নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বান্দর হাটে, বান্দর গায়... সবাই তাকাইয়া দেখে, অবাক হইয়া চায়। মনের দুঃখ চোখের পানি, হারায় সব আনন্দ খেলায়!

উদাসী স্বপ্ন

রক্তের নেশা খুব খারাপ জিনিস, রক্তের পাপ ছাড়ে না কাউকে, এমনকি অনাগত শিশুর রক্তের হিসাবও দিতে হয় এক সময়

উদাসী স্বপ্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইসলাম ও সন্ত্রাসবাদ-২

০১ লা জুলাই, ২০১৬ রাত ১২:২৮

আগের পর্ব : এই পর্বে আলাপ করা হইছে মদিনায় হিজরত করার পর বাতেনে নাখলায় সংঘটিত সাহাবী মুহাজীর সাহাবীদের কর্তৃক নিরস্ত্র কোরাইশ ব্যাবসায়ীদেরকে লুট করে তাদের হত্যা এবং বন্দী করা এবং পরে একটি আয়াত দিয়ে কিভাবে সেই হত্যা ও লুটকে জায়েজ করা হয়েছে তার তফসীর নিয়ে বিষদ আলোচনা করা হয়েছে।

আজকে একটা খবর পড়লাম। দিকে দিকে ইসলামবিদ্বেষ বাড়ছে। শুধু বিধর্মীদের মধ্যেই নয়, মুসলমানদের মধ্যেও নাস্তিকতার হার বাড়ছে। এখন নাস্তিকতার হার নির্নয় করার মতো মাপকাঠি যদিও এখন খুজে পাওয়া যায় নি তবে যতদিন ইসলামের নাম জঙ্গীবাদ অব্যাহত থাকবে ততদিন ইসলামত্যাগের পরিমান বাড়বে। একটা সাধারন উদাহরন বলি আগে মসজিদে গেলে একটা জামাতের সারিও হতো না। এখন অনেকগুলো হচ্ছে। খুশি হবার কিছু নাই, জনসংখ্যা বাড়ছে। আর যারা নামাজ পড়তে আসছেন খোঁজ নিয়ে দেখেন তারা কুন ধান্ধা নিয়া নামাজে আসছে। যাই হোক আলোচনা শুরু করি।

সূরা আল ইমরান (মদীনায় অবতীর্ণ), আয়াত সংখ্যা ৫৬

"অতএব যারা কাফের হয়েছে, তাদেরকে আমি কঠিন শাস্তি দেবো দুনিয়াতে এবং আখেরাতে-তাদের কোন সাহায্যকারী নেই। "

ইসলামের সমালোচনাকারীরা এই আয়াতকে দেখিয়ে বলেন মুসলমান ভিন্ন সবাইকে আল্লাহ কঠিন শাস্তি দেবেন এবং আখেরাতে খবর আছে। কিন্তু এটা আসলে ভুল ধারনা এই আয়াত সম্পর্কে। এই আয়াতের পূর্ববর্তি আয়াত গুলোর দিকে খেয়াল করি:"আর স্মরণ কর, যখন আল্লাহ বলবেন, হে ঈসা! আমি তোমাকে নিয়ে নেবো এবং তোমাকে নিজের দিকে তুলে নিবো-কাফেরদের থেকে তোমাকে পবিত্র করে দেবো। আর যারা তোমার অনুগত রয়েছে তাদেরকে কিয়ামতের দিন পর্যন্ত যারা অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে তাদের উপর জয়ী করে রাখবো। বস্তুতঃ তোমাদের সবাইকে আমার কাছেই ফিরে আসতে হবে। তখন যে বিষয়ে তোমরা বিবাদ করতে, আমি তোমাদের মধ্যে তার ফয়সালা করে দেবো। "
এই আয়াতের সঠিক তাফসীর করতে হলে ৫৫ থেকে ৫৮ আয়াত গুলো পড়তে হবে এবং এই আয়াত টি সম্পূর্নই হযরত ঈসা আঃ কে নিয়েই যেখানে মূলত আল্লাহ বলতে চেয়েছেন তিনি যাকে ইচ্ছে যখন খুশি তাকে যেমন পুনরুজ্জীবিত করতে পারেন আবার যে কাউকে উঠিয়ে নিতে পারেন।যদিও অনেক তফসীর কারী মনে করেন হযরত ঈসা আঃ কে দিনের প্রথম তিন ভাগ বা সাত ভাগে মৃত হিসেবে রেখে দেন তারপর তাকে পুনরুজ্জীবিত করেন। কিন্তু এই আয়াতে وَفِّي এই শব্দটা নিয়ে নানা অনুবাদকের নানা মত। তবে অধিকাংশ মনে করেন উঠায়া নেয়া বা ঘুম পাড়িয়ে রাখা হবে কারন কোরানের অন্যান্য জায়গায় এই শব্দটা ঘুম পাড়ানির ক্ষেত্রে ব্যাবহ্রত হইছে। যাই হোক, ইস্যু এটা না। ইস্যু হলো এই আয়াতগুলোর মূল অর্থ হলো "তাদের অবিশ্বাসের কারনে এবং হযরত মরিয়ম আঃ এর উপর বড় অপবাদ দেয়ার ফলে এবং এই কারনে যে টারা বলে- আমরা মারিয়ামের সন্তান ঈসা মাসীহকে হত্যা করেছি অথচ তারা তাকে হত্যাও করেনি এবং শূলেও চড়ায়নি বরং তাদের জন্য তার প্রতিরূপ সৃষ্টি করা হয়েছিলো। তারা নিশ্চিতরূপে তাকে হত্যা করেনি" এ পর্যন্ত। বরং আল্লাহ তাকে তার নিকট উঠিয়ে নিয়েছেন এবং তিনি মহাপরাক্রমশালী, বিজ্ঞানময়। আহলে কিতাবের প্রত্যেকেই তার মৃত্যুর পূর্বে তার ওপর ঈমান আনবে এবং সে কিয়ামতের দিন তাদের উপর সাক্ষী হবে। সে সময় আহলে কিতাব তার উপর ঈমান আনবে কেননা , না তিনি জিজিয়া কর গ্রহন করবেন , না ইসলাম ছাড়া অন্য কিছু সমর্থন করবেন।
আর ৫৬ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে যেসব ইয়াহূদী হযরত ঈসা আঃ কে অবিশ্বাস করেছিলো এবং যেসব খ্রীষ্টান তার সম্পর্কে অশোভনীয় কথা বলেছিলো, দুনিয়ায় তাদেরকে হত্যা ও বন্দী করা হয়েছে এবং তাদের ধন মাল ও সম্রাজ্য ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। এভাবে তাদের উপর পার্থিব শাস্তি নেমে এসেছে। আর পরকালে তাদের ওপর যে শাস্তি নির্ধারিত রয়েছে সেগুলো নিয়েও তাদের ভাবা উচিত। তার মানে এই আয়াতটি ঘটে যাওয়া ঘটনা সমূহের বর্ননা মাত্র।

এখন আপনারাই মিলিয়ে দেখেন এই আয়াতের প্রেক্ষাপট আর ইসলাম বিদ্বেষীদের দাবী করা কথাগুলোর সাথে কতটুকু মেলে।

সূরা আল ইমরান (মদীনায় অবতীর্ণ), আয়াত সংখ্যা ১৫১

"খুব শীঘ্রই আমি কাফেরদের মনে ভীতির সঞ্চার করবো। কারণ, ওরা আল্লাহর সাথে অংশীদার সাব্যস্ত করে যে সম্পর্কে কোন সনদ অবতীর্ণ করা হয়নি। আর ওদের ঠিকানা হলো দোযখের আগুন। বস্তুতঃ জালেমদের ঠিকানা অত্যন্ত নিকৃষ্ট। "

এই আয়াতের ব্যাপারেও ইসলামবিরোধীরা আগের বক্তব্য তুলে ধরে ইসলাম ধর্মকে অসহিষ্ণু ধর্ম হিসেবে প্রমান করতে চায়। তাহলে আসুন আমরা এর তাফসীর গুলো জানি। এই আয়াতের পরিপূর্ন তাফসীর পেতে হলে ১৪৯ হতে ১৫৩ নম্বর আয়াতগুলোর অর্থ পড়তে পারেন যেটার জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন। এর তাফসীর হলো আল্লাহ তা'আলা স্বীয় বান্দাদেরকে কাফির ও মুনাফিকদের কথা মান্য করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেন "যদি তোমরা তাদের কথা মত চল তবে তোমরা ইহকাল ও পরকালে লাঞ্চিত ও অপমানিত হবে। তাদের চাহিদা তো এই যে তারা তোমাদেরকে দ্বীন ইসলাম হতে ফিরিয়ে দেয়"। আসলে এই আয়াতের প্রাক্ষাপট ব্যাখ্যা করার জন্য উহুদের যুদ্ধের প্রথম দিনের কথা বলা যেতে পারে। যেখানে কাফেরদের সংখ্যা ছিলো প্রায় তিন হাজার। নবিজী সাঃ কিছু তীরন্দাজদের পাহাড়ের ওপর উঠিয়ে বলেন যে ওখান থেকে কোনোমতে না নড়তে। যদি তারা হারতে থাকে তাহলে কাফেররা যাতে মোটেও পেছনের রাস্তা দিয়ে প্রবেশ করতে না পারে। আবার যদি জয়যুক্ত হয় তবুও যে তারা পিছু না হটে এবং এই অবস্থান ত্যাগ না করে। তো প্রথম দিনের যুদ্ধে কাফেররা পরাস্ত হয়ে পেছনে হটতে থাকে। তখন গনীমতের মাল দেখে তীরন্দাজদের একটা বড় অংশ নবি সাঃ নির্দেশ অমান্য করে এবং স্থান ত্যাগ করে। ওদিকে পিছুহটা কাফেরের দল পাহাড়ের ওপর খালি দেখতে পেয়ে দ্বিগুন শক্তি নিয়ে আক্রমন করে এবং পাহাড়ের ওপর দাড়িয়ে থাকা বাকি তীর্ন্দাজ শহীদ হয়। তাদের আক্রমনে নবীজি সাঃ লুটিয়ে পড়ে এবং মুখমন্ডল রক্তাক্ত হয়ে যায়। তখন তা দেখে মুসলমান যোদ্ধাগনের হুশ ফেরে এবং গনিমতের মাল থেকে মনোযোগ হটিয়ে নবিজী সাঃ এর ওপর ঝাপিয়ে পড়ে। এর আসল কথা হলো নিজেদের ভীরুতা ও নবিজী সাঃ এর নির্দেশ অমান্য করলে নিশ্চিৎ বিজয়কেও তিনি পরাজয়ে রূপান্তর করতে পারেন। কিন্তু এর পরেও আল্লাহ তা' আলা তাদেরকে ক্ষমা করেছেন কারন তিনি জানটেন তাদের সংখ্যা ও আসবাবপত্র খুবই ন গন্য। এভাবে কিছু মর্যাদা সম্পন্ন ব্যাক্তিকে শাহাদাত দানের পর তিনি স্বীয় পরীক্ষা উঠিয়ে নেন এবং অবশিষ্টকে ক্ষমা করে দান। আল্লাহ তা আলা বিশ্বাসী লোকদেরকে ক্ষমা করে দেন। এই যুদ্ধেই হযরত হামযা রাঃ এর পেট কেটে তার কলিজা হিন্দা নিয়ে যায় এবং নৃত্যরত অবস্থায় কাচা ভক্ষন করে।

যাই হোক এই হলো এর প্রেক্ষাপট। আপনারা আরো যারা ডিটেলস জানতে চান তারা উহুদের যুদ্ধ নিয়ে পড়ালেখা করলেই এই যুদ্ধ করাইশদের নৃশংসতা নিয়ে জানতে পারবেন।

সূরা আন নিসা (মদীনায় অবতীর্ণ), আয়াত সংখ্যা ৭৪-৭৬

"কাজেই আল্লাহর কাছে যারা পার্থিব জীবনকে আখেরাতের পরিবর্তে বিক্রি করে দেয় তাদের জেহাদ করাই কর্তব্য। বস্তুতঃ যারা আল্লাহর রাহে লড়াই করে এবং অতঃপর মৃত্যুবরণ করে কিংবা বিজয় অর্জন করে, আমি তাদেরকে মহাপুণ্য দান করব। আর তোমাদের কি হল যে, তেমারা আল্লাহর রাহে লড়াই করছ না দুর্বল সেই পুরুষ, নারী ও শিশুদের পক্ষে, যারা বলে, হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদিগকে এই জনপদ থেকে নিষ্কৃতি দান কর; এখানকার অধিবাসীরা যে, অত্যাচারী! আর তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য পক্ষালম্বনকারী নির্ধারণ করে দাও এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য সাহায্যকারী নির্ধারণ করে দাও। যারা ঈমানদার তারা যে, জেহাদ করে আল্লাহর রাহেই। পক্ষান্তরে যারা কাফের তারা লড়াই করে শয়তানের পক্ষে সুতরাং তোমরা জেহাদ করতে থাক শয়তানের পক্ষালম্বনকারীদের বিরুদ্ধে, (দেখবে) শয়তানের চক্রান্ত একান্তই দুর্বল।"

সূরা আন নিসা (মদীনায় অবতীর্ণ), আয়াত সংখ্যা ৮৯

"তারা চায় যে, তারা যেমন কাফের, তোমরাও তেমনি কাফের হয়ে যাও, যাতে তোমরা এবং তারা সব সমান হয়ে যাও। অতএব, তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর পথে হিজরত করে চলে আসে। অতঃপর যদি তারা বিমুখ হয়, তবে তাদেরকে পাকড়াও কর এবং যেখানে পাও হত্যা কর। তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না এবং সাহায্যকারী বানিও না। "

সূরা আন নিসা (মদীনায় অবতীর্ণ), আয়াত সংখ্যা ৯৫

"গৃহে উপবিষ্ট মুসলমান-যাদের কোন সঙ্গত ওযর নেই এবং ঐ মুসলমান যারা জান ও মাল দ্বারা আল্লাহর পথে জেহাদ করে,-সমান নয়। যারা জান ও মাল দ্বারা জেহাদ করে, আল্লাহ তাদের পদমর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন গৃহে উপবিষ্টদের তুলনায় এবং প্রত্যেকের সাথেই আল্লাহ কল্যাণের ওয়াদা করেছেন। আল্লাহ মুজাহেদীনকে উপবিষ্টদের উপর মহান প্রতিদানে শ্রেষ্ঠ করেছেন। "

সূরা আন নিসার উপরোক্ত আয়াতগুলো দেখিয়ে বলা হয় যে শান্তিকামী মুসলমানদেরকেও সশস্ত্র জিহাদে যাবার কথা বলেছে।একানে নাকি একমাত্র প্রতিবন্ধি লোকদেরকেই সশস্ত্র জিহাদের থেকে বাদ দিয়ে সবাইকেই জিহাদে যেতে বাধ্য করা হয়। আর এসব আয়াত শুধু ইসলামবিরোধীরাই নয়, আইএসআইএস এবং তালেবানরা যখন কোনো গ্রাম বা শহর দখল করে তখন ওখানকার যুবক সবাইকে ধরে জিহাদে যেতে বাধ্য করে নতুবা খুন করে। কিন্তু এসব আয়াতের তফসীর এটা নয়।

প্রথমত আল্লাহ নির্দেশ দেন যে সেসময় যখন মুনাফিকরা সদা ষড়যন্ত্রে ব্যাস্ত এবং তারা আসলে ইসলামের বিরুদ্ধেই কাজ করে যাচ্ছিলো, তখন সবাইকে নিজেদের আত্মরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করতে বলেছেন। তারা যেন সবসময় নিজেদের সাথে প্রয়োজনীয় যুদ্ধাস্ত্র সাথে রাখে এবং যুদ্ধ সাজে সজ্জিত থাকে যাতে কাফেররা আক্রমন করলে স হজে জয়যুক্ত হতে না পারে। ছোট ছোট সৈন্যদলে বিভক্ত হয়ে বা সম্মিলিত ভাবে যেকোনোভাবেই হোক আহবান পাওয়ামাত্র যুদ্ধে যেতে পারে সেটার কথা বলা হয়েছে।মুজাহিদ রাঃ ও আরও কয়েকজন ইসলামী স্কলারের মতে মুনাফিক নেতাদের প্রধান আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই ইবনে সালূলের কার্যকলাপের দিকে ইঙ্গিত করে তার বয়াপারে সতর্কত থাকটে বলেছেন। তারা সব সময় এমনটাই ভাব করে যে আল্লাহর হেকমটের জন্য মুসলমানরা যদি কোনো কারনে শত্রুদের সাথে যুদ্ধ করে পরাজিত হয় এবং ক্ষতির সম্মুখিন হয় তখন তারা ঘরে বসে বুক ফুলিয়ে স্বীয় বুদ্ধির ওপর মোছে তাও দিতে থাকবে এবং গৌরব বোধ করবে। কিন্তু তারা বোঝে না যে যারা যুদ্ধে গেছেন তারা যে পরিমান পূন্য কামালো এর চেয়ে বেশী লাভবান আর কি হতে পারে। পরে যখন যুদ্ধে বিজয়ী হয়ে তারা বিভিন্ন গনিমতে মাল আর গৌোরব নিয়ে ফিরে আসে তখন তারা অবশ্য পরে আফসোস করে।

আল্লাহ তা'আলা মুমিনদেরকে তার পথে জিহাদের উদ্বুদ্ধ করছেন। তিনি তাদেরকে বলছেন-'গুটি কয়েক দুর্বল ও অস হায় লোক মক্কায় রয়ে গেছে যাদের মধ্যে নারী ও শিশুরাও রয়েছে। মক্কায় অবস্থান তাদের জন্যে অস হনীয় হয়ে উঠেছে। তাদের উপর কাফিরেরা নানা প্রকার উৎপীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে। সুতরাং তোমরা তাদেরকে মুক্ত করে আন। তারাা আল্লাহ তা'আলার নিকট প্রার্থনা জানাচ্ছে -' হে আল্লাহ! আমাদেরকে আপনি এ অত্যাচরীদের গ্রাম হতে অর্থাৎ মক্কা হতে বহির্গত করুন।

স হীহ বুখারী শরীফে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাঃ হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন,'আমি এবং আমার আম্মাও ঐ দুর্বলদের অন্তর্ভূক্ত ছিলাম।' এরপর আল্লাহ পাক বলেন:'মুমিন গণ আল্লাহ তা'আলার আদেশ পালন ও তার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্য যুদ্ধ করে থাকে। পক্ষান্তরে কাফিরেরা শয়তানের আনুগত্যের উদ্দেশ্যে যুদ্ধ করে। সুতরাং মুসলামানদের উচিত যে, টারা যেন আল্লাহ তা'আলার শত্রু ও শয়তানের বন্ধুদের বিরুদ্ধে প্রাণপণে যুদ্ধ করে এবং বিশ্বাস রাখে যে, শয়তানের কলাকৌশল সম্পূর্নরুপে বৃথায় পর্যবসিত হবে।


এরপরের আয়াতগুলো অবতীর্ন হয়েছিলো উহুদের যুদ্ধের যময় কোরাইশদের ৩ হাজার সৈন্যের বিপরীতে মুসলমানরা ছিলো প্রায় ১ হাজার। এমতাবস্থায় মুনাফিক প্রধান আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই ইবনে সালূল ৩০০ লোক নিয়ে পিছু হটে চলে যায়। ফলে মুসলমানরা তখন সংখ্যায় হয় ৭০০। এমন সময় অনেকেই বলেন এদের বিরুদ্ধে জিহাদ করা হোক অনেকে বলেন যারা আমাদের মতই কলেমা পড়েছে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো শুধু এ কারনে যে তারা হিজরত করেনি বা তাদের মটো ঘর বাড়ি ছাড়েনি? কিভাবে তাদের রাক্ত ও মাল হালাল করতে পারি।

এভাবে আলোচনা চলতে থাকলে একসময় তারা মতানৈক্যে পৌছে কিন্তু নবি সাঃ কোনো তখনও বলেননি। এ সময় এই আয়াত অবতীর্ন হয়। আল্লাহ তা আলা বলেন," তাডের অন্তরে তোমাদের প্রতি এত শত্রুতা রয়েছে তখন তোমাদেরকে নিষেধ করা হচ্ছে যে, যে পর্যন্ত তারা হিজরত না করছে সে পর্যন্ত তোমরা তাদের নিজের মনে করো না যে তারা তোমাদের বন্ধু ও সাহায্যকারী। বরং তারা নিজেরা এর যোগ্য যে নিয়মিতভাবে তাদের সাথে যুদ্ধ করা হবে। অতঃপর ওদের মধ্যে হতে ঐ লোকদেরকে পৃথক করা হচ্ছে যারা কোনো এমন সম্প্রদায়ের আশ্য়ে চলে যায় যাদের সঙ্গে মুসলমনাদের সন্ধি ও চুক্তি রয়েছে। তখন তাদের সন্ধিযুক্ত সম্প্রদায়ের মতোই হবে। যদিও পরে হুদায়বিয়ার চুক্তি অনুযায়ী যে কেউ চুক্তি করে মুসলমানদের কাচে সাহায্য প্রার্থনা করতো। কিন্তু পরে সূরা তওবার ৫ নম্বর আয়াতের পবিত্র মাসে যুদ্ধের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আয়াত অবতীর্ন হলে এই আয়াত সমূহ র হিত হয়ে যায়।

যাই হোক, মুনাফিকদের দ্বিমুখী আচরনের কারনেই এই ৮৯ থেকে ৯১ আয়াত অবতীর্ন হয়। এরপরের ৯৫ ও ৯৬ নম্বর আয়াত অবতীর্ন হয় স হীহ বুখারীর বর্ননায় হযরত বারা' রাঃ বলেন যে যখন এ আয়াতের প্রাথমিক শব্দগুলো অবতীর্ন হয়- গৃহে উপবিষ্টগণ ও ধর্মযোদ্ধাগন সমান নয় (যারা বিনা ওযরে গৃহে উপবিষ্ট থাকে)' তখন রাসুলুল্লাহ সাঃ হযরত যায়েদ রাঃ কে ডেকে নিচ্ছিলেন এমন সময়ে হযরত উম্মে মাকতূম রাঃ উপস্থিত হন এবং বলেন,' হে আল্লাহর রাসূল সাঃ! আমি তো অন্ধ।' যাই হোক এই আয়াত দ্বারা বদরের যুদ্ধে অংশগ্রহনকারী এবং যুদ্ধে অনুপস্থিতকারীদেরকে বুঝানো হয়েছে বদরের যুদ্ধের সময় হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে জাহাশ রাঃ এবং হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাতূম রাঃ কে এই আয়াতের মাধ্যমে অবকাশ দেয়া হয়।যার অন্ধ খোড়া রুগ্ন ইত্যাদি কিন্তু যুদ্ধে শরীক হতে ইচ্ছুক তাদেরকে মুজাহিদের মর্যাদা দেয়া হয়। এরপর আরো বলা হয় মদিনাবাসী প্রায় সকলেই একই মর্যাদায় অন্তর্ভূক্ত যদিও তারা ঘরেই থাকে। এই জন্য জিহাদকে ফরযে আইন নয়, ফরযে কিফায়া। তার মানে জিহাদে সবাইকে যেতেই হবে এমন কোনো কথা নাই, একটা গোত্রের কিছু সংখ্যক লোক করলে বাকিদের ওপর ওটা করা হয়ে যায়।

কিন্তু আধুনিক সময়ে আমরা দেখি জঙ্গিরা প্রায় জোর করেই জিহাদের নামে জঙ্গি দলভুক্ত করে এবং নীরিহ মানুষের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালায় রহিত আয়াত দেখিয়ে

তাফসীরের জন্য এই লিংক ফলো করতে পারেন

আজ এ পর্যন্তই.....

মন্তব্য ৪৫ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৪৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা জুলাই, ২০১৬ রাত ২:৩৩

এস বি সুমন বলেছেন: আপনার লেখার সাথে সহমত পোষণ করেই বললাম হ্যা ইসলাম জঙ্গিবাদ সমর্থন করে না । সন্ত্রাসীর সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই । কিন্তু যারা জঙ্গি, কেন শুধু তারাই মুসলিম হয় ? অন্য ধর্মের ও হতে পারত । এ পর্যন্ত কোন জঙ্গি ধরা পড়ে মারা যাওয়ার পর কোন জঙ্গিরই পরিচয় দেখলাম না যে, সে ইসলাম ব্যাতিত । আর তারা তো কোরানের আদর্শকে বুকে ধারন করেই নাকি (ওদের কথানুসারে) জিহাদ করছে । যাইহোক ইসলামপন্থী চরম্পন্থিরা যখন একে একে একেকটা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে তখন ইসলামের সাথে সন্ত্রাসীর কোন সম্পর্ক নেই এই কথাটা কে বা আর মানতে চাইবে বলুন ? আরবি ফারসি নাম হওয়ায় সংশয়বাদী হওয়া সত্ত্বেও যখন মুসলিম কবি, মুসলিম সাহিত্তিক, মুসলিম বিজ্ঞানি বলে তাদের আলাদাভাবে পরিচয় করা হয় তখন নামের আগে পিছনে সন্ত্রাসীদের আলি,মিয়া,হসেন,মোঃ, ইসলাম থাকা সত্ত্বেও ইসলামের সাথে সন্ত্রাসীর কোন সম্পর্ক নেই কথাটা যেন বড়ই রসিকতা মনে হয় ।

০১ লা জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ইসলামে জঙ্গিবাদ সমর্থন করে না-------এটা অনেকটা ব্রোডার কনসেপ্ট। কারন আপনি যদি কথাগুলো পড়ে দেখেন তাহলে আয়াত গুলোতে প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত আছে। তবে এখন যে আয়াতগুলোর কথা বলছি সেগুলো বেশীরভাগ রহিত এবং অনয় সময়ের কনট্রাস্টে। যাই হোক যখন এই পোস্ট আরও এগুতে থাকবে তখন দেখা যাবে ইসলামে এমন কিছু জিনিস আছে যেগুলো আমরা জানি না বা জানানো হয় নি। এটা কি জন্য বললাম সেটা এখন বলছি না। তবে এটুকুই বলে রাখি যারা জঙ্গিপন্থা অবলম্বন করেন তারা আপনার আমার থেকে অনেক ভালো জানেন, তারা এ বিষয়েই সারা জীবন পড়ালেখা করেছেন। তাই আপনার কাছে যা জঙ্গিবাদ তাদের কাছে সেটা নয়। কেন নয় সে ব্যাখ্যাতেও যাবো।

এখন ইসলাম ছাড়া অন্য ধর্মে জঙ্গিবাদ নাই এটা একটা অসম্পূর্ন ও ভ্রান্ত ধারনা।
একশ্বরবাদের আদি ধর্ম ইহুদিবাদে:
১) ব্রিট হাকাইনাম, ২) কিংডম অব ইসরাইলি গ্রুপ, ৩) গুশ ইমুনিম আন্ডারগ্রাউন্ড, ৪) লিহাভা, ৫) সিক্রিম, ৬) কাচ এন্ড কাহান চাই, ৭) টেরর এগেইনস্ট টেরর, ৮) দ্যা রিভল্ট টেরর গ্রুপ। লাস্টের ৬ থেকে ৮ পর্যন্ত সবাই এখন একটিভ

আরও অনেক আছে যেগুলো আর বললাম না। এখন আসি খ্রিস্টানদের মধ্যে কি আছে?
১) লর্ডস রেজিস্ট্যান্স আর্মি, ২) কি ক্লাক্স ক্লান, ৩) ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট অব ত্রিপুরা, ৪) এন্টি বলাকা, ৫) ক্যাথলিক রিএকশন ফোর্স/ প্রোটেস্ট্যান্ট একশন ফোর্স, ৬) দ্যা অরেন্জ ভলান্টিয়ার্স, ৭) দ্যা আরিয়ান ন্যাশনস, ৮) ক্রিশ্চিয়ান আইডেনটিটি মুভম্যান্ট

এরকম করলে সব ধর্মেই এরকম রেডিক্যাল গ্রুপ আছে, সেসবের লিস্ট খুজতে ইচ্ছা করছে না। আমার ফোকাস ইসলাম নিয়ে। ইসলামে যদি জঙ্গিবাদ থাকে তাহলে সেটা জেনে তা দূরীকরনের চেষ্টা করি বা সেটা নিয়ে কথা বলি আর যদি নাই থাকে তাহলে সেটা জেনে আরো ভালো করে কথা বলতে পারি।

আর যত সন্ত্রাসী ধরা পড়ে তার সবার সাথেই মুসলিম নাম নাই। ভুল কনসেপ্ট টা এজন্য যে আমরা সবাই ব্রান্ডিং করি। হিন্দু ধর্মেও কিন্তু এক ডজন গ্রুপ আছে। শিবসেনা যার একটা। কিন্তু তার জন্য আমরা হিন্দু ধর্মকে দোষ দেই না। এই সপ্তাহে শুধু গরুর গোস্ত রাখার জন্য মানুষ মেরে ফেললো। কোন গ্রুপ এই কুকাম করতেছে? চোখ খোলা রাখার অনুরোধ রইলো।

আর যেহেতু আমার পোস্ট ইসলাম নিয়ে সেহেতু আমি অন্য ধর্ম নিয়ে টানাটানি করছি না

২| ০১ লা জুলাই, ২০১৬ রাত ২:৩৫

মহা সমন্বয় বলেছেন: আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে হেদায়েত দান করুন- আমিন।

০১ লা জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আইসো বলি ছুম্মা আমিন

৩| ০১ লা জুলাই, ২০১৬ দুপুর ১:৫০

জেন রসি বলেছেন: আমি ধর্মবিদ্বেষী না। ধর্মকে যার যার ব্যক্তিগত চর্চার বিষয় বলেই মনে করি। কিন্তু সমস্যা শুরু হয় তখন, যখন ধর্মকে চাপাইয়া দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এটা একটা শিশু বুঝতে পারার পর থেকেই পরিবার থেকেই শুরু হয়। শুধু ইসলাম না, সব ধর্মেই হয়। এই চাপাইয়া দেওয়ার একটা খারাপ প্রভাব মানুষের উপর সবসময়ই কাজ করে।

এখন আপনার অনুসন্ধানের ব্যাপারটা হচ্ছে ইসলামের সাথে জঙ্গিবাদের কোন সম্পর্ক আছে কিনা তা খুঁজে বের করা। এ সম্পর্কে আলোচনা করতে হলে আগে দুইটা ব্যাপার সম্পর্কে ক্লিয়ার হতে হবে।

সব ধর্মপ্রচারকই সমাজ পরিবর্তনের জন্য ধর্মীয় মতবাদকে একটা টুল কিংবা মডেল হিসাবে ব্যবহার করেছে। ইসালামের নবীও তৎকালীন সামাজিক ব্যবস্থা পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। যেখানে নারীদের মাটিতে পুতে ফেলা হত সেখানে তিনি তৎকালীন সমাজের আলোকে নারীদের জন্য উন্নত জীবনের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু এই বর্তমান সময়ের আলোকে ভাবলে সেসবকেও খুব ভালো কিছু মনে হবেনা। অর্থাৎ আমি বলতে চাচ্ছি যারা নবীর সেই সময়ের পদক্ষেপকে আধুনিক যুগের আলোকে বিচার করে তাকে গালি দেয় তারা যেমন ভুল, ঠিক তেমনি তারা যারা সেই যুগের নেওয়া পদক্ষেপগুলোতে আটকা পরে আছে তারাও ভুল।

আপনি ফিজিক্সের নেশায় বুঁদ। তাই আপনাকে সেটা দিয়েই একটি উদাহরন দিচ্ছি। ধরেন যেই ব্যক্তি পরমানুর ধারনা দিয়ে বলেছিলেন এটাই ক্ষুদ্রতম কনা আপনি কি তাকে গালি দিবেন? আপনি কি বলবেন বেটা মিথ্যুক কারন এখন নতুন ক্ষুদ্রতম কনা পাওয়া গেছে। নাকি বলবেন সেই বেটাই ঠিক? তিনি যেহেতু বলেছেন পরমানু সবচেয়ে খুদ্রতম কনা তাই পরমানুই ক্ষুদ্রতম কনা। দুইটা দৃষ্টিভঙ্গিই কিন্তু ভুল।

ঠিক তেমনি যারা তৎকালীন সমাজের আলোকে নবীর নেওয়া সব পদক্ষেপকে পরম সত্য ভেবে এই বর্তমান সময়ে এসব এপ্লাই করতে চায় তারা যেমন ভুল ঠিক তেমনি যারা সমাজবিজ্ঞান না বুঝেই নবীকে অশ্লীল ভাষায় গালি দেয় তারাও ভুল।

আর পলিটিশিয়ানরা পাওয়ার গেম খেলার জন্য বইসা আছে। মানুষের অযৌক্তিক দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে তাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র।



Twenty Three Years বইটা আমার কাজে লাগছিল। আপনিও পড়ে দেখতে পারেন।

০১ লা জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৪২

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ওয়েল, বইটা পড়া হইছে। বইটা বাংলা একাডেমী নিষিদ্ধ করছিলো। এই হাদিসগুলার ব্যাপারে কথা বলবো, তবে এখন না। থ্যান্ক্স ফর দ্যা হেডস আপ।

একটা প্রশ্ন, আপনি কার বা কোন পথকে সত্য ভাবেন? যদি উত্তর দেন সরাসরি, তাহলে আমরা প্রশ্নোত্তর খেলা খেলতে পারি।

৪| ০১ লা জুলাই, ২০১৬ বিকাল ৫:৩৩

মহা সমন্বয় বলেছেন: নাহমাদুহু ওয়ানুসাল্লি আলা রাসুলিহিল কারিম, আম্মা বা'দ।
প্রথমে লেখককে আমার সালাম ও শুভেচ্ছা জানাই আসসালামু আলাইকুম। সেই সাথে লেখককে অসংখ্য ধন্যবাদ এরকম একটা গুরুত্বপূর্ণ, সুন্দর এবং সময়োপোযাগী পোস্ট করার জন্য। আপনি ইসলাম সমন্ধে অনেক চমৎকার এবং সঠিক ব্যাখা করেছেন। আমি লেখকের সাথে একমত।
ইসলাম মানে হচ্ছে শ্বান্তি এবং এই পৃথিবীতে আল্লাহ পাকের এক মাত্র মনোনীত দ্বীন হচ্ছে ইসলাম। একমাত্র ইসলামই হচ্ছে শ্বান্তির ধর্ম। ইসলামে অরাজকতা, বিশৃংখলতার কোন স্থান নেই। এই শ্বান্তিপূর্ণ ইসলামের মাধ্যমেই তৎকালীন আইয়ামে জাহিলিয়াত যুগের যাবতীয় বর্বরতা,অন্ধকারের অবসান ঘটিয়েছেন সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ মানব হযরত মুহাম্মদ (সঃ) ।
অথচ বর্তমান মানব সমাজ এই ইসলামটাকে ঠিকমত চর্চা না করার কারণে গুমরাহ হয়ে যাচ্ছে। তারা কোরান ও হাদিসের অপব্যাখ্যা করছে। একজন মুসলিম হিসেবে যা আমার কাছে অত্যন্ত দুঃখ জনক। :(
বর্তমান সময়ে আমাদের দেশের নাস্তিক নামক কিছু ইসলাম বিদ্বেষী কুলাংগারেরা ইসলাম সমন্ধে কুৎসা রটাচ্ছে। আপনার এই পোস্টটি সকল নাস্তিক সমাজের ভুল ধারণার উৎকৃষ্ট জবাব।
সকল নাস্তিকদের উদ্দ্যেশে বলছি, কেউ যদি প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ (সঃ) এর একটি বাণী বা কোরাণের একটি আয়াতের ভুল বা অসঙ্গতি ধরতে পারেন তাহলে আমি আজকেই নাস্তিকতা গ্রহণ করব। আর আপনরা তা কোনদিনই পারবেন না ইনশাআল্লাহ।
আসলে তাদের ইসলাম সমন্ধে ধারণা না থাকার কারণেই তারা নাস্তিক হয়েছে, কোন মুসলীমের সন্তান কখনো নাস্তিক হতে পারে না। আসলে তাদের জন্ম নিয়েই আমার সন্দেহ আছে। নাস্তিকরা আসলে ভারতের দালাল, ইসলামের বিরুদ্ধে লেখালিখি করেই তাদের পেট চলে। পশ্চিমা বিশ্বের ইহুদি নাসাড়াদের ষড়যন্ত্রের ফলই হচ্ছে নাস্তিকতা। প্রকৃত পক্ষে কোন সুস্থ মানুষ কখনোও নাস্তিক হতে পারে না। নাস্তিক মানেই পাগল।
যাই হোক নাস্তিকদের নিয়ে আমার কোন অভিযোগ নেই যার যার বিশ্বাস সেই সেই নিয়েই থাকুক।

আপনার উপর আল্লাহ তা'য়ালার অশেষ মেহেরবাণী এবং বর্কত বর্ষীত হোক - আমিন।

০১ লা জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: নারায়ে তাকবীর

আল্লাহু আকবর

৫| ০১ লা জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:২২

বিবেক ও সত্য বলেছেন: যারা বলছেন যে ইসলামে সন্ত্রাস নেই, তাদের প্রতি আমার অনুরোধ আমাকে আগে ইসলাম ধর্মের অনুসন্ধান দিন ’ইসলাম’ নামক ধর্মের সন্ধানে (সমালোচনা উদ্দেশ্য নয়, আন্তরিকভাবে অনুসন্ধানে যা পেলাম) তারপর সেখানে খুজে দেখে বলা যাবে ইসলামে সন্ত্রাসবাদকে উস্কানি দিচ্ছে নাকি দিচ্ছে না।

০১ লা জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এখন মাজ হাব, ইজমা কিয়াস ফিকহ বুলশীট পড়নের টাইম নাই। কোরানে বলা আছে কোরান না বুঝলে নবিজী সাঃ এর জীবনাদর্শ অনুসরন করতে। এরপর সাহাবা কেরাম এরপর তাদের মতানুসারী বিজ্ঞ আলেম, কিন্তু কোরান + নবীজী সাঃ এর পরই নিজের বিবেকরে অনুসরন করতে বলা হইছে।

ধরতে পারেন আমি পুথিগত বিদ্যাই যাচাই বাছাই করে সত্য মানি, আর ফলো করার ব্যাপারে আসলে আমি অতটা প্রাকটিসিং মুসলমান এখনও হতে পারিনি

৬| ০১ লা জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৩৫

মহা সমন্বয় বলেছেন: ইসলাম সমন্ধে ভুল ধারণা দূর করতে আমাদের সকলকে সহীহ শুদ্ধভাবে কুরআন হাদিস পড়তে হবে এবং গভীর ভাবে তা অনুধাবন করতে হবে।
কোর'আন হাদিসের কোথাও কোন জঙ্গিবাদের কথা উল্লেখ নেই তারপরেও কিছু মানুষ ইসলামকে না বুঝে ইসলামের নামে জঙ্গিবাদ ছড়াচ্ছে। আইসিসের সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই, আইসিস হচ্ছে আমিরিকার চক্রান্ত। ইসরাইল আর আমিরিকা চক্রান্ত করে পৃথিবী থেকে ইসলামের নাম মুছে দেয়ার পাঁয়তারা করছে।
ইহুদি নাসাড়াদের এই চক্রান্ত কুনুদিনও সফল হবে না, একজন মুসলিমের গায়ে এক বিন্দু পরিমাণ রক্ত থাকতে তাদের চক্রান্ত সফল করতে দেয়া হবে না। যে কোন মূল্যে তাদের প্রতিহত করতে হবে। আল্লাহ হুআকবার।
ইনশাআল্লাহ একদিন না একদিন এই পৃথিবীতে খেলাফাত কায়েম করা হবেই। যে কোন মূল্যে ইসলামী খেলাফত কায়েম করে ইসলামী স্বর্ণ যুগে ফেরৎ যেতে হবে। এই পৃথিবীতে আল্লাহর একমাত্র মনোনীত দ্বীন ইসলামের প্রতিষ্ঠার জন্য, শ্বান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য খেলাফত কায়েম করাটা অত্যন্ত জরুরী হয়ে পরছে। নবিজীর পরেই হযরত ওমর (রাঃ) ছিলেন সর্বোশ্রষ্ঠ রাষ্ট্র নায়ক। খেলাফাতের যুগ ছিল ইসলামের স্বর্ণযুগ সে সময় মুসলীম সম্রাজ্যে সূর্য কখনও অস্ত যেত না।
কিন্তু আফসোস বর্তমান সময়ের মুসলীমরা ইসলামটাকে না বুঝার কারণে ইসলাম থেকে দূরে সরে গিয়েছে। ভারত,আমেরিকা,ইসরাইল সরা পৃথিবীতে মুসলীমদের উপর অত্যাচার করছে। আর আমরা মুসলীমরা তা বসে বসে দেখছি।
বসে বসে মার খাওয়ার আর সময় নেই সময় এসেছে ঘুম থেকে জগ্রত হবার- ওহে মুসলিম সৈনিকেরা, হে হযরত আলী (রাঃ) হযরত হমাযহ (রাঃ) এর উত্তরসূরীরা, ওহে আল্লার সৈনিকেরা তোমরা যে যেখানে আছো সেখান থেকেই বিধর্মীদের বিরুদ্ধে দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোল। তোমরাদের কোন ভয় নেই আল্লাহ তোমাদের সাথেই আছেন। বাঁচলে গাজী মরলে শহীদ উভয়দিকে তোমরা কামিয়াবী। নবিজী (সঃ) ইরশাদ করিয়াছেনন- শহীদদের তোমরা কখনও মৃত বলো না শহীদদের স্থান সরাসরি জান্নতে।
গাঁয়ে এক বিন্দু পরিমাণ রক্ত থাকতে যে কোন মূল্যে আল্লাহর মনোণীত দ্বীন ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা হবেই। শ্বান্তি প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ হচ্ছে ইসলাম। প্রকৃত মুমিন বান্দা কখনো মৃত্যুকে পরোয়া করে না। দুই দিনের এই দুনিয়া আখেরাতের অনন্ত জীবনের কাছে কিছুই না। তাই প্রতিটি মুসলিমের ঈমানী দায়িত্ব হচ্ছে যে কোন মূল্যে ইসলামকে প্রতিষ্ঠা করা।
যে ব্যাক্তি আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে মৃত্যু বরণ করল মৃত্যুর সাথে সাথেই সে বেহেশতের সুশীতল বাতাসের সুঘ্রাণ পাবে- আল হাদিস

০১ লা জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৫০

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: জামাত শিবিরকে মানুষ মনে করেন? সিরিয়াসলি?তাদেরকে বিনা বিচারে বোথা চাপাতি দিয়া হত্যা করা উচিত, যেমনটা কোরায়েশদের করেছিলো মুসলমানরা কোরানের ওসব আয়াত রহিত হবার আগে

৭| ০১ লা জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:১৬

মহা সমন্বয় বলেছেন: আপনি একজন মুসলিম হয়ে জামাত শিবির সম্পর্কে এমন কথা বলা ঠিক হইল না। বংলাদেশে ইসলামের একমাত্র ধারক এবং বহাক হচ্ছে এই জামাতি শিবির। জামাত শিবির সম্পর্কে হয়ত আপনি তেমন কিছু জানেন না অথবা নাস্তিকদের কথায় বিভ্রান্ত হয়েছেন মনে হচ্ছে। জমাত শিবিবের প্রতিটি কর্মী সহীহ ইসলামী আকিদায় বিশ্বাসী।
শুনেন আপনাকে একটা কথা বলে রাখি, বাংলাদেশে সহিহ ইসলামী দল একটিই আছে আর তা হচ্ছে জামাত,শিবির। একমাত্র জামাত শিবিরই পারে বাংলাদেশেকে শান্তিপূর্ণ ইসলামী রাস্ট্রে পরিণত করতে। খেলাফতের স্বর্ণ যুগে ফেরত যেতে হলে জামাত শিবিরের বিকল্প কিছু নেই। আপনি কি জামাত শিবিরের কর্মীদের বিরুদ্ধে একটা খারাপ রেকর্ড দেখাইতে পারবেন? জানি পারবেন না ইনশাআল্লাহ। বাংলাদেশে যত খারাপ কাজ হয় এর জন্য দায়ী হচ্ছে ছাত্র লীগ। বহু ভারতীয় নাগরিক ছাত্রলীগে যোগদান করে অরাজকতা সৃষ্টি করছে। সেনা বাহিনী,পুলিশ বাহিনীতেও ভারতীয় নগরিক পুশইন করা হচ্ছে, সেই খবর আমাদের কাছে আছে। আওয়ালীগ সরকার, আর ভারত এক জোট হয়ে বাংলাদেশ থেকে জামাত শিবির তথা ইসলমাকে মুছে দেয়ার পায়তারা করছে। এই বাংলার মাটিতে একজন মুসলীম বেঁচে থাকতেও তাদের এই উদ্দ্যেশ্য সফল হবে না। ইনশাআল্লাহ।
আশা করি জামাত শিবির সম্পর্কে এবার আপনার ভুল ভাঙ্গবে।
যদি প্রকৃত মুসলিম হয়ে থাকেন, যদি প্রকৃতই শ্বান্তি কামনা করে থাকেন তাহলে জামাত শিবিরে যোগদান করবেন আশা রাখি।
(yt|https://www.youtube.com/watch?v=e68OhlGb7ug]

০১ লা জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:১৯

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনি একজন মুসলিম হয়ে জামাত শিবির সম্পর্কে এমন কথা বলা ঠিক হইল না। বংলাদেশে ইসলামের একমাত্র ধারক এবং বহাক হচ্ছে এই জামাতি শিবির। জামাত শিবির সম্পর্কে হয়ত আপনি তেমন কিছু জানেন না অথবা নাস্তিকদের কথায় বিভ্রান্ত হয়েছেন মনে হচ্ছে। জমাত শিবিবের প্রতিটি কর্মী সহীহ ইসলামী আকিদায় বিশ্বাসী।

বাচালের মতো কথা বলা কি আপনের ছোটবেলার স্বভাব? এলাকার বখাইটা পোলাপান বা স্কুলের সিনিয়র পোলাপান রাস্তায় খাড়া করাইয়া বনচটকানা দুইটা মারে নাই বেশী কথা বলার জন্য?

৮| ০১ লা জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:১৯

মহা সমন্বয় বলেছেন: ভিডুটা তো হইল না এই্টা একটু ভাল করে দেখুন ভাই। সাইদী সাহবের মত এমন এক বজুর্গ ব্যাক্তিকে বন্দি করে রেখেছে এই সরকার। :(

০১ লা জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:২০

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: তারে যারা ঈমানী মানে তাগো কাছে বলেন। আমার কাছে বইলা কি লাভ?

৯| ০১ লা জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৪০

মহা সমন্বয় বলেছেন: আপনি আমাকে বাঁচাল বলেন আর যাই বলেন। ইসলামী রাস্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য জামাতের কোন বিকল্প নাই।
সঈদী সাহবের মত একন একজন ইসলামী স্কলারকে আপনি পছন্দ করেন না শুনে খুব খারাপ লাগল ভাই। :(
সমগ্র মধ্য প্রাচ্যের বড় বড় আলেমরা তথা মুসলীম বিশ্বের বিখ্যাত সব উলাময়ে কেরামগণ সাঈদী সাহেবের ভক্ত।
Heavy Weight Speech By Allama Deloar Hossain Saidi

তারপরেও আপনি সঈদী সাহবের আর কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবেন?
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে দ্বীনের সহীহ বুঝ দান করুন - আমিন

১০| ০১ লা জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭

জেন রসি বলেছেন: আমি কারো পথকেই পরম সত্য বলে মনে করিনা। এক্সময় মার্ক্সবাদকে সব সমস্যার সমাধান হিসাবে মনে করতাম। এখন তাও মনে করিনা। আর আমার কাছে মনে হয় জ্ঞানের এক শাখার সাথে অন্য শাখার কিছু বেসিক পার্থক্য আছে। কোন একটা মতবাদকে আঁদা জল খাইয়া একমাত্র সত্য প্রমান করার চেষ্টা করাকে ক্ষতিকর মনে করি। যেমন ধরেন গান্ধীর প্যাসিভ রেজিসটেন্স ব্যাপারটা কিছু যায়গায় ভালো। কিন্তু আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় এই মতবাদ অচল। তাই কোন মতবাদে ফিক্সড হয়ে যাওয়াটাকেই সমস্যা মনে করি।

আর প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মগুলো কিভাবে কি কারনে বিকাশ লাভ করেছে তা আপনি এই বিষয়ে কিছুটা পড়ালেখা করলেই বুঝে যাবেন। সমাজ পরিবর্তনে এইটা একটা ডিভাইস হিসাবে ইউজ করা হয়েছে। সেটা তৎকালীন সমাজের হয়ত প্রগতি ছিল। এই সমাজে তা অযৌক্তিক।



০১ লা জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৪৯

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আর প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মগুলো কিভাবে কি কারনে বিকাশ লাভ করেছে তা আপনি এই বিষয়ে কিছুটা পড়ালেখা করলেই বুঝে যাবেন। সমাজ পরিবর্তনে এইটা একটা ডিভাইস হিসাবে ইউজ করা হয়েছে। সেটা তৎকালীন সমাজের হয়ত প্রগতি ছিল। এই সমাজে তা অযৌক্তিক।

আমার পোস্টের মূল উদ্দেশ্য এটা নয়। তাই এ নিয়ে কথা বলা অবান্তর।

আর যেহেতু আপনার নিজেরই কোনো পথ নেই, তাহলে আপনি সমালোচক। তাহলে আপনি কিসের সমালোচক? শুধু ধর্মের নাকি পুরো ঐশ্বরিক কনসেপ্টের বিরুদ্ধে?

১১| ০১ লা জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৫১

চাঁদগাজী বলেছেন:




গত ২০০০ বছর আরব এলাকায় সমস্যা লেগে আছে

০১ লা জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৫৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: সিরিয়াসলি?

ডেভিড আর গোলিয়াথের যুদ্ধের কথা ভুইলা গেছেন?

১২| ০১ লা জুলাই, ২০১৬ রাত ৮:০৩

জেন রসি বলেছেন: আর যেহেতু আপনার নিজেরই কোনো পথ নেই, তাহলে আপনি সমালোচক। তাহলে আপনি কিসের সমালোচক? শুধু ধর্মের নাকি পুরো ঐশ্বরিক কনসেপ্টের বিরুদ্ধে?

আমার পথ নেই এ কথা আমি বলি নাই। যা বলেছি তা হচ্ছে আমি সবকিছুকে যৌক্তিক উপায়ে যাচাই করে নিতে পছন্দ করি। যেমন ধরেন বঙ্গবন্ধুকে আমি স্বাধীনতার রুপকার মনে করি। কিন্তু তাই বলে তার সমালোচনা করা যাবেনা এমনটা মনে করিনা। আমি ধর্ম চাপিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে যেটাকে জঙ্গিবাদ বলা হয়ে থাকে। ধর্মীয় কনসেপ্ট দিয়ে বলপ্রয়োগের বিরুদ্ধে।

০১ লা জুলাই, ২০১৬ রাত ৮:১২

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: তাহলে আপনার পথটা কোনটা?




ব্যাক টু দ্যা স্কোয়ার এগেইন

১৩| ০১ লা জুলাই, ২০১৬ রাত ৮:১০

মহা সমন্বয় বলেছেন: নবীজি (সঃ) বলিয়াছেন- যে সমাজে আলেমদের মূল্যায়ন নেই সেই সমাজের ধ্বংস অনিবার্য। - সহিহ বুখারী।
কি ভাই কিছু বুঝতে পারছেন? সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ মানব হযরত মোহাম্মদ (সঃ) ১৪০০ বছর আগেই যা বলে গিয়েছেন তা আমাদের সমাজে বর্তমানে হাড়ে হাড়ে সত্যতায় রুপন্তরীত হয়েছে।
এই সমাজ এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চারিদিকে ইহুদী নাসাড়াদের ষড়যন্ত্র, বিধর্মী রাষ্ট্র ভারতের ছত্র ছায়ায় আরেক বিধর্মী সরকার ক্ষমতায়। পাঠ্য পুস্তকে হিন্দু ধর্ম ঢোকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ভাল ভাল বুদ্ধিমান রজনৈতীবিদদের জেলে ঢুকানো হচ্ছে।
চারিদিকে অশ্লীলতা বেলাল্লাপানায় ভরে গেছে। পহেলা বৈশাখ নামে বিধর্মিদের অনুষ্ঠান পালন করা হচ্ছে, সরকার নাস্তিকতাকে উস্কে দিচ্ছে এমন হাজারও সমস্যায় জর্জরিত এই সমাজ।
এখনও সময় আছে মুসলিমদের জাগ্রহত হবার তা না হলে যে কোন সময় আল্লা পাক বড় ধরনের গজব বর্ষণ করতে পারেন। এ বছর সারা দেশে বজ্রপাতে ৫০০ এর অধিক মানুষ মারা গেল। :( এগুলো কিসের আলামত একটু কি ভেবে দেখেছেন?
যে সমাজে অন্যায়, অত্যাচার,গোমরাহী,বেদ'আত বেড়ে যাবে সেই সমাজে আল্লাহ পাক গজব নাজিল করেন। সুতরাং মনব জাতির কল্যাণের জন্য আমি সকলকে আহ্বান করছি সকলেই যেন বেশি বেশি করে আল্লহ পাকের দরবারে তওবা করে ও তাদের ছেলেমেয়েদের মাদ্রাসায় পাঠিয়ে সহীহ দ্বিন ইসলামি শিক্ষায় শিক্ষিত করে। আর বেশি বেশি দান ছদকা করেন।

নবীজি (সঃ) ইরশাদ করিয়াছেন- দান ছদকার মাধ্যমে মানুষের ছোট ছোট গনাহ ঝড়িয়া পড়ে,ঠিক যেমন শুকনো পাতা বাতাসে ঝড়ে পরে। সহীহ হাদিস (বুখারী শরিফ)
আরেক বর্ণনায় উল্লেখ আছে- দ্বীনি কাজের দান হচ্ছে ছদকায়ে জাড়িয়া, কিয়ামত পর্যন্ত উক্ত দানের নেকী পেতেই থাকবে।
(ছদকায়ে জাড়িয়া নিয়ে একটু লেখাপড়া করুন তাহলে আরও অনেক কিছু জানতে পারেন। গজব থেকে মুক্তির জন্য ছদকাটা অত্যন্ত জরুরী)
স্বয়ং আল্লাহ পাক কোরানে বলেছেন- মুসলিম জাতি যতদিন আমার কোরআনকে আকড়ে ধরে থাকবে ততদিন তাদের কোন ভয় নেই আর তারা দুঃখিতও হবে।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে কুরাআন ও হাদিস সঠিক ভাবে বুঝার তৈফিক দান করুন- আমিন।

১৪| ০১ লা জুলাই, ২০১৬ রাত ৮:১৪

বিবেক ও সত্য বলেছেন: ইসলাম কি জীবন বিধান নাকি কতগুলো বিশ্বাসের নাম। সমগ্র কুরআনে যা আছে তার সারকথা হল-
১. স্রষ্টার অস্তিত্ব ও তার যৌক্তিকতা, তার একত্ব, স্রষ্টার গুনাবলী ইত্যাদি। (কুরআনের প্রায় ৩০%)
২. জান্নাত-জাহান্নাম, হাশর,পরকাল,ফেরেশতা ইত্যাদি (কুরআনের প্রায় ৩০%)
৩. নবী-রসুল ও তাদের জীবনাতিহাস ও কিছু ঘটনা (কুরআনের প্রায় ২০%)
৪. আইন-কানুন ও বিধি-বিধান, নৈতিকতা ইত্যাদি (কুরআনের প্রায় ১০%)
৫. অন্যান্য বিষয় (কুরআনের প্রায় ১০%)
আর হাদিস থেকে কি নিবেন। লক্ষ লক্ষ হাদিস বানোয়াট। কোনটি সঠিক তা আপনি খুজে পাবেন কিভাবে? স্রষ্টা কি কুরআনের মত হাদিস সংরক্ষন করতে ব্যর্থ। অবশ্যই না। স্রষ্টা কোন বিধান দেননি,তাই মানব রচিত বিধানের এ জগাখিচুড়ি অবস্থা।

০১ লা জুলাই, ২০১৬ রাত ৮:৩২

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: লক্ষ লক্ষ হাদিস?

আর ইউ কিডিং?

খুব বেশী হলে ১০ থেকে ২০ হাজারের মধ্যে। পরে সেগুলোকে ইলাবোরেট করা হইছে বিভিন্ন তাবেঈ তাবেইনদের দিয়ে। ১০ থেকে ২০ এর মধ্যে কিভাবে এসেছে জানেন?

ড্যুড, এগুলা প্রাথমিক লেভেলের তর্ক।


আপনি এসব আয়াত আর যেসব তাফসীর নিয়ে একটু পড়ালেখা করেন। আমি লিংক দিয়ে দিছি। এই হাদিস ভুলের কনসেপ্ট অনেক আগের ইস্যু আর ব্লগে এটা নিয়ে কথা হইছিলো ২০০৮ এ। আহাদিস, জঈফ ইত্যাদি এগুলো বোধ হয় জানেন!

১৫| ০১ লা জুলাই, ২০১৬ রাত ৮:৩১

জেন রসি বলেছেন: লেখক বলেছেন: তাহলে আপনার পথটা কোনটা?




ব্যাক টু দ্যা স্কোয়ার এগেইন


হাহাহাহাহাহাহাহাহাহা

আপনি দেখি থিসিস টাইপ ভাষা ছাড়া অন্য কিছু বুঝতেই রাজি না!! ;)

যদি মোটা দাগে বলি তবে বলব অন্ধ বিশ্বাস দিয়ে যাচাই না করে যুক্তি দিয়ে যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই আমার পথ।

০২ রা জুলাই, ২০১৬ বিকাল ৫:২০

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: অন্ধ বিশ্বাস একটা ক্যান্সারের মতো। এখন আভিধানিক ভাবে অন্ধবিশ্বাস যেকোনো ব্যাপারেই হতে পারে। এখন কেউ যদি বলে বিজ্ঞানকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে বলে যে বিজ্ঞান মাল্টিভার্স আবিস্কার করতে পেরেছে সেটাও হবে অন্ধবিশ্বাস।

এখন আপনি অন্ধবিশ্বাসে ব্রত নন, এটা খুব ভালো ব্যাপার কিন্তু একজন ব্লগার হিসেবে এটা উচ্চাশার পর্যায়ে যাবার জন্য খুব বেশী কিছু না।একজন সুস্থ চিন্তার ব্লগারের কাছে উচ্চাশার পর্যায়টা সংজ্ঞায়িত তখনই হবে যখন আপনি কোনো একটা বিষয়ের আলোচনা শুরু করে চালিয়ে যেতে পারবেন।

এখন আমি আলোচনার খাতিরেই বলছি, যদি আপনি কোনো পথেই না থাকেন, যদি মনে করেন সব পথেই কোনো না কোনো সমস্যা আছে, তাহলে আপনি যে কোনো পথেই নাই, আমি কিভাবে বিশ্বাস করবো আপনিই বা সম্পূর্ন রূপে ঠিক আছেন? কারন সম্পূর্নভাবে ঠিক থাকার জন্য চাই তথ্য, এবং একজন মানুষের পক্ষে সর্বজ্ঞানী হওয়া মোটেও সম্ভবপর নয়। তাহলে আপনার রেফারেন্স পয়েন্ট টা কি?

১৬| ০১ লা জুলাই, ২০১৬ রাত ৮:৪৭

বিবেক ও সত্য বলেছেন: ইমাম বুখারি একাই তো ছয় লাখ হাদিস থেকে বাছাই করে মাত্র ৭১৭৫ টি হাদিস নিয়ে একটি সংকলন করেছেন। বাকি সব হাদিসই কি জাল? আবার বুখারীরর সব হাদিসই কি সঠিক।
হাদিস যদি ইসলামি আইনের প্রধান উৎস হয় তা হলে সেটা কি কুরআনের মত সংরক্ষন করতে স্রষ্টা অক্ষম? নিশ্চয়ই না। স্রষ্টা কোন বিধান দেননি,তাই এ অবস্থা।

০২ রা জুলাই, ২০১৬ বিকাল ৫:৩৩

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এখন আপনি যে লক্ষ লক্ষ হাদিসের কথা বললেন যেহেতু তা বাস্তবে এক্সিস্ট করে না বা করলেও তার গ্রহন যোগ্যতা নিয়ে ঐতিহাসিক পদ্ধতি অনুসরন করা অসম্ভব সেহেতু সেগুলো নিয়ে কথা বলা অবান্তর। কারন ঐগুলো যদি আপনি গ্রহন যোগ্য বলে মেনে নিয়ে চলতে চান সেটা শুধু আপনার ব্যাপারই হবে, কিন্তু আপনি যখন তা চাপিয়ে দিতে চাইবেন তখন প্রশ্ন আসবে এগুলো কোরান এবং আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে সাংঘর্ষিক কিনা।

হাদিস সর্বমোট যা আছে সংকলিত তা ৮০০০ এর বেশী হবে না, বাকি যত বই আছে তা কোনো কোনোটা রিপিটেটিভ, বিভিন্ন সোর্স থেকে বিভিন্ন ভাবে প্রাপ্ত। তা নিয়েও অনেক শংকা আছে এবং ৪ মাঝাবই বলে গেছেন যদি কোনো হাদিস কোরানের সাথে সাংঘর্ষিক হয় তাহলে তাকে সাথে সাথে খারিজ করার রায় দিয়েছেন।

আর হাদিস ইসলামী আইনের প্রধান ঊৎস বানিয়েছেন ধর্ম ব্যাবসায়ীরা কারনো এখানে জাল হাদিস থাকায় তাদের কেদ্দারী করার সুযোগ আছে। এবং তারা সেই সুযোগ সুনিপুন ভাবে গ্রহন করে ৫২ ফেড়কার জন্ম দিছে। এখন আপনি ডিসিশন নেন আপনি কোনো ফেড়কায় যাবেন নাকি যেই কোরান ও হাদিস আপনাকে আল্লাহ দিয়েছে তা গ্রহন করার মতো চিন্তা ও বিবেক আপনার আছে কিনা!

ভালো থাকুন

১৭| ০১ লা জুলাই, ২০১৬ রাত ৯:৩০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ গুরুত্বপুর্ণ বিষয়ের উপর লিখাটির জন্য । এখন সবটুকু পড়তে পারিনি পরে এসে আবার দেখব। এরকম ধারণা নিয়ে আমিও একটি লিখা শুরু করেছিলাম । সামুতে ১ম পর্ব ছেড়েছিলাম । পাঠক সারা দুর্বল দেখে এখানে ঐ লিখা নিয়ে এগুনোর উৎসাহে ভাটা পরে । তবে বই আকারে লিখার কাজ চলছে । ইচ্ছে হলে এক নজর দেখে নিতে পারেন নিম্মের শিরোনাম ও লিংক থেকে ।
http://www.somewhereinblog.net/blog/ali2016/30119239

জয় হোক সত্যের : বিশ্বাসী অবিশ্বাসী দন্ধ - হোক চিরতরে বন্ধ -১

০২ রা জুলাই, ২০১৬ বিকাল ৫:৪৩

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনার পোস্ট সুন্দর হয়েছে। আপনি কন্টিনিউ করতে পারেন। হতে পারে প্রথম প্রথম কমেন্ট পাবেন না। কিন্তু পোস্ট ভালো হলে অবশ্যই পরে লোকে পড়বেই। আমারও অনেক পোস্টের সিরিজ আছে যেগুলোতে কমেন্ট নেই বললেই চলে। কিন্তু শেষ তো করেছি। নিদেপক্ষে নিজের জন্য সিরিজটা শেষ করেন

১৮| ০১ লা জুলাই, ২০১৬ রাত ১০:৩১

পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন: কিছু লেখতেও ত ডর লাগে

০২ রা জুলাই, ২০১৬ বিকাল ৫:৪৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: লেইখা ফেলান, ডরাইয়াও এখন লাভ নাই। যত বেশী ডরাইবেন ততবেশী ঘাড়ে চাপবো।

ফেসবুক বন কেন মিয়া?

১৯| ০২ রা জুলাই, ২০১৬ রাত ১:২৮

মহা সমন্বয় বলেছেন: ইসলামে জঙ্গিবাদের কোন স্থন নেই। যারা এসব করে তারা ইসলামের কিছুই বুঝে না। আমাদের সঠিক ইসলাম জানতে হবে।

গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জিম্মি হয়ে পড়াদের মধ্যে আনুমানিক ২০ জনই বিদেশি রয়েছেন বলে জানিয়েছেন বেকারির সুপারভাইজার সুমন রেজা। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, রাত পৌনে নয়টার দিকে আট থেকে ১০ জন যুবক অতর্কিতে আর্টিজানে ​ঢুকে পড়ে। তাদের একজনের হাতে ছিল তলোয়ার, বাকিদের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র। ঢুকেই তারা কয়েকটি ফাঁকা গুলি করে এবং আল্লাহু আকবর বলে চিৎ​কার করে। তখন ভেতরে ২০ জনের মতো বিদেশি না​গরিক ছিলেন।
সুমন নিজে ও আর্টিজানের আরেকজন কর্মী (ইতালির নাগরিক) দোতলার ছাদ থেকে লাফিয়ে বাইরে আসতে সক্ষম হন।

২০| ০২ রা জুলাই, ২০১৬ রাত ২:১২

মহা সমন্বয় বলেছেন: প্রিয় উদাসী ভাই্য়্যু , ধর্মের ওই কালো মোখশ খুলে এবার একটু প্রকৃত সত্যের দিকে ধ্বাবিত হওয়ার চেষ্টা করি। আশা করি আপনি আমাকে বুঝ দান করবেন। :)
প্রকৃত ইসলাম কি? সঠিক ইসলাম বলতে কি কিছু আছে? বর্তমান এই মহা বিশ্বের একজন মানুষও কি প্রকৃত ইসলামের সন্ধান পেয়েছে? কোন সে ব্যাক্তি যে প্রকৃত ইসলামের সন্ধান পেয়েছে? তার সন্ধান আমাদের দিন আমরা তার অনূসরী হতে চাই।
ইসলামের সঠিক রুপটাই বা কি? ইসলামের কোন পথেই বা আমরা এগোতে পারি?
জানি আপনার কাছে প্রশ্নগুলো শিশুশুলভ মনে হবে, আমরা মুক্তমনরা আপনার কাছে হয়ত শিশু শ্রেফ শিশু। মুক্তমনাদের সব মতামতই আপনার কাছে প্রাথমিক লেভেলের মনে হয়। তাদের যুক্তিগুলোকে আপনার কাছে বড়ই সাধারণ এবং সেকেলে মনে হয়। তো আপনি আমাদের এই প্রাথমিক লেভেলেরই জ্ঞান দান করুণ। ধীরে ধীরে আমরা আপনার কাছ থেকে উচ্চ স্তরের জ্ঞান লাভ করিব। আমরা যদি বিভ্রান্তিতে থাকি বা বিপথে থাকি তাহলে আমাদের এই বিপদ থেকে উদ্ধার করুন এবং আমাদের বিভ্রান্তি দূর করুন। :)
আরও কিছু প্রশ্ন?
কোরান বা ইসলামে সন্ত্রাস নেই, কোরানই হচ্ছে সমগ্র মানবজিতর পথ পদর্শক। এ ব্যাপারে কি আপনি নিশ্চিত ? আপনি যে সিরিজটি লিখছেন এর মধ্যে কোরানের আয়তগুলোর সঠিক ব্যাখ্যা করা হয়েছে? নাকি বিশ্বাস নির্ভর ব্যাখা করা হয়েছে?
কোরানের এক একটি আয়াতের সম্ভাব্য কতগুলো ব্যাখা হতে পারে? এ ব্যাপারে বিখ্যাত কিছু ইসলামি স্কলারের মতমত দিন।
সর্বোপরি আমি আপনার কাছ থেকে ইসলাম শিখতে চাই ইসলামের গভীর জ্ঞান অর্জন করতে চাই। :)
ধন্যবাদ।

২১| ০২ রা জুলাই, ২০১৬ রাত ২:৩৩

মহা সমন্বয় বলেছেন: নিজেকে আরেকটু খোলাসা কইরা দেই তা না হলে কি আর মুক্তমনা হাওয় যায়? :P আমি পরোপুরি ঐশ্বরীক কনসেপ্টের বিরুদ্ধে এবং কোরানকে আমি ঐশ্বরিক গ্রন্থ মনে করি না। আগে এর পক্ষে ছিলাম কিন্তু যখন বুঝতে পারলাম ঐশ্বরীক কনসেপ্টে মানুষকে শুধুই অন্ধকারের দিকে ধ্বাবিত করে আর বিভ্রান্তির চরম শিখরে নিয়ে যায় ;) তখন ঐশ্বরীক কনসেপ্ট থেকে বের হয়ে আসি। আপনি যদি মনে করেন আমি ভুল করেছি তাহলে আমাকে পথ পদর্শন করলে বাধিত হব। :)

২২| ০২ রা জুলাই, ২০১৬ ভোর ৪:৩৭

আব্দুল্লাহ্ আল আসিফ বলেছেন: ছু মন্তর ছু...

০২ রা জুলাই, ২০১৬ বিকাল ৫:৪৫

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আয়ুস্মান

২৩| ০২ রা জুলাই, ২০১৬ দুপুর ১২:৩০

মহা সমন্বয় বলেছেন: ইসলামে জঙ্গিবাদের কোন স্থান নেই, ইসলাম হচ্ছে পবিত্র শ্বান্তির ধর্ম।
সারা বিশ্বে যে জঙ্গি কার্যক্রম হচ্ছে এর সবই হচ্ছে নাস্তিকদের কাজ। ;)



......শুক্রবার রাতে অভিযান শুরু কিছু ক্ষণ পরেই এলাকা থেকে সংবাদ মাধ্যমকে সরিয়ে দেওয়া হয়............ ঘটনার দায় স্বীকার করে আইএস জানিয়েছিল, পণবন্দিদের হত্যা করা হয়েছে। রাতেই জঙ্গিদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানিয়েছিল যৌথ বাহিনী। জবাবে জঙ্গিরা আত্মসমর্পণের তিনটি শর্ত দিয়েছিল। শর্তগুলো হলো-
১. একদিন আগে ডেমরা থেকে আটক জেএমবি নেতা খালেদ সাইফুল্লাহকে মুক্তি দিতে হবে।
২. তাদেরকে নিরাপদে বের হয়ে যেতে দিতে হবে।
৩. ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য তাদের এই অভিযান। এই অভিযানকে স্বীকৃতি দিতে হবে।
যৌথ বাহিনী হ্যান্ড মাইকে আত্মসমর্পনের আহ্বানের পরপরই জঙ্গিরা রেস্তোরাঁর মধ্যে থেকে চিৎকার করে তাদের এসব শর্তের কথা জানায়।
আলহামদুল্লীলায় দেশে ধীরে ধীরে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে আর সত্য উদ্ভাসীত হচ্ছে।

২৪| ০২ রা জুলাই, ২০১৬ বিকাল ৫:০৯

মহা সমন্বয় বলেছেন: উদাসী ভাই আমাকে নিয়ে এক মুমিন বান্দা পোস্ট করেছে :( একটু দেখুন প্লীজ view this link

২৫| ০৯ ই জুলাই, ২০১৬ রাত ২:৫৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আরো একটু পড়াশুনা করতে এসেছিলাম , যাওয়ার বেলায় ঈদ মোবারক জানিয়ে গেলাম।
ঈদ মোবারক

১৯ শে আগস্ট, ২০১৬ রাত ১২:২৩

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: বাসী ঈদমোবারক

২৬| ১৯ শে আগস্ট, ২০১৬ রাত ১:৩১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ । মনে হয় অনেক দিন উদাস হয়ে ধ্যনে মগ্ন ছিলেন, আমাদের জন্য নতুন কি নিয়ে আসলেন, কবে দেখব তা ?
শুভেচ্ছা রইল ।

১৬ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ১০:৪১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: হুম

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.