নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বান্দর হাটে, বান্দর গায়... সবাই তাকাইয়া দেখে, অবাক হইয়া চায়। মনের দুঃখ চোখের পানি, হারায় সব আনন্দ খেলায়!

উদাসী স্বপ্ন

রক্তের নেশা খুব খারাপ জিনিস, রক্তের পাপ ছাড়ে না কাউকে, এমনকি অনাগত শিশুর রক্তের হিসাবও দিতে হয় এক সময়

উদাসী স্বপ্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশ কি এখন পেডোফাইল বা শিশুকামীদের দেশ? আমরা কি জাতী হিসেবে বর্বর শিশুকামী, পেডোফাইল?

১৩ ই মার্চ, ২০১৭ সকাল ৮:৫৪



আইয়ুব খান ১৯৫৮ সালের দিকে সামরিক ক্যুএর মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করার পর অনেক কর্মসূচীর মধ্যে জন্ম নিয়ন্ত্রনের প্রকল্পও হাতে নেন। এই কর্মসূচি হাতে নিয়ে তিনি বলেন যে একসময় পাকিস্থানীরাই পাকিস্থানীদের খাবে। তখন শেখ মুজিবর রহমান ঢাকার একটা ভাষনে এর বিরুদ্ধাচারন করে বলেছিলেন যে পূর্ব পাকিস্থানীদের সংখ্যা কমানোর ষড়যন্ত্র হিসেবে এই পরিবার পরিকল্পনে চালু করেছে। তিনি একে প্রত্যাখ্যানের ডাক দেন। যদিও তখন সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে সকল রাজনৈতিক দলই বিরুদ্ধাচারন করছিলেন কিন্তু জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রন ও পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে রাজনীতি সেই থেকে শুরু।


কিছু দিন আগে বাংলাদেশে বাল্যবিবাহ নিরোধ বিল-২০১৭ সংসদে পাশ হলো। বাল্যবিবাহ নিয়ে আসলে খুব বেশী কিছু বলার নেই। এর আগে তিনটি পোস্টে এ নিয়ে বিষদ আলোচনা করেছিলাম। সেই পোস্ট গুলোর লিংক দিলাম।
১) বাল্যবিবাহ -১: ইসলামে কি সত্যি বাল্যবিবাহ জায়েজ? একটা উন্মুক্ত আলোচনা
২) বাল্যবিবাহ-২: সমাজ, রাস্ট্রের ওপর এর কি প্রভাব? বিজ্ঞান কি বলে?
৩) বাল্যবিবাহ-৩: ইসলামে এটা কি সুন্নত না শুধুই জায়েজ (অথবা স্বতঃস্ফূর্ত)?

উপরোক্ত পোস্টগুলোর কমেন্টে পক্ষে বিপক্ষে নানা আলোচনা করা হয়েছে এবং এই আলোচনা সমূহ এখনো চলমান। চাইলে যে কেউ আলোচনায় অংশ নিতে পারেন। নিজের অজ্ঞতা দূর করে সঠিক জিনিসটা জানা এবং সেটাকে জীবনে মেনে নেয়া আসলেই জরূরি। অন্ধবিশ্বাস, গোড়ামী আমাদেরকে দারিদ্র, দুঃখ, কষ্ট, জরা ছাড়া আর কিছুই দিতে পারেনি। যে মিথ্যা অলৌকিক প্রলোভনে আমরা এসব ক্ষতিকর প্রথা মেনে নিয়ে শুধু নিজের নয়, পুরো জাতীর সর্বনাশ করেছি। বাল্যবিবাহ যে আসলেই ক্ষতিকার একজন নারীর জন্য, একটা জাতীর জন্য এটা অস্বীকার করার মতো বালখিল্যতা একজন আলোকিত শিক্ষিত মানুষের মধ্যে দেখতে পাওয়া হতাশাজনক।

এখন আসি বাংলাদেশ বাল্যবিবাহ আইন-২০১৬ তে কি আছে?

স্বাধীনতাউত্তর বাংলাদেশে এতদিন বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন-১৯২৯ কে অনুসরন করা হতো। এই লিংকে ক্লিক করলে ইংলিশে এর পুরোটা পাবেন। তাও এই পোস্টে এর সারাংশ বর্ননা করছি আইনী ভাষায় নয়, নিজের ভাষায়

*এই আইনের আওতায় একজন পুরুষ ২১ বছরের নীচে এবং একজন নারী ১৮ বছরের নীচে হলে তাকে বিয়ের অনুপযুক্ত মানে নাবালক/নাবালিকা বা শিশু হিসেবে বিবেচনা করা হবে। আর যদি বিয়ের সময় যেকোনো একজনের বয়স এই নির্দিষ্ট সীমার নীচে থাকে তাহলে সেটা বাল্যবিবাহ হিসেবে বিবেচিত হবে।
*এই আইন অনুসারে নির্দিস্ট বয়সের অধিক যিনি একজন নাবালিকা বা নাবালক কে বিয়ে করছেন সে এই আইনানুসারে শাস্তির আওতায় পড়বেন এবং যিনি বিয়ে পড়াচ্ছেন তিনিও এই শাস্তির আওতায় পড়বেন। বিয়ে যিনি করছেন তার ১ মাসের জেল অথবা ১০০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন।
*এই একই দন্ড তার গার্জিয়ানদের ওপরও বর্তায় তবে এই আইনে কোনো মহিলাকে এসব দন্ড থেকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।

এই আইনে কোনো মহিলাকে শাস্তির এখতিয়ারের ব্যাপার ছাড়া অন্য কোনো বিশেষ ছাড় নেই।

এখন দেখি বাল্যবিবাহ আইন নিরোধ, ২০১৭ তে কি আছে:
* বাল্যবিবাহ নিরোধ বিলটি, ১৯২৯ এর সংজ্ঞাকে পরিবর্তিত করে শিশু এবং নাবালক/নাবালিকার সংজ্ঞার সাথে সামন্জ্ঞস্য রাখার চেষ্টা করা হয়েছে এবং সেই সাথে শাস্তির পরিমান বাড়িয়ে দুই বৎসর বিনাশ্রম কারাদন্ড বা ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে।
* এই আইনের ১৮ ধারার ৪ নম্বরে বলা হয়েছে যে "এই আইনের সাধারন কার্যকারিতা ক্ষুন্ন না করিয়া বিশেষ পরিস্থিতিতে উভয়পক্ষের পিতামাতার সম্মতি এবং আদালতের অনুমোদনক্রমে অন্যূন ১৮ বৎসর বয়স্ক ছেলে ও অন্যূন ১৬ বৎসর বয়স্ক কন্যার সহিত বিবাহ অনুষ্ঠান হইতে পারিবে।"

কিছু কথা:

এ আইনের ১৮ ধারার শিরোনাম "কতিপয় ক্ষেত্রে বিবাহ বাতিল বা বাতিলযোগ্য হবে সংক্রান্ত উল্লেখযোগ্য সংযোজন:" এর সাথে সাংঘর্ষিক একটি বিধান উপধারা ৪এ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ নেতিবাচক সংযোজন হলো:(৪) এই আইনের সাধারণ কার্যকারিতা ক্ষুন্ন না করে বিশেষ পরিস্থিতিতে উভয়পক্ষের পিতামাতার সম্মতি এবং আদালতের অনুমোদনক্রমে অন্যূন ১৮ (আঠার) বৎসর বয়স্ক ছেলে ও অন্যূন ১৬ (ষোল) বৎসর বয়স্ক কন্যার সহিত বিবাহ অনুষ্ঠিত হতে পারবে।
এ অন্তর্ভুক্তি সকলকে হতাশা এবং উদ্বিগ্নতার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। কারণ বিয়ের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত এ বয়স ইতোমধ্যে সমাজে ব্যাপকভাবে নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করার কাজ শুরু করেছে। এ বয়স জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদ এবং একই সাথে আমাদের দেশে প্রচলিত ২০১৩ সালের শিশু আইন, জাতীয় শিশু নীতির বিরোধী, অসঙ্গতিপূর্ণ এবং সাংঘর্ষিক। এ সাংঘর্ষিক অন্তর্ভুক্তি ইতোমধ্যে সরকার কর্তৃক গৃহিত কন্যা শিশুর বিয়ে প্রতিরোধে আইন প্রণয়ণের মত একাধিক ইতিবাচক পদক্ষেপকে সম্পূর্ণভাবে ম্লান করে দিতে যথেষ্ঠ। মনে রাখা আবশ্যক যে, বিয়ের বয়স কমিয়ে সরকার কাগজে কলমে বাল্যবিবাহের হার কম দেখাতে পারলেও এর ফলে নারীর স্বাস্থ্য, মাতৃমৃত্যু, শিশুমৃত্যু সূচকে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়বে। খসড়া আইনের শর্তসাপেক্ষে প্রদত্ত বিয়ের বয়স প্রচলিত জাতীয় ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আইনসমূহের সাথে সাংঘর্ষিক এবং বাংলাদেশের আর্থ- সামাজিক প্রেক্ষাপটে বৈবাহিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অসঙ্গতিপূর্ণ। শর্তসাপেক্ষে প্রদত্ত এ বয়স বাল্যবিবাহের ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি করবে, বিভিন্ন রকম স্বাস্থ্যঝুঁকি, শিক্ষা গ্রহণ, আত্মনির্ভরশীলতার ক্ষেত্রে নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরী করবে। যা ইতোমধ্যেই সমাজে নেতিবাচক প্রভাব তৈরী করেছে।


বিশ্লেষনটি ফরিদা ইয়াসমিনের যিনি সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবি।

উল্লেখ্য বিলটি সংসদে পাশ হবার পর এখন রাস্ট্রপতির অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। নিয়মানুসারে রাস্ট্রপতি যদি ১০ কার্যদিবসের মধ্যে কোনো কিছু জানান তাহলে বিলটি আইনে পরিনত হয়ে যাবে এবং এর কার্যকারিতা পুরো দেশময় চালু হবে। আর যদি রাস্ট্রপতি অপরাগতা প্রকাশ করেন তাহলে এটা পুনরায় নীরিক্ষার জন্য দেয়া হতে পারে।


তার আগে জেনে নেই বাংলাদেশে বাল্যবিবাহ নামক মহামারী কতটা ভয়ঙ্কর ভাবে ছড়িয়ে পড়েছে:

গার্লস নট ব্রাইডের তথ্যমতে ২০১০ সালে বিশ্বে ১ কোটি ৩৫ লক্ষ নারীর বিয়ে হয় ১৮ বছরের নীচে। এ বিষয়ে কোন ব্যবস্থা না নিলে ২০৩০ সালের মধ্যে ১৮ বছরের আগে শিশুদের বিয়ের সংখ্যা দাঁড়াবে ১ কোটি ৫৪ লক্ষ। ১৮ বছরের নীচে কন্যাসন্তানের বেশি বিয়ে হয়, এমন ২০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। অর্থাৎ আফ্রিকার চাদ ও মালির সঙ্গে আমাদের অবস্থান। যা মোটেই সম্মানজনক নয়। কারণ এসব দেশ আমাদের তুলনায় সবদিক থেকে পিছিয়ে। আমাদের দেশে এখনও ১৮ বছরের নীচে ৬৬ শতাংশ এবং ১৫ বছরের নীচে ৩২ শতাংশ কন্যা সন্তানের বিয়ে হচ্ছে। জাতিসংঘের শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) এর এ বছর জুলাই মাসে প্রকাশিত রিপোর্ট মোতাবেক বাংলাদেশে ৭৪% মেয়ের ১৮ বছরের নীচে এবং আশঙ্কাজনকভাবে ৩৯% মেয়ের ১৫ বছরের নীচে বিয়ে হচ্ছে। এ রিপোর্ট অনুসারে পৃথিবীর যে সকল দেশে মেয়েদের ১৫ বছরের নীচে বিয়ে তার মধ্যে বাংলাদেশও সর্বাধিকের মধ্যে গণ্য। এ রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে যে, ২০% মেয়েদের বিয়ে হয় তাদের ১৫তম জন্মদিনের মধ্যে এবং তিনটি কিংবা এর অধিক সন্তানের মা হয় তাদের ২৪তম জন্মদিনে পৌছানোর পূর্বে। ২০১১ সালের বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কতৃর্ক নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতাবিষয়ক জরিপ অনুযায়ী ২০-২৪ বছর বয়সী নারীর ১৮ বছর পূর্ণ হবার পূর্বেই বিয়ে হয় ৬৫% নারীর । ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ প্রমম আলোয় প্রকাশিত মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের একটি গবেষণা থেকে জানা যায়, গত এক বছরে বাল্যবিবাহের শিকার ১ হাজার ২৩৭ জনের বিয়ের গড় বয়স ছিল সাড়ে ১৫ বছর। বিয়ের পর এ সকল মেয়ে প্রেগন্যান্সি সময়ে খুব কমই মেডিকেল সেবা ভোগ করতে পারে এবং তারা সন্তান জন্ম দেয়ার জন্য যথেষ্ট পরিপক্ক নয় এবং তারা বয়ঃসন্ধিকালের প্রজননস্বাস্থ্য সম্পর্কে না জেনেই প্রবেশ করে বিবাহিত জীবনে যা মা ও সন্তানের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ।আমরা জানি বর্তমান সরকার কর্তৃক ২০১৩ সালে পাশকৃত শিশু আইন মোতাবেক “বিদ্যমান অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যা কিছুই থাকুক না কেন এ আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে অনুর্ধ্ব ১৮ (আঠার) বছর বয়স পর্যন্ত সকল ব্যক্তি শিশু হিসাবে গণ্য হবে”। শিশুবিবাহ জাতি, রাষ্ট্র, সমাজ, পরিবার ও শিশুর শত্রু। এটা শিশুদের মানবাধিকার লঙ্ঘন। শিশুবিবাহ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও উৎপাদনশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। শিশুবিবাহ স্বাস্থ্যগত দিক একটি কিশোরী বা ষোড়শী নারীকে অন্ধকার বা মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। সেইভ দা চিলড্রেনের এর একটি রিপোর্ট মোতাবেক রাজধানীর বস্তি এলাকার প্রায় ৮০% মেয়ে বাল্যবিবাহের শিকার এবং ৪৬% ছেলে ১৮বছর পূর্ণ করার পূর্বেই বিবাহ করে। ঢাকার ১০টি বস্তির ৪২২ টি বাড়ীতে ডিসেম্বর ২০১৩ থেকে জানুয়ারী ২০১৪ পর্যন্ত জরিপটি পরিচালনা করা হয়।

সূত্র:

১) গবেষণা মতে, ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী অন্তঃসত্ত্বা নারীদের তুলনায় ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী অন্তঃসত্ত্বা নারীদের মৃত্যুঝুঁকি থাকে পাঁচগুণ বেশী।
২) সেইভ দা চিলড্রেনের দুটি রিপোর্ট: Urbanization Trends and Implications for Children” and “Situation Analysis of Selected Slums in Dhaka City।

এছাড়া পুরো বিশ্বে বাংলাদেশ শিশুবিবাহে ৪র্থ এবং দক্ষিন এশিয়ায় চ্যাম্পিয়ন। সুত্র: উইকি। যেখানে আমরা প্রতিনিয়ত প্রতিবেশী দেশ ভারতকে গালি দেই ধর্ষনের দেশ হিসেবে সেখানে আমরা কি করছি? একটা ভিডিও শেয়ার করলাম বাল্যবিবাহ আমাদের দেশটাকে কিভাবে পেছাচ্ছে।


আর বাল্যবিবাহের সাথে মাতৃমৃত্যুর হার কি পরিমান জড়িত সেটা এই আর্টিক্যালটা পড়লে জানতে পারবেন। ৪০ ভাগ মায়ের মৃত্যু কমে গেছে এই একমাত্র বাল্যবিবাহের হার কমানোর জন্য।

নতুন আইনের "বিশেষ পরিস্থিতি":

এই বিশেষ পরিস্থিতির ব্যাপারটা আইনটিতে সংজ্ঞায়িত না করলেও আমাদের রাজনীতিবদেরা এই সংজ্ঞায়নে এক কাঠি এগিয়ে।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে দাড়িয়ে বলেছেন:

সমাজের প্রতি দায়দায়িত্ব তাদের খুবই কম। কারণ তারা দুটো এনজিও করে পয়সা কামায়, কিন্তু দায়িত্বটা নেয় না।বাল্যবিবাহ নিয়ে ঘাবড়ানো বা চিন্তা করার কিছুই নেই। আমাদের আর্থ-সামাজিক বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।যারা আজ এটা নিয়ে কথা বলছেন তারা কোনো দিন গ্রামে বাস করেনি। গ্রামের সমাজ ব্যবস্থা সম্পর্কে তাদের বিন্দুমাত্র ধারণা নেই। শুধু একবার গেলাম দেখলাম আর মুখের কথা শুনলাম, তাতে সব কিছু জানা হয় না। গ্রামের পারিবারিক মূল সমস্যা সম্পর্কে উনাদের কোনো ধারণা নেই। এছাড়া আমাদের দেশে কিছু বিষয় রয়েছে সে সম্পর্কে তাদের কোনো চিন্তা নেই। সেই কারণে তাদের অনেক বড় বড় কথা।আমরা ‘তবে’ কেন লাগালাম, এটা নিয়ে হাজারো প্রশ্ন উঠছে। যেহেতু তারা বাস্তবতার অনেক উর্ধ্বে রাজধানীতে বসবাস করছে। রাজধানীর পরিবেশটাই তারা দেখে। বাস্তব অর্থে গ্রামীণ পরিবেশ সম্পর্কে তারা কিছু জানেন না। কোনো আইন ‘রিজিড’ হতে পারে না বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রত্যেক আইনেই তো বিশেষ বা অনাকাঙ্ক্ষিত অবস্থার সৃষ্টি হয় তাহলে তার ক্ষেত্রে একটা সুযোগ অবশ্যই দিতে হবে। না হলে সমাজের জন্য অনেক বড় একটা বিপর্যয় নেমে আসবে।...আমরা ১৮ বছর পর্যন্ত বিয়ের বয়স নির্ধারণ করে দিয়েছি। কিন্তু একটি মেয়ে যদি… যে কোনো কারণে ১২-১৩ বা ১৪-১৫ বছরের সময়ে গর্ভবতী হয়ে যায়- তাকে গর্ভপাত করানো গেল না। তাহলে যে শিশুটি জন্ম নেবে তার অবস্থান কী হবে? তাকে কী সমাজ গ্রহণ করবে? তাহলে এই বাচ্চাটির ভবিষ্যৎ কী হবে? তার ভাগ্য কী হবে? এ রকম যদি কোনো ঘটনা ঘটে তাহলে কী হবে? যদি অ্যাবরশনের বিষয়টি আইনে থাকে, তাহলে সমস্যা নেই। অ্যাবরশন করিয়ে নেবে। আর যদি না হয় তাহলে যে মেয়েটি সন্তান জন্ম দিল তার ভবিষ্যৎ কী আর সন্তানটিরও ভবিষ্যত কী হবে?

অথচ ২০১৪ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত গার্ল সামিটে এই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই বলেছিলেন যে ২০২১ সালের মধ্যে ১৫ বছরের নিচে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ১৮ বছরের নিচে বাল্যবিবাহ বন্ধের ব্যবস্থা করবেন।

অথচ আশ্চর্য্যের বিষয় আমাদের প্রতিবেশী দেশ নেপাল মেয়েদের বিয়ের বয়স ন্যুনতম ২০ করার জন্য আইন প্রনয়ন করছে।

এদিকে আমাদের তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন:

এই আইনটির বিশেষ ক্ষেত্রে বোঝানো হয়েছে যে, যদি কোনো সমস্যা হয়, তাহলে অভিভাবক আদালতের কাছে গিয়ে আর্জি দিবেন। বিচারক যদি অনুমতি দেন, তবে কেবল কাজী সাহেব বিবাহ দিতে পারবেন।...একটি মেয়েকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর সে যদি অন্তঃসত্ত্বা হয়, তখন মেয়েটির কী করবে। এ রকম ক্ষেত্রে আদালতের আদেশে দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়েই সমাধান।...কোনো মেয়ে প্রেম করে অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে, এদিকে ছেলেও ১৮ বছরের নিচে। তখন কী করবেন আপনি? তখন ছেলের পরিবার যদি বাচ্চাসহ মেয়েটিকে স্বীকৃতি দিতে রাজি হয় তবে তাদের তো বিয়ে দিতে হবে।...১৮ বছরের নিচে বিবাহ নিষিদ্ধ, আপনারা মূল শিরোনামের উপরই গুরুত্ব দিলেন না, আপনারা বললেন বিশেষ দ্রষ্টব্য ‘যদি’, ‘তবে’ তুলে দিলেই না কি নারীর ক্ষমতায়ন হবে, নইলে নারীকূল পিছিয়ে যাবে। আমি পিছিয়ে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা দেখছি না।

মাঝে মাঝে মনে হয় এদের কথা শুনে যে এরা কি শফি হুজুরের চেলা না ইয়েমেন তথা মধ্যপ্রাচ্যের সেই শিশুকামী দেশগুলোর কোনো প্রতিনিধি কিনা!

তবে জাতীয় পার্টির এক এমপি সুন্দর একটা বক্তব্য দিয়েছেন:

কোনো ব্যক্তি অপ্রাপ্ত বয়স্ক কোনো মেয়েকে বিয়ে করতে চাইলেন। কিন্তু আইনে অনুমতি দেয় না। এক্ষেত্রে ওই লোকটি ফুসলিয়ে কোনো মেয়ের সঙ্গে অবৈধ মেলামেশার মাধ্যমে যদি তাকে গর্ভবতী করে, তাহলে ওই লোক তো ওই বিশেষ বিধানের সুযোগ নিতে পারবে।


২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে তুরস্কের একটা ঘটনার কথা উল্লেখ করি। তুরস্কের পার্লামেন্টে একটা বিল ওঠে যে কোনো অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশু বা বা নাবালিকা মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষন করলে ঐ অপরাধীকে অভিযুক্ত করা যাবে না যদি সে ঐ ধর্ষিতাকে বিয়ে করে। এই বিলটি উঠিয়েছিলেন আমাদের মুসলিম বিশ্বের সুলতান এরদোগানের ইসলামপন্থি একেপি দলটি। এই বিলের বিরুদ্ধে নারী অধিকার আন্দোলন কর্মী সহ সর্বসাধারন যুব সমাজ রাস্তায় নেমে আসলে সরকার পিছুটান নেয় এবং এই বিলটিকে পরিত্যাগ করে। যদিও তুর্কি আইনমন্ত্রী বেকির বোজদাগ আইনটির পক্ষে তাঁর যুক্তি দিতে গিয়ে বলেছিলেন যে দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাল্যবিবাহ আমাদের দেশের বাস্তবতা এবং যেসব পুরুষের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁরা ধর্ষক বা যৌন আগ্রাসী নন। এই আইনটি পাশ হলে যেটা হতো সেটা হলো পূর্বেকার আইন মতে সাজাপ্রাপ্ত প্রায় সাড়ে ৩ হাজার অপরাধী দায়মুক্তি পেতো। ভাবতে অবাক লাগে শুধু মাত্র বাল্যবিবাহকে হ্যা বলার জন্য সাড়ে তিনহাজার শিশুকামী ধর্ষক মুক্তি পেতো। উল্লেখ্য তুরস্কে মেয়েদের বিয়ের ন্যুনতম ১৮। এখন একটু ভেবে দেখেন তুরস্ক যেখানে সামনে আগায় আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার দেশটাকে কোথায় টেনে নিচ্ছেন!

এই আইনের কিছু ফাঁক ফোকড়:

১. আইনে উল্লেখিত “বিশেষ ক্ষেত্র”বা “বিশেষ প্রেক্ষাপট”কথাটি বাংলাদেশ সংবিধানের মৌলিক অধিকারের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদের সম্পূর্ণ বিরোধী। অনুচ্ছেদ-২৭ এ বলা হয়েছে, ‘সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয়লাভের অধিকারী। অনুচ্ছেদ-২৮(১) এ বলা হয়েছে, ‘কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করবে না।’উল্লেখিত দুইটি অনুচ্ছেদে নাগরিক হিসেবে নারীর যে অধিকার লাভের কথা বলা হয়েছে এই আইনের বিশেষ বিধান তাকে খর্ব করেছে।
২. এই “বিশেষ ক্ষেত্র”কথাটি মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা ১৯৪৮, সিডও সনদ ১৯৭৯ ও শিশু অধিকার সনদ ১৯৮৯ এর সাথেও সাংঘর্ষিক। শিশু অধিকার সনদে ১৮ বছরের নিচে সকল মানব সন্তানকে “শিশু”হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
৩. জাতীয় শিশু নীতি ২০১১ এবং শিশু আইন ২০১৩-এ ১৮ বছরের নিচের সকল ব্যক্তিকে “শিশু”বলে অভিহিত করা হয়েছে। “শিশু আইন ২০১৩”এর ৪ ধারায় উল্লেখ আছে ‘বিদ্যমান অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অনুর্ধ্ব ১৮ (আঠার) বৎসর বয়স পর্যন্ত সকল ব্যক্তি “শিশু”হিসাবে গণ্য হবে।’
৪. পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০ এ ১৮ বছরের নিচের মানব সন্তানকে “শিশু”বলে অভিহিত করা হয়েছে।
৫. মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ অনুযায়ী, বিবাহের ৫টি শর্তের মধ্যে প্রথম শর্ত হলো বয়স, দ্বিতীয় শর্ত সম্মতি। “অপ্রাপ্তবয়স্ক”মেয়েদের বিবাহের ক্ষেত্রে এই প্রধান দুইটি শর্তকে উপেক্ষা করা হবে যা বিবাহ সংক্রান্ত আইনের লংঘন। কেননা এই আইন অনুযায়ী বিবাহ একটি সামাজিক ও দেওয়ানী চুক্তি। চুক্তি সম্পাদিত হয় মূলত প্রাপ্তবয়স্কসুস্থ মস্তিষ্কের দুইজন মানুষের মধ্যে। বাল্যবিবাহের বিশেষ বিধান চুক্তির এই শর্তকেও লংঘন করেছে।
৬. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (২০০৩ সালে সংশোধিত ) এর ৯(১) ধারায় বলা হয়েছে, ‘বিবাহ ব্যতিত ১৬ বছরের অধিক বয়সের কোন নারীর সাথে তার অসম্মতিতে বা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলক ভাবে সম্মতি আদায় করে অথবা ১৬ বছর বয়সের কম কোন নারীর সম্মতিসহ বা সম্মতি ছাড়া যৌন সর্ম্পক স্থাপন করলে তা নারী ধর্ষণ হিসেবে গণ্য হবে।’ফলে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের বিশেষ বিধান বিবাহের মাধ্যমে শিশু ধর্ষণকে আইনসম্মত করেছে এবং অন্যদিকে ধর্ষকের অপরাধকেও আইনসিদ্ধ করেছে।
৭. সাবালকত্ব আইন ১৮৭৫ অনুযায়ী একজন ব্যক্তির বয়স ১৮ বছর হলেই সে সাবালক হয় এবং সে তার মতামত প্রকাশ ও প্রদান করতে পারে। বাল্যবিবাহের বিশেষ বিধান এই আইনেরও লংঘন।
স্পষ্টতই বোধগম্য “বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৬”শীর্ষক খসড়া আইনটি জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক বিভিন্ন আইন ও সনদের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

সুত্র:

‘বাল্যবিবাহ নিরোধ বিল ২০১৭’ - একটি পর্যালোচনা: অনুপম সৈকত শান্ত।

আমার মনে হয় উপরের আলোচনা থেকে এটা পরিস্কার যে যেখানে আমাদের দেশের অভিভাবকরা এখনো তাদের কন্য সন্তানকে ঘাড়ের বোঝা মনে করে সেখানে এই অসংজ্ঞায়িত "বিশেষ পরিস্থিতি" এর সুযোগ নিলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনস শৃঙ্খলা বাহিনীর আর কোনো সুযোগ থাকবে না কোনো শিশুকে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা করার। অনেকসময় দেখা যায় অতি দারিদ্র‌ এবং কুশিক্ষার কারনে পিতা মাতা জোর করে বিয়ে দিতে গেলে নাবালিকা কিশোরী স্বউদ্যোগে আইনের আশ্রয় নেয়, এই প্রচলিত আইনের ফাক ফোকড় গলে উল্টো সে আইনী এবং সামাজিক ভাবে বিপদে পড়বে। যেখানে রাস্ট্রের দায়িত্ব থাকে জন গনের অধিকার সংরক্ষনের সেখানে লিঙ্গগত বৈষম্যের সুযোগ নিয়ে এমন হঠকারী আইন সৃষ্টির জন্য উঠেপড়ে লাগা জাতীর জন্য অশনিসংকেত।

তার মানে বাংলাদেশ কি সত্যি শিশুকামী দেশে পরিণত হচ্ছে? আমরা কি শিশুকামী জাতি?

মন্তব্য ৫৪ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (৫৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই মার্চ, ২০১৭ সকাল ৯:১৪

মিঃ আতিক বলেছেন: কয়েকটি সংস্থার জরিপে বর্তমানে দেশে ১১ শতাংশ শিশু পর্ণ আসক্ত। তাই যদি হয়ে থাকে তাহলে চিন্তার বিষয় এই ২১ বছরের আগে ছেলেরা বিয়ে করতে পারবেনা এই আইন কেন করা হল। প্রক্রিতিগত ভাবে একজন পুরুষের ১২ বছরের পর থেকে যৌন অনুভূতি জাগ্রত হয়।এই ১২ বছরের পরে বাকি ৯ বছর একটা ছেলে কিভাবে তার যৌন অনুভূতি কন্ট্রোল করবে সে বাপারে আইনে কিছু বলা হয়নি কেন?
একটা শিশুর মাথায় যদি যৌনতা ভর করে ভালো কিছু সে আর কোনদিন করতে পারবেনা। শেখ মুজিবুর রহমান ১৩ বছর বয়সে ১০ বছর বয়সী বঙ্গমাতা কে বিয়ে করলেন। মানুষের মত মানুষ হয়ে জীবন গঠন করলেন,বাংলাদেশ স্বাধীন করলেন, তাদের কোন সমস্যা হলনা,এখন নতুন করে সমস্যা?

১৩ ই মার্চ, ২০১৭ দুপুর ২:০২

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনার যুক্তিটি আসুন খন্ডন করি। একটি ছেলের বয়ঃসন্ধি শুরু হয় ১২ বছর বা তার কিছু আগে বা পরে। এখন তার হরমোন গ্রোথের কারনে তার যৌনচর্চা করার শখ হয় তাই সে পর্ন দেখে চুরি করে। এ থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় মনে করেন বিয়ে। আচ্ছা বিয়ে হলে এর কি প্রভাব সেটা দেখি:

১) যে মেয়েটির সাথে আপনি বিয়ে দেবেন সে মেয়েটির বয়সও ঠিক ছেলেটির সমান বা তার থেকে আরও কম হবে। বাল্যবিবাহ একজন কিশোরীর জন্য মৃতুদন্ড এবং তার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ একটি কারন যেটা আমি এই পোস্টেমেডিক্যালের জার্নাল বা গবেষনা প্রবন্ধ ও পরিসংখ্যান গত দিক থেকে আলোচনা করেছি। তার মানে একটা ছেলের যৌনাকাঙ্খা মেটানোর জন্য আপনি একটি কিশোরীর কৈশোর কেড়ে নিয়ে তাকে মৃত্যু মুখে পতিত করতে পারেন, তাই না?
২) ছেলেটির বয়োঃসন্ধির সময় সে অনেকটা উগ্রও হয়, চঞ্চলও হয়, তার মধ্যে একটু ভায়োলেন্সের আকাঙ্খাও জাগে। এ সময় তারা রাস্তার মোড়ে দাড়িয়ে বখাটেপনা করে, পাড়ায় পাড়ায় পড়াশোনা বাদ দিয়ে ঘুরে বেরায়। তাহলে আপনি তাকে হাটে একটা চাকু ধরিয়ে দেবেন, যেহেতু সে পড়া লেখা করতে চায় না, তাকে স্কুলে আর পাঠাবেন না অথবা এলাকায় সে যাতে আরো বখাটেপনা করতে তার সেই ব্যাবস্থা করবেন তাই না? নাকি তাকে নৈতিক শিক্ষা দিয়ে পথে আনবেন?

একটা শিশুর মাথায় যৌনতা ভর করে: কথাটা খেলো। কারন এই সময়টা আমিও পার করেছি। যখন মাস্টারবেট করা শিখলাম দিনে ৮ পর্যন্ত মাস্টারবেট করেছি, যখন জানলাম ইসলামে মানা, তখন সেটা কমে হলো দিনে একবার। ফরজ গোসল করতে কষ্ট হয় তাই সপ্তাহে একবার। যখন দেখা গেলো লুসিড ড্রিমসের কারনে বিছানা ভেজাতাম তখন দেখা গেলো সেই গোসলটাই করতে হতো। লাভ নেই, তাই ফিরে আসলাম মাস্টারবেটেই। কিন্তু এর সমাধান কি বিবাহই? আমার তো বিবাহ অনেক পরে হইছিলো তাতে কি আমার খুব বেশী ক্ষতি হইছিলো? আমাদের সময় তো পর্ন পরে ইন্টারনেটই ছিলো না। ছিলো চটি। চটি তাও কিনতে হইতো অনেক চুপে চুপে। তাও পেতাম বছরে ১ টা। স্কুলে কেউ নিয়ে আসতো সেটা ভাগে পেতে খবর হয়ে যেতো। লুকোনো থাকতো স্কুলের কোনো ভাঙ্গা ওয়ালের চীপায়। কেউ বাসায় নিতে সাহস পেতো না। তারপরও তো আমাদের ক্লাশের কেউ ধর্ষক হয় নি, হয়েছি কি? কিন্তু একজন জঙ্গি হইছে।

আপনি কি বুঝতে পেরেছেন আপনার যুক্তিটি কোথায় গিয়ে ঠেকছে?

আপনার কথা মতে আমাদের পাশের বাসার শহীদ ড্রাইভারেরও বঙ্গবন্ধু হবার কথা ছিলো। কিন্তু হয়নি। সে দুইটা বিয়ে করে দুই টাকেই সমানভাবে পিটাইতো। শেষকালে তার দ্বিতীয় ঘরের দুই পোলা শিবিরে যোগ দেয়। প্রথম ঘরের মেয়েটার জামাইকে যৌতুক দিতে পারেনাই, তাই গায়ে কেরোসিন ঢালে। বাল্যবিবাহের ফলে যে কি পরিমান গৃহস্থালী স হিংসতার শিকার হতে একটা মেয়েকে সেই পরিসংখ্যান পাবেন এখানে এবং এখানে

তার মানে এটা কি বুঝেছেন যে এক্সেপশনাল কখনো উদাহরন হতে পারে না? আর বঙ্গবন্ধুর জীবনচরিত্র অনুসরন এই কথাটা রাজনৈতিক তোষামদী বৈ কিছুই নই। তিনি শুধুই একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন, এছাড়া আর কিছুই ছিলেন না!

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

২| ১৩ ই মার্চ, ২০১৭ সকাল ৯:৩৪

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: আমি ব্যক্তিগতভাবে বাল্যবিবাহের পক্ষপাতি নই। তবে বাংলাদেশের মতো ট্রপিক্যাল ওয়েদারের দেশগুলোতে ছেলে বা মেয়ে উভয়েরই যৌবন কিছুটা আগে আসে এবং আগে চলে যায়। এই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন প্রণয়ন করা উচিৎ বলে মনে করি। তবে এই পোস্টের প্রারম্ভিক ছবিটি অত্যন্ত কদর্য। ছবিটি নানা-নাতনির ঠাট্টা মশকরা না হয়ে যদি সত্যিকারের বিবাহের ছবি হয়, তাহলে নানা সদৃশ লোকটির কঠোর শাস্তি হওয়া উচিৎ।

১৩ ই মার্চ, ২০১৭ দুপুর ২:০৭

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ভাই, বাংলাদেশের মানুষ কুশিক্ষায় কুশিক্ষিতই নয়, তারা ভয়ংকর রকম জঙ্গি এবং বর্বর। তারা নিজে পরে না দেখে কোথায় কি শুনলো সেটাই বিশ্বাস করে। কোনো পেডোফাইল ছাগল হয়তো বলেছে ট্রপিক্যাল ওয়েদারে পুবার্টি দ্রুত হয় সেটাই সবাই বিশ্বাস করে বসে আছে। এই নেন, লিংকটা পড়েন। সংক্ষেপে সুন্দর বিশ্লেষন। সত্যকে জানুন। পেডোফাইল ধর্মান্ধ জঙ্গিদের কাছে বিজ্ঞান শিখতে গেলে অপবিজ্ঞানই পাবেন। আলোকিত হোন।

৩| ১৩ ই মার্চ, ২০১৭ সকাল ৯:৩৭

নতুন নকিব বলেছেন:



''তার মানে বাংলাদেশ কি সত্যি শিশুকামী দেশে পরিণত হচ্ছে? আমরা কি শিশুকামী জাতী?''

-বোল্ড কৃত শব্দটি 'জাতি' হওয়ার কথা মনে হয়। এরকম অসংখ্য অসঙ্গতিতে যদি দয়া করে ফের একটু চোখ বুলাতেন!

১৩ ই মার্চ, ২০১৭ দুপুর ২:০৭

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: রাতে এক বসায় লিখেছি, তাই অনেক বানান আর বাক্যরীতিতে ভুল ছিলো। ঠিক করে দিয়েছি। ধরিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ

৪| ১৩ ই মার্চ, ২০১৭ সকাল ৯:৪৭

কলাবাগান১ বলেছেন: "বাল্যবিবাহ যে আসলেই ক্ষতিকার একজন নারীর জন্য, একটা জাতীর জন্য এটা অস্বীকার করার মতো বালখিল্যতা একজন আলোকিত শিক্ষিত মানুষের মধ্যে দেখতে পাওয়া হতাশাজনক।"
সহমত

১৩ ই মার্চ, ২০১৭ দুপুর ২:০৮

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: একজন পাড় লীগার হিসেবে কুলাঙ্গার হাসিনার এমন শিশুকামী মন্তব্যের বিশ্লেষন আপনার কাছে আশা করছি

৫| ১৩ ই মার্চ, ২০১৭ সকাল ১০:১৩

হাতুড়ে লেখক বলেছেন: ধর্মীয় গুরুরা যেখানে বাল্য বিবাহের পথপদর্শক! ৯৫% মুসলিমের দেশে এরকম আইন দেখে অবাক হওয়ার কিছুই নাই।

১৩ ই মার্চ, ২০১৭ দুপুর ২:০৯

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: অথচ এদের কথার সাথে সুর মিলিয়েই আমরা দেশে ইসলামী আইন কায়েম করতে চাই। আমি ১০০ ভাগ শিওর যে তখনন বাংলাদেশের অবস্থা নিকৃষ্টতম নিষ্ঠুরতম খারাপ হবে

৬| ১৩ ই মার্চ, ২০১৭ সকাল ১১:৩১

অগ্নি সারথি বলেছেন: প্রধানমন্ত্রী বলছেন, যে কোনো কারণে ১২-১৩ বা ১৪-১৫ বছরের সময়ে গর্ভবতী হয়ে যায়- তাকে গর্ভপাত করানো গেল না। তাহলে যে শিশুটি জন্ম নেবে তার অবস্থান কী হবে? তাকে কী সমাজ গ্রহণ করবে? - আমার তো মনে হয়, আমাদের তাহলে বাল্য বিবাহকে উৎসাহিত নয় বরং সমাজের ধ্যান ধারনা পরিবর্তনের প্রতি মনযোগী হওয়া উচিত। জাতীয় পার্টির এমপি যথার্থ বক্তব্য প্রদান করেছেন। ব্যাতিক্রম কখনোই উদাহরন হতে পারেনা।

সুন্দর বিষয়ের অবতারনা করেছেন। ধন্যবাদ।

১৩ ই মার্চ, ২০১৭ দুপুর ২:১০

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: সুন্দর বিষয়ের অবতারনা করেও লাভ নেই। বাংলাদেশের মানুষ কতটা পেডোফাইল সেটা ইনিয়ে বিনিয়ে হলেও তারা এটা চাইবেই। শিশুকামী হওয়াটা এরা গর্বের মনে করে। কমেন্টেই দেখেন অনেককে পাবেন

৭| ১৩ ই মার্চ, ২০১৭ দুপুর ১:৫৫

মো: খায়রুল ইসলাম বলেছেন: আমার মতে বাল্য বিয়ে দেয়া যায় শর্ত দিয়ে তাহল বিয়ে হোক, কিন্তু বিয়ের ৫ বছর পর বিবাহিত মেয়েরা যাতে সন্তান নেয়। এ আইন করলে ভালো হয়। অন্যথায় তসলিমা নাসরিন এর মতামত অনুসারে আমাদের দেশে ওপেন সেক্স চালো করতে হবে। যা বিদেশে হয়। তাতে ছেলেরা বিয়েতে আগ্রহ প্রকাশ করবে না। বাল্য বিয়েও হবে না।

১৩ ই মার্চ, ২০১৭ দুপুর ২:১৫

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আইসিস বোকো হারামের অনুসারীরা কতটা বর্বর হতে পারে সেটা আমরা পত্র পত্রিকা আর ভিডিওতেই দেখতে পাই যেখানে তারা ৬ মাসের গর্ভবতী মহিলার গলায় ছুড়ি চালাতেও দ্বিধা বোধ করে না। আর ওপেন সেক্স যখন সৌদী, কুয়েত কাতার দুবাইতে চলে সেটা নিয়েও কিছু বর্বর পেডোফাইল মুসলিম বাঙ্গালীদের গা করতে দেখি না। অবশ্য এসব অশিক্ষিত বর্বর মুসলিম গুো যখন বিদেশে মানে ওপেন সেক্সের দেশে আসে তখন কয়টা বিদেশী সুন্দরীর সাথে ওপেন সেক্স করতে পারছে মনেও করতে পারবে না।

তা ভাই বিদেশে কি কখনো গিয়েছেন? গেলে কয়টা বিদেশী সুন্দরী লাগাইছেন একটু শুনতে চায় ব্লগ বাসী! এই বিদেশী ওপেন সেক্সের মূলা আর কতদিন ঝুলাবেন জন গনের সামনে? আর আজ পর্যন্ত কি বিয়ের ৫ বছর পর সন্তান নেয়ার বাধ্য বাধকতা ঠেকাতে পেরেছেন?

উন্নত বিশ্বে কোনো সাবালক কোনো নাবালিকার সাথে সেক্স করলে কি বলে তাকে জানেন? পেডোফাইল। পেডোফাইল মানে কি জানেন? শিশুকামী!

শিশুকামী হওয়াটা কি গর্বের?

যাই হোক, বিদেশে কয়টা সুন্দরীকে লাগাইছেন একটু শুনতে মুঞ্চায়

৮| ১৩ ই মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৪:০৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: বাল্য প্রেম জায়েজ , বাল্যবিবাহ না জায়েজ ! পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে আইন করে বাল্য বিবাহ , বাল্য যৌন সংসর্গ নিষিদ্ধ করা হইছে। ফলাফল ? কুমারী মাতা দিন দিনই বৃদ্ধি পাইতাছে, চাইল্ড হোমগুলো ভরপুর , চাইল্ড পর্নের ছড়াছড়ি।নদীর স্রোতে বালির বাঁধ দিয়ে কি লাভ ? বরং নদীর নাব্যতা ঠিক রাখলে বাঁধেরও প্রয়োজন হবে না , ওভারফ্লো হইয়া বন্যাও হইবো না। নাহলে পাশ্চাত্যের জাতিগুলোর মতো বাচ্চারা ফাদার্স ডেতে কারে উইশ করবো খুইজা পাইবোনা, পোঙটা হইলে নিজেরে জেসাস দাবি কইরা বসবো !

১৪ ই মার্চ, ২০১৭ ভোর ৫:৪৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: বাল্য প্রেম জায়েজ , বাল্যবিবাহ না জায়েজ !
: যতদূর জানি ইসলামে উল্টা। পোস্টে ইসলামে কি বলে এর একটি লিংক দিছি। কস্ট করে লিংকে চিপা দিয়ে পড়ে নেন।

পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে আইন করে বাল্য বিবাহ , বাল্য যৌন সংসর্গ নিষিদ্ধ করা হইছে।

: ভুল তথ্য। আমেরিকার অনেক অঙ্গরাজ্যে এখনো ১৪ থেকে ১৬ রাখা হয়েছে। কানাডাতে ১৪। বাল্য যৌনসংসর্গকে এজ অব কনসেন্ট যেটা অনেক দেশে ১৪ বা ১২ বা ১৬ তবে তা সমবয়সীদের সাথে হতে হবে। যদি সাবালক হয় বা তদুর্ধ্ব তাহলে স্টাচুয়াল রেপ কেসে ফাসবে যেটার কারনে লাইফ শেষ।

কুমারী মাতা দিন দিনই বৃদ্ধি পাইতাছে, চাইল্ড হোমগুলো ভরপুর , চাইল্ড পর্নের ছড়াছড়ি।

: কুমারী মাতা বলেন বা বিবাহিত বা ডিভোর্সী মাতা বলেন, এটা তাদের সংস্কৃতি। একজন কুমারী মাতা যদি তার সন্টানকে বড় ককরতে না পারে তাহলে সরকার তার দায়িত্ব নেবে এবং তাকে এমনভাবে শিক্ষা দীক্ষা দিয়ে মানুষ করবে যে আজ থেকে ১০ বছর পর কোনো অফিস আদালতে গেলে তাকে বড় একটা পোস্টে দেখতে পারবেন। ওখানে যৌনতা একটা সাধারন ব্যাপার। কেউ সন্তান পয়দা করলে রাস্ট্র তার পাশে থাকে। এখন আসি বর্বর মুসলমানদের দেশে কি হয়? বর্বর শরীয়া আইনের পাল্লায় পড়ে মা কে কঠিন শাস্তি পেতে হয়, সেই সন্তান পয়দা হইলে তাকে বাকি জীবন জারজ শুনতে হয়। তার লাইফ শেষ।

এটা বাদ দেন, বাংলাদেশে বৈধ বিয়া করা নিম্ন বিত্তের সন্তানদের কি অবস্থা দেখেন? বস্তিতে গিয়া দেখেন। আর সৌদী তো বিশ্বের ৫ নম্বর ধনী জিডিপির দিক দিয়া। দেখবেন নি ঐখানে কি অবস্থা? খালি একবার হ কন, সৌদী স হ মিডল ঈস্টের বর্বর মুসলমানদের কালচার চোখে আঙ্গুল দিয়ে বুঝিয়ে দিবো।

নদীর স্রোতে বালির বাঁধ দিয়ে কি লাভ ? বরং নদীর নাব্যতা ঠিক রাখলে বাঁধেরও প্রয়োজন হবে না , ওভারফ্লো হইয়া বন্যাও হইবো না।
: বাল্যবিবাহ একটা মেয়ের জন্য মৃতুদন্ড, বলছে ইউনিসেফ। পোস্ট পড়ে দেখেন কোনো একটা মেয়ের লাইফ শেষ করতে চাইলে বাল্যবিবাহ দিয়ে দেন। ধর্ষন যতটা না ক্ষতি করে বাল্যবিবাহ তার চেয়ে বেশী। তো আপনে খালি ফাদারস ডে তে উইশ করার জন্য একটা মেয়েরে মাইরা ফেলতে চান? আপনে হয়তো জানেন না যে বর্তমানে বাংলাদেশের বেশীরভাগ ডিভোর্সের কারন এই বাল্যবিবাহ। লিংক লাগলে বইলেন, প্রমান স হ হাতে ধরায় দিবো। একটু পড়ালেখা করেন। ইসলামে পড়ালেখা করতে বলা হইছে ইকরা বলে সেখানে মানুষ জন কেন যে পড়া লেখা করে না বুঝি না

৯| ১৩ ই মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৪:১৯

মেঘনা পাড়ের ছেলে বলেছেন: কন্টেন্টস'র সাথে একমত।

১৪ ই মার্চ, ২০১৭ ভোর ৫:৪৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ধনে পাতা

১০| ১৩ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৯:২৪

কামালপা বলেছেন: ইউরোপ আমেরিকায় স্কুলের ছেলেমেয়েরা শারীরিক সম্পর্ক করে, অনেক মেয়ে প্রেগন্যান্ট হয়ে পড়াশুনা নষ্ট করে। ব্রিটেনে ১২ বছরের একটা ছেলে বাবা হয়েছে বলে বিবিসিতে শুনেছিলাম। এসব নিয়ে কিছু বলেন না কেন?

১৪ ই মার্চ, ২০১৭ ভোর ৫:৫১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ও আচ্ছা ব্রিটেনে ১২ বছরের ছেলে বাবা হইছে বইলা দুঃখ তাইলে আপনারে কিছু লিংকু দেই, দেখি কি বলনের আছে:

মাদ্রাসার খেজুর আমার, হুজুর কার, পেডো মৌলানার পিকে কাম, আস্তাগফিরুল্লাহর গুষ্ঠি কিলায় কোরান হাদিস পইড়া


প্রমান দেন এর যেকোনো একটার বিচার করছেন বা তার কুকাম নিয়া মিছিল করছেন!

১১| ১৩ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৯:৩৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আওয়ামীলীগে ও আমলাদের ভেতরে দীর্ঘদিন সংগবদ্ধ ভাবে অবস্থান করা জামাত-হেফাজত পন্থি একদল খুবই নেপত্থে একটা আঘাত করতে সক্ষম হল।

সমাজে বা দেশে কোন শক্ত দাবি না থাকলেও স্কুল টেক্টটবুকে আর বিবাহআইন দ্রুততম সময়ে পাশ হয়ে গেল।

বলাযায়না হাসিনাও হয়ত বেহেশত যেতে চায়।
আচ্ছা মেয়েদের জন্য বেহেশতে কি আছে? বাহাত্তর সতিনের বান্দিগিরি ছাড়া?

১৪ ই মার্চ, ২০১৭ ভোর ৫:৫২

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ড্যুড, সিরিয়াসলি?

নিজের পেট খারাপ হইলেও কি জামাত শিবিররে দোষান? আপনে মানুষ না পায়জামা?

১২| ১৩ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ১০:১২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: বালবৈশাখী ঝড়ে পরিবেশ আন্ধার হইয়া গেল ! আমি ভাবিলাম শীল পরে বুঝি , এহন দেহি পাঁঠার বিচি বিস্ফোরিত হইছে !

১৪ ই মার্চ, ২০১৭ ভোর ৫:৫৩

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: নিজের দিকে তাকান, সেখানেও এক শিশুকামীর ছায়া পেতে পারেন..যদি ভুল না বুঝি

১৩| ১৩ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ১০:২৭

মেটাফেজ বলেছেন: কালবৈশাখী ভাইয়ের আগুন মন্তব্য পর্লাম। কালবৈশাখী ভাই, আপনের দলের লোকজন কিছু হৈলেই জামাত আর বিএনপির কান্দে আগে দোষ দেয়। তাইলে আপনের কথা সত্যি হৈলে আপনেরাও তো জামাতের ছায়া দল হয়া গেসেন নাইলে প্রধানমন্ত্রি পর্যন্ত জামায়াতের কথায় চলব কেন।

১৪ ই মার্চ, ২০১৭ ভোর ৫:৫৩

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কারন হাসিনাও এখন জামাত

১৪| ১৪ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ২:০৩

দেশী পোলা বলেছেন: আইন অন্ধ, উহাকে নিজের গতিতে আগাইতে দিন, আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না

১৪ ই মার্চ, ২০১৭ ভোর ৫:৫৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ফেসবুকে কি আমারে আনফ্রেন্ড করছেন নাকি? দেখি না যে?

১৫| ১৪ ই মার্চ, ২০১৭ সকাল ৯:১৫

নতুন নকিব বলেছেন:



"২. ১৩ ই মার্চ, ২০১৭ সকাল ৯:৩৪ ১
আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: আমি ব্যক্তিগতভাবে বাল্যবিবাহের পক্ষপাতি নই। তবে বাংলাদেশের মতো ট্রপিক্যাল ওয়েদারের দেশগুলোতে ছেলে বা মেয়ে উভয়েরই যৌবন কিছুটা আগে আসে এবং আগে চলে যায়। এই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন প্রণয়ন করা উচিৎ বলে মনে করি। তবে এই পোস্টের প্রারম্ভিক ছবিটি অত্যন্ত কদর্য। ছবিটি নানা-নাতনির ঠাট্টা মশকরা না হয়ে যদি সত্যিকারের বিবাহের ছবি হয়, তাহলে নানা সদৃশ লোকটির কঠোর শাস্তি হওয়া উচিৎ।
১৩ ই মার্চ, ২০১৭ দুপুর ২:০৭ ০
লেখক বলেছেন: ভাই, বাংলাদেশের মানুষ কুশিক্ষায় কুশিক্ষিতই নয়, তারা ভয়ংকর রকম জঙ্গি এবং বর্বর। তারা নিজে পরে না দেখে কোথায় কি শুনলো সেটাই বিশ্বাস করে। কোনো পেডোফাইল ছাগল হয়তো বলেছে ট্রপিক্যাল ওয়েদারে পুবার্টি দ্রুত হয় সেটাই সবাই বিশ্বাস করে বসে আছে। এই নেন, লিংকটা পড়েন। সংক্ষেপে সুন্দর বিশ্লেষন। সত্যকে জানুন। পেডোফাইল ধর্মান্ধ জঙ্গিদের কাছে বিজ্ঞান শিখতে গেলে অপবিজ্ঞানই পাবেন। আলোকিত হোন।"

:দু:খিত, উদাসী স্বপ্ন। অপরকে, প্রতিপক্ষকে, বিরুদ্ধ মতের জনকে যারা কথায় কথায় সারাক্ষন 'জঙ্গি' 'বর্বর' 'ধর্মান্ধ' ইত্যাদি নিকৃষ্ট অভিধায় ভূষিত করতে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে; আর না হোক, এদের মনোবৈকল্যের সুচিকিতসা যে আসু প্রয়োজন- আশা করি, তাতে দ্বিমত পোষন করবেন না। কথা বার্তায় ভিন্ন মতের প্রতি আরও বেশি শ্রদ্ধাশীল হলে ক্ষতি কী?

আর আপনার ভেতরে ধর্ম প্রনীত আইনের প্রতি এত ক্ষোভ কেন? আপনার বক্তব্য বুঝতে বাকি নেই। কিন্তু, আমাদের কথা হচ্ছে, এই মানুষের যিনি স্রষ্টা, এই জগতের যিনি উদ্ভাবক, জগতের আদ্যান্ত সকল বিষয়ে তাঁর রয়েছে সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম জ্ঞান। সুনিপূনভাবে তিনি সকল কিছুর জন্য প্রয়োজনীয় বিধিমালাও তৈরি করে দিয়েছেন। সুতরাং, সৃষ্টি যার, আইন তার - এই নীতিতে আসুন। আপনি আমি আমরা মানব জাতির স্রষ্টা নই। যেহেতু আমরা স্রষ্টা নই, তাই স্রষ্টার উপরে স্রষ্টাগীরি করা আমাদের কাজও হতে পারে না। শয়তান যে কাজ করে বেড়ায়, আমরা মানুষ হয়ে সেগুলো করতে পারি না। তাই, আসুন সমাধান পেয়ে যাবেন কুরআনের কাছে এলে। হাদিসের আলোকে চিন্তা করলেই দুনিয়া এবং পারলৌকিক জীবনের মুক্তি আশা করা যায়।

ভাল থাকবেন।
আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন।

১৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ১১:০৮

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: অপরকে, প্রতিপক্ষকে, বিরুদ্ধ মতের জনকে যারা কথায় কথায় সারাক্ষন 'জঙ্গি' 'বর্বর' 'ধর্মান্ধ' ইত্যাদি নিকৃষ্ট অভিধায় ভূষিত করতে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে; আর না হোক, এদের মনোবৈকল্যের সুচিকিতসা যে আসু প্রয়োজন- আশা করি, তাতে দ্বিমত পোষন করবেন না। কথা বার্তায় ভিন্ন মতের প্রতি আরও বেশি শ্রদ্ধাশীল হলে ক্ষতি কী?

: আবু হেনা সাহেবকে কোথায় জঙ্গি বলছি? প্রমান দেখান। মিথ্যা কথা বলার হেতু কি?

আর আপনার ভেতরে ধর্ম প্রনীত আইনের প্রতি এত ক্ষোভ কেন?

:ইসলাম নিয়ে ক্ষোভ কই পাইলেন? প্রমান দেন বা কমেন্টের লিংক দেন। আমার ক্ষোভ বর্বর শরীয়াহ আইন নিয়ে। প্রথমেই বইলা নেই আমি মাদ্রাসাতে বেশ কিছু কাল পড়াশোনা করছি। যার প্রমান আমার লেখায় পাবেন। শরীয়াহ আইনের নামে সৌদীতে কি চলছে, পড়েন। ইসলামিক আইনের নামে কি চলছে তা নিয়ে বেশ কিছু লেখা আছে কোরান আর স হী হাদিসের রেফারেন্সের সাথে জাল এবং উদ্ভট শরীয়াহ আইনের কি পার্থক্য তা এখানে ক্লিক করে জানতে পারবেন।

বাকি আলাপ পারনের টাইম নাই। আগে আমার পূর্বেকার প্রশ্নের উত্তর দেন

১৬| ১৪ ই মার্চ, ২০১৭ সকাল ৯:৫৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: এই পোস্টটাও এখন লেখকের উদাসী স্বপ্ন বইলাই মনে হইতাছে ! খিকজ ! :P

১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:৪৩

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: একটা নান্না মুন্না পেডোফাইল ডিটেক্টেড

১৭| ১৪ ই মার্চ, ২০১৭ সকাল ১০:১৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: এই পোস্টটাও এখন লেখকের উদাসী স্বপ্নদোষ বইলাই মনে হইতাছে ! খিকজ ! :P :D =p~

১৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ১১:০৯

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: সোজা কথায় বলে দিলেই হয় আমরা বাল্যবিবাহ ও শিশুকামের পক্ষে, ল্যাঠা চুকে যায়। এতো লজ্জার কি আছে!

১৮| ১৪ ই মার্চ, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৩

কামালপা বলেছেন: আপনার ডাবল স্ট্যান্ডার্ড দেখে অবাক হচ্ছি। ইউরোপ আমেরিকা যাই করুক তারা মহান। আর আমরা সবাই বর্বর, তাই না? বাল্যবিবাহ যেমন খারাপ, তেমন স্কুলের বাচ্চাদের শারীরিক সম্পর্কও খারাপ, এটা আপনার মাথায় ঢোকে না কেন? মুসলমানদের দোষ দেবেন, আর ইউরোপীয়ানরা বাচ্চারা শারীরিক সম্পর্ক করলে কোন সমস্যা নেই, না?
কুমারী মাতার ব্যাপারে কিছু বলব না। আপনার নিজের বাপের ঠিক না থাকলে বুঝতেন কেমন লাগে। যতসব বাজে কালচার।
আপনি এক কাজ করেন, সুইডেনের টিনএজ মেয়েদের জুতার তলা চেটে চেটে খান। আপনি কি পরিমাণ হীনমন্য তা আমার জানা হয়ে গেছে।

১৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ১১:২২

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: বাল্যবিবাহ যেমন খারাপ, তেমন স্কুলের বাচ্চাদের শারীরিক সম্পর্কও খারাপ, এটা আপনার মাথায় ঢোকে না কেন?

: তার মানে দেখা যাচ্ছে একটা ১২ বছরের মেয়ে তার ক্লাশমেটের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করলো, তাইলে আপনে করলে কি সমস্যা সেটাই তো? আর বিয়ে করে যদি প্রতিদিন এরকম নিজের মেয়ের বয়সী একটা কন্যাশিশুর সাথে যৌনমিলন করা যায় তাতে কি সমস্যা এটাই তো প্রশ্ন? আর একজন বাচ্চা মেয়ে যেহেতু যৌন সম্পর্ক করেই ফেলেছে তাই সকল বাচ্চা মেয়েকেই এখন বিয়ে দিতে হবে, এটাই তো কথা তাই না? যেহেতু বিদেশে এগুলো করছে মেয়েরা সেহেতু আমাদের দেশে এদের বিয়ে দিলেই হয়ে যায়।

প্রশ্ন:

১) একটা বাচ্চা মেয়ের জন্য বিয়ে মানে মৃত্যুদন্ড, আমি বলছি না, ইউনিসেফ বলছে এই সম্পর্কে আপনার মতামত কি?
২) একজন দুইজন মেয়ে করছে তাই বলে একটা মেয়ের লাইফ ক্যারিয়ার শৈশব সব কেড়ে নেবেন এটা কেমন যুক্তি? একটা মেয়ের জন্ম কি শুধু স্বামীর ঘর আর বাচ্চা পয়দা করার জন্যই?
৩) বাল্যবিবাহের কারনে বয়সকালে বেশীর ভাগ মেয়ের ঘর ভাংছে, নির্যাতনের শিকার হচ্ছে, তাহলে দেখা যাচ্ছে ইউরোপীয়ান বাচ্চা মেয়েরা গর্ভবতী হচ্ছে এইজন্য বাংলাদেশের মেয়েদের পঙ্গু বানিয়ে ফেলতে হবে?
৪) বিদেশে যেসব বাচ্চা পয়দা হয় সবার জন্য সরকার এবং স্ব স্ব পরিবার সুশিক্ষা এবং সুপরিবার দিয়ে একটা সুন্দর জীবন নিশ্চিৎ করছে। আজকে যেকোনো অফিস আদালতে যদি কোনো ভালো কর্মকর্তা বা বিজ্ঞানীর দেখা পান তাহলে দেখবেন তাদের বাপ কয়টা তাদের মা কেমন কত বছর বয়সে গর্ভবতী হলো সেটা নিয়ে মোটেও ভাবে না। সেসব দেশ এতই উন্নত যে বর্বর, কুশিক্ষিত জঙ্গি মুসলমান দেশ সমূহের (বাংলাদেশ, ইরান ইরাক, আফগানিস্টান, সিরিয়া, ইয়েমেন ইত্যাদি যারা সেসব দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা + ইমিগ্রাশন করে) উচ্চশিক্ষিত স্বল্পশিক্ষিত সবাই সেসব দেশে স্যাটেল্ড হতে চায়, কেন ভাই?

আমার সব তথ্যের লিংক দিলাম বাল্য বিবাহ ভালো না খারাপ বিজ্ঞানভিত্তিক যুক্তি এবং ম্যাডিকেল সায়েন্স অনুসারে লেখা যার লিংক পোস্টে দেয়া আছে। আপনি কি তা অস্বীকার করেন? তাহলে আপনার অসুখ হলে ডাক্তারের কাছে গিয়ে সেসব নাস্তিক, মেডিক্যাল সায়েন্সের ওসুধ খান কেন?

হিপোক্রেসীর মানে বুঝেন?

আশা করি আমার পোস্টে নেক্সট টাইম আলোচনা করলে লিংক বা জার্নাল কপি নিয়ে আলোচনা করতে আসবেন।

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য

১৯| ১৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৯:৪৯

দেশী পোলা বলেছেন: জুকার মিয়ার কালা কানুন এর জন্য দেশী পোলা নিকটা ফেসবুকে শাহাদত বরন করিয়াছে

১৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ১১:০০

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: তো নয়া নিকে এড রিকু পাঠান না কেন? নতুন কি নাম নিছেন হেইডাও তো জানি না

২০| ১৬ ই মার্চ, ২০১৭ দুপুর ২:০৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: বাল্য বিবাহ ও শিশু কাম তো এক জিনিস নহে। আমি বাল্য বিবাহের পক্ষে। আমার মতে বাল্যবিবাহ বাধ্যতামূলক করা উচিত। এবিষয়ে আমি পোস্টও দিয়েছি। পেডোফাইল বলিয়া আপনি যাহা চালাইতেছেন তাহা বাল্যবিবাহ নহে, তাহা হইলো শিশুদের সাথে যৌন মিলন।ইহা অবস্যই নিন্দনীয়। তবে পশ্চিমা বিশ্বের শিশুর সংজ্ঞার সাথে আমি শক্তভাবে দ্বিমত পোষণ করি।বালেগ বা স্বাভাবিক ভাবে যৌনতাপ্রাপ্তি সাধারণত হয় ১২ বছর বয়সের পরে। কম বেশি হতে পারে। এটা একটা স্বাভাবিক প্রাকৃতিক ব্যাপার।বয়োপ্রাপ্তি হওয়া মানেই সে এখন যৌন মিলনের , বাচ্চা জন্মদানের উপযোগ। মানুষের ক্ষেত্রে মানসিক পরিপূর্ণতা পরিবেশ ও পারিবারিক শিক্ষার উপর নির্ভর করলেও এতো বেশি দেরি হয়না যে দ্বাদশ থেকে অষ্টাদশীদের শিশু বলিতে হইবে।অন্ধ হইলেই তো প্রলয় বন্ধ থাকিবে না , একটু চোখ খুলিয়া চারিদিকে তাকান , ৪৫% শিশুর ১৮ বছরের আগেই পর্ণ দেখার অভিজ্ঞতা হইয়া যায় , একটু স্কুলে গিয়া দেখেন উপরের ক্লাসে কতভাগ পোলা মাইয়ার যৌনতার অভিজ্ঞতা বাকি আছে, কতভাগ পোলা মাইয়া ১৮ বছরের নিচে কুমার বা কুমারী আছে !

কচি মাইয়া দেইখা লোল ফেলা আর ধর্মে জায়েজ বইলা বাকি শর্তের দিকে না তাকাইয়া বিয়া করা আমি সমর্থন করি না। তবে শুধু পুরুষ বা নারীর বয়স বেশি বইলা বয়স কম কাউরে বিয়া করলেই বাল্যবিবাহ হইয়া যাইবো, শিশু কাম হইয়া যাইবো ইহাতো মানিতে পারিলাম না।আমাদের পূর্ব পুরুষদের আমলে অপ্রাপ্তবয়ষেই বিবাহ হইতো , তবে দৈহিক মিলন বয়োপ্রাপ্তির পরেই হইতো বলিয়া জানি। এক্ষেত্রে পরিস্থিতি অবস্যই বিচার্য।মেয়েটির ভরণ পোষণের ব্যবস্থা আছে কিনা, নিরাপত্তা প্রদানের কেউ আছে কিনা, নাকি বিবাহ না দিয়া মেয়েটিকে ধর্ষকদের হাতেই সপে দেওয়া ভালো হবে ,ভরণ পোষণের অভাবে মেয়েটিকে দেহব্যাবসার দিকে ঠেলে দেওয়াই ভালো হবে ইহাও দেখিতে হইবে।পাশ্চাত্যের অনুকরণে শুধুই আইন কইরা ছাইড়া দিলাম আর ধর্মরে গালি দিলাম ইহাতো রঙিন চশমা চোখে দিয়া দুনিয়া রঙিন মনে হওয়ার মতোই হইলো।
বাল্য বিবাহ হইলো ছেলে ও মেয়ে দুজনেই ১৮ বছরের নিচেই বিবাহ করা।যাহা আফনেরা আইন কইরা নিষিদ্ধ করছেন, কিছু ফাক ফোকর রাখাকেও নিন্দনীয় বলিতেছেন। যাহারা এই আইন সমর্থন করে, আমার ধারণা তাহাদের পতাকা দণ্ড ১৮ বছরের আগে দাড়াইতো না অথবা তাহারা বিবাহ বহির্ভুত যৌনমিলনকেই সমর্থন ও প্রচার করিতেছে !

১৬ ই মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৪:১৫

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: বাল্য বিবাহ ও শিশু কাম তো এক জিনিস নহে। আমি বাল্য বিবাহের পক্ষে।

: জাতিসংঘের ইউনিসেফের সংজ্ঞানুসারে ১৮ বছরের নীচে তারা সবাই শিশু হিসেবে গন্য করা হবে। এটা আমার মতো যদু সদু বা আপনার মতো রাম শ্যামের ডায়লগ না না। লিংক এখানে, আর্টিক্যাল নম্বর ১। তো সেই হিসেবে একজন শিশুকে যখন বিবাহের মাধ্যমে দৈনিক যৌন সম্পর্ক করানো হবে তার অনিচ্ছা বা ইচ্ছার (স্টাটুয়ারী রেপ) বিরুদ্ধে তখন সেটা ধর্ষন বলে গন্য হবে (যদি পরবর্তী যেকোনো সময়ে ধর্ষিতা নিজে অথবা সম্পর্কের সময় তার অভিভাবক গন অভিযোগ করে), এটাও আমার কথা না, আইনের কথা। আর যখন কোনো সাবালক একজন নাবালকের সাথে যৌনসম্পর্ক করে তখন সেটা শিশুকামীতার মধ্যে পড়ে যার লিংকও উপ্রে অলরেডী দিয়া দিছি। এখন আপনি এসব আইন মানতে নাই পারেন সেটা আপনার ব্যাক্তিগত ব্যাপার। তবে যেটা বিশেষজ্ঞ ও উন্নত আধুনিক সভ্যতার আইনী মত সেটাই প্রতিষ্ঠিত।

আমার মতে বাল্যবিবাহ বাধ্যতামূলক করা উচিত। এবিষয়ে আমি পোস্টও দিয়েছি। পেডোফাইল বলিয়া আপনি যাহা চালাইতেছেন তাহা বাল্যবিবাহ নহে, তাহা হইলো শিশুদের সাথে যৌন মিলন।ইহা অবস্যই নিন্দনীয়।

: কথাটা খেলো এবং কপটতা পূর্ন। কারন বিবাহ করিবেন কিন্তু যৌনমিলন করিবেন না এমন কথা কেউ বিশ্বাস করাতে পারবে সেটা মনে হয় না। তা সেটা কিশোরী শিশুর ইচ্ছায় হোক আর অনিচ্ছায় হোক। এছাড়া ছোটলোক অশিক্ষিত জঙ্গি বাংলাদেশে বিবাহপরবর্তী ধর্ষনের কোনো আইন নেই।


তবে পশ্চিমা বিশ্বের শিশুর সংজ্ঞার সাথে আমি শক্তভাবে দ্বিমত পোষণ করি।বালেগ বা স্বাভাবিক ভাবে যৌনতাপ্রাপ্তি সাধারণত হয় ১২ বছর বয়সের পরে। কম বেশি হতে পারে।

: এখন বাংলাদেশের মতো অসভ্য ইতর ছোটলোক, কুসংস্কারাচ্ছন্ন জঙ্গি দেশের মাঠে ঘাটে পেডোফাইল জঙ্গি মৌলানা আলেমরা সামান্য কয়টা পয়সার জন্য সারারাত ওয়াজ করে, হিংসা প্রতিহিংসা ছারানোর জন্য দ্বারী, জঈফ, জাল কখনো কখনো রদকৃত অথবা ভিন্ন পারসপেক্টিভে নাযিলকৃত আয়াত সমুহের মন গড়া তাফসীর করে হিংসার চাষ করে এবং মনে করে তারাই সত্য। পরে যখন তাদের বাড়াবাড়ি সাধারন মানুষ মারা যায়(যেমন বাংলা ভাই, শা্যখ আব্দুর রহমান, মুফতি হান্নান ইত্যাদি) অথবা নিজেদের হাতে গড়া মাদ্রাসায় ঘেটুপুত্র চর্চা শুরু করে তখন পাবলিক বা প্রশাসন তাদের পিটিয়ে হত্যা করে। এটাই নিয়ম, এটাই আইন, কারন দুধ কলা সাপ পুষলে তাদের পিটিয়ে হত্যাই করতে হয়। তাদের মধ্যে আপনার মিল হলো তারা নিজেরা যা বলে তাই ইসলাম বা সত্য বলে চালিয়ে যায় আর এজন্যই আপনার বক্তব্যের পক্ষে কোনো বিশেষজ্ঞ মতামতের দলিল বা লিংক প্রদান করতে আপনি ব্যার্থ এবং নিজের চোপার জোর প্রয়োগ করছেন।



এটা একটা স্বাভাবিক প্রাকৃতিক ব্যাপার।বয়োপ্রাপ্তি হওয়া মানেই সে এখন যৌন মিলনের , বাচ্চা জন্মদানের উপযোগ। মানুষের ক্ষেত্রে মানসিক পরিপূর্ণতা পরিবেশ ও পারিবারিক শিক্ষার উপর নির্ভর করলেও এতো বেশি দেরি হয়না যে দ্বাদশ থেকে অষ্টাদশীদের শিশু বলিতে হইবে।অন্ধ হইলেই তো প্রলয় বন্ধ থাকিবে না , একটু চোখ খুলিয়া চারিদিকে তাকান , ৪৫% শিশুর ১৮ বছরের আগেই পর্ণ দেখার অভিজ্ঞতা হইয়া যায় , একটু স্কুলে গিয়া দেখেন উপরের ক্লাসে কতভাগ পোলা মাইয়ার যৌনতার অভিজ্ঞতা বাকি আছে, কতভাগ পোলা মাইয়া ১৮ বছরের নিচে কুমার বা কুমারী আছে !


: আমি এ বিষয়ে পোস্ট করেছি যে কিছু কিছু শিশুরা কি জন্য দ্রুত বয়ঃসন্ধির শিকার হয় এবং এটাকে যদি মনে করি তার প্রজনন অন্ত্রের পরিপক্কতা তাহলে সেটা ভুল এবং এর ফলে একটি মেয়ের গর্ভবতী হবার কালে মৃত্যু থেকে শুরু পোস্ট প্রেগনেন্সির পর যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায় তা চিরস্থায়ী। এগুলো মেডিক্যাল সায়েন্স অনুসারে লেখা। আপনার আমার মতো যদুমদুর কথা না। এখন আপনি যদি মেডিক্যাল সায়েন্স অস্বীকার করেন, বিজ্ঞানীদের কথা অস্বীকার করেন, সেটা আপনার ব্যাক্তিগত মতামত এবং আপনার মানসিক বৈকল্য. কারন দিন শেষ আমিও ডাক্তারের কাছে যাই, সায়েন্সের শরনাপন্ন হন, আমিও হই। লিংক সমূহ উপরে নীল লেখাতে ক্লিক করলে যে পোস্ট পাবেন সেখানে পড়তে পড়তে লিংক। তবে আপনি যদি মনে করেন আমি ভুল তথ্য দিয়েছি, তাহলে উক্ত পোস্টে আমরা বিষদভাবে আলোচনা করতে পারি।

কচি মাইয়া দেইখা লোল ফেলা আর ধর্মে জায়েজ বইলা বাকি শর্তের দিকে না তাকাইয়া বিয়া করা আমি সমর্থন করি না।

: এখানে ধর্ম নিয়া তর্ক করা অমূলক কারন ধর্ম নিয়া কথা বলা আমার পোস্টের মূল উদ্দেশ্য না। তাই পোস্টের মনোযোগ অন্যদিকে ঘুরাইবার কোনো কারন দেখি না।


আমাদের পূর্ব পুরুষদের আমলে অপ্রাপ্তবয়ষেই বিবাহ হইতো , তবে দৈহিক মিলন বয়োপ্রাপ্তির পরেই হইতো বলিয়া জানি। এক্ষেত্রে পরিস্থিতি অবস্যই বিচার্য।

: আমাদের পূর্বপুরুষরা যাই করছে টাই আমাদের করিতে হইবে সেটার কোনো কারন দেখি না। তারা করিতো বা করতে দেয়া হইছে কারন বিজ্ঞান তখনও ততটা অগ্রসর ছিলো না এবং তখন আমরা অনেক কিছুই জানতাম না আর তাদের সেই ভুলের কারনে আজ আমাদের জনসংখ্যাসর চাপে পুরো দেশটা ধ্বংসের অতলে চলে গেছে। আমার কথার সত্যতার লিংক দিয়ে দিলাম । তাই আপনি কি মনে করেন তার পক্ষে যদি কোনো পীয়ার রিভিউড জার্নাল বা তথ্য সংশ্লিষ্ট কোনো ডকু থাকে তা প্রদান ককরুন নাহলে আপনার ব্যাক্তিগত মতামত নিয়ে আমরা কথা বলতে আসিনি। আমার ব্লগের লেখা সমূহ আমি মূলত একাডেমিক লেভেলের মান বজায় রাখার চেষ্টা করি, গরু ছাগলের মাদ্রাসা বা তাদের সমমানের জ্ঞান বিতরনের পয়েন্ট মনে করিনা।

মেয়েটির ভরণ পোষণের ব্যবস্থা আছে কিনা, নিরাপত্তা প্রদানের কেউ আছে কিনা, নাকি বিবাহ না দিয়া মেয়েটিকে ধর্ষকদের হাতেই সপে দেওয়া ভালো হবে ,ভরণ পোষণের অভাবে মেয়েটিকে দেহব্যাবসার দিকে ঠেলে দেওয়াই ভালো হবে ইহাও দেখিতে হইবে।পাশ্চাত্যের অনুকরণে শুধুই আইন কইরা ছাইড়া দিলাম আর ধর্মরে গালি দিলাম ইহাতো রঙিন চশমা চোখে দিয়া দুনিয়া রঙিন মনে হওয়ার মতোই হইলো।

: আপনার বক্তব্যটা কিছুটা পারস্পরিক বিরোধি এবং মিথ্যার আশ্রয় নেয়া এই জন্য যে পোস্টের কোথাও ধর্ম নিয়া কোনো বাতচিত করি নাই তবে একটা নির্দিষ্ট গোত্রের কর্মকান্ড নিয়ে সমালোচনা করা হয়েছে তা নিতান্তই তির্যক ভাষায়। তাই কোনো ধর্মকে গালি দিয়েছি এটা ডাহা মিথ্যা কথা আর সেই সূত্র ধরে আপনি একবার বললেন ধর্মে বলা আছে বলেই আপনি সমর্থন করেন আবার আরেক দিকে যে ধর্মকে আমি কিছুই বলি নাই সেটা তর্যক মন্তব্য করবেন এটা মেনে নেয়া যায় না। তার ওপর আপনি দলিল বা রেফারেন্স ছারা কথা বলছেন। ইহা হাস্যকর এবং গোয়াড়তুমির লক্ষন। তার ওপর ভরনপোষন অর্থাৎ টাকা পয়সা দিয়ে একটা মেয়ের জীবন কেনার মতো মন মানসিকতা গ্রহন যোগ্য নয়। কারন একটি মেয়ের জন্ম শুধু বিয়ে করে সন্তান পয়দা করার জন্যই হয় নি। আর একটি মেয়ের কাছে বাল্যবিবাহ মানে যে কি তা এই পোস্টে বিষদ বর্ননা করার চেষ্টা করেছি সূত্র দিয়ে।

বাল্য বিবাহ হইলো ছেলে ও মেয়ে দুজনেই ১৮ বছরের নিচেই বিবাহ করা।যাহা আফনেরা আইন কইরা নিষিদ্ধ করছেন, কিছু ফাক ফোকর রাখাকেও নিন্দনীয় বলিতেছেন। যাহারা এই আইন সমর্থন করে, আমার ধারণা তাহাদের পতাকা দণ্ড ১৮ বছরের আগে দাড়াইতো না অথবা তাহারা বিবাহ বহির্ভুত যৌনমিলনকেই সমর্থন ও প্রচার করিতেছে

: এখন আপনার মতো করে কোনো সংজ্ঞা প্রতিষ্ঠিত হবে না অথবা আমার কথায় কিছু পরিবর্তিত হবে না, আমি যদি ভুল থাকি তাহলে আপনি কোনো রেফারেন্স লিংক প্রদান করুন যেটা সর্বজনস্বীকৃত। একটা জার্নাল কিভাবে পীয়ারড রিভিউ হয়, বা কেন তা লেখা হয়, কে বা কারা লেখে এবং সেটার কিভাবে স্ক্রুটিনি করা হয় এ বিষয়ে আপনাকে জ্ঞান দেয়ার প্রয়োজন দেখি না, ধরে নিলাম আপনার মতো ততটা শিক্ষা বিদ্যমান। আর যদি সেই বিদ্যা না থাকে তাহলে আগেও বলছি এখনো বলছি গরুছাগলের জন্য আমার ব্লগ না।

আর আপনি যদি কোনো দলিল দেখাতে না পারেন তাহলে বিশ্বাস করেন আপনি আধুনিক বিশ্বের আলোকে শিশুকামী আর আমি যতটুকু জানি ধর্ষক, হত্যাকারী, শিশুকামীদের এতটুকু বুকের পাটা আছে যে তারা নিজেরা বুকে হাত দিয়ে বলতে পারে যে তারা ধর্ষক, হত্যাকারী, খুনি বা শিশুকামী আর এই ক্রিমিনাল ইনস্টিংকট এর কারনেই এদেরকে আমি হত্যা করা জায়েজ বলে মনে করি এবং এটা আমার ব্যাক্তিগত মতামত। তাই সাহসী হোন, নিজেকে শিশুকামী দাবী করাতে আসলে আমি কাপুূষতার লক্ষ্মন হিসেবে দেখি। শিশুকামী হওয়াতে অপরাধী সমাজে লজ্জার কিছু নেই!

ভালো থাকবেন হে শিশুকামী।

২১| ১৬ ই মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৫:২৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আবারো স্বপ্নদোষ ! আমি তো এখানে রিসার্চ পেপার লিখিতে বসি নাই ভাইডি যে আমাকে প্রতিটি লেখার সূত্র দিতে হবে।আপনার সাথে কথা বলা আর নেতানিয়াহুরে ফিলিস্তিনিদের অধিকার বোঝানো সমান কথা। পশ্চিমি প্রেমে বুদ্ হওয়া মনে উহাদের সবই ভালো , মুসলমানের সবই খারাপ মনে হওয়াই স্বাভাবিক। এরপরে গালাগালি ছাড়া আর কিছু কইতে পারবেন বলে মনে হয়না। এ বিষয়ে আপনিতো আবার পিএইচডি করা, আপনার পূর্বের লেখা ও কমেন্টে তাহার প্রমান আছে।আপনার পোস্টে আর কোনো মন্তব্য করার রুচি হইতেছে না। আবার স্বপ্নদোষ হইবো !

১৬ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ১০:৩৭

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আমি তো এখানে রিসার্চ পেপার লিখিতে বসি নাই ভাইডি যে আমাকে প্রতিটি লেখার সূত্র দিতে হবে।

: ওয়াও, আপনে তো দেখি টাইফয়েড আজাদ(প্যারাডক্সিকাল আজাদ< প্যারাটাইফয়েড আজাদ< টাইফয়েড আজাদ) এর মতে কথা বলতেছেন। অনেকটা এমন যে আমি অমুক জায়গায় অমুক জিনিস দেখছিলাম। তাইলে অমুক জিনিস যদি অমুক হয় তাইলে তমুকটা তমুক হবে। তখন আপনে যদি জিগান ভাই অমুক জায়গার সকল কিছু ঘাটলাম কিন্তু জিনিসটা সেইখানে নাই, বরং উল্টা কথা, তখন সে কইরা দিলো ব্লক, তার আগে দিলো দুইটা গালি।

শোনেন ভাই, ছোটবেলায় যখন পরীক্ষায় রচনা লেখতাম তখন বিভিন্ন কোটেশন দিলে সয়ার বেশী মার্ক দিতো। কোটেশন দেবারও নিয়ম ছিলো, কার কোটেশন কোথায় বলছে আর সাল। আমি ৯৬ ব্যাচ এসএসসি। যারা স্ট্যান্ড করতো তাদের খাতা মাঝে মাঝে আমাদের স্কুলের স্যাররা দেখাতো। পরে যখন ইন্জ্ঞিনিয়ারিং পড়লাম এবং উচ্চশিক্ষা গ্রহন করলাম তখন শিখলাম যেকোনো জার্নাল বা সামান্য প্রবন্ধ, সামান্য প্রবন্ধও বাদ, আমরা যে ক্লাশের এসাইনমেন্ট জমা দিতাম সেখানেও কিভাবে রেফারেন্সিং করতে হয় সেটার উল্লেখ থাকতো। আপনার কথা শুনে মনে হয় আপনার ভার্সিটির চৌহদ্দী পেরুতে পারেন নাই, আর যদি পেরেও থাকেন তাহলে চুইঙ্গা বা রাজশাহী বা তথাকথিত সরকারীর দুই নম্বর অটিক ফটিক সাবজেক্ট অথবা অটিক ফটিক প্রাইভেটে পড়ছেন। তাই আপনারা জানেননা এসব লেখায় ডিবেট করতে গেলেও কিভাবে ডিবেট করতে হয়.

দুনিয়া এখন সেই ৯০ এর দশকে নাই, আর বাংলাদেশের শিক্ষাব্যাবস্থা ৯০ এর দশকের চেয়েও খারাপ হইছে, এখন তো মেডিকেলের প্রশ্নও আউট হয়, কি আর কমু। তাই বাংলাদেশের শিক্ষায় শিক্ষিত কোনো ছাত্রের ক্যালিবারের দুই টাকার দাম কেউ দেয় না। এই দোষটা সত্যিকার ভাবে আপনার নয়, দোষটা নাহিদ ও প্রশাসনের। তাই প্লিজ, আমার পোস্টে তর্ক করার একটাই শর্ত উপযুক্ত দলিল দিয়া কথা বলবেন।

আর আপনে পেডোফাইল স্বীকার করলে কি সমস্যা বোধগম্য নয়। আপনার মতো দামড়া লোক রাতের বেলা স্বপ্নে ১২-১৩ বছরের মেয়ে স্বপ্ন দেখেন, তাকে বিয়ে করে ইয়ে করতে চান, সারা জীবন তারে বৌ বানাইয়া পেট বাধাইয়া পোলাপান বানানির যন্ত্র বানাইতে চান এতে দোষের কিছু নাই। আপনার আমার বাপ দাদারা করছে না বুইঝা। আমি সৌভাগ্যবান যে আমার বাপ দাদারা তাদের ভুল বুঝতে পেরে তাদের পরিবারের আর কাউকে আর কম বয়সে বিয়ে দেয় নাই, এখন আর এটার কথা চিন্তাও করে না, কিন্তু আপনারটা নিয়া আর কি বলবো, বলার কিছু নাই। আপনার পারিবারিক জ্ঞান যেটা দেখে বড় হয়েছেন এবং যেটা এখনো লালন করেন, সেটা যেমন বড়াই করে বলছেন, তাহলে স্বীকার করলেই হয় আপনি একজন পেডোফাইল। এতে দোষের কিছু নাই।

আর ফিলিস্তিনিদের কথা বলে লাভ নাই, এক ফিলিস্তিন দেখাইয়া বোকোহারাম, আইসিস কত কিছু করলো, ৫১ টা দেশের মধ্যে ৪ টা নিউক্লিয়ার পাওয়ার এমনকি ইয়েমেনের হুতিদের মারনের জন্য তারা জোটবদ্ধ হয় কিন্তু লেকিন বাট ফিলিস্তিনের বেলায়... এমন কি এই যে রোহিঙ্গা তাদের জন্য মালয়েশিয়ার খালি একটা জাহাজ। আর বাকি সাহায্যের ৮০ ভাগ বাংলাদেশের বাকী ২০ ভাগ জাতীসংঘ আর ইউরোপীয় ইউনিয়ন। আর নির্যাতনের নেগোসিয়েশন করার জন্য কারা আসলো? মুর্তাদ কোফি আনান!

জয় হে পেডোফাইল টার্জান!

২২| ১৭ ই মার্চ, ২০১৭ সকাল ৯:২০

নতুন নকিব বলেছেন: : আবু হেনা সাহেবকে কোথায় জঙ্গি বলছি? প্রমান দেখান। মিথ্যা কথা বলার হেতু কি?

আমাদের বক্তব্য:
না, ভাই, উদাসী স্বপ্ন, ধন্যবাদ আপনাকে। আপনি যে আবু হেনা সাহেবকে কোথাও জঙ্গি বলেন নি এইজন্য কৃতজ্ঞতা তো দেখাতেই হয়!!!
একটা গল্প মনে পড়ছে। 'এক যুবক ছেলে হাপাতে হাপাতে এসে বলছে, মানীর (মান্যবরের) মান আল্লাহই রাখে! মানীর (মান্যবরের) মান আল্লাহই রাখে! কেউ একজন জিজ্ঞেস করলেন, হয়েছেটা কী? যুবক উত্তর দিল- বাজারের ঐ মাথায় দেখি বাবারে কানে ধইরা উঠবস করাইতাছে। একটুখানির লাইগা মান ইজ্জত বাঁচাইয়া আমি সইরা আসতে পারছি।'

কথায় কথায় বাঙ্গালী জাতির গুষ্ঠি উদ্ধার করবেন, ধর্মাচারীদের কটাক্ষ করে জঙ্গি ফঙ্গি বলবেন আবার 'হেনা ভাইরে কই নাই' বলে সাফাই গাবেন, এ নীতি ভাইসাহেব??? কারও কারও পশ্চিমা আর পাশ্চাত্য প্রীতিও কিন্তু আমাদের নজরে পড়ে!

:প্রথমেই বইলা নেই আমি মাদ্রাসাতে বেশ কিছু কাল পড়াশোনা করছি।

আমাদের বক্তব্য:
মাদ্রাসায় পড়েছেন। ভাল। এতে গর্বের কি আছে? কিন্তু, এই মাদ্রাসায় পড়াটাই মনে হয় আমাদের অনেকের জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। সত্যি কথা বলতে কি, ইসলামের প্রকৃত আদর্শচ্যূত কিছু মাদ্রাসা পড়ুয়া দেখেছি যাদের থেকে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে আসা সত্যিকার আদর্শ লোকদের আমার কাছে খারাপ মনে হয় না।

ভাল থাকবেন।

২৯ শে মার্চ, ২০১৭ ভোর ৬:৫১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কথায় কথায় বাঙ্গালী জাতির গুষ্ঠি উদ্ধার করবেন, ধর্মাচারীদের কটাক্ষ করে জঙ্গি ফঙ্গি বলবেন আবার 'হেনা ভাইরে কই নাই' বলে সাফাই গাবেন, এ নীতি ভাইসাহেব??? কারও কারও পশ্চিমা আর পাশ্চাত্য প্রীতিও কিন্তু আমাদের নজরে পড়ে

উত্তর: ঠিক বুঝতে পারলাম আমি আবু হেনা সাহেবকে কোথায় জঙ্গি বললাম? আপনাকে সিম্পল বাংলায় প্রশ্ন করেছি। কমেন্ট টি আবার পড়েন। আমার কথার মূল টোন টা ছিলো যারা পেডোফাইল, জঙ্গি, মৌলবাদী এবং বাল্যবিবাহের পক্ষে তারাই এসব অদ্ভুত যুক্তি শোনায়।

মাদ্রাসায় পড়েছেন। ভাল। এতে গর্বের কি আছে? কিন্তু, এই মাদ্রাসায় পড়াটাই মনে হয় আমাদের অনেকের জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। সত্যি কথা বলতে কি, ইসলামের প্রকৃত আদর্শচ্যূত কিছু মাদ্রাসা পড়ুয়া দেখেছি যাদের থেকে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে আসা সত্যিকার আদর্শ লোকদের আমার কাছে খারাপ মনে হয় না।

উত্তর: আমি ঠিক বুঝতে পারছি না পোস্ট সংশ্লিস্ট কোনো ব্যাপারে কোনো মতামত বা কোনো সিদ্ধান্ত বা কোনো তথ্য আছে কিনা। দয়া করে পোস্ট সংশ্লিস্ট বক্তব্য দিন

২৩| ১৭ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ১০:২২

টারজান০০০০৭ বলেছেন:

"ওয়াও, আপনে তো দেখি টাইফয়েড আজাদ(প্যারাডক্সিকাল আজাদ< প্যারাটাইফয়েড আজাদ< টাইফয়েড আজাদ) এর মতে কথা বলতেছেন। অনেকটা এমন যে আমি অমুক জায়গায় অমুক জিনিস দেখছিলাম। তাইলে অমুক জিনিস যদি অমুক হয় তাইলে তমুকটা তমুক হবে। তখন আপনে যদি জিগান ভাই অমুক জায়গার সকল কিছু ঘাটলাম কিন্তু জিনিসটা সেইখানে নাই, বরং উল্টা কথা, তখন সে কইরা দিলো ব্লক, তার আগে দিলো দুইটা গালি।"------------

আফনের কাছে ব্লগ জার্নাল হইতে পারে , আমার কাছে শুধুই আমার মনের কথা লেখার জায়গা। আমি ধর্ম এবং বিজ্ঞানকে সবসময় আলাদাই রাখি। একটা দিয়ে আরেকটা প্রমান করা বা আফনের মতো বিজ্ঞান দিয়া ইসলাম রে নাকচ করার মানসিক সমস্যা আমার নাই।

"শোনেন ভাই, ছোটবেলায় যখন পরীক্ষায় রচনা লেখতাম তখন বিভিন্ন কোটেশন দিলে সয়ার বেশী মার্ক দিতো। কোটেশন দেবারও নিয়ম ছিলো, কার কোটেশন কোথায় বলছে আর সাল। আমি ৯৬ ব্যাচ এসএসসি। যারা স্ট্যান্ড করতো তাদের খাতা মাঝে মাঝে আমাদের স্কুলের স্যাররা দেখাতো। পরে যখন ইন্জ্ঞিনিয়ারিং পড়লাম এবং উচ্চশিক্ষা গ্রহন করলাম তখন শিখলাম যেকোনো জার্নাল বা সামান্য প্রবন্ধ, সামান্য প্রবন্ধও বাদ, আমরা যে ক্লাশের এসাইনমেন্ট জমা দিতাম সেখানেও কিভাবে রেফারেন্সিং করতে হয় সেটার উল্লেখ থাকতো। আপনার কথা শুনে মনে হয় আপনার ভার্সিটির চৌহদ্দী পেরুতে পারেন নাই, আর যদি পেরেও থাকেন তাহলে চুইঙ্গা বা রাজশাহী বা তথাকথিত সরকারীর দুই নম্বর অটিক ফটিক সাবজেক্ট অথবা অটিক ফটিক প্রাইভেটে পড়ছেন। তাই আপনারা জানেননা এসব লেখায় ডিবেট করতে গেলেও কিভাবে ডিবেট করতে হয়."------------------

আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে আফনেরে টেনশন করতে হইবো না। কুয়োর ব্যাঙ সাগরে গেলে চোখে ধাঁধাই দেখে। পেয়াদা কইছে চাচী , আমি কি আর আছি ? দেশ বিদেশ থেইকা ডিগ্রী নিয়া মুই কি হনুরে কইয়া যাহারা মূসলমানরে নসিহত করতে আহে , তাগো মতন বুদ্ধুজীবীরে আমি এক পয়সা দাম দেইনা। আমার কাছে দুনিয়ার ডিগ্রির মূল্য দুনিয়ার বিষয়েই আছে , আখেরাতের বিষয়ে এক পয়সা মূল্য নাই।

"দুনিয়া এখন সেই ৯০ এর দশকে নাই, আর বাংলাদেশের শিক্ষাব্যাবস্থা ৯০ এর দশকের চেয়েও খারাপ হইছে, এখন তো মেডিকেলের প্রশ্নও আউট হয়, কি আর কমু। তাই বাংলাদেশের শিক্ষায় শিক্ষিত কোনো ছাত্রের ক্যালিবারের দুই টাকার দাম কেউ দেয় না। এই দোষটা সত্যিকার ভাবে আপনার নয়, দোষটা নাহিদ ও প্রশাসনের। তাই প্লিজ, আমার পোস্টে তর্ক করার একটাই শর্ত উপযুক্ত দলিল দিয়া কথা বলবেন।"--------------------------

আপনার মতন দুই পয়সার বাদাইম্মার পোস্টে কে তর্ক করতে আহে ? আফনে ইসলামরে নিয়ে অপপ্রচারে না নামলে আফনের পোস্টে হিন্দি চুল ফেলাইতেও আইতাম না। আফনেরে অনেকদিন থেইকাই দেখতাছি। ইসলামের ইতিহাস ও শরীয়তের আইন এতোই স্বতঃসিদ্ধ যে সব মুসলিমই এটা জানে। বাল্য বিবাহ জায়েজ কি নাজায়েজ এইটা সবাই জানে। অন্য ধর্মের মতন ইসলামের মূলনীতি সময়ের সাথে পরিবর্তন হয়না। আফনের মতন বুদ্ধুজীবী যাহারা ইসলামরে মডার্ন বানাইতে চান, নিজে ইসলামরে না মাইনা ইনিয়ে বিনিয়ে ইসলামরেই নিজের পক্ষে নিতে চান তাহাদেরই জাতিসংঘের, ইউনিসেফের, পশ্চিমা বিশ্বের পিয়ার রিভিউড জার্নালের দরকার হয় , ইসলামের স্বতঃসিদ্ধ আইনরে নাকচ কইরা যুগোপযোগী (!) বানানোর লাইগা পশ্চিমা সূত্রের দরকার আফনের মতো দুনিয়ার বিষয়ে সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী, ধর্মের বিষয়ে আবালদেরই , আমার বা আমার মতো সাধারণ মুসলমানদের দরকার নাই। আমাদের জন্য ওলামায়ে হকই যথেষ্ট।

"আর আপনে পেডোফাইল স্বীকার করলে কি সমস্যা বোধগম্য নয়। আপনার মতো দামড়া লোক রাতের বেলা স্বপ্নে ১২-১৩ বছরের মেয়ে স্বপ্ন দেখেন, তাকে বিয়ে করে ইয়ে করতে চান, সারা জীবন তারে বৌ বানাইয়া পেট বাধাইয়া পোলাপান বানানির যন্ত্র বানাইতে চান এতে দোষের কিছু নাই। আপনার আমার বাপ দাদারা করছে না বুইঝা। আমি সৌভাগ্যবান যে আমার বাপ দাদারা তাদের ভুল বুঝতে পেরে তাদের পরিবারের আর কাউকে আর কম বয়সে বিয়ে দেয় নাই, এখন আর এটার কথা চিন্তাও করে না, কিন্তু আপনারটা নিয়া আর কি বলবো, বলার কিছু নাই। আপনার পারিবারিক জ্ঞান যেটা দেখে বড় হয়েছেন এবং যেটা এখনো লালন করেন, সেটা যেমন বড়াই করে বলছেন, তাহলে স্বীকার করলেই হয় আপনি একজন পেডোফাইল। এতে দোষের কিছু নাই।" --------------------

আফনে যে মানসিক ভাবে অসুস্থ আফনের কমেন্ট থেকেই বোঝা যায়। আফনের মতো পাঁঠা যে ইসলাম নিয়া সব জায়গায় বিচি ফাটাইয়া বেড়াইবো এইটাই স্বাভাবিক। কমেন্টে যে অন্য ব্লগারের পরিবারকে টাইনা আনে তাহার ব্যাপারে কবির ভাষায় বলিতে হয় "সেসবে কাহার জন্ম নির্ণয় না জানি। " চোরের মার সবসময় বড় গলাই হইয়া থাকে। দুইদিনের বৈরাগী ভাতেরে কয় অন্ন ! এই বিষয়ে আফনের এতো আগ্রহ দেখিয়া সন্দেহ হয় রেড লাইট এরিয়ায় শিশুকাম করিতে যাইয়া ধরা খাইয়াই এই পোস্ট প্রসব করছেন কিনা !

"আর ফিলিস্তিনিদের কথা বলে লাভ নাই, এক ফিলিস্তিন দেখাইয়া বোকোহারাম, আইসিস কত কিছু করলো, ৫১ টা দেশের মধ্যে ৪ টা নিউক্লিয়ার পাওয়ার এমনকি ইয়েমেনের হুতিদের মারনের জন্য তারা জোটবদ্ধ হয় কিন্তু লেকিন বাট ফিলিস্তিনের বেলায়... এমন কি এই যে রোহিঙ্গা তাদের জন্য মালয়েশিয়ার খালি একটা জাহাজ। আর বাকি সাহায্যের ৮০ ভাগ বাংলাদেশের বাকী ২০ ভাগ জাতীসংঘ আর ইউরোপীয় ইউনিয়ন। আর নির্যাতনের নেগোসিয়েশন করার জন্য কারা আসলো? মুর্তাদ কোফি আনান!"-----------------

"আর ফিলিস্তিনিদের কথা বলে লাভ নাই" আফনের মতন মানুষ এ কথা কইতেই পারে। আমি অপেক্ষা করতাছি আফনে কোনদিন ইহুদিদের পক্ষেই পোস্ট দিবেন। না দিলে জাতি অবাকই হবে। যুক্তি আর রেফারেন্স দিয়া ইনিয়ে বিনিয়ে ধর্মের স্বতঃসিদ্ধ আইন পরিবর্তন করা, ধর্মের অনুগামী না হইয়া ধর্মরে নিজের পক্ষে নিয়া আসার চেষ্টা করাতো ইহুদিদের পুরোনো অভ্যাস। আফনে নাহয় তাদেরই অনুসরণ করলেন !

"জয় হে পেডোফাইল টার্জান!"--------------------

আফনের চৌদ্দ পুরুষও তাহলে পডোফাইলই ছিল বলা যায়। সর্বজন শ্রদ্ধেয় বঙ্গবন্ধুও তাই ছিল দেখা যায়, ধর্মীয় মহাপুরুষদের কথাতো বাদই দিলাম ! একমাত্র অপরাধীই বাকি সবাইকে অপরাধী কইতে পারে। X(

২৯ শে মার্চ, ২০১৭ ভোর ৬:৫৬

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: একটা দিয়ে আরেকটা প্রমান করা বা আফনের মতো বিজ্ঞান দিয়া ইসলাম রে নাকচ করার মানসিক সমস্যা আমার নাই।

উত্তর: এটা আপনার ব্যাক্তিগত ব্যাপার। আমরা এখানে আপনার মনের কথা জানতে আসিনি। আমরা এখানে আলোচনা করতে এসেছি বাল্যবিবাহ সম্পর্কে বিজ্ঞান কি বলে। এই বিষয়ে কোনো বক্তব্য থাকলে দিতে পারেন। আপনার মনের কথা জানার জন্য ব্লগ লিখছি না। তবে আপনার কোনো অভিজ্ঞ মত থাকলে সেটা আপনি দিতে পারেন।

আফনে ইসলামরে নিয়ে অপপ্রচারে না নামলে আফনের পোস্টে হিন্দি চুল ফেলাইতেও আইতাম না। আফনেরে অনেকদিন থেইকাই দেখতাছি। ইসলামের ইতিহাস ও শরীয়তের আইন এতোই স্বতঃসিদ্ধ যে সব মুসলিমই এটা জানে। বাল্য বিবাহ জায়েজ কি নাজায়েজ এইটা সবাই জানে। অন্য ধর্মের মতন ইসলামের মূলনীতি সময়ের সাথে পরিবর্তন হয়না। আফনের মতন বুদ্ধুজীবী যাহারা ইসলামরে মডার্ন বানাইতে চান, নিজে ইসলামরে না মাইনা ইনিয়ে বিনিয়ে ইসলামরেই নিজের পক্ষে নিতে চান তাহাদেরই জাতিসংঘের, ইউনিসেফের, পশ্চিমা বিশ্বের পিয়ার রিভিউড জার্নালের দরকার হয় , ইসলামের স্বতঃসিদ্ধ আইনরে নাকচ কইরা যুগোপযোগী (!) বানানোর লাইগা পশ্চিমা সূত্রের দরকার আফনের মতো দুনিয়ার বিষয়ে সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী, ধর্মের বিষয়ে আবালদেরই , আমার বা আমার মতো সাধারণ মুসলমানদের দরকার নাই। আমাদের জন্য ওলামায়ে হকই যথেষ্ট।

উত্তর: আমি ইসলাম নিয়ে কোথায় অপপ্রচার করছি তার রেফারেন্স দিন এবং প্রমান করুন যে আমি কোনো দলিল ছারা বা কোনো দলিল বিকৃত করে কথা বলেছি অথবা অর্ধেক সত্য অর্ধেক মিথ্যা মিশিয়ে অথবা পুরোটা মিথ্যা বলেছি। যেহেতু আপনি অভিযোগ করেছেন সেহেতু এতটুকু প্রমান আপনাকেই দিতে হবে। আপনার কেমন মুসলমান দরকার, কেমন ইসলাম দরকার, সেটা নিয়ে পোস্টে আলোচনা হচ্ছে না। পোস্টে আলোচনা হচ্চে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন এবং এর ক্ষতিকর দিক নিয়ে। আপনি সে বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা করুন। আপনার জন্য কি যথেষ্ট, কি দরকার সেটা আপনার পকেটে রাখেন। এই ব্লগ আপনার কোনো পকেট না।

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য

২৪| ১৮ ই মার্চ, ২০১৭ ভোর ৬:৫৩

এ আর ১৫ বলেছেন: ইসলামে বাল্য-বিবাহ ??
মূল ইংরেজী হাসান মাহমুদ, বঙ্গানুবাদ - এস আমিন

দেশে বাল্যবিবাহের দড়ি-টানাটানি চলছে তো চলছেই। একদিকে এর বিরুদ্ধে মানবাধিকার-কর্মীদের আন্দোলন, আইন ও তার প্রয়োগ, অন্যদিকে এর পক্ষে কিছু আলেমদের অবস্থান। তাঁদের প্রধান যুক্তি সহি বুখারীর হাদিস, নবীজি(স) আয়েশা(র)-কে বিয়ে করেছিলেন ৬ বছর বয়সে, নিজের ঘরে নিয়ে গিয়েছিলেন ৯ বছর বয়সে- বুখারী ৭ম খণ্ড-৬৪, ৫ম খণ্ড-২৩৪, ২৩৬। এর ভিত্তিতে ইসলাম-বিরোধী অনেকেই আবার নবীজি(স)কে শিশু- ধর্ষক বলে।এই "ছয় বছর-নয় বছর" দলিলের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দলিলগুলো দেখা দরকার যাতে জাতি সিদ্ধান্ত নিতে পারে। বলা দরকার, আয়েশা (র)-এর জন্মসাল নিয়ে বিতর্ক থাকার ফলে বিয়ে সহ বিয়ে সহ বাকি সবকিছুর সময়/সাল প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে আছে।(বদর যুদ্ধ হয়েছিল ৬২৪ সালে)।

1. “শিশু¬ ধর্ষক” মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তি (সাধারণত: পুরুষ) কম বয়সের বালিকাদের সাথে সংসর্গ করতে সর্বক্ষণ ব্যাকুল হয়ে থাকে। সমাজে ওটা চিরকালই ছিল, আছে এবং থাকবে।কিন্তু নবীজীর জীবন খুঁটিয়ে দেখলে আমরা সংযমের চিত্রই পাই। পঁচিশ বছরের দুরন্ত যৌবনে তাঁর প্রথম বিয়েই ছিল ৪০ বছরের বিধবা বিবি খাদিজার সাথে। মনে রাখতে হবে মানুষের ইতিহাসে সমাজ, পরিবার, অর্থনীতি, রাজনীতি, যুদ্ধনীতি এমনকি প্রতিটি মানুষের মনোজগতের ওপর এমন সার্বিক ও সর্বগ্রাসী রাজত্ব আর কেউই করেনি। যাঁর অনুসারীরা তাঁর জন্য অকাতরে প্রাণ দিয়েছেন ও নিয়েছেন, যাঁর জন্য সর্বক্ষণ নিজেদের "পিতামাতা উৎসর্গ" বলতেন, তিনি চাইলে অবশ্যই অনায়াসে শত শত নয় বরং হাজার হাজার বালিকা-সংসর্গ করতে পারতেন। অথচ তাঁর স্ত্রীদের মধ্যে একমাত্র আয়েশা (র) ছিলেন কুমারী, বাকিরা বিধবা বা তালাক-প্রাপ্তা, কেউ কেউ আবার তেমন সুন্দরীও ছিলেন না। কাজেই “শিশু¬ ধর্ষক” তত্বটা তাঁর বেলায় একেবারেই খাটেনা।

2. বয়স ১৪ থাকার জন্য ইবনে ওমরকে রাসুল (স) ওহুদ যুদ্ধে যোগ দিতে দেননি কিন্তু খন্দক যুদ্ধে যোগ দিতে দিয়েছিলেন কারণ তখন তাঁর বয়স ১৫। সহি বুখারী ও মুসলিমে আমরা দেখি বিবি আয়েশা (রাঃ) বদর যুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন। সে হিসেবে ৬২৪ সালে তাঁর বয়স কমপক্ষে ১৫ বছর হবার কথা।

3. কিছু সুত্রে আয়েশা (রাঃ)-এর জন্ম ৬১৩ সালে পাওয়া যায় কিন্তু ইবনে হিশাম/ইসহাক এর বিখ্যাত সিরাত কেতাব বলছে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন ৬১০ সালে। ধর্মান্তরিত হবার জন্য ভালোমন্দ বোঝার কিছুটা ক্ষমতা থাকবে বলেই আশা করা যায়। ৬১০ সালে যদি তাঁর বয়স তিন বছরও (খুব সম্ভব তার চাইতে বেশি) হয়ে থাকে তবে ৬২২ সালে তিনি ছিলেন অন্তত পনের বছরের।

4. অতীতে অনেক দেশে এবং অনেক সম্প্রদায়ের লোকেদের মধ্যে (এমনকি বর্তমানেও কিছু কিছু অনুন্নত এলাকায়), সময় এবং বয়স মনে রাখার কোনো বৈজ্ঞানিক প্রথা চালু ছিল না। তখন তারা কোনো বিশেষ ঘটনার সাহায্যে, যেমন যুদ্ধ, খরা, অথবা অন্য কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বয়স অথবা সময় মনে রাখত। এমনকি ইতিহাসের পাতায় সভ্যতার শীর্ষে যে রোমান জাতি, তাদের মাঝেও এই প্রথা চালু ছিল। নবী(সাঃ)-এর জন্মের বছরে আবরাহা তার হাতির বহর নিয়ে মক্কা আক্রমন করে। তাই সেই বছরকে বোঝাতে মক্কার লোকেরা "হস্তীর বৎসর” উল্লেখ করত। এই প্রথা স্মৃতির ওপরে নির্ভরশীল, তাই বয়সের এবং সময়ের হিসেবে অনিচ্ছাকৃত ভুল ইতিহাসে ধরা পড়ে।

5. ১৪০০ বছর আগে নয় বছরের বালিকার বিয়ে স্বাভাবিকই ধরা হত। বাইবেলেও এর ইঙ্গিত আমরা পাই। ইসলামের শত্রুপক্ষের লোকেরা রাসুল (সাঃ)এর অনেক সমালোচনা করেছে কিনতু এ বিষয়ে কখনো কোনো কটু মন্তব্য অথবা আলোচনা করেনি। তখনকার সামাজিক ব্যবস্থা, জীবন যাপন প্রণালী, প্রাকৃতিক অবস্থা এবং রূঢ় আবহাওয়া এর কারণ হতে পারে।

6. ৬১৫ সালে হজরত আবু বকর (রাঃ) মুত'আম এর পুত্রের সাথে আয়েশার (রাঃ) বিবাহের চিন্তা করেছিলেন। মুত'আম তার পুত্রের এই বিবাহে রাজি হয়নি কারণ তখন হজরত আবু বকর (রাঃ) ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। তখন অবশ্যই বিবি আয়েশার (রাঃ) দুই এর বেশি ছিল । সেই হিসেবে ৬২২ সালে তাঁর বয়স অবশ্যই নয়ের অধিক ছিল।

7. হজরত আবু বকর (রাঃ) এর চারজন সন্তানেরই জন্ম হয়েছিল আইয়ামে জাহেলিয়ার যুগে, যখন ইসলাম প্রচার শুরু হয়নি। এই যুগের পরিসমাপ্তি হয় ৬১০ সালে। সেই সূত্রে, ৬২২ সিইতে বিবি আয়েশার (রাঃ) বয়স ন্যুনতম বারো বৎসর ছিল।

8. বিবি ফাতেমা (রাঃ) বিবি আয়েশার (রাঃ) পাঁচ বছরের বড় ছিলেন। মুহাম্মদ (সাঃ) এর বয়স যখন পয়ত্রিশ বৎসর তখন ফাতেমা (রাঃ) এর জন্ম হয়। সেই হিসেব অনুযায়ী বিবি আয়েশা (রাঃ) রাসুলাল্লার (সাঃ) চাইতে চল্লিশ বছরের ছোট ছিলেন অর্থাৎ বিয়ের সময় তাঁর বয়স ছিল বারো।

9. বিবি আয়েশার বড় বোন, বিবি আসমা ছিলেন তাঁর চেয়ে দশ বছরের বড়। যে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর মদিনায় হিজরতের তিহাত্তরতম বছরে বিবি আসমার মৃত্যু হয় আনুমানিক একশ’ বছর বয়সে। খুব সম্ভবত, হিজরতের বছর বিবি আসমার বয়স ছিল ছাব্বিশ/সাতাশ এবং বিবি আয়েশার (রাঃ) ষোলো-সতের। ইবনে সা'দ এর তাবাকাত এবং আনসাব আল-আশরাফে কিছু কিছু বর্ণনায় আমরা পাই, হিজরতের দুই থেকে তিন বছর পরে বিবি আয়েশার (রাঃ) সাথে রাহুলুল্লাহ (সাঃ) এর বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল। সুতরাং সেই হিসেবে বিবাহ কালে তাঁর বয়স ছিল আঠার-উনিশ বছর।

10. বিখ্যাত ইমাম ড: সাব্বির আলী, ইমাম শেখ ইমরান হোসেন, শেখ ইয়াসির আল হাবিব সহ অজস্র ইসলামী বিশেষজ্ঞ এটা বলেন, অনেক সূত্র পাবে এখানে:- https://www.google.ca/…

11. পৃথিবীর বৃহত্তম মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়াতে নারীরদের ১৯ বছরের আগে বিয়ে বেআইনী - ভিডিও - ড: জাকির নায়েক। মুসলিম প্রধান দেশ মরক্কো আলজিরিয়া তো আছেই, ওখানকার মাওলানারা নিশ্চয় কোরান হাদিস কম জানেন না ! তাঁরা তো বাল্য বিবাহ বাতিল করেছেন!
12. দলিল আরো অনেক আছে, কখনো পরস্পর বিরোধী, তাই তা থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া কঠিন। তবে এবারে কোরান। সুরা নিসা আয়াত ৬:-“এতীমদের প্রতি বিশেষ নজর রাখবে যে পর্যন্ত না তারা বিয়ের বয়সে পৌঁছে। যদি তাদের মধ্যে বুদ্ধি-বিবেচনার উন্মেষ আঁচ করতে পার, তবে তাদের সম্পদ তাদের হাতে অর্পন করতে পার”।

কি মনে হয়?

"যে পর্যন্ত না তারা বিয়ের বয়সে পৌঁছে......তাদের মধ্যে বুদ্ধি-বিবেচনার উন্মেষ আঁচ করতে পার" - এর অর্থ বিয়ের বয়স তখনি হবে যখন তাদের মধ্যে বুদ্ধি-বিবেচনার উন্মেষ হবে। কথাটা নাবালিকাদের ক্ষেত্রে খাটে? না, খাটে না। বাল্য-বিবাহ ওখানেই সুস্পষ্ট ভাষায় নাকচ করেছে কোরান !!

এবারে বাস্তবতা। যাঁরা বাল্যবিবাহ সমর্থন করেন, তাঁরা কি ওই কচি মেয়েটার মুখের দিকে তাকিয়েছেন একবার? বিশ-পঁচিশ বছরের তরুণের দেহে দুর্দান্ত প্রচণ্ড যৌবন খেলা করে, আর ওদিকে ওই বাচ্চা মেয়েটার না শরীর তৈরী, না মন। সেখানে প্রতিদিন ওই বাচ্চাটাকে কি দোজখের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়, তার শরীরের ওপর কি মর্মান্তিক অত্যাচার হয় তা কি বাল্যবিবাহ সমর্থনকারীরা ভেবেছেন একবারও? ইসলাম-পালনের, নবীজীকে "অনুসরণ" করার উদগ্র বাসনা এভাবেই জীবন ধ্বংস করে, ইসলামের বদনাম হয়। এর ওপরে আছে ওই কচি শরীরে সময়ের আগেই মাতৃত্বের চাপ।

আরো বলতে হবে?
**************************
Sheikh Imran Hosein
https://www.youtube.com/watch?v=Mw05XUx0CrM

মওলানা মুহম্মদ আলী'র বিস্তারিত গবেষণা-
http://www.muslim.org/islam/aisha-age.htm#_ftn3

২৯ শে মার্চ, ২০১৭ সকাল ৭:০০

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনি বিশাল একটা কমেন্ট করেছেন এবং খেয়াল করলাম আপনি কমেন্ট টা আরেকটি পোস্টে করেছেন। তাই আমি ঐ পোস্টে আয়েশা রাঃ এর বিয়ের বিষয় নিয়ে আলোচনা করছি। এই পোস্টে আমি শুধু বলবো আমি নিজে আস্তিক এবং মহানবী সাঃ এর চরিত্র বা তার কর্মকান্ড বিচারের যোগ্যতাও আমার নাই। তাই এটা মূখ্য নয়। তিনি কেন ঐ সময় এটা করেছেন, করে কি ফল পেয়েছেন এসব নিয়ে কথা বলাটাও আমার পক্ষে সমীচিন নয়।

আমার পোস্টের মূল উদ্দেশ্য এই বিতর্কিত বাল্যবিবাহ আইন বন্ধ হোক। অলরেডী চট্টগ্রামের এক কিশোরী তার ধর্ষককে বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছে আদালতের রায়ে। এই আইনের বদৌলতে রাস্তার বখাটেরা নতুন কৌশল খুজে পাবে এবং বাংলাদেশের মেয়েরা আরো অরক্ষিত হয়ে পড়বে

২৫| ১৮ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৯:১৬

সোহানী বলেছেন: অসাধারন লিখেছেন। কোনভাবেই কোন অবস্থাতেই বাল্য বিবাহ মেনে নেয়া যায় না যতই অ-যুক্তি দেখানো হোক। আর আমাদের নেতাদের কথা কি বলবো, নিজেদের আখের গোছাতে ব্যাস্ত সবাই।

অনেক সাধুবাদ জানাই এ চমৎকার লিখাটির জন্য। অপেক্ষায়, হয়তো কখনো ওনাদের বোধদয় হবে। খুব খারাপ লাগে আমরা পশ্চিমা কালচার আমদানী করার চেস্টা করি কিন্তু ওদের ভালোদিকগুলো কখনই আমদানীর চেস্টা করি না। কি অসাধারন ভাবে তারা শিশু অধিকার রক্ষা করে.......... সেইম আমাদের............

২৯ শে মার্চ, ২০১৭ সকাল ৭:০২

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আসলে এসব কাপুরুষ পেডোফাইল ইসলামিক জঙ্গিদের আপনি বুঝিয়ে কখনো সৎপথে আনতে পারবেন না। ওপরে দেখেন সেরকম কিছু জঙ্গী পেডোফাইলের উচ্ছ্বসিত কমেন্ট। এদেরকে চিনে রাখতে হবে নিজের সন্তানের নিরাপত্তার স্বার্থেই

২৬| ২২ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১২:১৮

জাতির বোঝা বলেছেন:
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে শেখ সাহবের কোন ভাবনা ছিল না। তাই তার সন্তান সংখ্যা ছিল অনেক। সঠিক সংখ্যা সম্ভবতঃ ৫। তার মেজর জিয়া সাহেব জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ভাবতেন। তার সন্তান সংখ্যা ২। আর এরশাদ সাহেব এটা নিয়ে খুব বেশী ভাবতেন। তার সন্তান সংখ্যা কত আমার জানা নেই।

তবে ছেলে হোক মেয়ে হোক দুটি সন্তানই যথেষ্ট। এই নীতিটা ভালো। এটা সবারই অনুসরণ করা উচিত।

২২ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:১২

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এরশাদের একটা পুত্র ছিলো সাদ। এডপ্টেড মনে হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ছেলেটা নেশাসক্ত ও মেয়ে বাজীতে ডুবে গেছে। পুলিশী ঝক্কি ঝামেলায় বেশ কয়েকবার পড়ছে। এখন তার আর কোনো হদিস নাই হয়তো আবার হঠাৎ কোনো ঘটনা ঘটালে সেটা পত্রিকায় আসবে।

চীন খুব সম্ভবত ২টি থেকেও সরে এসে ১ টিতে নিয়ম করেছিলো। বিশাল জনসংখ্যা যতকথাই বলি না কেন একটা দেশের জন্য বোঝা সবসময়। যদিও ম্যালথাস অনুযায়ী তাকে দক্ষ জনশক্তি করলে দেশের আখেরে লাভ কিন্তু সেটা করার আর কোনো স্কোপ নাই। আর এখন সবদেশেই যন্ত্রনির্ভর হচ্ছে ধীরে। মধ্যপ্রাচ্যের সেটা হওয়া এখন শুধু সময়ের ব্যাপার। তখন এই জনসংখ্যা নিয়ে আসলেই ডুবতে হবে

২৭| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ২:১৭

রাকু হাসান বলেছেন:



পড়লাম ,আইনটিতেও চোখ বুলালাম,মন্তব্যগুলোও পড়তে চেষ্টা করলাম ।সোহানী আপুর মন্তব্যে লাইক দিয়েছি,যেন আমার কথাগুলো তিনি বলেছেন ।





আপনার পরিশ্রমী পোস্ট অবাক হচ্ছি :( । কত তথ্য প্রমাণ ,পরিসংখ্যান আনলেন :|| । এমন একটি লেখা ,লেখতে যথেষ্ট সময় ও ধৈর্য দরকার । সেগুলো আপনার যথেষ্ট আছে বলে প্রমাণ পেলাম । বেশ মান সম্মত লেখা পড়লাম । আর আমি হাবিজিবি লিখছি |-)

আরেকটি জিনিস ভাল লাগছে । আপনি ইউনিক টপিক নিয়ে লিখছেন ,যেগুলো খুব আলোচ্য দরকারি । ব্লগ বাড়িতে আসতে আপনার ,অামার ।

শুভরাত্রি অনেক বেশি ভাল থাকবেন ।

১৭ ই আগস্ট, ২০১৮ ভোর ৫:৫৫

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে আমার আমৃত্যু সংগ্রাম চলবে।

ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.