নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বান্দর হাটে, বান্দর গায়... সবাই তাকাইয়া দেখে, অবাক হইয়া চায়। মনের দুঃখ চোখের পানি, হারায় সব আনন্দ খেলায়!

উদাসী স্বপ্ন

রক্তের নেশা খুব খারাপ জিনিস, রক্তের পাপ ছাড়ে না কাউকে, এমনকি অনাগত শিশুর রক্তের হিসাবও দিতে হয় এক সময়

উদাসী স্বপ্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইসলামিক নারী স্বাধীনতা: পর্দা প্রথা এবং শারীরিক প্রভাব!

১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:২৮



ইসলামে নারী স্বাধীনতা এবং পর্দাপ্রথা দুটোই স্পর্শকাতর বিষয়। ইদানিং আমি যেকোনো বিষয়ে পোস্ট লেখার আগে দ্রুত আসল বিষয়ে চলে যাই, তবে এই পোস্টে কিছু কথা লিখে শুরু করি। বর্তমান সময়টা বেশ অস্থির একটা সময়। ইসলাম ঘিরে নানা গ্রুপ এর পক্ষে, বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছে। ইসলামের বিরুদ্ধে কাজ করে বিশাল ইন্ডাস্ট্রি যেমন গড়ে উঠেছে তেমনি ইসলামকে পন্য করে গড়ে তোলা হয়েছে বিশাল বিশাল সম্রাজ্য, ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান। আর যখন নারীর কথা আসে, দুঃখ জনক হলেও সত্য নারী সেই আদিকাল থেকেই পন্য ছিলো। কেউ একটু ছাড় দিয়ে বিশাল বাহবা কুড়াতো, কেউ নারীকে ফাঁদে ফেলে তাও করতো। এখন নারীর পাশে এতো ফাঁদ, প্রতারনা.....তাই এমন দুটি স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে ঠিক কোন দিক থেকে লেখা শুরু করা যায় এটাও অনেক চিন্তার বিষয়।

তাই চিন্তা করলাম এসব কিছু নিয়ে না লিখে সবচেয়ে ভালো হয় এর গোড়া কোথায় সেটা নিয়ে কথা বলা দরকার। মানুষের সাথে অনেক কিছু নিয়ে তর্ক করা যায়, তর্কে খেই হারিয়ে ফেলা খুব সহজ যে আসলে কোনো বিষয়ে কথা বলা শুরু করেছিলাম। তার চেয়ে মানুষকে জানানো দরকার আসলেই কি ছিলো আর আসলেই কি হচ্ছে আর আসলেই আমরা কি জানি! এবং সত্যিকারভাবে আমাদের একটা বেসিক ধারনা রাখা দরকার ইসলাম নারীকে কিভাবে চলতে বলেছে। এখানে আমি এটা কখনোই বলবো না কোনটা অধিকতর শ্রেয়: ইসলামিক নারী স্বাধীনতা না প্রচলিত বর্বর শরীয়া ভিত্তিক দেশের নারী স্বাধীনতা বা আধুনিক সমাজব্যাবস্থার নারী স্বাধীনতা; মূলত এটা আপনারাই আলোচনা করে বের করে নিন।

আলোচনার বিষয়: ইসলাম বোলে তো আমি অবশ্যই কথা বলবো কোরান আর স হী হাদিস সমূহতে কি কথা বলা আছে সেই বিষয়ে। সেভাবেই নীচে পয়েন্ট আউট করি।


ইসলামে পর্দা প্রথা: কোরান আর স হী হাদিসের আলোকে। মুয়াবিয়ার যেকোনো হাদিস আমি পরিহার করি। কেন করি সেটা বলবো আমি আরেক পোস্টে।

আলোচনা করা হবে যথোপযুক্ত কোরানিক আয়াত এবং হাদিস দিয়ে এবং তার সাথে তাদের সূত্রাবলী অবশ্যই বর্ণিত থাকবে। যেসব বিষয়ে কোরান হাদিসে কোনো বর্ননা পাওয়া যাবে না সেসব বিষয়ে কি ফতোয়া চালিত আছে সেসবের বিষয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করা হবে।

তার আগে আপনারা বাল্যবিবাহ সম্পর্কে এই পোস্ট টি পড়তে পারেন যেখানে বলা আছে বাল্যবিবাহ ইসলাম অনুমোদন করে কিনা এবং এটা কি সুন্নত বা ফরজের পর্যায়ে পড়ে কিনা সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

শুরু করা যাক আসল ঝগড়া:

পর্দাপ্রথা:

ইসলাম কি বলে:

কোরান এবং সহী হাদিসের আলোকে একজন নারীকে এমন ভাবে হিজাব করতে হবে যাতে নীচের এই ৭ টা শর্তাদি পূর্ন হয়। কোরান শরীফের আয়াতের অর্থসমূহ নেয়া হয়েছে ৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (দয়া করে এখানে কোনো দুর্নীতির খোজ করবেন না, আমি দুদক না ;)) এই অসাধারন ওয়েবপেজ থেকে।

প্রথম শর্ত: কতটুকু ঢাকতে হবে?

পাবলিক প্লেসে একজন নারী যখন বের হবেন তখন তাকে শরীরের যেসব অংশ ঢেকে রাখতে হবে আর যা না ঢাকলেও চলবে তার নির্দেশনা আছে নীচের এই আয়াত গুলোতে।

সূরা আন-নূর (মদীনায় অবতীর্ণ), আয়াত সংখ্যা ৩১

"ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও। "

এই আয়াতে زينة বা জিনা শব্দের বাংলা অর্থ ধরতে গেলে সাজ, সজ্জা অলংকার। এবং বেগানা পুরুষ কারা হবে সেটা সম্পর্কে বলা আছে। তবে এখানকার অর্থ অনুসারে এই সাজ সজ্জার ব্যাপারে দুভাবে বলা আছে সেটা হলো একটা দৈহিক গোপন অঙ্গ সমূহ আরেকটা হলো নারীরা পোষাক পরিধান দিয়ে যে রূপটা ফুটিয়ে তোলে। তো মেয়েদের পরিধান সমূহের ব্যাপারে বলা আছে যা সাধারনত প্রকাশমান তা ছাড়া সব যেন ঢেকে রাখা হয় আর বুকের ওপর একটা ওড়না দিয়ে রাখে যেটা মাথায়ও থাকবে। আর স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, এদের সামনে ছাড়া অন্য কারো কাছে ন গ্ন বা অর্ধ নগ্ন বা গোপন অঙ্গ প্রকাশ না করে।

কিন্তু শেষের দিকে এই আয়াতের অর্থ নিয়ে একটা ক্যাচাল আছে। আমার আরবী জ্ঞান অতটা স্বয়ংসম্পূর্ন না তাই ইংলিশ অনুবাদ নিলাম:

পিকথাল বলছে:
And let them not stamp their feet so as to reveal what they hide of their adornment.
ইউসুফ আলি বলছে:
that they should not strike their feet in order to draw attention to their hidden ornaments.
শাকির বলছে:
let them not strike their feet so that what they hide of their ornaments may be known;
সূত্র এখানে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অর্থ বলছে:
that they should not strike their feet in order to draw attention to their hidden ornaments

তার মানে মেয়েদের জোরে হাটা মানা। আমার কমন সেন্সে যেটা বোঝায় সেটা হলো র‌্যাম্প মডেলিং করন যাইতো না।

সূরা আল আহযাব (মদীনায় অবতীর্ণ), আয়াত সংখ্যা ৫৯
"হে নবী! আপনি আপনার পত্নীগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে। ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। "

উপরোক্ত আয়াত অনুসারে মাথার যে চাদর থাকে বা ওড়না সেটা দিয়ে যেনো তারা মাথা, ঘাড় আর বুকের পুরো অংশ ঢাকা হয়। এই নির্দেশনা পাওয়া যায় আবু দাউদে বর্ণিত হযরত আয়েশা রাঃ এর একটা হাদিস থেকে, যেখানে বলা আছে আবু বকর রাঃ এর সাথে দেখা করার জন্য নবিজী সাঃ ঘরে আসলে হযরত আসমা রাঃ এর দেখা পান যেখানে তিনি খুব পাতলা কাপড়ে ছিলেন, তখন নবিজী সাঃ ইরশাদ করেন,"হে আসমা রাঃ! যখন কোনো মেয়ে বয়ঃসন্ধিতে উপনীত হয়, তখন তার শরীরের কোনো অঙ্গ যাতে দেখা না যায়" এই বলে তিনি তার মুখ আর হাতের দিকে ইশারা করেন।

এখন কথা হলো এই আবু দাউদে বর্নিত হাদিস অনুযায়ীমুখ আর হাতও ঢাকতে বলা হয়েছে। আবার অন্যদিকে বিভিন্ন আলেমরা এটা খ্রিস্টান নানদেরকে যে খীমার দিয়ে পর্দা করতে দেখেছেন যেমন মাথা সহ কান এবং তাদের ঘাড় ও বুকের ওপরের অংশ সেটার দিকেও নির্দেশ করেন।

তার মানে এখানে একটা তর্ক আসতে পারে হাদিস অনুযায়ী সত্যি কি মুখ ঢাকতে হবে কিনা যেখানে কোরানে মুখের কথা বা হাতে কথা বলা হয়নি, বলা হয়েছে গোপন অঙ্গের কথা এবং বুকে ওড়নার কথা?

এখন আমরা আরেকটা হাদিসে দেখি সেখানে কি বলা হয়েছে:

আবু হুরায়রা রাঃ বর্নিত হযরত মুহাম্মদ সাঃ বলেছেন," দুই ধরনের লোক জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে। প্রথম গ্রুপে সেসব সেসব কর্মকর্তারা যারা কিনা গরুর লেজ সদৃশ্য চাবুক ব হন করে এবং তা দিয়ে মানুষকে চবকায়। আর দ্বিতীয় গ্রুপে সেসব নারীরা যারা জামা কাপড় পড়া সত্বেও নগ্নই মনে হয়। তারা পুরুষদের দিকে নিজেদেরকে ঝুকে দেয় এবং তাদেরকে একই ভাবে আকৃষ্টও করে নিজেদের কাছে। তাদের মাথা বুখতি উটের মতো লম্বা হবে, এক দিকে ঝুকে থাকবে (তাদের চুলের খোপার স্টাইলের কথা বলা হয়েছে)। তারা জান্নাতে তো প্রবেশ করতে পারবেই না বরংচ ব হুদুর হতে যে জান্নাতের সুবাশ পাওয়া যায় তা থেকেও বন্ঞ্চিত হবে। (এটার সঠিক কোনো তথ্যসূত্র খুজে পাচ্ছি না, কেউ পেলে আমাকে জানান, আমি এটা যোগ করে দেবো পোস্টে)

এই হাদীসে মূলত চুলের খোপা কেমন হবে এবং আটোসাটো জামা কাপড় যেমন স্কিন টাইট শার্ট, লেগিংস ইত্যাদীর কথাই বলা হয়েছে। কিন্তু আয়েশা বর্নিত হাদিসটি যদি আমরা লিটারেল মিনিং করি তাহলে সেটা মুখ মন্ডল ঢাকার ব্যাপারেও বলা আছে। মুখের ব্যাপারে ঐ এক হাদিস ছাড়া আরও যেসব হাদীস আছে সেটা নিয়ে পরে আলোচনা করবো। আপাতত রেফারেন্স হিসেবে ইমাম আল শোওখানী তার ফাতে আল কাদের বই এর নাম বলা যেতে পারে যেখানে মুখ মন্ডল ঢাকার ব্যাপারটা উল্লেখ আছে।

দ্বিতীয় শর্ত: পুরুত্ব

স্বচ্ছ এবং পাতলা কাপড়ের ব্যাপারে সাহাবারা বেশ কঠোর ছিলেন তখন। এমনকি এমন কাপড়ও পড়তে মানা করা হয়েছে যে কাপড়ে তার গায়ের ত্বকের বর্ন কি সেটা বোঝা যায়।আল কুর্তুবিতে বর্নিত হযরত আয়েশা রাঃ বলেন যে বানু তামিম থেকে কিছু মহিলা বেশ স্বচ্ছ কাপড় পড়ে দেখা করতে আসলে তিনি তাদেরকে বলেন যে যদি তুমি নারীদের বিশ্বাস করো, তাহলে সেসব বিশ্বাসী নারীদের পোশাক এমন হতে পারে না। আরও বলা হয় বিবাহের জন্য সজ্জিত এক মেয়ে স্বচ্ছ খীমার পড়ে আসলে তাকে বলেন যে যে মেয়ে এধরনের পোশাক পরিধান করে সে সূরা আন নুরের আয়াত বিশ্বাস করে না।

আবার রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন,"আমার শেষ উম্মতের মাজে এমন নারী থাকবে যারা উটের কুজের মতো তাদের চুলের খোপা উচু করে রাখবে, স্বচ্ছ খাপড় পরিধান করবে। তাদেরকে অভিশাপ দাও কারন তারা নিশ্চয়ই অভিশাপপ্রাপ্তা।"(আত তাবারানী এবং স হী মুসলিম)।

এই স্বচ্ছ কাপড় নিয়ে আরও বহু হাদিস বর্নিত আছে। এখন কথা থাকতে পারে অনেক কোরানিস্ট হাদিস মানতে চানতে চাননা। তাদের এই ব্যাপারে মত কি?

তৃতীয় শর্ত: ঢিলেঢালা পোশাক

উসামাহ ইবনে জায়েদে বর্নিত: রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন যে নবিজী সাঃ আমাকে একটা মোটা কপটিক কাপড় উপ হার দিয়েছিলেন যা তিনি পেয়েছিলেন দাহিয়া আল কালবির কাছ থেকে। ওটা আমি আমার স্ত্রীকে দিয়ে দেই। এরপর নবিজী সাঃ আমাকে জিজ্ঞাসা করেন:তুমি কেন এটা পরিধান করোনি? আমি প্রত্যুত্তরে বলি: আমি এটা আমার স্ত্রীকে দিয়ে দিয়েছি। তিনি বলেন যে তোমার স্ত্রীকে বলে দাও যে এর নীচে একটা মোটা কাপড় পড়ে নিতে যাতে করে বাইরে থেকে তার শরীরের অবয়ব বোঝা না যায়।

এ থেকে স্পষ্টতই প্রতীয়মান যে বয়ঃসন্ধি প্রাপ্ত নারীকে এমন মোটা কাপড় পড়তে হবে যে বাইরে থেকে কোনোমতেই তার দেহ সৌষ্ঠব বোঝা না যায়। কপটিক কাপড়ের ছবি দিলাম যা দেখলেই বোঝা যাবে এটা একটা মোটা ফতুয়া টাইপ বস্ত্র এবং এর ভেতরে পুরু কাপড় পড়ার নির্দেশ আছে।


যতদূর বুঝি পদার্থবিজ্ঞান অনুসারে আপনি যদি শীতের দেশে থাকেন তাহলে একটা মোটা কাপড় পড়ার চাইতে বেশ কতগুলো পাতলা কাপড় পড়া ভালো। কারন আপনি যদি বেশী সংখ্যক পাতলা পাকড় পড়েন তাহলে এইসব কাপড়ের মধ্যে থাকা বায়ুর স্তর শরীরের তাপকে সন্ঞ্চিত করে একটা মোটা কাপড়ের তুলনায় শরীরকে বেশী গরম রাখতে পারবে। যারা স্ক্যান্ডিনেভিয়ান বা কানাডার মতো দেশে থাকেন তারা দেখবেন কানাডীয়ান গুজ বা এভারেস্ট ব্রান্ডের জ্যাকেট গুলো খুবই পাতলা কিন্তু তারা -২০ বা -২৫ এও বেশ ভালো কার্যকর। কারন এইসব জ্যাকেট এই কনসেপ্টে তৈরী করা। সেক্ষেত্রে এই জ্যাকেট যদি বাংলাদেশের ৪০-৪৫ ডিগ্রী সেলসিয়াসের শুস্ক আব হাওয়ায় পড়েন তাহলে ঘাম আর গরমে খারাপ অবস্থা হতে পারে। অনেকে হয়তো বলবেন এমন অনেক কাপড় আছে যেগুলো পড়লে গরম লাগবে না। কিন্তু পদার্থবিজ্ঞানের এই সন্ঞ্চিত তাপের কনসেপ্টে কাপড়ের প্রকারভেদ কাজ করবে না। তাই গরমে এহেন দুই তিনস্তর কাপড় পড়াটা কতটা স্বাস্থ্যসম্মত, এটা নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলতে পারেন।

আবার যেসব দেশে -২০ বা -২৫ তাপমাত্রা চলে সেখানে আপনি ঢিলেঢালা পোশাকে আপনার ফ্রস্ট বাইট হবে সন্দেহ নাই। ফ্রস্ট বাইট হলো অতিরিক্ত ঠান্ডায় আপনার পায়ের পাতা বা শরীরের কোনো অঙ্গ জমে কালো হয়ে যায়। ফলে ঐ অঙ্গটা তৎক্ষনাৎ নষ্ট হয়ে যাবে এবং তাকে কেটে ফেলা ছাড়া আর কোনো উপায় নাই। এজন্য শীতপ্রধান দেশে এই ধরনের ঢিলেঢালা কাপড় পড়া বিদজ্জনক বৈকি। আমরা মনে হয় উত্তর মেরু বা দক্ষি মেরুর বৈরী আবহাওয়া বাংলাদেশের মতো চরম বৈরীভাবাপন্ন দেশের জন্য এগুলো নিয়ে আরো বেশী করে আলাপ করতে পারি।


চতুর্থ শর্ত: রং, আকার, স্টাইল

সূরা আল আহযাব (মদীনায় অবতীর্ণ), আয়াত সংখ্যা ৩২-৩৩
"হে নবী পত্নীগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও; যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, তবে পরপুরুষের সাথে কোমল ও আকর্ষনীয় ভঙ্গিতে কথা বলো না, ফলে সেই ব্যক্তি কুবাসনা করে, যার অন্তরে ব্যাধি রয়েছে তোমরা সঙ্গত কথাবার্তা বলবে।

তোমরা গৃহাভ্যন্তরে অবস্থান করবে-মূর্খতা যুগের অনুরূপ নিজেদেরকে প্রদর্শন করবে না। নামায কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করবে। হে নবী পরিবারের সদস্যবর্গ। আল্লাহ কেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পূত-পবিত্র রাখতে। "


উপরের আয়াত অনুসারে মেয়েদের পরপুরুষের সাথে মোহনীয় আর কোমল ভঙ্গিতে কথা বলা বারন কারন তাতে পুরুষের মনে কু প্রস্তাব উকি ঝুকি দেয়। এখন এই আয়াতের ব্যাখ্যাস্বরুপ আল কুর্তুবিতে বর্নিত মুজাহিদ রাঃ বলেছেন যে ইসলাম অবতীর্ন হবার আগে মেয়েরা পুরুষদের মাজে এমন ভাবে চলাফেরা করতো যাতে পুরুষরা তাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়। ক্বাতাবা রাঃ বলেন যে মেয়েরা মাথায় খোলা কাপড় পড়তো মাথা এবং সাথে গলায় পরিহিত প্রলুব্ধ করার নেকলেস, কানের দুল আর অন্যান্য গ হনা সামগ্রী। যা মূলত উপরে বর্নিত আল আহযাবের ৩৩ নম্বর সূরার প্রথম লাইনেই পাওয়া যায় "মূর্খতা যুগের অনুরূপ নিজেদেরকে প্রদর্শন করবে না"।

ঘরের বাইরে এমন পোষাক পড়া যাবে না যে যা টার সৌন্দর্য্যকে আরো বাড়িয়ে তুলবে যার ফলে যে কাপড় পরিধান করবে তার মধ্যে উজ্জল কোনো রং থাকেব না বা এমন কোনো ডিজাইন থাকবে না যেটা বেশ বোল্ড ও চকচকে এবং আলো প্রতিফলিত করে যার ফলে পুরুষের মনোযোগ আকৃষ্ট হয়।
এর ব্যাখ্যায় ইমাম আদ্ব ধাবানী তার কিতাব আল কাবা'ইর গ্রন্থে লিখেছেন: যেসব কারনে একজন নারী অভিশাপ্ত হয় তার মধ্যে যে তার সাজ সজ্জা প্রদর্শন করে, সুগন্ধি ব্যাব হার করে যখন সে বাইরে যায় এবং পরনে থাকে রং বেরং এর কাপড়..." তার মানে মুসলমান মহিলাদের এমন কাপড় পড়া উচিত যার উজ্জ্বলতা নেই, সাদামাটা এবং তাতে কোনো অবয়ব থাকবে না। এই পয়েন্ট টা পালন করার দায়িত্ব সেই সব মুসলমান পুরুষের যারা ঐ নারীর কৃতকর্মের জন্য দায়ী এবং রাসুলুল্লাহ সাঃ সতর্ক করে দিয়েছেন স হী হাদিসে যা বর্নিত করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে 'আমর ইবনে আল-'আসা," তিন ধরনে ব্যাক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না: আদ দায়ুথ যে কিনা তার পরিবার সম্পর্কে নিজের পরিবারের অশ্লিলতাকে প্রশ্রয় দেয় যেমন সেইসব অসৎ স্বামী যে কিনা তার স্ত্রী বা কন্যার দায়িত্ব পালন করেন কিন্তু তাদের অবৈধ যৌনসম্পর্ক বা তাদের রুপ সৌন্দর্য্য ঘরের বাইরে প্রকাশে বাধা না দিয়ে যৌনতা উস্কে দেন।"

৫ম শর্ত: পুরুষের পোশক হতে ভিন্নতর

মেয়েরা ছেলেদের মতো পোশাক পড়তে পারবে না। আবু হুরায়রা বর্নিত হাদিসে আছে,"রাসুল সাঃ সেসব পুরুষকে অভিসম্পাৎ করেন যারা মেয়েদের ন্যায় পোষাক পরিধান করে।(আবু দাউদ,ঈবনে মাজা)

আব্দুল্লাহ ইবনে উমার রাঃ বর্নিত, তিনি হযরত মুহাম্মদ সা কে বলতে শুনেছেন যে যে পুরুষ মহিলাদের মতো কাপড় পড়ে এবং যে মহিলা পুরুষদের মতো কাপড় পড়ে তারা অবিশ্বাসী। (আহমেদ এবং আত তাবারানী)

আর বলা হয়েছে আবু দাউদে উম্মে সালামাহ রাঃ বলেছেন যে রাসুল সাঃ নারীদেরকে তাদের হাতে খুমুর এমন ভাবে মাথায় পড়তে নিষেধ করেছেন যা কিনা তুড়বান অন্ঞ্চলের পুরুষরা পরিধান করে। নীচে একজন খুমুড় পরিহিত তুড়বান পুরুষের ছবি দিলাম



এই নির্দেশনাটা বর্তমানা যেসব নারীরা পশ্চিমা বিশ্বে থাকেন কিন্তু বোরকা পড়েন না তাদের জন্য মোল্লারা খুব বেশী প্রচার করেন। তার মানে আয়েশার উপরোক্ত হাদিস আর এই খুমুড়ের হাদিসটি বোরখার জন্য একটা ভালো এডভোকেসী করতে পারে।

ষষ্ঠ শর্ত: কাফেরদের থেকে পার্থক্য

শরীয়াহ আইন অনুযায়ী মেয়েদের পোষাক আষাক থেকে শুরু করে চাল চলন, কথা বার্তা, উৎসব, প্রথা সবকিছুই কাফেরদের থেকে আলাদা হতে হবে যা দুটি হাদিসের মাধ্যমে পরিস্কার করা আছে। প্রথমটি হলো, উমার রাঃ বর্ননা যা কিনা আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আল-আস উদ্বৃত করেন পরে: রাসুলুল্লাহ সাঃ আমাকে দুটো স্যফ্রন রং কাপড় পড়তে দেখে বলেন যে অবশ্যই এগুলো কাফিরের কাপড় তাই এসব পরিধান করো না। (স হী মুসলিম)
আব্দুল্লাহ ইবনে উমার রাঃ আরো বর্নিত করেন: যেই তাদের (কাফির) মটো পরিচ্ছদ পরিধান করবে। (আবু দাউদ) আবু মাসা আল-আশারি রাঃ উমার রাঃ এর উদ্ধৃতি দিয়ে আরও বলেন যে আমি তাদেরকে সম্মানকরবো না যারা আল্লাহকে অসম্মান করবে বা যাদের বিশ্বাস তার ওপর শ্রদ্ধা রাখে না অথবা যারা বিশ্বাসীদেরকে দূরে ঠেলে দেয়।(আহমাদ)

সপ্তম শর্ত: অসার এবং জাঁকালো পোষাক

একজন নারীর পোশাক অবশ্যই দামী বা জাঁকালো বা প্রাচুর্যপূর্ন হতে পারবে না। সাদামাটা হতে পারবে। এসব দিক খেয়াল রেখে বেশীরভাগ ইসলামিক স্কলার নেকাবের প্রতি রায় দেন।

নেকাব:

সূরা আল আহযাব (মদীনায় অবতীর্ণ), আয়াত সংখ্যা ৫৯
"হে নবী! আপনি আপনার পত্নীগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে। ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। "

এই আয়াতটা অবতীর্ন হয়েছিলো এই কারনে যে তৎকালিন সময়ে মেয়েরা যখন প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে বাইরে যেতো রাতের বেলা ঘরের পরিধেয় পোশাকে তখন বািরের লোকজন তাদেরকে ক্রীতদাস ভেবে ঈভটিজিং করতো তখন সেই মহিলারা চিৎকার করলে তারা পালিয়ে যেতো।
আবু দাউদে বর্নিত উমার রাঃ উদ্ধৃতির মাধ্যমে জানা যায় যে রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন যারা দুনিয়া অসার পোশাক পড়েছে আল্লাহ রোজ হাশরের ময়দানে তাদেরকে পুনরুথ্থান করবেন অপমান জনক পোশাকে।
যদিও অনেক তাবে তাবেঈন মুখের অধিকাংশ অংশ ঢাকার পক্ষে রায় দেন যেখানে মুখের নীচের অংশ থেকে নাক পর্যন্ত আর পুরো কপাল।কিন্তু বুখারীর স হী হাদিসে বর্নিত, ইমাম মালিকের মুত্তাওয়া আর সুন্নাহের আবু দাউদে এসেছে যে রাসুলুল্লাহ সাঃ নামাজ আর ইহরামের সময় মুখ আর হাতের কব্জী থেকে নীচ পর্যন্ত ঢাকতে নিষেধ করেছেন। তার মানে বোঝা যায় যে মুখ আর হাত অনাবৃত রাখা একটা খুব সাধারন অনুশীলন।
যারা অবশ্য বোরকার পক্ষপাতী তারা আয়েশা রাঃ এর আরেকটা হাদিসের কথা বলেন: আয়েশা রাঃ ইরশাদ করেন: যখন আল্লাহ শব্দগুলো প্রকাশিত করেন....এবং তাদের পর্দা জায়েদুনার (তাদের শরীর, মুখমন্ডল, ঘাড়, বুক) ওপর টানতে বললেন- তারা তাদের ইজার (এক ধরনের কাপড়) নিলো এবং কোনা থেকে এক টানে ছিড়ে ফেললো এবং মুখ আবৃত করলো (বুখারী: ৪৪৮১)। তবে এটা একটা আহাদিস মানে এর রেফারেন্স অনেক দীর্ঘ এবং তার জন্য একে সন্দেহজনক পর্যায়ে ফেলা হয়। কিন্তু কিছু কিছু স্কলার বোরখার পক্ষকপাতীত্ব করার জন্য এই হাদিসটিকে গুরুত্ব দেন।
মুখ ঢাকার বয়াপারটা নিয়ে বেশ কিছু বিতর্ক চললেও প্রায় সবগুলোই হাদিসই একটু সন্দেহ যুক্ত বা জাল হাদিসের মধ্যেই পড়ে। আমি এটার ডিটেলসে যাবো না। বেশীর ভাগ ইসলামী স্কলার নেকাবের প্রতি জোর দেন।

সূরা আন-নূর (মদীনায় অবতীর্ণ), আয়াত সংখ্যা ৬০
"বৃদ্ধা নারী, যারা বিবাহের আশা রাখে না, যদি তারা তাদের সৌন্দর্যø প্রকাশ না করে তাদের বস্ত্র খুলে রাখে। তাদের জন্যে দোষ নেই, তবে এ থেকে বিরত থাকাই তাদের জন্যে উত্তম। আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।"

সূরা আল আহযাব (মদীনায় অবতীর্ণ), আয়াত সংখ্যা ৫৩
"হে মুমিনগণ! তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা খাওয়ার জন্য আহার্য রন্ধনের অপেক্ষা না করে নবীর গৃহে প্রবেশ করো না। তবে তোমরা আহুত হলে প্রবেশ করো, তবে অতঃপর খাওয়া শেষে আপনা আপনি চলে যেয়ো, কথাবার্তায় মশগুল হয়ে যেয়ো না। নিশ্চয় এটা নবীর জন্য কষ্টদায়ক। তিনি তোমাদের কাছে সংকোচ বোধ করেন; কিন্তু আল্লাহ সত্যকথা বলতে সংকোচ করেন না। তোমরা তাঁর পত্নীগণের কাছে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাইবে। এটা তোমাদের অন্তরের জন্যে এবং তাঁদের অন্তরের জন্যে অধিকতর পবিত্রতার কারণ। আল্লাহর রাসূলকে কষ্ট দেয়া এবং তাঁর ওফাতের পর তাঁর পত্নীগণকে বিবাহ করা তোমাদের জন্য বৈধ নয়। আল্লাহর কাছে এটা গুরুতর অপরাধ। "

সূরা নাহল (মক্কায় অবতীর্ণ), আয়াত সংখ্যা ৪৪
"প্রেরণ করেছিলাম তাদেরকে নির্দেশাবলী ও অবতীর্ণ গ্রন্থসহ এবং আপনার কাছে আমি স্মরণিকা অবতীর্ণ করেছি, যাতে আপনি লোকদের সামনে ঐসব বিষয় বিবৃত করেন, যে গুলো তোদের প্রতি নাযিল করা হয়েছে, যাতে তারা চিন্তা-ভাবনা করে।"


উপরের কোরানিক আয়াত গুলো দিয়ে এটা নির্দেশ করে যে ঘরের মধ্যেও নারীকে পর্দানশীল হতে হবে এবং সম্মান করতে হবে। বৃদ্ধা নারীদের পোশাকের ব্যাপারে ব্যাতিক্রম আছে। তাদের বস্ত্র পরিধানের ব্যাপারে কিছুটা শিথিলতা আছে।


এখন কথা হলো ওপরের যে সাতটা শর্ত হিজাবের ক্ষেত্রে তার মধ্যে ১, ৪ আর ৭ নম্বর শর্তের ব্যাপারে কোরানে সরাসরি বলা আছে। টার মানে এগুলা হলো ফরজ। বাকী গুলো সুন্নত। এখন অনেক কোরানিস্ট হাদিস মানতে চান না, কিন্তু হিজাবের ক্ষেত্রেও তারা ৭ টাই মেনে চলেন। আর যারা কোরান হাদিস দুটোই মেনে চলেন তারা তো দেখা যায় আহাদিস এবং জাল হাদিস অনুসারে বোরখাও মেনে চলেন।

বোরখা: শারিরীক ঝুকি:

যারা বিজ্ঞান নিয়ে কথা বলেন তারা বলেন শুধু বোরখা না হিজাব সিস্টেমটাই নারীকে একটা শারীরিক ঝুকির মধ্যে ফেলে। যেহেতু ঘরে বাইরে সবখানেই পর্দার কথা বলা আছে সেহেতু ভিটামিন ডি এর অভাবে ভঙ্গুর হাড়, ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেকা দেয়। ফলে ৩০ পেরুবার আগেই অস্টেরিওপ্রোসিস দেখা দিতে পারে। জর্দানে এমনি এক সমীক্ষায় দেখা গেছে সেখানকার ৮৩.৩% মহিলারাইভিটামিন ডি এর অভাবে ভোগে। যা শুধু জর্দানেই না সৌদী সহ পার্শ্ববর্তী অন্যান্য মুসলিম দেশেও দেখা যায়।আর এসব যে হিজাবের কারনেই হচ্ছে সে সম্পর্কিত জার্নাল পড়তে এখানে ক্লিক করুন। ভিটামিন ডি এর অভাবে যেসব স্বাস্থ্য ঝুকি হতে পারে:
* হ্রদরোগের ঝউকিতে মৃত্যুর সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
* বৃদ্ধ বয়সে বুদ্ধিবৃত্তিক (কগনিটিভ) বৈকল্য
* শিশুদের মাঝে মারাত্মক এজমার প্রকোপ
* ভঙুর হাড় ও ক্যান্সার
* মারাত্মক শ্বাসকষ্ট হিজাবের কারনে

শরীরে ভিটামিন ডি এর পরিমান ১৬ন্যানোগ্রাম/মিলি র নীচে নামলে রিকেটস আর অসটেওমেলাসিয়া দেখা দিতে পারে সেখানে হিজাবের কারনে যে ভিটামিন ডি এর স্বল্পতা দেখা দেয় সেসব মহিলাদের শরীরে এর পরিমান থাকে ৮ ন্যানোগ্রাম/মিলি।এই সমীক্ষা করা হইছে আমেরিকাতে অবস্থিত আরব আমেরিকান সেইসব মহিলা যারা হিজাব/নেকাব কঠোরভাবে মেনে চলেন তাদের ওপর।


২০০৬ সালে কাতারে আরেক সমীক্ষায় দেখা যায় ৭০% শতাংশ মহিলা ইসলামিক এই হিজাবী কালচারের কারনে অবেসিটিতে ভোগে। কাতারের কিউডিএ আরো একটা সমীক্ষায় দেখতে পায় যে এধরনের জীবন ধারনে অভ্যস্ত মহিলারা বেশী ভাগ টাইপ ২ ডায়াবেটিসে, উচ্চ রক্তচাপ, হ্রদরোগে আক্রান্ত হয়। এছাড়া তাজিকিস্তানের এক রিপোর্টে বলা হয় সিন্থেটিক কাপড়ের বোরখার কারনে অতিরিক্ত গরমে চামড়ায় র‌্যাশ থেকে শুরু করে স্থায়ী ক্ষতি হয়ে যায়।

এখন বাংলাদেশে যারা হিজাব পড়েন তারা কি কখনো এমন কোনো সমস্যার মধ্যে পড়েছেন? শুনেছি বাংলাদেশে নাকি এখন বাইরে ৪১ থেকে ৪৫ এর মধ্যে টেম্পারেচার! যদি কমেন্টে কেউ উল্লেখকরেন তাহলে হয়তো আমার পোস্ট টা আরো সমৃদ্ধ হব এবং অন্যান্য যারা পড়বেন তারাও উপকৃত হবে!

বিঃদ্রঃ

আমি নিজে ইসলাম পালন করি এবং আমি খোদাভীরু বান্দা। আমার এই পোস্ট ইসলামের বিরুদ্ধে নয়। বরংচ নাস্তিক এবং ইসলাম বিরোধীরা ইসলামের পর্দাপ্রথার বিরুদ্ধে যা বলেন আমি সেটাই জানার এবং অপরকে জানানোর চেষ্টা করেছি মাত্র! কমেন্টে আলোচনা এবং উপযুক্ত সুত্র দিয়ে আমার ভুল ধরিয়ে দিলে আমি পোস্টে সেটা শুধরায়া নেবো!

মন্তব্য ৪৬ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (৪৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:৩১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: তো আপনারা আলোচনা বা ঝগড়া শুরু করেন! আমি একটু হাওয়া খাই!

২| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:৫৫

ইলা বলেছেন: কী ব্যপার?? হঠাৎ ক্ষেপ্বেপলেন কে??

১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:১২

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ইসলামের আলো
ঘরে ঘরে জ্বালো!

৩| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:১৯

রাজসোহান বলেছেন: ব্লগের মডারেট মুসলিমরা কিন্তু ক্ষেপে যাবে মিয়া B-))

১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:২৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: বিঃদ্রঃ

আমি নিজে ইসলাম পালন করি এবং আমি খোদাভীরু বান্দা। আমার এই পোস্ট ইসলামের বিরুদ্ধে নয়। বরংচ নাস্তিক এবং ইসলাম বিরোধীরা ইসলামের পর্দাপ্রথার বিরুদ্ধে যা বলেন আমি সেটাই জানার এবং অপরকে জানানোর চেষ্টা করেছি মাত্র! কমেন্টে আলোচনা এবং উপযুক্ত সুত্র দিয়ে আমার ভুল ধরিয়ে দিলে আমি পোস্টে সেটা শুধরায়া নেবো!




এটা নীচে লিখে রাখছি! আমি কোনো সিদ্ধান্ত দেই নি। আগেই বলে রাখছি। আমি শুধু জিনিসগুলোর উল্লেখ করছি মাত্র!

৪| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:৩৩

রাজসোহান বলেছেন: বহুবছর পর জাফর ইকবাল নাস্তিক এই টপিকে ব্লগে একটা পোষ্ট আসছে, আপনার পোষ্টের ঠিক উপরেই =p~

১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:৩৬

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: নাস্তিক জাফ্রার পুশি চাই!

৫| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:০৪

রুমি৯৯ বলেছেন: আমাদের ম্যাডাম খালেদা জিয়ার খোপার স্টাইল পোস্টে বর্ণনার সাথে মিললো কিভাবে?

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:০৭

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আমি জানি না। সব ইঙ্গ মার্কিন সম্রাজ্যবাদের সরকারী ষড়যন্ত্র!

৬| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১:৪৮

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আপনি শেষপর্যন্ত আমদের দলে এসে পড়লেন!
আমারই এই টপিকে পোষ্ট দেয়ার কথা।
পোষ্টে +++

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১:৫৬

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: বুঝতাছি না অখনো কুন পক্ষে আমি আছি। গালাগালি তো কেউ স্টার্ট করে নাই। স্টার্ট হইলে বুঝতাম!

তয় শারীরিক কু প্রভাব কি সিলেবাসে আছিলো নাকি আপনের?

৭| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১১:২০

হাসান নাঈম বলেছেন: অবেজ বা স্থুলতার সাথে হিজাবের চেয়ে অর্থনীতির সম্পকই বেশী।
আপনার তালিকায় যেসব দেশের নাম উপরে আছে তারা সবই ধনী দেশ।
অধিকতর সম্পদ এবং কর্মহীনতা মানুষকে স্থুল করে। মধ্যপ্রাচ্যের যে দেশগুলির নাম তালিকায় আছে তারা সবাই পেট্রডলারের কল্যানে বিনা পরিশ্রমে বিলাশবহুল জীবন যাপন করে। এবং এদের প্রায় সবাই অর্থনীতির হিসেবে পুঁজিবাদের অনুসারী।

ইসলামী অর্থনীতির সঠিক প্রয়োগ থাকলে কোন দেশের সম্পদ অল্প মানুষের হাতে বা পৃথিবীর সব সম্পদ অল্পকিছু দেশে পুঞ্জিভুত হওয়ার কথা না। আর অর্থনৈতিক ভাবে পুঁজিপতি না হলে স্থুলতার সমস্যাও থাকত না। তাই মুসলিম দেশগুলিতে এই সমস্যাটার মুল করণ বলা যায় ইসলামের আংশিক প্রয়োগ।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৩:৪৭

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: অধিকতর সম্পদ এবং কর্মহীনতা মানুষকে স্থুল করে।

অনুমানভিত্তিক এবং গুজবের সাথে সম্পর্কযুক্ত। অবেসিটি সব দেশেই কম বেশী আছে। কথা বিষুবীয় রেখার আশেপাশে অনেক দেশ আছে কিন্তু অবেসিটি মূলত হিজাব প্রধান অন্ঞ্চলে হিজাব পরিধানকারীদের মধ্যেই বেশী লক্ষনীয়। তা না হলে, টেক্সাস, আরিজোনা বিষুবীয় অন্ঞ্চলে থাকার পরও অমুসলিমদের থেকে মুসলমান হিজাব পরিধানকারী মেয়েদের মধ্যে এর কুপ্রভাব বেশী যেটা উক্ত সমীক্ষায় সুনির্দিষ্ট ভাবে বলা আছে।

ইসলামী অর্থনীতির সঠিক প্রয়োগ থাকলে কোন দেশের সম্পদ অল্প মানুষের হাতে বা পৃথিবীর সব সম্পদ অল্পকিছু দেশে পুঞ্জিভুত হওয়ার কথা না।

বর্তমানে সারা বিশ্বে যে ইসলামী অর্থনীতি চালু আছে তা সুদী অর্থনীতি থেকেই কপি পেস্ট। বিস্তারিত জানতে চাইলে এটা পড়ুন।

৮| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১১:৪৩

Safin বলেছেন: আচ্ছা, এটার মানে কি এই যে, কিছু মুসলিম যতটা কঠোর পর্দানীতি অনুসরন করে, ইসলামে ততটা কঠোর করতে বলা হয়নি?

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৩:৫৩

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এটা আসলে বিতর্কের বিষয়। কারন যেকানে আয়েশা রাঃ এর বর্নিত হাদিস আহাদিসে বা সন্দেহজনক হাদিস হিসেবে অন্তে্ভূক্ত করা হয় সেব্যাপারে এসব শর্ত সমূহ সতর্কতার সাথে বিশ্লেষন করা উচিত। তবে হাদিস সন্দেহজনক হবার জন্য আয়েশা রাঃ এর কোনো সম্পর্ক নেই।

তবে বাস্তবিক ক্ষেত্রে দেখা যায় যারা গোড়া কোরানিস্ট তারা হাদিস ৭ টা শর্তই কঠিনভাবে মেনে চলে এবং তাদের অনেক শরীয়াহ অনেক জাল হাদিস নির্ভর যার সবচেয়ে বড় উদাহরন ইরান। আর যারা সুন্নী সংখ্যাগরিষ্ঠ তাদের কথা সবারই জানা। তারা আহাদিস জাল হাদিসের সাথে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির ব্যাপারটাও ধরে যার সবচেয়ে বড় উদাহরন সৌদী।

এখন ইসলাম কতটা কঠোর হতে বলছে সে বিচার আমরা করলেও লাভ নাই, তবে আমাদের সবারই জানা উচিত। কারন ভবিষ্যতে আমাদের লোকাল মোল্লারা যেসব দাবী তুলতেছে সেসব ভালো কিছু বয়ে আনবে না!

আর বিজ্ঞানের সমীক্ষা দেয়ার উদ্দেশ্য এটাই ইসলাম আমাদের সঠিক পথেই যেতে বলে কিন্তু অতিরিক্ত গোড়ামী আর জাল হাদিসের কারনে এটা হিতে বিপরীত হয়

৯| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৪:৩২

হোয়াইট লায়ন বলেছেন: কোরানে কি হাদিসকে মান্য করতে হবে কিংবা হাদীস জীবনবিধানের আবশ্যিক ব্যাপার হিসেবে গণ্য হবে এমন কিছুর উল্লেখ আছে?

হাদীস যদি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ হতো তবে তার গুরুত্ব বুঝতে দুই তিনশ বছর কেন লাগলো? চার খলিফা কিংবা পরবর্তীতেও অনেকদিন বেঁচে থাকা সাহাবীরা কি এতটাই অজ্ঞ কিংবা অবুঝ ছিলেন যে তারা হাদীসের গুরুত্ব বুঝতে পারেননি এবং তা একত্রিত করা এবং লিপিবদ্ধ করবার উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করে রেখেছিলেন?

একটা ছোট বাক্যও বছর ধরে যদি মুখে মুখে ঘুরতে থাকে তাহলে তা ডানা মেলে অন্যরূপ ধারন করে। আর হাদিসসমুহকে লিপিবদ্ধ করা হয় দুই তিনশত বছর পর। অবিকৃত থাকা কিভাবে সম্ভব? কোন মাজহাবের অনুসারিদের হাসীদকে সহীহ হাদীস ধরা হবে? সহীহ হাদীস যে সহীহ, তা কিছু মানুষের বক্তব্যের বাইরে সহী প্রমাণের কি কোন উপায় আছে?

মাশাল্লাহ, একেকজন হাদীস সংকলক লাখ লাখ হাদীস সংগ্রহ করে ফেলছিলেন যা তখন পর্যন্ত লিপিবদ্ধ ছিল না এবং মুখে মুখে প্রচারিত ছিলো। এইসব পড়তেও একটা মানুষের কত সময় লাগবার কথা? কথায় বিশ্বাস করা ছাড়া অথেনটিক সুত্র কি এসব ভেরিফাই করবার? এর মাধ্যমে উনারা কি হাসিল করলেন আসলে? হাদিস নিয়া মাথা না ঘামিয়ে মানুষ যদি সেই কয়বার কোরান পড়তো, তাহলে কি কোরানের উপলব্ধিটা আরও বেশি হতোনা?

আমাদের সৌদি ভাইয়েরা নারীদের নেতৃত্ব এবং রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে বলেন, নানা বিধিনিষেধ আরোপ করেন প্রধাণত হাদিসের দোহাই দিয়ে। উনারা কি কোরানে রানী বিলকিসের কথা পড়েননি। কিংবা উনারা কি জানেন না যে আয়েশা উটের যুদ্ধে হযরত আলীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন? নাউজুবিল্লাহ একজন নারী হয়েও উনি পুরুষদের নেতৃত্ব গ্রহণ করলেন? তাও আবার যুদ্ধে পর্যন্ত নেতৃত্ব প্রদান করলেন? হাদীস প্রেমীদের মতে তাহলে তো উনি ইসলামের নির্দেশনা অগ্রাহ্য করেছিলেন, তাই না? তাকে আবার উনারাই আয়েশা 'সিদ্দিকা' বলেন।

এই প্রশ্নগুলোর যদি সঠিক বা যৌক্তিক জবাব নিজে খুঁজে না পান, তবে পোস্ট থেকে সব হাদিসগুলো বাদ দেন, এরপর দেখেন কোরানের নির্দেশনা অনুসারে কি থাকে। ওটাই আমার বিশ্বাস।

ধন্যবাদ।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:৩১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কোরানে আল্লা তাআলা ইরশাদ করেন:

সূরা আন নিসা (মদীনায় অবতীর্ণ), আয়াত সংখ্যা ৫৯
হে ঈমানদারগণ! আল্লাহর নির্দেশ মান্য কর, নির্দেশ মান্য কর রসূলের এবং তোমাদের মধ্যে যারা বিচারক তাদের। তারপর যদি তোমরা কোন বিষয়ে বিবাদে প্রবৃত্ত হয়ে পড়, তাহলে তা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি প্রত্যর্পণ কর-যদি তোমরা আল্লাহ ও কেয়ামত দিবসের উপর বিশ্বাসী হয়ে থাক। আর এটাই কল্যাণকর এবং পরিণতির দিক দিয়ে উত্তম।

সূরা আন নিসা (মদীনায় অবতীর্ণ), আয়াত সংখ্যা ৬৫
অতএব, তোমার পালনকর্তার কসম, সে লোক ঈমানদার হবে না, যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে তোমাকে ন্যায়বিচারক বলে মনে না করে। অতঃপর তোমার মীমাংসার ব্যাপারে নিজের মনে কোন রকম সংকীর্ণতা পাবে না এবং তা হূষ্টচিত্তে কবুল করে নেবে।

সূরা নাহল (মক্কায় অবতীর্ণ), আয়াত সংখ্যা ৪৪
প্রেরণ করেছিলাম তাদেরকে নির্দেশাবলী ও অবতীর্ণ গ্রন্থসহ এবং আপনার কাছে আমি স্মরণিকা অবতীর্ণ করেছি, যাতে আপনি লোকদের সামনে ঐসব বিষয় বিবৃত করেন, যে গুলো তোদের প্রতি নাযিল করা হয়েছে, যাতে তারা চিন্তা-ভাবনা করে।

সূরা আল আহযাব (মদীনায় অবতীর্ণ), আয়াত সংখ্যা ৩৬
আল্লাহ ও তাঁর রসূল কোন কাজের আদেশ করলে কোন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে ভিন্ন ক্ষমতা নেই যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আদেশ অমান্য করে সে প্রকাশ্য পথভ্রষ্ট তায় পতিত হয়।

সূরা আল হাশর (মদীনায় অবতীর্ণ), আয়াত সংখ্যা ৭
আল্লাহ জনপদবাসীদের কাছ থেকে তাঁর রসূলকে যা দিয়েছেন, তা আল্লাহর, রসূলের, তাঁর আত্নীয়-স্বজনের, ইয়াতীমদের, অভাবগ্রস্তদের এবং মুসাফিরদের জন্যে, যাতে ধনৈশ্বর্য্য কেবল তোমাদের বিত্তশালীদের মধ্যেই পুঞ্জীভূত না হয়। রসূল তোমাদেরকে যা দেন, তা গ্রহণ কর এবং যা নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাক এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা।

উপরোক্ত আয়াতসমূহ অনুসারে আমরা বুঝতে পারি যদি আমরা কোরান মেনেচলি কিন্তু হাদিস না মানি তাহলে আমাদের গোনাহ হবে। নবিজী সাঃ এর নির্দেশনা মানা আমাদের সুন্নত। যেসব প্রশ্ন আমাদের মনে আরো জিজ্ঞাসার সৃষ্টি করবে সেসব প্রশ্নের উত্তর খোজার জন্য আমাদের হাদিস মানতে হবেই, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নাই! তাই কোরানিস্টরা পুরো হাদিস যেভাবে এড়িয়ে চলেন এটা গোনাহের কাজ।

হাদিস সর্বপ্রথম সংগ্রহ করেন আবু বকর রাঃ। তিনি প্রায় সারা জীবন নবিজীর পাশে থেকে মাত্র ৫০০ স হীশাডিস সংকলন করেন এবং একজায়গায় লিপিবদ্ধ করেন। কিন্তু কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনায় দেখা যায় মানুষ জন কোরানের চাইতে হাদিস নিয়ে বেশী টানাটানি করছে। এটা দেখে তিনি সংকিত হয়ে পড়েন এবং এক সকালে তার কন্যাকে ডেকে বলেন সকল লিপিবদ্ধ হাদিস যেনো তার কাছে নিয়ে আসা হয়। তার কন্যা নিয়ে এসে একটু কাজে বাইরে যান। কিছুক্ষন পর ঘরে এসে দেখেন তিনি সব হাদিস পুড়িয়ে ফেলেছেন। কন্য জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন যে যদি তার এখানে সামান্য তম ভুল হয় আর তার কারনে যদি ফেৎনার সৃষ্টি হয় এর হিসাব রোজ হাশরে তাকে দিতে হবে। এই ভয়ে অশ্রুসিক্ত নয়নে পুড়িয়ে ফেলেন।
এরপরখলিফা উমর রাঃ ২৫০০ এর মতো হাদিস লিপিবদ্ধ করেন। তার শাসনামলে মুয়াবিয়ার মতো সাহাবী হাদিস নিয়ে বাটপারী শুরু করেন আর উচ্চ ট্যাক্সের কারনে ব হু জায়গায় ক্যাচাল শুরু হয়। এরি মধ্যে একদিন তার সভাসদদের ডেকে সব হাদিস এক জায়গায় জড়ো করতে বলেন। সব জড়ো করে ফেললে তিনি কাউকে কিছু না বলে পুড়িয়ে ফেলেন এবং একই শঙ্কা ব্যাক্ত করেন।

খলিফাদের মৃত্যুর পর উমাইদদের শাসনামলের সময় হাদিসের সংকলন শুরু হয় এর বেশ কয়েক বছর সেগুলো লিপিবদ্ধ করা শুরু হয়। এই হলো হাদিস সংগ্রহের খুবই সংক্ষি্প্ত ইতিহাস।

এখন কোনো কিছুই সন্দেহ বা ভুলের উর্ধ্বে নয়। সবাইমানুষ এবং সবারই ভুল হতে পারে। তাই আল্লাহ যেকোনো বান্দা দুই তিনটা পাপ বাদে প্রায় সব পাপের ক্ষমা করেন। তিনি সর্বজ্ঞানী এবং ন্যায়বিচারকারী এবং ক্ষমাশীল।

আপনার ব্যাক্তিগত মতামতের জন্য ধন্যবাদ!

১০| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:২৮

হাসান নাঈম বলেছেন: আচ্ছা পর্দানিশিন নারীদের নিয়ে এত সমিক্ষা হয়েছে, পর্দানিশীন খ্রিস্টান নানদের নিয়ে কোন সমীক্ষা হয় নাই?
ওনারাওতো আপাদমস্তক ঢেকে রাখেন - ওনাদের ভিটামিন ডি বা অবেজ সমস্যা হয় কী না তা কি পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে??

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:৩৫

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এই ব্যাপারে আমার জানা নাই।হতে পারে খ্রিষ্টান নানরা সংখ্যায় কম বলে তাদের জন্য এমন সমীক্ষা করা অর্থহীন অথবা ভ্যাটিকান নিয়ন্ত্রনাধীন জীবন ব্যাবস্থায় তাদের এসব নিয়ে কোনো সমস্যায় পড়তে হয় না।

আপনার হয়তো জানা নাই যে পৃথিবীর প্রথম ৫০০ টির মধ্যে প্রায় তিন চারটা ইউনিভার্সিটি পাবেন যারা বিজ্ঞান গবেষনায় প্রচুর অবদান রাখছে এবং এদের নিজস্ব অবজার্ভেটরী, মেডিক্যাল সায়েন্স গবেষনা প্রতিষ্ঠান ইত্যাদী রয়েছে

যেটা ওআইসির এক কোনাও নাই!

১১| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:২৯

হাসান নাঈম বলেছেন: "বর্তমানে সারা বিশ্বে যে ইসলামী অর্থনীতি চালু আছে তা সুদী অর্থনীতি থেকেই কপি পেস্ট"

তাহলে আসল ইসলামী অর্থনীতি কেমন - কোন ধারনা আছে??

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:৪২

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনি হয়তো কম্পিউটার চালাতে পারেন না বা ব্লগের বিভিন্ন অপশন সম্পর্কে ওয়াকিব হাল নন। আমি আপনার ৭ নম্বর কমেন্টের উত্তরে একটা লিংক দিয়েছি। বোঝাই যায় লিংকটি দেখেননি। লিংকটি দেখলে আপনার এই প্রশ্নটা করা বোকামী নামান্তর।

আমি পোস্টেও বলেছি এখানেও বলছি, আমি পোস্টে কিছু ঘটনা প্লেইন টেক্সটে রেফারেন্স স হ উল্লেখ করেছি। আমি নিজের কোনো মতামত দেইনি। মতামতের জন্য আমি আম ব্লগারদের কমেন্টে আহ্বান জানাইছি। আপনি যদি আলোচনা করতে চান সেটা করুন। আমার বিশ্বাস নিয়ে প্রশ্ন করে লাভ নাই।
আর আমার নিজের বিশ্বাস কোরান যেহেতু অপরিবর্তিত সেহেতু এর প্রতিটা নির্দেশনা চোখ বন্ধ করে মানা যায়, কিন্তু হাদিস গুলোর বেলায় যখন ফিকাহ কিয়াসের বেশীরভাগ ব্যাপার মুয়াবিয়ার মতো ছ্যাচ্চরদের হাদিসের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠা পেয়ে এ যাবৎ সমাজের ফেৎনা এবং জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করেছে সেগুলো নিয়ে আমি প্রশ্ন করবো, লেখালেখি করবো। এক্ষেত্রে কেউ যদি বলে অমুকে এটা করেছে তমুকে ওটা করেছে আমরা করলেই দোষ, তাহলে বলতে হয় আমাদের ধর্ম যদি সত্যি হিসেবেই মানি, তাহলে অমুক তমুক মিথ্যুকের কাজের দোহাই দিয়ে নিজের খারাপ কাজের জাস্টিফাই করবো কেন? এটা আসলে বোকামী আর ছাগলামী যুক্তি যেটা আপনার কমেন্টগুলোতে বেশ প্রকট

ধন্যবাদ আমার কমেন্ট সংখ্যা বাড়ানোর জন্য

১২| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৩৬

চিত্রনাট্য বলেছেন: অ‌বে‌সি‌টি আর হিজাব সম্পর্কযুক্ত !! ! =p~ =p~ =p~
ওই সব দে‌শের পুরুষরা কি অবে‌সি‌টি থে‌কে মুক্ত ? =p~ =p~
ওই সব মোটকা মোটকা পুরুষরা যারা আছে তারা ??
সিংহ যেগু‌লো বল‌ছে সেইগু‌লো আপ‌নিও সম্ভবত অন্য কোন পো‌স্টে ব‌লে‌ছি‌লেন , হা‌দি‌সের সংগ্রহ পদ্ধ‌তি এবং সংরক্ষণ নিয়ে ৷
ইসলাম কোন কিছুই এতটা ক‌ঠিন ক‌রে‌নি ,‌যেটা মোল্লারা ক‌রে আর আপনার ম‌তো এত প্যাচাইন্নারা ক‌রে ৷ কুরআ‌নে কোন আয়া‌তে ( আপ‌নি যেগু‌লো বল‌ছেন ) বোরকার কথা ব‌লে‌নি আবার র্যাম্প করা যাই‌বো কি যাই‌বো না সেটা নি‌য়ে খোঁচাই‌তে ব‌লে নাই ৷ ‌সৌন্দর্য প্রকাশ ক‌রে এমন অঙ্গ ঢে‌কে রাখ‌তে বলা হ‌য়ে‌ছে , এমন অঙ্গ যা‌তে যৌন আবেদন তৈ‌রি ক‌রে ৷( বালক যারা গোপন অঙ্গ সম্পর্কে জা‌নে )
ভা‌লো থাই‌কেন

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:৪৬

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: পুরুষরা অবেসিটি থেকে মুক্ত না। যার সবচেয়ে বড় উদাহরন আমাদের দেওয়ানবাগী এবং অন্যান্য মাদ্রাসার বড় হুজুরদের ইয়া বিশাল ভূড়ি।

কোরানে বোরখার কথা বলে নাই কিন্তু হাদিস বা আহাদিসের ওপর ভিত্তি করে সৌদীর মতো শরীয়া ভিত্তিক দেশে বোরখা বাধ্যতামূলক। যদি সৌদীতে আপনার কেউ থাকে তাকে জিজ্ঞেস করতে পারেন বোরখা ছাড়া কোনো মেয়ে বাইরে বের হতে পারে কিনা!

র‌্যাম্প মডেলিং করা নিষেধ এটা আমি নিম্নোক্ত আয়াত থেকে বলেছি যেটা পোস্টে উল্লেখ আছে। তা কপি পেস্ট করে আবারও তুলে দিলাম!

সূরা আন-নূর (মদীনায় অবতীর্ণ), আয়াত সংখ্যা ৩১

"ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও। "

এই আয়াতে زينة বা জিনা শব্দের বাংলা অর্থ ধরতে গেলে সাজ, সজ্জা অলংকার। এবং বেগানা পুরুষ কারা হবে সেটা সম্পর্কে বলা আছে। তবে এখানকার অর্থ অনুসারে এই সাজ সজ্জার ব্যাপারে দুভাবে বলা আছে সেটা হলো একটা দৈহিক গোপন অঙ্গ সমূহ আরেকটা হলো নারীরা পোষাক পরিধান দিয়ে যে রূপটা ফুটিয়ে তোলে। তো মেয়েদের পরিধান সমূহের ব্যাপারে বলা আছে যা সাধারনত প্রকাশমান তা ছাড়া সব যেন ঢেকে রাখা হয় আর বুকের ওপর একটা ওড়না দিয়ে রাখে যেটা মাথায়ও থাকবে। আর স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, এদের সামনে ছাড়া অন্য কারো কাছে ন গ্ন বা অর্ধ নগ্ন বা গোপন অঙ্গ প্রকাশ না করে।

কিন্তু শেষের দিকে এই আয়াতের অর্থ নিয়ে একটা ক্যাচাল আছে। আমার আরবী জ্ঞান অতটা স্বয়ংসম্পূর্ন না তাই ইংলিশ অনুবাদ নিলাম:

পিকথাল বলছে:
And let them not stamp their feet so as to reveal what they hide of their adornment.
ইউসুফ আলি বলছে:
that they should not strike their feet in order to draw attention to their hidden ornaments.
শাকির বলছে:
let them not strike their feet so that what they hide of their ornaments may be known;


ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অর্থ বলছে:
that they should not strike their feet in order to draw attention to their hidden ornaments

তার মানে মেয়েদের জোরে হাটা মানা। আমার কমন সেন্সে যেটা বোঝায় সেটা হলো র‌্যাম্প মডেলিং করন যাইতো না।

অর্থের সুত্র গুলো পোস্টে হাইপারলিংক করা আছে


১৩| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:২৮

খালি বালতিফারখালি বালতি বলেছেন: মির্জা বাড়ির বউড়া নামে এক বেশরম মাল্টির কারণে বেলের শরবত, শরণার্থী, আখের রস তিনটা নিক ব্যান হয়েছে আমার। তবুও আমি অগ্নিসারথির হয়ে চিকা মারা থামাব না। এখনকার অবস্হা দেখেন

জার্মান প্রবাসেঃ ১৬৪৬
অগ্নি সারথির ব্লগঃ ৩০৭
ইস্টিশন ব্লগঃ ১৯৫
প্রবীর বিধানের ব্লগঃ ৬১
ইতুর ব্লগঃ ৩২

আপনাদের বুঝা উচিত আপনাদের কম ভোট দেয়ার কারণে অন্যরা সুযোগ নিচ্ছে। জার্মান প্রবাসে ওয়েব সাইটটি টাকা দিয়ে ইন্টারনেটে ভোট কিনছে, ওদের প্রতিযোগিতা থেকে বহিঃস্কার করা উচিত। জার্মান প্রবাসে ব্লগ জার্মানীতে একটা চাকচিক্যময় জীবনের প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে চলা ব্যবসায়ি এজেন্সি ছাড়া কিছু না। সেখানে অগ্নি সারথি এই ব্লগের শতাব্দির সেরা ব্লগার। সেখানে আমার ভরষা শুধু নিজেদের ব্যাক্তিগত ফেসবুক একাউন্ট টি যেখানে বন্ধু মাত্র ১০২৪ জন। আর কিছু সহব্লগার।


মাননীয় জুরি বোর্ডের প্রতি আমার আকুল আবেদন, শুধু আমাকে আর ইতুর ব্লগকে বিবেচনা করতে, বাকিরা সব কয়টা ভন্ড। একজন ব্লগার শুধু ব্যাক্তি তথা ইউজার একজন আর একটি ব্লগ হল কয়েক হাজার ব্লগারের সমন্বিত রুপ। আর বিষয়টা যেহেতু যোগ্যতার চেয়ে যোগাযোগের এর সেহেতু আমাকে জয়যুক্ত করা হোউক। একজন ব্লগার কখনোই পুরো একটা ব্লগের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে টিকে থাকতে পারেনা। আশা করি আপনারাও বিষয়টা নিয়ে ভাববেন এবং আমাকে ব্লগে রেসিডেন হিসাবে নিয়োগ দেবেন।

নববর্ষের উৎসবে যাওয়ার আগে পরে আমাকে দুইটা করে ভোট দিয়ে যান, আমি জিতলে সামু জিতবে।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:৪৭

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ভাই গুজব ছড়ানোর জন্য আমার পোস্ট বা ব্লগ না, এইটা আমি আগেও বলছি। আপনার কমেন্ট রিপোর্ট করলাম!

১৪| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ ভোর ৬:৪৫

এ আর ১৫ বলেছেন: সুরা নুর আয়াত ৩১ --- তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে ---- এই মাথার ওড়নাকে বুকের উপরে ঢেকে রাখাটার উপর ভিত্তি করে মাথা চুল ঢেকে রাখার রেয়াজ চালু হয়েছে যেটা এখন হিজাব নামে পরিচিত । এই আয়াতে আরবি শব্দ খিমার ব্যবহার করা হয়েছে ----- খিমার শব্দের অর্থতো শুধু মাথার কাপড় বা ওড়না নয় তবে মাথার কাপড় বা ওড়না এক ধরনের খিমার । এই বাক্যের মুল কমান্ডমেন্ট হোল বক্ষ আবৃত করা কি দিয়ে আবৃত করতে বোলেছে খিমার দিয়ে , এখন দেখুন খিমারের অর্থ কি এবং সেই সাথে বুঝতে পারবেন মাথা ঢাকা বা চুল ঢাকার কোন নির্দেশ কোরানে নেই -----
Khimar" is an Arabic word that means, cover, any cover, a curtain is a Khimar, a dress is a Khimar, a table cloth that covers the top of a table is a Khimar, a blanket can be used as a Khimar..etc. The word KHAMRA used for intoxicant in Arabic has the same root with Khimar, because both covers, the Khimar covers (a window, a body, a table . . . etc.) while KHAMRA covers the state of mind. Most of ...the translators, obviously influenced by Hadith (fabrications) translate the word as VEIL and thus mislead most people to believe that this verse is advocating the covering of the head.
In 24:31 God is asking the women to use their cover (khimar)( being a dress, a coat, a shawl, a shirt, a blouse, a tie, a scarf . . . etc.) to cover their bosoms, not their heads or their hairs. If God so willed to order the women to cover their heads or their hair, nothing would have prevented Him from doing so. God does not run out of words. God does not forget. God did not order the women to cover their heads or their hair.
God does not wait for a Scholar to put the correct words for Him!
The Arabic word for CHEST, GAYB is in the verse (24:31), but the Arabic words for HEAD, (RAAS) or HAIR, (SHAAR) are NOT in the verse. The commandment in the verse is clear - COVER YOUR CHEST OR BOSOMS, but also the fabrication of the scholars and most of the translators is clear by claiming- cover your head or hair.
The last part of the verse (24:31) translates as, "They shall not strike their feet when they walk in order to shake and reveal certain details of their bodies." The details of the body can be revealed or not revealed by the dress you wear, not by your head cover.
Notice also the expression in 24:31,
[Quran 24:31] They shall not reveal any parts of their bodies, except that which is necessary.
This expression may sound vague to many because they have not understood the mercy of God. Again God here used this very general term to give us the freedom to decide according to our own circumstances the definition of "What is necessary".
It is not up to a scholar or to any particular person to define this term. God wants to leave it personal for every woman and no one can take it away from her. Women who follow the basic rule number one i.e. righteousness, will have no problem making the right decision to reveal only which is necessary.

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:৪৫

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: وَقُل لِّلْمُؤْمِنَاتِ يَغْضُضْنَ مِنْ أَبْصَارِهِنَّ وَيَحْفَظْنَ فُرُوجَهُنَّ وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَلْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَى جُيُوبِهِنَّ وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا لِبُعُولَتِهِنَّ أَوْ آبَائِهِنَّ أَوْ آبَاء بُعُولَتِهِنَّ أَوْ أَبْنَائِهِنَّ أَوْ أَبْنَاء بُعُولَتِهِنَّ أَوْ إِخْوَانِهِنَّ أَوْ بَنِي إِخْوَانِهِنَّ أَوْ بَنِي أَخَوَاتِهِنَّ أَوْ نِسَائِهِنَّ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُنَّ أَوِ التَّابِعِينَ غَيْرِ أُوْلِي الْإِرْبَةِ مِنَ الرِّجَالِ أَوِ الطِّفْلِ الَّذِينَ لَمْ يَظْهَرُوا عَلَى عَوْرَاتِ النِّسَاء وَلَا يَضْرِبْنَ بِأَرْجُلِهِنَّ لِيُعْلَمَ مَا يُخْفِينَ مِن زِينَتِهِنَّ وَتُوبُوا إِلَى اللَّهِ جَمِيعًا أَيُّهَا الْمُؤْمِنُونَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُون

এই হলো পুরা আরবীর লাইন। আমার আরবি জ্ঞান খুব বেশি না। সীমিতই ধরা চলে। এখন প্রাইমারী ৪ ক্লাশ পইড়া কি আর আরবী বুঝবো। তাই আমি একটু আলস্য করে আরবির অর্থ কপি পেস্ট করি। কোওরার এই উত্তরটা কেবল পড়লাম, আপনি ওখানেই পাইছেন। যাই হোক, আমি আরবী আর একটা ডিকশনারী নিয়া বসলাম।

আপনে বলতে চাইতেছেন যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনে তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে এভাবে বলা আছে। তার মানে মাথার ওড়না। এখন بْنَ بِخُمُرِهِنَّ বা বিখুমুরিহিনা এর মধ্যে একটা শব্দ আছে সেটা হলো খুমুরিন যেটা খিমারের বহুবচন।

এখন আপনি যে (the) intoxicant এর কথা বলছেন তার আরবী হলো الْخَمْرِ
কিন্তু এখানে আপনার بْنَ بِخُمُرِهِنَّ এর অর্থ হলো তাদের মাথার কভারগুলো। এটা আপনি Lane's Lexicon এর ভলিউম ২ এ পাবেন। এখন সেভাবে যদি আপনি সহীহ ইন্টারন্যাশনালে শুধু এই অংশটাই দেখেন

their headcovers over their chests

পিকথালে: their veils over their bosoms
ইউসুফ আলিতে পাবেন: they should draw their veils over their bosoms
শাকিরে পাবেন: let them wear their head-coverings over their bosoms
মুহাম্মদ সারওয়ারে পাবেন: Let them cover their breasts with their veils
সবার অর্থ জানতে এখানে ক্লিক করুন

এখন আমি উপরোক্ত আভিধানিক অর্থে না গিয়ে সোজসুজি গুগল করি খিমারে বা খামারের দেখি কি ছবি আসে:


গুগলে অনেক ছবির মধ্যে এই ছবিটা বেশ স্পেসিফিক পেলাম যেখানে মাথা ঢাকতে হবেই এটা কিন্তু প্রতীয়মান। এখন আমার কোওরার এই উত্তরটা আভিধানিক বা অন্যান্য অর্থ থেকেও মনোঃপুত হচ্ছে না। তবু আপনার যদি সন্দেহ থাকে। আপনি আরবী ডিকশনারী খুজে দেখতে পারেন। যেহেতু আমি আপনাকে ঐ শব্দটা আলাদা করে দেখিয়েছি সেহেতু আপনার খুজে পেতে সুবিধা হবে।

তবে একটা বিষয়ে আমরা উভয়েই এক মত যে মুখ ঢাকা লাগবে না। কিন্তু ভেজালটা বাধাইছে আয়েশা রাঃ এর একটা সন্দেহজনক হাদিস। সন্দেহজনক হাদিস আমরা ইগনোর করলেই পারি, কিন্তু সৌদীরা সেটা ইগনোর করেন না এবং এটাকে শরীয়াহ পর্দাপ্রথার নীতিমালায় সন্নিবেশিত করেছেন।

বিঃদ্রঃ আমি এখানে আমার নিজের কোনো মতামত জানাই নাই। আমি আমার সামান্য জ্ঞান এবং পড়াশোনা দিয়ে কিছু জিনিস তুলে ধরেছি। বাকী সিদ্ধান্ত নেবার দায়িত্ব আপনার। ভুল হলে জানাবেন।

২০ শে এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৩:০৩

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: দুঃখিত, উত্তরটা দেরী করে দেবার জন্য। প্রথমেই বলে রাখি আমি আসলে আপনার সাথে আলোচনা করছি। আমার এই পোস্ট টি মূলত আলোচনার নিমিত্তে। আপনার মতো এরকম আরো যদি মানুষ আলোচনা করতো তাহলে ইসলাম সম্পর্কে আমাদের পরিস্কার ধারনা থাকতো। কিন্তু আফসোস আমরা যারা শিক্ষিত যাদের সঠিক বিচার করার ক্ষমতা রাখে তারা এসব নিয়ে আগ্রহী নই, তাই এসব আলোচনার জায়গা দখল করে আছে কাঠমোল্লারা যারা ইসলামকে নিজেদের স্বার্থে ব্যাব হার করছে। তাই আমি আপনাকে আবারও ধন্যবাদ জানাই এবং আমি আশা করি আমাদের আলোচনা এখানেই শেষ হবে না।

আপনার ইংলিশ লেখাটুকুর লিংক হলো কুওরার এই লিংক। এই মন্তব্যটি করেছেন পাকিস্থানের একজন ইন্জিনিয়ারের যিনি গতবছর একজন গবেষক হিসেবে নিজেকে দাবী করেছেন, তার লিংকডিন লিংক। এখন একজন সিভিল ইন্জিনিয়ারের মন্তব্যকে কি আমরা রেফারেন্স হিসেবে ধরতে পারি যেখানে আমরা সত্যিকার ভাবে আরবী জ্ঞানের ওপর যথেষ্ট জ্ঞানী ব্যাক্তিদের পাচ্ছি? তাহলে দেখা যাচ্ছে আপনার মন্তব্যটি কোনো ইসলামিক স্কলারের নয়, একজন সিভিল ইন্জিনিয়ারের যিনি ইসলামী কোনো বিষয়ে বিষদ গবেষনা করেননি, এটা তার ব্যাক্তিগত মতামত।

১৫| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৯:৪৬

মনসুর-উল-হাকিম বলেছেন:
মহান আল্লাহ আমাদর সবাইকে হেদায়েত দিয়ে দুনিয়া ও আখেরাতে নেক কামিয়াবী দান করুন, আমীন।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:২১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আমিন, আইসো বলি ছুম্মা আমিন!

১৬| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৫০

হোয়াইট লায়ন বলেছেন: আমি ধারণা করছিলাম আপনি এসব আয়াতের উদাহরণ নিয়ে আসবেন। এক্ষেত্রে একটা কথা বলি, কোরানের কিছু আয়াত সমগ্র মানবজাতির, কিছু আয়াত কোন বিশেষ জাতি বা গোত্র অথবা কিছু আয়াত নবী ( সাঃ ) কে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে। তার উপর ভিত্তি করে আপনাকে বুঝতে হবে বক্তব্যটা আসলে কি। এ ব্যাপারে পরে আসবো, প্রতিটা আয়াত নিয়ে আলচনা করতে কতটা সময় দরকার আপনিও জানেন।

আপাতত একটা আয়াত উল্লেখ করি, সুরা ইউনুস, আয়াত ৩৭ঃ

আর কোরআন সে জিনিস নয় যে, আল্লাহ ব্যতীত কেউ তা বানিয়ে নেবে। অবশ্য এটি পূর্ববর্তী কালামের সত্যায়ন করে এবং সে সমস্ত বিষয়ের বিশ্লেষণ দান করে যা তোমার প্রতি দেয়া হয়েছে, যাতে কোন সন্দেহ নেই-তোমার বিশ্বপালনকর্তার পক্ষ থেকে।


এখানেই দেখুন বলা হয়েছে তোমার প্রতি যা দেয়া হয়েছে তার বিশ্লেষণও দান করা অয়েছে এই কোরানেই। এখন যেহেতু কোরানেই বলা হয়েছে সমস্ত বিষয়ের বিশ্লেষণ দেয়া হয়েছে কোরানে, তবে আমাদের হাদীসের মুখাপেক্ষী কেন হতে হবে? কিছু ক্ষেত্রে হাদীস দরকার আছে, যেমন নামাজ, রোজা, অজু এসবের বেলায়, কিন্তু সেসব যেহেতু মক্কা মদীনার মত জায়গায় পরিবর্তিত হবার কোন সুযোগ নেই, তবে কেন আমরা হাদীস নিয়ে মেতে থাকবো? যেমন, মসজিদে নববী তে আরো ১৪ শত বছর আগে যে নিয়মে নামাজ হতো বা অজুখানায় অজু করা হতো তা পরিবর্তিত হবার বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই, কারণ তা করতে গেলেই মুসল্লীদের কারো না কারো চোখে পরে সেটা নিয়ে প্রশ্ন তুলতো।

পরে আবার আসব। ধন্যবাদ

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৩৭

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এক্ষেত্রে একটা কথা বলি, কোরানের কিছু আয়াত সমগ্র মানবজাতির, কিছু আয়াত কোন বিশেষ জাতি বা গোত্র অথবা কিছু আয়াত নবী ( সাঃ ) কে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে। তার উপর ভিত্তি করে আপনাকে বুঝতে হবে বক্তব্যটা আসলে কি। এ ব্যাপারে পরে আসবো, প্রতিটা আয়াত নিয়ে আলচনা করতে কতটা সময় দরকার আপনিও জানেন।


আপনি একটা গুরুত্বপূর্ন কথা বলেছেন। এ বিষয়টা নিয়ে ভাবা হয় নি। আসলে মোটা দাগে আমরা বিশেষ করে কোরানের সব আয়াত জেনারালাইজ হয়ে করে ফেলি। যেটা করা ঠিক না। এটা আমার মাথায় ছিলো না। সময় করে এই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে পড়ার ইচ্ছা আছে। আর আপনার কাছে যদি ভালো কোনো রিসোর্স থাকে তাহলে এটা অবশ্যই দিয়ে আমাকে স হায়তা করবেন!

সুন্দর একটা পয়েন্ট ধরিয়ে দেবার জন্য অবশ্যই আপনাকে ধন্যবাদ দিতে হবে।

বাকি কথা গুলোও ঠিক বলেছেন। হাদিসের অবশ্যই প্রয়োজন আছে। তবে এট স হস্র লক্ষ হাদিসের মাঝে কোনটা স হী কোনটা আহাদিস বা কোনটা জঈফ এটা বিচার করাও কষ্টকর। একমত না হলেও বাল্যবিবাহের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত হযরত আয়েশা রাঃ এর বিয়ের বয়সের হাদিস টি এখন অনেকেই ইতিহাসের সাল গননা করে প্রশ্ন তুলছেন। সেই প্রশ্ন গুলো আমরা যতই যুক্তি দিয়ে উড়িয়ে দেই না কেন বাস্তবের পরিপ্রেক্ষিতে এটা নিয়ে আমাদের অবশ্যই চিন্তা করতে হবে। কিন্তু সমস্যা হলো পানি এত গড়িয়েছে যে এখন কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যা এটাও নির্নয় করা বেশ কষ্ট কর।

তাই মাঝে মাঝে মনে হয় কোরানিস্টরাই ঠিক আছেন। কিন্তু কোরানের উপরোক্ত আয়াতগুলোর যদি একটিরও সীমালঙ্ঘিত করি তাহলে তার জন্য অবশ্য বিশাল পাপের ভাগীদার হতে হবে। এই ভয়টাই হয়তো তৎকালীন খলিফারা পেয়েছিলেন

১৭| ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১২:৫৫

এ আর ১৫ বলেছেন: আপনি যে কয়টা অনুবাদ দিয়েছেন সে ব্যপারে আমি অবগত এবং বেশি ভাগ অনুবাদক খিমারের অর্থ মাথার ওড়না বা ভেইল লিখেছে এবং এ রকমের অনুবাদের লিছনে ফেবরিকেটেড হাদিসকে দায়ি করা হয়েছে । হিজাবের অর্থ কি ? হিজাবের অর্থ শুধু মাথার ওড়না নয় কিন্তু আমরা বুঝি মাথার ওড়না দিয়ে বুক ঢাকা --Can we find the word "Hijab" in the Quran??

The word "Hijab" appeared in the Quran 7 times, five of them as "Hijab" and two times as "Hijaban," these are 7:46, 33:53, 38:32, 41:5, 42:51, 17:45 & 19:17.

None of these "Hijab" words are used in the Quran in reference to what the traditional Muslims call today (Hijab) as a dress code for the Muslim woman.

God knows that generations after Muhammed's death the Muslims will use the word "Hijab" to invent a dress code that He never authorized. God used the word "Hijab" ahead of them just as He used the word "Hadith" ahead of them.

Hijab in the Quran has nothing to do with the Muslim Women dress code.

যে ভাবে হিজাবের অর্থ মাথার ওড়না দিয়ে বুক ঢাকা হয়ে গেছে সেই ভাবে খিমারের অর্থ মাথার ভেইল হয়ে গেছে ১৪০০ শতকে ।
The Arabic word ‘Khumur’ does not simply imply a head-covering for women as commonly understood in its modern day usage.

It is formed from the root word ‘Kha-Miim-Ra’ which primarily means to ‘conceal or to cover’. A veil is an example of such a covering but it is not restricted to it.
The same root word Kha-Miim-Ra also forms words such as ‘Khamr’ which means something which intoxicates (e.g. wine) as it clouds, obscures, covers and conceals the intellect. Again, the core meaning is derived from the understanding ‘to conceal’ Khimar.....

এবারে কিছু সত্য জিনিস বলি সেটা বুঝলে দেখবেন হিজাব ( ওড়না দিয়ে চুল বুক ঢাকা) পরার পিছনে যে হাদিস গুলো আছে সে গুলোর মেরিট কত খানি।
১) মূরুভুমিতে তাপ মাত্র ৪৫ থেকে ৫৫ ডিগ্রী পর্যন্ত ভ্যারি করে
২) ঘাস নেই তাই সামান্য বাতাসে শরিরের ভিতর বালু ঢুকে যায় এবং সেটা খুব যতনা দায়ক । পরিষ্কার করা বা ধুয়ে ফেলা বা গোসল করা জরুরি হয়ে পরে ।
৩) পানির খুব অভাব তাই চেলেই ধোয়া বা গোসাল করা যায় না ।

তাই মরু ভুমিতে টিকতে হোলে পুরুষ নারী সবাইকে ঢোলা পোষাক পরতে হয় , মাথা ঢেকে রাখতে হয় যাতে চুলে বা গলা দিয়ে শরিরে বালু প্রবেশ পরতে না পারে । মেয়েরা নিকাব পরে কারন তাদের চামড়া পুরুষের থেকে নরম চামড়া পুড়ে যায় । শীত কালে যেমন কোট জাম্পার পরতে হয় তেমনি মরু ভুমিতে টিকতে হোলে ঐ ড্রেস কোড ফলো করতে হয় । অমুসলিম এমন কি ইউজিদি মহিলারা ও ( যারা মুর্তি পুজা করে) মাথা মুখ ঢেকে রাখে মরুভুমির আবহাওয়া থেকে নিজেদের নিরাপদ রাখতে ।
সুতরাং আপনি যত গুলো অনুবাদ দিয়েছেন বা বেশি ভাগ অনিবাদে ঐ সকল হাদিস গুলোর মেরিট পরিক্ষা না করে খিমারের অর্থ মাথার ওড়না বা ভেইল লিখেছে কিন্তু মাথার ওড়না ও এক ধরনের খিমার --Khimar" is an Arabic word that means, cover, any cover, a curtain is a Khimar, a dress is a Khimar, a table cloth that covers the top of a table is a Khimar, a blanket can be used as a Khimar..etc

২০ শে এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৩:২৮

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: The word "Hijab" appeared in the Quran 7 times, five of them as "Hijab" and two times as "Hijaban," these are 7:46, 33:53, 38:32, 41:5, 42:51, 17:45 & 19:17

7:46 নম্বর আয়াতে হিজাবান শব্দটির অর্থ দুজনার মাঝে একটা পর্দা যেটা পার্টিশন হিসেবে কাজ করবে এবং এই হিজাবান শব্দটি হলো পুঃলিঙ্গ
33:53 শব্দটি হিজাবিন এটাকে একটা পর্দার পেছন থেকে নির্দেশ করা হইছে এবং এটি নাউন এবং পুঃলিঙ্গ
38:32 শব্দটি বিল হিজাবিন যেটা সূর্য্যকে রাতের পর্দার আড়ালে ডুবে যাওয়া টাইপ রূপক অর্থে ব্যাব হার করা হয়েছে এবং শব্দটি পুঃলিঙ্গ
41:5 হিজাবুন ইডেফিনিটিভ নাউন পুঃলিঙ্গ এবং এটাকে আবরন বোঝানো হয়েছে উম্মত আর রাসূল সাঃ এর মাঝে
বাকী শব্দগুলোও এখানে পর্দার কথা বলা হয়েছে যেটাকে আমরা কার্টেন বা জানালা বা দরজার পর্দা হিসেবে ধরে নিতে পারি। এবং সব গুলোই পুঃলিঙ্গ।

তার মানে আভিধানিক অর্থের সাথে ব্যাখ্যাটা খাটছে না শুধু এ কারনে যে এই শব্দটির পুঃলিঙ্গটাই ঐ কয় আয়াতে ব্যাব হার করা হয়েছে। এখন আপনি যদি তা মেয়েদের ওপর চালাতে যান তাহলে ব্যাকরন গত ভুল হবে যেটা একটা বিশাল ভাষাগত ভুল ব্যাখ্যা হয়ে যাবে কোরান শরীফের জন্য।

It is formed from the root word ‘Kha-Miim-Ra’ which primarily means to ‘conceal or to cover’. A veil is an example of such a covering but it is not restricted to it.

এডওয়ার্ড লেন্স লেক্সিকনে খিমারা হলো পুঃলিঙ্গ। তাই এটাকে উদাহরন হিসেবে ধরা ঠিক হবে না। সেক্ষেত্রে আমরা যদি খিমার ধরি তাহলে এটা পর্দা বা আস্তরন হিসেবেও যেমনে চালানো যায়, এটা আবার ভেইলের সমার্থকও হয়। আরও একটু বেশী গেলে আরব পুরুষের টুরবানকে নির্দেশ করে। টুরবান পরিহিত পুরুষরা অবশ্যই মাথা ঢাকে এবং এটা অনাদিকাল থেকেই চলে আসছে।

তাহলে যেটা দাড়ালো যে খিমারা দিয়ে খিমার ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না কারন লিঙ্গগত শব্দের সমস্যা, আবার খিমার যদি ধরি তাহলে সেই মাথা ঢাকা টুরবানের কথাই এসে যাচ্ছে।

এরপর বাকি যে কথাটা বলেছেন তার সারমর্ম অনেকটা নাস্তিকদের সাথে মিলে যায়। নাস্তিকরা এই যুক্তি দিয়েই কিন্তু হিজাবের অসাড়তা প্রকাশ করে। আমি অবশ্য এই যুক্তিকে আমলে নিচ্ছি না এই কারনে যে আমি এখানে নিজস্ব মতামতের চাইতে কোরান বা হাদিসের শব্দের মারপ্যাচে আসলে কি বলা আছে সেটাকে বের করে আনা।

এখন আমি যদি আভিধানিক এবং রূপক দু অর্থেই ভাবি তাহলে মনে হচ্ছে মাথা ঢাকার পক্ষেই পাল্লাটা ভারী!

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য!

১৮| ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১:০৪

এ আর ১৫ বলেছেন:

উপরে দেখতে পাচ্ছেন ইরকের ইউজিডি মহিলাদের ছবি তারা মুর্তি পুজা করে এবং মরু ভুমিতে থাকার করনে মরুভুমি প্রোটেকশন কাপড় পরেছে মাথায় হিজাব দিয়েছে । যারা খিমারের মানে মাথার ওড়না বা ভেইল বলে বা লিখে তারা গোটা দুনিয়াকে মরুভুমি মনে করে তাই মরু ভুমির ড্রেস কোড সব খানে পোরতে হবে । যদি ইসলাম ধর্মটা সাইবেরিয়ায় আবির্ভুত হোত তাহোলে তারা কোট,ওভার কোট, জাম্পার পরার জন্য সবাইকে উপদেশ দিত ১২ মাস যেমন টি এখন সবাইকে মরু ভুমির ড্রেস কোড ফলো করতে বলে । ধন্যবাদ ।

২০ শে এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৩:৩৩

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: হিজাব পড়লে গরমে মেয়েদের নানা অসুবিধা হতে পারে, তাও আমাদের মতো প্রচুর হিউমেডিটির দেশে সেটা আমি জার্নাল দিয়েই বলেছি। এবং বাকিটা আমি মানুষের ওপর ছেড়ে দিয়েছি। আমি এই লেখাটা ফেসবুকে শেয়ার করা মাত্রই হিজাব পরিধানের কারনে পোস্টে উল্লেখিত সমস্যার ভুক্তভোগীরা জানিয়ে গেছে তাদেরও এ সমস্যা হয়েছে।

আমি আগেই বলেছি আমি মতামত শেয়ার করছি মাত্র। ধর্ম যেহেতু ঈশ্বর প্রদত্ত এবং ঈশ্বর যেহেতু আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, সেহেতু আমাদের সবকিছু তার জ্ঞাত। যদি জ্ঞাতই হয়ে থাকে তাহলে তার প্রদত্ত কোরান বা তার প্রেরিত রাসূল সাঃ এর বানীতে এমন কিছু কেন থাকবে যেটা আমাদের জন্য ক্ষতিকর? যদি তা নাই থাকে তাহলে ওসব হাদিসে কি সমস্যা না আমাদের বুঝতে ভুল? কোরানে যেসব আয়াত আছে সেগুলোর অর্থ বুঝতে কি সমস্যা? তাহলে এমন শব্দের ব্যাব হার হবেই বা কেন যেটা নিয়ে এত প্রশ্ন এত দ্বন্ধের উৎপত্তি হবে?

এসব নিয়ে আলোচনা করার বিশাল এক সুযোগ আছে আমাদের সামনে!

১৯| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১২:১৫

এ আর ১৫ বলেছেন: সুরা নুরের ৩১তম আয়াতে মুল কমান্ডমেন্ট হোল বুক ঢাকা , মাথা বা চুল ঢাকা নয় , কি দিয়ে বুক ঢাকা ? খিমার দিয়ে , সেই খিমার মাথার ভেইল বা ওড়না বা শাড়ীর আচল হতে পারে । হিজাবুন বা হিজাবিন ইত্যাদি পুং লিঙ্গ না স্ত্রী লিঙ্গ সেটা বলা হয় নি বলা হয়েছিল এর সাথে মেয়েদের মাথার হিজাবের কোন সম্পর্ক নেই বা কোরানে মেয়েদের মাথা ঢাকার হিজাবের ব্যপারে কোন কথা বলে নি ।
----এরপর বাকি যে কথাটা বলেছেন তার সারমর্ম অনেকটা নাস্তিকদের সাথে মিলে যায়। নাস্তিকরা এই যুক্তি দিয়েই কিন্তু হিজাবের অসাড়তা প্রকাশ করে। আমি অবশ্য এই যুক্তিকে আমলে নিচ্ছি না এই কারনে যে আমি এখানে নিজস্ব মতামতের চাইতে কোরান বা হাদিসের শব্দের মারপ্যাচে আসলে কি বলা আছে সেটাকে বের করে আনা।------ আপনি হাদিস বিশ্বাষ করেন যেটা ৩০০ বৎসর পরে লিখা হয়েছে । আপনি এটাকে নাস্তিক যুক্তি বলেন কি করে কারন আমি তো নাস্তিক নই বরং যৌক্তিক । মরুভুমির আবহাওয়ায় ঐ রকমের শরির ঢাকা পোষাক পরতে হয় । আপনি ভারতের রাজ্যস্থানের মরুভুমির নারি পুরুষদের দেখুন তারা শরির ঢেকে রাখে কিনা। মরুভুমিতে ঔ ধরনের পোষাক পরা বিজ্ঙান সম্মত কারন ঢোলা শরির ঢাকা পোষাক শরির থেকে নির্গত ঘামকে ঢোলা কাপড়ের ভিতর আবদ্ধ রাখে এবং এই ময়েস্চার শরিরের ত্বককে সুষ্ক হোতে দেয় না এবং শরিরের ভিতর ধুলো বালি ঢুকতে দেয় না .। এই যুক্তি নাস্তিক যুক্তি হয় কি করে , এটাতো বিজ্ঙান সম্মত প্রশ্ন ?
The last part of the verse (24:31) translates as, "They shall not strike their feet when they walk in order to shake and reveal certain details of their bodies." The details of the body can be revealed or not revealed by the dress you wear, not by your head cover.

২৩ শে এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০৩

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: হিজাবুন বা হিজাবিন ইত্যাদি পুং লিঙ্গ না স্ত্রী লিঙ্গ সেটা বলা হয় নি বলা হয়েছিল এর সাথে মেয়েদের মাথার হিজাবের কোন সম্পর্ক নেই বা কোরানে মেয়েদের মাথা ঢাকার হিজাবের ব্যপারে কোন কথা বলে নি ।

এটা মূলত পুরুষদের পর্দার ক্ষেত্রে এটা ব্যাব হ্রত হয়েছে। তার আগে একটা কথা বলে নেই ইসলামে পর্দা প্রথা যেই সেকশনটা এটা নারী পুরুষ দু'জনকেই কভার করেছে। এবং পোস্টে যে সাতটা শর্ত আছে সেখানে পুরুষদের ব্যাপারে বলা আছে যেটা আমি উল্লেখ করিনি সচেতনভাবেই। কারন আমার পোস্ট ছিলো নারী স্বাধীনতা ইসলামে কি আছে এবং আসলেই পর্দা প্রথার জন্যে ইসলামে অবস্থান কি আর মোল্লাদের অবস্থান কি। আমি আমার দুর্বল লেখনী দিয়ে সেটাই বোঝাতে চেয়েছি। আর যেহেতু শব্দ গুলো পুঃলিঙ্গ এবং ওসব কোরানের আয়াত সমূহ আপনার কোয়ারা থেকে কপি করা লেখা গুলোয় ছিলো তাই ওগুলো আমি বর্ননা করে বলতে চেয়েছি এসব আয়াত এই পোস্টের জন্য অপ্রাসঙ্গিক কারন পোস্ট টাই হলো শুধু নারীদের পর্দা নিয়ে।


আর বাকি যে নাস্তিকতার প্রসঙ্গ টেনে এনেছি এটা শুধুই একটা অভিমত। কিন্তু আপনার সাথে যে মতপার্থক্য সেটা হলো আপনি বলছেন মাথা ঢাকতে হবে না, আমি বলছি হবে, এটাই।

আর বৈজ্ঞানিক মতামত যেটা বলেছেন সেটা আমি পোস্টে জার্নাল দিয়েই উল্লেখ করেছি! আমার মনে হয় এ বিষয়ে আমাদের মতপার্থক্য থাকবার কথা না। তবু কোনো মোল্লা যারা বোরখা বা হিজাব বা নেকাবের সমর্থক তারা যদি এসবের বিরুদ্ধে এমন কোনো বিশ্বাসযোগ্য সূত্র দিতে পারে তাহলে আলোচনা হতে পারে। আলোচনার দুয়ার তো সবসময়ই খোলা!

২০| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ২:১৪

এ আর ১৫ বলেছেন: সেক্ষেত্রে এই জ্যাকেট যদি বাংলাদেশের ৪০-৪৫ ডিগ্রী সেলসিয়াসের শুস্ক আব হাওয়ায় পড়েন তাহলে ঘাম আর গরমে খারাপ অবস্থা হতে পারে। অনেকে হয়তো বলবেন এমন অনেক কাপড় আছে যেগুলো পড়লে গরম লাগবে না----- বাংলাদেশের আবহাওয়ায় হিউমিডিটি খুব বেশি তাই ৪০-৪৫ ডিগ্রী তাপ মাত্রায় আপাদমস্তক ঢাকা পোষাক না পরলেও চলে কিন্তু মরুভুমিতে হিউমিডিটির খুব অভাব তাই শরিরের ঘাম থেকে হিউমিডিটি নিতে হয় চামড়া সিক্ত থাকার জন্য । তাই আপাদ মস্তক ঢাকা ঢোলা পোষাক শরিরের ঘাম থেকে নির্গত বাষ্পকে শরিরের ভিতরে ধরে রাখে যদিও এতে ভিটামিন ডি এর অভাব দেখা দিবে যেটা আপনি আপনার রেফারেন্সে দিয়েছেন । মরু ভুমিতে যদি আমাদের দেশের মত করে শাড়ী সেলোয়ার কামিজ পরে তবে তাপে শরির পুড়ে যাবে এবং পানি শুণ্যতায় ডিহাইড্রেড হয়ে মারা যাবে কারন বাতাসে হিউমিডিটি খুব কম । এই ধরনের পোষাক ভিটামিন ডি জনিত সমস্যা সৃষ্টি কোরলেও বিকল্প কোন উপায় নেই । তাই বোলছি কি মরুভুমির ড্রেস কোড সব জায়গায় চলে না । মরুভুমিতে মুসলিম অমুসলিম পৈতালিক সবাই আপাদ মস্তক ঢেকে রাখে হি্উমিডিটি হীন উচ্চ তাপ থেকে রক্ষা পেতে এবং বালুর ঝড় থেকে শরিরকে মুক্ত রাখতে। ধন্যবাদ !!!

২৩ শে এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০৬

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনার বক্তব্যের সাথে একমত, কিন্তু কোরান অবতীর্ন হবার সময় খোদার নিশ্চয়ই এসব বিষুবীয় অণ্ঞ্চলের জলবায়ু সম্বন্ধে ওয়াকিব হাল। তাহলে সেটা কোরান বা হাদিসে সুনির্দিষ্ট ভাবে উল্লেখ করলে কি হতো না? আপনার কথা নিয়ে যদি কোনো ইসলামিস্টের সাথে তর্ক করতে যাই তাহলে এই পয়েন্টের কারনে সে এই যুক্তিতে ঐক্যমত্য হবে না। আর যেহেতু যেসব মেয়ে বুক ফুলাইয়া নিজের ইসলামিক জ্ঞানের সাথে বিজ্ঞানের এক চিমটি মিক্সার দিয়া জ্ঞান হাজির করতে গিয়া হিজাবে ঝুকে তাকেো বোঝাতে পারবেন না!

দেখা গেলো সে তখন গায়ের জোরে অস্বীকার করেই বলবে যে হিজাব ব্যাব হারে তার কোনো অসুবিধা হচ্ছে না!

ব্লগে আগে এসব নিয়ে স্বতঃস্ফূর্ত পক্ষে বিপক্ষে আলোচনা হতো কিন্তু ইদানিং এসব আলোচনায় কেউ ঝুকতে চান না, এটাই সমস্যা!

২১| ০১ লা জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৫৫

বিবেক ও সত্য বলেছেন: কোনটি ইসলাম ধর্ম ’ইসলাম’ নামক ধর্মের সন্ধানে (সমালোচনা উদ্দেশ্য নয়, আন্তরিকভাবে অনুসন্ধানে যা পেলাম) সেটি আগে ঠিক করুন,তারপর বলুন যে অমুকটি ইসলামের বিধান।

০১ লা জুলাই, ২০১৬ রাত ৮:০৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ভাই, আপনি অনুসন্ধান করে যা পাইছেন, এগুলা অসম্পূর্ন। ২ বছর আগে একটা পোলা সে ইন্টারও পাশ করে নাই, সেও আপনার চাইতে ক্লিয়ার ছবি এবং তাদের উৎস নিয়া বিশদ পোস্ট দিছিলো। তো আপনের পোস্ট আমি তার চাইতে উপ্রে রাখুম কেন? তার ওপর আপনের কোনো রেফারেন্স নাই, তার ওপর বিলুপ্ত্প্রায় মাজ হাব নিয়া আপনার কোনো কথাও নাই।

এখন আপনের বলেন আপনার সাথে আলোচনা কেমনে করি?

২২| ০২ রা জুলাই, ২০১৬ রাত ১:২৬

বিবেক ও সত্য বলেছেন: ভাই রেফারেন্স আসে যদি কোন কথা কোন স্থান থেকে চয়ন করা হয়ে থাকে। আমার কথাগুলো যুক্তিনির্ভর। আপনি বলুন আমার কোন কথাটি ঠিক নয়।
আমি শুধুমাত্র ইসলামের বহু ফেরকার নাম দিয়েছি যেখানে যেমন বর্তমানে খুবই সক্রিয় আছে এমন ফের্কার নাম আছে তেমনি বিলপ্তপ্রায়দেরও নাম আছে। আপনি শুধু বিলু্প্ত প্রায়দের নাম দেখলেন।
আমি তো বিশ্বের সকল ফের্কাদের নামের তালিকা দিতে চাইনি। যে ক’টা নাম দিয়েছি তা শুধু দৃষ্টান্ত স্বরুপ। বর্তমানে সক্রিয় আছে এমন বহু ফের্কার নাম তো তালিকা থেকে বাদও আছে। সকল ফের্কার নাম সংগ্রহ করে দিতে গেলে বিশাল তালিকা হবে। আমার ফের্কাদের তালিকা দেখানো উদ্দেশ্য নয়। বৃদ্ধিবমানেরা কয়েকটি দৃষ্টান্ব থেকে বুঝে নেয়।
ধন্যবাদ।

০২ রা জুলাই, ২০১৬ বিকাল ৫:৫১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আমি বলি নাই যে ভুল আছে। আমি বলেছি যুক্তিগুলো অসম্পূর্ন এবং অনেক প্রিমেটিভ।এখন আপনি যেহেতু বলেছেন অনুসন্ধান মূলক পোস্ট সেহেতু বলতে হয় আপনার অনুসন্ধান অসম্পূর্ন কারন আপনি তাদের সম্পূর্ন তালিকা এবং ইতিহাস সম্পর্কে কিছু লেখেননি। এখন আপনার পোস্টের উদ্দেশ্য কি সেটা স্পস্ট করেননি। এজন্য প্রিমেটিভ বলেছি কারন ইতিহাস সম্পর্কে না জেনে কোনো কমেন্ট করাই সেই পুরোনো ডাইলেমা

২৩| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১:০৭

শেখ মিজান বলেছেন: রবি ঠাকুর তাঁর ‘জুতা আবিষ্কার‘ কবিতায় দিয়ে গিয়েছেন। হবু রাজার পায়ে ধুলি লাগার সমস্যা সমাধানের জন্য সারা দেশ চামড়া দিয়ে না ঢেকে, শুধুমাত্র রাজার চরণ দু‘টি চামড়া দিয়ে ঢেকে দিয়েই ধুলি লাগা সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হয়েছিল। তদ্রুপ পুরুষতন্ত্রের দাম্ভিকতায় সমগ্র দেশের নারীকুলের প্রায় পুরো শরীর ঢাকার কথা চিন্তা না করে পুরুষদের ছোট্ট দু‘টি চোখ ঢাকলেই সমস্যার সমাধান হতে পারে। তাও সব পুরুষের চোখ নয়, শুধুমাত্র তাদের চোখ ঢাকালেই চলবে যারা নারীকে পুরোপুরি আবৃত ব্যতীত অন্য কোন পোষাকে দেখলে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। যারা ঐ পরিস্থিতিতে পশুতে রূপান্তরিত হয়ে যান। এ ব্যবস্থা চালু করলে কাজও অনেক কমে যাবে আর কাপড়ও সাশ্রয় হবে। এখানে নারীর কোন দোষ নেই। যেহেতু আপনার নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার সক্ষমতা, মানবিক ও মানসিক পরিপক্কতা নেই, তাই দোষী আপনি। আপনার দোষে নারী কেন পোষাক শৃংখলা মেনে চলবে। যদি কোন পোষাক শৃংখল পড়তে হয় তবে তা পরতে হবে সংশ্লিষ্ট দুর্বল ও বিকৃত মানসিকতার পুরুষদেরকে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.