নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

https://www.facebook.com/bicharmani

বিচার মানি তালগাছ আমার

বিচার মানি তালগাছ আমার › বিস্তারিত পোস্টঃ

৭ ই নভেম্বর : মহানায়কের আগমন...

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:০২




১. ২৫ মার্চ রাতে ঢাকার ইপিআর এ হামলার কথা শোনার পর বলেছিলেন, উই রিভোল্ট। নিজে যাচ্ছিলেন সোয়াত জাহাজ থেকে গোলাবারুদ খালাস করতে। কিন্তু রিভোল্টের পর নিজের কমান্ডিং অফিসার জানজুয়াকে গ্রেফতার ও হত্যা করেন। সুযোগ পেয়ে ২৭ তারিখ রেডিওতে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। এর আগে আবেগের বশে হোক আর দায়িত্ব নিয়েই হোক নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবেও ঘোষণা করে বসেন। সে যাক। যুদ্ধ শুরু। নিজে একটি সেক্টর ও নিজ নামের অদ্যাক্ষর জেড ফোর্স-এর প্রধান হলেন। দেশ স্বাধীন করার পর বঙ্গবন্ধুর সরকার তাঁকে বীর উত্তম উপাধি দেন। একই সাথে সেক্টর কমান্ডার, বীর উত্তম ও স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠকারী আর কেউ ছিলো না। তাই তিনি তখন থেকেই নায়ক...

২. দিন যায়। সময়ের পরিক্রমায় তিনি হন চীফ অফ আর্মি স্টাফ। ৩ নভেম্বর এক অভ্যূত্থানে তাঁকে গৃহবন্দী করেন ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ। আর্মিতে তুমুল জনপ্রিয় নায়কের গ্রেফতারে দ্বিধাগ্রস্থ ছিল সৈনিক রা। বাসার টেলিফোন লাইন কাটা থাকলেও বেড রুমের টেলিফোন থেকে জিয়া ফোন করেন কর্নেল তাহেরকে, বলেন সেভ মাই লাইফ। তাহের দলবল নিয়ে ও অন্যান্য বাহিনীর সহায়তায় নায়ককে মুক্ত করে ৭ নভেম্বর। সেদিনের রুম থেকে জিয়ার বের হওয়ার ভিডিও আমার কাছে শতাব্দির সেরা এন্ট্রি। সৈন্যরা ও জনগণ নায়ককে বানিয়ে দেয় মহানায়ক...


৩. জিয়ার সাথে তাহেরের কোন চুক্তি ছিল না। তবে দাবী ছিল জিয়া যেন, রেডিও স্টেশনে গিয়ে তাহেরদের পক্ষ হয়ে ভাষণ দেন আর বিভিন্ন দাবীও যেন পূরণ করেন। ১৯৭১-এর মত আবারও তড়িৎ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। নায়ক এবারও ভুল করলেন না। তাহেরের ফাঁদে পা দিলেন না। অবশ্য মহানায়ককে পরামর্শ দিয়ে বাঁচিয়েছিল, কর্নেল আমিনুল হক, মীর শওকত আলীরা। তাহের মীর শওকত কে বলেন, ইউ শাট আপ, জবাবে মীর শওকত তাহেরকে বলেন, ইউ গেট লস্ট। তাহের রাগ করে চলে যায়। তাহের পরে তার অনুসারীদের বলে, খেলা হাতের বাইরে চলে গেল...

৪. এরপর শুধুই এগিয়ে যাওয়ার পালা। যেই আর্মিতে কোন শৃঙ্খলা ছিল না সেই আর্মিতে চেইন অব কমান্ড প্রতিষ্ঠা করেন। দেশের স্বার্থে কিছুদিন প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক থেকে হয়ে যান রাষ্ট্রপতি। বহুদলীয় গণতন্ত্র ফেরত আনেন। ৬ বছর নির্বাসনে থাকা শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে ধানমন্ডির ৩২ নং বাড়ি বুঝিয়ে দেন। মহানায়ক হয়ে যান, বাংলাদেশের এ যাবৎ কালের শ্রেষ্ঠ সরকারপ্রধান...

স্যালুট মহানায়ক!

মন্তব্য ৫৯ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৫৯) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:০৯

কলাবাগান১ বলেছেন: মহানায়ক নাকি খলনায়ক.. যত সহজেই আপনি সরলিকরন করেছেন ইতিহাস কে আসলে ই কি এত সরল ছিল???

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:১৪

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: এখানে শুধুমাত্র ৭ই নভেম্বর এবং তার পরবর্তী ভূমিকাকে ফোকাস করা হয়েছে। ক্ষমতায় আরোহন, তারপর ক্ষমতার সাফল্য, ব্যর্থতা নিয়ে মূল্যায়ণ করা হয়নি। বিতর্কের উর্ধ্বে কেউ নয়। সবার কাছে একই ইতিহাসের ভিন্ন ভিন্ন অর্থ থাকতেই পারে...

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:৪১

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: রাজনৈতিক ইতিহাস সরল হয় না। তবে ইতিহাস বিজয়ীদের পক্ষেই থাকে...

২| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:১০

চাঁদগাজী বলেছেন:


আসলে মহানায়ক সেদিন আসেনি, তিনি এসেছিলেন ১৫ই আগষ্ট সকালে; ৭ই নভেম্বর ছিল উনার প্রথম রক্ষা; আরপরও তিনি আরও ১৭ বার রক্ষা পেয়েছিলেন; কিন্ত শেষ রক্ষা হয়নি।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:২৪

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আমি ভয়ে ছিলাম আপনার কমেন্ট নিয়ে। এই ১৭ বারের ক্যু মোকাবেলা করাটাও তাঁর একটা সাফল্য হিসেবে ধরা হয়...

৩| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:২৪

ইফতেখারুল মবিন বলেছেন: মার্চের ২৭ তারিখ বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করে তিনি স্বাধীনতার ঘোষক হয়ে গেলেন!বাঙ্গালী জাতির ইতিহাসে এর চাইতে বড় জোকস আর কী হতে পারে!!
তিনি কি স্বাধীনতার ঘোষক ছিলেন নাকি স্বাধীনতাবিরোধীদের পোষক ছিলেন?

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:২৬

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: অন্ধভক্ত হয়ে কিছু পড়তে গেলে এমনই হয়! আমি কোথায় লিখেছি স্বাধীনতার ঘোষক?

৪| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:৩২

কামালপা বলেছেন: এই উপলক্ষে সামুতে কোন ব্যানার-ম্যানার নাই?

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:৩৬

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: না। তাইতো এই পোস্ট প্রসব করলাম। চাঁদগাজী ভাই বলে, রাজনৈতিক পোস্ট কম কেন? পাঠক কম কেন? তাই চেষ্টা আর কি...

৫| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:৩৭

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: উনার রুহের মাগফেরাত কামনা করছি।

যারা উনার কবর জিয়ারতে যাবেন, তাঁরা যেন সত্যি সত্যি জিয়ারতের উদ্দেশ্যেই যান।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:৪০

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: ধন্যবাদ। সহমত। বেশীরভাগই তো ফটো সেশন আর শো ডাউন করতে যাবে। আল্লাহ উনাকে কবুল করুক। আমিন...

৬| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:৪৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, " আমি ভয়ে ছিলাম আপনার কমেন্ট নিয়ে। এই ১৭ বারের ক্যু মোকাবেলা করাটাও তাঁর একটা সাফল্য হিসেবে ধরা হয়.."

-এটাকে সাফল্য বলা মুশকিল, ১৭ বার বাঁচতে গিয়ে উনি অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে ফাঁসি দিয়েছেন, প্রতিটি মুক্তিযোদ্ধা উনার সমান ছিলেন অবদানের দিক থেকে; তিনি হাজার জিয়াউর রহমানকে মেরে শেষে নিজে মরেছেন; এত বড় বেকুব মানুষ পুরো বাংগালী জাতিতে আর একজনও জন্মায়নি ইতিহাসে। মানুষের জীবনকে হিসেবের মাঝে না আনলে এসব ঘটানো সম্ভব।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ২:২৩

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আর্মিতে ক্যু হলে তার শাস্তি কী হতে পারে?

৭| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ২:১৫

কলাবাগান১ বলেছেন: " তিনি হাজার জিয়াউর রহমানকে মেরে শেষে নিজে মরেছেন"

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ২:২৫

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আর্মির মধ্যে তখন অনেক কিছু চলছিল...

৮| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ২:৩৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


"লেখক বলেছেন: আর্মিতে ক্যু হলে তার শাস্তি কী হতে পারে? "

-সেইদিনের সেই আর্মি আজকের মতো শুধু বেতনভোগী চাকুরে ছিলেন না; এঁদের অর্ধেক ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা; তিনি নিজেও মুক্তিযোদ্ধা; তিনি যখন বুঝেছিলেন যে, তাঁর সহযোদ্ধারা উনাকে চাচ্ছেন না; উনার দরকার ছিলো সরে যাওয়া; মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করে ক্ষমতায় থাকা উনার পক্ষে সম্ভব হবে না, এই সাধারণ বুদ্ধিটা উনার ছিলো না।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:০২

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: একজন আর্মি চীফ হিসেবে এটা(সরে যাওয়া) মনে হয় কেউ মেনে নিতে পারবেনা...

৯| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:২১

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, " একজন আর্মি চীফ হিসেবে এটা(সরে যাওয়া) মনে হয় কেউ মেনে নিতে পারবেনা... "

-কিছু ঘটনাপ্রবাহ একজন মেজরকে উপরে আসতে সাহায্য করেছে; সেইসব ঘটনা প্রবাহের মুলে ছিল মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধারা, এগুলো সবগুলো তো এক সুতোয় বাঁধা; সেই সুতো কাটলে, উনার অস্তিত্ব তো থাকার কথা নয়।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:২৮

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: এ ব্যপারে দ্বিমত করা কঠিন...

১০| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৪:৩৩

বিষন্ন পথিক বলেছেন: মহানায়ক তো জানতাম উত্তম কুমার...

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৫:০১

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন মহানায়ক থাকতে পারে...

১১| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৬:১১

:):):)(:(:(:হাসু মামা বলেছেন: স্যালুট এই মহানায়ককে ।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৬:৪৮

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৭:১২

ব্লগ সার্চম্যান বলেছেন: আহারে মানুষ একজন মানুষ মরে গেছে তার পরেও তাকে নিয়ে অসভ্যপানা মন্তব্য ।
ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টটার জন্য।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৭:২৯

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আলোচনা/সমালোচনা সবারই পক্ষে বিপক্ষে থাকবে। সবার দৃষ্টিভঙ্গি একই হবে না। আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৩| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৭:১৪

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: বেচারা তাহের কোন দুঃখে যে জিয়াকে বেছে নিয়েছিলেন, কে জানে; পার্টির লোকজনও উনাকে সমর্থন করে নি। "সেপাই সেপাই ভাই ভাই, অফিসারের রক্ত চাই" স্লোগানে প্ররোচিত হয়ে অসংখ্য অফিসারকে হত্যা করা হয়; নির্মম ট্রাজেডি এদের বেশিরভাগই মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৭:৩১

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: জিয়ার মধ্যে ক্যারিশম্যাটিক কিছু ছিল মনে হয়। না হলে, ১৫ই আগষ্টের অভ্যূত্থানকারীরা তাকে বেছে নিয়েছে প্রথম পছন্দ হিসেবে( রশিদের সাক্ষাৎকার) আবার তাহেরও বিপ্লব পরবর্তী ছক কষেছিলেন জিয়াকে ঘিরে...

১৪| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৫৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


"লেখক বলেছেন: জিয়ার মধ্যে ক্যারিশম্যাটিক কিছু ছিল মনে হয়। না হলে, ১৫ই আগষ্টের অভ্যূত্থানকারীরা তাকে বেছে নিয়েছে প্রথম পছন্দ হিসেবে( রশিদের সাক্ষাৎকার) আবার তাহেরও বিপ্লব পরবর্তী ছক কষেছিলেন জিয়াকে ঘিরে... "

-জিয়ার ক্যারিশমাটা সৃষ্টি হয়েছে ছাত্রলীগ নেতা শেখ সাহবের বেকুবীর কারণে; পাকিস্তান থেকে ফেরত আসা সৈনিকদের চাকুরীতে বহাল রাখায়, সেনাবাহিনী ২ ভাগে বিভক্ত হয়েছিল; অমুক্তিযোদ্ধারা জিয়াকে সাপোর্ট দিয়েছে, তারা সংখ্যায় ছিল বেশী, ও তাদের মাঝে বাংলাদেশ বিরোধী ছিল শতকরা ৯০ জন।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০৫

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: ই‌গো সমস্যা দ‌ুই প‌ক্ষেরই ছিল। শেখ মু‌জি‌বের অ‌তি ভারতপ্রী‌তিও দায়ী ছিল...

১৫| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:২১

শাহিন-৯৯ বলেছেন: চাঁদগাজী যদি এ দেশের পুরো ইতিহাস লিখতেন তাহলে আমরা একখানা বাস্তব ইতিহাস পাইতাম!!!!

তাহের ক্ষমতায় গেলে চাঁদগাজী এ দেশের মন্ত্রী থাকতেন। জিয়া তাঁর স্বপ্নে ছাঁই দিয়েছে।

তবুও মুক্তিযুদ্ধা হিসাবে চাঁদগাজীকে হৃদয় দিয়ে শ্রদ্ধা করি।

জিয়াকে আমি পছন্দ করি তবে তাঁর কাজে অনেক ভুল ছিল।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৩৪

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: চাঁদগাজীর মতামতকে আমিও শ্রদ্ধা করি। জিয়া মানুষ ছিলেন। তাঁর ভুল ত্রুটি থাকতেই পারে। তখন বাংলাদেশের বয়সও বা কতটুকু ছিল। তার উপর বঙ্গবন্ধুর হত্যা এবং আর্মিতে বিদ্রোহ সব মিলিয়ে জিয়া যা করেছিলেন তাও অনেক ছিল বাংলাদেশের জন্য...

১৬| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:২৬

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়ার ক্ষমতা আরোহন সহজ হয়। বাকশাল কায়েম না করলে হয়তো বঙ্গবন্ধু আরো অনেক দিন থাকতেন আমাদের মাঝে তবে বাকশালই গণতন্ত্র ধ্বংস করেছিল যা পরবর্তিতে জিয়ার মাধ্যমেই আস্তে আস্তে ফিরে আসে।




ভালো থাকুন নিরন্তর। ধন্যবাদ।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৩৬

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: বঙ্গবন্ধু থাকলে জিয়ার আসার রাস্তাও তৈরি হতো না। জিয়া এসেছিলেন অনেকটা আচমকা...

১৭| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৩৫

বিলিয়ার রহমান বলেছেন: ৭ই নভেম্বর একদলের কাছে চেতনার দিন!! অন্যদলের কাছে দিনটা হলো হতাশার !!!


আমরা মুরগি আইমিন পাবলিক!!যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তার কথাই সত্য বলে মানি!!!


মুরগির মেরুদন্ডে সত্যের ভার বইতে পারার মতো অতো শক্তি কি আর থাকতে পারে????

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৪২

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: দুই পরিবার মুক্ত দেশ হলে মুরগীর মেরুদন্ডের সহনশীলতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়...

১৮| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৪৬

পলাশবাবা বলেছেন: চাঁদগাজী বলেছেন "-জিয়ার ক্যারিশমাটা সৃষ্টি হয়েছে ছাত্রলীগ নেতা শেখ সাহবের বেকুবীর কারণে; পাকিস্তান থেকে ফেরত আসা সৈনিকদের চাকুরীতে বহাল রাখায়, সেনাবাহিনী ২ ভাগে বিভক্ত হয়েছিল; অমুক্তিযোদ্ধারা জিয়াকে সাপোর্ট দিয়েছে, তারা সংখ্যায় ছিল বেশী, ও তাদের মাঝে বাংলাদেশ বিরোধী ছিল শতকরা ৯০ জন

জিয়াও একই বেকুবি করেছেন রক্ষীবাহিনীকে সেনাবাহিনীতে মারজ করে নিয়ে।যারা মোটামুটি সবাই ভারতপন্থি স্বৈরাচারী বাকশালের জারজ। যার ফল বাংলাদেশ এখনো ভোগ করছে.। রক্ষীবাহিনীর প্রধান তো এখন প্রভাবশালি মন্ত্রী।
আজকের পত্রিকায় ঢাকার দোহারের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রজব আলীর বিরুদ্ধে "অমুক্তিযোদ্ধারাদের" মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভুক্তির সুপারিশের অভিযোগ দেখলাম .।। .। মুক্তিযোদ্ধা বলে কি বিচার করবেন না ??

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৪৩

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: তখন অনেক গেম চলছিল। কে কী করলে কী হবে, কে কাকে ল্যাং মারছিল এসব সহজে অনুমান করা যাচ্ছিল না। মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট তো এখন ব্যবসা। বংশ পরম্পরায় বিক্রিও করা যায় শুনেছি। ঢাকা ক্লাবের মেম্বারশীপের মত...

১৯| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৫

ময়না বঙ্গাল বলেছেন: মানুষের ঘুঁটি চালের চেয়ে আল্লার ঘুঁটিচাল বোঝা বড় দায়

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০২

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: ঠিকই ব‌লে‌ছেন...

২০| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৫৮

পলাশবাবা বলেছেন: আচ্ছা ১৯৭৫ এ বংগবন্ধু হত্যার পরবর্তী সময়ে ১৫ অগাস্ট থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত তাহের সাহেব , আর খালেদ মোশাররফ আর জিয়া বাদে বাকি ৮ জন সেক্টর কমান্ডার রা কি করছিলেন ???

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:১৯

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: তেনারা মনে হয় স্বাভাবিক চাকুরিই করেছিলেন। কারণ, তখন সবাই ডালিম-ফারুকদের বশ্যতা মেনে নিয়েছিলেন। কাউকে প্রতিবাদ করে পদত্যাগ করার কথা তো আমরা শুনিনি...

২১| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:০৫

হাসান রাজু বলেছেন: ইতিহাস !!!
হেফাজতের ৫ই মে 'র পরের দিন মতিঝিল হয়ে অফিসে এসেছি । আর আমাকেই একজন বুঝাতে চায়, ওইদিন মতিঝিলে সারারাত ধরে ছোটখাটো একটা গণহত্যা হয়েছে । পুরা মতিঝিল রক্তের বন্যায় লাল হয়ে গেছে । এবং আওয়ামী বিদ্বেষীরা তার কথা একবাক্যে মানে। কিন্তু আমার কথার পাত্তাই দেয় না যদিও তারা জানে যে আমি ঐ পথ দিয়েই অফিসে আসি, ওইদিন ও এসেছি।
এই হল ইতিহাস । যে যেটা মানতে চায় সেটাই ইতিহাস ।

যেমন আমি যেটা বুঝি সেটা হল, ৭ ই মার্চে বঙ্গবন্ধু জার্সি পরে ময়দানে রেডি থাকতে বলছেন খেলোয়াড়দের। আর জিয়াউর রহমান বাঁশিতে ফু দিয়া খেলা শুরু করতে বলছেন । ব্যাস সহজ সরল সত্য এইটাই আমার কাছে ।

এখন কেউ চান্দের দেশ থাইক্যা ট্রাকটার চালায়া আইসা ইতিহাস কইবো । কেউ এইটারে জোক কইবো, কেউ কইবো ঐটারে । এইটা চলতেই থাকব । সবাই পক্ষপাত দুষ্টে দুষ্ট ।
সত্য হইল, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের সৃষ্টির কারিগর । আর যুদ্ধ, বাকশাল, হত্যা, ইত্যাদি নানান অরাজকতায় ক্লান্ত বাঙ্গালীর এক পশলা বৃষ্টি হলেন জিয়া ।
জিয়া এবং বঙ্গবন্ধু দু জনই যদি হাসিনা বা খালেদার মত এতো বেশি সময় পেতেন দেশ শাসনের তবে এ দেশের উন্নয়ন অনেক বেশি হত । আমরাই কপাল পুড়া ।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৪৬

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: সহমত। একক ভাবে কেউ কৃতিত্ব দাবী করতে পারে না। যার যার ভূমিকার জন্য ইতিহাসে স্থান পাবেন সবাই...

২২| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:৪৬

রাজীব নুর বলেছেন: শাহিন-৯৯ বলেছেন: চাঁদগাজী যদি এ দেশের পুরো ইতিহাস লিখতেন তাহলে আমরা একখানা বাস্তব ইতিহাস পাইতাম!!!!

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৪৭

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: উনার কলম ধরা উচিত। আমাদের ইতিহাসগুলো দুইটা গ্রুপের কাছে জিম্মি। চাঁদগাজীর মত লেখক দরকার...

২৩| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০৩

আমি চির-দুরন্ত বলেছেন: দেশের এমন কোনো কলংকজনক ঘটনা নেই জাতে জাসদের হাত নেই। যুদ্ধাপরাধী দের পর এখন জাসদের বিচার করা দরকার। ইনুর মিথ্যাচার দেখলেই ধারনা করা যায় জাসদ কতটা ভয়ংকর ছিল অইসময়।
জাসদ তাহের জিয়াকে মুক্ত করেছিল নিজেদের দরকারে,জিয়ার জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগাতে চেয়েছিল।কিন্তু জিয়া পল্টি খাওয়াতে তাদের বারা ভাতে ছাই পরেছিল। জিয়াও যদি ওদের সাথে সং্যুক্ত হত তবে দেশ এখন সোমালিয়া হয়ে যেত।জিয়া ১৭ বারের ক্যু মোকাবেলায় যাদের মেরেছিল,তাদের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা থাক্লেও তাদের উদ্দেশ্য দেশের স্বার্থে ছিল কি??

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৪৯

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: জাসদ কিংবা ইনু-দের বিচার করা এখন সময়ের দাবি। আপনার সাথে একমত। তাছাড়া জাসদের বিরুদ্ধে আজকাল আওয়ামী লীগের নেতারাও খোলামেলা কথা বলছে। সৈয়দ আশরাফুল, শেখ সেলিমরা প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন বঙ্গবন্ধু হত্যার আবহ তৈরি করেছিলেন জাসদরা...

২৪| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০৬

আমি চির-দুরন্ত বলেছেন: ৭ ই ন‌ভেম্ব‌রের মূল হোতা জাসদ, কিন্ত তা‌দের দুর্ভাগ্য তা‌দের সি‌ভিল কোন নেতা বা সাম‌রিক নেতা ক‌র্নেল তা‌হের এত বড় প‌দের যোগ্য ছি‌লেন না, তাই তারা সেনা‌দের কা‌ছে প্রিয় ও উপযুক্ত হিসা‌বে জেঃ জিয়া‌কে বে‌ছে নেয় । অর্থাৎ বিপ্লব ক‌রে জাসদ, ঘটনাক্র‌মে নেতা হ‌লেন জিয়‌া,যার দুঃখ জাস‌দের অাজও যায়‌নি, তাই‌তো ইনুর বিএন‌পির প্র‌তি এত বিষ !

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৫২

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: এই ব্যপারটাকে জাসদ বা আওয়ামী লীগ মানতেই পারছে না। অথচ জিয়ার কোন বদ মতলব বা ক্ষমতার লোভের কথা ৭ই নভেম্বরের আগে জানা যায় না। ঘটনাচক্রে সুযোগ কাজে লাগিয়েছেন জিয়া। আর সুশাসন দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন। জিয়া আসাতে বঙ্গবন্ধু নিয়ে ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায় আওয়ামী লীগ আর জাসদের। তাই তাদের এত জ্বালা...

২৫| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ''কর্নেল তাহের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। একজন সমর নায়ক হিসাবে তিনি যতটা সফল, রাজনীতিতে তিনি ততটাই ব্যর্থ । মুক্তিযুদ্ধে তিনি অসীম বীরত্ব দেখিয়েছেন ও সম্মুখ সমরের নিজের রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছেন। সামরিক বাহিনী থেকে অবসরের পর স্বাধীন দেশে একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসাবে দেশের ও জনগণের মঙ্গলের জন্য যে কোন ভূমিকা রাখতে তিনি প্রস্তুত ছিলেন। তবে দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, রাজনীতিতে তার সব ভূমিকা দেশের মঙ্গলের চাইতে অমঙ্গলেরই কারণ হয়েছে। গণবাহিনীর কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু সরকারকে টালমাটাল করে দেয়া ও বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রেক্ষাপট সৃষ্টির ক্ষেত্রে অনুকূল ভূমিকা রাখা, বঙ্গবন্ধুর খুনি চক্রের সাথে যোগসূত্র স্থাপন, খুনিদের বিতাড়িত করে ক্ষমতার দখল নেয়া খালেদ মোশাররফকে উৎখাত করা এবং পরিশেষে জিয়াকে মুক্ত করতে গিয়ে ‘সিপাহি জনতা ভাই ভাই হাবিলদারের উপরে অফিসার নাই বলে প্রচুর সেনাবাহিনি অফিসার হত্যা করা ......বাংলাদেশে আজকের প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতির যে উত্থান তার সবকিছুর পেছনেই কর্নেল তাহেরের ব্যর্থ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে।
কর্নেল তাহেরের রাজনৈতিক, বৈপ্লবিক ও রাস্ট্রদ্রোহী কর্মকাণ্ডের ফলশ্রুতি পর্যালোচনায় দেখা যায় সে সময়ে তাহেরের মৃত্যুদণ্ড অনিবার্য ছিল।''

মহিউদ্দিন আহমেদের লিখা “জাসদের উত্থান-পতন: অস্থির সময়ের রাজনীতি” থেকে অংশবিশেষ প্রথম-আলোতে প্রকাশিত হয়েছে। যার অংশ বিশেষ - “১৭ আগস্ট সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নঈম জাহাঙ্গীর নারায়ণগঞ্জে তাহেরের বাসায় যান পরিস্থিতি সম্পর্কে আঁচ করতে। ১৯৭১ সালে নঈম ১১ নম্বর সেক্টরে তাহেরের সহযোদ্ধা ছিলেন এবং প্রায়ই তাঁর সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করতেন। তাহের আক্ষেপ করে নঈমকে বললেন, ‘’ওরা বড় রকমের একটা ভুল করেছে। শেখ মুজিবকে কবর দিতে অ্যালাও করা ঠিক হয়নি। এখন তো সেখানে মাজার হবে। উচিত ছিল লাশটা বঙ্গোপসাগরে ফেলে দেওয়া”।
সেই তাহেরের জন্য আওামীলিগের মায়া কান্না দেখে বড্ড আফসোস হয়।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৫৭

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: শুধুমাত্র ইগো'র কারণে আওয়ামী লীগ জাসদ বা ইনুদের বিচার করছে না। কারণ, বিএনপি তাদের দুয়ো ধ্বনি দিবে। আর বিএনপি'র জামায়াত সম্পর্ক নিয়ে আওয়ামীলীগের বলার কিছু থাকবে না। আওয়ামীলীগ ভালো করেই জানে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডের সময় নেতাদের অবস্থান কি ছিল তৎকালীন সেনাপ্রধানের ভূমিকা কি ছিল, রক্ষীবাহিনীর ভূমিকা কি ছিল অথচ এই সব লোকই আওয়ামী লীগের বড় বড় পদে থেকে তাদের ক্যারিয়ার শেষ করেছে। আদালতের মাধ্যমে জিয়াকে তাহেরের খুনী বানিয়েছে। ইতিহাস কিন্তু ভিন্ন। মহিউদ্দিন আহমেদের মত নিরপেক্ষ লেখক না থাকলে আমরা সঠিক ইতিহাসই জানতে পারতাম না।..

২৬| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:০৭

আবু তালেব শেখ বলেছেন: একটা মানুষ কখনো 100% সফল অথবা সৎ থাকতে পারে না। দোষে গুনেই মানুষ।
অন্ধ ভক্তরা ব্যর্থতা পরিনাম বেশি দেখে।
আর সাফল্য অস্বিকার করে। এটা ঠিক নয়।

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:১১

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: সহমত। একটা পক্ষ এমনভাবে জিয়াকে মূল্যায়ণ করে যে মনে হয় জিয়া হাসিনা, খালেদা, এরশাদের চেয়েও খারাপ শাসক ছিলেন...

২৭| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:২১

জীবন সাগর বলেছেন: মহানায়ক মেজর জিয়া!!!!
ইতিহাস যে যতো ভাবেই ব্যাখ্যা করুক, কখনওই ইতিহাসকে ঢেকে রাখতে পারেনা কেউ।


পঁচাত্তরের ৩ নভেম্বর মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফ কর্নেল শাফায়াত জামিলের নেতৃত্বাধীন ৪৬ পদাতিক ব্রিগেডের সহায়তায় সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে জিয়াউর রহমানকে চিফ অফ আর্মি স্টাফ হিসেবে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে তার ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের বাসভবনে গৃহবন্দী করে রাখেন।

খালেদ মোশারফের নির্দেশে তাকে বন্দী করে রাখার দায়িত্বে ছিলেন তরুণ ক্যাপ্টেন হাফিজুল্লাহ। জিয়াউর রহমান যেন কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারেন সেজন্য তার বাসার টেলিফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়। কিন্তু ক্যাপ্টেন হাফিজুল্লাহ ভুলে যান জিয়ার বেডরুমেও একটি টেলিফোন ছিল। জিয়া কৌশলে বেডরুম থেকে ফোন করেন কর্নেল তাহেরকে। খুব সংক্ষেপে বলেন “সেভ মাই লাইফ”।

সেই একটি ফোনকলই শেষ পর্যন্ত হয়ে ওঠে ইতিহাস নির্ধারক। এই ফোন পেয়ে সেসময় চট্টগ্রামে অবস্থান করা তাহের ঢাকায় তার অনুগত সৈন্যবাহিনীকে প্রতিরোধ গড়ার নির্দেশ দিয়ে শত শত জাসদ নেতা-কর্মীকে নিয়ে নিজেও ঢাকার পথে রওনা হন। এক পর্যায়ে জিয়াকে মুক্ত করার পরই খুন হন মাত্র তিনদিন আগে অভ্যুত্থান ঘটানো খালেদ মোশাররফ।

ইতিহাস গবেষক ও লেখক আনোয়ার কবিরের মতে ওইসময় খালেদ মোশাররফের অনুগত ক্যাপ্টেন ভুল না করলে ইতিহাস অন্যরকম হতে পারতো।

চ্যানেল আই অনলাইনতে তিনি বলেন: যদি সবগুলো টেলিফোন লাইন কাটা থাকতো তবে জিয়া কারও সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পেতেন না। তাহলে তাহেরও হয়তো পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটাতে উৎসাহী হতেন না।

ইতিহাসবিদদের মতে, কর্নেল তাহের ছিলেন জিয়াউর রহমানের একজন বিশেষ শুভাকাঙ্ক্ষী। তাদের মধ্যে সম্পর্কও ভালো ছিল। তাহের ছিলেন সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী। সৈনিক-অফিসার বৈষম্য তার পছন্দ ছিল না। তার এই নীতির জন্য তাহের সেনাবাহিনীর সাধারণ সৈনিকদের মাঝেও দারুণ জনপ্রিয় ছিলেন। তবে অনেকটা বোকার মতোই কর্নেল তাহের বিশ্বাস করতেন জিয়াও তারই আদর্শের লোক।

বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী এবং সেনা অভ্যুত্থানগুলো নিয়ে দীর্ঘ  গবেষণা করা আনোয়ার কবিরের মতে, খালেদ মোশাররফের অভ্যুত্থান ব্যর্থ হওয়ার পেছনে তার নিজেরই কিছু ভুল ছিল। যা তাকে ব্যর্থতার দিকে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন: যে কোন অভ্যুত্থান ঘটাতে গেলে কিছু সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা দরকার। খালেদ মোশাররফের সে ধরনের কোন পরিকল্পনা ছিল না। তাছাড়া ক্ষমতা সুসংহত করার জন্য রেডিও-টিভিতে সেগুলো প্রচারও করতে হয়। কিন্তু ৩ নভেম্বর থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত টিভি-রেডিও বন্ধ থাকায় দেশের মানুষ দ্বিধায় ছিল। তারা জানতই না যে দেশে কী হচ্ছে।

চার নেতাদের খুনীদের দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়াও খালেদ মোশাররফের অন্যতম ভুল ছিল বলে মনে করেন তিনি।

‘জেলের ভেতর যে জাতীয় চার নেতা খুন হয়ে গেছেন, সেটা জানতেই পারেননি খালেদ মোশাররফ। খুন করে খুনিরা দেশ ছেড়ে যেতে চাইলে তাদের অনুমতি দেন তিনি; যা ছিল তার অন্যতম ভুল,’ বলেন আনোয়ার কবির।

“অনেকে বলে থাকেন, জিয়াকে বন্দী করার পর তার অনুগত সৈন্যরা মুভ করেছিল। কিন্তু এটা সত্য নয়। জিয়াকে বন্দী করার পর তার পক্ষে একজন সৈন্যও মুভ করেনি। মুভ করেছে কর্নেল তাহেরের নির্দেশে।’

ওইদিন জিয়া মুক্ত হওয়া কারণে ৭ নভেম্বরকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি’ দিবস হিসেবে পালন করে বিএনপি। তবে দিনটি ‘মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক’ হত্যা দিবস হিসেবে দেখে আসছে আওয়ামী লীগ।

By সাখাওয়াত আল আমিন
channelionline 6-11-2017

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:২০

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ...

২৮| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৪০

জীবন সাগর বলেছেন:

আমাদের আগে ভাবতে হবে আমরা কোন সময়ের ইতিহাস খুঁজছি,
১/ ১৯৪০ থেকে ১০৭৫
২/ ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬

আমি ইতিহাসের ছাত্র নই, অনলাইনে মাঝেমধ্যে খুঁজে খুজে পড়ি। নিচের লেখাটি পড়োছিলাম আমি, ব্লগবাসীও একবার পড়ে দেখুক।


জেলের ভেতর জাতীয় নেতাদের নির্মমভাবে হত্যার পর ৭ নবেম্বর যখন জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করা হয়েছিল তখন বাংলাদেশের ইতিহাস নতুন পথে হাঁটতে শুরু করেছে।

স্বাভাবিক কারণেই পরবর্তীকালে জিয়াউর রহমান সৃষ্ট রাজনৈতিক দল ও তার হাতে পুনর্বাসিত স্বাধীনতা বিরোধীদের কাছে ৭ নবেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস কিন্তু জাতির কাছে তো দিনটি ভয়ংকর কালো দিবস, কারণ, জেলের ভেতর নিহত নেতাদের অবদান ও প্রজ্ঞার কাছে জিয়াউর রহমান নিতান্তই খর্বকায়।

আর এই খর্বকায় ব্যক্তিটিই শেষ পর্যন্ত দেশের ইতিহাসের গতিপথই শুধুই পাল্টায়নি আমাদের উপহার দিয়ে গোছে কালো টাকার রাজনীতি, দুর্নীতির অবাধ ক্ষেত্র, হাজারে হাজারে মুক্তিযোদ্ধা হত্যা, ধর্মভিত্তিক রাজনীতি, রাজাকারের উত্থান এবং সর্বোপরি সেনা ছাউনিতে একটি রাজনৈতিক প্লাটফরমের জন্ম দিয়ে সেখানে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছেন খুনি, কালোবাজরি, দুর্নীতিবাজ, লুটেরা ও সাবেক সামরিক এবং বেসামরিক আমলাদের।

রাজনীতির এ দুর্বৃত্তায়ন থেকে জাতি এরপর আর কোনোদিনই মুক্তি পায়নি, মনে হচ্ছে না আর কখনও মুক্তি পাবেও।

-মাসুদা ভাট্টি

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:২৩

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: এসব সমস্যা তৃতীয় বিশ্বের যে কোন দেশের সমস্যা। জিয়ার আগে বঙ্গবন্ধু যে রকম গিয়েছিলেন তার চাইতে ভালো বাংলাদেশ রেখে গিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান...

২৯| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ২:৩২

নাঈম ০০৯ বলেছেন: দেশের দুই রাজনৈতিক দলের পাল্টাপাল্টি সমালোচনার (সত্য অথবা মিথ্যা ) ফলে সত্যিকারের ইতিহাসটাই বুঝার উপাইয় নেই। অথচ বঙ্গবন্ধু এবং জিয়াউর রহমান দুইজন ই দেশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এবং দুইজন ই ভালো ব্যক্তি। আবার দুইজন এরই খারাপ দিক রয়েছে। দুই দলের প্রতিযোগিতাই এক সময় হয়তো তাদের ভালো গুণ গুলাই হয়তো আর কেউ জানবেনা। খারাপটাই সবার সামনে উঠে আসবে ভালোটা চাপা পরে যাবে।
আওয়ামিলীগ বিএনপিকে জামাত এর সঙ্গ দেওয়ার জন্য রাজাকার বলে অথচ এক সময় আওয়ামিলীগও জামাত এর সঙ্গ দিয়েছে তাহলে তো তারাও রাজাকার
এভাবে দুই দলের রেষারেষিতে হয়তো ইতিহাস গুলোই বিলীন হয়ে যাবে। ইতিহাস গুলোকে সংরক্ষণের জন্য হলেও এই দুই দলের রেষারেষি বন্ধ করা দরকার।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:৩৫

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: একটু সময় লাগবে। কারণ, দুই পরিবারের বলয় থেকে আমরা বের হতে পারছি না। তবে এক সময় সব কিছু কমে আসবে আশা করি...

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.