নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বান্দর হাটে, বান্দর গায়... সবাই তাকাইয়া দেখে, অবাক হইয়া চায়। মনের দুঃখ চোখের পানি, হারায় সব আনন্দ খেলায়!

উদাসী স্বপ্ন

রক্তের নেশা খুব খারাপ জিনিস, রক্তের পাপ ছাড়ে না কাউকে, এমনকি অনাগত শিশুর রক্তের হিসাবও দিতে হয় এক সময়

উদাসী স্বপ্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

সৌদী আরবের ধর্ষন পরিসংখ্যান এবং শরীয়া আইনের নামে নারী অধিকারের তামাশা

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:৩৮

পোস্টের উদ্দেশ্য:

বেশী কথা না বলে কাজের কথায় আসি। অনেকেই বলেন ধর্ষনের শীর্ষে থাকে আমেরিকা, সুইডেনের মতো দেশ যারা নারী স্বাধীনতার বিমূর্ত প্রতীক কিন্তু মুসলিম দেশ বিশেষ করে সৌদী আরব স হ মিডল ঈস্টের দেশগুলোতে ধর্ষনের পরিসংখ্যান হিসাব করলে তাদেরকে তলানীতে পাওয়া যায়। এই প্রশ্ন অনেকের মনেই জাগে এবং এজন্যই অনেকে শরীয়াহ আইনের মতো আইন কার্যকরের দাবী জানান। আজকে আমাদের আলোচনার উদ্দেশ্য হলো

১) সৌদী আরবের ধর্ষন সংক্রান্ত আইন সমূহ এবং নারী নির্যাতনের রকমফের
২) সৌদী আরবে নারীদের অধিকার এবং এই অধিকারের সাথে ধর্ষনের মতো অপরাধের বিচার চাইবার প্রবনতা
৩) উন্নত বিশ্বে ধর্ষন সংক্রান্ত সংজ্ঞা এবং তাদের আইন আর আইনী সমাধান পাবার সহজলভ্যতা

উপরের তিনটা বিষয়ে আলোচনা করে আমি দেখানোর চেষ্টা করবো আসলে ধর্ষন সম্পর্কে সবার কেন এমন ধারনা। এই পোস্টে ইসলামকে কটাক্ষ করার কোনো উদ্দেশ্য নেই কারন আমি নিজে ইসলাম ধর্মের অনুসারী। আর পোস্ট পড়ে বাকী যে যেভাবে ভাবেন সেটা তার নিজস্ব ব্যাপার। তথ্য সূত্রের ব্যাপারে যথসম্ভব আমি চেষ্টা করেছি প্রভাব মুক্ত এবং সঠিক তথ্যের সন্নিবেশ ঘটাতে। আশা করবো সবাই আলোচনাও করবেন সেভাবে।

সৌদী আরবের ধর্ষন সংক্রান্ত আইন

ধর্ষনের মতো চুরি, রাস্ট্রদ্রোহ, ধর্মান্তরীত, ব্যাভীচার, মদ খাওয়া, খুন এসব অপরাধ হুদুদ আইনের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত।সূত্র পড়তে এখানে ক্লিক করুন। বইটি আপনারা ফ্রিতে পড়তে পারবেন রেজিস্ট্রেশন করে নিলেই অনলাইনে। এই হুদুদ আইন ২০১৪ সালের পর্যন্ত ৫০ টা মুসলিম দেশের মধ্যে মোট ১৩ টি দেশ এর প্রচলন করেছে। সবার শেষে এর প্রচলন করেছে ব্রুনাই, ২০১৪ তে।
এখন আমাদের পোস্টের মূল আলোচনার বিষয় হলো ধর্ষন। তো কোনো নারী যদি ধর্ষিতা হন তাহলে তার এই ধর্ষনের অভিযোগ প্রমানের জন্য চার জন পুরুষ সাক্ষী যোগাড় করতে হবে। কোনো মেয়ে সাক্ষী গ্রহনযোগ্য নয়। যদি কোনো ধর্ষিতা ৪ জন পুরুষ সাক্ষী জোগাড় করতে না পারে তাহলে ঐ নারীকে জেনা বা অবৈধ যৌনসম্পর্ক বা ব্যাভিচারের অভিযোগে কমপক্ষে ৮০ দোররা প্রদান করে তার শাস্তি তৎক্ষনাৎ কার্যকর করা হবে।যারা সাক্ষী দেবেন তাদেরকে চার বার একই সাক্ষী একই ভাবে প্রদান করতে হবে। এর অন্যথা হলে সাক্ষীগনকে শাস্তি দেয়া হবে।সুত্র পড়তে এখানে ক্লিক করুন।

কোরান শরীফে এই ব্যাপারে যে আয়াতগুলো অবতীর্ন হইছে:
সূরা আন নূর, আয়াত ৪ থেকে ৬

৪)যারা সতী-সাধ্বী নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে অতঃপর স্বপক্ষে চার জন পুরুষ সাক্ষী উপস্থিত করে না, তাদেরকে আশিটি বেত্রাঘাত করবে এবং কখনও তাদের সাক্ষ্য কবুল করবে না। এরাই না’ফারমান।
৫)কিন্তু যারা এরপর তওবা করে এবং সংশোধিত হয়, আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম মেহেরবান।
৬) এবং যারা তাদের স্ত্রীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করে এবং তারা নিজেরা ছাড়া তাদের কোন সাক্ষী নেই, এরূপ ব্যক্তির সাক্ষ্য এভাবে হবে যে, সে আল্লাহর কসম খেয়ে চারবার সাক্ষ্য দেবে যে, সে অবশ্যই সত্যবাদী।


সূরা আত তাওবাহ (মদীনায় অবতীর্ণ), আয়াত সংখ্যা ৬৬

ছলনা কর না, তোমরা যে কাফের হয়ে গেছ ঈমান প্রকাশ করার পর। তোমাদের মধ্যে কোন কোন লোককে যদি আমি ক্ষমা করে দেইও, তবে অবশ্য কিছু লোককে আযাবও দেব। কারণ, তারা ছিল গোনাহগার।


সূরা নাহল (মক্কায় অবতীর্ণ), আয়াত সংখ্যা ১০৬
যার উপর জবরদস্তি করা হয় এবং তার অন্তর বিশ্বাসে অটল থাকে সে ব্যতীত যে কেউ বিশ্বাসী হওয়ার পর আল্লাহতে অবিশ্বাসী হয় এবং কুফরীর জন্য মন উম্মুক্ত করে দেয় তাদের উপর আপতিত হবে আল্লাহর গযব এবং তাদের জন্যে রয়েছে শাস্তি।

এখন কথা হলো ডিএনএ টেস্ট করলেই তো প্রমান করা যায় যে অভিযুক্ত ব্যাক্তি দোষী কিনা। হুদুদ আইনে ডিএনএ পরীক্ষার কোনো গুরুত্ব নেই। এর কারন হলো আগে এই প্রযুক্তি ছিলো না আর শরীয়া আইনের বড় বড় আলেমরা এখনও মনে করেন যে নারীদের বেগানা পুরুষের সামনে একা যাবার কোনো উপায় নেই। যেহেতু সে একা ঐ বেগানা পুরুষের সাথে এক রুমে অবস্থান করেছে সেহেতু উক্ত ধর্ষিতার তাতে সম্মতি ছিলো। সৌদি আরবে এই ডিএনএ পরীক্ষার কোনো ভূমিকা না থাকলেও (হুদুদ আইনে এর কোনো সুযোগ নেই: সুত্র ১,২), মালয়েশিয়াতে ডিএনএ এবং নারী যদি গর্ভবতী হয়ে পড়ে তাহলে এটাকে পরোক্ষ আলামত হিসেবে আদালত আমলে নেবে। নারী গর্ভবতী হলে বাচ্চা জন্ম দেবার পর মাকে এবং পুরুষকে উভয়কেই ব্যাভিচারের দায়ে দু বছরের জেল বা জরিমানা বা উভয় শাস্তিতে দন্ডিত করা হয় (Section 498 of the Penal Code)।
আর যদি ধর্ষিতা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ধর্ষনের অভিযোগ প্রমান করতে পারে তাহলে তাকে দোররা বা মৃত্যুদন্ড প্রদান করা হবে। কিন্তু যদি ধর্ষিতা অভিযুক্তকে ধর্ষনের আগে সাঙ্গ দেয়, তাহলে মৃত্যুদন্ড রহিত করে উভয়কে দোররা মারার বিধান আছে।

ইসলামী শরীয়াহ আইন জানতে এই বইটি আপনারা ফ্রীতে অনলাইনে পড়তে পারেন।

সৌদী আরবে নারী নির্যাতনের রকমফের এবং পরিসংখ্যানের শুভংকরী ফাঁক:

সৌদী আরবে বিবাহ পরবর্তী স্বামী কর্তৃক জোরপূর্বক যৌনাচারকে ধর্ষন হিসেবে ধরা হয় না। এছাড়া ২০১৩ সালের আগ পর্যন্ত স্বামী কর্তৃক স্ত্রী, বা গৃহকর্ত্রী বা গৃহকর্মী, শিশুদের ওপর শারীরিক বা মানসিক নির্যাতনকে কোনো ধর্তব্যের মতো ধরা হতো না। কিন্তু ২০১৩ সালে অব্যাহত আন্তর্জাতিক চাপ এবং আরব বসন্তের ভয়ে তারা একটা বিল পাশ করে যেখানে গৃহস্থালী এসব শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন সম্পর্কে পুলিশ কেস করা যাবে।

তবে এই আইনেরও ফাঁক ফোকড় আছে। স্ত্রীকে কিভাবে পেটানো যায় সে বিষয়ে বিভিন্ন গাইড লাইন দিয়ে প্রায় প্রতিদিনই মুত্তাওয়া আর মোল্লারা সরকারী টেলিভিশনে নানা টক শোর আয়োজন করে। তেমনি একটা টকশো আপনারা দেখতে পারেন যেখানে আপনারা গাইড লাইন পাবেন আপনার আপনাদের স্ত্রীদেরকে কিভাবে এবং কোন ছল ছুতোয় পেটাতে পারবেন। ২০১৩ সালের আগ পর্যন্ত মানসিক নির্যাতন বৈধ ছিলো দেশে। তার ভিডিও পাবেন ২০১১ সালে করা এক ইসলামী স্কলারের।




এখন প্রশ্ন আসে যেখানে ধর্ষিত হলে ৪ জন সাক্ষীকে ধর্ষিতাকেই যোগাড় করতে হবে আর যদি যোগাড় করাও যায় তাহলে সেই সাক্ষীকে ৪ বার কনফেশন দিতে হবে তাহলে তার পক্ষে কতটা সম্ভব? আর যদি প্রমানিত না করতে পারে তার জন্য অপেক্ষা করবে উল্টো সাজা। নীচের ভিডিও দেখুন:


আর সৌদী আরবে এই নিয়মের ফাঁক দিয়ে যে প্রায় প্রতিটা নারীই কম বেশী ধর্ষন বা যৌন নিগ্রহের শিকার তার তথ্য পাবেন আলজাজিরার এই ভিডিওতে:


আবার কিছু দিন আগে এক ইসলামিক স্কলার যিনি কিনা শরীয়াহ আইন সম্পাদনকারী মোল্লাদের মধ্যে একজন তিনি তার ৫ বছরের মেয়েকে সন্দেহের বশে আক্রোশের মুখে ধর্ষন করে এবং পরে তার লাশ টুকরো টুকরো করে। কিন্তু ব্লাড মানি দিয়ে মৃত্যুদন্ড থেকে বেচে যায়। আমি সংবাদের কোনো লিংক না দিয়ে সেই ভিডিওটিই দিচ্ছি, কারন এতে শরীয়াহ আইনের বর্বরতা ফুটে উঠবে খুব ভালো করে।



মাত্র ৩১ লক্ষ জনসংখ্যার মুসলিম দেশটিতে এসব ঘটনাগুলো খুব কমই জনসম্মুখে বা রাস্ট্র নিয়ন্ত্রিত পত্র পত্রিকায় প্রকাশ পায়। আর এসবের ভয়ের কারনেই যৌন হেনস্থা, অবমাননা বা ধর্ষনের কোনো ঘটনা সরকারী নীরিক্ষা বা পুলিশ কেসে আসে না। ধর্ষিত হলেও তাকেও চুপ করে থাকতে হয় সাক্ষী যোগাড় করতে না পারার ভয়ে। তবে যদি কোনো বিদেশী শ্রমিক বা নাগরিক এই অপকর্ম করে তাহলে তার আর রক্ষা নাই এবং তাকে সরাসরি লাইভ ভিডিও করে তার মৃত্যুদন্ড কার্যকর। তবে এক্ষেত্রে ভারতের নাগরিকদের জন্য শিথিল আছে। শিথিলতা হলো কোনো ভারতীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমানিত হয় আদালতে তাহলে তা ভারতের পররাস্ট্রমন্ত্রনালয়কে জানাতে হবে। এবং তাকে ভারত সরকারের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।

শরীয়াহ স্টাইলের নারী অধিকার

১) সৌদী আরবের রাজধানী রিয়াদের অনেক দোকানে নারীদের জন্য নো এন্ট্রি। এবং সেটা লিফলেট দিয়ে টাঙ্গিয়ে জানিয়ে দেয়া হয়।সূত্র
২) কোনো পুরুষ অভিভাবক ছাড়া ড্রাইভিং নিষিদ্ধ।
৩) চাকুরী করতে গেলে অভিভাবকের স্বাক্ষরস হ অনুমতি লাগবে।
৪) ঘরের বাইরে পুরুষ অভিভাবক ছাড়া বের হওয়া নিষিদ্ধ এমনকি ডাক্তারের কাছে যাওয়া অথবা শপিং করতে গেলেও। এই অভিভাবককে বলে মাহরাম। মাহরাম ছাড়া বের হলে যদি ধর্ষিতা হয়, তাহলে এক্ষেত্রে মেয়ের ধর্ষন হবার অভিযোগ খারিজ করে তাকে দোররা মারার বিধান আছে।
৫) বোরখা ছাড়া বাইরে যাওয়া নিষিদ্ধ।
৬) চাকুরী, ব্যাংক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পার্কে বেগানা পুরুষের সাথে নির্দিস্ট সময়ের বাইরে কথা বলা আইনত দন্ডনীয় আর যদি কোনো মোল্লার চোখে পড়েন তাহলে শরীয়াহ আইনের আওতায় নেয়া হয়। এই অপরাধ ব্যাভিচারের সমতুল্য।
৭) সৌদী আরবের মেয়েদের খেলা ধূলা নিষিদ্ধ না হলেও গত লন্ডন গেমসে নারীরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করতে গেলে সেদেশের অধিকাংশ ইসলামিক স্কলাররা টাদের বেশ্যা বলে সম্বোধন করে।
৮) শপিং করতে গেলে ড্রেসিং রুমে জামা কাপড় পরিধান করে পরীক্ষা করতে পারবে না
৯) বার্বি পুতুল কেনা, আনসেন্সরড ফ্যাশন ম্যাগাজিন পড়া, গোরস্থানে নারীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ
১০) স্বামী কর্তৃক ধর্ষিত হলে সেটা কোনো অপরাধের মধ্যে পড়ে না। কাতিফ নামের ১৮ বছরের মেয়েকে কিডন্যাপ করে গনধর্ষনের পরও তাকে ৯০ টা দোররা খেতে হয় শুধু মাত্র মেহরাম ছারা ঘর থেকে বের হবার জন্য। এরকম ঘটনার শিকার হলে কে করবে যৌন নিগ্রহ বা ধর্ষনের বিরুদ্ধে কেস?

সুত্র পেতে এখানে ক্লিক করুন।

উন্নত পশ্চিমা বিশ্বে ধর্ষনের উদাহরন এবং শাস্তি:

উন্নত বিশ্বগুলোতে ধর্ষন, যৌন নিগ্রহ, লিঙ্গ বৈষম্য ইত্যাদীর সাজা একেকরকম হলেও এগুলোর সংজ্ঞা প্রায় একই। ১৯৫১ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংগঠন (ILO) দ্বারা প্রণিত খসড়ায় বলা হয় নারী পুরুষ নির্বিশেষে সকলকে সমপরিমান কাজ এবং সমমজুরী দিতে হবে। এর ৭ বছর পর লিঙ্গ বৈষম্যের ওপর একটা কনভেনশন হয় যেখানে লিঙ্গ বৈষম্যের আওতায় আনা হয় যখন কোনো শ্রমিককে নিযুক্ত করা হবে, তার প্রশিক্ষন ইত্যাদির ওপর। সেখানে বলা হয় কোনো নারীকে কর্মক্ষেত্রে যদি কোনো কলিগ যৌন উত্তেজক কথা, ছবি, ইঙ্গিত অথবা অবমাননাকারী কটুক্তি বা গোপনাঙ্গ নিয়ে বিদ্রুপ, আচরন করা হয় তাহলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এমনকি তার অনুমতি ব্যাতিরেকে তার শরীরের যেকোনো অংশে বা গোপনাঙ্গ স্পর্শ করা হয় সেটাও যৌননিগ্রহের মধ্যে পড়ে। যুক্তরাস্ট্র সাথে সাথেই এসব নীতিমালা মেনে আইন প্রনয়ন করে ফেলে। এর কয়েক দশক পর শুধু কর্মক্ষেত্রেই নয় সাধারন নাগরিক জীবনেও এই নিয়মের প্রতিফলন ঘটানো হয়।

পশ্চিমা দেশের প্রায় সবগুলো দেশের আইনেই বলা হয় কর্মক্ষেত্রের বাইরে বা ভিতরে এরকম যৌন নিগ্রহের শিকার হলে তাকে তৎক্ষনাৎ আইনের আওতায় নেয়া হবে এবং সাক্ষী হিসেবে যেকেউ প্রাপ্ত বয়স্ক বা কিশোরের সাক্ষীও গ্রহনযোগ্য।
অস্ট্রেলিয় এই আইনের রিফর্মেশন জানতে এখানে ক্লিক করুন।
সুইডেনের মতো নারীবাদী দেশে ১৪ বছরের মেয়েকে সেক্সুয়াল কনসেন্ট দেয়া হলেও তার কিছু শর্ত আছে:
শর্তগুলো হলো:

১) যৌনতার সম্পর্ক হবে পারস্পরিক মতে ভিত্তিতে এবং সমবয়সীদের সাথে। ১৮ বছরের ওপরে গেলে সেটা ধর্ষন বলে চিহ্নিত হবে সেখানে মেয়েটির অনুমতি থাকুক কি না থাকুক।
২) ১৮ বছর বা তার ওপরে যদি মৌখিক অনুমতি নেয়ার যৌন সংসর্গে যায় এবং তা শেষ হবার পর সে নারী অভিযোগ করে তার এই যৌন অভিজ্ঞতা তার অনুমতি ব্যাতিরেকেই, তাহলে ডিএনএ টেস্টই যথেষ্ট এই ধর্ষন অভিযোগে অভিযুক্ত হবার জন্য। তাই বলা হয়ে থাকে যদি কোনো অপরিচিত মেয়ের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতেই হয়, কাগজে কলমে সাইন নিয়ে করাটাই নিরাপদ।
৩) যৌন নিগ্রহ এবং ধর্ষনের সংজ্ঞা একজন বিবাহিত নারীর জন্য খাটে প্রবলভাবে। যদি তার স্বামী অনুমতি ব্যাতিরেকে তার সাথে যৌন সঙ্গম করে বা করার চেষ্টা করে বা তাকে মানসিকভাবে অত্যচার করে তাহলে সেই স্বামীও এই সাজা থেকে মুক্তি পাবে না।
সুইডেনের এসব নিয়ম জানতে পত্রিকার এই আর্টিক্যালটা পড়তে পারেন গুগল ট্রান্সলেট করে। আর আইনের খুটিনাটি জানতে এই লিংক।
আর পুরো নরডিক অন্ঞ্চলে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ নিয়ে একটা সুন্দর সার্ভে আছেযেখানে ধারনা পাওয়া যাবে মুসলিম দেশে যেগুলোকে খুব সাধারন প্যারামিটার হিসেবে সেগুলো উন্নত বিশ্বে ধর্ষনের সমকক্ষ ধরা হয়।
ধর্ষনের ব্যাপারে আমেরিকার এফবিআই যে সংজ্ঞা দেয় :"Penetration, no matter how slight, of the vagina or anus with any body part or object, or oral penetration by a sex organ of another person, without the consent of the victim."[
যেহেতু পশ্চিমা বিশ্বে মিডিয়া স্বাধীন এবং সবার জন্য আইনের প্রয়োগ সমান ও আইনী সুবিধা পাবার অধিকার আছে, সেহেতু সামান্য মুখের কথাতেই এরা যৌন নিগ্রহের কেস করে ফেলে যা ধর্ষনেরই অন্তর্ভূক্ত। ঠিক এই কারনেই এসব দেশে ধর্ষনের রেকর্ড খুব বেশী এবং যদি আমরা খেয়াল করি এসব কেসের মীমাংসা প্রায় ৯৫ থেকে ৯৯% শতাংশের কাছাকাছি।
সুইডেনের ব্যাপারটা মোটামোটি ইকোনমিস্ট বেশভালোই ব্যাখ্যা করেছে।

আর এসব কারনেই সুইডেন, আমেরিকার মতো উন্নত দেশের ধর্ষনের পরিমান বেশী রেকর্ড করা হয়।

এখন যদি ধর্ষনের সংজ্ঞা আর বিচারিক ব্যাবস্থায় ন্যায়বিচারের এমন দুস্প্রাপ্যতার সম্ভাবনা বেশী থাকে তাহলে তো সে দেশে আসল ধর্ষনের সংখ্যা কখনোই প্রকাশ পাবে না।
আপনার কি মনে হয়?
আপনি কি এমন শরীয়াহ আইন চান এদেশে?


সুত্র:

১) I Hasan (2011), The Conflict Within Islam: Expressing Religion Through Politics, ISBN 978-1462083015, p. 92
২)A. bin Mohd Noor, & A.B. bin Ibrahim (2012), The Rights of a Rape Victim in Islamic Law, IIUM Law Journal, 16(1), pp. 65-83

মন্তব্য ১৪৪ টি রেটিং +১৮/-০

মন্তব্য (১৪৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:০৪

নুর ফ্য়জুর রেজা বলেছেন: যাদের উদ্দেশ্যে লিখলেন তাদের মাথায় না ঢুকার সম্ভাবনাই বেশী ।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:৫৩

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এই পোস্ট টা এইজন্য লিখলাম কারন আমার ফেসবুক ফ্রেন্ডলিস্টে একভাই আছেন, উনি সৌদী আরবে বেশ ভালো কাজই করেন এবং তার মন মানসিকতা বেশ উন্নত। উনি মাঝে মাঝে এই কথা বলতেন, তো তাকে বোঝানো চেস্টা করলে উনি ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টাও করেন।

আর আপনি যাদের কথা বলছেন তাদের বেশীরভাগ লেবার আর অশিক্ষিত শ্রেনী। এদের অধিকাংশ এখনো চিন্তা করে ১০-১৫ বছর কামলা দিয়ে বয়স যখন ৪০ হবে কাচা টাকা দিয়ে বাড়ী বানাবে দেশে আর বিয়ে করবে ১৪ বছরের মেয়ে। ২ মাস থেকে গর্ভবতী করে চলে আসবে সৌদীতে। আর বৌকে দেশে ঠিক রাখার জন্য পুরো বাসায় সৌদী নিয়ম কানুন, এমনকি পারলে পুরো এলাকায় সৌদীর মত করে সালিশী শুরু হয় সেই প্ররোচনা করে। এরকম দেখেছি চট্টগ্রামের নোয়াপাড়া এলাকায়।

তো তারা বুঝলেও বুঝতে চাইবেন না, কারন এতে তাদেরই সমস্যা!

২| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:২১

একাকি দুশমন বলেছেন: পৃথিবীতে এমন কোন মামলা আছে যেখানে স্বাক্ষীর প্রয়োজন নেই ????? ইসলামি শরীয়াতে মহিলাদের স্বাক্ষী গ্রহণযোগ্য। আজগুবি খবর নিয়ে এসেছেন । তবে মহিলাদের ক্ষেত্রে ২ জন স্বাক্ষী একজন পুরুষ স্বাক্ষীর সমান বলে বিবেচিত। ইসলামে বালেগ স্বাক্ষী হওয়া প্রয়োজন। আর ছেলেরা বালেগ হয় ১১ বছরে, মেয়েরা বালেগ হয় ৯ বছরে। স্বামী দ্বারা স্ত্রী ধর্ষিত!!! সারা পৃথিবীর প্রত্যেক পরিবারেই তা হয়।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১:১৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ইসলামি শরীয়াতে মহিলাদের স্বাক্ষী গ্রহণযোগ্য। আজগুবি খবর নিয়ে এসেছেন । তবে মহিলাদের ক্ষেত্রে ২ জন স্বাক্ষী একজন পুরুষ স্বাক্ষীর সমান বলে বিবেচিত

এটার যদি কোনো রেফারেন্স দেন (সৌদীআরবের ক্ষেত্রে বা অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে হলেও চলবে) তাহলে আমি আমার পোস্টে এটা পরিবর্তন বা যোগ করে দেবো
তবে আমি যতদূর জানি সেটা শেয়ার করি:

[source: Hanafi Law-Page 176, 353, Shafi’i Law- page 638 Law#o.24.9, Criminal Law in Islam and the Muslim World –page 251, The Penal Law of Islam – Kazi Publications Lahore- page 44, 45]

The evidence of women is originally inadmissible on account of their weakness of understanding, want of memory and incapacity of governing.

[source: The Penal Law of Islam – Kazi Publications Lahore- page 44 – 45]

পাকিস্থানের পেনাল কোডে নারী সাক্ষী নিষিদ্ধ। আর সৌদীর ব্যাপারটা এখানে পাবেন যেখানে নারী সাক্ষী নিষিদ্ধ। আর চার জন্য সাক্ষী না যোগাড় করতে পারলে তাজীর শাস্তি কার্যকর করা হয়।

স্বামী দ্বারা স্ত্রী ধর্ষিত!!! সারা পৃথিবীর প্রত্যেক পরিবারেই তা হয়।

স্বামী দ্বারা স্ত্রী ধর্ষন কে বলে বৈবাহিক ধর্ষন যাকে আনকনসেন্চুয়াল সেক্স বলা হয়। একে আইনত দন্ডনীয় হিসেবে বিবেচনা করা হয় সোভিয়েত ইউনিয়ন বর্তমানে রাশিয়া (৬০ এর দশক থেকে), পোল্যান্ড, চেক, সুইডেন, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড স হ আশেপাশের পশ্চিম ইউরোপীয় সব দেশ,অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, আমেরিকা, নিউজিল্যান্ড স হ ১০১টি দেশ এমনকি তুর্কী সিয়েরালিওনেও এটা ধর্ষনতুল্য হিসেবে দেখা হয়। এখন এতো দেশের নাম দেয়া সম্ভব না।

এমনকি পৃথিবীর উন্নত পশ্চিমা দেশ বাদ অনেক মুসলিম বিশ্ব যেমন মরক্কো ইত্যাদি দেশ পর্যন্ত এই নিয়ম বাতিল করেছে যে ধর্ষনের পর বিয়ে করে নিজের প্রায়শ্চিত্ত প্রথা। সে বিয়েটা কোনো মতেই গ্রহন যোগ্য হবে না যদি মেয়ের অমত থাকে, এবং মত থাকলেও সেটার জন্য ধর্ষককে শাস্তি পেতে হবে।

দুঃখ জনকভাবে বাংলাদেশ ভারত পাকিস্থান,চীনের মতো ৪৯টি দেশে এটাকে ধর্ষন হিসেবে গন্য করা হয় না।

এর শাস্তি ধর্ষনের যে শাস্তি সেটাই দেয়া হয় ধর্ষককে। সুত্র উইকি।

৩| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:২৫

সোজোন বাদিয়া বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ ধর্ষণ-নির্যাতনের এই তথ্যপূর্ণ পোস্টটি যথেষ্ট সূত্র সহকারে দেবার জন্য। ধর্মের নামে যে কূপমণ্ডুকতা এবং নৃশংসতা চলছে, তার বিরুদ্ধে আপনার এই নিবন্ধটি একটি আলোর দিশারী হিসেবে কাজ করবে। এমন আরো নিবন্ধ চাই। ভাল থাকুন, দীর্ঘজীবী হোন।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:৫৩

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনিও ভালো থাকুন, এবং দীর্ঘজীবি হোন!

৪| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:৩৮

জ্বলন্ত আলো বলেছেন: ইসলামি শরীয়াহ আইনে ধর্ষণ প্রমাণিত না হয় তাহলে উভয়কেই দোররা মারা হয়। আর যদি ধর্ষণ প্রমাণিত হয় তাহলে ছেলেকে দোররা মারা হয়। এখানে নারীর অধিকার হরন হল কই ? হ্যা। তবে, এখানে একটা সমস্যা থাকে যেমন, নারী যদি ধর্ষন প্রমাণিত করতে না পারে তাহলে সে নির্দোষ থাকা সত্ত্বেও শাস্তি ভোগ করতে হয়। যা অনান্য দেশে মামলা খারিজ হয়ে গেলে বা আসামি নির্দোষ প্রমাণিত হয় তাহলে বাদি পক্ষের কোন শাস্তির নিয়ম নেই।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:০২

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এখানে নারীর অধিকার হরন হল কই ?

এখানে নারীর অধিকার হরন হলো এভাবে যে ধর্ষিতা নারীকে চার জন পুরুষ সাক্ষী যোগাড় করতে হবে। আর তার সাথে এটা বলতে হবে ধর্ষিত হবার আগে তার সাথে মেহরাম ছিলো কিনা এবং ধর্ষককে সাঙ্গ দিতে সে এগিয়ে গিয়েছিলো কিনা।

এখন প্রশ্ন আসে, যখন তাকে ধর্ষন করা হয় তখন চারজন পুরুষ তা দেখবে সেটা কিভাবে সম্ভব যদি সেটা একটা ঘরের ভেতর করা হয়? আর ধর্ষক যে অভিযুক্ত সেটা প্রমান করার জন্য ফরেনসিকের নিয়ম মেনে চললেই তো প্রমান করা যায় সেখানে চারজন পুরুষ সাক্ষীর প্রয়োজন পড়ে? আর যখন একটা নারী ধর্ষিত হয় তখন শারীরিক এবং মানসিক উভয় ভাবেই বিপর্যস্ত থাকে তখন পুলিশ সাক্ষী না খুজে তার দায়িত্ব কেন ভিকটিমের ওপর পড়বে?


আপনার জন্য রেফারেন্স।

আর যদি সম্ভব হয় তাহলে নীচের বই দুটো সংগ্রহ করতে পারেন

১) I Hasan (2011), The Conflict Within Islam: Expressing Religion Through Politics, ISBN 978-1462083015, p. 92
২)A. bin Mohd Noor, & A.B. bin Ibrahim (2012), The Rights of a Rape Victim in Islamic Law, IIUM Law Journal, 16(1), pp. 65-83

৫| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:৫১

হোসেন মালিক বলেছেন: সূরা আন নূর, আয়াত ৪
""যারা সতী-সাধ্বী নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে অতঃপর স্বপক্ষে চার জন পুরুষ সাক্ষী উপস্থিত করে না, তাদেরকে আশিটি বেত্রাঘাত করবে এবং কখনও তাদের সাক্ষ্য কবুল করবে না। এরাই না’ফারমান। ""

--------------

এখানে এই আয়াতে তো ধর্ষককেই বাঁচার জন্য সাক্ষী যোগাড় করতে বলা হয়েছে, ধর্ষিতাকে নয়।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:০৬

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এখানে সাক্ষীর ব্যাপারটা শরীয়াহ আইনে প্রায় সবজায়গাতেই ইসলামী আলেমরা এপ্লাই করেন। যার প্রমান মালয়েশিয়ার শরীয়াহ আইনের পেনাল কোড, সৌদী ব্রুনাই পাকিস্থান সহ বিভিন্ন দেশের হুদুদ আইন

উল্লেখ্য আমার এই পোস্ট ইসলামের আলোকে লেখার উদ্দেশ্য না, উদ্দেশ্য হলো সৌদী এবং তাদের সমমানের দেশগুলো যে বর্বর শরীয়াহ আইন জারী রেখেছে সেই বিষয়ে।

অদূর ভবিষ্যতে পোস্ট দেয়ার ইচ্ছে আছে যেখানে বলবো ইসলাম আর শরীয়াহ কতটা আলাদা এবং ইসলামকে কলংকিত করার জন্য এই বর্বর শরীয়াহ আইন আর তার কিছু উদ্ভট আইনই যথেষ্ট!

তবে একটা বিষয় না উল্লেখ করে পারছি না, আপনি পুরো পোস্ট টা বেশ মনোযোগ দিয়েই পড়েছেন যেটা অনেকেই করেন না!

ভালো থাকবেন!

৬| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:১৬

নতুন বলেছেন: যারা লবনকে নুন বলে কারন তাকে দুই নেকি পাওয়া যাবে... ( নুন আরবি হরফ তাই) তাদের কোন ভাবেই বিশ্বাস করানো যাবেনা যে সৌদিতে সমস্যা আছে....

যারা বিশ্বাসী তারা যৌক্তিক ভাবে চিন্তা করেনা। তারা শুধু বিশ্বাস করে...

তাই আমাদের দেশেরও অনেক মানুষের গাঢ় বিশ্বাস যে সৌদি আরবের মানুষ ফেরেস্তার মতন... এবং আফসোস করে কেন সৌদিতে জন্মাতে পারলো না... এবং আশা করে যদি কখনো সৌদিতে মরতে পারে...

শিক্ষা ছাড়া এই সব ভাবনা পাল্টাবে না। বাইরের দুনিয়া দেখলেই বুঝতে পারবে আরব আর ধম` ছাড়াও অন্য দেশি এবং অন্য ধমের মানুষ আছে... তারাও ভাল থাকে...তারাও ভাল মানুষ...

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:২৬

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কিন্তু লবন আরবী মিলহোন, নুন না। এমন লোক অবশ্য অনেক আছে। একবার বাসে বসে শুনছিলাম একটা গল্প। ভদ্রলোকের ছেলে হইছে। তাকে দেখতে যাচ্ছে। তার নাম সে ঠিক করছে আরবী নাম। আরবী নামটা বললো শাখিল জামালি। আমি তখন উঠে বললাম ভাই এইটার মানে উটে মুততাছে!


আমার ক্লিন শেভ আর ইয়ো ইয়ো ভাব দেখে পারলে আমাকে মারতে আসে। বললো তার অমুক এতো বড় হাফেজ অমুক এতো বড় কামেল। আমি যে মাদ্রাসায় পড়ছি কুটিকালে ব্যাটা বিশ্বাস যায় না। আর পুরো বাসভর্তি মানুষ হাসলেও কেউ আমার পক্ষও নিলো না!


এখন যেই জাতি আরবী নাম মানেই পবিত্র মনে কইরা পোলার নাম উট মুতে রাখে, তখন আর বলার কিছু নাই!

৭| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:১৮

নতুন বলেছেন: Click This Link

আরব আমিরাতে.... ধষনের স্বীকার নারীকেই উল্টা জেল দিয়েছিলো কয়েক বছর আগে..

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:২৯

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: দেখছি। আসলে এতসব লিংক দিলে পোস্ট লোডই হবে না। তাই আমি সৌদীকে মডেল ধরছি। ইরানের অবস্থা আরও ভয়াবহ। সৌদী আমেরিকার পাচাটা কুকুর বলে ওখানে আমেরিকার মিডিয়া কিছু খবর লিক করে কিন্তু ইরানের মতো কট্টর দেশগুলা যেখানে পশ্চিমা মিডিয়া ভুলেও পা দিতে পারে না সেখানে যে কি অবস্থা সেটা নিয়ে তো কথাই বললাম না!

পোস্ট শর্ট রাখার জন্য আমি এতকিছু দেই নাই। আর উপরে দেখেন একজন তো বলেই ফেললো বিয়ের পর ধর্ষন বলে কিছু আছে নাকি? আরকেজন বললো ৪ জনের সাথে নারী সাক্ষীও লাগে। তারপরও স্বীকার করলো একজন পুরুষ সমান দুই নারী!

কই যাই!

৮| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১:১৮

হোসেন মালিক বলেছেন: ধরুন শরিয়া আইন বাতিল করে ইউরোপিয়ান আইন চালু করলাম। এতে যে প্রবলেম গুলো হবে, সেগুলো সমাধান করব কিভাবে?
কাল্পনিকভাবে বলছি-
১) পরস্পরের সম্মতির ভিত্তিতে কারো সাথে সেক্স করলাম, এরপর সেই মেয়ে আমাকে ফাঁসানোর জন্য ধর্ষণের অভিযোগ আনলো। আমি মিথ্যা অভিযোগ থেকে রেহাই পাবো কিভাবে? ডিএনএ টেস্ট তো তার পক্ষেই যাবে।
২) আমার ওয়াইফ বাইরের মানুষের সাথে পরকিয়া করলে তাকে আঘাত করার অধিকার কি আমার থাকবে?

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১:২৬

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ১) সুইডেনের প্রটোকলে রেহাই পাওয়া মুশ্কিল কিন্তু উপযুক্তভাবে তদন্তের মাধ্যমে সেটাও বের করে ফেলতে পারে। আর সুইডেনের মতো কল্যানমূলক রাস্ট্র আপনাকে এসব করতে প্ররোচিত করে না, বাধাও দিতে পারে না। কিন্তু তারা এমন সিস্টেম করে যাতে আপনি এটার চর্চা বেশী করবেন না। সুইডেনের মতো বিশ্বের গুটিকয়েক দেশে পতিতাবৃত্তী নিষিদ্ধ কিন্তু কিভাবে নিষিদ্ধ করছে জানেন? একজন মেয়ে তার যৌনতা বিক্রি করলে সে দোষী হবে না, কিন্তু আপনি যদি ক্রয় করেন আপনি দোষী। এখন ভাবেন এখানে পতিতাবৃত্তী কিভাবে নিষিদ্ধ হলো? কিন্তু বাস্তবিকভাবে রাস্তায় আপনি পতিতা তেমন পাবেন না। পেলেও অতি গোপনে, যদি ধরা খান তাইলে খবর আছে। আবার রাস্ট্র আপনার মদ খাওয়া বন্ধ করতে পারে না। তাই সরকার ব হুদিন পর্যন্ত মদ নিজের নিয়ন্ত্রনাধীন রেখেছিলো এবং ইচ্ছামতো দাম বাড়াতো,যে বিক্রি করবে যে খাবে কোথায় খাবে সবকিছু নিয়মের মধ্যে রেখেছিলো। এখন প্রাইভেট সেক্টরে চলে গেছে কিন্তু নিয়মগুলো আরও কঠিন ভাবে অনুসরন করছে।

সেভাবেই আপনার যৌন স্বাধীনতা আছে, কিন্তু তা দিয়ে যথেচ্ছাচার করলে আপনি ধরা খাবেন। এভাবেই এটা নিয়ন্ত্রিত। আর বাকীটা পুলিশের দক্ষতা। আর এখানকার পুলিশের দক্ষতা নিয়ে কারো কোনো প্রশ্ন নাই

২) আপনার স্ত্রী যদি বাইরের মানুষের সাথে পরকীয়া করে তাহলে আপনি কোর্টে গিয়ে তার বিয়ের এলোমনী দিয়ে তাকে ডিভোর্স দিয়ে ৬ মাস পর আরেকটি বিয়ে করবেন। মেয়ের গায়ে যদি হাত দেন তাহলে আপনে সব হারাবেন। গায়ে হাত দেয়া আর বাংলাদেশে একটা মার্ডার করা একই কথা। এরা আপনাকে মৃত্যুদন্ড দেবে না, কিন্তু আপনাকে রাস্তার ফকিরের থেকেও কঠিন করে ছেড়ে দেবে। আর এলোমনি থেকে বাচতে চাইলে সে রাস্তাও আছে। কিন্তু গায়ে আপনি বড় কি ছোট, এমনকি কোনো মদ্যপের গায়েও তুলতে পারবেন না। মেয়ে, প্রতিবন্ধী, শিশু অনেক দূর কি বাত

৯| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১:৫৮

মহা সমন্বয় বলেছেন: আপনার প্রতিটি পোষ্ট এক একটা হেব্বিওয়েট পোষ্ট। আর আপনার পোষ্টগুলো বড়ই যুক্তি নির্ভর পোষ্ট । কিন্তু কথা হচ্ছে এত এত চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়া পোষ্ট করে লাভ কি? তা কি কেউ দেখতে পায়? আপনি সারাদিন কোন অন্ধের চোখের সামনে আঙুল নাচালে কি অন্ধ তা দেখতে পাবে? সুতরাং কথা একটাই আর তা হল- আপনি কি হুজুরগো থিকা বেশি বুঝেন? :P
তহাদের কথা শুনুন, তহাদের অনূসরন করুন, তবেই শান্তি তবেই কামিয়াবী আর তাহাদের কাছে রহিয়াছে এক শান্তির মহা ভান্ডার।
তাপরেও কি আপনার বুঝ হবে না? =p~

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:০০

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কারন আমি অবুঝ। খুশী হইছেন?

১০| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:১৩

টিন নোমবোর বলেছেন: পিউ রিসার্চের একটা জরিপে দেখছিলাম, বাংলাদেশের ৮০% এর বেশি লোক শরিয়া আইনকে সাপোর্ট করে। তবে আমার মনে হয় অধিকাংশ মানুষই শারিয়া আইন কি জিনিস জানে না বা জানার চেষ্টাও করে না।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ ভোর ৫:২৬

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: যে দেশের মানুষ এখনো জামাত, হেফাজত বা আইএসআইএসের মতো নিকৃস্ট শয়তানের পক্ষে কথা বলে তারা শরীয়াহ আইন চাইবে এটাই স্বাভাবিক

১১| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৭:১০

বিজন শররমা বলেছেন: একটা ছোট জিনিস নিয়ে দেখুন কত কথা কাটাকাটি, তর্ক বিতর্ক, মুখ খারাপ । অথচ এসব কোন কিছুরই দরকার হয় না যদি আমরা একটা কথা বুঝতে পারি । আমরা যদি বুঝে নেই,
(০১) এই পৃথিবীর স্রষ্টা কখনও ভুল করতে পারেন না । (তিনি যদি কোন কথা বলে থাকেন, সেই অনেক আগে, এমনকি দুই আড়াই হাজার বছর আগে হলেও, তাহলেও তিনি যা একেবারে ঠিক তাইই বলবেন । হতে পারে ঐ সময়ের লোকেরা তা বুঝতে পারবে না । কিন্তু পরবতী কালে তা সঠিকই প্রমানিত হবেই )।
(০২) স্রষ্টা যদি কোন নিয়ম প্রনয়ন করে থাকেন তাহলে তা সকলের জন্য সমান ভাবে প্রযোজ্য হবে । (তা যদি কারো ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য, আর কারো ক্ষেত্রে প্রয়োগ যোগ্য না হয়, তা হলে বুঝে নিতে হবে, স্রষ্টা এমন বৈষম্যমূলক আইন প্রনয়ন করতেই পারেন না, এখানে অন্য ব্যাপার ঘটেছে । হতে পারে অন্য কেউ এমন আইন করে নিজে সুবিধা নিয়েছে এবং তারপর অন্যেরা যেন তার সুযোগ নিতে না পারে সে জন্য অন্যদের জন্য সেটির প্রয়োগ নিষিদ্ধ করেছে ।)
বাংলা গান - আমি কেন তার (আ)কাজের দায় নেবো, আমার কি দায় পড়েছে ?
অথবা তার চেয়েও বড় কথা - কেন আমি বিধাতার গায়ে কলঙ্ক লেপন করবো, তিনি বৈষম্যমূলক কাজ করেছেন এমনটা মনে করে, যেখানে আমি জানি বিধাতা এমন কাজ করতেই পারেন না ?
- কেন ভুড়ি ভুড়ি মিথ্যা কথা বানাবো, যার মাধ্যমে বিধাতার গায়ে কলঙ্ক লেপন করা হয় ?
-আমি কার সন্মান রাখবো ? অবশ্যই স্রষ্টার । এর বাইরে কেউ যদি নিজেই নিজের সন্মান না রাখতে পারে আমি তার কি করতে পারি?

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৭:৪৬

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনি এই সেম কমেন্ট আমার একটা পোস্টে একবার করছেন

১২| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৯:২৯

বাঘ মামা বলেছেন: এমন একটি বিষয় নিয়ে বলেছেন তা নিয়ে মন্তব্যে করতে গেলে অনেক সময়ের দরকার, আপনারা সৌদি সম্পর্কে যা জেনেছেন তা অধিকাংশই তাদের নামে মাত্র আইন দলিল আর মিডিয়া বা লোক মুখে শোনা থেকে হয়তো কিন্তু বাস্তবতা আরো নির্মম তা আমি দেখেছি টানা ২ মাস ১৫ দিন তাবুক থেকে নাজরান প্রায় ১০টা জেলা ঘুরে , আমার নিজের চোখে দেখা আর জানা বিষয় শেয়ার করতে আবার আসবো এখানে।

তবে এখানে কিছু সৌদি ভক্ত ভাইদের বলবো, ধর্ম গ্রন্থ্য গুলো অনুবাদ এবং ব্যবহারে প্রতিটা জাতি গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থ সুবিধা গুলোকে প্রাধান্য দিয়ে আসছে যেখানে সৌদি আরব সব চেয়ে বেশি মাত্রায় করেছে এবং করছে, তারা তাদের নিজেদের প্রাধান্য দিয়ে মতবাদ গুলো শুধু নিজের দেশে নয় সারা বিশ্বে মুসলিম দেশ গুলোতে কিছু ধর্মীয় দালাল কে অর্থ দ্বারা প্রতিষ্ঠা করে আসছে যুগ যুগ ধরে।যার ফলে আজকে আরবি হরফ মানে নেকি আর আরব মানে পুজনীয় হয়ে উঠেছে কিছু মুর্খ মানুষের মস্তিষ্কে।
প্রথমত ধর্মীয় দন্দ এবং ধান্ধাকে ধমন করতে বিদায় হজ্বের ভাষণ এর প্রতি বিশেষ নজর দিতে বলবো সবাইকে।


উদাসী কে ধন্যবাদ অত্যান্ত গুরুত্বপুর্ন বিষয় নিয়ে পোস্ট দিয়েছেন তাই।

(আবার আসছি)

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৯:৩৩

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনার মূল্যবান বক্তব্য শুধু এই পোস্টকেই সমৃদ্ধ করবে তা না বরংচ দেশের এই অস্থির সময়ে যতজন লোক এই ব্লগটা আর আপনার দেয়া তথ্য পড়বে তত আরও বেশি জানতে পারবে!

আসল কথা নিজের দেশের ওপর কোনো দেশ নাই। দোষ ত্রুটি ভালোমন্দ সবই আছে, কিন্তু সেগুলো শুধরালে নিজেরা সচেতন হলে দেশটাকে সোনার বাংলা তৈরী করি সম্ভব

আপনার মন্তব্যের অপেক্ষায়....

১৩| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৯:৫৪

হোয়াইট লায়ন বলেছেন: শরীয়া আইনের ভিত্তি হবার কথা কোরান এবং একমাত্র কোরান, তবে সেটা না করে নানা জাল হাদীস এবং সময়ে সময়ে মনগড়া হাদীস দিয়ে গোত্র কিংবা নানা মতবাদের অনুসারী ভিত্তিক শরীয়া আইন গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বাজে অবস্থা সৌদি আরবের। বিয়ে, অধিকার, পর্দাপ্রথা সহ নানা ব্যাপারে কোরানের নির্দেশনার চেয়ে প্রাধান্য পেয়েছে মনগড়া হাদীস। পরে সময় পেলে কিছু ব্যাপার তুলে ধরতে চেস্টা করবো, কারণ বিষয়টা জরুরী।

আপনার এখানেই একটা উদাহরণ দেই,

৪)যারা সতী-সাধ্বী নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে অতঃপর স্বপক্ষে চার জন পুরুষ সাক্ষী উপস্থিত করে না, তাদেরকে আশিটি বেত্রাঘাত করবে এবং কখনও তাদের সাক্ষ্য কবুল করবে না। এরাই না’ফারমান।
৫)কিন্তু যারা এরপর তওবা করে এবং সংশোধিত হয়, আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম মেহেরবান।
৬) এবং যারা তাদের স্ত্রীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করে এবং তারা নিজেরা ছাড়া তাদের কোন সাক্ষী নেই, এরূপ ব্যক্তির সাক্ষ্য এভাবে হবে যে, সে আল্লাহর কসম খেয়ে চারবার সাক্ষ্য দেবে যে, সে অবশ্যই সত্যবাদী।


এখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে যারা নারীর বিরুদ্ধে অপবাদ দেবে তাদের সাক্ষী হাজির করতে হবে। তারা যদি সেটা না পারে তবে তাদেরকেই বেত্রাঘাত করা হবে। নারী নির্যাতনের অভিযোগ করলে তাকে চারজন সাক্ষী হাজির করতে হবে এটা কিন্তু বলা নেই। আর ওরা বানিয়ে ফেললো নারীকে ধর্ষনের প্রমান দিতে চারজন সাক্ষী হাজির করতে হবে।

আবার যারা স্ত্রীদের প্রতি অভিযোগ আনে তারা চারবার সাক্ষী দেবে ঠিক আছে, এবং পরবর্তী নির্দেশনা অনুসারে স্ত্রীকেও একই কাজ করতে হবে। সে যদি কোরানের শপথ করতে রাজী না হয় কিংবা স্বীকার করে নেয়, কেবলমাত্র তবেই সে দোষী বলে গণ্য হবে। স্বামী চারবার কসম খেয়ে সাক্ষী দিলো কেবলমাত্র তাতেই নয়।





১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৪০

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: তারচেয়ে বড় কথা ডিএনএ টেস্ট, আঙ্গুলের ছাপ ইত্যাদির মতো ফরেনসিক আলামত যেগুলো অস্বীকার করার উপায় নাই সেগুলো শুধু সৌদী না মালয়েশিয়ার শরীয়াহ আইনেও এর কোনো চাহিদা নাই। সৌদীরা নাহলে অশিক্ষিত বর্বর, কিন্তু মালয়েশিয়া তো জ্ঞানে গুনে উন্নত, তারা কেন এগুলোকে আমলে নেয় না? কারন একটাই, এই যে হুদুদ আইন এটা বানানোই হইছে মধ্যযুগের কুসংস্কারাচ্ছন্ন নারীবিরোধী সিস্টেম থেকে যার সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নাই।

আমি কোরান বা হাদিস কিছু দিতে চাইছিলাম না, কিন্তু পরে মনে করলাম আসলে মানুষ জানুক শরীয়াহ আইন কেন এতো বর্বর? আর বাংলাদেশের পীর হুজুর, অশিক্ষিত পায়ুকামী জঙ্গী পেডোফাইল মাদ্রাসা (সবাই না, কিন্তু ৯০ ভাগই এমন) সমাজ কেন এই বর্বর শরীয়াহ আইনের দাবী তুলে মতিঝিলে তান্ডব চালায়?

১৪| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১০:২০

হাফিজ বিন শামসী বলেছেন: ৪)যারা সতী-সাধ্বী নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে অতঃপর স্বপক্ষে চার জন পুরুষ সাক্ষী উপস্থিত করে না, তাদেরকে আশিটি বেত্রাঘাত করবে এবং কখনও তাদের সাক্ষ্য কবুল করবে না। এরাই না’ফারমান।
এ আয়াতের বিশ্লেষণ এভাবে করাটা কতটুকু সঠিক?
"এখন আমাদের পোস্টের মূল আলোচনার বিষয় হলো ধর্ষন। তো কোনো নারী যদি ধর্ষিতা হন তাহলে তার এই ধর্ষনের অভিযোগ প্রমানের জন্য চার জন পুরুষ সাক্ষী যোগাড় করতে হবে। কোনো মেয়ে সাক্ষী গ্রহনযোগ্য নয়। যদি কোনো ধর্ষিতা ৪ জন পুরুষ সাক্ষী জোগাড় করতে না পারে তাহলে ঐ নারীকে জেনা বা অবৈধ যৌনসম্পর্ক বা ব্যাভিচারের অভিযোগে কমপক্ষে ৮০ দোররা প্রদান করে তার শাস্তি তৎক্ষনাৎ কার্যকর করা হবে।"
ভাই,এখানে কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ কর্তৃক যদি কোন সতি-সাধধি নারীর প্রতি অপবাদ আরোপিত হয় সে ক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে চারজন পুরুষ সাক্ষী উপস্থিত করার কথা বলা হয়েছে।এখানে ভিকটিমকে সাক্ষী যোগাড় করতে বলা হয়নি।
মনে করুন: সামিরা একজন সতি-সাধধি নারী। সামিরার বিরুদ্ধে শফিক অপবাদ আরোপ করেছে। এ ক্ষেত্রে শফিককে চারজন পুরুষ সাক্ষী উপস্থিত করতে হবে।আর শফিক যদি সাক্ষী উপস্থিত করতে না পারে তবে শফিককে আশিটি বেত্রাঘাত খেতে হবে।
আপনি উক্ত আয়াতের ভুল ব্যাখ্যা করছেন। আশা করি বুঝাতে পেরেছি।ধন্যবাদ। ভাল থাকুন সবাইকে নিয়ে।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৪২

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ভাইয়া, পোস্ট টা ভালো করে পড়ুন। শরীয়াহ আইন আমি বানায় নাই। আমি আয়াত দিয়েছি শরীয়াহ আইন কতটা কোরান বিরোধী এবং বর্বর। আর এই চার সাক্ষীর ব্যাখ্যা আপনি যাই বলেন, সৌদী বা বর্বর শরীয়াহ আইনের এই হুদুদ যে কটা দেশে চলে সবাই এটা মেনে চলে যার রেফারেন্স আমি কমেন্টে আর পোস্টে দিয়েছি।

সুতরাং চার পুরুষ সাক্ষীর হিসাব আমার নয়, খোদ সৌদী আর মালয়েশিয়ার শরীয়াহ আইনের পেনাল কোড দ্বারা উল্লেখিত!

১৫| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১০:৩৯

একাকি দুশমন বলেছেন: ধন্যবাদ লেখককে আমার প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য। আগে বুঝতে হবে ব্যভিচার ও ধর্ষনের মধ্যে পার্থক্য কি ?? যদিও ইসলামে সরাসরি কোন পার্থক্য নির্দেশ করেনি। এর জন্য আলাদা আইন রয়েছে। এই পার্থক্য বুঝতে হবে। ব্যভিচার হল নারী ও পুরুষের উভয়ের সম্মতিতে যৌন মিলনকে বুজায়। আর ধর্ষন হলো পুরুষের জোরজবরদস্তীতে সংঘঠিত যৌন মিলনকে বুজায়।

যিনা অপবাদ দেয়ার শাস্তি :

যিনা একটি মারাত্মক অপরাধ। এ অপরাধের ব্যাপারে মিথ্যাচারও অত্যন্ত মারাত্মক। সুতরাং যে ব্যক্তি কোন পুরুষ বা মেয়েলোককে যিনার মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করবে, তাকে ৮০টি দোররা মারার শাস্তি দেয়া হবে। তবে অভিযোগকারী যদি তার অভিযোগের সমর্থনে 4জন সাক্ষী উপস্থিত করতে পারে, তাহলে তা গ্রহণযোগ্য হবে।

আল্লাহ তায়ালা বলেন,

وَالَّذِينَ يَرْمُونَ الْمُحْصَنَاتِ ثُمَّ لَمْ يَأْتُوا بِأَرْبَعَةِ شُهَدَاءَ فَاجْلِدُوهُمْ ثَمَانِينَ جَلْدَةً وَلَا تَقْبَلُوا لَهُمْ شَهَادَةً أَبَدًا وَأُولَئِكَ هُمُ الْفَاسِقُونَ

যারা সতীসাধ্বী নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে, পরে তারে চারজন সাক্ষী উপস্থিত করে না, তাদেরকে ৮০টি বেত্রাঘাত করবে এবং তাদের সাক্ষ্য কখনো কবুল হবে না। এরাই নাফরমান। (সূরা নূর- 4)।

যিনা করার শাস্তি :

ব্যাভিচার এমন একটি মারাত্মক সামাজিক ব্যাধি, যা সমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। এ জন্যই ইসলামী শরিয়তে ব্যভিচার প্রতিরোধে কঠোর আইন রয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন,

وَالزَّانِي فَاجْلِدُوا كُلَّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا مِائَةَ جَلْدَةٍ وَلَا تَأْخُذْكُمْ بِهِمَا رَأْفَةٌ فِي دِينِ اللَّهِ إِنْ كُنْتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَلْيَشْهَدْ عَذَابَهُمَا طَائِفَةٌ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ

ব্যভিচারিণী নারী, ব্যভিচারী পুরুষ, তাদের প্রত্যেককে ১০০ বেত্রাঘাত করো। আল্লাহর বিধান কার্যকর করতে তাদের প্রতি যেন তোমাদের মনে দয়ার উদ্রেক না হয়। যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাক। আর মুসলিমদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে। (সূরা নূর- ২)


ধর্ষণের শাস্তি:

ধর্ষণের ক্ষেত্রে একপক্ষে যিনা সংঘটিত হয়। আর অন্যপক্ষ হয় মজলুম বা নির্যাতিত। তাই মজলুমের কোনো শাস্তি নেই। কেবল জালিম বা ধর্ষকের শাস্তি হবে।

ধর্ষণের ক্ষেত্রে দুটো বিষয় সংঘটিত হয়। ১. যিনা ২. বলপ্রয়োগ/ ভীতি প্রদর্শন।

প্রথমটির জন্য পূর্বোক্ত যিনার শাস্তি পাবে। পরেরটির জন্য ফকীহদের একটি অংশ বলেন, মুহারাবার শাস্তি হবে।

মুহারাবা (محاربة) হলো, পথে কিংবা অন্যত্র অস্ত্র দেখিয়ে বা অস্ত্র ছাড়াই ভীতি প্রদর্শন করে ডাকাতি করা। এতে কেবল সম্পদ ছিনিয়ে নেয়া হতে পারে, আবার কেবল হত্যা করা হতে পারে। আবার দুটোই হতে পারে।

মালেকী ফকীহগণ মুহারাবার সংজ্ঞায় সম্ভ্রম লুট করার বিষয়টিও যোগ করেছেন।

তবে সকল ফকীহই মুহারাবাকে পৃথিবীতে অনাচার সৃষ্টি, নিরাপত্তা বিঘ্নিত করণ, ত্রাস সৃষ্টি ইত্যাদি অর্থে উল্লেখ করেছেন।

মুহারাবার শাস্তি আল্লাহ এভাবে উল্লেখ করেছেন,

إِنَّمَا جَزَاءُ الَّذِينَ يُحَارِبُونَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَيَسْعَوْنَ فِي الْأَرْضِ فَسَادًا أَن يُقَتَّلُوا أَوْ يُصَلَّبُوا أَوْ تُقَطَّعَ أَيْدِيهِمْ وَأَرْجُلُهُم مِّنْ خِلَافٍ أَوْ يُنفَوْا مِنَ الْأَرْضِ ذَٰلِكَ لَهُمْ خِزْيٌ فِي الدُّنْيَا وَلَهُمْ فِي الْآخِرَةِ عَذَابٌ عَظِيمٌ ﴿المائدة: ٣٣﴾

যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে সংগ্রাম করে এবং দেশে হাঙ্গামা সৃষ্টি করতে সচেষ্ট হয়, তাদের শাস্তি হচ্ছে এই যে, তাদেরকে হত্যা করা হবে অথবা শূলীতে চড়ানো হবে অথবা তাদের হস্তপদসমূহ বিপরীত দিক থেকে কেটে দেয়া হবে অথবা দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে। এটি হল তাদের জন্য পার্থিব লাঞ্ছনা আর পরকালে তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি। (মায়িদা: ৩৩)

এখানে হত্যা করলে হত্যার শাস্তি, সম্পদ ছিনিয়ে নিলে বিপরীত দিক থেকে হাত-পা কেটে দেয়া, সম্পদ ছিনিয়ে হত্যা করলে শূলীতে চড়িয়ে হত্যা করা – এরূপ ব্যখ্যা ফকীহগণ দিয়েছেন। আবার এর চেয়ে লঘু অপরাধ হলে দেশান্তরের শাস্তি দেয়ার কথা উল্লেখ করেছেন।

মোটকথা, হাঙ্গামা ও ত্রাস সৃষ্টি করে করা অপরাধের শাস্তি ত্রাস ও হাঙ্গামাহীন অপরাধের শাস্তি থেকে গুরুতর।

এ আয়াত থেকে বিখ্যাত মালেকী ফকীহ ইবনুল আরাবী ধর্ষণের শাস্তিতে মুহারাবার শাস্তি প্রয়োগের মত ব্যক্ত করেছেন।

উল্লেখ্য, ধর্ষক যদি বিবাহিত হয়, তাহলে এমনিতেই তাকে পাথর মেরে মৃত্যুদন্ড দেয়া হবে। কিন্তু সে বিবাহিত না হলে তাকে বেত্রাঘাতের পাশাপাশি বিচারক চাইলে দেশান্তর করতে পারেন। কিংবা অপরাধ গুরুতর হলে বা পুনরায় হলে অবস্থা বুঝে মুহারাবার শাস্তিও প্রদান করতে পারেন।

বি:দ্র: এটাই শরীয়াহ আইন।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৪৯

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। তবে বর্বর শরীয়াহ আইনে এটাও বলা আছে যে ৪ জন পুরুষ সাক্ষী না আনলে ধর্ষিতাকে জেনার অপরাধে দোররা খেতে হবে। অভিভাবক হীন বাইরে বের হলে তাকে যদি কেউ ধর্ষন করে, অভিভাবক হীন বের হবার কারনে ধর্ষকে মৃত্যুদন্ড মওকুফ করে উভয়কে দোররা খেতে হবে যা হয়েছে ১৮ বছর বয়সী মেয়ে কাতিফের ক্ষেত্রে।

আরও একটা হাস্যকর ব্যাপার হলো ডিএনএ, আঙ্গুলের ছাপ, ভ্যাজিনাল ক্ষত (জোর জবরদস্তির কারনে) ইত্যাদি কোনো ফরেনসিক আলামতকে আমলে না নেয়া।

এটাও শরীয়াহ আইনের বৈশিষ্ট্য! যার হলো তথাকথিত বর্বর ইসলামী নারী স্বাধীনতা বলে প্রচলিত!

১৬| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১০:৪৩

আমিই মিসির আলী বলেছেন: ব্যপক তথ্যবহুল পোস্ট।
জেনে ভালো লাগলো।

ধর্ষন কোন দেশে কত সেটা নিয়া গবেষনা না কৈরা নিজ দেশে কত এবং সেটা বন্ধে কি করনীয় সেটা নিয়ে লিখলেই ভালো।
সৌদিআরবে অন্তত ধর্ষিতা কবর থেকে বের করে ধর্ষিত না এমন কিছু প্রমান করতে হয় না।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৫২

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ধর্ষিতাকে কবর থেকে বের করে এনে ইয়াসমিনের দুবার ফরেনসিক করা হয়েছিলো, এবং সেসব ধর্ষকদের চরম সাজাও হয়েছিলো। দুঃখ জনক যে বর্তমান বর্বর লীগ সরকার এটা করছে। আসলে হাসিনার সরকারের সাথে বর্বর সৌদী সরকারের পার্থক্য খুব কম!

তাই বলে শরীয়াহ আইনকে ভালো ভাবা বোকার স্বর্গে বসবাস করা এক কথা! আমাদের সুশাসন প্রতিষ্ঠা থাকলে তিন বার ফরেনসিক করেও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হতে পারে কিন্তু সৌদীতে সেই ফরেনসিকের সিস্টেমই নাই!

১৭| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১০:৪৩

এ আর ১৫ বলেছেন: Hafiz Bin Shamsi বলেছে------ সুরা নিসা আয়াত ১৫ -- আর তোমাদের নারীদের মধ্যে যারা ব্যভিচারিণী তাদের বিরুদ্ধে তোমাদের মধ্য থেকে চার জন পুরুষকে সাক্ষী হিসেবে তলব কর। অতঃপর যদি তারা সাক্ষ্য প্রদান করে তবে সংশ্লিষ্টদেরকে গৃহে আবদ্ধ রাখ, যে পর্যন্ত মৃত্যু তাদেরকে তুলে না নেয় অথবা আল্লাহ তাদের জন্য অন্য কোন পথ নির্দেশ না করেন। ---- ঠিক কথা ব্যভিচার প্রমাণ করার জন্য ৪ জন পুরুষ সাক্ষীর কথা বলা হয়েছে এবং এই আয়াতে ধর্ষনের কথা বলা হয় নি ------ কিন্তু শরিয়া আইনে ৪ জন মুসলিম প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষে চক্ষুস সাক্ষীর কথা বলা হয়েছে এবং ব্যভিচার মামলার ৪ সাক্ষীর শর্ত ধর্ষন মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে । এই আইন কোরান বিরুধী আইন কিন্তু আল্লাহর আইন হিসাবে হাজার বৎসর থেকে অনুসরন করা হচ্ছে । কোরান কোন নারীর বিরুদ্ধে পরকিয়া প্রেমের অভিযোগ প্রমান করার জন্য ৪ জন পুরুষ সাক্ষ্যের কথা বলেছে যাতে ঐ নারী ব্যভিচারিনী অপবাদ থেকে রক্ষা পায় --- কিন্তু এই ৪ চক্ষুস মুসলিম পুরুষ সাক্ষীর শর্ত ধর্ষনের মামলায় অন্তর্ভুক্ত করে ধর্ষকে শাস্তি দেওয়া অসম্ভব করে দিয়েছে এবং ধর্ষিতাকে শাস্তি পাওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছে । এই আইন কোরান বিরুধী---
When a rape-case is caught or reported, “illegal sex” is proved either by testimony of the victim or physical evidences of bodily scars/bruises, torn cloths or pregnancy. Then the Sharia laws shown bellow come into force.
1. From Pakistan Hudud Law - Ordinance 1979. (Ordinance VII of 1979 amended by
Ordinance XX of 1980). Quote- "Proof of Zina (adultery) or Zina Bil-Jabr (rape)
liable to Hadd shall be one of the following:-
(a) The accused makes confession, or
(b) At least four Muslim adult male witnesses”. - Unquote.
2. From Codified Islami Law (“BidhiBoddho Islami Ain” - Islamic foundation
Bangladesh) Volume 1:-
(A) "Proof of adultery or rape liable to Hadd shall be one of the following:-
(a) The accused makes confession, or
(b) At least four Muslim adult male witnesses – Law#133.
1
(B) If force is proved, the rapist will be punished – Law#134.
(C) “Punishment will take place when zena or rape will be proved by witness” –
Law#135.
Sharia needs only one thing to punish the rapist, - eyewitness of four adult Muslim men.
Unbelievable it may seem, women’s witness is rejected, as in the references bellow:-
1. Hanafi Law-Page 353.
2. Shafi’i Law- page 638 Law#o.24.9
3. Criminal Law in Islam and the Muslim World –page 251
4. Tafsir of Translation of the Qura’an by Muhiuddin Khan pages 239 and 928.
5. Penal Law of Islam – Kazi Publications Lahore- page 44 – 45 – Quote - “The
evidence required in a case of adultery is that of four men (adult Muslims) and the testimony of a woman is such a case is not permitted………the evidence of women is originally inadmissible on account of their weakness of understanding, want of memory and incapacity of governing” – Unquote. Effort of addressing this embarrassment is in Codified Islamic Law (Bidhiboddho Islami Ain - Islamic foundation Bangladesh) Volume 1 page 311 with reference to Ata Ibn Yasar (RA), Hammad (RA) and Imam Hazm, a Spanish Palace-c of 15th century, - by allowing women-witness as half of man

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৫০

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান বক্তব্যের জন্য

এমনভাবেই বর্বর শরীয়াহ আইন সম্পর্কে আওয়াজ চলুক!

একটা ফেসবুক ইভেন্ট খুললে কেমন হয় যেখানে লেখা থাকবে"চাই না বর্বর শরীয়াহ আইন আমার এই দেশে।"?

১৮| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১০:৫১

রানার ব্লগ বলেছেন: কিছু লিখবো না , কারন অকারণে ব্যান্ড এর উপর আছি। তারপরও বলি আপনার পোস্ট অধিকাংশেরই মাথার হাজার ফুট উপর দিয়ে যাবে আর না বুঝে তারা জোশের সাথে কমেন্ট পাস করবে। ওটাই মজার আর বিনোদন। পোস্ট খানা যথেষ্ট সময় উপযোগী আর তথ্য বহুল, আশা করি সকলের কাজে লাগবে।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৫৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এই পোস্ট খানার বক্তব্য যদি আমরা ছড়িয়ে দিতে পারতাম প্রতিটা মানুষের মনে, মানুক কি না মানুক। লক্ষ মানুষের মধ্যে হাজার মানুষও যদি মানে, আলোকিত, হয় তাহলে তাতেও লাভ। অন্তত শরীয়াহ আইন চালু করার ঘৃন্য পায়তারা থেকে জাতী নিজেকে বাচাবার আরও কিছু সময় পায় বৈকি!

১৯| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১১:৫৭

মেহের আলী বলেছেন: খুবই তথ্যবহুল একটি পোষ্ট। যদিও দু'একটি জায়গায় তথ্যের কিছুটা গড়মিল রয়েছে (সম্ভবত ধর্ষিতাকে ৪ জন পুরুষ সাক্ষী জোগাড় করতে বলা হয়নি)। তবে সার্বিক বিচারে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রায় প্রতিটি ধর্মেই নারীর অবস্থান প্রায় একই ছিলো। দুরাশার কথা হলো অন্য অনেক ধর্মই নারীর ক্ষেত্রে তাদের ধর্মীয় মতবাদ শিথিল করলেও ইসলাম সেটা তো করছেই না বরং এই অত্যাধুনিক যুগেও বাংলাদেশের মত রাষ্ট্রগুলো আধনিকতার ছোয়া পেয়েও সেই বর্বর যুগেই আবার ফিরে যেতে উঠেপড়ে লেগেছে।
শ্রমলব্ধ তথ্যবহুল পোষ্টের জন্য লেখককে ধন্যবাদ।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৫৭

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: মেহের আলি, কোনো গড়মিলনাই চার সাক্ষী নিয়ে। উপরে ওদের খোদ পেনাল কোডের নাম এবং যে বইতে ওদের শরীয়াহ আইন গুলো লেখা পুরোটার কপি হাইপারলিংক করে দিছি। ইচ্ছে হলে পড়ে নিয়েন তবুও এইসব নিয়ে মিথ্যাচার করবেন না। যদি আপনি ১০০ ভাগ শিওর থাকেন তাহলে ওদের আইনের বই খুলে লাইনটা বের করে দেখান।

যদিও যেহেতু আমি সেটা দিয়ে দিয়েছি সেহেতু আপনার নতুন আইনের বই বের করে এখানে দেয়ার সম্ভাবনা খুব কম!

নিজে আলোকিত হোন, অন্যকে আলোকিত হতে দিন!

২০| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১২:২৫

এ আর ১৫ বলেছেন: মেহের আলী বলেছেন: খুবই তথ্যবহুল একটি পোষ্ট। যদিও দু'একটি জায়গায় তথ্যের কিছুটা গড়মিল রয়েছে (সম্ভবত ধর্ষিতাকে ৪ জন পুরুষ সাক্ষী জোগাড় করতে বলা হয়নি-------- আপনি ঠিক বলেছেন কোরানে ধর্ষিতাকে ৪ জন সাক্ষী আনার কথা বলা হয় নি কিন্তু যারা শরিয়া আইন তৈরী করেছেন তারা ব্যভিচার মামলার ৪ জন সাক্ষীর শর্ত ধর্ষন মামলা অন্তর্ভুক্ত করেছেন যা কোরান বিরুধী এবং ধর্ষকের শাস্তি পাওয়ার সম্ভবনা অনেক কমে যায় এবং ধর্ষিতার শাস্তি পাওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায় তাই কোন ধর্ষিতা কোন রিপোর্ট করে না। এই পোষ্টিং এর ১৭ নং মন্তব্যটি পড়ুন । ধন্যবাদ !!!!

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৫৮

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আসলে অন্ধ সৌদীভক্তি (ইসলাম প্রীতি বা আল্লাহভীতি নয়) এরকম অজ্ঞতা এবং সত্যকে অস্বীকার করবার কারন। এদের ঈমান নাই, তবে বর্বর জাতীর প্রতি কুকুরসম ভক্তি বিদ্যমান। এটাই দুঃখের বিষয়।

২১| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১:৪৪

হাসান নাঈম বলেছেন: "অদূর ভবিষ্যতে পোস্ট দেয়ার ইচ্ছে আছে যেখানে বলবো ইসলাম আর শরীয়াহ কতটা আলাদা এবং ইসলামকে কলংকিত করার জন্য এই বর্বর শরীয়াহ আইন আর তার কিছু উদ্ভট আইনই যথেষ্ট"

এই পোস্টের অপেক্ষায় থাকলাম।

১৪০০ বছর একটা দীর্ঘ সময়। তার মধ্যে গত অন্তত ৪০০ বছর মুসলমানরা ছিল পরাধীন। এই দীর্ঘ সময়ে মানুষের মন মানষিকতা পারস্পরিক সম্পর্ক সামাজিক মুল্যবোধ যেভাবে পরিবর্তিত হয়েছে শরীয়াহকে সেইভাবে যুগউপযোগী করা হয় নি(অথচ ইসলামী শরিয়ায় ইজমা ও কিয়াস এর ব্যাবস্থা রাখাই হয়েছে একে যুগউপযোগী করার জন্য)। বরং বহু ক্ষেত্রে ঘটেছে চরম বিকৃতি।

এ'দিক দিয়ে সৌদী আরবের তুলনায় ইরানকে অনেক অগ্রসর বলা যায়। তারা ইসলামী বিপ্লবের মাধ্যমে যে ব্যাবস্থা প্রতিষ্ঠিত করেছে তারও মুল উৎস কোরআন এবং হাদীস। তাই ইসলামী শরিয়ার এই সর্বশেষ ভর্সনটা বেশী গুরুত্বের দ্বাবি রাখে। আপনি ইরানের নারীদের সামাজিক অবস্থা নিয়ে একটা গবেষণা করতে পারেন। আশা করি সেটা ইসলামে নারীর অবস্থা বুঝতে অনেক বেশী সহায়ক হবে।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এচলাম আর শরীয়াহ নিয়ে লেখাটা একটা বিশাল পরিসরের দরকার। তারপরও লিখবো আশা করি। আমার নিজেরও ব্যাপক স্টাডি করার দরকার। কারন আইনের ফাক ফোকড় নিয়ে আলোচনা করলেই হবে না, এর সাথে আলোচনা করতে হবে এসব বর্বর আইন দিয়ে কি পরিমান জুলুম আর অত্যাচার চলে আমজনতার ওপর!

শরীয়াহ আইন কে না বলা সময়ের দাবী


আর ইরান! ইরান হলো আরও বড় হাইওয়ান! এটা এমন হাইওয়ান যে ইরানের সকল জন গন মেরে হলেও এরা এদের স্বা্র্থ বজায় রাখবে। এদের অত্যাচারের সীমা সৌদীকেো হার মানায়, এদের শরীয়াহ আইনের বর্বরতা সীমাহীন যার টুটাফুটা খবরও লিক হতে পারে না, যতটা লিক হতে পারে সৌদীর

২২| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৫৯

Safin বলেছেন: আরবরা আগেও বর্বর ছিলো, এখনো আছে। মুহাম্মদ (সাঃ) এসে তাদেরকে বর্বরতা থেকে ফেরানোর চেষ্টা করলেও, ঐ যে পূর্বপুরুষের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য টা রয়ে গেছে!

ইসলামকে দিন দিন তারাই ধ্বংস করে পৃথিবীর কাছে অগ্রহণযোগ্য হিসেবে তুলে ধরছে!

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:০৬

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এখন চারিদিকে ইসলামের নাম শুনলেই ভয় পাই সবাই। এমনকি এই লজ্জার জন্য মুসলমানদের পরবর্তীপ্রজন্ম নিজের নাম পাল্টে সেদেশী নাম রাখে। বাবা মা মারা গেলে দেখা যায় নিজের ধর্মের কানা কাড়িও তাদের জীবনে রাখে না। বেশীরভাগ নতুন প্রজন্ম গুলো স্বদেশীদের দেখলে এড়িয়ে চলে

২৩| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৩৩

মিতক্ষরা বলেছেন: সৌদিরটা মানা গেলেও মালয়েশিয়ারটা মানা গেল না। মালয়েশিয়ায় একটি জনপ্রতিনিধিমূলক সরকার ক্ষমতায় থাকে বলে আইনে নারী পুরুষের বৈষম্য নেই। আর জনপ্রতিনিধিত্ব মূলক সরকার না থাকায় সৌদিতে যেমন ধর্ষনকারী ফাক পেয়ে বেরিয়ে যায়, বাংলাদেশে কিংবা রাশিয়াতেও তেমনি বিরোধীদলের উপরে চলে গুম খুন নির্যাতন। জনপ্রতিনিধিত্ব মূলক সরকারেই সমাধান। তখন দেখা যায় শরিয়া আইন পর্যন্ত হয়ে যায় নারী বান্ধব।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:৫৮

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: চারিদিকে ইসলামী জঙ্গিবাদের প্রসার আর সুশাসনের অভাব এতটাই প্রকট যে ক্ষমতা ধরে রাখতে শরীয়াহ আইন দিয়ে জন গন ঠান্ডা রাখা আর কি। মালয়েশিয়াতে আরো একটা আইন আছে সেটা হলো জন্মগত মুসলমানদের সকল প্রকারের নাগরিক সুযোগ সুবিধা আগে। সরকারী বেসরকারী সকল ক্ষেত্রে এরা উচ্চ পদে আসীন থাকবে। যখন আর জন্মগত লোক পাওয়া যাবে না তখন চীনা বংশদ্ভুত এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু দিয়ে তা পূরন করা হবে। ভূমিটপুত্র মানে হলো মালয়েশিয়ার মুসলমানরা হলো মালয়েশিয়ার সন্তান বাকি সব ঢেউ টিন।

এই নিয়মের বিরুদ্ধে এমন ইনডেমনিটি দেয়া আছে যে পার্লামেন্টে এই আইনের বিরুদ্ধে কেউ কোনো কথা বা আদালতে কোনো কেস করতে পারবে না। এই ইনডেমনিটি সংবিধানেরই। এই বিষয়ে কথা বলে আগে বেশ কয়েক জন এমপির সংসদের পদ চলে গেছে।

যেদেশে এমন অবিচার সেদেশে আসলে শিক্ষা দিয়েও খুব একটা কাজ হবে না। এক মাহাথীর দিয়ে যা উঠছে, এখন অব্যাহত দুর্নীতি আর স্বজন প্রীতির কারনে তা পড়তির দিকে। এমনি মালয়েশিয়া এখন বাংলাদেশী সরকারী দুর্নীতিবাজ আমলা, চোর বাটপার আর খুনীর আসামীদের অভয়ারন্য

২৪| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৮:৩৭

আরণ্যক রাখাল বলেছেন: ওরা বর্বর! তেলের টাকায় ক্যাদ্দানি মারে, হজ্জ থেকে প্রচুর ইনকাম করে, এই!
ওদের কাছে এর থেকে ভালো কিছু আশা করা যায় না।
আমার ভাবতে ভালো লাগে, ১৪০০ আগে মোহাম্মদ এসেছেন, আজ আসলে মানুষকে কনভিন্স করতে পারতেন না। ধরা পড়ে যেতেন।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:২৯

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনাকে কাত্বিফের কাহিনী বলি। কাত্বিফ নামের একটা শিয়া ১০ বছর বয়স থেকে ফোনে এক জনের সাথে চয়াট করতো। এভাবে ফোনে টারা ডিসেন্ট চ্যাট চালায়া গেছিলো প্রায় ৬ বছর। তারা কোনোদিন দেখা সাক্ষাৎ করে নাই এর মধ্যে। বয়স যখন ১৬ হয় তখন কাত্বিফের অন্যাত্র বিয়া ঠিক হয় এ কথা শোনার পর ঐ পোলা জোরাজুরি করতে থাকে। এর মধ্যে কাতিফের একবার নিজের ছবি তাকে চিঠি করে পাঠিয়েছিলো। এঙ্গেজম্যান্টের খবর শুনে ই লোক ঐ ছবি দিয়া বলে যে অমুক মার্কেটে দেখা কর নাইলে এই ছবি আর তাদের রিলেশনের কথা ফাঁস করে দেবে। ক্বাতিফ ভয়ে ঐ মার্কেটে একলাই যায় দেখা করতে। একটা দোকানে পিজ্জা খাইয়া তারা এক গাড়িতে ওঠে, টার্গেট ছিলো কাতিফকে ওর বাসায় নামায়া দিবে।বাসা থিকা যখন ১৫ মিনিট দূর তখন হঠাৎ ওদের গাড়ির সামনে আরেকটা গাড়ি ব্যারিকেড করে দাড়ায়। ক্বাতিফ ঘটনা আন্দাজ করতে পেরে ঐ সাথের ঐলোককে বলে গাড়ির দরজা না খুলতে। কিন্তু ই লোক গাড়ির দরজার লক খুলে কাতিফের গলায় ছুড়ি ধরে বসে।

পরে কাতিফকে নিয়ে যায় একটা অচেনা বাসায়। সেখানে ওর সঙ্গি ওকে ধর্ষন করে প্রথমে। প্রথম ধর্ষনে ক্বাতিফের অবস্থা শেষ। এর দুই নম্বর লোক করে বেশ শান্তভাবেই। কিন্তু তিননম্বর লোক ধর্ষন করার সময় তার গলা চেপে ধরে। ক্বাতিফের পিচ্চি শরীরে এই ধকল টা নিতে পারে নাই। কিছুক্ষনের জন্য জ্ঞান হারাবার মতো অবস্থা হয়। মুখে পানি দিয়ে ৫ এবং ৬ নম্বর লোক ধর্ষন করে এবং তারা আরও হিংস্র উপায়ে তাকে ধর্ষন করে। ৭ নম্বর মানে সর্বশেষ যে সে ছিলো অনেক মোটা। পুরো শরীরের ভারে ক্বতিফের দম বন্ধ হবার জোগাড়।

ধর্ষন শেষ হলে তারা খাওয়াদাওয়া করে। পরে আবারও শুরু করে। এভাবে ধর্ষন বেশ কয়েকবার হয়ে গেলে কাতিফকে উঠিয়ে বাসার সামনের রাস্তায় ছেড়ে দেয়। বাসার দরজাটা খোলে কাতিফের মা। মা দেখে মনে করেছিলো মেয়ে অসুস্থ। তাই কাতিফকে ঘরে নিয়ে শুইয়ে দেয়। এদিকে কাতিফ ভয়ে মুখ খুলতে পারেনি। ১ সপ্তাহ পর কাতিফ তার স্বামী আর মাকে বললে তারা দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে চেক আপ করায়।

এর ৪ মাস পর কাতিফের মানসিক বিপর্যস্ত অবস্থার কারনে পুলিশে যায়। যেদিন কেস কোর্টে ওঠে, কোর্ট কয়েকঘন্টার মধ্যে ডিসিশান দিয়ে দেয় এই বলে যে উপযুক্ত গার্জিয়ান ছাড়া বের হইছিলো আর যে লোকের সাথে ছিলো তার সাথে বিবাহ ব হির্ভূত সম্পর্ক আছে যার সৌদী আইনে দন্ডনীয় অপরাধ। তাই তাকে প্রথমে ৮০ টার জায়গায় ১০০ টা দোররার হুকুম দেয়।

কাতিফের স্বামী এবং পরিবার এই সিদ্ধান্ত না মেনে সুপ্রিম কোর্টে নিয়ে যায় কেস। সুপ্রিম কোর্টে নিয়ে যাওয়ার পর পরই কেসটা মিডিয়াতে বিশেষ করে পশ্চিমা মিডিয়াতে ফাঁস হয়। এর ফলেশুরু হয় সারা বিশ্বে উত্তেজনা। এই উত্তেজনার খবর আঁচ করতে পেরে ক্বাতিফের উকিলকে প্রথমে সন্দেহ করা হয় যে সে কেসের কাগজ ফাঁস করছে। প্রথমে ফতোয়া কমিটির একজন গুরুত্বপূর্ন মোল্লা তাকে সমকামীদের উকিল এবং ব্যাভিচারী হিসেবে উল্লেখ করে জাতীয় টেলিভিশনে। এদিকে সুপ্রিম কোর্টে এসব বাড়াবাড়ির জন্য মোটামোটি একটা রুলিং দিয়ে দেয় যে ১০০ টা না, ২০০ টা দোররা মারা হবে। আর যারা ধর্ষন করছে তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদের জেল। একজনেরও মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়নি

এরপর আদালত থেকে তাকে উইথড্র করে বার কমিটির সামনে তার পুরোনো যত কেস আসে সবগুলোর রিভিউ করা শুরু হয় যে তিনি কোনো অনৈতিক কাজে জড়িত কিনা। মোটামোটি তার উকিলের লাইসেন্সকে টেবিলের ওপর রেখে তার ট্রায়াল শুরু হয়। এমন সময় আমেরিকার হিলারী ক্লিনটন, তৎকালীন সিনেটর বারাক ওবামা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সৌদী সরকারের কূটনীতিকদের সরাসরি ধুয়ে ফেলে। তাদের এম্বাসেডরকে ইউএস স্টেট অফিস থেকে সরাসরি ডেকে জানতে চাওয়া হয় কি হচ্ছে।

ইউরোপ ফ্রান্স থেকে অব্যাহত কূটনৈতিক চাপের কারনে পরে সৌদী সরকার বাধ্য হয়ে বাদশা ফয়সালের নাম করে ক্ষমা ঘোষনা করার। কিন্তু এই ক্ষমা ঘোষনার পরও দেশ জুড়ে যে আন্দোলন শুরু হয়ে সেটাকে দমাতে পারেনি। কারন ক্বাতিফ তো আন্তর্জাতিক
স হায়তায় বেচে গেলো এরপর?
কয়েকবছর আগেও এক অস্ট্রেলিয় মহিলাকে এরকম ২০০ দোররা মারা হইছিলো কারন সে পুরুষ অভিভাবক ছাড়া ঘুরছিলো এবং ধর্ষন কারীরা মৃত্যুদন্ডের সাজা থেকে মওকুফ পায় (কিন্তু জেল বা দোররা কায়) কারন তারা সৌদী আর ৪ জন পুরুষ সাক্ষী ছিলো না। কিন্তু মাঝে মাঝে যে রাস্তাঘাটে সাজা পেতে দেখা যায়, হয় কল্লা নাইলে ফাঁসি সেগুলোর ৯০% হলো বিদেশী শ্রমিক।

২৫| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৯:০৬

উল্টা দূরবীন বলেছেন: অনেক তথ্যবহুল পোস্ট। যদিও কেমেন্টে অনেককেই ত্যানা প্যাচাতে দেখছি। উপযুক্ত রেফারেন্স ছাড়াছাড়া কথাকথা বললেই তো আর হবে না। যথেষ্ট প্রমাণ সংযোজিত করতে হবে।

দারুণ লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ। প্রিয়তে নিলাম।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:৩০

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: রেফারেন্সের কথা ২ নং কমেন্টকারী একাকী দুশমনের কাছে চাইলাম কিন্তু ভদ্রলোকের কোনো খবর নাই।

এখন উপযুক্ত রেফারেন্স দিলে সেটা পরীক্ষা করে অবশ্যই আমি আমার পোস্টের বক্তব্য পরিবর্তন করবো কিন্তু তার আগে পরিবর্তন করি কিভাবে?

২৬| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৯:২৪

আঃ হাকিম চাকলাদার বলেছেন: এ বিষয়ে খুব ভাল বিস্তারিত জানা যাবে জনাব হাসান মাহমুদের লিংকে তার বই " শরিয়া কী বলে আমরা কী করি" বইটায়।

লিংক- Click This Link


আরো দেখে মুগ্ধ হবেন শারীয়া এর নাম করে নারীদের উপর কী ভবে চরম নির্যাতন চালানো হয় তার নির্মিত ভিডিও এর মাধ্যমে।

লিংক-
১) NARI: THE DIVINE STONE- Click This Link
২) HILLA: SILENT GENOCIDE- Click This Link


হাসান মাহমুদ ওয়ার্ল্ড মুসলিম কংগ্রেস–এর উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য, মুসলিমস ফেসিং টুমরো‘র জেনারেল সেক্রেটারী, আমেরিকান ইসলামিক লিডারশিপ কোয়ালিশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও মুসলিম ক্যানাডিয়ান কংগ্রেসের প্রাক্তনপ্রেসিডেন্ট ও ডিরেক্টর অফ শারিয়া ল‘.
“হিল্লা“, “নারী” তার নিজস্ব WEB SITE এ গিয়ে দেখে নিন।
তার নিজস্ব সাইটঃ http://hasanmahmud.com/

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:৩৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: হাসান মাহমুদ ভদ্রলোকটি কে? খুব সুন্দর বই লেখছে তো? যদিও নাটকগুলো দেখা হয় নি।

ভদ্রলোককে কি এখনো খুন করেনি কেউ? কারন এসব রিফর্ম টাইপ কথা বলে তাদেরকে তো হেফাজতী, চরমোনাই আর দেওয়ানবাগ, ফুরফুরার মতো জঙ্গি গুলো মারনের জন্য পাগল হয়ে যায়!

ধন্যবাদ ভাই!

২৭| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৯:৪৮

রাজসোহান বলেছেন: যেহেতু পশ্চিমা বিশ্বে মিডিয়া স্বাধীন এবং সবার জন্য আইনের প্রয়োগ সমান ও আইনী সুবিধা পাবার অধিকার আছে, সেহেতু সামান্য মুখের কথাতেই এরা যৌন নিগ্রহের কেস করে ফেলে যা ধর্ষনেরই অন্তর্ভূক্ত। ঠিক এই কারনেই এসব দেশে ধর্ষনের রেকর্ড খুব বেশী এবং যদি আমরা খেয়াল করি এসব কেসের মীমাংসা প্রায় ৯৫ থেকে ৯৯% শতাংশের কাছাকাছি।

এইটা একটা দারুণ পাঞ্চ লাইন। লেখায় প্লাস ভাই +

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:৩৫

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কপাল ভালো এখনো কেউ বলে নাই যে সব ইহুদী নাসারাদের ষড়যন্ত্র অথবা আমি মোসাদের এজেন্ট। এটা শোনার জন্য আমি খুব উদগ্রীব হয়ে আছি!

২৮| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:৪২

ডি মুন বলেছেন:

শরীয়াহ আইনের নামে নারীদের প্রতি এমন বর্বরতা কখনোই কাম্য নয়। নারীরাও পুরুষের সমান অধিকার পাবে ঘরে কিংবা বাইরে - এটাই তো হওয়া উচিত।

এমন সুন্দর বিস্তারিত পোস্ট অবশ্যই প্রশংসার দাবীদার।
প্রিয়তে নিয়ে রাখলাম।
ভালো থাকুন আপনি।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:৫১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনিও ভালো থাকুন। তার আগে পাকিস্থানের হুদুদ অর্ডিন্যান্সের সর্বশেষ সংশোধনীটা একবার পড়েন:

কাজফ সেকশনে বলা আছে

(a) A complainant makes an accusation of zina against another person in a Court, but fails to produce four witnesses in support thereof before the Court.
(b) According to the finding of the Court, a witness has given false evidence of the commission of zina or zina-bil-jabr.
(c) According to the finding of the Court, the complainant has made a false accusation of zina-bil-jabr


(a) তে স্পষ্টতই বলা আছে ধর্ষিতা বা অভিযোগকারীর দায়িত্ব ৪ জন সাক্ষী যোগাড় করা, যদি তা না পারে তাহলে ব্যাভিচারের শাস্তি সে পাবে।

(c) at least two Muslim adult male witnesses, other than the victim of the qazf, about whom the Court is satisfied, having regard to the requirements of tazkiyah al-shuhood that they are truthful persons and abstain from major sins (Kabair), give direct evidence of the commission of qazf:
Provided that, if the accused in a non-Muslim, the witnesses may be non-Muslims
Provided further that the statement of the complainant or the person authorised by him shall be recorded before the statements of the witnesses are recorded.

এরা ৪ জন পুরুষ সাক্ষী না রাখলেওদু জন পুরুষ সাক্ষী রাখতে বলছে।

এছাড়া পুরো অর্ডিন্যান্সে ফরেনসিক রিপোর্ট বা ডিএনএ টেস্ট বা ভ্যাজিনাল ক্ষত বা পেনিট্রেশনের ফোর্সফুল চিহ্ন নিয়ে কোনো কথাই বলা হয় নাই!

এখন বলেন এই আইন বর্বর না কেন?

২৯| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:৪৭

যোগী বলেছেন:
আমি সুনেছি আমাদের দেশের নাস্তিকরাও জান্নাতে যাবে যদি সৌদি আরবের একজন মানুষ জান্নাতে যেতে পারে।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:৫৩

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: জানি না ভাই!

৩০| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:৪৮

ফারগুসন বলেছেন: কারন আমি নিজে ইসলাম ধর্মের অনুসারী।----হে উদাসি ----মিথ্যাচার করোনা--আললাহ সব জানেন

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:৫৩

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: জ্বি ভাই, আপনি কি আল্লাহ যে এই প্রশ্নটি করলেন?

৩১| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:০৮

বিষাদ সময় বলেছেন: আমাদের দেশে কোন বিষয় জানার পর তা নিয়ে নিরপেক্ষভাবে বিচার বিশ্লেষন করে বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করা বা বিচার বিশ্লেষণ করার সামর্থ্য আমার মনে হয় শতকরা ১% ব্যাক্তি রাখেন কিনা সন্দেহ। আপনি মনে হয় সেই ১% ব্যক্তিদের মধ্যে পড়েন। লেখাটির জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়টি নিয়ে লেখার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু সময়ের অভাব এবং পর্যাপ্ত তথ্য জানা না থাকায় লেখা হয়ে উঠেনি। আপনার লেখাটি পড়ে যেন নিজের অব্যক্ত কথা গুলোকো আরো সুন্দর ভাবে খুঁজে পেলাম।

আমরা হুচুকে বাঙালী এবং ধর্মের ব্যপারে অত্যন্ত স্পর্শকাতর অথচ ধর্মীয় ব্যাপারে আমাদের বেশীর ভাগ বাঙলীর না আছে পর্যাপ্ত জ্ঞান না আছে ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা। যার ফলে একদল ধর্ম ব্যবসায়ী তাদের ইচ্ছেমত এসব হুচুকে ব্যাক্তিগুলোকে নিয়ে খেলতে পারেন। এসব ব্যবসায়ীরা কথায় কথায় আমেরিকা আর সৌদি আরবের নারী ধর্ষনের পরিসংখ্যান শুনিয়ে মূর্খ বাঙালীকে আহ্লাদিত করে ফেলেন। যারা এ পরিসংখ্যান শুনে আহ্লাদিত হন তারা আপনার পোস্টের উল্লেখিত বিষয়গুলো বোঝার ক্ষমতা রাখেন কিনা তা নিয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে।

এবার আসি আপনার পোষ্ট এবং কিছু মন্তব্যে বিষয়ে,
আপনি কি এমন শরীয়াহ আইন চান এদেশে?
আমার মনে হয় ভোট নিলে এদেশের ৬০% থেকে ৮০% শরীয়া আইন চাইবে, কিন্তু যারা এই আইন চাইবে আমার ধারনা তাদের ৮০% এ আইন সম্পর্কে ন্যুনতম কোন কিছু না জেনেই চাইবে।

যারা সতী-সাধ্বী নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে অতঃপর স্বপক্ষে চার জন পুরুষ সাক্ষী উপস্থিত করে না, তাদেরকে আশিটি বেত্রাঘাত করবে এবং কখনও তাদের সাক্ষ্য কবুল করবে না। এরাই না’ফারমান।

কোরানের এ আয়াতটি সম্পর্কেও বেশীর ভাগ ব্যাক্তি ভ্রান্ত মতামত ব্যক্ত করেছেন। আয়াতটি কোন ধর্ষীত নারী ধর্ষনের বিচার চাওয়া সম্পর্কিত বিষয়ে নয়। আয়াতটি নাযীল হয়েছে কোন নরীর উপর ব্যাভিচারের অভিযোগ আনলে তা প্রমান করার জন্য কি করতে হবে সে বিষয়ে। আমার জানা মতে এ আয়াতটি নাযীল হয়েছিল নবী (সাঃ) এর পত্নীর উপর মিথ্যা অপবাদ আরোপের প্রেক্ষিতে।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:১৯

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: জ্বী ভাই, আমরা সব "হুচুকে" (জানি না কুন মাদ্রাসা থেকে পাশ দিছে, কোথাকার কোন লেবার!) বাঙ্গালী আর আপনি শের এ কুলি জ্ঞানের ভান্ড বীচি খান সাহেব!

পোস্ট না পইড়া পাবলিক প্লেসে এমন কথাটা বলে যারা নির্লজ্জ এবং বোকা স্বভাবের মানুষ জন!

কোরানের এ আয়াতটি সম্পর্কেও বেশীর ভাগ ব্যাক্তি ভ্রান্ত মতামত ব্যক্ত করেছেন। আয়াতটি কোন ধর্ষীত নারী ধর্ষনের বিচার চাওয়া সম্পর্কিত বিষয়ে নয়। আয়াতটি নাযীল হয়েছে কোন নরীর উপর ব্যাভিচারের অভিযোগ আনলে তা প্রমান করার জন্য কি করতে হবে সে বিষয়ে। আমার জানা মতে এ আয়াতটি নাযীল হয়েছিল নবী (সাঃ) এর পত্নীর উপর মিথ্যা অপবাদ আরোপের প্রেক্ষিতে।

অথচ এই আয়াতের প্রসঙ্গে ১৪ নম্বরের মন্তব্যের উত্তরে আমি অলরেডী বলেছি:

ভাইয়া, পোস্ট টা ভালো করে পড়ুন। শরীয়াহ আইন আমি বানায় নাই। আমি আয়াত দিয়েছি শরীয়াহ আইন কতটা কোরান বিরোধী এবং বর্বর। আর এই চার সাক্ষীর ব্যাখ্যা আপনি যাই বলেন, সৌদী বা বর্বর শরীয়াহ আইনের এই হুদুদ যে কটা দেশে চলে সবাই এটা মেনে চলে যার রেফারেন্স আমি কমেন্টে আর পোস্টে দিয়েছি।

সুতরাং চার পুরুষ সাক্ষীর হিসাব আমার নয়, খোদ সৌদী আর মালয়েশিয়ার শরীয়াহ আইনের পেনাল কোড দ্বারা উল্লেখিত!

আর পারলে মালয়েশিয়াম শরীয়াহ পেনাল কোড পইড়া দেখো চান্দু! সৌদীর শরীয়াহ আইনের পুরা বই পোস্টেই কপি কইরা দিছি!

এটা নিয়ে ১৭ নম্বর কমেন্টে এ আর ১৫ নামক ব্লগার তার ব্যাখ্যাও দিছে যে এই আইনটা কোরানের আয়াত অনুসারেও করা হয় নাই। এত কিছু ক্লিয়ার লেখার পর ও যখন সবাইকে "হুচুকে" বলে নিজেকে বিচি খান হিসেবে প্রমান করেন পাবলিক প্লেসে তখন হাসিই লাগে!

আমরা হুচুকে বাঙালী এবং ধর্মের ব্যপারে অত্যন্ত স্পর্শকাতর অথচ ধর্মীয় ব্যাপারে আমাদের বেশীর ভাগ বাঙলীর না আছে পর্যাপ্ত জ্ঞান না আছে ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা।

কই থ্বিকা পাশ করছো, বিচি খান?

৩২| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:২১

শরনার্থী বলেছেন: আপডেটঃ
জার্মান প্রবাসে- 1305
অগ্নি সারথির ব্লগ- 217
ইস্টিশন ব্লগ- 147
প্রবীর বিধানের ব্লগ- 57
ইতুর ব্লগ- 23

অসম ব্যবধান শুরু হয়েছে মোটামুটি। প্রাতিষ্ঠানিক ব্লগের সাথে লড়াই করে যাওয়াটা বেশ দুঃসাধ্য হয়ে উঠছে দিনের পর দিন। আবারো আপনাদের ভোট দেবার অনুরোধ করছি। প্লিজ আপনারা ভোট দিন।

ভোট দিতে যা করতে হবেঃ
প্রথমে https://thebobs.com/bengali/ এই ঠিকানায় যেতে হবে। এরপর আপনার ফেসবুক আইডি দিয়ে লগইন করুন। লগইন হয়ে গেলে বাছাই করুন অংশে ক্লিক করুন। ক্লিক করে ইউজার অ্যাওয়ার্ড বাংলা সিলেক্ট করুন। এরপর মনোনীতদের একজনকে বেছে নিন অংশে ক্লিক করে, অগ্নি সারথির ব্লগ সিলেক্ট করুন। এরপর ভোট দিন বাটনে ক্লিক করে কনফার্মেশন পেয়ে গেলেই আপনি সফল ভাবে আমাকে ভোট প্রদান করে ফেলেছেন। এভাবে ২৪ ঘন্টা পরপর মে ২, ২০১৬ পর্যন্ত ভোট দেয়া যাবে।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:২৮

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: হুমম

৩৩| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:৩০

গেম চেঞ্জার বলেছেন: পৃথিবী যখন তুমুল গতিতে এগিয়ে চলেছে তখন ক্রমশ হ্রাসমান খনিজ তেলের ওপর নির্ভরশীল শেখদের তেলতেলি দিন আর কদিন?
যে হারে তেল উত্তোলন শুরু হয়েছে, একসময় তারা ভিখারীতে পরিণত হবে সন্দেহ নাই। তখন দেখবেন, তাদের স্থিশীলতার কয়টা বাজে।
এই অকলম জাতির কোন জিনিস আমদানী মানেই খাল কেটে কুমির আনা।

(যথার্থ বিশ্লেষণমূলক পোস্ট। +)

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:৪১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: অলরেডী এ বছর ২ বিলিয়ন বাজেট ঘাটতির জন্য পশ্চিমা বিশ্বের কাছে ঋনের আবেদন করেছে!

৩৪| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:৪৮

আঃ হাকিম চাকলাদার বলেছেন: @ লেখক,¨©
হাসান মাহমুদ সাহেব আপনার সংগে যোগাযোগ করতে চাচ্ছেন। তাকে কী একটা ই মেইল পাঠাবেন? তার ইমেল ঠিকানা-

ধন্যবাদ।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:৫৩

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ইমেইলে কি লিখবো? আর ঠিকানা কই?

৩৫| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১:১১

আঃ হাকিম চাকলাদার বলেছেন: তার ই মেইল ঠিকানা তো দিলাম ।কিন্তু মুছে গেল কেন বুঝলামনা। আবার দিচ্ছি। জানিনা আবার মুছে যাবে কিনা।
তর ই মেইল-



যা লেখার তিনিই আরম্ভ করবেন। শুধু লিখেন " আপনি কেমন আছেন?"

৩৬| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১:১৬

আঃ হাকিম চাকলাদার বলেছেন: এবারো দেখছি ই মেইল ঠিকানা মুছে গেল। তার অর্থ ব্লগ ই মেইল ঠিকানা মুছে ফেলে। তা হলে আর কী করতে পারি দেখা যাক।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১:১৯

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ভাই, ব্লগে তো সবাই ডাইরেক্ট কপি পেস্ট করেই ইমেইল এড্রেস দিতো এতো দিন। বুঝতেছি না আপনার ক্ষেত্রে কি সমস্যা হচ্ছে। উনি যদি ফেসবুক ব্যাব হার করেন তাহলে ফেসবুকে নক করতে পারেন

৩৭| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১:২৯

আঃ হাকিম চাকলাদার বলেছেন: আর একবার হাসন মহমুদের ই মেইল ঠকানা অন্য ভাবে দিয়ে দেখি থাকে কিনা এবার দেখুনতো -

hasan@hasanmahmud.com

৩৮| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১:৩২

আঃ হাকিম চাকলাদার বলেছেন: @লেখক,
হ্যা এবার তার ইমেইল ঠিকানা মুছে নাই। তাকে লিখুন "কেমন আছেন?"

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১:৩৭

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ইমেইল এড্রেস কি ঠিক আছে? ডোমেইনটা কি তার নামেই?

আচ্ছা পাঠাচ্ছি

৩৯| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১:৪৭

আঃ হাকিম চাকলাদার বলেছেন: @ লেখক,
হ্যা,ডোমেনটা তার নামেই। ঠকানাটা ঠিক আছে। গেল কিনা জানাবেন। তবে তিনি ঠিক এই মুহুর্তে কম্পিউটারে নাও থাকতে পারেন। ইমেইল ফেরত ন এলে বুঝতে হবে গিয়েছে।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১:৫২

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: হুমম...মেইল ফেইলোর ডেলিভারী নোটিশ আসে নাই। দেখি!

৪০| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:১৫

আঃ হাকিম চাকলাদার বলেছেন: মেইল ফেইলিওর হওয়ারতো কোনই কারণ দেখিনা। এডরেছ তো ঠিকই আছে। সাথে সাথেইতো চলে যাওয়া উচিৎ। জানাবেন।

৪১| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৩৫

আঃ হাকিম চাকলাদার বলেছেন: @লেখক,
হাসান মাহমুদের কাছে আপনার ই মেইল যায় নাই।

তাহলে এবার আপনি আমার ইমেইলে পাঠান। তারপর আমি তাকে পাঠাবো। আমার ইমেইল-
Chkdr02@gmail.com

ইমেইল পাঠাবার সময় এখান থেকে এডরেছ কপি করবেননা। নিজে টাইপ করে পাঠাবেন। তাহলে যাবে।

৪২| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৫১

এ আর ১৫ বলেছেন: Hasan Mahmud email address..
hasan.mahmud@hotmail.com

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৩:১১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ফার্স্ট অফ অল
hasan@hasanmahmud.com এই ইমেইলটা কার? আমি মেইল করছি, মেইল ব্যাক আসছে। কেমন আছেন, ভালো আছেন, এনিথিং নিউ এই টাইপের কনভার্সেশন।

একটা কথা বলি, কিছু মনে করবেন না! আমি ব্লগিং করি ৮ বছর হলো তো গত ৩ বছর আগ পর্যন্ত কোনো সমস্যা হয় নাই। কিন্তু ৩ বছর আগে কারা আমার বাসায় ফোন দেয় এবং একবার না বেশ কয়েকবার। কিন্তু আমার পরিবার মোটামোটি আমাকে লেখা লেখি বারন করতে বললেও তাদের নিয়ে চিন্তা করতে মানা করছে কারন তাদের সেই সামর্থ্য আছে নিজেদের ডিফেন্ড করার। কিন্তু সম্প্রতি আমার খুব কাছের মানুষের প্রতারনার পর এখন অনেক হিসেব করে চলি।

কাজের কথা হলো, যেহেতু আমার ইমেইল এড্রেস সে পাইছে, তো কি জন্য আমাকে নক করতে বলা হলো সেটা যেনো আমাকে পরবর্তি মেইলে জানানো হয়, যদি মনে করি আমার সাথে মিলে বা নিরাপদ তাহলে আমি ইন্টারেকশনে যাবো, নতুবা নয়।

আরেকটা কথা, জামাত শিবির, ইসলামিক জঙ্গি র‌্যডিকালিজম (হিজবুতি, হেফাজত, আইএসআইএস, আল কায়েদা, নুসরাত, হিজবুল্লাহ, যেকোনো পাকি দল ইত্যাদি), রাজাকারস, পেডোফাইল ইত্যাদির প্রতি আমার জিরো টলারেন্স!

ধন্যবাদ!

নাও টক বিজনেস!

৪৩| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৩:৫৮

এ আর ১৫ বলেছেন: Kindly visit this page..
sharia

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ ভোর ৪:১৮

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ও আপনেরা সুফী পার্টি? আগে কইবেন তো। গোলাম দস্তগীর ভাইরে চেনেন?

যাই হোউক, আমি সূফি বাদে ইন্টারেস্টেড না। আমি আসলেই কোনো বাদেই ইন্টারস্টেড না একমাত্র বিজ্ঞান আর কোরান আর হাদিস তাও আবার স হী। আমার লেখা স হী ইসলাম নিয়ে। এখন তাতে যদি বাল্যবিবাহের মতো ঘৃন্য বিষয় ইসলামে জায়েজ করা থাকে তাহলে সেটা নিয়েও বোল্ডলি কথা বললো।

এখন যেসব বিষয় ঘৃন্য বিষয় (বর্তমান সমাজ ও বিজ্ঞানের আলোকে) ইসলামজায়েজ করছে, আমার টার্গেট হলো এগুলো নিয়ে আর পড়ালেখা এবং পরিপূর্ন স্বচ্ছ ধারনা রাখা যেনো শেষ বিচারে আমি শুধু আমার কৃতকর্মের জবাব দিতে পারি।


আল্লাহ হাফেজ ভাই!

৪৪| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ ভোর ৪:৫৩

এ আর ১৫ বলেছেন: Please don't make such comment with out reading those . Just read one article first.... Murtad hotter pockkha bi pokha then read another one sharia laws examples. Hasan Mahmud is the one of the leading expert in sharia law. His great effort help to remove sharia court from canada.

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ ভোর ৫:১০

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আর আলোচনা না কইরাই ডরান কেন? বাল্যবিবাহ, তারপর আশরাফ হত্যা, অন্তঃসত্বা দাসী হত্যার হাদিস গুলা নিয়া আলাপ করেন না কেন? আয়েশা রাঃ এর বিয়ার বয়স, নবিজী সাঃ ওফাতের পর খলিফাদের ক্যাচাল, বিদ্রোহ, ইত্যাদি বিষয়ে আলাপ করতে চাননা, মানুষরে ক্লিয়ার ধারনা দিতে চাননা। অথচ ইসলাম বিদ্বেষীরা এগুলা নিয়াই সবার আগে আসে। তাদের কথা যারা শুনে জায়গায় নাস্তিক হয়ে যায়।

হয় আলেমরা ইসলাম কি সেটা জানেন না, বা জানলেই সেটা স্বীকার করেন না। ফলে এসব হাদিসের অল্টারনেটিভ কনসেপ্ট দিয়ে শুরু হয় জঙ্গিবাদ।

আইজ পর্যন্ত আপনের বাল্যবিবাহের ক্যাচালটাই দূর করতে পারেন নাই। শরীয়াহর ক্যাচাল তো অনেক পড়ে।

এখন আমি যদি নিজের জীবন উৎসর্গ করি এসবের উত্তরের জন্য কোনো সমস্যা ?

৪৫| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ ভোর ৪:৫৭

এ আর ১৫ বলেছেন: এখন যেসব বিষয় ঘৃন্য বিষয় (বর্তমান সমাজ ও বিজ্ঞানের আলোকে) ইসলামজায়েজ করছে, আমার টার্গেট হলো এগুলো নিয়ে আর পড়ালেখা এবং পরিপূর্ন স্বচ্ছ ধারনা রাখা যেনো শেষ বিচারে আমি শুধু আমার কৃতকর্মের জবাব দিতে পারি।...... So you like to study then read those articles. You can't get lot of information from one place but you can find lot. The example i give in my comment 17 . I collect those information from Hasan Mahmud writing. Thanks

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ ভোর ৫:০৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আমি উনার সাইটের পুরা ডাটা স্ক্রাপ করে ফেলছি
পড়ে পড়বো। যে যাই বলুক নিজের বুঝ সবচেয়ে বড় বুঝ

বাল্যবিবাহ নিয়া আপনাদের কি মত?

৪৬| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১০:১৭

সোহানী বলেছেন: লিখার প্রতিটি বিষয়ের সাথে সহমত। ওরা একটা বর্বর জাতি (আমার মতে), যৈানাচার আর আয়েস ছাড়া কিছু কি ওরা বোঝে? +++

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১১:০৩

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: বোঝে, ক্ষমতা আর ডলার !

৪৭| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৩:০৩

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: সৌদি অারবের মানুষ ধোয়া তুলসিপাতা! ওরা ধর্ষণ করে না, কোন খারাপ কাজই করে না! তাদের অাইন-কানুনও চমৎকার! এদেশের বেশিরভাগ মানুষই পারলে ওখানে চলে যায়!

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৪:২৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কে যেনো একটা টেলিভিশন চ্যানেলে বলেছিলো কথা গুলো,"ওরা নিজের দেশে থাকতে পারে না, ওদের জন্য ৫৭ টা দেশ আছে। কেউ ওদেরকে নিতে চায় না। ওরা আমাদের দেশে আসে। আমাদের টাকায় চলে, থাকে, আবার আমাদেরকেই ওরা মারতে আসে। ওরা ইসলাম কায়েম করতে চায়।"

কথাটা শুনে মনে হলো পায়ের নীচের মাটি দু ফাক হোক দেবে যাই

৪৮| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৩:৫৭

হাসান নাঈম বলেছেন: আপনার লেখায় দেখলাম সুইডেন কে আদর্শ নারীবাদী রাস্ট্র হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। সেখানকার নারীরা সবচেয়ে বেশী স্বাধীনতা সম্মান ক্ষমতা ভোগ করেন। তাই কৌতুহলী হয়ে তাদের মাতৃত্বের হারটা গুগল করলাম। দেখি মাত্র ১.৮৮! অর্থাৎ গড়ে প্রতি নারী দুইটিরও কম সন্তান জন্ম দেন। তাহলে আপনারা যে মতবাদের অনুসারী তার বাস্তবায়নের পরিনতি এই হবে, বুঝা যাচ্ছে।

একটা মাছকে যত ভাল এ্যাকুরিয়ামেই রাখুন, যত উন্নত খাবারই দিন - যদি তাকে মুক্ত জলাশয়ে নদী সাগরে সাতার কাটা থেকে বঞ্চিত করেন - তাহলে কেমন হবে?
একটা পাখিকে যত ভাল খাচায় রেখে যত ভাল খাবার দিন - তাকে যদি মুক্ত আকাশে উড়তেই না দিলেন তাতে তার কতটা উপকার হল?

মাতৃত্বেই নারীর পুর্ণতা, মাতৃত্ব নারীর শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি,
মাতৃত্বেই নারীর গৌরব, মাতৃত্বেই নারীর চরম তৃপ্তি।

অথচ নারীর জন্য এমন স্বর্গ আপনারা বানালেন যেখানে তার সেই মাতৃত্বের সুযোগই সংকীর্ণ হয়ে গেল!

আমি একটা বিষয় বুঝি না -
সকল বৃক্ষ প্রেমী চান গাছের সংখ্যা বাড়ুক।
সকল ভাল ছাত্র চায় পরীক্ষায় নম্বর বাড়ুক।
সকল ব্যাবসায়ী চায় ব্যাবসার মুনাফা বাড়ুক।
ইদানিং হিংস্র বাঘ, সিংহ আর হঙ্গর রক্ষার জন্যও আন্দোলন হয় - তারাও চায় ওদের সংখ্যা বাড়ুক।

অথচ আপনারা যারা মাবনতাবাদী, মানবদরদী, মানবাধীকারের সংগ্রামী যোদ্ধা বলে নিজেদের পরিচয় দেন - তারা কিছুতেই মানুষ বাড়াতে চান না কেন? নারী স্বাধীনতা, ক্ষমতায়ন, অধিকার - ইত্যাদী যতকিছু আপনারা করেন তার পরিনতিতে মানুষের জন্ম হারই কেন হ্রাস পায়?? তবে কি প্রকারান্তরে মানুষই আপনাদের প্রধান শত্রু?

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: সেখানকার নারীরা সবচেয়ে বেশী স্বাধীনতা সম্মান ক্ষমতা ভোগ করেন। তাই কৌতুহলী হয়ে তাদের মাতৃত্বের হারটা গুগল করলাম। দেখি মাত্র ১.৮৮!

আমার পোস্ট ছিলো সৌদীর বর্বর শরীয়াহ আইন আর তাদের বর্বর নারী স্বাধীনতা। আর আপনি কথা বলছেন মাতৃত্বের হার নিয়ে। ধর্ষনের সাথে মাতৃত্বের হার কি বোঝা গেলো না। নাকি বলতে চাচ্ছেন ধর্ষন করে হলেও মাতৃত্ব করানো দরকার?
আর একটু বলে রাখি আলবেনিয়ার মাতৃত্বের হার ১.৮%, ইরানে ১.৭%, লেবাননে ১.৫%, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১.৮% এরকম আরো ব হু মুসলিম দেশে মাতৃত্বের হার সুইডেনের চেয়ে কম। এটাকি জানতেন?


একটা মাছকে যত ভাল এ্যাকুরিয়ামেই রাখুন, যত উন্নত খাবারই দিন - যদি তাকে মুক্ত জলাশয়ে নদী সাগরে সাতার কাটা থেকে বঞ্চিত করেন - তাহলে কেমন হবে?
একটা পাখিকে যত ভাল খাচায় রেখে যত ভাল খাবার দিন - তাকে যদি মুক্ত আকাশে উড়তেই না দিলেন তাতে তার কতটা উপকার হল?


কথা হচ্ছে নারী নিয়ে আপনি সেকানে মাছ, পাখি নিয়ে আসলেন। নারী কি মাছ বা পাখির সমতুল্য যে তার অবস্থা বোঝানোর জন্য আপনি মাছ পাখির মতো বুদ্ধিহীন প্রানীর উদাহরন টেনে আনলেন? আর এই উদাহরন দিয়ে এখনও বোঝা যাচ্ছে না ধর্ষন বা ৪ পুরুষ সাক্ষী বা ধর্ষন মামলায় কেনো ফরেনসিক আলামত আমলে নেয়া হয় না।

ঝেড়ে কাশুন: আপনি কি ধর্ষনের পক্ষে না বিপক্ষে? আপনি কি সৌদী মডেলের শরীয়াহ আইনের পক্ষে না বিপক্ষে?

মাতৃত্বেই নারীর পুর্ণতা, মাতৃত্ব নারীর শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি,
মাতৃত্বেই নারীর গৌরব, মাতৃত্বেই নারীর চরম তৃপ্তি।


তার মানে একটা মেয়ের জন্মই হয়েছে বছর বছর প্রেগন্যান্ট হয়ে সন্তান পয়দা করা? আপনার লাইন দুটোতে সন্তান পয়দা করে তাদের মা হওয়া ছাড়া আর কিছুতে কোনো জোড় নেই।

আমি একটা বিষয় বুঝি না -
সকল বৃক্ষ প্রেমী চান গাছের সংখ্যা বাড়ুক।
সকল ভাল ছাত্র চায় পরীক্ষায় নম্বর বাড়ুক।
সকল ব্যাবসায়ী চায় ব্যাবসার মুনাফা বাড়ুক।
ইদানিং হিংস্র বাঘ, সিংহ আর হঙ্গর রক্ষার জন্যও আন্দোলন হয় - তারাও চায় ওদের সংখ্যা বাড়ুক।


ভাইয়া, আপনি ভুল পোস্টে এসে পড়েছেন বা আপনি পোস্ট টি পড়েনই নাই। আমার পোস্ট ধর্ষন নিয়ে, জনসংখ্যা বাড়ানো কমানো বা তার বিস্ফোরন নিয়ে নয়।

তারা কিছুতেই মানুষ বাড়াতে চান না কেন? নারী স্বাধীনতা, ক্ষমতায়ন, অধিকার - ইত্যাদী যতকিছু আপনারা করেন তার পরিনতিতে মানুষের জন্ম হারই কেন হ্রাস পায়?? তবে কি প্রকারান্তরে মানুষই আপনাদের প্রধান শত্রু?

তাহলে আপনি কি ধর্ষন করে হলেও জন গন বাড়ানোর পক্ষপাতী? আপনার বাসায় কি জানে যে আপনি ধর্ষনপ্রিয় ব্যাক্তি?

৪৯| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৪:৩৮

আমি এ আর বলছি বলেছেন: sob ee khomoter bebohar

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ক্ষমতার ব্যাব হার না অপব্যাব হার?

৫০| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:০৯

হাসান নাঈম বলেছেন: না ধর্ষনের প্রতি আমার কোন দুর্বলতা নাই। আমি বরং ধর্ষকের মৃত্যুদন্ডে বিশ্বাসী।

এই পোস্টের প্রাসঙ্গিক কমেন্ট আগে একবার করেছি - এবং আপনি তার উত্তরও দিয়েছেন।
এখানে যাস্ট আপনার এবং আপনাদের আদর্শিক গুরুদের অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাচ্ছিলাম।
আপনারা যেই মডেলে নারী স্বাধীনতা, ক্ষমতায়ন, ধর্ষণ প্রতিরোধ - ইত্যাদি করতে চান তার পরিনতিটা কেমন করে যেন নারীকে মাতৃত্বহীন করে মানুষ কমানোর দিকে চলে যায়। অথচ মুখে আপনারাই সবচেয়ে বেশী মানবদরদী কথাবার্তা বলেন। আপনি যেসব দেশের উদাহরণ দিলেন তারাও কমবেশী তথাকথিত আধুনিকতার দিকে অগ্রসর হতে গিয়েই মাতৃত্বকে বিষর্জন দিয়ে থাকতে পারে - সেটাও ঠিক হয় নাই।

আচ্ছা, মাছ আর পাখির উদাহরণ যখন আপনার খুব খারাপ লাগল তখন না হয় আর একটা উদাহরণ দেই - ধরুন এক ফাস্ট বোলার - তাকে আপনি দলে জাতীয় দলে রাখলেন, খেলাতেও নামালেন, ফিল্ডিং ব্যাটিং সবই করতে দিলেন শুধু বল করতে দিলেন না - সেটা কেমন হবে?? আসল কথা হচ্ছে যার যেটা প্রধান কাজ তাকে সেটাই বেশী করতে দেয়াই তার জন্য সবচেয়ে যৌক্তিক। সেটা প্রকৃতিতেই হোক আর মানুষের মাঝেই হোক।

আপনি রোমেনা আফাজের নাম নিশ্চয়ই শুনেছেন। সেই যে দস্যু বনহুরের লেখিকা। কয়েকদিন আগে ওনার জিবনী পড়ছিলাম। উনি একাধারে ৩৭টা সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে যুক্তি ছিলেন। ২৫০টা বই ছাপা হয়েছে যার মধ্যে ৫টা দিয়ে চলচ্চিত্র নির্মান করা হয়েছে। ২০০৩ সালে ৭৭ বছর বয়সে উনি মারা যান। ওনার সন্তান কয়টা জানেন? ৯ টা। ৭টা ছেলে দুই টা মেয়ে।

এ'রকম একটা উদাহরণ আপনার তথাকথিক আধুনিক, নারীবাদী রাস্ট্র সুইডেনে বা অন্যকোন পশ্চিমা দেশে দেখাতে পারবেন??

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:২৭

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনারা যেই মডেলে নারী স্বাধীনতা, ক্ষমতায়ন, ধর্ষণ প্রতিরোধ - ইত্যাদি করতে চান তার পরিনতিটা কেমন করে যেন নারীকে মাতৃত্বহীন করে মানুষ কমানোর দিকে চলে যায়।
পুরোপুরি মিথ্যাচার এবং উদ্দেশ্যপ্রনোদিত। কারন গ্রীন ল্যান্ড ২.১%, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড ২% ইসরাইল ৩%, মালয়েশিয়া ২, নিউজিল্যান্ড ২, সৌদী ৫, এরকম পাচমিশালী বার্থ রেটের সাথে ধর্ষনের কি সম্পর্ক সেটা আপনি এখনও বোঝাতে পারেননি। শরীয়াহ আইনে অবিচার হচ্ছে, আপনি সেটা না বলে বলছেন নারী স্বাধীনতার মডেল। উল্লেখ্য পোস্টের কোথাও কি নারী স্বাধীনতার মডেলের পক্ষে কি কোনো ওকালতি করা হয়েছে?

আপনি যেসব দেশের উদাহরণ দিলেন তারাও কমবেশী তথাকথিত আধুনিকতার দিকে অগ্রসর হতে গিয়েই মাতৃত্বকে বিষর্জন দিয়ে থাকতে পারে - সেটাও ঠিক হয় নাই।

মিথ্যাচার এবং মন গড়া কথা, আপনার কথার পক্ষে কোনো সুত্র প্রদান করেননি। তাই এটা আপনার ব্যাক্তিগত মিথ্যাচার বলেই ধরে নিলাম। কারন আমিও এর যোগসূত্র খুজে পেতে ব্যার্থ হয়েছি।

ধরুন এক ফাস্ট বোলার - তাকে আপনি দলে জাতীয় দলে রাখলেন, খেলাতেও নামালেন, ফিল্ডিং ব্যাটিং সবই করতে দিলেন শুধু বল করতে দিলেন না - সেটা কেমন হবে??

অপ্রাসঙ্গিক এবং অযৌক্তিক উদাহরন কারন কথা হচ্ছে নারীর ধর্ষন আর তার ন্যাবিচার প্রাপ্তি নিয়ে, কিন্তু আপনি নিয়ে আসলেন ক্রিকেট। তার ওপর বাস্তবতায় সবাই ফাস্ট বলার হয় না। আর সবাই ফাস্ট বলার হয় না বলে সবার সে যোগ্যতা নেই সেটা বলাও অর্থহীন। কারন এখানে ব্যাক্তিগত পছন্দ অপছন্দের ব্যাপার আছে। সে হিসেবেও ধর্ষন এবং তার বিচার প্রাপ্তির সাথে এর সম্পর্ক বোধগম্য নয়।

আপনি রোমেনা আফাজের নাম নিশ্চয়ই শুনেছেন। সেই যে দস্যু বনহুরের লেখিকা। কয়েকদিন আগে ওনার জিবনী পড়ছিলাম।

তিনি কি ধর্ষিতা? তিনি সৌদী আরবে থাকতেন? তার বিচারিক কাজে কি কোনো অনিয়ম বা ন্যায়বিচার হয়েছিলো? যদি না হয়ে তাহলে তার উদাহরন এখানে কিভাবে প্রাসঙ্গিক সেটা বোধগম্য নয়।

এ'রকম একটা উদাহরণ আপনার তথাকথিক আধুনিক, নারীবাদী রাস্ট্র সুইডেনে বা অন্যকোন পশ্চিমা দেশে দেখাতে পারবেন??

একবার বলেছি আবারো বলছি, আমার পোস্টের উদ্দেশ্য সৌদী আরবের ধর্ষনের বিচার আর তার ন্যায়বিচার প্রাপ্তি আর তথাকথিত শরীয়াহ আইনে নারী স্বাধীনতা। এই প্রশ্নের সাথে একজন মহিলার বাচ্চা নেয়া বা জনসংখ্যা বৃদ্ধির কি সম্পর্ক সঠিক বোধগম্য নয়।

পোস্ট সম্পর্কিত মন্তব্য করলে ভালো হবো!

৫১| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:২৯

এ আর ১৫ বলেছেন: আপনি জানতে চেয়েছেন বাল্য বিবাহ এবং বিবি আয়েশা (রা) বয়স এবং হাদিসের সত্য মিথ্যা সম্পর্কে --- আমার করা কমেন্ট ৪৪ এর উত্তরে -- আর আলোচনা না কইরাই ডরান কেন? বাল্যবিবাহ, তারপর আশরাফ হত্যা, অন্তঃসত্বা দাসী হত্যার হাদিস গুলা নিয়া আলাপ করেন না কেন? আয়েশা রাঃ এর বিয়ার বয়স ------ বিবি আয়েশা (রা) বিয়ের বয়স এবং হাদিসে যা আছে তার উপর ভিত্তি করে বাল্য বিবাহের প্রচলন --- এই বিষয়টার উপর জনাব ' হানিফ ঢাকা ' নামক একজন ব্লগারের মন্তব্য পেশ কোরছি ------

“জাল হাদিসের বিষয়ে আমাদের অবশ্যই সচেতন হতে হবে”।- অবশ্যই জাল হাদিসের বিষয়ে আমাদের সচেতন হতে হবে। কিন্তু এই সচেতনতার অর্থ কি? সমস্ত তথ্য উপাত্ত দিয়ে যখন একটা হাদিস জাল প্রমানিত হয় তখন ঐ হাদিসটাত ঐ বই থেকে রিমুভ করা হয়না। ঐটা সহি হিসাবেই থেকে যায়। কেন? যেমন বুখারীতে একটা হাদিস আছে যেখানে বলা আছে আমদের নবী (সাঃ) আয়েশা (রাঃ) কে ৬ বছর বয়সে বিবাহ করেছেন। ঐ হাদিসটা কোরআন দ্বারা, অন্য বিভিন্ন হাদিস এবং ঐতিহাসিক ডকুমেন্ট দ্বারা ভুল প্রমানিত হয়েছে। আজকে নয় আনেক বছর আগেই হয়েছে। কিন্তু ঐ হাদিস কি ঐ বই থেকে রিমুভ করা হয়েছে? যারা জানে না তারা কি ঐ হাদিস কে সহি মনে করছেন না? এখন কেউ যদি বলে ঐ হাদিস জাল, তবে বুখারী হাদিস জাল বলার কারনে আপনাকে গালাগালি করতে পারে এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। মোল্লারা একমাত্র বিপদে পড়লে স্বীকার করে, কিন্তু বিপদ যখন কেটে যায় তখন ঐ হাদিসকেই আবার সহি বলে প্রচার করে। এই রকম অসংখ্য উদাহরণ আছে। কিছু বললেই বলে সচেতন হতে হবে। এইটা মুখের কথা ছাড়া কিছু না। প্রকৃত অর্থেই যদি সচেতন হতে হয় তবে অইসব হাদিস রিমুভ করা উচিত যাতে পরে যারা হাদিস পরে তারা যেন ভুল ভ্রান্তির স্বীকার না হয়

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৫৫

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ঐ হাদিসটা কোরআন দ্বারা, অন্য বিভিন্ন হাদিস এবং ঐতিহাসিক ডকুমেন্ট দ্বারা ভুল প্রমানিত হয়েছে। আজকে নয় আনেক বছর আগেই হয়েছে। কিন্তু ঐ হাদিস কি ঐ বই থেকে রিমুভ করা হয়েছে? যারা জানে না তারা কি ঐ হাদিস কে সহি মনে করছেন না?

একটা জিনিস বুঝি না আমাদের মুসলিম স্কলাররা যখনই কোনো কিছুর বিরুদ্ধে একটা দালিলিক প্রবন্ধ লিখেন তখন তার দু একজন অনুসারী মিলে সেটাকে প্রতিষ্ঠিত হিসেবে ধরেই নেন, এবং মনে করেন সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে। এটা ভাবা প্রচন্ড হাস্যকর। কারন যেকোনো প্রবন্ধ বা জার্নাল যখন প্রকাশিত হয় সেগুলো নিয়ে নানা ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয় বেশ কয়েক বছর পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় এবং যখন দেখা যাবে প্রায় সব জায়গাতেই একই রেজাল্ট আসছে তখন ধরে নেয়া হয় এটাই সত্য। দুঃখ জনক ব্যাপার হলো আমাদের ইসলামী স্কলাররা এমন কোনো মডেল তৈরী করতে পারেননি যার ফলে আজকে এক কোরান হাদিস পড়ে এত ফেড়কার জন্ম, এমনকি এক ফেড়কার মধ্যে থেকেও ব হু পীর হুজুরের মুরিদের দল বিভক্ত হয়ে কোপাকুপি করে।

আপনার কথায় আরেকটা ভুল আছে সেটা হলো কোরানের মাধ্যমে ভুল প্রমানিত। এটা প্রচন্ড ভুল কথা। প্রথম কারন কোরানের আলোকে কিভাবে বাল্যবিবাহ জায়েজ সেটা আপনি পাবেন এই পোস্টে। তার পর আরেকটি পোস্ট লিখেছিলাম যেখানে চেষ্টা করেছিলাম বাল্যবিবাহ কি সুন্নতের পর্যায়ে পড়ে না ফরজ পর্যায়ে, সেটার জন্য এখানে ক্লিক করুন। তার মানে কোরানের আলোকে এটা ভুল। দ্বিতীয়ত আমি সবার প্রবন্ধ পড়েছি। প্রধান কারন দেখানো হইছে নবিজী সাঃ এর নব্যুয়ত প্রাপ্তির সময় তার বয়স ছিলো ৬ আর বিয়ের সময় ১৬। আরেকজন বলেছে তার বড় বোন আসমা রাঃ এর মৃত্যু বয়স অনুযায়ী তার তখনকার বয়স যদি নির্ধারন করা হয় তাহলে সে হিসেবে বিয়ের সময় তার বয়স হবে ১৮ বা ১৯ আবার যদি চন্দ্রমাসের হিসাব কে সৌর হিসেবে নেয়া হয় তাহলে তার বয়স হয় ১৫। আরেকটা হলো বদরের যুদ্ধের হিসেব করে তার বয়স হয় ১৩। এটাই হলো আয়েশা রাঃ এর হাদিস কে ভুল প্রমান করার প্রধান তিনটি যুক্তি কিন্তু আপনি হয়তো জানেন না এদের প্রায় সবগুলোই খারিজ করা হয়েছে বেশ যুক্তি সঙ্গত কারনেই।

প্রথম কারন: যদি ভুলই হয় তাহলে এসব পরোক্ষ উদাহরন দিয়েও কেউ কিন্তু একটা বয়সে স্থির হতে পারেননি।
দ্বিতীয়ত: আয়েশা রাঃ অক্ষর জ্ঞান সম্পন্ন ছিলো ছোটবেলা থেকেই। নবিজীর নব্যুয়ত প্রাপ্তির সময় তার বয়স ৬ ধরা হয়েছিলো এটার যে হাদীস সেটা একটা আহাদিস, মানে বিশাল রেফারেন্সের।
তৃতীয়ত বদরের যুদ্ধে আয়েশার যে বয়স অনুমান করা হয়েছে তা তার মাসিকের হিসাব গুনে যেটা অনেকটা হাস্যকর যুক্তি। কারন যতই হিসাব করা হোক আপনার যদি রেফারেন্স পয়েন্টে কত বয়স সেটা যদি জানা না থাকে তাহলে পুরোটাই ানুমান নির্ভর।
আসমা রাঃ এর মৃত্যুর সময় তার যে হিজরী সাল বের করা হয়েছে সেটা অনুমান নির্ভর যদিও ধরা হয় তিনি ১০০ বছর (যদি আমার স্মৃতিশক্তি ধোকা না দেয়) বয়সে মারা যান, কিন্তু তৎকালীন খলিফার শাসনামলের পর যে উমায়েদের শাসনামল চলছিলো তাদের সেই বিশৃঙখল সময়ে প্রধান ইমাম ছিলেন মুয়াবিয়া। এখন যেখন মুয়াবিয়া কিছুর দায়িত্বে থাকে বুঝতে হবে সেটা দুই নম্বর।

এসব কারনে আপনার ধারনা গুলো সুপ্রতিষ্ঠিত না, এগুলো হলো বর্তমান বিজ্ঞান যা কিনা বাল্যবিবাহের মারাত্মক পরিনতি আবিস্কার করে জন গনকে বোঝাতে পেরেছে সেটাকে ডিফেন্স দেয়ার জন্য!

এজন্যই বলি, ভাই সত্য স্বীকার করে নিতে লজ্জার কিছু নাই। কারন আল্লাহর নিয়ম তিনিই ভালো জানবেন!

৫২| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৩০

সাফিউল ইসলাম দিপ্ত বলেছেন: এইবার অনেক জবাব দেয়া যাবে।
প্রিয়তে রাখলাম ভইয়া!

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৫৮

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ধন্যবাদ দীপ্ত ভাই। একটা কথা বলি। আপনি ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে বলেছিলেন আপনাকে আমি সন্দেহ করেছিলাম। আমি সে স্ট্যাটাসটা খুজে পাচ্ছি না বা আপনার মন্তব্যটিও। তাই তার জবাব এখানেই দিতে চাই। আপনি যখন আমাকে নক করেছিলেন তখন আমি ব্যাক্তিগত জীবনে বেশ বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছিলাম এবং আমি ট্রমাতে ছিলাম। এজন্য তখন আমার আচার আচরন এবং বিচার বুদ্ধি প্রায় সবকিছুই লোপ পেয়েছিলো। তখন আমি যাই করেছি ঘোরের মধ্যে করেছি। আমি প্রচন্ড দুঃখিত!

ভালো থাকবেন!

৫৩| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৩৭

বেলের শরবত বলেছেন: ভগ্নিসারথি নামে এক মহাকাঙাল আছে এই ব্লগে। কেমনে জানি জায়গা পাইছে বুবস.কমে সেরা ব্লগে। বাস, দুনিয়াটা ভাইঙা পরছে ফকিন্নিটার মাথায়, বুটের জন্য এমনে কাঙালিপনা কোথাও দেখি নাই্ জাতীয় ইলেকশন বাদে। মাল্টি খুইল্ল্যা সেইটা দিয়াও জায়গায় জায়গায় ল্যাদাইতে ল্যাদাইতে ভরায়া ফালাইতাছে বুটের জন্য। পাত্তা না পায়া এখন শুরু করছে জার্মানপ্রবাসের নামে কুৎসা গাওয়া।

হালা ফকিন্নি।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আমি অগ্নিসারথী ভাইয়ের ব্লগটা পড়েছি এবং তার ব্লগ পড়ে মনে হয়েছে তিনি অসাধারন একটা বিষয়ে লিখছেন। বাংলাদেশের প্রান্তিক মানুষের একটা ক্ষুদ্র অংশ আদি জন গোষ্ঠী এবং তাদের দুর্দশার কথা এমন তথ্য সমেত বেশ কমই আছেন যে ব্লগে লেখেন। উনার ব্লগ আগে কখনো পড়িনি কিন্তু নমিনেশনের পর আমি পড়েছিলাম কিছু কিছু। আমার মনে হয়েছে উনি নমিনেশন কেন এই পুরস্কার পাবারও যোগ্য। তাই বলে আমি এটাও বলছি না যে বাকি যারা নমিনেশন পেয়েছেন তারা তার থেকে কম যোগ্য। তারাও তাদের অবস্থানে অসাধারন কাজ করে যাচ্ছেন। এবং ববসকে আমি ধন্যবাদ জানাই যে এমন অসাধারন ব্লগের সাথে আমাদের পরিচয় করিয়ে দেবার জন্য।

এখন আসি আপনার মন্তব্যের জন্য। আমি রিপোর্ট করলাম আপনার মন্তব্যের বিরুদ্ধে! আমি সত্য মিথ্যা জানি না, জানার ইচ্ছেও নাই। যদি তা করেো যদি উনি থাকেন সেটা আমজনতা দেখবে তারাই সিদ্ধান্ত নেবে। আপনি আমি কে? আপনি আমি নিশ্চয়ই বস্তির সেসব ঝগড়াটে মহিলা নই, তাই নয় কি?

আর আপনার মন্তব্য না মুছে রিপোর্ট করলাম এজন্য যে আপনি কুৎসা রটাচ্ছেন তার জন্য উপযুক্ত সাজা হওয়া উচিত আপনার এই আইডির ব্যান!

সুস্থ হোন আর ভবিষ্যতে কারো কূৎসা আমার ব্লগে রটাতে আসবেন না। ঘৃনা করি!

৫৪| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৩৬

হোয়াইট লায়ন বলেছেন: আপনি বলেছেন,

আমি কোরান বা হাদিস কিছু দিতে চাইছিলাম না, কিন্তু পরে মনে করলাম আসলে মানুষ জানুক শরীয়াহ আইন কেন এতো বর্বর?


আপনার এই বক্তব্যে আমার দ্বিমত আছে। শরীয়া আইন বর্বর নয়, বর্বর হচ্ছে শরীয়া আইন বলে যা চালানো হচ্ছে।

আমি আবার বলি, শরীয়া আইনের প্রধান ভিত্তি হবার কথা কোরান এবং একমাত্র কোরান, তবে সেটা না করে নানা জাল হাদীস এবং সময়ে সময়ে মনগড়া হাদীস দিয়ে গোত্র কিংবা নানা মতবাদের অনুসারী ভিত্তিক শরীয়া আইন গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বাজে অবস্থা সৌদি আরবের। বিয়ে, অধিকার, পর্দাপ্রথা সহ নানা ব্যাপারে কোরানের নির্দেশনার চেয়ে প্রাধান্য পেয়েছে মনগড়া হাদীস।

আপনার দেয়া সুরা আন-নুরের রিলেটেড আয়াতগুলো আমি সম্পূরণভাবে তুলে দেই। আমি জানি না আপনি এর সাথে সম্পর্কিত পরের দুটো আয়াত বাদ দিয়েছেন কেন।


যারা সতী-সাধ্বী নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে অতঃপর স্বপক্ষে চার জন পুরুষ সাক্ষী উপস্থিত করে না, তাদেরকে আশিটি বেত্রাঘাত করবে এবং কখনও তাদের সাক্ষ্য কবুল করবে না। এরাই না’ফারমান।

কিন্তু যারা এরপর তওবা করে এবং সংশোধিত হয়, আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম মেহেরবান।

এবং যারা তাদের স্ত্রীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করে এবং তারা নিজেরা ছাড়া তাদের কোন সাক্ষী নেই, এরূপ ব্যক্তির সাক্ষ্য এভাবে হবে যে, সে আল্লাহর কসম খেয়ে চারবার সাক্ষ্য দেবে যে, সে অবশ্যই সত্যবাদী।

এবং পঞ্চমবার বলবে যে, যদি সে মিথ্যাবাদী হয় তবে তার উপর আল্লাহর লানত।

এবং স্ত্রীর শাস্তি রহিত হয়ে যাবে যদি সে আল্লাহর কসম খেয়ে চার বার সাক্ষ্য দেয় যে, তার স্বামী অবশ্যই মিথ্যাবাদী;

এবং পঞ্চমবার বলে যে, যদি তার স্বামী সত্যবাদী হয় তবে তার ওপর আল্লাহর গযব নেমে আসবে।

এখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে যারা নারীর বিরুদ্ধে অপবাদ দেবে তাদের সাক্ষী হাজির করতে হবে। তারা যদি সেটা না পারে তবে তাদেরকেই বেত্রাঘাত করা হবে। নারী নির্যাতনের অভিযোগ করলে তাকে চারজন সাক্ষী হাজির করতে হবে এটা কিন্তু বলা নেই। আর ওরা বানিয়ে ফেললো নারীকে ধর্ষনের প্রমান দিতে চারজন সাক্ষী হাজির করতে হবে।

আবার যারা স্ত্রীদের প্রতি অভিযোগ আনে তারা চারবার সাক্ষী দেবে ঠিক আছে, এবং পরবর্তী নির্দেশনা অনুসারে স্ত্রীকেও একই কাজ করতে হবে। সে যদি কোরানের শপথ করতে রাজী না হয় কিংবা স্বীকার করে নেয়, কেবলমাত্র তবেই সে দোষী বলে গণ্য হবে। স্বামী চারবার কসম খেয়ে সাক্ষী দিলো কেবলমাত্র তাতেই নয়।

আবার আপনি বলেছেন সৌদিতে গৃহকর্মী কিংবা এমন কাউকে যৌন অত্যাচার গণনাতেই ধরা হতো না। এটা সৌদিদের ভুল কিংবা যারা দাসীদের সাথে যৌন সম্পর্ক ঠিক মনে করে তাদের ভুল। ইসলাম অনুসারে তা গ্রহনযোগ্য নয়। এ ব্যাপারে এই সুরা আন-নুরেই স্ললাহর নির্দেশনা আছে,

তোমাদের দাসীরা নিজেদের পবিত্রতা রক্ষা করতে চাইলে তোমরা পার্থিব জীবনের সম্পদের লালসায় তাদেরকে ব্যভিচারে বাধ্য কারো না।


এখন যারা এই স্পষ্ট নির্দেশনার পরেও তাদের দাসীদের উপর জোর করবে তারা কি আল্লাহর নির্দেশনাকেই অগ্রাহ্য করলো না? আর যারা আল্লাহর স্পষ্ট নির্দেশনা অমান্য করে আপনি তাদের প্রকৃত মুসলমান কিভাবে বলতে পারেন? আমি বলবো দোষটা শরীয়ার না, ধর্মের না, দোষটা তাদের যারা ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্ম এবং ধর্কেমের নানা বাণীকে নিজেদের মত করে ব্যখ্যা করছে। যদিও এখানে সন্দেহের তেমন কিছু নেই, বিধানগুলো স্পষ্ট।

আর ধর্ষন এই দেশের প্রেক্ষাপটে বড় মাত্রার অপরাধ। তবে সারা বিশ্বের সাথে মিলিয়ে দেখেন, ধর্ষনের চেয়ে অন্যান্য নানা অপরাধকে বেশি মারাত্মক হিসেবে দেখা হয়। শাস্তিও নানা উন্নত দেশেও আমাদের এই উপমহাদেশের যেকোনো দেশের চেয়ে মামুলি। কাউকে বিকলাঙ্গ করে দেয়া ধর্ষনের সাময়িক যন্ত্রণার থেকে অধিক যন্ত্রনাময় সেই সমাজের সামাজিক পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে। এজন্য উন্নত দেশে এটাকে কেবল ফিজিক্যাল এসল্ট হিসেবে নারীরাও মেনে নিতে পারলেও আমাদের দেশের মত সমাজব্যবস্থার দেশে তা সম্ভব নয়। এখানে একজন ধর্ষিতার ধর্ষন পরবর্তী জীবন হয় দুর্বিষহ। মানুষ প্রভাকে মেনে নিতে পারবে সমাজের অংশ হিসেবে, কিন্তু ধর্ষিতা শুনলেই নজরহয়ে যাবে ভিন্ন। ধর্ষনের আমার মতে প্রথমে জোরপুর্বক ব্যভিচার এবং সেইসাথে সহিংসতামুলক অপরাধ, যার শাস্তির বিধানও ইসলামে আছে। তবে, আমাদের সামাজিক মুল্যবোধের কারণে ধর্ষনের কষ্টের চেয়ে পরবর্তী মানসিক যন্ত্রণা হয়ে ওঠে অসহনীয়। এ ব্যাপারে শাস্তিটাও সেইসব দিক বিবেচনায় হতে পারে ইসলাম কিংবা কোরানের আলোকেই।

আশা করি বক্তব্য পরিস্কারই ছিলো। আপনি শরীয়া নিয়ে প্রশ্ন না তুলে সোউদি সহ নানা দেশের শরীয়া আইনগুলো ইসলাম থেকে কতটা বিচ্যুত তা তুলে ধরলে আরো ভালো হতো। মানুষের জানা দরকার ধর্মকে তারা কিভাবে অপব্যখ্যা কিংবা ভুলপথে পরিচালিত করে আসছে। পর্দা, নারী অধিকার সহ নানা বিষয়ে শরীয়া আইনের নামে স্বার্থ উদ্ধারকারী আইন চাপিয়ে হাজার বছর ধরে চলছে দেখে চলতেই হবে এমন কোনো কথা নেই। ভুলকে যেকোনো সময়েই ছুঁড়ে ফেলা যায়।

ধন্যবাদ

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৮:৩৩

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: শরীয়া আইন বর্বর নয়, বর্বর হচ্ছে শরীয়া আইন বলে যা চালানো হচ্ছে।

আমিও এটাই বলতে চেয়েছি, এখন ভাষাগত প্রকাশে সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে।

আপনার দেয়া সুরা আন-নুরের রিলেটেড আয়াতগুলো আমি সম্পূরণভাবে তুলে দেই। আমি জানি না আপনি এর সাথে সম্পর্কিত পরের দুটো আয়াত বাদ দিয়েছেন কেন।

আমি এটা সচেতন ভাবেই বাদ দিয়েছি। বলতে পারেন আমি একটা টেস্ট করতে চেয়েছিলাম যে আমি এরকম ব্লগ লিখলে কমেন্ট কতগুলো সেটা দরকার নেই, কিন্তু কতজন খুটিয়ে পড়লো। আপনি পোস্ট পড়লে দেখবেন কোরানে সতী স্ত্রীকে অভিযুক্ত করার চার জন সাক্ষীর ব্যাপারটা পরে নিজে উল্লেখ করিনি। আমি চেয়েছিলাম যারা কমেন্ট করবেন তারা উল্লেখ করুন। এর ফলে পোস্টের চাইতে কমেন্টে আলোচনাটা জমবে। আমি চেয়েছিলাম সকল আম ব্লগারের অংশগ্রহন। আশা করি বুঝতে পরেছেন আমার এক্সপেরিম্যান্ট এ যাত্রায় সফল হয়েছে। তবু ব্যাপারটা ধরিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ।

এটা সৌদিদের ভুল কিংবা যারা দাসীদের সাথে যৌন সম্পর্ক ঠিক মনে করে তাদের ভুল। ইসলাম অনুসারে তা গ্রহনযোগ্য নয়।

ভাইয়া আমার পুরো পোস্ট ইসলামের বিরুদ্ধে নয়, সৌদীতে প্রচলিত শরীয়াহ আইন আর তাদের তথাকথিত নারী স্বাধীনতার বিরুদ্ধে।

ধর্ষনের চেয়ে অন্যান্য নানা অপরাধকে বেশি মারাত্মক হিসেবে দেখা হয়। শাস্তিও নানা উন্নত দেশেও আমাদের এই উপমহাদেশের যেকোনো দেশের চেয়ে মামুলি।
এটা অবশ্য ঠিক বলেছেন। আমি এতদিন লোকমুখে যা শুনতাম তাই বর্ননা করলাম।সুইডেনে ধর্ষনের জন্য জরিমানা করা হয় ৭-৮ লাখ টাকার মতো আর কয়েকশ ঘন্টা সামাজিক কাজ করতে হয়। উন্নত বিশ্বে আস্তে আস্তে ক্যাপিটাল পানিশম্যান্ট বা মৃত্যুদন্ড উঠে যাচ্ছে। তবে আমি আপনাকে কিছু উদাহরন দেই। ধর্ষনের জন্য মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছে ২০১৫ পর্যন্ত, চায়না, ইন্ডিয়া, ইরান, ইরাক, জর্ডান, উত্তর কোরিয়া, কুয়েত (২০১৩), পাকিস্তান, সৌদী, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিরিয়া (২০১৩), ভিয়েতনাম(২০১৪)। তো দেখা যাচ্ছে দিনকে দিন অনেক দেশেই ধর্ষনের শাস্তি থেকে মৃত্যুদন্ড উঠে যাচ্ছে। তবে হ্যা, ধর্ষনের শাস্তি অন্যান্য অপরাধের শাস্তির সাথে তুলনা করলে কম এটা ভুল। সুইডেন স হ ইউরোপের অনেক দেশেই এসবকারনে খুব একটা শাস্তি হয় না, কিন্তু তাদের সোশাল সিক্যুরিটি নাম্বারে একটা লাল দাগ থাকে। এখন আপনি বলেন ভালো চাকুরী বা একটা রেস্টুরেন্টে একজন কাজ করতে গেলে যদি দেখে ব্যাটা একজন ধর্ষনের সাজাপ্রাপ্ত তাকে কি কাজে রাখবে?

ইউরোপে এসব খুব ভালোভাবে দেখে!

আপনি শরীয়া নিয়ে প্রশ্ন না তুলে সোউদি সহ নানা দেশের শরীয়া আইনগুলো ইসলাম থেকে কতটা বিচ্যুত তা তুলে ধরলে আরো ভালো হতো।

ভাইয়া আমি আবারও বলছি আপনি ভুল করছেন। ইসলামের শরীয়াহ আইনের বিরুদ্ধে আমার কোনো কথা নেই আমার কথা হলো সৌদী, পাকিস্থান ব্রুনাইতে যেসব চলছে তারই বিরুদ্ধাচারন করা। আশা করি আপনার ভুল ভাঙ্গুক!

৫৫| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৫১

বেলের শরবত বলেছেন: ধর্ষকের পক্ষে হোক আর ধর্ষিতার পক্ষে হোক, চারজন সাক্ষির ব্যাপারটাই তো এই জমানায় অবাস্তব। চারজন লোক রেপের জায়গায় থাকলে হয় বাধা দেবে নাহলে যোগ দেবে। কিয়াস তো করা যায়, মোল্লারা ডিএনএ টেস্টে এত ভয় পায় কেন?

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৫৮

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এটা মোল্লাদের মানসিক বৈকল্য। ডিএনএ টেস্টে বা পরোক্ষ আলামতের ব্যাপারে ইসলামে কোনো সরাসরি বিধান নাই, যদিও একটা কথা সন্দেহাতীতভাবে প্রমানিত। কিন্তু এই সন্দেহাতীতভাবে প্রমানিত ব্যাপারটা খোলাফায়ে রাশেদিন আমলের যে চাক্ষুস প্রমান সেটাকেই এরা মানদন্ড ধরেছে!

বরংচ ডিএনএ বা প্রেগন্যান্সি টেস্ট দিয়ে এটা প্রমান করা হয় যে মেয়েটা ব্যাভিচারী কিনা যেটা মালয়েশিয়া পাকিস্তান, ব্রুনাইতে চালু আছে!

৫৬| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৮:১৪

হোয়াইট লায়ন বলেছেন: আমার মনে হয়না আমি ভুল বলেছি, আমি বলেছি 'নানা উন্নত দেশে'। নানা উন্নত দেশ বলতে কেবল সুইডেনকেই বোঝানো হয়না, আরো অনেক দেশ তো আছে। যেমন, ইসলামী দেশ মানেই সৌদি আরব, পাকিস্তান, ব্রুনেই না। ইসলাম অনুসারে জাতিতে জাতিতে ভেদাভেদ কিংবা কোন জাতিকে কোন জাতির উপর মাহাত্ম্য দেয়া হয়নি। সৌদিরাও সামান্য মানুষই, ইসলাম অনুসারে যাদেরও প্রত্যেকের বিচার হবে আলাদা।

আবার ইসলামে কোথাও বলা নেই ধর্ষন কিংবা অন্য কোন অপরাধের প্রমাণে ডিএনএ টেস্ট বা অন্যকিছু করা যাবে না বা গ্রহনযগ্য হবে না। নানা জায়গায় অপরাধের জন্য প্রমানের কথা বলা আছে এবং প্রমাণ বলতে কোথাও এটা লেখা নেই যে সেটা কেবল চাক্ষুস সাক্ষী হতে হবে। তাই যারা এগুলোকে প্রমাণ হিসেবে গ্রহন না করবার কথা বলে তারা ভুল বলে, মানুষকে বিভ্রান্ত করে।

অফটপিক কথা বলি, আমার কোন স্পেসিফিক ধর্মে বিশ্বাস তেমন নেই। তবে ঈশ্বরে বিশ্বাসী। কিন্তু ওই ছোটোবেলা থেকে ইসলামকেই নিজের ধর্ম বলে মানতাম তো, তাই একটা টান তো থাকেই। মনে প্রাণে চাই এই ধর্মটা ভুল না হোক।

ধন্যবাদ

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৮:৩৯

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আমার মনে হয়না আমি ভুল বলেছি, আমি বলেছি 'নানা উন্নত দেশে'।

না আপনি ঠিক বলেছেন এই অর্থে যে হত্যার হিসেবে। কিন্তু সেদেশের অন্যান্য শাস্তির সাথে তুলনা করলে এটা মোটেও লঘু না। তবে এটা ঠিক আমাদের উপ মহাদেশের কয়েকটা দেশে আর মধ্যপ্রাচ্য এর শাস্তি বেশ কঠোর।

যেমন, ইসলামী দেশ মানেই সৌদি আরব, পাকিস্তান, ব্রুনেই না। ইসলাম অনুসারে জাতিতে জাতিতে ভেদাভেদ কিংবা কোন জাতিকে কোন জাতির উপর মাহাত্ম্য দেয়া হয়নি। সৌদিরাও সামান্য মানুষই, ইসলাম অনুসারে যাদেরও প্রত্যেকের বিচার হবে আলাদা।

কিন্তু আজ পর্যন্ত স হী ইসলামিক রাস্ট্র কে কায়েম করতে পেরেছে?এমনকি চার খলিফার সবাই এই স হী ইসলামিক রাস্ট্র কায়েম করতে পারেননি। আর একই কোরান হাদিস থেকে বিভিন্ন মুসলিম দেশে এর বিচার বা শাস্তি প্রক্রিয়া কেন ভিন্নতর হবে? আল্লাহর আইন তো সমগ্র মানবজাতীর জন্য অবতীর্ন তাই না?

নানা জায়গায় অপরাধের জন্য প্রমানের কথা বলা আছে এবং প্রমাণ বলতে কোথাও এটা লেখা নেই যে সেটা কেবল চাক্ষুস সাক্ষী হতে হবে। তাই যারা এগুলোকে প্রমাণ হিসেবে গ্রহন না করবার কথা বলে তারা ভুল বলে, মানুষকে বিভ্রান্ত করে।

খোদ মালয়েশিয়ার মতো উন্নত দেশের পেনাল কোড আপনি দেখতে পারেন। আমি পাকিস্তানের হুদুদ অর্ডিন্যান্সও দিয়েছি কমেন্টে। সেটাও দেখতে পারেন। আর তাদের ব্যাখ্যা এটাই যে যেহেতু খোলাফায়ে রাশেদীনের আমলে চাক্ষুস সাক্ষীর ওপর জোর দিয়ে সন্দেহাতীত প্রমানিত সেহেতু তারা এটাতেই ব হাল থেকেছেন। এখন আপনি আমি সবাই জানি এসব ইসলামিক আলেমরা কতবড় গোয়াড় আর ধর্ম ব্যাবসায়ী!

আর আপনার ব্যাক্তিগত মতাদর্শকে শ্রদ্ধা করি

৫৭| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৮:২৭

অন্য কথা বলেছেন: হাফিজ বিন শামসী ঠিক ধরেছেন । ধন্যবাদ ।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৮:৪১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: তার উত্তরের জবাবটাও পড়ে দেখবেন আশা করি! আসলে পোস্ট না পড়ে কমেন্ট করলে এভাবেই ধরা খেতে হয়!

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য

৫৮| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:৫৮

দ্যা লায়ন বলেছেন: আপনার মধ্যে টলারেন্স ক্ষমতা বেড়েছে, পোস্ট এবং জবাবে আপনার ভুমিকা চমৎকার,

এসব বিষয়ে কথা বলার সময় একটু ধর্য্য রাখা দরকার ,মনে রাখতে হবে এই কথা গুলো তাদের জন্য যাদের জ্ঞান গভীরতা কম,তারা কোন কিছু সহজে মেনে নেয়না,তাই শান্ত থেকে ধর্ম নিয়ে আলোচনা করতে হয়।

আপনাকে ধন্যবাদ

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:৪০

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আমার দেখতে মন চায় এরা কতটা নগ্ন ভাবে এদের প্রভুদের জন্য চামচামী করতে পারে।

৫৯| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:১১

মায়াবী ঘাতক বলেছেন: কিছু বান্দা আছে এই নারী ধর্ষণের ঘটনা ঘটলেই হিজাব, পর্দা নিয়ে ম্যাতকার শুরু করে। সৌদি, ইরান বা ইউরোপ নিয়ে আমার কোন আগ্রহ নাই তাদের দেশে তাদের মত আইন চলবে। আমাদের উচিত বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করা। এই দেশে বোরখা আইনানুগ ভাবে বাধ্যতামুলুক না, এবং যতদিন আমাদের দুই ম্যাডাম আর আপার রাজত্ত চলবে ততদিন বোরখা, হিজাব পরার আইন পাশও হবে না। তারপরের কিছু ছাগু আর পেডো মহিলাদের হিজাব না পরা নিয়ে কীবোর্ড ফাটায় ফেলে। রাম ছাগল গুলা এইডা চিন্তা করে না যে তাদের নিজের ঘরের মেয়ে যখন বিসিএস দিয়ে ফরেন, পুলিশে চাকরি করবে, তখন আযানের সময়ও মাথায় কাপড় দিতে পারবে না। কুমিল্লাতে যেই ঘটনা ঘটলো তাতে তো নারী দিবসে পোস্টার বাইর করা আর্মির আপাদের নিয়েও টেনশন বাইড়া গেলো। আপনি যদি ফার্মগেটের কোচিংগুলাতে যান তাইলে দেখবেন ছাগলের পালের মত বোরখা পরা আপুরা দাড়ি-টুপি ওয়ালা বাপের সাথে ডিফেন্স কোচিং করতেসে। :P অথচ এই রাম ছাগলগুলাই মেয়েদের হিজাব পরা নিয়া অল্টাইম ম্যাতকার করে। এখন যদি এদের ঘরের মেয়েকে বেগানা অবস্থায় দেখে কারো হস্তশিল্পের কাজ শুরু হয় তখন কি হবে???

পোস্টে+++

১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:১৮

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাঙ্গালীর কাহিনী সৌদীর থেকেও খারাপ! একে তো অশিক্ষিত তারপর দিন দিন নিজেরে অতিজ্ঞানী মনে কইরা স হিংস আচরন করে

৬০| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১:১৮

সায়েদা সোহেলী বলেছেন: আপনার পোস্ট আর সৌদি বাদশাহ দের স্বার্থ রক্ষার শাসনতন্ত্র (যেটাকে পোস্টে শরীয়া আইন বলা হয়েছে) এক মনে হয়েছে আমার কাছে .... । :| হয়ত কারন টা আমার জ্ঞ্যানের স্বল্পতা হলেও হতে পারে , আপিনি সঠিক ট্রাকেই আছেন ।
এনি ওয়ে , পোস্টের জন্য ধন্যবাদ । মন্তব্য প্রতিমন্তব্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ উঠে আসছে , যা আমাদের সঠিক টা ভাবে বুঝতে , ভাবতে সাহায্য করবে ।

মিথ্যার চাইতেও ভয়ংকর হচ্ছে মিথ্যা মিশ্রিত সত্য , উদ্দেশ্য প্রণোদিত সত্য

শরীয়া আইনের ভিত্তি হবার কথা কোরান এবং একমাত্র কোরান, তবে সেটা না করে নানা জাল হাদীস এবং সময়ে সময়ে মনগড়া হাদীস দিয়ে গোত্র কিংবা নানা মতবাদের অনুসারী ভিত্তিক শরীয়া আইন গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বাজে অবস্থা সৌদি আরবের। বিয়ে, অধিকার, পর্দাপ্রথা সহ নানা ব্যাপারে কোরানের নির্দেশনার চেয়ে প্রাধান্য পেয়েছে মনগড়া হাদীস। পরে সময় পেলে কিছু ব্যাপার তুলে ধরতে চেস্টা করবো, কারণ বিষয়টা জরুরী।


@হোয়াইট লায়ন , ধন্যবাদ আপনাকে । আপনার কাছ থেকে এই বিষয়ে মন্তব্যের পাশাপাশি পোস্ট আশা করছি ।

শুভকামনা উদাসী

১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৩:৪৬

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য!

৬১| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৭:৩৩

ডাইরেক্ট টু দ্যা হার্ট বলেছেন: সৌদি আরবে সমাজ ব্যবস্থা, ধর্মীয় আস্থা , অবস্থান এবং বিধান নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে। তাদের পারিবারিক গাথুনী থেকে শুরু করে অনেক বিষয় আছে যা আমাদের সাধারণ মুসলিম এবং মুসলিম দেশের জন্য হতাশ জনক। তবে এখানে উদাসী সহ অনেকেই একটা ভুল করে আসছেন আমার মনে হচ্ছে, ধর্ষন আর উভয় সম্মতিতে সহবাস দুটো দুই রকম।

ধর্ষণের ক্ষেত্রে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আজকের নিয়ম অথবা পূর্বের নিয়ম(যদি স্বাক্ষি থাকে) দুটৈই প্রযোজ্য হওয়া উচিৎ, এবং ধর্মে এমন কোন বাধা নেই যে আপনি আজকের নিয়মে ( মেডিকেল টেষ্ট) প্রমাণ করা যাবেনা।একজন নারীকে ধর্যণ করলে এবং তা প্রমান করতে যে কোন উপায় অবলম্বন করা যাবে,কোন অযুহাতেই বিচারহীন ধর্ষককে ছাড় দেয়া যাবেনা ইহা মস্তবড় পাপ।এই পক্রিয়ায় কোন রকম ফতোয়া গ্রহন যোগ্য নয়।উদ্দেশ্য ধর্ষণ নিশ্চিতকরণ এবং ধর্ষককে খুঁজে বের করা এবং শাস্তি প্রদান,এর বিকল্প নেই।

এবার আসুন উভর সম্মতিতে সহাবাস,যাকে মিউচুয়াল সেক্স বলা হয়ে থাকে,এই ক্ষেত্রে সবাইকে সংযত হতে হবে, এখানে শুধু মাত্র সন্দেহের বশভুত হয়ে কারো নামে অপবাদ দেয়া যাবেনা।বরং এই ক্ষেত্রে চেপে যাওয়া নজির আছে হাদিসে,এমন ঘটনার পিছে পড়ে থেকে কারো সম্পর্কে স্বাক্ষিহীন প্রচারণা করা ধর্মে নিষেধ আছে। যদি আপনি কারো নামে এমন কথা বলতে যান যে সে জেনা করেছে তাহলে উক্ত ঘটনার সময় আপনাকেই ৪ জন স্বাক্ষি হাজির করতে হবে,যা আপনি দেখেছেন তা আরো ৪ জন কে নিয়ে দেখাতে হবে।যদি তা আপনি না পারেন তাহলে আপনাকে ৮০ দোর্রা দেয়া শরিয়তে বিধাণ আছে।কেউ যদি নিজেদের এই ব্যক্তিগত বিষয় চেপে যেতে চান তাহলে সেটা আপনি স্বাক্ষিবিহীন প্রচার করতে পারবেননা।সুরা আন নুরে এটাকেই ইঙ্গিৎ করে বিচার নিয়ম নির্দিষ্ট করেছেন।আপনার স্বামী বা স্ত্রী অথবা প্রতিবেশি কেউ যদিএমন কাজ প্রতিনিয়ত করে থাকেন তাহলে আপনি কোননা কোন সময় পাহাড়া দিয়ে সময় সুযোগ করে ৪ জন স্বাক্ষি হাজির করতে পারবেন, কিন্তু ধর্ষণ ঘটনা হটাৎ করেই হয়,সেখানে স্বাক্ষি হাজির করা কঠিন হয়ে যায়,ধর্ষণের ক্ষেত্রে ধর্ষিতার বক্তব্যকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিয়ে বিচার পক্রিয়া শুরু করা উচিৎ, কারণ সাধারণত কোন নারী চাইবেনা তার নিজেকে নিয়ে এত বড় মিথ্যাচার হোক।কিন্তু মিউচুয়াল সেক্স ভিন্ন,এখানে সবাই চেপে যায়।দাম্পত্য জীবনে কলহ অথবা প্রতিবেশিদের বিরোধ প্রতিশোধে পড়ে মানুষ অনেক সময় একে অন্যের নামে এমন কুৎসা রটায়, সেটাকে সংযত করতে বা ধমন করতে ধর্মে বা কোরাণে আল্লাহ ৪ জন স্বাক্ষির নিয়ম বেধে দিয়েছেন।যেন চাইলেই সত্য হোক আর মিথ্যা ঘটনা সমাজে রটিয়ে অন্যকে হেয় করতে না পারে, এখানে শরিয়া আইন কিংবা আল্লাহর আইণের কোন সমস্যা নেই।
একটা ঘটনা হয়তো জানেন- একজন নারী মিউচুয়াল সেক্স করে গর্ভবতী হয়ে নবিজির কাছে এসেছিলেন নিজের কৃত কর্মের শাস্তি পেতে ,নবীজী তখন তিনবার মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন, তিনি শুনেও না শোনার ভান করেছেন যেন মহীলাটি চলে যায় এবং নিজের কর্মের জন্য নিজেই তওবা করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায় কিন্তু নাছোড় বান্দি সেই মহিলা শাস্তি না নিয়ে যাবেননা,কিন্তু নবীজী জানেন এই কাজের শাস্তি পাথর নিক্ষেপ মৃত্যু দন্ড। তাই তিনি এই ঘটনা নিজেই চেপে যেতে চেয়েছিলেন, অবশেষে মহিলাটির বিচার করতে বাধ্য হয়েছিলেন।

এই ঘটনা থেকেই আমরা শিক্ষা নিতে পারি আড়ালে অপরাধের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা পার্থণা অনুশোচনাই যথেষ্ট।এমন ঘটনা যখন তৃতীয় ব্যাক্তি উম_মোচনের চেষ্টা করবে তখনি ৪ জন স্বাক্ষি হাজিরের মত বিষয় নিয়ম করে দেয়া হয়েছে।

আর ধর্ষণ? সেটার জন্য নিয়ম স্বাক্ষি ফতোয়া রহিত করে যতটা সম্ভব ভিক্টিমকে প্রাধান্য দিয়ে বিচার করা উচিৎ, সবকিছুর জন্য হা করে শরিয়া আইনের জন্য বসে থাকতে হবেনা, আমরা মানুষ,সৃষ্টির সেরা জীব, আমাদের বিবেক বুদ্ধি বিবেচনা আছে।স্বাক্ষি থাকা না থাকার পরও একজন ভিক্টিমের বক্তব্য থেকেও বিচার করার মত বুদ্দি বিবেক আমাদের স্রষ্টা দিয়েছেন। যেমন আদালতে বিচারকের জ্ঞান বুদ্ধিরও একটা নিজস্ব ব্যবহার আমরা দেখে থাকি।

জানিনা কথা গুলো কতটা গোছানো হয়েছে এবং তা উপোরক্ত বিতর্ক অবসানের জন্য কতটা উপকার হবে।

উদাসীকে ধন্যবাদ জানাই টপিক টেনে আনায় যা নিয়ে আমরা দুটো কথা বলার সুযোগ পেয়েছি নিজের সীমিত জ্ঞান থেকে

সবাই ভালো থাকবেন

১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এখন আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশের মোল্লারা সৌদী, পাকি, মালয় মডেল রেখে এরকম নিরপেক্ষ মডেল মেনে নেবে? আমাদের গ্রাম বাংলার দিকে তাকান। এখনও মোল্লারা যে সালিশ করে সেখানে ধর্ষনের শাস্তির জন্য হয় ধর্ষক ধর্ষিতাকে বিয়ে করে অথবা কিছু টাকা পয়সা দিয়ে ঘুরে বেড়ায়।

অথবা যে মেয়েটাকে ধর্ষন করা হইছে, তা ধামা চাপা দিতে উল্টা ব্যাভিচারী অপবাদ দিয়া একসময় হিল্লা বিয়া দিয়া গ্রামের মোড়ল বা চ্যায়ারম্যান এক রাইত তারে বিছানায় নিতো তারপর তারে আবার স্বামীর কাছে ফিরায়া দিতো। পরে ২০০৪ সালে বাংলাদেশের আলেম সমাজ আর ইসলামী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হিল্লা বিয়া অনৈসলামিক ঘোষনা করে। কিন্তু এখনও ঐ কিছু টাকা পয়সা নাইলে ধামাচাপা দেয়ার জন্য দোররা মারা হয়।

বাংলাদেশের যদি শরীয়াহ আইন কায়েম হয় তাহলে ধরে রাখেন সৌদী, মালয়েশিয়া পাকিস্থানের চেয়েও খারাপ শরীয়া আইন চালু করবে এরা। ভয়টা এখানেই।

৬২| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:০৩

মির্জা বাড়ির বউড়া বলেছেন: আসেন দেখেন ব্লগের সবচেয়ে পুরান নাটকের পুন:প্রচার। শরণার্থী নিকে ব্যাপক ল্যাদানির পরও মনমত সাড়া না পাওয়ায় অগ্নিসারথি গতকালকে নিজেই খুলেন বেলের শরবত নামে এক ইচিং ব্লগিং ক্যারেক্টার, তারপর সারাব্লগ ভাসিয়ে দেন নিজেই নিজেকে গালি দিয়ে কমেন্ট করে যেন মানুষের সহানুভূতি আদায় করে ভোট পাওয়া যায়। নিজের গোমর নিজেই গভীর রাতে ভুলে ফাঁস করে ফেলেন পোস্ট দিয়ে যে তিনি ববস.কমে জিতে চাকরি ছেড়ে রেসিডেন্ট ব্লগার হতে চান এই ব্লগের। মারহাবা।

৬৩| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:১৯

হোয়াইট লায়ন বলেছেন: কিন্তু আজ পর্যন্ত স হী ইসলামিক রাস্ট্র কে কায়েম করতে পেরেছে?এমনকি চার খলিফার সবাই এই স হী ইসলামিক রাস্ট্র কায়েম করতে পারেননি। আর একই কোরান হাদিস থেকে বিভিন্ন মুসলিম দেশে এর বিচার বা শাস্তি প্রক্রিয়া কেন ভিন্নতর হবে? আল্লাহর আইন তো সমগ্র মানবজাতীর জন্য অবতীর্ন তাই না?

চার খলিফার পর কেউ সেভাবে পারেনি। উনাদের সময়ও বললাম ইসলামের সকল বিধান বিধর্মী অথয়া অন্য জাতির উপর সেভাবে চাপিয়ে দেয়া হয়নি। রাষ্ট্র অনেকাংশেই উদার ছিল। এরপর এলো উমাইয়া রা। সেখান থেকেই স্খলনের শুরু। ইসলামের বিধান সবার জন্য এক, তবে ইসলামে তো এখন ভাগাভাগি, দলাদলি শুরু হয়ে গেছে, তাই নানা দেশে নানা রকম বিধান। কেউ উদারতাকে মঙ্গলের ভেবেছে, কেউ আবার সালাফি আইএস এর মত চরমপন্থী। বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন মাজহাব, ইরান শিয়া, সৌদি সুন্নী, মালয়েশিয়া সম্ভবত হাম্বলী, আমরা হানাফী। এসব ভাগাভাগি, নানা মাজহাবের উৎপত্তিই বিচ্যুতির কারণ। ইসলামে কি কোন আলাদা মাজহাবের কথা বলা আছে তাহলে আসলো কেন? এসেছে গোত্রগত, জাতিগত নানা স্বার্থে।

খোদ মালয়েশিয়ার মতো উন্নত দেশের পেনাল কোড আপনি দেখতে পারেন। আমি পাকিস্তানের হুদুদ অর্ডিন্যান্সও দিয়েছি কমেন্টে। সেটাও দেখতে পারেন। আর তাদের ব্যাখ্যা এটাই যে যেহেতু খোলাফায়ে রাশেদীনের আমলে চাক্ষুস সাক্ষীর ওপর জোর দিয়ে সন্দেহাতীত প্রমানিত সেহেতু তারা এটাতেই ব হাল থেকেছেন। এখন আপনি আমি সবাই জানি এসব ইসলামিক আলেমরা কতবড় গোয়াড় আর ধর্ম ব্যাবসায়ী!


মালয়েশিয়াকে আপনি উন্নত বলছেন? অবশ্যই আমাদের সাপেক্ষে উন্নত। এবং জীবনযাত্রার ব্যয় আসলে আমাদের থেকেও অনেক কম। আমার বান্ধবী সেখানে চাকরী করে। সে সকালে চার রিঙ্গিত বা ৮০ টাকা ভাড়ায় ট্যাক্সিতে অফিসে যায়। দুপুরে লাঞ্চ করে ৫ রিঙ্গিত বা ১০০ টাকার মধ্যে। আর এদেশে ট্যাক্সিতে উঠলেই কত দিতে হয় সবাই জানে। আর ভালো কোনো জায়গায় কিছু খেতে গেলে ২০০-২৫০ টাকার নিচে কিছু পাওয়া যায়না সম্ভবত। দেশটাকে আমি প্রাচুর্য্যপূর্ণ বলবো। প্রাকৃতিক সম্পদের কারণেই সেখানে কেউ না খেয়ে মরবে না। আর একজন মাহাথির মোহাম্মদের ভুমিকা তো থাকেই। এক টানে কয়েক দশক এগিয়ে দিয়ে গেছেন।

মালয়েশিয়ার ৬০ ভাগ মুসিলিম। সেখানে দুই ধরণের আদালত আছে। মুসিলিমদের বিয়ে, সম্পত্তির ভাগ, তালাক সহ নানা বিষয়ের নিস্পত্তি হয় শরীয়া আদালতে। অপরাধমুলক এবং অন্যান্য বিচার হয় সাদারণ আদালতে। সুপ্রীম কোর্ট সর্বোচ্চ বিচারিক প্রতিষ্ঠান, তবে তা শরীয়া আদালতের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করে না। তবে এই শরীয়া আইন আবার অন্যান্যদের জন্য প্রযোজ্য নয়।

মালয়েশিয়া সম্পর্কে আলাদা তথ্য দেই। মালয়েশিয়া একসময় সালতানাত ছিল। বেশ কয়টি রাজ্য ছিলো যার রাজারা ছিলেন একজন রাজার অধীন। ১৯৯৪ সালে রাজার ক্ষমতা রহিত করা হয় এবং এখন রাজা সেরেমোনিয়াল ফিগার মাত্র। তবে মালয়েশিয়ান সামরিক বাহিনীর নেতৃত্ব থাকে বিভিন্ন রাজ্যের শাসকদের কাছে যারা পদাধিকার বলে সেটা অর্জন করেন। এজন্য দেখবেন মালয়েশিয়ান এয়ারফোর্সকে বলা হবে রয়াল মালয়েশিয়ান এয়ারফোর্স। ব্যাপারটা বলা এ কারণে যে, মালয়েশিয়ার নানা অঞ্চল আলাদা আলাদা সালতানাত হিসেবে ছিল। সেখানে চালু ছিলো মুসলিম শাসন। আর শাসকেরা মুসলিম বলে সেখানে তাদের পছন্দের শরীয়া আইন চালু করে। তখন থেকে সেটাই সেখানে বহাল আছে, এবং সেখানকার মুসলিমদের মধ্যে সম্ভবত এ কারণে তেমন কোনো অভিযোগও নেই। অভিযোগ না থাকবার একটা সম্ভাব্য কারণ হতে পারে শিক্ষা এবং সচেতনতার অভাব। আর যদি সেখানকার শরীয়া আইনে ভুল থাকে যা প্রথমত কোরান পরিপন্থী হয়, তাকে ভুলই বলা উচিত। কোরানের বিধান এবং নির্দেশনা স্পষ্ট, নিজস্ব শরীয়া আইন প্রনয়নে ভুল করে থাকলে সেখানকার মানুষেরাই করেছে, করছে।

জাতিগত মালয়রা ব্যাপকমাত্রায় ল্যাথার্জিক। মালয়েশিয়ার আর্থিক সবকিছু, ব্যবসা বানিজ্য নিয়ন্ত্রন করে জাতিগত চীনা রা। মালয়দের এ ব্যাপারে গা ছাড়া ভাব আছে। তবে মাহাথির সরকার মালয়দের টেনে তোলার ব্যবস্থা করে। সরকারী নানা চাকুরীতে মালয়রা অন্যদের চেয়ে উচ্চ বেতন এবং অগ্রাধিকার পায়। এ ব্যাপারে অন্যান্যদের ক্ষোভ আছে। তবে মাহাথিরকে মালয়রা পয়গম্বরের মত শ্রদ্ধা করে। মাহাথিরের শাসন নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলেন। একবার একটা সাক্ষাতকারে উনাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো, আপনাকে তো বিরোধীরা স্বৈরশাসক মনে করে। আপনি গণতন্ত্র ধ্বংস করে দিয়েছেন। মাহাথিরের উত্তর ছিলো, যে দেশের বেশিরভাগ মানুষ অশিক্ষিত, গণতন্ত্র কি জিনিস তাই জানেনা, তাদের জন্য গণতন্ত্র নয়, তাদের উন্নতির জন্য স্বৈরশাসনই দরকার। আমাদের দেশেও এমন স্বৈরশাসক দরকার, যে দেশের উন্নতির জন্য কাজ করবে, পরিবার কিংবা দলের জন্য নয়।

@ সোহেলী, এখানের শেষ কিছু বক্তব্যেই আমার কথা শেষ। আলাদা করে কিছু পোস্ট করবার দরকার নেই মনে হয় আর। ধন্যবাদ আপনাকেও।

১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৫১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: সমস্যার কথা হলো এইীসলাম সব খলিফারাই চালু করতে পারেন নাই, তার ওপর আমরা যারে স্বর্ন যুগ বলি সেগুলা মূলত মুসলিম সম্রাজ্যের বিস্তার আর যেসব খলিফাদের নাম বলে ন্যায়বিচারের কথা বলি তৎকালীন সময়ে আরও অনেক দেশেই খেলাফত সিস্টেম চালু ছিলো কিন্তু তারা ছিলো আরো জালেম, বর্বর। তারা ইসলাম দিয়া জন গনরে পিটাইয়া বছরের পর বছর ক্রীতদাস কইরা রাখছে।

সেগুলা বাদ দেন এই কয়েক দশক আগেও আমাদের গ্রাম বাংলায় গ্রাম্য সালিশে ফতোয়া দিতো মোল্লারা। এমনও দেখা গেছে ধর্ষিতারে আরেকবার বিছানায় নেয়ার জন্য ব্যাভিচারের দায়ে দোষী কইরা চয়ায়ারম্যান আরেকবার বিছানায় নিতো। আর যদি চ্যায়ারম্যানের পোলা বা সাগরেদরা আকাম করে তাইলে ধর্ষিতার লগে বিয়া অথবা ৪-৫০০০ টাকা বা একট হালের গরু দিয়া ঘটনা মীমাংসা করতো। এইসব সিস্টেম এখনো আসে সিলেট চট্টগ্রামের ব হু গ্রামে।

এই ফতোয়াবাজ মোল্লারা দেশে ফতোয়া বাজী সালিশ বেআইনী হওয়া সত্বেও এইসব আকাম করে, এসব যখন জাতীয় পর্যায়ে আইন তৈরী করবে তখন সৌদী মালয়, পাকি ব্রুনাই মডেল অনুসারে আরো বর্বর আর নিম্ন মানের শরীয়া আইন চালু করবে। তখন পরিস্থিতি কত ভয়াব হ হবে সেটা চিন্তারও বাইরে!

যেহেতু বাংলাদেশে এখন এটার রব উঠেছে, দিন দিন এই রব আরো শক্তিশালী হবে।

৬৪| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৮:৪৭

ডাইরেক্ট টু দ্যা হার্ট বলেছেন:
লেখক বলেছেন: এখন আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশের মোল্লারা সৌদী, পাকি, মালয় মডেল রেখে এরকম নিরপেক্ষ মডেল মেনে নেবে? আমাদের গ্রাম বাংলার দিকে তাকান। এখনও মোল্লারা যে সালিশ করে সেখানে ধর্ষনের শাস্তির জন্য হয় ধর্ষক ধর্ষিতাকে বিয়ে করে অথবা কিছু টাকা পয়সা দিয়ে ঘুরে বেড়ায়।

উদাসী ভাই আমি যদি এখন আপনার এই প্রশ্নের জবাবে একটু কঠিন করে বলতে যাই তো বলবো সমাজে মোল্লাদের কোন প্রয়োজন নেই। প্রতিটা মানুষ তার সামান্যতম বিবেক বুদ্ধি দিয়ে নিজের ভালো এবং ধর্মীয় বিষয় গুলো পালন রক্ষা করা ক্ষমতা রাখে, যে যত টুকু বুঝবে সেই টুকু পালন করলেই হয়,যে যা বুঝেনা তার পালনের যেমন দরকার নেই তেমনি মোল্লা নামক কিছু বস্তু বিশেষের দ্বারস্থ হবার দরকার নেই বলেই আমি মনে করি।
যেমন আপনার কথায় যদি আসি তো বলবো আপনার ধর্মকে জানার পথ সঠিক কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে আপনার মানার পথ টুকুতে ঝামেলা আছে,এবং সেটা মাঝে মাঝে আপনি হয়তো ভুল মানুষের উপর রেগে গিয়ে এগ্রেসিভ হয়ে যান বলে।যদি ঐটুকুতে আপনি আপনাকে সামলাতে পারেন তাহলে বলবো ধর্ম জ্ঞান অন্য অনেকের চেয়ে আপনার বেশি আছে, এবং আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলে আপনি পারবেন ধর্মের মুল অংশটা তুলে আনতে নিজের কাছে এবং অন্যের কাছে।তবে আপনি যেটা ভুল করেন সেটা হলো ড্রাইভার দিয়ে গাড়ির বিচার, এটা থেকে আপনাকে সরে আসতে হবে।কোন ভুল বা অদক্ষ ড্রাইভারে জন্য আপনি গাড়ি কোম্পানিকে দোষ দিতে পারেননা।
আমাদের সমাজ এবং মোল্লাদের দাপটের কথা যেটা বলেছেন সেই বিষয়ে বলতে গেলে বলবো ধির গতিতে হলেও আমাদের সমাজে মোল্লাদের দৌড়াত্ব অনেক কমে এসেছে, আমি সেই ছোট কাল থেকে বাংলার আনাচে কানাচে ঘোরা ঘুরি করে এসেছি আমার দেখা অনেক চিত্র এখন আর নেই।সুতরাং আপনারা যারা সবকিছুর মুলে হাত দেয়ার ক্ষমতা রাখেণ তাদের বলবো কিছু অসৎ মানুষের অসঙ্গতি আচরণে দেখে গোটা সমাজ ও ধর্মের উপর দোষ বা অনিহা আনতে যাবেননা।

বিয়ে তালাক এবং হিল্লা বিয়ে নিয়ে অনেকের ভুল ধারণা আছে, এবং এই ভুল ধারণা সৃষ্টি হবার পিছনে মোল্লারাই দায়ি।তারা তাদের প্রয়োজনীয়তা সমাজে ধরে রাখার জন্য এসব বিষয়কে ভুল ব্যখ্যা করে জিয়ে রেখেছে, কারণ যত তালাক তত বিয়ে,তত হিল্লা তত খানাপিনা,কারণ ঐ সকল বেকার পঙ্গু মোল্লাদের এসব ছাড়া খেয়ে বেচে থাকার আর কোন উপায় ছিলোনা এক সময় এবং এখনো ।আর ঘটনা দুরঘটনা যত থাকবে ততই দাওয়াত সালিশ খানাপিনা অব্যাহত থাকবে।

আপনি আমার চেয়ে ভালো জানেন যে কিভাবে তালাক সম্পাদিত হয়, কেউ যদি তার স্ত্রী বা স্বামীকে তালাক দিতে মনস্থীর করে তাহলে তিনমাস একে অন্যকে সময় দিতে হবে,তিনমাস পরও যদি তারা সিদ্ধান্তে অটল থাকে তাহলে বাকি নিয়ম অনুযায়ী কাজী আদালত ঢেকে লিখিত আকারে তালাক দিতে হবে,যদি তারা এই সময়ের মধ্যে মত পাল্টায় তাহলে একসাথে বসবাস করতে পারবে আগের মতই কোন বিয়ে অনুষ্ঠানের দরকার নেই, শুধু আল্লাহর কাছে মনে মনে ক্ষমা চেয়ে নিবে এমন ভুল সিদ্ধান্ত সে আর কোনদিন নিবেনা,এইভাবে যদি তিনবার করে, তালাক দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনমাস বিছানা আলাদা করে আবার মিলিত হয় তখন তৃতীয়বার আর সে স্বাভাবিক ভাবে গ্রহণ করতে পারবেনা,তখন হিল্লা বিয়ার মত এই নির্মম বিষয়টা আসবে।
এটাই কোরাণে আছে। আপনি ইহাকে অস্বীকার করতে পারবেনা।আপনি ভেবে দেখুন আপনার স্ত্রী যদি পর পর তিনবার আপনাকে ছেড়ে দেয়ার সীদ্ধান্ত নিয়ে আপনাকে আলাদা করে ফেলে আবার মেনে নেয় আপনার কেমন লাগবে, ? মানুষ একবার রাগে বা কোন কারণে ভুল করে তাই বলে একি কাজ তিনবার করবে তাকে কি মেনে নেয়া যায়? এত সহজে কি তা ছেড়ে দেয়া যায় বলেন? এমন কাজ যেন মানুষ খেলার ছলে কিংবা রগের ছলে করতেই থাকে তার জন্য এই শাস্তি প্রযোজ্য,আমি তাই মনে করি। কারণ হিললার বিয়ের মত এত কঠিন কট্টর কষ্টের কাজ আর নেই দাম্পত্য জীবনে, এখন আপনি বলতে পারেন সেটা নারীর জন্য কেন? পুরুষকে হিল্লা বিয়ে দেয়না কেন। এটার কারণ একটা পুরুষ একাধিক বিয়ে করে, এক সাথে একাধিক বউ ঘরে রাখে সেটা অনেক নারী মেনেও নেয় কিন্তু নিজের বউকে অন্যের সাথে ভাগাভাগি করতে পারেনা কোন পুরুষ, পুরুষ খুবি জেলাসী হয় নারীর বেলায়, রাগে ক্ষোভে বউকে ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত তারা নিতে পারে কিন্তু নিজের বউকে অন্য পুরুষের ঘরে পাঠানোর মত এত শক্ত কঠিন হৃদয় সাধারণত পুরুষের নেই, তাই আল্লাহ সেই নির্মম কাজ টুকু করতে বাধ্য করেন যেন মানুষ তিন তিনবার সম্পর্ক নিয়ে তামশা করার সাহস না করে।কিন্তু সমাজের কথিত মোল্লারা বিয়ে তালাক বিয়া হিল্লা দাওয়াত এসবকে এনজয় করার জন্যই তিন তালাক মানে তালাক তালাক তালাক বুঝিয়েছেন যা মারাত্মক ভুল এবং অন্যায় মহাপাপ।

অনেক লম্বা কমেন্ট হয়ে যাচ্ছে,এটা আমার একটা সমস্যা, আপনাদের মত কঠিনভাবে সংক্ষেপে মুল্যবান কথা বলতে পারিনা বলে সহজ ভাবে সাধারণ ভাবে দুটো কথা বেশি বলতে হয় আমাকে।

শেষ কথা যেটা বলবো উদাসী আপনাকে- সারা কোরাণ শরীফে আল্লাহ নিজের জন্য চেয়েছেন দুটো জিনিস,তাকে বিশ্বাস করা আর সেজদা করা, আর যতগুলো কথা তিনি বলেছেন তা মানুষের শান্তির জন্যই বলেছেন, মানুষ পৃথিবীতে শান্তিতে থাকবে এটাই বিধাতার একমাত্র গোল। যারা শান্তি বজার রাখবে নিজের জন্য এবং প্রতিবেশির জন্য পরিবারের জন্যই তারাই মুসলিম। এখানে ধর্ম বলতে কিছু নেই, প্রতিটা জাতি গোষ্ঠী ধর্ম থেকে যে কেউ চাইলেই মুসলিম হয়ে উঠতে পারে।যারা কোরাণ হাদিস ইসলাম বেহেস্তকে নিজস্ব সম্পত্তি বানিয়ে ফেলেছে,তারা ছাড়া আর কেউ বেহেস্তে যেতে পারবেনা বলে গলাবাজি করে তাদের নিয়েই ামার সন্দেহ হয়।আমাদের নবী তিনি সকল মানব জাতির জন্য, আমাদের কোরাণ সকল মানুষের জন্য, আমাদের বিধাতা সারা পৃথিবী এবং সারা জাহানের জন্য। এর মধ্যে যারা ভালো কাজ করবে তারাই সফল,যারা করবেনা তারা বিফল।

আবার কিছু মনে পড়লে বলতে আসবো হয়তো। :(

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৪:১২

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: সুন্দর মন্তব্য করেছেন। আর আমিও মানুষ, আমারও ভুল হয়।

তবে আমার মনে হয় মোল্লাদের বাদ দিয়ে কোনো কিছু করা সম্ভব। কারন ধর্ম নিয়ে তাদের যে ব্যাবসা এর বার্ষিক টার্ন ওভার খালি ইসলামিক ব্যাংকের টার্ন ওভার দিয়েই বোঝা যায়- ২ লক্ষ কোটি টাকা। যতদূর জানি বাংলাদেশের দু বছরের বাজেট। তাদের এই সিস্টেমটাকে বাদ দিতে জনপদ তৈরী করা দরকার শুধু এটাই না শক্ত জনপদ যেটা বাংলাদেশে তৈরী করা মোটামোটি একটু কঠিন তার ওপর প্রায় সকল সরকারই তাদের ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য এদের ব্যাবহার করে গেছে এবং করবে।

তার ওপর এখন যারা লেখালেখি করছে, নাস্তিক হোক না হোক তাদের বলে কয়ে কোপানো হবে এবং কেউ কিছুই করতে পারবে না!

তবু একটা জায়গা থেকে শুরু করতে হবে

৬৫| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:২২

অন্যরকম একজন বলেছেন: ভাই আপনি যে-ই হন আপনাকে ধন্যবাদ। আপনি আর আমি একই চিন্তাধারার মানুষ বলেই মনে হচ্ছে। আমি নিজেও একজন প্র্যাকটিসিং মুসলিম, কিন্তু শারিয়া নিয়ে আমারও যথেষ্ট প্রশ্ন আছে, পর্য‌বেক্ষন আছে। আমার পূর্ব অভিজ্ঞতা বলছে এই বিষয়ে আপনি যত রেফারেন্স দিয়েই লিখুন না কেন একশ্রেনীর লোক আপনার সাথে পায়ে পাড়া দিয়ে যৌক্তিক,অযৌক্তিক যেকোনো উপায়ে ঝগড়া করবেই। কোরআন আর শারিয়া যে ভিন্ন তা বোঝার মত ম্যাচিউরিটিও এদেশের লোকজনের নাই। যেখানে কোরআনে সুরা নূরে নারীর বিরুদ্ধে ব্যাভিচারের অভিযোগ প্রমাণ করতে চারজন সাক্ষী জোগাড় করতে বলা হয়েছে যাতে করে কোন সতী নারীর বিরুদ্ধে কেউ মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করতে না পারে। অথচ, আজকে একজন নারীকেই তাঁর ধর্ষিত হবার প্রমাণ হিসেবে চারজন সাক্ষী জোগাড় করা লাগে! কেউ কি ভাবেন না একবার যে যেই বিধান আল্লাহ্‌ দিয়েছিলেন নারীকে রক্ষার জন্য তা রাতারাতি উলটে গেল কী করে? ভাববে আর কী করে? এ নিয়ে ভাবতে যতটুকু সময় ব্যয় করা লাগে ততক্ষন অনলাইনের চটি পেইজে গিয়ে একটু বিনোদন খোঁজার সুযোগ কে হারায়? আবারও ধন্যবাদ,ভাই।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:২৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আর এসব হিপোক্রেট স্যাডিস্ট লোকজন যখন শরীয়াহ আইনের জন্য আন্দোলন করে তখন শুধু নিজের জন্য না, আমার আশেপাশের কাছের মানুষ নিয়া কোথায় পালিয়ে বাচবো সেই চিন্তায় রাতে ঘুম হয় না! কারন এদের দৃষ্টি আপনার আমার ঘরের মেয়ে লোকদের ওপরই!

আপনাকেও ধন্যবাদ এমন সুন্দর কমেন্টের জন্য

৬৬| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৩০

মহা সমন্বয় বলেছেন: চারিদিকে এত ধর্ষণ আর ধর্ষণ নিয়ে আলোচনা কেন? ইদানিং একটা বিষয় লক্ষ্য করছি মুমিন বান্দরদের মাথায় সব সময় ধর্ষণ আর যৌনতা ঘুরপাক খায় এদের সাথে কথাই বলা যায় না। কথা বলতে গেলেই ধর্ষণ,যৌনতা আর মা,বোনকে টেনে আনে। এ এক ভারী সমস্যা X(( এরা ধূর্ত শেয়ালের চেয়েও বেশী চালাক। এদের সাথে পারা মুশকিল হয়ে যায়। এরা তাদের মূর্খামী দ্বারা অন্যকেও মূর্খ প্রমাণ করে ছেড়ে দেয়। আল্লাহ পাক এই মহা বিশ্বে আজব এক জীব পাঠিয়েছেন। এরা নিজেদের মানুষ মনে করে না। এজন্য আমি এদের নাম দিছি মুমিন বান্দর। :-P
এই ছবিটি তার ছো্ট একটি নিদর্শন মাত্র।


আর আপনার পোষ্ট নিয়ে নতুন করে আর কিছু বলার নেই প্রিয়তে রাখছিলাম আজ সবটুকু পড়লাম। :)
এই ব্যাপারটি নিয়ে ফেসবুকে আমি দুইদিন আগে ছোট একটা পোষ্ট দিয়েছিলাম ভিডিও প্রমাণ সহকারে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে বান্দরেরা নূরাণী বাণী পেশ করে। সৌদি আরব এদের কাছে এক সন্দেশের নাম। তাদের ধারণা সৌদি আরবে নারী নির্যাতন হতেই পারে না। নারী নির্যাতনের ওই ভিডিও নাকি আমি নিজে বানিয়েছি। :(
যা হোক.. আপনার এই পোষ্ট পেয়ে আমি জানে পনি পাইলাম :) । এইবার মুমিন বান্দরদের চোখে আঙুল ঢুকিয়ে দিয়ে তারপর এই পোষ্ট দেখাতে হবে। B-))

২৩ শে এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৪৭

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: দাসীদের সম্ভোগ করা, যু্দ্ধ বন্দীনীদের ধর্ষণ করা ইসলামে জায়েজ আছে বিধায় মুসলীমরা এগুলোকে অপরাধ মনে করে না। এভাবেই মুমিন বান্দরদের জন্য ইসলাম সবকিছু সহজ করে দিয়েছে আর তাদের কোন ভয় নেই কারণ বর্বর ইসলাম তাদের আশ্রয় দাতা।

স্ট্যাটাসে যদি এই কথা লেখেন তো সবাই আপনারে তোয়াজ করবে! আর অনন্তের পথের ঐ কমেন্ট তো পাইলাম না। পাইলাম অন্যান্য কমেন্ট যেগুলো ওর নিজের যুক্তিতেই স্যাটায়ার করছে। তার ওপর হালার নিক দেইখা স্পেসিফিক বুঝলাম না সে কুন পন্থি। যদিও আস্তিক নাস্তিক সম্পর্কিত অনেক পেজে তার লাইক। আর মহিউদ্দিনের কমেন্ট হলো ফাউল রাস্তায় তর্ক করা। এইটা ওর ব্যাক্তিগত অক্ষমতা

৬৭| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৩৯

মহা সমন্বয় বলেছেন: ছবিটি দেয়া ঠিক হইল কি না ভাবতেছি |-) গতকাল মুমিনদের একটা গ্রুপে পোষ্ট করছিলাম। ওরা যুক্তিযুত কোন উত্তর না দিয়ে আজেবাজে কমেন্ট করে তাই আমিও একটু আজেবাজে কইছি। :`>

২৩ শে এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৫০

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আমার মনে হয় ঠিক হয় নাই, কারন পাবলিকে আপনের নাম জানলো ভালো কইরা। এখন বাংলাদেশে নাকি জঙ্গিরা ফেসবুক আইডি থিকা আইপি পর্যন্ত বাইর কইরা হালায় যদিও যখন লিগ্যাল নোটিশ নিয়া অশ্লীল কোনো পেজ নামাইতে যাই তখন র‌্যাব এতো হাতি ঘোড়া নিয়া বইসা থাইকাও বাইর করতে পারে না আকাম কুন হালায় করছে।

আমার হিসেবে নিজের নাম খান মুইচ্ছা দিতে পারতেন যদি আপনে দেশে থাকেন। কারন দিন কাল ভালা না। পেছন থিকা কোপ খাইলে সরকার নাস্তিক শুইনা চক্ষু উল্টাইবো, ঐদিকে জঙ্গিদের বদৌলতে কিছু নাম কামাইবেন যে ব্যাটা বোলগার নাস্তিক!

বাকি সব আপনের বিবেচনা!

৬৮| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১০:৩৩

শাহ আজিজ বলেছেন: উম্মাহ !!

২৩ শে এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৫১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ভাইজান কি চুম্মা দিলেন নাকি মুসলিম উম্মাহর উম্মাহ লিখলেন?

খোলাসা করেন! আর প্রসঙ্গত আমি গে না, নারী লোভী পুরুষ!

৬৯| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:১২

শাহ আজিজ বলেছেন: ভাইজান কি চুম্মা দিলেন নাকি মুসলিম উম্মাহর উম্মাহ লিখলেন?

=p~ =p~ হা হা হা , মুসলিম উম্মাহ লিখেছি । আপনার পোস্ট পর্যবেক্ষণে রাখতে শুধু চেকার দিলে হয়না কিছু লিখতে হয়, আমি ধর্মীয় পোস্টে কখনো লিখিনা । সব পড়ে মনে হল আমাদের তরুণদের বোধশক্তি ফিরে এসেছে। ব্রিটিশ আইনে দেশ চালাবেন আর শাস্তি দেবেন আরবি কায়দায় , কি মজাক। চিনাদের নিয়ে উইলিয়াম হান্টিং ফান শেন নামে বই লিখেছিলেন যার বাংলা দাড়ায় " ঘুরে দাড়াও"।
আমাদের অনারবদের ঘুরে দাড়াতে হবে।

আমি এল জী বি টি বিরোধী । আমার বিশাল পোস্ট আছে চায়না ব্লগে নিউইয়র্ক অর গেইয়র্ক ।। অপরাধে অনেক মার্কিন সিনেটর আমায় আনফ্রেন্ড করেছে সেই ২০১১ সালে।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:২৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ভাইজান আমার পোস্ট পর্যবেক্ষনে রাখছেন শুইনাই মনে হইতেছে আমার জ্বর ঠান্ডা অর্ধেক সাইড়া গেছে। ভাবছিলাম স্টিম বাথা নিমু, পরে এক কলিগ এমুন ঝাড়ি দিলো যে সে কয় জ্বর ঠান্ডা হইলে স্টিম লয় এইটা সে জীবনে শুনে নাই। হেয় আমারে রেফার করলো থাই ম্যাসেজে। কালকা এপয়েন্টম্যান্টও ঠিক কইরা দিছে ঐ মাইয়া!

আর আমার পোস্ট পইড়া কেন মনে হইলো তরুনদের বোধোদয় হইতেছে বুঝলাম না। কারন আমি এখন আর তরুন নাই, তার ওপর তরুন কালে নাস্তিকরা মনে করতো আমি কাঠ মোল্লা, আর আস্তিকরা মনে করতো আমি হইলাম কোর নাস্তিক। আমারে কোনো দলেই কেউ রাখতে চায় না। তাই আমারে যদি মনে করে তরুন সমাজরে আমি প্রতিনিধিত্ব করি তাইলে ভুল করলেন। বরং বলতে পারেন পাগল ছাগল মানুষদের প্রতিনিধিত্বের কথা, তাইলে আমি তার পারফেক্ট উদাহরন।

আর আপনের ঐ বইটা আমি পড়ি নাই। কারন সায়েন্টিফিক জার্নাল, কোরান, বুখারী তিরমিজি দাউদ ছাড়া আমি খুব বেশী পড়ি না। আর আমি এলজিবিটি বিরোধী না।এর পক্ষে। এইটা নিয়া পোস্ট লেইখা আস্তিকদের গালি আর সমাকামীদের ভালোবাসার দাবড়ানী দুইটাই খাইছি। যদিও ব্যাক্তিগত ভাবে আমি স্ট্রেইট, আলুর দোষ আছে আর গে হিজড়া দেখলে ঘৃনায় বমি আসে। কিন্তু এটাকে আমি আমার নিজের মানসিক সমস্যা মনে করি। আমার যেমন বেচে থাকার, ভালোবাসার, এমনকি ঘর সংসার করার অধিকার আছে, ঠিক তেমনি তাদেরও সে অধিকার আছে!

৭০| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:৪৩

মহা সমন্বয় বলেছেন: পরে অনন্তরে ব্যান করেছে খারাপ ভাষা ব্যাবহার করার জন্য। আর ওর সব কমেন্ট ডলিট করে দিয়েছে।
আসলেই দিন কাল ভাল না। কবে যে মইরা যাই আল্লাই জানে। :(

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১:২৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: নয়া নাম এফিডেভিট কইরা মাথায় টুপি লাগাইয়া ঘুরা শুরু করেন!

৭১| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৭:৫০

বাঘ মামা বলেছেন:
ডাইরেক্ট টু দ্যা হার্ট আমার মন্তব্য প্রায় অনেকটাই সহজ করে দিয়েছেন, তার মন্তব্যের একশত ভাগ সহমত।তবুও এসেছি যখন খানিকটা বলে যাই আরবে সম্পর্কে।

আমি খুব বেশি গভীরে যাবোনা,শুধু আরবের পারিবারিক দিক নিয়ে বললেই বুঝতে পারবেন তারা কেন সারা পৃথিবী থেকে পিছিয়ে আছে,যখন আরবের কোন মেয়ে বিবাহের সময়ে পা দেয় তখন মেয়ের বাবা বাড়ীর উপর একটা পতাকা টাঙ্গিয়ে রাখেন,যেন সবাই বুঝতে পারে এই বাড়ীতে একজন বিবাহ যোগ্য মেয়ে আছে, এটা দেখে যে কেউ সেই মেয়েকে বিবাহের প্রস্তাব দিতে পারেন এবং বিবাহ করতে পারেন যদি সেই মেয়ের বাবার অর্থনৈতিক চাহিদা পুরণে সামর্থ্য হয়। যে যত বেশি টাকা দিতে পারবে সেই এই মেয়ের বর হিসেবে উপযুক্ত যেখানে বয়স বলে কোন বাধা নেই পুরুষের ক্ষেত্রে। একজন ১৮ বছরের মেয়েকে টাকার বিনিময়ে কিনে নিতে পারে ৫৮ বছরে বয়সের যে কেউ। ভেবে দেখুন সেই দাম্পত্য জীবন কেমন হতে পারে, কোন রকম মনের মিল ছাড়াই শুধু মাত্রে শরীর গাথুনিতে বেড়িয়ে আসে নতুন প্রজন্ম,তাকে লালন পালন করে ভিন্ন ভাষাভাষীর হাউজমেড। আরবিতে যাকে বলে খাদ্দামা, এই খাদ্দামা গুলো আসে বাংলাদেশ,পাকিস্তান,নেপাল,ফিলিপাইন ,ভারত সহ বিশ্বের নানা দেশে থেকে,তাদের কোলে বড় হয় এই আরব সন্তান গুলো,এই শিশু গুলো কোন রকম পারিবারিক শিক্ষা ছাড়াই বড় হয়ে উঠে, যাদের মধ্যে মেধা মননের ছিটেফোটা থাকেনা সাধারণত।
এই জাতি থেকে আর কি আশা করবেন উদাসী আপনি বলেন? দরকার আছে কোন আরব ইতিহাস সংবিধান রাষ্ট্র ব্যবস্থা হেন তেন ? যাষ্ট এই টুকুতেই কি অনুমান করা যায়না আরব দেশের মানুষ গুলোর চিন্তা ভাবনা,ধর্ম, পারিবারিক ,সামাজিক, রাষ্ট্রিয় রাজনীতি জ্ঞান কি হতে পারে?
তাই আর গভীরে গেলামনা,যা দেখলে শুনলে গা শিহরে উঠে।

যতদিন এরা নারীকে পন্যের মত কিনে এনে সংসার শুরু করবে আসবাব ব্যবহারের মত ততদিন কোন আলোই এদের আলোকিত করতে পারবেনা।শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড,সেই দন্ডই তাদের নেই হাজার বছর ধরে।এই মেরুদন্ডহীন ঝুকে থাকা আরব জাতির মাথার উপর কোরাআন যা মস্তিষ্কের মধ্যে নেই।তাই তারা দিনে দিনে গহীন অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে।যেই অন্ধকার দেশকে নবীজি আলোতে এনেছিলো সে জাতি আবার তাদের পুর্ব গুহায় ফিরে যাবে এটাই সত্য।

শুভ কামনা সব সময় আপনার জন্য

০১ লা জুলাই, ২০১৬ রাত ৮:০৭

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কথা হইলো টাকার বিনিময়ে নিজের কিশোরী মেয়েকে বুড়াদের সাথে বিয়ের চল অনেক আগেই বাংলাদেশে শুরু হয়েছে। সিলেট, চট্টগ্রাম রাজশাহীর প্রত্যন্ত অন্ঞ্চলে এর প্রকোপ ভয়াব হ। আমাদের উচিত দক্ষিন এশিয়ায় বাল্যবিবাহতে আমাদের চ্যাম্পিয়ন অবস্থানটা নিয়ে কাজ করা উচিত আর বেশী বেশী লেখা লেখি করা উচিত

৭২| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:০৯

ভুঘুল বলেছেন: কি রে ভা্ টুমি পাগোল হৈচো

৭৩| ০১ লা জুলাই, ২০১৬ রাত ৮:০০

বিবেক ও সত্য বলেছেন: কঠিন বিতর্ক।

০১ লা জুলাই, ২০১৬ রাত ৮:০৮

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কঠিন বিতর্কটা কোথায় পাইলেন সেটাই তো বুঝললাম না। সব বাংলা ভাষায় রেফারেন্স স হ সুন্দরভাবে লেখা। কোন জায়গায় কঠিন লাগছে সেটা নিয়ে আপনি প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি আপনার চিন্তা ভাবনা শেয়ার করতে পারেন

৭৪| ০১ লা জুলাই, ২০১৬ রাত ৮:২৪

বিবেক ও সত্য বলেছেন: ধন্যবাদ লেখককে। সময় স্বল্পতাহেতু সংক্ষিপ্ত মন্তব্য করেছিলাম।
স্রষ্টা কোন বিধান দিলে তাতে এত অস্ষ্টতা থাকার কথা নয়। মানবরচিত বিধান হওয়াই এত জগাখিচুড়ি অবস্থা।

০১ লা জুলাই, ২০১৬ রাত ৮:৩৬

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: তাহলে আপনি কি বলতেছেন ইসলাম মানবধর্ম রচিত?

৭৫| ২৯ শে মার্চ, ২০১৭ সকাল ৯:৪১

ওসেল মাহমুদ বলেছেন: সৌদী আরব বা যে কোন তথাকথিত "মুসলিম" কি করলো তা দিয়ে "ইসলাম"কে বিচার করলে তো হবে না কেননা "ইসলাম" সকল মানব/জ্বীন জাতির মুক্তি সনদ কোন বিশেষ গোস্ঠীর নয় !হোয়াইট লায়নের সাথে একমত !

২৯ শে মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৩:১৭

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: তা এখানে ইসলামকে কোথায় কটাক্ষ করা হলো বলতে পারেন?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.