নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব, ইলেক্ট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এ স্নাতক। মতিঝিল আইডিয়াল, ঢাকা কলেজ, বুয়েট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র।প্রকৌশলী, টেলিকমিউনিকেশন এক্সপার্ট। সমাজিক সংযোগঃ বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরের কাঠামোগত সংস্কার, দুর্নীতি।

এক নিরুদ্দেশ পথিক

সমাজের প্রতিটি ছোট বড় সমস্যার প্রকৃতি নির্ধারণ করা, আমাদের আচার ব্যবহার, সমাজের প্রচলিত কৃষ্টি কালচার, সৃষ্টিশীলতা, চারিত্রিক উদারতা এবং বক্রতা, অপরাধ প্রবৃত্তি, অপরাধ সঙ্ঘঠনের ধাঁচ ইত্যাদির স্থানীয় জ্ঞানের আলোকে সমাজের সমস্যার সমাধান বাতলে দেয়াই অগ্রসর নাগরিকের দায়িত্ব। বাংলাদেশে দুর্নীতি রোধ, প্রাতিষ্ঠানিক শুদ্ধিকরন এবং টেকনোলজির কার্যকরীতার সাথে স্থানীয় অপরাধের জ্ঞান কে সমন্বয় ঘটিয়ে দেশের ছোট বড় সমস্যা সমাধান এর জন্য লিখা লিখি করি। আমার নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি আছে কিন্তু দলীয় সীমাবদ্ধতা নেই বলেই মনে করি, চোর কে চোর বলার সৎ সাহস আমার আছে বলেই বিশ্বাস করি। রাষ্ট্রের অনৈতিক কাঠামোকে এবং দুর্নীতিবাজদের সবাইকে তীক্ষ্ণ ভাবে চ্যালেঞ্জ করার চেষ্টা করি। রাষ্ট্র কে চ্যালেঞ্জ করতে চাই প্রতিটি অক্ষমতার আর অজ্ঞতার জন্য, তবে আঘাত নয়। ব্যক্তিগত ভাবে নাগরিকের জীবনমান উন্নয়ন কে দেশের ঐক্যের ভিত্তিমূল মনে করি। ডাটাবেইজ এবং টেকনোলজি বেইজড পলিসি দিয়ে সমস্যা সমাধানের প্রোপজাল দেবার চেষ্টা করি। আমি মূলত সাস্টেইন এবল ডেভেলপমেন্ট (টেকসই উন্নয়ন) এর নিরিখে- অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ডিজাইন ত্রুটি, কৃষি শিক্ষা খাতে কারিগরি ব্যবস্থাপনা ভিত্তিক সংস্কার, জলবায়ু পরিবর্তন, মাইক্রো ইকনমিক ব্যাপার গুলো, ফিনান্সিয়াল মাইগ্রেশন এইসব ক্রিটিক্যাল ব্যাপার নিয়ে লিখার চেষ্টা করি। মাঝে মাঝে চোরকে চোর বলার জন্য দুর্নিতি নিয়ে লিখি। পেশাঃ প্রকৌশলী, টেকনিক্যাল আর্কিটেক্ট, ভোডাফোন।

এক নিরুদ্দেশ পথিক › বিস্তারিত পোস্টঃ

আর্থিক খাতে এপ্রিল ফুল! ভঙ্গুর অর্থনীতির কফিনে শেষ পেরেক!

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৪০

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি বিশাল বড় ব্যাংক ডাকাতির প্লট তৈরি হয়েছে গতকাল ১ এপ্রিল।

১। বাণিজ্যিক ব্যাংকের মালিক পক্ষ যাতে সব আমানতি টাকা ও মূলধন নামে বা বেনামে ঋন দিয়ে সরিয়ে ফেলতে না পারে এবং গ্রাহকের কিছু টাকা হাতে রাখতে পারে তাই বাংলাদেশের ব্যাংক সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের নগদ জমার ৬.৫% করে হাতে রাখতো যাকে সিআরআর রেইট বলা হয়। গতকালের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাড়ে ৫ শতাংশ রাখলেই চলবে।

স্বায়ত্বশাসিত বাংলাদেশ ব্যাংকের উপর বল প্রয়োগ করে বাণিজ্যিক ব্যাংকের মালিকরা অর্থমন্ত্রী ও সালমানের এফ রহমানের সহায়তায় চাপ দিয়ে এই রেইট ১% কমালো, তারল্য সংকট মিটানোর নাম করে।

...........................................................
নগদ জমার এই ১% মানে "১২ হাজার কোটি টাকা"।
...........................................................


মালিক পক্ষ এই ১২ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিবার সব আয়োজন সম্পন্ন করে নিচ্ছে আসন্ন নির্বাচনী অর্থ বছরে। প্রায় ৪ লাখ হাজার কোটি টাকা খেলাফী ঋণ মাত্র ২০০৯ থেকে ২০১৭ এই নয় বছরে। শুধু মালিকদের যোগসাজশেই খেলাফি ঋণ দাড়িয়াছে ১ লক্ষ ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। এমতাবস্থায় "১২ হাজার কোটি টাকা" তারল্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরানোর যৌক্তিকতা কোথায়?

২। এরসাথে আরো ভয়াবহ খবর, সরকার আগে বেসরকারি ব্যাংকে ২৫% টাকা রাখতো, এখন ৫০% রাখবে। মানে সরকারি ব্যাংকে আধা, বেসরকারি ব্যাংকে আধা।

..........................................................
বেসরকারি ব্যাংকে সরকারের আমানতের ৫০% রাখা আরেকটি বিশাল লুটের শুরু এবং আর্থিক খাতের চূড়ান্ত নৈরাজ্যের জন্ম দিতে যাচ্ছে।
.........................................................

পুরা ব্যাপারটা যা হচ্ছে, সেইটা এক কথায় হরিলুট। সরকার শুরুতে যাকে তাকে রাজনৈতিক কারনে ব্যাংক খুলতে দিয়েছে (৪র্থ ও ৫ম প্রজন্মের ব্যাংকের নাম করে) , এখন তারাই নির্বাচনী ভোলাটাইল বাছরে অবাধ লুটে জন্য একের পর এক প্রটেকশন তৈরি করে নিচ্ছে। এক পরিবারের পরিচালক ২ থেকে ৪ জন, মেয়াদ টানা ৯ বছর, সি আর আর ৬.৫% থেকে নামিয়ে ৫.৫% করে ১২ হাজার কোটি গায়েবের ফন্দি, বেসরকারি ব্যাংকে ৫০% সরকারি আমানত রেখে এবার নিজেদের মুল্ধনের বাইরে সরকারি ব্যাংক মূলধন লুটের সব আয়োজন করে ফেলল। পলিটিক্যালি লাইসেন্স পাওয়া মালিকদের সব দাবী মেনে নিল দুর্বিত্ত সরকার, এই নির্বাচনী বছরে। আমরা দেখেছি জলবায়ু তহবিলের সরকারি টাকা ফার্মারস ব্যাংকের মত দুর্বিত্ত ও ভালনারেবল ব্যাংকে রাখা হয়েছে যা তারা ফেরত দিতে অক্ষম।

........................................................
অথচ এই সেদিন বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে, যেখানে এসবের কিছুই ছিল না।

গতকাল গভর্নরকে হোটেলে ডেকে এনে, এ ধরনের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। আর্থিক খাতের অসুস্থতার কফিনে এটা যেন শেষ পেরেক।
.........................................................

আমরা বাংলাদেশের ইতিহাসের ভয়াবহতম ইকনমিক ডিজাস্টারের মুখোমুখী। ফেইস ইট। ডোন্ট ফেইক ইট।

৩। এর আগে বাণিজ্যিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে একই পরিবারের ২ জনের স্থলে ৪ জনকে নিয়োগ দিবার নজিরবিহীন সুযোগ দিয়ে ব্যাংক কোম্পানি আইন আবারও সংশোধন করে ফেলেছে সরকার। পরিচালক পদের সময়কাল হবে তিন মেয়াদে টানা নয় বছর। কেউ চাইলে তিন বছর বিরতি দিয়ে আমৃত্যু পরিচালক পদে থাকতে পারবেন।

৪। অন্যদিকে ব্যাংকিং খাতের অনিয়ম দুর্নীতির কোন নেগেটিভ সংবাদ প্রকাশে ব্যাংক মালিক পক্ষ মিডিয়াকে আনুষ্ঠানিক ভাবে চাপ দিয়েছে গতকাল।

অগ্রণী ব্যাংক চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত বলেছেন, "হঠাৎ করে সিআরআর কমিয়ে দেয়া ঘোষিত মুদ্রানীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। পরিস্থিতি যদি এমনই হয়, তাহলে মুদ্রানীতি ঘোষণার দরকারটা কী? বেসরকারি ব্যাংকগুলোকে সংযত করতে ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ-আমানত অনুপাত (এডি রেশিও) কমিয়ে দিয়েছে। এখন সিআরআর কমিয়ে দেয়াটা অপ্রত্যাশিত ও অগ্রহণযোগ্য। এটি মূল্যস্ফীতিকে উসকে দেবে। এ রকম একটি পরিস্থিতির কারণেই ২০১০ সালে শেয়ারবাজারে বিপর্যয় হয়েছিল।"

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন "সিআরআরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার পুরোপুরি বাংলাদেশ ব্যাংকের। বাজারের প্রয়োজন যাচাই-বাছাই, পরিসংখ্যান ও গবেষণার ভিত্তিতে এটি করা যেত। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঘোষিত মুদ্রানীতির লক্ষ্যমাত্রা হলো বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির চাপ সহনীয় রাখা। কিন্তু সিআরআর কমানোর ঘোষণা মুদ্রানীতির লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সিআরআর কমিয়ে দেয়া মানেই বড় অংকের টাকা বাজারে আবর্তিত হওয়া। এতে বাজারে মূল্যস্ফীতি বাড়বে। ব্যাংকে রাখা জনগণের আমানতের ঝুঁকি হ্রাস করার জন্য সিআরআর রাখা হয়। সুতরাং এটি কমিয়ে দেয়া মানেই আমানতকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেয়া। গভর্নরকে হোটেলে ডেকে এনে এ ধরনের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত নেয়া আর্থিক খাতের সুস্থতার লক্ষণ নয়।"


কলামিস্ট শওকত হোসেন প্রথম আলোয় লিখেছেন, "দেশে খেলাপি ঋণ বহু আগেই এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। সরকারি ব্যাংকগুলোতে মূলধন সংকট প্রকট। বেসরকারি কয়েকটি ব্যাংক বন্ধ হয় হয় অবস্থা। এর জন্য দায়ী মূলত সরকারের কিছু রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দুর্বলতা, রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের দুর্নীতি, ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের অব্যাহত সুবিধা দেওয়া এবং ব্যাংক কেলেঙ্কারির নায়কদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া। ফলে সব মিলিয়ে দেশের ব্যাংক খাত বড় সংকটে পড়ে আছে। দুই দফায় এই সরকারের ১০ বছর মেয়াদ ব্যাংক কেলেঙ্কারির দশক হিসেবেও চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

বর্তমান সরকার এ পর্যন্ত নয়টি নতুন ব্যাংক দিয়েছে। নতুন আরও দু-তিনটি ব্যাংক দেওয়ার কথাও আলোচনা হচ্ছে। এর পেছনে অর্থনীতি নেই, আছে রাজনীতি। অর্থমন্ত্রী নিজেই জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে ব্যাংক দেওয়ার কথা বলেছেন। এই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো ভূমিকাই নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাজটি কেবল সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে ব্যাংক অনুমোদনের চিঠি দেওয়া। নতুন ব্যাংক না দেওয়ার জন্য অবশ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের মত ছিল। তারপরও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে অনুমোদনের চিঠি দিতে বাধ্য হয়েছে। কেবল একটি চিঠি লেখার জন্য তো বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন নেই।


বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংক পরিদর্শন যে খুবই বেহাল, তার প্রমাণ একের পর এক ব্যাংক কেলেঙ্কারি। ২০০৯ সাল থেকে এর শুরু। হল-মার্ক কেলেঙ্কারি, বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি, বিসমিল্লাহ গ্রুপ কেলেঙ্কারি, ফারমার্স ব্যাংক কেলেঙ্কারি—একের পর এক কেলেঙ্কারি ঘটছেই। রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকের কেলেঙ্কারি তো আছেই, বাদ নেই বেসরকারি ব্যাংকও। যে অল্প কিছু বেসরকারি ব্যাংক ভালো করছে, তার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃতিত্ব কতখানি, সে প্রশ্ন তোলাই যায়। যেসব ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভালো, ব্যাংকটিকে যারা ভালো রাখতে চায়, তারাই ভালো করেছে। এই যদি হয় অবস্থা, তাহলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শন-ব্যবস্থা না থাকলেও তো চলে।

ব্যাংক পরিদর্শন বা তদারকির কাজটা তখন কে করবে? অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকেই এ দায়িত্ব দেওয়া যায়। বর্তমান সরকার বন্ধ করে দেওয়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ নতুন করে তৈরি করেছে ব্যাংক খাত নিয়ন্ত্রণের জন্য। অনেকে হয়তো বলবেন, তাদের তো যোগ্য লোক নেই।

যদি সংসদই ঠিক করে দেয় নয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের লাইসেন্স, পারিবারতান্ত্রিক ৪ পরিচালক, এক পরিচালকের নয় বছর মেয়াদ, তিন বছর গ্যাপে আবার নয় বছর, যদি মুদ্রা নীতি ঘোষিত হবার পরেও সালমান এফ রহমান গভর্ণরকে হোটেলে ডেকে এনে ঠিক করে দেয় নগদ জমার সি আর আর রেট এবং বেসরকারি ব্যাংকে সরকারি আমানত ৫০% রাখার বিধান, তাও আবার ১ লক্ষ ৫ হাজার কোটি খেলাফি ঋণের সময়ে, যদি এক এক করে ৬-৭টি ব্যাংক হাতিয়ে নেয় এস আলম, যদি ৯টি ব্যাংকের মালিক পক্ষ নামে বেনামে এক এক করে লক্ষ কোটি টাকার আমানত সরিয়ে ফেলে, সামলান আবুল মাল আর ব্যাংক মালিকরা মিলেই যখন নিজ নিজ স্বার্থে সকল নীতি সুপারসীড করে তখন, আমরা স্পষ্ট প্রশ্ন করতে পারি,
দেশে মেরুদন্ড হীন রেগুলেটরি বডি থাকার দরকার কি?
বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগ্য লোক থেকে লাভটা কী?
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকেই বা লাভ কী?


মন্তব্য ২৩ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৮

চাঁদগাজী বলেছেন:



এটাই শেষ পেরেক? আর পেরেক বানাতে হবে না, বাঁচা গেলো!

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:১৬

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: ভাই, ব্যাপার গুলোকে আমি ফান হিসেবে দেখি না।
দেশের নবজাতক শিশুটিরো মাথপিছু ঋণ ৪৬ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে।

২| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:১১

রায়হান চৌঃ বলেছেন: আওয়ামী পীর সাহেব !! মাশাআল্লাহ চেহারা ছুরতে এক্কবারে আল্লার খাঁটি বান্দা, খাঁটি আম-লীগ !! আম-লীগ বলতে তাদের বুঝানো হয়েছে যাদের আমের রসের সাথে কারবার, আঁটি নিয়ে যাদের কোন ভাবনার সময় নেই।

পীরে কামেল সালমান এফ রহমান এর নির্দেশ পালন তো করতেই হবে....... আচ্ছা কেউ কি বলতে পারেন ? এই পীর সাহেব নামে বে নামে কত হাজার কোটি টাকা লোপাট করে বিলিওনার হয়েছেন ?

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩২

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: যদি সংসদই ঠিক করে দেয় নয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের লাইসেন্স, পারিবারতান্ত্রিক ৪ পরিচালক, এক পরিচালকের নয় বছর মেয়াদ, তিন বছর গ্যাপে আবার নয় বছর, যদি মুদ্রা নীতি ঘোষিত হবার পরেও সালমান এফ রহমান গভর্ণরকে হোটেলে ডেকে এনে ঠিক করে দেয় নগদ জমার সি আর আর রেট এবং বেসরকারি ব্যাংকে সরকারি আমানত ৫০% রাখার বিধান, তাও আবার ১ লক্ষ ৫ হাজার কোটি খেলাফি ঋণের সময়ে, যদি এক এক করে ৬-৭টি ব্যাংক হাতিয়ে নেয় এস আলম, যদি ৯টি ব্যাংকের মালিক পক্ষ নামে বেনামে এক এক করে লক্ষ কোটি টাকার আমানত সরিয়ে ফেলে, সামলান আবুল মাল আর ব্যাংক মালিকরা মিলেই যখন নিজ নিজ স্বার্থে সকল নীতি সুপারসীড করে তখন, আমরা স্পষ্ট প্রশ্ন করতে পারি,
দেশে মেরুদন্ড হীন রেগুলেটরি বডি থাকার দরকার কি?
বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগ্য লোক থেকে লাভটা কী?
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকেই বা লাভ কী?

৩| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৩০

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: যারা ব্যাংক লুটের সাথে জড়িত তাদের সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৪

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: কে শাস্তি দিবে, রাজাই তো চোর। দলীয় চোরদের ব্যাংক লাইসেন্স দেয়া হয়েছে, তারাই ব্যাংক খেয়ে বাইরে পাচার করেছে।

৪| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৩

ক্স বলেছেন: আমি বুঝলাম না এসব পড়ে জেনে আমাদের লাভ হচ্ছে কি? দেশের সর্বনাশ বসে বসে দেখছি আর হায় হোসেন হায় হোসেন করছি। আমাদের করার মত কিছু কি আছে? যদি দেশকে বাঁচানোর মন্ত্র কারো কাছে থাকে তো বলেন ঝাঁপিয়ে পড়ি সবাই মিলে। আমাদের সর্বনাশ এভাবে চেয়ে চেয়ে দেখতে পারছিনা।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৬

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: দেশের মানুষের ম্যাচিউরিটি আনার পর্যায় তৈরির শুরু করতে লিখালিখি দরকার। এর একটিভ ফল নেই, তবে প্যাসিভ ইনফ্লুয়েন্স আছে।

৫| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, " ভাই, ব্যাপার গুলোকে আমি ফান হিসেবে দেখি না।
দেশের নবজাতক শিশুটিরো মাথপিছু ঋণ ৪৬ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে। "

-বছরের শেষে সরকার প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার সুদেমুলে পরিশোধ করে; কোনদিন তো আমাকে বলেনি যে, আমার ৪৬০০০ তাকা থেকে ৪৬ টাকা পরিশোধ করতে! আপনি কি ৪৬ হাজার পরিশোধ করেছেন?

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৩

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: আপনি খাস লোক বলে হয়ত আপনাকে বলে না।
আমি যে রেমিটেন্স পাঠাই মাসে মাসে তা থেকে অনেক পরিশোধ হয় বটে!

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩০

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: আর বছর শেষে সুদে মুলে মাত্র ১ বিলিয়ন ডলার নয়, ৫ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা লাগে।



আপনাকে রিকুয়েস্ট করছি,
পোষ্টের কন্টেন্ট না পড়ে শিরোনাম দেখে কমেন্ট ছুঁড়ে দিয়েন না। ইটস রিডিউকিউলাস!

৬| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, " আপনি খাস লোক বলে হয়ত আপনাকে বলে না।
আমি যে রেমিটেন্স পাঠাই মাসে মাসে তা থেকে অনেক পরিশোধ হয় বটে! "

-তা'হলে, প্রত্যেক নাগরিকের মাথাপিছু ৪৬ হাজার টাকা ঋণের বিপরিতে, আপনার বেলায় রেমিটেন্স থকে টাকা কেটে নিচ্ছে? আপনি তো বিসমিল্লাহ গলদ করছেন। সরকার, আপনার থেকে উপকৃত হচ্ছে, বাংলাদেশী টাকার বিনিময়েঢার্ড-কারন্সী পাচ্ছে! আপনি পরীক্ষায় ফেল করে ফেলেছেন প্রায়; আবার চেষ্টা করেন।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৫২

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: কোনদিন তো আমাকে বলেনি যে, আমার ৪৬০০০ তাকা থেকে ৪৬ টাকা পরিশোধ করতে!

নাগরিক হিসেবে আপনি কিভাবে রাষ্ট্র লুটপাটে চিন্তিত সেটা নিয়ে আপনার পাঠকদের জানান, আপনি কিভাবে নিজে দেশের ঋণে ক্ষতি গ্রস্ত সেটা নিজের পাঠকদের জানান।

আপনি সামু ব্লগের সবচেয়ে পঠিত ব্লগার। পলিটিক্যাল গিসিপ দিয়ে রিসোর্স নষ্ট করা আমি পছন্দ করি না।

পোষ্টের কনটেন্ট বিষয়ে কথা না বলে, কমেন্ট ছুঁড়ে দিয়েছেন বলে বিরক্ত হয়ে বলেছি, "আমি ফান করছি না", জবাবে যা বলেছেন সেটা আর ফান পর্যায়ে থাকে নি। এরও নিচে গিয়েছে!

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:১৮

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: -বছরের শেষে সরকার প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার সুদেমুলে পরিশোধ করে; কোনদিন তো আমাকে বলেনি যে, আমার ৪৬০০০ তাকা থেকে ৪৬ টাকা পরিশোধ করতে! আপনি কি ৪৬ হাজার পরিশোধ করেছেন?

-তা'হলে, প্রত্যেক নাগরিকের মাথাপিছু ৪৬ হাজার টাকা ঋণের বিপরিতে, আপনার বেলায় রেমিটেন্স থকে টাকা কেটে নিচ্ছে? আপনি তো বিসমিল্লাহ গলদ করছেন। সরকার, আপনার থেকে উপকৃত হচ্ছে, বাংলাদেশী টাকার বিনিময়েঢার্ড-কারন্সী পাচ্ছে! আপনি পরীক্ষায় ফেল করে ফেলেছেন প্রায়; আবার চেষ্টা করেন।



ভুল ডেটা এবং স্ট্যান্স নির্ভর মন্তব্য এখনও করেন। ফরেন কারেন্সি দিয়েই যে এশিয়ান ক্লিয়ারিং হাইজকে পে করা হয় সেটাই তো আমার প্রতি মন্তব্যে বলেছি। আপনি যদি নিজের লিখার বিষয় বস্তু দেখেন তাইলে হাতে গুনা এই বিষয় গুলা খুঁজে পাবেন-
১। হাসিনা জয় লীগ
২। খালেদা তারেক বিম্পি
৩। জঙ্গি ইস্মালিস্ট
৪। আমেরিকা ট্রাম্প পুতিন আর এরদোগান

এই ক্যাচালে দেশের সাধারণের জীবন মান ও দেশের সম্পদ ব্যবস্থাপনায় কোন লাভ নেই। এই সোশ্যাল ক্যাচালের বাইরে এসে দেশের সম্পদ ব্যবস্থাপনায় নিজের মেধাকে নিয়োজিত করুণ। আপনার অনেক পাঠক এটাকে কাজে লাগান, প্লিজ।

৭| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:০৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


৫ বিলিয়ন? ম্যান, শেখ হাসিনা ও মুহিত মিলে জাতিকে হত্যা করছে!

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৪৭

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: ডেটার বাইরে কথা বলি না। তথ্য ও উপাত্ত দিয়ে এনালিটিক্স লিখি। জাস্ট বক্তব্য ছুঁড়ে দিবার অভ্যাস নাই আমার।

৮| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৩৫

ঢাকার লোক বলেছেন: অর্থনীতির অতশত বুঝি না, তবে যা লিখেছেন তা যদি সব সত্যি হয়, এই পেরেকই শেষ নয়, কফিন কবরে মাটিচাপা দেয়ার আগ পর্যন্ত পেরেক মারা চলবে !

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:০৯

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: মুহিত অবসরে যাচ্ছেন, পরবর্তী অর্থমন্ত্রী যেই হোক তাকে মুহিতের উপর দোষ বর্তিয়েই সময় পার করতে হবে। অবস্থা বেগতিক হলে লীগ বৃদ্ধকে পয়জনিং করে মেরে সব দোষ তার ঘাড়ে চাপাবে।

৯| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:২৯

ঢাকার লোক বলেছেন: বলছিলাম , ব্যাঙ্ক পুরাপুরি খালি হওয়ার আগে পর্যন্ত পেরেক মারা থামবে বলে মনে হয়না, সে যেই আসুক !

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৪৮

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: হুম। ঠিক বলেছেন।

ব্যাংক গুলো আসলে খালি হয়েছে কয়েকবার, আমরা অনেকেই খেয়াল করিনি। ২০১১ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত শুধু সরকারি ব্যাংক গুলকে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা বেইল আউট দিয়ে দেয়া হয়েছে, তারা মূলধন লুট করেছে আর মুহিত বাজেট থেকে সেটা সরাসরি পুষিয়েছেন। এই সময়ে আমরা গ্রীসের বেইল আউট নিয়ে চিন্তিত থেকেছি।

এখন নতুন বাজেটে নতুন করে ২০,৩ হাজার কোটি দিবার দাবী তুলেছে সরকারি বেসরকারি সবাই মিলে।

এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে বেসরকারি ব্যাংকের নগদ জমা, ক্যাশ রিটার্ণ রেইট ১% কমিয়ে ১২ হাজার কোটি বের করে ফেলা হচ্ছে।

তারও বাইরে সরকারের রাজস্বের ৫০% (আগে ২৫% ছিল) বেসরকারিতে রাখার নিয়ম হয়েছে ১লা এপ্রিল। এর মাধ্যমে যা যা বেসরকারি ব্যাংক মালিকদের দুর্বিত্ত দাবী ছিল, সব মেনে নেয়া হয়েছে। এখন যা হবে সব এর কন্সিকিউয়েন্স। ব্যাংকে পরিবার তন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে। সুতরাং মারা মারি এগিয়ে নিতে আর সরকারের সহায়তা লাগবে না। ব্যাংক মালিকরা নিজেরাই তা সেরে নিতে পারবে। সরকার খালি বেইল আউট দিবে বছর বছর।

১০| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১২:১৬

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: খুবই ভয়াবহ অবস্থা। শেয়ার বাজার, ব্যাংক যদি এভাবে লুটপাট করে তাহলে দেশের অর্থনীতির কী হবে? আমরা তো এই ভয়ে আর দেশেই যেতে পারব না। ওদিকে বউ আর সময় দিতে চাইছে না। দেশে গেলে তো চোরদের সাথে পেরে উঠবো না...

১১| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৩০

রায়হান চৌঃ বলেছেন: মন চায় শধু মাত্র ৬ মাসের জন্য মধ্যপ্রচ্চ্যের র‌্যমিট্যেন্স বন্দ হয়ে যাক, দেখতে চাই সরকার কত দিন গদিতে থাকে..... কিন্তু জানেন..... আমরা মধ্যপ্রচ্চ্যের শ্রমিক যারা আছি তারা বড়ই উদার মনের, এরা দেশকে তার পরিবারের একটা অংশ মনে করে থাকে, তাই শত কষ্টে ও পারে না দেশের অর্থনীতির চাকাটা ভেংগে যাক :(

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৪৩

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: রাষ্ট্র কিভাবে তার নাগরিক এবং অনাগত প্রজন্মের সন্তানদের মানসম্পন্ন শিক্ষায় ধাবিত করে উন্নততর কর্মাসংস্থানের জন্য তৈরি করবে তার একটা মাইগ্রেশন পথ তৈরি করা দরকার।

একটি উন্নয়নশীল কিংবা মধ্যবিত্ত দেশ দীর্ঘমেয়াদে তার নাগরিককে আন স্কিল্ড শ্রমিকে রেখে দিতে পারে না, বরং আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাকে এই বিশাল আন স্কিল্ড শ্রমিক কিভাবে স্কিল্ড শ্রমিকে পরিণত হতে পারে তার রূপান্তর কৌশল নির্ধারণ করেতে হবে।

এই ট্রান্সফর্মেশন কৌশল প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন না করা গেলে, এমনিতেই আগামী এক দশক পরে মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক রেমিটেন্স ফ্লো কমে আসবে ধীরে ধীরে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.