নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব, ইলেক্ট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এ স্নাতক। মতিঝিল আইডিয়াল, ঢাকা কলেজ, বুয়েট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র।প্রকৌশলী, টেলিকমিউনিকেশন এক্সপার্ট। সমাজিক সংযোগঃ বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরের কাঠামোগত সংস্কার, দুর্নীতি।

এক নিরুদ্দেশ পথিক

সমাজের প্রতিটি ছোট বড় সমস্যার প্রকৃতি নির্ধারণ করা, আমাদের আচার ব্যবহার, সমাজের প্রচলিত কৃষ্টি কালচার, সৃষ্টিশীলতা, চারিত্রিক উদারতা এবং বক্রতা, অপরাধ প্রবৃত্তি, অপরাধ সঙ্ঘঠনের ধাঁচ ইত্যাদির স্থানীয় জ্ঞানের আলোকে সমাজের সমস্যার সমাধান বাতলে দেয়াই অগ্রসর নাগরিকের দায়িত্ব। বাংলাদেশে দুর্নীতি রোধ, প্রাতিষ্ঠানিক শুদ্ধিকরন এবং টেকনোলজির কার্যকরীতার সাথে স্থানীয় অপরাধের জ্ঞান কে সমন্বয় ঘটিয়ে দেশের ছোট বড় সমস্যা সমাধান এর জন্য লিখা লিখি করি। আমার নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি আছে কিন্তু দলীয় সীমাবদ্ধতা নেই বলেই মনে করি, চোর কে চোর বলার সৎ সাহস আমার আছে বলেই বিশ্বাস করি। রাষ্ট্রের অনৈতিক কাঠামোকে এবং দুর্নীতিবাজদের সবাইকে তীক্ষ্ণ ভাবে চ্যালেঞ্জ করার চেষ্টা করি। রাষ্ট্র কে চ্যালেঞ্জ করতে চাই প্রতিটি অক্ষমতার আর অজ্ঞতার জন্য, তবে আঘাত নয়। ব্যক্তিগত ভাবে নাগরিকের জীবনমান উন্নয়ন কে দেশের ঐক্যের ভিত্তিমূল মনে করি। ডাটাবেইজ এবং টেকনোলজি বেইজড পলিসি দিয়ে সমস্যা সমাধানের প্রোপজাল দেবার চেষ্টা করি। আমি মূলত সাস্টেইন এবল ডেভেলপমেন্ট (টেকসই উন্নয়ন) এর নিরিখে- অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ডিজাইন ত্রুটি, কৃষি শিক্ষা খাতে কারিগরি ব্যবস্থাপনা ভিত্তিক সংস্কার, জলবায়ু পরিবর্তন, মাইক্রো ইকনমিক ব্যাপার গুলো, ফিনান্সিয়াল মাইগ্রেশন এইসব ক্রিটিক্যাল ব্যাপার নিয়ে লিখার চেষ্টা করি। মাঝে মাঝে চোরকে চোর বলার জন্য দুর্নিতি নিয়ে লিখি। পেশাঃ প্রকৌশলী, টেকনিক্যাল আর্কিটেক্ট, ভোডাফোন।

এক নিরুদ্দেশ পথিক › বিস্তারিত পোস্টঃ

সর্বনাশা মাদকের করাল ছোবল- শহর ও গ্রাম অপরাধের স্বর্গরাজ্য, ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে তরুণ ও যুবসমাজ!

২২ শে মে, ২০১৮ রাত ১২:৪৭


‘‘ইয়াবা সেবনে শরীরে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া হয়৷ সেবনের পর প্রথমে মনে হয় যেন শরীরে অনেক শক্তি এসেছে, সব ক্লান্তি কেটে গেছে৷ আসলে এটি একটি উত্তেজক মাদক৷ দীর্ঘমেয়াদে এটি পুরো স্নায়ুতন্ত্রের ওপর অসম্ভব খারাপ প্রভাব ফেলে৷ স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কাঠামো ও কার্যক্রম নষ্ট করে দেয় ইয়াবা৷এমনকি এ ধরনের মাদকের প্রভাবে অনেক সময় মানুষ বদ্ধ পাগলের মতো আচরণ করে (সাইকোসিস সিনড্রম), যার ফলে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের (স্ট্রোক) ঝুঁকিও তৈরি হয়৷''- ডা. তাজুল ইসলাম।

যে কোনও নেশার বস্তু, যেমন ইয়াবা অ্যালকোহল, নিকোটিন ভিত্তিক সিগারেট, গাঁজা ড্রাগ ইত্যাদিতে যে কেমিক্যালগুলি থাকে তা ব্যবহারকারীর শরীরে বেশ কিছু জৈবিক পরিবর্তন ঘটায়। কেউ যখন ওই নেশার বস্তু গ্রহণ করে, তখন ব্রেন ডোপামিন নিঃসরণ করে, যাতে আরামের অনুভূতি হয়। ফলে গ্রাহক ব্যক্তি বারবার সেই আমেজ পেতে চায়। না পেলে ওই বিশেষ বস্তুর জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠে এবং যে কোনও ভাবে সেই তুরীয় অবস্থায় পৌঁছতে চায়। যেকোনও নেশার বস্তু নিয়মিত ব্যবহার করার ফলে শরীরের গ্রহণ ক্ষমতা বেড়ে যায়। না পেলেই উইড্রয়াল সিম্পটম দেখা দেয় এবং সেটা কাটানোর জন্যই আবার ওই বস্তু নিতে হয়। আসক্ত ব্যক্তি মনে করে যে, সে ওই বস্তুটিকে বাদ দিয়ে বাঁচতেই পারবে না। নেশার সামগ্রী তার কাছে তখন খাবার, জল বা অক্সিজেনের মতোই জরুরি হয়ে ওঠে। ক্রমশ নেশার বস্তুর উপর টান বাড়তে থাকে এবং আসক্ত ব্যক্তি কাজকর্ম, বাড়িঘর এবং বন্ধুবান্ধবদের প্রতি দায়িত্ববোধ হারিয়ে ফেলে। যে কোনও নেশায় আসক্তি মানুষের জৈবিক, সামাজিক এবং মানসিক বিষয়ের মিশ্রিত অবস্থা।

অপরাধ প্রবণ সমাজে কুসঙ্গের সহজ বিস্তার ও সহজলভ্যতা ছাড়াও বাংলাদেশে কর্ম ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাজের চাপ, দীর্ঘ শ্রম ঘন্টা, মানহীন কাজের পরিবেশ, দীর্ঘ মেয়াদী বেকারত্ব, ব্যবসার কঠিন প্রতিযোগীতা ও স্বল্প প্রফিটিবিলিটি, জাপিত জীবনের কষ্ট, নিন্ম উপার্জন জনিত হতাশা, পারিবারিক টানাপোড়েন, বিশ্বাসহীন সামাজিক বন্ধন ইত্যাদি বহুবিধ কারণে মাদকের বিস্তার সর্বগ্রাসী হয়ে উপস্থিত হয়েছে।


হাতের নাগালে মাদক
ফেনসিডীলকে পিছনে ঠেলে বাংলাদেশের নেশার জগতে এক ভয়াবহ উন্মাদনা এনেছে অনাগ্রা ও ইয়াবা। মাদক সেবনের মূল ভূমিকায় সচ্ছল ঘরের শিক্ষার্থী, তরুণ, যুবা ও মধ্যবয়সী। মোবাইল ফোন ভিত্তিক সুলভ বাজারজাতকরণ, হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা, নারী ও শিশু শ্রম কেন্দ্রিক বিতরণ ব্যবস্থায় ইয়াবার আগ্রাসন দেশের শহর ও গ্রামের সর্বত্র। প্রথম দিকে উচ্চ বিত্ত ঘরের বখে যাওয়া ইয়ো ইয়ো ছেলে মেয়ে এবং মডেল কন্যা "ইয়াবা সুন্দরী" ভিত্তিক বিপণন দিয়ে শুরু হলেও সময়ের সাথে সুলভ হয়ে উঠায় বাহক এবং গ্রাহক হিসেবে শুহুরে নিন্ম মধ্যবিত্ত, পরিবহণ শ্রমিক, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মী ও বস্তির ছেলেরদের গন্ডী পেরিয়ে এখন গ্রামীণ কৃষি ও শ্রমজীবীর সন্তানদের হাতের নাগালেও পৌঁছে গেছে ইয়াবা, সাথে কিছু সহযোগী মাদকও। গ্রহণের মাত্রার সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, বেপারোয়া গতির গাড়ি চালনা, ইভটিজিং, এমনকি ধর্ষণও। মাদকের বিষে পড়ে গ্রামীণ এলাকায় ও শহুরে বস্তিতে ছেলেদের পড়া লিখার গন্ডি থমকে আছে, কমছে না স্কুল ঝরে পড়াও। যুব সমাজকে ধ্বংসকারী মাদক ইয়াবা ব্যবসার কারণে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গাড়ির হেলপার, দিনমজুর, পান দোকানি, শিশু শ্রমিক, কিছু রোহিঙ্গা এমনকি ছোটখাট ব্যবসায়ী, সাংবাদিকও এখন কোটিপতি বনে যাচ্ছেন। কোটিপতি হচ্ছেন পুলিশ এবং নারকটিক্স বিভাগের লোকেরাও। বাংলাদেশ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে গত আট বছরে মাদক হিসেবে ইয়াবার ব্যবহার বেড়েছে ৭৭ থেকে ১০০ গুণ

তরুণ জনসংখ্যাধিক্যের বাংলাদেশ "ডেমোগ্রাফিক ডেভেডিন্ট" এর কর্মক্ষমতাকে মাদকে বুঁদ করে দিয়ে বিদেশী ব্যবসায়ী ও গোয়েন্দাদের বুদ্ধিবৃত্তিক চক্র, আন্তর্জাতিক চোরাচালানকারী এবং দেশীয় ব্যব্যসায়ী-পুলিশ- মাদক নিয়ন্ত্রকের সুবিস্তৃত "ব্যবসায়িক ত্রয়ী" বাংলাদেশ কেন্দ্রিক সর্বে সর্বা আর্থিক যোগের উইন উইন মাদক ব্যবসার সিচুয়েশন তৈরি করেছে। প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশের যুবসমাজকে টার্গেট করা বাজারে সফল হয়ে মিয়ানমার ও ভারতীয় মাদক সম্রাজ্য বিস্তৃত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্য সহ অন্য দেশেও। বাংলাদেশী শ্রমিকের মাধ্যমেই ইয়াবা পৌঁছে যাচ্ছে মধ্য প্রাচ্যের দেশে দেশে।

বাংলাদেশে মাদকের থাবা
মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হিসাবে ২০১৫ সালের পর থেকে বছর প্রতি প্রায় ২ কোটি করে ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার হয়েছে৷ এই সংখ্যা বাস্তব ব্যবসা ও পাচারের শতকের মাত্র এক অংকের ঘরে। দেশে ইয়াবার পরই মাদক হিসেবে বেশি ব্যবহার হয় কাফ সিরাপ ‘ফেনসিডিল'৷ অধিদপ্তর বলছে ‘‘পরিসংখ্যান দেখলেই বোঝা যায় যে, মাদক হিসেবে ফেনসিডিলের ব্যবহার কমছে৷ অন্যদিকে বাড়ছে ইয়াবার ব্যবহার এবং সেটা খুবই দ্রুত গতিততে৷ যারা ফেনসিডিলে আসক্ত ছিলেন, তারা ইয়াবার দিকে ঝুঁকে পড়ছেন এবং তার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন নতুন ইয়াবাসেবীরাও৷

বাংলাদেশে মাদক আসে যেখান থেকে
বাংলাদেশে ফেনসিডিল আসে সাধারণত ভারত থেকে, বহু পয়েন্টে। তবে ফেনসিডিল স্থানীয়ভাবেও তৈরি করেন মাদক ব্যবসায়ীরা৷ অপরদিকে বাংলাদেশে ইয়াবা আসে প্রধানত মিয়ানমার থেকে৷ মিয়ানমারের মংডুতে বাংলাদেশ সীমানার ১০ কিলোমিটারের ভেতরে ইয়াবার কারাখানা আছে বলে জানা যায়৷ কক্সবাজার হয়ে আসা ইয়াবা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিবহণে কাজ করেন নিম্নবিত্তরা আর তা ব্যবহার করেন মধ্যবিত্ত ও উত্তবিত্তরা৷ সম্প্রতি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং নারীও ইয়াবা পাচারের সময় ধরা পড়েছে৷ বিজিবি-র টেকনাফ অঞ্চলের কমান্ডার আবুজার আল জাহিদ ডয়চে ভেলেকে জানান, ‘‘মিয়ানমার থেকে প্রশাসনিক উদ্যোগেই বাংলাদেশে ইয়াবা পাচার করা হয়৷ আগে মংডু ধেকে ইয়াবা পাচার হতো৷ এখন একটি নতুন বন্দর সিটওয়ে (আকিয়াব) থেকে সমুদ্রপথে এই মাদকটি পাচার করা হচ্ছে৷ বাংলাদেশের অংশে প্রভাবশালী লোকজন, যেমন রাজনৈতিক নেতারাও এর সঙ্গে জড়িত৷ তাছাড়া মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের সহায়তায় ঢাকাসহ সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে ইয়াবা৷''

মাদক পাচারের প্রধান ‘ক্যারিয়ার' নারী ও শিশু
বাংলাদেশে মাদক হিসেবে একসময়ে ফেনসিডিল শীর্ষস্থান দখল করলেও, এখন ইয়াবা সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে৷ এর প্রধান ব্যবহারকারী তরুণ প্রজন্ম৷ তাই মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ইয়াবার বাজারজাতকরণ সহজ হয়েছে৷ বাংলাদেশে ক্যারিয়ার হিসেবে প্রধানত নারী ও শিশুদের ব্যবহার করা হয়৷''। মাদক চোরাচালানসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে বেশ কিছু সাংবাদিকও।


কারা মাদক গ্রহণ করে?
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে এখন মাদকসেবীর সংখ্যা প্রায় এক কোটি, অধিকাংশই বয়সে তরুণ, ১৭ থেকে ৩৮ বছরের মধ্যে৷ জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. তাজুল ইসলাম ডয়চে ভেলেকে জানান, ‘‘বাংলাদেশে এখন ইয়াবাসেবী তরুণের সংখ্যা ৪০ লাখের কম নয়৷ এখন চিকিৎসা নিতে আসা মাদকসেবীদের ৮০ ভাগই ইয়াবা আসক্ত৷ এরা বয়সে তরুণ এবং অপেক্ষাকৃত স্বচ্ছল ঘরের সন্তান৷ তরুণীরাও এই মাদক গ্রহণ করছেন৷ ইয়াবার পর ফেনসিডিল ও গাজায় আসক্তের অবস্থান৷ তবে প্রধানত নিম্নবিত্তরাই এগুলিতে আসক্ত৷''

মাদক পাচারের রুট বাংলাদেশ
দক্ষিণ এশিয়া বা এশিয়ার বাজারে বিভিন্ন ধরনের মাদক নিয়ে যাওয়ার জন্য নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বাংলাদেশ! বিশেষত এ অঞ্চলের বন্দরগুলোর দুর্বল নিরাপত্তাব্যবস্থার কারণেই চোরাচালানের রুট হিসেবে এ পথ পাচারকারীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ব্রিটেনের প্রভাবশালী দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এমন কথাই বলা হয়েছে।

মে ২০১৫ চট্টগ্রাম বন্দরে ধরা পড়া একটি কোকেনের চালানের গন্তব্য ছিল ভারতের যে কোনো বন্দর, জাতিসংঘ মনে করছে, দক্ষিণ এশিয়াকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে আরও প্রচুর কোকেন পাচার হচ্ছে, যা ধরাই পড়ছে না৷ ল্যাটিন অ্যামেরিকার একটি সংঘবদ্ধ চক্র যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারে নিজেদের চোরাচালানের রুট আড়াল করতেই দক্ষিণ এশিয়াকে পাচারের পথ হিসেবে ব্যবহার করছে৷ এ অঞ্চলের বন্দরগুলোর দুর্বল নিরাপত্তাব্যবস্থার সুযোগ নিয়েই এ কাজ করছে তারা৷ তাই বাংলাদেশকেও তাদের মাদক চোরাচালনের রুটে পরিণত করছে৷ গত বছর বাংলাদেশে কোকেন ধরা পড়লেও সংশ্লিষ্টরা বলছেন দেশের অভ্যন্তরে এখনও কোকেনের ব্যবহার নেই৷ তবে পাঁচারের রুট হিসবে ব্যবহার হচ্ছে বাংলাদেশ৷

মাদক সাম্রাজ্যে গডফাদার ১৪১, ওরা কারা?
বাংলাদেশের মাদক সম্রাজ্য
বাংলাদেশের মাদক সম্রাজ্যের শীর্ষ গডফাদার হিসেবে আছেন সংসদের এমপি, যুবলীগ নেতা, উপজেলা চেয়ারম্যান এমনকি সিআইপি, সংখ্যায় এরা দেশজুড়ে ১৪১ জন। ক্ষমতাধর অনেক রাজনীতিকের ভয়ংকর কুৎসিত চেহারা বেরিয়ে আসার পরেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় কোন ধরণের একশন নিতে আপারগ হওয়ায় ৩১ ডিসেম্বর এ সংক্রান্ত তালিকা দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠানো হয়।তালিকাভুক্ত মাদক গডফাদারদের নাগাল পেতে ব্যর্থ হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর এখন দুদকের দ্বারস্থ হয়েছে। দুদক চেয়ারম্যানের কাছে তালিকা পাঠিয়ে বলা হয়, অন্তত এদের অবৈধ আয়ের পথ ও বিশাল অর্থবিত্তের খোঁজ পেতে সক্ষম হবে দুদক। যুগান্তর বলছে তাদের হাতে এই লিস্ট আসে। তালিকার দ্বিতীয় পৃষ্ঠার একটি প্যারায় চোখ আটকে যায়। কারণ সেখানে বলা হয়েছে, ‘মাননীয় সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি দেশের ইয়াবা জগতের অন্যতম নিয়ন্ত্রণকারী। তার ইশারার বাইরে কিছুই হয় না। দেশের ইয়াবা আগ্রাসন বন্ধের জন্য তার ইচ্ছাশক্তিই যথেষ্ট।’ তালিকা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক জামাল উদ্দীন আহমেদ রোববার যুগান্তরকে বলেন, বিদ্যমান আইনে মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে কিছুটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কারণ হাতেনাতে মাদক উদ্ধার ছাড়া আমরা কাউকে গ্রেফতার করতে পারি না। এক্ষেত্রে দুদক আরও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারে।

সর্বনাশা বদি ও তার ৫ ভাই এবং তার সমুদয় আত্মীয় স্বজন মাদক চোরাচালানকারী
তালিকায় সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আবদুর রাহমান বদি মাদক সাম্রাজ্যের একচ্ছত্র অধিপতি বলা হয়েছে। এতে বদির সঙ্গে তার পাঁচ ভাইয়ের নামও উঠে এসেছে। তারা হলেন- মৌলভী মুজিবুর রহমান, আবদুস শুক্কুর, মো. সফিক, আবদুল আমিন ও মো. ফয়সাল। তাদের মধ্যে সরকারের প্রায় সব সংস্থার তালিকায় সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি ছাড়া তার ৫ ভাইয়ের নাম রয়েছে। তবে আপন ভাই ছাড়াও তালিকায় বদির পিএস মং মং সেন ও ভাগ্নে সাহেদুর রহমান নিপুসহ আরও বেশ কয়েকজন ঘনিষ্ঠভাজনের নাম রয়েছে।গোপনীয় প্রতিবেদনের ভূমিকা অংশে বলা হয়েছে, ‘সরকারদলীয় এমপি হওয়ার সুবাদে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অনুসারী/সহযোগী নিয়ে তিনি ইচ্ছেমাফিক ইয়াবা ব্যবসাসহ অন্যান্য উৎস হতে অবৈধ আয়ে জড়িত আছেন। শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ীরা তার অনিচ্ছার বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসা করার সাহস রাখে না। তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জেলার অন্য শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী বা টেকনাফের যে কোনো চাঁদাবাজ এলাকায় প্রভাব বিস্তারে সক্ষম নয়। বিশেষত মিয়ানমার থেকে চোরাচালান হওয়া ইয়াবা ব্যবসা বন্ধ করার জন্য তার ইচ্ছাশক্তি সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।’


স্থানীয় সূত্র জানায়, মিয়ানমার হয়ে ভিআইপি প্রটেকশনে ইয়াবার বড় বড় চালান টেকনাফে নিয়ে আসার কাজটি করেন বদির ৫ ভাই। আর সেগুলো দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাইকারি ডিলারদের কাছে পৌঁছে দেন পিএস মং মং সেনসহ তার নিজস্ব অনুসারীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কক্সবাজার জেলার একজন পুলিশ কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য নিজেই মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার কারণে প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের দর্শকের ভূমিকায় হাত গুটিয়ে বসে থাকার আর কোনো উপায় থাকে না। সবাই সবকিছু জানলেও নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার কৌশল বেছে নিতে বাধ্য হন। সাবেক বিএনপি পন্থী এবং বর্তমানে আওয়মীলীগ করা ইয়াবা ব্যবসায়ী সাইফুল করিম ওরফে হাজী সাইফুল ইয়াবার আন্তর্জাতিক চোরাকারবারি, যে কিনা একজন সিআইপিও (বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি)।মাদক ব্যবসা করে তিনি এখন শত কোটি টাকার মালিক। তবে অন্য ব্যবসায়ীর সঙ্গে তার পার্থক্য আছে। কারণ সাইফুল অনেক উপরতলার মানুষ।স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, সাইফুলের ঘনিষ্ঠ এক ইয়াবা ব্যবসায়ীকে কয়েক মাস আগে আটক করা হয়েছিল। এরপর পুলিশ প্রশাসনের এমন উচ্চপর্যায় থেকে ফোন আসে, যা কল্পনাও করা যায় না। এরপর থেকেই স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা সাইফুলকে অনেকটাই সমীহ করে চলেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির স্নেহভাজন সাইফুলের হঠাৎ আঙুল ফুলে কলাগাছ বনে যাওয়ার নেপথ্যে আছে মূলত ইয়াবার চোরাচালান।

টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমেদ ওরফে জাফর চেয়ারম্যানও কম যাননি। ছেলে মোস্তাককে সঙ্গে নিয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন শক্তিশালী ইয়াবা সিন্ডিকেট। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের তালিকায় তাদের অবস্থান যথাক্রমে ২ ও ৩ নম্বরে। এতে বলা হয়েছে, ‘পিতা-পুত্র একত্রে রাজনীতি ও ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে তৎপর। জাফর চেয়ারম্যান বর্তমানে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকলেও ৫-৬ বছর আগে তিনি স্থানীয় বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।' তালিকার ৪ নম্বরে আছেন সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিএ) মং মং সেন। তার বাবার নাম অং সেন। টেকনাফ পৌরসভার চৌধুরীপাড়ায় তার বাড়ি। এছাড়া এমপি বদির ফুফাতো ভাই কামরুল হাসান রাসেলের নামও আছে তালিকায়।তালিকার ৭ নম্বরে থাকা জাফর ওরফে টিটি জাফরের ইয়াবা নেটওয়ার্ক দেশজুড়ে। আগে তিনি হুন্ডি ব্যবসা করতেন। হুন্ডি জগতেও তিনি মাফিয়া হিসেবে পরিচিতি পেলে তার নাম হয় টিটি জাফর। পুলিশের অপরাধ তদন্ত সংস্থা সিআইডির তালিকায়ও টিটি জাফরের নাম রয়েছে। তবে সেখানে তার পরিচয় আন্তর্জাতিক স্বর্ণ চোরাচালানি হিসেবে।

বিস্ময়কর ব্যাপার হল, স্থানীয়ভাবে ক্লিন ইমেজের রাজনীতিক নেতা হিসেবে পরিচিত বেশ কয়েকজন নেতার নামও ইয়াবা গডফাদারদের আশ্রয়দাতা হিসেবে তালিকায় উঠে এসেছে। যেমন বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর ছেলে রাশেদ ও মাহবুব মোরশেদের নাম আছে যথাক্রমে তালিকার ১১ এবং ৪৭ নম্বরে।তালিকার ১৬ নম্বরে থাকা মাদক গডফাদার মীর কাশেম ওরফে কাশেম মেম্বারের পরিচয়- তিনি সরাসরি জাহাজে করে ইয়াবার চালান পাচার করেন। ১৭ নম্বরে থাকা সৈয়দ হোসেন সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর হোসেনের ভাই। তালিকার ২০ নম্বরে আছে আক্তার কামাল ও শহীদ কামাল দুই ভাইয়ের নাম। এরা স্থানীয় এমপি বদির আত্মীয়। তালিকায় আছে বদির বোনজামাই পুলিশের সাবেক ওসি আবদুর রহমানের খালতো ভাই। স্থানীয়ভাবে এরা বদির বেয়াই হিসেবে পরিচিত। তালিকার ৩২ নম্বরে থাকা মৌলভী আজিজের নামটি খুবই উল্লেখযোগ্য। কারণ তিনি স্থানীয়ভাবে একজন দানশীল ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, দানশীলতার আড়ালে তার আসল পরিচয় ইয়াবা গডফাদার। তালিকার ৮৪ নম্বরে আছে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রেহানা আক্তারের ভাতিজা ইসমাইল হোসেনের নাম। ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় মাদক গডফাদারদের মধ্যে আছে বিহারি ক্যাম্পের ইশতিয়াক, রামপুর থানা যুবলীগ নেতা তানিম ও মেরুল বাড্ডার স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জয়নালসহ মোট ৩২ জন।এছাড়া তালিকায় রাজশাহী বিভাগের মোট ২১ জন হেরোইন গডফাদারের নাম রয়েছে। এরা সীমান্তের ওপার থেকে বড় বড় হেরোইনের চালান এনে রাজশাহীর গোদাগাড়ি, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ সীমান্তবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকায় বিক্রি করেন।


ক্রসফায়ার নয়, বিচার চাই

সম্প্রতি মাদক নিয়ন্ত্রণে কথিত জিরো টলারেন্সের নাম করে পুলিশ ও র‍্যাব আবারো ন্যায়বিচারের প্রতিবন্ধক "ক্রসফায়ার" শুরু করেছে। অথচ আমরা দেখছি বাংলদেশের মাদক সম্রাজ্য এর ক্ষমতাবলয় মদদপুস্ট এবং ক্ষমতাবলয় ই এর সাক্ষাৎ সুবিধাভোগী। তাই ব্যবসায়ী ও মাদক সেবক নামক ডালপালা নয়, গোড়া শুদ্ধ উপড়ানোই চাই।

১। রাজনীতিতে সাংসদ বদির গডফাদার, বদি, বদির সমুদয় মাদক ব্যবসায়ী আত্মীয়, বদির সাঙ্গ পাঙ্গ এবং মাদক ব্যবসায় জড়িত স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সংসদ ও দল থেকে বহিস্কার করে স্থায়ী বিচারের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় এইধরনের কথিত জিরো টলারেন্স আসলে পুরানোদের হটিয়ে নতুনদের ব্যবসার সুযোগ তৈরির মহড়া বৈ অন্য কিছু নয়।

২। ক্রসফায়ারে বাংলাদেশের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কিংবা দমন কোনটাই হয়নি। বরং দেশের সরকার ও পুলিশ বাহিনীকে দুধর্ষ সন্ত্রাসী বানিয়ে ছেড়েছে।

৩। ক্রমাগত ক্রসফায়ার জনান দিচ্ছে যে, বাংলাদেশে বিচার ব্যবস্থা সমাজের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এবং দমনে কোনই প্রভাব রাখে না। একদিকে অতি দীর্ঘ কাল ক্ষেপণের বিচার সমাজের আপরাধ নিয়ন্ত্রণে কোন ভুমিকা রাখে না, দমন তো দুরের কথা। অন্যদিকে বাংলদেশের আদালত অপরাধ সংঘঠনের রুট কজ এনালাইজ করে সরকারকে অব্জারভেশন ও রুলিং দিতে নিদারুণ ভাবে অযোগ্য অক্ষম। ফলে মাদক মাদকের যায়গাতেই থেকে বিস্তৃত হচ্ছে, পাচারকারীরা ঘুষ ও তদবির করে পার পেয়ে যাচ্ছে, হয়ে যাচ্ছে অবৈধ ব্যবসায়ের হাত ধরে আঙুল ফুলে কলা গাছ।

৪। সরকার রাজনৈতিক ভাবে না চাইলে মাদকের বিস্তার রোধ অসম্ভব। মাদক রোধে "টপ ডাউন" এপ্রোচ নিতে হবে। যে কোন "বটম আপ" উদ্যোগ এখানে ব্যর্থ এবং লোক দেখানো।

৫। বিচারালয় বিবেক তাড়িত হয়ে বাধ্য না করলে প্রশাসনও ঘুষ ও চাঁদার যোগে তৈরি আর্থিক যোগের সম্রাজ্য ভাঙবে না। পুলিশ প্রশাসন, নারকটিক্স, এদের সোর্স (এই তিনের যোগ সাজশই মূল মাদক বাজারজাত সহয়াতাকারী),বিচার ব্যবস্থা, গডফাদার রাজনৈতিক নেতাদের স্বার্থ্য রহিত করে নেতৃত্ব নিজ নিজ অর্থ যোগের কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট পিছনে ফেলে স্বচ্চ বিচার করতে সাহস করলে, মাদক সংশ্লিষ্ট উচ্চ পর্যায়ের অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা পাবে।

তবে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী এই কথা বলে আদতে যে লাশ পড়ছে তা কেবল চুনোপুটিদের, আবার এমন কোন স্বচ্চ অপরাধীর তালিকা করার প্রক্রিয়া তৈরি হয়নি যেখানে আমরা নিশ্চিত হতে পারতাম যে এরাই মাদক ব্যবসায়ী। ফলে মূল গডফাদারদের টিকিয়ে রেখে মাঠ পর্যায়ের কিছু ব্যবসায়ী হত্যা এই জিরো টলারেন্স নীতির প্রতারণা হিসেবেই বিবেচিত হবে।



রাজনীতির লোকেদের বাইরেও
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর সাথে মাদকের কানেকশন বহু পুরানো। বাংলাদেশে সঙ্গীত ও শিল্প সংস্কৃতির সাথে জড়িতদের কিঞ্চিৎ থেকে মধ্য পর্যায়ের মাদক সংশ্লিষ্টতাও বাস্তাব। জনপ্রতিনিধি সহ ছাত্র ও পেশাজীবীদের এই অন্ধকার কানেকশন গুলো ভেঙে দিতে হবে পুরোপুরি। শিল্পীদের মাদক বিরোধী সত্যিকার ভুমিকায় আনতে হবে।

পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা চাই, চাই পর্যাপ্ত নিরাময় কেন্দ্র
মাদকের বিস্তার রোধে সমাজ পর্যায়ে, স্থানীয় প্রশাসন পর্যায়ে সর্বোচ্চ সচেতনতা দরকার। মাদকের আসক্তির প্রকার, আসক্তি নির্ণয়-উইথড্র্যাল সিন্ড্রোম,উইথড্রয়াল সিম্পটমের মোকাবিলা ইত্যাদির জ্ঞান ছড়াতে হবে। পিতা মাতা ও স্কুলের ভুমিকা এখানে অগ্রণী।মাদক সেবীকে ঘৃণা না করে তাকে পরম মমতা ও দায়িত্বশীলতা দিয়ে বিপথ থেকে ফিরাতে পরিবার ও সমাজকে কাজ করতে শিখতে হবে। গড়তে হবে পর্যাপ্ত নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র। পর্যাপ্ত মাদক নিরাময় ও পুনর্বাসন ব্যবস্থা তৈরি করা বাংলদেশে একেবারেই ভুলে যাওয়া বহু বিষয়ের একটি।

শেষের কথা-
মাদক সমাজের জন্য অভিশাপ। মাদক আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, আমাদের রাষ্ট্রের তারুণ্য নির্ভর উতপাদন মুখীতা যে কয়েকটি ভয়ংকর কারণে বাধগ্রস্ত হচ্ছে তার মধ্যে মাদক অন্যতম।


১। আমাদের যুব সমাজের চোখের সামনে মানব সম্পদ পরিচর্যা ও কর্মসংস্থান তৈরির কোন ট্রান্সপারেন্ট লক্ষ্য ও প্রক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারেনি কোন ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল। আমাদের ছেলেমেয়েরা জানেনা তারা পড়ালেখা শেষ করে কি করবে ? কি আছে তাদের ভবিষ্যতে? রাজনৈতিক দলের দখল লূট সন্ত্রাস চাঁদা ও বেপারোয়া অর্থ লোপাট কেন্দ্রিক পাশবিক দুর্বিত্তপনা ও হিংশ্রতা দেখে দেখেই তারা বড় হচ্ছে একটির পর আরেকটি প্রজন্ম। এখানে জীবিকার প্রায় সবকটি মেধাভিত্তিক এমনকি শ্রম নির্ভর সরল পথও হয় ইচ্ছাকৃত রাজনৈতিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় কঠিন করে তোলা হয়েছে অথবা একেবারেই রুদ্ধ করে স্বজনপ্রীতি ও ঘুষের জন্য বরাদ্দ করে রাখা আছে।

ডিপ্রেসড এমপ্ল্যমেন্ট এবং মানহীন কর্মপরিবেশের ভয়ংকর চাপ ও উৎকণ্ঠার ইকোনমিতে মধ্য ও নিম্নবিত্তের চাকরি পাবার, চাকরি পেলেও সেখানে উপরে উঠে আসা আশা নাই। বরং মধ্যবিত্ত আস্তে আস্তে সংকুচিত হয়ে নিম্নবিত্ত হচ্ছে। সামাজের জীবন মান কষ্ট সাধ্য ও শ্রম ঘন ক্লান্তির হয়ে পড়লে আশাহীন মানুষ কেমিক্যাল একসটেসিতে মুক্তি খুঁজবে সেটাও স্বাভাবিক।

২। মাদক ব্যবসা সরকারী দল গুলোর সন্ত্রাসী ছাত্র ও যুব উইং কে লালন পালন করার অন্যতম প্রধান ইকোনমিক ফাউন্ডেশন। বলা যায় উন্নয়ন বাজেট লুট, চাঁদাবাজি এবং মাদক এই তিনের উপর ক্ষমতাসীনদের সব সন্ত্রাসী উইং গুলি আর্থিক ভাবে দাঁড়িয়ে উঠে। দিকদিশাহীন যুব সমাজকেই আজ তাই মাদক সম্রাটরা টার্গেট করে তাদের সাম্রাজ্য বিস্তার করেছে সমাজের সর্বস্তরে। আমাদের আদর্শহীন দুর্বিত্ত রাজনীতিবিদরা প্রতিবেশী দেশ দুটোর ভাগাড়ের পচা মাংস খাওয়ার মতই মাদক থেকে আসা নোংরা টাকার দিকে লোভী শকুনের মত ঝাপিয়ে পড়েছে।


এই উত্তরণের জন্য প্রয়োজন সত্যিকারের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ভিশনারি নেতৃত্ব। দরকার সমাজের ব্যাপক মানুষের একসাথে জেগে উঠা।

৩। বছরের পর বছর পারিবারিক ভাবে মাদক সম্রাজ্য নিয়ন্ত্রণ করা বদি পরিবারের (উদাহরণ স্বরূপ, এরকম আরো বেশ কয়েকটি পরিবার রয়েছে) লোকেরদের সাংসদ কিংবা সি আই পি হিসেবে মর্যাদা দিয়ে রেখে তৃনমূল পর্যায়ের কিছু ব্যবসায়ী হত্যা করা মাদক বিরোধী অভিযানের সবচেয়ে প্রতারণার দিক।

৪। মৌলিক বিষয়টা হচ্ছে ক্রসফায়ার হচ্ছে রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিচারহীন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।

৫। বাংলদেশে তার প্রতিবেশী দুটি দেশ মিয়ানমার ও ভারতের বর্ডার ফোর্স কর্তিক সরাসরি মাদক সন্ত্রাসের শিকার। বাংলাদেশের তরুণ ও যুব সমাজের বাজারকে কেন্দ্র করে দুটি দেশই সীমান্তের ঠিক পাশের ফেন্সিডিল ও ইয়াবার কারখানা চালু রেখেছে এবং প্রতিষ্ঠানিক মদদে এই ব্যবসাকে বাংলাদেশে পুশ করছে। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে গরু ব্যবসায়ীদের প্রায়ই ভারতীয় বর্ডার গার্ড হত্যা করে, কিন্তু এই একই বাহিনী বাংলাদেশী এজেন্টদের টাকা দিয়ে কয়েক যুগ ধরে বাংলাদেশে ফেন্সিডিল ব্যবসা পুশ করছে। আর চরম ইরেস্পন্সিবল দেশ মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে ইয়াবা পাচারের সাথে সরাসরি ব্যবসায় যুক্ত।

এই বিষয়টি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আনা দরকার, প্রধানমন্ত্রী টু প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের কুটনীতিতে তো বটেই।

আধুনিক বিশ্বের দ্বিপাক্ষিক রাষ্ট্রীয় সম্পর্কে দুর্বল বা অসচেতন অথবা দুর্বল শাসনে থাকা কিংবা মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবে পশ্চাৎ পদ প্রতিবেশীকে এইভাবে বুদ্ধি হীন ও মেধা হীন করার চক্রান্তের নমুনা বিরল। এই অপ তৎপরতার আন্তর্জাতিক মনোযোগ চাই। এই হীনতা বন্ধ সময়ের দাবী তো বটেই। তবে বাংলাদেশের সচেতন সমাজ, অগ্রসর নাগরিক, প্রশাসন এবং সরকারকে এই উপলভদ্ধি ও বোধ জন্মাতে হবে সবার আগে। অন্যথায় কেউই সাহায্যে এগিয়ে আসবে না। আর ক্রসফায়ার নামক অন্যয্যতা চলতে থাকলে মাদক নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্য কিংবা সাফল্য দুটাই ব্যহত হবে।


৬।সবশেষে আমাদের যা ভাবতে হবে, তা হল সীমান্ত এলাকার নাগরিকের বেকারত্ব কমাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টির টেকসই পথ বের করতে হবে অর্থাৎ এইসব এলাকার বৈধ অর্থনৈতিক কর্মকান্ড জোরদার করতে হবে। সীমান্তে ব্যাপক সংখ্যক নাগরিককে বেকার রেখে, ব্যাপক সংখ্যক উদ্বাস্তু রেখে মাদক সহ যে কোন পণ্য পাচার সমস্যার টেকসই সমাধানে আসা বেশ দুষ্কর বটে!

শুভ বোধ জাগ্রত হোক দিকে দিকে। তারুণ্য রক্ষা পাক, বাংলাদেশ এগিয়ে যাক।



পরিশিষ্ট-

মাদকের আসক্তির প্রকার, আসক্তি নির্ণয় - উইথড্র্যাল সিন্ড্রোম, উইথড্রয়াল সিম্পটমের মোকাবিলা, প্রিয়জনদের ভূমিকা, আসক্তির চিকিৎসা-ওষুধ ও থেরাপি সাহায্য,আসক্তি মুক্ত হওয়ার উপায়, মানসিক পুনর্বাসন ইত্যাদি নিয়ে বিস্তারিত পড়ুন (ভারতীয় সাইট)।

https://bengali.whiteswanfoundation.org/article/addiction-is-it-a-matter-of-choice/
https://bengali.whiteswanfoundation.org/article/addicted-to-drugs-how-can-medication-and-therapy-help/

মন্তব্য ১৫৫ টি রেটিং +২৫/-০

মন্তব্য (১৫৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে মে, ২০১৮ রাত ১:০৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



প্রশাসন, রাজনৈতিক দলের অনেক লোক, বড় ব্যবসায়ীরা চায় দেশে মাদক থাকুক।

২২ শে মে, ২০১৮ দুপুর ২:২২

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: এটা কোটি টাকার ব্যবসা, প্রশাসন, রাজনৈতিক দলের অনেক লোক, বড় ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের অংশ হয়ে গেছে।

২৮ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩২

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: মাদক ব্যবসা সরকারী দল গুলোর সন্ত্রাসী ছাত্র ও যুব উইং কে লালন পালন করার অন্যতম প্রধান ইকোনমিক ফাউন্ডেশন। বলা যায় উন্নয়ন বাজেট লুট, চাঁদাবাজি এবং মাদক এই তিনের উপর ক্ষমতাসীনদের সব সন্ত্রাসী উইং গুলি আর্থিক ভাবে দাঁড়িয়ে উঠে। দিকদিশাহীন যুব সমাজকেই আজ তাই মাদক সম্রাটরা টার্গেট করে তাদের সাম্রাজ্য বিস্তার করেছে সমাজের সর্বস্তরে। আমাদের আদর্শহীন দুর্বিত্ত রাজনীতিবিদরা প্রতিবেশী দেশ দুটোর ভাগাড়ের পচা মাংস খাওয়ার মতই মাদক থেকে আসা নোংরা টাকার দিকে লোভী শকুনের মত ঝাপিয়ে পড়েছে।

২| ২২ শে মে, ২০১৮ ভোর ৪:০৫

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: মাদক তো এখন ঝালমুড়ির মতো সহজলভ্য হয়ে গেছে। কিছু দিন পরে রাস্তার মোড়ে মোড়ে বিক্রি হবে।

২২ শে মে, ২০১৮ দুপুর ২:২০

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: মাদক এখন ঝালমুড়ির মতো সহজলভ্য হয়ে গেছে।

৩| ২২ শে মে, ২০১৮ সকাল ৮:৪৬

অনন্য দায়িত্বশীল আমি বলেছেন: আমার মতে ক্রসফায়ার ঠিক ওসুধ কিন্তু প্রশাসন, রাজনৈতিক দলের অনেক লোক, বড় ব্যবসায়ীরা চায় দেশে মাদক থাকুক।

২২ শে মে, ২০১৮ দুপুর ২:১৮

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: সরকার, বিচার প্রশাসন ও রাজনৈতিক ক্ষমতা বলয় যদি বিচার ব্যবস্থাতে নাক না গলায়, তাইলে স্বাভাবিক নিয়মেই মদক সংশ্লিষ্টদের সাজা হয়। সুতরাং ক্রসফায়ারের দরকার হয় না। ক্রসফায়ার করে শুধু সুবিধা মত শত্রু ও ব্যবসায়িক প্রতিপক্ষকেই দমন করা হয়। আদতে ক্রসফায়ারের পর যেসব মাদক সম্রাট টিকে যাবে তারা আরো বহুগুণে এই ব্যবসা চালিয়ে যাবে।

যেহেতু ক্রসফায়ারে চেক এন্ড ব্যালান্স ও বিচার নাই, তাই এটা কোন ভাবেই মানা যায় না।


ক্রসফায়ার বাংলাদেশের সন্ত্রাস সমস্যার সমাধান করেনি, করবেও না। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলোই বরং দুধর্ষ সন্ত্রাসী হয়েছে।

৪| ২২ শে মে, ২০১৮ সকাল ৯:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: বদি ভাই নাকি ইয়াবা খেয়ে জোশ এনে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাবার ঘোষনা দিছেন? বিনুদুন ভাই পুরাই বিনুদুন

২২ শে মে, ২০১৮ দুপুর ২:১১

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: গডফাদারের লেয়ারে যারা যারা আছে তাদেরকেই সবার প্রথমে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

৫| ২২ শে মে, ২০১৮ সকাল ১০:৫২

নাজিম সৌরভ বলেছেন: আহা, সব যেন কেমন জটিল আর প্যাঁচানো মনে হচ্ছে ! মাদকের বিরুদ্ধে কনসার্ট আয়োজিত হয়, আর সেখানে গান পরিবেশন করেন মাদকসেবী গায়কগণ । মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা হল, যুদ্ধে মারা যাচ্ছে চুনোপুঁটিরা ! আসল মাদক সম্রাটগণ ঠিকই বেঁচে আছে ! অদ্ভুত উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ !

২২ শে মে, ২০১৮ দুপুর ২:১০

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: উচ্চ শিক্ষা ও অভিজাতের সাথে মাদকের এই যে সংযোগ, এটা ভেঙে দিতে হবে। ইয়াবা উচ্চ বিত্ত দিয়ে শুরু করেছে, এখন সমাজের সব স্তরকে গ্রাস করেছে।

৬| ২২ শে মে, ২০১৮ দুপুর ২:৪৮

দিলের্‌ আড্ডা বলেছেন: মাদক সমাজের জন্য অভিশাপ। কিন্তু এর মানে এই না যে মাদকসেবীদেরকে গণহারে হত্যা করতে হবে। তারা্ও কিন্তু এদেশের নাগরিক। এদেশের আলো-বাতাসে দু-মুঠো খেয়ে পড়ে বেঁচে থাকার অধিকার তাদেরও রয়েছে। শুনলাম ময়মনসিংহের এসপি ৪০ জন মাদকসেবী এবং মাদক-ব্যাবসায়ীর তালিকা করেছে ক্রসফায়ার দেবার জন্য। পত্রিকাতে দেখতেছি ঐ অনূযায়ী লাশও পড়তেছে। কিন্তু এতে কি আদৌও কোনো লাভ আছে?
যারা মাদক ব্যাবসা করে আজ কোটিপতি আর সমাজের উচূ আসনে বসে মাদক ব্যাবসা নিয়ন্ত্রন করতেছে, তাদেরকে কি পুলিশ পারবে ক্রসফায়ার দিতে। পারবে না। অথচ যারা মাদকের খুচরা বিক্রেতা এবং সেবনকারী, তাদেরকে ভালো পথে আনার অনেক সুযোগ থাকা স্বত্ত্বেও পুলিশ তাদেরকে ক্রসফায়ার দিয়ে দিচ্ছে। এ কেমন বিচার?

২৭ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৭

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: মাদক সমাজের জন্য অভিশাপ। মাদক আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, আমাদের রাষ্ট্রের তারুণ্য নির্ভর যে উতপাদন মুখীতা যে কয়েকটি ভয়ংকর কারণে বাধগ্রস্ত হচ্ছে তার মধ্যে মাদক অন্যতম।

১। বছরের পর বছর পারিবারিক ভাবে মাদক সম্রাজ্য নিয়ন্ত্রণ করা বদি পরিবারের লোকেরদের সাংসদ কিংবা সি আই পি হিসেবে মর্যাদা দিয়ে রেখে তৃনমূল পর্যায়ের কিছু ব্যবসায়ী হত্যা করা মাদক বিরোধী অভিযানের সবচেয়ে প্রতারণার দিক। দ্বিতীয় বিষয়টা হচ্ছে ক্রসফায়ার হচ্ছে রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিচারহীন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।

২। বাংলদেশে তার প্রতিবেশী দুটি দেশ মিয়ানমার ও ভারতের বর্ডার ফোর্স কর্তিক সরাসরি মাদক সন্ত্রাসের শিকার। বাংলাদেশের বাজারকে কেন্দ্র করে দুটি দেশই সীমান্তের ঠিক পাশের ফেন্সিডিল ও ইয়াবার ব্যবসা চালু রেখেছে। এই বিষয়টি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আনা দরকার, প্রধানমন্ত্রী টু প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের কুটনীতিতে তো বটেই।

আধুনিক বিশ্বের দ্বিপাক্ষিক রাষ্ট্রীয় সম্পর্কে দুর্বল বা অসচেতন অথবা দুর্বল শাসনে থাকা কিংবা মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবে পশ্চাৎ পদ প্রতিবেশীকে এইভাবে বুদ্ধি হীন ও মেধা হীন করার চক্রান্তের নমুনা বিরল। এই অপ তৎপরতার আন্তর্জাতিক মনোযোগ চাই। বন্ধ তো বটেই। তবে বাংলাদেশকেই এই উপলভদ্ধি ও বোধ জন্মাতে হবে সবার আগে।

৭| ২২ শে মে, ২০১৮ রাত ১১:৫৩

অনুতপ্ত হৃদয় বলেছেন: শাস্তির আওয়াতায় আনবে?

২৭ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৮

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: আমাদের দাবী হচ্ছে, ক্রসফায়ার হত্যা না করে স্থায়ীভাবে স্থানীয় আইনে বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মদদ বন্ধ হোক। তাইলে গডফাদার গড়ে উঠবে না।

মূল গডফাদারদের রক্ষা করে তৃনমূল কিছু ব্যবসায়ী হত্যা (তাও জানার উপায় নেই তারা আসলেই মাদক ব্যবসায়ী কিনা!) করে আসলে পুরানো সিস্টেম কে ভেঙে নতুন মাদক চালান সাপ্লাই চেইন তৈরির নামান্তর।

৮| ২৩ শে মে, ২০১৮ ভোর ৫:৫১

সোহানী বলেছেন: কিছু বলে কোন লাভ নাই........

২৭ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৫

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: তার পরেও প্রতিবাদীর স্বর কিংবা মজলুমের ডাক পৌঁছে দিতে হবে ক্ষমতার উচ্চ স্তরে, যতটুকু সম্ভব।
আমাদের জাগতে হবে, চারদিক জাগাতে হবে।

৯| ২৩ শে মে, ২০১৮ ভোর ৬:১৪

অক্পটে বলেছেন: সরকার ও এর মন্ত্রীরা চায়না মাদকের অবসান হোক। যা কিছু হচ্ছে এটা অবশ্যই মাদক নিয়ন্ত্রণের জন্য নয়। এখানে হাসিনার অন্য কুটকৌশল জড়িত।

২৭ শে মে, ২০১৮ রাত ৮:০৭

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: শুভ বোধ জাগ্রত হোক, খুব দ্রুত।

১০| ২৩ শে মে, ২০১৮ দুপুর ২:৩৫

আখেনাটেন বলেছেন: ছবিটিই অনেক কিছু বলছে। এ দেশে মাদকের নাশ হবে কীভাবে সর্ষের ভিতরে ভূত থাকলে?

এই ইয়াবা এখন গ্রামে-গঞ্জেও পাওয়া যাচ্ছে সহজেই। মহামারীর আকার ধারণ করেছে। আর সরকার বাহাদুর এর গোড়া না কেটে আগা ছাটার ব্যবস্থা করছে ক্রসফায়ারের মাধ্যমে।

কারণ গোড়া কাটতে গেলে অনেকের অনেক কিছুই কেটে যাবে? তাই সেদিকে তেনাদের চোখ নেই। আজব এক দেশ! আজব আমাদের নেতারা! আজব আমরা নিজেরাও!

২৭ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৩

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: ইয়াবা এখন গ্রামে-গঞ্জেও পাওয়া যাচ্ছে সহজেই। মহামারীর আকার ধারণ করেছে।

এটা বিপদের সর্বশেষ স্তর।

আপনি মেধা ব্যবস্থাপনার দিকে তাকালে দেখবেন, আগে বিশ্ববিদ্যালয় গুলোকে প্রায় ৫০ ভাগ এর কাছাকাছি গ্রামীণ কিংবা মফঃস্বল শহুরে ছাত্র ছাত্রী থাক্তো, এই ছাত্র ছাত্রীদের বিশিষ্ট ছিল, এরা সময়ের সাথে ভালো করা শুরু করে। অর্থাৎ প্রথম দিকে কিছুটা পিছিয়ে থাকে কিন্তু ৩য়,৪র্থ বর্ষে গিয়ে এমেইজিং রেজাল্ট করে।

আজকের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়য়ে দেখুন, গ্রামীণ ছাত্র ছাত্রী ভয়ংকর ভাবে কমে গেছে।

না করছে তারা পারিবারিক কৃষি, না আসছে তারা মেধায়।



আর সরকার বাহাদুর এর গোড়া না কেটে আগা ছাটার ব্যবস্থা করছে ক্রসফায়ারের মাধ্যমে। কারণ গোড়া কাটতে গেলে অনেকের অনেক কিছুই কেটে যাবে? তাই সেদিকে তেনাদের চোখ নেই। আজব এক দেশ! আজব আমাদের নেতারা! আজব আমরা নিজেরাও!

১১| ২৫ শে মে, ২০১৮ সকাল ৯:৪৯

করুণাধারা বলেছেন: আমি যা বলতে চেয়েছিলাম তা আখেনাটেন সুন্দরভাবে বলে দিয়েছেন।

বরাবরের মতই আপনার থেকে একটি তথ্যসমৃদ্ধ পোস্ট পেলাম। এই পোস্ট নিঃসন্দেহে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতনতা কিছু বাড়াবে। কিন্তু দেশে মাদক বিস্তার কমবে বলে মনে হয়না।

২৭ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫১

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: আখেনাটেন সুন্দরভাবে বলেছেন, সহমত।

এটাও ভাবনার বিষয় যে, মোবাইল ফোন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কেন্দ্রিক ইয়াবা বা অন্য মাদকের ব্যবসার বাজারজাতকরণ এতটাই সহজ হয়ে গেছে যে, মাদকের বিস্তার কমবে বলে মনে হয়না।

তবে বিটিআরসি'র "ল ফুল ইন্টারসেপ্ট" টিমকে ফেইসবুকে সরকার বিরোধী কিংবা রাজনৈতিক ব্যক্তি আক্রমণের পোষ্ট হাতানোর কাজে না জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ ও ইন্টারনেটের মধ্যামে কিভাবে মাদক ব্যবসা হচ্ছে তার মূল খোঁজায় ব্যবহার করা যায়।

শুধু রাজনৈতিক স্বদিচ্ছাই পারে মাদকের বিস্তার ঠেকাতে। গডফাদারদের ছেড়ে দিয়ে অপ্রমাণিত কিছু মাদক ব্যবসায়ী হত্যা করলে কোনই ফায়দা হবে না। অন্যদিকে প্রতিবেশী দুটি দেশের বর্ডার গার্ডকেও সীমান্তের ওপারে মাদক কারখানা চালু রাখার জন্য কূটনৈতিক চ্যানেলে আনুষ্ঠানিক ভাবে শাসাতে হবে।

১২| ২৭ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৯

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
সময়পযোগী লেখাটি স্টিকি করায়
সামু কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ।
সরকার সঠিক পদক্ষেপ নিয়েছেন
মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
সাধুবাদ জানাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।

২৭ শে মে, ২০১৮ রাত ৮:০৬

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: শুভ বোধ জাগ্রত হোক, খুব দ্রুত।

১৩| ২৭ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৫:০৩

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: মাদকের সাথে জড়িত সবার উপযুক্ত শাস্তি দরকার।মাদকের বিরুদ্ধে আঈন আরও কঠিন করতে হবে।

২৭ শে মে, ২০১৮ রাত ৮:০২

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: মাদকের সাথে জড়িত সবার উপযুক্ত শাস্তি দরকার।

১৪| ২৭ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৫:১২

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ, সল্প সময়ে এই বিষয়ে লেখার জন্য। সামহোয়্যারইন ব্লগের ব্লগাররা যে কোন জাতীয় প্রয়োজনে সর্বদা অগ্রণী ভুমিকা পালন করেছে, সেটা হোক অনলাইনে কিংবা অফলাইনে। মাদক একটি সর্বনাশের নাম, একটি দেশের বিরুদ্ধে অঘোষিত যুদ্ধের নাম হচ্ছে এই মাদক। তাই আমাদেরকে এই বিরুদ্ধে সচেতন হতেই হবে।

২৭ শে মে, ২০১৮ রাত ৮:০৪

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: পোষ্ট খানা স্টিকি করায় সামহোয়্যারইন ব্লগকে আন্তরিক ধন্যবাদ।
সচেতনতা ছড়িয়ে যাক।
বাংলাদেশের যুবসমাজ মাদক থেকে মুক্তি পাক!

১৫| ২৭ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৫:১৪

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: পাশাপাশি অনুরোধ রইল, এই বিষয়ে যে কয়টি ভালো পোস্ট প্রকাশিত হয়েছে, তা আপনার পোস্টের শেষে সংযুক্ত করে দেয়ার জন্য।

২৭ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৩

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: এই পরামর্শটির জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমি নিশ্চয়ই সময় করে এই কাজটি করে দিব। সহব্লগারদের আন্তরিক প্রচেষ্টা গুলোকে সামারি আকারে দিতে পারলে জন গুরুত্বপুর্ণ বিষয়টা গভীরতায় পৌঁছাবে।

১৬| ২৭ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৯

দিলের্‌ আড্ডা বলেছেন: মাদকের ছোবল থেকে জাতিকে যেভাবেই হোক রক্ষা করতে হবে। আশা করি কোনো সরকারই এ বিষয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধাবোধ করবে না।

২৭ শে মে, ২০১৮ রাত ৮:০৬

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: মাদকের ছোবল থেকে জাতিকে যেভাবেই হোক রক্ষা করতে হবে।আশা করি কোনো সরকারই এ বিষয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধাবোধ করবে না।

শুভ বোধ জাগ্রত হোক, খুব দ্রুত।

১৭| ২৭ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৯

জোকস বলেছেন: বিষয়টি নজরে আনার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।

২৭ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৬

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: বিষয়টি নজরে আনার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।

১৮| ২৭ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৩

নায়না নাসরিন বলেছেন: গ্রামে গন্জে ছেয়ে গেছে মাদক। আমাদের শহরে কেহ বাকি নাই মাদক সেবনে।
সচেতনতামুলক লিখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ভাইয়া। ++++++

২৭ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৪

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: ধন্যবাদ, আপনাকেও। নিজের চারপাশের পরিবেশকে মাদক মুক্ত রাখতে সচেতন থাকুন প্লিজ।

১৯| ২৭ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সবাই জানে সত্য সবাই মানে সত্য কিন্তু সত্য বলার কেউ নাই!

বরাবরের মতোই দারুন পোষ্টে +++

দেখা যাক অকালবোধিত ঝড় কোথা গিয়ে শেষ হয়!!!!!

২৭ শে মে, ২০১৮ রাত ৮:০৫

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: সচেতনতা ছড়িয়ে যাক। যুবসমাজ মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্তি পাক!

২০| ২৭ শে মে, ২০১৮ রাত ৯:০৯

জুন বলেছেন: মাদক সম্রাটদের সিংগাপুর থাইল্যান্ডের মত সোজা মৃত্যুদন্ডই হোক এদের শাস্তি। জেলে বসেও মনে হয় এরা এই ব্যবসা চালিয়ে যাবে। মাদক একটি সুশিক্ষিত সচ্ছল পরিবারকে কিভাবে শেষ করে দেয় তা আমার নিজ চোখে দেখা।
আপনার লেখায় সচেতন হোক যুব সমাজ এটাই প্রত্যাশা রইলো ।
+

২৭ শে মে, ২০১৮ রাত ১০:৪১

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: স্বচ্চ বিচারের প্রক্রিয়ায় সমাজ ও রাষ্ট্রের বিবেক সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মাদক সম্রাট বা গডফাদার বা শীর্ষ মাদক পাচারকারীকে ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট দিতে পারে, সেখানে আপত্তির যায়গা কিছু থেকে গেলেও ঐক্যমত্তের জায়গাই বেশি হবে।

পুলিশ প্রশাসন, নারকটিক্স, এদের সোর্স (এই তিনের যোগ সাজশই মূল মাদক বাজারজাত সহয়াতাকারী) বিচার ব্যবস্থা ও গডফাদার রাজনৈতিক নেতারা নিজ নিজ অর্থ যোগের কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট পিছনে ফেলে স্বচ্চ বিচার করতে সাহস করলে, মাদক সংশ্লিষ্ট উচ্চ পর্যায়ের অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট বরং সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা পাবে।

২১| ২৭ শে মে, ২০১৮ রাত ৯:২০

জুন বলেছেন: আর এর প্রধান একটি কারন হলো আমাদের যুব সমাজের চোখের সামনে কোন লক্ষ্য সৃষ্টি করতে পারেনি কোন রাজনৈতিক দল । ছেলেমেয়েরা জানেনা তারা পড়ালেখা শেষ করে কি করবে ? কি আছে তাদের ভবিষ্যতে ? রাজনৈতিক দলের কুকুরের মত খেওখেয়ি দেখেই তারা বড় হচ্ছে । জীবিকার সব পথ রুদ্ধ তাদের । এজন্য প্রয়োজন একজন সত্যিকারের ভিশনারি নেতৃত্ব । তার অভাব আমাদের সমাজের আজ এই অবস্থা । দিকদিশাহীন যুব সমাজকেই আজ তাই মাদক সম্রাটরা টার্গেট করে তাদের সাম্রাজ্য বিস্তার করেছে সমাজের সর্বস্তরে । আর আমাদের পচা গলা আদর্শহীন রাজনীতিবিদরা প্রতিবেশী দেশের ভাগাড়ের পচা মাংস খাওয়ার মতই মাদক থেকে আসা নোংরা টাকার দিকে লোভী শকুনের মত ঝাপিয়ে পরেছে।

২৭ শে মে, ২০১৮ রাত ১০:৩২

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: আপু, আপনার অতি প্রাসঙ্গিক উচ্চ মান মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। আমি এটাকে মূল লিখায় উঠিয়ে এনেছি নিচের প্যারার আদলে-

১। আমাদের যুব সমাজের চোখের সামনে মানব সম্পদ পরিচর্যা ও কর্মসংস্থান তৈরির কোন ট্রান্সপারেন্ট লক্ষ্য ও প্রক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারেনি কোন ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল। আমাদের ছেলেমেয়েরা জানেনা তারা পড়ালেখা শেষ করে কি করবে ? কি আছে তাদের ভবিষ্যতে? রাজনৈতিক দলের দখল লূট সন্ত্রাস চাঁদা ও বেপারোয়া অর্থ লোপাট কেন্দ্রিক পাশবিক দুর্বিত্তপনা ও হিংশ্রতা দেখে দেখেই তারা বড় হচ্ছে একটির পর আরেকটি প্রজন্ম। এখানে জীবিকার প্রায় সবকটি মেধাভিত্তিক এমনকি শ্রম নির্ভর সরল পথও হয় ইচ্ছাকৃত রাজনৈতিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় কঠিন করে তোলা হয়েছে অথবা একেবারেই রুদ্ধ করে স্বজনপ্রীতি ও ঘুষের জন্য বরাদ্দ করে রাখা আছে।

ডিপ্রেসড এমপ্ল্যমেন্ট এবং মানহীন কর্মপরিবেশের ভয়ংকর চাপ ও উৎকণ্ঠার ইকোনমিতে মধ্য ও নিম্নবিত্তের চাকরি পাবার, চাকরি পেলেও সেখানে উপরে উঠে আসা আশা নাই। বরং মধ্যবিত্ত আস্তে আস্তে সংকুচিত হয়ে নিম্নবিত্ত হচ্ছে। সামাজের জীবন মান কষ্ট সাধ্য ও শ্রম ঘন ক্লান্তির হয়ে পড়লে আশাহীন মানুষ কেমিক্যাল একসটেসিতে মুক্তি খুঁজবে সেটাও স্বাভাবিক।

২। মাদক ব্যবসা সরকারী দল গুলোর সন্ত্রাসী ছাত্র ও যুব উইং কে লালন পালন করার অন্যতম প্রধান ইকোনমিক ফাউন্ডেশন। বলা যায় উন্নয়ন বাজেট লুট, চাঁদাবাজি এবং মাদক এই তিনের উপর ক্ষমতাসীনদের সব সন্ত্রাসী উইং গুলি আর্থিক ভাবে দাঁড়িয়ে উঠে। দিকদিশাহীন যুব সমাজকেই আজ তাই মাদক সম্রাটরা টার্গেট করে তাদের সাম্রাজ্য বিস্তার করেছে সমাজের সর্বস্তরে। আমাদের আদর্শহীন দুর্বিত্ত রাজনীতিবিদরা প্রতিবেশী দেশ দুটোর ভাগাড়ের পচা মাংস খাওয়ার মতই মাদক থেকে আসা নোংরা টাকার দিকে লোভী শকুনের মত ঝাপিয়ে পড়েছে।

এই উত্তরণের জন্য প্রয়োজন সত্যিকারের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ভিশনারি নেতৃত্ব। দরকার সমাজের ব্যাপক মানুষের একসাথে জেগে উঠা।

২২| ২৭ শে মে, ২০১৮ রাত ৯:৩৫

সামছুল মালয়েশিয়া প্রবাসী বলেছেন: কিছু দিন আগে আমাদের দেশে চলেছে জংগি নাটক, আর এখন শুরু হয়েছে মাদকবিরোধী নাটক।।

২৭ শে মে, ২০১৮ রাত ১০:৫৬

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: শুভ বোধ জাগ্রত হোক, খুব দ্রুত।

২৩| ২৭ শে মে, ২০১৮ রাত ৯:৩৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: তথ্য সমৃদ্ধ এমন একটি পোস্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। সরকার খুব সম্ভবত বহির্বিশ্বে দেঝাতে চাচ্ছে যে তারা ফিলিপাইনের সরকারের মত মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী। কিন্ত্ আদতে যে লাশ পড়ছে কেবল চুনোপুটিদের সেটা কেবল আমরাই বুঝতে পারছি।

মাদকের বিরুদ্ধে এই লোক দেখানো অভিযান মুলত বিরোধী দল দমন, নির্বাচনের প্রাক্কালে জনমনে একটা আতংক ছড়ানোর উদ্দেশ্যেই করা হচ্ছে বলে মনে হয়।

২৭ শে মে, ২০১৮ রাত ১০:৪৪

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: পুলিশ প্রশাসন, নারকটিক্স, এদের সোর্স (এই তিনের যোগ সাজশই মূল মাদক বাজারজাত সহয়াতাকারী) বিচার ব্যবস্থা ও গডফাদার রাজনৈতিক নেতারা নিজ নিজ অর্থ যোগের কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট পিছনে ফেলে স্বচ্চ বিচার করতে সাহস করলে, মাদক সংশ্লিষ্ট উচ্চ পর্যায়ের অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা পাবে।

তবে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী এই কথা বলে আদতে যে লাশ পড়ছে তা কেবল চুনোপুটিদের, আবার এমন কোন স্বচ্চ অপরাধীর তালিকা করার প্রক্রিয়া তৈরি হয়নি যেখানে আমরা নিশ্চিত হতে পারতাম যে এরাই মাদক ব্যবসায়ী। ফলে মূল গডফাদারদের টিকিয়ে রেখে মাঠ পর্যায়ের কিছু ব্যবসায়ী হত্যা এই জিরো টলারেন্স নীতির প্রতারণা হিসেবেই বিবেচিত হবে।

২৪| ২৮ শে মে, ২০১৮ রাত ১২:৩৩

হবা পাগলা বলেছেন: সুন্দর পোস্টের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
ব্লগে আমি নতুন। আমার ব্লগটা একটু ঘুরে আসার নিমন্ত্রণ রইলো।

২৮ শে মে, ২০১৮ রাত ১২:৫৩

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ। শুভ ব্লগিং।

২৫| ২৮ শে মে, ২০১৮ রাত ১:২৭

ইব্‌রাহীম আই কে বলেছেন: মাদক বা এই জাতীয় নেশাদ্রব্য সমাজ থেকে কখনোই নির্মূল করা সম্ভব না। আমরা যদি নির্মূল (নির্মূল, আদতে এই অভিযানগুলো হাইলাইটসয়ে আসার জন্য করা হয়। দুইদিন পর যেই সেই।) করার জন্য ব্যবস্থা না নিয়ে এগুলো নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্যবস্থা নিতে পারি তাহলে হয়তো দেশ অনেকাংশেই এসব থেকে মুক্তি পাবে।

২৯ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৪:৩১

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: প্রভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর!

২৬| ২৮ শে মে, ২০১৮ রাত ২:১৭

সাহাবুব আলম বলেছেন: বিচার বহিরভূত হত্যা কখনো সমাধান নয় সর্মথন যোগ্য ন্য ।
আইন শৃঙ্খলা বাহিনী আচরন,
প্রায় সময় প্রশ্নবিদ্ধ ।

২৯ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৮

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: এই ধারা আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলোকে সন্ত্রাসী বানিয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে। দেশে তাদের চেয়ে বড় কোন সন্ত্রাসী নেই। যা হয় তাদের আশ্রয়ে পস্রয়ে কিংবা সরাসরি হচ্ছে।

২৭| ২৮ শে মে, ২০১৮ রাত ৩:৪৩

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: ইয়াবা ব্যবসায়ী ও ইয়াবা সেবন কারী দুই জন ই সমাজের শরু দেশের শত্রু তাদের উপযুক্ত বিচার হয়ওয়া সচেতন নাগরিকদের কাম্য। বিচার বহির্ভূত হত্যা কান্ড এই সরকার এর জন্য প্রযোজ্য নয়। ক্ষমতার অপব্যবহারে এদের জুড়ি মেলা ভার। এরা উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে ক্রসফায়ার করে প্রতিপক্ষের ক্ষতিসাধন করবে।যারা গণতন্ত্র হরণ করেছে তারা সব কিছু হরণ করতে পারে।

দারুন পোস্ট। তথ্য বহুল সময়োপযোগী পোস্ট।

৩০ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৩:১২

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সেলিম আনোয়ার ভাই।

২৮| ২৮ শে মে, ২০১৮ সকাল ৭:৩২

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: মাদকদ্রব্যের কুফল নিয়ে বেশি করে লেখালেখি হ ওয়া দরকার। দলমত নির্বিশেষে সবাই এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে মাদকবিরোধী অভিযান সফল হবে।

২৮ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৪

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: মাদকদ্রব্যের কুফল নিয়ে বেশি করে লেখালেখি হ ওয়া দরকার। দলমত নির্বিশেষে সবাই এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে মাদকবিরোধী অভিযান সফল হবে।

২৯| ২৮ শে মে, ২০১৮ সকাল ৮:০৮

ভবিষ্যত বলেছেন: দেশে সর্ব প্রথম আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, সরকারের জবাবদিহিতা আর মানুষের স্বাধীনভাবে ভোটের নিশ্চয়তা ঠিক করতে হবে। আর সেটা না হলে... মায়ানামার - ইয়াবা আর ভারত ফেনসিডিল দিয়ে সোনার বাংলাকে .....মাদকের স্বর্গরাজ্য বানাবে... ধন্যবাদ চমতকার লেখার জন্য

৩১ শে মে, ২০১৮ রাত ২:৫১

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: প্রথম আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, সরকারের জবাবদিহিতা আর মানুষের স্বাধীনভাবে ভোটের নিশ্চয়ত বহু জরুরি কাজের মধ্যে প্রথমদিকের প্রায়োরিটির কাজ। আসলে একটা সিস্টেমকে সঠিক ভাবে ফাংশন করাতে হলে তার সবগুলো উইংকেই সচল ও সক্ষম রাখা চাই।

৩০| ২৮ শে মে, ২০১৮ সকাল ৮:১৭

দীপঙ্কর বেরা বলেছেন: সচেতন পোষ্টের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ

৩০ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৩:১১

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: আপনাকও ধন্যবাদ

৩১| ২৮ শে মে, ২০১৮ সকাল ৮:৫৪

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: এ হলো ভানুমতির খেল। মাদকের ব্যবসা ও ব্যবহার কখনোই বন্ধ হবে না। পুরো জাতির নৈতিক চরিত্রের ভয়াবহ অধঃপতন ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে ক্রসফায়ার বা অন্য কোন পদ্ধতিতেই এটা নির্মূল করা সম্ভব না।

০৬ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ২:৫০

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: ১। স্রেফ কুসঙ্গের বাইরেও বেকারত্ব, কর্মহীনতা, নিন্ম মজুরি, কষ্টের জীবন এবং সামাজিক পারিবারিক ব্যক্তিগত সম্পর্কে তিক্ততা এইসব বেশ কিছু মৌলিক আর্থ সামাজিক কারণ আছে মাদকাসক্তি বিস্তারের পিছনে। এই আর্থিক ও সামাজিক কারণগুলো সামাধান না করে গডফাদার মারলেও খুব বেশি কাজ হবে না।
২। সমাজের নৈতিক অবক্ষয় চূড়ান্ত। হাতে হাতে পর্ণ ও মাদক, এমনকি আগ্নেয় অস্ত্রও! এখান থেকে ইউ টার্ণ কিভাবে করবে আমাদের সমাজ তার বোধ জন্মাতে হবে।
৩। কাজ হবে পুরো সাপ্লাই চেইন ভেঙে দিতে পারলে, এবং নতুন সাপ্লাই ব্যবস্থা না দাঁড়াতে দিলে। মাদক নিয়ন্ত্রণ বিভাগ ও পুলিশ প্রশাসনকে রাজনৈতিক চাপ হীন ভাবে নির্দিস্ট টার্গেট সহ কাজ করতে দিলে কাজ হবে।
৪। আপনি ১০ বছর ধরে জেনে শুনে উপরি খেয়ে গডফাদার তৈরি করলেন, গডফাদারদের তালিকা পুলিশ প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছে ব্যবস্থা নেননি, এখন এসে কিছু চুনোপুঁটি ধরছেন এবং তাও গডফাদারদের আড়াল করে। এতে কি হবে, কিছু দিন পর গডফাদাররা নতুন সাপ্লাই চেইন তৈরি করবে। রাজনৈতিক নেতারা যারা চাঁদাবাজি নির্ভর আয় করে তাদের জন্য নতুন উপার্জনের মাধ্যম দাঁড়া হবে।
৫। মাদকাসক্তের নিরাময় ব্যবস্থা, আত্বিক উন্নতি ও পরিচর্যার কাঠামো দাঁড়া করাতে হবে।

৩২| ২৮ শে মে, ২০১৮ সকাল ৯:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: গডফাদারের লেয়ারে যারা যারা আছে তাদেরকেই সবার প্রথমে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
সহমত।

অনেকদিন পর ব্লগে একটি লেখা স্টিকি করা হলো।

৩৩| ২৮ শে মে, ২০১৮ সকাল ৯:৩১

Sujon Mahmud বলেছেন: কবি এখানেই নিরব

৩৪| ২৮ শে মে, ২০১৮ সকাল ১১:২৩

বিজন রয় বলেছেন: আপনার পোস্ট মানেই সমাজের আয়না। সে আয়নায় সমাজের ভাল-মন্দটা দেখতে পাই।
অনেক ধন্যবাদ এমন পোস্ট দেওয়ার জন্য।

২৮ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪০

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: মন্তব্যে ভালো লাগা। আপনারাই অনুপ্রেরণা, অনন্ত!

৩৫| ২৮ শে মে, ২০১৮ সকাল ১১:৪৯

তারেক ফাহিম বলেছেন: অনেকদিন ব্লগে মন্তব্য করতে পারিনি, আমার সমস্যা ব্লগ কর্তৃপক্ষের নয়।

লাইনে সমস্যার কারনে এমনটি হল।

প্রায় একমাস পর প্রথম আপনার ব্লগে মন্তব্য করতে পারছি।

গনসচেতনমুলক পোষ্ট।

৩০ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৩:১৩

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার ও মন্তব্যের জন্য।।

৩৬| ২৮ শে মে, ২০১৮ সকাল ১১:৫১

সৈয়দ ইসলাম বলেছেন:

সুখকর খবর, রাজধানীসহ সারাদেশে মাদক বিরোধী অভিযানে নিহত ৮

সত্যিকার অর্থে এরা যদি মাদক ব্যবসায়ী বা মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকে, তবে অবশ্যই এটা ভাল কাজ কিন্তু আমাদের পুলিশদের উপর কতটুকু ভরসা করা যায়!

দেশ থেকে মাদক উচ্ছেদ করতে হলে মূল মাথাদের সরিয়ে দিতে হবে, সেই সাথে সতর্কতা সৃষ্টি করতে হবে।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব ভাই,
আপনার এ সতর্কতা মূলক পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
শুভকামনা দেশ ও দেশের মানুষের জন্য।

২৯ শে মে, ২০১৮ দুপুর ২:৫৯

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: শুভকামনা দেশ ও দেশের মানুষের জন্য।

০১ লা জুন, ২০১৮ রাত ১০:০৫

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: Click This Link

৩৭| ২৮ শে মে, ২০১৮ দুপুর ১২:১৮

মোহাম্মদ মজিবর রহমান বলেছেন: মাদক আর দূর্নীতি,দুটোই আমাদের ধংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে,দুটোতেই রাঘব-বোয়ালরা জড়িত,এসব নির্মূলে দল-মতের দিকে তাকালে কাজের কাজ কিছুই হবে না।তাই এসব নিধনে সেনা বাহিনী নিয়োগ দিলে কাজ হবে মনে হয়।

২৮ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৯

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: মাদক আর দূর্নীতি,দুটোই আমাদের ধংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে,দুটোতেই রাঘব-বোয়ালরা জড়িত,এসব নির্মূলে দল-মতের দিকে তাকালে কাজের কাজ কিছুই হবে না। সহমত।

বিডি আর এর পাশাপাশি, বর্ডারে সেনা নিয়োগ দিলে তাদেরকেও বিচারের জন্য জবাবদিহি করে নিয়োগ করতে হবে, তারা ক্রসফায়ার করতে পারবে না, ধরে ধরে আদালতে সমর্পণ করবে, অন্যথায় তারাও বখরা খোরে পরিণত হবে।

তবে সেনার কাজ বর্ডারে হওয়া উচিৎ, দেশের অভ্যন্তরের কাজ স্বাভাবিক আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকেই করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের নিজ নিজ স্কোপ অফ এরিয়া ঠিক রাখতে হবে। নাইলে সেনা তুলে নিলে আবার যেই সেই। পুলিশ ও তাদের সোর্স, গডফাদারদের আগে আইনের আওতায় আনতে হবে, স্বাভাবিক নিয়মে বিচার করে বিচারের সংস্কৃতি এস্টাব্লিশ করতে হবে।

৩৮| ২৮ শে মে, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৯

মোঃ খুরশীদ আলম বলেছেন: মাদক, দুর্নীতিসহ সকল অপকর্মের মূল উৎপাটনে প্রশাসন থেকে শুরু করে ব্যাক্তি ও পারিবারিক জীবনে মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সঃ) এর নীতি ও আদর্শের অনুসরনের কোন বিকল্প নাই।
► লোভ, হিংসা, অহংকার, রাতারাতি বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন ত্যাগ করতে হবে।
► সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে শিক্ষিত বেকার, অশিক্ষিত সকল শ্রেণীর যোগ্যতা ভিত্তিক কর্মসংস্থান তৈরী করতে হবে।
আপনার আর্টিকেলটি সত্যিই ভাল লেগেছে। সবাই যদি এ থেকে কিছুমাত্র সচেতন হয় তবেই গড়ে উঠবে সুন্দর আগামী। ধন্যবাদ।

২৮ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৩

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩৯| ২৮ শে মে, ২০১৮ দুপুর ১:০৭

মাকামে মাহমুদ বলেছেন: কিছু বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি ।
আপনার কাছে একটা বিষয়ে জানার ছিল ।

৪০| ২৮ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৩:৪০

মোঃ ওমর ফারুক ১৯৮৮ বলেছেন: ক্রস ফায়ারে স্থায়ী কোন সমাধান আসবে না।
আমি জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনষ্টিটিউটে দেখেছি ডাক্তারদের আন্তরিকতার অভাব। দায়সারা গোছের চিকিৎসা। অনেক ছাত্র এখন ইয়াবা আক্রান্ত। কিন্তু তারা চিকিৎসা নিতে পারছে না পরিবার বা সমাজ জেনে ফেলেবে এ ভয়ে। আমার মতে সরকারের উচিত হবে ফেসবুক, ইমো অথবা অন্যকোন সামাজিক মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। অনলাইন মাধ্যমে মেন্টাল কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করা। যার ফলে মাদক সেবীর অনেক বড় একটা অংশ উপকৃত হবে বলে আমি মনে করি।

২৮ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৫:০৭

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: আমি জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনষ্টিটিউটে দেখেছি ডাক্তারদের আন্তরিকতার অভাব।

আমাদের মাদকাসক্তকে স্রেফ ঘৃণা করা হয়, এই জন্য যে কারো জন্য স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা দুষ্কর। নিরাময় এবং পুনর্বাসন ফ্যাসিলিটি আসলেই সীমিত। অনেকেই দেখেছি স্টান্ডার্ড হীন কাউন্সেলিং এ গিয়ে আরো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

এই সবগুলো দিকেই নজর দেয়া দরকার, আন্তরিকতার সাথে।

৪১| ২৮ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হলে সবচেয়ে আগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে। রোহিঙ্গা বিষয়ে সমাধানে আসতে হবে। মাদক মুলত পাচার হয় রোহিঙ্গা নারী ও শিশু দ্বারা। প্রতিদিন ৬০টি শিশু জন্ম দেয়া রোহিঙ্গাদের জনবিস্ফোরন ঠেকানো না গেলে সামনে অবস্থা আরো ভয়াবহ হবে। রোহিঙ্গারা মিয়ান্মারে ফেরত না যাওয়া পর্যন্ত কোন বাচ্চা বাংলাদেশে জন্ম দিতে পারবে না, এ ধরনের একটি কঠিন নিয়ম চালু করতে হবে। যে সব দেশের কাছে এই নিয়ম অমানবিক মনে হবে তাদের আহবান জানাতে হবে রোহিঙ্গাদের তাদের দেশে নিয়ে যেতে।

ক্রুস ফায়ারে যদি বদিকেও মেরে ফেলা হয় তবেও স্থায়ী সমাধান আসবে না। দুইদিন পরেই আরেক বদি তৈরী হবে।

২৮ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৩

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: দুটো প্যারালালি করতে হবে-
১। বদি দের স্বাভাবিক বিচারের প্রসেস এস্টাব্লিশ করতে হবে, যাতে এই বিচারের জন্য রাষ্ট্রের সর্বচ্চো ব্যক্তির অনুমতি না লাগে।
২। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান সহ, সীমান্ত এলাকায় কর্মসংস্থান নিয়ে কাজ করতে হবে। সীমান্তে ব্যাপক উদ্বাস্তু এবং বেকার লোক রেখে মাদক সমস্যা সমাধান করা যাবে না।

৪২| ২৮ শে মে, ২০১৮ রাত ৯:০৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: এক নিরুদ্দেশ পথিক ,




শুধু গাছের ডাল কাটলেই গাছ মরেনা । মরে, গোড়া থেকে কেটে দিলে । অথচ ডালকাটারই ঘটা চলছে , গাছের গোড়া আগলে রাখা হয়েছে ।
পোস্টের শিরোনাম সর্বনাশা মাদকের করাল ছোবল- শহর ও গ্রাম অপরাধের স্বর্গরাজ্য, ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে তরুণ ও যুবসমাজ!
এদেরকে বাঁচাতে হলে গাছের গোড়া কাটতেই হবে । শুধু ডাল কাটলে আবার নতুন নতুন ডালপালাই গজাবে । যেই লাউ সেই কদু ........................

২৯ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৪:২৪

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: তরুণ ও যুবাদের বাঁচাতে হলে মাদক সম্রাজ্যের গাছের গোড়া কাটতেই হবে, শুধু ডাল কাটলে আবার নতুন নতুন ডালপালাই গজাবে ।

৪৩| ২৮ শে মে, ২০১৮ রাত ১০:৩১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: আপনার পো‌স্টে অসংখ্য ভা‌লো লাগা জা‌নি‌য়ে গেলাম। সাহসী পোস্ট।

৩০ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৫

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ

৪৪| ২৯ শে মে, ২০১৮ সকাল ১১:৫৫

আকতার আর হোসাইন বলেছেন: ভালো লাগলো। সময়োপযোগী একটি পোস্ট। অসংখ্য ধন্যবাদ....

আর মাদক রোধের কথা কি বলব। মূল হোতাদের কিছু না বলে তার সাঙ্গ পাঙ্গ সাধারণ ব্যবসায়ীদদের ক্রসফায়ারে মেরে কোন লাভ নাই। মূল হোতারা যতদিন আছে ততদিন মাদক চলবেই। আজকে যারা ক্রসফায়ারে মরছে তাদের অবস্থানটা নতুন ব্যবসায়ীররা দখক করবেনিনিশ্চিত...

২৯ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৩:০২

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: মূল হোতাদের কিছু না বলে তার সাঙ্গ পাঙ্গ সাধারণ ব্যবসায়ীদদের ক্রসফায়ারে মেরে কোন লাভ নাই। মূল হোতারা যতদিন আছে ততদিন মাদক চলবেই। আজকে যারা ক্রসফায়ারে মরছে তাদের অবস্থানটা নতুন ব্যবসায়ীররা দখক করবে নিশ্চিত...

এটাই বড় ভয়।

এর বাইরেও আরেকটা বিষয় নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে, তা হল সীমান্ত এলাকার নাগরিকের বেকারত্ব কমাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টির টেকসই পথ বের করতে হবে এবং এইসব এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকান্ড জোরদার করতে হবে।

৪৫| ২৯ শে মে, ২০১৮ দুপুর ১:০৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: ফেসবুকে প্রকাশ - বদি পবিত্র ওমরাহ্‌ পালন করতে সৌদিআরব গেছে।

২৯ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৪:৩০

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: দুর্বিত্ত পন্থায় টাকা কামিয়ে আর্থিক ভাবে ফুলে উঠে তা দিয়ে দানশীলতা করা, প্রার্থনা করা এবং সবশেষে জনপ্রিয়তা কামিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটার যে ভয়ংকর ট্রেন্ড এটা যে কোন মূল্যে বন্ধ করতে হবে। এই রোগে আক্রান্ত দলগুলো টপ ঠেকে বটম, সবাই।

রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার নিয়ে কথা বলার শুরুতেই এই দিকটিকেই হাইলাইট করতে হবে। বাংলাদেশের রাজনীতির প্রতিটি হীন ও পাপিষ্ঠ বাঁকে ধর্মকে ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ৯৬ তে এই হীন কাজ করেছেন। প্রতিটি দলই মাজার জিয়ারত করে নির্বাচন শুরু করে, পাশ করেই চুরিতে নামে। এই বেল্লাপণার অবসান কবে হবে?

৪৬| ২৯ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৯

সনেট কবি বলেছেন: কষ্ট করে এমন একটা পোষ্ট দিয়ে দেশ প্রেমের পরিচয় দিয়েছেন।

২৯ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৪:২৪

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

৪৭| ২৯ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৩

রোকনুজ্জামান খান বলেছেন: আমদের দেশ আর কত শোষন করবে তারা ।

৪৮| ২৯ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৫

কাওছার আজাদ বলেছেন: তালিকার ৩২ নাম্বারে থাকা মৌলভি আজিজের মতো আমাদের এদিকও একজন ইয়াবা ব্যবসায়ী আছে। সেও বেশ দান করে। রাত্রে নিজেকে সেইফ রাখার জন্য ফুল ভলিউমে মাইকে রিকোর্ডিং ওয়াজ লাগে দেয়। এছাড়াও এখন সে একটা কওমী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করতেছে। এরা মানুষ নাকি এলিয়েন, তা আল্লাহ্ পাকই ভালো জানে।

৩১ শে মে, ২০১৮ রাত ২:৪৯

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: দানশীলতা, যাকাত, ফিতরা সহ ধর্মীয় মানবিক টুলস গুলোকে এরা ব্যবহার করেছে মূখোশে আসল চেহারা ঢেকে, ভিতরে এরা সবাই যাবতীয় দুর্বিত্ত পন্থায় টাকা কামায়। এই ট্রেন্ড, এই অধর্মের, এই নির্লজ্জতার অবসান হোক। সমাজ জেগে উঠুক।

৪৯| ২৯ শে মে, ২০১৮ রাত ১১:১৮

নায়লা রহমান বলেছেন: কিন্তু বদির বেয়াইও ক্রশফায়ারে মারা গেছে নিউজে দেখলাম

৩০ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৩:১৬

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: হু তাকে খরচ করেছে!

৫০| ৩০ শে মে, ২০১৮ রাত ১:১৩

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: সহমত। উপর থেকে নিচের দিকে নামতে হবে। নিচ থেকে উপরের দিকে গেলে গুলি আর প্রসাসনের সময় নষ্ট ছাড়া আর কিছুই হবে না।

৩০ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৩:১৩

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: উপর থেকে নিচের দিকে নামতে হবে। নিচ থেকে উপরের দিকে গেলে গুলি আর প্রসাসনের সময় নষ্ট ছাড়া আর কিছুই হবে না।

৫১| ৩০ শে মে, ২০১৮ রাত ১:২৪

Kishor Mainu বলেছেন: চিটাগাং সিটি কলেজের বিপরীতে মাদক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র বানানো হয়েছে প্রায় ৩/৪বছর হলো।
মাদক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র বিল্ডিং-এর নিচে বসেই নেশাখোরদের গাঞ্জা টানতে দেখেছি আমি বহুবার।
মাদক নিয়ন্ত্রন কেন্দ্রের নিচেই যেখানে মাদক গ্রহণ চলছে তখন আর কি ই বা আশা করা যায়!!!

৩০ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৩:১৬

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: চিটাগাং সিটি কলেজের বিপরীতে মাদক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র বানানো হয়েছে প্রায় ৩/৪বছর হলো।
মাদক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র বিল্ডিং-এর নিচে বসেই নেশাখোরদের গাঞ্জা টানতে দেখেছি আমি বহুবার।



এর চেয়ে বড় হতাশা আর কি হতে পারে!

৫২| ৩০ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৩:৩০

ঢাবিয়ান বলেছেন: মাদক ব্যবসায়ীদের ক্রসফায়ারে দেওয়ার পক্ষে বলে নিজের মত জানালেন মাদক ব্যবসা নিয়ে আলোচিত (কক্সবাজার-৪ আসন) সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি। সম্প্রতি এক ফোন সাক্ষাৎকারে তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে এমন অভিযান ও ক্রসফায়ার আরও অনেক আগে শুরু করা দরকার ছিল। যখন মাদক নিয়ে কথাবার্তা হচ্ছিল, তখনই এই অভিযান দরকার ছিল। এখন যে অভিযান হচ্ছে, তাও খুব ভালো। কারণ, এটা না করলে সমাজ তো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে যুবসমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।’
‘সরকারের পদক্ষেপ আমার পদক্ষেপ। আর আমার পক্ষ থেকে যা আছে, তা হচ্ছে আমি ‘ক্রসফায়ার’ দেওয়ার পক্ষে।’
বাংলা ট্রিবিউন। ২২ মে, ২০১৮

৩১ শে মে, ২০১৮ রাত ২:৪৬

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: মাননীয় স্পীকার!!

৫৩| ৩০ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৩

বিজন রয় বলেছেন: ক্রসফায়ার বন্ধ হবে কবে।

৩১ শে মে, ২০১৮ রাত ২:৫৩

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: ক্রসফায়ার বন্ধ করে বিচারের স্বাভাবিক চ্যানেল স্টাব্লিশ করা শাসকের প্রথম সারির কর্তব্য।

৫৪| ৩০ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৯

ধ্রুবক আলো বলেছেন: এসব মাদকব্যবসায়ীরা, মাদকাসক্তি, এর পেছনে গডফাদার সব নিপাত যাক।

৩১ শে মে, ২০১৮ রাত ২:৫২

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: দুর্বিত্ত রা নিপাত যাক। বাংলাদেশ মুক্তি পাক!

৫৫| ৩০ শে মে, ২০১৮ রাত ১১:১৬

পল্লব কুমার বলেছেন: যতদিন না পর্যন্ত সরকারের উচ্চপর্যায়ের সদিচ্ছা ও বিবেকবোধ এর উদয় না হবে ততদিন এই সমস্যার কোনো সহজ সমাধান সম্ভব না। আন্দোলন করেও লাভ নাই। আন্দোলন করবে টা কারা। বেশিরভাগ তরুন তো নেশার ঘোরে ঘুমন্ত।
আপনার মত আমিও আশা রাখি শুভবুদ্ধির উদয় হবে। কিন্তু ততদিনে যেন দেরী না হয়ে যায়।
তথ্যপূর্ণ এই লিখার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৩১ শে মে, ২০১৮ রাত ২:৪৫

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: আশা রাখি শুভবুদ্ধির উদয় হবে। কিন্তু ততদিনে যেন দেরী না হয়ে যায়।

৫৬| ৩১ শে মে, ২০১৮ সকাল ৮:৫৮

সবুজের ইবনে বতুতা বলেছেন: সরকারী মদদে মাদক ব্যবসা চলে এটা সবাই জানে,
এখন মাদকাসক্তদের এভাবে মেরে যদি মাদক নির্মূল করা যেত তবে তো ভালই হতো।
মাদক নির্মূল করতে আত্নিক উন্নতি প্রয়োজন, যা মাদকাসক্ত নিরাময়কেন্দ্র হয়ে থাকে।

০৬ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ২:৪৯

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: ১। স্রেফ কুসঙ্গের বাইরেও বেকারত্ব, কর্মহীনতা, নিন্ম মজুরি, কষ্টের জীবন এবং সামাজিক পারিবারিক ব্যক্তিগত সম্পর্কে তিক্ততা এইসব বেশ কিছু মৌলিক আর্থ সামাজিক কারণ আছে মাদকাসক্তি বিস্তারের পিছনে। এই আর্থিক ও সামাজিক কারণগুলো সামাধান না করে গডফাদার মারলেও খুব বেশি কাজ হবে না।
২। সমাজের নৈতিক অবক্ষয় চূড়ান্ত। হাতে হাতে পর্ণ ও মাদক, এমনকি আগ্নেয় অস্ত্রও! এখান থেকে ইউ টার্ণ কিভাবে করবে আমাদের সমাজ তার বোধ জন্মাতে হবে।
৩। কাজ হবে পুরো সাপ্লাই চেইন ভেঙে দিতে পারলে, এবং নতুন সাপ্লাই ব্যবস্থা না দাঁড়াতে দিলে। মাদক নিয়ন্ত্রণ বিভাগ ও পুলিশ প্রশাসনকে রাজনৈতিক চাপ হীন ভাবে নির্দিস্ট টার্গেট সহ কাজ করতে দিলে কাজ হবে।
৪। আপনি ১০ বছর ধরে জেনে শুনে উপরি খেয়ে গডফাদার তৈরি করলেন, গডফাদারদের তালিকা পুলিশ প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছে ব্যবস্থা নেননি, এখন এসে কিছু চুনোপুঁটি ধরছেন এবং তাও গডফাদারদের আড়াল করে। এতে কি হবে, কিছু দিন পর গডফাদাররা নতুন সাপ্লাই চেইন তৈরি করবে। রাজনৈতিক নেতারা যারা চাঁদাবাজি নির্ভর আয় করে তাদের জন্য নতুন উপার্জনের মাধ্যম দাঁড়া হবে।
৫। মাদকাসক্তের নিরাময় ব্যবস্থা, আত্বিক উন্নতি ও পরিচর্যার কাঠামো দাঁড়া করাতে হবে।

৫৭| ৩১ শে মে, ২০১৮ সকাল ১১:৩৪

সাইদুল ইসলাম ইউআইটি বলেছেন: অসাধারন।
অনেক কিছু জানতে পাওয়া গেলো
আপনাকে ধন্যবাদ।

০১ লা জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:০৪

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: আন্তরিক ধন্যবাদ।

৫৮| ০১ লা জুন, ২০১৮ রাত ১২:০৫

মীর সাজ্জাদ বলেছেন: অনেক আগে জীবনে একবার ইয়াবাতে কি আছে তা জানতে ইয়াবাতে টান দিয়েছিলাম, কিছুই পেলাম না, জীবনে একবার সিগারেট টেনেও কিছু পেলাম না। কিন্তু অনেকে অনেক কিছু পায়, এটা আমি মানি, কিন্তু এই শখের বশে যারা প্রতিনিয়ত টানতে থাকে, তারা একসময় এর মাঝে কিছু খুজে পায়, যা সে আর ছাড়তে পারে না। তাই শখের বশে কখনোই এগুলোতে অভ্যস্ত হতে হয় না।

৫৯| ০১ লা জুন, ২০১৮ দুপুর ২:৪১

মোঃ মারুফুল হক বলেছেন: এক সমাজ বিজ্ঞানির কথা আজ মনে পড়ল, তিনি বলেছেন, মানুষ ধর্ম থেকে যত দুরে সরে যাবে মানুষ তত নৈতিক অবক্ষয়ের অতল গহ্বরে নিমজ্জিত হবে। বর্তমান প্রেক্ষাপট তারই একটা অংশ। চলুন আমরা শিক্ষা, জ্ঞান ও ধর্ম চর্চায় মনোনিবেশ করি। একটি সুন্দর জাতি উপহার দেই। BD Results Today

০১ লা জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:০৪

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

৬০| ০১ লা জুন, ২০১৮ রাত ১০:০৪

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: Click This Link

৬১| ০১ লা জুন, ২০১৮ রাত ১০:০৬

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: Click This Link একরাম খুনের ওডিও

স্ত্রী ও সন্তানকে মোবাইল ফোন কলে সংযুক্ত রেখে গুলি করে খুন করা হয়েছে।

নির্বাচিত স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং নাগরিক হিসেবে লোকটা অপরাধী হলেও তাকে বিনাবিচারে খুন করার অধিকার রাষ্ট্রের নেই।

এই রাষ্ট্রের চালকরা সাক্ষাৎ খুনী। এই রাষ্ট্রের খুনে প্রতিষ্ঠান গুলোকে চ্যালেঞ্জ করতে হবে, এখনই। নাইলে রাষ্ট্রই একসময় আঘাতে পড়ে ক্ষয়ে যাবে। একটি দুর্বিত্ত রাষ্ট্রীয় কাঠামো কখনও স্থায়ী হয় না, সে স্বাভাবিক বিলোপ প্রক্রিয়ায় হারিয়ে যায়। বাংলাদেশকে রাষ্ট্র হিসেবে বাঁচাতে এর নাগরিকের ভাবনাকে গভীরে পৌঁছতে হবে।

"‘ক্রসফায়ার’ বা ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হচ্ছে রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচারহীন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। ক্রসফায়ারে বাংলাদেশের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কিংবা দমন—কোনোটিই হয়নি। বরং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর হাতে একচেটিয়া ক্ষমতা দিয়ে তাদের জবাবদিহির বাইরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তাদের হাতে জমা হয়েছে একচেটিয়া ‘সন্ত্রাসের’ ক্ষমতা।"

মানবাধিকার সংস্থার তথ্যমতে, গত মে মাসেই দেশে ৩২৩ জন মানুষ হত্যাকাণ্ডের স্বীকার হয়েছে,এর মধ্যে বন্ধুকযুদ্ধে মারা গেছে ১২৭ জন !

৬২| ০২ রা জুন, ২০১৮ দুপুর ১:২৩

রাকু হাসান বলেছেন: চমৎকার একটি আর্টিকেল পড়লাম। যদিও বড় ছিল কিন্ত খারাপ লাগে নি ।

০৭ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ২:৫২

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া

৬৩| ০৩ রা জুন, ২০১৮ সকাল ১১:১২

জান্নাতুল ফেরদৌস৯৩ বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

৬৪| ০৩ রা জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:২১

নাবিল বিন মুমিন বলেছেন: আসলেই দেশ টা শেষ হয়ে যাচ্ছে। সমাধান হচ্ছেনা শুধুমাত্র অরাজনিতির জন্য। ঠিক!

৬৫| ০৪ ঠা জুন, ২০১৮ দুপুর ২:০২

সিগনেচার নসিব বলেছেন: মাদক সন্ত্রাস ঠেকাতে 'উপরে উঠায় দেয়া' পলিসি এর আগে অনেক দেশই নিয়েছে। থাইল্যান্ড, মালয়শিয়া, লাতিন আমেরিকা, ফিলিপাইন ইত্যাদি জায়গায় অনেক অভিযানে অনেক মাদকাসক্ত ও খুচরা ব্যবসায়ী প্রাণ দিয়েছে! মূল উৎস আর গডফাদারদের থামাতে না পারলে এসব করে তেমন লাভ হয় না-এটা প্রমাণিত! গুলি করে মাদক ঠেকানো গেলে দুনিয়াতে মাদক বলে কিছু থাকতো না। সর্বকালের সেরা ড্রাগলর্ড পাবলো এস্কোবারকেও তো ক্রসফায়ারে দেয়া হল..রাজা গেলো; সাম্রাজ্য ঠিকই আছে! এদিকে চুনোপুঁটি মেরে আর কতদূর?! মাদক কারখানা আর মাদক দেশে আসার প্রবেশপথ বন্ধ না হলে এই সমস্যা ১০০ বছরেও সমাধান হবে না! গ্যারান্টেড

০৬ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ২:৪৮

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: মূল উৎস আর গডফাদারদের থামাতে না পারলে এসব করে তেমন লাভ হয় না-এটা প্রমাণিত! গুলি করে মাদক ঠেকানো গেলে দুনিয়াতে মাদক বলে কিছু থাকতো না। সর্বকালের সেরা ড্রাগলর্ড পাবলো এস্কোবারকেও তো ক্রসফায়ারে দেয়া হল..রাজা গেলো; সাম্রাজ্য ঠিকই আছে!

১। স্রেফ কুসঙ্গের বাইরেও বেকারত্ব, কর্মহীনতা, নিন্ম মজুরি, কষ্টের জীবন এবং সামাজিক পারিবারিক ব্যক্তিগত সম্পর্কে তিক্ততা এইসব বেশ কিছু মৌলিক আর্থ সামাজিক কারণ আছে মাদকাসক্তি বিস্তারের পিছনে। এই আর্থিক ও সামাজিক কারণগুলো সামাধান না করে গডফাদার মারলেও খুব বেশি কাজ হবে না।
২। সমাজের নৈতিক অবক্ষয় চূড়ান্ত। হাতে হাতে পর্ণ ও মাদক, এমনকি আগ্নেয় অস্ত্রও! এখান থেকে ইউ টার্ণ কিভাবে করবে আমাদের সমাজ তার বোধ জন্মাতে হবে।
৩। কাজ হবে পুরো সাপ্লাই চেইন ভেঙে দিতে পারলে, এবং নতুন সাপ্লাই ব্যবস্থা না দাঁড়াতে দিলে। মাদক নিয়ন্ত্রণ বিভাগ ও পুলিশ প্রশাসনকে রাজনৈতিক চাপ হীন ভাবে নির্দিস্ট টার্গেট সহ কাজ করতে দিলে কাজ হবে।
৪। আপনি ১০ বছর ধরে জেনে শুনে উপরি খেয়ে গডফাদার তৈরি করলেন, গডফাদারদের তালিকা পুলিশ প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছে ব্যবস্থা নেননি, এখন এসে কিছু চুনোপুঁটি ধরছেন এবং তাও গডফাদারদের আড়াল করে। এতে কি হবে, কিছু দিন পর গডফাদাররা নতুন সাপ্লাই চেইন তৈরি করবে। রাজনৈতিক নেতারা যারা চাঁদাবাজি নির্ভর আয় করে তাদের জন্য নতুন উপার্জনের মাধ্যম দাঁড়া হবে।
৫। মাদকাসক্তের নিরাময় ব্যবস্থা, আত্বিক উন্নতি ও পরিচর্যার কাঠামো দাঁড়া করাতে হবে।

৬৬| ০৪ ঠা জুন, ২০১৮ রাত ১০:২৯

শেখ সাদী মারজান বলেছেন: ধন্যবাদ।
তথ্যবহুল অনবদ্য লিখনীর জন্য।

১২ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:১৮

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য

৬৭| ০৫ ই জুন, ২০১৮ রাত ২:১৫

মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন:
ফয়েজ ভাই, ৭১ এর যুদ্ধে গিয়ে তো মুক্তি যোদ্ধে হতে পারি নাই তাই চলেন এবার বদি ভাই এর লাগে মাদক যুদ্ধে গিয়ে মাদক যোদ্ধার কোন সার্টিফিকেট যোগাড় করা যায়। বলা তো যায় না কখন কোন সার্টিফিকেট কাজে লাগে। আমাদের না লাগলেও ভবিষ্যতে আমাদের ছেলে-মেয়ে অথবা নাতি নাতনির কাজে লাগলেও লাগতে পারে।

০৬ ই জুন, ২০১৮ রাত ৮:২০

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: চল যাই যুদ্ধে, দুর্বিত্তদের বিরুদ্ধে।

৬৮| ০৫ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৭

বৃষ্টি বিন্দু বলেছেন: মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সবারই এগিয়ে আসা উচিত। আপনার সচতনতামূলক লিখনির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

০৬ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ২:৩৫

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকেও!

৬৯| ০৬ ই জুন, ২০১৮ রাত ৩:১৩

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমাদের চরিত্রের সঠিক গঠন , সামাজিক প্রেক্ষাপট, আর্ন্তজাতিক নীল ণকশা
এই ত্রয়ের মাঝে নিহিত আছে মূল রহস্য। .................বিড়ালের গলায় ঘন্টা পরাবে কে ???


তথ্যপূর্ণ এই লিখার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
==============================================================================

০৬ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ২:৩৪

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: আমাদের চরিত্রের সঠিক গঠন, সামাজিক প্রেক্ষাপট, আর্ন্তজাতিক নীলনকশা এই ত্রয়ের মাঝে নিহিত আছে মূল রহস্য।

নিজেদেরই সচেতন হতে হবে।

৭০| ০৬ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ২:৫৬

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: অনেক দিন ব্লগে আসা হয় না,আজ ব্লগে এসেই এত বাস্তবসম্মত একটি পোস্ট দেখতে পেয়ে আনন্দে মনটাই ভরে উঠলো--- এই ব্লগের মাধ্যমে অনেকেই সচেতন হবে বলে আশা করছি--

০৬ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৫

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: ভালো থাকবেন, ভালো রাখবেন!

৭১| ০৬ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৯

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: তিন ইয়াবা কারখানার মালিক রনি চৌধুরী, সরকারের প্রভাবশালী এক মন্ত্রীর ছেলে।
http://www.kalerkantho.com/print-edition/first-page/2016/06/28/375208

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক ব্যবসা ৩ ওসির মদদে
http://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1501291/

মাদক ব্যবসায় বদি
https://www.youtube.com/watch?v=oRpgezvmZ9Y

Police await PM’s order to crack down on drug lords। Despite ruling party men, BNP, Jamaat, JP leaders and local goons are also involved in drug peddling
http://www.observerbd.com/details.php?id=54732

৭২| ০৭ ই জুন, ২০১৮ রাত ১২:৩৭

আশরাফুল ইসলাম (মাসুম) বলেছেন: ক্রসফায়ার নিয়ে অনেক আগে থেকেই সমালোচনা থাকলেও মানুষের সন্দেহ দূর করার জন্য কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। বরং এর পক্ষেই সাফাই গাইতে দেখা যায় সরকারকে। এর বিরুদ্ধে মানবাধিকার সংস্থাগুলো প্রতিবাদ করলেও আমলে নেয়া হয়না কখনো। একরামুলের ঘটনা নিয়ে সারা দেশেই সমালোচনা হচ্ছে! একে তো ক্রসফায়ার নিয়ে মানুষের সন্দেহ আছেই তার উপর একরামুল আসলেই মাদকের সাথে যুক্ত ছিলেন কিনা সেটা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে এখন!

১২ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:১৭

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: ক্রসফায়ার নিয়ে আসলে কোন সন্দেহ নেই, এটা সরাসরি গুলি করে মানুষ হত্যার নাম। একটা রাষ্ট্র এভাবে বছরের পর বন্দুক যুদ্ধের মিথ্যা সবাইকে শিখিয়ে প্রজন্মের পর প্রজন্ম বড় করছে, এটা একটা হতাশা ও লজ্জার ব্যাপার। যে শিশু জানে রাষ্ট্রই মিথ্যাবাদী সে শিশু কিভাবে রাষ্ট্রকে বিশ্বাস করবে এবং বিশ্বাসী সেবা দিবে, সেটা জানা নাই।

৭৩| ০৭ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৪

মুরাদ পাভেল বলেছেন: সুন্দর পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ। সময় পেলে আমার পোষ্টগুলো দেখবেন এবং আমাকে সেফ হতে সাহায্য করবেন আশা করি।

১২ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:১৯

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৭৪| ০৮ ই জুন, ২০১৮ রাত ২:৩৪

পথচারী শিশুদের বন্ধুূ বলেছেন: দেশের ভিতরে মাদক বিরোধী অভিযান না চালিয়ে সিমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হোক তাহলেই সব সমাধান হবে। অন্যতায় নয়।

৭৫| ০৯ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১০:৪২

মঈনুদ্দিন অারিফ মিরসরায়ী বলেছেন: Click This Link

৭৬| ০৯ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১১:৩৭

বন্ধু তুহিন প্রাঙ্গনেমোর বলেছেন: অনেক তথ্য বহুল পোষ্ট.............. বাংলাদেশের ড্রাগস ব্যাবসা একটা ওপেন সিক্রেট ব্যাপার। গড ফাদারদের ধরা হয়না। হবেওনা হয়তো।

১২ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:১৫

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: বাংলাদেশের ড্রাগস ব্যাবসা একটা ওপেন সিক্রেট ব্যাপার।

৭৭| ১১ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:০৪

হিয়ার আফটার বলেছেন: আমাদের দেশ ও জনগণের স্বার্থে অতি সত্ত্বর দেশ থেকে সম্পূর্ণরূপে মাদক উঠিয়ে ফেলতে হবে।

১২ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:১৮

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: সহমত

৭৮| ১১ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:১০

চিন্তিত নিরন্তর বলেছেন: আরো দশ বছর আগে পদক্ষেপ নিতে হয়। এখন আর সম্ভব হবে কিনা সন্দেহ।

১২ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:১৪

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: ঠিক বলেছেন, মেলা দেরি হয়ে গেছে।

৭৯| ১২ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:২২

অালপিন বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন।

৮০| ১২ ই জুন, ২০১৮ রাত ৯:১৯

ইঞ্জিনিয়ার কবীর হোসেন (শুভ) বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন। সামনে আরো ভাল লেখা পাব আশা করি।
সময় হলে আমার প্রোফাইলে একবার ঘুরে আসবেন। ধন্যবাদ।
লিংক:... Click This Link

৮১| ১৫ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ১:২৯

মো: রওশন আলম পাপুল বলেছেন: অনেক ভালো লিখেছেন। তথ্যবহুল প্রতিবেদন। ধন্যবাদ অনেক।

৮২| ১৬ ই জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ঈদ মোবারক ভায়া :)



১৮ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:০০

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: ঈদ মোবারক!
আপনাকেও অনেক অনেক শুভেচ্ছা!

৮৩| ১৬ ই জুন, ২০১৮ রাত ৮:২২

এমদেশ বলেছেন: বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন ভারতীয় যেসব এলাকায় ফেনসিডিল তৈরির কারখানা আছে, সেগুলোর ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকার নীরব কেন?
আসলে দেশের কত লাখ নারী-পুরুষ মাদকসেবী?

৮৪| ১৬ ই জুন, ২০১৮ রাত ৮:২৮

এমদেশ বলেছেন: চমৎকার পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ।
বলা হয় বাংলাদেশে মাদকসেবীর সংখ্যা প্রায় ৭০ লাখ। এই হিসেব ঠিক হলো তো প্রায় প্রতিটি পরিবারে একজন মাদকসেবী আছে।
এটা তো ভয়াবহ একটি পরিসংখ্যান!

ভালো থাকবেন। ঈদ মুবারক।

৮৫| ১৭ ই জুন, ২০১৮ রাত ১২:২৬

চৌধুরী জাফর উল্লাহ শরাফত বলেছেন: "ক্রস ফায়ার নয় বিচার চাই"-- সহমত, সেই সাথে ধন্যবাদ জানাচ্ছি সমস্যার গভীরতা উপলব্ধি করে আপনার চমৎকার বিশ্লেষণের জন্য। পড়ে ভালো লাগলো।

১৮ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৯

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: চৌধুরী জাফর উল্লাহ শরাফত!! আমি চৌধুরী সাহেবের ধারাভাষ্য মিস করি!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.