নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সম্পদহীনদের জন্য শিক্ষাই সম্পদ

চাঁদগাজী

শিক্ষা, টেকনোলোজী, সামাজিক অর্থনীতি ও রাজনীতি জাতিকে এগিয়ে নেবে।

চাঁদগাজী › বিস্তারিত পোস্টঃ

নববর্ষের প্যারেড নিয়ে ১৭ কোটী বাংগালীর ৩৪ কোটী মতামত

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:২০



সকল ব্লগারকে নববর্ষের শুভেচ্ছা; সবাই ভালো থাকুন, সুষ্হ থাকুন!

ষাটের দশকে, আমরা পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে প্যারেড (শোভাযাত্রা) করতাম: ঢাকা ট্রাংক রোড ধরে, লাইন করে, আমাদের স্কুল থেকে ১ মাইল উত্তরে যেতাম, আবার ফিরে আসতাম; আমরা শ্লোগান দিতাম: পাকিস্তান জিন্দাবাদ, ১৪ই আগষ্ট জিন্দাবাদ, কায়েদে আজম জিন্দাবাদ, আইয়ুব খান জিন্দাবাদ। রোডের ২ পাশে, মাঠে কর্মরত কৃষকেরা কাজ থামিয়ে আমাদের দেখতেন; স্কুলে ফেরত আসার পর, আমরা মিষ্টি খেতাম; বিল দিতো সরকার। কৃষকদের কোন প্যারেড ছিলো না, তাঁরা সেইদিন কাজ করতেন, তাঁদের জন্য সরকার কোন মিষ্টি দিতো না। আমি জানি না, এখন বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে স্কুলগুলোতে কি সেই রকম প্যারেড হয়, সরকার কি দরিদ্রদের মিষ্টিমুখ করে?

পহেলা বৈশাখে, আমাদের বাড়ী থেকে আড়াই মাইল দুরে, হিন্দু গ্রামের মাঠে মেলা বসতো, আমরা যেতাম; আমার কাছে বড় আকর্ষণ ছিলো বলিখেলা (কুস্তিখেলা)। মেলাটি চৈত্র সংক্রান্তির মেলার মত বড়মেলা ছিল, একটি ধনী হিন্দু পরিবার সেটার আয়োজন করতো, তারা ব্যবসায়ী ছিলো। সেখানে প্যারেড হতো বিভিন্ন গ্রামের বলিদের (কুস্তিগীরদের) নিয়ে: যেসব গ্রামের লোকেরা বলি খেলবে, তারা মেলার বাহিরে নিজেদের বলিদের নিয়ে জড়ো হতো, খেলা শুরু হওয়ার আগে, ঢোল সানাই বাজিয়ে প্রতি দলকে খেলার স্হানে আনা হতো, এটা ছিল সেই সময়ের প্যারেড; গ্রামের দরিদ্র মানুষেরা তাঁদের সবচেয়ে ভালো লুংগি, ধুতি, শার্ট, পান্জাবী পরে মেলায় আসতেন; তারপর খেলা শুরু হতো, প্রতি বছর খেলায় ২/৩ বার মারামারি হতো খেলার রেজাল্ট নিয়ে; এটা বলি খেলার আনন্দের অংশ।

মেলার মাঠের পুর্ব পাশের গ্রাম ছিল বিখ্যাত পীর বংশের গ্রাম; মেলার দিন, সেই গ্রামের লোকেরা তাদের গ্রামে ও মেলার মাঠের দক্ষিণ পাশে পাহারা বসাতো, যাতে মুসলমানেরা মেলায় যেতে না পারে। তাই পুর্বের ও দক্ষিণ দিকের মুসলমানেরা অনেক রাস্তা ঘুরে মেলায় যেতেন পশ্চিম ও উত্তর পাশ হয়ে।

ঢাকায় বৈশাখী প্যারেডে পেঁচার ছবি নিয়ে বিশাল প্যাচাল চলছে! কিন্তু বিস্ময়ের বিষয় হলো, ছোটকাল থেকে আমার পছন্দ পাখীদের মাঝে পেঁচাই সবার উপরে। আমাদের একটা পতিত বাড়ীকে আমরা খামার বাড়ী হিসেবে ব্যবহার করতাম; বাড়ীটি ছিল খুবই নির্জন এলাকায়; ফলে, সেখানে শিয়াল,সাপ ও অনেক পাখী থাকতো। সন্ধ্যার সময় অনেকগুলো পেঁচা বেরিয়ে আসতো শিকার ধরার জন্য; এরা আমাকে মোটেই ভয় পেতো না; গাছের নীচের ডাল বসে থাকতো শিকারের আশায়; আমি নীচ দিয়ে যাওয়া আসা করতাম; আমার সুন্দর লাগতো, মনে হতো সাহসী পাখী। আমার অসংখ্য পোষ্টে পেঁচার ছবি আছে, ঢাকার লোকেরা কি আমার থেকেই পেঁচাকে ভালোবাসলো!

বৈশাখের প্যারেড নিয়ে, প্যারেডের নাম নিয়ে, প্যারেডের ক্যারেক্টার নিয়ে দেখলাম প্যাচাল চলছে বছরের পর বছর। এই নিয়ে ১৭ কোটী বাংগালীর ৩৪ কোটী মতামত আছে, মনে হয়! ছোটখাট প্রতিট বিষয় নিয়ে বাংগালীদের অকারণ বিভক্তি খুবই কষ্টকর!

মন্তব্য ৯৪ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৯৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:২৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


পানতা নিয়ে থাকলে বসে
ইলিশ মাছের আশায়,
একটা ইলিশ পথ ভুলে কী
ঢুঁকবে আমার বাসায়?
কেষ্ট বলে, শুনছো কথা!
বলে কী মোর দুলায়,
এই বাজারে ইলিশ নিয়া
কেমনে মাথা ঘামায়?
থালায় নিয়ে রাখছি পুঁটি
উদযাপনের আশায়,
লও সবে বৈশাখী মোর
রাঙা নিমন্ত্রণের খাতায়,
খেজুর পাতার আসন পেতে
বসবো সবাই দাওয়ায়,
করবো ভাগ মহা আনন্দে
পুঁটি-পান্তার থালায়।।

................শুভ নববর্ষ।
.......চাঁদ থুক্কু ট্রাকটার গাজী ভাই।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


নববর্ষর শুভেচ্ছা।

সামান্য মাছ কেনার মত ক্ষমতা নেই কয়েক কোটী বাংগালীর, এটা দু:খজনক। আগামী ৫ বছরের মাঝে এটার সমাধান বের করবো আমরা।

২| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৭

সনেট কবি বলেছেন: জানার মধ্যে বাঙ্গালী ওটুকুই ভালো জানে। তো তারা আর কি করবে?

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


জাতীয় ব্যাপারে সবাইযকে নমনীয় হওয়ার দরকার; সবাই যেন নিজের জন্য স্হান করে নিতে পারেন। সবাই যাতে স্বাচ্চন্দ অনুভব করেন, ভালো অনুভব করেন, খুশী হন, এবং তাতে অংশ নিতে পারেন, সেটা বের করার দরকার।

৩| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৪১

মো: হাসানূর রহমান রিজভী বলেছেন: সুশিক্ষায় শিক্ষিত না হওয়া পর্যন্ত এটা থামবে না।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


আয়োজনে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে নেয়ার দরকার; তাতে সবার ইচ্ছেটুকু স্হান পাবে।

৪| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৯

জুজুগাগা বলেছেন: যে পেঁচার ডাক শুনলে গ্রামের মানুষ অমঙ্গলের গন্ধ খোজে সে পেঁচাই এখন মঙ্গলের প্রতিক। মারহাব্বা মারহাব্বা

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


গ্রামে পেঁচা নিয়ে কুসংস্কার চালু আছে; পেঁচা হলো রাতের পাখী, এটা হয়তো ভয়ের কারণ।

সব পশুপাখী ধরণীর জন্য মংগল, মানব সমাজের জন্য দরকারকারী পরিপুরক। সবাই কোন না কোন পাখীকে বা প্রাণীকে পছন্দ করেন।

৫| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
পণ্ডিত ভাই
ধন্যবাদ আপনাকে,
তবে কোটী দিয়ে কি বুঝাতে চেয়েছেন বুঝলাম না
কেটে ফেটে ফেলবেন নাকি ?
আপনার সুস্থ্য থাকার আশির্বাদতো তো অসুস্থ্ হয়ে গেছে।
যা হোক আপনি সুস্থ্য থাকলেই আমরা সকলে সুস্থ্য থাকবো ইনসাআল্লাহ।
আশা করি সুস্থ্য হয়ে উঠুন, পাগলামী করবেন না।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


আবারো নববর্ষের শুভেচ্ছা, ভালো থাকুন; আমরা সব ব্লগারের মিলে ভালো থাকার চেষ্টা করবো! আপনার ও সবার সুস্হতা কামনা করছি।

কিছু একটা পাগলামী করতে হয়, তাতে এটেনশন পাওয়া যায়; এটা আবার রটনা করে দেবেন না যেন!

৬| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সুন্দর! মুগ্ধ হলাম আপনার পুরানো দিনের কথা জেনে।অস্বীকার করবোনা যে আমার মনেও প্রশ্ন জেগেছিল আপনার পোষ্টে প্যাঁচা দেখে।আজ উত্তর পেয়ে খুশি হলাম।একই সঙ্গে আরো দুজন রাজনৈতিক ব্যক্তির ছবি আপনার পোষ্টে মাঝে মাঝে পাই।আমি জানি রাজনৈতিক আদর্শ আপনার একটিই আছে।তবে ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা থেকেই দুজনের ছবি আমরা দেখতে পাই।আবার পোষ্টের কথা বলি,অদ্ভূত লাগে শৈশবে যে স্বাধীনতা দিবস পালন করেছেন,যৌবনে আবার আসল স্বাধীনতার জন্য লড়াই করতে হয়েছে।
ইতিহাসে পড়া,আর জীবন দিয়ে উপলব্ধি করা আকাশ পাতাল তফাৎ।

শ্রদ্ধা রইল।রইল অনন্ত বৈশাখী শুভেচ্ছাও।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০১

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনার জন্য বৈশাখী শুভেচ্ছা রলো।

সবার জীবনে অনেক শুভ মহুর্ত আসবে, সবাই যেন সেটাকে অনুভব করার সুযোগ পায়; সমাজকে সেভাবে গড়ে তুলতে হবে।

৭| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৯

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন:


আমার পছন্দ ঈগল।। তুখোড় পাখি!!!

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০২

চাঁদগাজী বলেছেন:


ভালো, ঈগল অনেক জাতির প্রিয় পাখী, শক্তির প্রতীক মনে হয়!

৮| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৪

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন:

নূর মোহাম্মদ নূরু ভাইয়ের সাথে চাঁদগাজী ভাইয়ের খুনসুটি খুব মজার।


ব্লগারদে সুন্দর এই সম্পর্ক টিকে থাকুক চিরদিন।

নতুন বছরে ব্লগ ভরে উঠুক হাসি আর আনন্দে।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১০

চাঁদগাজী বলেছেন:


ব্লগার নুরু সাহেবের পোষ্ট দেখলেই মনে হয়, কোন বিখ্যাত ব্যক্তির মৃত্যু হলো বুঝি!

৯| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৫

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
না আমি কাউকে বলবোনা,
তবে আপনি যেনো আবার এই
কথাটা সবাইকে বলে দিবেন না।
তবে পাগলকে বিশ্বাস নাই, যা নিষেধ
করা হয় সেটাই করে। বলে ভালো কথা
মনে করে দিছোস !!

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১১

চাঁদগাজী বলেছেন:



তা'হলে কি আমি সাঁকো না নাড়াবার অনুরোধ করলাম শেষমেষ!

১০| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৬

শাহ আজিজ বলেছেন: জঙ্গল শোভা যাত্রা বাতিল করে মরদে মোমিন যাত্রা শুরুয়াত হোক , প্রতীক থাকবে বাজ পাখি , উট , দুম্বা ইত্যাদি । শুধু নাছারারা ছাড়া আর কেউ তকবির দিবনা । ঝাতি বাইচা যাইব ।


আইজ দুপুরে ঝড়ে পড়া কুঁড়ি আমের টক খেলাম , আহা কি তার স্বাদ !

আপনার এন ওয়াই তে বর্ষ মনে হয় এখন শুরু হল ।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


এখানে আজকে সবাই পালন করছেন, ভালো দিন, শনিবার, ছুটির দিন।

কাঁচা আমের আনন্দ, বাংগালীর আনন্দ।

এটা সেটা নিয়ে অকারণ অনৈক্যগুলো কমিয়ে আনার চেষ্টা করতে হবে; ছোটখাট ব্যাপার নিয়ে আমরা আলাদা হয়ে যাচ্ছি ক্রমেই।

১১| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: নিজাম ভাইয়া আমিও বিষয়টি লক্ষ্য করেছি।ওনাদের খুনসুটি বেশ উপভোগ্য। কামনা করি, এই বন্দ্ধন যেন অটুট থাকে।তবে গাজী স্যারের সঙ্গে শাহ আজিজ স্যারের সম্পর্কটিও বেশ মধুর।
শুভেচ্ছা অনন্ত।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


ব্লগারের এক পরিবার, এক জেনারেশন। আমরা সবাই প্রানবন্ত মানুষ, একত্রে থাকলে কথা হবে, তর্ক হবে, আলাপ হবে; কিন্তু মন খারাপ করার মতো কিছু করবো না আমরা; মানুষের মন ভাংগা সহজ, গড়া খুবই কঠিন।

১২| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৬

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন:


তর্ক, বিতর্ক, ক্যাচাল, প্যাচাল যাই করি না কেন? দিনশেষে ভেদেভেদ ভুলে আমরা আমরাই তো

শ্রদ্ধেয়? আমার সাথে টাইপিং এ পারবেন???

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



সঠিক, দিনের শেষে আমরা সবাই পরস্পরের সাথী।

টাইপিং'এ আমি হয়তো কারো সাথে পারবো না; আমার এক হাতে সামান্য সমস্যা আছে।

১৩| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১২

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
লেখক বলেছেন: তা'হলে কি আমি সাঁকো না নাড়াবার অনুরোধ করলাম শেষমেষ!

আমি আগেই জানতাম এই কামডাই করবেন, যা মানা করবো তা না বললে আপনার
পেটের ভাত হজম হবে না।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


ওকে, আমি অফ হয়ে গেলাম!

১৪| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: পেঁচা বা প্যারেড নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানবো ভেবেছিলাম। জানা হলো খুব কমই। আপনাদের পহেলা বৈশাখ উদযাপনের খণ্ডচিত্র জানতে পারলাম।

শুভেচ্ছা চাঁদগাজী ভাই।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২২

চাঁদগাজী বলেছেন:


আমি সাধারণ মানুষের একজন, মানুষ যখন যেদিকে, আমিও সেইদিকে। ঢাকার দুর্বল প্যারেডের দর্শক আমি নই, ওদের প্যাচালেও থাকতে চাই না; চাই মানুষের সুখ-শান্তি ও বন্ধুত্ব।

১৫| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৮

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: দেশের মানুষের হঠাৎ এমন ধার্মিক বনে যাওয়া উদ্বেগের!

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:১৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


সমাজ বিশৃংখল হয়ে যাওয়ায় মানুষ ধর্মকে সব কিছুর মাঝে এনে নিজের চারিপাশ একটা বলয় গঠন করার চেষ্টা করছেন, মনে হয়।

১৬| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:২৭

প্রান্তর পাতা বলেছেন: আপনার অভিজ্ঞতা থেকে অনেক কিছু শিখলাম। আপনার নতুন বছর ভালো কাটুক।
পেঁচা আমারও অনেক প্রিয়, তবে আমি একটা পেঁচা পুষতে চাই। বেশি দাম না।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৩৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


নববর্ষের শুভেচ্ছা। ভালো থাকুন।

সম্ভব হলে, পাখী পোষাকে নিরুৎসাহিত করা দরকার; প্রতিটি প্রাণী নিজের জীবনটুকু স্বাধীনভাবে যাপন করুক।

১৭| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৩৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: এটা ছোটখাট কোন ইস্যূ নয়, একটু আগে এক ছাত্রের পোস্ট পড়ে দেখুন যে মঙ্গল শোভাযাত্রা সরকার বাধ্যতামূলক করেছে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। আপনি নিজে এই শোভাযাত্রা চাক্ষুশ দেখেছেন কিনা জানা নেই। ভয়ংকর সব মুখোস পড়ে, ভুভুজেলা, শাখ বাজিয়ে বিকট শব্দ করা এই শোভাযাত্রা কাছ থেকে না দেখলে বোঝা যাবে না যে, কি ভয়ঙ্কর বিদ্ঘুটে এই শোভাযাত্রা। তাও আবার বছরের পর বছর ফলাও করে বলা হচ্ছে অমঙ্গল দূর করার জন্য এই শোভাযাত্রা। এই ''কুসংস্কার'' কি জাতি, ধর্ম, বর্ন নির্বিশেষে বাঙ্গালী জাতির হাজার বছরের সংস্কৃতিকে প্রতিনিধিত্ব করে?

যাই হোক আপনি জ্ঞানী মানুষ।। আমাদের মত প্রশ্ন ফাশ, ঘুসখোর ডাকাত প্রজন্মতো আর নয় । আপনাদের কাছে এই আজব বিদ্ঘুটে সংস্কৃতি প্রগতির চিহ্ন।


১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৪৯

চাঁদগাজী বলেছেন:

নববর্ষের শুভেচ্ছা।

আমি হালকা হাসিখুশীর গ্রাম্য মেলার লোক: আওয়াজ ও অকারণ চীৎকার ইত্যাদি আমার পছন্দ নয়; বিদঘুটে সেজেমেজ, গায়ে ওজনী কাপড় চোপড় পরে, প্লাকার্ড ম্লাকার্ড বহন করে হয়রাণ হওয়া ইত্যাদি আমি পছন্দ করি না। কিছু লোকজন আছে, যারা কাজের থেকে অকাজ বেশী করে। প্রকৃতিতে মংগল, অমংগল বলতে কিছু নেই, ওগুলো কুসংস্কার; আছে মানুষ মানুষের সম্প্রীতি, এটাই মংগল, অমংগল।

সরকারের আদেশে আনন্দ উৎসব হয় না, মানুষ নিজেদের ট্রেডিশন অনুসারে চলে।

১৮| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৪২

প্রান্তর পাতা বলেছেন: পাখি পোষায় আমার নিজস্ব স্টাইল আছে, আমি খাচাঁ ব্যবহার পছন্দ করি না। বাচ্চা কিনে handfeed করে বড় করবো। তারপর বাসা বানিয়ে দিবো থাকবে B-)

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৫০

চাঁদগাজী বলেছেন:


মনে হয়, মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষ পাখী পোষেন, তারা সেটাকে ভালোবাসেন; আমি কোনদিন চেষ্টা করিনি।

১৯| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৫১

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আপনার মত মডারেটলি কেউ চিন্তা করছে না। উৎসব নিয়ে কোন সমস্যাই ছিল না। লালদীঘিতে যখন জব্বারের বলী খেলা আর ৩ দিন মেলা হত, তখন কেউ ধর্ম খুঁজতো না। সমস্যা হয়েছে এলিট ঢাকাইয়াদের কারণে। তবুও মানলাম, শখ করে বড়লোকেরা পান্তা, ইলিশ খাচ্ছে। এরপরও মানলাম রবীন্দ্র ভক্তরা সকাল বেলায় বৈশাখরে ডেকে ডেকে আনছে (যদিও রাত ১২ টার পরই বৈশাখ চলে এসেছে!)। কিন্তু এই শোভাযাত্রা ছিল একটা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মধে সীমাবদ্ধ। এখন মাদ্রাসা সহ সারা বাংলাদেশেই এ্টাকে চাপানোর চেষ্টা চলছে। মুখোশ আর প্রতিকৃতির ব্যাখ্যা দেয়া হচ্ছে। অসুরকে দমন করার কথা বলা হচ্ছে। তারাই তো এটাকে সাম্প্রদায়িক বানিয়ে ছাড়ল...

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:০১

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলাদেশে একমাত্র বড় অসুর ছিলো সরকার ও পুলিশ।

উৎসব মানুষের উপর চাপিয়ে দেয়া যায় না; মানুষ নিজ জাতির ট্রেডিশনের মাঝে সামাজিকভাবে গ্রহনযোগ্য কিছু করে আনন্দিত হয়। দরকারের চেয়ে বেশী করতে হলে, গাঁজা, ইয়াবা খেয়েদেয়ে মাতাল হয়ে অকাজ করে বেড়াতে হয়।

২০| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৫৬

রাজীব নুর বলেছেন: দিনের আলো থাকতেই হঠাৎ অন্ধকার করে আসা, হালকা ঝড়, ঠান্ডা বাতাস : ১লা বৈশাখের সবচেয়ে পছন্দের সময় আমার।
কি শান্তি!
আলহামদুলিল্লাহ...

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:০২

চাঁদগাজী বলেছেন:


কাল বৈশাখীও বৈশাখের অংশ।

২১| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৫৮

রাজীব নুর বলেছেন: পেঁচা নিয়ে পাঁচ বছর আগে আমি ব্লগে লিখে ছিলাম। ইচ্ছা হলে একবার চোখ বুলাতে পারেন।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:০৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


ঠিক আছে, পড়ে দেখবো। আপনার পেঁচা আমার পোষ্টে স্হান করে নিয়েছে নাকি? আমার অসংখ্য পোষ্টের ছবি একটি সুন্দর পেঁচা; ভয়ংকর ব্যাপার!

২২| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৫৯

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: সময়ের ব্যবধানে অনেক কিছু ছড়িয়ে যায়, আবার সময়ের ব্যবধানে অনেক কিছু হারিয়ে যায়। আপনার কপাল ভালো আপনি উভয়ের সাক্ষী হয়েছেন। আরো ভালো হবে আপনি যদি পরবর্তী ধাক্কাটা দেখে যেতে পারেন।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:০৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


সব কিছুই সমাজের গ্রহনযোগ্যতার মাঝে থাকতে হবে, সবকিছু আমাদের ট্রেডিশনের অংশ হতে হবে; উল্টা পাল্টা কিছু টিকে না।

২৩| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:০৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: আওয়াজ ও অকারণ চীৎকার যদি পছন্দ নাই করেন, প্রকৃতিতে মংগল, অমংগল বলতে কিছু নেই বলে যদি বিশ্বাসই করেন তবে এই পোস্ট দিয়েছেন কেন? আপনি একদিকে এই শোভাযাত্রার পক্ষে কথা বলবেন আবার এই শোভাযাত্রার মুল বিশ্বাসের প্রতি অবিশ্বাস দেখাবেন সেটা কেমন ব্যপার?

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:১৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


প্রকৃতিতে মংগল, অমংগল বলতে কিছু নেই বলে আমি 'এস্ট্রোলোজিক্যাল' ব্যাপার স্যাপারকে বুঝায়েছি। প্রথমত:, শোভাযাত্রা থেকে, প্যারেড শব্দটা একটু হালকা, আমি সেটাই ব্যবহার করেছি। মানুষ আনন্দ প্রকাশের জন্য সন্মিলিতভাবে মেলা ইত্যাদির ব্যবস্হা করেন; এটাই আমাদের ট্রেডিশনের কাছাকাছি।

২৪| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:২৯

দপ্তরবিহীন মন্ত্রী বলেছেন: বিতর্কটা যে কারণে সে কারণ অনুসন্ধান করলে আরো ভালো সিদ্ধান্তে আসা যায়। আপনি তো নাস্তিক। তো, আপনিই বলে দেন তাদের একবার নাম, মুখোশ, পেঁচা আর প্রতিকৃতি ছাড়া বৈশাখ পালন করতে!

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:২০

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনারা এমন এমন কথা বলেন, যেটা আপনারা নিজেও বুঝেন না; আপনারা মানুষকে আস্তিক ডাকেন, নাস্তিক ডাকেন, গালি দেন; এভাবে হলে, আপনারা অন্যদের সাথে কিভাবে মিলেমিশে থাকবেন!

২৫| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৩৫

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ব্লগার নুরু সাহেবের পোষ্ট দেখলেই মনে হয়, কোন বিখ্যাত ব্যক্তির মৃত্যু হলো বুঝি!

আপনি রাতকানা জানতাম, এখনতো দেখি রাত দিন
উভয় সময়েই দেখি কানার হাট বাজার!

আমার পোস্ট দেখলেই মনে হয় বিখ্যাত ব্যক্তির মৃত্যু ! কেন বিখ্যাতদের জন্ম,
বিশেষ জাতীয় এবং আন্তর্জাদিক দিবসগুলো কি এন্টিনার উপর দিয়ে যায়।
লিলিপুটিয়ান মস্তিস্ক !!

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:১৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


নববর্ষের দিনে এভাবে কেহ ঝাপিয়ে পড়ে?

২৬| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৫৭

ইনাম আহমদ বলেছেন: নববর্ষের মঙ্গল শোভাযাত্রা দেখলে কিছু মানুষের মুখে আষাঢ়ের মেষের সঞ্চার হয়। বলি আমি পহেলা বৈশাখে কেক কাটবো না পান্তা ইলিশ খাবো তাতে কার বাপের কি? নিজের পয়সায় খাচ্ছি, দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা হচ্ছে। এখন আমি মঙ্গল শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান না করে প্যাঁচার ন্যায় বসে বিরোধীতা করলেই কি দেশের উন্নতি হবে?

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:১১

চাঁদগাজী বলেছেন:


জাতির ট্রেডিশানের সাথে মিলিয়ে করলে, জাতির বিরাট ভাগ তাতে অংশ নিতে পারবেন, এটাই কমনসেন্স।

২৭| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:২৫

ইউনিয়ন বলেছেন: ইনাম আহমেদ, আপনি বাটা মরিচের বটু ফালান কিংবা কাছিম কিনে তার সাথে বসবাস করেন এতে আপনাকে কেউ মানা করবেনা। কিন্তু আপনি যদি এই সমস্ত খিস্তি খৈউর কাম কে বলে বেড়ান এইটা অমুক, এইটে হ্যামুক বালছাল ছাতা নাতা তাহলে আপনার এই সমস্ত খিস্তী খৈউর আরেক জনে মেনে নিতে বাধ্য নয়।

আপনার ভালো লাগলে পেঁচার প্রতিকৃতি গলায় ঝুলিয়ে রাখুন, রাখুন না। আপনাকে কেউ...ই মানা করবেনা।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৬:৫০

চাঁদগাজী বলেছেন:


এখানে লোকজন ব্লগিং করছেন, আপনি ম্যাঁওপ্যাঁও করে বেড়াচ্ছেন; এটা কি কথা হলো?

২৮| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৩৪

নাঈমুর রহমান আকাশ বলেছেন: আমাদের এই দোয়া করতে হবে যে, (হে) আল্লাহ তা’লা! আমাদের আগত বছর যেন বিগত বছরের ন্যায় আধ্যাত্মিকতার ক্ষেত্রে দুর্বল না হয়; বরং আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপ, পদচারণা যেন খোদার সন্তুষ্টির লক্ষ্যে হয়; আমাদের প্রতিটি দিন যেন রসূল (সা.)-এর আদর্শে অতিবাহিত দিন হয়;

শুভ নববর্ষ ১৪২৫

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৬:৫২

চাঁদগাজী বলেছেন:


দোয়ার সময় দোয়া করতে হয়, কাজের সময় কাজ করতে হয়, খাবার সময় খেতে হয়, আনন্দ করার সময় আনন্দ করতে হয়।

২৯| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:১৮

Ashfi Tuhin বলেছেন: শিক্ষিত বেকারদের তো কোন কাজ নেই জনাব, ঐ মতামত টতামত দিয়েই দিন কাটায় আরকি। নাই কাজ তো খই ভাজ টাইপের।।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৬:৫৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


কোন শিক্ষি্ত বেকার কিছুদিন ব্লগে থাকলে উনার চাকুরী পাবার সম্ভাবনা বাড়বে।

৩০| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১২:১০

ইনাম আহমদ বলেছেন: আপাতত আমি এখানে কিছু আজীব প্রাণী দেখতে পাচ্ছি, যাদের মতে নিজের মতামত প্রকাশ করাটা বেকারত্বের লক্ষণ। তারা ব্লগে কি করতে মতামত দেন আমি জানিনা। নিজেদের পক্ষে মতামত গেলে অবশ্য তাদের মুখে ফুল ফুটতো বলে আমার ধারণা।
আমি একজন ছাত্র, ইন্টার পাস, অনার্স চলছে। কোটা সিস্টেম উঠে যাওয়ায় আমার চাকরির ক্ষেত্রে আদৌ কোনও সুবিধা হয়েছে কিনা আমি এখনও জানিনা, কারণ চাকরিতে আবেদনের যোগ্যতা(যদি আপনি সম্মানজনক চাকরির কথা বলেন তবে আরকি) আমার এখনও নেই। যেটুকু আছে সেটুকু দিয়ে কোনও অফিসে আরামে কম্পিউটার অপারেটরের চাকরি হয়ে যাবে।
আর আমি ব্লগিং করি সময় পেলে, আজকে সরকারী ছুটি, আর সাথে আমার সেমিস্টার ফাইনাল চলছে (পরীক্ষার সময়ে প্রেসার কম থাকে ক্লাসচলাকালীন সময়ের চেয়ে)। সারদিন মুভি দেখা আর সিলেবাস শেষ করার ফাঁকে আমি যদি কুম্ভকর্ণের ঘুম ভাঙাতে সময় নষ্ট করি আপনাদের আপত্তি কোথায়?
নিজের চরকায় তেল দিন আপনারা।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৬:৫৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


ছাত্রদের জন্য পরিবার ও জাতি টাকা খরচ করছেন; তারা যদি বেকার থাকে, জাতি অনেকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়; কোটা সামান্য সাহায্য করবে; সঠিক সমাধান হলো, চাকুরী সৃষ্টি করা।

৩১| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১২:৪৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: না বাংলাদেশ সরকার কখনো সাধারণ জনগনে বা স্কুলে মিষ্টি বিতরণ করেছে আমার জানা নেই, তারা নিজেরা যথেষ্ট ডায়াবেটিকস ও নানা রোগে থেকেও তাদের বাসায় মিষ্টি’র পাহাড় জমে শেষে তাদের বাসার কাজের লোক বা সরবরাহকারীরাই খেয়ে সাবার করে ।

আনন্দ উল্যাস কে ধর্মীয়ভাবে বন্ধ করার জন্য নানা ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে, তা লজ্জাজনক - ধর্ম মতে আনন্দ উল্যাস বাদ দিয়ে আদিমযুগে চলে যাওয়াটা মঙ্গল - শুধু খুনাখুনি আর র‌্যাপ হবে। র‌্যাপ হবার আরো কারণ কে কিভাবে কাপড় পরিধান করে তা নিয়ে আমাদের দেশে পহেলা বৈশাখ ও অন্যান্য অনুষ্টানে একদল আছেন যাদের নোংরা কামনা জেগে উঠে এবং ব্লগে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে প্রকাশ পায় - আমার ধারণা এই লেখকগণ কোনোভাবে ‘জাপান’ যেতে পারলে ভয়ন্কর দাগী ধর্ষক হয়ে যেতো - দুর্ভাগ্য তাদের কপালে জাপান যাওয়া হয়না - তাহলে বাংলাদেশ থেকে জাপান এ্যাম্বেসী বন্ধ করে চলে যেতে হতো ।

পাখি সম্পর্কিত আমার কাছে চমৎকার কিছু অনুসন্ধান ও তথ্য আছে তার মধ্যে পেঁচা হচ্ছে নাইট গার্ড ও স্পাই পাখি । পেঁচা’কে পাখিদের ডিটেকটিভ বলা হয় - পাখি সমাজে ঈগল রাজার কাছে পেঁচা খুবই গুরুত্বপূর্ণ পাখি ।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৭:০১

চাঁদগাজী বলেছেন:


আমি সব পাখীকে পছন্দ করি; কিন্তু পেঁচা নাকি বাচ্চাদের ভয় দেখায় (কুসংস্কার), তাই তাদের প্রতি আমার ইন্টারেস্ট ছিল, পরে দেখলাম যে, তারা খুবই সাহসী পাখী, মানুষকে ভয় পায় না তেমন।

৩২| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১:০৪

মোঃ মঈনুদ্দিন বলেছেন: যাক অবশেষে সারাদিনের শ্রমের পর এবার ব্লগেও গাধাশ্রম দিলাম সবার কমেন্ট আর পালটা কমেন্ট চেখে দেখতে দেখতে। বেশ জমেছে মেলা! তবে ১৬ কোটি মানুষের কয়কোটি বাঘ-ভাল্লুক, হাম্বা, পেঁচা সেজে এ দিবস উদযাপন করেছে আমার জানা নাই। এটা বাঙ্গালিদের আবহ্মান কালের বহু বহু পুরাতন ঐতিহ্য তা পালিত হবে তার নিজস্ব নিয়মে। শহরে পেঁচাদের নিয়মে নয় অবশ্য। না কী শহরের বিলাসী মানুষেদের অভ্যাস সবাইকে গায়ে দিতে হবে?
নববর্ষের ১ দিন পর গ্রহণ করুন আমার পক্ষ থেকে বিদায়ী শুভেচ্ছা।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৭:০৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


ব্লগ হলো বাংলাদেশের মানুষের জন্য "ফ্রি ইউনিভার্সিটি", থাকুন; আমার ধারণা, আপনি উপকৃত হবে।

৩৩| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৬:০০

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: সুখি নব বর্ষ

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৬:৪৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



নববর্ষের শুভেচ্ছা।

৩৪| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৭:৫৩

এলিয়ানা সিম্পসন বলেছেন: শুভ নববর্ষ।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:০২

চাঁদগাজী বলেছেন:



শুভ নববর্ষ।
আপনি কি নিউইর্য়ক শহরে পড়ালেখা করবেন, নাকি বাহিরে?

৩৫| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:৩৭

মোহাম্মদ মজিবর রহমান বলেছেন: শুভ নববর্ষ।
আমাদের দেশে চাষারাই আসল বাংগালী,চাষারা কখনও প্যারেড করে না।
পেঁচা আমার কাছে কেমন যেন অশুভ অশুভ লাগে।


১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:০৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


শুভ নববর্ষ।

পেঁচা অশুভ অশুভ লাগে? অবশ্য, গ্রামে পেঁচাকে অনেক মোটেই পছন্দ করে না; পেঁচা ডাকলে আনেকে ঢিল ছোঁড়ে!

৩৬| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:২৯

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
লেখক বলেছেন: নববর্ষের দিনে এভাবে কেহ ঝাপিয়ে পড়ে?

মাফ করে দিলাম! নববর্ষ বলে কথা !!

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:০৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


ওকে, শান্তি

৩৭| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:৩১

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমি সব পাখীকে পছন্দ করি; কিন্তু পেঁচা নাকি বাচ্চাদের ভয় দেখায় (কুসংস্কার), তাই তাদের প্রতি আমার ইন্টারেস্ট ছিল, পরে দেখলাম যে, তারা খুবই সাহসী পাখী, মানুষকে ভয় পায় না তেমন।

পেঁচা মানুষকে ভয় পায়না, এই গবেষণা কবে করলেন ! পোঁচা অন্ধকারের পাখি, দিনকে (সত্যকে) ভয় পায় তাই তাদের
বিচরণ রাতে। আর রাতে যারা বিচরণ করে তারা কখনোই কোন মঙ্গল বয়ে আনতে পারেনা।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:১০

চাঁদগাজী বলেছেন:


৫ম শ্রেণী থেকে শুরু করে, আমার ঘুম এসে যেতো সন্ধ্যায়; মাঝরাতে ঘুম থেকে উঠে, গ্রাম ঘুরে আসতাম, পাশে গ্রামেও যেতাম অনেক সময়; গ্রীস্মে বড় বড় মাঠে হাঁটতাম

৩৮| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:১৫

রক বেনন বলেছেন: কেউ এই বছর ইলিশ মাছ না খাওয়ার আহবান জানালো না যে??

যাই হোক। শুভ নববর্ষ জানাই আপনাকে।

পুনশ্চঃ আপনার চোখের অবস্থা এখন কেমন?

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:১২

চাঁদগাজী বলেছেন:



নববর্ষের শুভেচ্ছে।

চোখ কিছুতেই ভালো হচ্ছে না, একটু চিন্তিত এ ব্যাপারে

৩৯| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:৪০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: লক্ষ্মীপেঁচা ব্লগারের কথা মনে পড়লো। বাঙালি যা বিভক্তি তে যেমন পাকা ইউনাইটেড হওয়ার ক্ষেত্রে ও কম নয়।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


লক্ষ্মীপেঁচা নিকে ব্লগার ছিলেন? অনেক ব্লগার অনিয়মিত হয়ে গেছেন।

ছোটখাট কিছুতে বিভক্তি খারাপ চিহ্ন

৪০| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৫

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: ভাইয়া দেরিতে হলেও নববর্ষের শুভেচ্ছা।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


নববর্ষের শুভেচ্ছা নেবেন; গত বছরের চেয়ে নতুন বছর সবার জন্য বেশী শান্তিময় হোক।

৪১| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৭

প্রান্তর পাতা বলেছেন: জনাব আমার নতুন লেখা, মতামত দিন
Click

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৭

চাঁদগাজী বলেছেন:



এখুনি পড়বো; স্যরি, চোখের ঝামেলায় পোষ্ট-পড়া কম হচ্ছে।

৪২| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৯

প্রান্তর পাতা বলেছেন: আপনি তাড়াতাড়ি দেশে আসেন। বাংলাদেশ দেখে চোখ ভালো হয়ে যাবে।
দোয়া রইলো।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:১৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আমি দেশে আসবো, আরেকটু সময় হাসপাতালের (আউটডোর) অধীনে থাকার দরকার।

৪৩| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:০৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কোটা বিষয়ে রাজনীতি চলে কারণ সেখানে বাণিজ্য দলীয় করন, স্বজন প্রীতি। ৯৫ ভাগের বিপক্ষে যেতে ও অসুবিধা নেই।, #:-S

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:১৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


যারা সরকারে আছে, তারা "চাকুরী সৃষ্টির চেষ্টা" না করে, ৪৭ বছর আগে দেয়া সমায়িক সমাধান দিয়ে দেশ চালনা করছে; এসব লোকের দক্ষতা নেই, আত্মসন্মান নেই, এরা বুঝে না যে, এরা জাতির পয়সায় জাতির জন্য চাকুরী সৃষ্টি করতে অক্ষম!

৪৪| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৯

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: বাংলা নববর্ষ নাকি হারাম, কোন দলিল হাদিস কোরানে আছে কিনা জানিনা, তবে মোল্লাগ্রুপ তাই বলে।
বাংলা ও বাঙালি জাতি ধ্বংস ও নিঃশেষ করতে এখনো ব্যর্থ চেষ্টা করেই চলেছে কিছু স্বার্থান্ধ ধর্মের খোলসে!

আমি মুসলমান ঘরে জন্ম নিয়ে যেমন শুকরিয়া ও কৃতজ্ঞতা রাখি স্রষ্টার কাছে, তেমনি বাঙালি বলে গর্ববোধ করি।

শুভ নববর্ষ,
বৈশাখী শুভেচ্ছা রইল

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:০৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


মোল্লারা যুগোপযোগী শিক্ষা পাবার সম্ভাবনা নেই; তাদের কথায় জাতি কখনো চলে না।

৪৫| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:০৭

এলিয়ানা সিম্পসন বলেছেন: বাহিরে।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:৫৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



ওকে, পড়ালেখার অনেক চাপ থাকবে, তৈরি হোন।

৪৬| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:২৫

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন: লেখক বলেছেন: ৫ম শ্রেণী থেকে শুরু করে, আমার ঘুম এসে যেতো সন্ধ্যায়; মাঝরাতে ঘুম থেকে উঠে, গ্রাম ঘুরে আসতাম, পাশে গ্রামেও যেতাম অনেক সময়; গ্রীস্মে বড় বড় মাঠে হাঁটতাম।

আর সেই জন্যই আজ আপনার এই দশা !!

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৪২

চাঁদগাজী বলেছেন:



আমার আজকের অবস্হা নিয়ে আমি সন্তুষ্ট!

৪৭| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৫

সেলিনা জাহান প্রিয়া বলেছেন: সৃষ্টিকর্তা সৃষ্টি করতে লজ্জা পায়না আমরা টা দেখে লজ্জা পাই - মানুষ মাঝে মাঝে সৃষ্টিকর্তা কে এভাবেই অপমান করে ধর্মের নামে - আজো ধর্ম খুঁজি সেই সৃষ্টি তে - পেঁচা আর কাক বলেন সবেই অপূর্ব সৃষ্টি সৃষ্টিকর্তার - যারা তাঁতে ভাল মন্দ খুঁজে মূলত তারাই ধর্ম অন্ধ ।

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২২

চাঁদগাজী বলেছেন:


আজকের মানুষা মানুষকেই ভালোবাসছে না, তারা পাখীকে কি ভালোবাসবে।

উৎসব যাতে আমাদের ট্রেডিশনের বাহিরে না যায়, সেটা খেয়াল রাখতে হবে। নববর্ষে ঢাকার ছেলেরা আমেরিকার "হ্যালুইন" উৎসবকে অনুকরণ করছে, যার কো অর্থ নেই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.