নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি সেই দিন হব শান্ত....

বিদ্রোহী ভৃগু

সকল অনাচার আর অনিয়ম জাগায় দ্রোহ.....

বিদ্রোহী ভৃগু › বিস্তারিত পোস্টঃ

সূখ-সন্ধান

১১ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৪০

পতনের সূখ জ্বালায়
প্রথম কুমারত্ব বিসর্জনের ক্ষনে
নির্বোধ উচ্ছসিত বিভোলতায় মোহাবিষ্ট
বিজয়ানন্দের আড়ালে লুকোনো পরাজয় গ্লানি; বুঝিনি।

ঝর্ণার গতি আর উচ্ছলতা যেমন
বন্ধনহীন কেবলই চলার প্রেষনা
যৌবনে মানুষ্ও তেমনি –তাড়না গতিময়
নদী মোহনায়- মানুষ মৃত্যুতে; রুপান্তরী এক কাহিনী।

শত সহস্র সংগমে ক্লান্ত মন
উন্মোচনের প্রথম সে ক্ষণ খুঁজে হয়রান
যাপিত জীবন, সকলই মোহাবিষ্টতা
প্রথমার স্মৃতি কাতরতা বৈ-নয়, তবু আর মেলেনি।

পুন: কুমার হবো বলে বৈরাগ্যে
যুগ-যুগান্ত সাধনেও ফেরেনি সেই ক্ষণ,
যুপ-কাষ্ঠে পৃথক স্বত্ত্বা ফেরেনা স্ব-রুপে
দৈবে, প্রাণসঞ্চার হলেওবা, সে জন্মান্তরের শিরনী।




ছবি ঋণ: গুগল

মন্তব্য ৫২ টি রেটিং +১৮/-০

মন্তব্য (৫২) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৫

সাহসী সন্তান বলেছেন: ছবি আপলোডে ভুল হওয়ায় কেবল লিংকটা দেখা যাচ্ছিল, কিন্তু ছবি দেখাচ্ছিল না। অথচ আমার কৌতুহলি মন আপনার এডিটের অপেক্ষায় বসে থাকতে নিরাজ। বিধায় কি আর করা, নিজ গরজেই ছবিটা দেখতে হইল...

আপনি লিংক-এর থার্ড ব্রাকেটটা ক্লোজ করেননি, বিধায় ছবিটা দেখাচ্ছিল না। থার্ড ব্রাকেট ক্লোজ করে লিংকটা কপি করে উপরে পেস্ট করলে পোস্টটা আরো সুন্দর দেখাইতো!

কবিতা ভাল হইছে! শুভ কামনা ভৃগু ভাই!

১১ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ সাস ভায়া :)

হুম।
ছবি ঋন শোধিতে যাইয়া উহা সংগঠিত হইয়াছে বোধকরি :P

প্রিভিউ না দেখিয়া পোষ্ট করায় আর নজরে আসে নাই।
আপনার মহানুভবতায় কৃতজ্ঞতা। নিজ গরজে কষ্ট করিয়া দেখিয়া স্মরণ করানোতে অনেক অনেক ধণ্যবাদ

প্রথম পাঠে প্রথম মন্তব্যে আবারো বিশেষ ধন্যবাদ ;)

শুভেচ্ছা অন্তহীণ

২| ১১ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৩

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:

ব্রাভো কবি! চরম লিখেছেন! B-)

১১ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ওয়াও! কবির উচ্ছ্বসিত প্রশংসা ভীষন খুশি হলাম :)

অনুপ্রানীত হলাম কবি।

অনেক অনেক ধন্যবাদ
শুভেচ্ছা অফুরান

৩| ১১ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪২

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর।+

১১ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ কবি :)

শুভেচ্ছা সবসময়।

৪| ১১ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫২

চাঁদগাজী বলেছেন:


কোন উদ্দেশ্য, বিধেয়?

১১ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম। অবশ্যই!

আপনার যৌবনের প্রথম দিনের সেই স্মৃতি মনে করুন।
জীবনের শেষ বেলায় যতই চান না কেন সেইদিন কি ফের আসবে?

সেই অনুভব সন্ধানেই কাব্য! আপেক্ষিক সূখানুভবের অন্তর্গত অনুসন্ধান! :)

অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৫| ১১ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৩

সিগন্যাস বলেছেন: কবিতা বুঝিনা

১১ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সেকি ভায়া!

না বোঝার কিছূ নেইতো! খাঁটি বাংলায় লিখিত!
জীবন ঘনিষ্ট অনুভব!
আর জীবনের হাহাকার
অতৃপ্তাত্মার অনুসন্ধান!

একটু ভেবে দেখুন। পেরিয়ে এসেছেন - কাব্যের অনেকাংশই!
হয়তো আয়নাতে এভাবে সাজিয়ে দেখেন নি! ;)
তাই অচেনা লাগছে :P হা হা হা

পাঠ করেছেন তাতেই অনেক অনেক ধন্যবাদ।
শুভেচ্ছা অফুরান।

৬| ১১ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫০

স্রাঞ্জি সে বলেছেন: বেশ ভাল হইছে।

১১ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:০৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ স্রাঞ্জি সে :)

শুভেচ্ছা আর শুভকামনা জানবেন।

৭| ১১ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৩৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আহা!! কী অপূর্ব কল্পনা।। কোথায় বসে থাকলে এমন কল্পনা মাথায় আসে, প্লীজ কবি ভাই একটু বলবেন। আমরাও একটু অমরত্ব পাওয়ার চেষ্টা করতাম।

শুভেচ্ছা নিরন্তর।

১১ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৪২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অমর যে হয়েই আছে সেই খোঁজে অমরত্বের সন্ধান ;)
হা হা হা

তা বলবো দাদা, যদি আমাকে বলেন কেমন করে এত সুন্দর সুন্দর গল্পের প্লট পান
আর এত সাবলিল লিখে যান :)

অপরাহএনর আলোতে চিহ্ন রেখে এসেছি :)

অনেক অনেক ধন্যবাদ দাদা। এমন উৎফুল্ল মন্তব্যে লেখনির প্রাণ বাড়িয়ে দেয়।:)
শুভেচ্ছা অন্তহীন

৮| ১১ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৪৬

ঋতো আহমেদ বলেছেন: বাহ্, দারুণ হয়েছে। তবে, দু একটা টাইপো আছে। ঠিক করে দিন। ++

১১ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৫৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ঋতো আহমেদ :)

আচ্ছা দেখছি:)
নজরে আনায় ধন্যবাদ

অনেক অনেক শুভেচ্ছা

৯| ১১ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৫৫

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: কবিতাটি ভালো ভাবে বুঝতে কয়েকবার পড়তে হয়েছে। এটা জীবনের একটি অংশ।

১১ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:০০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: জীবনের নিত্যতারই একটা অংশ!

কৌমার্য হারানো তরুনের অনুভব! জীবনের প্রথমানুভবের হাহাকার - - -
আর ভিন্নমাত্রায় জীবন দর্শন :)

অনেক অনেক ধন্যবাদ ভায়া
শুভেচ্ছা জানবেন।

১০| ১১ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:৩১

আহমেদ জী এস বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু ,




যে দিন যায়
সে দিন কি আর ফিরে আসে হায় !!!!!!

কবিতাকে এতো কঠিনের যুপকাষ্ঠে বলি চড়ান কেন ? সাজেষ্টিভ ছবিটির মতো প্রস্ফুটনেই তো প্রানসঞ্চার করা যায় কবিতায় !

১১ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:৪১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ প্রিয় আহমেদ জী এস :)

সেই হাহাকারই প্রতিধ্বনিত!

স্মরণে রইলো! হুম লেখকীয় সহজতায় নয়, সাবলীলতায় নয়, পাঠকীয় সহজতা সাবলীলতাই হোক সাধনা ;)

অন্তহীন শুভেচ্ছা আর শুভকামনা

১১| ১১ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:৪০

সনেট কবি বলেছেন: সুন্দর।+

১১ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:৪২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ প্রিয় সনেট কবি :)

মন্তব্যে অনুপ্রানীত হলাম।
শুভেচ্ছা অফুরান

১২| ১১ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:০৮

সিগন্যাস বলেছেন: ভৌতিক একটা কবিতা লিখুন তো দেখি । আমি আমার গল্পের সাথে জুড়ে দেব B-)

১২ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:২৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: B-)

আচ্ছা। হয়ে যাবে খন :)
অনেক অনেক ধন্যবাদ সিগন্যাস

শুভেচ্ছা রইল

১৩| ১১ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:১৯

জাহিদ অনিক বলেছেন:
বাহ ! বাহ ! অতি খাসা।

পতনের বিজয়ানন্দের আড়ালে লুকানো গানি-- বুঝিনি। বুঝিনি।
বুঝলে কি আর !!! B-)

১২ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:৩০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হা হা হা

কবিই বোঝে কবির রহস্য ;)

অনেক অনেক ধন্যবাদ কবি
সৃস্টির চক্রের নিত্যতায় দাসানুদাস নফস!
দ্রোহের জ্ঞান আর সাধন তো বড়ই দুর্লভ!

অনেক অনেক শুভেচ্ছা আর শুভকামনা রইল

১৪| ১১ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: ছবি উপরে দিবেন।
মানে কবিতার শুরুতে।

১২ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:৩১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: শুরুতে দিলে ছবিটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায় কাব্যর চেয়ে!
কবিতার পরিপূরক হিসেবে ছবিকে রাখিতো, তাই

আপনার কথা মাথায় রইল
শুভেচ্ছা ভায়া

১৫| ১১ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:১৯

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: কবিতা ভালো লিখেছেন++


১২ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:৩২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ধন্যবাদ শাহরিয়ার কবীর ভায়া :)

প্লাসে অনুপ্রানীত করায় কৃতজ্ঞতা
শুভেচ্ছা আর শুভকামনা রইল

১৬| ১২ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:২৫

শামচুল হক বলেছেন: কবিতা ভালো লাগল। ধন্যবাদ

১২ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:৩৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ভাললাগাটুকু অনুপ্রাণ হয়ে রইল :)

শুভেচ্ছা অফুরান

১৭| ১২ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: শুরুতে দিলে ছবিটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায় কাব্যর চেয়ে!
কবিতার পরিপূরক হিসেবে ছবিকে রাখিতো, তাই

আপনার কথা মাথায় রইল
শুভেচ্ছা ভায়া

তা-ও ঠিক।
তারপতও সবাই ছবি উপরেই দেয়।

১২ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:২৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম। এটা আপেক্ষিকতো। যার যার পছন্দ :)

আবারো অংশ নেয়ায় ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা

১৮| ১২ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৫

চঞ্চল হরিণী বলেছেন: সেই প্রথম সুখের অনুসন্ধানে আপনার কাব্য উপস্থাপন চমকৃত হলাম। যৌবনের সাথে ঝর্ণা-নদীর উপমা দিয়ে একদম শেষ ধাপে এসে চমৎকার দর্শন যোগ হয়েছে। প্রথম পতনের সুখ আপেক্ষিক নয়। কারণ প্রথম পতনে নিয়ন্ত্রণহীন এক অজানা সুখ হয়ই হয়। কারো হয়; কারো হয় না কিংবা শর্ত সাপেক্ষে হয় তা নয়। হতে পারে পরেরগুলো আপেক্ষিক। আবার এই সুখের আড়ালে ভিন্ন দর্শন থাকলে সেটাও আপেক্ষিক হতে পারে। যেমন আমি ভেবে নিতে পারছি অনেক কিছুই। যূপ-কাষ্ঠে পৃথক সত্ত্বা স্বরূপে ফেরেনা, দৈবে যদি প্রাণসঞ্চার হয় তবে হোক না সেটা জন্মান্তরের শিরনি, সেই নব জন্মেও তো সে প্রথম পতনের আনন্দ পাইবে। পরিশেষে অনেক ভালোলাগা ভৃগু ভাই।

১২ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অসাধারন প্রকাশ :)

এমন মন্তব্য লেখার ইচ্ছেকে সুতীব্র করে। :)
মুগ্ধতা চঞ্চল হরিণী :)
হুম সমুহ সম্ভাবনা- কারন জাতিস্মরতো আর সবাই হয়না!
তাই পূর্ব স্মৃতি জ্ঞান সবই বিলুপ্ত হবে। সো প্রথম পতন ঠেকায় কে? ;) :P

অনেক অনেক ধন্যবাদ। দারুন বিশ্লেষনী মন্তব্যে অনুপ্রানীত হলাম।
শুভেচ্ছা অফুরান

১৯| ১২ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৪

তারেক ফাহিম বলেছেন: কয়েকবার পড়েছি।
ভালো করে বুঝে আসছিলোনা।

মন্তব্যে বাকিটুকু পুরণ হল।


কবিতা ভালো লেগেছে ভৃণ্ড ভাইয়া।

১২ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: :)

অনেক অনেক ধন্যবাদ ভায়া।
কষ্ট করে কয়েকবার পড়েছেন তাই কৃতজ্ঞতা :)

পূর্ণতার আনন্দ আমাকেও ছুঁয়ে গেল।
শুভেচ্ছা অন্তহীন

২০| ১২ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:১২

সুমন কর বলেছেন: একটু কঠিন বুঝি !!

তবে সুন্দর হয়েছে। +।

১২ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:১৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ সুমন দা!

হুম। সহজিয়ায় আরো ডুবতে হবে বুঝি :)

শুভেচ্ছা আর শুভকামনা অন্তহীন

২১| ১৩ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৬

সোহানী বলেছেন: ডিকশেনারী নিয়া বসিলাম। ভাবার্থ করিতে পারিলে ফিরিয়া আসিয়া মন্তব্যখানি প্রকাশ করিবো B:-) B:-/

১৩ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:০১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: উপস!

আসলেইকি এমন কঠিন ! B:-)
অভিধান নয়, বরং ভাবনার দুয়ার একটু দুষ্টু মনে খুলে দিয়ে অনুভব করুন
দেখবেন জলবৎতরলং ;) (এইটার অর্থের জন্য অভিধান খুঁজলে লেখক দায়ী নহে ;) )
হা হা হা
মাথায় রইল :) সহজিয়ার হাটে যেতে হবে :)

২২| ১৩ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:০৪

সোহানী বলেছেন: আরে না না সহজিয়ার হাটে যেতে হবে না। আমার মতো কমবোঝা মানুষের জন্য কবিতা একটু কঠিনই বটে।

হুম ভাবনার দুয়ার খুলতে হবে। কিন্তু সমস্যা ভাতের জোগাড়ে এতোটা ব্যাস্ত থাকতে হয় যে ভাবনার দুয়ার খোলার সময় হয় না। তাই সর্টকাটে অভিধান খুজিঁ...............হাহাহাহাহা ;)

১৩ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:১৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আহারে!

আপনার যদি কন এই কথা! আমরাতো দেশৈ বইসা তবে নাইইইই!!!
বিশ্বের সেরা দেশের সূখে শান্তিতে থেকেও যদি ভাবনার দুয়ার না খোলে!
আমাগো দুয়ারেতো ডিনামাইট মারলেও খোলার কথা না :-/ :P =p~

অকে, সামনের সহজিয়া আপনার জন্য ডেডিকেটেড করে রাখলাম অগ্রিম ;)
অনেক অনেক শুভেচ্ছা আর শুভকামনা

২৩| ১৪ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১:১৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: বেশ কিছুদিন পর ব্লগে এসে আমার অদেখা মন্তব্যের ঝুলা ঘেটে আপনার দেয়া মন্তব্য দেখে চলে এলাম । মন্ত্র মুগ্ধের মত পাঠ করলাম কবিতাটি । কেন যেন আমার দীর্ঘদিন দুরে থাকার কারণের সাথে মিলে গেছে কবিতার কিছু কিছু বাণী । ইদানিং ব্লগের বিভিন্ন পোষ্টের লেখায় এমন সব বিষয় ভেসে আসছিল আর লেখাতেও ছিল অনেক কিছু , তাই কাছে গিয়ে আহত হওয়ার চেয়ে দুরে থেকে কষ্ট পাওয়াই মনে হয়েছিল ভালো । দুরে থাকারোতো পৃথক একটি সৌন্দর্য আছে, যদিও দুরে থাকার বিসন্নতাও ছিল । মনে মনে ভেবেছিলাম কাছে গিয়ে কারো পেতে চাই কিছু , সেই কিছুটাই যেন পেয়ে গেলাম এ কবিতায় । ভাবছিলাম ভাঙ্গতে চাইনা কারো আনন্দের জমাট আসর, করতে চাইনি কারো রসভঙ্গ , চাইনা ঘটাতে বিঘ্ন ভরা জলসায় , আমি ঠিক এ সবের যোগ্য নই , বেমানান খুবই খাপছাড়া । মনে হচ্ছিল কিছু কিছু ঘরে গেলে আমি বেড়ে যাবে তাপমাত্রা , উঠবে ভিষন ধূলিঝড়, নিভে যাবে বাড়াবাড়ি, থেমে যাবে কলহাস্য সব, আমি কেন কাছে গিয়ে বাড়াবো উৎপাত । আমার ঝরুক রক্ত তবু যেন কারো বুকে আচর না লাগে । মনে হচ্ছিল দুরেই যাই যাতে কারোও ডাক না পৌঁছে সেখানে , তাইতো জনশুন্য নি:শব্দ দ্বীপে কিছুদিন কাটিয়ে দিলাম, কাটালাম শরীর ও মনের মধ্যে জমে থাকা কিছু ব্যথাও করতে নিবারন ।

এত সুন্দর ভাবগাম্ভির্যময় কবিতার রস আচ্ছাদন যে সে কর্ম নয়। তাইতো কবিতাটিকে ছায়ার মত প্রিয়তে নিয়ে আবারো চলে যেতে চাই সেই জনমানবশুন্য দ্বীপেই । হয়তবা সহসা আর হবেনা দেখা এই লেখালেখির ভুবনে ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

১৪ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:৪৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক অনেক দিন পর পেলাম প্রিয়জনের সাক্ষাৎ
মুগ্ধতার রেশ কাটতে না কাটতেই আবার চলে যাবার বানীতে বিমর্ষ!
আপনার মতো বিজ্ঞ, গুনিজনের জ্ঞান দেয়া আমার কম্মো নয়। আপনার জ্ঞানের ধূলিকনার কাছেও হযতো পৌছতে পারিনি!
শুধু আকুল অনুরোধ- থাকুন।

আমাদের শুন্যতাবোধ মুছে দিতেই! এমন ঋদ্ধ মন্তব্যে অনুপ্রানীত হতেই স্বার্থপরের মতোই বলবো আপনি না থাকলে
কোথায় পাবো এ অনুপ্রেরণা?? জানিনা কি হয়েছে? কিন্তু শুন্যতাটুকু অনুভব করেছি প্রতিনিয়ত!
আগের সহজতায় ফিরে আসুন প্লিজ!
জ্ঞানীর জ্ঞান ক্ষমার শিক্ষা দেয় অবচেতনেই! মহানবীর দিকে তাকিয়েই দেখূন!
যে আঘাত করেছে বেশী তার জন্যেই উল্টো প্রার্থনা করেছেন! তার কল্যান কামনা করেছেন।
অভীমানে যদি তিনি দূরে সরে থাকতেন আমরা কি সত্য পেতাম?

আপনার সকল কষ্ট কর্পূর সময় উড়ে যাক
জ্ঞানের উত্তাপে। ঝড়ুক স্নেহ, ক্ষমা
ভালবাসার বৃষ্টিতে
উর্বর হোক মানবতা, মনূষ্যত্ব।
আপনার আত্মার তৃপ্তিতে হাসুক জগৎ।

২৪| ১৪ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: প্রতি উত্তরের স্নেহময়ী ভাষা এনে দিবে ছন্দ ,
জানিনা এ ছন্দ দিয়ে রচিতে পারব কিনা কোন গদ্য কিংবা কাব্য ।
দোয়া করবেন খোদা যেন রাখেন মোরে ভাল ।

নিরন্তর শুভ কামনা রইল ।

১৪ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আমিন।
অবশ্যই সবসময় সবার ভালো থাকার দোয়াইতো কতর্ব্য।
আপনি ভাল থাকুন।
আমাদেরও ভাল রাখূন।

আপনার উপস্থিতিই যে আমাদের ভাল থাকা :)


২৫| ১৮ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:১০

নীলপরি বলেছেন: পতনের বিজয়ানন্দের আড়ালে লুকানো গানি-- বুঝিনি। বুঝিনি।
-- অসাধারণ একটা লাইন ।

আর পুরো কবিতাটা তো অনবদ্য ।

১৯ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:০১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ নীলপরি :)

প্রীত হলাম :) কৃতজ্ঞতা

অন্তহীন শুভেচ্ছা আর শুভকামনা

২৬| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১২:৪১

খায়রুল আহসান বলেছেন: "বিজয়ানন্দের আড়ালে লুকানো গ্লানি; বুঝিনি" - চমৎকার!
কবিতায় প্লাস + +।
তবে, শেষের দুটো লাইন একটু ব্যাখ্যা করবেন কি?

২১ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৫২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ প্রিয় সিনিয়র :)

চমৎকার অনুভবে আর প্লাসে কৃতজ্ঞতা এরকারশ

< যুপ-কাষ্ঠে পৃথক স্বত্ত্বা ফেরেনা স্ব-রুপে -
যুপ-কাষ্টে বা গিলোটিনে স্বত্তা পৃথক হলে যেমন আর আগের রুপে ফেরা সম্ভব নয়
নিজের ক্ষয়িত প্রাণ স্বত্তাও তেমনি দেহ থেকে পৃথক হলে আর পুন: প্রত্যাবর্তন সম্ভব হয়না।

<দৈবে, প্রাণসঞ্চার হলেওবা, সে জন্মান্তরের শিরনী।
কোন মিরাকলে, বিশেষ কৃপায় বা ঐশ্বরিক অনুমোদনে যদিবা প্রান সঞ্চারিত হয়,
তা পরজন্মেই সম্ভব। জন্মান্তরের উপহার, উপাচার, তবারক (শিরনী) রুপেই যদি তা সম্ভব হয়!

আশা করি ক্লীয়ার করতে পেরেছি। না পারলে জানাবেন।:) চেষ্টা চলবে অবিরাম ;)

অনেক অনেক শুভেচ্ছা আর শুভকামনা

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.