নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হাজার হাজার অসাধারন লেখক+ব্লগারের মাঝে আমি এক ক্ষুদ্র ব্লগার। পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া লেখালেখির গুণটা চালিয়ে যাচ্ছি ব্লগ লিখে... যখন যা দেখি, যা মনে দাগ কাটে তা লিখি এই ব্লগে।

সোহানী

আমি অতি বিরক্ত হয়ে আমার অনেক লিখাই ড্রাফটে নিয়েছি কারন সামুতে আমার কিছু ভাবনা শেয়ার করছি, আর এ ভাবনা গুলো আমার অনুমতি ব্যাতিরেকে কপি না করার অনুরোধ করেছিলাম কিন্তু যত্রতত্র আমার লিখার কপি পেস্ট দেখেই যাচ্ছি দিনের পর দিন।

সোহানী › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাচ্চা ভয়ংকর কাচ্চা ভয়ংকর...... পার্ট-১ :(( :(( :((

১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:৪৮



শনি/রবি বার আমি প্রায় আমার ছানাপোনা নিয়ে এদিক সেদিক বের হয়। নির্দিষ্ট কোথাও প্রোগ্রাম না থাকলে সাধারনত বড় কোন সুপার মলের ফুড কোর্টে আইসক্রিম, ড্রিংস বা বা কোন খাবার কিনে বসে খাই আর চারপাশের সব কিছু দেখি। পাশের টেবিলে বসা ৪/৫ বছরের বাচ্চাটাকে দেখলাম অনেক্ষন ধরেই মায়ের সাথে একটা টয় কেনার জন্য ঘ্যান ঘ্যান করছে। মা বার বার বলছে একই খেলনা ক'দিন আগেও কিনলাম আবার কেন? এভাবে দুই পক্ষের দর কষাকষির এক পর্যায়ে দেখলাম বাচ্চাটি সপাৎ করে ফ্লোরে শুয়ে পড়লো। এবং শুধু শুয়ে পড়াই নয় রীতিমত ফুড কোর্টের এ মাথা ও মাথা গড়াগড়ি যেতে লাগলো। আমি আর আমার মেয়ে হাসতে হাসতে শেষ। দেখলাম বাবা মা নির্বিকার, পাত্তাই দিচ্ছে না ছেলের এ কান্ডকে। নিজের মতো করে খেয়েই যাচ্ছে। ওদিকে ছেলেতো চিৎকারের সহিত ফুড কোর্টের ফ্লোরে যাবতীয় ময়লা পরিস্কারের দায়িত্ব নিয়েছে। আমরা সবাই এমনভাবে তাকালাম যে বাবা মা বাধ্য হয়ে ওরে ফ্লোর থেকে উঠালো। B-) B-) B-) B-)

আমার ছেলে ছোটবেলায় ঠিক এমন করতো। কিছু চাইলে সেটা না পেলে সাথে সাথে সেখানে পড়ে যেত। মনে হতো যেন অজ্ঞান হয়ে গেছে। কোনভাবেই তাকে সেখান থেকে উঠানো যেত না। যতক্ষন পর্যন্ত তাকে তা কিনে না দেয়া হতো তাকে বাসায় নেয়াই মুসকিল হতো। :(( :(( :((

আরেকবার বোনের ৪ বছরের মেয়েকে নিয়ে গেছিলাম মার্কেটে পাশের বাসার বাচ্চার জন্মদিন এর গিফ্ট কেনার জন্য। ড্রেস দেখছিলাম কেনার জন্য। আমার বোনের পুঁচকা হঠাৎ একটা চকরা বকরা ঝকমকে ড্রেস দেখে সেটা কেনার জন্য বায়না ধরলো। বল্লাম, এমন অদ্ভুত ড্রেস আমি মরলে কিনে দিবো না। সাথে সাথে আমার বোনের পুঁচকা গায়ের সব জামা কাপড় খুলে পুরোপুরি ন্যাংটো হয়ে গেল মূহুর্তেই। আমি হতভম্বের উপর যদি কিছু থাকে তাই হয়ে গেলাম। লজ্জায় মরার সুযোগ পেলাম না তার আগেই ড্রেসটা কিনে কোনরকমে বাসায় দৈাড়ালাম। B-)) B-)) B-))

আমার ছেলে ফ্লোরে স্লিপ করার খেলা খুব খেলতো। কিভাবে যেন সে জানতে পারলো তেল খুব স্লিপারি। তাই একবার সে ৫ লিটারের দুই ক্যান তেল ফ্লোরে ঢেলে তারপর তাতে স্লিপ খেলতে যেয়ে দেখে আর উঠতে পারছে না। অনেক চেস্টার পর যখন আর উঠতে পারেনি তখন আমাকে ডাক দিলো সাহায্যের জন্য। ফ্লোরের সে তেল আর তার গায়ের সে তেল তুলতে আমার এবং আমার সকল এ্যাসিসটেন্টদের জান মোটামুটি শিক কাবার। :(( :((:((:((:((:((

আমার বোনের যখন দ্বিতীয় বেবি পেটে তখন ছেলেকে সবাই মিলে খুব কাউন্সিলিং দিচ্ছিল। ও ছিল অসম্ভব দুষ্ট, এক মিনিটের জন্যও কেউই শান্তিতে থাকতে পারতো না ওর জ্বালায়। আমরা বোঝাতে লাগলাম তোমার বোন আসলে এই হবে ওই হবে খুব মজা হবে ব্লা ব্লা ব্লা। অনেকক্ষন সবার বক্তৃতা শোনার পর সে উঠে যেয়ে ঘরের যাবতীয় তালার চাবি জমা করতে লাগলো। আমরা অবাক হয়ে জানতে চাইলাম সব চাবি দিয়ে কি করবে। সে খুব অবজ্ঞা ভরে বললো বোনকে প্রথমে আলমারিতে ঢুকায়ে লক করবো, তারপর সে আলমারি স্টোরে রুমে ঢুকাবো তারপর সব তালা সেখানে দিবো। যাতে সে বের হতে না পারে। কারন আজকাল বাচ্চারা এতো দুস্ট হয় তার উপর আমার সব খেলনায় হাত দিবে...........। X(( X(( X(( X((

আমার মেয়ের সময় ছেলেকে যখন কাউন্সিলিং দিচ্ছিলাম যে তোমার বোন যখন আসবে তখন খুব মজা করে দু'জন খেলবা। তখন সে অবাক হয়ে বললো ও এখন কোথায়? আমি বল্লাম ও এখন আমার পেটে। ও সাথে সাথে কান্না জুড়ে দিল, মা তুমি ওকে কেন খেয়ে ফেলেছো,........... ভ্যা ভ্যা ভ্যা....... এক্ষুনি বের করো, এক্ষুনি। B:-) B:-) B:-) B:-)

ছোটবেলায় গাংচিল ছবির স্যুটিং এর সেট করা হয়েছিল চিটাগাং এর ফিস হার্বারে। বাবা তখন ফিস হার্বারের দায়িত্বে ছিলেন। নায়ক প্রয়াত বুলবুল আহমেদ ও অন্জনা ছিল নায়ক নায়িকা। তাদের অনারে মা টি পার্টি দিয়েছিল। সে উপলক্ষে আমরা ভাই বোনরা ক'দিন থেকেই খুব এ্যাক্সাইটেড ছিলাম তাদেরকে দেখার জন্য। আমার ৩ বছরের ভাই অবাক হয়ে জানতে চাইলো কে আসছে। তাকে বোঝালাম নায়ক আসছেতো তাই এতো খুশি আমরা। যথারীতি তারা আসার পর প্রথমেই অামার ভাই জানতে চাইলো নায়ক কোথায়। মা বুলবুল আহমেদকে দেখিয়ে বললো এই যে নায়ক। শুনে বুলবুল আহমেদ তাকে কোলে নিয়ে বললো তুমি নায়ক দেখতে চাও? এই যে আমিই নায়ক। আমার ভাই খুব বিরক্ত হয়ে বললো, তুমিতো মানুষ তুমি কেন নায়ক হবে? এ্ই বলে সে কান্না জুড়ে দিল আমি নায়ক দেখবো....। B-)) B-)) B-)) B-))

আমার ছয় বছরের ছোট ভাইকে নিয়ে কাহিনীর শেষ নেই। সে এখন দুই রাজকন্যার পিতা এবং বুয়েট শেষে পিএইচডি করার পর জার্মানীতে ইর্ন্টান্যাশানাল জবে আছে। বলতে গেলে তার সেসব কাহিনী নিয়ে একটা বই লিখা যাবে। লিখাটা শুরু করেছিলাম তাকে এসব জানানোর উদ্দেশ্যে। আর আমি ছিলাম তার সব কাজের সাহায্যকারী।

এরকম আমার হাজার কাহিনী আছে আমার জীবনে এ দস্যু বাহিনী নিয়ে। শুধু ভাই ই নয় আত্মীয় অনাত্বীয় বাহিনীর কাহিনীতে জীবন পরিপূর্ণ............ আবার আসবো কোন এক সময় আমার বাহিনীর বাকি কাহিনী নিয়ে। কারন ভয়ংকর এ বাচ্চাদের সাথে আমার সম্পর্ক সবসময়ই খুব ভালো।


পারিবারিক ছবি আমি পাবলিকলি শেয়ার করতে পছন্দ করিনা। তারপর ভাইয়ের কিছু ছবি শেয়ার না করে পারলাম না (দু:খিত, লিখার সাথে পারিবারিক ছবি যোগ করার জন্য)।


প্রথম জন্মদিনে বাবার কোলে ভাই।


আমার খুব প্রিয় একটা ছবি ভাইয়ের। ১০ কেজি ফোন হাতে ফোন করার চেস্টায়!!!!!!!


মামা প্রথমবার দেশের বাইরে থেকে এ ড্রেসটা এনেছিল ওর জন্য। ড্রেসটাতে একটা বাশিঁ ছিল। সে যখন এটা পড়ে বাইরে যেত তখন বাশিঁ বাজিয়ে ট্রাফিক কন্ট্রোলের চেস্টা করতো।

মন্তব্য ১১৬ টি রেটিং +২০/-০

মন্তব্য (১১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:৫৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ভালো লাগলো নিপাট শৈশব আপনার, ভায়ের ও আপনার ছেলে বোনের মেয়ের।


সকলকে শুভকামনা জানাই ।

১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:১০

সোহানী বলেছেন: প্রধমেই আপনার মন্তব্য পেয়ে ভালো লাগছে। ব্লগের রীতি অনুযায়ী সকালের চা আপ্যায়নের দায়িত্ব আমার.........

২| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:০৯

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: বর্তমানে বাচ্চা গুলো সত্যি অনেক ভয়ংকর।কখন যে কি করে বসে তা নিয়ে মা-বাবাকে সব-সময় টেনশনে থাকতে হয়।
লেখাটি অনেক ভাল লাগল সোহানী আপু।
আপনার ভাইয়ের,তুমি তো মানুষ তুমি কেন নায়ক হবে? এই কথাটিতে অনেক মজা পেয়েছি।
বাচ্চাদের নিয়ে আরও অনেক কাহিনি শোনার অপেক্ষায় থাকলাম।
আর পারিবারিক ছবি দিয়ে মোটেও খারাপ কিছু করেন নি।সামু পরিবারের সাথে তো অনেক দিন আছেন।এখানে আমরা নিশ্চয় দূরের কেউ নয়?
ভাল থাকুন সব সময়।

১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:১৪

সোহানী বলেছেন: ভয়ে ভয়ে ছিলাম। আপনার সাহসবানীতে আস্বস্ত হলাম।

আসলেই আমার জীবন বাচ্চাদের কাহিনীতে ভরপুর। কারন যেখানেই যাই এরা আমার পিছু ছাড়ে না।

আর আসলেই ঠিক বলেছেন, বর্তমানে বাচ্চা গুলো সত্যি অনেক ভয়ংকর।কখন যে কি করে বসে তা নিয়ে মা-বাবাকে সব-সময় টেনশনে থাকতে হয়।........ নিজেকে দিয়েই বুঝতে পারছি।

অনেক ভালো থাকেন সোহেল ভাই। সরি কারো লিখা ইদানিং পড়তে পারছি না। ভয়ংকর রকম ব্যাস্ত............।

৩| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:১৮

রাজীব নুর বলেছেন: বহুদিন পর আপনার পোষ্ট পেলাম।

আপনারা সবাই ভাল থাকুন।

১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৪:৩৮

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ রাজিব ভাই। দৈাড়ের উপর অাছি তাই সময় করতে পারি না। অাপনাদের অসাধারন লিখাগুলো মিস করছি........

৪| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:৩২

বিজন রয় বলেছেন: হাসি খুশি জীবনের প্রতিচ্ছবি।
ভাল পোস্ট।

আপনি কেমন আছেন?
অনেক দিন পর।

শুভকামনা রইল।

১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৪:৪০

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ বিজয় কুশলাদি জানতে চাওয়ার জন্য।

আমি ভালো আছি সবসময়ের মতো।

আসলেই অনেকদিন পর। কিভাবে যে সময় পার হয়ে টেরই পাই না।

আসলেই হাসি খুশি জীবনের প্রতিচ্ছবি আমার। কারন দু:খ শেয়ার করতে পছন্দ করি না।

৫| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:৫৫

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: মেকু কাহিনী পড়ো আপি ;)
আর ছোট্ট সোহানীকে তো দেখলাম না :-B

১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৪:৪১

সোহানী বলেছেন: মেকু কাহিনী পড়েছি.........

ছোট্ট সোহানীর কাহিনী বলে নিজের পায়ে কুড়াল মারতে চাই না..........হাহাহাহাহা

৬| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:৫০

লাবণ্য ২ বলেছেন: ভালো লাগল ।

১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৪:৪৪

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ লাবণ্য...........

৭| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:১২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বাচ্চা-কাচ্চারা সবাই না হলেও বেশীরভাগই ভয়ংকর। প্রত্যেকেই কিছু না কিছু অদ্ভুদ কাজ-কারবার করেছে কোন না কোন সময়। অাপনার স্মৃতিচারন ভালো লাগলো।

যাক, বহুদিন পর অবশেষে আপনার একটা পোস্ট পাওয়া গেল। :)

১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৪:৪৬

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মফিজ ভাই আমাকে মনে করার জন্য। হাজার ঝামেলায় পোস্ট দিলাম শুধু আপনাদেরকে মনে করে।

বাচ্চা-কাচ্চারা সবাই না হলেও বেশীরভাগই ভয়ংকর............... হাহাহাহাহাহাহা বেশীরভাগ নয় সবাই!!!!!!!!!!!!!!

৮| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:৩০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: ছোট ভাইকে নিয়ে একটি বই লিখে ফেলুন । সময় করে পড়বো। আপনাকে নিয়েও লিখতে পারেন সোহানী আপু । অনেকদিন পর আপনার লেখা পড়লাম ।

১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৪:৪৭

সোহানী বলেছেন: আগে সেলিম আনোয়ার ভাই বই বের করবে তারপর আমি চিন্তা করবো................

৯| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ২:২৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



আপু,
বাচ্চাদের মজার এসব কাহিনী পড়ে তো নিজেই গড়াগড়ি দিতে ইচ্ছা করছে :-B!! পিচ্ছিরা আসলেই খুব মজার হয়। আপনার যুবরাজ তো এককাঠি বেশি দুষ্টু!! গড়াগড়ির সুবিধা পেতে ১০ লিটার তেল ফ্লোরে ফেলে প্রেকটিস!! আর বোনের মেয়ের কান্ড তো চরম হাঁসির। আসলে এই বয়সে বাচ্চাদের দুষ্টুমি সীমা ছড়িয়ে যায়। এর কোনটি খুব উপভোগ্য আর কোনটি খুব বিব্রতকর। তারপরও এগুলো ভবিষ্যতের জন্য বাবা-মায়ের আনন্দের খোরাক। পিচ্চি ভাইয়ের ছবি তো খুব কিউট। শুভ কামনা রইলো তাঁর জন্য।

আর আমাকে একদম ভুলে :( যাওয়ার জন্য প্রিয় আপুনিকে ধন্যবাদ।

১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৫:১৭

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহাহা............ ভুলে যাওয়ার ধন্যবাদ নিলাম না। কারন কোনভাবেই ভুলে যাইনি। দীর্ঘ ১১ বছরের সর্ম্পক ভোলা সহজ নয়। সামু আমার দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে গেছে। শুধু সমস্যা ক'দিনের জন্য বিজি আছি। আপনার আপনার লিখাগুলো আমাকে এতো বেশী ভাবায় যে অনেক সময় দিতে হয়। আপনার লিখা বোঝার জন্য, নিজের পক্ষে বিপক্ষে উত্তর খোজাঁর জন্য, আরো কিছু জানার জন্য....... তাই ইচ্ছে করেই পড়ছি না। অগোছালো উত্তর আমার পছন্দ নয় অন্তত আপনার সহ আরো ক'জন লেখকের জন্য্। তাই অপেক্ষায় আছি সময় করে উত্তর দিবো বলে। এমন কি আপনার ছাত্র রাজনীতির লিখার উত্তর এখনো দেয়নি। কারন দীর্ঘ লিখা লিখবো বলে সময় খুঁজছি।

বাচ্চাদের এ কাহিনীতো নামমাত্র বলেছি। কঠিনগুলো এখনো বলিনি............ আসবো কোন এক সময়।

১০| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৩:১১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ব্লগার ভোর এই শিরোনামে লেখা লিখেছিলেন ব্লগে কিছুদিন পরে যদিও ব্লগে আর কন্টিনিউ করেননি। তবে এই সিরিজটা কন্টিনিউ করছেন ফেসবুকের পেন্সিল গ্রুপে।

আপনার লেখাপড়াও খুব সুন্দর হয়েছে, মজার, কিউট কিউট। যদি সিরিজটা কন্টিনিউ করেন তাহলে ভালোই হয়

১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৫:১৯

সোহানী বলেছেন: তাই নাকি জানি না তো............. আচ্ছা পড়বোতো। নামটা হুমায়ুন আহমেদের লিখা ধেকে ধার করা।

জানি না পারবো কিনা তবে চেস্টাতো করবো।

১১| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৩:২৬

নীল আকাশ বলেছেন: লেখাটা দারুন হয়েছে। বাচ্চাদের কাজ কাম বাবা মা দের প্রতি মুর্হুতে কি যে বিপদে ফেলে তার জলজান্ত প্রমান আমার বড় ছেলে। এটা মোটামুটি প্রতি সপ্তাহের কাজ, সে স্কুলে কোন একটা আকাম কুকাম করে আসবে। সেদিন স্কুল থেকে বাসায় ফোন আসল, আমার বড় ছেলে পিটি করার সময় বেশ কয়েক টাকে মেরে তক্তা বানিয়ে দিয়েছে। মা যেয়ে কোন রকমে স্কুল সামলিয়ে আসল। বাসায় আসার পর যথারিতি আমার কাছে বিচার। আমি ভালো ভাবে জিগ্গেস করার পর যা উদ্ধার হলো, পিটি করার সময় কয়েকজন ওকে ঢেরস বলেছিল, ও বলল আরেকটা, এভাবে চলতে চলতে যখন শাক সবজির স্টক শেষ তখন ধরে ধোলাই।

আপনার পরের পর্বের আশায় থাকলাম, দেরী করবেন না কিন্তু।

১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৫:২১

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহাহা........... ঢেরস !!!! সত্যিইতো, এমন সবজির নাম দিলে ক্ষেপাইতো স্বাভাবিক.................। দুস্টু বাচ্চারা ব্রিলিয়ান্ট হয়, জানেনতো..............

১২| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৫:২৪

কানিজ রিনা বলেছেন: লক্ষী সোহানী মনের কোনা থেকে স্মৃতি
গুল অনেক সুন্দর করে বলতে পারো।
তোমার ছোট্ট বেলার কোনও দুষ্টুমির গল্প
নিশ্চয় বড়দের কাছে শুনেছ সে কথা
জানার খুব ইচ্ছা। তোমার সাথে অনেক
কথা ছিল। তোমার ফজবুক আইডি টুকে
রেখেছিল কিন্তু কোথায় যে রেখেছি খুজে
পাচ্ছিনা। ভাল থেকো শুভ কামনা।

১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৫:২৪

সোহানী বলেছেন: প্রিয় আপু, কেমন আছেন? আরে আমার জারিজুরি ফাঁস করতে চাই না.......... তাহলে সবাই আমাকে পেয়ে বসবে।

আমার আইডি https://www.facebook.com/sohani2018

আপনি এড করলে আমি আপনাকে কল দিবো।

১৩| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৮

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: তোমার বোনের ছেলের প্রজ্ঞা এবং দুরদর্শিতায় মহা মুগ্ধতা, এ যে পুরো শায়মা'পু!!!

আর ভাগ্নের...............আজো কি সে?

নায়িকা নিয়ে ইঞ্জিনিয়ার সাহেবের অবজার্ভেশন কি ছিলো?

পুলাপানের ত্যাঁড়ামো থামানোর কুনু উপায় কি পেয়েছো?

১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৫:২৮

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহা...... তুমি শায়মার উপ্রে ক্ষেপলা কেন!!!!!

ভাগ্নে এখন খুব ভদ্র, কোন ঝামেলায় যায় না।

নায়িকাকে খুব একটা পাত্তা দেয় নাই। যা জীবনভরই করে গেছে.........হাহাহাহাহাহা

পুলাপানের ত্যাঁড়ামো থামানোর কুনু উপায় নাই। তাদের সাথে একাত্বতা ঘোষনা করা ছাড়া।

১৪| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩২

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: পিটিআইতে জেসন নাম্নি ওয়ানের এক গ্যাঁদার টিফিন ফাইভের এক ফুলন রাণী রোজ দিদিগিরি দেখিয়ে খেয়ে ফেলতো। পার্ট-২ তে ইতিহাসের এই বর্বরতার কুনু দিক নির্দেশনা র'বে কি?

১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৫:৩৩

সোহানী বলেছেন: হাঁ তাতো থাকবেই। জেসন নাম্নি ওয়ানের সে গ্যাঁদা সেই বয়সেই ফাইভের এক ফুলন রাণীদের সাথে টাংকি দেবার চেস্টা করতো.........। সেই কাহিনীতো শুরু হবেই!!!!!!!!! সাথে আরো অনেক কিছুই থাকবে সেই গ্যাঁদার সম্পর্কে...........।

আর টিফিন??? একদিন নিজেই শখ করে সেঁধে ইনেয়ে বিনিয়ে খেতে দিসিলো সেই গ্যাঁদা একটু খানি বাড়তি খাতিরের আশায়। আর এখন সেইটারে তিল থেইকা তাল বানানোর চেস্টা করতাছো.............

১৫| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৮

শায়মা বলেছেন: আপুনি পোস্ট পড়ে হাসতে হাসতে মরতে গিয়েও বেঁচে উঠলাম কি করি ভাইয়ার শয়তানী দেখে .....

১৩. ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৮ ০

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: তোমার বোনের ছেলের প্রজ্ঞা এবং দুরদর্শিতায় মহা মুগ্ধতা, এ যে পুরো শায়মা'পু!!!


ঐ কি বলিস!! আমি এর মধ্যে আসলাম কেমনে!!!!!

১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৫:৩৯

সোহানী বলেছেন: এইটাইতো আমারো কথা। মনে হয় ও তোমারে কুট্টিকাল থেকে ফলো করছে............

১৬| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৮

আখেনাটেন বলেছেন: হাহা হা হাহা হা হা হা হা..........।

বাচ্চা ভয়ঙ্করদের কাহিনি পড়ে তো টাস্কিত-হাস্কিত =p~ :-P :P । তেলের উপর গড়াগড়ি। এতো শুধু ভয়ঙ্কর নয়, মহা হুলুস্থুল ভয়ঙ্কর। গোটা লেখা পড়েছি আর হাসতে হাসতে অদৃশ্য তেলের উপর গড়াগড়ি খেয়েছি। এরকম কিছু ভয়ঙ্করদের সাথে আমারও উঠবস করার সুযোগ হয়েছিল।

ছবিগুলোর জন্য আরেক প্রস্থ ভালোলাগা রইল সোহানীপা।

১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:৩০

সোহানী বলেছেন: নাট ভাই ভয়ঙ্করদের সাথে উঠবস করার সুযোগ সবার জীবনেই আসে। তবে কেউ ভালোভাবে ম্যানেজ করতে পারে কেউ নিজেই ম্যানেজ হয়ে যায়............। আর মহা হুলুস্থুল ভয়ঙ্কর এর কি দেখেছেন আর আসল কাহিনীতো শুরুই করিনি। আমার ছোট বোনের বাচ্চার কাহিনী শুনলেতো অজ্ঞান হয়ে যাবেন।...............

সাথে থাকার জন্য অনেক ভালোবাসা।

১৭| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হা হা হা

সেকি বিচ্ছুরে বাবা! কি ভয়ংকর কথা-
তুমি ওকে খেয়ে ফেলেছো কেনো ;) =p~ =p~ =p~
ফ্লোরে গড়াগড়ি! তেলে গড়াগড়ি! পুরো ন্যাংটো হয়ে যাওয়া! সব তালাচাবি দিয়ে রাখা!!!
উরি বুদ্ধিরে-----------------
হা হা হা

যাক এ লেখা উপলক্ষে কুট্টিকালের ভাই, পিতার ছবি দেখা হল।
ছবির জন্য, এত শাই ফিল করার কিছু নেই । অটোবায়োগ্রাফিও এখন সাহিত্যের অংশ :)

চলুক বাচ্চা ভয়ংকর কাচ্চা ভয়ংকর সিরিজ

+++

১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:৩৫

সোহানী বলেছেন: আমি লেখক তেলাপোকাও পাখি................। অটোবায়োগ্রাফি লিখার মতাে পর্যায়ে কি কখনো যেতে পারবো???? তবে খুব লোভ হয় সব ছেড়ে ছুড়ে সাহিত্য নিয়ে পড়ে থাকি।

তবে কাহিনী সবে শুরু আরো কিছুদূর গেলে বুঝতে পারবা কি বিচ্ছু বাহিনী নিয়ে আমার জীবন।

১৮| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৩

সুমন কর বলেছেন: হাসব নাকি কাঁদব...............হুম, বাচ্চা'রা এমনই হয় !! ছোট থাকতে খুব বিরক্ত করে কিন্তু বড় হলে আবার আমরাই ওসব মিস করি।

লেখা খুব ভালো লাগল। +।

১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:৪০

সোহানী বলেছেন: সত্যিই তাই সুমন ভাই। আমার হাজবেন্ড প্রায় বলে ওদেরকে বনসাই করে রাখা উচিত...........হাহাহাহাাহা

১৯| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৮:৪০

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: মনে পড়ে গেল সেই সব দিনগুলো।

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৫:৫৯

সোহানী বলেছেন: `~ সেই জন্যই লিখলাম………………...

২০| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৮:৪৭

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: @শায়মাপু

অমন প্রাজ্ঞতা আর টেটনামো আর কারোতে পাইনি মাইরি,
তুমি ছাড়া আছে ক'পিস? :-B

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৬:১৪

সোহানী বলেছেন: তুমি ওই বেচারার পিছে কেন লাগছো কওতো……… আচ্ছা, নেক্সট শুক্কুর বারে শায়মা তোমারে ওয়েস্টিনে ডিনার করাবে। ওর সাথে কনফার্ম করে নাও ……….

২১| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:২৫

তারেক ফাহিম বলেছেন: লেখাটি পড়ে হাসছিলাম।

বিশেষ করে মা-ছেলের তেল দিয়ে ফ্লোর গড়াগড়ি B-)

লেখার ফাঁকে ফাঁকে হাসির ইমোজ থাকলে লিখাটি আরও আকর্ষনীয় হতো মনে হচ্ছে।

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৬:১৬

সোহানী বলেছেন: আপনার জন্য হাসি ইমো এড করলাম……………….

গড়াগড়িই দেখলেন কিন্তু কি যে কষ্ট হইছিলোরে ভাই সেই তেল তুলতে তা আর দেখলেন না...।

২২| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:০২

মেহেদী হাসান হাসিব বলেছেন: ভাক লাগল আপনার অভিজ্ঞতাগুল পড়ে।

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৬:১৭

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ মেহেদী।

২৩| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:১১

করুণাধারা বলেছেন: মেঝের উপরে 5 লিটার তেল ঢেলে দেয়া!!! সত্যি! বাচ্চাদের মাথায় কত কিছুই না খেলে!

সবগুলো বাচ্চার কাহিনীই মজার। ++++++

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৬:১৯

সোহানী বলেছেন: আপুরে ভদ্রগোছের গুলা বল্লাম, আসল গুলা বল্লেতো হার্টএ্যাটাক হবে। যে পরিমান দুস্টদের নিয়ে যে চলি……..

২৪| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:৪০

কাতিআশা বলেছেন: খুব মজার লেখাটি..বাচ্চারা আসলেই মাঝে মাঝে যা করে!!!!!!!!!

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৬:২০

সোহানী বলেছেন: সে আর বলতে!!!!!!!!!!

২৫| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১২:২২

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমার জীবনে এ দস্যু বাহিনী নিয়ে।আবার আসবো কোন এক সময় আমার বাহিনীর বাকি কাহিনী নিয়ে। কারন ভয়ংকর এ বাচ্চাদের সাথে আমার সম্পর্ক সবসময়ই খুব ভালো।
...........................................................................................
আমার এরকম একটা বাহিনী দরকার,
ঢাকা শহরটাকে মেরামত করতে হবে
তাই.
............................................................................................

............................................................................................
দেখুন তো বাহিনী লিডার কেমন হবে ।

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৬:২২

সোহানী বলেছেন: লিডার আমার পছন্দ হয়েছে…. শুরু করেন। তবে সাথে আমার মেয়েরে রাইখেন, সবারে পিটায়ে ঠান্ডা করতে পারবে প্রয়োজনে।

২৬| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ২:০৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: হাহাহাহা , যা লিখেছো আপু !!! একদম শিরোনামের সাথে ঠিক ঠাক।
তোমার ছেলে ,মেয়ে বোনের ছেলে মেয়ে আর তোমার প্রিয় ভাইয়ের জন্য শুভ কামনা।

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৬:২৩

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ প্রিয় মনিরা……….

২৭| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৩:৪১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: ওরে বাবা এতো দেখছি থ্রি মাস্কেটিয়ার্স না আরো বেশি মাস্কেটিয়ার্সের জমজমাট গল্প ! এই মাস্কেটিয়ার্সদের নিয়ে অবশ্যই অনেক পর্বের লেখা হতে হবে I গল্পের ভান্ডার শেষ না হওয়া পর্যন্ত থামা যাবে না I আপনার বোনের মেয়ের মতো কুশলী আন্দোলনকারী যদি দেশে থাকতো তাহলে জনকল্যাণমূলক অনেক দাবি দাওয়া আদায় করা সহজ হতো মনে হচ্ছে I সে কি এখনো গল্আ টিপে আদর করার বয়সী আছে ? গালটিপা বিরোধী আন্দোলন না করলে আমার পক্ষ থেকে তার গালটা একটু টিপে দিতে হবে কিন্তু I
সুমজার লেখায় ভালোলাগা |

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:৩৭

সোহানী বলেছেন: "আপনার বোনের মেয়ের মতো কুশলী আন্দোলনকারী যদি দেশে থাকতো তাহলে জনকল্যাণমূলক অনেক দাবি দাওয়া আদায় করা সহজ হতো মনে হচ্ছে"...………………..হাহাহাহাহাহাহাহা খুব ভালো বলেছেন।

সে এখন অনেক বড়, কলেজে পড়েতবে সত্যিই গালটিপাতে তার ভারী বিরক্তি। কারন এতো গাল্লাগুল্লা ছিল পুচকা কালে এবং সবাই দেখা মাত্রই ঝাঁপিয়ে পড়তো গাল টিপতে। তাই সে সবসময়ই গালটিপা বিরোধী আন্দোলন করতো।

থ্রি মাস্কেটিয়ার্স দের গল্প অনেক আছে কিন্তু সমস্যা সময় নেই…………. তারপরও হঠাৎ সময় মিললে শুরু করবো নাইমুল ভাই।

২৮| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৬:০১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
অসাধারণ! এমন সুন্দর লেখা বেশ কিছু দিন হয় পড়াই হয় না।

আপনাদের সুন্দর শৈশব । বর্তমানও আরো সুন্দর হোক।
শুভ কামনা।

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:৩৮

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সাজ্জাদ ভাই। আসি কিন্তু সবসময়েই আনন্দে থাকার চেস্টা করি।

২৯| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:৩৪

সূর্যালোক । বলেছেন: হি হি হি সকাল বেলায় ব্লগে এসে ভালোই হলো । প্রাণখুলে হাসলাম :)

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:৩৮

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সূর্যালোক । এই প্রথম মনে হয় আমার ব্লগে?

৩০| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:২৮

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: ছোট্ট সোহানীর কাহিনী বলে নিজের পায়ে কুড়াল মারতে চাই না... B:-)
কেন খুব দুষ্টু ছিলে নাকি =p~

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:৪০

সোহানী বলেছেন: আরে না না….. আমি খুব ভালো ছিলাম………. :P :P :P :P :P

৩১| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:৩১

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: অবশ্য এখনো তুমি কম দুষ্টু নও ;)
তোমার লেখা পড়লেই বোঝা যায় B-))

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:৪১

সোহানী বলেছেন: আরে না না…… আমার মতো ভালো এ দুনিয়ায় দুইটা খুজেঁ পাবা না... :P :P :P :P :P :P

৩২| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:৫৫

ওসেল মাহমুদ বলেছেন: লেখাটি অনেক ভাল লাগল ! পড়ে বেশ মজা পেলাম ! আমার ছোট ছেলেটাও এমন কান্ড করতো ! মনে পড়ে গেল সেই সব দিনগুলো। এখন ভার্সিটিতে ,কিন্তু বদলানোর নাম নেই !আপনার পরিবারের সবার জন্য শুভ কামনা।

১৪ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৬:৪১

সোহানী বলেছেন: অঅরে ওরা বদলালেতো আমাদের জীবন পানসে হয়ে যাবে। তাই এভাবেই থাকতে দেয়া উচিত।

অনেক ভালো থাকেন……….

৩৩| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৯

অন্তরন্তর বলেছেন: খুব ভাল বাচ্চা কাচ্চাদের দুষ্টামির গল্প। তবে আপনাকে একটা কথা চুপচাপ বলি আমার কাছে সবাই ফেইল। কেও আমার ধারে কাছেও যেতে পারবে না। এমন ভাল ছিলাম আমি!

১৪ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৬:৪৯

সোহানী বলেছেন: বলেন কি?????????? এখন কি অবস্থা???? আরো বেড়েছে নাকি কমেছে?????????????

৩৪| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১১:৫৬

শিখা রহমান বলেছেন: অনেকদিন পরে আপনার লেখা পেলাম। যথারীতি বুদ্ধিদীপ্ত মজার লেখা। বাচ্চারা আসলেই ভয়ঙ্কর :) আমার নিজের বাচ্চাকালের কথা অন্যদের মুখে শুনলেও বিশ্বাস করিনি। কিন্তু নিজের পোলাপানের কর্মকাণ্ড দেখে বুঝতে পেরেছি। :(

ছবিগুলো খুব সুন্দর। আর লেখাটাও। শুভকামনা প্রিয় সোহানী আপু।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৫:৩২

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শিখা। আপনার অসাধারন লিখার মাঝে আমার লিখাতো পানসে।

আসলে সবারই বাচ্চাকাল মজার সব ঘটনায় ভরপুর। আর তার প্রধান সাক্ষী বাবা-মা।


সবসময়ই ভালো থাকেন শিখা। (আমি কি বলেছি যে আমার মেঝ বোনের নাম শিখা)

৩৫| ১২ ই অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৩:২৬

কিরমানী লিটন বলেছেন: মন ভরে গেলো- মজার শৈশবের সে দিনে ফিরে তাকিয়ে। ভালোবাসা জানবেন- সপরিবার...।

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:১৭

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আধুনিক সুকান্ত...........

৩৬| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৬:৫০

স্বপ্নডানা১২৩ বলেছেন: সেই রকম ব্যাপার স্যাপার

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:১৮

সোহানী বলেছেন: আসলেই তাই..........

৩৭| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৭:১২

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: লেখক বলেছেন: তুমি ওই বেচারার পিছে কেন লাগছো কওতো……… আচ্ছা, নেক্সট শুক্কুর বারে শায়মা তোমারে ওয়েস্টিনে ডিনার করাবে। ওর সাথে কনফার্ম করে নাও ……….

চা-সিঙ্গারার আশা করিনে আরতো..............

বখিল শিল্পের তিনি লেডি মাইকেল এঞ্জেলো। চশমা পড়েন না ক্ষয়ে যাবে বলে। চাপাতার ঘ্রাণ শুঁকে গরম পানি খান............

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:২০

সোহানী বলেছেন: আরে না না...... যে মজার মজার খাবারের ছবি দেখি তাতে আমার বিশ্বাস সে তোমাকে ডাবল ডিনার করাবে.......... তবে তেলাপোকার স্যুপ নয় কিন্তু ;)

৩৮| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৩:০৭

আতোয়ার রহমান বাংলা বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো। আপনার ছোটোবেলার কাহিনী শেয়ার করলে আরও খুশি হব

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:২১

সোহানী বলেছেন: অারে আমি একজন মানুষ তার আবার কাহিনী......................

ধন্যবাদ

৩৯| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:১৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোহানী ,



চলমান জীবনের কাহিনী । বাচ্চা আর কাচ্চারা ভয়ংকরই হয় । নাছোড়বান্দা হয়ে কান্দা থেকে শুরু করে কি যে না এরা করে !
ভাইটি যখন অমন , তার বোনটিও সার্টেইলি তেমন ;) । নায়কের জন্যে ভাইটির মতো এখনও কান্নাকাটি করে কিনা কে জানে! :-P
তাই তো বাচ্চা ভয়ংকর কাচ্চা ভয়ংকরদের সাথে তার ইয়ে দোস্তি, উয়ো নেহী ছোঁড়েঙ্গে.................... :-*

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:২৬

সোহানী বলেছেন: আরে না না কান্নাকাটি করার দিন শেষ............. তবে ভাইয়ের মতো না। ও বেচারা অনেক সোজা সরল, আমি অতোটা সোজা না।

তবে বাচ্চাদের কান্নাকাটিতে কিন্তু মজা আছে। ওদেরকে ম্যানেজ করতে পারলে দুনিয়ার সব সুখ ওদের কাছ থেকে পাওয়া যায়। আমার বাসা কিন্তু ওদের মিনি চিড়িয়াখানা। এবং ওদের সাথে সবসময়ই ইয়ে দোস্তি.........হাহাহাহাহাহা

এখন বলেন আপনার খবর কি?

৪০| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:২৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: শিশুদের দুষ্টামি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বিনোদন। যা আমি উপভোগ করি।

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:২৭

সোহানী বলেছেন: সত্যিই তাই লিটন দা...................

৪১| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৩:৩০

অন্তরন্তর বলেছেন: আপু বলে না স্বভাব যায় না মইলে, বুড়ো হয়ে গেছি কিন্তু এখনও এত আছে যে আমার সহধর্মিণী খুব বিরক্ত। আমার মেয়েটা মাশাল্লাহ। একটু দুষ্টামি করলেই বাপের উপর ঝাড়ি যায়। আমি যদিও ব্যাপারগুলো খুব এঞ্জয় করি।

২০ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:৪২

সোহানী বলেছেন: বলেনকি????????? একটা বয়স পর নেক্সট্ জেনারেশানইতো আমাদের প্রেরণা হয়।

সহধর্মিণীকে বলবেন বিরুক্তির কিছু নেই। রোবট স্বামী মোটেও ভালো না...........হাহাহাহাহাহাহা

৪২| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:১৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোহানী ,



সরস প্রতিমন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ । আপনি যে সোজা না , একটু ব্যাকা তা জানি ! সো ফানী ...... :P ......

@এখন বলেন আপনার খবর কি?
এখন আর তখন নেই । সবসময়ের খবর হলো - আমি সবসময়ই মজায়-ই থাকি , সুখেও থাকি , দুঃখেও থাকি । ব্লগেও থাকি , লেখাতেও থাকি । বাইরেও থাকি , ঘরেও থাকি । ;)

২০ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:৫১

সোহানী বলেছেন: আমি একটু না বেশীই ব্যাকা ........... ;););););) বাট ফানী না.............

মজায় থাকেলোতো মজার মজার লেখা বেরুতো কিন্তু তেমনতো কিছু দেখি না। আপনি কি আমার মতো হাড়ি পাতিল মাঝা শুরু করেছেন নাকি????? আমি সুখেও হাড়ি পাতিল মাঝি , দুঃখেও হাড়ি পাতিল মাঝি ................ আপাতত বুয়াগিরির উপর আছি।

৪৩| ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৭:০১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: বাচ্চাদের অনেক আচরণ কিংবা কিছু পাওয়ার জন্য বায়না আমাদের বিস্মিত করে, তবে সেটা ভয়ংকর নয় বরং সেটা প্রচলিত অচল কিংবা বাবা মায়ের অজ্ঞানতার বিরোদ্ধে একটা আঘাত ।
বাচ্চা কাচ্চাদের বিচিত্র সব আচরণের অনেক কিছুই আমরা বুঝিনা । ওরা আসলে ভয়ংকর নয় , ওরা স্বপ্নের ঝাঁক, ওদের ঝোঁক বিচিত্র সব মধুরতম আচরণের প্রতি ,হৃদয় নিংরানো মমতা দিয়ে দেখলে তাদের আচরনগুলিকে মনে হবে এই কঠিন নিরস জগতে বিধাতার স্বপ্ন- যা রঙে রেখায় নানাখানা হয়ে ফুঠে উঠেছে। মনে হবে তাদের আচরণ অজানার স্বপ্ন উৎসব থেকে বিচিত্র রূপে উৎসারিত- এ সম্বন্ধে কারো কোন কৈফিয়ত কিংবা চোখ রাঙগানীর ধার তারা ধারেনা । তাদের মতই তাদেরকে চলতে দিলে পাকৃতিক নিয়মেই তারা ক্রমে ক্রমে সুচীৠদ্ধ হয়ে উঠবে মন মানসিকতা ও নান্দনিকতায় ।

আমাদের সময়ে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন পরিবেশে বাচ্চাদের বিচিত্র আচরণগুলি যখন আমরা সবেমাত্র বুঝতে বা উপলব্ধি করতে শুরু করেছি, আপনি তখন তাদের বিচিত্র সব মধুরতম আচরণ ( যা প্রথমে খালি চোখে ভয়ংকর বলে মনে হয় ) এতটা অনায়াসে কি সুন্দর করে আমাদের দৃষ্টির সামনে নিয়ে এলেন ভাবতেই অবাক লাগছে । বাচ্চাদের আচরণকে কোন চোখ দিয়ে দেখছি , তাকে আমরা কোন আঙ্গিকে, কোন প্রকাশভঙ্গীতে প্রকাশ করছি , সেইটাই একজন লেখকের মূল সাধনা কেননা সেটাই হল সুকুমার নান্দনিক লেখনি শিল্পের প্রকাশ।

আপরার ও আপনাদের দুরন্ত সব বাচ্চাদের কাহিণী শুনে ভাল লাগল , তাদের প্রতি রইল শুভেচ্ছা । আপনার শৈশব কালের কথামালা শুনতে পারলে ভাল হতো ।
আমার শৈশবের স্মৃতিজাগানিয়া কিছু কথামালা দেখতে পারেন সেখানে গিয়ে । আমিউ একখান ছিলাম বটে ।

সুন্দর লেখাটির জন্য রইল সাধুবাদ ও শুভেচ্ছা ।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:১৭

সোহানী বলেছেন: আমার পরিবারে বাবা ছিলেন সব কিছুর উৎসাহদাতা। মা ছিলেন কড়া শাসক। তবে সেটা ছিল কেবল নিয়মের বাইরে গেলে। তাই সবসময়ই আমরা একটু বেশী এডভান্টেজ পেয়ে এসেছি। তবে আমি অনেক বেশী বাচ্চাদের বিষয়গুলো সজাগ হয়েছি দেশের বাইরে আসার পর। এখানে বাচ্চাদেরকে কোন কিছুতে বাধাঁ না দেবার জন্য বলা হয়। এরা বলে এতে বাচ্চাদের মনোযোগতে প্রভাব ফেলে। কিন্তু আমার এ দুই দেশের রীতিনীতি দেখে মনে হয় আমরা দুই পক্ষই বাড়াবাড়ি করছি। এক পক্ষ বেশী কঠিন আরেক পক্ষ বেশী তরল।

খুব ইচ্ছে করে এসব বিষয় নিয়ে লিখি। কিন্তু ঝামেলায় কিছুই করা হয়না।

আমার কিন্তু সবসময়েই বাচ্চাদের সাথে দারুন সখ্যতা। বাচ্চাদের স্কুলের টিচার হওয়া উচিত ছিল অামার। কোথাও কোন বাচ্চা দেখলে তার সাথে বন্ধুত্ব করতে ইচ্ছে করে। ওদের সাথে গল্প করতে, খেলতে খুব ভালো লাগে। তাই দেখা যায় আমার আপন পর পাড়াপ্রতিবেশী সব বাচ্চারা সবসময়ই আমাকে ঘিরে থাকে।.

আমার ছোটবেলার কাহিনী নিয়ে আসবো এক সময়। কিন্তু এতো কিছু লিখার জন্য মাথা ঘুরঘুর করে যে কিছুই লিখা হয়ে উঠে না।

আশা করি সুস্থ্য আছেন, আপনার লিখার প্রত্যাশায় আছি।

৪৪| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৬:৪৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


অনেকদিন কিছু লিখেননি!

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:২১

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ গাজীভাই স্মরণের জন্য।

অনেকদিন পরেই কিন্তু এটা লিখেছি। আমি রাজিব ভাইয়ের মতো প্রতিদিন সময় করতে পারি না বা বলা যায় এতো আইডিয়া মাথায় আসে না। একাট কিছু লিখতে গেলে আমি অনেক সময় নেই।

অনেক ভালো থাকেন। আপনার চোখের অবস্থা কি? অপারেশান কি করেছেন?

৪৫| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: The best asset in our life is the time given to us by our parents - আপনি/আপনারা সেই বেস্ট এ্যাসেট দিয়ে আপনাদের সন্তানদেরকে সমৃদ্ধ করে যাচ্ছেন, এটা খুবই একটা ভাল কথা এবং ভাল কাজ, যা জেনে খুবই ভাল লাগলো। শিশুদেরকে তাদের স্বাভাবিক দস্যিপনা থেকে নিবৃত্ত করতে গিয়ে আমরা নিজেদের অজান্তেই অনেক সময় তাদের এ অধিকারকে দস্যুবৃত্তি করে ছিনিয়ে নেই। গুড প্যারেন্টিং ইজ নেভার ইযী!
মা, তুমি কেন ওকে খেয়ে ফেলেছো... ভ্যা ভ্যা ভ্যা - মজা পেলাম এমন স্বতঃস্ফূর্ত একটা প্রতিক্রিয়ায়! :)
আর ৫ লিটার তেল মেঝেতে ফেলে স্লিপিং প্র্যাকটিস এর পরেও বাসার কারো কোমর ভাঙেনি - এর জন্য দান খয়রাত সদকা দিয়েন! :)

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:৩১

সোহানী বলেছেন: খায়রুল ভাই, সে দৃশ্য আপনাকে বলে বোঝাতে পারবো না। সারা ফ্লোর তেলে গড়াগড়ি। ছেলে চেস্টা করছে উঠে দাড়াতেঁ কিন্তু পারছে না। যতবারেই দেয়াল ধরে দাঁড়াতে যায় ততবারেই পড়ে যায়। আমি মনে হয় মিনিট পাঁচেক দাড়িঁয়ে তার অবস্থা দেখছিলাম। এখন দু:খ হয় সবসময় তার সব কিছু ভিডিও করলেও সে মূহুর্ত ভিডিও করতে ভুলে গেছিলাম। সে এক দেখার মতো দৃশ্য ছিল।একদিকে হাসছিলাম অন্যদিকে রাগ হচ্ছিল। কারন আমার সুন্দর কার্পেট একেবারে শেষ, তেল গড়িয়ে সবকিছুই একাকার ছিল। আর কোমড় ভাঙ্গার আগেই ধরে ফেলেছিলাম। সবচেয়ে মজার বিষয়, আমি বা আমার এস্যাসিটেন্টরা বারান্দা থেকে তার কাছে পৈাছাতেই পারছিলাম না। এখনো মনে পড়লে সে দৃশ্য চোখে ভাসে আর হাসি..............। এখন কিন্তু আমার ছেলে মারাত্বক শান্ত। একটুও দুষ্টমি করে না। আমাকে এতো হেল্প করে যে কি বলবো, আমি আল্লাহর কাছে শোকর।

৪৬| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৩৯

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:


তবে বাচ্চাদের এসব কাহিনী কিন্তু অনেক গল্পের জন্ম দেয় এই যেমন এখন দিল । আশা করি পরের পার্ট দ্রুত পাবো ।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:২২

সোহানী বলেছেন: আরে একেকটা বাচ্চা মানে অসংখ্য গল্প। সেই গল্পের খানিকটা নিয়েই বিশাল বই লিখা যাবে। সত্যিই আসবো কিন্তু কবে তা কিন্তু জানি না। অনেক ভালো থাকেন অপু। ও ভালো কথা আমার ভাইয়ের নাম কিন্তু অপু।

৪৭| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:৩৩

জাহিদ অনিক বলেছেন:

আমার স্পষ্ট মনে আসে অক্টোবর মাসেই কোনএক রাতে বাসে করে বাসায় ফিরতে ফিরতে এই লেখাটা আমি পড়েছিলাম। এবং পরে মন্তব্য করব বলে একদম ভুলে গিয়েছি।
রিয়েলি সর‍্যি ফর দ্যাট।

আজ আবার পড়তে হলো, কেননা এতদিনে কি পড়েছিলাম সেটা ভুলেও গেছি।
বাচ্চাদের বায়না ধরা আজকাল খুবই অদ্ভুত হয়ে গেছে। কোথা থেকে যে এত্তকিছু শিখে এরা!
আমার যদ্দুর মনে পড়ে, ছোটবেলায় আব্বুর কাছে একটা ৩০০ টাকা দামের ক্যাসিও ঘড়ির জন্য বায়না করেছিলাম, বিনিময়ে একশ ট্রান্সলেশন মুখস্থ করে দিতে হয়েছিল ৷


আপনার ছোট ভাইএর জন্মদিনের লেখাটা পড়েছিলাম। আরও পড়ার অপেক্ষায় রইলাম। শুভ কামনা আপু।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:২৮

সোহানী বলেছেন: তোমার ছোটবেলার তোমার শিক্ষক বাবার কাহিনী পড়েছিলাম কোন এক লিখায় মনে আছে।

আগেতো একশ ট্রান্সলেশন মুখস্থ করে ক্যাসিও ঘড়ি আদায় করেছো আর এখন বাচ্চারাতো রীতিমত ব্লাকমেইল করে কিছু আদায় করে....।

শুনো, লিখা পড়ে মন্তব্য করতেই হবে তেমন নয়, তবে প্রিয়জনদের মন্তব্য দেখলে ভালোলাগে। তবে নিজে এখন ব্লগে এতো কম সময় দেই যে কারো কাছে নিজের লিখা পড়ার আবদার করতেই লজ্জা লাগে।

আমার ছোটভাই নয় বাবার জন্মদিনে ফেবুতে লিখাটা লিখেছিলাম...........।

অনেক ভালো থাকো।

৪৮| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৫৪

সৈয়দ ইসলাম বলেছেন: সিরিজটা কন্টিনিউ কইরেন, আর আপনার ভাই বর্তমানকার ট্রাফিক নিয়ে কোন পরিকল্পনা করেন কিনা জানাইয়েন ;) বাঙালি আজ ট্রাফিক টেনশনে বিষাক্ত (!)

১২ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৪১

সোহানী বলেছেন: সেইটাই সমস্যা। যারা ট্রাফিক সিগনাল নিয়ে ভাববে তারা দেশ ছেড়ে পালায়, কারন তাদরেকে কেউই পাত্তা দেয় না দেশে থাকতে। যাক সে এখন আইবিএম এর নতুন কম্টিউটার বানানো নিয়ে বিজি..............!!

সিরিজটা লিখতে হলে ব্যাক্তি আমি কথা বেশী চলে আসে তাই আর লিখবো কিনা ভাবছি!!!!

অনেক ভালো থাকেন ইসলাম ভাই।

৪৯| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:০১

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: এত্তগুলা পোস্ট দিলাম একটু দেখবা B-))

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:০৪

সোহানী বলেছেন: আর এত্তোগুলা কই পুষ্ট দিলা...... সবেতো পাঁচখান!!!!!!!!! পাঁচশ হইলে কথা ছিল... ;) ;) ;)

৫০| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:৪৬

অলিউর রহমান খান বলেছেন: সোনায় মোড়ানো শৈশব মোদের হেলায় হারিয়ে গেলো; মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে দু’হাত ভরে ফিরে পেতে সেইসব রঙিন দিনগুলি। আপনার স্মৃতিচারণ বেশ উপভোগ করেছি।

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:০৮

সোহানী বলেছেন: আমি মোটেও ছোট হইতে রাজি না... একেক বয়সে একেক অনুভূতি, একেক জীবন। সেটাকে এনজয় করাটাই মূল কথা। আরেক জীবনের জন্য দু:খ করাটা বোকামী...........। তবে সত্য যে আমার জীবনের প্রতিটি স্টেজেই আনন্দে থাকতে চেস্টা করেছি।

অনেক ভালো থাকেন অলি ভাই।

৫১| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:৫৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: সিরিজটা লিখতে হলে ব্যাক্তি আমি কথা বেশী চলে আসে তাই আর লিখবো কিনা ভাবছি!!!! - তবুও লিখুন, সোহানী। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার মূল্য অনেক, এবং সেটা লেখকের পোস্টকে অনেক বিশ্বাসযোগ্য করে তোলে। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা লিখতে গেলে ব্যক্তির কথা তো আসবেই!

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:১৬

সোহানী বলেছেন: ব্যাক্তি আমি যদি খায়রুল ভাই, জী ভাই বা আলী ভাই হতাম তাহলে নিজেকে হুমায়ুন আহমেদ না ভাবলে কিছু একটা ভাবতাম। এবং আমার ছেলেবেলা বা স্মৃতিচারন নিয়ে লিখতাম। কিন্তু আমি এতটাই একজন নগণ্য ব্যাক্তি যে নিজেকে নিয়ে কিছু লিখতে গেলে মনে হয় বাড়াবাড়ি করছি। আমার মতন সাধারন মানুষের বকর বকর কে পড়বে............।

ভালোবাসেন বলে আমার এ অখ্যাদ্য লিখা পড়ে উৎসাহ দেন।

৫২| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:১৯

জুন বলেছেন: হা হা হা সোহানী আপনার লেখার গুনে প্রতিটি দৃশ্য যেন চোখের সামনে ঘটতে দেখলাম :) আসলেই বাচ্চারা তাদের প্রিয় কিছু পাওয়ার জন্য কত কিছুই যে করতে পারে। নামকরণ স্বার্থক ;)
অনেকদিন তো হয়ে গেল পার্ট টু কই??
+

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:০১

সোহানী বলেছেন: কত কিছু নয় জুনাপু এটাকে কঠিন ব্লাকমেইল বলেন........। এরা আমাদের জব্দ করার সব মূল মন্ত্র জানে।

পার্ট টু লিখবো কিনা তা নিয়ে দ্বিধায় আছি উপরের অনেক মন্তব্যে তা বলেছি।

অনেক ভালো থাকেন.............

৫৩| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:২৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: মনে করেছিলাম নতুন কোন লেখার দেখা পাবো । অসুবিধা নেই, শত কাজের ব্যস্ততার মাঝে সময় নিয়ে ধিরে সুস্থে আমাদের জন্য উপাদেয় লেখা লিখুন । সময় করে এসে দেখে যাব ।

বাচ্চাদের নিয়ে লিখছেন দেখে একটি কথা বিশেষভাবে মনে এল , এটা আমার নীজের অভিজ্ঞতা থেকে বলা । কানাডার স্কুলের বিশেষ করে সেকেনডারী লেভেলের বাচ্চাদের পাঠ্যক্রম নিয়ে একটু নাড়াচারা করার সময় কানাডার ইথনিক গ্রুপের পরিসংখান দেখতে গিয়ে দেখা গেল সেখানে কানাডিয়ান ৩২%-৪০% ( ৬/৭ভাগ এবরিজিনাল সহ) পক্ষান্তরে বৃটিশ, স্কটিশ আর আইরিশ মিলে প্রায় ৫০% এর উপরে আছে । ইন্ডিয়ান ( এর মধ্যে ভারত , পাকিস্তান ও বাংলাদেশ মিলিয়ে প্রায় ৫% , যার মধ্যে বাংলাদেশীদের সংখ্যাটা হয়তবা ২% ছাড়িয়ে যাবে ,বিস্তারিত বিভাজন দেখা হয়ে উঠেনি সময়ের অভাবে হয়ত সংখ্যাটা কিছু কম বেশিও হতে পারে )। যাহোক যে কথা বলতে চেয়েছিলাম তা হলো বাচ্চাদের শিক্ষা কার্যক্রম সস্পর্কীয় । ধারনা করছি সেকেনডারী লেভেলের স্কুলে পাঠরত বাংলা ভাষীদের সংখ্যাটা একেবারে কম নয় । কানাডাতে ইংলিশ ও ফ্রেঞ্চ ভাষায় স্কুলে শিক্ষা কার্যক্রম চালু আছে বিভিন্ন ব্যবস্থাপনায়। তবে ছাত্রদের জন্য নিশ্চয়ই একটি সেকেন্ড ল্যাংগুয়েজ শিখার ব্যবস্থা আছে । আর এখানেই আমার কথা বলা ।

ইউকেতে সেকেন্ডারী স্কুলে জিসিইসি লেভেলে ছাত্ররা যে কোন একটি দ্বিতীয় ভাষা শিক্ষার জন্য তার অপসনাল কারিকুলামে যুক্ত করতে পারে । এখানকার বাঙগালী কমিউনিটির বেশীরভাগ ভাগ শিক্ষার্থীই দ্বিতীয় ভাষা হিসাবে ফ্রেঞ্চ ভাষা শিখে । এটা নিয়ে তারা কোন মতে টেনে টুনে পাশ করে । ইচ্ছে করলে যে কেও বিশেষ ব্যবস্থাপনায় দ্বিতীয় ভাষা হিসাবে বাংলাকে চয়েজ করতে পারে । স্কুল কতৃপক্ষের সাথে কথা বলে আমার মেয়েকে দিয়ে এটা শুরু করেছিলাম । বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষে একজনের জন্য বাংলা শিখা অনেক সহজ । তার পক্ষে ভাল রেজাল্ট করাও সহজ ও সম্ভব । সে সহজেই এই বিষয়ে A* পেতে পারে । এটা তার সার্বিক রিজাল্টের উপরে প্রভাব পরে । আমার মেয়ের দেখাদেখি অনেকেই বাংলাকে স্কুলে জিসি্‌ইসি লেভেলে দ্বিতীয় ভাষা হিসাবে নিয়ে এই বিষয়ে ভাল রেজাল্ট করছে । এর ফল বহুমুথী, সে এখানে বাংলা ভাষায় এভেইলেবল সব প্রকাশনার লেখা পড়তে ও লিখতে পারছে । আমি বাংগালি কমিউনিটির কোন সমাবেশে সময় সুযোগ পেলেই বিষয়টা নিয়ে সকলকে উৎসাহিত করি । ভাল সারা পাওয়া যাচ্ছে ।

আমি সাধ্যমত পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত হতে বাংলাভাষায় প্রকাশিত দৈনিক , সাপ্তাহিক ও সাময়িকির উপরে নিয়মিত চোখ বুলাই । কানাডাও বাদ যায়না । সেখান হতে প্রকাশিত প্রকশনা বিশেষ করে;
বেঙ্গলী টাইমস http://www.thebengalitimes.ca/
দেশ বিদেশে https://www.deshebideshe.com/
নতুন দেশ http://www.notundesh.com/
প্রভৃতি নিয়মিত দেখে থাকি ।

বাংলা কমিউনিটির বাচ্চারা বাংলাকে দ্বিতীয় ভাষা হিসাবে গ্রহণ করলে বাংলা কমিউনিটি হতে যোগ্যতা সম্পন্ন যে কেও একজন পার্ট টাইম শিক্ষক হওয়ার সুযোগ পায় , আবার অনেকে এক্সটারনেল পরিক্ষক হওয়ার মুযোগ পায় , আমিও মাঝে মাঝে সুযোগ পাই । বিষয়টি আপনার ভাবনার জন্য একটু খোলামেলাভাবেই বললাম । একটু চেষ্টা করে দেখবেন সেখানে বাংলাকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় চালু করা যায় কিনা । বাংলা কমিউনিটির বাচ্চারা পড়াশুনা করে ( স্কুলে একজন বাংলা কমিউনিটির বাচ্চা হলেও চলতে পারে ) এমন স্কুল হতে শুরু করা যায় ।

যাহোক, আপনার নতুন লেখার অপেক্ষায় রইলাম ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:০৪

সোহানী বলেছেন: অনেকদিন পর স্বরুপে ফিরে এসেছেন বলে অনেক ভালো লাগছে।

আপনি নিশ্চয় জানেন কানাডায় ইংলিশ এবং ফ্রেন্স শিখতে হয় প্রাইমারী লেভেল থেকে। যার কারনে থার্ড ভাষা শেখার সুযোগ কম। তবে কমিউনিটি সার্ভিসগুলোতে শেখানো হয় সাধারনত সামারে। যাদের আগ্রহ আছে তারা সে সময়টাতে শিখে নেয়। তবে তা স্কুল কারিকুলামে অর্ন্তভূক্ত করার সুযোগ কম। এর কারন কিন্তু সহজ। কানাডা হলো ইমিগ্রান্ট কান্ট্রি। হাজার দেশের মানুষ হাজার ভাষা। তাই কোন স্কুলে নির্দিষ্ট ভাষার কোর্স ঢুকানোর সুযোগ কম। যেমন আমার ছেলের স্কুলে যে স্কুলে পড়ে সেখানে বাংলাদেশের ছেলে মেয়ে ৪/৫ জন, ভারতীয়, পাকিস্তান, শ্রীলংকার বাইরে ও আরো অনেক দেশের বাচ্চা অাছে। তাই নির্দিষ্ট ভাষার কোর্স কারিকুলামে ঢুকাতে হলে যে পরিমান শিক্ষক লাগবে তা অনেকটা বিশাল ইনভেস্টমেন্ট। তার উপর এখানে স্কুল লেভেলে ভাষা নয়, সফ্ট্ স্কিল, কমিউনিটি ইনভল্বমেন্ট বা ফিজিক্যাল এক্টিভিটির উপর জোর দেয়া হয়।

আপনার মেয়ে সুযোগ পেয়েছে কারন ওখানে সেকেন্ড ভাষা বেছেঁ নেবার সুযোগ ছিল। এখানে তার সত্যিই সুযোগ নেই। তারউপর ফ্রেন্স শিখতে এদের এতো কষ্ট করতে হয় যে নতুন ভাষা শেখার উপর জোর দিতে চাই না। আমি নিজে মেয়েকে শেখানোর চেস্টা করি। ছেলে অবশ্য ভালোই পারে।

আর কমিউনিটিতে আমার ইনভল্বমেন্ট এর কথা বলছেন!! এখানে বাঙ্গালী একটি সংগঠন আছে। অামার এখানে আসার পর মনে হলো নিজ দেশের মানুষদের জন্য কিছু করি। তাই নিজে যেয়ে সেখানে ট্রেইনার হবার জন্য, ওদের হিসাব নিকাশে সাহায্য করার জন্য এমনকি আমার অফিসে কিছু পোস্ট খালি হবার পর সেখানে সুযোগ দেবার জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলাম সম্পূর্ণ নি:স্বার্থে। কিন্তু দু:খের বিষয় তারা আমার নি:স্বার্থ ভালোবাসায় স্বার্থ খোঁজার চেস্টা করেছে.......হাহাহাহাহাহা। ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোও দেখি কঠিন কাজ!!!!! তাই ও পথে পা দিয়ে ঝামেলায় জড়াতে চাইনি। সবাই সব কিছুতে শুধু সন্দেহের চোখে দেখে, নিজের ক্ষমতা হারানোর ভয়ে থাকে।

খুব ভালোলাগে আপনার সাথে কোন কিছু নিয়ে আলোচনা করতে। অনেক ভালো থাকেন, সুস্থ থাকেন।

৫৪| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:১৩

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন:






বাচ্চা যত ভয়ংকর বুদ্ধি তার তত বেশি! যেমন আপনার ছোট ভাই। এখন সে বাচ্চা সামলাচ্ছে!!

সবচেয়ে মজা লেগেছে বোন আসলেই আলমারীতে ঢুকিয়ে তালা লাগিয়ে রাখবে!! হা হা! কী ভয়ংকর ভাবনা!

আপনার একটা গুণ আমাকে মুগ্ধ করে তা হলো আপনার লেখায় খুব স্বাভাবিকভাবেই রম্যভাব ফুটে উঠে।

২৮ শে নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:২৪

সোহানী বলেছেন: আমার মা বলতো, যে বাচ্চা যত দুষ্ট সে তত মেধাবী। তার মেধাগুলো পরীক্ষা করার প্রয়োজনেই তা করে। আমার বোনের ছেলে এখন হাফ ডাক্তার। আমি বাচ্চাদের সাথে খুব ইনভল্ব হই তাই কাছ থেকে তাদেরকে বোঝার চেষ্টা করি, ওদেরকে বাধাঁ দিতে চাই না কিছুতে। দেশে থাকতে মনে হতো মনে হয় ভুল করছি কিন্তু কানাডায় আসার পর বুঝলাম বাচ্চাদের স্বাধীনতা কি জিনিস। সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে ওরা বড় হয়, যদিও আমার কাছে একটু বেশীই বাড়াবাড়ি মনে হয়। বাবা-মায়ের চেয়েও ওদের ক্ষমতা বেশী যা ওদের মানসিক চিন্তা ভাবনা আমাদের চেয়ে ভিন্ন হয়।

আর আমার লিখা, সেটা একটা কিছু হলো..... :`> :`> :`> । যা মনে চায় কিছু একটা লিখি আর কি!!!

অনেক অনেক ভালো থাকেন প্রিয় ব্লগার।

৫৫| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৩৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেকদিন পর স্বরুপে ফিরে এসেছেন বলে অনেক ভালো লাগছে - ডঃ এম এ আলী এর ৫৩ নং মন্তব্যের উত্তরটা এভাবে শুরু করার জন্য ধন্যবাদ। ওনার মন্তব্যটা পড়ে আমিও খুব খুশী হয়েছিলাম ঠিক এ কারণেই।
প্রতিমন্তব্যের বাকী কথাগুলোও ভাল লেগেছে। +

২৮ শে নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:০৬

সোহানী বলেছেন: আসলেই আসলেইতাই খায়রুল ভাই। প্রত্যেক ব্লগারদেরই নিজস্ব স্টাইল আছে এবং অনেকটা অভ্যস্থতা চলে এসেছে আমাদের এতে। আর ভার্চুয়াল জগতের আত্বীয় বন্ধু বা যাই বলেন আমরাতো তাই, তাই না! একে অপরের প্রতি এ বোঝাপোড়াতো একদিনে তৈরী হয়নি, এটি অনেকদিনের ফসল। তাই অনেক আপনজন থেকে আপনারা আপন।............. তাই নয় কি?

৫৬| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৩৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার একটা গুণ আমাকে মুগ্ধ করে তা হলো আপনার লেখায় খুব স্বাভাবিকভাবেই রম্যভাব ফুটে উঠে - কথাকথিকেথিকথন এর এ কথাটার সাথে আমিও একমত!

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৩৩

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ প্রিয় খায়রুল ভাই। ব্লগে কম আসা হয় বলে মন্তব্যের উত্তর দিতে ভুল হয়ে যায়। আসলে সত্যি কথা হলো বাস্তব জীবনে আমি খুব আমুদে। অফিসের কাজ ছাড়া বাকি সব বিষয় খুব হালকা ভাবে দেখার চেষ্টা করি, বলা যায় আমি জীবন নিয়ে কখনই সিরিয়াস না। তাই আমি যাই ভাবি তাই উপস্থাপনের চেস্টা করি।.............. এটাই হলো আমার শানে নজুল।

৫৭| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৩

ফয়সাল রকি বলেছেন: বাঁশিওয়ালা ড্রেসটা খুবই চমৎকার! ঐবয়সের একটা বাচ্চার কাছে এরকম একটা পোষাকের আবেদন যে কতখানী, তা ছবিতে আপনার ভাইয়ের চকচকে চোখ দেখলেই বোঝা যায়!

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৩৭

সোহানী বলেছেন: সত্যিই তাই। অবশ্য সে খুব লাকি ছিল কারন আমাদের ক'বোনের মাঝে সে ভাই হওয়াতে সেই একটু বেশীই পেতো সবার থেকে। তবে সে সবসময়ই খুব হাসিখুশি থাক। আমার মতোই জীবন এতো সিরিয়াসলি নেয় না...............।

৫৮| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:৩৩

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: বাচ্চা ভয়ংকর, কাচ্চা ভয়ংকর এ লেখিকার নিজের কান্ডকারখানা নেই কেন? ঝেড়ে কাঁশেন। ;)

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৩:০১

সোহানী বলেছেন: নেই কারন উনি নিতান্তই ভদ্র এবং নম্র বাচ্চা ছিলেন :P

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.