে ।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৫২

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহাহাহাহা........... উষ্টা খেতে খেতে ভাত খাবার কথাই ভুলে যাচ্ছি। একটু সামুতে বসে সুখ দু:খের কথা কমু তাও হয় না, সেখানেও উষ্টা। কি জ্বালা...................।

শুধু সামুতে নয় চারপাশেই ছাগলের সংখ্যা বেড়েই চলছে। তাই লতাপাতা নিয়ে লিখলে খারাপ হয় না। যে খায় সে খাবে তবে উষ্টা অন্তত খেতে হবে না এইটা নিশ্চিত............। শীতের দেশের ফুল লতা পাতা ও প্রেম নিয়ে পোস্টটা বহুদিন ধরে ড্রাফটে পড়ে আছে কিছুতেই ওকে বাটনে টাইম দিতে পারছি না। দেখনে না, আপনি মন্তব্য করেছেন ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০০ আর আমি মন্তব্য করছি ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০০..........।

আর জিরানো!!!!!! এ জনমে হবে না। যারা দৈাড়ের উপর থাকে তারা জীবনভর দৈাড়াতেই থাকে। এমনকি দৈাড়ানোর মালমসলা খুঁজে না পেলে চালে ডালে মিশায়ে দৈাড়ায়..................হাহাহাহাহাহাহা

একটু সময় নিয়ে আড্ডা দিতে আসবো, তবে কবে জানি না।................................

২৩| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৩৮

এ.এস বাশার বলেছেন: ভাল্লাগছে কাহিনী। আপনার পোস্টে আমার প্রথম মন্তব্য।
একটু দোয়া করে দিবেন।
সবাই খুব ভালো মন্তব্য করেছেন তাই আর বাড়ালাম না।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৫৩

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ বাশার ভাই। সাথে থাকুন সবসময়।

২৪| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৪৬

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: অনেক অনেক আনন্দিত হলাম আপু আপনার প্রতিমন্তব্য পড়ে, এ আমার জন্য অনেক প্রেরণার, অনেক সাহসী করলেন আপু।
দোয়া রাখবেন।

শুভকামনা আপনার জন্য সবসময়

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৫৪

সোহানী বলেছেন: আরে তুমি সত্যিকারের একজন কবি।

যাহোক, সেলিব্রেটি হবার পর আমাদের ভুলে যেও না .....................

২৫| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৫৫

জাহিদ অনিক বলেছেন:

বড় ভালো লাগলো আপনার লেখাটা। একদম বাস্তব জীবন থেকে নেয়া। গল্প কবিতার মত কাল্পনিক নয়।
চমৎকার

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৫৫

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কবি জাহিদ..................... কাল্পনিক লিখা লিখতে ভালোলাগে না!!!

২৬| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:০৪

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: সিংহী তার জাতও চেনাবেন আবার মিঁউ মিঁউ পেখনাও করবেন................আজিব কারবার!!!

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৫৭

সোহানী বলেছেন: ভালোবাসা থাকলে কাকের ডাকও কোকিলের মত লাগে। মা প্রায় একটা কথা বলতো, "যদি হও সুজন তেুতঁল পাতায় ন'জন।"...

বলো এর মানে কি?

২৭| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:০৮

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: যাকগা, ফুল প্রেম লতা পাতা নিয়াই লিখমু এখন থেইকা। সক্কলেই খুশি তাইলে... ওম শান্তি ওম শান্তি।

আমার কিন্তু ঐ 'জোয়ান অব আর্ক' রূপখানিই বেশি প্রিয়...............

কবা হাকা বিনে ছাই কিসের পোষ্ট B:-/

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৫৯

সোহানী বলেছেন: যুদ্ধ করতে করতে কখনো কখনো সৈনিক তার স্ট্রাটেজি চেইন্জ করে.... কখনো অভিজ্ঞতায়, কখনো ক্লান্তিতে, কখনো শত্রুপক্ষের কৈাশলে।..................

২৮| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:২৮

মনিরা সুলতানা বলেছেন: দারুন !!
অনেক ভালো লাগলো আপু !!
আমার তো জেরিন কে পছন্দ হয়ে গেলো ।

লতাপাতা রকস সবসময় ই ;)
দেশে গেছিলাম, অনেক ছবি তুলে আনছি দরকার হইলে ; আওয়াজ দিও আপু ।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০০

সোহানী বলেছেন: এখানে যে পরিমান লতাপাতার ছবি জমে আছে তার স্টক শেষ করে আওয়াজি দিবো মনিরা.............

২৯| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৭

শায়মা বলেছেন: সংগ্রামী এবং সফল জীবনের গল্প!

অনেক ভালো লাগা আপুনি!

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০০

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ শায়মা।

৩০| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৫৭

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ওসমন্ড-এর ঘটনাটা আমাদের দেশের সামাজিক প্রেক্ষাপটে রূপকথার মতো। কল্পনা করাও কঠিন। ভাগ্যিস তিনি ওই দেশে জন্মেছিলেন! পুরো পোস্টটাই এক অনন্য মানবিকতা ও সংগ্রামের দলিল।

ধন্যবাদ বোন সোহানী।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০২

সোহানী বলেছেন: সত্যিই হেনা ভাই। কি করবো বলেন, আমাদের সীমিত সম্পদের মাঝে এর চেয়ে আর কি করার আছে..............

অনেক ভালো থাকেন।

৩১| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ভোর ৬:৪৩

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: লেখক বলেছেন: ভালোবাসা থাকলে কাকের ডাকও কোকিলের মত লাগে। মা প্রায় একটা কথা বলতো, "যদি হও সুজন তেুতঁল পাতায় ন'জন।"...
বলো এর মানে কি?


সিম্পল, সুজন তার ৮জন বন্ধু সহ তেঁতুল গাছে উঠে ডালপাতায় ছুপাছুপি খেলছে................

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:১৪

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহাহাহা............... হো ঠিক। তুমি মাইরি এক্কেবারে ঠিক কইছো!!!!!!!!!!!!!!!!! তয় নেক্সট বই মেলায় বাংলা একাডেমী তুমারে নোবেল দিবো!!!

৩২| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:১৮

বলেছেন: জাগ্রত হোক মৃল্যবোধ। খুরধার লেখনী

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:২৬

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ল ভাই।

৩৩| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৩৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোহানী ,



উসাইন বোল্টের মতো দৌঁড়ের উপরে থেকে করা প্রতিমন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ ।
ফুল লতা পাতা ও প্রেম নিয়ে পোস্টটা বহুদিন ধরে ড্রাফটে পড়ে থাকলে পরে যে তাতে শ্যাওলা আর দূর্বাঘাস গজাবে ! :||

এভাবে চললে আপনার বোল্ট হতে বেশি দেরী নেই । তখন অলিম্পিকে আপনাকে দেখা যাবে । আমরা ব্লগাররা অবাক হয়ে হাততালি দেবো উষ্টা খেতে খেতে । :P

চালে ডালে মিশিয়ে দৌঁড়ানোর দরকার নেই , খিচুড়ী বানাতে ওসব উনুনে চড়িয়ে একটু জিরিয়ে নিন ; নইলে হাপ ধরে যাবে আর সেখান থেকে শ্বাসকষ্ট অতঃপর এ্যাজমার রোগী হয়ে গেলে আর আড্ডা দিতে পারবেন না , হেচকি উঠে যাবে ..... হো....হো..হো.....হো........

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৫৯

সোহানী বলেছেন: প্রিয় জী ভাই,

ফুল লতা পাতা ও প্রেম নিয়ে পোস্টটা বহুদিন ধরে ড্রাফটে পড়ে থাকায় অলরেডি শ্যাওলা আর দূর্বাঘাস এ ভরে গেছে! কারন এগুলো সামারের তোলা ছবি কিন্তু দিন পেরিয়ে সামার শেষ হয়ে ফল শুরু হয়েছে। তাই নতুন ছবির কালেকশানে এখন মাঠে.....। দেখা যাবে উইন্টার ফল সামার সব একসাথেই হয়তো পোস্ট করবো।

আসলে জীবনের হিসেব নিকেশ করতে বসেছি ক'দিন ধরে। যেভাবে জীবন চালাচ্ছি তাতে পদে পদে শুধু উষ্ঠাই জুটছে। বোল্টের সাথে অলিম্পিকে হয়তো আমাকে পাবেন তবে ততদিনে জীবনের সব রস শুকিয়ে ঝড়পাতা হয়ে যাবো। তাই আবার প্রথম থেকে হিসেব শুরু করেছি। কি করবো, কি করবো না.... কতটুকু অর্জন করবো, কতটুকু ছাড় দিবো..। কঠিন ব্যালেন্সসিট নিয়ে বসেছি...। আসলে এতো দৈাড়ায়ে কি হবে, এতো কিছু এক জীবনে করে কি হবে..............।

বাদ দেন, আসবো আবার নিয়মিত ততদিন পর্যন্ত ভালো তাকেন...............।

৩৪| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:০৬

শামচুল হক বলেছেন: ওই লোক যদি এই দেশে জন্ম নিত তাহলে তার মূল্যায়ন যে কিভাবে করা হতো তা সহজেই অনুমান করা যায়। ভাগ্য ভালো তিনি ওই দেশে জন্ম নিয়েছিলেন। ধন্যবাদ সুন্দর একটি ঘটনা শেয়ার করার জন্য।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৩৮

সোহানী বলেছেন: শামচুল ভাই, দেশে যেখানে সমর্থ মানুষেরই মূল্যায়ন হয় না সেখানে এ ধরনের কারোর জন্য কিছু করাতো স্বপ্নের মতো।

অনেক ভালো থাকেন।

৩৫| ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:০৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
খুব আগ্রহ নিয়ে পড়লাম, আপু। এই ধরনের লেখা এক বার পড়লে আমি ঠিক বুঝতে পারি না। আমাকে আরো কয়েকবার পড়তে হবে। আমার বুদ্ধি খুব নিম্ন স্তরের। আবেগ দিয়ে লেখা বুঝতে আমাকে কয়েকবার পড়তে হবে।

আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এমন সুন্দর একটি লেখা দেবার জন্য। ভালো থাকুন সব সময়।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৪০

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ সাজ্জাদ ভাই আবার ফিরে আসার জন্য।

আপনার এ্যাপ্লিকেশানের খবর কি? চলে আসেন তাড়াতাড়ি। কারন যা দেখা যাচ্ছে ইমিগ্রেশান ল দিন দিন কঠোর হবে। তাই যত তাড়াতাড়ি আসবেন তত লাভ।

৩৬| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:১১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: আপু, বিরাট ঝা‌মেলায় আ‌ছি। আ‌মি চেষ্টায় আ‌ছি। বা‌কি আল্লাহ ভরসা।

১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৬:১১

সোহানী বলেছেন: যত তাড়াতাড়ি আসবেন তত ভালো কারন জীবনতো এখান থেকেই আবার প্রথম থেকে শুরু করতে হবে।

৩৭| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:২৫

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: টাইম থাকলে ব্লগে আইসেন, খুঁচাখুঁচি করবাম.... =p~ =p~ =p~

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৩:০৬

সোহানী বলেছেন: কেন খুচাঁখুচির লোইকের কি অবাব পড়চেইন????????? :P

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.